(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: -)
الصفات للدارقطني ت الفقيهي القسم: كتب السنة
الكتاب: كتاب الصفات
المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385 هـ)
المحقق: علي بن محمد بن ناصر الفقيهي [ت 1446 هـ]
الناشر: *
الطبعة: الأولى، 1403 هـ - 1983 مـ
عدد الصفحات: 89
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আদ-দারাকুতনী বিরচিত কিতাবুস সিফাত, আল-ফাকিহীর তাহকীক বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: কিতাবুস সিফাত
লেখক: আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদী বিন মাসউদ বিন নুমান বিন দীনার আল-বাগদাদী আদ-দারাকুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী)
তাহকীককারী: আলী বিন মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-ফাকিহী [মৃত্যু ১৪৪৬ হিজরী]
প্রকাশক: *
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৩ হিজরী - ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৯
[গ্রন্থের নম্বরকরণ মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٥)
المقدمة
تقريظ فضيلة الشيخ حماد بن الأنصاري…بسم الله الرحمن الرحيم
وبه ثقتي
تقريظ فضيلة الشيخ حمَّاد بن الأنصاري
الأستاذ بقسم الدراسات العليا في الجامعة الإسلامية
الحمد الله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد وآله وصحبه ومن والاه.
وبعد:
فقد استعرضت عمل الأخ الدكتور علي بن محمد بن ناصر فقيهي عميد المكتبات بالجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية. وكان
ভূমিকাসম্মানীত শায়খ হাম্মাদ বিন আনসারীর মূল্যায়ন…পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
এবং তাঁর ওপরই আমার ভরসা
সম্মানীত শায়খ হাম্মাদ বিন আনসারীর মূল্যায়ন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং যারা তাঁকে অনুসরণ করেছেন তাদের ওপর।
অতঃপর:
আমি মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি সমূহের ডিন ভাই ডক্টর আলী বিন মুহাম্মদ বিন নাসের ফুকায়হির কাজ পর্যালোচনা করেছি। এবং তা ছিল
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٦)
هذا العمل تحقيقه لكتابين توأمين في موضوعين هامين، أحدهما كتاب الصفات، والآخر كتاب النزول. كلاهما للحافظ الشهير أبي الحسن علي بن عمر الدارقطني فوجدته في تحقيقه هذا قد بذل مجهودًا مشكورًا في إحياء هذا النوع من التراث الإسلامي، لا سيما والكتابان في موضوع هو أشرف الموضوعات ألا وهو معرفة أسماء الله وصفاته وفق الأدلة الشرعية من القرآن والسنة النبوية.
ومع وجازة الكتابين فقد وفّيا هذا الموضوع حقه، بالإضافة إلى هذه التعاليق التي حلاه بها الأخ الدكتور علي، حيث خرج أحاديثه، وترجم الرواة التي وردت في ثناياه. وقد أسهم بهذه الخدمة الجليلة في إظهار بعض آثار السلف التي كانت في زوايا النسيان.
هذا وقد سبق هذه الخدمة خدمته السنية لكتابين آخرين لم يقلَّا أهمية في هذا الموضوع من هاتين الرسالتين النفيستين أحدهما كتاب الإيمان للحافظ ابن مندة، من أشمل الكتب المؤلفة في هذا الباب. وقد حققّه باسم الدكتوراه الشهادة العالمية والآخر كتاب الرد للمؤلف ذاته. فقد أخرجه كذلك تحفه ثمينة لكل من يهمه تحقيق هذا النوع من التوحيد الذي زلقت فيه أقدام كثيرين من المعطلة والمؤولة والممثلة، ويعد هذان الكتابان مع رسالتَي الدارقطني اللتين نحن بصدد الكلام عليهما شجىً في حلقوم كل معطل وكل مشبه.
এই কর্মটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রচিত দুটি যমজ গ্রন্থের তাহকীক বা গবেষণামূলক সম্পাদনা; যার একটি হলো গুণাবলি সংক্রান্ত গ্রন্থ এবং অপরটি অবতরণ সংক্রান্ত গ্রন্থ। গ্রন্থদ্বয় প্রখ্যাত হাফিজ আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনীর। আমি লক্ষ্য করেছি যে, তিনি এই তাহকীক বা সম্পাদনার ক্ষেত্রে ইসলামী ঐতিহ্যের এই ধারাটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন। বিশেষ করে গ্রন্থ দুটি এমন একটি বিষয়ে রচিত যা সকল বিষয়ের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ; আর তা হলো কুরআন ও সুন্নাহর শরয়ি দলিল অনুযায়ী আল্লাহর নামসমূহ ও তাঁর গুণাবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন।
গ্রন্থ দুটি সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও এ বিষয়ে হক আদায় করেছে। তদুপরি এতে যুক্ত হয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম ডক্টর আলীর মূল্যবান টীকা-টিপ্পনী, যেখানে তিনি হাদিসগুলোর উৎস নির্দেশ করেছেন এবং গ্রন্থে বর্ণিত বর্ণনাকারীদের জীবনী তুলে ধরেছেন। এই মহান খিদমতের মাধ্যমে তিনি সালাফ বা পূর্বসূরিদের এমন কিছু নিদর্শন প্রকাশে অবদান রেখেছেন যা বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে গিয়েছিল।
এই খিদমতের পূর্বে তিনি আরও দুটি গ্রন্থের চমৎকার খিদমত আঞ্জাম দিয়েছেন যা গুরুত্বের দিক থেকে বর্তমানের এই মূল্যবান পুস্তিকা দুটি থেকে কোনো অংশে কম নয়। এর একটি হলো হাফিজ ইবনে মানদাহ রচিত ঈমান সংক্রান্ত গ্রন্থ, যা এই বিষয়ে রচিত অত্যন্ত সমৃদ্ধ গ্রন্থগুলোর অন্যতম। তিনি এটি ডক্টরেট ডিগ্রির জন্য তাহকীক করেছেন। অন্যটি হলো একই লেখকের খণ্ডনমূলক গ্রন্থ। তিনি এটিকেও একটি মূল্যবান উপহার হিসেবে প্রকাশ করেছেন তাদের জন্য, যারা তাওহিদের এই প্রকারটির তাহকীক সম্পর্কে আগ্রহী—যেখানে বহু গুণাবলি অস্বীকারকারী, অপব্যাখ্যাকারী ও সদৃশকারীদের পদস্খলন ঘটেছে। আদ-দারাকুতনীর যে দুটি পুস্তিকা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি, তার পাশাপাশি এই গ্রন্থ দুটিও প্রত্যেক গুণাবলি অস্বীকারকারী ও সদৃশকারীর গলার কাঁটা হিসেবে গণ্য হয়।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٧)
جزاه الله خير الجزاء، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم آمين.
1403/1/23 هـ.
আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আমীন।
২৩/১/১৪০৩ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٩)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الكتابإنَّ الحمد الله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذُ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئاتِ أعمالنا، من يهدِهِ اللهُ فلا مضلَّ له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللهُ وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله. أرسله بالهدى ودين الحق ليظهره على الدين كله ولو كره الكافرون.. وبعد:
فإنَّ العقيدة الإسلامية التي هي قوام المجتمع الإسلامي الذي بدونها لا يمكن أن يقوم له بناء، كانت ولا تزال هدفًا لأعداء الإسلام والطاعنين عليه.
ذلك أن أعداءه حين عجزوا عن مواجهته علنًا. اندسوا في صفوفه فتسموا باسم الإسلام ليتمكنوا من الطعن فيه، فابن سبأ اليهودي الذي أدخل على الإسلام عقائد تُشوه جماله، وتُحطم بنيانه كان أول أعدائه الذين دخلوا فيه، ثم بدأ يُدخل عقائده الفاسدة التي تحطم كيان الأمة الإسلامية.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
গ্রন্থের ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল। তিনি তাঁকে হেদায়েত ও সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন যাতে তিনি একে সকল দ্বীনের ওপর বিজয়ী করেন, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে। অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইসলামী আকিদা হলো ইসলামী সমাজের মূল ভিত্তি, যা ব্যতীত এর কোনো ইমারত দণ্ডায়মান হওয়া সম্ভব নয়; এটি ইসলামের শত্রু ও এর প্রতি কটাক্ষকারীদের লক্ষ্যবস্তু ছিল এবং সর্বদা রয়েছে।
এর কারণ হলো, ইসলামের শত্রুরা যখন প্রকাশ্যে এর মোকাবিলা করতে অক্ষম হলো, তখন তারা এর সারিতে অনুপ্রবেশ করল এবং ইসলামের নাম ধারণ করল যাতে তারা এতে বিদ্ধ করতে সক্ষম হয়। সুতরাং ইহুদি ইবনে সাবা, যে ইসলামের মধ্যে এমন সব আকিদা অনুপ্রবেশ করিয়েছিল যা এর সৌন্দর্যকে বিকৃত করে এবং এর ভিত্তিকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়, সে ছিল এর ভেতরে প্রবেশকারী প্রথম শত্রুদের একজন। অতঃপর সে তার সেই ভ্রষ্ট আকিদাহসমূহ প্রবেশ করাতে শুরু করল যা মুসলিম উম্মাহর অস্তিত্বকে ধ্বংস করে দেয়।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
وتبعه آخرون منهم بشر المريسي وهو ابن يهودي صباغ كما قال أبو نعيم فقد أورد قوله الدارقطني في آخر الكتاب هذا، وكما يجد القارئُ ترجمته في الأثر رقم 66.
