(খণ্ড: ১)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: -)
أخبار مكة - الأزرقي - ت ابن دهيش القسم: كتب السنة
الكتاب: أخبار مكة وما جاء فيها من الآثار
المؤلف: أبو الوليد محمد بن عبد الله بن أحمد الأزرقي (ت 250 هـ)
دراسة وتحقيق: د عبد الملك بن عبد الله بن دهيش
الناشر: مكتبة الأسدي - مكة المكرمة
الطبعة: الأولى، 1424 هـ - 2003 م
عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 1 ذو القعدة 1446
মক্কার সংবাদ - আল-আজরাকী - সম্পাদনা: ইবনে দেহাইশ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মক্কার সংবাদ এবং তাতে বর্ণিত আছার ও ঘটনাবলি
লেখক: আবু আল-ওয়ালিদ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল-আজরাকী (মৃত্যু ২৫০ হিজরী)
গবেষণা ও সম্পাদনা: ড. আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ বিন দেহাইশ
প্রকাশক: মাকতাবাতুল আসাদী - মক্কা আল-মুকাররামা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৪ হিজরী - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক সংখ্যাবিন্যাস)
[কিতাবটির সংখ্যাবিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১ যুল-ক্বাদাহ ১৪৪৬
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
المقدمة الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام علي سيدنا محمد الصادق الوعد الأمين القائل في هديه المبين: (يا أيها الناس، خذوا عني مناسككم وعلى آله وصحبه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين.
أما بعد:
يقول الله تبارك وتعالى في كتابه الكريم: {وإذ جعلنا البيت مثابة للناس وأمنا واتخذوا من مقام إبراهيم مصلى وعهدنا إلى إبراهيم وإسماعيل أن طهرا بيتي للطائفين والعاكفين والركع السجود} [البقرة: 125].
وقال تعالى: {وإذ يرفع إبراهيم القواعد من البيت وإسماعيل ربنا تقبل منا إنك أنت السميع العليم} [البقرة: 127].
وقال تعالى: {جعل الله الكعبة البيت الحرام قياما للناس والشهر الحرام والهدي والقلائد ذلك لتعلموا أن الله يعلم ما في السماوات وما في الأرض وأن الله بكل شيء عليم} [المائدة: 97].
لقد جعل الله البيت الحرام قبلة للناس، يولون وجوههم شطره، وتهوي إليه أفئدتهم، استجابة لدعوة نبيه إبراهيم عليه السلام، فقد قال سبحانه وتعالى على لسان إبراهيم: {ربنا إني أسكنت من ذريتي بواد غير ذي زرع عند بيتك المحرم ربنا ليقيموا الصلاة فاجعل أفئدة من الناس تهوي إليهم وارزقهم من الثمرات لعلهم يشكرون} [إبراهيم: 37].
عند هذا البيت تتنزل الرحمات، وتسكب العبرات، وتمحى السيئات،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকা সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর, যিনি সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত এবং যিনি তাঁর সুস্পষ্ট হেদায়েতে বলেছেন: "হে লোকসকল! তোমরা আমার কাছ থেকে তোমাদের হজ্জের নিয়মাবলী গ্রহণ করো।" এবং তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সঙ্গী-সাথীগণ এবং কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করবে তাদের ওপর।
অতঃপর:
আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেন: "আর যখন আমি কাবাগৃহকে মানুষের জন্য মিলনস্থল ও নিরাপদ স্থান করলাম এবং (নির্দেশ দিলাম যে,) তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে (মাকামে ইব্রাহীম) সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো। আর আমি ইব্রাহীম ও ইসমাঈলকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী এবং রুকু ও সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখো।" [আল-বাকারা: ১২৫]।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: "আর যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কাবার ভিত্তি উত্তোলন করছিল (তখন তারা বলছিল), হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন; নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।" [আল-বাকারা: ১২৭]।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: "আল্লাহ সম্মানিত গৃহ কাবাকে মানুষের জন্য স্থায়িত্বের কারণ করেছেন এবং সম্মানিত মাসসমূহ, কুরবানীর পশু ও সেগুলোর গলায় পরানো চিহ্নসমূহকেও। এটা এ জন্য যে, যাতে তোমরা জানতে পারো যে, আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।" [আল-মায়িদাহ: ৯৭]।
আল্লাহ তাআলা সম্মানিত কাবাগৃহকে মানুষের জন্য কিবলা নির্ধারণ করেছেন, তারা সেদিকেই তাদের মুখ ফিরায় এবং তাদের অন্তরসমূহ সেদিকেই ধাবিত হয়; তাঁর নবী ইব্রাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর দোয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে। মহান আল্লাহ ইব্রাহীমের ভাষায় বলেছেন: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমি আমার সন্তানদের একাংশকে আপনার সম্মানিত গৃহের নিকটে এক অনুর্বর উপত্যকায় বসতি স্থাপন করালাম। হে আমাদের প্রতিপালক! যাতে তারা সালাত কায়েম করে। অতএব আপনি মানুষের অন্তরসমূহকে তাদের প্রতি অনুরাগী করে দিন এবং তাদেরকে ফলমূল দিয়ে রিযিক দান করুন, যাতে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।" [ইব্রাহীম: ৩৭]।
এই গৃহের নিকটেই রহমত বর্ষিত হয়, অশ্রু বিসর্জিত হয় এবং পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়,
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٤)
وتضاعف الحسنات، من استجار به أجاره الله، ومن أحدث فيه أهلكه الله، بناه الله عز وجل بأيدي أنبيائه، وكفى بذلك شاهدا على أهمية شأنه، إليه تشد الرحال.
ولما كانت مكة المكرمة قد احتضنت الشعائر الدينية للمسلمين كانت محط أنظارهم، ومهوى أفئدتهم، فما من بقعة من بقاعها إلا ولهم فيها رابط ديني أو تاريخي، يتعلق بجانب من جوانب حياتهم الدينية، لذا كان لا بد من مؤلف خاص يبين لهم ما يتعلق بهذه البلدة المباركة، فكان كتاب «أخبار مكة» للإمام الأزرقي رحمه الله.
ويمكن عد كتاب الأزرقي أقدم كتاب موجود عن تاريخ مكة، وقال عنه عبد الكريم بن محمد السمعاني: «محمد بن عبد الله الأزرقي حفيد أحمد بن محمد الأزرقي، صاحب كتاب أخبار مكة، كتبه بمنتهى الروعة والدقة».
وقال عنه ابن النديم: «كتاب مكة وأخبارها وجبالها وأوديتها كتاب كبير».
ومكة المكرمة اختارها الله لتكون مهبط الوحي بالرسالة، وشرفها ببيته والشيء يشرف بمتعلقه، ولما كانت المؤلفات المتعلقة بهذه البقعة المباركة لم تعط حقها، على الرغم من أهميتها، لذا شمرنا عن ساعد الجد مستعينين بحول الله وقوته للقيام بذلك، ولقد كان هذا الكتاب المخطوط يحتاج إلى يد علمية تخرجه إلى القراء بتدقيق وتحقيق وتعليق يكون في متناول الجميع، ويلامس فهمهم، خاصة وأنه كتاب عمدة في بابه، ومصدر من مصادر هذا الفن وهو علم الأخبار، فالله نسأل أن يكون قد اختارنا لخدمة دينه.
وقد قدمت بين يدي الكتاب دراسة وافية عنه. وقد قسمت هذه الدراسة إلى مقدمة وثلاثة مباحث وخاتمة:
সেখানে নেক আমলসমূহ বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়; যে ব্যক্তি সেখানে আশ্রয় প্রার্থনা করে আল্লাহ তাকে আশ্রয় দান করেন, আর যে সেখানে কোনো অপকর্ম বা অনিষ্টের সূচনা করে আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর নবীদের হাত দ্বারা এটি নির্মাণ করেছেন, এবং এর গুরুত্বের সাক্ষ্য হিসেবে এটিই যথেষ্ট যে, এর পানেই সফরের পাথেয় প্রস্তুত করা হয়।
যেহেতু মক্কা মুকাররমা মুসলিমদের ধর্মীয় নিদর্শনসমূহকে ধারণ করেছে, তাই এটি ছিল তাদের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু এবং হৃদয়ের আকর্ষণের স্থল। এর এমন কোনো অংশ নেই যার সাথে তাদের কোনো ধর্মীয় বা ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই, যা তাদের ধর্মীয় জীবনের কোনো না কোনো দিকের সাথে সম্পৃক্ত। তাই এই বরকতময় শহর সম্পর্কে তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বর্ণনা করার জন্য একটি বিশেষ রচনার প্রয়োজন ছিল। আর সেটি হলো ইমাম আযরাকী (রাহিমাহুল্লাহ) রচিত ‘আখবারু মক্কা’ গ্রন্থটি।
আযরাকীর গ্রন্থটিকে মক্কার ইতিহাসের ওপর বিদ্যমান প্রাচীনতম গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। আব্দুল কারীম বিন মুহাম্মদ আস-সামআনী এর সম্পর্কে বলেছেন: “মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আযরাকী হলেন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আযরাকীর পৌত্র এবং ‘আখবারু মক্কা’ গ্রন্থের রচয়িতা। তিনি এটি অত্যন্ত চমৎকার ও নিখুঁতভাবে রচনা করেছেন।”
ইবনু নাদীম এর সম্পর্কে বলেছেন: “মক্কা, এর ঘটনাবলি, পাহাড় ও উপত্যকাসমূহ নিয়ে রচিত এই গ্রন্থটি একটি বিশাল গ্রন্থ।”
আল্লাহ তাআলা মক্কা মুকাররমাকে রিসালাতের ওহী অবতীর্ণ হওয়ার স্থান হিসেবে মনোনীত করেছেন এবং একে তাঁর ঘর দ্বারা সম্মানিত করেছেন; আর কোনো বস্তু তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দ্বারাই সম্মানিত হয়। যেহেতু এই বরকতময় ভূখণ্ড সম্পর্কিত রচনাগুলো তাদের গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও যথাযথ মর্যাদা পায়নি, তাই আমরা আল্লাহর শক্তি ও সামর্থ্যের সাহায্য নিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য কোমর বেঁধেছি। এই পাণ্ডুলিপিটির একটি ইলমি পরশ প্রয়োজন ছিল যা সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ, তাহকীক ও টীকা-টিপ্পনীর মাধ্যমে পাঠকদের বোধগম্য করে প্রকাশ করবে। বিশেষ করে যেহেতু এটি নিজ বিষয়ে একটি মৌলিক গ্রন্থ এবং ইলমুল আখবার বা সংবাদ-বিজ্ঞানের অন্যতম উৎস। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের তাঁর দ্বীনের খিদমতের জন্য কবুল করেন।
আমি এই গ্রন্থের শুরুতে এটি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা পেশ করেছি। আমি এই পর্যালোচনামূলক আলোচনাটিকে একটি ভূমিকা, তিনটি পরিচ্ছেদ এবং একটি উপসংহারে বিভক্ত করেছি:
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٥)
- في المقدمة تكلمنا عن أهمية كتاب أخبار مكة، وما هو الدافع لاختيار هذا الكتاب، ومكانة البلد الحرام في نفوس المسلمين.
- وفي المبحث الأول: ذكرنا ترجمة المؤلف: (اسمه - نسبته - أسرته - مولده - شيوخه - تلامذته - مؤلفاته - وفاته).
- وفي المبحث الثاني: ذكرنا التعريف بكتاب أخبار مكة: (أهميته - منهج المؤلف فيه - التحقق من اسمه - التحقق من نسبته إلى المؤلف - منهج العمل في التحقيق).
- وفي المبحث الثالث: تكلمنا عن النسخ الخطية التي وقفنا عليها، والتي اعتمدناها في تحقيق هذا الكتاب.
- وقد ذيلنا الكتاب بفهارس عامة تعين القارئ على الوصول إلى بغيته، وهذه الفهارس هي:
1 - فهرس الآيات القرآنية.
2 - فهرس الأحاديث النبوية.
3 - فهرس الرواة.
4 - فهرس الأعلام.
5 - فهرس الكتب.
6 - فهرس الأماكن.
7 - فهرس الأقوام.
8 - فهرس المهن.
9 - فهرس المصطلحات الحضارية.
10 - فهرس الشعر.
- ভূমিকার অংশে আমরা ‘আখবারু মক্কা’ গ্রন্থের গুরুত্ব, এই গ্রন্থটি নির্বাচনের নেপথ্যে থাকা কারণ এবং মুসলিমদের অন্তরে পবিত্র নগরীর মর্যাদা নিয়ে আলোচনা করেছি।
- প্রথম পরিচ্ছেদে: আমরা লেখকের জীবনী উল্লেখ করেছি: (তাঁর নাম - বংশসূত্র - পরিবার - জন্ম - শিক্ষকগণ - ছাত্রগণ - রচনাবলি - মৃত্যু)।
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে: আমরা ‘আখবারু মক্কা’ গ্রন্থের পরিচয় তুলে ধরেছি: (এর গুরুত্ব - এতে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতি - এর নাম নিশ্চিতকরণ - লেখকের দিকে এর সম্বন্ধের সত্যতা যাচাই - সম্পাদনার কার্যপদ্ধতি)।
- তৃতীয় পরিচ্ছেদে: আমরা সেই সকল পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে আলোচনা করেছি যা আমরা সংগ্রহ করেছি এবং এই গ্রন্থটির সম্পাদনায় যেগুলোর ওপর নির্ভর করেছি।
- আমরা গ্রন্থের শেষে সাধারণ কিছু নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি যা পাঠককে তার কাঙ্ক্ষিত বিষয়বস্তু খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। এই নির্ঘণ্টগুলো হলো:
১ - কুরআনের আয়াতের নির্ঘণ্ট।
২ - হাদিসে নববীর নির্ঘণ্ট।
৩ - বর্ণনাকারীদের নির্ঘণ্ট।
৪ - ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।
৫ - বইয়ের নির্ঘণ্ট।
৬ - স্থানের নির্ঘণ্ট।
৭ - গোত্র ও জাতিগোষ্ঠীর নির্ঘণ্ট।
৮ - পেশার নির্ঘণ্ট।
৯ - সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিষয়ক পরিভাষার নির্ঘণ্ট।
১০ - কবিতার নির্ঘণ্ট।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٦)
11 - فهرس الصور التوضيحية.
