(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: -)
آكام المرجان فى ذكر المدائن المشهورة فى كل مكان (إسحاق بن الحسين المنجم)
القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: آكام المرجان في ذكر المدائن المشهورة في كل مكان
المؤلف: إسحاق بن الحسين المنجم (ت ق 4هـ)
الناشر: عالم الكتب، بيروت
الطبعة: الأولى، 1408 هـ
عدد الصفحات: 144
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আকামুল মারজান ফি জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরা ফি কুল্লি মাকান (প্রতিটি স্থানের প্রসিদ্ধ শহরগুলোর বর্ণনায় প্রবালের পাহাড়) (ইসহাক বিন আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম)
বিভাগ: দেশসমূহ এবং ভ্রমণকাহিনী
গ্রন্থ: আকামুল মারজান ফি জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরা ফি কুল্লি মাকান
লেখক: ইসহাক বিন আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম (মৃত্যু আনুমানিক ৪র্থ হিজরি শতাব্দী)
প্রকাশক: আলমুল কুতুব, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: -)
إسحاق بن الحسين المنجم شبه مجهول، لا يعرف عنه سوى اسمه.لقد قام جماعة من المستشرقين ببعض التحريات حول المؤلف، ومنهم مينورسكي وأرمنياكوف وبروكلمان، دون الوصول إلى نتيجة حاسمة. وخلاصة هذه التحريات، أن المؤلف عاش في القرن الثالث للهجرة، ورأي آخر يقول إنه عاش في حدود 340 هـ، ورأي ثالث أنه عاش في فترة لا تتعدى 454 هـ، العام الذي أسست فيه مدينة مراكش، التي لم يرد ذكرها لديه. وهناك من قال بأن المؤلف أندلسي، بدليل وجود صدى لهجة الأندلس في كتابه آكام المرجان.
ইসহাক ইবনে আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম তিনি প্রায় অপরিচিত, তার নাম ছাড়া তার সম্পর্কে আর কিছুই জানা যায় না।একদল প্রাচ্যবিদ লেখক সম্পর্কে কিছু অনুসন্ধান চালিয়েছেন, যাদের মধ্যে মিনোর্স্কি, আরমেনিয়াকভ এবং ব্রোকলম্যান অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু তারা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। এসব অনুসন্ধানের সারসংক্ষেপ হলো এই যে, লেখক হিজরি তৃতীয় শতাব্দীতে জীবিত ছিলেন। অন্য একটি মত অনুযায়ী, তিনি ৩৪০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে বাস করতেন। তৃতীয় একটি মত হলো, তিনি ৪৫৪ হিজরির পরবর্তী সময়ের নন; এটি সেই বছর যখন মারাক্কেশ শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তার গ্রন্থে এই শহরের কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। কেউ কেউ বলেছেন যে লেখক একজন আন্দালুসীয় ছিলেন, যার প্রমাণ হিসেবে তার 'আকাম আল-মুরজান' গ্রন্থে আন্দালুসীয় উপভাষার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدّمة التحقيقبسم الله الرّحمن الرّحيم منذ عشرينات هذا القرن، لا يزال كتاب (آكام المرجان) موضع بحث نظرا لما يحيط به ومؤلفه من غموض.فالمؤلف إسحاق بن الحسين المنجم، شبه مجهول، لا يعرف عنه سوى اسمه.إلّا أننا بالتأكيد نعرف أن المخطوط يماني، كتبه ناسخه «أحسن بن علي بن عبيد الله الأنسي الكوكباني» ، مما «خدم به أمير المؤمنين القاسم بن الحسين» أحد أئمة اليمن، والذي تولى السلطة منذ العام 1128 هـ حتى وفاته في العام 1139 هـ. وذيّل المخطوط بإتمام نسخه في شهر شعبان 1129 هـ. وقد قامت السيدة أنجيلا كوداتزي بوصف مخطوطة الأمبروزيانا، وقالت إنه يتألف من 33 ورقة بقياس 1، 20* 2، 15 سم في 12 سطرا لكل صفحة. وخالطت المخطوط بعض البقع في الورقتين 5- 6 و 30- 31، وهو
সম্পাদকের ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। এই শতাব্দীর বিশের দশক থেকে, 'আকামুল মুরজান' গ্রন্থটি গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এটি এবং এর লেখককে ঘিরে এক প্রকার রহস্যময় অস্পষ্টতা বিদ্যমান রয়েছে।লেখক ইসহাক বিন আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম প্রায় অজ্ঞাত, তাঁর নাম ছাড়া তাঁর সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় না।তবে আমরা নিশ্চিতভাবে জানি যে এই পাণ্ডুলিপিটি ইয়ামানি, যা এর প্রতিলিপিকার ‘আহসান বিন আলী বিন উবাইদুল্লাহ আল-আনসি আল-কাওকাবানি’ অনুলিপি করেছেন। এটি তিনি ইয়ামানের অন্যতম ইমাম ‘আমিরুল মুমিনীন আল-কাসিম বিন আল-হুসাইন’-এর খেদমতে পেশ করেছিলেন, যিনি ১১২৮ হিজরি থেকে ১১৩৯ হিজরিতে মৃত্যু পর্যন্ত ক্ষমতাসীন ছিলেন। পাণ্ডুলিপিটির শেষে শাবান ১১২৯ হিজরিতে এর প্রতিলিপি সম্পন্ন করার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। লেডি অ্যাঞ্জেলা কোডাটজি আমব্রোসিয়ানা পাণ্ডুলিপিটির বর্ণনা দিয়েছেন এবং বলেছেন যে এটি ৩৩টি পত্র সম্বলিত, যার পরিমাপ ২০.১ * ১৫.২ সেন্টিমিটার এবং প্রতি পৃষ্ঠায় ১২টি করে লাইন রয়েছে। পাণ্ডুলিপির ৫-৬ এবং ৩০-৩১ নম্বর পাতায় কিছু দাগ লেগে আছে, এবং এটি
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৬)
مكتوب بالخط النسخي اليمني، ويشوبه الكثير من الأخطاء، فيما كتب ظهر الورقة الأولى ووجه الورقة الثانية بخط ثلثي جميل «1» .نشر الكتاب بجهود السيدة كوداتزي، إلّا أنه بقي كثير الأخطاء، سواء من كلمات غير منقوطة، أو من كلمات رسمت خطأ. غير أن الأخطاء الكبرى التي شابت هذا العمل، هي ما سقط من النسخ حتى ليبلغ فقرات أحيانا. أو سقوط التعريف بمدن ومقاطعات بكاملها. وقد حاولت بعملي استدراك ما سقط، وتقديم هذا المصنف بشكل يصحح معظم الأخطاء التي وردت فيه.لقد قام جماعة من المستشرقين ببعض التحريات حول المؤلف، ومنهم مينورسكي وأرمنياكوف وبروكلمان، دون الوصول إلى نتيجة حاسمة. وخلاصة هذه التحريات، أن المؤلف عاش في القرن الثالث للجهرة، ورأي آخر يقول إنه عاش في حدود 340 هـ، ورأي ثالث أنه عاش في فترة لا تتعدى 454 هـ، العام الذي أسست فيه مدينة مراكش، التي لم يرد ذكرها لديه. وهناك من قال بأن المؤلف أندلسي، بدليل
এটি ইয়েমেনি নাসখ লিপিতে লিখিত এবং এতে প্রচুর ভুল পরিলক্ষিত হয়, পক্ষান্তরে প্রথম পাতার পিঠ এবং দ্বিতীয় পাতার সম্মুখভাগ সুন্দর সুলুস লিপিতে লিখিত হয়েছে «১»।বইটি শ্রীমতী কুডাটজি-এর প্রচেষ্টায় প্রকাশিত হয়েছিল, তবে এতে নুকতাহীন শব্দ কিংবা ভুলভাবে অঙ্কিত শব্দের ন্যায় অনেক ত্রুটি রয়ে গেছে। তবে এই কাজের প্রধান ত্রুটিগুলো হলো পাণ্ডুলিপি থেকে বিভিন্ন অংশ বাদ পড়া, যা কখনো কখনো সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত পৌঁছেছে। অথবা পুরো শহর ও প্রদেশের বর্ণনা বিলুপ্ত হওয়া। আমি আমার কাজের মাধ্যমে যা বাদ পড়েছে তা পুনরুদ্ধার করার এবং এই গ্রন্থটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি যা এর অধিকাংশ ভুল সংশোধন করে।একদল প্রাচ্যবিদ লেখক সম্পর্কে কিছু অনুসন্ধান চালিয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন মিনোরস্কি, আরমেনিয়াকভ এবং ব্রোকলম্যান, তবে তারা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। এই অনুসন্ধানগুলোর সারসংক্ষেপ হলো—লেখক হিজরি তৃতীয় শতাব্দীতে বাস করতেন; অন্য এক মতে তিনি ৩৪০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে জীবিত ছিলেন; আবার তৃতীয় এক মতে তিনি ৪৫৪ হিজরির পরবর্তী সময়ের নন, যে বছর মারাকেশ শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার কোনো উল্লেখ তার গ্রন্থে পাওয়া যায় না। কেউ কেউ বলেছেন যে লেখক আন্দালুসি ছিলেন, যার প্রমাণ হিসেবে
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৭)
وجود صدى لهجة الأندلس في كتابه «2» . ويزيد الأمر إرباكا إغفاله للمؤلفين أو الرواة الذين أخذ عنهم، باستثناء ورود اسم قتيبة في حديثه عن إصفهان. وإذ توقعت أن يكون هناك خطأ في الاسم، فقد قمت بمراجعة ما كتبه ابن قتيبة في (الأخبار الطوال) عن فتوح المشرق، فلم أجد شيئا.وعدت أستقرىء المصادر الأندلسية، فألفيت ابن خلدون يصرّح بمصادره بأنه «يحاذي» في معلوماته الجغرافية «ما وقع في كتاب نزهة المشتاق في اختراق الآفاق الذي ألفه العلوي الأندلسي المحمودي لملك صقلية من الافرنج وهو رجار [Roger] عندما كان نازلا عليه بصقلية بعد خروج صقلية من إمارة مالقة. وكان تأليفه للكتاب في منتصف المائة السادسة، وجمع له كتبا جمة للمسعودي وابن خرداذبة والحوقلي والقردي وابن إسحاق المنجم وبطليموس وغيرهم» «3» .أما الإدريسي، المولود في مدينة سبتة في العام 493 هـ فقد صرح في «نزهة المشتاق» بمصادره «بطلب ما في الكتب
তাঁর গ্রন্থে আন্দালুসীয় উপভাষার রেশ পরিলক্ষিত হয় [২]। বিষয়টি আরও বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে যখন তিনি যাদের কাছ থেকে তথ্য গ্রহণ করেছেন সেই লেখক বা বর্ণনাকারীদের নাম উল্লেখ করতে উপেক্ষা করেন, কেবল ইসফাহান সম্পর্কে আলোচনার সময় কুতাইবাহ নামের উল্লেখ ব্যতীত। আমি যখন নামটিতে কোনো ভুল থাকার সম্ভাবনা অনুমান করলাম, তখন ইবনে কুতাইবাহ তাঁর 'আল-আখবার আল-তিওয়াল' গ্রন্থে প্রাচ্যের বিজয় সম্পর্কে যা লিখেছেন তা পর্যালোচনা করলাম, কিন্তু সেখানে কিছুই পেলাম না।পুনরায় আমি আন্দালুসীয় উৎসসমূহ অনুসন্ধান করতে শুরু করলাম এবং দেখলাম যে ইবনে খালদুন তাঁর উৎসসমূহ সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বলছেন যে, তিনি তাঁর ভৌগোলিক তথ্যের ক্ষেত্রে সেই সব বিষয়ের 'অনুসরণ' করেছেন যা 'নুযহাতুল মুশতাক ফি ইখতিরাকুল আফাক' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। গ্রন্থটি আল-আলাওয়ী আল-আন্দালুসী আল-মাহমুদী সিসিলির ইউরোপীয় রাজা রজার [Roger]-এর জন্য রচনা করেছিলেন, যখন তিনি সিসিলি মালাগাহর আমীরাত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন। গ্রন্থটি ষষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রচিত হয়েছিল এবং তিনি এর জন্য আল-মাসউদী, ইবনে খুরদাদবাহ, আল-হাওকালী, আল-কুরদী, জ্যোতির্বিদ ইবনে ইসহাক, টলেমি এবং অন্যান্যদের অনেক গ্রন্থ সংগ্রহ করেছিলেন [৩]।অপরদিকে আল-ইদ্রিসী, যিনি ৪৯৩ হিজরী সনে সুবতাহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি তাঁর 'নুযহাতুল মুশতাক' গ্রন্থে তাঁর উৎসসমূহ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে, "কিতাবসমূহে যা রয়েছে তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে..."
