(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الإسلام ومواجهة المذاهب الهدامة القسم: كتب عامة
الكتاب: الإسلام ومواجهة المذاهب الهدامة
المؤلف: محمد البهي (ت 1402هـ)
الناشر: مكتبة وهبة، القاهرة
الطبعة: الأولى، 1401 هـ - 1981 م
عدد الصفحات: 39
أعده للمكتبة الشاملة/ توفيق بن محمد القريشي
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 28 ذو الحجة 1434
ইসলাম ও ধ্বংসাত্মক মতবাদ মোকাবিলা বিভাগ: সাধারণ গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: ইসলাম ও ধ্বংসাত্মক মতবাদ মোকাবিলা
লেখক: মুহাম্মদ আল-বাহী (মৃত্যু ১৪০২ হিজরি)
প্রকাশক: মাকতাবাতু ওয়াহবাহ্, কায়রো
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০১ হিজরি - ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৯
আল-মাকতাবাতুশ শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন/ তাওফিক বিন মুহাম্মদ আল-কুরায়শি
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২৮ জিলহজ ১৪৩৪
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
الإسلام ومواجهة المذاهب الهدامة
الدكتور محمد البهي
الناشر: مكتبة وهبة - القاهرة.
- عدد الأجزاء: 1.
- عدد الصفحات: 40.
أعده للمكتبة الشاملة / توفيق بن محمد القريشي، - غفر الله له ولوالديه -.
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو مذيل بالحواشي].
ইসলাম ও ধ্বংসাত্মক মতবাদসমূহের মোকাবিলা
ডক্টর মুহাম্মদ আল-বাহী
প্রকাশক: মাকতাবাতু ওয়াহবাহ - কায়রো।
- খণ্ড সংখ্যা: ১।
- পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০।
আল-মাকতাবাতুশ শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন / তাওফিক বিন মুহাম্মদ আল-কুরাইশি — আল্লাহ তাঁকে এবং তাঁর পিতামাতাকে ক্ষমা করুন —।
[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ এবং এটি পাদটীকা সংবলিত]।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
الطبعة الأولى:
رجب سَنَةَ 1401 هـ - مايو سَنَةَ 1981 م.
প্রথম সংস্করণ:
রজব ১৪০১ হিজরি - মে ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
مُقَدِّمَةٌ:.. دعونا نسائل أنفسنا:
هل منطق الحياة الإنسانية لم يزل: هو الطغيان عن طريق القوة
… واستغلال القوي للضعيف؟ .. {إِنَّ الإِنْسَانَ لَيَطْغَى، أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى} (1) ..
هل القوي بعصبيته أو بماله .. أو بعدته وعتاده يسعى لأن يكون سندًا؟ على من لا يملك القوة ذا القوة والعتاد. وأمارة سيادته: أن يستغل الضعيف، ويحرص على بقائه ضعيفًا، كي يستمر في استغلاله؟.
هل ما نسميه بالمذاهب الهدامة هو تبريرات للقوة والطغيان بها وتوجيهات لاستغلال الضعيف وبقائه ضعيفًا؟.
وهل رسالة الله [لرسله]- عَلَيْهِمْ الصَلَاةُ وَالسَّلَامُ - على هذه الأرض - وختامها القرآن الكريم - دعو إلى التوازن بين القوة والضعف، حتى لا يطغى القوي بقوته ولا يذل الضعيف، يقبل أن يستغل بسبب ضعفه؟. وإنما على الأقوياء أن يجنبوا قوتهم الاعتداء
--------------------------------------------
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ভূমিকা:.. আসুন আমরা নিজেদের প্রশ্ন করি:
মানব জীবনের রীতি কি আজও শক্তির মাধ্যমে সীমালঙ্ঘন করা
… এবং দুর্বলের ওপর সবলের শোষণ রয়ে গেছে? .. {নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে, যখন সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে} (১) ..
শক্তিমান কি তার গোত্রীয় আভিজাত্য, অর্থ-সম্পদ অথবা প্রস্তুতি ও উপকরণের মাধ্যমে এমন এক ব্যক্তিতে পরিণত হতে সচেষ্ট হয় যে অন্যের জন্য অবলম্বন বা ভিত্তি (سند) হবে? বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের শক্তি ও উপকরণ নেই। তার শ্রেষ্ঠত্বের পরিচায়ক কি এই যে, সে দুর্বলের ওপর শোষণ চালাবে এবং তাকে দুর্বল করে রাখতেই সচেষ্ট হবে, যাতে তার শোষণ অব্যাহত থাকে?
আমরা যাকে ধ্বংসাত্মক মতবাদ বলি, তা কি মূলত শক্তির দাপট ও সীমালঙ্ঘনের স্বপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন এবং দুর্বলের ওপর শোষণ ও তাকে আজীবন দুর্বল করে রাখার দিকনির্দেশনা মাত্র?
আর এই ধরণীতে আল্লাহ তাআলা তাঁর [রাসূলগণের] ওপর —যাঁদের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক— যে বাণী অবতীর্ণ করেছেন এবং যার সমাপ্তি ঘটেছে পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে, তা কি শক্তি ও দুর্বলতার মধ্যে ভারসাম্যের আহ্বান জানায় না? যেন শক্তিশালী ব্যক্তি তার শক্তির দাপটে সীমালঙ্ঘন না করে এবং দুর্বল ব্যক্তি লাঞ্ছিত না হয় কিংবা তার দুর্বলতার কারণে শোষিত হওয়া মেনে না নেয়। বরং শক্তিমানদের উচিত তাদের শক্তিকে অন্যের ওপর চড়াও হওয়া থেকে বিরত রাখা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
وعنى الضعفاء أن يستندوا في مواجهة قوة القوى، وفي رفض الطغيان بالقوة: إلى مؤازرة بعضهم لبعض وإلى اعتصامهم بحبل الله وهدايته؟.
…
أَلَيْسَتْ هَذِهِ مَذَاهِبُ تُخْفِي وَرَاءَهَا مَصَالِحَ خَاصَّةٍ؟:
وإذا كانت المذاهب الهدامة بمثابة تبريرات لطغيان القوي بقوته لحمل الضعيف على قبول التبعية والرضا باستغلاله، فأصحاب القوة إذن هم أصحاب المصلحة في نشر تلك المذاهب وترويجها بين الضعفاء .. هم الذين يدفعون بها وإليهم، ويدفعون عنها بينهم لتظل واقعًا في حياتهم.
وأصحاب هذه القوة إذن هم أصحاب المصلحة والنفعة. ومصلحتهم لدى الضعفاء هي استغلالهم إن كانت لهم طاقات بشرية، أو امكانيات اقتصادية في المواد الأولية أو في تسويق المنتجات الصناعية لما يصنعون.
إن المذاهب الهدامة قامت ونشأت لتهدم فعلاً: لتهدم الدعوة إلى مؤازرة الضعفاء بعضهم لبعض فيما بينهم على أساس من الإيمان بالله .. لتهدم سعي هؤلاء في سبيل التمكن من الاستقلال ودفع التبعية والاستغلال بسبب الضعف، بعيدًا عن أنفسهم .. لتهدم محاولات هؤلاء أن يستقلوا بإمكانياتهم الاقتصادية ومواردهم من المواد الأولية .. لتهدم سيادتهم على أموالهم وطاقاتهم .. لتحول دون أن تكون لهم إرادة في الإشراف على هذه الأموال، وفي التصرف فيها.
1 - ثم كان إكراه المسلمين في مجتمعاتهم على قبول «العلمانية»
দুর্বলদের (الضعفاء) উদ্দেশ্য কি শক্তির দাপটের মোকাবিলায় এবং শক্তির মাধ্যমে জুলুমকে প্রত্যাখ্যান করার ক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগিতা এবং আল্লাহর রশি ও তাঁর হিদায়াতের ওপর নির্ভর করা?
…
এগুলো কি এমন মতবাদ নয় যা নিজের আড়ালে বিশেষ স্বার্থ লুকিয়ে রাখে?:
আর ধ্বংসাত্মক মতবাদগুলো যদি দুর্বলের (الضعيف) ওপর পরাধীনতা চাপিয়ে দেওয়া এবং শোষণ মেনে নিতে বাধ্য করার জন্য শক্তিশালী ব্যক্তির শক্তির দাপটের যৌক্তিকতা প্রমাণের হাতিয়ার হয়, তবে এই শক্তিধরেরাই মূলত দুর্বলদের (الضعفاء) মাঝে সেসব মতবাদ প্রচার ও প্রসারে কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল। তারাই এসব মতবাদকে তাদের দিকে ঠেলে দেয় এবং তাদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় যাতে তা তাদের জীবনে এক বাস্তবতায় পরিণত হয়।
সুতরাং এই শক্তিধরেরাই হলো স্বার্থ ও লাভের অধিকারী। দুর্বলদের (الضعفاء) ক্ষেত্রে তাদের স্বার্থ হলো—যদি তাদের কোনো মানবশক্তি থাকে তবে তাদের শোষণ করা, অথবা কাঁচামালের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কিংবা তাদের উৎপাদিত শিল্পপণ্যের বাজারজাতকরণের সুযোগ গ্রহণ করা।
প্রকৃতপক্ষে ধ্বংসাত্মক মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত ও উদ্ভূত হয়েছে ধ্বংস করার জন্যই: আল্লাহর প্রতি ঈমানের ভিত্তিতে দুর্বলদের (الضعفاء) একে অপরের পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বানকে ধ্বংস করার জন্য; দুর্বলতার কারণে পরাধীনতা ও শোষণকে নিজেদের থেকে দূর করে স্বাধীনতা অর্জনের পথে তাদের প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করার জন্য; তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও কাঁচামালের সম্পদের ওপর স্বনির্ভর হওয়ার প্রচেষ্টাকে ধূলিসাৎ করার জন্য; তাদের সম্পদ ও শক্তির ওপর তাদের সার্বভৌমত্বকে বিলীন করার জন্য; এবং এই সম্পদের তদারকি ও তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাতে তাদের কোনো স্বাধীন ইচ্ছা না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য।
1 - এরপর মুসলিম সমাজগুলোতে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ গ্রহণে মুসলমানদের বাধ্য করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
في التربية والتعليم والتشريع، وأخيرًا في الأسرة والعلاقات بين الأفراد فيها عن طريق ما يسمى بتنظيم النسل، واقتباس شرع الناس بدلاً من شرع الله في علاقة الزوج بزوجته؟.
وممن كان الإكراه؟. أليس من القوي والحاكم الذي يعيش في ظله؟ وأليست مصلحة هذه القوى في استغلال الطاقات البشرية الرخيصة للمسلمين؟. أليست منفعته في التصرف عن طريق مباشر أو غير مباشر: في المواد الأولية والإمكانيات الاقتصادية، التي وهبها الله للمسلمين في أرضهم وأوطانهم؟.
الم تكن «العلمانية» كما هي سبيل إلى إضعاف المسلمين في مجتمعاتهم: سبيلاً أيضًا إلى احتفاظ صاحب المصلحة في الاستغلال، وهو القوى بقوته؟. وهي قوة التوجه والضغط والإكراه على قبول المسلمين للتبعية في صورة أو في أخرى؟.
… 2 - لم كان ترويج «الماسونية» أو اليهودية العالمية بين المسلمين في مجتمعهم؟ ألم تكن للنقل المسلمين من محيط إيمانهم بالإسلام، إلى ذوبانهم في «عالمية» يقودها رأس المال في الدول الصناعية، والفكر الاشتراكي في النظم الماركسية؟. وقوة المسلمين في بقاء تماسكهم على أساس من الإسلام، بينما ضعفهم في تفرقهم وفي ذوبانهم في «عالمية» هم فيها اتباع فقط؟.
ومن هم وراء الماسونية؟. من هم أصحاب المصلحة في ترويجها؟. أهم الزعماء في النظامين: الرأسمالي، والاشتراكي؟ أهم اليهود أصحاب «العقلية العالمية»؟.
শিক্ষা, দীক্ষা ও আইন প্রণয়ন এবং পরিশেষে পরিবার ও তার মধ্যকার ব্যক্তিবর্গের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তথাকথিত জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এবং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি করা বিধান গ্রহণের মাধ্যমে?
আর এই জবরদস্তি কার পক্ষ থেকে ছিল? তা কি সেই শক্তিশালী ও শাসকের পক্ষ থেকে নয়, যার ছায়াতলে তারা বসবাস করে? মুসলমানদের সস্তা জনশক্তিকে শোষণ করার মধ্যেই কি এই শক্তিবর্গের স্বার্থ নিহিত নয়? তাদের ভূখণ্ডে ও জন্মভূমিতে আল্লাহ মুসলমানদের যে কাঁচামাল ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা দান করেছেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তা ব্যবহারের মধ্যেই কি তাদের মুনাফা নিহিত নয়?
‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ যেভাবে মুসলিম সমাজকে দুর্বল করার একটি উপায় ছিল, তেমনি কি তা শোষণের স্বার্থান্বেষী শক্তিশালী মহলের শক্তি বজায় রাখারও একটি পথ ছিল না? আর এটিই হলো দিকনির্দেশনা, চাপ ও জবরদস্তির সেই শক্তি, যা মুসলমানদের কোনো না কোনোভাবে অধীনতা মেনে নিতে বাধ্য করে।
… ২ - মুসলিম সমাজে ‘ফ্রিম্যাসনরি’ বা আন্তর্জাতিক ইহুদিবাদের প্রচার কেন করা হয়েছিল? এটি কি মুসলমানদের ইসলামের প্রতি ঈমানের গণ্ডি থেকে বিচ্যুত করে শিল্পোন্নত দেশগুলোর পুঁজিবাদ এবং মার্কসবাদী ব্যবস্থার সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা পরিচালিত ‘বিশ্বায়নের’ মধ্যে বিলীন করে দেওয়ার জন্য ছিল না? অথচ মুসলমানদের শক্তি নিহিত রয়েছে ইসলামের ভিত্তিতে তাদের সংহতি বজায় রাখার মধ্যে, পক্ষান্তরে তাদের দুর্বলতা নিহিত রয়েছে তাদের বিচ্ছিন্নতায় এবং এমন এক ‘বিশ্বায়নে’ বিলীন হওয়ার মধ্যে যেখানে তারা কেবলই অনুসারী মাত্র।
ফ্রিম্যাসনরির নেপথ্যে কারা? এটি প্রচারের পেছনে স্বার্থান্বেষী মহল কারা? তারা কি পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক—এই উভয় ব্যবস্থার নেতা? তারা কি সেই ইহুদিরা যারা ‘বিশ্বজনীন মানসিকতার’ অধিকারী?
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
أهم أصحاب الصناعة والسيطرة عن طريقها في النظام الرأسمالي؟ أهم أصحاب الإيديولوجية الماركسية والسيطرة عن طريقها في الدول الاشتراكية؟.
وعن طريق نقل المسلمين إلى «عالمية» هم فيها أتباع لا يعرفون السيادة على أنفسهم وعلى ما تحت أيديهم من إمكانيات اقتصادية: يسهل استغلالهم: إما لأصحاب الصناعة، أو لأصحاب الفكر الاشتراكي.
* * *
3 - لم كانت نوادي «الروتاري» في المجتمعات الإسلامية؟.
ولم كانت الدعوة إليها في هذه المجتمعات قصدًا إلى احتواء أكبر عدد من المثقفين الوطنيين وأصحاب النفوذ السياسي، ورجال القانون، والفكر، والصحافة؟.
أليس هدف نوادي الروتاري إضعاف «حبل الله» بين المسلمين، وتمزيقهم وتفريقهم ليظلوا أتباعًا في «عالمية» يسود فيها القوي لمصلحة له؟. وأليست الصليبية الدولية وراء هذه النوادي والعمل على احتواء الصفوف المتميزة في المجتمعات الإسلامية ليبشروا بـ «روح العالمية» بين مواطنيهم، وليضعفوا بالتالي روح الوحدة والتماسك في علاقة بعضهم ببعض؟.