12 - فهرس المصادر والمراجع.
13 - فهرس الموضوعات.
كتبه
عبد الملك بن عبد الله بن دهيش
1/ 1/ 1424 هـ
১১ - চিত্রাবলীর নির্ঘণ্ট।
১২ - উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট।
১৩ - বিষয়বস্তুর সূচিপত্র।
এটি লিখেছেন
আব্দুল মালিক বিন আব্দুল্লাহ বিন দেহীশ
১/ ১/ ১৪২৪ হিজরি
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٧)
المبحث الأول ترجمة المؤلف
প্রথম পরিচ্ছেদ: লেখকের জীবনী
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٩)
ترجمة المؤلف
اسمه ونسبه (1):
أبو الوليد محمد بن عبد الله بن أحمد بن الوليد بن عقبة ابن الأزرق الغساني الأزرقي المكي.
نسبته:الأزرقي: بفتح الهمزة وسكون الزاي وفتح الراء وكسر القاف، ونسبة الأزرقي إلى جده الأزرق أبي عقبة، من غسان.
مولده:كانت ولادة الأزرقي رحمه الله في القرن الثاني للهجرة، ولم يعرف تاريخ ولادته، ولا أشار إلى ذلك أحد من المؤرخين المتقدمين منهم والمتأخرين.
أسرته:جده: أحمد بن محمد الأزرقي [
… - 217 هـ]، سيأتي التعريف به عند ذكر شيوخ المؤلف.
ولده: يحيى بن محمد بن عبد الله أبو محمد الأزرقي
(2):
--------------------------------------------
লেখকের জীবনী
তাঁর নাম ও বংশপরিচয় (১):
আবু আল-ওয়ালিদ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উকবাহ ইবনুল আজরাক আল-গাসসানি আল-আজরাকি আল-মাক্কি।
তাঁর নিসবাত (সংযুক্তি):আল-আজরাকি: হামযাহ-তে ফাতহাহ, যা-তে সুকুন, রা-তে ফাতহাহ এবং ক্বাফ-এ কাসরাহ সহকারে। ‘আজরাকি’ নিসবাতটি তাঁর দাদা গাসসান বংশের আল-আজরাক আবু উকবাহ-এর দিকে সম্পর্কিত।
তাঁর জন্ম:আল-আজরাকি (রহিমাহুল্লাহ)-এর জন্ম হিজরি দ্বিতীয় শতাব্দীতে হয়েছিল। তাঁর জন্মের সঠিক তারিখ জানা যায়নি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী ঐতিহাসিকদের কেউই সেদিকে ইঙ্গিত করেননি।
তাঁর পরিবার:তাঁর দাদা: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আজরাকি [ … - ২১৭ হি.], লেখকের শিক্ষকদের বর্ণনার সময় তাঁর পরিচয় আসবে।
তাঁর সন্তান: ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মুহাম্মাদ আল-আজরাকি
(২):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
ذكره ياقوت في معجم البلدان عند ذكر عمر الحبيس. وذكر شعرا له، وفيه يقول:
ليتني والمنى قديما سفاه
… وضلال وحبرة وغناء
كنت صادفت منك يوما بعما
… وبدير الحبيس كان اللقاء
فتوافيك ضرة الشمس تختا
… ل كأن العيان منها هباء
لذ منها طعم وطاب نسيم
… فلها الفخر كله والسناء
شوخه:روى الإمام الأزرقي في كتابه (أخبار مكة) عن عدد من الشيوخ، أكثر عن بعضهم في الرواية، وأقل عن البعض الآخر، ولقد وضعنا ترجمة مختصرة لهؤلاء الشيوخ الذين أكثر عنهم، وخاصة ما يتعلق بأسمائهم، ومن رووا عنه، ومن روى عنهم، وما قيل فيهم من جرح أو تعديل، وتاريخ الوفاة، وعدد الروايات التي نقلها الأزرقي عنهم، نذكر منهم:
1. أحمد بن محمد الأزرقي (جد المؤلف) [
… - 217 هـ]:
هو أحمد بن محمد بن الوليد بن عقبة بن الأزرق بن عمرو بن الحارث بن أبي شمر الغساني أبو الوليد ويقال أبو عبد الله جد أبي الوليد محمد بن عبد الله الأزرقي صاحب تاريخ مكة.
روى عن: مالك وعمرو بن يحيى بن سعيد، وداود بن عبد الرحمن، وإبراهيم بن سعد، والحباب بن فضالة بن هرمز الحنفي اليمامي عن أنس بن مالك، وسفيان ابن عيينة، ومسلم بن خالد الزنجي، وسعيد بن سالم، وإبراهيم بن محمد بن أبي يحيى، وداود بن عبد الرحمن العطار، وعمرو بن يحيى السعدي، والشافعي، وغيرهم.
ইয়াকুত একে 'মুজামুল বুলদান'-এ উমর আল-হাবিসের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। তিনি তার কিছু কবিতাও উল্লেখ করেছেন, যাতে তিনি বলেন:
হায় আমি! আর কামনা-বাসনা দীর্ঘকাল ধরে মূর্খতা
… পথভ্রষ্টতা, আনন্দ এবং গান ছিল
আমি যদি তোমার সাথে কোনো একদিন আমাতে সাক্ষাৎ করতাম
… আর দাইরুল হাবিসে সেই মিলন হতো
তখন সূর্যের সতীন গর্বভরে তোমার কাছে আসত
… যেন তার প্রকাশ কেবল ধূলিকণা
তার স্বাদ সুস্বাদু এবং বাতাস নির্মল ছিল
… সুতরাং তার জন্যই সকল গৌরব ও শ্রেষ্ঠত্ব
তাঁর উস্তাদগণ:ইমাম আল-আযরাকি তাঁর (আখবারু মক্কা) কিতাবে বেশ কিছু উস্তাদ থেকে বর্ণনা করেছেন; কারো থেকে বেশি বর্ণনা করেছেন এবং কারো থেকে কম। আমরা সেই উস্তাদদের একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেছি যাদের থেকে তিনি অধিক বর্ণনা করেছেন, বিশেষ করে তাদের নাম, তারা কাদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাদের থেকে কারা বর্ণনা করেছেন, 'জারহ ও তাদিল' (সমালোচনা ও গুণগান) বিষয়ে তাদের সম্পর্কে কী বলা হয়েছে, তাদের মৃত্যুসন এবং আযরাকি তাদের থেকে কতটি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন সে সম্পর্কিত বিষয়গুলো। আমরা তাদের মধ্য থেকে উল্লেখ করছি:
১. আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আযরাকি (লেখকের দাদা) [
… - ২১৭ হিজরি]:
তিনি হলেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উকবা ইবনে আল-আযরাক ইবনে আমর ইবনে আল-হারিস ইবনে আবি শামির আল-গাসসানি আবু ওয়ালিদ; তাকে আবু আব্দুল্লাহও বলা হয়। তিনি 'তারিখু মক্কা'-এর লেখক আবু ওয়ালিদ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযরাকির দাদা।
তিনি বর্ণনা করেছেন: মালিক, আমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, দাউদ ইবনে আব্দুর রহমান, ইব্রাহিম ইবনে সাদ, আনাস ইবনে মালিকের সূত্রে আল-হুবাব ইবনে ফাদালা ইবনে হুরমুজ আল-হানাফি আল-ইয়ামামি, সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না, মুসলিম ইবনে খালিদ আজ-জানজি, সাঈদ ইবনে সালিম, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি ইয়াহইয়া, দাউদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-আত্তার, আমর ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাদি, শাফেয়ী এবং আরও অনেকের থেকে।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١١)
وعنه: البخاري، وحفيده محمد بن عبد الله مؤرخ مكة، وأبو جعفر الترمذي البخاري، وأبو حاتم، ويعقوب الفسوي، وعبد الله بن أحمد بن أبي مسرة، وجماعة.
قال أبو حاتم وأبو عوانة: ثقة، وقال ابن سعد: ثقة كثير الحديث، وقال الربيع: كان أحد أوصياء الشافعي، قال البخاري في تاريخه: فارقناه حيا سنة اثنتي عشرة ومائتين.
قال ابن حجر: مات سنة سبع عشرة ومائتين، وقيل: سنة اثنتين وعشرين ومائتين
(1).
روى عنه الأزرقي (حفيده) في تاريخه/ 792/ نصا.
2. محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني، أبو عبد الله الحافظ، نزيل مكة ومحدثها، وقد ينسب إلى جده
(2).
روى عن سفيان بن عيينة، وفضيل بن عياض، وعبد العزيز بن محمد الدراوردي، وعبد المجيد بن أبي رواد، ومروان بن معاوية الفزاري، وبشر بن السري، ويزيد بن هارون، وغيرهم.
وروى عنه: مسلم بن الحجاج، والترمذي، وابن ماجه، وأبو حاتم، وأبو زرعة الرازي، وأبو زرعة الدمشقي، وبقي بن مخلد الأندلسي، والمفضل بن محمد الجندي، وآخرون.
--------------------------------------------
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: বুখারি, তাঁর পৌত্র মক্কার ইতিহাসবিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু জাফর তিরমিজি আল-বুখারি, আবু হাতিম, ইয়াকুব আল-ফাসাওয়ি, আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবি মাসাররাহ এবং একটি দল।
আবু হাতিম এবং আবু আওয়ানা বলেছেন: (তিনি) নির্ভরযোগ্য; ইবনে সাদ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী; রাবি বলেছেন: তিনি শাফেয়ির অন্যতম ওসিয়তপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন; বুখারি তাঁর 'তারিখ'-এ বলেছেন: আমরা দুইশ বারো হিজরিতে তাঁকে জীবিত অবস্থায় রেখে এসেছি।
ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি দুইশ সতেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, এবং বলা হয়: দুইশ বাইশ হিজরিতে
(১)।
তাঁর পৌত্র আল-আজরাকি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থের ৭৯২ পৃষ্ঠায় তাঁর থেকে সরাসরি পাঠ বর্ণনা করেছেন।
২. মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি উমর আল-আদানি, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, মক্কায় বসবাসকারী এবং সেখানকার মুহাদ্দিস, কখনও কখনও তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধিত করা হয়
(২)।
তিনি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়ায়না, ফুদায়েল বিন ইয়াদ, আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ারদি, আব্দুল মাজিদ বিন আবি রাওয়াদ, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজরি, বিশর বিন আস-সাররি, ইয়াজিদ বিন হারুন এবং অন্যদের থেকে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুসলিম বিন হাজ্জাজ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, আবু হাতিম, আবু যুরআহ আর-রাজি, আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি, বাকি বিন মাখলাদ আল-আন্দালুসি, আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মদ আল-জুন্দি এবং অন্যান্যরা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
قال أبو حاتم: كان رجلا صالحا، وكان صدوقا، وكان به غفلة.
مات بمكة سنة 243، وكان من أبناء التسعين.
روى عنه الأزرقي (حفيده) في تاريخه/ 135/ نصا.
3. مهدي بن أبي المهدي المكي:
روى عن: أبي أيوب البصري، وعبد الرزاق، وابن عيينة، وإسماعيل بن عبد الكريم الصنعاني، وغيرهم. وروى له الحاكم
(1) حديثا واحدا، ولم أقف له على ترجمة في كتب الرجال.
وأما مهدي بن أبي مهدي العبدي فقد ذكره ابن حجر
(2) في الطبقة السادسة، وهو يروي عن عكرمة من الطبقة الثالثة، ويروي عنه عبد المؤمن السدوسي من رجال الطبقة الثامنة. ولا يعقل أن يروي عنه الأزرقي الحفيد حيث إنه من رجال الطبقة الثانية عشرة تقريبا. وقد اشتبه الأمر على بعضهم فظنه أنه الهجري الذي ذكره ابن حجر، والتحقيق أنهما راويان.
روى عنه الأزرقي في تاريخه/ 49/ نصا.
4. إبراهيم بن محمد بن العباس بن عمر بن شافع بن السائب المطلبي أبو إسحاق الشافعي المكي ابن عم الإمام محمد بن إدريس [
… - 237 أو 238 هـ].
روى عن أبيه وجده لأمه محمد بن علي بن شافع، وحماد بن زيد، وابن عيينة، وابن أبي حازم، وجماعة.
وعنه ابن ماجه، وروى النسائي بواسطة عنه، ومسلم خارج الصحيح، وبقي بن مخلد، وابن أبي عاصم، ويعقوب بن شيبة، وغيرهم.