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৮)
المؤلفة في هذا الفن من علم كذلك كله. مثل العجائب للمسعودي، وكتاب أبي نصر سعيد الجيهاني، وكتاب أبي القاسم محمد الحوقلي البغدادي، وكتاب جاناخ بن خاقان الكيماكي وكتاب موسى بن قاسم القردي، وكتاب أحمد بن يعقوب المعروف باليعقوبي وكتاب إسحاق بن الحسين المنجم، وكتاب بطليموس الإقلودي … » «4» .وينتمي كاتبنا إلى مدرسة الجغرافية الرياضية، التي أرسى قواعدها بطليموس. وتتلخص قواعد هذه المدرسة بتقسيم العالم إلى سبعة أقاليم، واعتماد خطوط الطول والعرض لتحديد المدن والقرى. وأوضح إسحاق بن الحسين اعتماده «خط أول الأرض وهو خط المغرب، وخط الاستواء وهو خط وسط الأرض» .ومع أن «الآكام» تبدو كمعجم جغرافي، إلّا أن المؤلف اتبع نهجا خاصا مزج فيه بين تقديم أهمية المدينة ومدن الإقليم الواحد، متخليا عن مراعاة الأبجدية. فهو يعرض المدن الإسلامية المقدسة أولا، ثم يعود إلى بغداد «لأنها أصل المدائن» ، ثم إلى سرّ من رأى، وهي العاصمة الثانية لبني العباس، ثم إلى الكوفة والبصرة وواسط، أوائل الأمصار التي
এই শাস্ত্রের সকল রচনাও তেমনি। যেমন আল-মাসউদীর ‘আল-আজায়িব’, আবু নাসর সাঈদ আল-জাইহানির গ্রন্থ, আবু কাসিম মুহাম্মদ আল-হাওকালি আল-বাগদাদির গ্রন্থ, জানাক বিন খাকান আল-কিমাকির গ্রন্থ, মুসা বিন কাসিম আল-কুরদির গ্রন্থ, আহমাদ বিন ইয়াকুব (যিনি আল-ইয়াকুবি নামে পরিচিত) এর গ্রন্থ, ইসহাক বিন আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিমের গ্রন্থ এবং টলেমি আল-ইকলুদির গ্রন্থ … » «৪» ।আমাদের লেখক গাণিতিক ভূগোল শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত, যার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন টলেমি। এই মতবাদের মূল নীতিগুলো সংক্ষেপে হলো বিশ্বকে সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত করা এবং শহর ও গ্রামগুলোর অবস্থান নির্ণয়ে দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশ ব্যবহার করা। ইসহাক বিন আল-হুসাইন স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি ‘পৃথিবীর প্রথম রেখা যা মাগরিবের রেখা এবং নিরক্ষরেখা যা পৃথিবীর মধ্যরেখা’ তার ওপর নির্ভর করেছেন।যদিও ‘আল-আকাম’ গ্রন্থটিকে একটি ভৌগোলিক অভিধান বলে মনে হয়, তবে লেখক এতে একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন যেখানে তিনি বর্ণানুক্রমিক রীতি পরিহার করে শহরের গুরুত্ব এবং একই অঞ্চলের শহরগুলোকে একসাথে উপস্থাপনের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন। তিনি প্রথমে পবিত্র ইসলামি শহরগুলো বর্ণনা করেন, তারপর বাগদাদে ফিরে যান ‘কারণ এটি শহরগুলোর মূল’, এরপর ‘সাররা মান রাআ’ (সামাররা)—যা আব্বাসীয়দের দ্বিতীয় রাজধানী ছিল—তারপর কুফা, বসরা এবং ওয়াসিত, যা ছিল প্রাথমিক শহরগুলোর অন্তর্ভুক্ত যেগুলো
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৯)
شادها العرب. ثم ينتقل إلى جنوب شبه الجزيرة العربية فيذكر مدينة صنعاء «حرسها الله تعالى» ، ثم عدن وعمان وسبأ ومأرب وحضرموت وسقطرة والبحرين وهجر ثم الطائف واليمامة. ثم يتابع المؤلف توجهه نحو بلاد الشام، ومنها إلى بلدان المشرق الإسلامي، إلى أذربيجان وهمذان ونهاوند، ثم أصبهان والري، حتى يبلغ كرمان وخوارزم وبلخ وبخارى وسمرقند.وما نلاحظه حول ما كتبه في هذا القسم من جغرافيته:أ- إعجاب المؤلف بكل من بغداد وصنعاء. وهو في الأولى متأثر بما قرأه أو اقتبسه من مؤلفات الجغرافيين، حيث تبدو ملامح اليعقوبي وابن رستة وابن خرداذبة وابن الفقيه والإصطخري، حتى أن مقاطع بكاملها تتفق مع ما ورد في تلك المصادر. وفي الثانية، يبدو ظاهر الولاء لموطنه، وإذا كان هناك افتراض أولي يقول بأصل المؤلف الأندلسي، فإن هذا لا يمنع تعاطفه مع اليمن، وهو كذلك يقدم معلومات مفصلة عن جنوبي شبه الجزيرة.ب- في حديث المؤلف عن بلاد الشام، نراه يتحدث عن أنطاكية أثناء حديثه عن حلب. ومع ذلك فهو يعتبرها عاصمة للثغور الإسلامية، وهو ما كانت عليه أنطاكية قبل العام 358 هـ/ 959 عام سقوطها بأيدي قادة الإمبراطور
আরবদের দ্বারা নির্মিত। এরপর তিনি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণে চলে যান এবং সানআ নগরীর উল্লেখ করেন (আল্লাহ তাআলা একে রক্ষা করুন), তারপর এডেন, ওমান, সাবা, মারিব, হাজরামাউত, সোকোত্রা, বাহরাইন এবং হাজার, এরপর তায়েফ ও ইয়ামামা। তারপর লেখক শামের (সিরিয়া অঞ্চল) দিকে অগ্রসর হন এবং সেখান থেকে ইসলামি প্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে, আজারবাইজান, হামাদান এবং নাহাওয়ান্দ, তারপর ইসফাহান এবং রায়, যতক্ষণ না তিনি কিরমান, খাওয়ারিজম, বালখ, বুখারা এবং সমরকন্দে পৌঁছান।তাঁর ভূগোলের এই অংশে তিনি যা লিখেছেন সে সম্পর্কে আমরা যা লক্ষ্য করি:ক- বাগদাদ এবং সানআ—উভয় শহরের প্রতি লেখকের মুগ্ধতা। প্রথমটির ক্ষেত্রে তিনি ভৌগোলিকদের রচনাবলি থেকে যা পড়েছেন বা উদ্ধৃত করেছেন তার দ্বারা প্রভাবিত, যেখানে ইয়াকুবি, ইবনে রুস্তাহ, ইবনে খোরদাদবেহ, ইবনুল ফকিহ এবং ইস্তাখরির রচনার বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে, এমনকি কিছু সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদ ওই উৎসগুলোর বর্ণনার সাথে হুবহু মিলে যায়। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে তাঁর জন্মভূমির প্রতি প্রকাশ্য আনুগত্য প্রকাশ পায়। যদি প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী লেখকের আদি উৎস আন্দালুসিয়া হয়ে থাকে, তবুও তা ইয়েমেনের প্রতি তাঁর সহানুভূতিকে বাধাগ্রস্ত করে না; এবং তিনি একইভাবে উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।খ- শাম অঞ্চল সম্পর্কে লেখকের বর্ণনায় আমরা দেখি যে তিনি আলেপ্পো সম্পর্কে আলোচনার সময় আন্তাকিয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবুও তিনি একে ইসলামি সীমান্ত অঞ্চলসমূহের রাজধানী হিসেবে গণ্য করেন, যা ৩৫৮ হিজরি/৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে সম্রাটের সেনাপতিদের হাতে পতনের পূর্বে আন্তাকিয়ার যে অবস্থা ছিল তার সাথে সংগতিপূর্ণ।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১০)
نقفور فوكاس البيزنطي. ويتحدث في مكان آخر عن الحروب المتوالية بين العرب والبيزنطيين في (بلاد الشامات) .ج- إلى جانب ذلك، يقدم إسحاق بن الحسين معلومات جديدة لم يسبق أن عرضها غيره من قبل. فهو المصدر العربي الأول الذي ذكر نهر إيلي أثناء حديثه عن مدينة جرجان، ويكاد يكون الوحيد الذي أشار إلى أن خوارزم عرفت بالجرجانية. إلى هذا، يقدم مؤلفنا معلومات عن خراج بلدان المشرق، وأصول سكانها، وبعض صناعاتها التي اشتهرت بها، وذلك بإيجاز تام، وهو هنا قريب من الجغرافية الاقتصادية.في القسم الثاني من جغرافيته، ينتقل مؤلفنا إلى الحديث عن أقاليم إفريقيا. فيبدأ بالإسكندرية ودمياط وتنيس ومصر (القاهرة) ثم ينتقل إلى مدين ويعود إلى عين شمس والسويس (القلزم) . ثم ينتقل إلى الشمال الإفريقي، فيبدأ بطرابلس ثم إلى سرت وأجدابية، ثم يعود إلى خليج العقبة (أيلة) ، وينتقل مجددا إلى إفريقية فيذكر القيروان ثم إلى تاهرت، وقبل أن يختم هذا القسم، يقف المؤلف معتذرا بأنه سوف يذكر المواضع على الجملة والعموم، طلبا للإيجاز والاختصار. بعدها يتابع إلى بلاد البربر فيذكر تنس، ثم ينتقل