* * *
4 - لم كان الاستشراق؟. ولم كانت العودة عن طريق المستشرقين إلى ترديد شبهات المشركين بمكة على عهد الرسالة؟.
أليس عمل المستشرقين في بحوثهم .. وفي كتبهم .. وفي توجيه
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় প্রধান শিল্পপতি এবং এর মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারকারীরা কারা? সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে প্রধান মার্কসবাদী আদর্শের ধারক এবং এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকারীরাই বা কারা?
এবং মুসলিমদেরকে এমন এক «বিশ্বায়নের» দিকে স্থানান্তরের মাধ্যমে যেখানে তারা কেবল অনুসারী হিসেবে থাকবে এবং নিজেদের ওপর কিংবা তাদের হাতে থাকা অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর যাদের কোনো সার্বভৌমত্ব থাকবে না: ফলে তাদের শোষণ করা সহজ হবে: হয় শিল্পপতিদের জন্য, নয়তো সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার অনুসারীদের জন্য।
* * *
৩ - মুসলিম সমাজগুলোতে কেন «রোটারি» ক্লাবগুলো বিদ্যমান ছিল?
কেন এই সমাজগুলোতে এগুলোর প্রতি আহ্বানের উদ্দেশ্য ছিল সচেতনভাবে অধিক সংখ্যক জাতীয় বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি, আইন বিশেষজ্ঞ, চিন্তাবিদ এবং সাংবাদিকদের কবজায় নিয়ে আসা?
রোটারি ক্লাবগুলোর লক্ষ্য কি মুসলিমদের মাঝে বিদ্যমান «আল্লাহর রজ্জু»-কে দুর্বল করা এবং তাদেরকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন ও বিভক্ত করা নয়, যাতে তারা এমন এক «বিশ্বায়নে» অনুসারী হয়ে থাকে যেখানে শক্তিমানরা নিজ স্বার্থে কর্তৃত্ব বজায় রাখে? আন্তর্জাতিক ক্রুসেডার শক্তি কি এই ক্লাবগুলোর পেছনে নেই এবং তারা কি মুসলিম সমাজের বিশিষ্ট স্তরের ব্যক্তিদের নিজেদের বলয়ে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কাজ করছে না, যাতে তারা তাদের স্বদেশীদের মাঝে «বিশ্বজনীন চেতনার» সুসংবাদ দেয় এবং ফলস্বরূপ একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে দুর্বল করে দেয়?
* * *
৪ - প্রাচ্যতত্ত্ব কেন ছিল? এবং প্রাচ্যবিদদের মাধ্যমে রিসালাতের যুগে মক্কার মুশরিকদের উত্থাপিত সংশয়গুলোর (شبهات) পুনরাবৃত্তির পথে কেন ফিরে যাওয়া হলো?
প্রাচ্যবিদদের তাদের গবেষণায়, তাদের বইয়ে এবং তাদের দিকনির্দেশনায় কাজ কি নয়...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
أبناء المسلمين في الجامعات الغربية والشرقية، عندما تسند إليهم الحكومات الإسلامية إعدادهم وتأهيلهم بالدرجات العلمية ليعودوا للقيام بوظائف التدريس في الجامعات الإسلامية: تشكيكًا، وتضليلاً، وتوهينًا للقيم الإسلامية ولرسالة القرآن الكريم؟.
أليس وراء عمل المستشرقين: سلطة الكنيسة، وسلطة الدولة العلمانية مَعًا في الغرب .. وفي الشرق على السواء؟. أليس وراء تشويه المستشرقين لمبادئ الإسلام وللقيم الإسلامية إضعاف للمسلمين في وحدتهم وفي تعاونهم لمنفعة القوي، وهو ذلك الذي يسخر القساوسة والربانيين من اليهود، بعد أن يضفي عليهم مسحة العلماء وطابع الأكادميين، للاعتداء على الإسلام باسم العلم والبحث العلمي؟.
وأليس للسلطة الكنسية مصلحة في تجميد الإسلام أو انحساره في إفريقيا على الأقل؟ وأليس لسلطة الدولة العلمانية منفعة في الاستيلاء على المواد الأولية من أوطان المسلمين بأثمان أدنى بكثير من أثمانها بعد تصنيعها وإعادتها للاستهلاك في أسواق المسلمين؟.
* * *
5 - ولم كانت الدعوة إلى «الإلحاد العلمي» باسم الاشتراكية، أو الماركسية، أو الشيوعية؟. أليست الدعوة إلى الإلحاد العلمي هجومًا على الإسلام ومبادئه .. وادعاء بأنه كذب وخرافة؟. أليس مضمون الإلحاد العلمي في الجامعات الإسلامية تفريقًا لنفوس المؤمنين من إيمانهم بالله ورسوله عليه الصلاة والسلام .. أو على الأقل تشكيكًا لهم في دينهم، وبالتالي أضعافًا وتوهينًا لعلاقة بعضهم ببعض؟.
ولمصلحة من: أعدت الدعوة إلى الإلحاد العلمي؟. أليست لأصحاب الدعوة؟ أليست للاشتراكيين، أو الماركسيين، أو
পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত মুসলিম সন্তানগণ, যখন ইসলামি সরকারসমূহ তাদের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তোলার দায়িত্ব প্রদান করে যাতে তারা ফিরে এসে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার মহান দায়িত্ব পালন করতে পারে—তখন কি তাদের সেই প্রস্তুতির পেছনে ইসলামি মূল্যবোধ এবং পবিত্র কুরআনের বাণীর প্রতি সংশয় সৃষ্টি, বিভ্রান্তি এবং সেগুলোকে দুর্বল করার কোনো হীন উদ্দেশ্য থাকে?।
পাশ্চাত্য ও প্রাচ্য উভয় অঞ্চলেই প্রাচ্যবিদদের কর্মতৎপরতার পেছনে কি গির্জার কর্তৃত্ব এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রশক্তির প্রভাব একত্রে বিদ্যমান নেই? প্রাচ্যবিদদের পক্ষ থেকে ইসলামের মূলনীতি ও ইসলামি মূল্যবোধের বিকৃতি ঘটানোর পেছনে কি শক্তিশালী মহলের স্বার্থ রক্ষার্থে মুসলিমদের ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে দুর্বল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র নিহিত নেই? এই শক্তিশালী মহলই ইহুদি যাজক ও পণ্ডিতদের ওপর পাণ্ডিত্যের প্রলেপ এবং অ্যাকাডেমিক রূপ দান করে জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার নামে ইসলামের ওপর আঘাত করার জন্য নিয়োজিত করে থাকে।
অন্তত আফ্রিকার প্রেক্ষাপটে ইসলামকে স্থবির করে দেওয়া বা এর প্রভাব সংকুচিত করার পেছনে কি গির্জার কর্তৃত্বের কোনো স্বার্থ নেই? আর মুসলিম দেশগুলো থেকে নামমাত্র মূল্যে কাঁচামাল দখল করে নিয়ে সেগুলো শিল্পজাত করার পর পুনরায় মুসলিম বাজারগুলোতে ব্যবহারের জন্য পাঠিয়ে মুনাফা অর্জনে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রশক্তির কি কোনো স্বার্থ নেই?।
* * *
5 - সমাজতন্ত্র, মার্কসবাদ কিংবা সাম্যবাদের নামে কেন ‘বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ’-এর দিকে আহ্বান জানানো হয়েছিল? বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের এই আহ্বান কি ইসলাম ও এর আদর্শের ওপর একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ এবং একে মিথ্যা ও কুসংস্কার হিসেবে প্রমাণের অপচেষ্টা নয়? ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের মূল বিষয়বস্তু কি মুমিনদের অন্তরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের—তাঁর ওপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—প্রতি ঈমান থেকে বিচ্যুত করা নয়, অথবা অন্ততপক্ষে তাদের দ্বীন সম্পর্কে সংশয়ে নিপতিত করা এবং এর মাধ্যমে তাদের পারস্পরিক বন্ধনকে শিথিল ও দুর্বল করে দেওয়া নয়?।
আর কার স্বার্থে এই বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের আহ্বান প্রস্তুত করা হয়েছে? এটি কি এই মতবাদের প্রবক্তাদের জন্য নয়? এটি কি সমাজতন্ত্রী, মার্কসবাদী কিংবা...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الشيوعيين؟. أليست لمصلحة الدولة الكبرى التي تقود الماركسية في العالم، والتي تدافع عنها في إصرار، وتخفي اعتداءها على الفريسة التي تنقض عليها بين الفينة والأخرى، لالتهامها واستغلال مواردها الطبيعية بحجة أو بأخرى باسم السلام العالمي؟.
* * *
6 - من الذي يقصر إطلاق «العلم» على نتائج التجربة وحدها في مجال البحوث الطبيعية؟. ومن الذي يجعل وحي الرسالة الإلهية «غيبًا» وخرافة؟. ومن الذي يخلق «مشكلة» بين «العلم» .. و «الدين»؟. ومن الذي يجعل علم الله أدنى علم الإنسان؟. أليس هو صاحب المصلحة والمنفعة في هذا الادعاء؟ ألم تكن الدولة العلمانية صاحبة المصلحة في مطاردة الكنيسة، وفي إضعاف سلطتها والتشكيك في هيبتها؟. ولكي تسقط الكنيسة في مواجهة الدولة العلمانية في المجتمع الواحد .. ولكي تضعف هيبة رجال الدين في مواجهة رجال السياسة والدولة ينادي ببخس القيمة الذاتية لعلم الله، بينما يرفع من شأن علم الإنسان. فيدعي للأول بأنه أساطير، بينما يدعى للثاني بأنه «يقين»!!
متى كان الإنسان معصومًا عن الخطأ؟. ومتى كان الله عرضة للصواب والخطأ؟ إنما هي الرغبة في الانفراد بالسلطة الزمنية في الحكم تجعلها تدافع عن الإنسان، بينما تكيل التُّهَمَ إلى الله - جَلَّ شَأْنُهُ -!!.
والسلام كدين لم يسلم مما وجهه الآخرون إلى المسيحية: من شظايا الحرب بين الدولة والكنيسة في أوروبا، من أجل السلطة، فاتهم بأنه خرافة وليس يقينًا. ويحلو لرجال السياسة في المجتمعات الإسلامية أن يكرروا الاتهام لإبعاد المسؤوليات عن كاهل الحكام التي يلقيها الإسلام وينيط بها الحكم الإسلامي.
* * *
কমিউনিস্টদের? এটা কি সেই বৃহৎ শক্তির স্বার্থে নয় যা বিশ্বে মার্কসবাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং যা দৃঢ়তার সাথে তাকে রক্ষা করে চলেছে? আর তারা মাঝেমধ্যে তাদের শিকারের ওপর যে আক্রমণ চালায় এবং বিশ্ব শান্তির নামে কোনো না কোনো অজুহাতে তার প্রাকৃতিক সম্পদ কুক্ষিগত ও শোষণ করার জন্য যে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তা কি তারা গোপন করে না?
* * *
6 - প্রাকৃতিক গবেষণার ক্ষেত্রে 'বিজ্ঞান' শব্দটিকে কেবল পরীক্ষামূলক ফলাফলের মধ্যে কে সীমাবদ্ধ করে? এবং কেইবা ঐশী বার্তার ওহীকে 'অদৃশ্য' ও কুসংস্কার হিসেবে গণ্য করে? এবং কেইবা 'বিজ্ঞান' ও 'ধর্মের' মধ্যে 'দ্বন্দ্ব' সৃষ্টি করে? এবং কেইবা আল্লাহর ইলমকে মানুষের ইলমের নিচে স্থান দেয়? এই দাবির পেছনে কি তারই স্বার্থ ও মুনাফা নেই? গির্জাকে তাড়া করা, তার কর্তৃত্বকে দুর্বল করা এবং তার মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পেছনে কি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের স্বার্থ ছিল না? আর একই সমাজে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের মোকাবিলায় গির্জাকে পরাজিত করতে এবং রাজনীতিক ও রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সামনে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে আল্লাহর ইলমের সহজাত মূল্যকে অবমূল্যায়ন করার আহ্বান জানানো হয়, অথচ মানুষের ইলমের মর্যাদাকে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ফলে প্রথমটিকে রূপকথা বলে দাবি করা হয়, আর দ্বিতীয়টিকে দাবি করা হয় 'নিশ্চিত জ্ঞান (يقين)' হিসেবে!!
মানুষ কবে ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে অর্থাৎ নিষ্পাপ (معصوم) ছিল? আর আল্লাহ কবেই বা ভুল-ভ্রান্তির শিকার হলেন? মূলত পার্থিব শাসন ক্ষমতায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষাই তাকে মানুষের পক্ষাবলম্বন করতে প্ররোচিত করে, আর আল্লাহর—তাঁর শান সমুন্নত হোক—প্রতি অভিযোগের তীর ছুড়ে দেয়!!
আর ইসলাম ধর্ম হিসেবে খ্রিস্টধর্মের ওপর অন্যদের পক্ষ থেকে করা আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়নি: ইউরোপে রাষ্ট্র ও গির্জার মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ের ফলে একে কুসংস্কার হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং একে নিশ্চিত জ্ঞান (يقين) হিসেবে গণ্য করা হয়নি। মুসলিম সমাজের রাজনীতিবিদরা এই অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন, যাতে ইসলাম শাসকদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে এবং ইসলামি শাসনের সাথে যা সংশ্লিষ্ট, তা থেকে শাসকদের দায়মুক্ত রাখা যায়।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
أَهَذِهِ مَذَاهِبٌ فِكْرِيَّةٌ؟
هذه جملة من المذاهب الهدامة توجه كمعاول هدم ضد الإسلام في غفلة من أكثر المسلمين، وربما عن وعي لقلة منهم .. وربما أيضًا بمعاونة بعض هذه القلة التي تعي ما يصنع الإسلام.
هنا: العلمانية .. وهنا الماسونية .. وهنا الصليبية العالمية .. وهنا الاستشراق .. وهنا الإلحاد العلمي .. وهنا العلم والدين.
نحن نطلق عليها «مذاهب» ولكنها في واقع أمرها: حيل وألاعيب، تخفي أهواء ورغبات:
[أ] من يقول: إن التربية الدينية تضاد الطبيعة البشرية؟.
- تقول ذلك فلسفة «جون ديوي» التربوية، التي من الأسف تؤسس عليها كليات التربية في مجتمعاتنا الإسلامية وهي فلسفة تتجه إلى «العلمانية» وإبعاد الدين عن مجال التربية، والتشريع مَعًا.
[ب] من يقول: إن «الماسونية» .. وهي دعوة إلى «العالمية» عن طريق إبعاد الدين .. والوطن .. والعرق، عن رؤيا الإنسان في الحكم والعلاقات بين الإنسان والإنسان: مذهب فكري واتجاه إنساني؟ نعم الدين يقول بأبعاد الوطن، والعرق، والقبيلة، عن مجال الرؤيا للإنسان، ولكنه يحدد هذا المجال بأبعاد الرسالة الإلهية، وهي المحيطة بخواص الطبيعة الإنسانية وحدود السبيل السوي لمواقفها وسلوكها.
إن الفكر في سلامته، وفي صحة منطقه: يجب أن لا يخضع للهوى والرغبات، فإذا حرصت الماسونية على مصالح اليهود وحدهم مفرقين في العالم، أو مجتمعين في إسرائيل، على حساب أهل الأديان الأخرى كانت لحزب دون آخر، وما هكذا يكون شأن الفكر، وإنما هو شأن الهوى.
