(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: -)
ثلاثة مجالس من أمالي ابن بشران ومن حديث الطناجيري   (ابن بشران، أبو القاسم)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ثلاثة مجالس من أمالي أبي القاسم بن بشران وعشرة أحاديث من حديث أبي الفرج الطناجيري - مخطوط

المؤلف: أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشْران بن محمد بن بشْران بن مهران البغدادي (ت 430هـ)

رواية: المبارك بن علي بن عبد الباقي عن محمد بن عبد الملك الأسدي عن ابن بشران

المؤلف الثاني: أبو الفرج الحسين بن على بن عبيد الله الطناجيري المتوفى: 439 هـ

رواية: المبارك بن علي بن عبد الباقي عن أبي الحسن حمد بن إسماعيل بن حمد الهمداني عن الطناجيري

ملاحظة: ليس في هذه المخطوطة إلا مجلسين من أمالي أبي القاسم بن بشران، وأربعة أحاديث من حديث أبي الفرج الطناجيري.

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 8

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে বুশরানের আমালি থেকে তিনটি মজলিস এবং আত-তান্নাজিরির হাদিস থেকে   (ইবনে বুশরান, আবুল কাসিম)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবুল কাসিম বিন বুশরানের আমালি থেকে তিনটি মজলিস এবং আবুল ফারাজ আত-তান্নাজিরির হাদিস থেকে দশটি হাদিস - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বুশরান বিন মুহাম্মদ বিন বুশরান বিন মিহরান আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি)

বর্ণনা: আল-মুবারক বিন আলী বিন আব্দুল বাকি, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আল-আসাদি থেকে, তিনি ইবনে বুশরান থেকে

দ্বিতীয় লেখক: আবুল ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলী বিন উবাইদুল্লাহ আত-তান্নাজিরি, মৃত্যু: ৪৩৯ হিজরি

বর্ণনা: আল-মুবারক বিন আলী বিন আব্দুল বাকি, তিনি আবুল হাসান হামাদ বিন ইসমাইল বিন হামাদ আল-হামাদানি থেকে, তিনি আত-তান্নাজিরি থেকে

দ্রষ্টব্য: এই পাণ্ডুলিপিতে আবুল কাসিম বিন বুশরানের আমালি থেকে মাত্র দুটি মজলিস এবং আবুল ফারাজ আত-তান্নাজিরির হাদিস থেকে মাত্র চারটি হাদিস রয়েছে।

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: ثلاثة مجالس من أمالي أبي القاسم بن بشران وعشرة أحاديث من حديث أبي الفرج الطناجيري - مخطوط

المؤلف الأول: أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران

المتوفى: 430 هـ

رواية: المبارك بن علي بن عبد الباقي عن محمد بن عبد الملك الأسدي عن ابن بشران

المؤلف الثاني: أبي الفرج الحسين بن على بن عبد الله الطناجيري

المتوفى:

رواية: المبارك بن علي بن عبد الباقي عن أبي الحسن حمد بن إسماعيل بن حمد الهمداني عن الطناجيري

ملاحظة: ليس في هذه المخطوطة إلا مجلسين من أمالي أبي القاسم بن بشران، وأربعة أحاديث من حديث أبي الفرج الطناجيري.
কিতাব: আবু আল-কাসিম বিন বিশরানের আমালীর তিনটি মজলিস এবং আবু আল-ফারাজ আত-তানাজিরীর দশটি হাদিস - পাণ্ডুলিপি

প্রথম লেখক: আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান

মৃত্যু: ৪৩০ হিজরি

বর্ণনা: আল-মুবারক বিন আলী বিন আব্দুল বাকী, মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আল-আসাদী থেকে, তিনি ইবনে বিশরান থেকে

দ্বিতীয় লেখক: আবু আল-ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আত-তানাজিরী

মৃত্যু:

বর্ণনা: আল-মুবারক বিন আলী বিন আব্দুল বাকী, আবু আল-হাসান হামদ বিন ইসমাইল বিন হামদ আল-হামাদানি থেকে, তিনি আত-তানাজিরী থেকে

দ্রষ্টব্য: এই পাণ্ডুলিপিতে আবু আল-কাসিম বিন বিশরানের আমালীর মাত্র দুটি মজলিস এবং আবু আল-ফারাজ আত-তানাজিরীর চারটি হাদিস রয়েছে।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ১)
// 1// جزء فيه ثلاثة مجالس من أمالي أبي القاسم بن بشران

رواية أبي سعد محمد بن عبد الملك بن عبد القاهر بن أسد الأسدي ، عنه.