নাইসফরাস ফোকাস বাইজান্টাইন। তিনি অন্য স্থানে (শাম দেশসমূহে) আরব ও বাইজান্টাইনদের মধ্যে সংঘটিত ধারাবাহিক যুদ্ধগুলোর কথা আলোচনা করেছেন।গ- এর পাশাপাশি, ইসহাক ইবনুল হুসাইন এমন কিছু নতুন তথ্য উপস্থাপন করেছেন যা পূর্বে অন্য কেউ পেশ করেনি। তিনি প্রথম আরব উৎস যিনি জুরজান শহর সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে ইলি নদীর কথা উল্লেখ করেছেন, এবং তিনি প্রায় একমাত্র ব্যক্তি যিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে খোয়ারিজম 'জুরজানিয়াহ' নামে পরিচিত ছিল। এর সাথে আমাদের লেখক প্রাচ্যের দেশগুলোর খারাজ (ভূমি কর), তাদের অধিবাসীদের উৎস এবং তাদের কিছু প্রসিদ্ধ শিল্প সম্পর্কে অত্যন্ত সংক্ষেপে তথ্য প্রদান করেছেন; এক্ষেত্রে তিনি অর্থনৈতিক ভূগোলের কাছাকাছি অবস্থান করেছেন।তার ভৌগোলিক বর্ণনার দ্বিতীয় অংশে লেখক আফ্রিকার অঞ্চলসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুরু করেন। তিনি আলেকজান্দ্রিয়া, দমিয়াত, তিন্নীস এবং মিসর (কায়রো) দিয়ে শুরু করেন, এরপর মাদয়ানে যান এবং পুনরায় আইন শামস ও সুয়েজে (কুলজুম) ফিরে আসেন। এরপর তিনি উত্তর আফ্রিকায় স্থানান্তরিত হন এবং ত্রিপোলি দিয়ে শুরু করে সিরত ও আজদাবিয়া পর্যন্ত যান। এরপর তিনি পুনরায় আকাবা উপসাগরে (আইলাহ) ফিরে আসেন এবং আবার ইফ্রিকিয়ায় ফিরে গিয়ে কায়রাওয়ান ও তাহার্তের কথা উল্লেখ করেন। এই অংশ সমাপ্ত করার পূর্বে লেখক এই বলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন যে, তিনি সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে স্থানগুলো স্থুলভাবে এবং সাধারণভাবে উল্লেখ করবেন। এরপর তিনি বার্বারদের ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হয়ে তেনেসের কথা উল্লেখ করেন, তারপর তিনি স্থানান্তরিত হন
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১১)
إلى قسطيلية، وفاس وقرطبة ومليلة وتلمسان وناكور وسبته وطنجة واغمات وسجلماسة «آخر بلاد البربر» .بعدها ينتقل المؤلف إلى بلاد السودان، وهو يقصد الزنج. فيذكر بعضا من الأراضي في الحبشة ومالي والنوبة.وقبل أن ننتقل مع المؤلف إلى أوروبا، نتوقف لنسجل الملاحظات التالية:أ- أن المدن أو الأماكن التي ذكرها المؤلف تتصف بأنها مدن عريقة في التاريخ، أو أن بعضها محطة تاريخية (الإسكندرية، مصر، مدين، قرطجنة، القيروان، تنيس) .ب- إن معظم الأماكن تتصف بأنها مواني بحرية ومراكز لنشاط التجارة البحرية، أو أنها محطات تجارية برية، وهو هنا يلامس الجغرافية التاريخية للعالم الإسلامي. وإذا كنا نلمس ورود هذا الأمر دون تصريح من المؤلف، فإن أبا عبيد البكري الأندلسي، كان واضحا في هذا الشأن.ففي أحاديثه عن إفريقية الشمالية كان دائما يشير إلى المرافئ وما يقابلها من مرافئ على شواطىء الأندلس الشرقية وهو كان أيضا يصرّ على إبراز العلاقة الوطيدة بين مرافئ كل من الشاطئين.
কাসতিলিয়া, ফাস, কর্ডোবা, মেলিলা, তিলিমসান, নাকোর, সেউতা, তানজিয়ার, আগমাত এবং সিজিলমাসা (বার্বার দেশসমূহের শেষ সীমানা) পর্যন্ত।এরপর লেখক সুদান ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হন, যা দ্বারা তিনি জাঞ্জ (কৃষ্ণাঙ্গ এলাকা) বুঝিয়েছেন। তিনি আবিসিনিয়া, মালি এবং নুবিয়ার কিছু অঞ্চলের কথা উল্লেখ করেছেন।লেখকের সাথে ইউরোপে যাওয়ার আগে আমরা নিচের পর্যবেক্ষণগুলো লিপিবদ্ধ করার জন্য থামছি:ক- লেখক যেসব শহর বা স্থানের উল্লেখ করেছেন, সেগুলো ইতিহাসে সুপ্রাচীন শহর হিসেবে পরিচিত অথবা সেগুলোর কোনোটি ঐতিহাসিক মাইলফলক (আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর, মাদিয়ান, কার্থেজ, কায়রাওয়ান, তিনিস)।খ- অধিকাংশ স্থানই সমুদ্রবন্দর এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্র অথবা সেগুলো ছিল স্থলপথের বাণিজ্যিক আস্তানা। এখানে তিনি মুসলিম বিশ্বের ঐতিহাসিক ভূগোলের ওপর আলোকপাত করেছেন। যদিও আমরা এই বিষয়টি লেখকের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট ঘোষণা ছাড়াই অনুভব করছি, তবে আবু উবাইদ আল-বাকরি আল-আন্দালুসি এই বিষয়ে স্পষ্ট ছিলেন।উত্তর আফ্রিকা সম্পর্কিত তাঁর আলোচনায় তিনি সর্বদা বন্দরসমূহ এবং এর বিপরীতে আন্দালুসের পূর্ব উপকূলের বন্দরগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করতেন। তিনি দুই তীরের বন্দরগুলোর মধ্যে বিদ্যমান নিবিড় সম্পর্কের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলতেও সচেষ্ট ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১২)
ج- لم يتعرض المؤلف إلى ذكر القاهرة التي أسسها جوهر في العام 359 هـ والتي انتقل إليها المعز الفاطمي في العام 362 هـ، وهو حادث مهم دون شك، سواء على الصعيد السياسي، من وصول النفوذ الفاطمي إلى مصر وتهديده بلاد الشام، أو على الصعيد الفكري الذي قضى بإنشاء الجامع الأزهر، مركزا لتخريج الدعاة الفاطميين ونشر عقيدتهم.ثم ينتقل المؤلف إلى الحديث عن الأندلس. وهنا نراه واسع المعرفة ودقيق الملاحظة. فهو يتحدث عن وحداتها الإدارية الساحلية، ثم ينتقل إلى الداخل، ويضع منطقة الثغو بما يقابلها من أسبانيا المسيحية. مشفوعة بعرض يضم معلومات تاريخية حول فتح الأندلس. ولكنه يستوقفنا بما قدمه من معلومات عن أوضاع معاصرة له.فأثناء الحديث عن بلنسية قال إسحاق بن الحسين:«وهي على قرب البحر، وقاعدتها اليوم: المرّية، وهي على البحر الشامي» . ثم يذكر مدينة (ابراره؟؟) ويقول: «وقاعدتها اليوم دانية» . والقسم الثاني من هذا الحديث يناقض القسم الأول فيه، فالمنحدر على الشاطئ الشرقي من الشمال إلى الجنوب يمر بدانية قبل أن يمرّ بالمريّة. وعلى أي حال، فلنتوقف عند المرّية لأنها ثابتة تاريخيا. فمن المعروف أن
গ- লেখক কায়রো শহরের উল্লেখ করেননি যা ৩৫৯ হিজরিতে জওহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং যেখানে ৩৬২ হিজরিতে আল-মুইয আল-ফাতেমি স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, তা রাজনৈতিক দিক থেকেই হোক—মিশরে ফাতেমি প্রভাবের বিস্তৃতি এবং শাম অঞ্চলের প্রতি তাদের হুমকির কারণে—অথবা বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে, যার ফলে ফাতেমি দাঈদের তৈরি করার এবং তাদের আকিদা প্রচারের কেন্দ্র হিসেবে জামে আল-আজহার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।এরপর লেখক আন্দালুস সম্পর্কে আলোচনায় অগ্রসর হন। এখানে আমরা তাকে ব্যাপক জ্ঞানসম্পন্ন এবং সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণক্ষম দেখতে পাই। তিনি সেখানকার উপকূলীয় প্রশাসনিক ইউনিটগুলো সম্পর্কে আলোচনা করেন, এরপর অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের দিকে যান এবং খ্রিস্টান শাসিত স্পেনের বিপরীতে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে বিন্যস্ত করেন। এর সাথে তিনি আন্দালুস বিজয়ের ঐতিহাসিক তথ্যাবলিও উপস্থাপন করেন। তবে তিনি তার সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে যে তথ্য প্রদান করেছেন তা আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে।বালেন্সিয়া সম্পর্কে আলোচনার সময় ইসহাক বিন আল-হুসাইন বলেন:«এটি সমুদ্রের নিকটবর্তী, আর বর্তমানে এর কেন্দ্র হলো আল-মেরিয়া, যা শামী সমুদ্রের তীরে অবস্থিত»। এরপর তিনি (আবরারাহ??) শহরের উল্লেখ করেন এবং বলেন: «বর্তমানে এর কেন্দ্র হলো দানিয়া»। এই বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের সাথে বৈপরীত্য সৃষ্টি করে; কারণ পূর্ব উপকূল ধরে উত্তর থেকে দক্ষিণে অগ্রসর হলে আল-মেরিয়ায় পৌঁছানোর আগে দানিয়া অতিক্রম করতে হয়। যা-ই হোক, আমরা আল-মেরিয়া প্রসঙ্গে আলোকপাত করি কারণ এটি ঐতিহাসিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। কেননা এটি সুবিদিত যে...