وقد كان طَعْنُ هؤلاء منصبًّا على صفات الذات الإلهية؛ ليقوِّضوا العقيدة من أساسها.
ولكن بحمد الله فقد هيأ الله من يَرُدُّ كيد هؤلاء الماكرين إذ انبرى لهم علماء السنة، فردوا كيدهم، ودحضوا باطلهم بالحجج القاطعة من كتاب الله وسنة رسوله الثابتة عنه، كالإمام أحمد والبخاري وغيرهما، ومن هؤلاء العلماء الإمام الحافظ أبو الحسن الدارقطني الذي نُقَدِّم كتابه الصفات الذي ضمنه عددًا من الأحاديث الثابتة عن المصطفى صلى الله عليه وسلم. وآثارًا عن التابعين تُبين احتجاجهم بالسنة في إثبات أسماء الله تعالى وصفاته، وموقفهم من المخالفين لها. وكتابه أحاديث النزول الذي اشتمل على ستة وتسعين حديثًا وأثرًا، معظمها في الصحيحين.
نسألُ اللهَ تعالى أن يُثيب مؤلفهما، وأن ينفع بهما طلاب العلم، وآخر دعوانا أن الحمد الله رب العالمين.
المحقق
الدكتور علي بن محمد بن ناصر الفقيهي
এবং অন্যরা তাকে অনুসরণ করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন বিশর আল-মারিসি; আবু নুআইম যেমনটি বলেছেন, তিনি ছিলেন জনৈক ইহুদি রঙরেজের পুত্র। এই কিতাবের শেষাংশে দারা কুতনী তার বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন এবং পাঠক ৬৬ নম্বর আছারে তার জীবনী পাবেন।
এদের আক্রমণ মূলত মহান আল্লাহর সত্তাগত গুণাবলির ওপর নিবদ্ধ ছিল; যাতে তারা আকিদার মূল ভিত্তিকেই ধসিয়ে দিতে পারে।
তবে আল্লাহর প্রশংসায়, আল্লাহ এমন ব্যক্তিদের প্রস্তুত করেছেন যারা এই ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্ত প্রতিহত করবেন; কেননা আহলে সুন্নাহর উলামাগণ তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। তারা আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর রাসূলের সুসাব্যস্ত সুন্নাহ থেকে অকাট্য প্রমাণের মাধ্যমে তাদের ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েছেন এবং তাদের বাতিল মতবাদকে খণ্ডন করেছেন; যেমন ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারি এবং অন্যান্যরা। এই উলামাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ইমাম হাফেজ আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী, যাঁর 'আস-সিফাত' কিতাবটি আমরা উপস্থাপন করছি। এতে তিনি নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সুসাব্যস্ত বেশ কিছু হাদিস অন্তর্ভুক্ত করেছেন। সেই সাথে তাবেয়ীদের থেকে এমন কিছু আছার বা বর্ণনা এনেছেন যা মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলি সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে সুন্নাহর মাধ্যমে তাদের দলীল পেশ করার পদ্ধতি এবং এর বিরোধিতাকারীদের প্রতি তাদের অবস্থানকে স্পষ্ট করে। এছাড়াও তাঁর 'আহাদিসুন নুযুল' কিতাবটি, যা ছিয়ানব্বইটি হাদিস ও আছার সম্বলিত, যার অধিকাংশ বুখারি ও মুসলিম শরিফে রয়েছে।
আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই দুই কিতাবের লেখককে প্রতিদান দান করেন এবং এর মাধ্যমে ইলম অন্বেষণকারীদের উপকৃত করেন। আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
মুহাক্কিক
ডক্টর আলী বিন মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-ফাকিহি
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١١)
ترجمة المؤلفالصِّفَات للدَّارقطني:
هو الإمام شيخ الإسلام الحافظ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بن مهدي البغدادي الحافظ الشهير صاحب السنن.
مولده:
وُلد سنة ست وثلاثمائة.
طلبه العلم:
اتجه إلى طلب العلم وتحصيله في صباه في بلده فقد حضر مجلس الصفار في حداثة سنه.
رحلته في طلب العلم:
وقد سار الدَّارقطني على سنة المحدثين قبله فرحل إلى أشهر المحدثين فزار البصرة والكوفة وواسط، والشام.
লেখকের জীবনীআদ-দারা কুতনী রচিত আস-সিফাত:
তিনি হলেন ইমাম, শাইখুল ইসলাম, আল-হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী আল-বাগদাদী, প্রখ্যাত হাফিজ এবং আস-সুনান গ্রন্থের রচয়িতা।
তাঁর জন্ম:
তিনি তিনশত ছয় হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর ইলম অর্জন:
তিনি শৈশবেই নিজ শহরে ইলম অর্জন ও তা হাসিল করার দিকে মনোনিবেশ করেন; অত্যন্ত অল্প বয়সেই তিনি আস-সাফফারের মজলিসে উপস্থিত হতেন।
ইলম অর্জনে তাঁর সফর:
আদ-দারা কুতনী তাঁর পূর্বসূরি মুহাদ্দিসগণের পথ অনুসরণ করে তৎকালীন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসদের নিকট সফর করেন; তিনি বসরা, কুফা, ওয়াসিত এবং শাম ভ্রমণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
شيوخه:
وقد سمع من عددٌ كبير من الأعلام منهم أبو القاسم البغوي وابن صاعد وأحمد بن إسحاق بن البهلول، وغيرهم.
تلاميذه:
من أشهرهم: الحاكم، وأبو حامد الإسفرائيني وتمام الرازي، والحافظ عبد الغني، وخلق سواهم.
صفاته:
قال الحاكم: صار الدَّارقطني أوحد عصره في الحفظ والفهم والورع، قال: وقد أقمتُ سنة سبع وستين ببغداد أربعة أشهر، وكَثُرَ اجتماعنا فصادفته فوق ما وُصِفَ لي، وسألته عن العِلل والشيوخ، وله مصنفات يطول ذكرها.
وقال الخطيب: كان فريد عصره وإمام وقته، وانتهى إليه علم الأثر والمعرفة بالعِلل وأسماء الرجال مع الصدق والأمانة والعدالة وصحة الاعتقاد، وسلامة المذهب، والاضطلاع بعلوم سوى علم الحديث، منها: القراءات ومنها المعرفة بمذاهب الفقهاء، فإن كتاب السنن الذي صنفه يدل على أنه كان ممن أعتنى بالفقه، لأنه لا يقدر على جمع ما تضمن ذلك الكتاب إلا من تقدمت معرفته بالاختلاف في الأحكام. وكان يُبْغِض علم الكلام، قال السليمي:
سمعت الدارقطني يقول: ما شيء أبغض إليّ من علم الكلام.