--------------------------------------------
আবু হাতিম বলেন: তিনি একজন নেককার ব্যক্তি ছিলেন এবং তিনি সত্যবাদী ছিলেন, তবে তাঁর মধ্যে কিছুটা অসতর্কতা ছিল।
তিনি ২৪৩ হিজরীতে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স নব্বইয়ের কোঠায় ছিল।
আল-আযরাকী (তাঁর নাতি) তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে (তারিখে) ১৩৫ নম্বর পৃষ্ঠায় সরাসরি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৩. মাহদী ইবনে আবি আল-মাহদী আল-মাক্কী:
তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু আইয়ুব আল-বাসরী, আবদুর রাজ্জাক, ইবনে উইয়াইনাহ, ইসমাঈল ইবনে আবদুল কারীম আস-সানআনী এবং অন্যদের থেকে। আর আল-হাকিম
(১) তাঁর থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে আমি বর্ণনাকারীদের পরিচিতি বিষয়ক গ্রন্থসমূহে (কুতুবুর রিজাল) তাঁর কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।
আর মাহদী ইবনে আবি মাহদী আল-আবদী সম্পর্কে ইবনে হাজার
(২) ষষ্ঠ স্তরে (তাবাকাহ) উল্লেখ করেছেন, তিনি তৃতীয় স্তরের ইকরামা থেকে বর্ণনা করেন এবং অষ্টম স্তরের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত আবদুল মুমিন আস-সাদূসী তাঁর থেকে বর্ণনা করেন। এটি কোনোভাবেই বোধগম্য নয় যে আল-আযরাকী নাতি তাঁর থেকে বর্ণনা করবেন, যেহেতু তিনি আনুমানিক দ্বাদশ স্তরের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। বিষয়টি কারো কারো কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে এবং তারা তাকে আল-হাজারী মনে করেছেন যাকে ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন, তবে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে যে তারা দুইজন ভিন্ন বর্ণনাকারী।
আল-আযরাকী তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে (তারিখে) ৪৯ নম্বর পৃষ্ঠায় সরাসরি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৪. ইব্রাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আব্বাস ইবনে উমর ইবনে শাফে ইবনে আস-সাইব আল-মুত্তালিবী আবু ইসহাক আশ-শাফিঈ আল-মাক্কী, ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদরীসের চাচাতো ভাই [ … - ২৩৭ বা ২৩৮ হিজরী]।
তিনি তাঁর পিতা এবং তাঁর মাতামহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে শাফে, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, ইবনে উইয়াইনাহ, ইবনে আবি হাযিম এবং একদল আলেমের থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন, আর আন-নাসায়ী তাঁর থেকে মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, এবং মুসলিম (তাঁর সহীহ গ্রন্থের বাইরে) বর্ণনা করেছেন, এছাড়াও বাকী ইবনে মাখলাদ, ইবনে আবি আসিম, ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ এবং অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
قال حرب الكرماني: سمعت أحمد بن حنبل يحسن الثناء عليه، وقال أبو حاتم: صدوق، وقال النسائي والدارقطني: ثقة، قلت: وذكره ابن حبان في الثقات.
مات سنة: 237، ويقال: سنة 238
(1).
روى عنه الأزرقي في تاريخه:/ 16/ نصا.
5. محرز بن سلمة بن يزداد المكي العدني [
… - 234 هـ].
روى عن: مالك، ونافع بن عمر، والدراوردي، وابن أبي حازم، والمغيرة بن عبد الرحمن، والمنكدر بن محمد بن المنكدر، وغيرهم.
وعنه: ابن ماجه وابن أبي عاصم، ومطين، وموسى بن إسحاق، ومحمد بن إدريس، وراق الحميدي، وأبو بكر حاتم بن إسماعيل، وأبو الوليد محمد بن عبد الله بن أحمد الأزرقي، ومحمد بن علي بن زيد الصائغ، وأبو يعلى، وغيرهم. وهو ثقة، مات سنة أربع وثلاثين ومائتين
(2).
روى عنه الأزرقي في تاريخه نصين اثنين.
6. أحمد بن نصر بن زياد النيسابوري [
… - 245 هـ].
روى عن جعفر بن عون، وروح بن عبادة، ويزيد بن هارون، وصفوان بن عيسى، وأبي مسهر، وعبد الله بن نمير، وخلق.
وعنه: الترمذي والنسائي والبخاري ومسلم كلاهما في الجامع، وعلي بن حرب الموصلي وهو أكبر منه، وأبو الوليد الأزرقي صاحب تاريخ مكة، وغيرهم.
وقال أحمد بن سيار وابن خزيمة: كان ثقة صاحب سنة محبا لأهل الخير، كتب العلم وجالس الناس، وقال الحاكم أبو عبد الله في ترجمته: كان فقيه أهل الحديث
--------------------------------------------
হারব আল-কিরমানি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করতে শুনেছি। আবু হাতিম বলেন: তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। নাসায়ি এবং দারাকুতনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
তিনি ২৩৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ২৩৮ হিজরি
(১)।
আল-আযরাকি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে তাঁর থেকে ১৬টি বর্ণনা (নস) সরাসরি উদ্ধৃত করেছেন।
৫. মুহরিজ বিন সালামাহ বিন ইযদাদ আল-মাক্কি আল-আদানি [ … - ২৩৪ হিজরি]।
তিনি বর্ণনা করেছেন: মালিক, নাফি বিন উমর, আদ-দারাওয়ারদি, ইবনে আবি হাযিম, আল-মুগিরা বিন আবদুর রহমান, আল-মুনকাদির বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির এবং অন্যদের থেকে।
আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবনে মাজাহ, ইবনে আবি আসিম, মুতাইন, মুসা বিন ইসহাক, মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস, ওয়াররাক আল-হুমাইদি, আবু বকর হাতিম বিন ইসমাইল, আবুল ওয়ালিদ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আল-আযরাকি, মুহাম্মাদ বিন আলি বিন যাইদ আস-সাইগ, আবু ইয়ালা এবং অন্যরা। তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন এবং ২৩৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)।
আল-আযরাকি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে তাঁর থেকে সরাসরি দুইটি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন।
৬. আহমাদ বিন নাসর বিন জিয়াদ আন-নিসাবুরি [ … - ২৪৫ হিজরি]।
তিনি বর্ণনা করেছেন: জাফর বিন আউন, রাওহ বিন উবাদাহ, ইয়াযিদ বিন হারুন, সাফওয়ান বিন ঈসা, আবু মুসহির, আবদুল্লাহ বিন নুমাইর এবং আরও অনেকের থেকে।
আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: তিরমিযি, নাসায়ি, বুখারি ও মুসলিম (উভয়েই তাঁদের 'জামে' গ্রন্থে), আলি বিন হারব আল-মাওসিলি—যিনি তাঁর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন, মক্কার ইতিহাসের লেখক আবুল ওয়ালিদ আল-আযরাকি এবং অন্যরা।
আহমাদ বিন সাইয়ার এবং ইবনে খুযাইমাহ বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), সুন্নাহর অনুসারী এবং নেককারদের প্রতি ভালোবাসা পোষণকারী ছিলেন। তিনি ইলম লিপিবদ্ধ করেছেন এবং মানুষের সাথে মজলিস করেছেন। হাকীম আবু আবদুল্লাহ তাঁর জীবনীতে বলেছেন: তিনি আহলে হাদিসের ফকিহ ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
في آلاف، وهو كثير الرحلة، وعنده تفقه، وقال النسائي في أسماء شيوخه: ثقة، وقال الخليلي: ثقة متفق عليه، وذكره ابن حبان في الثقات.
مات سنة خمس وأربعين ومائين
(1).
روى عنه الأزرقي في تاريخه نصين اثنين.
7. سعيد بن منصور بن شعبة الخراساني أبو عثمان المروزي، ويقال: الطالقاني [
… - 227 هـ].
روى عن: مالك، وحماد بن زيد، وأبي قدامة الحارث بن عبيد، وداود بن عبد الرحمن، وابن أبي الزناد، وابن عيينة، ومهدي بن ميمون، وجماعة.
وعنه: مسلم، وأبو داود، وعبد الله الدارمي، والذهلي، وأبو حاتم، وأبو بكر الأثرم، وحرب الكرماني، وأحمد بن حنبل حدث عنه وهو حي.
قال ابن قانع: ثقة ثبت. وقال الخليلي: ثقة متفق عليه، ووثقه أيضا مسلمة بن قاسم.
سكن مكة ومات بها سنة سبع وعشرين ومائتين
(2).
روى عنه الأزرقي في تاريخه/ 3/ نصوص.
8. سليمان بن حرب بن بجيل الإمام الثقة الحافظ شيخ الإسلام أبو أيوب الواشحي الأزدي البصري قاضي مكة [
… - 224 هـ].
روى عن: شعبة، ومحمد بن طلحة بن مصرف، والحمادين، ويزيد بن إبراهيم التستري، وجرير بن حازم، وسلام بن أبي مطيع، وغيرهم.
وعنه: البخاري، وأبو داود، وروى له الباقون بواسطة أبي بكر بن أبي شيبة،
--------------------------------------------
হাজারো হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি অনেক সফর করতেন এবং তার গভীর ফিকহী জ্ঞান ছিল। ইমাম আন-নাসায়ী তার শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করার সময় তাকে 'নির্ভরযোগ্য' (সিকাহ) বলেছেন। আল-খলীলী বলেছেন: 'তিনি নির্ভরযোগ্য এবং তার ব্যাপারে সকলে একমত'। ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্যদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
তিনি দুইশত পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)।
আল-আযরকী তার ইতিহাসের কিতাবে তার থেকে দু'টি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন।
৭. সাঈদ ইবনে মানসুর ইবনে শু'বাহ আল-খুরাসানী আবু উসমান আল-মারওয়াযী, তাকে আত-তালকানীও বলা হয় [ … - ২২৭ হি.]।
তিনি বর্ণনা করেছেন: মালিক, হাম্মাদ ইবনে যাইদ, আবু কুদামাহ আল-হারিস ইবনে উবাইদ, দাউদ ইবনে আবদুর রহমান, ইবনে আবিয যিনাদ, ইবনে উয়াইনা, মাহদী ইবনে মাইমুন এবং আরও অনেকের নিকট থেকে।
তার থেকে বর্ণনা করেছেন: মুসলিম, আবু দাউদ, আবদুল্লাহ আদ-দারিমী, আয-যুহলী, আবু হাতিম, আবু বকর আল-আছরাম, হারব আল-কিরমানী; এবং আহমাদ ইবনে হাম্বল তার থেকে বর্ণনা করেছেন যখন তিনি জীবিত ছিলেন।
ইবনে কানি' বলেছেন: 'তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়'। আল-খলীলী বলেছেন: 'তিনি নির্ভরযোগ্য এবং তার ব্যাপারে সকলে একমত'। মাসলামাহ ইবনে কাসিমও তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
তিনি মক্কায় বসবাস করতেন এবং সেখানেই দুইশত সাতাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)।
আল-আযরকী তার ইতিহাসের কিতাবে তার থেকে ৩টি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন।
৮. সুলাইমান ইবনে হারব ইবনে বাজিল, ইমাম, নির্ভরযোগ্য, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম আবু আইয়ুব আল-ওয়াশিহী আল-আযদি আল-বাসরী, মক্কার বিচারক (কাজী) [ … - ২২৪ হি.]।
তিনি বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ, মুহাম্মাদ ইবনে তালহা ইবনে মুসাররিফ, দুই হাম্মাদ (হাম্মাদ ইবনে যাইদ ও হাম্মাদ ইবনে সালামাহ), ইয়াযীদ ইবনে ইবরাহীম আত-তুস্তারী, জারীর ইবনে হাযিম, সালাম ইবনে আবি মুতী এবং আরও অনেকের নিকট থেকে।
তার থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-বুখারী ও আবু দাউদ। আর (কুতুবে সিত্তার) অবশিষ্ট লেখকগণ আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ-এর মাধ্যমে তার থেকে বর্ণনা করেছেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
وأبي داود سليمان بن معبد السبخي، وأحمد بن سعيد الدارمي، وإسحاق بن راهويه، وغيرهم.
قال أبو حاتم: إمام من الأئمة كان لا يدلس ويتكلم في الرجال وفي الفقه، وقال النسائي: ثقة مأمون، وقال بن خراش كان ثقة.
مات سنة أربع وعشرين ومائتين
(1).
روى عنه الأزرقي في تاريخه/ 4/ نصوص.