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১৩)
مدينة بجانه كانت قاعدة إقليم بلنسية. وبجانة مدينة أنشأها جماعة من التجار وأهل البحر الأندلسيين الذين كانوا يعملون بين شواطىء الأندلس والمغرب فرأوا أن نشاطهم بحاجة إلى الدعم والحماية، وكونوا اتحادا من التجار ذكر منهم أبو عبيد:الكركبي وأبا عائشة والصقر وصهيب، وبنوا مدينة صغيرة إلى جانب تنس على شاطىء الجزائر وسموها «تنس الحديثة» «5» في العام 262 هـ/ 875. وبعد بضع سنوات نزلت جماعة من التجار في مرفأ وهران وجعلته ميناء بحريا هاما في العام 290/902، ونقلت هذه الجماعة نشاطها إلى الشاطئ المغربي، فأنشأت عدة موانئ، مثل بجاية، وبونة (عنابة) ومرسى الدجاج «6» . وعندما رغب التجار في نقل تجارتهم إلى وطنهم الأصلي في الأندلس، اختاروا الخليج الذي تقع عليه بلدة بجانة «7» ، ثم عرف باسم المريّة.لقد كانت هذه الناحية اقطاعا بيد جماعة من العرب اليمانية، تركته لهم إمارة قرطبة، على أن يقوموا بحماية السواحل من غزاة البحر، حتى عرفت باسم «أرش اليمن» .ثم حصل التجار على الحق بإنشاء مدينة مسوّرة. وبلغ ازدهار بجانة أوجه في عهد الناصر (توفي 355 هـ/ 961) . حيث
বাজ্জানা শহরটি ছিল বালেন্সিয়া অঞ্চলের রাজধানী। বাজ্জানা এমন একটি শহর যা একদল আন্দালুসীয় বণিক এবং সামুদ্রিক অভিযাত্রী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যারা আন্দালুস এবং মাগরিবের (মরক্কো) উপকূলের মধ্যে কর্মরত ছিলেন। তারা অনুভব করেছিলেন যে তাদের কার্যক্রমের জন্য সমর্থন ও সুরক্ষা প্রয়োজন, তাই তারা বণিকদের একটি ইউনিয়ন গঠন করেছিলেন, যাদের মধ্যে আবু উবাইদ উল্লেখ করেছেন:আল-কুরকুবি, আবু আয়িশা, আস-সাক্বর এবং সুহাইব। তারা আলজেরিয়ার উপকূলে তেনেসের পাশে একটি ছোট শহর নির্মাণ করেন এবং ২৬২ হিজরি/৮৭৫ সালে এর নাম দেন «আধুনিক তেনেস»। কয়েক বছর পর একদল বণিক ওরান বন্দরে অবতরণ করে এবং ২৯০ হিজরি/৯০২ সালে একে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বন্দরে পরিণত করে। এই দলটি তাদের কার্যক্রম মাগরিবের উপকূলে স্থানান্তরিত করে এবং বেশ কয়েকটি বন্দর নির্মাণ করে, যেমন বেজাইয়া, বুনা (আন্নাবা) এবং মারসা আদ-দাজাজ। যখন বণিকরা তাদের বাণিজ্য আন্দালুসে তাদের আদি মাতৃভূমিতে স্থানান্তরিত করতে চাইলেন, তখন তারা সেই উপসাগরটিকে বেছে নিলেন যেখানে বাজ্জানা শহরটি অবস্থিত ছিল, যা পরবর্তীতে আল-মেরিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে।এই অঞ্চলটি একদল ইয়েমেনি আরবের হাতে একটি জায়গির হিসেবে ছিল, যা কর্ডোবা আমিরাত তাদের এই শর্তে প্রদান করেছিল যে তারা সমুদ্রের আক্রমণকারীদের হাত থেকে উপকূল রক্ষা করবে, এমনকি এটি «আরশ আল-ইয়ামান» নামে পরিচিত হয়েছিল।অতঃপর বণিকগণ একটি প্রাচীরবেষ্টিত শহর নির্মাণের অধিকার লাভ করেন। আন-নাসিরের শাসনামলে (মৃত্যু ৩৫৫ হিজরি/ ৯৬১ খ্রিষ্টাব্দ) বাজ্জানার সমৃদ্ধি চরম শিখরে পৌঁছেছিল। যেখানে
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১৪)
أعجب بالمرية، فنقل إليها قاعدة الكورة في العام 344/955 وأنشأ فيها عمائر ومنشآت كبيرة، حتى غدت من كبريات موانئ الأندلس.وفي حديث المؤلف عن مدن الثغر الأعلى المقابلة للبلاد المسيحية الأسبانية، فإنا لا نراه يلمح التغير السياسي الذي يمكن أن يكون طرأ عليها. فهو يعتبرها من بلاد المسلمين التي عليها مواجهة البلاد المسيحية. ويمكننا أن نقرر أن ذلك كان في أيام الحكم القوي، أي في عهد الناصر وخليفته الحكم الثاني. لقد امتد النفوذ الإسلامي إلى المناطق الجبلية التي كان المسيحيون قد تراجعوا إليها إبان الفتح، وهو ما يذكره المؤلف في ختام حديثه عند جزيرة الأندلس. ويعتبر عصر عبد الرحمن الناصر وابنه الحكم الثاني العصر الذهبي للأندلس، حيث خضع مسيحيو إسبانيا، وأقاموا علاقات طيبة مع المسلمين، حتى باتت قرطبة مقصد الأسبان المسيحيين يطلبون تحكيمها في خلافاتهم. وبدا أن حركة إعادة الغزو المسيحي قد كبح جماحها إلى غير رجعة.وتستوقفنا ملاحظة أخرى، وهي أن المؤلف لم يتحدث عن الزهراء بل هو لم يذكرها، والمعروف أن بناءها ابتدأ في العام 350 هـ وانتهى في العام 365 هـ، مما يحمل على الظن بأن المؤلف وضع مصنفه قبل إنشائها.