তাঁর উস্তাদগণ:
তিনি আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ী, ইবন সাঈদ, আহমাদ বিন ইসহাক বিন আল-বাহলুল এবং আরও অনেক প্রথিতযশা ইমামের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
তাঁর ছাত্রগণ:
তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলেন: আল-হাকিম, আবু হামিদ আল-ইসফারায়িনী, তাম্মাম আর-রাজি, আল-হাফিজ আব্দুল গানি এবং আরও অনেকে।
তাঁর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
আল-হাকিম বলেন: আদ-দারাকুতনী তাঁর যুগে মুখস্থশক্তি, প্রজ্ঞা এবং পরহেজগারির ক্ষেত্রে অদ্বিতীয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি আরও বলেন: আমি তিনশত সাতষট্টি হিজরিতে বাগদাদে চার মাস অবস্থান করেছি। আমাদের মাঝে প্রচুর সাক্ষাৎ ও আলোচনা হতো। আমি তাঁকে যেমনটি শুনেছিলাম, তার চেয়েও অনেক উন্নত স্তরে পেয়েছি। আমি তাঁকে হাদিসের সূক্ষ্ম ত্রুটি এবং উস্তাদদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তাঁর সংকলিত কিতাবসমূহের তালিকা অত্যন্ত দীর্ঘ।
আল-খতিব বলেন: তিনি ছিলেন তাঁর যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব এবং সমসাময়িকদের ইমাম। সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, বিশুদ্ধ আকিদাহ, মাজহাবের বিশুদ্ধতা এবং হাদিস শাস্ত্র ছাড়াও অন্যান্য শাস্ত্রে পাণ্ডিত্যের সাথে সাথে হাদিসের ইলম, সূক্ষ্ম ত্রুটির জ্ঞান এবং বর্ণনাকারীদের পরিচয় সংক্রান্ত ইলম তাঁর কাছে এসে পূর্ণতা লাভ করেছিল। সেই জ্ঞানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো: কিরাআত শাস্ত্র এবং ফকিহগণের মাজহাব সংক্রান্ত জ্ঞান। কেননা তিনি যে সুনান গ্রন্থটি রচনা করেছেন, তা প্রমাণ করে যে তিনি ফিকহ শাস্ত্রের প্রতিও মনোযোগী ছিলেন। কারণ আহকামের ইখতিলাফ বা মতভেদ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখা ব্যতীত কেউ এই গ্রন্থের বিষয়বস্তুসমূহ একত্রিত করতে সক্ষম হবে না। তিনি ইলমে কালামকে ঘৃণা করতেন। আস-সুলাইমী বলেন:
আমি আদ-দারাকুতনীকে বলতে শুনেছি: আমার কাছে ইলমে কালামের চেয়ে অধিক ঘৃণিত আর কিছু নেই।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
ومما يذكر عن حافظته قول الخطيب: وحدّثني الأزهري قال: بلغني أن الدَّارقطني حضر في حداثته مجلس إسماعيل الصفار وقعد ينسخ جزءًا والصفار يُملي فقال رجل: لا يصح سماعك وأنت تنسخ؟ فقال: فهمي للإملاء خلاف فهمك، أتحفظ كم أملى الشيخ؟ قال: لا أدري. قال: أملى ثمانية عشر حديثًا الحديث الأول: عن فلان، عن فلان، ومتنه كذا وكذا. والثاني: عن فلان، عن فلان، ومتنه كذا وكذا، ولم يزل يذكر أسانيد الأحاديث ومتونها على ترتيبها في الإملاء حتى أتى على آخرها، فتعجب الناس منه. وكان عبد الغني إذا ذكر الدَّارقطني قال: أستاذي.
وقال الخطيب في ترجمة الدَّارقطني أيضًا: سألتُ البرقاني: هل كان أبو الحسن يُملي عليك العلل من حفظه؟ قال: نعم، وأنا الذي جمعتها وقرأها الناس من نسختي.
وإذا شئت أن تتبين براعة هذا الإمام الفرد فطالع العلل له فإنك تندهش ويطول تعجبك1.
ثناء العلماء عليه:
قال الخطيب: سمعتُ القاضي أبا الطيب الطبري، يقول: الدَّارقطني أمير المؤمنين في الحديث. وما رأيت حافظًا ورد بغداد إلا مضى إليه وسلّم له، يعني فسلّم له التقدمة في الحفظ وعلو المنزلة
--------------------------------------------
তাঁর মুখস্থশক্তির ব্যাপারে খতিবের এই উক্তিটি উল্লেখযোগ্য: আল-আযহারী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, দারাকুতনি তাঁর যৌবনকালে ইসমাইল আস-সাফফারের মজলিসে উপস্থিত হতেন। একদা সাফফার হাদিস শ্রুতিলিখনের (ইমলা) কাজ করছিলেন আর দারাকুতনি বসে একটি পুস্তিকা নকল করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি বলল: আপনি যখন নকল করছেন তখন আপনার শ্রবণ (সামা') সঠিক হবে না। তিনি বললেন: আমার বোঝার ক্ষমতা আপনার মতো নয়। শায়খ কতগুলো হাদিস লিখিয়েছেন তা কি আপনার মুখস্থ আছে? সে বলল: আমি জানি না। তিনি বললেন: তিনি আঠারোটি হাদিস লিখিয়েছেন; প্রথম হাদিসটি অমুক থেকে, অমুক থেকে বর্ণিত এবং তার মূলপাঠ (মতন) এই এই। দ্বিতীয় হাদিসটি অমুক থেকে, অমুক থেকে এবং তার মূলপাঠ এই এই। এভাবে তিনি একে একে হাদিসগুলোর সনদ ও মূলপাঠ সেই মজলিসে পাঠ করানোর ক্রম অনুযায়ী বর্ণনা করতে থাকলেন যতক্ষণ না শেষ পর্যন্ত পৌঁছালেন। এতে উপস্থিত লোকজন তাঁর স্মৃতিশক্তিতে আশ্চর্যান্বিত হলো। আব্দুল গনি যখন দারাকুতনির কথা উল্লেখ করতেন তখন বলতেন: তিনি আমার উস্তাদ।
খতিব দারাকুতনির জীবনীতে আরও বলেন: আমি আল-বারকানিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: আবুল হাসান কি তাঁর মুখস্থ থেকে আপনার নিকট 'আল-ইলাল' লিখিয়ে দিতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আর আমিই সেগুলো সংগ্রহ করেছি এবং মানুষ আমার প্রতিলিপি থেকেই তা পাঠ করেছে।
আপনি যদি এই অনন্য ইমামের পারদর্শিতা যাচাই করতে চান, তবে তাঁর রচিত 'আল-ইলাল' গ্রন্থটি পাঠ করুন; এতে আপনি বিস্মিত হবেন এবং আপনার বিস্ময় দীর্ঘস্থায়ী হবে।১
তাঁর সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা:
খতিব বলেন: আমি কাজি আবু তাইয়্যেব আত-তাবারীকে বলতে শুনেছি: দারাকুতনি হলেন হাদিস শাস্ত্রের 'আমিরুল মুমিনীন'। আমি এমন কোনো হাফেজে হাদিস দেখিনি যিনি বাগদাদে এসেছেন অথচ তাঁর নিকট গিয়ে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করেননি; অর্থাৎ হিফয ও সুউচ্চ মর্যাদার ক্ষেত্রে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
في العلم، قال الخطيب: حدَّثني الصوري قال: سمعتُ عبد الغني بن سعيد الحافظ بمصر يقول: أحسن الناس كلامًا على حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة: على بن المدينيي في وقته، وموسى بن هارون في وقته، وعلي بن عمر الدَّارقطني في وقته. أخبرنا البرقاني قال: كنت أسمع عبد الغني بن سعيد الحافظ كثيرًا إذا حكى عن أبي الحسن الدَّارقطني شيئًا يقول: قال أستاذي وسمعتُ أستاذي، فقلت له في ذلك فقال: وهل تعملنا هذين الحرفين من العلم إلا من أبي الحسن الدَّارقطني؟ 1.
مؤلفاته:
منها: السنن، كتاب العلل خ، المجتبى من السُّنن المأثورة خ.
المختلف والمؤتلف، الضعفاء، خ. ذكرت هذه المؤلفات في الأعلام للزركلي2.
وهناك مؤلفات أخرى، منها كتاب الرؤية3.
والالتزامات على الصحيحين، والاستدراكات والتتبع والصفات والنزول وغيرها من المؤلفات.
--------------------------------------------
ইলমের বিষয়ে খতীব বলেন: সুরী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মিসরে হাফেয আবদুল গনী ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের ওপর সর্বশ্রেষ্ঠ পর্যালোচনাকারী হলেন তিনজন: নিজ সময়ে আলী ইবনুল মাদীনী, নিজ সময়ে মূসা ইবনে হারুন এবং নিজ সময়ে আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী। বারকানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি প্রায়ই হাফেয আবদুল গনী ইবনে সাঈদকে যখনই আবুল হাসান আদ-দারাকুতনী সম্পর্কে কিছু বর্ণনা করতে দেখতাম, তখন তাঁকে বলতে শুনতাম: ‘আমার উস্তাদ বলেছেন’ এবং ‘আমি আমার উস্তাদকে বলতে শুনেছি’। আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: ‘আমরা কি ইলমের এই সামান্য অংশটুকুও আবুল হাসান আদ-দারাকুতনী ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে শিখেছি?’ 1.
তাঁর রচনাবলী:
তার মধ্যে রয়েছে: আস-সুনান, কিতাবুল ইলাল (পাণ্ডুলিপি), আল-মুজতাবা মিনাস সুনানিল মা’সূরা (পাণ্ডুলিপি)।
আল-মুখতালিফ ওয়াল মু’তালিফ, আদ-দুয়াফা (পাণ্ডুলিপি)। এই গ্রন্থসমূহ যিরিকলীর আল-আ’লাম গ্রন্থে উল্লিখিত হয়েছে 2.