وهذا بيان بأسماء شيوخ الإمام الأزرقي، وعدد مروياتهم، وهم مرتبون على حروف المعجم، ومن لم نقف له على ترجمة وضعنا أمامه علامة (*):
| الاسم | عدد مروياته |
| إبراهيم بن محمد الشافعي المكي | 16 |
| أبو بكر بن محمد بن يزيد بن خنيس* | 1 |
| أحمد بن محمد الأزرقي | 792 |
| أحمد بن ميسرة المكي* | 27 |
| أحمد بن نصر النيسابوري | 2 |
| إسحاق بن نافع، يقال له الجارف* | 1 |
| جابر بن ساج* | 1 |
| حمزة بن عبد الله بن حمزة بن عتبة* | 1 |
| سعيد بن محمد (رجل من قريش) * | 1 |
--------------------------------------------
এবং আবু দাউদ সুলাইমান বিন মা’বাদ আল-সাবখি, আহমদ বিন সাঈদ আদ-দারিমি, ইসহাক বিন রাহাওয়াইহ এবং আরও অনেকে।
আবু হাতিম বলেছেন: তিনি ইমামগণের মধ্যে একজন ইমাম ছিলেন, তিনি তথ্য গোপন (তাদলিস) করতেন না এবং তিনি বর্ণনাকারী (রিজাল) ও ফিকহ শাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করতেন। নাসায়ি বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। ইবনে খারাশ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।
তিনি দুইশত চব্বিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন
(১)।
আল-আজরাকি তার ইতিহাসে তার থেকে ৪টি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
এটি ইমাম আল-আজরাকির শিক্ষকদের নাম এবং তাদের বর্ণিত বর্ণনার সংখ্যার একটি বিবরণ, যা বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়েছে। আর যাদের জীবনী আমরা খুঁজে পাইনি, তাদের নামের সামনে একটি চিহ্ন (*) দেওয়া হয়েছে:
| নাম | বর্ণনার সংখ্যা |
| ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আশ-শাফি’য়ি আল-মাক্কি | ১৬ |
| আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ বিন খুনাইস* | ১ |
| আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আজরাকি | ৭৯২ |
| আহমদ বিন মাইসারা আল-মাক্কি* | ২৭ |
| আহমদ বিন নাসর আন-নিসাবুরি | ২ |
| ইসহাক বিন নাফি’, তাকে আল-জারিফ বলা হয়* | ১ |
| জাবির বিন সাজ* | ১ |
| হামজাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামজাহ বিন উতবাহ* | ১ |
| সাঈদ বিন মুহাম্মদ (কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তি) * | ১ |
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
| الاسم | عدد مروياته |
| سعيد بن منصور | 3 |
| سعيد بن يحيى البلخي* | 1 |
| سليمان بن حرب الأزدي | 4 |
| عبد الله بن أبي غسان* | 3 |
| عبدالله بن إسحاق الحجبي* | 1 |
| عبدالله بن شبيب الربعي | 1 |
| عبد الله بن محمد بن سليمان بن منصور السهامي* | 1 |
| عبد الله بن مسلمة بن قعنب القعنبي | 3 |
| علي بن هارون بن مسلم العجلي | 1 |
| عمرو بن حكام البصري | 1 |
| المثنى بن جبير الصواف* | 1 |
| محرز بن سلمة العدني | 2 |
| محمد بن إسماعيل بن أبي عصيدة | 1 |
| محمد بن سليم، سلمان* | 1 |
| محمد بن عبد الله بن سليمان بن منصور السهامي* | 1 |
| محمد بن مسلم بن عثمان بن عبدالله الرازي | 1 |
| محمد بن نبيه السهمي* | 1 |
| محمد بن واضح* | 1 |
| محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني | 135 |
| নাম | তাঁর বর্ণিত বর্ণনার সংখ্যা |
| সাঈদ ইবন মানসুর | ৩ |
| সাঈদ ইবন ইয়াহইয়া আল-বালখি* | ১ |
| সুলায়মান ইবন হারব আল-আযদি | ৪ |
| আবদুল্লাহ ইবন আবি গাসসান* | ৩ |
| আবদুল্লাহ ইবন ইসহাক আল-হাজাবি* | ১ |
| আবদুল্লাহ ইবন শাবিব আর-রিবয়ি | ১ |
| আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলায়মান ইবন মানসুর আস-সুহামি* | ১ |
| আবদুল্লাহ ইবন মাসলামাহ ইবন কা'নাব আল-কা'নাবি | ৩ |
| আলী ইবন হারুন ইবন মুসলিম আল-ইজলি | ১ |
| আমর ইবন হুক্কাম আল-বাসরি | ১ |
| আল-মুসান্না ইবন জুবায়র আস-সাউওয়াফ* | ১ |
| মুহরিজ ইবন সালামাহ আল-আদানি | ২ |
| মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন আবি আসিদাহ | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন সলিম, সালমান* | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন সুলায়মান ইবন মানসুর আস-সুহামি* | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন উসমান ইবন আবদুল্লাহ আর-রাজি | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন নাবিহ আস-সাহমি* | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন ওয়াদিহ* | ১ |
| মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আবি উমর আল-আদানি | ১৩৫ |
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
| الاسم | عدد مروياته |
| محمد بن يحيى بن علي بن عبد الحميد الكناني | 9 |
| مسافع بن عبد الرحمن الحجي* | 2 |
| مسلم بن خالد المخزومي الزنجي | 1 |
| مهدي بن أبي مهدي المكي* | 49 |
| هارون بن أبي بكر | 1 |
| الوليد بن أبان الرازي* | 1 |
| يحيى بن سعيد بن سالم القداح | 6 |
| يوسف بن محمد بن إبراهيم العطار | 2 |
تلامذتهأشهر تلامذته:
1. إسحاق بن أحمد بن إسحاق بن نافع بن أبي بكر بن يوسف بن عبد الله بن نافع بن عبد الحارث الخزاعي أبو محمد المقرئ المكي [
… -308 هـ].
حدث عن: محمد بن زنبور المكي، وأبي الوليد محمد بن عبد الله الأزرقي بكتاب مكة، ومحمد بن يحيى بن أبي عمر العدني بالمسند.
حدث عنه: أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المقرئ، قرأ عليه ابن شنبوذ والمطوعي، ومحمد بن موسى الزينبي، وعدة، وحدث عنه ابن المقرئ، وإبراهيم بن عبد الرزاق الأنطاكي، وآخرون.
وكان متقنا ثقة، وله مصنفات في القراءات، مات بمكة في ثامن رمضان سنة
| নাম | তাঁর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা |
| মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে আব্দুল হামিদ আল-কিনানি | ৯ |
| মুসাফে' ইবনে আব্দুর রহমান আল-হাজ্জি* | ২ |
| মুসলিম ইবনে খালিদ আল-মাখজুমি আজ-জানজি | ১ |
| মাহদি ইবনে আবি মাহদি আল-মাক্কি* | ৪৯ |
| হারুন ইবনে আবি বকর | ১ |
| আল-ওয়ালিদ ইবনে আবান আর-রাজি* | ১ |
| ইয়াহইয়া ইবনে সাইদ ইবনে সালিম আল-কাদ্দাহ | ৬ |
| ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-আত্তার | ২ |
তাঁর ছাত্রগণতাঁর প্রসিদ্ধ ছাত্রগণ:
১. ইসহাক ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে নাফে' ইবনে আবি বকর ইবনে ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাফে' ইবনে আব্দুল হারিস আল-খুজায়ি আবু মুহাম্মাদ আল-মুকরি আল-মাক্কি [ … - ৩০৮ হিজরি]।
তিনি যাদের থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে জাম্বুর আল-মাক্কি, ‘কিতাবু মাক্কাহ’ এর বর্ণনাসহ আবু ওয়ালিদ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আজরাকি এবং ‘আল-মুসনাদ’ এর বর্ণনাসহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর আল-আদানি।
যাঁরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল মুকরি; তাঁর নিকট কিরাত পাঠ করেছেন ইবনে শানবুজ ও আল-মুতাউয়ি; মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আজ-জাইনাবি এবং আরও একদল। তাঁর থেকে ইবনুল মুকরি, ইবরাহিম ইবনে আব্দুর রাজ্জাক আল-আনতাকি ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন।
তিনি অত্যন্ত নিপুণ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, এবং কিরাত শাস্ত্রের ওপর তাঁর কিছু রচনা রয়েছে। তিনি মক্কায় রমজান মাসের আট তারিখ ... সালে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
ثمان وثلاثمائة
(1).
2. إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى بن محمد بن إبراهيم بن محمد بن علي بن عبد الله بن عباس الهاشمي العباسي البغدادي [
… -325 هـ].
المسند الصدوق أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى بن محمد بن إبراهيم بن محمد بن علي بن عبد الله بن عباس الهاشمي العباسي البغدادي، كان أبوه أمير الحاج مدة، فأسمع هذا من أبي مصعب الزهري كتاب الموطأ، ومن أبي سعيد الأشج وعبيد بن أسباط وجماعة بالكوفة، ومن الحسين بن الحسن المروزي صاحب ابن المبارك، ومن محمد بن الوليد البسري ومحمد بن عبد الله الأزرقي، وخلاد بن أسلم، وسعيد بن عبد الرحمن المخزومي.
حدث عنه: الدارقطني، وأبو حفص بن شاهين، وابن المقرئ، وزاهر بن أحمد الفقيه، وأحمد بن محمد بن الصلت المجبر، وآخرون.
قال ابن قانع إن إبراهيم بن عبد الصمد الهاشمي مات في سنة خمس وعشرين وثلاثمائة زاد ابن قانع في أول المحرم
(2).
عصره:عاش الأزرقي رحمه الله في نهاية القرن الثاني إلى منتصف القرن الثالث، وقد عاصر أحداثا جساما، منها ما هو سياسي، ومنها ما هو ديني، وأعظم هذه الأحداث (مسألة القول بخلق القرآن) وأثرها على المسلمين، وكانت محنة تعرض لها العلماء من محدثين وفقهاء، أوقد فتيلها المنحرفون الدخلاء، وتولى أمرها بعد ذلك الخلفاء والأمراء، من وافقهم حاز عندهم الثناء، ومن خالفهم أوقعوا فيه
--------------------------------------------
তিনশত আট
(১)।
২. ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস আল-হাশিমী আল-আব্বাসী আল-বাগদাদী [ … - ৩২৫ হিজরী]।
মুসনিদ, সত্যবাদী আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস আল-হাশিমী আল-আব্বাসী আল-বাগদাদী। তাঁর পিতা দীর্ঘকাল হজের কাফেলার আমীর ছিলেন। তিনি আবু মুসআব আজ-জুহরী থেকে মুয়াত্তা কিতাবটি শ্রবণ করেছেন। এছাড়াও তিনি আবু সাঈদ আল-আশাজ, উবাইদ ইবনে আসবাত এবং কুফার একদল বর্ণনাকারীর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। আরও শ্রবণ করেছেন ইবনুল মুবারকের ছাত্র হুসাইন ইবনে হাসান আল-মারওয়াযী, মুহাম্মদ ইবনে ওয়ালীদ আল-বুসরী, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযরকী, খাল্লাদ ইবনে আসলাম এবং সাঈদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাখযুমী থেকে।
তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আদ-দারাকুতনী, আবু হাফস ইবনে শাহীন, ইবনুল মুকরি, ফকিহ যাহির ইবনে আহমদ, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সালত আল-মুজাব্বির এবং অন্যান্যরা।
ইবনে কানি‘ বলেন, ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশিমী তিনশত পঁচিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে কানি‘ আরও যোগ করেছেন যে, এটি ছিল মহররম মাসের শুরুতে
(২)।
তাঁর যুগ:আল-আযরকী (রহিমাহুল্লাহ) দ্বিতীয় শতাব্দীর শেষভাগ থেকে তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সমসাময়িক ছিলেন, যার মধ্যে কিছু রাজনৈতিক এবং কিছু ধর্মীয়। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর ছিল 'কুরআন সৃষ্টির মতবাদ' (খালকে কুরআন) সংক্রান্ত বিষয়টি এবং মুসলিমদের ওপর এর প্রভাব। এটি ছিল এমন এক মহা-পরীক্ষা যার সম্মুখীন মুহাদ্দিস ও ফকিহগণ হয়েছিলেন। পথভ্রষ্ট বহিরাগতরা এর সূচনা করেছিল এবং পরবর্তীকালে খলিফা ও আমীরগণ এর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। যারা তাদের সাথে একমত হতো তারা তাদের নিকট প্রশংসা পেত, আর যারা তাদের বিরোধিতা করত তারা তাদের ওপর বিপদ আপতিত করত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
البلاء، وكان الإمام أحمد رحمه الله كبش الفداء، فذاع صيته في الأرض وفي السماء.
مصنفاته:من خلال تتبعنا للمصادر التي ترجمت للمؤلف لم نقف له إلا على مصنفين اثنين، وهما:
1 - أخبار مكة وما جاء فيها من الآثار. وهو الكتاب الذي نقوم بدراسته وتحقيقه.
2 - المسند
(1). وهو من الكتب المفقودة.
وفاته:توفي الإمام الأزرقي رحمه الله سنة (250) هـ على الصحيح كما هو مثبت في هامش (خلاصة الرجال) نقلا عن الخطيب.
تنبيه: وقع اشتباه عند بعض العلماء بين المؤلف محمد بن عبد الله، وجده أحمد بن محمد بن الوليد، منهم الإمام النووي رحمه الله في شرح المهذب، في قوله بعد أن ذكر حدود الحرم نقلا عن أبي الوليد: وقد أخذ عن الشافعي وصحبه وروى عنه.
وإنما كان ذلك وهما لأمرين:
أحدهما: إن الذين صنفوا في طبقات الشافعية لم يذكروا في أصحاب الشافعي إلا أحمد بن محمد بن الوليد جد أبي الوليد هذا.
والأمر الثاني: لو أن أبا الوليد هذا روى عن الإمام الشافعي لخرج عنه في تاريخه لما له من الجلالة والعظمة كما أخرج عن جده وغيره، والسبب الذي أوقع الإمام النووي في هذا الوهم أن أحمد الأزرقي جد أبي الوليد هذا يكنى أيضا بأبي
--------------------------------------------
পরীক্ষা, এবং ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন এর আত্মোৎসর্গকারী ব্যক্তিত্ব, ফলে পৃথিবী ও আকাশে তাঁর সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
তাঁর রচনাবলি:লেখকের জীবনী নিয়ে আলোচনা করা উৎসগুলো অনুসন্ধান করে আমরা তাঁর মাত্র দুটি রচনার সন্ধান পেয়েছি, সেগুলো হলো:
১ - আখবারু মক্কাহ ওয়া মা জাআ ফিহা মিনাল আসার (মক্কার সংবাদ ও এতে বর্ণিত নিদর্শনসমূহ)। এটি সেই কিতাব যা নিয়ে আমরা অধ্যয়ন ও সম্পাদনা করছি।
২ - আল-মুসনাদ
(১)। এটি বিলুপ্ত কিতাবসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর মৃত্যু:সঠিক মত অনুযায়ী ইমাম আল-আযরাকী (রহিমাহুল্লাহ) ২৫০ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন, যেমনটি আল-খতিব থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে (খুলাসাতুর রিজাল)-এর টীকায় সাব্যস্ত করা হয়েছে।
সতর্কবার্তা: কোনো কোনো আলিমের মাঝে লেখক মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এবং তাঁর দাদা আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ-এর মাঝে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইমাম আন-নববী (রহিমাহুল্লাহ) ‘শারহুল মুহাযযাব’-এ আবু আল-ওয়ালিদ থেকে উদ্ধৃত করে হারামের সীমানা উল্লেখ করার পর বলেছেন: “তিনি শাফেঈর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।”
মূলত এটি দুটি কারণে ভ্রান্তি হিসেবে গণ্য:
প্রথমত: যাঁরা শাফেঈ মাযহাবের জীবনীগ্রন্থ (তাবাকাত) রচনা করেছেন, তাঁরা শাফেঈর অনুসারীদের মধ্যে এই আবু আল-ওয়ালিদ-এর দাদা আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ ছাড়া অন্য কাউকে উল্লেখ করেননি।
দ্বিতীয়ত: যদি এই আবু আল-ওয়ালিদ ইমাম শাফেঈ থেকে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর মর্যাদা ও মহত্ত্বের কারণে তিনি তাঁর ইতিহাসে অবশ্যই তা উল্লেখ করতেন, যেমনটি তিনি তাঁর দাদা ও অন্যদের থেকে উল্লেখ করেছেন। আর ইমাম নববীকে এই ভ্রান্তিতে ফেলার কারণ হলো, এই আবু আল-ওয়ালিদ-এর দাদা আহমাদ আল-আযরাকীও আবু...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الوليد، فظنه النووي هو، والله أعلم.