তিনি আল-মারিয়ার প্রতি মুগ্ধ হয়েছিলেন, ফলে ৩৪৪ হিজরি/৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেখানে এই অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র স্থানান্তর করেন এবং সেখানে বৃহৎ অট্টালিকা ও স্থাপনা নির্মাণ করেন, এমনকি এটি আন্দালুসের অন্যতম বৃহৎ বন্দরে পরিণত হয়।স্প্যানিশ খ্রিস্টান দেশগুলোর সীমান্তবর্তী ‘সাগরুল আলা’ (উচ্চ সীমান্ত) অঞ্চলের শহরসমূহ সম্পর্কে লেখকের বর্ণনায় আমরা এমন কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখতে পাই না যা সেখানে ঘটে থাকতে পারে। বরং তিনি এগুলোকে মুসলিম ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত মনে করেন, যাদের কাজ হলো খ্রিস্টান দেশগুলোর মোকাবিলা করা। আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, এটি ছিল শক্তিশালী শাসনের যুগে, অর্থাৎ আন-নাসির এবং তাঁর উত্তরসূরি দ্বিতীয় আল-হাকামের শাসনামলে। ইসলামি প্রভাব সেই পাহাড়ি অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল যেখানে বিজয়ের সময় খ্রিস্টানরা পিছু হটেছিল, যা লেখক আন্দালুস উপদ্বীপ সম্পর্কে তাঁর আলোচনার শেষে উল্লেখ করেছেন। আবদুর রহমান আন-নাসির এবং তাঁর পুত্র দ্বিতীয় আল-হাকামের যুগকে আন্দালুসের স্বর্ণযুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যখন স্পেনের খ্রিস্টানরা বশ্যতা স্বীকার করেছিল এবং মুসলমানদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেছিল, এমনকি কর্ডোভা স্প্যানিশ খ্রিস্টানদের গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছিল যেখানে তারা তাদের বিরোধের মীমাংসার জন্য আসত। মনে হচ্ছিল যে, খ্রিস্টানদের পুনরায় বিজয়ের আন্দোলনের লাগাম চিরতরে টেনে ধরা হয়েছে।আরেকটি পর্যবেক্ষণ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তা হলো লেখক ‘আয-জাহরা’ সম্পর্কে কোনো কথা বলেননি, এমনকি তিনি এর উল্লেখও করেননি। অথচ এটি সুপরিচিত যে, এর নির্মাণ কাজ ৩৫০ হিজরিতে শুরু হয়ে ৩৬৫ হিজরিতে শেষ হয়েছিল; যা এই ধারণার জন্ম দেয় যে লেখক তাঁর গ্রন্থটি এটি নির্মাণের পূর্বেই রচনা করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وبعد أن ينتهي المؤلف من شبه جزيرة الأندلس، ينتقل إلى ذكر البلاد المسيحية، بدليل أنه ترك الحديث عن آسيا الصغرى فيما سبق وجعله ضمن هذا القسم الأخير المخصص لأوروبا، ثم يلحق به بلاد الخزر والشاش والأتراك غير المسلمين.ويبدأ ابن الحسين المنجم حديثه عن إيطاليا وفرنسا وبلاد الصقالبة (السلاف) ويعكس هنا القلق الذي ساد أوروبا مع غزوات النورمانديين والهونغاريين. ومعلوماته هنا وثيقة الصلة بمعلومات الجغرافيين المشرقيين، ويبدو ذلك واضحا في الاقتباس عن القسطنطينية، وهو أمر يدعو للخيبة. فبعد أن غاب عن حديثه اثر الفاطميين على التطورات السياسية في شمال إفريقية، نراه من جديد يهمل العلاقات الأندلسية البيزنطية التي نشطت في القرن الرابع للهجرة، اللهمّ إلّا ملامسة شبه خفية لطرف الموضوع. أثناء الحديث عن البيزنطيين فيقول: «ومملكتهم عظيمة، وهم أهل بأس ونجدة، وهم يحاربون الصقالبة والإفرنج، ويحاربهم المسلمون أيضا في بلاد الشامات» . أما في الحديث عن بلاد الخزر والبلغار فإنه يقدم معلومات جديدة إلى حدّ ما، حيث نراه أقرب إلى ما ذكره ابن فضلان في سفارته 309 هـ.والآن، وفي ضوء ما قدمناه من غياب بعض المدن الرئيسية عن هذا المعجم، من مراكش (454 هـ) والقاهرة
আন্দালুস উপদ্বীপের আলোচনা শেষ করার পর লেখক খ্রিস্টান দেশসমূহের বর্ণনায় অগ্রসর হন। এর প্রমাণ হলো তিনি পূর্বে এশিয়া মাইনর সম্পর্কে আলোচনা পরিহার করেছেন এবং একে ইউরোপের জন্য নির্ধারিত এই সর্বশেষ পরিচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এরপর তিনি এর সাথে খাজার, শাশ এবং অমুসলিম তুর্কিদের দেশসমূহকে যুক্ত করেছেন।ইবনুল হুসাইন আল-মুনাজ্জিম ইতালি, ফ্রান্স এবং সাকালিবা (স্লাভ) দেশসমূহ সম্পর্কে আলোচনা শুরু করেন এবং এখানে তিনি নরমান ও হাঙ্গেরীয়দের আক্রমণের ফলে ইউরোপে বিরাজমান অস্থিরতার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এক্ষেত্রে তার তথ্যসমূহ প্রাচ্যের ভূগোলবিদদের তথ্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত, যা কনস্টান্টিনোপল সংক্রান্ত উদ্ধৃতিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে; আর বিষয়টি হতাশাজনক। উত্তর আফ্রিকার রাজনৈতিক বিবর্তনে ফাতিমীয়দের প্রভাবের বিষয়টি তার আলোচনায় অনুপস্থিত থাকার পর, আমরা তাকে পুনরায় আন্দালুস ও বাইজান্টাইনদের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি অবহেলা করতে দেখি, যা হিজরি চতুর্থ শতাব্দীতে বেশ সক্রিয় ছিল; তবে তিনি বিষয়টির প্রান্তিক পর্যায়ে সামান্য ও অস্পষ্ট আভাস প্রদান করেছেন মাত্র। বাইজান্টাইনদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন: "তাদের সাম্রাজ্য সুমহান, তারা অত্যন্ত সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ জাতি, তারা সাকালিবা ও ফ্রাঙ্কদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং শামের দেশগুলোতে মুসলমানরাও তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।" তবে খাজার ও বুলগারদের বর্ণনায় তিনি কিছুটা নতুন তথ্য প্রদান করেন, যেখানে তাকে ৩০৯ হিজরিতে ইবনে ফাদলানের সফরের বিবরণের অধিকতর কাছাকাছি মনে হয়।আর এখন, এই অভিধানে কিছু প্রধান শহর যেমন মাররাকেশ (৪৫৪ হিজরি) ও কায়রোর অনুপস্থিতি সম্পর্কে আমরা যা উপস্থাপন করেছি তার আলোকে...
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
(359 هـ) والزهراء (350- 365 هـ) ، نستطيع أن نقرر أن المؤلف وضع مصنفه قبل 350 هـ، وبعد 344 هـ، أي قبل بناء الزهراء وبعد اعتماد الناصر المريّة قاعدة للكورة.أما المخطوط، فمن الثابت أنه يماني ولقد سبق أن أشرنا إلى العلاقة بين اليمانية والأندلس، حيث نزل اليمانيون على شواطىء الأندلس الشرقية، وقد أتيح لهم أن يكونوا في آن واحد مقاتلين وزراعا وتجارا. وما يشوب المخطوط من بعض التشويش في المعلومات، فلا تقع مسئوليته على المؤلف. أما المعلومات المنسقة التي تتناول المشرق الإسلامي، فمردها إلى اعتماد المؤلف على الاقتباس من المؤلفات الجغرافية السابقة، فيما كانت معلوماته عن إفريقيا وشبه جزيرة الأندلس أكثر غزارة وتفصيلا، بالرغم من ميل المؤلف الواضح إلى الاختصار في مجمل عمله. ولذا، فنحن نميل إلى القول بأن إسحاق بن الحسين المنجم أندلسي الأصل،. أي أنه عاش في شبه الجزيرة الأندلسية أو في المستعمرات التجارية الأندلسية على الشواطىء الإفريقية، وفي احتمال أخير، قد يكون أحد اليمنيين الذين عاشوا في الأندلس ثم عادوا إلى اليمن، هذا مع وجود احتمال بأن يكون أحد اليمانيين قد قام بنقل هذا المخطوط إلى اليمن.أخيرا، وفي ختام هذه العجالة، أشير إلى أني لم أشأ تفصيل العلاقة بين إسحاق بن الحسين ومن سبقه، أو بمن
(৩৫৯ হিজরি) এবং আল-জাহরা (৩৫০-৩৬৫ হিজরি), আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে লেখক তাঁর গ্রন্থটি ৩৫০ হিজরির পূর্বে এবং ৩৪৪ হিজরির পরে রচনা করেছেন, অর্থাৎ আল-জাহরা নির্মাণের পূর্বে এবং আন-নাসির কর্তৃক আল-মেরিয়াকে কুরা (প্রদেশ)-এর কেন্দ্র হিসেবে গ্রহণের পরে।পাণ্ডুলিপিটির ব্যাপারে এটি সুনিশ্চিত যে এটি ইয়ামেনি এবং আমরা ইতিপূর্বে ইয়ামেনি ও আন্দালুসের মধ্যকার সম্পর্কের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, যেখানে ইয়ামেনিগণ আন্দালুসের পূর্ব উপকূলে অবতরণ করেছিল এবং তাদের জন্য একই সাথে যোদ্ধা, কৃষক ও ব্যবসায়ী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। পাণ্ডুলিপিতে তথ্যের ক্ষেত্রে যে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে, তার দায়ভার লেখকের ওপর বর্তায় না। আর ইসলামি প্রাচ্য বিষয়ক সুবিন্যস্ত তথ্যাবলি মূলত পূর্ববর্তী ভৌগোলিক গ্রন্থসমূহ থেকে লেখকের উদ্ধৃতি গ্রহণের ফল, যেখানে আফ্রিকা ও আন্দালুস উপদ্বীপ সম্পর্কে তাঁর তথ্য ছিল অধিকতর সমৃদ্ধ ও বিস্তারিত, যদিও লেখকের সামগ্রিক কাজে সংক্ষেপণের একটি স্পষ্ট প্রবণতা বিদ্যমান। তাই আমরা এই মত পোষণ করি যে, ইসহাক ইবনে আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম মূলগতভাবে আন্দালুসি ছিলেন। অর্থাৎ তিনি আন্দালুস উপদ্বীপে অথবা আফ্রিকার উপকূলীয় আন্দালুসি বাণিজ্যিক উপনিবেশগুলোতে বসবাস করতেন। শেষ একটি সম্ভাবনা এই যে, তিনি হতে পারেন সেই সকল ইয়ামেনিদের একজন যারা আন্দালুসে বসবাস করার পর ইয়ামেনে ফিরে গিয়েছিলেন; সেই সাথে এই সম্ভাবনাও রয়েছে যে কোনো ইয়ামেনি ব্যক্তি এই পাণ্ডুলিপিটি ইয়ামেনে স্থানান্তর করেছিলেন।পরিশেষে, এই সংক্ষিপ্ত আলোচনার সমাপ্তিতে আমি উল্লেখ করছি যে, আমি ইসহাক ইবনে আল-হুসাইন এবং তাঁর পূর্বসূরিদের সাথে, অথবা যারা...