এছাড়াও আরও অনেক গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কিতাবুর রুইয়াহ 3।
এবং আল-ইলতিযামাত আলাস সহীহাইন, আল-ইসতিদরাত ওয়াত তাতাব্বু, আস-সিফাত (আল্লাহর গুণাবলী), আন-নুযুল (আল্লাহর নেমে আসা) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
وفاته:
تُوفِّي رحمه الله سنة خمس وثمانين وثلاثمائه، وقد بلغ ثمانين عامًا قضاها في طاعة ربه، وخدمة السُّنة. والذَّب عنها، كما خلَّف مؤلفات جليلة سينال بها إن شاء الله الأجر الجزيل والثواب المستمر الموعود به من خلف علمًا يُنْتَفع به، كما جاء عن المصطفى صلى الله عليه وسلم. ومن مؤلفاته هذه كتاب الصفات، وكتاب النزول هذا الذي نقدمه للقراء، للاطلاع على ما خلَّفه علماء سلف هذه الأمة في مجال العقيدة الصحيحة المأخوذة من كتاب الله تعالى، وما صح من سنة نبيه صلى الله عليه وسلم.
نسبة كتاب الصفات وكتاب النزول للدَّارقطني:
وجدت هذه النسخة ضمن مجموع رقم 5/510 ريغان كوشك ذكرها فؤاد سزكين تأريخ التراث ص 529، وقد صورت المجموع من مكتبة المتحف بتركيا استامبول حينما كنت أبحث عن مؤلفات الحافظ ابن منده، وتقع نسخة الصفات في خمس ورقات نُسخت عام 1084 هـ، وكان هذا المجموع يشمل عددًا من الرسائل في العقائد. ومن ضمنها أحاديث النزول للمؤلف، ويقع في تسع ورقات وصفحة، في الصفحة ثلاثة وثلاثون سطرًا.
الصفات:
أما كتاب الصفات فقد اشتمل على ثمانية وستين حديثًا وأثرًا، معظم أحاديثه في الصحيحين.
তাঁর মৃত্যু:
তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) ৩৮৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আশি বছর বয়স পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং এই দীর্ঘ সময় তিনি তাঁর রবের আনুগত্যে ও সুন্নাহর খিদমতে এবং সুন্নাহর প্রতিরক্ষায় ব্যয় করেছেন। এছাড়াও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ রেখে গিয়েছেন যার বিনিময়ে তিনি ইনশাআল্লাহ মহান প্রতিদান এবং সেই নিরবচ্ছিন্ন সওয়াব লাভ করবেন যার প্রতিশ্রুতি এমন ব্যক্তির জন্য দেওয়া হয়েছে যে উপকারী জ্ঞান রেখে যায়, যেমনটি প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তাঁর এই রচনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো 'কিতাবুস সিফাত' এবং এই 'কিতাবুন নুযুল' যা আমরা পাঠকদের সম্মুখে পেশ করছি, যাতে তাঁরা মহান আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহিহ সুন্নাহ থেকে গৃহীত সঠিক আকীদার ক্ষেত্রে এই উম্মতের সালাফ উলামায়ে কেরাম যা কিছু রেখে গেছেন সে সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।
আদ-দারা কুতনীর সাথে 'কিতাবুস সিফাত' ও 'কিতাবুন নুযুল'-এর সম্পর্কায়ন:
এই পাণ্ডুলিপিটি ৫/৫১০ নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে রিগান কুশকে পাওয়া যায় যার কথা ফুয়াদ সেজগিন তাঁর 'তারিখুত তুরাস' (ঐতিহ্যের ইতিহাস) গ্রন্থের ৫২৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন। আমি যখন হাফিজ ইবনে মান্দাহর রচনাবলি খুঁজছিলাম তখন তুরস্কের ইস্তাম্বুলের মিউজিয়াম লাইব্রেরি থেকে এই সংকলনটির অনুলিপি সংগ্রহ করেছিলাম। সিফাত গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিটি পাঁচটি পাতায় বিন্যস্ত যা ১০৮৪ হিজরি সালে অনুলিপি করা হয়েছিল। এই সংকলনটিতে আকীদার ওপর বেশ কিছু পুস্তিকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। যার মধ্যে গ্রন্থকারের 'আহাদিসুন নুযুল'-ও রয়েছে, যা নয়টি পাতা ও এক পৃষ্ঠায় বিস্তৃত এবং প্রতি পৃষ্ঠায় তেত্রিশটি লাইন রয়েছে।
সিফাত:
'কিতাবুস সিফাত' আটষট্টিটি হাদিস ও আসারের (বর্ণনা) সমন্বয়ে গঠিত, যার অধিকাংশ হাদিসই সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
نسبة كتاب الصفات…كتاب النزول:
وأما كتاب النزول فقد اشتمل على ستة وتسعين حديثًا وأثرًا، معظمها في الصحيحين أيضًا.
وقد جاء على ورقة الغلاف العبارات التالية:
كتاب الصفات للدَّارقطني رضي الله عنه.
رواية أبي طالب محمد بن على بن الفتح العشاري عنه.
رواية أبي الْعِزِّ أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ كَادِشٍ العكبرى عنه.
رواية أبي محمد عبد الخالق بن عبد الوهاب الصابوني عنه.
رواية أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مَعَالِي بْنِ أَبِي عبد الله الرصافي عنه.
سماع عبد الله بن أحمد بن محمد المقدمي.
وقد جاء ذكرها في فهرس دار الكتب بالقاهرة القسم الأول ص 18 فقال: أحاديث الصفات: تأليف أبي الحسن علي بن عمر بن أحمد الدَّارقطني المتوفى سنة 385هـ رواية الشيخ الزاهد أبي طالب محمد بن علي بن الفتح العشاري عنه
… إلخ.
ثم ذكر أوله وأشار إلى السَماعات الموجودة عليه لمشاهير المحدثين نقلًا عن الأصل المنقول عنه، ضمن مجموعة من ورقة 103115، 12× 17 سم 23314ب.
কিতাবুস সিফাত গ্রন্থের সম্বন্ধতা…কিতাবুন নুযূল:
আর কিতাবুন নুযূল সম্পর্কে বলা যায় যে, এটি ছিয়ানব্বইটি হাদিস ও আসারের সমন্বয়ে গঠিত, যার অধিকাংশ সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এরও অন্তর্ভুক্ত।
এর প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত বাক্যগুলো পাওয়া যায়:
দারাকুতনী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) প্রণীত কিতাবুস সিফাত।
তাঁর থেকে আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-ফাতহ আল-উশারীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবুল ইযয আহমদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন কাদিশ আল-উকবারীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ আবদুল খালিক বিন আবদুল ওয়াহহাব আস-সাবুনীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবুল হাসান আলী বিন মাআলী বিন আবু আবদুল্লাহ আর-রুসাফীর বর্ণনা।
আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মুকাদ্দামীর শ্রবণ (সামা)।
কায়রোর দারুল কুতুবের ক্যাটালগের প্রথম খণ্ড ১৮ পৃষ্ঠায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়, সেখানে বলা হয়েছে: ‘আহাদিসুস সিফাত’: রচনায় আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ আদ-দারাকুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী), তাঁর থেকে শায়খ যাহেদ আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-ফাতহ আল-উশারীর বর্ণনা
… ইত্যাদি।
অতঃপর এর প্রারম্ভিক অংশ উল্লেখ করা হয়েছে এবং মূল উৎস থেকে উদ্ধৃত করে এর ওপর থাকা বিখ্যাত মুহাদ্দিসগণের শ্রবণের (সামা) প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা ১০৩-১১৫ পৃষ্ঠার একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত, মাপ ১২×১৭ সে.মি., নম্বর ২৩৩১৪-বি।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
وكنتُ أنتظرُ الحصول على هذه النسخة للمقابلة، وقد كلفت أحد الأخوة بتصويرها إلا أنه حينما طلبها من دار الكتب لم توجد ضمن المجموع الذي كانت فيه فقد نزعت منه.
وقد ذكر الذهبي في العلو أن من مصنفات الدَّارقطني كتاب الرؤية وكتاب الصفات1.
طريقته في تأليف كتاب الصفات:
لقد سلك في هذا الكتاب مسلك المحدثين في ايراد النصوص بأسانيدها فقد أورد عددًا من الأحاديث الواردة في الصفات يسوقها بأسانيدها. وأغلبها في الصحيحين كما تجد ذلك في تخريجها.
ثم أتبعها بأقوال السلف في هذا الباب ومن هؤلاء الذين ذكرهم:
أبو عبيد القاسم بن سلام.
