(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: -)
بلغة الطالب الحثيث في صحيح عوالي الحديث لابن قدامة   (ابن قدامة)

القسم: كتب السنة


الكتاب: بلغة الطالب الحثيث في صحيح عوالي الحديث - مخطوط

المؤلف: أبو محمد موفق الدين عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة الجماعيلي المقدسي ثم الدمشقي الحنبلي، الشهير بابن قدامة المقدسي (ت 620هـ)

تخريج: الضياء المقدسي

ملاحظة: لا يوجد من المخطوط إلا الجزء الثاني والسابع فقط.

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 49

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে কুদামা রচিত সহীহ উচ্চসনদ বিশিষ্ট হাদীস অন্বেষণে আগ্রহী শিক্ষার্থীর পাথেয়   (ইবনে কুদামা)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: সহীহ উচ্চসনদ বিশিষ্ট হাদীস অন্বেষণে আগ্রহী শিক্ষার্থীর পাথেয় - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু মুহাম্মাদ মুওয়াফফাকুদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন কুদামা আল-জামায়িলি আল-মাকদিসি অতঃপর আদ-দামেশকি আল-হাম্বলি, যিনি ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি নামে প্রসিদ্ধ (মৃত ৬২০ হি.)

তাখরীজ: আদ-দিয়া আল-মাকদিসি

দ্রষ্টব্য: পাণ্ডুলিপিটি থেকে কেবল দ্বিতীয় ও সপ্তম খণ্ডই বিদ্যমান রয়েছে.

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদারি

[বইটি পাণ্ডুলিপি আকারে সংরক্ষিত]

পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৪৯

শামলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: بلغة الطالب الحثيث في صحيح عوالي الحديث - مخطوط

المؤلف: موفق الدين أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي

المتوفى: 620 هـ

تخريج: الضياء المقدسي

ملاحظة: لا يوجد من المخطوط إلا الجزء الثاني والسابع فقط.
গ্রন্থ: সহীহ উচ্চসনদযুক্ত হাদীসসমূহের বর্ণনায় আগ্রহী শিক্ষার্থীর পাথেয় - পাণ্ডুলিপি

লেখক: মুওয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসী

মৃত্যু: ৬২০ হিজরী

তাখরীজ: আদ-দিয়া আল-মাকদিসী

দ্রষ্টব্য: পাণ্ডুলিপিটির শুধুমাত্র দ্বিতীয় ও সপ্তম খণ্ডই বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١)
ق 1 (ب)

الجزء الثاني من بلغة الطالب الحثيث في صحيح عوالي الحديث

تخريج الشيخ الإمام الحافظ ضياء الدين أبي عبد الله محمد بن عبد الواحد بن أحمد المقدسي

من مسموعات خاله الشيخ العلامة موفق الدين أبي محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي

رواية الشيخ أبي الفداء إسماعيل بن عبد الرحمن بن عمر المنادي الحنبلي عنه

رواية الشيخ شهاب الدين أحمد أبي منصور الجوهري ، والحافظ القاسم بن محمد البرزالي عنه

رواية كاتبه عثمان بن محمد الديمي ، عن عبد الرحمن بن محمد الحسني (1) ، عن محمد بن إبراهيم الأنصاري ، عن إسماعيل بن عبد الرحمن

ــ

(1) طمس بالأصل والراجح عندي ما أثبت
পৃষ্ঠা ১ (খ)

'বুলগাতুত তালিবিল হাসিছ ফি সহিহ আওয়ালিল হাদিস' (সহিহ উচ্চ স্তরের হাদিসসমূহের বর্ণনায় আগ্রহী শিক্ষার্থীর পর্যাপ্ত পাথেয়)-এর দ্বিতীয় খণ্ড

শাইখ ইমাম হাফিজ জিয়াউদ্দীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আহমদ আল-মাকদিসি-র তাখরিজ (সংকলন)

তাঁর মামা শাইখুল আল্লামা মুয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি-র নিকট থেকে শ্রবণকৃত পাঠ (মাসমুয়াত) হতে

তাঁর নিকট থেকে শাইখ আবুল ফিদা ইসমাইল বিন আবদুর রহমান বিন উমর আল-মুনাদি আল-হাম্বলির বর্ণনা

তাঁর নিকট থেকে শাইখ শিহাবুদ্দীন আহমদ আবু মনসুর আল-জাওহারি এবং হাফিজ কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-বিরজালি-র বর্ণনা

এর লেখক উসমান বিন মুহাম্মদ আদ-দাইমি-র বর্ণনা, তিনি আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-হাসানি (১) হতে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-আনসারি হতে, তিনি ইসমাইল বিন আবদুর রহমান হতে।

—

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, আর আমার নিকট যা আমি সাব্যস্ত করেছি তাই অধিকতর সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢)
ق2 (أ)

بسم الله الرحمن الرحيم وبه نستعين

أخبرنا الشيخ العالم العامل شيخ الإسلام الأوحد الإمام موفق الدين أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي رحمه الله قراءةً عليه ونحن نسمع في يوم الثلاثاء سادس عشر ذي القعدة من سنة سبع وعشرة وستمائة بجامع دمشق حرسها الله تعالى وسائر بلاد الإسلام ، قيل له:

1- أخبركم أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سلمان ببغداد فأقر به ، أنبأ أبو محمد رزق الله بن عبد الوهاب التميمي قراءةً عليه ، أنبأ أبو جعفر محمد بن عمر البختري الرزاز ، ثنا محمد بن عبيد الله بن يزيد ، ثنا وهب بن جرير ، ثنا شعبة ، عن أبي بكر بن حفص ، عن الأغر ، عن أبي هريرة ، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: (توضؤا مما أنضجت النار) . صحيح أخرجه مسلم عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل ، عن الزهري ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن إبراهيم بن عبد الله بن قارظ - ويقال عبد الله بن إبراهيم - ، عن أبي هريرة ، ففي طريق العدد إلى أبي هريرة كأن شيخنا سمعه من مسلم ، ولله الحمد.

2- أخبرنا أبو المعالي أحمد بن عبد الغني بن محمد بن حنيفة الباجسراي (1) قراءةً عليه ، قيل له: أخبركم أبو الفضل محمد بن عبد السلام الأنصاري ، قال: أنبأ أبو القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله بن عبد الله بن محمد بن الحسين

ــ

(1) مرسومة بالأصل "الباحسراي" وأثبت "الباجسراي" لوجودها في الورقة 25 (أ) من الجزء السابع بالجيم ، والله أعلم
পৃষ্ঠা ২ (ক)

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করছি।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জ্ঞানপিপাসু আমলকারী শায়খ, শায়খুল ইসলাম, অদ্বিতীয় ইমাম মুয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)। ৬১৭ হিজরির যিলকদ মাসের ১৬ তারিখ মঙ্গলবার দামেস্কের জামে মসজিদে—আল্লাহ তায়ালা এই মসজিদ ও ইসলামের অন্যান্য সকল ভূখণ্ডকে হেফাযত করুন—তাঁর সামনে পাঠকালে আমরা শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হলো:

১- আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে আহমাদ ইবনে সালমান বাগদাদে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। আবু মুহাম্মদ রিযকুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আত-তামিমি তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-বাখতারি আর-রাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। শু'বা আবু বকর ইবনে হাফস থেকে, তিনি আল-আগার্র থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "আগুনে রান্না করা খাবার গ্রহণের কারণে অযু করো।" এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম এটি আব্দুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনে লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উমর ইবনে আব্দুল আযীয থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কারিয—মতান্তরে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম—থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আবু হুরায়রা (রা.) পর্যন্ত রাবী বা বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে আমাদের শায়খ যেন এটি সরাসরি ইমাম মুসলিমের নিকট থেকেই শুনেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলী আহমাদ ইবনে আব্দুল গনী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হানীফা আল-বাজিসরায়ী (১), তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে। তাঁকে বলা হলো: আবুল ফযল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-আনসারী কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন: আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি "আল-বাহিসরায়ী" লেখা রয়েছে, তবে সপ্তম খণ্ডের ২৫ (ক) নং পৃষ্ঠায় জীম (ج) সহকারে "আল-বাজিসরায়ী" থাকায় আমি তা-ই বহাল রেখেছি। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٣)
ق 2 (ب)

الحرفي ، ثنا أبو أحمد حمزة بن محمد بن العباس بن الفضل بن الحارث ، ثنا أبو عبد الله محمد بن عيسى بن حيان المدائني ، ثنا سفيان بن عيينة ، عن الزهري ، عن سالم ، عن أبيه قال: (رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح الصلاة حين يرفع يديه حتى يجاوز منكبيه ، وإذا أراد أن يركع ، وبعد ما يرفع من الركوع ، ولا يرفع بين السجدتين) . صحيح أخرجاه بمعناه من حديث الزهري. أخرجه مسلم عن محمد بن رافع ، عن حجين بن المثنى ، عن ليث بن سعد ، عن عقيل ، وعن محمد بن عبد الله بن قهزاد ، عن سلمة بن سليمان ، عن ابن المبارك ، عن يونس ، كلاهما عن الزهري ، عن سالم ، عن أبيه عبد الله بن عمر فهو عال كالذي قبله.

3- أخبرنا محمد بن عبد الباقي بن أحمد ، أنبأ أحمد بن الحسن بن خيرون ، أنبأ محمد بن عمر بن القاسم النرسي ، أنبأ أبو بكر محمد بن عبد الله الشافعي ، حدثني محمد بن بشر ، حدثني علي بن الجعد ، أنبأ شعبة ، أخبرني أبو صخرة جامع بن شداد ، قال: سمعت حران بن أبان يحدث أبا بردة في مسجد البصرة وأنا قائم معه ، أنه سمع عثمان بن عفان يحدث ، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (من أتم الوضوء كما أمر الله عز وجل فالصلوات الخمس كفارات لما بينهن) . هذا حديث صحيح أخرجه البخاري بمعناه عن سعد بن حفص ، عن شيبان ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن محمد بن إبراهيم التيمي ، عن معاذ بن عبد الرحمن ، عن حمران ، عن عثمان رضي الله عنه. ورواه مسلم عن عبيد الله بن معاذ ، عن أبيه ، عن شعبة ، وأخرجه بلفظ آخر عن أبي الطاهر أحمد

ق3 (أ)

بن عمرو ، ويونس بن عبد الأعلى ، عن عبد الله بن وهب ، عن عمرو بن الحارث، عن الحكم بن عبد الله ، عن نافع بن جبير ، وعبد الله بن أبي سلمة ، عن معاذ بن عبد الرحمن ، عن حمران ، فهو يعلو في روايتنا على هذه الرواية كالذي قبله.
পৃষ্ঠা ২ (খ)

আল-হারফি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ হামযা বিন মুহাম্মাদ বিন আব্বাস বিন ফাদল বিন হারিস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন হাইয়ান আল-মাদায়িনি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়ায়না, তিনি আয-যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি যখন সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর হাত দুটি তুলতেন এমনকি তা তাঁর দুই কাঁধকে অতিক্রম করত। আর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন এবং রুকু থেকে মাথা তোলার পর হাত তুলতেন, তবে দুই সাজদাহর মাঝে তিনি হাত তুলতেন না)। এটি সহীহ, তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) আয-যুহরির হাদীস থেকে এর অর্থগত বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন রাফে' থেকে, তিনি হুজাইন বিন আল-মুসান্না থেকে, তিনি লাইস বিন সা'দ থেকে, তিনি উকাইল থেকে, এবং মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন কাহযাদ থেকে, তিনি সালামাহ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তাঁরা উভয়েই আয-যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং এটি পূর্ববর্তীটির মতোই একটি উচ্চ পর্যায়ের সনদ।

৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকী বিন আহমাদ, সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন হাসান বিন খাইরুন, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন কাসিম আন-নারসি, সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ি, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বিশর, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-জাদ, সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাখরা জামি' বিন শাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমি হুমরান বিন আবানকে বসরার মসজিদে আবু বুরদার নিকট হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যখন আমি তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম, যে তিনি উসমান বিন আফফানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: (যে ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে পূর্ণাঙ্গরূপে ওযু করবে, তবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তাদের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহের কাফফারা হবে)। এটি একটি সহীহ হাদীস, বুখারী এটি অর্থগতভাবে সাদ বিন হাফস থেকে, তিনি শাইবান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি মুয়ায বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি হুমরান থেকে, তিনি উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি উবায়দুল্লাহ বিন মুয়ায থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এটি অন্য শব্দে আবু তাহির আহমাদ

পৃষ্ঠা ৩ (ক)

বিন আমর এবং ইউনুস বিন আব্দুল আলা থেকে, তাঁরা আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব থেকে, তিনি আমর বিন আল-হারিস থেকে, তিনি হাকাম বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফি' বিন জুবাইর ও আব্দুল্লাহ বিন আবি সালামাহ থেকে, তাঁরা মুয়ায বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি হুমরান থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আমাদের বর্ণনায় এটি এই বর্ণনার ওপর উচ্চ পর্যায়ের সনদ, যেমনটি এর পূর্ববর্তীটির ক্ষেত্রে ছিল।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٤)
4- قرئ على الشيخ الفقيه أبي حنيفة محمد بن عبيد الله بن علي بن عبيد الله الخطيبي (1) ونحن نسمع ببغداد ، أخبركم الأديب أبي مطيع محمد بن عبد الواحد بن عبد العزيز المصري ، ثنا الشيخ الحافظ أبو بكر أحمد بن موسى بن مردويه إملاءً ، ثنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم ، ثنا أبو العباس عبيد بن محمد بن يحيى بن قضاء الجوهري ، ثنا بكر بن يحيى بن زبان ، ثنا يعقوب بن مجاهد ، عن أبي الطفيل قال: أتيت حذيفة بن أسيد الغفاري رضي الله عنه ، فقلت: لقد سمعت ابن أم عبد يقول: الشقي من شقي في بطن أمه ، والسعيد من وعظ بغيره ، فأنكرت ذلك ، فقال له: وما تنكر من ذلك؟ إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (إن خلق أحدكم يجمع في بطن أمه خمسة وأربعين يوماً ، ثم يكون علقة مثل ذلك ، ثم يكون مضغة مثل ذلك ، ثم يبعث الله عز وجل إليه ملكاً ، فيقول: أكتب أجله ، ورزقه ، وعمله ، وشقياً أو سعيداً ، ثم يختم ذلك الكتاب ، فلا يزاد فيه ولا ينقص منه شيء إلى يوم القيامة) . هذا حديث صحيح من حديث أبي الطفيل عامر بن واثلة الكناني ، عن أبي سريحة حذيفة بن أسيد الغفاري ، انفرد مسلم بإخراجه ، فرواه عن محمد بن أبي خلف ، عن يحيى بن أبي بكير ، عن زهير بن معاوية