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
لحقه، وقد أشرت في الهوامش إلى الأماكن التي يلتقي فيها معهم أو يقتبس منهم، أما من اقتبس منه فقد أشرنا في مطلع هذا البحث إلى الإدريسي وابن خلدون، أما العلاقة بين مؤلفنا وأبي عبيد البكري، فموضعها في غير هذا المكان، وغير هذه المناسبة.والله ولي التوفيقبيروت فهمي سعدكانون الثاني/ يناير 1988
তাঁর অনুবর্তী, এবং আমি টীকাগুলোতে সেই স্থানসমূহ নির্দেশ করেছি যেখানে তিনি তাদের সাথে একমত হয়েছেন অথবা তাদের থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আর তিনি যাদের থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, আমরা এই গবেষণার প্রারম্ভে আল-ইদ্রিসি এবং ইবনে খালদুনের কথা উল্লেখ করেছি। তবে আমাদের লেখক এবং আবু উবাইদ আল-বাকরির মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি অন্য কোনো স্থান ও অন্য কোনো উপলক্ষের জন্য নির্ধারিত।আর আল্লাহই তাওফিক দানকারীবৈরুত, ফাহমি সাদজানুয়ারি ১৯৮৮
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
كتاب آكام المرجان في ذكر المدائن المشهورة في كل مكان تأليف الشيخ اسحاق بن الحسين المنجم اسكنه الله رياض الجنان بحق محمد وآله وصلى الله على النبي وآله
আকামুল মুরজান ফী যিকরিল মাদায়িনিল মাশহুরা ফি কুল্লি মাকান নামক কিতাব (সর্বত্র প্রসিদ্ধ নগরসমূহের বর্ণনায় প্রবাল-স্তূপ), যা রচনা করেছেন শায়খ ইসহাক বিন আল-হুসাইন আল-মুনাজ্জিম। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের উদ্যানে বসবাস দান করুন, মুহাম্মদ ও তাঁর পরিজনের অসিলায়। আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক নবী এবং তাঁর পরিজনের ওপর।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ذكر مدينة مكة المشرّفةبسم الله الرّحمن الرّحيم قال اسحاق بن الحسين رحمه الله تعالى:إنما ذكرنا مكة قبل البلاد، لأنها بيت الله الحرام، وأول بيت وضع في الأرض.وبعدها عن خط أول الأرض، تسع وستون درجة.والدرجة ستة وثلاثون ميلا وثلثا ميل، وكذا في كل درجة نذكرها في غيرها من المدائن. وكذلك «1» إذا ذكرنا البعد من خط المغرب، فإنما نريد أول الأرض، وكذلك البعد عن خط الاستواء، إنما نريد البعد عن خط وسط الأرض، على الحقيقة، على جهة المعمور من الأرض، لأن المعمور من الأرض، قليل جدا.وعلى ما ذكر من جهة أبعاد المدائن عن خط المغرب وخط الاستواء، يعرف بعضها من بعض، وما بينهما من
সম্মানিত মক্কা নগরীর বর্ণনাপরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। ইসহাক বিন আল-হুসাইন (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) বলেন:আমরা অন্যান্য জনপদের পূর্বে মক্কার কথা উল্লেখ করেছি, কারণ এটি আল্লাহর পবিত্র ঘর এবং পৃথিবীতে স্থাপিত সর্বপ্রথম ঘর।আর পৃথিবীর আদি রেখা থেকে এর দূরত্ব উনসত্তর ডিগ্রি।প্রতি ডিগ্রি হলো ছত্রিশ মাইল ও এক মাইলের দুই-তৃতীয়াংশ; অন্যান্য যে সকল শহরের কথা আমরা উল্লেখ করব, সেগুলোর ক্ষেত্রেও ডিগ্রির হিসাব এরূপই হবে। একইভাবে যখন আমরা পশ্চিম রেখা থেকে দূরত্বের কথা উল্লেখ করি, তখন আমরা মূলত পৃথিবীর আদি সীমাই বুঝাতে চাই। তদ্রূপ বিষুবরেখা থেকে দূরত্বের ক্ষেত্রে আমরা মূলত পৃথিবীর মধ্যরেখা থেকে প্রকৃত দূরত্বই উদ্দেশ্য করি, যা পৃথিবীর জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের সাপেক্ষে নির্ধারিত; কারণ পৃথিবীর আবাদি বা জনবসতিপূর্ণ অংশ খুবই নগণ্য।পশ্চিম রেখা ও বিষুবরেখা থেকে শহরগুলোর দূরত্বের বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে, তার মাধ্যমে একটি থেকে অন্যটির অবস্থান এবং তাদের মধ্যবর্তী...
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
المسافات، من جهة الحساب، ومعرفة ذلك علم عظيم.فبعد مكة عن خط المغرب سبع وستون درجة، وذلك من الأميال، أربعة آلاف وأربعمائة واثنان وعشرون ميلا.[وبعدها ثلاث وعشرون درجة وقيل: إحدى وعشرون] «2» عن خط الاستواء في جهة الشمال. واكثر المدائن مما سنذكرها بعد ذلك، إنما هي [في] الجهة الشمالية، لأن المعمور من الأرض، إنما هو الربع الشمالي الذي يلي القطب الشمالي وبنات نعش.ومكة في بطن واد «3» بين جبال وأودية.ومن جبالها العظام: أبو قبيس، والمحصّب، وثبير.وهي كانت دار آدم عليه السلام. ولم يزل بها [الحجر الأسود] «4» حتى نزل الطوفان.ثم أمر الله تعالى إبراهيم الخليل ببنائها.وقد زاد في بنيان بيت الكعبة [ابو جعفر] المنصور «5»
হিসাবের মাপকাঠিতে দূরত্বসমূহ এবং এ বিষয়ক জ্ঞান এক মহৎ বিদ্যা।পশ্চিম রেখা থেকে মক্কার দূরত্ব সাতষট্টি ডিগ্রি, আর মাইলের হিসাবে তা চার হাজার চারশত বাইশ মাইল।[আর বিষুবরেখা থেকে উত্তর দিকে এর দূরত্ব তেইশ ডিগ্রি, মতান্তরে একুশ ডিগ্রি] «২»। আর আমরা পরবর্তীতে যেসব শহরের বর্ণনা দেব তার অধিকাংশ উত্তর দিকে অবস্থিত, কারণ পৃথিবীর জনবসতিপূর্ণ অংশ কেবল উত্তর চতুর্থাংশ, যা উত্তর মেরু এবং 'বানাত না'শ' সংলগ্ন।মক্কা পাহাড় ও উপত্যকাসমূহের মাঝে একটি উপত্যকার গর্ভে অবস্থিত «৩»।এর সুউচ্চ পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো: আবু কুবাইস, আল-মুহাসসাব এবং থাবীর।এটি ছিল আদম আলাইহিস সালামের আবাসস্থল। সেখানে [হাজরে আসওয়াদ] বিদ্যমান ছিল, যতক্ষণ না মহাপ্লাবন উপস্থিত হয়েছিল «৪»।অতঃপর আল্লাহ তাআলা ইবরাহীম খলীলকে তা নির্মাণের নির্দেশ প্রদান করেন।আর [আবু জাফর] আল-মানসুর কাবা ঘরের নির্মাণে পরিবর্ধন করেছিলেন «৫»
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
[وكان ابتداء عمله في المحرّم سنة سبع وثلاثين ومائة، والفراغ منه في ذي الحجة سنة أربعين. ثم وسعه ابنه المهدي في سنة] «6» أربع وستين ومائة.وطول المسجد اربعمائة ذراع، وعرضه ثلاثمائة «7» .وله ثلاثة وعشرون بابا.ومن الصفا إلى المروة، أربعمائة وأربعون ذراعا، وارتفاع البيت، ثمانية وعشرون ذراعا «8» .وهي القبلة لجميع البلدان. فقبلة أهل الكوفة، وبغداد وما
[এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল একশত সাঁইত্রিশ হিজরীর মহরম মাসে এবং এর সমাপ্তি ঘটে একশত চল্লিশ হিজরীর জিলহজ মাসে। অতঃপর তাঁর পুত্র মাহদী একশত] «৬» চৌষট্টি হিজরীতে একে সম্প্রসারিত করেন।মসজিদটির দৈর্ঘ্য চারশত হাত এবং এর প্রস্থ তিনশত হাত «৭»।এর তেইশটি দরজা রয়েছে।সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত চারশত চল্লিশ হাত এবং কা'বা ঘরের উচ্চতা আটাশ হাত «৮»।এটি সকল দেশের জন্য কিবলা। সুতরাং কুফা, বাগদাদ এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলের অধিবাসীদের কিবলা হলো...
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
كان معها، على خط واحد، الركن الشاميّ الذي بين الباب والحجر.وقبلة أهل البصرة وما حاذاها من المدائن، باب الكعبة.وقبلة أهل اليمن، الركن اليماني.وقبلة أهل الهند والسند، الحجر الأسود.وقبلة أهل الشام، باب الكعبة.وأهل الحجاز كذلك، إلّا أنه أحرف قليلا.وأهل اليمن، يتوجهون بوجوههم على أهل أرمينية.
এর সাথে একই সরলরেখায় ছিল শামি রুকন (কোণ), যা দরজা ও হিজরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।বসরাবাসী এবং এর পার্শ্ববর্তী শহরগুলোর কিবলা হলো কাবার দরজা।ইয়েমেনবাসীর কিবলা হলো রুকনে ইয়ামানি।ভারত ও সিন্ধুদেশের অধিবাসীদের কিবলা হলো হাজরে আসওয়াদ।শামবাসীদের কিবলা হলো কাবার দরজা।হিজাজবাসীদের কিবলাও অনুরূপ, তবে তা সামান্য কিছুটা বিচ্যুত।আর ইয়েমেনবাসী তাদের চেহারাকে আর্মেনিয়াবাসীদের অভিমুখে নিবদ্ধ করে।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
مدينة النبيّ، صلى الله عليه وآله وسلموهي مهاجر «1» رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم، ومكان مستقره. وفيها قبره صلى الله عليه وسلم، وقبور أصحابه.وسمّاها طيبة، لأن من نحوها تجد رائحة الطيب من جهتها على أميال كثيرة.وبعدها عن خط المغرب مائة وستون درجة، وذلك من الأميال [سبعة آلاف وخمسمائة وستة وخمسون] «2» وبعدها عن خط الاستواء، خمس وعشرون درجة، وذلك من الاميال، ألف وستمائة وخمسون ميلا.والمدينة في مستوى الأرض، شريفة تربتها جليلة.ولها جبلان: أحدهما أحد، والجبل الآخر رضوى.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের শহরএটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের হিজরতস্থল «১» এবং তাঁর স্থায়ী আবাসস্থল। সেখানে তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবর এবং তাঁর সাহাবীগণের কবরসমূহ অবস্থিত।তিনি এর নাম রেখেছেন ‘তাইবাহ’, কারণ এর দিক থেকে বহু মাইল দূর পর্যন্ত সুগন্ধি পাওয়া যায়।পশ্চিম রেখা থেকে এর দূরত্ব একশ ষাট ডিগ্রি, যা মাইলের হিসেবে [সাত হাজার পাঁচশ ছাপ্পান্ন] «২» মাইল। আর নিরক্ষরেখা থেকে এর দূরত্ব পঁচিশ ডিগ্রি, যা মাইলের হিসেবে এক হাজার ছয়শ পঞ্চাশ মাইল।মদিনা সমতল ভূমিতে অবস্থিত, এর মাটি অত্যন্ত সম্মানিত ও মহিমান্বিত।এর দুইটি পাহাড় রয়েছে: একটি হলো ওহুদ, এবং অন্য পাহাড়টি হলো রাদওয়া।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وأهلها من المهاجرين والأنصار والتابعين وقبائل العرب.ولها أربعة أودية «3» يأتي ماؤها في وقت الأمطار، وأعظمها؛ وادي العقيق.واكثر أموالها النخل، وهي معاش أهلها «4» .والبحر العظيم على مسافة ثلاثة أيام [منها] «5» .وفيها مسجد رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم، ومنبره وقبره صلى الله عليه وآله وسلم.والمسجد طوله ثلاثمائة ذراع، وعرضه مائتا ذراع «6» .وأساطينه ثلاثمائة اسطوانة «7» .واما المنبر الشريف، فزاد [فيه] معاوية بن أبي سفيان ست مراق «8» ، وهي الروضة، التي هي من رياض الجنة «9» ، بين القبر والمنبر الرفيعين.