وفيه عشرة أحاديث من حديث أبي الفرج الحسين بن على بن عبيد الله الطناجيري ، عن شيوخه

رواية أبي الحسن حمد بن إسماعيل بن حمد الهمداني ، عنه.

رواية الشيخ الصالح المبارك بن علي بن عبد الباقي البغدادي عن أبي الحسن حمد الهمداني وعن أبي سعد بن عبد الملك الأسدي.

// 2 // بسم الله الرحمان الرحيم

وصلي الله على محمد ، وعلى آله

أخبرنا الشيخ الثقة أبو عبد الله المبارك بن علي بن عبد الباقي بن علي ، سبط ابن يوسف ، البغدادي ، البزاز ، قراءة عليه ، في جامعها ، أَخْبَرَنَا أبو سعد محمد بن عبد الملك بن عبد القاهر بن أسد الأسدي ، قراءة عليه ، وأنا أسمع ، ببغداد ، في شوال سنة خمس مئة ، حدثنا الشيخ الزاهد أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران إملاء ، يوم الجمعة ، سابع المحرم سنة ست وعشرين وأربع مئة:

1 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، رحمه الله ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ الْأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا حَسَنٌ الْأَشْيَبُ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا بِصِيَامِ عَاشُورَاءَ وَيَحُثُّنَا عَلَيْهِ، فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ لَمْ يَأْمُرْنَا وَلَمْ يَنْهَنَا وَنَحْنُ نَفْعَلُهُ.

قال الشيخ أبو القاسم ، رحمه الله: هذا حديث صحيح من حديث جعفر بن أبي ثور ، أخرجه مسلم بن الحجاج نازلا ، عن أبي بكر بن أبي شيبة ، عن عبيد الله بن موسى ، عن شَيْبَانُ، عَنْ أَشْعَثَ بن أبي الشعثاء.
// ১ // আবু কাসেম বিন বিশরানের আমালির (শ্রুতিলিপি সংকলন) তিনটি মজলিস সম্বলিত একটি অংশ

আবু সা'দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল কাহির বিন আসাদ আল-আসাদি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এতে আবু আল-ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলি বিন উবায়দুল্লাহ আত-তানাজিরি কর্তৃক তাঁর শিক্ষকদের থেকে বর্ণিত দশটি হাদিস রয়েছে

আবুল হাসান হামদ বিন ইসমাইল বিন হামদ আল-হামদানি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

নেককার শায়খ আল-মুবারক বিন আলি বিন আব্দুল বাকি আল-বাগদাদির বর্ণনা, যিনি আবুল হাসান হামদ আল-হামদানি এবং আবু সা'দ বিন আব্দুল মালিক আল-আসাদি থেকে বর্ণনা করেছেন।

// ২ // পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের ওপর

নির্ভরযোগ্য শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-মুবারক বিন আলি বিন আব্দুল বাকি বিন আলি, ইবনে ইউসুফের দৌহিত্র, আল-বাগদাদি আল-বায্যায, তাঁর সামনে পাঠের মজলিসে তাঁর জামে মসজিদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু সা'দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল কাহির বিন আসাদ আল-আসাদি তাঁর সামনে পঠিত অবস্থায় এবং আমি শ্রবণরত অবস্থায় বাগদাদে পাঁচশ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: যুহদ পালনকারী শায়খ আবু কাসেম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান চারশ ছাব্বিশ হিজরি সনের সাতই মুহররম শুক্রবার শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন:

১ - আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আল-ফারাজ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হাসান আল-আশয়াব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: শায়বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আশআস থেকে, তিনি জাফর বিন আবু সাওর থেকে, তিনি জাবির বিন সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন এবং এর প্রতি আমাদের উৎসাহিত করতেন। অতঃপর যখন রমজান ফরজ করা হলো, তখন তিনি আমাদের (আশুরার বিষয়ে) নির্দেশও দিতেন না আবার নিষেধও করতেন না, তবে আমরা তা পালন করতাম।