ــ

(1) هكذا بالأصل "عبيد الله" وفي الورقة السابعة (ب) من المخطوط "عبد الله" والله أعلم
৪- শায়খ আল-ফকিহ আবু হানিফা মুহাম্মদ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন আলী ইবন উবাইদুল্লাহ আল-খতিবি (১)-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা বাগদাদে তা শুনছিলাম; সাহিত্যিক আবু মুতি মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আব্দুল আজিজ আল-মিসরি আপনাদের জানিয়েছেন, শায়খ আল-হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবন মুসা ইবন মারদাওয়াইহ শ্রুতলিখন হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহিম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবুল আব্বাস উবাইদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন কদা আল-জাওহারি আমাদের বর্ণনা করেছেন, বকর ইবন ইয়াহইয়া ইবন যাবান আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব ইবন মুজাহিদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু তুফাইল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি হুজাইফা ইবন আসিদ আল-গিফারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আসলাম এবং বললাম: আমি ইবন উম্মে আবদকে বলতে শুনেছি: "হতভাগা সেই যে তার মায়ের গর্ভেই হতভাগা হয়েছে, আর সৌভাগ্যবান সেই যে অন্যকে দেখে উপদেশ গ্রহণ করে।" আমি বিষয়টি অস্বীকার করলাম (বিস্ময় প্রকাশ করলাম)। তখন তিনি তাকে বললেন: এতে তোমার অস্বীকার করার কী আছে? নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি তার মায়ের গর্ভে পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত একত্রিত করা হয়, এরপর সমপরিমাণ সময় তা রক্তপিণ্ড হিসেবে থাকে, এরপর সমপরিমাণ সময় তা গোশতপিণ্ড হিসেবে থাকে। অতঃপর আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা তার নিকট একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন এবং বলেন: তার আয়ু, তার রিজিক, তার আমল এবং সে কি হতভাগা নাকি সৌভাগ্যবান—তা লিখে দাও। অতঃপর সেই লিপিটি মোহর মেরে দেওয়া হয়, ফলে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাতে আর কোনো কিছু বৃদ্ধি করা হয় না এবং কোনো কিছু হ্রাস করাও হয় না।" এটি আবু তুফাইল আমির ইবন ওয়াছিলা আল-কিনানির সূত্রে আবু সারিহা হুজাইফা ইবন আসিদ আল-গিফারি থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি মুহাম্মদ ইবন আবু খালাফ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন আবু বুকাইর থেকে এবং তিনি যুহাইর ইবন মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই "উবাইদুল্লাহ" রয়েছে, তবে পাণ্ডুলিপির সপ্তম পাতার (খ)-তে "আব্দুল্লাহ" রয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
ق 3 (ب)

عن عبد الله بن عطاء ، عن عكرمة بن خالد ، عن أبي الطفيل. ففي العدد إلى أبي الطفيل كأن شيخنا سمعه من مسلم بن الحجاج ، والله المحمود.

5- أخبرنا أبو المكارم المبارك بن محمد الباداري قراءةً عليه ، قيل له أخبركم أبو غالب محمد بن الحسن الباقلاني ، أنبأ أبو عمرو عثمان بن محمد بن يوسف بن دوست ، أنبأ أبو بكر محمد بن عبد الله الشافعي ، ثنا محمد بن سليمان بن الحارث ، ثنا أبو نعيم ، ثنا سفيان ، عن عبد الله بن دينار ، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم (إن لكل غادر لواء يوم القيامة يعرف به) . صحيح أخرجه البخاري ومسلم وأبو داود والنسائي في كتبهم من حديث عبد الله بن دينار ، وفي بعض روايات النسائي أخرجه عن يزيد بن محمد بن عبد الصمد الدمشقي ، عن سلامة بن بشر بن بديل العددي الدمشقي ، عن يزيد بن السمط الصنعاني ، صنعاء دمشق ، عن الأوزاعي ، عن مالك ، عن عبد الله بن دينار ، فكأن شيخنا سمعه من النسائي من جهة العدد إلى عبد الله بن دينار ، والله المحمود.

6- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد قراءةً ، قيل له: أخبركم أبو الفضل محمد بن الحسن بن خيرون ، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان ، أنبأ أبو محمد عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم الخراساني المعدل ، ثنا ابن أبي العوام هو محمد بن أحمد الرياحي ، ثنا قريش ، عن الحسن ، عن أمه ، عن أم سلمة قالت: (كان عمار ينقل اللبن لمسجد النبي صلى الله عليه وسلم ، قال: فكان النبي صلى الله

ق 4 (أ)

عليه وسلم يمسح التراب عن صدره ويقول: ويحك يا ابن سمية تقتلك الفئة الباغية ، ويحك ابن سمية تقتلك الفئة الباغية مرتين) . صحيح من حديث الحسن بن أبي الحسن البصري ، انفرد بإخراجه مسلم ، فرواه بمعناه عن إسحاق بن منصور ، عن عبد الصمد ، عن شعبة ، عن خالد ، عن الحسن ، وسعيد ابني أبي الحسن ، عن أمهما خيرة ، عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم. فهو عال كالذي قبله.
পৃষ্ঠা ৩ (খ)

আবদুল্লাহ ইবনে আতা থেকে, তিনি ইকরামা ইবনে খালিদ থেকে, তিনি আবু তুফায়েল থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু তুফায়েল পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার দিক থেকে এটি এমন যেন আমাদের শায়খ এটি মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ থেকে শুনেছেন, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৫- আবুল মাকারিম আল-মুবারক ইবনে মুহাম্মদ আল-বাদারি আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তাকে বলা হলো: আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বাকিল্লানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে দাউস্ত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু নুয়াইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারীর জন্য একটি করে পতাকা থাকবে, যার মাধ্যমে তাকে চেনা যাবে।" এটি সহীহ, যা বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ এবং নাসায়ী তাদের কিতাবসমূহে আবদুল্লাহ ইবনে দীনারের হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ীর কিছু বর্ণনায় এটি ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সামাদ আদ-দিমাশকি থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে বিশর ইবনে বুদাইল আল-আদাদি আদ-দিমাশকি থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে সামত আস-সানআনি (দামেস্কের সানআ) থেকে, তিনি আওযায়ী থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আবদুল্লাহ ইবনে দীনার পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার বিচারে আমাদের শায়খ যেন এটি নাসায়ী থেকে শুনেছেন, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৬- আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে আহমদ আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তাকে বলা হলো: আবুল ফযল মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে খাইরুন আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-خুরাসানি আল-মুআদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল আবিল আওয়াম (যিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আর-রিয়াহি) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কুরাইশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাসান থেকে, তিনি তার মা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আম্মার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদের জন্য কাঁচা ইট বহন করছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

পৃষ্ঠা ৪ (ক)

তার বুক থেকে ধুলোবালি মুছে দিচ্ছিলেন এবং বলছিলেন: "হায় আফসোস হে সুমাইয়ার পুত্র! তোমাকে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে। হায় আফসোস সুমাইয়ার পুত্র! তোমাকে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে" - তিনি এটি দুইবার বললেন। এটি হাসান ইবনে আবিল হাসান আল-বসরীর হাদীস থেকে সহীহ, যা এককভাবে ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন। তিনি এর মর্মার্থ ইসহাক ইবনে মনসুর থেকে, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে, তিনি খালিদ থেকে, তিনি আবুল হাসানের দুই পুত্র হাসান ও সাঈদ থেকে, তারা তাদের মা খাইরা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এটি পূর্বেরটির মতোই একটি উচ্চ পর্যায়ের সনদ।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٦)
7- أخبرنا أبو بكر أحمد بن المقرب بن الحسين الكرخي ، أنبأ النقيب أبو الفوارس طراد بن محمد الزينبي ، أنبأ أبو الحسن علي بن عبد الله بن إبراهيم الهاشمي ، أنبأ محمد بن عمرو ، ثنا محمد بن عبيد الله ، ثنا يونس بن محمد ، ثنا أبو أويس ، عن ابن شهاب ، عن سالم ، وحمزة ابني عبد الله بن عمر ، عن أبيهما ، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (الشؤم في الفرس والمرأة والدار) . صحيح من حديث محمد بن مسلم بن شهاب ، أخرجه البخاري عن سعيد بن عفير ، عن ابن وهب ، عن يونس ، ورواه مسلم عن عمرو الناقد ، عن يعقوب بن إبراهيم ، عن أبيه ، عن صالح بن كيسان ، وعن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل ، ثلاثتهم عن الزهري. وأبو أويس اسمه عبد الله بن عبد الله بن أويس ، ورواه النسائي عن محمد بن نصر ، عن أيوب بن سليمان بن بلال ، عن أبي بكر بن أبي أويس ، عن سليمان بن بلال ، عن ابن أبي عتيق ، وموسى بن عقبة ، عن ابن شهاب الزهري. فشيخنا فيما يرجع إلى العدة (1) في هذه الطريق كأنه سمعه من النسائي.

ــ

(1) هكذا بالأصل
৭- আবু বকর আহমাদ বিন আল-মুকাররাব বিন আল-হুসাইন আল-কারখি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, নাকিব আবু আল-ফাওয়ারিস তরাদ বিন মুহাম্মাদ আল-যায়নাবি আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আল-হাসান আলি বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম আল-হাশিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন উবায়দুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইউনুস বিন মুহাম্মাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু উওয়াইস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম ও হামজা থেকে—যাঁরা আব্দুল্লাহ বিন উমরের দুই পুত্র—তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: (অশুভ লক্ষণ ঘোড়া, নারী ও বাসস্থানের মধ্যে রয়েছে)। এটি মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন শিহাবের বর্ণিত হাদিস থেকে সহিহ, ইমাম বুখারি এটি সাঈদ বিন উফাইর থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং ইমাম মুসলিম এটি আমর আন-নাকিদ থেকে, তিনি ইয়াকুব বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ বিন কাইসান থেকে এবং আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু উওয়াইসের নাম হলো আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উওয়াইস। ইমাম নাসাঈ এটি মুহাম্মাদ বিন নাসর থেকে, তিনি আইয়ুব বিন সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি আবু বকর বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি ইবনে আবি আতিক এবং মুসা বিন উকবা থেকে, তাঁরা ইবনে শিহাব আল-যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের শাইখ বর্ণনাকারীর সংখ্যার (১) ক্ষেত্রে এই সনদে এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যেন তিনি এটি নাসাঈর থেকে শুনেছেন।

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
ق 4 (ب)

8- أخبرنا أبو المعالي أحمد بن عبد الغني بن محمد بن حنيفة الباجسراي ، أنبأ أبو غالب محمد بن الحسين بن أحمد البقال ، أنبأ أبو عبد الله بن الحسين بن إسماعيل المحاملي ، أنبأ أبو بكر محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي ، ثنا موسى بن إسماعيل ، ثنا علي بن عاصم ، ثنا حميد الطويل ، عن أنس بن مالك ، عن أبي بن كعب قال: (قرأت آية من كتاب الله ، فقرأها رجل إلى جنبي على غير ما قرأت ، فقلت: من أقرأكها؟ قال: النبي صلى الله عليه وسلم ، فحاك في صدري ، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم ، فقلت: ألم تقرئني كذا وكذا؟ قال: بلى ، قال الرجل: ألم تقرئني كذا وكذا؟ ، قال بلى ، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: أتاني (1) جبريل فقعد عن يميني ، وقعد ميكائيل عن يساري ، فقال: جبريل اقرأ القرآن على حرف ، فقال ميكائيل: استزده ، قال: اقرأه على حرفين ، قال ميكائيل: استزده ، قال: اقرأه على ثلاثة أحرف ، فقال ميكائيل: استزده ، فقال: اقرأه على سبعة أحرف كلها كاف شاف) . انفرد مسلم بإخراجه فرواه بمعناه ، وربما اختلفت ألفاظه عن عبيد الله بن معاذ العنبري ، عن أبيه ، عن شعبة ، عن الحكم ، عن مجاهد ، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى ، عن أبي بن كعب رضي الله عنه ، ففي هذه الطريق إلى أبي بن كعب كأن شيخنا سمعه من مسلم ، ولله الحمد والمنة.

9- أخبرنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن السكن بقراءتي عليه ببغداد ، قلت له: أخبركم أبو الخطاب نصر بن أحمد بن عبد الله بن البطر ، أنبأ أبو محمد عبد الله بن يحيى بن عبيد الله بن زكريا البيع ، ثنا

ــ

(1) مكتوب أصل المخطوطة "أتاه" وفي الهامش الأيسر " صوابه أتاني" فأثبت الصواب

৮- আবু আল-মাআলি আহমাদ বিন আব্দ আল-গণি বিন মুহাম্মাদ বিন হানিফা আল-বাজিসরাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু গালিব মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ আল-বাক্কাল আমাদের জানিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফেঈ আমাদের জানিয়েছেন, মুসা বিন ইসমাইল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আলি বিন আসিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হুমাইদ আত-তবিল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (উবাই) বলেন: (আমি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি আয়াত পাঠ করলাম, তখন আমার পাশের এক ব্যক্তি আমি যেভাবে পড়েছি তার থেকে ভিন্নভাবে তা পাঠ করল। আমি তাকে বললাম: কে তোমাকে এটি শিক্ষা দিয়েছে? সে বলল: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন আমার মনে খটকা (সন্দেহ) সৃষ্টি হলো। ফলে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং বললাম: আপনি কি আমাকে এভাবে এবং এভাবে পড়াননি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। ওই ব্যক্তি বলল: আপনি কি আমাকে এভাবে এবং এভাবে পড়াননি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: জিবরাঈল আমার (১) নিকট আসলেন এবং আমার ডানে বসলেন, আর মিকাইল আমার বামে বসলেন। তখন জিবরাঈল বললেন: কুরআন এক হরফে (পদ্ধতিতে) পাঠ করুন। মিকাইল বললেন: এর চেয়ে বৃদ্ধি করতে বলুন। তিনি বললেন: দুই হরফে পাঠ করুন। মিকাইল বললেন: বৃদ্ধি করতে বলুন। তিনি বললেন: তিন হরফে পাঠ করুন। মিকাইল বললেন: বৃদ্ধি করতে বলুন। পরিশেষে তিনি বললেন: সাত হরফে পাঠ করুন, যার প্রতিটিই যথেষ্ট এবং আরোগ্যদায়ক)। ইমাম মুসলিম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এর মর্মার্থ বর্ণনা করেছেন। হয়তো উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ আল-আম্বারি, তার পিতা থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত সূত্রে শব্দগুলোতে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। উবাই ইবনে কাব পর্যন্ত পৌঁছানোর এই সূত্রে মনে হচ্ছে আমাদের শায়খ এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন। আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

৯- আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আস-সাকান বাগদাদে আমার নিকট তার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাকে বললাম: আবু আল-খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বাত্তার কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন উবাইদুল্লাহ বিন জাকারিয়া আল-বায়ি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন...