كما وهل بذلك صاحب كشف الظنون، فجعل وفاة الحفيد في نفس السنة التي توفي فيها الجد، وقد نبه على ذلك الحافظ ابن حجر في تهذيبه، عند ترجمته للجد أحمد بن محمد بن الوليد. والصحيح الثابت أن الجد توفي سنة (223) هـ.
আল-ওয়ালিদ, ইমাম নববী তাঁকে তিনিই মনে করেছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
অনুরূপভাবে 'কাশফুয যুনুন'-এর লেখকও এতে বিভ্রান্ত হয়েছেন, ফলে তিনি নাতির মৃত্যু সেই একই বছরে উল্লেখ করেছেন যে বছর দাদা মৃত্যুবরণ করেছিলেন। হাফিয ইবনে হাজার তাঁর 'তাহযীব' গ্রন্থে দাদা আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-ওয়ালিদের জীবনী আলোচনার সময় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। আর সঠিক ও সুপ্রমাণিত তথ্য হলো যে, দাদা ২২৩ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
المبحث الثاني التعرف بكتاب أخبار مكة
দ্বিতীয় আলোচনা: 'আখবারু মক্কা' গ্রন্থ পরিচিতি
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
التعريف بكتاب أخبار مكة
1 - أهميته:أفرد الأزرقي رحمه الله البلد الحرام «مكة» في تأليف خاص، لم يسبقه أحد إلى ذلك، وإن كانت هذه الأخبار التي جمعها المؤلف موجودة قبل ذلك، لكنها لم تكن مفردة في كتاب مستقل، بل كانت في صدور الرجال، وفي المصنفات الجامعة لمواضيع الدين، ولقد استفاد منه كل من جاء بعده، فكان مصدرا لغيره في هذا الجانب.
2 - منهج المؤلف فيه:إن المتفحص في كتاب «أخبار مكة» يظهر له أن المؤلف جمع فيه بين الناحية التاريخية والحديثية والفقهية والجغرافية والسياسية، وكل هذه النواحي استعمل فيها المؤلف أسلوب الرواية. فلقد ولد رحمه الله في القرن الثاني وإن لم يعرف بالضبط تاريخ ولادته، وهذا القرن هو على ما وصفه رسول الله صلى الله عليه وسلم من خير القرون، «عن عبد الله بن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أمتي القرن الذين يلوني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم، ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته»
(1).
فمن الناحية التاريخية:
فأكرم بالإمام الأزرقي من مؤرخ استطاع من خلال هذا الكتاب عرض الواقع التاريخي بترتيب زمني يظهر براعته في هذا الفن، وهذا أسلوب منهجي في
--------------------------------------------
'আখবার মক্কা' গ্রন্থের পরিচিতি
১ - এর গুরুত্ব:আল-আযরাকী (রহিমাহুল্লাহ) পবিত্র নগরী 'মক্কা'কে একটি বিশেষ সংকলনে পৃথক করেছেন। তাঁর পূর্বে আর কেউ এমনটি করেননি। যদিও লেখকের সংগৃহীত এই সংবাদগুলো এর আগে থেকেই বিদ্যমান ছিল, তবে সেগুলো কোনো স্বতন্ত্র গ্রন্থে সংকলিত ছিল না, বরং সেগুলো মানুষের স্মৃতিতে এবং দ্বীনের বিভিন্ন বিষয়াবলী সম্বলিত বৃহৎ সংকলনগুলোতে ছড়িয়ে ছিল। তাঁর পরে আগত সকলেই তাঁর থেকে উপকৃত হয়েছেন। ফলে এ বিষয়ে এটি অন্যদের জন্য একটি প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে।
২ - এতে লেখকের কর্মপদ্ধতি:'আখবার মক্কা' গ্রন্থটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, লেখক এতে ঐতিহাসিক, হাদিসভিত্তিক, ফিকহী, ভৌগোলিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোর সমন্বয় ঘটিয়েছেন। আর এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই লেখক বর্ণনার শৈলী ব্যবহার করেছেন। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) দ্বিতীয় হিজরী শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করেন, যদিও তাঁর জন্মের সঠিক তারিখ জানা নেই। আর এই শতাব্দী হলো সেই যুগ যাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। "আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মতের শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হলো আমার সমসাময়িকগণ, এরপর তাদের পরবর্তীগণ, এরপর তাদের পরবর্তীগণ। এরপর এমন এক কওম আসবে যাদের সাক্ষ্য তাদের শপথের আগে এবং তাদের শপথ তাদের সাক্ষ্যের আগে চলে আসবে"
(১)।
ঐতিহাসিক দিক থেকে:
ঐতিহাসিক হিসেবে ইমাম আল-আযরাকী কতই না শ্রেষ্ঠ, যিনি এই গ্রন্থের মাধ্যমে কালানুক্রমিক বিন্যাসে ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন, যা এই বিদ্যায় তাঁর পারদর্শিতাকে ফুটিয়ে তোলে। এবং এটি একটি পদ্ধতিগত শৈলী যা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
غاية الروعة يقدمه الأزرقي لكل من أراد قراءة التاريخ، وخاصة التاريخ الإسلامي، الذي يعتبر جزءا من حياة كل مسلم.
إذ إن مكة مهبط الوحي بالرسالة، وفيها ركن الإسلام الذي أذن به إبراهيم عليه السلام، فيذكر المؤلف رحمه الله: (ما كانت عليه الكعبة فوق الماء قبل خلق السموات والأرض)، (ثم يذكر بناء الملائكة الكعبة قبل خلق آدم)، (ثم يذكر حج آدم للبيت)، (ثم يذكر بناء ولد آدم للبيت)، (ثم يذكر الطوفان كيف طافت سفينة نوح بالبيت)، (ثم يذكر حادثة الفيل)، وهكذا يتابع ذكر الحوادث حسب تسلسلها الزماني.
ومن ناحية الصنعة الحديثية:
توفي الإمام الأزرقي رحمه الله في منتصف القرن الثالث الهجري، وكان ذاك العصر عصر الرواية، ونرى في أسانيد الأزرقي دقة الضبط في النقل، وهذا يظهر من خلال بسط كتابه بالأسانيد بقوله: «حدثني» «أخبرني» «قال لي» «عن فلان» «كتب لي فلان» وهذا المنهج التوثيقي الإسنادي في إثبات الوقائع هو الذي كان سائدا في ذلك العصر.
فالمؤلف رحمه الله يروي أحيانا الخبر بسنده عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، وتارة يرويه موقوفا على الصحابي، وتارة يرويه مقطوعا عن التابعي، وتارة ينقل رأي غيرهم في المسألة، فكان في ذلك كالذي يدرس الحوادث بالمأثور، يثبت ما قاله رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن لم يجد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسألة شيئا أورد قول الصحابي أو قول من بعده.
ونرى المؤلف يتثبت في الرواية وفي النقلة، انظر قوله في حديث رقم (585): كتب إلي عبد الله بن أبي غسان رجل من رواة العلم من ساكن صنعاء، وحمل
আল-আযরাকী ইতিহাস পাঠে আগ্রহী প্রত্যেকের জন্য, বিশেষ করে ইসলামি ইতিহাসের জন্য এক চমৎকার উপস্থাপনা পেশ করেছেন, যা প্রতিটি মুসলিমের জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
যেহেতু মক্কা হলো রিসালাতের ওহি অবতরণের স্থল এবং এতে ইসলামের সেই স্তম্ভ অবস্থিত যার ঘোষণা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম দিয়েছিলেন। তাই লেখক (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) উল্লেখ করেছেন: (আসমান ও জমিন সৃষ্টির পূর্বে পানির ওপর কাবার অবস্থা কেমন ছিল), (এরপর তিনি আদম সৃষ্টির পূর্বে ফেরেশতাদের কাবা নির্মাণের কথা উল্লেখ করেছেন), (এরপর তিনি বাইতুল্লাহর প্রতি আদমের হজের কথা উল্লেখ করেছেন), (এরপর তিনি আদমের সন্তানদের কাবা নির্মাণের কথা উল্লেখ করেছেন), (এরপর তিনি মহাপ্লাবনের কথা এবং নূহ আলাইহিস সালামের নৌকা কীভাবে বাইতুল্লাহর চারদিকে তাওয়াফ করেছিল তা উল্লেখ করেছেন), (এরপর তিনি হস্তীবাহিনীর ঘটনা উল্লেখ করেছেন), এবং এভাবেই তিনি কালানুক্রম অনুযায়ী ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন।
আর হাদিস শাস্ত্রীয় নৈপুণ্যের দিক থেকে:
ইমাম আল-আযরাকী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইন্তেকাল করেন। সেই যুগটি ছিল বর্ণনা বা রেওয়ায়েতের যুগ। আল-আযরাকীর বর্ণনাশৈলীতে (ইসনাদে) আমরা বর্ণনা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিখুঁত সতর্কতা দেখতে পাই। এটি তাঁর কিতাবে সনদসমূহের বিস্তৃতি থেকে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যেখানে তিনি ব্যবহার করেছেন: “আমার নিকট বর্ণনা করেছেন”, “আমাকে সংবাদ দিয়েছেন”, “আমাকে বলেছেন”, “অমুক থেকে”, “অমুক আমার নিকট লিখেছেন”। ঘটনা প্রমাণের ক্ষেত্রে এই প্রামাণিক সনদভিত্তিক পদ্ধতিই সেই যুগে প্রচলিত ছিল।
লেখক (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) কখনও কখনও তাঁর সনদে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস বর্ণনা করেন, কখনও সাহাবীর ওপর স্থগিত হিসেবে বর্ণনা করেন, আবার কখনও তাবিঈর ওপর ছিন্ন হিসেবে বর্ণনা করেন। আবার কখনও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যদের মতামতও উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে তিনি যেন ঐতিহ্যের আলোকে ঘটনাবলি অধ্যয়ন করছিলেন, যেখানে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তা সাব্যস্ত করেন, আর যদি সে বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু না পেতেন, তবে সাহাবীর বক্তব্য অথবা তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের কারো বক্তব্য উল্লেখ করতেন।
আমরা দেখতে পাই যে লেখক বর্ণনা এবং বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে অত্যন্ত যাচাই-বাছাই করতেন। ৫৮৫ নম্বর হাদিসে তাঁর এই উক্তিটি দেখুন: “আবদুল্লাহ বিন আবি গাসসান আমার নিকট লিখেছেন, যিনি সানআর অধিবাসী এবং ইলমের একজন বর্ণনাকারী; এবং তিনি বহন করেছেন...”
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الكتاب إلي رجل أمين أثق به وأملاه بمحضره
…ولم يكن يرجح بين الأقوال، بل كان يتبع أسلوب الجمع لكل ما ورد في المسألة التي يدرسها في باب واحد، كما هو حال كتب التفسير التي جمعت من غير ترجيح بين المنقول أو تصحيح له.
ثم إنه قسم كتابه إلى أبواب، وتحت كل باب وضع الأحاديث النبوية الشريفة وأقوال الصحب والتابعين اللطيفة، فتم بذلك كتاب أخبار مكة الشريفة.
وكما هو معلوم لدى الجميع أن هذه الأمة تميزت بالإسناد، قال الحافظ أبو علي الجياني: «خص الله هذه الأمة بثلاثة أشياء لم يعطها من قبلها: الإسناد، والأنساب، والإعراب»
(1)، ومن قبل لم تعن الأمم السابقة في النقل والرواية بالإسناد والتحري في معرفة رجاله ودرجاتهم من العدالة والضبط، فكانت الحوادث التاريخية تروى على علاتها، والأديان والمذاهب يعول فيها على التلقي من أفواه النقلة وكتاباتهم، دون سؤال عن الإسناد فضلا عن دراسته وبحثه.
لكن الله تعالى لما جعل هذا الدين خاتمة الرسالات والأديان وتعهد بحفظه وصونه، اختص هذه الأمة بأن وفقها لحفظ كتاب ربها وصيانة حديث نبيها صلى الله عليه وسلم، فإذا بها تبتكر لحفظ أمور دينها أدق منهج علمي يمكن أن يوجد للاستثبات من النصوص المروية وتمحيصها.
