(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: -)
علم التخريج ودوره في حفظ السنة النبوية - محمد محمود بكار   (محمد محمود بكار)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: علم التخريج ودوره في حفظ السنة النبوية

المؤلف: محمد محمود بكار

الناشر: مجمع الملك فهد لطباعة المصحف الشريف بالمدينة المنورة

عدد الصفحات: 79

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইলমুত তাখরিজ এবং সুন্নাহ সংরক্ষণে এর ভূমিকা - মুহাম্মদ মাহমুদ বাক্কার   (মুহাম্মদ মাহমুদ বাক্কার)

বিভাগ: উলূমুল হাদিস


বই: ইলমুত তাখরিজ এবং সুন্নাহ সংরক্ষণে এর ভূমিকা

লেখক: মুহাম্মদ মাহমুদ বাক্কার

প্রকাশক: কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স ফর প্রিন্টিং অফ দ্য হোলি কুরআন, মদীনা মুনাওয়ারা

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১)
علم التخريج ودوره في خدمة السنة النبوية

د. محمد محمود بكار

ال‌‌مقدمة:

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ به من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فهو المهتد ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأن محمداً عبده ورسوله.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102] .

{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} (النساء: 1) .

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً} [الأحزاب: 70- 71] .

أما بعد: فإن أحسن الحديث كتاب الله وخير الهدي هدي سيدنا محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها وكل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة وكل ضلالة في النار.

لما كانت النصوص والآراء في مختلف العلوم الإسلامية تحتاج عند تحقيقها إلى توثيقها وتقويمها، وعزوها إلى مصادرها المعتمدة فإن
উৎস অনুসন্ধান বিদ্যা (التخريج) এবং সুন্নাহর সেবায় এর ভূমিকা

ড. মুহাম্মদ মাহমুদ বাকার

ভূমিকা:

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথার্থভাবে ভয় করো এবং আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আল ইমরান: ১০২] ।

{হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একজন ব্যক্তি থেকে এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের কাছে চাও এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} (আন-নিসা: ১) ।

{হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য অর্জন করল।} [আল-আহজাব: ৭০- ৭১] ।

অতঃপর: নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো (দ্বীনের মধ্যে) নবউদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, প্রতিটি নবউদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত (بدعة) এবং প্রতিটি বিদআত (بدعة) হলো ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতা হলো জাহান্নামে।

যেহেতু বিভিন্ন ইসলামি শাস্ত্রের মূল পাঠ এবং মতামতসমূহ যখন যাচাই-বাছাই (تحقيق) করা হয়, তখন সেগুলোর প্রামাণিকতা নিশ্চিতকরণ, মূল্যায়ন এবং সেগুলোকে তাদের নির্ভরযোগ্য মূল উৎসসমূহের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করার প্রয়োজন হয়, সেহেতু
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২)
الأحاديث النبوية أولى بمثل هذا التوثيق، فإنها تمثل المصدر الثاني من مصادر التشريع بعد القرآن الكريم، فهي موضحة له مفصلة لأحكامه مفرعة على أصوله، بل هي التطبيق العملي للإسلام، والاشتغال بالسنة النبوية، ودراسة أسانيدها ومتونها وفقهها من أعظم ما يشتغل به المسلمون، وينصرف إليه الباحثون.

وعلم التخريج واحد من علوم السنة الذي يتعلق موضوعه بسند الحديث ومتنه، بل هو من أهم العلوم التي تخدم الكتاب والسنة، فعن طريقه نستطيع معرفة مواضع الأحاديث في كتب السنة ورواياتها وأسانيدها وما يتعلق بذلك.

فعلى السنة مدار أكثر الأحكام الفقهية؛ لأن أكثر الآيات القرآنية الكريمة مجملة، وبيانها في السنن، قال تعالى: {وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ} [النحل: 44] .

وقد اتفق العلماء على أن من شروط المجتهد أن يكون عالماً بالأحاديث المتعلقة بالأحكام.