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'আতাহু' (তার কাছে আসলেন) লেখা আছে এবং বাম পার্শ্বটীকায় লেখা আছে 'সঠিক হলো আতানি' (আমার কাছে আসলেন), তাই আমি সঠিকটিই স্থাপন করেছি।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
ق 5 (أ)

أبو عبد الله الحسين بن إسماعيل المحاملي إملاءً ، ثنا محمد بن حسان ، ثنا يحيى بن سعيد ، عن عبد الرحمن بن حميد قال: سمعت عمر بن عبد العزيز يسأل السائب بن يزيد ، ما سمعت بالسكنى بمكة؟ قال: حدثني العلاء بن الحضرمي (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص للمتاجر ثلاثة أيام بعد الصدر) . صحيح من حديث السائب بن يزيد أخرجه البخاري عن إبراهيم بن حمزة ، عن حاتم بن إسماعيل ، ورواه مسلم عن حسن بن علي الحلواني ، وعبد بن حميد ، عن السائب بن يزيد ، وعن إسحاق بن راهويه ، عن عبد الرزاق ، عن ابن جريج ، عن إسماعيل بن محمد بن سعد ، عن حميد بن عبد الرحمن ، عن السائب أيضاً ، وعن حجاج بن الشاعر ، عن أبي عاصم ، عن ابن جريج ، ووقع لنا عاليا من حديث يحيى بن سعيد ، عن عبد الرحمن بن حميد. ففي طرق مسلم الثلاثة كأن شيخنا سمعه منه.

10- أخبرنا محمد بن محمد بن السكن ، أنبأ نصر بن أحمد بن البطر ، أنبأ عبد الله بن يحيى ، ثنا الحسين ، ثنا يوسف ، ثنا إسحاق الرازي ، ثنا أبو يعلى الطائفي ، عن عبد ربه بن الحكم (1) ، عن عثمان بن العاص (2) قال: (كان آخر ما عهد إلي (3) رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أخفف الصلاة على الناس) . أخرجه مسلم بمعناه عن أبي موسى محمد بن المثنى ، ومحمد بن بشار ، كلاهما عن محمد بن جعفر ، عن شعبة ، عن عمرو بن مرة ، عن سعيد بن المسيب ، عن عثمان بن أبي العاص ، ووقع لنا علينا من حديث عبد ربه بن الحكم ، عنه ، ففي

ــ

(1) بالأصل "أبو يعلى الطائفي عبد ربه بن الحكم" والصحيح ما أثبت والحديث في مسند أحمد "عن عبد الله بن الحكم ، عن عثمان بن أبي العاص " والله أعلم

(2) مصححة بالهامش الأيمن "عثمان بن أبي العاص"

(3) مكتوب بأصل السطر "التي" وبالهامش "إليًّ أصح) فأثبت الصحيح
ক ৫ (অ)

আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল আল-মাহামিলি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন হাসান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, আব্দুর রহমান বিন হুমাইদ হতে, তিনি বলেন: আমি উমর বিন আব্দুল আজিজকে আস-সাইব বিন ইয়াজিদকে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি যে, মক্কায় অবস্থান সম্পর্কে আপনি কী শুনেছেন? তিনি বললেন: আমার কাছে আল-আলা বিন আল-হাদরামি বর্ণনা করেছেন যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যবসায়ীদের জন্য সদরের [মিনা হতে প্রত্যাবর্তনের] পর তিন দিন অবস্থানের অনুমতি দিয়েছেন)। এটি আস-সাইব বিন ইয়াজিদের হাদিস থেকে সহিহ, যা ইমাম বুখারী ইবরাহিম বিন হামজা হতে, তিনি হাতেম বিন ইসমাঈল হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি হাসান বিন আলী আল-হুলওয়ানি এবং আব্দ বিন হুমাইদ হতে, তারা আস-সাইব বিন ইয়াজিদ হতে; এবং ইসহাক বিন রাহওয়াইহ হতে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক হতে, তিনি ইবন জুরাইজ হতে, তিনি ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন সা'দ হতে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান হতে, তিনিও আস-সাইব হতে; এবং হাজ্জাজ বিন আশ-শা'ইর হতে, তিনি আবু আসিম হতে, তিনি ইবন জুরাইজ হতে বর্ণনা করেছেন। আর এটি আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হতে, আব্দুর রহমান বিন হুমাইদ-এর হাদিস থেকে উন্নত সনদে পৌঁছেছে। ফলে মুসলিমের তিনটি সূত্রের ক্ষেত্রে মনে হয় যেন আমাদের শাইখ এটি তাঁর থেকে শুনেছেন।

১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আস-সাকান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসর বিন আহমাদ বিন আল-বাতর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক আর-রাজি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা আত-তাইফি, আব্দ রাব্বিহি বিন আল-হাকাম (১) হতে, উসমান বিন আল-আস (২) হতে, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার প্রতি সর্বশেষ যে নির্দেশ (৩) দিয়েছিলেন তা হলো আমি যেন মানুষের জন্য সালাত সংক্ষিপ্ত করি)। ইমাম মুসলিম এটি এর মর্মার্থসহ আবু মুসা মুহাম্মাদ বিন আল-মুসান্না এবং মুহাম্মাদ বিন বাশার হতে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে মুহাম্মাদ বিন জাফর হতে, তিনি শু'বাহ হতে, তিনি আমর বিন মুররাহ হতে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব হতে, তিনি উসমান বিন আবি আল-আস হতে। আর এটি আমাদের কাছে উন্নত সনদে আব্দ রাব্বিহি বিন আল-হাকাম হতে, তাঁর থেকে পৌঁছেছে, ফলে

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে "আবু ইয়ালা আত-তাইফি আব্দ রাব্বিহি বিন আল-হাকাম", তবে সঠিক সেটিই যা আমি পাঠে সাব্যস্ত করেছি। আর হাদিসটি মুসনাদে আহমাদে রয়েছে "আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকাম হতে, তিনি উসমান বিন আবি আল-আস হতে" সূত্রে। আল্লাহই ভালো জানেন।

(২) ডান পার্শ্বের মার্জিনে সংশোধিত: "উসমান বিন আবি আল-আস"

(৩) মূল চরণে লিখিত ছিল "আল্লাতি", আর মার্জিনে "ইলাইয়্যা" (আমার প্রতি) অধিকতর সঠিক হিসেবে লেখা ছিল, তাই আমি সঠিকটিই পাঠে সাব্যস্ত করেছি।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
ق 5 (ب)

طريق العدد إلى عثمان كأن شيخنا سمعه من مسلم ، وكأن في سماع شيخنا عثمان بن العاص

11- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سلمان قراءةً عليه ، قيل: أخبركم جمال الإسلام أبو محمد رزق الله بن عبد الوهاب بن عبد العزيز التميمي قراءةً ، قال: أنبأ أبو الحسين علي بن محمد بن عبد الله بن بشران المعدل ، ثنا أبو جعفر محمد بن عمرو بن البختري ، ثنا عبد الرحمن بن محمد بن منصور الحارثي ، ثنا يحيى بن سعيد القطان ، ثنا خثيم بن عراك ، ثنا أبي ، عن أبي هريرة ، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (ليس على المرء المسلم في فرسه ولا مملوكه صدقة) . صحيح من حديث عراك بن مالك الغفاري ، عن أبي هريرة. أخرجه البخاري عن آدم ، عن شعبة ، عن عبد الله بن دينار ، عن سليمان بن يسار ، وعن مسدد ، عن يحيى القطان ، عن خثيم بن عراك، ورواه مسلم من طرق أحدها عن عمرو الناقد ، وزهير بن حرب ، عن سفيان بن عيينة ، عن أيوب بن موسى ، عن مكحول ، عن سليمان بن يسار ، كلاهما عن عراك بن مالك ، ففي رواية سفيان بن عيينة كأن شيخنا سمعه من مسلم ووقع لنا بدلاً عالياً من رواية القطان ، ولله الحمد والمنة.

12- أخبرنا الإمام أبو بكر عبد الله بن محمد بن أحمد بن النقور قراءةً عليه ، قيل له: أخبركم أبو بكر أحمد بن المظفر بن موسى التمار ، انبأ أبو علي الحسين بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان البزاز ، أنبأ أبو سهيل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان ، ثنا إسماعيل بن إسحاق القاضي
পৃষ্ঠা ৫ (খ)

উসমানের কাছে পৌঁছানোর গণনার সূত্রটি এমন যেন আমাদের শাইখ এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন, আর মনে হচ্ছে আমাদের শাইখের শ্রবণের মধ্যে উসমান ইবনুল আস রয়েছেন।

১১- আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবন আব্দুল বাকি ইবন আহমাদ ইবন সালমান আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, বলা হয়েছে: জামালুল ইসলাম আবু মুহাম্মদ রিজকুল্লাহ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন আব্দুল আজিজ আত-তামিমি আপনাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বিশরান আল-মুয়াদ্দিল, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আমর ইবনুল বাখতারি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মদ ইবন মানসুর আল-হারিসি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবন সাইদ আল-কাত্তান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খুসাইম ইবন আরাক, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার পিতা, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: (একজন মুসলিম ব্যক্তির ওপর তার ঘোড়া বা দাসের জন্য কোনো সদকা নেই)। এটি আরাক ইবন মালিক আল-গিফারির সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিসটি সহিহ। এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন আদম থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন দিনার থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসার থেকে। এবং মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া আল-কাত্তান থেকে, তিনি খুসাইম ইবন আরাক থেকে। মুসলিমও এটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে একটি হলো আমর আন-নাকিদ ও জুহাইর ইবন হারব থেকে, তাঁরা সুফিয়ান ইবন উয়াইনা থেকে, তিনি আইয়ুব ইবন মুসা থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসার থেকে—তাঁদের উভয় বর্ণনাই আরাক ইবন মালিক থেকে এসেছে। সুফিয়ান ইবন উয়াইনার বর্ণনায় এমন মনে হয় যেন আমাদের শাইখ এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন। আর কাত্তানের বর্ণনা থেকে আমাদের নিকট একটি উচ্চ পর্যায়ের বিকল্প সূত্র (বদল আলিন) পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

১২- ইমাম আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবনুন নাক্কুর আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, তাঁকে বলা হয়েছে: আবু বকর আহমাদ ইবনুল মুজাফফর ইবন মুসা আত-তাম্মার আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হুসাইন ইবন আহমাদ ইবন ইব্রাহিম ইবন শাযান আল-বায্যায, সংবাদ দিয়েছেন আবু সুহাইল আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন যিয়াদ আল-কাত্তান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাইল ইবন ইসহাক আল-কাদি
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
ق 6 (أ)

، ثنا عبد الله بن مسلمة ، عن مالك ، عن نافع ، عن ابن عمر قال: (طلق ابن عمر امرأته وهي حائض ، فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك ، فقال: مره فليراجعها ، ثم ليمسكها حتى تطهر ، ثم تحيض ثم تطهر ، ثم إن شاء طلق) . صحيح أخرجه البخاري عن عبد الله بن يوسف ، ومسلم عن يحيى بن يحيى ، كلاهما عن مالك. وأخرجاه بمعناه من حديث سالم ، عن أبيه. أخرجه البخاري عن محمد بن أبي يعقوب الكرماني ، عن حسان بن إبراهيم ، عن يونس بن يزيد. ورواه مسلم عن إسحاق بن (1) منصور ، عن يزيد بن عبد ربه الجرجسي ، عن محمد بن حرب ، عن محمد بن الوليد الزبيدي. وعن عبد بن حميد ، عن يعقوب بن إبراهيم ، عن محمد بن عبد الله بن مسلم بن أخي ابن شهاب ، ثلاثتهم عن ابن شهاب الزهري ، عن سالم. فهو عالٍ لنا على رواية مسلم في هذه الرواية كما تقدم.

13- أخبرنا أبو بكر ، أنبأ أبو بكر ، أنبأ أبو علي ، أنبأ أبو سهل ، أنبأ إسماعيل ، ثنا أبو مصعب ، ثنا مالك ، عن نافع ، عن عبد الله بن عمر ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (ما حق امرئ مسلم ، يعني له شيء يوصي فيه يبيت ليلتين إلا ووصيته مكتوبة عنده) . سقط من شيخه السماع له فقط. صحيح أنفرد به البخاري من هذه الرواية ، فأخرجه عن عبد الله بن يوسف ، عن مالك. ورواه مسلم من طريق سالم ، عن أبيه ، فرواه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل بن خالد ، عن الزهري ، عن سالم ، فهو يعلو على رواية مسلم كما تقدم.