এগুলো কি বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ?এগুলো হলো কতগুলো ধ্বংসাত্মক মতবাদের সমষ্টি যা অধিকাংশ মুসলিমের অসচেতনতার সুযোগে ইসলামের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কুঠার হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, আবার হয়তো তাদের মধ্যে স্বল্পসংখ্যক সচেতন ব্যক্তির উপস্থিতিতেই এটি ঘটছে... এবং সম্ভবত এই স্বল্পসংখ্যক যারা ইসলাম কী করছে তা অনুধাবন করে, তাদেরই সহযোগিতায় এগুলো পরিচালিত হচ্ছে।
এখানে রয়েছে: ধর্মনিরপেক্ষতা... এখানে ফ্রিম্যাসনরি... এখানে বৈশ্বিক ক্রুসেডবাদ... এখানে প্রাচ্যতত্ত্ব... এখানে বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ... এবং এখানে বিজ্ঞান ও ধর্ম।
আমরা এগুলোকে «মতবাদ» বলে অভিহিত করি, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো হলো ছলচাতুরি ও চক্রান্ত, যা প্রবৃত্তি ও হীন কামনা-বাসনাকে আড়াল করে রাখে:
[ক] কে বলে যে, ধর্মীয় শিক্ষা মানব প্রকৃতির পরিপন্থী?
— ‘জন ডিউই’-এর শিক্ষা-দর্শন এমনটি বলে, যার ওপর অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো আমাদের ইসলামি সমাজের শিক্ষা অনুষদগুলো প্রতিষ্ঠিত। এটি এমন এক দর্শন যা «ধর্মনিরপেক্ষতা» এবং শিক্ষা ও আইন প্রণয়ন উভয় ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে বিচ্যুত করার দিকে ধাবিত হয়।
[খ] কে বলে যে, «ফ্রিম্যাসনরি» — যা শাসন ব্যবস্থা এবং মানুষে-মানুষে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ধর্ম, দেশ ও বংশপরিচয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে «বিশ্বায়নের» একটি আহ্বান — একটি বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ এবং মানবতাবাদী ধারা? হ্যাঁ, ধর্ম মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্র থেকে দেশ, বংশ এবং গোত্রকে দূরে রাখার কথা বলে ঠিকই, কিন্তু ধর্ম এই ক্ষেত্রটিকে খোদায়ী বার্তার আলোকে নির্দিষ্ট করে দেয়; যা মানব প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য এবং এর অবস্থান ও আচরণের সঠিক পথের সীমানাকে পরিবেষ্টন করে রাখে।
চিন্তা যখন তার সুস্থতায় এবং যুক্তির সঠিকতায় স্থিত থাকে, তখন তাকে অবশ্যই খেয়াল-খুশি ও প্রবৃত্তির বশীভূত হওয়া উচিত নয়। সুতরাং, ফ্রিম্যাসনরি যদি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অথবা ইসরায়েলে একত্রিত হওয়া কেবল ইহুদিদের স্বার্থ রক্ষায় সচেষ্ট হয় অন্য ধর্মাবলম্বীদের বিনিময়ে, তবে তা একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষপাতিত্ব করল। চিন্তার স্বরূপ এমন হওয়া উচিত নয়, বরং এটি হলো প্রবৃত্তির স্বরূপ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
[ج] من يقول: إن «الصليبية الدولة» في دفعها الدعوة إلى العمق في نفوس: المثقفين وأصحاب النفوذ والقيادة في كل مجال من المسلمين عن طريق: «نوادي الروتاري» .. وغيرها، كي يتجنبوا الإسلام في التعامل، والمعاملة، والنظرة إلى الحياة، مع أنفسهم ومع الآخرين عداهم: تكون مذهبًا مغايرًا «للماسونية» في نتائجها وإن اختلفت سبلها، واختلف أصحاب المصلحة والمنفعة فيها؟.
إنها ليست غير أهواء ورغبات، واتجاهها في النهاية اتجاه غير إنساني لأنه يتحايل على أن يأخذ ما بأيدي المسلمين برضاء المسلمين أنفسهم. فهو خدعة في التحايل والتلاعب.
[د] من يقول: إن بحوث المستشرقين تدخل تحت مفهوم «العلم» .. واتجاهاتهم فبها يحكي مذهبًا فكريًا، وهي بحوث تسعى لتشويه الإسلام في مبادئه والوصول في تصويرها في نظر المؤمنين بها: على أنها ضد رسالة الله، وعلى أن محمدًا صاحب القرآن: جانبه الصواب، وحاد عن الحق، عندما أَلَّفَهُ وخالفه فيه الإنجيل؟.
ومتى كان اختلاف القرآن مع الإنجيل سببًا في عدم صحة القرآن بالذات، ولو كان الاختلاف في أن القرآن يدعو لوحدة الألوهية، وإنسانية الرسول عيسى ابن مريم، بينما الإنجيل في يد النصارى الآن يدعو إلى «التثليث» في الألوهية و «تأليه» عيسى الرسول؟.
أليس قياس القرآن في الحكم بصحته أو بعدم صحته على الإنجيل القائم: تحزبًا للإنجيل وتحزبًا لما حرف في رسالة الله التي جاءت قبل القرآن؟ وأليس التعبير عن التحيز تعبيرًا عن رغبته؟.
[গ] কে বলে যে: ‘ক্রুসেডার রাষ্ট্র’ মুসলমানদের প্রতিটি ক্ষেত্রে বুদ্ধিজীবী, প্রভাবশালী এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের অন্তরের গভীরে তাদের দাওয়াতকে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে—যা তারা ‘রোটারি ক্লাব’ ও অন্যান্য উপায়ে সম্পন্ন করে থাকে, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে এবং অন্যদের সাথে লেনদেন, আচরণ এবং জীবন দর্শনের ক্ষেত্রে ইসলামকে এড়িয়ে চলে—তা তার ফলাফলের দিক থেকে ‘ফ্রিম্যাসনারি’-এর চেয়ে ভিন্ন কোনো মতবাদ? যদিও তাদের কর্মপন্থা ভিন্ন এবং এতে সংশ্লিষ্ট স্বার্থান্বেষী ও সুবিধাভোগী গোষ্ঠীও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
এটি প্রবৃত্তি এবং কামনা ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এর চূড়ান্ত অভিমুখ একটি অমানবিক দিক, কারণ এটি মুসলমানদের কাছে যা আছে তা খোদ মুসলমানদের সন্তুষ্টির মাধ্যমেই কেড়ে নেওয়ার অপকৌশল অবলম্বন করে। সুতরাং এটি একটি প্রতারণামূলক চাতুর্য ও কারসাজি।
[ঘ] কে বলে যে: প্রাচ্যবিদদের গবেষণা ‘বিজ্ঞান’-এর ধারণার অন্তর্ভুক্ত? তাদের এই প্রবণতাগুলো একটি বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদকে তুলে ধরে। এগুলো এমন কিছু গবেষণা যা ইসলামের মূলনীতিগুলোকে বিকৃত করার চেষ্টা করে এবং একে বিশ্বাসীদের চোখে এভাবে চিত্রিত করতে চায় যে: এটি আল্লাহর বাণীর বিরোধী। তারা আরও দাবি করতে চায় যে, কুরআনের বাহক মুহাম্মদ (সা.) যখন এটি রচনা করেন তখন তিনি সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন এবং সত্য থেকে বিমুখ হয়েছিলেন এবং এ বিষয়ে ইঞ্জিল তার বিরোধিতা করেছে?
আর ইঞ্জিলের সাথে কুরআনের বৈসাদৃশ্য কখন থেকে খোদ কুরআনের বিশুদ্ধ না হওয়ার (عدم صحة) কারণ হয়ে দাঁড়াল? যদিও এই পার্থক্যটি হলো—কুরআন উলুহিয়াতের একত্ব এবং রাসূল ঈসা ইবনে মারিয়ামের মানবত্বের আহ্বান জানায়, অথচ বর্তমানে খ্রিস্টানদের হাতে থাকা ইঞ্জিল উলুহিয়াতের ক্ষেত্রে ‘ত্রিত্ববাদ’ এবং রাসূল ঈসাকে ‘উপাস্য’ সাব্যস্ত করার আহ্বান জানায়।
বিদ্যমান ইঞ্জিলের মানদণ্ডে কুরআনের বিশুদ্ধতা (صحة) বা অশুদ্ধতা (عدم صحة) বিচার করা কি ইঞ্জিলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব এবং আল্লাহর বাণীর যা বিকৃত হয়েছে তার প্রতি পক্ষপাতিত্ব নয়—যা কুরআনের আগে অবতীর্ণ হয়েছিল? আর এই পক্ষপাতিত্ব প্রকাশ করা কি তার কুপ্রবৃত্তিরই বহিঃপ্রকাশ নয়?
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
[هـ] وما يسمى «بالإلحاد العلمي» وتعبيره عن إنكار الألوهية عن طريق ادعاء: أن المنهج العلمي يثبت: أن الله خرافة .. وأن الدين مخدر تخدر به الشعوب الكادحة (!!) عن طريق رجال الدين لحساب الأثرياء من أصحاب رؤوس الأموال، وإقطاع الأراضي الزراعية. أي منهج علمي يثبت ذلك؟ أهو منهج المادية الذي يجعل العقل تابعًا للبدن وظاهرة من ظواهره؟ فهل الله ظاهرة من ظواهر المادية وليس له وجود مستقل؟ وأية مادة هي التي تعتبر الله ظاهرة لها؟.
أهو منهج علم الاجتماع الذي يجعل الروابط بين الأفراد والمجتمع قوانين حتمية تلزم بها الأفراد؟. كما يجعل المجتمع مصدر الحركة والفاعلية في مصير الأفراد أنفسهم؟.
أي المجتمع في وجوده السابق المدعى والمستقبل عن الأفراد؟ أليس المجتمع ظاهرة تتبع الأفراد في تجمعهم وفي اتجاههم، دون أن يكون صاحب وجود مستقل؟.
وما يسمى بالمنهج العلمي في هذا المجال هو منهج الرغبة والهوى ممن هم أصحاب مصلحة في مطاردة الدين ورجاله، كي تفقد الجماهير سندها في الحياة وعندئذٍ تكون قيادتها هينة. إنه على أية حال ليس منهج الواقع والتجربة هو منهج الماركسية والغوغائية.
[و] وفي علاقة العلم والدين: يثار الادعاء بأن قضايا الدين غيبية وليست تجريبية أي لا تقع تحت إدراك الإنسان الحسي حتى يستطيع أن يخضعها للتجربة. والعلم نتيجة التجربة وحدها واليقين صفة من صفات العلم.
من قال: إن التجربة وحدها مصدر العالم؟.
[হ] তথাকথিত «বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ» এবং এর মাধ্যমে উলুহিয়্যাত বা ঈশ্বরত্ব অস্বীকার করার বিষয়টি এই দাবির মাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে: বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রমাণ করে যে: আল্লাহ একটি উপকথা.. এবং ধর্ম হলো এমন এক আফিম যা ধর্মগুরুদের মাধ্যমে পুঁজিবাদী ধনিক শ্রেণী এবং জোতদারদের স্বার্থে মেহনতি মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে (!!)। কোন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এটি প্রমাণ করে? এটি কি সেই বস্তুবাদী পদ্ধতি যা আকল বা বুদ্ধিকে শরীরের অনুগামী এবং শরীরেরই একটি বাহ্যিক প্রকাশ হিসেবে গণ্য করে? তবে কি আল্লাহ বস্তুবাদের একটি বাহ্যিক প্রকাশ মাত্র এবং তাঁর কোনো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই? আর কোন সেই বস্তু যা আল্লাহকে তার একটি প্রকাশ হিসেবে গণ্য করে?
নাকি এটি সমাজবিজ্ঞানের সেই পদ্ধতি যা ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যকার সম্পর্ককে এমন এক অনিবার্য নিয়মে পরিণত করে যার অনুসারী হতে ব্যক্তি বাধ্য হয়? যেমনটি সমাজকে ব্যক্তিদের ভাগ্যের গতি ও সক্রিয়তার উৎস বানিয়ে ফেলে?
অর্থাৎ, সমাজের সেই অস্তিত্ব যা ব্যক্তিদের পূর্ববর্তী বা পরবর্তী বলে দাবি করা হয়? সমাজ কি এমন কোনো বিষয় নয় যা ব্যক্তিদের সম্মিলন ও অভিমুখকে অনুসরণ করে গড়ে ওঠে, যার নিজের কোনো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই?
এই ক্ষেত্রে তথাকথিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি মূলত প্রবৃত্তি ও খেয়াল-খুশিরই একটি পদ্ধতি, যা সেই স্বার্থান্বেষী মহলের সৃষ্টি যারা ধর্ম ও ধর্মতত্ত্ববিদদের বিতাড়িত করতে চায়, যাতে সাধারণ মানুষ জীবনে তাদের অবলম্বন হারিয়ে ফেলে এবং তখন তাদের নেতৃত্ব দেওয়া সহজ হয়। এটি কোনোভাবেই বাস্তব ও অভিজ্ঞতার পদ্ধতি নয়, বরং এটি মার্ক্সবাদ ও হুজুগসর্বস্বতার পদ্ধতি।
[ও] বিজ্ঞান ও ধর্মের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই দাবি তোলা হয় যে, ধর্মের বিষয়াবলি হলো অদৃশ্য (غيبية) এবং তা পরীক্ষালব্ধ (تجريبية) নয়, অর্থাৎ এগুলো মানুষের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভবের আওতাভুক্ত নয় যে সেগুলোকে পরীক্ষা (تجربة) বা অভিজ্ঞতার অধীন করা যাবে। আর বিজ্ঞান কেবল পরীক্ষারই ফসল এবং সুনিশ্চিত জ্ঞান (يقين) হলো বিজ্ঞানেরই একটি বৈশিষ্ট্য।
কে বলেছে যে: কেবল পরীক্ষাই (تجربة) জগতের একমাত্র উৎস?
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
أليست «الرياضة» عِلْمًا، ومع ذلك ليست نتيجة التجربة؟ وأليس «الاجتماع» مجموعة من التجارب، ومع ذلك ليس علمًا؟ إذ هو احتمال وسيظل احتمالاً، طالما الإنسان هو الإنسان: في تفاعله مع مجتمعه، وفي تطوره مع غده.
ولكن أليس إبعاد الدين عن مجال العلم ومجال المعرفة اليقينية سبيل من سبل مطاردته في المجتمع. وسبيل آخر لإفساح مجال الحياة الإنسانية للدولة، وتطبيقه على الكنيسة في سلطتها، وعلى رجال الدين في مناقشتهم وجدلهم؟.
أليس من مصلحة السياسيين في الدولة: أن يطارد الدين في المجتمع حتى لا يكون هناك مسؤولية للخطأ والصواب، وِفْقًا لرسالة الله قائمة على وجوههم؟.
إن هناك مصلحة. وهناك هوى. وهناك رغبة في اتهام الدين بأنه يناقض العلم. وهي مصلحة رجال السياسة على الأقل، قبل غيرهم.
* * *
إن ما نسميه بالمذاهب الهدامة ليست مذاهب فكر، ومنطق، تستهدف حماية الإنسان من التلبيس والخداع. إنها بالأحرى دعوة إلى التلبيس والخداع، والغفلة:
إن أربعة من هذه الاتجاهات تدعو المسلمين إلى «العالمية» وهي: العلمانية تدعو إلى العالمية ..
والماسونية تدعو إلى العالمية ..
* * *
গণিত কি একটি বিজ্ঞান নয়, অথচ তা কি অভিজ্ঞতার ফল নয়? সমাজবিজ্ঞান কি অভিজ্ঞতারই একটি সমষ্টি নয়, তবুও তা কি বিজ্ঞান নয়? কারণ এটি কেবল একটি সম্ভাবনা (احتمال) এবং তা সম্ভাবনা (احتمال) হিসেবেই থেকে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ মানুষ হিসেবে বিদ্যমান থাকে: তার সমাজের সাথে মিথস্ক্রিয়ায় এবং ভবিষ্যতের সাথে তার বিবর্তনে।
কিন্তু বিজ্ঞান এবং সুনিশ্চিত জ্ঞানের (المعرفة اليقينية) ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে দূরে সরিয়ে দেওয়া কি সমাজ থেকে তাকে বিতাড়িত করার অন্যতম পথ নয়? আর এটি কি রাষ্ট্রের জন্য মানবিক জীবনের ক্ষেত্রকে প্রশস্ত করার এবং গির্জার কর্তৃত্বের ওপর ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গের আলোচনা ও বিতর্কের ওপর তা প্রয়োগ করার অন্য একটি পথ নয়?