أما من الناحية الفقهية:
فقد قدم الإمام الأزرقي في كتابه مادة فقهية مهمة، وخاصة بما يتعلق بالحج وأحكامه، فلقد ضمنه الكثير من الأحكام المتعلقة بالزمان والمكان، فهو يضع العنوان الفقهي ثم يحشد له ما توفر لديه من الأدلة الفقهية المتعلقة بذلك، فمثلا:
--------------------------------------------
বইটি তিনি এমন এক বিশ্বস্ত ব্যক্তির নিকট অর্পণ করেছিলেন যাকে তিনি ভরসা করতেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই তা লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন
...তিনি বিভিন্ন মতামতের মধ্যে কোনো একটিকে প্রাধান্য দিতেন না, বরং তিনি যে বিষয়ে আলোচনা করছেন সেই পরিচ্ছেদে উক্ত বিষয়ে বর্ণিত সকল তথ্য একত্রিত করার পদ্ধতি অনুসরণ করতেন, যেমনটি সেই সকল তাফসীর গ্রন্থের ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয় যেখানে বর্ণিত তথ্যের মধ্যে কোনো তারতম্য নিরূপণ বা সংশোধন ছাড়াই সংকলন করা হয়েছে।
অতঃপর তিনি তাঁর কিতাবকে বিভিন্ন অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন এবং প্রতিটি অধ্যায়ের অধীনে সম্মানিত নববী হাদীস এবং সাহাবী ও তাবিঈগণের চমৎকার বাণীসমূহ স্থাপন করেছেন। এভাবে 'আখবারু মক্কাহ আল-শরীফাহ' (মক্কার সংবাদসমূহ) গ্রন্থটি সম্পন্ন হয়েছে।
যেমনটি সকলেরই জানা যে, এই উম্মত ইসনাদ (বর্ণনাসূত্র) দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। হাফিজ আবু আলী আল-জিয়ানী বলেন: «আল্লাহ এই উম্মতকে এমন তিনটি বিষয় দ্বারা বিশেষিত করেছেন যা পূর্ববর্তী কাউকেও প্রদান করেননি: ইসনাদ, আনসাব (বংশবিদ্যা) এবং ইরাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ)»
(১)। এর আগে পূর্ববর্তী জাতিসমূহ বর্ণনা ও বর্ণনাসূত্রের ক্ষেত্রে ইসনাদ এবং বর্ণনাকারীদের পরিচয় অনুসন্ধান ও তাদের ন্যায়পরায়ণতা ও নির্ভুলতার মানদণ্ড যাচাই করার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনি। ফলে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো কোনো বাছবিচার ছাড়াই বর্ণনা করা হতো এবং ধর্ম ও মতাদর্শের ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীদের মৌখিক উক্তি ও নথিপত্রের ওপর নির্ভর করা হতো; ইসনাদ সম্পর্কে কোনো প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ তো দূরের কথা, সে বিষয়ে কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধানও করা হতো না।
কিন্তু মহান আল্লাহ যখন এই ধর্মকে সর্বশেষ আসমানি বার্তা ও ধর্ম হিসেবে নির্ধারণ করলেন এবং এর সংরক্ষণ ও সুরক্ষার দায়িত্ব নিলেন, তখন তিনি এই উম্মতকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন যে, তাদের স্বীয় প্রতিপালকের কিতাব মুখস্থ রাখা এবং তাদের নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাদীস সংরক্ষণের তাওফীক দান করলেন। ফলে তারা তাদের ধর্মের বিষয়াদি সংরক্ষণের জন্য এমন এক সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করল যা বর্ণিত পাঠ্যসমূহের সত্যতা যাচাই ও নিরূপণের জন্য পৃথিবীতে থাকা সম্ভব।
ফকীহী বা আইনী দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে:
ইমাম আল-আযরাকী তাঁর কিতাবে গুরুত্বপূর্ণ ফিকহী উপকরণ উপস্থাপন করেছেন, বিশেষত হজ্জ এবং এর বিধিবিধান সংক্রান্ত বিষয়ে। তিনি এতে সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট অনেক বিধান অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি প্রথমে ফিকহী শিরোনাম প্রদান করেন এবং এরপর উক্ত বিষয়ের সপক্ষে তাঁর কাছে উপলব্ধ ফিকহী দলীলসমূহ একত্রিত করেন। উদাহরণস্বরূপ:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
عند ذكره للحجر يقول: (ذكر الحجر وما جاء فيه - أي من أحكام -، ذكر فضل زمزم وما جاء فيه، ذكر الطواف وما جاء فيه، ذكر الطواف وما جاء فيه، ذكر السعي وما جاء فيه، ذكر الصلاة في المسجد الحرام والناس يمرون، ذكر ماء جاء في النوم في المسجد، ذكر كفارة قتل الصيد في الحرم). وهكذا.
أما من الناحية الجغرافية:
فمن أراد أن يصف شيئا يحتاج إلى تصوره، ولما كان الإمام الأزرقي من سكان الديار المكية كان لديه التصور عن الخريطة الجغرافية الشاملة للحرم المكي الشريف، وهذا التصور هو الحروف التي وضع عليها الإمام الأزرقي نقاط التصديق، وهكذا نراه يتصور الواقع ثم يصدق تصوره بالعلم الذي حمله عن شيوخه.
لذا فقد بدأ الأزرقي في كتابه بالكلام عن البيت يصفه وصفا دقيقا منذ أن وضع على الأرض إلى قيام الساعة، وهذا من معجزات النبي صلى الله عليه وسلم حيث أخبر عن أمور غيبية مضت، وأمور غيبية تأتي في المستقبل، ثم شرع يصف بيوتها وجبالها وأوديتها وآبارها وعيونها ومساجدها وغير ذلك، وكل شيء يتكلم عنه يصفه وصفا هندسيا يدلك على دقة المؤلف في الحفاظ على ضوابط المسافات والمساحات المتعلقة بكل جزء من هذه المعالم الطيبة.
ويلاحظ في تحديد الأمكنة وصفاتها أن المؤلف ينقل ذلك بالسند عمن روى عنهم، فمثلا: يذكر المؤلف فيقول: (منزل سيدنا رسول الله صلى الله عليه وسلم من نمرة)، حدثنا جدي حدثنا مسلم عن ابن جريج قال: سألت عطاء أين كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينزل من عرفة، قال: بنمرة منزل الخلفاء إلى الصخرة الساقطة بأصل الجبل عن يمينك وأنت ذاهب إلى عرفة، يلقى عليها ثوب يستظل به.
হাজর (কালো পাথর) উল্লেখ করার সময় তিনি বলেন: (হাজর এবং এ সম্পর্কিত বিধানাবলি, যমযমের ফযিলত এবং এ সম্পর্কিত বর্ণনা, তাওয়াফ এবং এ সম্পর্কিত বর্ণনা, তাওয়াফ এবং এ সম্পর্কিত বর্ণনা, সাঈ এবং এ সম্পর্কিত বর্ণনা, মসজিদুল হারামে সলাত আদায় করা যখন মানুষ যাতায়াত করে তার বর্ণনা, মসজিদে ঘুমানোর ব্যাপারে যা এসেছে তার বর্ণনা, হারামে শিকার হত্যার কাফফারা সংক্রান্ত বর্ণনা)। এভাবেই তিনি বর্ণনা করেছেন।
ভৌগোলিক দিক থেকে:
যে ব্যক্তি কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে চায়, তার জন্য সেটি কল্পনা বা অনুধাবন করা প্রয়োজন। ইমাম আল-আযরাকী যেহেতু মক্কার অধিবাসী ছিলেন, তাই মক্কার হারাম শরীফের সামগ্রিক ভৌগোলিক মানচিত্র সম্পর্কে তাঁর একটি সুস্পষ্ট ধারণা ছিল। আর এই ধারণাই হলো সেই ভিত্তি যার ওপর ইমাম আল-আযরাকী তাঁর সত্যায়নের চিহ্নসমূহ স্থাপন করেছেন। এভাবেই আমরা দেখি যে, তিনি বাস্তবতাকে হৃদয়ে ধারণ করেন এবং পরবর্তীতে তাঁর উস্তাদদের থেকে প্রাপ্ত ইলমের মাধ্যমে সেই ধারণাকে সত্য বলে প্রমাণ করেন।
তাই আল-আযরাকী তাঁর কিতাবে বাইতুল্লাহ (কা'বা ঘর) নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শুরু করেছেন; পৃথিবীতে এটি স্থাপিত হওয়ার সময় থেকে কিয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য এর সূক্ষ্ম বর্ণনা দিয়েছেন। এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজাসমূহের অন্তর্ভুক্ত, কেননা তিনি অতীত ও ভবিষ্যতের অদৃশ্য বিষয়াবলি সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন। এরপর তিনি মক্কার ঘরবাড়ি, পাহাড়, উপত্যকা, কূপ, ঝরনা, মসজিদ ইত্যাদি বর্ণনা করতে শুরু করেন। তিনি যা কিছু নিয়ে আলোচনা করেছেন তার এমন জ্যামিতিক বর্ণনা দিয়েছেন, যা এই পবিত্র নিদর্শনগুলোর প্রতিটি অংশের দূরত্ব ও আয়তনের মানদণ্ড বজায় রাখার ক্ষেত্রে লেখকের সূক্ষ্মতা ও নিখুঁত পারদর্শিতার পরিচয় দেয়।
স্থান ও সেগুলোর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় যে, লেখক তা তাঁর বর্ণনাকারীদের থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ: লেখক উল্লেখ করেন: (নামিরায় আমাদের নেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবস্থানস্থল), আমাদের নিকট আমার দাদা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন: আমি আতাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরাফাতের কোথায় অবস্থান করতেন? তিনি বললেন: নামিরায়, যা খলিফাদের অবস্থানস্থল, পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সেই শিলাখণ্ড পর্যন্ত যা আরাফাতে যাওয়ার সময় আপনার ডান দিকে পড়বে, যার ওপরে ছায়া পাওয়ার জন্য একটি কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া হতো।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
أما في تحديد المساحات والمسافات فلا يذكر المؤلف في نقلها إسنادا إلى أحد، وكأن المؤلف هو الذي تولى هذا الأمر بنفسه، فمثلا: يقول المؤلف: (ذرع ما بين المزدلفة إلى منى، ومن حد مؤخر مسجد منى إلى مسجد مزدلفة ميلان)، وغير ذلك مما أودعه في كتابه.
وأما من الناحية السياسية:
ذكر الأزرقي رحمه الله حال المسجد الحرام في عهد النبي صلى الله عليه وسلم
… والخلفاء الراشدين، وما طرأ من تغيرات في عهد الخلافتين الأموية والعباسية، وخاصة ما يتعلق بتوسعته المتعاقبة، وما جاء في هدم الكعبة وبنائها من قبل من كان يتولى شؤون المسلمين آنذاك.
فذكر عمل عمر بن الخطاب، وعثمان بن عفان رضي الله عنهما في توسعة المسجد، ومن ثم زيادة ابن الزبير رضي الله عنه، وعمل الوليد بن عبد الملك من زخرفة، ووضع الأساطين الرخامية، وجعل الشرفات المحيطة بالمسجد، وزيادة أبي جعفر، والمهدي، وغيرهم.
3 - التحقق من اسم الكتاب:أثبت على الورقة الأولى في غالب مخطوطات هذا الكتاب اسم (أخبار مكة)، وذكر ذلك أيضا ابن النديم في الفهرست، وابن حجر العسقلاني في التهذيب، والفاسي في العقد الثمين، وغيرهم ممن نقل عن الأزرقي.
وأثبت على الورقة الأولى من إحدى النسخ المخطوطة اسم (تاريخ مكة) وهذا العنوان هو الذي ذكره النووي في شرحه على مسلم، وفي كتابه تهذيب الأسماء والصفات، والسيوطي في شرحه على سنن ابن ماجه، والمزي في تهذيب الكمال، والفاسي في ذيل التقييد.
ক্ষেত্রফল এবং দূরত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে লেখক কোনো সনদ উল্লেখ করেননি; যেন লেখক নিজেই এই বিষয়টি তদারকি করেছেন। উদাহরণস্বরূপ লেখক বলেন: (মুযদালিফা থেকে মিনার মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং মিনা মসজিদের শেষ সীমানা থেকে মুযদালিফা মসজিদ পর্যন্ত দূরত্ব হলো দুই মাইল), এবং এই জাতীয় আরও অনেক কিছু যা তিনি তাঁর কিতাবে সংকলিত করেছেন।
আর রাজনৈতিক দিক থেকে:
আযরাকী (রাহিমাহুল্লাহ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগে মাসজিদুল হারামের অবস্থা বর্ণনা করেছেন
… এবং উমাইয়া ও আব্বাসীয় খিলাফতের আমলে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল, বিশেষ করে এর ক্রমাগত সম্প্রসারণ সংক্রান্ত বিষয়াদি এবং তৎকালীন মুসলিমদের শাসনকর্তাদের মাধ্যমে কাবা ঘর ভেঙে ফেলা ও পুনর্নির্মাণ বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন।
তিনি মসজিদ সম্প্রসারণে উমর ইবনুল খাত্তাব এবং উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর অবদান উল্লেখ করেছেন; অতঃপর ইবনে যুবায়ের (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ধিতকরণ কাজ, ওয়ালীদ বিন আব্দুল মালিকের অলঙ্করণ কাজ, মার্বেল পাথরের স্তম্ভ স্থাপন, মসজিদের চারপাশে ঝুলন্ত বারান্দা নির্মাণ এবং আবু জাফর, আল-মাহদী ও অন্যদের বর্ধিতকরণ কাজের কথাও উল্লেখ করেছেন।
৩ - কিতাবের নাম নিশ্চিতকরণ:এই কিতাবের অধিকাংশ পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠায় (আখবারু মক্কা) নামটি লিপিবদ্ধ রয়েছে। ইবনে নাদীম তাঁর ‘আল-ফিহরিস্ট’ গ্রন্থে, ইবনে হাজার আল-আসকালানী তাঁর ‘আত-তাহযীব’ গ্রন্থে এবং আল-ফাসী তাঁর ‘আল-ইকদুত সামীন’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন, এছাড়াও যারা আযরাকী থেকে বর্ণনা করেছেন তারাও এটি উল্লেখ করেছেন।
একটি পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠায় (তারীখে মক্কা) নামটি পাওয়া যায়। ইমাম নববী মুসলিমের শরহে (ব্যাখ্যাগ্রন্থে) এবং তাঁর ‘তাহযীবুল আসমা ওয়াল সিফাত’ কিতাবে এই শিরোনামটি ব্যবহার করেছেন। এছাড়াও সুয়ূতী তাঁর ‘সুনানে ইবনে মাজাহ’-এর শরহে, মিযযী তাঁর ‘তাহযীবুল কামাল’ গ্রন্থে এবং ফাসী তাঁর ‘যাইলুত তাকয়ীদ’ গ্রন্থে এই শিরোনামটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
4 - التحقق من نسبة الكتاب إلى المؤلف:ومما يلفت النظر ما قد يقع في ذهن القارئ لأول وهلة أن للإمام أحمد بن محمد بن الوليد بن عقبة بن الأزرق الأزرقي (جد المؤلف محمد بن عبد الله الأزرقي) يدا في تأليف هذا الكتاب؛ وسبب ذلك؛ كثرة النقول التي أوردها الحفيد عن جده في أخبار مكة حيث بلغت 792 نصا، وأرجع فأقول: كان عصر المؤلف عصر تدوين العلم، فهو من رجالات العلم الذين دونوه في مؤلفات خاصة، سواء أخذ المؤلف هذه المعلومة من جده أو غيره، ولا ينسب ما دونه المؤلف لغيره وإن نقل عنه.