ومن أبرز مهام علم التخريج بيان طرقه، ومناهجه التي تمكن الطالب والباحث من وضع يده بسهولة ويسر ومن أقرب طريق _ على الحديث أو الأثر في مصدره الأصلي ثم كيفية الوصول إلى أحكام تلك الأحاديث من حيث القبول والرد.

ومنذ زمن بعيد، وأصول علم تخريج الأحاديث يتناقلها الخلف عن
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহ এই ধরণের প্রামাণিককরণের (توثيق) ক্ষেত্রে সর্বাধিক অগ্রগণ্য, কেননা এগুলো পবিত্র কুরআনের পর শরিয়তের বিধানের দ্বিতীয় উৎস। এগুলো কুরআনের ব্যাখ্যা প্রদানকারী, এর বিধানসমূহের বিশদ বিবরণদানকারী এবং এর মূলনীতির শাখা-প্রশাখা বর্ণনাকারী। বরং এগুলো ইসলামের ব্যবহারিক প্রয়োগ। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ নিয়ে ব্যস্ত থাকা এবং এর সনদ (إسناد) ও মতন (متن) এবং এর ফিকহ (فقه) অধ্যয়ন করা মুসলমানদের সবচেয়ে মহান কাজগুলোর একটি এবং গবেষকদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।

হাদিস যাচাইকরণ বা তাখরিজ (تخريج) বিদ্যা সুন্নাহর বিজ্ঞানসমূহের মধ্যে এমন একটি বিষয় যার আলোচ্য বিষয় হলো হাদিসের সনদ (سند) ও মতন (متن)। বরং এটি কুরআন ও সুন্নাহর সেবায় নিয়োজিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিজ্ঞান। এর মাধ্যমেই আমরা হাদিসের কিতাবসমূহে হাদিসের অবস্থান এবং এর বর্ণনা (رواية) ও সনদসমূহ (أسانيد) এবং এ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াবলি সম্পর্কে জানতে পারি।

ফিকহশাস্ত্রের অধিকাংশ বিধানের আবর্ত সুন্নাহর ওপর; কারণ পবিত্র কুরআনের অধিকাংশ আয়াত হলো সংক্ষিপ্ত (مجمل), আর এর ব্যাখ্যা সুন্নাহর মধ্যে নিহিত। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন: "আর আমি আপনার প্রতি যিকির অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের কাছে বর্ণনা করে দেন যা তাদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং যাতে তারা চিন্তা-গবেষণা করে।" [নাহল: ৪৪]।

উলামায়ে কেরাম এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, একজন মুজতাহিদের (مجتهد) অন্যতম শর্ত হলো তাকে বিধান সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহ সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে।

তাখরিজ (تخريج) বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান কাজ হলো এর পদ্ধতি ও মানহাজসমূহ (منهج) বর্ণনা করা, যা ছাত্র ও গবেষকদের সহজে ও সংক্ষিপ্ততম পথে হাদিস বা আসারের (أثر) মূল উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম করে। অতঃপর গ্রহণযোগ্যতা (قبول) ও প্রত্যাখ্যানের (رد) দিক থেকে সেই হাদিসগুলোর হুকুম বা বিধান (أحكام) জানার উপায় বাতলে দেয়।

সুদীর্ঘকাল ধরে হাদিস তাখরিজ (تخريج) বিজ্ঞানের মূলনীতিসমূহ (أصول) উত্তরসূরিরা পূর্বসূরিদের কাছ থেকে লাভ করে আসছেন...
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৩)
السلف شفاهاً دون تدوين حتى جاء العصر الذي نحن فيه، فأخذ دوره ومكانته بين علوم السنة الأخرى، واستقل بالتأليف بعد أن كان الحديث عنه يأتي تبعاً لمباحث علوم الحديث ومصطلحه.
পূর্বসূরিগণ (السلف) কোনো প্রকার সংকলন (تدوين) ছাড়াই মৌখিকভাবে এটি আদান-প্রদান করতেন, যতক্ষণ না আমাদের বর্তমান যুগের সূচনা হলো। অতঃপর এটি সুন্নাহর অন্যান্য বিজ্ঞানের মাঝে নিজের স্বতন্ত্র ভূমিকা ও মর্যাদা লাভ করল এবং স্বতন্ত্র গ্রন্থ হিসেবে রচিত হতে শুরু করল; অথচ ইতিপূর্বে এর আলোচনা হাদিস বিজ্ঞানের (علوم الحديث) বিভিন্ন গবেষণা ও পরিভাষার (مصطلح) অনুষঙ্গ হিসেবেই উপস্থাপিত হতো।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৪)
ال‌‌تمهيد: علم تخريج الأحاديث أهميته وحاجة المسلمين إليه