রাষ্ট্রের রাজনীতিবিদদের কি এতে হীন স্বার্থ নেই যে, সমাজ থেকে ধর্মকে বিতাড়িত করা হোক, যাতে তাদের সামনে আল্লাহর বাণীর ভিত্তিতে ভুল ও সঠিকের কোনো দায়বদ্ধতা অবশিষ্ট না থাকে?
নিশ্চয়ই এখানে স্বার্থ রয়েছে, প্রবৃত্তি (هوى) রয়েছে এবং ধর্ম বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক—এমন অপবাদ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। আর এটি অন্য যে কারো চেয়ে অন্তত রাজনীতিবিদদেরই স্বার্থ।
* * *
আমরা যেগুলোকে ধ্বংসাত্মক মতবাদ (المذاهب الهدامة) বলি, সেগুলো কোনো চিন্তা বা যুক্তির মতবাদ নয় যা মানুষকে বিভ্রান্তি (التلبيس) ও প্রতারণা (الخداع) থেকে রক্ষা করার লক্ষ্য রাখে। বরং এগুলো বিভ্রান্তি (التلبيس), প্রতারণা (الخداع) এবং উদাসীনতার (الغفلة) দিকেই এক আহ্বান:
এই ধারাসমূহের মধ্যে চারটি মুসলিমদের «বিশ্বজনীনতা»-র দিকে আহ্বান জানায়, সেগুলো হলো: ধর্মনিৰপেক্ষতাবাদ যা বিশ্বজনীনতার দিকে আহ্বান জানায়..
এবং ফ্রিম্যাসোনারি যা বিশ্বজনীনতার দিকে আহ্বান জানায়..
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
والصليبية الدولية تدعو المسلمين إلى العالمية ..
والإلحاد العلمي الماركسي يدعو إلى العالمية ..
والدعوة إلى «العالمية» بين المسلمين هي دعوة لتركهم التمسك بالإسلام كإطار يجمع بين المسلمين .. هي دعوة لذوبانهم في الآخرين، وقبول قيادة الأقوياء أصحاب المصلحة في الدعوة إلى «العالمية».
واثنان من هذه الاتجاهات يشككان في الإسلام .. وينتقصان من القيم الإسلامية وهما:
«الاستشراق» يدعو إلى التشكيك، والانتقاص من القيم الإسلامية.
و «علاقة العلم بالدين»: وتدعو إلى التشكيك في المعارف الدينية .. وهي معارف الوحي الإلهي - وإلى الانتقاص من القيم الإسلامية.
والدعوة بين المسلمين إلى التشكيك في معارف الوحي الإلهي .. وإلى الانتقاص من القيم الإسلامية: هي دعوة غير مباشرة إلى ترك الإسلام، أو على الأقل إلى الغض من قيمته، والتهاون في أمره.
* * *
আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদ মুসলমানদেরকে বিশ্বায়নের দিকে আহ্বান জানাচ্ছে...
এবং বৈজ্ঞানিক মার্ক্সবাদী নাস্তিক্যবাদ বিশ্বায়নের দিকে আহ্বান জানাচ্ছে...
আর মুসলমানদের মাঝে ‘বিশ্বায়নের’ এই আহ্বান হলো ইসলামকে একটি ঐক্যবদ্ধকারী কাঠামো হিসেবে আঁকড়ে ধরার আদর্শ ত্যাগের আহ্বান। এটি মূলত অন্যদের মাঝে বিলীন হয়ে যাওয়ার এবং বিশ্বায়নের প্রবক্তা স্বার্থান্বেষী শক্তিশালী পক্ষগুলোর নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার একটি আহ্বান।
এই ধারাগুলোর মধ্যে দুটি ধারা ইসলাম সম্পর্কে সংশয় সৃষ্টি করে এবং ইসলামি মূল্যবোধকে খাটো করে দেখে; সেগুলো হলো:
‘প্রাচ্যতত্ত্ব’ সংশয় সৃষ্টি এবং ইসলামি মূল্যবোধকে অবমূল্যায়ন করার আহ্বান জানায়।
এবং ‘ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক’: এটি ধর্মীয় জ্ঞান—যা মূলত ঐশী ওহির জ্ঞান—তা নিয়ে সংশয় পোষণ করার এবং ইসলামি মূল্যবোধকে অবমূল্যায়ন করার আহ্বান জানায়।
আর মুসলমানদের মাঝে ঐশী ওহির জ্ঞান সম্পর্কে সংশয় সৃষ্টি করা এবং ইসলামি মূল্যবোধকে খাটো করে দেখার এই আহ্বান মূলত ইসলাম ত্যাগের, অথবা অন্ততপক্ষে এর গুরুত্বকে হ্রাস করার এবং এর বিধানের ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শনের একটি পরোক্ষ আহ্বান।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
مِنَ المَفْهُومِ .. إِلَى التَّطْبِيقِ:إذا كانت إحدى القوتين صاحبتي المصلحة في بقاء المسلمين ضعفاء: تنبني الدعوة إلى الماسونية، والصليبية الدولية، والأخرى تقوم على أمر الإلحاد العلمي، فإنهما مَعًا يرعيان «العلمانية» .. و «الاستشراق» .. و «علاقة العلم بالدين».
وأولى وسائل التطبيق لأي من هذه المذاهب الهدامة في مجتمع من المجتمعات الإسلامية المعاصرة، هي اختيار هذه القوة أو تلك من القوى صاحبة المصلحة في إضعاف المسلمين وإبقاء مجتمعاتهم ضعيفة، للأشخاص الوطنيين في هذه المجتمعات ومساعدتهم على تولي الوظائف القيادية: في الثقافة .. والتعليم .. والروابط الاجتماعية .. والترويج لمذهب من المذاهب الهدامة ضد الإسلام في أي مجتمع إسلامي لا يأتي من فراغ، وإنما عن طريق اختيار هؤلاء الأشخاص، الذين يخضعون لتجربة الولاء والخضوع لهذه القوة أو تلك.
وثانية الوسائل اتفاق القوى الدولية التي تتميز بالرغبة الجامحة في إضعاف المجتمعات الإسلامية أو الحرص على بقائها ضعيفة، على عدم معارضة أية قوة من هذه القوى للأخرى فيما تسلكه من طريق قد يكون عنيفًا لإخضاع هذا المجتمع أو ذاك للتعبية. فاجتماع «يالتا» أثناء الحرب العالمية الثانية قسم نفوذ القوتين العظميين اللتين دخلتا الحرب مَعًا ضد ألمانيا وإيطاليا، في عالم ما بعد الحرب والنصر .. والحرب ضد باكستان الكبرى في ديسمبر 1970 كان باتفاقهما .. ودخول السوفييت أفغانستان وإخضاعها إلى الحكم الإلحادي كان باتفاقهما كذلك، وإن كان بقاء السوفييت هناك إلى ما شاء الله: لم يكن موضع الوفاق بين القوتين العظميين!.
* * *
ধারণা থেকে .. প্রয়োগ পর্যন্ত:যদি মুসলমানদের দুর্বল করে রাখার স্বার্থসংশ্লিষ্ট শক্তিদ্বয়ের একটি ফ্রিম্যাসনারি এবং আন্তর্জাতিক ক্রুসেডীয় চেতনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, আর অন্যটি বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে তারা উভয়ই সম্মিলিতভাবে «ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ» .. «প্রাচ্যতত্ত্ব» .. এবং «বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের সম্পর্ক»-এর মতো বিষয়গুলোকে লালন করে।
সমসাময়িক কোনো মুসলিম সমাজে এই ধ্বংসাত্মক মতাদর্শগুলোর যেকোনোটি প্রয়োগের প্রথম উপায় হলো—মুসলমানদের দুর্বল রাখা এবং তাদের সমাজকে হীনবল করে রাখার স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই শক্তিগুলো কর্তৃক ওই সমাজেরই কিছু স্থানীয় ব্যক্তিকে নির্বাচন করা এবং তাদের নেতৃত্বস্থানীয় পদে আসীন হতে সহায়তা করা: যেমন সংস্কৃতি .. শিক্ষা .. এবং সামাজিক বন্ধনসমূহের ক্ষেত্রে। কোনো মুসলিম সমাজে ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো ধ্বংসাত্মক মতাদর্শের প্রচার শূন্য থেকে আসে না; বরং তা আসে সেইসব ব্যক্তিদের নির্বাচনের মাধ্যমে, যারা সংশ্লিষ্ট শক্তির প্রতি আনুগত্য ও বশ্যতা প্রদর্শনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।
দ্বিতীয় উপায়টি হলো আন্তর্জাতিক শক্তিসমূহের মধ্যকার পারস্পরিক ঐকমত্য, যারা মুসলিম সমাজগুলোকে দুর্বল করার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় বা তাদের দুর্বল করে রাখতে বদ্ধপরিকর। এই ঐকমত্যের ভিত্তি হলো—কোনো সমাজকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করার জন্য কোনো শক্তি যদি কোনো সহিংস পথও অবলম্বন করে, তবে অন্য কোনো শক্তি তার বিরোধিতা করবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন «ইয়াল্টা সম্মেলন» যুদ্ধ-পরবর্তী এবং বিজয়াভিমুখী বিশ্বে জার্মানি ও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত দুই বৃহৎ শক্তির প্রভাববলয় ভাগ করে দিয়েছিল। ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে বৃহত্তর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধও ছিল তাদের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে। একইভাবে আফগানিস্তানে সোভিয়েতদের প্রবেশ এবং দেশটিকে নাস্তিক্যবাদী শাসনের অধীনে নিয়ে আসাও ছিল তাদের চুক্তিরই অংশ, যদিও সেখানে সোভিয়েতদের অনির্দিষ্টকাল অবস্থান দুই বৃহৎ শক্তির মধ্যে সমঝোতার বিষয় ছিল না!
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
•
فِي مَفْهُومِ العِلْمَانِيَّةِ .. وَفِي تَطْبِيقِهَا:يؤول مفهومها إلى «الفصل» بين سلطتين، إحداهما دينية، والأخرى دنيوية أو الفصل بين حكومتين: حكومة الكنيسة. وحكومة الدولة، وحكومة الكنيسة هي حكومة إلهية معصومة عن الخطأ. لأن «بَابَا» الكنيسة عندما ينصب عليها تحل فيه «روح المسيح» وهو ابن الله في اعتقاد طائفة من المسيحيين .. بينما حكومة الدولة هي حكومة بشرية تصيب وتخطأ .. وهي عندئذٍ ليست لها عصمة.
ومعنى الفصل بين السلطتين: أن كل سلطة لها الحرية في التصرف، ودون معارضة من السلطة الأخرى، فالكنيسة لها الرأي الأول في شؤون الأسرة: في التعميد .. وفي الزواج .. وفي الحكم بإلغاء الزواج .. وفي الوفاة ومراسيمه. والدولة الزمنية لها الحرية في التعليم .. وفي التشريع .. وفي الاقتصاد .. وفي الشؤون السياسية .. وفي فرض الضرائب وجبايتها .. وفي إعلان الحرب وقبول السلام
… إلخ.
والكنيسة عندئذٍ إن مارست السياسة تمارسها من وراء ستار .. بأن تساعد حزبًا سياسيًا معينًا. كالحزب الديمقراطي المسيحي. وإن مارست التعليم ففي مدارس دينية معينة كمدارس الجزويت .. والغرير، وبدون مساعدة مادية من الدولة .. وهكذا.
وهذا الفصل بين السلطتين في الساحة الغربية جر إليه خلافهما وطول الخصومة بينهم. ومع هذا الفصل فإن السطلة الزمنية أو سلطة الدولة السياسية لا تتباطأ في تقديم الديبلوماسية للكنيسة كلما طلب منها. ولذا نفوذ الكنيسة على السلطة السياسية
ধর্মনিরপেক্ষতার (العلمانية) ধারণা এবং এর প্রয়োগ প্রসঙ্গে:এর ধারণাটি মূলত দুটি কর্তৃপক্ষের মধ্যে ‘বিভেদ’ বা ‘বিচ্ছিন্নতা’ নির্দেশ করে; যার একটি ধর্মীয় এবং অন্যটি জাগতিক (دنيوية)। অথবা এটি দুটি সরকারের মধ্যে বিভাজন: গির্জা সরকার ও রাষ্ট্র সরকার। গির্জা সরকার হলো একটি ঐশী সরকার যা ভুল-ত্রুটি থেকে মুক্ত বা নিষ্পাপ (معصوم)। কারণ, গির্জার ‘পোপ’ যখন এই পদে আসীন হন, তখন খ্রিস্টানদের একটি সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী তাঁর মধ্যে ‘মসিহের আত্মা’ আবিষ্ট হয়, যিনি তাদের বিশ্বাসমতে আল্লাহর পুত্র... পক্ষান্তরে, রাষ্ট্র সরকার হলো একটি মানবীয় সরকার যা সঠিক সিদ্ধান্তও নিতে পারে আবার ভুলও করতে পারে; ফলে তার কোনো অভ্রান্ততা বা নিষ্পাপত্ব (عصمة) নেই।
দুই কর্তৃপক্ষের বিভাজনের অর্থ হলো: প্রতিটি কর্তৃপক্ষের স্বীয় কর্মপরিধিতে স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার থাকবে এবং এক পক্ষ অন্য পক্ষের কাজে বাধা প্রদান করবে না। পারিবারিক বিষয়াবলিতে গির্জার সিদ্ধান্তই প্রধান বলে গণ্য হয়: যেমন ব্যাপ্টজম (দীক্ষাস্নান), বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং মৃত্যু ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার-অনুষ্ঠান। অন্যদিকে, পার্থিব রাষ্ট্রের স্বাধীনতা থাকে শিক্ষা, আইন প্রণয়ন, অর্থনীতি, রাজনৈতিক বিষয়াবলি, কর আরোপ ও আদায় এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও শান্তিচুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে
… ইত্যাদি।
এমতাবস্থায় গির্জা যদি রাজনীতি চর্চা করে, তবে তা পর্দার আড়াল থেকেই করে থাকে; যেমন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করার মাধ্যমে—উদাহরণস্বরূপ ‘ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’। আর যদি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে তা নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করে থাকে, যেমন জেসুইট স্কুল ও গালিল স্কুলসমূহ; এবং তা রাষ্ট্রের কোনো আর্থিক সহযোগিতা ছাড়াই সম্পন্ন হয়—এভাবেই সব চলে।
পাশ্চাত্য ভূখণ্ডে এই দুই কর্তৃপক্ষের মধ্যকার বিভাজন তাদের মধ্যকার দীর্ঘকালীন বিরোধ ও দ্বন্দ্বের ফসল। তবে এই বিভাজন থাকা সত্ত্বেও, পার্থিব কর্তৃপক্ষ বা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক শক্তি গির্জাকে কূটনৈতিক সহায়তা প্রদানে কোনো বিলম্ব করে না যখনই তার নিকট তা চাওয়া হয়। এর ফলেই রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের ওপর গির্জার প্রভাব বজায় থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
في أوروبا طوال القرون الصلييبية الثلاثة لم يضعف بعد الفصل بين السلطتين إلا في ظاهر الأمر فقط. ولم تزل الكنيسة ذات تأثير قوي، عن طريق الأحزاب الديمقراطية المسيحية في العالم الكاثوليكي كله.
والشرق الإسلامي عندما جاءه الاستعمار الغربي (1)، على الأخص، منذ القرن التاسع عشر: فرض العلمانية في المجتمعات الإسلامية: فرضتها هولندا .. والبرتغال .. وإنجلترا .. وفرنسا، بمفهوم يغاير مفهوم الفصل بين سلطتين. وهو مفهوم «إبعاد الدين» عن الدولة. أي إبعاد الإسلام عن الحكم وشؤونه، إذ ليس في الإسلام مكان للسلطتين، ولا لحكومتين. فسلطة الحكم في الإسلام سلطة واحدة تعمل بكتاب الله وسنة رسوله عليه السلام. وهي سلطة غير معصومة عن الخطأ. لأنها سلطة بشرية وتظل بشرية رغم أنها تستند في الحكم إلى القرآن، والسنة الصحيحة.