والحقيقة التي لا إشكال فيها ولا غموض أن كل من عاصر المؤلف أو جاء من بعده من علماء الأمة الثقات أثبت نسبة الكتاب للحفيد (محمد بن عبد الله الأزرقي).
فلقد ذكر ابن النديم في الفهرست، والفاسي في العقد الثمين، وأشار حاجي خليفة في كشف الظنون، وابن حجر في التهذيب والفتح، وصاحب أخبار قزوين في تدوينه، والذهبي في السير: بأن مؤلف كتاب «أخبار مكة» هو أبو الوليد الأزرقي (محمد بن عبد الله)
(1).
5 - عناية العلماء بهذا الكتاب:لقد كان كتاب تاريخ مكة بالنسبة لمن جاء بعده مادة علمية هامة، فقام بعضهم باختصاره، وقام بعضهم بنظمه.
- فالاسفراييني المكي أحد علماء القرن الثامن الهجري اختصره، وسمى هذا
--------------------------------------------
৪ - লেখকের প্রতি বইটির নিসবত বা সম্বন্ধের সত্যতা যাচাই:একটি দৃষ্টি আকর্ষণকারী বিষয়, যা প্রথম দেখায় পাঠকের মনে আসতে পারে তা হলো, ইমাম আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উকবা ইবনে আল-আযরাক আল-আযরাকি (লেখক মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযরাকির দাদা) এই বইটি সংকলনে কোনো ভূমিকা রেখেছেন; এর কারণ হলো, নাতি (লেখক) ‘আখবার মক্কা’ গ্রন্থে তাঁর দাদা থেকে প্রচুর উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন, যার সংখ্যা ৭৯২টি বর্ণনা পর্যন্ত পৌঁছেছে। আমি পুনরায় বলছি: লেখকের যুগ ছিল জ্ঞান সংকলনের যুগ, আর তিনি ছিলেন সেই সব জ্ঞানতাপসদের অন্তর্ভুক্ত যারা জ্ঞানকে বিশেষ গ্রন্থাবলীতে লিপিবদ্ধ করেছেন, লেখক সেই তথ্য তাঁর দাদা থেকে গ্রহণ করুন কিংবা অন্য কারও কাছ থেকে; লেখক যা লিপিবদ্ধ করেছেন তা অন্য কারো দিকে সম্বন্ধ করা যাবে না, যদিও তিনি তাঁর কাছ থেকে বর্ণনা করেছেন।
প্রকৃত সত্য হলো, এতে কোনো অস্পষ্টতা বা সংশয় নেই যে, লেখকের সমসাময়িক বা তাঁর পরবর্তী উম্মাহর নির্ভরযোগ্য আলেমগণের সকলেই এই কিতাবটি নাতি (মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযরাকি)-র সংকলন হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
ইবনে নাদিম ‘আল-ফিহরিস্ত’ গ্রন্থে, আল-ফাসি ‘আল-ইকদ আস-সামিন’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং হাজি খলিফা ‘কাশফুয যুনুন’ গ্রন্থে, ইবনে হাজার ‘আত-তাহযিব’ ও ‘আল-ফাতহ’ গ্রন্থে, ‘আখবার কাযউইন’ এর লেখক তাঁর ‘তাদউইন’ গ্রন্থে এবং আয-যাহাবি ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে ইঙ্গিত করেছেন যে: ‘আখবার মক্কা’ কিতাবটির লেখক হলেন আবু ওয়ালিদ আল-আযরাকি (মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ)
(১)।
৫ - এই কিতাবটির প্রতি আলেমগণের গুরুত্ব প্রদান:পরবর্তীকালে যারা এসেছেন তাদের কাছে ‘তারিখে মক্কা’ কিতাবটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলমি উপকরণ হিসেবে বিবেচিত ছিল, ফলে তাদের কেউ কেউ এটি সংক্ষেপ করেছেন আবার কেউ কেউ এটিকে কাব্যরূপ দান করেছেন।
- অষ্টম হিজরি শতাব্দীর অন্যতম আলেম আল-ইসফরাইনি আল-মাক্কি এটি সংক্ষেপ করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
المختصر (زبدة الأعمال وخلاصة الأفعال).
وقد جعل كتابه في بابين: أولهما: في ذكر فضيلة الكعبة. وقد لخصه بعد أن قرأه عليه محمد بن أحمد القرشي المكي الشافعي في مكة.
وثانيهما: في ذكر فضيلة المدينة. وهو من زيادة المختصر.
وقد نشرته مكتبة نزار مصطفى الباز في مجلد واحد عام 1418 هـ - 1997 م.
- واختصره أيضا يحيى بن محمد الكرماني المصري من علماء القرن التاسع، وقد حذف أسانيده وأضاف إليه بعض الزوائد. وسمى هذا المختصر (مختصر تاريخ مكة المشرفة).
- واختصره أيضا رزين بن معاوية بن عمار الأندلسي السرقسطي ثم المكي، إمام المالكية بها وممن جاور بالمدينة له كتابان أحدهما في أخبارها والآخر في أخبار مكة لخصه من كتاب الأزرقي.
- ونظمه عبد الملك بن أحمد الأنصاري الأرمانتي المصري شعرا، وهو من فقهاء الشافعية في القرن الثامن الهجري. وسمى منظومته (نظم تاريخ مكة للأزرقي في أرجوزة).
6 - أثره فيمن جاء بعدهلقد استفاد من كتاب الأزرقي كل من جاء بعده من المفسرين والمحدثين والفقهاء واللغويين، وإليك الدليل على ذلك.
أ- في مجال التفسير والحديث:
- الإمام النووي: ت (676) في شرحه على مسلم)، حيث نقل النووي عن الأزرقي في شرحه على مسلم نصين يستشهد بهما على وقائع متعلقة بأخبار مكة.
আল-মুখতাসার (যাবদাতুল আমাল ওয়া খুলাসাতুল আফআল)।
তিনি তাঁর কিতাবটিকে দুটি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন: প্রথমটি: কাবার ফজিলত বর্ণনায়। মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-কুরাশি আল-মাক্কি আশ-শাফিয়ি মক্কায় তাঁর নিকট এটি পাঠ করার পর তিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন।
দ্বিতীয়টি: মদিনার ফজিলত বর্ণনায়। এটি এই সংক্ষেপিত সংস্করণের অতিরিক্ত অংশ।
নিজার মুস্তাফা আল-বাজ লাইব্রেরি এটি ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এক খণ্ডে প্রকাশ করেছে।
- নবম শতাব্দীর আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-কিরমানি আল-মিসরিও এটি সংক্ষেপ করেছেন। তিনি এর সনদসমূহ বিলুপ্ত করেছেন এবং এতে কিছু অতিরিক্ত অংশ যুক্ত করেছেন। তিনি এই সংক্ষেপিত গ্রন্থের নাম দিয়েছেন (মুখতাসার তারিখ মক্কা আল-মুশাররাফাহ)।
- রাজিন ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আম্মার আল-আন্দালুসি আস-সারাখুস্তি অতঃপর আল-মাক্কিও এটি সংক্ষেপ করেছেন। তিনি সেখানে মালিকি মাজহাবের ইমাম ছিলেন এবং মদিনায় অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর দুটি কিতাব রয়েছে, যার একটি মদিনার সংবাদ বিষয়ে এবং অন্যটি মক্কার সংবাদ বিষয়ে যা তিনি আল-আজরাকির কিতাব থেকে সংক্ষেপ করেছেন।
- অষ্টম হিজরি শতাব্দীর শাফিয়ি ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত আব্দুল মালিক ইবনে আহমাদ আল-আনসারি আল-আরমানতি আল-মিসরি এটিকে কাব্যরূপে বিন্যস্ত করেছেন। তিনি তাঁর এই কাব্যগ্রন্থের নাম দিয়েছেন (নাজম তারিখ মক্কা লিল-আজরাকি ফি আরজুজা)।
৬ - পরবর্তীগণের ওপর এর প্রভাবআল-আজরাকির কিতাব থেকে পরবর্তীকালের সকল মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ফকিহ এবং ভাষাবিদগণ উপকৃত হয়েছেন, আর এর প্রমাণ নিচে দেওয়া হলো।
ক- তাফসির ও হাদিসের ক্ষেত্রে:
- ইমাম নববী: মৃত্যু (৬৭৬ হিজরি) তাঁর 'শরহে মুসলিম'-এ, যেখানে নববী তাঁর শরহে মুসলিমে আল-আজরাকি থেকে দুটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন যা মক্কার সংবাদ সংশ্লিষ্ট ঘটনার স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
- الحافظ إسماعيل بن عمر بن كثير الدمشقي: ت (774) في تفسيره: (تفسير القرآن العظيم)، نقل عن الإمام الأزرقي في موضعين مستشهدا بذلك على مسائل متعلقة بالحرم المكي الشريف.
- الحافظ ابن حجر العسقلاني: ت (852) في (فتح الباري)، حيث نقل عنه عشرين نصا يستشهد بها على وقائع تتعلق بمكة، ويقول في مستهل عبارته: جزم الأزرقي، ذكر الأزرقي، وقد تعقب ابن حجر الأزرقي كما هو مثبت عنده في تعليقه على ما نقله الأزرقي بأن محمدا صلى الله عليه وسلم كان غلاما في قصة بناء الكعبة، وأتى بالأدلة، ووفق بينها على أن بناء البيت كان قبل البعثة بخمس عشرة سنة، وأنهم حكموه في أمر الحجر.
- الإمام السيوطي: ت (911) (في الدر المنثور)، و (شرح سنن ابن ماجه). نقل في (الدر المنثور) عن الأزرقي سبعا وأربعين نصا فيما يتعلق بأخبار الحرم المكي الشريف. ونقل نصا واحدا في شرح سنن (ابن ماجه).
- عبد الرؤوف المناوي: ت (1031) نقل في شرحه على الجامع الصغير خمسة نصوص مستشهدا بها على مسائل خاصة بالحرم المكي الشريف.
- محمد بن عبد الباقي بن يوسف الزرقاني: ت (1122) في (شرحه على الموطأ). نقل عشرة نصوص من أخبار مكة، استدل بها على القضايا المتعلقة بالحرم المكي.
- محمد بن علي بن محمد الشوكاني: ت (1173) في تفسيره: (فتح القدير)، (ونيل الأوطار). ففي (فتح القدير) نقل أربعة نصوص أودعها تفسيره، وفي مواضع ثمانية من نيل الأوطار نقل نصوصا من أخبار مكة يستشهد بها على المسائل المتعلقة بالحرم المكي الشريف.