ووكيع بن الجراح.
وابن عيينة.
ومحمد بن مصعب العابد.
والأوزاعي.
ومالك بن أنس.
وسفيان الثوري.
--------------------------------------------
আমি এই পাণ্ডুলিপিটি যাচাই-বাছাইয়ের (মুকাবালা) উদ্দেশ্যে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। আমি এক ভাইকে এটি সংগ্রহের জন্য নিয়োগ দিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি যখন দারুল কুতুবের কাছে এটি চেয়েছিলেন, তখন সেটি যে সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ছিল তাতে আর পাওয়া যায়নি; কেননা তা সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।
ইমাম যাহাবী ‘আল-উলুউ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম দারাকুতনীর রচনাবলির মধ্যে ‘কিতাবুর রু’ইয়াহ’ এবং ‘কিতাবুস সিফাত’ রয়েছে১।
কিতাবুস সিফাত রচনায় তাঁর পদ্ধতি:
তিনি এই গ্রন্থে সনদসহ মূল পাঠসমূহ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। তিনি সিফাত বা গুণাবলি সংক্রান্ত বেশ কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যা তিনি সনদসহ উপস্থাপন করেছেন। এগুলোর অধিকাংশ ‘সহীহাঈন’-এ বিদ্যমান, যা আপনি এগুলোর তাখরীজ লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন।
অতঃপর তিনি এই বিষয়ে সালাফদের বক্তব্যসমূহও উল্লেখ করেছেন। যাদের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন তারা হলেন:
আবু উবায়দ আল-কাসিম বিন সাল্লাম।
ওয়াকি বিন আল-জাররাহ।
ইবনে উয়াইনা।
মুহাম্মদ বিন মুসআব আল-আবিদ।
আল-আওযাঈ।
মালিক বিন আনাস।
সুফিয়ান সাওরী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
وشريك بن عبد الله، ذكر أقوالهم في الصفات وما يذهبون إليه فيها وهو إثباتها لله عز وجل كما وردت على أساس قوله تبارك وتعالى: {لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ البَصِيرُ} ثم أقوالهم المأثورة في الرد على من أنكرها، وأنه جهمي، ثم نقل قول أبي نعيم في رده على منكري الصفات حيث أورد عددًا من الأحاديث ثم قال: هَؤُلَاءِ أَبْنَاءُ الْمُهَاجِرِينَ يُحَدِّثُونَ أَنَّ اللَّهَ عز وجل يُرَى فِي الْآخِرَةِ حَتَّى جَاءَنَا ابْنُ يَهُودِيٍّ صَبَّاغٌ فَزَعَمَ أَنَّ اللَّهَ لَا يُرَى يعني بِشرًا المريسي.
এবং শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ। তিনি সিফাত বা গুণাবলি সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য এবং এই বিষয়ে তাঁদের অনুসৃত মত উল্লেখ করেছেন; আর তা হলো মহান আল্লাহর জন্য সেই গুণাবলিকে সেভাবেই সাব্যস্ত করা যেভাবে তা বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহর এই বাণীর ভিত্তিতে: "কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়, আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।" এরপর যারা এসব গুণাবলি অস্বীকার করে তাদের খণ্ডনে তাঁদের বর্ণিত উক্তিগুলো উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে, সে একজন জাহমি। এরপর তিনি সিফাত অস্বীকারকারীদের খণ্ডনে আবু নুআইমের উক্তিটি উদ্ধৃত করেন, যেখানে তিনি বেশ কিছু হাদিস বর্ণনা করার পর বলেন: "এরা হলেন মুহাজিরগণের সন্তান, তাঁরা বর্ণনা করছেন যে মহান আল্লাহকে পরকালে দেখা যাবে; অবশেষে আমাদের কাছে এক ইহুদি রঞ্জকের ছেলে এল এবং দাবি করল যে আল্লাহকে দেখা যাবে না।" অর্থাৎ বিশর আল-মারিসি।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
عملي في الكتاب1 حققتُ النص بقدر الاستطاعة وذلك بمقابلته على النصوص التي أخذ منها، فقد صححت المتن من الأحاديث الواردة في مصادرها كما صححت الأسانيد من كتب تراجم الرواة.
2 خرَّجتُ الأحاديث الواردة فيه بعزوها إلى مصدرها.
3 ذكرتُ الحكم على بعض الأحاديث التي لم ترد في الصحيحين بناء على دراسة الإسناد.
4 رقمتُ الأحاديث ليسهل الرجوع عند الإحالة إليها.
5 ذكرتُ ترجمة موجزة للمصنف مع الإشارة إلى أشهر مؤلفاته.
6 جعلتُ فهرسًا للأعلام المترجم لهم ثم للموضوعات.
7 أما الرموز المستعملة فهي:
خ للبخاري ت للترمذي
م لمسلم. د لأبي داود.
جه لابن ماجه حم أحمد في المسند وما عدا
هذه الكتب أصرح باسمه كاملًا.
গ্রন্থে আমার সম্পাদিত কাজ১. আমি সাধ্যানুসারে পাঠ্যটি (টেক্সট) যাচাই করেছি; এটি যে সকল মূল উৎস থেকে সংগৃহীত হয়েছে সেগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখার মাধ্যমে। আমি হাদিসের মূল পাঠসমূহ (মতন) সেগুলোর মূল উৎস থেকে সংশোধন করেছি এবং বর্ণনাকারীদের জীবনীগ্রন্থ থেকে সনদগুলো (সূত্র) সংস্কার করেছি।
২. এতে বর্ণিত হাদিসসমূহকে তাদের মূল উৎসের দিকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করার মাধ্যমে সেগুলোর তাখরিজ (উৎস নির্দেশ) করেছি।
৩. সহিহায়নের (বুখারি ও মুসলিম) অন্তর্ভুক্ত নয়—এমন কিছু হাদিসের ক্ষেত্রে সনদের পর্যালোচনার ভিত্তিতে সেগুলোর মানের (হুকুম) কথা উল্লেখ করেছি।
৪. উদ্ধৃতি প্রদানের সুবিধার্থে আমি হাদিসগুলোকে নম্বরযুক্ত করেছি।
৫. গ্রন্থকারের একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং তাঁর প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহের নাম উল্লেখ করেছি।
৬. যাদের জীবনী আলোচিত হয়েছে তাঁদের একটি নামের সূচি এবং এরপর একটি বিষয়ভিত্তিক সূচি তৈরি করেছি।
৭. আর ব্যবহৃত সংকেতগুলো হলো:
খ - বুখারির জন্য; ত - তিরমিযির জন্য।
ম - মুসলিমের জন্য; দ - আবু দাউদের জন্য।
জ - ইবনে মাজাহর জন্য; হা - মুসনাদে আহমাদ-এর জন্য। আর এই কিতাবগুলো ছাড়া বাকিগুলোর ক্ষেত্রে আমি পূর্ণ নাম স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
أحاديث صفة القدم…كتاب الصفات
بسم الله الرحمن الرحيم
ولا حول ولا قوة إلا بالله
قَرَأْتُ عَلَى الشِّيْخِ الْإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مَعَالِي بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الرُّصَافِيِّ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ أَوَّلِ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ، قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ الصَّابُونِيِّ1 قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي ذِي الْقِعْدَةِ مِنْ سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعِزِّ أَحْمَدُ بْنُ عبيد الله بن كادش2 قراءة في
--------------------------------------------
আল্লাহর পায়ের গুণ সম্পর্কিত হাদিসসমূহ…সিফাত (গুণাবলি) সম্পর্কিত কিতাব
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই।
আমি শায়খ, ইমাম, হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে মাআলী ইবনে আবু আব্দুল্লাহ আল-রুসাফীর নিকট পাঠ করেছি ছয়শ চুয়াল্লিশ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার। আমি তাকে বললাম: শায়খ আবু মুহাম্মদ আব্দুল খালিক ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আস-সাবুনী ১ তার সামনে পাঠকালে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন পাঁচশ বিরানব্বই হিজরি সালের জিলকদ মাসে। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইজ্জ আহমদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে কাদিশ ২ তার নিকট পাঠকালে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
صَفَرٍ سَنَةَ تِسْعَ عَشَرَةَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ الْمَعْرُوفُ بِالْعِشَارِيِّ1 فِي رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ خَمْسِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَهْدِيٍّ.