في تطبيق العلمانية:
وهنا يأتي دور التطبيق للعلمانية، وهي إبعاد الإسلام عن الدولة وشؤونها .. ويسعي القوي - وهو الأجنبي، عن طريق أصحاب النفوذ في نظام الحكم القائم في المجتمع الإسلامي - إلى ازدواج التعليم ما بين ديني، ومدني .. وازدواج القضاء ما بين شرعي وأهلي أو مدني، في أولى مراحل تطبيق العلمانية.
تكون هناك مدارس أو معاهد ابتدائية وثانوية للتعليم الوطني أو الديني الإسلامي، كما تكون هناك مدارس ابتدائية وثانوية للتعليم المدني وتقوم هناك بعض الجامعات على أساس علماني: أي في السعودية،
--------------------------------------------
ইউরোপে তিনটি ক্রুসেডীয় শতাব্দী জুড়ে দুই ক্ষমতার মধ্যকার বিভাজন কেবল বাহ্যিকভাবেই দুর্বল হয়েছিল। আর সমগ্র ক্যাথলিক বিশ্বে খ্রিস্টান ডেমোক্র্যাটিক দলগুলোর মাধ্যমে গির্জার শক্তিশালী প্রভাব অব্যাহত ছিল।
আর ইসলামি প্রাচ্যে যখন পশ্চিমা ঔপনিবেশিকতা (১) এসেছিল, বিশেষ করে উনবিংশ শতাব্দী থেকে: মুসলিম সমাজগুলোতে ধর্মনিরপেক্ষতা চাপিয়ে দেওয়া হয়: হল্যান্ড, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স এটি এমন এক ধারণার ভিত্তিতে চাপিয়ে দিয়েছিল যা দুই ক্ষমতার বিভাজনের ধারণা থেকে ভিন্ন ছিল। আর সেটি হলো রাষ্ট্র থেকে ‘ধর্মকে দূরে রাখার’ ধারণা। অর্থাৎ শাসন ব্যবস্থা ও এর কার্যাবলি থেকে ইসলামকে দূরে রাখা; কেননা ইসলামে দুই ক্ষমতার বা দুই সরকারের কোনো স্থান নেই। ইসলামে শাসন ক্ষমতা হলো একটিই, যা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসুলের (আলাইহিস সালাম) সুন্নাহ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। আর এই ক্ষমতা ভুলভ্রান্তিমুক্ত (معصومة) নয়। কারণ এটি একটি মানবীয় কর্তৃত্ব এবং এটি মানবীয়ই থাকে, যদিও এটি শাসনের ক্ষেত্রে কুরআন ও সহিহ (صحيحة) সুন্নাহর ওপর ভিত্তি করে।
ধর্মনিরপেক্ষতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে:
এখানেই ধর্মনিরপেক্ষতা প্রয়োগের বিষয়টি আসে, যা হলো রাষ্ট্র ও তার কর্মকাণ্ড থেকে ইসলামকে সরিয়ে দেওয়া। শক্তিশালী পক্ষ—অর্থাৎ বিদেশি শক্তি, মুসলিম সমাজে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে—ধর্মনিরপেক্ষতা প্রয়োগের প্রাথমিক পর্যায়ে ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার মাঝে দ্বৈততা এবং শরিয়াহ ও দেওয়ানি বা নাগরিক বিচারব্যবস্থার মাঝে দ্বৈততা সৃষ্টির চেষ্টা করে।
সেখানে জাতীয় বা ইসলামি ধর্মীয় শিক্ষার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউট থাকে, পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার জন্যও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থাকে এবং কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়: অর্থাৎ সৌদি আরবে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
أو القرويين في الرباط، أو الزيتونة في تونس والبيضاء في ليبيا، على أساس وطني أو إسلامي تراعى فيها المواد الإسلامية والعربية وتقل فيها الدراسات الإنسانية، وتختفي منها الرياضة، والعلوم التجريبية والطبيعية.
وفي المرحلة الثانية لتطبيق العلمانية في دائرة التعليم تعمل القوى الأجنبية على إضافة المواد الإنسانية، والرياضية، والطبيعية إلى مناهج المدارس أو المعاه الدينية دون أن تضيف المواد العربية أو الإسلامية إلى مناهج المدارس المدنية. كما تحاول إلغاء الجامعات الدينية وتحويل مواد الدراسة فيها إلى كلية تنشئها باسم كلية الدراسات الإسلامية والعربية تضاف إلى كليات الجامعة المدنية أو العلمانية. كما تم في إلغاء جامعة البيضاء الإسلامية، وضم الدراسة فيها إلى جامعة بني غازي المدنية .. وفي إلغاء جامعة القرويين وضم الدراسة فيها إلى جامعة الرباط المدنية .. وفي إلغاء جامعة الزيتونة وضم الدراسة فيها إلى جامعة تونس المدنية والعلمانية. وقد كانت هذه المحاولة في مصر بالنسبة للأزهر، ولكنها لم تقم حتى الآن.
وكذلك - في المرحلة الأولى للعلمانية - ينوع القضاء، فتقام بعض المحام المدنية بجانب المحاكم الشرعية، على أن تحل المحاكم المدنية تدريجيًا محل المحاكم الشرعية، إلى أن يلغى هذا النوع الأخير، كما ألغي في مصر على يد وزير العدل أحمد حسني على عهد ما يسمى بالثورة المصرية. وكما ألغي في تونس، وفي مجتمعات إسلامية أخرى.
وعلى أن يحل القانون الوضعي محل الشريعة الإسلامية، رغم أنه قد ينص في بعض دساتير المجتمعات الإسلامية على أن الشريعة الإسلامية
অথবা রিবাতের কারাউইয়িন, কিংবা তিউনিসিয়ার জাইতুনা এবং লিবিয়ার বায়দা; যেগুলো জাতীয় অথবা ইসলামি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে ইসলামি ও আরবি বিষয়াবলি গুরুত্ব পায় এবং মানবিক বিদ্যা সংকুচিত হয়, আর সেখান থেকে গণিত এবং পরীক্ষামূলক ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানসমূহ বিলুপ্ত হয়ে যায়।
শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রয়োগের দ্বিতীয় ধাপে, বিদেশি শক্তিগুলো ধর্মীয় বিদ্যালয় বা মাদরাসাগুলোর পাঠ্যক্রমে মানবিক বিদ্যা, গণিত এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানসমূহ অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু বেসামরিক বিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে আরবি বা ইসলামি বিষয়াবলি যুক্ত করে না। একইভাবে তারা ধর্মীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিলুপ্ত করার এবং সেগুলোর পাঠ্য বিষয়গুলোকে একটি অনুষদে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করে, যা তারা ‘ইসলামিক ও অ্যারাবিক স্টাডিজ ফ্যাকাল্টি’ নামে প্রতিষ্ঠা করে এবং বেসামরিক বা ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদগুলোর সাথে যুক্ত করে দেয়। যেমনটি লিবিয়ার বায়দা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় বিলুপ্ত করে তার শিক্ষা কার্যক্রমকে বেনগাজি বেসামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে করা হয়েছে... এবং কারাউইয়িন বিশ্ববিদ্যালয় বিলুপ্ত করে তার শিক্ষা কার্যক্রমকে রিবাত বেসামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে... এবং জাইতুনা বিশ্ববিদ্যালয় বিলুপ্ত করে তার শিক্ষা কার্যক্রমকে তিউনিসিয়ার বেসামরিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে। মিসরের আল-আজহারের ক্ষেত্রেও এই প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তবে তা এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।
একইভাবে—ধর্মনিরপেক্ষতার প্রথম পর্যায়ে—বিচার ব্যবস্থাকে বহুমুখী করা হয়; ফলে শরিয়া আদালতগুলোর পাশাপাশি কিছু বেসামরিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়, এই উদ্দেশ্যে যে পর্যায়ক্রমে বেসামরিক আদালতগুলো শরিয়া আদালতগুলোর স্থলাভিষিক্ত হবে এবং শেষ পর্যন্ত শরিয়া আদালত ব্যবস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। যেমনটি মিসরে তথাকথিত মিসরীয় বিপ্লবের আমলে বিচারমন্ত্রী আহমদ হুসনির হাত ধরে বিলুপ্ত হয়েছিল। তিউনিসিয়া এবং অন্যান্য ইসলামি সমাজেও এটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এবং ইসলামি শরিয়ার পরিবর্তে মানবরচিত আইন কার্যকর করা হয়, যদিও কিছু ইসলামি সমাজের সংবিধানে এমন ধারা থাকতে পারে যে ইসলামি শরিয়া
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
مرجع رئيسي أو المرجع الرئيسي للتشريع، بينما قد ينض في البعض الآخر بدلاً عن ذلك: بأن اسم الدولة: مسلم.
وتدريجيًا يخف الرجوع إلى التراث الإسلامي والمصادر الإسلامية ويتجه الاعتماد على ما للغرب من: ثقافة .. وتشريع .. وتخطيط في البحث والتعليم. وبذلك يضعف استقلال المجتمعات الإسلامية، بينما تشتد تبعيتها لصاحب القوة في التوجيه، وصاحب المصلحة في إضعاف استقلال المجتعات الإسلامية.
وقوة معاول الهدم، تحت تأثير العلمانية، يوجهها القوي صاحب المصلحة في إضعاف المسلمين اليوم: إلى «الأحوال الشخصية» .. تحت ستار: «تحرير المرأة» .. وقد نالت هذه المعاول فعلاً من هدم هذا الركن الباقي علميًا في المجتمعات الإسلامية، فألغى تعدد الزوجات أو قيده بما يخرجه عن كونه «رخصة» ويجعله مصدر ضرر .. وقيدت ولاية الرجل على المرأة بما يسلب هذه الولاية منه عند خروج الزوجة إلى العمل خارج المنزل، فلها وحدها حق اختيار العمل وحق الخروج إليه دون حاجة إلى إذن الزوج، رغم عدم الحاجة إلى إذنه فإنه هو ملزم بالإنفاق عليها، ولو كان عملها لا يتم إلا بالاختلاط مع غير المحارم .. ولو كان علمها بالليل أو على حساب رعاية الأولاد.
ودفع حركة تحرير المرأة إلى الخروج عن المسار الإسلامي الصحيح ليس عن طريق العلمانية وحدها، وإنما عن طريق الصليبية الدولية، والإلحاد العلمي كذلك. فلا بأس من أن تعين المرأة سفيرة .. ورئيسة مجلس إدارة لهيئة من هيئات النشر الحكومية .. ورئيس لبعض أجهزة الإعلام الرئيسية .. وَهَلُمَّ جَرًّا .. ولا بأن تتبنى
প্রধান উৎস অথবা বিধান প্রণয়নের (تشريع) প্রধান উৎস, পক্ষান্তরে অন্য কিছুতে এর পরিবর্তে বর্ণিত থাকতে পারে যে: রাষ্ট্রের নাম: মুসলিম।
এবং ধীরে ধীরে ইসলামি ঐতিহ্য (التراث الإسلامي) ও ইসলামি উৎসসমূহের (المصادر الإسلامية) দিকে প্রত্যাবর্তন হ্রাস পেতে থাকে এবং নির্ভরতা বৃদ্ধি পায় পশ্চিমাদের সংস্কৃতি, বিধান প্রণয়ন (تشريع) এবং গবেষণা ও শিক্ষার পরিকল্পনার ওপর। এর ফলে ইসলামি সমাজগুলোর স্বাধীনতা দুর্বল হয়ে পড়ে, পক্ষান্তরে দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে ক্ষমতাধরদের প্রতি এবং ইসলামি সমাজগুলোর স্বাধীনতাকে দুর্বল করার স্বার্থান্বেষীদের প্রতি তাদের পরাধীনতা তীব্রতর হয়।
আর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের (العلمانية) প্রভাবে ধ্বংসাত্মক হাতিয়ারগুলোর শক্তিকে বর্তমান সময়ে মুসলিমদের দুর্বল করতে আগ্রহী ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা ‘ব্যক্তিগত অবস্থা’ বা পারিবারিক আইনের (الأحوال الشخصية) দিকে নিবদ্ধ করে, যা ‘নারী মুক্তি’র আবরণে করা হয়। এই ধ্বংসাত্মক হাতিয়ারগুলো বাস্তবে ইসলামি সমাজগুলোতে জ্ঞানগতভাবে (علمياً) টিকে থাকা এই অবশিষ্ট রুকনটিকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে; ফলে বহুবিবাহ (تعدد الزوجات) প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছে অথবা এটিকে এমনভাবে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে যা একে ‘বৈধ সুযোগ’ (رخصة) হওয়ার গণ্ডি থেকে বের করে দেয় এবং একে ক্ষতির উৎসে পরিণত করে। এছাড়া নারীর ওপর পুরুষের অভিভাবকত্বকে (ولاية) এমনভাবে সীমিত করা হয়েছে যা স্ত্রীর ঘরের বাইরে কাজে বের হওয়ার সময় পুরুষের কাছ থেকে এই অভিভাবকত্ব ছিনিয়ে নেয়। ফলে কর্মক্ষেত্র নির্বাচন এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকেই সেখানে যাওয়ার একমাত্র অধিকার স্ত্রীর থাকে। স্বামীর অনুমতির প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও স্বামী তার ভরণপোষণ (الإنفاق) দিতে বাধ্য থাকে, এমনকি যদি তার কাজ গায়র-মাহরামদের (غير المحارم) সাথে অবাধ মিশ্রণ (الاختلاط) ছাড়া সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, কিংবা যদি তার কাজ রাতের বেলায় হয় অথবা সন্তানদের লালন-পালনের বিনিময়ে হয়।
আর নারী মুক্তি আন্দোলনকে সঠিক ইসলামি পথ থেকে বিচ্যুত করার এই প্রয়াস কেবল ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের (العلمانية) মাধ্যমেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদ এবং বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের (الإلحاد العلمي) মাধ্যমেও পরিচালিত হচ্ছে। এতে কোনো সমস্যা নেই যে একজন নারীকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে, অথবা সরকারি কোনো প্রকাশনা সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের প্রধান করা হবে, কিংবা প্রধান কিছু গণমাধ্যমের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে—এভাবে আরও অনেক কিছু; এবং এতেও কোনো বাধা নেই যে গ্রহণ করবে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
في تلك الوظائف الرئيسية: الدعوة بقوة إلى تحديد النسل .. وإلى أن تمكن البنت من حريتها - كما يقال - في اختيار الزوج وإن خالف رأي الوالدين في الأسرة، وإن خالف جميع التقاليد التي تجعل من الأسرة وحدة متماسكة.
* * *
•
في مفهوم الماسونية:والماسونية: أو البناءون الأحرار أقيم كيانها في لندن 1717، وفي ألمانيا 1937. وهي هيئة واسعة الانتشار، ونظامها نظام سري ويتعاون أعضاؤها على تحقيق هدفها وعلى مساعدة بعضهم بعضًا. وتخضع للنفوذ اليهوي، وتسيطر العقلية اليهودية العالمية على توجيهها. وكانت ممنوعة في ألمانيا على عهد الاشتراكية الوطنية، بسبب نفوذ اليهود فيها.
وهي متغلغلة في الأوساط الاقتصادية في المجتمعات العالمية. وللسرية التامة في نظامها تتم معاونة الأعضاء بعضهم لبعض بدون أن يحس العضو أن واحدًا معينًا أو بعض أشخاص من الأعضاء قاموا بأداء المساعدة.