আর এর অধিবাসীগণ হলেন মুহাজির, আনসার, তাবেয়ী এবং আরব গোত্রসমূহ।আর এর চারটি উপত্যকা রয়েছে «৩» যাতে বৃষ্টির সময় পানি প্রবাহিত হয়; আর এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো ওয়াদি আল-আকীক।এর অধিকাংশ সম্পদই হলো খেজুর গাছ, যা এর অধিবাসীদের জীবনধারণের প্রধান মাধ্যম «৪»।আর বিশাল সমুদ্রটি [এখান থেকে] তিন দিনের দূরত্বে অবস্থিত «৫»।এতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম-এর মসজিদ, তাঁর মিম্বর এবং তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পবিত্র কবর অবস্থিত।মসজিদটির দৈর্ঘ্য তিনশ হাত এবং এর প্রস্থ দুইশ হাত «৬»।আর এর স্তম্ভ সংখ্যা হলো তিনশটি «৭»।আর সম্মানিত মিম্বরের ব্যাপারে কথা হলো, মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান [এতে] ছয়টি সিঁড়ি বৃদ্ধি করেছিলেন «৮»; এটিই হলো সেই রওজা যা জান্নাতের বাগানসমূহের অন্যতম একটি বাগান «৯», যা পবিত্র কবর এবং সুউচ্চ মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ذكر بيت المقدس ايلياء «1»وهي من المدائن العظيمة القديمة، وبها قبور الأنبياء، صلوات الله عليهم، وآثارهم «2» .وبعدها عن خط المغرب ست وخمسون درجة، وذلك من الأميال ثلاثة آلاف وستمائة وستة وتسعون ميلا.وبعدها عن خط الاستواء في جهة الشمال، اثنتان وثلاثون درجة، وذلك من الأميال، الفان ومائة واثنا عشر ميلا.وهي جليلة، وماؤها من الأمطار. وخارجها بساتين وكروم ومزارع وأشجار وزيتون «3» .وبها نخلة مريم التي ولدت عيسى [عليه السلام] تحتها «4» .وبها محراب داود عليه السلام «5» .
বাইতুল মুকাদ্দাস ঈলিয়ার বর্ণনা «১»এটি প্রাচীন মহান শহরসমূহের অন্তর্ভুক্ত, এবং এখানে নবীদের (তাঁদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) কবরসমূহ ও তাঁদের স্মৃতিচিহ্নসমূহ বিদ্যমান। «২» ।পশ্চিম রেখা থেকে এর দূরত্ব ছাপ্পান্ন ডিগ্রি, আর মাইলের হিসেবে তা তিন হাজার ছয়শত ছিয়ানব্বই মাইল।বিষুবরেখা থেকে উত্তর দিকে এর দূরত্ব বত্রিশ ডিগ্রি, আর মাইলের হিসেবে তা দুই হাজার একশত বারো মাইল।এটি একটি মহিমান্বিত শহর এবং এর পানির উৎস হলো বৃষ্টি। এর বহির্ভাগে বাগান, আঙুরখেত, শস্যক্ষেত, গাছপালা ও জলপাই গাছ রয়েছে। «৩» ।এখানে মারিয়ামের সেই খেজুর গাছটি রয়েছে যার নিচে তিনি ঈসা [আলাইহিস সালাম]-কে জন্ম দিয়েছিলেন। «৪» ।এবং এতে দাউদ আলাইহিস সালামের মেহরাব অবস্থিত। «৫» ।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وبها الصخرة المعلقة.وبها جبل عظيم، منه رفع عيسى [عليه السلام] إلى السماء.وبها مسجد عظيم جدا، وهو أعظم مساجد الدنيا، وفيه باب الرحمة. وكل أمة تحج إليه وتعظمه، وفيه محاريب.
সেখানে ঝুলন্ত পাথরটি অবস্থিত।সেখানে একটি বিশাল পাহাড় রয়েছে, যেখান থেকে ঈসা [আলাইহিস সালাম]-কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছিল।সেখানে একটি অতি বৃহৎ মসজিদ রয়েছে, যা পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মসজিদ এবং এতে রহমতের দরজা রয়েছে। প্রতিটি জাতি এর পানে আসে ও একে সম্মান করে, আর এতে বহু মিহরাব রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ذكر مدينة بغدادوإنما رجعنا إلى ذكر مدينة بغداد، بعد تقديم ما وجب تقديمه، لأنها أصل المدائن، وأحسنها بنيانا، وأطيبها هواء.وهي في وسط الإقليم الرابع، الذي هو أعز الأقاليم، وأهلها أعظم الناس في ضروب اللبّ والفهم.بناها أبو جعفر المنصور، من بني العباس، وابتدأ بذلك في الأول، سنة إحدى وأربعين ومائة «1» . ونقل إليها البناة والحذّاق والصنّاع من جميع البلدان، وجعلها مدورة، ووسّع رياضها «2» وأزقّتها.وكان الذي تولى ذلك من أهل الحساب والمهندسين،
বাগদাদ শহরের বর্ণনাযা উপস্থাপন করা অত্যাবশ্যক ছিল তা উপস্থাপনের পর আমরা পুনরায় বাগদাদ শহরের বর্ণনায় ফিরে এসেছি, কারণ এটি সকল শহরের মূল, স্থাপত্যশৈলীতে শ্রেষ্ঠ এবং আবহাওয়ায় অত্যন্ত মনোরম।এটি চতুর্থ জলবায়ু অঞ্চলের কেন্দ্রে অবস্থিত, যা সকল জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা মর্যাদাপূর্ণ; আর এর অধিবাসীরা মেধা ও প্রজ্ঞার বিভিন্ন শাখায় মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।বনু আব্বাসের আবু জাফর আল-মনসুর এটি নির্মাণ করেন এবং তিনি এর কাজ শুরু করেন একশত একচল্লিশ হিজরি সালের শুরুতে «১»। তিনি সকল দেশ থেকে এখানে স্থপতি, দক্ষ কারিগর ও শ্রমজীবীদের নিয়ে আসেন এবং শহরটিকে বৃত্তাকার করেন এবং এর উদ্যান «২» ও গলিগুলোকে প্রশস্ত করেন।গণিতবিদ ও প্রকৌশলীদের মধ্য থেকে যারা এর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন,
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
الحجاج بن أرطاة الحاسب «3» والطبري وإبراهيم الفزاري.ولها دروب «4» بأبواب، في دورها عشرون ذراعا.ولها أربعة أبواب، ما بين كل باب خمسة آلاف ذراع:باب الكوفة، وباب البصرة، وباب خراسان، وباب الشام.وعلى كل باب تلبيس من الحديد، لا يغلقها إلّا جماعة من الرجال. ولكل باب منها دهليز، وعلى كل باب منها قبة عظيمة مزينة بالذهب.وحول القصر دور الأولاد من بني العباس، وأهل الخدمة.والقصر في وسط المدينة، وإلى جانبه المسجد الأعظم.وهي بين نهر الدجلة والفرات، وكان بها في القديم ألف مسجد وعشرون ألف حمام «5» .وبعدها عن خط المغرب سبعون درجة، وذلك من الأميال أربعة آلاف وستمائة وعشرون ميلا.
হাজ্জাজ বিন আরতাত আল-হাসিব, তাবারী এবং ইবরাহিম আল-ফাযারী।এর ফটকবিশিষ্ট কিছু পথ রয়েছে, যার প্রশস্ততা বিশ হাত।এর চারটি প্রধান ফটক রয়েছে, প্রতিটি ফটকের মধ্যবর্তী দূরত্ব পাঁচ হাজার হাত:কুফা ফটক, বসরা ফটক, খোরাসান ফটক এবং শাম ফটক।প্রতিটি ফটকের ওপর লোহার আবরণ রয়েছে, যা একদল লোক ছাড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর প্রতিটি ফটকের জন্য একটি করে বারান্দা রয়েছে এবং প্রতিটি ফটকের ওপর স্বর্ণখচিত একটি বিশাল গম্বুজ রয়েছে।প্রাসাদের চারপাশে বনী আব্বাসের বংশধর এবং সেবকদের ঘরবাড়ি অবস্থিত।প্রাসাদটি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এর পাশেই রয়েছে জামে মসজিদ।এটি দজলা ও ফুরাত নদীর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং প্রাচীনকালে এখানে এক হাজার মসজিদ ও বিশ হাজার গোসলখানা ছিল।পশ্চিম রেখা থেকে এর দূরত্ব সত্তর ডিগ্রি, যা মাইলের হিসেবে চার হাজার ছয়শ বিশ মাইল।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
وبعدها عن خط الاستواء في الشمال ثلاث وثلاثون درجة، وذلك من الأميال، ألفان ومائة وثمانية وسبعون ميلا.وكان المنصور قد نقل إليها النخل والأشجار، فأنبتت ونمت في مدة يسيرة، وذلك لطيب مائها واعتدال هوائها.وكذلك نقل إليها الرخام والأساطين والصناع من كل بلد.وأمر أهل الخدمة أن يقطع كل واحد منهم ويبني، فأقطعوا «6» وأكثروا البناء، وقامت في أقل مدة.وبساتينها تسقى بماء الدجلة والفرات في قنوات.وكان سكنى المنصور قبل ذلك في مدينة الأنبار، التي «7» نزلها السفاح، أول خلفاء بني العباس.