لم يكن الصحابة والتابعون ومن تبعهم من العلماء في القديم بحاجة إلى معرفة هذا العلم وهو علم تخريج الأحاديث؛ ذلك لأن حفظهم للأحاديث بأسانيدها ومتونها واطلاعهم الواسع على مصادر السنة المشرفة وقربهم وصلتهم بمصادر الحديث الأصلية لم تجعلهم في حاجة ماسة إلى مثل هذا العلم فكانوا عندما يحتاجون إلى الاستشهاد بحديث ما تسعفهم ذاكرتهم بلفظه وأسانيده أو على الأقل يتذكرون مكانه في كتب السنة ويعرفون مظانه في تلك الكتب على تنوعها واختلاف مناهجها، ومثلهم في ذلك مثل حفظة القرآن الكريم، فبينما نسأل واحداً منهم عن آية ما، أين مكانها في المصحف، وفي أية سورة؟ فيجيب دون تردد، بل وقد يحفظ رقم الآية من بين آيات السورة، أو على الأقل فإنه إن لم تسعفه الذاكرة فسوف يستخرجها من مكانها في سورتها دون عناء أو تعب بمجرد فتح المصحف الشريف وتقليب صفحاته.

وبمرور الزمن، بعد المسلمون أو بعضهم عن القرآن الكريم، فكان عسيراً عليه أن يعرف موضع آية ما في القرآن الكريم، فلجأ العلماء إلى وضع معاجم ألفاظ القرآن الكريم كسباً للوقت وتوفيراً للجهد، ووصولاً إلى البغية من أقرب طريق.

ولما ضعفت همم الناس وقلَّت عزائمهم شمَّر العلماء عن سواعد الجد فصنفوا كتباً فهرسوا فيها الأحاديث النبوية على حروف المعجم، وسميت
উপক্রমণিকা: হাদিসের উৎস নির্ণয় (تخريج) শাস্ত্র: এর গুরুত্ব এবং মুসলমানদের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা

সাহাবী, তাবিঈ এবং তাঁদের পরবর্তী আলেমগণ অতীতে এই শাস্ত্র অর্থাৎ হাদিসের উৎস নির্ণয় (تخريج) শাস্ত্র সম্পর্কে জানার বিশেষ প্রয়োজন বোধ করেননি। এর কারণ হলো, হাদিসের সনদ (أسانيد) ও মতন (متون) বা মূলপাঠের ব্যাপারে তাঁদের প্রখর মুখস্থশক্তি, সুন্নাহর উৎসগুলোর ওপর তাঁদের ব্যাপক জ্ঞান এবং হাদিসের মৌলিক উৎসসমূহের সাথে তাঁদের নিবিড় সম্পর্কের কারণে তাঁরা এই শাস্ত্রের কোনো তীব্র মুখাপেক্ষী ছিলেন না। ফলে যখনই তাঁদের কোনো হাদিস উদ্ধৃত করার প্রয়োজন হতো, তাঁদের স্মৃতিশক্তিই সেই হাদিসের শব্দ ও সনদ (أسانيد) সরবরাহ করত। অথবা অন্ততপক্ষে তাঁরা সুন্নাহর কিতাবসমূহে হাদিসটির স্থান এবং সেই কিতাবগুলোর বৈচিত্র্য ও ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি (مناهج) সত্ত্বেও সেগুলো কোথায় পাওয়া যেতে পারে (مظانه), তা জানতেন। তাঁদের অবস্থা ছিল পবিত্র কুরআনের হাফেজদের মতো; যখন তাঁদের কাউকে কোনো আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, মুসহাফের কোথায় তার অবস্থান এবং তা কোন সূরায়? তখন তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই উত্তর দেন। এমনকি তিনি সূরার আয়াতসমূহের মধ্য থেকে আয়াতের নম্বরটিও বলে দিতে পারেন। অথবা অন্ততপক্ষে যদি তাঁর স্মৃতিশক্তি তাৎক্ষণিক সহায়তা না-ও করে, তবে তিনি কোনো প্রকার কষ্ট বা ক্লান্তি ছাড়াই কেবল পবিত্র মুসহাফ খুলে পাতা উল্টে সূরার নির্দিষ্ট স্থান থেকে আয়াতটি বের করে আনতে পারেন।