والهدف من هذه الجمعية حمل الأعضاء على أن يمارسوا نشاطهم داخل إطار «العالمية» غاضين النظر عن التعاليم الدينية الخاصة بالوطن الذي يعيشون فيه، وعن الصفات الوطنية أو القبلية أو العنصرية. إذ «العالمية» لا تفرق بين إنسان وآخر في الوظيفة ولا تنظر
সেই প্রধান কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে: জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রতি জোরালো আহ্বান... এবং কন্যা সন্তানকে স্বামী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার স্বাধীনতার সুযোগ করে দেওয়া—যেমনটা বলা হয়ে থাকে—যদিও তা পরিবারের পিতামাতার মতের পরিপন্থী হয় এবং এমন সমস্ত ঐতিহ্যের বিরোধী হয় যা একটি পরিবারকে একটি সংবদ্ধ একক হিসেবে গড়ে তোলে।
* * *
•
ফ্রিম্যাসনরির ধারণার বিষয়ে:ফ্রিম্যাসনরি: বা ‘মুক্ত রাজমিস্ত্রি’, এর ভিত্তি স্থাপিত হয় ১৭১৭ সালে লন্ডনে এবং ১৯৩৭ সালে জার্মানিতে। এটি একটি সুদূরপ্রসারী সংস্থা এবং এর পদ্ধতি হলো অত্যন্ত গোপনীয়। এর সদস্যরা তাদের লক্ষ্য অর্জনে এবং একে অপরকে সাহায্য করার জন্য পরস্পরকে সহযোগিতা করে। এটি ইহুদি প্রভাবের অধীন এবং বিশ্ব ইহুদি মানসিকতা এর দিকনির্দেশনা নিয়ন্ত্রণ করে। জাতীয় সমাজতন্ত্রের আমলে ইহুদিদের প্রভাবের কারণে এটি জার্মানিতে নিষিদ্ধ ছিল।
এটি বিশ্ব সমাজের অর্থনৈতিক অঙ্গনগুলোতে গভীরভাবে অনুপ্রবেশ করেছে। এর পদ্ধতির পূর্ণ গোপনীয়তার কারণে সদস্যরা একে অপরকে এমনভাবে সাহায্য করে যে, সংশ্লিষ্ট সদস্য টেরও পায় না যে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ তাকে এই সাহায্য করেছেন।
এই সমিতির লক্ষ্য হলো সদস্যদেরকে ‘বিশ্বজনীনতা’র কাঠামোর মধ্যে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে প্ররোচিত করা, যেখানে তারা যে দেশে বাস করে সেই দেশের বিশেষ ধর্মীয় শিক্ষা এবং জাতীয়, গোত্রীয় বা জাতিগত বৈশিষ্ট্যের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না। কেননা এই ‘বিশ্বজনীনতা’ পেশাগত ক্ষেত্রে একজনের সাথে অন্যজনের কোনো পার্থক্য করে না এবং দেখে না...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
عند الاختيار إلى عنصره وموطنه، وبالأخص في الوظائف الدولية إذ لا مانع - وليست هناك فضاضة أيضًا - في أن يتولى يهودي في مؤسسة دولية مصلحة أي بلد عربي أو إسلامي طالما هذا اليهودي يحمل جواز سفر من الدولة التي يمثلها.
وكلما استع نطاق «العالمية» وانتشر مفهومها الواسع بين الأعضاء، وفي الأعمال التي يؤدونها تحت هذا المفهوم: كلما خف الضغط الوطني في أي مجتمع في نظرته إلى اليهودية كأقلية منبوذة في المجتمع. فالمعروف أن هجرة اليهود من كنعان بعد اضطهاد الرومان لهم جعلتهم أقليات مختلفة في روسيا، وفي أوروبا الشرقية، أو البلقان. ولم يكن لهم استقرار في الأوطان التي هاجروا إليها، بسبب نظرة الوطنيين إليهم، وهي نظرة تنطوي على التحقير والازدراء بهم. وهذه النظرة كانت تدفع الأقليات اليهودية في أي مجتمع إما إلى التسرب إلى مجتمع آخر تقل فيه نظرة الاحتقار .. وإما إلى جمع المال عن طريق الربا والتجارة .. وإما إلى تحصيل المعرفة. فإذا حصل بعضهم ثروة كبيرة، أو حصل معرفة واسعة أمكنه أن يعيش بين الوطنيين دون أن يحس باحتقارهم وازدرائهم به.
ومن هنا كان اليهود فيما بعد من أصحاب رؤوس الأموال في الصناعة بعد الثورة الصناعية، كما كانوا أصحاب علم في الجامعات الأوروبية، ولم تزل لهم سيادة في هذه المجتمعات: إما عن طريق المال، أو طريق العلم.
وبجانب تفكير العقلية اليهودية العالمية في تحصيل المال، والعلم،
পছন্দের ক্ষেত্রে যখন নিজস্ব মূল জাতিসত্তা ও স্বদেশের প্রসঙ্গ আসে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, তখন কোনো বাধা নেই - এবং এতে কোনো কুণ্ঠাবোধও নেই - যে একজন ইহুদি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় কোনো আরব বা ইসলামি রাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় পরিচালনা করবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই ইহুদি ব্যক্তিটি যে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছে তার পাসপোর্ট বহন করবে।
‘আন্তর্জাতিকতা’-এর পরিধি যত বিস্তৃত হবে এবং এর ব্যাপক ধারণা সদস্যবৃন্দের মাঝে ও এই ধারণার অধীনে তারা যে কাজগুলো সম্পাদন করে তার মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে, কোনো সমাজের জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে ইহুদিদের একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসেবে দেখার যে জাতীয় চাপ রয়েছে, তা ততই হ্রাস পাবে। এটি সুবিদিত যে, রোমানদের নিপীড়নের পর কেনান থেকে ইহুদিদের হিজরত তাদের রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ বা বলকান অঞ্চলে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত করেছিল। তারা যেসব দেশে হিজরত করেছিল সেখানে তাদের কোনো স্থায়িত্ব ছিল না, কারণ দেশীয় জনগণের তাদের প্রতি একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ছিল; যা ছিল ঘৃণা ও অবজ্ঞাপূর্ণ। আর এই দৃষ্টিভঙ্গিই যেকোনো সমাজের ইহুদি সংখ্যালঘুদের বাধ্য করত হয় এমন অন্য কোনো সমাজে চলে যেতে যেখানে ঘৃণার দৃষ্টি কম, অথবা সুদ ও ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে, কিংবা জ্ঞান অর্জন করতে। ফলে তাদের কেউ যখন বিপুল সম্পদের মালিক হতো বা ব্যাপক জ্ঞান অর্জন করত, তখন সে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হওয়া ছাড়াই দেশীয় জনগণের মাঝে বসবাস করতে সক্ষম হতো।
এখান থেকেই পরবর্তীতে শিল্প বিপ্লবের পর ইহুদিরা শিল্পের পুঁজিদারে পরিণত হয়, ঠিক যেমন তারা ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষিত হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এই সমাজগুলোতে তাদের আধিপত্য বজায় রয়েছে: হয় অর্থের মাধ্যমে, না হয় জ্ঞানের মাধ্যমে।
অর্থ ও জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ইহুদি মানসিকতার চিন্তাধারার পাশাপাশি,
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
انبثق عنها تفكير آخر، وهو تحطيم الروابط التي تفرق بين الوطنيين في أي مجتمع وبينهم كأقلية نازحة إلى هذا المجتمع أو ذاك. وأقوى رابط بين هذه الروابط كان الدين، أو بعبارة أخرى كانت المسيحية .. فإذا أضعفت المسيحية أو تلاشت لم تكن هناك في المجتمع أكثرة مسيحية وأقلية يهودية، ولم يكن من المنتظر في غد أن تظل نظرة التحقير إلى اليهود.
ومن أجل توهين روابط الدين بين الأكثرية في المجتمعات الأوروبية كان التشجيع على العلمانية في الدول الرأسمالية .. والتشجيع على الإلحاد العلمي في الدول الماركسية أو الاشتراكية، إذ أن كلاً من العلمانية والإلحاد العلمي يدفع إلى «العالمية» وزوال حدود الوطنية والعنصرية والشعوبية .. الخ. ثم كانت الماسونية في نظامها السري الرهيب.
وإذن العقلية اليهودية هي عقلية علمانية .. وعقلية الاشتراكية أو الماركسية .. وعقلية الماسونية، والغريب أن نظام الماسونية نظام نافذ، ومقاومته صعب في تتبعه، إذ يبدو للأعضاء أن كل عضو يفعل ما يراد منه دون أن يعرف شخص آخر ماذا يصنع؟ ولحساب من؟ فهو «حُرٌّ» من غير رقابة، كما يعتقد!.
في تطبيق الماسونية:
وفي تطبيق هذا الاتجاه يحاول الأقوياء من الأجانب الحريصون على نشره في المجتمعات الإسلامية أن يضعوا الأشخاص «المناسبين» من الوطنيين في مراكز القيادة في الاقتصاد بالذات، وفي التوجيه الإعلامي والسياسي، وبطرق غير مباشرة «يتوسط» ممثلو هؤلاء
এ থেকে অন্য এক চিন্তাধারা উদ্ভূত হয়েছে, আর তা হলো সেই বন্ধনগুলোকে ধ্বংস করা যা কোনো সমাজের মূল নাগরিক এবং সেই সমাজে স্থানান্তরিত সংখ্যালঘু হিসেবে তাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে। এই বন্ধনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বন্ধন ছিল ধর্ম, অন্য কথায় খ্রিস্টধর্ম। ফলে খ্রিস্টধর্ম যদি দুর্বল হয়ে পড়ে বা বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে সমাজে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং ইহুদি সংখ্যালঘুতা আর অবশিষ্ট থাকবে না, আর ভবিষ্যতে ইহুদিদের প্রতি অবজ্ঞার দৃষ্টি বজায় থাকবে বলেও আশা করা যাবে না।
ইউরোপীয় সমাজগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মধ্যে ধর্মের বন্ধন শিথিল করার উদ্দেশ্যে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলোতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং মার্ক্সবাদী বা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে বৈজ্ঞানিক নাস্তিকতাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। কারণ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বৈজ্ঞানিক নাস্তিকতা উভয়ই 'বিশ্বজনীনতা' এবং জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ ও গোষ্ঠীবাদের সীমানা বিলুপ্তির দিকে ধাবিত করে। এরপর এলো তার ভয়ংকর গোপনীয় কাঠামোর ফ্রিম্যাসনারি।
সুতরাং ইহুদি মানসিকতা হলো একটি ধর্মনিরপেক্ষ মানসিকতা, এটি সমাজতন্ত্র বা মার্ক্সবাদের মানসিকতা এবং ফ্রিম্যাসনারির মানসিকতা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, ফ্রিম্যাসনারি ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর এবং এর গতিপ্রকৃতি অনুসরণ করে একে প্রতিরোধ করা কঠিন। কারণ এর সদস্যদের কাছে মনে হয় যে, প্রতিটি সদস্য তাকে যা করতে বলা হয়েছে তাই করছে, অথচ অন্য কেউ জানে না সে কী করছে এবং কার স্বার্থে করছে। সে মনে করে যে, সে কোনো তদারকি ছাড়াই 'মুক্ত'।
ফ্রিম্যাসনারি প্রয়োগের ক্ষেত্রে:
এই ধারা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মুসলিম সমাজগুলোতে এটি ছড়িয়ে দিতে আগ্রহী শক্তিশালী বিদেশিরা সুনির্দিষ্টভাবে অর্থনীতির নেতৃত্বের স্থানগুলোতে এবং গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে নাগরিকদের মধ্য থেকে 'উপযুক্ত' ব্যক্তিদের বসানোর চেষ্টা করে। পরোক্ষভাবে এই বিদেশিদের প্রতিনিধিরা মধ্যস্থতা করে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الأقوياء لدى بعض رجال الحكم، عند منح قروض أو مساعدات اقتصادية لشأن من شؤون الدولة: في ترقية بعض «المناسبين» من الوطنيين في هذا المجال .. أو في ذاك.
* * *
•
فِي مَفْهُومِ الصَّلِيبِيَّةِ الدَّوْلِيَّةِ:والصليبية الدولية هي عودة العالم المسيحي المعاصر عن طريق الديبلوماسية والأسالي الهادئة غير المباشرة إلى ممارسة الحروب الصليبية ضد الإسلام، انتقامًا منه، ومحاولة لإبقاء المسلمين ضعفاء، والفصل بين الكنيسة والدولة ليس له واقع عملي ضد تحقيق رغبات الكنيسة. فإذا كانت الكنيسة في القرون الثلاثة التي دفعت فيها أوروبا إلى إعلان العداء والحرب ضد المسلمين في ديارهم باسم الحروب الصليبية، تولت زعامة هذه الحروب صريحًا وعلانية، فإنها بعد اتفاق الفصل بين السلطتين ظلت صاحبة التوجيه لتيار الكثلكة في العالم جميعه، وأصبحت ديبلوماسية الدول المسيحية المعاصرة في خدمة هذا التوجيه، ويرى شأن هذه الديبلوماسية وتآزرها عند ما يحدث من نقد أو إجراء عملي ضد التبشير .. أو عند ما يحدث من كشف لبعض أسرار العمل المسيحي في إفريقيا وآسيا، في مجتمع من المجتمعات الإسلامية المعاصرة، والتآزر ليس بين سفارات الدول الكاثوليكية فقط، وإنما تنضم إليها سفارات البروتستانت، وفي مقدمتها سفارة الولايات المتحدة الأمريكية.
وهكذا: الفصل بين السلطتين لم يمنع الكنيسة من أن تمارس النشاط السياسي فيما بعد الفصل - وهو أخص نشاط تتميز به
রাষ্ট্রীয় কোনো বিষয়ে ঋণ বা অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু শাসকগোষ্ঠীর নিকট প্রভাবশালীদের ভূমিকা: এই ক্ষেত্র বা ওই ক্ষেত্রে কিছু "উপযুক্ত" স্বদেশিকে পদোন্নতি প্রদানের মাধ্যমে...
* * *
•
আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদের ধারণায়:আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদ হলো সমকালীন খ্রিস্টান বিশ্বের কূটনীতি এবং পরোক্ষ ও শান্ত পদ্ধতির মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে পুনরায় ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ পরিচালনা করা; যার উদ্দেশ্য প্রতিশোধ গ্রহণ এবং মুসলিমদের দুর্বল করে রাখার প্রচেষ্টা। গির্জা ও রাষ্ট্রের মধ্যকার পৃথকীকরণ গির্জার আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে কোনো বাস্তব অন্তরায় নয়। গির্জা যদি সেই তিন শতাব্দীতে—যে সময়ে ইউরোপকে তাদের নিজ ভূমিতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ক্রুসেডের নামে শত্রুতা ও যুদ্ধ ঘোষণা করতে প্ররোচিত করেছিল—সরাসরি ও প্রকাশ্যে এই যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে, তবে দুই ক্ষমতার পৃথকীকরণ চুক্তির পরও এটি সমগ্র বিশ্বে ক্যাথলিক ধারার দিকনির্দেশক হিসেবে রয়ে গেছে। সমকালীন খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতি এখন এই দিকনির্দেশনার সেবায় নিয়োজিত। এই কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার স্বরূপ তখনই পরিলক্ষিত হয় যখন খ্রিস্টধর্ম প্রচারের বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, অথবা যখন কোনো সমকালীন মুসলিম সমাজে আফ্রিকা ও এশিয়ায় পরিচালিত খ্রিস্টান মিশনারি কার্যক্রমের কিছু গোপন রহস্য উন্মোচিত হয়। এই সহযোগিতা কেবল ক্যাথলিক দেশগুলোর দূতাবাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রোটেস্ট্যান্ট দূতাবাসগুলোও এতে শামিল হয়, যার শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।
এভাবে: দুই ক্ষমতার পৃথকীকরণ গির্জাকে পরবর্তীকালে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো থেকে বিরত রাখতে পারেনি—আর এটিই হলো গির্জার সবচেয়ে বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الدولة - عن طريق الأحزاب الديمقراطية المسيحية المعاصرة: من أن الفصل أيضًا تباشر دينًا، عن طريق خدمة الكنيسة وتوجيهها في المجتمعات الإسلامية العديدة.