শায়খ আবু কাসেম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: জাফর বিন আবু সাওর থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি সহিহ। মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ এটি দীর্ঘতর সনদে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু শাইবা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন মুসা থেকে, তিনি শায়বান থেকে, তিনি আশআস বিন আবু আশ-শা'সা থেকে।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ২)
2 - أَخْبَرَنا أبوسهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد ، حَدَّثَنَا أبو عوف البزوري عبد الرحمان بن مرزوق ، حَدَّثَنَا يحيى بن أبي بكير ، حَدَّثَنَا زائدة ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنه ، قَالَ: ذُكِرَ رَجُلٌ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ فُلَانًا نَامَ اللَّيْلَةَ حَتَّى أَصْبَحَ // 3 // مَا صَلَّى، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ذَلِكَ رَجُلٌ بَالَ الشَّيْطَانُ فِي أُذُنِهِ، أَوْ أُذُنَيْهِ.

3 - 0000 حَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ ، رضي الله عنه ، يقول: قال رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم: لَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، قَالَ: فَيَنْزِلُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ فَيَقُولُ أَمِيرُهُمْ: تَعَالَ صَلِّ بِنَا، فَيَقُولُ: لَا إِنَّ بَعْضَكُمْ عَلَى بَعْضٍ أُمَرَاءُ تَكْرِمَةَ اللهِ هَذِهِ الأُمَّةَ.
২ - আবু সাহল আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আউফ আল-বাযূরী আব্দুর রহমান বিন মারযূক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যাইদাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মানসূর থেকে, শাকীক থেকে, আব্দুল্লাহ (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকটে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো এবং বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, অমুক ব্যক্তি সকাল পর্যন্ত রাতভর ঘুমিয়ে কাটিয়েছে এবং সে সালাত আদায় করেনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: এটি এমন এক ব্যক্তি যার কানে অথবা তার উভয় কানে শয়তান প্রস্রাব করে দিয়েছে।

৩ - হাজ্জাজ বিন মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে জুরাইজ বলেন: আবু যুবাইর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিআল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা হকের ওপর বিজয়ী থেকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন: এরপর ঈসা ইবনে মারইয়াম অবতীর্ণ হবেন এবং তাদের আমীর বলবেন: আসুন, আমাদের ইমামতি করুন। তখন তিনি বলবেন: না, তোমাদের একেকজন অন্যজনের ওপর আমীর; এটি এই উম্মতের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মানস্বরূপ।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৩)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ الْأَسْيُوطِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسَائِيُّ، أَخْبَرَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَافَهُ ضَيْفٌ وَهُوَ كَافِرٌ، فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَاةٍ فَحُلِبَتْ فَشَرِبَ حِلَابَهَا، ثُمَّ أُخْرَى فَشَرِبَهُ، ثُمَّ أُخْرَى فَشَرِبَهُ، حَتَّى شَرِبَ حِلَابَ سَبْعِ شِيَاهٍ، ثُمَّ أَصْبَحَ مِنَ الْغَدِ فَأَسْلَمَ، فَأَمَرَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَاةٍ فَحُلِبَتْ فَشَرِبَ حِلَابَهَا، ثُمَّ أَمَرَ لَهُ بِأُخْرَى فَلَمْ يَسْتَتِمَّهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الْمُؤْمِنُ يَشْرَبُ فِي مِعًى وَاحِدٍ، وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ.

5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ الْكِنْدِيُّ بِمَكَّةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ السَّامِرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ الْحَسَنِ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا سيَّارُ بْنُ حَاتَمٍ الْعَنْبَرِيُّ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ نَجِيحٍ أَبِي عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي مَسْلَمَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ اقْتَصَدَ أَغْنَاهُ اللَّهُ، وَمَنْ بَذَّرَ أَفْقَرَهُ اللَّهُ، وَمَنْ ذَكَرَ اللَّهَ ،عز وجل أَحَبَّهُ اللَّهُ. // 4 //

6 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ، قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ سَعْدٍ:

تَغَرَّبْتُ عَنْ أَهْلِي، أُؤْمِلُ ثَرْوَةً...... فَلَمْ أُعْطَ آمَالِي وَطَالَ التغرب