- হাফিজ ইসমাঈল বিন উমর বিন কাসীর আদ-দিমাশকী: মৃত্যু (৭৭৪ হিজরি), তাঁর তাফসির: (তাফসীরুল কুরআনিল আযীম)-এ মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট মাসআলাগুলোর স্বপক্ষে দলিল হিসেবে ইমাম আল-আযরাকী থেকে দুটি স্থানে বর্ণনা করেছেন।
- হাফিজ ইবনে হাজার আল-আসকালানী: মৃত্যু (৮৫২ হিজরি), (ফাতহুল বারী)-তে তিনি মক্কা সম্পর্কিত ঘটনাবলির স্বপক্ষে বিশটি উদ্ধৃতি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বলেন: আযরাকী দৃঢ়ভাবে বলেছেন, আযরাকী উল্লেখ করেছেন। ইবনে হাজার আযরাকীর বর্ণনাকে খণ্ডনও করেছেন, যেমনটি আযরাকী কর্তৃক বর্ণিত কাবা নির্মাণের কাহিনীতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বালক ছিলেন—এই বক্তব্যের ওপর ইবনে হাজারের মন্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি দলিল পেশ করেছেন এবং সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়েছেন যে, বায়তুল্লাহর নির্মাণ নবুয়ত প্রাপ্তির পনের বছর পূর্বে হয়েছিল এবং তারা তাঁকে হাজরে আসওয়াদের বিষয়ে ফয়সালাকারী নির্ধারণ করেছিল।
- ইমাম সুয়ূতী: মৃত্যু (৯১১ হিজরি), (আদ-দুররুল মানসুর) এবং (শারহু সুনানি ইবনে মাজাহ)-এ। তিনি (আদ-দুররুল মানসুর)-এ মক্কার সম্মানিত হারামের সংবাদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে সাতচল্লিশটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আর (সুনানি ইবনে মাজাহ)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে একটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
- আব্দুর রউফ আল-মুনাভী: মৃত্যু (১০৩১ হিজরি), আল-জামি আস-সাগীরের ব্যাখ্যাগ্রন্থে মক্কার সম্মানিত হারামের বিশেষ মাসআলাগুলোর স্বপক্ষে দলিল হিসেবে পাঁচটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকী বিন ইউসুফ আয-যারকানী: মৃত্যু (১১২২ হিজরি), (শারহু আল-মুওয়াত্তা)-তে। তিনি মক্কার ইতিহাস সংক্রান্ত দশটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং সেগুলো দিয়ে মক্কার হারাম সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির স্বপক্ষে দলিল পেশ করেছেন।
- মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আশ-শাওকানী: মৃত্যু (১১৭৩ হিজরি), তাঁর তাফসির (ফাতহুল কাদীর) এবং (নাইলুল আওতার)-এ। তিনি (ফাতহুল কাদীর)-এ চারটি উদ্ধৃতি তাঁর তাফসিরে স্থান দিয়েছেন এবং (নাইলুল আওতার)-এর আটটি স্থানে মক্কার ইতিহাস থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন যা মক্কার সম্মানিত হারামের মাসআলাগুলোর স্বপক্ষে দলিল হিসেবে পেশ করেছেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
- محمد بن إسماعيل الصنعاني: ت (1182) في (سبل السلام) نقل الاستشهاد على وقائع متعلقة بالحرم المكي الشريف في موضعين من كتابه.
- محمد بن عبد الرحمن المباركفوري: ت (1353) ففي تحفته على الترمذي نقل عن الأزرقي ثلاثة نصوص أودعها كتابه مستشهدا بذلك على مسائل متعلقة بالحرم المكي الشريف.
ب- في مجال الفقه وأصوله:
- الإمام النووي: ت (676) في (روضة الطالبين، والمجموع). نقل نصين في كتابه (الروضة)، وأحد عشر نصا في (المجموع) من أخبار مكة للاستشهاد على القضايا المتعلقة بالحرم المكي الشريف.
- محمد بن عبد الواحد السيواسي: ت (681) في (شرح فتح القدير). نقل أربعة نصوص عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- شيخ الإسلام أحمد بن عبد الحليم بن تيمية الحراني: ت (727)، نقل في شرحه على العمدة خمسة عشر نصا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- الحافظ السيوطي: ت (911) في: (الأشباه والنظائر). نقل نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- محمد بن عبد الله المغربي: ت (954) في (مواهب الجليل) نقل عشرة نصوص بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- الشيخ الخطيب الشربيني: ت (977) في (مغني المحتاج). نقل نصين عن الأزرقي بما يتعلق بأخبار الحرم المكي الشريف.
- الشيخ منصور البهوتي: ت (1051) في (كشاف القناع). نقل مرة واحدة عن الأزرقي بما يتعلق بمسائل الحرم المكي الشريف.
- মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আস-সানআনি: মৃত্যু (১১৮২) তাঁর কিতাব 'সুবুলুস সালাম'-এর দুইটি স্থানে মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলির ওপর প্রমাণাদি উদ্ধৃত করেছেন।
- মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুবারকপুরী: মৃত্যু (১৩৫৩), তিনি তিরমিযীর ওপর তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থ (তুহফাতুল আহওয়াযী)-তে আল-আযরাকী থেকে তিনটি পাঠ উদ্ধৃত করে তাঁর কিতাবে সংকলন করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট মাসয়ালাগুলোর ওপর প্রমাণ পেশ করেছেন।
খ- ফিকহ ও উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রে:
- ইমাম আন-নববী: মৃত্যু (৬৭৬) 'রওদাতুত তালিবিন' এবং 'আল-মাজমু' গ্রন্থে। তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর প্রমাণ পেশ করার জন্য 'আখবারু মক্কাহ' থেকে তাঁর 'রওদাহ' কিতাবে দুইটি পাঠ এবং 'আল-মাজমু' গ্রন্থে এগারোটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সিওয়াসি: মৃত্যু (৬৮১) 'শারহু ফাতহিল কাদির' গ্রন্থে। তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে চারটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- শায়খুল ইসলাম আহমদ বিন আব্দুল হালীম বিন তাইমিয়্যাহ আল-হাররানি: মৃত্যু (৭২৭), তিনি 'শরহুল উমদাহ' গ্রন্থে মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে পনেরোটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- আল-হাফিয আস-সুয়ূতী: মৃত্যু (৯১১) 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর' গ্রন্থে। তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মাগরিবী: মৃত্যু (৯৫৪) 'মাওয়াহিবুল জালীল' গ্রন্থে তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দশটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- শায়খ আল-খতিব আশ-শিরবিনী: মৃত্যু (৯৭৭) 'মুগনী আল-মুহতাজ' গ্রন্থে। তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের খবরাখবর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে দুইটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
- শায়খ মানসুর আল-বাহুতী: মৃত্যু (১০৫১) 'কাশশাফুল কিনা' গ্রন্থে। তিনি মক্কার সম্মানিত হারামের মাসয়ালা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-আযরাকী থেকে একবার উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
- الشيخ سليمان بن عمر البجيرمي: ت (1221) في (حاشيته على الخطيب). نقل نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- الشيخ محمد بن عرفة الدسوقي: ت (1330) في حاشيته المعروفة ب (حاشية الدسوقي). نقل نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- العلامة ابن عابدين: ت (1306) في حاشيته المعروفة بـ (حاشية ابن عابدين). نقل نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
ج - في التاريخ:
- الإمام الحافظ ابن كثير الدمشقي: ت (728) في (البداية والنهاية). نقل خمسة نصوص عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- ابن بطوطة (محمد بن عبد الله بن محمد): ت (779). نقل في رحلته نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- ابن خلدون (عبد الرحمن بن محمد): ت (808) في (مقدمته). نقل نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- الإمام الحافظ أحمد بن علي بن حجر العسقلاني: ت (852). نقل ابن حجر في الإصابة نصا واحدا عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
- كل من كتب في تاريخ مكة.
د - في مجال تخريج الحديث:
- الإمام النووي: في (تحرير ألفاظ التنبيه). نقل ثلاثة نصوص عن الأزرقي بما يتعلق الحرم المكي الشريف.
- الحافظ عبد الله بن يوسف الزيلعي: ت (762) في كتابه نصب الراية نقل من كتاب أخبار مكة للأزرقي سبعة نصوص مستشهدا بها على مسائل متعلقة
- শেখ সুলায়মান বিন উমর আল-বুজাইরমি: মৃত্যু (১২২১ হিজরি) তার (হাশিয়াতু আলাল খাতিব) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- শেখ মুহাম্মদ বিন আরাফাহ আদ-দিসুকি: মৃত্যু (১৩৩০ হিজরি) তার সুপরিচিত (হাশিয়াতুদ দিসুকি) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- আল্লামা ইবনে আবিদিন: মৃত্যু (১৩০৬ হিজরি) তার সুপরিচিত (হাশিয়াতু ইবনে আবিদিন) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
গ - ইতিহাসের ক্ষেত্রে:
- ইমাম হাফেজ ইবনে কাসির আদ-দামেশকি: মৃত্যু (৭২৮ হিজরি) (আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে পাঁচটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- ইবনে বতুতা (মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ): মৃত্যু (৭৭৯ হিজরি)। তার ভ্রমণকাহিনীতে মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- ইবনে খালদুন (আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ): মৃত্যু (৮০৮ হিজরি) তার (মুকাদ্দিমাহ) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- ইমাম হাফেজ আহমদ বিন আলী বিন হাজার আল-আসকালানি: মৃত্যু (৮৫২ হিজরি)। ইবনে হাজার (আল-ইসাবাহ) গ্রন্থে মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে একটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- মক্কার ইতিহাস নিয়ে যারা লিখেছেন এমন প্রত্যেকে।
ঘ - হাদিস তাখরিজের ক্ষেত্রে:
- ইমাম নববী: (তাহরিরু আলফাযিত তানবিহ) গ্রন্থে। মক্কার হারম শরীফ সংক্রান্ত আল-আযরাকি থেকে তিনটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
- হাফেজ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ আয-যাইলায়ি: মৃত্যু (৭৬২ হিজরি) তার 'নাসবুর রায়াহ' গ্রন্থে। আল-আযরাকির 'আখবারু মক্কাহ' গ্রন্থ থেকে সংশ্লিষ্ট মাসআলাসমূহের দলিল হিসেবে সাতটি উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
আখবারু মক্কাহ - আল-আযরকী - ত ইবনে দুহাইশ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
بالحرم المكي الشريف.
الإمام الحافظ أحمد بن علي بن حجر العسقلاني: ت (852) في: (الدراية في تخريج أحاديث الهداية)، و (التلخيص). نقل الحافظ ابن حجر نقولا خمسة في (الدراية)، وخمسة نقول في (التلخيص) مستشهدا بها على قضايا متعلقة بمكة المشرفة.
هـ - في مجال المعاجم:
- ياقوت بن عبد الله الحموي: ت (626) ففي معجم البلدان نقل ياقوت أربعة نصوص مستشهدا على وقائع أثبتها في معجمه.
- الإمام النووي: ت (676) في (تهذيب الأسماء) نقل النووي في التهذيب ثلاثين نصا من أخبار مكة أودعها بطون المسائل التي تخص الأسماء المتعلقة بمكة.
- محمد بن أبي الفتح الحنبلي: ت (709) في (المطلع). نقل صاحب المطلع خمسة نصوص عن الأزرقي بما يتعلق بالحرم المكي الشريف.
وهؤلاء بعض من الذين استفادوا من الأزرقي، وغيرهم كثير لم نقصد حصرهم في هذه المقدمة.
7 - زيادات أبي محمد الخزاعي:وهو إسحاق بن أحمد بن إسحاق بن نافع، الراوي لكتاب أخبار مكة بسنده عن الإمام الأزرقي
(1).
إن الخزاعي ينقل الأخبار المتعلقة بمكة من طريق الأزرقي، فأحيانا يجد نفس الحادثة ولكن من غير طريق الأزرقي فيثبتها مع الإشارة إلى ذلك بقوله: وحدثنا فلان بإسناد مثله، مثال ذلك: (ما جاء في البيت المعمور) (بناء إبراهيم عليه
--------------------------------------------
মক্কার সম্মানিত হারামে।
ইমাম হাফিজ আহমাদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-আসকালানী: মৃত্যু (৮৫২ হিজরি) তার: (আদ-দিরায়া ফি তাখরিজি আহাদিসিল হিদায়া) এবং (আত-তালখিস) গ্রন্থে। হাফিজ ইবনে হাজার (আদ-দিরায়া) গ্রন্থে পাঁচটি উদ্ধৃতি এবং (আত-তালখিস) গ্রন্থে পাঁচটি উদ্ধৃতি মক্কা মুশাররাফাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ঙ - অভিধান ও বিশ্বকোষের ক্ষেত্রে:
- ইয়াকুত বিন আব্দুল্লাহ আল-হামাউয়ি: মৃত্যু (৬২৬ হিজরি), মুজামুল বুলদান গ্রন্থে ইয়াকুত চারটি উদ্ধৃতি তার অভিধানে প্রমাণিত ঘটনাবলির স্বপক্ষে উল্লেখ করেছেন।
- ইমাম আন-নববী: মৃত্যু (৬৭৬ হিজরি), (তাহজিবুল আসমা) গ্রন্থে। নববী তাহজিব গ্রন্থে আখবারে মক্কা থেকে ত্রিশটি উদ্ধৃতি সংকলন করেছেন, যা তিনি মক্কা সংশ্লিষ্ট নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াবলির মধ্যে স্থান দিয়েছেন।
- মুহাম্মদ বিন আবিল ফাতহ আল-হাম্বালি: মৃত্যু (৭০৯ হিজরি), (আল-মুত্তালি) গ্রন্থে। মুত্তালি এর লেখক আল-আজরাকি থেকে মক্কার সম্মানিত হারাম সংশ্লিষ্ট পাঁচটি উদ্ধৃতি নকল করেছেন।
এঁরা তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা আল-আজরাকি থেকে উপকৃত হয়েছেন, এবং এছাড়াও আরও অনেকে রয়েছেন যাদেরকে এই ভূমিকায় সীমাবদ্ধ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।
৭ - আবু মুহাম্মদ আল-খুজায়ির সংযোজনসমূহ:তিনি হলেন ইসহাক বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন নাফি, যিনি তার সনদে ইমাম আল-আজরাকি থেকে আখবারে মক্কা গ্রন্থটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
খুজায়ি মক্কা সংশ্লিষ্ট বর্ণনাগুলো আল-আজরাকির সূত্রে বর্ণনা করেন। তবে কখনও কখনও তিনি একই ঘটনা আল-আজরাকি ভিন্ন অন্য কোনো সূত্রে পান, তখন তিনি তা এই বলে উল্লেখ করেন যে: "আমাদের কাছে অমুক ব্যক্তি এর অনুরূপ সনদে বর্ণনা করেছেন"। উদাহরণস্বরূপ: (বাইতুল মামুর প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে) (ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের নির্মাণ...
--------------------------------------------