সময়ের আবর্তনে যখন মুসলিমরা অথবা তাদের একাংশ পবিত্র কুরআন থেকে দূরে সরে গেল, তখন তাদের জন্য কুরআনের কোনো আয়াতের স্থান খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়ল। ফলে আলেমগণ সময় বাঁচাতে, শ্রম লাঘব করতে এবং দ্রুততম উপায়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কুরআনের শব্দাবলির নির্ঘণ্ট (معجم) তৈরি করার পথ অবলম্বন করলেন।

যখন মানুষের হিম্মত ও সংকল্প কমে গেল, তখন আলেমগণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সচেষ্ট হলেন এবং এমন সব কিতাব সংকলন করলেন যেখানে তাঁরা বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে নববী হাদিসসমূহের সূচি তৈরি করলেন এবং সেগুলোর নামকরণ করা হলো...
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৫)
هذه الكتب بالمعاجم والفهارس تماماً كما فعلوا في معاجم ألفاظ القرآن الكريم، إلى أن وصل الأمر في النهاية إلى وضع منهج مستقل لهذا العلم _ علم تخريج الأحاديث _ واستقلاله بالبحث كبقية علوم السنة، وهو بحق يعد أحدث علم فيها.

والحديث عن هذا العلم ينتظم في عدة نقاط:

معنى التخريج، أهميته وفائدته وحاجة المسلمين إليه، نشأته وأطواره، ما يصلح للتخريج من الكتب وما لا يصلح، وطريقة التخريج والمراحل التي يمر بها الباحث عند تخريج الحديث.

معنى التخريج:

التخريج والإخراج بمعنى واحد ويراد به في اللغة: الإبراز أو الإظهار (1) . ومنه قوله تعالى: {كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْأَهُ} [الفتح: 29] ، أي كمثل زرع أبرز وأظهر فراخه ويراد به معرفة موضع الخروج الذي هو نقيض الدخول (2) ومنه قول المحدثين: هذا حديث عرف مخرجه أي موضع خروجه، وهو رواة إسناده الذين خرج الحديث عن طريقهم (3) .

وفي اصطلاح المحدّثين هو قريب من هذا المعنى:

1 – فهو بمعنى إبراز الحديث وإظهاره للناس، ومنه قول ابن الصلاح

--------------------------------------------

(1) راجع " لسان العرب "، 2 / 249 " المعجم الوسيط "، ص 224.

(2) " لسان العرب "، 2/249.

(3) " أصول التخريج "، د / محمود الطحان، ص 10.
এই বইগুলোকে অভিধান ও নির্ঘণ্টের (ইন্ডেক্স) মাধ্যমে সাজানো হয়েছে ঠিক যেমনটি তারা পবিত্র কুরআনের শব্দের অভিধানগুলোর ক্ষেত্রে করেছিলেন; অবশেষে বিষয়টি এই ইলম—হাদিস তখরিজ (تخريج) শাস্ত্র—এর জন্য একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি প্রণয়ন এবং সুন্নাহর অন্যান্য ইলমের মতো গবেষণার ক্ষেত্রে এর স্বাতন্ত্র্য অর্জনের পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাল। এটি প্রকৃতপক্ষে সুন্নাহর ইলমসমূহের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক ইলম হিসেবে গণ্য।