14- أخبرنا الشيخ أبو الحسين

ــ

(1) لفظة "بن" غير موجودة بالأصل
পৃষ্ঠা ৬ (ক)

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মাসলামাহ, তিনি মালিক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (ইবনে উমর তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তাকে নির্দেশ দাও সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, তারপর সে যেন তাকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত নিজের কাছে রাখে, এরপর পুনরায় ঋতুস্রাব হবে এবং সে পবিত্র হবে, অতঃপর চাইলে সে তালাক দিতে পারে)। এটি সহীহ। ইমাম বুখারী এটি আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ থেকে এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই ইমাম মালিক থেকে। তাঁরা উভয়েই হাদীসটি সমমর্মে সালেম থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এটি মুহাম্মদ বিন আবু ইয়াকুব আল-কিরমানী থেকে, তিনি হাসান বিন ইব্রাহীম থেকে, তিনি ইউনুস বিন ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক বিন (১) মানসূর থেকে, তিনি ইয়াযীদ বিন আবদে রাব্বিহি আল-জুরজাসি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন হারব থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ওয়ালীদ আয-যুবাইদী থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আবদ বিন হুমাইদ থেকে, তিনি ইয়াকুব বিন ইব্রাহীম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন আখী ইবনে শিহাব থেকে; তাঁরা তিনজনই ইবনে শিহাব আয-যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আমাদের এই বর্ণনাটি ইমাম মুসলিমের বর্ণনার তুলনায় উচ্চতর (আলী), যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর, আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী, আমাদের অবহিত করেছেন আবু সাহল, আমাদের অবহিত করেছেন ইসমাঈল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি নাফে থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য সমীচীন নয় যে—যার নিকট অসিয়ত করার মতো কিছু রয়েছে—সে দুই রাত অতিবাহিত করবে অথচ তার নিকট তার লিখিত অসিয়তনামা থাকবে না)। তাঁর উস্তাদ থেকে কেবলমাত্র শ্রবণ (সামা) বিষয়টি বাদ পড়েছে। হাদীসটি সহীহ, ইমাম বুখারী এককভাবে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ থেকে, তিনি ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি সালেমের সূত্রে তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল বিন খালিদ থেকে, তিনি আয-যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং এটি ইমাম মুসলিমের বর্ণনার চেয়ে উচ্চতর (আলী), যেমনটি পূর্বে গত হয়েছে।

১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হুসাইন

──

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে "বিন" শব্দটি নেই।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
ق 6 (ب)

عبد الحق بن عبد الخالق بن أحمد بن عبد القادر بن محمد بن يوسف بقراءتي عليه سنة ثمان وستين وخمسمائة ببغداد ، قلت له: أخبركم أبو الحسين المبارك بن عبد الجبار قراءةً عليه ، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن محمد بن شاذان البزاز ، أنبأ أبو بكر أحمد بن سليمان بن أيوب بن إسحاق بن عبدة بن الربيع بن صبيح العباداني ، ثنا علي بن حرب بن محمد بن علي الطائي ، ثنا سفيان ، ثنا الزهري ، عن عروة ، عن زينب بنت أم سلمة ، عن حبيبة ، عن زينب بنت جحش (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استيقظ من نومه محمر الوجه ، وهو يقول: ويل للعرب من شرٍ قد اقترب ، فتح من ردم يأجوج ومأجوج مثل هذا ، وعقد سفيان عشرة ، قلت: يا رسول الله أنهلك وفينا الصالحون؟ قال: نعم ، إذا كثر الخبث) . هذا حديث صحيح من حديث الزهري ، أخرجه البخاري من طرق أحدها عن إسماعيل بن أبي أويس ، عن أخيه عبد الحميد ، عن سليمان بن بلال ، عن محمد بن أبي عتيق. وعن مالك بن إسماعيل ، عن سفيان بن عيينة. ورواه مسلم عن عبد الملك بن شعيب بن الليث ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل بن خالد ، وعن عمرو الناقد ، عن يعقوب ، عن أبيه ، عن صالح بن كيسان ، كلهم عن الزهري ، عن عروة بن الزبير ، عن زينب بنت أبي سلمة ، عن أم حبيبة بنت أبي سفيان ، عن زينب بنت جحش ، فبين البخاري في وراية إسماعيل وبين الزهري أربعة أنفس ، وبيننا وبينه ستة
ফোলিও ৬ (খ)

আব্দুল হক বিন আব্দুল খালেক বিন আহমদ বিন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ-এর নিকট ৫৬৮ হিজরিতে বাগদাদে আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আবুল হুসাইন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আপনার নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন শাযান আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব বিন ইসহাক বিন আবদাহ বিন আর-রবি বিন সবিহ আল-আবাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন হারব বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আয-যুহরি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নব বিনতে উম্মে সালামাহ থেকে, তিনি হাবিবা থেকে, তিনি যয়নব বিনতে জাহশ থেকে বর্ণনা করেন যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘুম থেকে রক্তিম মুখমণ্ডল নিয়ে জাগ্রত হলেন এবং বলছিলেন: নিকটবর্তী এক অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য। ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে আজ এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে, আর সুফিয়ান দশের (আঙুলের) সংকেত দেখালেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের মাঝে পুণ্যবান ব্যক্তিরা থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে)। এটি আয-যুহরির হাদিস সম্বলিত একটি সহিহ হাদিস, যা ইমাম বুখারি বিভিন্ন সূত্রে বের করেছেন, যার একটি হলো ইসমাইল বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই আব্দুল হামিদ থেকে, তিনি সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবি আতিক থেকে। এছাড়াও মালিক বিন ইসমাইল থেকে, তিনি সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল বিন খালিদ থেকে; এবং আমর আন-নাকিদ থেকে, তিনি ইয়াকুব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ বিন কায়সান থেকে, তাঁরা সকলেই আয-যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ বিন আল-যুবায়ের থেকে, তিনি যয়নব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা বিনতে আবি সুফিয়ান থেকে, তিনি যয়নব বিনতে জাহশ থেকে বর্ণনা করেছেন। অতএব, ইসমাইলের বর্ণনায় বুখারি এবং যুহরির মাঝে চারজন ব্যক্তি রয়েছেন, আর আমাদের এবং তাঁর মাঝে ছয়জন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
ق 7 (أ)

أنفس ، وكذلك مسلم فهو عالٍ كما تقدم ، ووقع في نسخة سماعنا بعض الإحتال (1) فإن سفيان بن عيينة في غالب رواياته رواه عن الزهري ، عن عروة ، عن زينب ، عن حبيبة ، عن أم حبيبة ، عن زينب. كذلك رواه مسلم عن أبي بكر بن أبي شيبة ، وسعيد بن الأشعثي ، وزهير بن حرب ، عنه. ففي روايته أربع نسوة من الصحابة ، زوجتا رسول الله صلى الله عليه وسلم وربيبتاه ، وأما رواية صالح ويونس وعقيل وشعيب فرووه عن الزهري ولم يذكروا حبيبة ، وكذلك رواه مالك بن إسماعيل ، عن سفيان.

15- أخبرنا به عمر بن بنيمان (2) بن عمر ، أنبأ الحسين بن علي بن أحمد بن البسري ، أنبأ عبد الله بن يحيى السكري ، أنبأ إسماعيل بن محمد الصفار ، ثنا سعدان ، ثنا سفيان ، عن الزهري ، عن عروة ، عن زينب بنت أم سلمة ، عن حبيبة ، عن أمها أم حبيبة ، عن زينب زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت: (استيقظ النبي صلى الله عليه وسلم من نومه محمراً وجهه وهو يقول: لا إله إلا الله ، ثلاث مرات ، ويل للعرب من شر قد اقترب ، فتح من ردم يأجوج ومأجوج مثل هذه ، وحلق حلقة بإصبعه ، قلت: يا رسول الله أنهلك وفينا الصالحون؟ قال: نعم ، إذا كثر الخبث)

16- أخبرنا أبو الحسين عبد الحق ، أنبأ أبو الحسين المبارك ، أنبأ أبو علي الحسن ، أنبأ أبو بكر أحمد ، ثنا علي ، ثنا محمد بن فضيل ، عن عبيدة ، عن إبراهيم ، أن الأسود ، عن عائشة قالت: (كان (3) رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم ، وكان

ــ

(1) هكذا بالأصل لعلها "الاختلال"

(2) هكذا بالأصل

(3) كلمة "كان " مكررة بالأصل
ক ৭ (অ)

প্রাণের জন্য, এবং একইভাবে মুসলিম-এর বর্ণনাটিও উচ্চমানের যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের শ্রবণকৃত কপিতে কিছুটা বিচ্যুতি (১) ঘটেছে। কারণ সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ তাঁর অধিকাংশ বর্ণনায় এটি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নব থেকে, তিনি হাবিবা থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি যয়নব থেকে বর্ণনা করেছেন। একইভাবে মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবা, সাঈদ ইবনে আশআসি এবং জুহাইর ইবনে হারব থেকে, তাঁর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং তাঁর বর্ণনায় সাহাবীদের মধ্য থেকে চারজন নারী রয়েছেন—আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুজন স্ত্রী এবং তাঁর দুজন পালিতা কন্যা। অন্যদিকে সালিহ, ইউনুস, আকিল এবং শুআইবের বর্ণনায় তাঁরা এটি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু হাবিবার কথা উল্লেখ করেননি। একইভাবে মালিক ইবনে ইসমাইল সুফিয়ান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

১৫- উমর ইবনে বুনাইমান (২) ইবনে উমর আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনুল বুসরি আমাদের জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুক্কারি আমাদের জানিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের জানিয়েছেন, সা'দান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি উম্মে সালামার কন্যা যয়নব থেকে, তিনি হাবিবা থেকে, তিনি তাঁর মা উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী যয়নব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘুম থেকে আরক্ত মুখে জাগ্রত হলেন এবং বলছিলেন: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনবার বললেন, নিকটবর্তী এক অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য, আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর থেকে এই পরিমাণ উন্মুক্ত হয়েছে—এই বলে তিনি তাঁর আঙুল দিয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।)

১৬- আবুল হুসাইন আবদুল হক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হুসাইন আল-মুবারক আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আহমদ আমাদের জানিয়েছেন, আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উবাইদাহ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় চুমু দিতেন, এবং তিনি ছিলেন (৩)

--

(১) মূল কপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি "বিচ্যুতি" হবে।

(২) মূল কপিতে এভাবেই আছে।

(৩) "ছিলেন" শব্দটি মূল কপিতে দুবার এসেছে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
ق 7 (ب)

أملككم لإربه) . وقال علي ، ثنا يعلي بن عبيد ، عن سليمان ، عن إبراهيم ، عن مسروق ، عن عائشة قالت: (كان النبي صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم ، وكان أملككم لإربه) . هذا حديث صحيح رواه جماعة عن عائشة ، وهو مخرج في الصحيح من روايتهم مثل علقمة والأسود ومسروق وعروة بن الزبير ، وفي بعض ورواية مسلم والنسائي ، أخرجه مسلم عن أبي بكر بن أبي شيبة ، عن الحسن بن موسى الأشيب ، وأخرجه النسائي عن محمد بن سهل بن عسكر ، عن عبيد الله بن موسى العبسي ، كلاهما عن شيبان بن عبد الرحمن النحوي ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن عروة ، عن عائشة ، ففي طريق العدد كأن شيخنا سمعه من مسلم وأبي عبد الرحمن النسائي ، وقد أخرجناه في الجزء الأول أعلى من هذه الرواية.

17- أخبرنا عبد الحق ، أنبأ المبارك ، أنبأ الحسن ، ثنا محمد هو ابن عبد الملك الدقيقي ، ثنا أبو علي الحنفي ، ثنا رباح بن أبي معروف ، عن عطاء ، عن جابر قال: (نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن كري الأرض) . صحيح أخرجاه بألفاظ مختلفة ، وأخرجه مسلم بهذا اللفظ عن إسحاق بن منصور ، عن عبيد الله بن عبد الحميد أبي علي الحنفي ، فوقع لنا بدلاً عالياً ، وأخرجه بلفظ آخر وهو (نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أو يوجد الأرض أجراء وحظ) (1) ، عن محمد بن حاتم ، عن معلى بن منصور ، عن خالد الواسطي ، عن أبي إسحاق الشيباني ، عن بكير بن

ق 8 (أ)

الأخنس ، عن عطاء بن أبي رباح ، عن جابر بن عبد الله ، فهو يعلو من هذه الطريق كغيره من الأحاديث المتقدمة.

ــ

(2) هكذا بالأصل
পৃষ্ঠা ৭ (খ)

তোমাদের মধ্যে তাঁর প্রবৃত্তির ওপর সর্বাধিক নিয়ন্ত্রণকারী ছিলেন)। এবং আলী বলেছেন, ইয়ালা ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় চুম্বন করতেন এবং তিনি তোমাদের মধ্যে তাঁর প্রবৃত্তির ওপর সর্বাধিক নিয়ন্ত্রণকারী ছিলেন)। এটি একটি সহীহ হাদিস যা একদল বর্ণনাকারী আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি আলকামা, আসওয়াদ, মাসরুক এবং উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর প্রমুখের বর্ণনায় সহীহ কিতাবসমূহে সংকলিত হয়েছে। মুসলিম ও নাসাঈর কোনো কোনো বর্ণনায় রয়েছে যে, মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি হাসান ইবনে মুসা আল-আশিব থেকে বর্ণনা করেছেন। আর নাসাঈ এটি মুহাম্মদ ইবনে সাহল ইবনে আসকার থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আল-আবসি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই শাইবান ইবনে আবদুর রহমান আন-নাহবি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি উমর ইবনে আবদুল আজিজ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারীদের সংখ্যার পরম্পরায় মনে হয় যেন আমাদের শাইখ এটি মুসলিম এবং আবু আবদুর রহমান আন-নাসাঈর নিকট থেকে শুনেছেন। আর আমরা এটি প্রথম খণ্ডে এই বর্ণনার চেয়েও উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছি।

১৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল হক, আমাদের জানিয়েছেন মুবারক, আমাদের জানিয়েছেন হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ—যিনি ইবনুল মালিক আদ-দাকিকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হানাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাবাহ ইবনে আবি মারুফ, তিনি আতা থেকে এবং তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি ইজারা দিতে নিষেধ করেছেন)। এটি সহীহ, তাঁরা উভয়ই (বুখারি ও মুসলিম) এটি ভিন্ন ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এই শব্দে এটি ইসহাক ইবনে মানসুর থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হামিদ আবু আলী আল-হানাফি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ (বদল-এ-আলী) হিসেবে পৌঁছেছে। এবং তিনি এটি অন্য শব্দেও বর্ণনা করেছেন, যা হলো (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি ইজারা দিতে অথবা এর বিনিময় নির্ধারণ করতে নিষেধ করেছেন) (১), এটি মুহাম্মদ ইবনে হাতিম থেকে, তিনি মুআল্লা ইবনে মানসুর থেকে, তিনি খালিদ আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি আবু ইসহাক আশ-শায়বানি থেকে, তিনি বুকাইর ইবনুল

পৃষ্ঠা ৮ (ক)

আখনেস থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে এবং তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং পূর্ববর্তী হাদিসগুলোর ন্যায় এই সূত্রের মাধ্যমেও এটি উচ্চতর স্তরে পৌঁছেছে।

--

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
18- قرئ على الشيخ الأجل أبي حنيفة محمد بن عبيد الله بن علي بن عبد الله الخطيبي (1) ، وأنا أسمع سنة اثنين وستين وخمسمائة ، أخبركم الشيخ أبو مطيع محمد بن عبد الواحد بن عبد العزيز المصري ، في صفر سنة خمس وتسعين وأربعمائة ، ثنا أبو بكر أحمد بن موسى بن مردويه إملاءً ، ثنا أبو أحمد إسحاق بن محمد بن علي بن خالد المقرئ ، ومحمد بن علي بن دحيم الشيباني ، ومحمد بن أحمد بن علي الأسواري ، قالوا: ثنا إبراهيم بن عبد الله بن عمر بن بكير العبسي ، أنبأ وكيع بن الجراح ، عن الأعمش ، عن أبي صالح ، عن أبي هريرة أو أبي سعيد ، شك الأعمش ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ، من لقي الله عز وجل بهما غير شاكٍ لم يحجب عن الجنة) . هذا حديث صحيح من حديث أبي صالح ذكوان ، عن أبي هريرة ، وفي الحديث قصة انفرد مسلم بإخراجه عن سهل بن عثمان ، وأبو كريب محمد بن العلاء ، عن أبي معاوية محمد بن خازم الضرير ، عن سليمان بن مهران الأعمش ، كما أخرجناه بالشك ، وأخرجه عن أبي بكر بن أبي النضر ، عن أبيه أبي النضر هاشم بن القاسم ، عن عبيد الله بن عبد الرحمن الأشجعي ، عن مالك بن مغول ، عن طلحة بن مصرف ، عن أبي صالح ، عن أبي هريرة ولم يشك ، ففي هذه الطريق من جهة العدد إلى أبي صالح كأن شيخنا سمعه من مسلم.