فَمَا لِلْمُحْتَالِ فِي الرِّزْقِ حِيلَةٌ....... وَلَا حُدُودٌ حَدَّهَا اللَّهُ

آخر المجلس ، وهذا مجلس آخر يليه.
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আল-খাদির আল-আসইউতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হারুন বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি সুহাইল থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একজন মেহমান আসলেন এমতাবস্থায় যে তিনি কাফির ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বকরির দুধ দোহন করার আদেশ দিলেন, এরপর তিনি সেটির দুধ পান করলেন। এরপর অন্য একটির, তিনি তাও পান করলেন। এভাবে তিনি সাতটি বকরির দুধ পান করলেন। এরপর পরদিন সকালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য একটি বকরির দুধ দোহন করার আদেশ দিলেন এবং তিনি তা পান করলেন। এরপর অন্য একটির আদেশ দিলে তিনি তা শেষ করতে পারলেন না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: মুমিন এক আঁতে পান করে, আর কাফির সাত আঁতে খায়।

৫ - মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আলী আল-কিন্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন জাফর আস-সামিরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাইয়্যার বিন হাতিম আল-আনবারি, হামজাহ বিন নাজিহ আবু আম্মার থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মাসলামাহ, মুহাম্মাদ বিন আলী থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি মিতব্যয়ী হয় আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত করেন, যে ব্যক্তি অপচয় করে আল্লাহ তাকে দরিদ্র করেন, আর যে ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহকে স্মরণ করে আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। // ৪ //

৬ - আবু আল-আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন জাফর আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন সা'দ আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন:

পরিবার হতে দূর দেশে পাড়ি জমিয়েছি সম্পদের আশায়... অথচ আশা পূর্ণ হয়নি বরং পরবাসই দীর্ঘ হয়েছে।

রিজিকের ব্যাপারে কৌশলী ব্যক্তির কোনো কৌশল খাটে না... এবং কোনো সীমানা নেই আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন তা ছাড়া।

মজলিস সমাপ্ত, এবং এটি পরবর্তী অন্য একটি মজলিস।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৪)
المجلس الثاني

حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الزَّاهِدُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرَانَ ، يَوْمَ الْجُمُعَةِ رَابِعَ عَشَرَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِ مِئَةٍ:

7 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ خُزَيْمَةَ، رحمه الله ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ زُغَاثٌ ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَشُعْبَةُ جَمِيعًا ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، رضي الله عنها، قَالَتْ: كُنْتُ أُطَيِّبُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ إِحْرَامِهِ وَقَبْلَ أَنْ يُفِيضَ يَوْمَ النَّحْرِ.

قَالَ الشَّيْخُ أَبُو الْفَتْحِ ، رحمه الله: هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيث ِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، وَهُوَ إِسْنَادٌ كُلُّهُمْ ثِقَاتٌ.

8 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيُّ بِمَكَّةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْأَصْبَهَانِيِّ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: سَأَلْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ ، رضي الله عنه: أَيْنَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَضَعُ جَبِينَهُ؟ قَالَ: بَيْنَ كَتِفَيْهِ.
দ্বিতীয় মজলিস

যাহিদ শায়খ আবু কাসিম আব্দুল মালিক ইবন মুহাম্মদ ইবন বিশরান আমাদের নিকট চারশত ছাব্বিশ হিজরি সনের চৌদ্দই মহরম, শুক্রবার বর্ণনা করেছেন:

৭ - আবু আলী আহমাদ ইবনুল ফাযল ইবনুল আব্বাস ইবন খুযাইমাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ যুগাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এবং শু'বাহ উভয়েই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসিম থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর ইহরাম বাঁধার সময় এবং কোরবানির দিন (তাওয়াফে ইফাযাহ করার) পূর্বে সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম।

শায়খ আবুল ফাতহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেন: এটি আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিমের বর্ণনা থেকে একটি সহিহ হাদিস এবং এর সনদের বর্ণনাকারীদের সকলেই নির্ভরযোগ্য।

৮ - মক্কায় আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-জুমাহি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হুসাইন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে গিয়াস হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বারা ইবনে আযিব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কপাল কোথায় রাখতেন? তিনি বললেন: তাঁর দুই কাঁধের মাঝখানে।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৫)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْآجُرِّيُّ بِمَكَّةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ // 5 // (بْنُ عَلُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ، حَدَّثَنَا حَيَّانُ أَبُو النَّضْرِ الأَسَدِيُّ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُحَدِّثُ عَنْ رَبِّهِ تبارك وتعالى: أَنَا عِنْدَ) ظَنِّ عَبْدِي بِي فَلْيَظُنَّ بِي مَا شَاءَ.