এই ইলম সম্পর্কে আলোচনাটি কয়েকটি পয়েন্টে বিন্যস্ত:

তখরিজ (تخريج)-এর অর্থ, এর গুরুত্ব ও উপকারিতা এবং মুসলিমদের নিকট এর প্রয়োজনীয়তা, এর উদ্ভব ও পর্যায়সমূহ (أطوار), কোন ধরনের কিতাব তখরিজ (تخريج)-এর উপযুক্ত এবং কোনটি অনুপযুক্ত, এবং তখরিজ (تخريج)-এর পদ্ধতি ও হাদিস তখরিজ (تخريج)-এর সময় একজন গবেষক যেসব পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যান।

তখরিজ (تخريج)-এর অর্থ:

তখরিজ (تخريج) এবং ইখরাজ (الإخراج) একই অর্থবোধক; ভাষাগতভাবে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: প্রকাশ করা (الإبراز) অথবা ফুটিয়ে তোলা (الإظهار) (১)। এর উদাহরণ হলো আল্লাহ তাআলার বাণী: {যেমন একটি চারাগাছ, যা থেকে নির্গত হয় তার কিশলয়} [আল-ফাতহ: ২৯], অর্থাৎ এমন এক চারাগাছের ন্যায় যা তার অঙ্কুরকে প্রকাশ ও উন্মোচিত করেছে। এর দ্বারা বের হওয়ার স্থান বা উৎসস্থল (مخرج) জানাও উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, যা প্রবেশের বিপরীত (২)। মুহাদ্দিসগণের (المحدثين) একটি উক্তি এই অর্থ থেকেই এসেছে: "এটি এমন একটি হাদিস যার উৎসস্থল (مخرج) জানা গেছে", অর্থাৎ এর বের হওয়ার স্থান, আর তা হলো সেই সনদের (إسناد) বর্ণনাকারীগণ (رواة) যাদের মাধ্যমে হাদিসটি বর্ণিত (خرج) হয়েছে (৩)।

মুহাদ্দিসগণের (المحدثين) পরিভাষায় (اصطلاح) এটি এই অর্থের কাছাকাছি:

১ – এটি মানুষের সামনে হাদিসকে প্রকাশ করা (إبراز) ও জাহির করার (إظهار) অর্থে ব্যবহৃত হয়, ইবনে আস-সালাহ-এর উক্তি এই অর্থেই...

--------------------------------------------

(১) দেখুন "লিসানুল আরব", ২/২৪৯, "আল-মু'জাম আল-ওয়াসিত", পৃ. ২২৪।

(২) "লিসানুল আরব", ২/২৪৯।

(৩) "উসুলুত তখরিজ", ড. মাহমুদ আত-তাহহান, পৃ. ১০।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৬)
وللعلماء بالحديث في تصنيفه طريقتان: إحداهما التصنيف على الأبواب وهو تخريجه على أحكام الفقه وغيرها (1) . فالمراد بقوله "تخريجه": إخراجه وروايته للناس في كتابه.

2 – ويطلق على معنى الدلالة على مصدر الأحاديث وعزوها، ومنه قول المناوي في شرحه لقول السيوطي في مقدمة الجامع الصغير: "وبالغت في تحرير التخريج" بمعنى اجتهدت في تهذيب عزو الأحاديث إلى مُخْرِجيها من أئمة الحديث من الجوامع والسنن والمسانيد فلا أعزو إلى شيء منها إلا بعد التفتيش عن حاله وحال مخرجه ولا أكتفي بعزوه إلى من ليس من أهله، وإن جلَّ كعظماء المفسرين (2) .

ومن خلال المعنيين السابقين نستطيع أن نستخلص تعريف التخريج في اصطلاح المحدثين بأنه: الدلالة على موضع الحديث في مصادره الأصلية من كتب السنة وإبرازه للناس مع بيان مرتبة الحديث عند الحاجة (3) .