এবং বিষুবরেখা থেকে উত্তরের দিকে এর দূরত্ব হলো তেত্রিশ ডিগ্রি, আর মাইলের হিসেবে তা দুই হাজার একশত আটাত্তর মাইল।আর মানসুর সেখানে খেজুর গাছ এবং অন্যান্য গাছপালা স্থানান্তর করেছিলেন; ফলে পানির সুমিষ্টতা এবং আবহাওয়ার নাতিশীতোষ্ণতার কারণে তা অল্প সময়ের মধ্যেই অঙ্কুরিত ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছিল।তদ্রূপ তিনি সেখানে প্রতিটি দেশ থেকে মার্বেল পাথর, স্তম্ভ এবং কারিগরদেরও নিয়ে এসেছিলেন।এবং তিনি রাজকর্মচারীদের নির্দেশ দিলেন যেন তাদের প্রত্যেকে ভূমি বরাদ্দ গ্রহণ করে এবং নির্মাণকাজ করে; অতঃপর তারা প্রচুর ভূমি বরাদ্দ নিল «৬» এবং প্রচুর ইমারত নির্মাণ করল, ফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই শহরটি দাঁড়িয়ে গেল।আর এর বাগানগুলোতে খালের মাধ্যমে দজলা ও ফরাত নদীর পানি দিয়ে সেচ দেওয়া হতো।এর আগে মানসুরের আবাসস্থল ছিল আনবার শহরে, যেখানে «৭» বনু আব্বাসের প্রথম খলিফা আস-সাফফাহ অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
ذكر مدينة سرّ من رأىواما مدينة سرّ من رأى، فبناها المعتصم بن هارون الرشيد «1» .وكانت قبل ذلك صحراء، لا عمارة فيها. وكان بها في القديم دير للنصارى.وكان سبب بنيانها، أن المعتصم كان كثيرا ما يتخذ الأتراك، فلما افضت «2» اليه [الخلافة ألحّ في طلبهم. وكان أولئك الأتراك إذا ركبوا الدواب ركضوا، فيصدمون الناس، فيثب عليهم الغوغاء فيقتلون بعضا، ويضربون بعضا، وفثقل ذلك على المعتصم، وخرج من بغداد وطلب موضعا يحفر فيه نهرا، حتى وصل إلى القاطول. فابتدأ البناء واقطع القواد والكتاب والناس، فبنوا على القاطول ودجلة.
সাররা মান রাআ নগরের বিবরণআর সাররা মান রাআ নগরটির কথা বললে, হারুনুর রশীদের পুত্র আল-মুতাসিম এটি নির্মাণ করেছিলেন «১»।এর পূর্বে এটি ছিল একটি মরুভূমি, যেখানে কোনো জনবসতি ছিল না। প্রাচীনকালে সেখানে খ্রিস্টানদের একটি মঠ ছিল।এটি নির্মাণের কারণ ছিল এই যে, মুতাসিম প্রচুর পরিমাণে তুর্কিদের (সৈন্য হিসেবে) গ্রহণ করতেন। যখন খিলাফতের দায়িত্ব তার নিকট পৌঁছাল «২», তখন তিনি তাদের সংগ্রহের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিলেন। সেই তুর্কিরা যখন সওয়ারিতে আরোহণ করত তখন তারা দ্রুতবেগে ছুটত, ফলে তারা মানুষের সাথে ধাক্কা খেত। এতে সাধারণ জনতা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত এবং কাউকে হত্যা করত ও কাউকে প্রহার করত। মুতাসিমের নিকট বিষয়টি অসহনীয় হয়ে উঠল এবং তিনি বাগদাদ থেকে বের হয়ে এমন একটি স্থান অনুসন্ধান করলেন যেখানে একটি নদী খনন করা যায়, অবশেষে তিনি কাতুল পর্যন্ত পৌঁছালেন। সেখানে তিনি নির্মাণকাজ শুরু করলেন এবং সেনাপতিদের, লেখকদের ও জনগণকে জমি বরাদ্দ দিলেন; ফলে তারা কাতুল ও দজলা নদীর তীরে ঘরবাড়ি নির্মাণ করল।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
ثم صار إلى موضع سر من رأى، فاشترى الدير، وكتب في إشخاص الفعلة والبنائين وأهل المهن وسائر الصناعات.ثم اقطع القطائع للقواد والكتّاب والناس، وأفرد قطائع الأتراك عن قطائع الناس جميعا.وأمر ببناء المساجد والأسواق. واشترى للأتراك الجواري فزوجهّم منهن، ومنعهم أن يتزوجوا ويصاهروا إلى أحد من المولّدين، وأجرى للجواري ارزاقا قائمة.ولما فرغ من البناء حفر الأنهار من دجلة، وحمل النخل من بغداد والبصرة وسائر السواد والجزيرة والشام وسائر البلدان.وبنى المعتصم العمارات قصورا، وصيّر في كل بستان قصرا، فيه مجالس وبرك وميادين.ومات المعتصم بالله سنة سبع وعشرين ومائتين، وبنى فيها هارون الواثق بن المعتصم القصر الهاروني. وولي المتوكل بن المعتصم فنزل الهاروني وانزل ابنه محمدا المنتصر بالجوسق، وأنزل ابنه إبراهيم المؤيد بالمطيرة، وأنزل ابنه المعتز ببلكوارا وبنى المتوكل الجعفرية، والمسجد الجامع] «3» .
এরপর তিনি 'সুররা মান রাআ' অভিমুখে যাত্রা করলেন এবং একটি মঠ ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি শ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, বিভিন্ন পেশাজীবী ও কারিগরদের উপস্থিত করার জন্য ফরমান জারি করলেন।অতঃপর তিনি সেনাপতি, আমলা ও সাধারণ মানুষের জন্য জমি বরাদ্দ করলেন এবং তুর্কিদের বরাদ্দকৃত ভূমিকে অন্য সকল মানুষের ভূমি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে দিলেন।তিনি মসজিদ ও বাজারসমূহ নির্মাণের নির্দেশ দিলেন। তিনি তুর্কিদের জন্য দাসী ক্রয় করলেন এবং তাদের সাথে তাদের বিয়ে দিলেন। তিনি তুর্কিদেরকে স্থানীয় সংকর জনজাতির কাউকে বিয়ে করতে বা তাদের সাথে বৈবাহিক আত্মীয়তা স্থাপন করতে নিষেধ করলেন এবং সেই দাসীদের জন্য নিয়মিত ভাতার ব্যবস্থা করলেন।যখন নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলো, তখন তিনি দজলা নদী থেকে খালসমূহ খনন করলেন এবং বাগদাদ, বসরা, সোয়াদ, জাজিরা, সিরিয়া ও অন্যান্য শহর থেকে খেজুর গাছ আনয়ন করলেন।মুতাসিম প্রাসাদসম অট্টালিকা নির্মাণ করলেন এবং প্রতিটি বাগানে একটি করে প্রাসাদ তৈরি করলেন, যাতে ছিল মজলিস বা বৈঠকখানা, জলাধার ও ময়দানসমূহ।মুতাসিম বিল্লাহ ২২৭ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। সেখানে মুতাসিমের পুত্র হারুন আল-ওয়াসিক 'হারুনি প্রাসাদ' নির্মাণ করেন। অতঃপর মুতাসিমের পুত্র আল-মুতাওয়াক্কিল ক্ষমতায় আসীন হয়ে হারুনি প্রাসাদে বসতি স্থাপন করেন। তিনি তার পুত্র মুহাম্মাদ আল-মুনতাসিরকে 'জাওসাক' প্রাসাদে, তার পুত্র ইবরাহিম আল-মুআইয়াদকে 'মাতারিরা' নামক স্থানে এবং তার পুত্র আল-মুতাজকে 'বালকুওয়ারা' প্রাসাদে থাকার ব্যবস্থা করেন। মুতাওয়াক্কিল 'জাফারিয়া' নামক শহর এবং জামে মসজিদ নির্মাণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আকামুল মুরজান ফী জিকরিল মাদাইনিল মাশহুরাহ ফী কুল্লি মাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
[ذكر مدينة الكوفة] «1»[هي في الإقليم الثالث.وبعدها عن خط المغرب تسع وستون درجة ونصف. وعن خط الاستواء إحدى وثلاثون درجة وثلثان. وهي على الفرات، وهواؤها صحيح وماؤها عذب. والكوفة مدينة العراق الكبرى، وقبة الإسلام، ودار هجرة المسلمين، وهي خطط لقبائل العرب.وبالكوفة قبر أمير المؤمنين عليّ صلوات الله عليه. مصّرها سعد بن أبي وقاص] «2» في خلافة ابن الخطاب وهي أول مدينة اختطها المسلمون بعد البصرة.
[কুফা নগরীর বর্ণনা] «১»[এটি তৃতীয় ইকলিমের (জলবায়ু অঞ্চল) অন্তর্ভুক্ত।পশ্চিম রেখা থেকে এর দূরত্ব উনসত্তর ডিগ্রি এবং অর্ধেক। এবং বিষুবরেখা থেকে এর দূরত্ব একত্রিশ ডিগ্রি এবং দুই-তৃতীয়াংশ। এটি ফুরাত নদীর তীরে অবস্থিত, এর আবহাওয়া স্বাস্থ্যকর এবং এর পানি সুপেয়। কুফা হলো ইরাকের প্রধান শহর, ইসলামের গম্বুজ, মুসলমানদের হিজরতস্থল এবং এটি আরব গোত্রসমূহের জন্য পরিকল্পিত বসতি।কুফায় আমিরুল মুমিনীন আলী (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক)-এর কবর রয়েছে। সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস এটি শহর হিসেবে পত্তন করেন] «২» ইবনুল খাত্তাবের খিলাফতকালে এবং বসরার পর এটিই প্রথম শহর যা মুসলমানরা পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করেছিলেন।