10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْبَلَدِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْمِصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ، رضي الله عنها، قَالَتْ: جَاءَ رِجَالٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ ، رضي الله عنه ، فَقَالُوا: هَلْ لَكَ إِلَى صَاحِبِكَ، يَزْعُمُ أَنَّهُ أُسْرِيَ بِهِ اللَّيْلَةَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ، قَالَ: وَقَالَ ذَاكَ؟ قَالُوا: نَعَمْ، فَقَالَ: قَدْ صَدَقَ. قَالُوا: تُصَدِّقُهُ إِنَّهُ ذَهَبَ إِلَى الشَّامِ فِي لَيْلَةٍ ثُمَّ رَجَعَ قَبْلَ الصُّبْحِ، قَالَ: إِنِّي لَأُصَدِّقُهُ بِأَبْعَدَ مِنْ ذَلِكَ؛ بِخَبَرِ السَّمَاءِ غَدْوَةً وَرَوَاحَةً، فَلِذَلِكَ سُمِّيَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ رضي الله عنه.

11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ الْكِنْدِيُّ بِمَكَّةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْخَرَائِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْجُنَيْدِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ.

قَالَ الْخَرَائِطِيُّ: وَحَدَّثَنَا الْقَنْطَرِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ ، قَالَا: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ أبِي مَالِكٍ الأَشْعَرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: ليس عدوك الذي إذا قتلك أدخلك الجنة، وإذا قتلته كان لك نورا، أعدى عدوك ، نفسك التي بين جنبيك.
9 - মক্কায় আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ আল-আজুররী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে আল্লুওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনুল গাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইয়ান আবু আন-নাদর আল-আসাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াসিলাহ ইবনুল আসকা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর প্রতিপালক (তাবারাকা ওয়া তাআলা) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি: "আমি আমার বান্দার ধারণার নিকটেই থাকি, সুতরাং সে আমার প্রতি যা ইচ্ছা ধারণা পোষণ করুক।"

10 - আবুল হুসাইন আবদুল বাকি ইবনে কানি' আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম ইবনুল হাইসাম আল-বালাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আল-মিসসীসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার ইবনে রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুশরিকদের কিছু লোক আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট এসে বলল: "আপনার সঙ্গীর ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে? তিনি দাবি করছেন যে, আজ রাতে তাঁকে বাইতুল মাকদিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।" তিনি বললেন: "তিনি কি তা বলেছেন?" তারা বলল: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তবে তিনি সত্যই বলেছেন।" তারা বলল: "আপনি কি তাঁকে বিশ্বাস করেন যে তিনি এক রাতে শামে গিয়েছেন এবং সকাল হওয়ার আগেই ফিরে এসেছেন?" তিনি বললেন: "আমি তো এর চাইতেও সুদূরপরাহত বিষয়ে তাঁকে বিশ্বাস করি; আমি সকাল-সন্ধ্যায় আসা আসমানি খবরের বিষয়ে তাঁকে বিশ্বাস করি।" আর এ কারণেই আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নাম রাখা হয়েছে 'আস-সিদ্দীক'।

11 - আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আলী আল-কিন্দী মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খারায়িতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনুল জুনাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আল-খারায়িতী বলেন: এবং আল-কানতারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই বলেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি আবু মালিক আল-আশআরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমার শত্রু সে নয় যে তোমাকে হত্যা করলে তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যদি তুমি তাকে হত্যা করো তবে সে তোমার জন্য নূর হবে; বরং তোমার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো তোমার সেই নফস (প্রবৃত্তি), যা তোমার দুই পাঁজরের মাঝখানে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৬)
12 - وَقَالَ الْكِنْدِيُّ: أَنْشَدَنِي مُحَمَّدٌ ، أَنْشَدَنِي أَبُو جَعْفَرٍ الْعَبْدِيُّ لِلْعَبَّاسِ بْنِ الأََحْنَفِ://6//