ــ

(1) هكذا بالأصل "عبد الله" وفي الورقة الثالثة (أ) من المخطوط "عبيد الله" والله أعلم
১৮- মহিমান্বিত শাইখ আবু হানিফা মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-খাতিবি (১) এর সামনে পাঠ করা হয়েছে, এমতাবস্থায় আমি শ্রবণ করছিলাম পাঁচশত বাষট্টি হিজরি সনে। আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু মুতী' মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মিসরি, চারশত পঁচানব্বই হিজরি সনের সফর মাসে। আমাদের কাছে আবু বকর আহমদ বিন মুসা বিন মারদুওয়াইহ শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু আহমদ ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন খালিদ আল-মুকরি, মুহাম্মদ বিন আলী বিন দুহাইম আশ-শাইবানি এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-আওয়ারি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন বুকাইর আল-আবসি বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়াকি' বিন আল-জাররাহ থেকে, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা অথবা আবু সাঈদ থেকে—আল-আ'মাশ সন্দেহ করেছেন—বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল; যে ব্যক্তি এই দুটির সাক্ষ্য নিয়ে কোনো প্রকার সন্দেহ পোষণ না করে মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তাকে জান্নাত থেকে বাধা দেওয়া হবে না)। এই হাদিসটি আবু সলিহ যাকওয়ান-এর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। এই হাদিসে একটি ঘটনা রয়েছে যা ইমাম মুসলিম এককভাবে সাহল বিন উসমান এবং আবু কুরাইব মুহাম্মদ বিন আল-আলা থেকে, তাঁরা আবু মুআবিয়া মুহাম্মদ বিন খাযিম আদ-দরীর থেকে, তিনি সুলাইমান বিন মিহরান আল-আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, যেভাবে আমরা সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছি। আবার তিনি এটি আবু বকর বিন আবিন নাদর থেকে, তিনি তাঁর পিতা আবু নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-আশজায়ি থেকে, তিনি মালিক বিন মিগওয়াল থেকে, তিনি তালহা বিন মুসাররিফ থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে কোনো সন্দেহ করেননি। সুতরাং বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে আবু সলিহ পর্যন্ত পৌঁছাতে এই সনদটি এমন (উন্নত) যে, মনে হয় যেন আমাদের শাইখ এটি সরাসরি ইমাম মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন।

—

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই "আব্দুল্লাহ" রয়েছে এবং পাণ্ডুলিপির তৃতীয় পাতার (ক)-তে "উবাইদুল্লাহ" রয়েছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
ق 8 (ب)

19- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد قراءةً عليه وأنا أسمع سنة اثنين وستين وخمسمائة ببغداد ، قيل له: أخبركم أبو الفضل أحمد بن الحسن بن خيرون ، أنبأ أبو علي الحسين بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان ، أنبأ أبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان ، ثنا أبو العباس أحمد بن محمد بن عيسى البرتي القاضي ، ثنا أبو سلمة ، ثنا أبو عوانة ، ثنا عمر ، عن أبيه ، عن أبي هريرة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (توضؤا مما مست النار) قال أبو هريرة: ما توضأت إلا من ثور أقط أكلته. أخرجه مسلم في الصحيح من رواية عبد الله بن إبراهيم بن قارظ ، وقيل إبراهيم بن عبد الله عن أبي هريرة ، فرواه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل بن خالد ، عن الزهري ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن ابن قارظ ، عن أبي هريرة ، فكأن شيخنا في العدد إلى أبي هريرة سمعه من مسلم رحمه الله.

20- أخبرنا أبو القاسم يحيى بن ثابت بن إبراهيم بن بندار قراءةً عليه ، قيل له: أخبركم والدك ، أنبأ أبو بكر أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب الخوارزمي قال: قرأت على أبي العباس بن حمدان ، حدثكم الحسن بن علي النسوي ، ثنا أحمد بن عبد الله بن يونس ، ثنا عاصم بن محمد ، حدثني واقد بن محمد ، حدثني سعيد بن مرجانة صاحب علي بن الحسين عليهما السلام قال: قال أبو هريرة قال: (1) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (أيما امرئ مسلم أعتق امرأً مسلماً استنقذ الله بكل عضو منه عضواً من النار)

ــ

(1) هكذا بالأصل مكررة
পৃ ৮ (খ)

১৯- আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম, ৫৬২ হিজরি সনে বাগদাদে; তাকে বলা হয়েছিল: আবুল ফজল আহমাদ বিন আল-হাসান বিন খাইরুন আপনাদের জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান জানিয়েছেন, আবু সাহল আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জিয়াদ আল-কাত্তান জানিয়েছেন, আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-বারতি আল-কাজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু সালামাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, উমর তার পিতার সূত্রে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আগুন স্পর্শ করেছে এমন কিছু (খাওয়ার) কারণে তোমরা অজু করো।" আবু হুরায়রা বলেন: "আমি এক টুকরো পনির খাওয়ার কারণেই অজু করেছি।" ইমাম মুসলিম তার সহিহ গ্রন্থে এটি আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন কারিজের বর্ণনা থেকে উদ্ধৃত করেছেন; এবং বলা হয়েছে ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুয়াইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি উকাইল বিন খালিদ থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি ইবনে কারিজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। সুতরাং বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে আবু হুরায়রা পর্যন্ত আমাদের শাইখের সূত্রটি এমন যেন তিনি এটি সরাসরি মুসলিম রহিমাহুল্লাহর নিকট থেকেই শুনেছেন।

২০- আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন ইব্রাহিম বিন বুন্দার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে; তাকে বলা হয়েছে: আপনার পিতা আপনাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন গালিব আল-খাওয়ারিজমি জানিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আবুল আব্বাস বিন হামদানের নিকট পাঠ করেছি, হাসান বিন আলী আন-নাসায়ি আপনাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আসিম বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ওয়াকিদ বিন মুহাম্মদ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আলী বিন আল-হুসাইন আলাইহিমাস সালামের সহচর সাঈদ বিন মারজানা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা বলেছেন, তিনি বলেন: (১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে কোনো মুসলিম ব্যক্তি যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে দাসত্ব হতে মুক্ত করে, তবে আল্লাহ তার প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে এই ব্যক্তির প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন।"

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
ق 9 (أ)

قال سعيد بن مرجانة: سمعت الحديث فانطلقت به إلى علي بن الحسين ، فعمد علي بن الحسين إلى عبدٍ له قد أعطاه به عبد الله بن جعفر عشر ة آلاف فأعتقه. صحيح أخرجه البخاري عن محمد بن عبد الرحيم ، عن داود بن رشيد ، عن الوليد بن مسلم ، عن محمد بن مطرف ، عن زيد بن أسلم ، عن علي بن الحسين ، عن سعيد بن مرجانة ، عن أبي هريرة ، وأخرجه مسلم عن داود بن رشيد ، ففي العدد إلى أبي هريرة كأن شيخنا سمعه من البخاري.

21- أخبرنا يحيى بن ثابت ، أنبأ أبي ، أنبأ أحمد بن محمد الخوارزمي قال: قرأنا على أبي بكر الإسماعيلي ، أخبركم أبو يعلى ، ثنا إبراهيم الحجاج ، ثنا وهيب ، عن ابن طاووس ، عن أبيه ، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (العائد في هبته ، كالكلب يقيء ثم يعود في قيئه) . صحيح من حديث عبد الله بن عباس من رواية سعيد بن المسيب ، وطاووس بن كيسان اليماني عنه ، أخرجاه جميعاً بمثله أو بمعناه من حديث سعيد بن المسيب ، ففي أحد طرق مسلم أخرجه عن حجاج بن الشاعر ، عن عبد الصمد بن عبد الوارث ، عن حرب بن شداد ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن الأوزاعي ، عن أبي جعفر محمد بن علي بن الحسين ، عن سعيد بن المسيب ، عن ابن عباس ، فهو يعلو لنا على هذه الطريق كما تقدم ، وأخرجه مسلم وحده من رواية طاووس عنه.

22- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي ، أنبأ أبو الفضل بن خيرون ، أنبأ أبو علي شاذان ، أنبأ أبو سهل أحمد بن محمد القطان ، ثنا القاضي أبو
পৃষ্ঠা ৯ (ক)

সাঈদ ইবনে মারজানা বলেন: আমি হাদিসটি শুনলাম এবং এটি নিয়ে আলী ইবনে হুসাইনের নিকট গেলাম। তখন আলী ইবনে হুসাইন তাঁর এমন এক দাসের দিকে অগ্রসর হলেন যার বিনিময়ে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর তাঁকে দশ হাজার প্রদান করতে চেয়েছিলেন, অতঃপর তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। হাদিসটি সহিহ। বুখারি এটি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম থেকে, তিনি দাউদ ইবনে রাশিদ থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে মুতাররিফ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে মারজানা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মুসলিম এটি দাউদ ইবনে রাশিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হুরায়রা পর্যন্ত রাবির সংখ্যার বিচারে এটি এমন যেন আমাদের শায়খ এটি বুখারি থেকে শুনেছেন।

২১- ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাওয়ারিজমি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমরা আবু বকর আল-ইসমাঈলির নিকট পাঠ করেছি, আবু ইয়ালা তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম আল-হাজ্জাজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, উহাইব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (নিজের দান ফেরত গ্রহণকারী ব্যক্তি সেই কুকুরের ন্যায় যে বমি করে এবং পুনরায় তার বমির দিকে ফিরে যায় অর্থাৎ তা ভক্ষণ করে)। এটি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের হাদিস থেকে সহিহ যা সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এবং তাউস ইবনে কাইসান আল-ইয়ামানি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবের হাদিস থেকে এর অনুরূপ বা সমার্থবোধক শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের একটি সূত্রে তিনি এটি হাজ্জাজ ইবনে শায়ির থেকে, তিনি আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি হারব ইবনে শাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আওজাই থেকে, তিনি আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং এই সূত্রে এটি আমাদের জন্য পূর্বের ন্যায় উচ্চতর সনদ হিসেবে গণ্য। মুসলিম এককভাবে তাউসের বর্ণনা থেকেও এটি উদ্ধৃত করেছেন।

২২- আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফজল ইবনে খাইরুন আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী শাযান আমাদের জানিয়েছেন, আবু সাহল আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাত্তান আমাদের জানিয়েছেন, কাজী আবু... আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
ق9 (ب)

العباس أحمد بن محمد البرتي ، ثنا أبو حذيفة ، ثنا سفيان ، عن يحيى بن سعيد ، عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام ، عن أبي هريرة ، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (من اشترى سلعة من أفلس فصاحبها أحق بها) . هذا حديث صحيح من حديث أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام ، عن أبي هريرة. أخرجه البخاري ومسلم جميعاً عن أحمد بن يونس ، عن زهير بن معاوية ، عن يحيى بن سعيد الأنصاري ، رواه مسلم أيضاً عن محمد بن يحيى بن أبي عمر ، عن هشام بن سليمان ، عن ابن جريج ، عن عبد الرحمن بن أبي حسين ، كلاهما عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث ، عن أبي هريرة ، فطريقنا يعلو على طريق ابن جريج كما تقدم. هذا إن كان أبو حذيفة موسى بن مسعود النهدي حفظه عن سفيان ، فإن مالكاً ، وعبد العزيز الدراوردي ، ويحيى بن سعيد القطان ، وحماد بن زيد إنما رووه ، عن يحيى بن سعيد الأنصاري ، عن أبي بكر بن محمد ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن أبي بكر بن عبد الرحمن ، وليس يبعد أن يكون يحيى سمعه من أبي بكر بن عبد الرحمن وسمعه من أبي بكر بن محمد ، عن عمر بن عبد العزيز عنه ، فرواه مرة عالياً ومرة نازلاً ، وقد وجدنا في الصحيح مثل هذا ، فإن الزهري روى عن سعيد بن المسيب ، عن أبي هريرة (إذا قلت لصاحبك أنصت) ، ورواه أيضاً عن عمر بن عبد العزيز ، عن سعيد بن المسيب ، وإبراهيم بن قارظ ، عن أبي هريرة ، وكلا الطريقين في صحيح مسلم ، وهو يأتي إن شاء الله فيما بعد.
পৃষ্ঠা ৯ (খ)

আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বারতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুযাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: (যে ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে, তবে সেই পণ্যের মূল মালিকই এর অধিক হকদার)। এটি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশামের বর্ণনা থেকে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। বুখারি ও মুসলিম উভয়েই এটি আহমাদ বিন ইউনুস থেকে, তিনি জুহাইর বিন মুয়াবিয়া থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি উমর থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি হুসাইন থেকে—তাঁরা উভয়েই আবু বকর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হাজম থেকে, তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আমাদের সনদটি ইবনে জুরাইজের সনদের চেয়ে উচ্চতর, যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি তখন সঠিক হবে যদি আবু হুযাইফা মুসা বিন মাসউদ আল-নাহদী এটি সুফিয়ান থেকে যথাযথভাবে মুখস্থ করে থাকেন; কারণ মালিক, আব্দুল আজিজ আদ-দারাওয়ারদী, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান এবং হাম্মাদ বিন জায়েদ এটি শুধুমাত্র ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারী থেকে, তিনি আবু বকর বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি অসম্ভব নয় যে, ইয়াহইয়া এটি সরাসরি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান থেকে শুনেছেন এবং আবার আবু বকর বিন মুহাম্মাদ থেকেও শুনেছেন, যিনি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে এবং তিনি তাঁর থেকে শুনেছেন। ফলে তিনি এটি একবার উচ্চ সনদে এবং একবার নিম্ন সনদে বর্ণনা করেছেন। আমরা সহিহ গ্রন্থে এই জাতীয় উদাহরণ পেয়েছি; যেমন যুহরী সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন: (যখন তুমি তোমার সঙ্গীকে বলবে চুপ থাকো), আবার তিনি এটি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব ও ইব্রাহিম বিন কারিয থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। উভয় সনদই সহিহ মুসলিম-এ রয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ এটি পরবর্তীতে আসবে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
ق10 (أ)

23- أخبرنا محمد بن عبد الباقي قراءةً عليه ، قيل له: أخبركم أبو الحسين أحمد بن عبد القادر بن محمد بن يوسف قراءةً عليه ، ثنا أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران إملاءً ، أنبأ أبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان ، ثنا يحيى بن أبي طالب ، أنبأ علي بن عاصم ، ثنا خالد الحذاء ، عن محمد ، عن أبي هريرة قال: (نادى رجل النبي صلى الله عليه وسلم ، أيصلي أحدنا في الثوب الواحد؟ فقال: أوكلكم يجد ثوبين؟) . صحيح. أخرجاه في الصحيح من حديث محمد بن سيرين ، عن أبي هريرة ، وأخرجه مسلم بمعناه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل بن خالد ، عن الزهري ، عن سعيد بن المسيب ، وأبي سلمة بن عبد الرحمن ، عن أبي هريرة ، فهو يعلو على هذه الطريق كما تقدم من الأحاديث.