فإذا انتقلنا للموازنة فقط بين عمل الديبلوماسية للدول المسيحية في العصر الحاضر وعمل الديبلوماسية للدول العربية الإسلامية - وهي ما عدا تركيا وبنجلاديش، لم تعلن بعد: الفصل بين الإسلام والدولة - نجد أن هذه الدول الأخيرة العربية والإسلامية تهرع إلى الهرب من شيء اسمه الإسلام وتتغاضى تمامًا عما يسيء إليه في دوريات أو صحف أو في وسائل الإعلام الأجنبية.
والعرب والمسلمون يخدمون أنفسهم إذا اعتقدوا - أو ظنوا على الأقل - أن العلمانية في الدول الغربية حاجز ضد ممارسة الدين في سياسة هذه الدول - إذ لم يتغير أمر هذه الدول بعد الفصل بين السلطتين عما كان من قبل، إلا الأسلوب والوسيلة، وإنجلترا وتاجها هو «الحامي» للبروتستانت .. وفرنسا وهي الحامية للكثلكة، ومعهما الولايات المتحدة الأمريكية، وهي الحامية للكنيستين، تؤدي كل واحدة فيهما دور «الحماية» في كثير من اليقظة أو على وجه السرعة لدور الكنيسة، أية كنيسة، في العالم الخارجي.
في تطبيق الصليبية الدولية:
وعلى نحو تطبيق الماسونية في المجتمعات الإسلامية: تطبيق الصليبية الدولية فيها، والمجالان: الاجتماعي والثقافي هما المفضلان لدى الأقوياء
রাষ্ট্র — সমসাময়িক খ্রিষ্টীয় গণতান্ত্রিক দলগুলোর মাধ্যমে: অর্থাৎ এই বিচ্ছিন্নকরণও মূলত ধর্মীয় কার্যক্রমই পরিচালনা করে, গির্জার সেবা এবং বিভিন্ন মুসলিম সমাজে তাকে দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে।
যদি আমরা বর্তমান যুগে খ্রিষ্টীয় রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং আরব-মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে কেবল একটি তুলনা করি — যারা তুরস্ক ও বাংলাদেশ ব্যতীত এখনও ইসলাম ও রাষ্ট্রের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার ঘোষণা দেয়নি — তবে আমরা দেখতে পাই যে, এই শেষোক্ত আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ইসলাম নামক বিষয়টি থেকে পলায়ন করতে সচেষ্ট হয় এবং সাময়িকী, সংবাদপত্র বা বিদেশি গণমাধ্যমে ইসলামের প্রতি অবমাননাকর বিষয়গুলোকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে যায়।
আরব ও মুসলিমরা যদি বিশ্বাস করে — অথবা অন্তত ধারণা (ظن) করে — যে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে ধর্মনিরপেক্ষতা এই দেশগুলোর রাজনীতিতে ধর্মচর্চার বিরুদ্ধে একটি বাধা, তবে তারা কেবল নিজেদেরই ক্ষতি করবে। কারণ দুই ক্ষমতার বিচ্ছিন্নকরণের পর এই রাষ্ট্রগুলোর অবস্থা আগের চেয়ে মোটেও পরিবর্তিত হয়নি, কেবল পদ্ধতি ও মাধ্যমের পরিবর্তন হয়েছে। ইংল্যান্ড ও তার রাজমুকুট হলো প্রোটেস্ট্যান্টদের 'অভিভাবক'... আর ফ্রান্স হলো ক্যাথলিকদের অভিভাবক। তাদের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুই গির্জারই অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। তাদের প্রত্যেকেই বহির্বিশ্বে গির্জার (যেকোনো গির্জার) ভূমিকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বা দ্রুততার সাথে 'সুরক্ষামূলক' ভূমিকা পালন করে।
আন্তর্জাতিক ক্রুসেডীয় ব্যবস্থার প্রয়োগে:
মুসলিম সমাজগুলোতে ফ্রিম্যাসনারি প্রয়োগের মতোই সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রুসেডীয় ব্যবস্থার প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক — এই দুটি ক্ষেত্রই শক্তিশালীদের কাছে অধিকতর পছন্দনীয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
أصحاب المصلحة في الدعوة إلى الصليبية الدولية في إسناد الوظائف ذات النفوذ أو ذات الرياسات العليا، إلى أوليائهم من الوطنيين. ويلحق المجال القانوني بالمجالين السابقين: فرؤساء تحرير الصحف .. ورؤساء مجالس إداراتها .. ورؤساء الجامعات .. ورؤساء الأقسام العلمية .. والأساتذة فيها. قلما يكون واحد منهم غير مؤهل في قبول المهنة التي يباشرها أي ناد من نوادي «الروتاري» في مجتمع إسلامي. وتلقى حركات «تحرير المرأة» كل رعاية من صاحب المصلحة في الدعوة إلى الصليبية الدولية: سواء في تحديد النسل، أو في اختلاط المرأة .. أو ممارسة الحرية الفردية في الرحلات أو في الزواج، أو في العمل الخارجي .. الخ.
هذا من جانب، ومن جانب آخر يحاصر الأشخاص أصحاب الرأي المعارض أو الكاشف للصليبية الدولية في المجتمع الإسلامي، في دوائر عملهم بحيث لا يتجاوزونها .. وبحيث لا تسلط عليهم الأضواء - كما يقال - في الصحف وفي وسائل الإعلام .. وبحيث لا يشاركون في نشاط خارجي عن دائرة عملهم الرسمي، ولا يكلفون بمهام أخرى في مؤسسات دولية، ولا يقلدون أي وسام من حكوماتهم يشير إلى جدارتهم.
ومثل التوسط في رفع بعض الأشخاص القياديين من الوطنيين .. إلى وظائف أعلى أكثر نفوذًا: الحث بطريق غير مباشر على تعديل قانون الأسرة والأحوال الشخصية وبالأخص أمور: الطلاق .. وتعدد الزوجات .. والإرث .. وكذلك ما يسمى بتنظيم النسل والاستجابة السريعة في أي مجتمع إسلامي معاصر: أمارة على طواعية نظام الحكم للتوجيه الأجنبي الخاضع للصليبية الدولية.
আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদের আহ্বানে স্বার্থান্বেষী পক্ষগুলো তাদের এদেশীয় অনুসারীদের প্রভাবশালী পদ বা উচ্চতর নেতৃত্বের পদসমূহে নিয়োগ বা অর্পণ (إسناد) করার ক্ষেত্রে তৎপর থাকে। আইনি ক্ষেত্রটিও পূর্ববর্তী ক্ষেত্রসমূহের অনুগামী: যেমন সংবাদপত্রের প্রধান সম্পাদকগণ.. তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিগণ.. বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ.. বৈজ্ঞানিক বিভাগসমূহের প্রধানগণ.. এবং সেখানকার শিক্ষকবৃন্দ। কোনো ইসলামি সমাজে ‘রোটারি’ ক্লাবের মতো যেকোনো ক্লাবের মাধ্যমে পরিচালিত পেশা গ্রহণে তাদের মধ্যে খুব কমই কেউ অযোগ্য প্রমাণিত হন। ‘নারী মুক্তি’ আন্দোলনসমূহ আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদের প্রবক্তাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে: চাই তা জন্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে হোক, কিংবা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার ক্ষেত্রে হোক.. অথবা ভ্রমণ, বিবাহ বা বাইরের কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা চর্চার বিষয়ে হোক.. ইত্যাদি।
এটি একদিকের চিত্র, আর অন্যদিকে ইসলামি সমাজে আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদের বিরোধী বা তাদের স্বরূপ উন্মোচনকারী ব্যক্তিদের তাদের কর্মক্ষেত্রের গণ্ডির মধ্যে এমনভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় যেন তারা তা অতিক্রম করতে না পারে.. এবং যেন সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে তাদের ওপর—কথিত—আলোকপাত না করা হয়.. এবং তারা যেন তাদের দাপ্তরিক কাজের পরিধির বাইরে কোনো কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে না পারে, আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব না পায় এবং নিজ দেশের সরকারের পক্ষ থেকে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতিস্বরূপ কোনো পদকে ভূষিত না হয়।
এদেশীয় কিছু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিকে উচ্চতর ও অধিক প্রভাবশালী পদে উন্নীত করার মধ্যস্থতা করার মতোই আরেকটি বিষয় হলো: পরোক্ষভাবে পারিবারিক আইন ও ব্যক্তিগত অবস্থার আইন সংশোধন (تعديل) করতে উদ্বুদ্ধ করা, বিশেষ করে: তালাক.. বহুবিবাহ.. এবং উত্তরাধিকার.. সংক্রান্ত বিষয়সমূহ। তদ্রূপ তথাকথিত জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো সমকালীন ইসলামি সমাজে এর প্রতি দ্রুত সাড়া প্রদান: আন্তর্জাতিক ক্রুসেডবাদের বশীভূত বিদেশি নির্দেশনার প্রতি শাসনব্যবস্থার অনুগত হওয়ারই একটি নিদর্শন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وعلى نمط تعديل قوانين الأسرة المسلمة بما لا يرضي الله وإن كان يرضي بعض الزعيمات لحركة تحرير المرأة: إعلان «التقريب» بين المسيحية والإسلام عن طريق إنشاء بعض الجمعيات والبيئات المشتركة .. والدعوة إلى إنشاء أماكن للعبادة للأديان الثلاثة: الإسلام، والمسيحية، واليهودية، يجاوز بعضها بعضًا، رمزًا لوحدة الأديان السماوية الثلاثة .. وهل الأديان الثلاثة الآن بعد عصر الرسالات يساوق بعضها بعضًا.
ولو كانت الأديان الثلاثة واحدة لما كان هناك سبب يدعو إلى الوحي بالمسيحية بعد التوراة .. ثم إلى الوحي بالإسلام بعد الإنجيل.
وإنما جاءت المسيحية لتعيد إلى رسالة الله في التوراة: الوضع السماوي الصحيح. وجاء القرآن ليوضح ما اختلف فيه أهل الكتاب من أصحاب الإنجيل والتوراة، من رسالة الله فيه، فالقرآن مهيمن، وفيصل وصاحب الكلمة فيما اختلف فيه أهل الكتاب السابقين. ولذا ليس ندًا ولا مساوقًا، هو حكم عليهما.
وكيف تكون المساوقة بين الأديان الثلاثة والقرآن يدعو إلى وحدة الألوهية وبشرية الرسول، بينما الإنجيل الآن يدعو إلى التثليث وألوهية عيسى؟. وكيف تكون المساوقة والقرآن يدعو إلى المساواة في الاعتبار البشري بينما التوراة الآن تدعو إلى «العنصرية» وإلى أن اليهود هم شعب الله المختار؟.
في سبتمبر 1953 انعقد في جامعة برنستون ومكتبة الكونجرس في واشنطن مؤتمر من رجال الفكر الإسلامي، بدعوة من الجامعة لدراسة الفكر الإسلامي المعاصر، ولكن في واقع الأمر أقيم هذا المؤتمر لإعطاء
এবং মুসলিম পারিবারিক আইনগুলোকে এমনভাবে সংশোধন করার ধারায় যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে না, যদিও তা নারী মুক্তি আন্দোলনের কিছু নেত্রীকে সন্তুষ্ট করে: কিছু যৌথ সমিতি ও পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের মধ্যে 'সমন্বয়' (التقريب) ঘোষণা করা... এবং তিন ধর্মের জন্য উপাসনালয় নির্মাণের আহ্বান জানানো: ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম ও ইহুদি ধর্ম, যা একে অপরের পাশাপাশি অবস্থিত হবে, যা তিনটি আসমানি ধর্মের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে... অথচ রিসালাতের যুগের পর এই তিনটি ধর্ম কি বর্তমানে একে অপরের সমান্তরাল হতে পারে?
যদি তিনটি ধর্ম অভিন্ন হতো, তবে তাওরাতের পরে খ্রিস্টধর্মের ওহি এবং ইঞ্জিলের পরে ইসলামের ওহি নাযিল করার কোনো কারণ থাকত না।
বরং খ্রিস্টধর্ম এসেছিল তাওরাতের আল্লাহর বাণীর সঠিক আসমানি অবস্থান পুনরুদ্ধার করতে। আর কুরআন এসেছে ইঞ্জিল ও তাওরাতের অনুসারী আহলে কিতাবগণ আল্লাহর যে বাণী সম্পর্কে মতবিরোধ করেছিল তা স্পষ্ট করতে। অতএব কুরআন হলো নিয়ন্ত্রক (مهيمن), ফয়সালাকারী (فيصل) এবং পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মতভেদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী। তাই এটি তাদের সমকক্ষ বা সমান্তরাল নয়, বরং তাদের ওপর বিচারকস্বরূপ।
তিনটি ধর্মের মধ্যে সমান্তরাল অবস্থা কীভাবে সম্ভব যখন কুরআন তাওহীদ এবং রাসূলের মানবত্বের দিকে আহ্বান জানায়, অথচ বর্তমান ইঞ্জিল ত্রিত্ববাদ (التثليث) এবং ঈসার ঐশ্বরিকতার দিকে আহ্বান জানায়? আর কীভাবে সমান্তরাল হওয়া সম্ভব যখন কুরআন মানবীয় মর্যাদায় সাম্যের আহ্বান জানায়, অথচ বর্তমান তাওরাত 'বর্ণবাদ' এবং ইহুদিরাই আল্লাহর মনোনীত জাতি—এই ধারণার দিকে আহ্বান জানায়?
১৯৫৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়াশিংটনের লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসে সমকালীন ইসলামি চিন্তা পর্যালোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে ইসলামি চিন্তাবিদদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে এই সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়েছিল...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
الفرصة لرجال المخابرات المركزية عن طريق سير المناقشات والاشتراك فيها، كي يقفوا على الأشخاص ومنمفري المسلمين وعلمائهم وأساتذة الجامعات في بلادهم، الذين يمكن «التعامل» معهم لتنفيذ سياسة الصليبية الدولية في المجتمعات الإسلامية، بمساعدتهم.
وكانت وظيفة رجال المخابرات الركزية بعد انتهاء المؤتمر: هي تصنيف هؤلاء القادة من المسلمين: إلى من له أهلية التعامل مع المنفذين لتخطيط الصليبية الدولية .. ومن ليست له هذه الأهلية.
وإذن ليست الجدارة هي كل شيء وراء اختيار فلان أو فلانة للوظيفة القيادية في أي مجتمع إسلامي، بدلاً من فلان أو فلانة. وليست أيضًا الأمانة والدقة. بل قبل كل شيء: المرونة في التعامل .. وطرح التعصب الوطني والديني .. أي التعامل في دائرة «العالمية» ..
* * *
•
في مفهوم الإلحاد العلمي:والإلحاد العلمي مسألة رئيسية في فلسفة الماركسية، كما يحلو للاشتراكيين العلميين أن يصفوا بالفلسفة: محاولة كارل ماركس في إثارة العامة ضد الدين .. وضد الملاك للأراضي الزراعية، وللصناعات الختلفة، وأصحاب رؤوس الأموال في البنوك والهيئات التجارية وخلافها .. والفلسفة الماركسية هي في واقع أمرها: محاولة تقوم على الحماس والإثارة أكثر مما تقوم على المنطق والفكر.