والمراد بمرتبة الحديث درجته من الصحة والحسن أو الضعف أو الوضع وبيان هذه الدرجة وتلك المرتبة ليست على الإطلاق بل حين تدعو الضرورة. فإذا كان هناك ضرورة لذلك بأن خفي على الناس درجة الحديث وجب التنقيب والبحث لمعرفة درجة الحديث.

--------------------------------------------

(1) " علوم الحديث "، ص 228.

(2) " فيض القدير "، 1 / 36.

(3) " أصول التخريج "، ص 12.
হাদিস বিশারদগণের নিকট হাদিস সংকলনের ক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতি রয়েছে: একটি হলো অধ্যায়ভিত্তিক সংকলন (تصنيف على الأبواب), যা ফিকহী বিধিবিধান এবং অন্যান্য বিষয়ের আলোকে তাখরিজ (تخريج) করা (১)। এখানে তাঁর 'তাখরিজ' (تخريج) উক্তিটির উদ্দেশ্য হলো: হাদিস আহরণ করা এবং নিজ কিতাবে মানুষের জন্য তা বর্ণনা করা।

২ – এটি হাদিসের মূল উৎসের প্রতি দিকনির্দেশ করা এবং সেগুলোর উদ্ধৃতি প্রদানের অর্থেও ব্যবহৃত হয়। এরই প্রেক্ষিতে আল-মানাবি 'আল-জামিউস সাগির' এর ভূমিকায় আল-সুয়ুতির উক্তির ব্যাখ্যায় বলেছেন: "আমি তাখরিজ (تخريج) পরিমার্জিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছি।" এর অর্থ হলো: আমি হাদিসসমূহকে হাদিসের ইমামদের মূল সংকলন যেমন জামে, সুনান ও মুসনাদসমূহ হতে তাদের সংকলকদের (مخرج) দিকে সম্বন্ধ করার বিষয়টি সুবিন্যস্ত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছি। ফলে আমি কোনো হাদিসের অবস্থা এবং এর সংকলকের (مخرج) অবস্থা অনুসন্ধান করা ব্যতীত সেটির উদ্ধৃতি প্রদান করি না। আমি হাদিসকে এমন কারো দিকে সম্বন্ধ করে তুষ্ট হই না যিনি এই শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ নন, যদিও তিনি মহান মুফাসসিরগণের ন্যায় অনেক বড় ব্যক্তিত্ব হন (২)।

পূর্বোক্ত দুটি অর্থের আলোকে আমরা মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় (اصطلاح) তাখরিজের (تخريج) সংজ্ঞা এভাবে নিরূপণ করতে পারি: সুন্নাহর কিতাবসমূহ হতে হাদিসের মূল উৎসগুলোতে এর অবস্থান নির্দেশ করা এবং প্রয়োজনভেদে হাদিসের মান বা স্তর (مرتبة) বর্ণনাসহ তা মানুষের নিকট উপস্থাপন করা (৩)।

আর হাদিসের স্তর (مرتبة) বলতে এর সহিহ (صحيح), হাসান (حسن), যয়িফ (ضعيف) কিংবা জাল (موضوع) হওয়ার পর্যায়কে বোঝায়। এই মান বা স্তর বর্ণনা করা সর্বাবস্থায় নয়, বরং যখন প্রয়োজন দেখা দেয় তখনই করা হয়। সুতরাং যদি এমন কোনো প্রয়োজন দেখা দেয় যেখানে মানুষের নিকট হাদিসের মান অস্পষ্ট থাকে, তবে হাদিসের মান জানার জন্য গভীর অনুসন্ধান ও গবেষণা করা আবশ্যক (واجب) হয়ে পড়ে।

--------------------------------------------

(১) "উলূমুল হাদিস", পৃষ্ঠা ২২৮।

(২) "ফয়জুল কাদির", ১/৩৬।

(৩) "উসূলুত তাখরিজ", পৃষ্ঠা ১২।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৭)
أما إذا لم تكن هناك ضرورة بأن وُجد الحديث في الصحيحين أو أحدهما أو في أحد الكتب التي التزم أصحابها الصحة فإن وجود الحديث في هذه الكتب معلم بصحة الحديث فلا حاجة لتبيان مرتبته. وإلى ذلك أشار السيوطي في مقدمة جامعه الكبير فقال: "ورمزت للبخاري (خ) ولمسلم (م) ولابن حبان (حب) وللحاكم في المستدرك (ك) وللضياء المقدسي في المختارة (ض) وجميع ما في هذه الخمسة صحيح فالعزو إليها معلم بالصحة سوى ما في المستدرك من المتعقب فأنبه عليه".