24- أخبرنا أبو الحسين عبد الحق بن عبد الخالق بقراءتي عليه ، قلت له: أخبركم أبو الحسين المبارك بن عبد الجبار الصيرفي ، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن محمد بن شاذان ، ثنا أبو بكر أحمد بن سليمان بن أيوب العباداني ، ثنا علي بن حرب ، ثنا يعلي يعني بن عبيد ، عن ابن أبي خالد ، عن الشعبي ، عن مسروق ، عن عائشة قالت: ((لقد كُنْتُ افْتِلُ القَلائِدَ لرَسُولِ اللهِ ? َ.فيَبْعَثُ بالهَدْيِ إلى الكعبة، ثم ما يحرم عليه شيء مما يحل للرجل من أهله حتى يرجع الناس) ، هذا حديث صحيح ، أخرجه البخاري ومسلم من رواية عروة ، والأسود وغيرهما ، عن عائشة بمعناه ، ففي أحد طرق مسلم

ق 10 (ب)

أخرجه عن إسحاق ، عن منصور ، عن عبد الصمد بن عبد الوارث ، عن أبيه ، عن محمد بن جحادة ، عن الحكم ، عن إبراهيم ، عن الأسود ، عن عائشة.
পৃষ্ঠা ১০ (ক)

২৩- মুহাম্মদ ইবন আব্দুল বাকী আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। তাঁকে বলা হয়েছিল: আবুল হুসাইন আহমদ ইবন আব্দুল কাদির ইবন মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আপনাকে পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। আবুল কাসিম আব্দুল মালিক ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বিশরান আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবু সাহল আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন যিয়াদ আল-কাত্তান আমাদের অবহিত করেছেন। ইয়াহইয়া ইবন আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আলী ইবন আসিম আমাদের অবহিত করেছেন। খালিদ আল-হায্ঝা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের কেউ কি এক কাপড়ে সালাত আদায় করতে পারবে? তিনি বললেন: তোমাদের প্রত্যেকের কি দুইখানা কাপড় আছে?)। এটি সহীহ। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম তাঁদের সহীহ গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবন সীরীন এর সূত্রে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। আর ইমাম মুসলিম সমার্থবোধকভাবে এটি আব্দুল মালিক ইবন শুয়াইব ইবন লাইস, তাঁর পিতা, তাঁর দাদা, উকাইল ইবন খালিদ, যুহরী, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব ও আবু সালামাহ ইবন আব্দুর রহমান এর সূত্রে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং এটি এই সূত্রের মাধ্যমে পূর্ববর্ণিত হাদীসগুলোর ন্যায় উচ্চ পর্যায়ের সনদ হিসেবে গণ্য।

২৪- আবুল হুসাইন আব্দুল হক ইবন আব্দুল খালিক আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম: আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবন আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফী আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন। আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন শাযান আমাদের অবহিত করেছেন। আবু বকর আহমদ ইবন সুলাইমান ইবন আইয়ুব আল-আবাদানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আলী ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইয়ালা—অর্থাৎ ইবন উবাইদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবু খালিদ থেকে, তিনি শাবী থেকে, তিনি মাসরূক থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কুরবানীর পশুর জন্য গলার মালা পাকিয়ে দিতাম। তারপর তিনি কাবাঘরের উদ্দেশ্যে সেই পশু পাঠাতেন; এরপর মানুষ হজ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত একজন পুরুষের জন্য তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে যা যা হালাল ছিল, তার কোনো কিছুই তাঁর জন্য হারাম হতো না)। এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি উরওয়াহ, আসওয়াদ ও অন্যান্যদের বর্ণনায় আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে সমার্থবোধকভাবে উদ্ধৃত করেছেন। মুসলিমের একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে

পৃষ্ঠা ১০ (খ)

তিনি এটি ইসহাক থেকে, তিনি মানসূর থেকে, তিনি আব্দুল সামাদ ইবন আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন জুহাদাহ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
25- أخبرنا أبو المظفر يحيى بن علي بن خطاب الدينوري قراءةً عليه سنة أربع وستين وخمسمائة ، قيل له: أخبركم أبو غالب محمد بن الحسن الباقلاني قراءةً عليه ، ثنا أبو عبد الله أحمد بن عبد الله بن الحسين بن إسماعيل المحاملي قراءةً عليه ، أنبأ أبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان سنة خمس وثلاثمائة ، ثنا أبو إسحاق إسماعيل بن إسحاق بن إسماعيل بن حماد بن زيد بن درهم القاضي ، ثنا القعنبي ، عن مالك ، عن ابن شهاب ، عن سعيد ، عن أبي هريرة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب فقد لغوت) ، هذا حديث صحيح من حديث محمد بن مسلم بن عبيد الله الزهري ، أخرجه البخاري عن يحيى بن بكير ، ومسلم عن قتيبة ومحمد بن رمح ، ثلاثتهم عن الليث بن سعد ، عن عقيل بن خالد ، عن الزهري ، عن سعيد ، عن أبي هريرة ، ورواه مسلم أيضاً عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل ، عن الزهري ، عن عمر بن عبد العزيز ، عن سعيد بن المسيب ، وإبراهيم بن عبد الله بن قارظ ، كلاهما عن أبي هريرة ، فرواه الزهري عالياً ونازلاً ، ففي رواية الزهري ، عن عمر بن عبد العزيز كأن شيخنا سمعه من مسلم ، ولله الحمد والمنة.

26- أخبرنا أبو القاسم يحيى بن
২৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মোজাফফর ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে খাত্তাব আদ-দিনাওয়ারী, ৫৬৪ হিজরি সনে তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তাকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বাকিল্লানি, তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি, তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের অবহিত করেছেন আবু সাহল আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ আল-কাত্তান, ৩০৫ হিজরি সনে। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইসমাইল ইবনে ইসহাক ইবনে ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ ইবনে যাইদ ইবনে দিরহাম আল-কাদি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-কা'নাবি, তিনি মালেক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (ইমাম যখন খুতবা দেবেন, তখন যদি তুমি তোমার সাথীকে বলো ‘চুপ করো’, তবে তুমি অনর্থক কাজ করলে)। এটি মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে উবায়দুল্লাহ আজ-জুহরির বর্ণিত হাদিসসমূহের মধ্যে একটি সহিহ হাদিস। এটি ইমাম বুখারি ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর থেকে এবং ইমাম মুসলিম কুতাইবা ও মুহাম্মদ ইবনে রুমহ থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা তিনজনই লাইস ইবনে সা'দ থেকে, তিনি উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি আব্দুল মালিক ইবনে শুআইব ইবনে আল-লাইস ইবনে সা'দ থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব ও ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কারিজ থেকে, তারা উভয়ে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম জুহরি এটি ‘আলি’ (উচ্চ সনদ) এবং ‘নাজিল’ (নিম্ন সনদ) উভয় মাধ্যমেই বর্ণনা করেছেন। উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে জুহরির বর্ণনায় বিষয়টি এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন আমাদের শাইখ এটি সরাসরি ইমাম মুসলিম থেকেই শুনেছেন। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।

২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে...
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
ق 11 (أ)

ثابت بن بندار البقال قراءةً عليه ، قيل له: أخبركم والدك ، أنبأ أبو بكر أحمد بن محمد بن غالب ، قال: قرأت على أبي محمد بن ماسي ، حدثكم أبو مسلم الكجي ، ثنا عبد الرحمن بن حماد الشعثي ، ثنا سعيد بن أبي عروبة ، عن قتادة ، عن أنس (أن رهطا من عكل وعرينة أتوا النبي صلى الله عليه وسلم ، فقالوا: يا رسول الله إنا كنا أهل ضرع ، ولم نكن أهل ريف ، فاستوخمنا المدينة ، فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذود يخرجون فيها فيشربون من ألبانها وأبوالها ، فقتلوا راعي رسول الله صلى الله عليه وسلم ، واستاقوا الذود ، فبعث رسول الله صلى الله عليه وسلم في آثارهم ، فأتي بهم ، فقطع أيديهم وأرجلهم وسمل أعينهم ، وتركهم في الحرة حتى ماتوا على حالهم) . هذا حديث صحيح مخرج في الصحيحين من طرق عدة ، ففي أحد طرق مسلم رواه عن هارون بن عبد الله ، عن سليمان بن حرب ، عن حماد بن زيد ، عن أيوب ، عن أبي رجاء مولى أبي قلابة ، عن أبي قلابة عبد الله بن زيد الجرمي ، عن أنس بمعناه ، وطريقنا يعلو على هذه الطريق كما تقدم.

27- أخبرنا الشيخ أبو الفضل المبارك بن المبارك بن صدقة السمسار بقراءتي عليه سنة إحدى وستين وخمسمائة ، قلت له: أخبركم أبو عبد الله الحسين بن أحمد بن محمد بن طلحة النعالي قراءةً عليه ، أنبأ أبو عمر عبد الواحد بن محمد بن عبد الله بن مهدي الفارسي ، ثنا القاضي أبو عبد الله الحسين بن إسماعيل المحاملي ، ثنا أبو
পৃষ্ঠা ১১ (ক)

সাবিত বিন বুন্দার আল-বাক্কাল তাঁর নিকট পাঠকালে, তাঁকে বলা হলো: আপনার পিতা আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন গালিব সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু মুহাম্মাদ বিন মাসীর নিকট পাঠ করেছি, আবু মুসলিম আল-কাজ্জী আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান বিন হাম্মাদ আল-শা'সী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবি আরুবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে (বর্ণনা করেন যে, উকল ও উরাইনাহ গোত্রের একদল লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা ছিলাম পশুপালনকারী লোক, আমরা স্থায়ী জনপদে বসবাসকারী লোক ছিলাম না। অতঃপর তারা মদীনার আবহাওয়াকে প্রতিকূল ও অস্বাস্থ্যকর মনে করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য এক পাল উটের নির্দেশ দিলেন যাতে তারা সেখানে যায় এবং সেগুলোর দুধ ও মূত্র পান করে। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাখালকে হত্যা করল এবং উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সন্ধানে লোক পাঠালেন এবং তাদের ধরে আনা হলো। এরপর তিনি তাদের হাত ও পা কেটে দিলেন এবং তাদের চোখ তপ্ত শলাকা দিয়ে উপড়ে ফেললেন এবং তাদের হাররাহ নামক স্থানে ফেলে রাখলেন যতক্ষণ না তারা সেই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল)। এটি একটি সহীহ হাদীস যা বিভিন্ন সূত্রে সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ সংকলিত হয়েছে। মুসলিমের একটি সূত্রে তিনি হারুন বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি সুলায়মান বিন হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন যায়দ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবার আযাদকৃত গোলাম আবু রাজা থেকে, তিনি আবু কিলাবা আব্দুল্লাহ বিন যায়দ আল-জারমি থেকে, তিনি আনাস থেকে সমমর্মে বর্ণনা করেছেন। এবং আমাদের সূত্রটি এই সূত্রের তুলনায় উচ্চতর বা নিকটতর, যেমনটি পূর্বে গত হয়েছে।

২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল ফজল আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন সাদাকা আস-সিমসার পাঁচশত একষট্টি হিজরী সালে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে; আমি তাঁকে বললাম: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন তালহা আন-নুয়ালী আপনাদের নিকট পাঠ করেছেন, আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদী আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল আল-মাহামিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু...
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
ق 11 (ب)

جعفر محمد بن زنجويه بن يزيد ، ثنا سفيان بن عيينة ، عن الزهري ، عن عمرة ، عن عائشة (أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقطع في ربع دينار فصاعداً) . صحيح أخرجه البخاري عن إسماعيل بن أبي أويس ، عن ابن وهب ، عن يونس ، عن الزهري ، عن عروة ، وعمرة ، عن عائشة. وأخرجه البخاري بمعناه عن عمران بن ميسرة ، عن عبد الوارث ، عن حسين المعلم ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن محمد بن عبد الرحمن ، ورواه مسلم ، عن إسحاق بن منصور ، عن عبد الملك بن عمرو أبي عامر ، عن عبد الله بن جعفر المحرمي ، عن ابن الهاد ، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم ، كلاهما عن عمرة ، عن عائشة ، ففي هذين الطريقين في العدة إلى عائشة كأن شيخنا سمعه من البخاري ومسلم.

28- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بقراءتي عليه ، قلت له: أخبركم الحسين بن أحمد بن محمد قراءةً ، أنبأ أبو الحسين علي بن محمد بن عبد الله بن بشران السكري قراءةً عليه ، أنبأ أبو جعفر محمد بن عمرو بن البختري الرزاز ، ثنا يحيى يعني ابن جعفر بن أبي طالب ، ثنا عبد الوهاب هو ابن عطاء ، ثنا محمد بن عمرو بن أبي سلمة ، عن أبي هريرة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (دخلت الجنة فرأيت قصراً من ذهب أعجبني حسنه ، قلت: لمن هذا؟ قيل: لعمر ، فما منعني أن أدخله إلا ما علمت من غيرتك يا عمر ، فبكى عمر رضي الله عنه وقال: أعليك أغار يا

12 (أ)

رسول الله) . حديث صحيح من حديث سعيد بن المسيب ، عن أبي هريرة ، أخرجه البخاري بمعناه عن يحيى بن بكير وغيره ، عن ليث بن سعد ، عن عقيل بن خالد ، ورواه مسلم عن حسن الحلواني ، وعبد بن حميد ، عن يعقوب ، عن إبراهيم ، عن أبيه ، عن صالح ، عن الزهري ، عن سعيد بن المسيب ، عن أبي هريرة ، فروايتنا تعلو على هذه الرواية كما تقدم.
পৃষ্ঠা ১১ (খ)

জাফর মুহাম্মদ বিন জানজাওয়াইহ বিন ইয়াজিদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ, জুহরি থেকে, আমরাহ থেকে, আয়েশা (রা.) থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক চতুর্থাংশ দিনার বা তার বেশি মূল্যের চুরির ক্ষেত্রে হাত কাটতেন। এটি একটি সহিহ হাদিস; ইমাম বুখারি এটি ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ ও আমরাহ থেকে, তাঁরা আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি একই অর্থে এটি ইমরান বিন মাইসারাহ থেকে, তিনি আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি হুসাইন আল-মুআল্লিম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মানসুর থেকে, তিনি আব্দুল মালিক বিন আমর আবু আমির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-মাখরামি থেকে, তিনি ইবনুল হাদ থেকে, তিনি আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আমর বিন হাযম থেকে, তাঁরা উভয়ই আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে। আয়েশা (রা.) পর্যন্ত পৌঁছাতে বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে এই দুটি সূত্রে মনে হয় যেন আমাদের শায়খ এটি সরাসরি বুখারি ও মুসলিম থেকে শুনেছেন।

২৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বলেছি: হুসাইন বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ কি আপনাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন? আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আস-সুক্কারি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি আর-রাজজাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া—অর্থাৎ ইবনে জাফর বিন আবি তালিব—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহহাব—তিনি হলেন ইবনে আতা—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আমর বিন আবি সালামাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম এবং সেখানে একটি স্বর্ণের প্রাসাদ দেখলাম যার সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করল। আমি বললাম: এটি কার? বলা হলো: ওমরের জন্য। হে ওমর! তোমার আত্মমর্যাদাবোধের কথা জেনেই আমি তাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত থেকেছি। তখন ওমর (রা.) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: হে

১২ (ক)

আল্লাহর রাসুল, আপনার ব্যাপারে কি আমি আত্মমর্যাদাবোধ দেখাব?)। সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব থেকে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর হাদিসটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি একই অর্থে এটি ইয়াহইয়া বিন বুকাইর ও অন্যান্যদের থেকে, তাঁরা লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি উকাইল বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি হাসান আল-হুলওয়ানি এবং আব্দ বিন হুমাইদ থেকে, তাঁরা ইয়াকুব থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমাদের এই বর্ণনাটি উপরোক্ত বর্ণনার তুলনায় উচ্চতর সনদের অধিকারী, যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
29- أخبرنا محمد ، أنبأ الحسين ، أنبأ علي ، أنبأ محمد ، ثنا أحمد هو ابن عبد الجبار ، ثنا أبو بكر بن عياش ، عن الأعمش ، عن إبراهيم ، عن علقمة ، عن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (لا يدخل الجنة رجل في قلبه مثقال حبة من كبر ، ولا يدخل النار رجل في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان) . صحيح من رواية علقمة بن قيس النخعي ، عن عبد الله بن مسعود ، تفرد مسلم بهذه الرواية بمعناه عن محمد بن بشار ، وإبراهيم بن دينار ، عن يحيى بن حماد ، عن شعبة بن الحجاج ، عن أبان بن تغلب ، عن فضيل بن عمرو الفقمي ، عن إبراهيم ، عن علقمة ، عن عبد الله بن مسعود ، وقد أخرجه من طريق الأعمش أيضاً ، (1) يعلو لنا على رواية فضيل كالأحاديث التي تقدمت.

30- أخبرنا أبو الفتح ، أنبأ أبو عبد الله ، أنبأ أبو الحسين ، أنبأ أبو جعفر الرزاز ، ثنا محمد بن عبيد الله المنادي ، ثنا إسحاق بن يوسف ، ثنا عبد الملك ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سُئِلْتُ عَنِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ فِى إِمْرَةِ مُصْعَبٍ بن الزبير أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ، فَمَا دَرَيْتُ مَا أَقُولُ ، فَمَضَيْتُ إِلَى مَنْزِلِ عبد الله بْنِ عُمَرَ بِمَكَّةَ فاسْتَأْذِنْت عليه. فَقيلَ: هو نائم ، فَسَمِعَ

ق 12 (ب)

صَوْتِى. قَالَ ابْنُ جُبَيْرٍ ائذنوا له ، فَدَخَلْتُ عليه ، فقال: مَا جَاءَ بِكَ هَذِهِ السَّاعَةَ إِلَاّ حَاجَةٌ ، فَإِذَا هُوَ مُفْتَرِشٌ بَرْذَعَةً مُتَوَسِّدٌ بوِسَادَةً حَشْوُهَا لِيفٌ أو سلب ، قال: السلب ليف المقل، فقُلْتُ يا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُتَلَاعِنَينِ َيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ، قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ نَعَمْ؛

ــ

(1) طمس بالأصل
২৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি হুসাইন থেকে, তিনি আলী থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ—যিনি ইবনে আব্দুল জাব্বার—তিনি আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (সেই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার রয়েছে, এবং সেই ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান রয়েছে)। এটি আলকামা বিন কায়স আন-নাখায়ি-এর বর্ণনায় আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে সহিহ। ইমাম মুসলিম এককভাবে এই বর্ণনাটি এর অর্থের ভিত্তিতে মুহাম্মদ বিন বাশশার ও ইবরাহিম বিন দিনার থেকে, তাঁরা ইয়াহইয়া বিন হাম্মাদ থেকে, তিনি শু’বা বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবান বিন তাগলিব থেকে, তিনি ফুযাইল বিন আমর আল-ফুকমি থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আমাশ-এর সূত্র থেকেও বর্ণনা করেছেন, (১) যা ফুযাইল-এর বর্ণনার তুলনায় আমাদের জন্য উচ্চতর সনদ হিসেবে গণ্য, যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হাদিসগুলোর ক্ষেত্রে হয়েছে।

৩০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু আল-হুসাইন থেকে, তিনি আবু জাফর আর-রাযযায থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-মুনাদি থেকে, তিনি ইসহাক বিন ইউসুফ থেকে, তিনি আব্দুল মালিক থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুসআব বিন আয-যুবায়ের-এর শাসনামলে আমাকে লিয়ানকারী দম্পতি (পরস্পর অভিশাপ প্রদানকারী) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দেওয়া হবে কি না। আমি কী বলব তা জানতাম না। অতঃপর আমি মক্কায় আব্দুল্লাহ বিন উমরের বাসভবনের দিকে গেলাম এবং ভেতরে যাওয়ার অনুমতি চাইলাম। বলা হলো: তিনি ঘুমাচ্ছেন। কিন্তু তিনি শুনলেন

পৃষ্ঠা ১২ (খ)

আমার কণ্ঠস্বর। ইবনে জুবাইর বলেন, তিনি বললেন: তাকে অনুমতি দাও। অতঃপর আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তিনি বললেন: এই সময়ে কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তুমি আসোনি। আমি দেখলাম তিনি একটি জিনের গদির ওপর বিছানা পেতেছেন এবং খেজুরের আঁশ বা 'সালব' ভর্তি একটি বালিশে হেলান দিয়ে আছেন। তিনি বললেন: 'সালব' হলো মুক্বল (এক প্রকার খেজুর গাছ) এর আঁশ। আমি বললাম: হে আবু আব্দুর রহমান, লিয়ানকারী দম্পতির মাঝে কি বিচ্ছেদ করে দেওয়া হবে? তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ, হ্যাঁ।

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই অংশটি অস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
((إِنَّ أَوَّلَ مَنْ سَأَلَ عَنْ ذَلِكَ فُلَانُ بْنُ فُلَانٍ أتى النَّبِىُّ r ، فقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ أَنْ لَوْ أن أَحَدُنَا رأى عَلَى امْرَأَتَهُ فَاحِشَةٍ كَيْفَ يَصْنَعُ؟ إِنْ تَكَلَّمَ تَكَلَّمَ بِأَمْرٍ عَظِيمٍ. وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَن مِثْلِ ذَلِكَ ، قَالَ: فَلَمْ يُجِبْهُ النَّبِىُّ r ، فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ أَتَى النَّبِىُّ r ، فَقَالَ يا رسول الله الَّذِى كنت سَأَلْتُ عَنْهُ قَدِ ابْتُلِيتُ بِهِ ، قال: فَأَنْزَلَ اللَّهُ تعالى الآيَاتِ التي فِى سُورَةِ النُّورِ ?وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ? إلى آخر الآيات ، قال: فدعا النَّبِىُّ r بالرجل فَتَلَاهُنَّ عَلَيْهِ وَوَعَظَهُ ، وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ ، فقَالَ: وَالَّذِى بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا كَذَبْتُ عَلَيْهَا. ُ قال: ثُمَّ دَعَا النَّبِىُّ r بالمرأة فتلاهن عليها وَوَعَظَهَا وَذَكَّرَهَا وَأَخْبَرَهَا أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ. فقَالَتْ وَالَّذِى بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لقد كذبك ، فَبَدَأَ النَّبِىُّ r بِالرَّجُلِ فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ ، ثُمَّ ثَنَّى النَّبِىُّ r بِالْمَرْأَةِ فَشَهِدَتْ

ق 13 (أ)

أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ غَضَبَ اللَّهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنَ الصَّادِقِينَ ، قال: ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا.)) .
((নিশ্চয় এই বিষয়ে সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিলেন তিনি হলেন অমুক ইবনে অমুক। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি মনে করেন যে, যদি আমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে অশ্লীল কাজ (ব্যভিচার) সংঘটিত হতে দেখে, তবে সে কী করবে? যদি সে এ নিয়ে কথা বলে, তবে সে এক গুরুতর বিষয়ে কথা বলবে। আর যদি সে চুপ থাকে, তবে সে এ রকম এক গুরুতর বিষয়েই চুপ থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কোনো উত্তর দিলেন না। অতঃপর এর কিছুকাল পরে তিনি পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে বিষয়ে আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, আমি নিজেই তাতে আক্রান্ত হয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন: তখন মহান আল্লাহ তাআলা সূরা আন-নূরের সেই আয়াতসমূহ নাজিল করলেন: "আর যারা নিজেদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে..." আয়াতের শেষ পর্যন্ত। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই লোকটিকে ডাকলেন এবং তার সামনে আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন ও তাকে উপদেশ দিলেন। তাকে অবহিত করলেন যে, দুনিয়ার আজাব আখিরাতের আজাবের চেয়ে অনেক সহজ। অতঃপর সে বলল: সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি তার ব্যাপারে কোনো মিথ্যা বলিনি। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীলোকটিকে ডাকলেন এবং তার সামনে আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন, তাকে নসিহত ও উপদেশ দিলেন এবং তাকে অবহিত করলেন যে, দুনিয়ার আজাব আখিরাতের আজাবের চেয়ে অনেক সহজ। তখন সে বলল: সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, নিশ্চয় সে আপনার কাছে মিথ্যা বলেছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে পুরুষ লোকটিকে দিয়ে শুরু করলেন; সে আল্লাহর নামে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, নিশ্চয় সে সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত। আর পঞ্চমবার বলল যে, যদি সে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয় তবে তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় পর্যায়ে স্ত্রীলোকটিকে ডাকলেন এবং সে সাক্ষ্য দিল

পৃষ্ঠা ১৩ (ক)

আল্লাহর নামে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, নিশ্চয় সে (স্বামী) মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত। আর পঞ্চমবার বলল যে, যদি সে (স্বামী) সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয় তবে তার (স্ত্রীর) ওপর আল্লাহর গজব আপতিত হোক। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিলেন।))
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
هذا حديث صحيح من حديث سعيد بن جبير ، أخرجه البخاري ومسلم من طرق عدة ، ففي أحد طرق مسلم أخرجه عن محمد بن المثنى وغيره ، عن معاذ بن هشام ، عن أبيه ، عن قتادة ، عن عزرة ، عن سعيد بن جبير ، عن عبد الله بن عمر بمعناه ، ووقع لنا بحمد الله عالياً من حديث إسحاق بن يوسف بن يعقوب بن مرداس الأزرق الواسطي ، عن عبد الملك بن أبي سليمان ، وقد رواه مسلم عن محمد بن عبد الله بن نمير ، عن أبيه ، عن عبد الملك هذا ، وهو عالٍ على رواية قتادة كما قدمنا.

31- أخبرنا أبو محمد عبد الله بن أحمد النرسي قراءةً عليه وأنا أسمع سنة أربع وستين ببغداد ، قيل له: أخبركم أبو علي الحسن بن محمد بن عبد العزيز التلكي ، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان ، أنبأ أبو بكر مكرم بن أحمد بن مكرم القاضي ، ثنا يحيى بن جعفر بن أبي طالب ، أنبأ عبد الوهاب بن عطاء أبو نصر الخفاف ، أنبأ محمد بن عمرو ، عن أبي سلمة ، عن أبي هريرة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (من صلى على جنازة فله قيراط ، فمن تبعها حتى يقضى قضاها فله قيراطان أحدهما مثل أحد ، أو قال: أصغرهما مثل أحد) قال أبو سلمة: فذكرت ذلك لابن عمر فتعاظمه ، فبعث إلى عائشة ، فصدقت أبا هريرة ، فقال ابن عمر: لقد فرطنا في قراريط كثيرة. صحيح مخرج في الصحيح عن غير واحد عن أبي هريرة

ق 13 (ب)

ففي بعض روايات مسلم أخرجه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث ، أبيه ، عن جده ، عن عقيل ، عن الزهري قال: حدثني رجال ، عن أبي هريرة بمعناه.
এটি সাঈদ বিন জুবাইরের বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস, যা ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের একটি সূত্রে এটি মুহাম্মাদ বিন আল-মুসান্না ও অন্যদের থেকে, মুয়ায বিন হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি উযরাহ থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে সমার্থকভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর প্রশংসায় এটি আমাদের নিকট ইসহাক বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন মিরদাস আল-আযরাক আল-ওয়াসিতি-এর সূত্রে উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, তিনি আব্দুল মালিক বিন আবি সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি এই আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন; আর এটি কাতাদাহর বর্ণনার তুলনায় উচ্চ সনদসম্পন্ন যেমনটি আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি।

৩১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আন-নারসি, চৌষট্টি সালে বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি তা শ্রবণ করেছি। তাঁকে বলা হয়েছিল: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আত-তালকি, সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান, সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুকরম বিন আহমাদ বিন মুকরম আল-কাদি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন জাফর বিন আবি তালিব, সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা আবু নাসর আল-খাফফাফ, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আমর, আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জানাজার সালাত আদায় করল, তার জন্য এক কিরাত। আর যে ব্যক্তি জানাজা সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকল, তার জন্য দুই কিরাত, যার একটি উহুদ পাহাড়ের সমতুল্য, অথবা তিনি বলেছেন: তাদের মধ্যে ক্ষুদ্রতমটি উহুদ পাহাড়ের ন্যায়।" আবু সালামাহ বলেন: আমি বিষয়টি ইবনে উমরের নিকট উল্লেখ করলে তিনি একে অনেক বড় ব্যাপার বলে গণ্য করলেন। এরপর তিনি আয়েশার নিকট লোক পাঠালেন এবং আয়েশা আবু হুরায়রার বক্তব্য সত্যায়ন করলেন। তখন ইবনে উমর বললেন: "আমরা তো অনেক কিরাত হাতছাড়া করে ফেলেছি।" হাদিসটি সহিহ এবং আবু হুরায়রা থেকে একাধিক সূত্রে সহিহ গ্রন্থসমূহে বর্ণিত হয়েছে।

পৃষ্ঠা ১৩ (খ)

সহিহ মুসলিমের কিছু বর্ণনায় এটি আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহরি বলেন: আমার নিকট কিছু লোক আবু হুরায়রা থেকে সমার্থকভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
32- وأخبرنا به الشيخ الإمام أبو الفضل عبد الله بن أحمد بن محمد بن عبد القاهر الخطيب بقراءتي عليه ، قلت له: أخبركم طراد بن محمد الزينبي قراءةً عليه ، أنبأ هلال بن محمد بن جعفر ، أنبأ الحسين بن يحيى بن عياش ، ثنا إبراهيم هو ابن مجشر ، ثنا عبيدة بن حميد ، ثنا عمارة بن غزية ، عن سعيد ، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من شيع جنازة من أهلها حتى توضع فله قيراط ، ومن تبعها حتى تدفن فله قيراطان أدناهما أو أصغرهما أو أعظمهما مثل أحد)

33- أخبرنا الشيخ الإمام أبو بكر عبد الله بن محمد بن أحمد بن النقور بقراءتي عليه ببغداد ، قلت له: أخبركم أبو علي الحسن بن محمد بن عبد العزيز بن إسماعيل التلكي ، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن شاذان ، أنبأ عبد الله هو ابن إسحاق بن إبراهيم الخراساني ، ثنا عباس بن (1) المعدل ، ثنا عفان ، ثنا صخر بن جويرية ، عن نافع ، عن ابن عمر ، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (ما حق امرئ مسلم له مال يوصي فيه يبيت ليلتين إلا ووصيته مكتوبة عنده) هذا صحيح مخرج في الصحيح من غير طريق عبد الله بن عمر ، ففي أحد طرق مسلم أخرجه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد ، عن أبيه ، عن جده ، عن عقيل بن خالد ، عن الزهري ، عن سالم بن عبد الله بن عمر ، عن أبيه بمعناه ، وهو عالٍ كغيره ، ولله المنة. (2) أصل

ق 14 (أ)

يتلوه في الوجهة الأخرى.