1 الْحَافِظُ الدَّارقطني2 قَالَ: ثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ قَالَ، ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ:
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "يُلْقَى فِي النَّارِ وتَقُولُ هَلْ مِنْ
--------------------------------------------
৫১৯ হিজরি সালের সফর মাসে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ ইবন আলি ইবনুল ফাতহ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল ফাতহ, যিনি আল-ইশারী ১ নামে পরিচিত, ৪৫০ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হাসান আলি ইবন উমর ইবন আহমাদ ইবন মাহদি।
১ হাফেজ আদ-দারাকুতনি ২ বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হারামি ইবন উমারা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, কাতাদা থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন:
নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "জাহান্নামে (জাহান্নামিদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সে বলবে: আরও কি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
مَزِيد؟ " حتَّى يَضع رِجْلَهُ فِيهَا، أَوْ قَالَ قَدَمَهُ، فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ1.
2 حدَّثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدِ2 بْنِ حَفْصٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ3، وَثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ثنا أَبُو قَبِيصَةَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرحمن بن عمارة بْنِ الْقَعْقَاعِ، وَالْحَسَنُ بْنُ شَاكِرٍ قَالُوا:
ثنا عبد اللَّهِ بْنُ عُمَرَ4، ثنا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ5، ثنا
--------------------------------------------
আরও আছে কি?" যতক্ষণ না তিনি তাঁর পা তাতে রাখেন, অথবা তিনি বলেছেন তাঁর পা, তখন জাহান্নাম বলে: যথেষ্ট যথেষ্ট।১
২ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ ইবনে হাফস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি, এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কাবিদাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে উমারাহ ইবনে আল-কাকা এবং আল-হাসান ইবনে শাকির, তাঁরা বলেন:
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর৪, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারামি ইবনে উমারাহ৫, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
شُعْبَةُ1، عَنْ قَتَادَةَ، 2 عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: "يُلْقَى فِي النَّار، وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ؟ " حَتَّى يَضَعَ رِجْلَهُ فِيهَا، أَوْ قَالَ قَدَمَهُ، فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ3.
3 حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ بِمِصْرَ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسائي، أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مقدم، ثنا اشعت بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ثنا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"يُلْقَى فِي النَّار، وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ؟ " حَتَّى يَضَعَ رِجْلَهُ، أَوْ قَدَمَهُ، فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ4.
4 حدَّثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَيْسَرَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو الأشعت أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ5، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرحمن الطفاوي6، ثنا
--------------------------------------------
শু’বাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "জাহান্নামে (কাফিরদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সে বলবে: আরও কি অতিরিক্ত আছে? যতক্ষণ না তিনি (আল্লাহ) তাতে তাঁর পা রাখেন—অথবা তিনি বলেছেন তাঁর কদম (পা)—তখন সে বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।"
৩ আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাকারিয়া আন-নাইসাবুরী মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুর রহমান আহমাদ ইবনে শুআইব আন-নাসাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে মুকাদ্দাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আশআস ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
"জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং সে বলবে: আরও কি অতিরিক্ত আছে? যতক্ষণ না তিনি (আল্লাহ) তাঁর পা রাখেন, অথবা তাঁর কদম (পা) রাখেন, তখন সে বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।"
৪ আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাইসারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আশআস আহমাদ ইবনে আল-মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আত-তাফাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
أَيُّوبَ1 عَنْ مُحَمَّدٍ2 عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"اخْتصمت الْجَنَّةُ وَالنَّارُ، فَقَالَتِ النَّارُ: يَدْخُلُنِي الجبَابرة والمتكبرين3، وَقَالَتِ الْجَنَّةُ: يَدْخُلُنِي ضُعَفَاءُ النَّاسِ ومَسَاكِينُهُمْ. فَقَالَ اللَّهُ جَلَّ وَعَزَّ لِلنَّارِ: أنتِ عَذَابِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَقَالَ لِلْجَنَّةِ: أنتِ رَحْمَتِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا، فَإِذَا كَانَ يَوَمُ الْقِيَامَةِ لَمْ يَظْلِمِ اللَّهُ عز وجل أَحَدًا مِنْ خَلْقِهِ شَيْئًا، ويُلْقَى فِي النَّارِ وَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ؟ حَتَّى يَضَعَ تبارك وتعالى رِجْلَهُ -أَوْ قَدَمَهُ- فَهُنَالِكَ تُمْلَأُ وَيُزْوَى بَعْضُهَا عَلَى بَعْضٍ وَتَقُولُ: قَطْ قَطْ". أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ4 عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ الْمَعْمَرِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عن محمد، عن أبي هريرة هكذا.
--------------------------------------------
আইয়ুব
১ মুহাম্মাদ
২ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
"জান্নাত এবং জাহান্নাম পরস্পর বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: আমার মধ্যে প্রতাপশালী এবং অহংকারীরা
৩ প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল: আমার মধ্যে মানুষের মধ্যকার দুর্বল এবং মিসকিনরা প্রবেশ করবে। তখন মহান আল্লাহ জাহান্নামকে বললেন: তুমি আমার আযাব, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে চাই তাকে শাস্তি দেই। আর জান্নাতকে বললেন: তুমি আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে চাই তাকে দয়া করি। আর তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পূর্ণ হওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, তখন মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির কারোর প্রতি সামান্যতম জুলুম করবেন না। আর জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং সে বলবে, আরও কি আছে? যতক্ষণ না আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তাঁর পা —অথবা তাঁর পা— রাখেন; তখন তা পূর্ণ হয়ে যাবে এবং এর এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে এবং সে বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।" এটি ইমাম মুসলিম
৪ বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আউন থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান আল-মামারি ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি মামার থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এভাবেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
5 حدَّثنا أَبُو عَبْدِ اللهِ الْمُعَدِّلُ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عُثْمَانَ بِوَاسِطَ، ثنا عِيسَى بْنُ أَبِي حَرْبٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ أَبِي بَكِيرٍ1، ثنا عَبْدُ الغفَّار بْنُ الْقَاسِمِ2، قَالَ: حَدَثَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ3، حَدَثَنِي زِرُّ بْنُ حُبَيْشٍ4، عن أبي كَعْبٍ5 قَالَ:
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "إِنَّ جَهَنَّمَ تَسْأَل الْمَزِيْدَ حَتَّى يَضَعَ فِيْهَا قَدَمَهُ فَيَزْوِي بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ، وتقول: قَطُّ قَطُّ" 6.
--------------------------------------------
৫ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-মুআদ্দিল আহমাদ বিন উমর বিন উসমান ওয়াসিতে, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন আবি হারব, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল গাফফার বিন আল-কাসিম, তিনি বলেন: আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন আদি বিন সাবিত, আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যির বিন হুবাইশ, উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই জাহান্নাম আরও অতিরিক্ত চাইবে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাতে তাঁর পা রাখবেন, ফলে তার এক অংশ অপর অংশের সাথে গুটিয়ে যাবে এবং সে বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।" ৬।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
6 حدَّثنا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ1، ثنا حِمْدانُ بْنُ عَلِيٍّ الْوَرَّاقُ، ثنا أَبُو سَلَمَةَ، ثنا حَمَّادٌ، ثنا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ2، عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مِثْلَ حَدِيثٍ حَدَّثَنَاهُ أو سَلَمَةَ، ثنا حَمَّادٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"افْتَخَرَتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ، فَقَالَتِ النَّارُ: يَدْخُلُنِي الْجَبَابِرَةُ وَالْمُلُوكُ وَالْأَشْرَافُ، وقالت الجنة: يدخلني الفقراء والمساكين، فقال لِلنَّارِ: أَنْتِ عَذَابِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَقَالَ لِلْجَنَّةِ: أَنْتِ رَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا3. فَأَمَّا النَّارُ فَيُلْقَى فِيهَا وَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ؟ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ حَتَّى يَأْتِيَهَا تبارك وتعالى فَيَضَعَ قَدَمَهُ عَلَيْهَا فَتَزْوِي وَتَقُولُ: قَدْنِي قَدْنِي -إِلَّا أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قط قط4".