قلبي إلى ما ضرني داعي...... يكثر أحزاني وأوجاعي

لقل ما أبقى على ما أرى.... يوشك أن ينعاني الناعي

كيف احتراسي من عدوي … إذا كان عدوي بين أضلاعي

 

آخر حديث أبي القاسم بن بشران
১২ - আল-কিন্দি বলেছেন: মুহাম্মদ আমাকে আব্বাস ইবনুল আহনাফের এই কবিতাটি পাঠ করে শুনিয়েছেন, যা তাকে আবু জাফর আল-আবদি শুনিয়েছিলেন: //৬//

আমার অন্তর আমাকে সেই দিকেই আহ্বান করে যা আমার ক্ষতি করে... তা আমার দুঃখ ও বেদনাকে বাড়িয়ে দেয়।

আমি যা দেখছি তাতে আমার খুব সামান্যই অবশিষ্ট আছে... শীঘ্রই সংবাদবাহক আমার মৃত্যুসংবাদ ঘোষণা করবে।

আমি কীভাবে আমার শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাব ... যখন আমার শত্রু আমার পাঁজরের মাঝেই অবস্থান করছে।

 

আবু আল-কাসিম বিন বিশরানের বর্ণনার সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৭)
ومن حديث أبي الفرج الطناجيري.

خْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو عَبْدُ اللَّهِ الْمُبَارَكُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي ، سَبْطُ أَبِي الْحُسَيْنِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، حَدَّثَنَا حمد بن إسماعيل بن حمد الهمداني ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، فِي ذِي الْحِجَّةِ ، سَنَةَ ثَلَاثٍ وَخَمْسِ مَائَةٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عبيد اللهِ الطَّنَاجِيرِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ وَأَرْبَعِ مَائَةٍ:

13 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ إسْمَاعِيلَ بْنِ سَلَمَةَ ، الْمَعْرُوفُ ِبابْنِ أَبِي غَيْلَانَ ، فِي صَفَرَ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلَاثِ مَائَةٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ بُنِ عُبَيْدٍ الْجَوْهَرِيُّ، سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَمِئَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ قَالَ: سَمِعْتُ مُطَرِّفًا، يُحَدِّثُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ أَقَلَّ سَاكِنِي الْجَنَّةِ النِّسَاءُ.

14 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ يُونُسَ بْنِ نَيظَرَا، بِبَغْدَادَ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ إسْمَاعِيلَ بْنِ سَلَمَةَ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَتَّابٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ، رضي الله عنه، يَقُولُ: بَايَعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي هَذِهِ ، وَأَشَارَ شُعْبَةُ بِيَدِهِ الْيُمْنَى، عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فِيمَا اسْتَطَعْتُ.
এবং আবুল ফারাজ আত-তানাজিরির হাদিস থেকে।

নেককার শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-মুবারক ইবনে আলী ইবনে আব্দুল বাকি, যিনি আবুল হুসাইনের দৌহিত্র, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হামদ ইবনে ইসমাইল ইবনে হামদ আল-হামাদানি বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিলহজ মাসে, ৫০৩ হিজরি সনে; আবুল ফারাজ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ আত-তানাজিরি ৪৩৬ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন:

১৩ - আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে লুলু বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু হাফস উমর ইবনে ইসমাইল ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন, যিনি ইবনে আবি গাইলান নামে পরিচিত, ৩০৯ হিজরি সনের সফর মাসে, আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবনে আল-জাদ ইবনে উবাইদ আল-জাওহারি বর্ণনা করেছেন, ২২৭ হিজরি সনে, শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আত-তায়্যাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি মুতাররিফকে ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাতের অধিবাসীদের মধ্যে নারীরাই সংখ্যায় সবচেয়ে কম।