كارل ماركس كان يهوديًا قبل كل شيء، وكان إحساسه باليهودية
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের জন্য আলোচনার গতিপ্রকৃতি ও এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এমন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, যাতে তারা নিজ নিজ দেশের মুসলিম চিন্তাবিদ, আলেম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকে এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পারে, যাদের সাথে আন্তর্জাতিক ক্রুসেডারদের নীতি বাস্তবায়নে মুসলিম সমাজে তাদের সহায়তায় ‘লেনদেন’ করা সম্ভব।
সম্মেলন সমাপ্তির পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাজ ছিল এই মুসলিম নেতাদের শ্রেণীবিভাগ করা: কাদের আন্তর্জাতিক ক্রুসেডার পরিকল্পনার বাস্তবায়নকারীদের সাথে লেনদেন করার যোগ্যতা রয়েছে, আর কাদের এই যোগ্যতা নেই।
অতএব, যেকোনো মুসলিম সমাজে কোনো নেতৃত্বস্থানীয় পদের জন্য অমুক পুরুষ বা নারীকে অন্য কারও পরিবর্তে বেছে নেওয়ার পেছনে কেবল যোগ্যতাই সবকিছু নয়। এমনকি আমানতদারি ও সূক্ষ্মতাও নয়। বরং সবকিছুর আগে বিবেচ্য বিষয় হলো: লেনদেনে নমনীয়তা এবং জাতীয় ও ধর্মীয় গোঁড়ামি পরিহার করা; অর্থাৎ ‘আন্তর্জাতিকতাবাদ’-এর পরিমণ্ডলে লেনদেন করা...
* * *
•
বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের ধারণা প্রসঙ্গে:বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ হলো মার্কসবাদী দর্শনের একটি প্রধান বিষয়, ঠিক যেভাবে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রীরা ধর্ম এবং কৃষি জমির মালিক, বিভিন্ন শিল্প ও ব্যাংক-বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য পুঁজিদাতার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে উত্তেজিত করার কার্ল মার্কসের প্রচেষ্টাকে ‘দর্শন’ হিসেবে অভিহিত করতে পছন্দ করে। প্রকৃতপক্ষে মার্কসবাদী দর্শন হলো যুক্তি ও চিন্তার চেয়ে আবেগ ও উত্তেজনার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত একটি প্রচেষ্টা।
কার্ল মার্কস সবকিছুর আগে একজন ইহুদি ছিলেন এবং ইহুদিবাদের প্রতি তার অনুভূতি...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وسط الأكثرية المسيحية في ألمانيا أو في إنجلترا لا يقل عن إحساس أي يهودي عادي. وكانت ضريبة الفكر اليهودي عليه: أن يضم معولاً جديدًا في هدم الحدود بين اليهود والمسحيين في الشعوب الأوروبية كي يعيشوا جميعًا بإحساس مشترك. وهو إحساس الإنسانية. وذلك للانتقال من دائرة الدين، والوطن، والعنصر .. إلى دائرة «العالمية» ..
وقد سبق الماركسية في إضعاف الدين والعنصر: معول «العلمانية» .. ومعول «الماسونية» .. وسلطت الماسونية على أصحاب القيادات والرياسات العليا وبالأخص في دائرة الاقتصاد، بينما سلطات العلمانية على التربية والتعليم، والتشريع، حتى يمكن أن تتخرج أجيال بعد ذلك تتنفس في جو «العلمانية» وحدها.
والآن «بالماركسية» يدخل التفكير اليهودي مجال «العامة» و «الجماهير» في الشعوب، بعد أن دخل من قبل الماسونية مجال الرياسات والقيادات .. وبالعلمانية مجال الشباب والأجيال الصاعدة.
والماركسية إن بدت أنها محاولة في مجال الاقتصاد بنقل ملكية المال إلى الدولة .. وأنها محاولة أخرى في مجال الاجتماع بادعاء تحقيق «العدل الاجتماعي» وإزالة الفوارق الاقتصادية والاجتماعية بين الطبقات: فإنها محاولة قاسية في مجال الدين بمطاردته وادعاء أنه مخدر الجماهير في صرفهم عن حقوقهم إزاء طبقة الملاك من الإقطاعيين وأصحاب رؤوس الأموال.
والإلحاد العلمي هو ادعاء للماركسية في سلسلة ادعاءاتها ضد الدين - أي دين ومفهومه أن «العلم» يثبت عدم وجود الله، وبالتالي
জার্মানি বা ইংল্যান্ডের খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠদের মাঝে তার অনুভূতি কোনো সাধারণ ইহুদির অনুভূতির চেয়ে কম ছিল না। আর তার ওপর ইহুদি চিন্তাধারার মাশুল ছিল এই: ইউরোপীয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের মধ্যকার সীমানা চূর্ণ করার জন্য একটি নতুন হাতিয়ার সংযোজন করা, যাতে তারা সকলে একটি অভিন্ন অনুভূতি নিয়ে জীবনযাপন করতে পারে। আর তা হলো মানবিকতার অনুভূতি। এটি ছিল ধর্ম, স্বদেশ এবং বংশীয় গণ্ডি থেকে... 'বিশ্বজনীনতা'র গণ্ডিতে উত্তরণের একটি সোপান।
ধর্ম ও বংশীয় চেতনাকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে মার্কসবাদের অগ্রগামী ছিল: 'ধর্মনিরপেক্ষতা'র হাতিয়ার এবং 'ফ্রিম্যাসনারি'র হাতিয়ার। ফ্রিম্যাসনারিকে উচ্চপদস্থ নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বশীল ব্যক্তিদের ওপর, বিশেষ করে অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে নিয়োজিত করা হয়েছিল; অন্যদিকে ধর্মনিরপেক্ষতাকে শিক্ষা, দীক্ষা ও আইন প্রণয়নের ওপর আধিপত্য বিস্তারে নিয়োজিত করা হয়েছিল, যাতে পরবর্তী প্রজন্মগুলো কেবল 'ধর্মনিরপেক্ষতা'র আবহেই বেড়ে উঠতে পারে।
আর এখন 'মার্কসবাদ'-এর মাধ্যমে ইহুদি চিন্তাধারা জাতিসমূহের 'সাধারণ মানুষ' ও 'জনসাধারণের' স্তরে প্রবেশ করছে, যেমনটি ইতিপূর্বে ফ্রিম্যাসনারির মাধ্যমে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের স্তরে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার মাধ্যমে যুবক ও উদীয়মান প্রজন্মের স্তরে প্রবেশ করেছিল।
মার্কসবাদ যদিও দৃশ্যত অর্থনীতির ক্ষেত্রে সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের অধীনে হস্তান্তরের একটি প্রচেষ্টা... এবং সামাজিক ক্ষেত্রে 'সামাজিক ন্যায়বিচার' প্রতিষ্ঠা ও শ্রেণিগত অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণের দাবি সম্বলিত একটি অন্যতর প্রচেষ্টা: তবে এটি ধর্মের ক্ষেত্রে একটি চরমপন্থী প্রয়াস; যেখানে ধর্মকে দমন করা হয় এবং দাবি করা হয় যে, ধর্ম হলো জনসাধারণের জন্য একটি আফিম, যা সামন্তপ্রভু ও পুঁজিপতি মালিক শ্রেণির বিপরীতে তাদের অধিকার আদায়ের চেতনা থেকে বিমুখ করে রাখে।
আর 'বৈজ্ঞানিক নাস্তিকতা' হলো ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কসবাদের ধারাবাহিক অপপ্রচারেরই একটি অংশ—যেকোনো ধর্মের বিরুদ্ধেই তা প্রযোজ্য—যার মূল কথা হলো 'বিজ্ঞান' আল্লাহর অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, এবং ফলস্বরূপ...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
كذب ما يقال من وحي لرسول ما في تاريخ البشرية. وما الدين إلا أساطير ابتدعت لتسكين الكادحين، والمحرومين عن مقاومة الإقطاعيين والرأسماليين. وعن طريق الدين استغلت الطبقة الكادحة سنين طويلة، وجريمة ضد العدل الاجتماعي جريمة منكرة.
ومن هنا يتجه ماركس بندائه إلى الثورة الحمراء .. إلى سفك الدماء .. إلى التخريب في كل ما يملكه الإقطاعيون والرأسماليون ويجب على العمال الكادحين أن ينتزعوا بالقوة الأموال من أيديهم، ولا ينتظروا أن تتحول إليهم، تحقيقًا لمبدأ «النقيض»! فحقهم في هذه الأموال حق مشروع. ومبدأ الوجود نفسه - وهو مبدأ النقيض - مبدأ حتمي لا يتخلف إطلاقًا.
والسؤال الآن: أي «علم» يثبت عدم وجود الله .. وبالتالي أسطورة الوحي؟ أهو «علم التجربة»؟ .. وهل التجربة هي وحدها مصدر «العلم»؟ وإذا كان الأمر كذلك: هل التجربة مصدر علوم الرياضة، أم مصدرها العقل وحده؟. وإذا لم تكن التجربة هي المصدر الوحيد «للعلم» كيف يحمل الإنسان على التزام ما لا يلزم، وهو الإيمان بعدم وجود الله؟، إن الإلحاد العلمي ادعاء لم يسنده دليل.
وسؤال آخر: كيف تصف الماركسية: الاشتراكية أو العدل الاجتماعي، أو نقل ملكية المال إلى الدولة: بأنه إنساني بينما تطلب في تحقيق ذلك: سفك الدماء وتخريب الملكية بكل سبيل ممكن؟.
ولكن القوة الكبرى صاحبة المصلحة والمنفعة الخاصة من وراء ترويج
মানব ইতিহাসে কোনো রাসূলের প্রতি ওহী অবতীর্ণ হওয়া সম্পর্কে যা বলা হয় তা মিথ্যা। ধর্ম কেবল মেহনতী ও বঞ্চিত মানুষকে সামন্তবাদী এবং পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ থেকে বিরত রাখার জন্য উদ্ভাবিত কিছু পৌরাণিক কাহিনী মাত্র। ধর্মের মাধ্যমে শ্রমজীবী শ্রেণিকে দীর্ঘ বছর ধরে শোষণ করা হয়েছে, যা সামাজিক ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে একটি গর্হিত (منكرة) অপরাধ।
এখান থেকেই মার্ক্স তার লাল বিপ্লবের ডাক দেন... রক্তপাত... সামন্তবাদী ও পুঁজিবাদীদের মালিকানাধীন সবকিছুর ধ্বংস সাধনের দিকে। মেহনতী শ্রমিকদের উচিত শক্তি প্রয়োগ করে তাদের হাত থেকে সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া এবং 'বিপরীতমুখী' নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সেই সম্পদ তাদের কাছে হস্তান্তরিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করা! এই সম্পদের ওপর তাদের অধিকার একটি বৈধ অধিকার। আর অস্তিত্বের মূলনীতি—যা হলো বিপরীতমুখী নীতি—একটি অনিবার্য নীতি যা কখনোই ব্যাহত হয় না।
এখন প্রশ্ন হলো: কোন ‘বিজ্ঞান’ আল্লাহর অস্তিত্বহীনতা এবং ফলস্বরূপ ওহীর অলীকতাকে প্রমাণ করে? তা কি ‘পরীক্ষামূলক বিজ্ঞান’? অভিজ্ঞতাই কি ‘জ্ঞানের’ একমাত্র উৎস? যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে অভিজ্ঞতা কি গণিত শাস্ত্রের উৎস, নাকি এর উৎস কেবলই বুদ্ধি? আর যদি অভিজ্ঞতা জ্ঞানের একমাত্র উৎস না হয়, তবে কীভাবে একজন মানুষকে যা আবশ্যক নয় তা মানতে বাধ্য করা হয়, আর তা হলো আল্লাহর অস্তিত্বহীনতায় বিশ্বাস করা? নিশ্চয়ই বৈজ্ঞানিক নাস্তিকতা এমন এক দাবি যার স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।
আরেকটি প্রশ্ন: মার্ক্সবাদ কীভাবে সমাজতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার বা রাষ্ট্রের নিকট সম্পদের মালিকানা হস্তান্তরকে মানবিক হিসেবে আখ্যায়িত করে, যেখানে এটি অর্জনের জন্য সম্ভাব্য সকল উপায়ে রক্তপাত এবং মালিকানা ধ্বংস করার দাবি জানানো হয়?
কিন্তু এই প্রচারণার পেছনে থাকা বিশেষ স্বার্থ ও মুনাফালোভী বৃহৎ শক্তিটি...
(খণ্ড: ১)
আল-ইসলাম ওয়া মুওয়াজাহাতুল মাযাহিবিল হাদ্দামাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الإلحاد العلمي في المجتمعات الإسلامية هي التي تستخدم أولياءها في هذه المجتمعات لتنفيذ المخطط الإرهابي في إضعاف الإسلام وحمل الكثرة الغالبة في مجتمعاته على رفضه وعدم الإيمان به.
في تطبيق الإلحاد العلمي:
وفي التطبيق في دائرة الإلحاد العلمي: يبدو الأمر واضحًا في القسوة في التطبيق. فتعلن في المجتمع الإسلامي الذي يتبع النفوذ لقوة الإلحاد الكبرى: «الرقابة» على النشر، إما لمنع الرأي الآخر إذا تعرض لنقد الإلحاد الماركسي .. أو للتضييق عليه بحيث يفقد القيمة الذاتية لو نشر.
ويختار رقباء النشر، والمشرفون على وسائل الإعلام في الإذاعة، والتلفزيون، والصحافة، والكتب من الموالين للماركسية، ويوصي بهم أصحاب الدعوة إلى الإلحاد العلمي، أو أصحاب الدعوة إلى الاشتراكية. ويتشددون في تمكينهم من شؤون الثقافة .. وشؤون المسرح والفن على العموم، ومن شؤون وسائل الإعلام جميعًا.
وإذا أصبح المجتمع الإسلامي اشتراكيًا ماركسيًا فمعناه: أن الإلحاد العلمي لا بد أن يتسرب إلى كل جانب من جوانب حياة الإنسان، بحيث يصبح جو الاشتراكية هو جو «الإلحاد» وجو الإشادة بصداقة الأصدقاء.
* * *
মুসলিম সমাজগুলোতে বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ হলো এমন এক ব্যবস্থা, যা এই সমাজগুলোতে নিজেদের মিত্রদের ব্যবহার করে ইসলামের শক্তিকে দুর্বল করার এবং এই সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ইসলাম প্রত্যাখ্যান ও তাতে অবিশ্বাসের দিকে ধাবিত করার জন্য একটি সন্ত্রাসবাদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।
বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে:
বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের পরিমণ্ডলে প্রয়োগের ক্ষেত্রে: বিষয়টি প্রয়োগের কঠোরতার মধ্যে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। সুতরাং বৃহৎ নাস্তিক্যবাদী শক্তির প্রভাবাধীন মুসলিম সমাজে প্রকাশনার ওপর ‘সেন্সরশিপ’ বা ‘নিয়ন্ত্রণ’ আরোপ করা হয়; হয় ভিন্নমতকে বাধা দেওয়ার জন্য যদি তা মার্ক্সীয় নাস্তিক্যবাদের সমালোচনা করে, অথবা তাকে এমনভাবে সংকুচিত করার জন্য যাতে প্রকাশিত হলেও সেটি তার নিজস্ব গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।
আর প্রকাশনা নিয়ন্ত্রক এবং রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বইপত্রের মতো গণমাধ্যমগুলোর তত্ত্বাবধায়কদের মার্ক্সীয় অনুসারীদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হয়; বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদের প্রচারক অথবা সমাজতন্ত্রের প্রবক্তারা তাদের ব্যাপারে সুপারিশ করে থাকেন। তারা সাংস্কৃতিক বিষয়াবলি, সাধারণ শিল্পকলা ও নাট্যাঙ্গন এবং সকল গণমাধ্যমের দায়িত্বে তাদের শক্তিশালী করার বিষয়ে অত্যন্ত কঠোরতা অবলম্বন করে।
আর যদি মুসলিম সমাজ মার্ক্সীয় সমাজতান্ত্রিক হয়ে পড়ে, তবে এর অর্থ হলো: বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অবশ্যই অনুপ্রবেশ করবে, যার ফলে সমাজতান্ত্রিক পরিবেশ হবে মূলত ‘নাস্তিক্যবাদের’ পরিবেশ এবং বন্ধুদের বন্ধুত্বের প্রশংসা গাওয়ার ক্ষেত্র।
* * *