--------------------------------------------
৬ আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-হাদরামি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হামদান ইবনে আলী আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে; যেমন হাদিসটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি আতা ইবনে সাইব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"জান্নাত ও জাহান্নাম একে অপরের সাথে গর্ব করল। জাহান্নাম বলল: 'আমার ভেতর প্রবল প্রতাপশালী, রাজা-বাদশাহ এবং সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা প্রবেশ করবে।' জান্নাত বলল: 'আমার ভেতর গরিব ও নিঃস্বরা প্রবেশ করবে।' অতঃপর আল্লাহ জাহান্নামকে বললেন: 'তুমি আমার শাস্তি, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেই।' আর তিনি জান্নাতকে বললেন: 'তুমি আমার রহমত, যা সব কিছুকে বেষ্টন করে আছে। আর তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে তার পূর্ণ করার মতো অধিবাসী।' অতঃপর জাহান্নামের ব্যাপারে কথা হলো, এতে (মানুষদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সেটি বলবে, 'আরো কি আছে?' এভাবে তিনবার হবে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা সেখানে আসেন এবং তার ওপর আল্লাহর পা রাখেন, তখন জাহান্নাম কুঁচকে যাবে এবং বলবে: 'যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে' - তবে আবু হুরায়রা (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: 'যথেষ্ট, যথেষ্ট'।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
7 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، ثنا حَسَنٌ الْأَشْيَبُ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ وَأَيُّوبَ السِّخْتِيَانِيِّ، وَحَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِمِثْلِ حَدِيثِ حَمَّادٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ1، بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"افْتَخَرَتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ
… " ثم ذكره نَحْوَهُ.
8 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ وَأَبُو طَالِبٍ الْحَافِظُ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَا: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبِ بْنِ حَرْبٍ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلَّامٍ الْقُرَشِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عن يونس بن عبيد، عن محمد ابن سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
"يُلْقَى فِي النَّارِ أَهْلُهَا وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ2".
9 حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عُثْمَانَ، ثنا أَبِي ثنا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَدَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، وَصَالِحٍ الْمُرِّيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ. عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: "لا تزال جهنم يلقى
--------------------------------------------
৭ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি থেকে, তিনি হাসান আল-আশইয়াব থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ ও আইয়ুব আস-সিখতিয়ানি এবং হাবিব ইবনে আশ-শহিদ থেকে, তারা আবু হুরাইরাহ থেকে; আতা ইবনে সাইবের সূত্রে হাম্মাদ বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ—উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"জান্নাত ও জাহান্নাম একে অপরের সাথে গর্ব করল
… " অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
৮ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ ও আবু তালিব আল-হাফিজ আহমদ ইবনে নাসর, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে গালিব ইবনে হারব, তিনি আবদুর রহমান ইবনে সাল্লাম আল-কুরাশি থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
"জাহান্নামে তার অধিবাসীদের নিক্ষেপ করা হবে এবং সে বলবে: আরও কি অতিরিক্ত আছে?"
৯ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, তিনি আহমদ ইবনে হাসান ইবনে সাঈদ ইবনে উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুসাইন ইবনে মুখারিক থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ, দাউদ ইবনে আবি হিন্দ ও সালিহ আল-মুররি থেকে, তাঁরা মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: "জাহান্নামে অবিরত নিক্ষেপ করা হতে থাকবে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
فِيهَا وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ؟ حَتَّى يَضَعَ الْجَبَّارُ تبارك وتعالى فِيهَا قَدَمَهُ فَهُنَالِكَ تَنْزَوِي وَتَقُولُ: قَطْ قَطْ1".
10 حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ الصَّنْدَلِيُّ2 ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا شَبَابَةُ، ثنا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "تَحَاجَّتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ، فَقَالَتِ النَّارُ: أُوثِرْتُ بِالْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ. وَقَالَتِ الْجَنَّةُ: فَمَا لِي لَا يَدْخُلُنِي إِلَّا ضُعَفَاءُ النَّاسِ وَسَقَطُهُمُ3، فَقَالَ اللَّهُ عز وجل لِلْجَنَّةِ: أَنْتِ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ مِنْ عِبَادِي، وَقَالَ لِلنَّارِ: أَنْتِ عَذَابِي أُعَذِّبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ مِنْ عِبَادِي وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا. فَأَمَّا النَّارُ فَلَا تَمْتَلِئُ، فَيَضَعُ قدمه عليها فتقول قط قط، فهناك تَمْتَلِئُ وَيُزْوَى بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ". أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ 4، عَنْ مُحَمَّدٍ بْنِ رَافِعٍ 5 عَنْ شبابة، عن ورقاء هكذا.
--------------------------------------------
...তাতে এবং সে বলবে: "আরো কি কিছু আছে?" যতক্ষণ না মহাপরাক্রমশালী বরকতময় ও উচ্চমর্যাদাবান আল্লাহ তাতে তাঁর পা রাখেন, তখন সেটি সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবে: "যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে।"
১০. আমাদের নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আস-সান্দালি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান ইবনে মুহাম্মদ আজ-জাফরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শাবাবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়ারকা বর্ণনা করেছেন, আবুল জিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: আমাকে অহংকারী ও স্বৈরাচারীদের দ্বারা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর জান্নাত বলল: আমার কী হলো যে, দুর্বল ও সাধারণ মানুষ ছাড়া আর কেউ আমার মধ্যে প্রবেশ করছে না? তখন মহান আল্লাহ জান্নাতকে বললেন: তুমি হলে আমার দয়া, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দয়া করি। আর জাহান্নামকে বললেন: তুমি হলে আমার আজাব, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেই। আর তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে পূর্ণতা। তবে জাহান্নাম পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর পা তার ওপর রাখেন, তখন সে বলবে: যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। তখন সেটি পূর্ণ হয়ে যাবে এবং তার এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে মিশে যাবে।" এটি মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে রাফি থেকে, তিনি শাবাবাহ থেকে, তিনি ওয়ারকা থেকে এভাবেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
11 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا أَبُو سَلَمَةَ مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ (عَنْ) 1 أَبِي عَمَّارٍ2 عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رسول الله صلى الله عليه وسلم (يقول) 3: "يُلْقَى فِي النَّارِ وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ مَرَّتَيْنِ حَتَّى يَأْتِيَهَا تبارك وتعالى فَيَضَعَ قَدَمَهُ فِيهَا وَتَزْوِي وَتَقُولُ: قَطْ قَطْ".
12 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثنا أَبُو سَلَمَةَ ثنا حَمَّادٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الله ابن عُتْبَةَ عَنْ (أَبِي) 4 سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " (اخْتَصَمَتِ) 5 الْجَنَّةُ والنار، فقالت النار: يارب يدخلني الجبار (ون) 6 وَالْمُلُوكُ وَالْأَشْرَافُ، (وَقَالَتِ) 7 الْجَنَّةُ: يَا رَبِّ يَدْخُلُنِي الْفُقَرَاءُ وَالضُّعَفَاءُ وَالْمَسَاكِينُ! فَقَالَ اللَّهُ لِلنَّارِ: أَنْتِ عَذَابِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَقَالَ لِلْجَنَّةِ: أَنْتِ رَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا. فَأَمَّا النَّارُ فَيُلْقَى (فِيهَا) 8 فَتَقُولُ: هل من مزيد ثلاث مرات، حتى
--------------------------------------------
১১ আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আশ-শাফিঈ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসহাক ইবনুল হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু সালামাহ মুসা ইবন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবন সালামাহ (আবু আম্মার থেকে) বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বলতে) শুনেছি: "জাহান্নামে (জাহান্নামীদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সে দুইবার বলবে: 'আরো কি আছে?' যতক্ষণ না আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তার নিকট আসবেন এবং তাতে তাঁর পা রাখবেন, তখন জাহান্নাম সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবে: 'যথেষ্ট, যথেষ্ট'।"
১২ আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসহাক ইবনুল হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ আতা ইবনুস সাইব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উতবাহ থেকে, তিনি (আবু) সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "(জান্নাত ও জাহান্নাম তর্কে লিপ্ত হলো), তখন জাহান্নাম বলল: হে রব, আমার মধ্যে প্রতাপশালী (এবং) রাজা-বাদশাহ ও উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা প্রবেশ করছে, (এবং জান্নাত বলল): হে রব, আমার মধ্যে দরিদ্র, দুর্বল ও মিসকিনরা প্রবেশ করছে! তখন আল্লাহ জাহান্নামকে বললেন: তুমি হলে আমার আযাব, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেই। আর জান্নাতকে বললেন: তুমি হলে আমার রহমত যা প্রতিটি বস্তুকে পরিবেষ্টন করে আছে, এবং তোমাদের উভয়ের জন্যই তার পূর্ণতা নির্ধারিত রয়েছে। অতঃপর জাহান্নামের বিষয়টি হলো এই যে, তাতে (মানুষদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সে তিনবার বলবে: 'আরো কি আছে?', যতক্ষণ না..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
يَأْتِيَهَا تبارك وتعالى، فَيَضَعَ قَدَمَهُ عَلَيْهَا فَتَزْوِي وتقول: قدني قدني" 1.