ــ

(1) كلمة غير مفهومة

(2) كلمة غير مفهومة
৩২- এবং আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন শায়খ ইমাম আবু আল-ফজল আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল কাহির আল-খাতিব, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন তুরাদ ইবনে মুহাম্মদ আজ-জাইনাবি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, সংবাদ দিয়েছেন হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর, সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ, বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম—যিনি ইবনে মুজাশশার, বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবনে হুমাইদ, বর্ণনা করেছেন উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ, সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো জানাজার সাথে তার পরিবার থেকে নিয়ে জানাজা রাখা হওয়া পর্যন্ত যায়, তার জন্য এক কিরাত (নেকি) রয়েছে। আর যে ব্যক্তি দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত তার অনুগমন করে, তার জন্য দুই কিরাত রয়েছে, যার নিম্নতম বা ক্ষুদ্রতম অথবা বৃহত্তমটি ওহুদ পাহাড়ের সমান।"

৩৩- আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আন-নুকুর, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে ইসমাইল আত-তালকি, সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আল-হাসান ইবনে শাদান, সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ—যিনি ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-খুরাসানি, বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে (১) আল-মুয়াদ্দিল, বর্ণনা করেছেন আফফান, বর্ণনা করেছেন সাখর ইবনে জুওয়াইরিয়াহ, নাফে থেকে, তিনি ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "কোনো মুসলিম ব্যক্তির যার নিকট অসিয়ত করার মতো সম্পদ আছে, তার জন্য এটি সংগত নয় যে সে দুই রাত অতিবাহিত করবে অথচ তার অসিয়তনামা তার নিকট লিখিত থাকবে না।" এটি সহিহ এবং আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের ভিন্ন সূত্র থেকে 'সহিহ' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। ইমাম মুসলিমের একটি সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে আবদুল মালিক ইবনে শুআইব ইবনে আল-লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে একই অর্থে। আর এটি অন্যান্যগুলোর ন্যায় উচ্চ পর্যায়ের সনদ বিশিষ্ট, আর সকল প্রশংসা আল্লাহর। (২) মূল অংশ

পৃষ্ঠা ১৪ (ক)

এর পরবর্তী অংশ অপর পৃষ্ঠায় রয়েছে।

--

(১) শব্দটি অস্পষ্ট

(২) শব্দটি অস্পষ্ট
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
34- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي قراءةً عليه سنة إحدى وستين وخمسمائة ببغداد ، قيل له: أخبركم أبو الفضل أحمد بن الحسن بن خيرون ، أنبأ أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران ، أنبأ أبو علي أحمد بن الفضل بن العباس بن خزيمة قراءةً عليه ، ثنا عبد الله بن روح المدائني ، ثنا شبابة بن سوار ، ثنا شعبة بن الحجاج ، عن ابن أبي مليكة ، عن عائشة قالت: (طيبت رسول الله صلى الله عليه وسلم من أطيب شيء قدرت عليه بيدي لحله وإحرامه) ، روي هذا الحديث في الصحيح من غير طريق عن عائشة ، رواه عنها القاسم بن محمد ، وعروة ، وعمرة ، والأسود ، ومسروق بألفاظ مختلفة ، ففي أحد طرق البخاري رواه عن إسحاق بن نصر ، عن يحيى بن آدم ، عن إسرائيل ، عن أبي إسحاق ، عن عبد الرحمن بن الأسود ، عن أبيه ، عن عائشة ، ورواه مسلم بمعناه عن محمد بن بشار ، عن غندر ، عن شعبة ، عن الحكم ، عن إبراهيم ، عن الأسود ، عن عائشة ، ولفظه (كأنما أنظر إلى وبيص الطيب في مفارق رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو محرم) .

35- أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بقراءتي عليه ، قلت له: أخبركم أحمد بن الحسن بن خيرون ، أنبأ عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن مهران ، أنبأ حمزة بن محمد بن العباس بن الفضل بن الحارث الدهقان ، ثنا عباس بن محمد الدوري ، ثنا عبد الوهاب الخفاف ، أنبأ محمد بن عمرو ، عن أبي سلمة ، عن أبي هريرة (أن فاطمة جاءت إلى أبي بكر وعمر رضي الله عنهما تطلب ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فقالا: سمعنا رسول الله صلى الله عليه
৩৪- আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদ আল-বাকী ৫৬১ হিজরীতে বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমাদের জানিয়েছেন, তাঁকে বলা হয়েছিল: আবু আল-ফাদল আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে খাইরুন আপনাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আবদ আল-মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বিশরান সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আহমদ ইবনে আল-ফাদল ইবনে আল-আব্বাস ইবনে খুজাইমাহ তাঁর নিকট পাঠ করার সময় সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে রুহ আল-মাদায়িনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বা ইবনে আল-হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ইহরাম বাঁধার সময় এবং ইহরাম খোলার সময় আমার সামর্থ্যে থাকা সর্বোত্তম সুগন্ধি দিয়ে নিজ হাতে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম)। এই হাদিসটি সহীহ গ্রন্থে আয়েশা থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে; তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ, উরওয়াহ, আমরাহ, আল-আসওয়াদ এবং মাসরুক বিভিন্ন শব্দে। বুখারীর অন্যতম সূত্রে এটি ইসহাক ইবনে নাসর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আদম থেকে, তিনি ইসরাইল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি একই অর্থে মুহাম্মদ ইবনে বাশশার থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দ হচ্ছে (আমি যেন ইহরাম অবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চুলের সিঁথিতে সুগন্ধির উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি)।

৩৫- আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদ আল-বাকী তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় আমাদের জানিয়েছেন, আমি তাঁকে বললাম: আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে খাইরুন আপনাদের জানিয়েছেন, আবদ আল-মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মেহরান সংবাদ দিয়েছেন, হামজা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আব্বাস ইবনে আল-ফাদল ইবনে আল-হারিস আদ-দাহকান সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদ আল-ওয়াহহাব আল-খাফফাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আমর সংবাদ দিয়েছেন, আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, (ফাতিমা আবু বকর এবং উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর নিকট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে তাঁর উত্তরাধিকার চাইতে এসেছিলেন। তখন তাঁরা উভয়ে বললেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
ق 14 (ب)

وسلم يقول: إنا لا نورث) . الحديث صحيح من رواية أبي بكر الصديق وعمر رضي الله عنهما من غير طريق ، وروي في الصحيح من رواية عمر ، عن أبي بكر أيضاً ، وروى في الصحيح من رواية عائشة ، عن أبيها ، رواه البخاري ومسلم من رواية الزهري ، عن عروة ، عن عائشة ، ففي أحد طرق مسلم رواه عن محمد بن نافع ، عن حجين بن المثنى ، عن عقيل ، وعن الحلواني ، عن يعقوب ، عن أبيه ، عن صالح ، كليهما عن الزهري ، عن عروة ، عن عائشة ، ووقع لنا عالياً من رواية أبي سلمة ، عن أبي هريرة.

36- أخبرنا المبارك بن محمد ، أنبأ محمد بن عبد العزيز ، أنبأ الحسن بن أحمد بن شاذان ، أنبأ أحمد بن سلمان ، ثنا الحسن بن مكرم ، ثنا يزيد بن هارون ، أنبأ يحيى بن سعيد ، عن نافع ، عن ابن عمر ، عن زيد بن ثابت (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص في العرية أن تؤخذ بمثل خرصها يأكلها أهلها رطباً) . صحيح أخرجاه من حديث نافع ، عن عبد الله بن عمر ، ومن رواية سالم ، عن أبيه. رواه البخاري عن يحيى بن بكير ، عن الليث. ومسلم عن محمد بن رافع ، عن حجين بن المثنى ، عن الليث ، عن عقيل ، عن الزهري ، عن سالم ، عن أبيه ، عن زيد بن ثابت بمعناه ، ففي هذه الطريق في العدد إلى عبد الله بن عمر كأن شيخنا سمعه من مسلم ، ولله الحمد والمنة.

آخر الجزء ، والحمد لله وحده وصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم تسليماً كثيراً.
পৃষ্ঠা ১৪ (খ)

এবং তিনি বলছেন: "আমাদের কোনো উত্তরাধিকারী হয় না"। হাদিসটি আবু বকর সিদ্দিক এবং উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে একাধিক সূত্রে সহিহ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এটি সহিহ গ্রন্থে উমর থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকেও বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সহিহ গ্রন্থে আয়েশা থেকে তাঁর পিতার সূত্রেও এটি বর্ণিত হয়েছে। ইমাম বুখারি ও মুসলিম এটি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের একটি সূত্রে এটি মুহাম্মাদ ইবনে নাফে থেকে, তিনি হুজাইন ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি আকিল থেকে বর্ণিত। আবার হালওয়ানি থেকে, তিনি ইয়াকুব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ থেকে—তাঁরা উভয়েই যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট এটি আবু সালামার সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে একটি উচ্চতর (আলি) সনদে পৌঁছেছে।

৩৬- মুবারক ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবনে আহমদ ইবনে শাযান আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ ইবনে সালমান আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবনে মুকরম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের জানিয়েছেন নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে সাবিত থেকে যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আরিয়্যাহ’ বা দানকৃত বাগানের ফলের বিনিময়ে অনুমিত পরিমাণ শুকনো খেজুরের মাধ্যমে তাজা খেজুর গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছেন, যেন গ্রহীতার পরিবার তা তাজা অবস্থায় খেতে পারে)। এটি সহিহ, তাঁরা উভয়ে (বুখারি ও মুসলিম) এটি নাফে-এর সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে এবং সালিমের সূত্রে তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি এটি ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মাদ ইবনে রাফে থেকে, তিনি হুজাইন ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি আকিল থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে সাবিত থেকে এই মর্মে বর্ণনা করেছেন। এই সনদে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর পর্যন্ত স্তরের সংখ্যা বিচারে মনে হয় যেন আমাদের শাইখ এটি সরাসরি ইমাম মুসলিম থেকে শুনেছেন। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহরই প্রাপ্য।

খণ্ডের সমাপ্তি, এবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও তাঁর সকল সাথীদের ওপর অনেক অনেক দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) বুলগাতুত তালিবিল হাসীস ফী সহীহি আউয়ালিল হাদীস লি ইবনি কুদামাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
ق 15

الجزء السابع من بلغة الطالب الحثيث في صحيح عوالي الحديث

تخريج الشيخ الإمام الحافظ ضياء الدين أبي عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي

من مسموعات خاله الشيخ الإمام العلامة موفق الدين أبي محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي

رواية الكاتب عثمان بن محمد الديمي ، عن عبد الرحمن بن محمد التنوحي ، عن إبراهيم بن عبد الله النابلسي ، عن عبد الحافظ بن عبد الخالق بن بدران بن رشيد ، بسماعه للجزء من الإمام أبي محمد الموفق ابن قدامة رحمه الله

صاحب هذا الكتاب

هو الإمام الحافظ ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد بن أحمد بن عبد الرحمن المقدسي السعدي. المولود سنة 569 ، المتوفى سنة 643 ، وخاله هو العلامة موفق الدين أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي. المولود بجماعيل قرية من قرى نابلس من الأراضي المقدسة ، المتوفى سنة 620 بمنزله بدمشق ودفن بسفح قاسيون نبه على ذلك كاتبه.

أحمد بن عمر المحمصاني الأزهري في 23 صفر سنة 1322
পৃষ্ঠা ১৫

'বুলগাতুত তালিবিল হাসিছ ফি সহিহি আউয়ালিউল হাদিস' গ্রন্থের সপ্তম খণ্ড

শাইখ, ইমাম, হাফিজ জিয়াউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসির সংকলিত

তাঁর মামা শাইখ, ইমাম, আল্লামা মুয়াফফাকুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসির নিকট হতে শ্রুত বিষয়াবলি থেকে

লেখক উসমান বিন মুহাম্মদ আদ-দাইমির বর্ণনা, তিনি আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আত-তানুখি থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আন-নাবলুসি থেকে, তিনি আব্দুল হাফিজ বিন আব্দুল খালিক বিন বদরান বিন রশিদ থেকে, ইমাম আবু মুহাম্মদ আল-মুয়াফফাক ইবনে কুদামা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) থেকে খণ্ডটি শ্রবণের মাধ্যমে

এই কিতাবের লেখক

তিনি হলেন ইমাম হাফিজ জিয়াউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাকদিসি আস-সাদি। জন্ম ৫৬৯ হিজরি, মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি। এবং তাঁর মামা হলেন আল্লামা মুয়াফফাকুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি। তিনি পবিত্র ভূমির নাবলুসের একটি গ্রাম জাম্মাইলে জন্মগ্রহণ করেন, ৬২০ হিজরিতে দামেস্কে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন এবং কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে সমাহিত হন, যা তাঁর লেখক উল্লেখ করেছেন।

আহমাদ বিন উমর আল-মাহমাসানি আল-আজহারি, ২৩ সফর, ১৩২২ হিজরি।