১৪ - আমাদের নিকট বাগদাদে কাজি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হামদান ইবনে ইউনুস ইবনে নাইজারা বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে ইসমাইল ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আল-জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আত্তাব থেকে, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আমার এই হাতের মাধ্যমে বায়আত (শপথ) করেছি — এবং শু'বাহ তাঁর ডান হাত দিয়ে ইশারা করলেন — আমার সাধ্যানুযায়ী শ্রবণ ও আনুগত্য করার ওপর।"
(খণ্ড: ১) ছালাছাতু মাজালিস মিন আমালিল ইবনু বিশরান ওয়ামিন হাদিসিত তানাজিরি (পৃষ্ঠা: ৮)
14 - حَدَّثَنَا أبو محمد الحسن بن عثمان بن بكران بن جابر العطار ، حَدَّثَنَا محمد بن الحسن النقاش ، حَدَّثَنَا جبريل بن مجاعة السمرقندي ، عن محمد بن عمرو ، عن عبد المجيد بن أبي رواد ، عن أبيه ، عن عطاء ، عنِ ابن عباس، رضي الله عنهما ، قَالَ: // 7 // قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: الجود موجود عند الله ، عز وجل، فجودوا يجود الله ، عز وجل، لكم. إلا أن الله ، عز وجل، خلق الجود ، فجعله في صورة رجل ، فجعل أسه راسخا في أصل شجرة طوبى ، وشبك أغصانها بأغصان شجرة المنتهى ، ودلى بعض أغصانها إلى الدنيا ، فمن يعلق بغصن منها أدخله الجنة ، ألا إن السخاء من الإيمان ، والإيمان في الجنة. وخلق البخل من مقته ، وجعل أسه راسخا في أصل شجرة الزقوم ، ودلى بعض أغصانها إلى الدنيا ، فمن يعلق بغصن منها أدخله النار

15 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَاسِبُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْمَدِينِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، رَفَعَ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: عِنْدَ اللهِ عز وجل خَزَائِنُ الْخَيْرِ وَالشَّرِّ، مَفَاتِيحُهُمَا الرِّجَالُ، فَطُوبَى لِمَنْ جَعَلَهُ مِفْتَاحا لِلْخَيْرِ مِغْلَاقًا لِلشَّرِّ، وَوَيْلٌ لِمَنْ جَعَلَهُ مِفْتَاحًا لِلشَّرِّ مِغْلَاقًا لِلْخَيْرِ.

آخر المنتخب من حديث أبي الفرج ، رحمه الله.
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ হাসান বিন উসমান বিন বাকরান বিন জাবির আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাসান আন-নাককাশ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জিবরীল বিন মাজাআহ আস-সামারকান্দি, মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, তিনি আব্দুল মাজীদ বিন আবি রাওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: // ৭ // আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "বদান্যতা মহান আল্লাহর নিকট বিদ্যমান, সুতরাং তোমরা বদান্যতা প্রদর্শন করো, মহান আল্লাহ তোমাদের প্রতি বদান্যতা প্রদর্শন করবেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ বদান্যতাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সেটিকে একজন মানুষের আকৃতি দান করেছেন। তিনি এর মূলকে তূবা বৃক্ষের মূলে প্রোথিত করেছেন এবং এর শাখাগুলোকে সিদরাতুল মুনতাহার শাখাগুলোর সাথে যুক্ত করেছেন। তিনি এর কিছু শাখা দুনিয়াতে ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এর কোনো শাখার সাথে যুক্ত হবে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। জেনে রেখো, উদারতা ঈমানের অংশ এবং ঈমান জান্নাতে থাকবে। আর তিনি কৃপণতাকে তাঁর ক্রোধ থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং এর মূলকে যাক্কুম বৃক্ষের মূলে প্রোথিত করেছেন। তিনি এর কিছু শাখা দুনিয়াতে ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এর কোনো শাখার সাথে যুক্ত হবে, তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।"

১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ওয়াররাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-হাসিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আলা বিন হাম্মাদ আন-নারসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমি উকবা বিন মুহাম্মদ আল-মাদিনিকে বলতে শুনেছি, তিনি আব্দুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল বিন সাদ আস-সাঈদী থেকে বর্ণনা করেন, যিনি হাদিসটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: "মহান আল্লাহর নিকট কল্যাণ ও অকল্যাণের ভাণ্ডারসমূহ রয়েছে, সেগুলোর চাবিকাঠি হলো মানুষ। সুতরাং সেই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ যাকে তিনি কল্যাণের চাবিকাঠি এবং অকল্যাণের প্রতিবন্ধক বানিয়েছেন। আর সেই ব্যক্তির জন্য ধ্বংস যাকে তিনি অকল্যাণের চাবিকাঠি এবং কল্যাণের প্রতিবন্ধক বানিয়েছেন।"

আবু আল-ফারাজ (রাহিমাহুল্লাহ) এর হাদিস থেকে নির্বাচিত অংশের সমাপ্তি।