--------------------------------------------
বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ তার নিকট আসবেন, অতঃপর তিনি তাঁর পা তার উপর রাখবেন, ফলে তা সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবে: “যথেষ্ট, যথেষ্ট।” ১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
أحاديث صفة اليد والإصبع…13 حدثنا أبوالفضل جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ الصَّنْدَلِيُّ، أَنْبَأَ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، ثنا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "يَمِينُ الله عز وجل ملأ لا يغيضها
… 2 نققة سَحَّاءُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ. وَقَالَ: أَرَأَيْتُمْ مَا أَنْفَقَ منذ خلق السماوات وَالْأَرْضَ، فَإِنَّهُ لَمْ يُنْقِصْ مِمَّا فِي يَمِينِهِ".
وَقَالَ: "عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ، وَبِيَدِهِ الْأُخْرَى الْمِيزَانُ يَخْفِضُ وَيَرْفَعُ" 3.
14 وَحَدَّثَنَا أَبُو طَالِبٍ الْحَافِظُ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ طَالِبٍ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ أَبُو أَيُّوبَ الْبَهْرَانِيُّ مِنْ كِتَابِهِ، ثنا أَبُو سُلَيْمَانَ عُتْبَةُ بْنُ السكن الفزاري، ثنا أرطاة ابن الْمُنْذِرِ، ثنا لَيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ مجاهد، عن عبد الله بن
--------------------------------------------
হাত ও আঙুলের সিফাত (বৈশিষ্ট্য) সংক্রান্ত হাদিসসমূহ…১৩. আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল জাফর বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আস-সানদালি, তিনি হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আল-জাফরানি থেকে অবহিত হয়েছেন, তিনি শাবাবাহ বিন সাওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়ারকা থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার ডান হাত পূর্ণ, কোনো দান তা কমাতে পারে না … ২ রাত ও দিন অবিরাম বর্ষণকারী। তিনি আরও বলেন: তোমরা কি দেখেছ আসমান ও জমিন সৃষ্টির পর থেকে তিনি যা ব্যয় করেছেন? নিশ্চয়ই তা তাঁর ডান হাতে যা রয়েছে তাতে কোনো কমতি ঘটায়নি।"
তিনি আরও বলেন: "তাঁর আরশ পানির উপর এবং তাঁর অন্য হাতে রয়েছে পাল্লা (মিজান), তিনি তা অবনমিত করেন এবং উন্নীত করেন।" ৩।
১৪. এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তালিব আল-হাফিজ আহমদ বিন নাসর বিন তালিব, সুলাইমান বিন আব্দুল হামিদ বিন সুলাইমান আবু আইয়ুব আল-বাহরানি তাঁর গ্রন্থ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সুলাইমান উতবাহ বিন আস-সাকান আল-ফাযারি থেকে, তিনি আরতাহ ইবনুল মুনযির থেকে, তিনি লাইস বিন আবু সুলাইম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "إِنَّ اللَّهَ عز وجل أَوَّلَ شَيْءٍ خَلَقَ الْقَلَمُ فَأَخَذَهُ بِيَدِهِ الْيُمْنَى وَكِلْتَا يَدَيْهِ يَمِينٌ كَتَبَ1 مَا يَكُونُ فِيهَا مِنْ عَمَلٍ مَعْمُولٍ، بِرٍّ أَوْ فُجُورٍ، رَطْبٍ أَوْ يَابِسٍ، فَأَحْصَاهُ عِنْدَهُ فِي الذِّكْرِ، ثُمَّ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ. {هَذَا كِتَابُنَا يَنطِقُ عَلَيْكُمْ بِالْحَقِّ إِنَّا كُنَّا نَسْتَنسِخُ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ} " 2 فَهَلِ النَّسْخُ إِلَّا مِنْ شَيْءٍ قَدْ فَرَغَ مِنْهُ3؟
15 حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّنْدَلِيُّ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا شَبَابَةُ ثنا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"لَمَّا قَضَى اللَّهُ عز وجل الْخَلْقَ كَتَبَ فِي كِتَابٍ فَهُوَ عِنْدَهُ فَوْقَ الْعَرْشِ أن رحمتي غلبت غضبي" 4.
--------------------------------------------
ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সর্বপ্রথম যা সৃষ্টি করেছেন তা হলো কলম। অতঃপর তিনি তা তাঁর ডান হাতে গ্রহণ করলেন—এবং তাঁর উভয় হাতই ডান—তিনি তাতে ১ যা কিছু সংঘটিত হবে তা লিপিবদ্ধ করলেন; নেক আমল হোক বা পাপাচার, সিক্ত হোক বা শুষ্ক। অতঃপর তিনি তা নিজের নিকট যিকরে (মূল কিতাবে) সংরক্ষিত করলেন। তারপর তোমরা চাইলে পাঠ করো: {এটি আমাদের কিতাব যা তোমাদের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলে, নিশ্চয়ই তোমরা যা আমল করতে আমরা তা লিপিবদ্ধ করতাম}।" ২ সুতরাং প্রতিলিপি গ্রহণ কি কেবল এমন বিষয় থেকেই হয় না যা ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে ৩?
১৫. জাফর বিন মুহাম্মাদ আস-সান্দালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শাবাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ারকা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন:
"যখন মহান আল্লাহ সৃষ্টিজগত সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন, তখন তিনি একটি কিতাবে লিখেছিলেন—যা তাঁর নিকট আরশের উপরে রয়েছে—যে, 'নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর জয়ী হয়েছে'।" ৪।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
16 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْفُضَيْلِ، ثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ، ثنا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
"لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ عز وجل الْخَلْقَ كَتَبَ بِيَدِهِ عَلَى نَفْسِهِ إِنَّ رَحْمَتِي تَغْلِبُ غَضَبِي" 1.
17 حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْأَصْبَهَانِيُّ عَبْدُ الرحمن بن سعيد، أنا عقيل ابن يَحْيَى، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "قال الله عز وجل:
يا بن آدَمَ أَنْفِقْ أُنْفِقْ2 عَلَيْكَ، فَإِنَّ يَمِينَ اللَّهِ ملأ سَحَّاءُ لَا يُنْقِصُهَا شَيْءٌ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ". أَخْرَجَهُ3 مُسْلِمٌ فِي الزَّكَاةِ، عَنْ زُهَيْرٍ وَابْنِ نُمَيْرٍ، عن سفيان بن عينية.
--------------------------------------------
১৬ মুহাম্মাদ বিন সাহল বিন আল-ফুযাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর বিন শাব্বাহ থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন ঈসা থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
"যখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করলেন, তিনি নিজ হাত দ্বারা নিজের ব্যাপারে লিখলেন: নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর প্রবল হয়।" ১.
১৭ আবু সালিহ আল-আসফাহানি আবদুর রহমান বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আকিল ইবনে ইয়াহইয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সুফইয়ান বিন উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যিনাদ আল-আরাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন:
হে আদমসন্তান! তুমি ব্যয় করো, আমি তোমার ওপর ব্যয় করব। নিশ্চয়ই আল্লাহর ডান হাত পূর্ণ ও সদা বর্ষণকারী, রাত ও দিনের কোনো কিছুই তা কমাতে পারে না।" এটি মুসলিম যাকাত অধ্যায়ে যুহাইর ও ইবনে নুমাইর থেকে, তারা সুফইয়ান বিন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন।৩.
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিফাত লিদ-দারাকুতনী তাহক্বীক আল-ফাক্বীহী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
18 حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ صَاعِدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ1 ثنا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنِ الأعمش عن عمر بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ:
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم:
"إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَبْسُطُ يَدَهُ لِمُسِيءِ اللَّيْلِ لِيَتُوبَ بِالنَّهَارِ، ولِمُسِيءِ النَّهَارِ لِيَتُوبَ بِاللَّيْلِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا". أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ2 فِي كِتَابِ التَّوْبَةِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنْ غُنْدَرٍ3، عَنْ بُنْدَارٍ4، عَنْ أَبِي دَاوُدَ كِلَاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرٍو.
19 حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، وَالْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ قَالَا: ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، وَأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ رميسر ثنا أَحْمَدُ بن
--------------------------------------------
১৮ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জানবুর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুদাইল বিন ইয়াদ, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর হাত প্রসারিত করেন রাতের অপরাধীর জন্য যাতে সে দিনে তওবা করতে পারে, এবং দিনের অপরাধীর জন্য তাঁর হাত প্রসারিত করেন যাতে সে রাতে তওবা করতে পারে, যতক্ষণ না পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হয়।” এটি মুসলিম তাঁর তওবা অধ্যায়ে আবু মুসা থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি বুন্দার থেকে, তিনি আবু দাউদ থেকে, তাঁরা উভয়ে শু’বাহ থেকে, তিনি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৯ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আন-নিসাবুরি আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ এবং আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আজ-জা’ফরানি, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আবদুল্লাহ রুমাইসার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন...
--------------------------------------------