وكذا ما في موطأ مالك وصحيح ابن خزيمة وأبي عوانة وابن السكن والمنتقى لابن الجارود والمستخرجات. فالعزو إليها معلم بالصحة أيضاًَ (1) ، وكذلك لو كان الحديث موضوعاً فإنه لا تجوز روايته إلا مقروناً ببيان وضعه، أي: ذكر درجته وهي الوضع.

أهميته وفائدته وحاجة المسلمين إليه:

القرآن الكريم هو المصدر الأول للتشريع الإسلامي، والسنة المطهرة هي المصدر الثاني، فهي موضحة للقرآن مبينة له مفصلة لأحكامه مفرعة عن أصوله، وهي التطبيق العملي للإسلام.

وعلم التخريج يستمد فضله وأهميته مما انتسب إليه وهو المصدر

--------------------------------------------

(1) " جمع الجوامع "، 1/21 (المقدمة) . هذا هو منهج السيوطي في كتابه المذكور، لكن الصواب أن العزو إلى غير الصحيحين والموطأ غير معلم بالصحة مطلقاً؛ لوجود أحاديث غير صحيحة في غيرهما من الكتب المذكورة. (اللجنة العلمية) .
পক্ষান্তরে যদি এমন কোনো আবশ্যকতা না থাকে, যেমন হাদিসটি সহিহাইন বা তাদের কোনো একটিতে অথবা এমন কোনো কিতাবে পাওয়া যায় যার সংকলকগণ কেবল বিশুদ্ধ (صحيح) হাদিস সংকলনের অঙ্গীকার করেছেন, তবে এই কিতাবগুলোতে হাদিসের উপস্থিতিই হাদিসের বিশুদ্ধতা (صحة) নির্দেশ করে; তাই এর মান (مرتبة) বর্ণনার কোনো প্রয়োজন নেই। এ বিষয়টির দিকেই ইমাম সুয়ূতী তাঁর জামেউল কবির-এর ভূমিকায় ইঙ্গিত করে বলেছেন: "আমি বুখারির জন্য (خ), মুসলিমের জন্য (م), ইবনে হিব্বানের জন্য (حب), মুস্তাদরাক-এ হাকিমের জন্য (ك) এবং যিয়া আল-মাকদিসির মুখতারা-র জন্য (ض) সংকেত ব্যবহার করেছি। এই পাঁচটি কিতাবে যা কিছু আছে তার সবই সহিহ (صحيح)। সুতরাং এগুলোর দিকে সম্বন্ধ করা বিশুদ্ধতা (صحة) নির্দেশক, তবে মুস্তাদরাক-এর যেসব হাদিসের ওপর আপত্তি (متعقب) জানানো হয়েছে সেগুলো ব্যতীত; আমি সে সম্পর্কে সতর্ক করে দেব।"

অনুরূপভাবে মুয়াত্তা মালিক, সহিহ ইবনে খুজাইমা, আবু আওয়ানা, ইবনুস সাকান, ইবনুল জারুদের আল-মুন্তাকা এবং মুস্তাখরাজাতসমূহে যা রয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সুতরাং এগুলোর দিকে সম্বন্ধ করাও বিশুদ্ধতা (صحة) নির্দেশক (১)। একইভাবে হাদিসটি যদি জাল (موضوع) হয়, তবে তার জালিয়াতির (الوضع) বর্ণনা অর্থাৎ তার মান (درجة) উল্লেখ করা ব্যতীত তা বর্ণনা করা বৈধ নয়।

এর গুরুত্ব, উপকারিতা এবং মুসলিমদের নিকট এর প্রয়োজনীয়তা:

পবিত্র কুরআন হলো ইসলামি শরিয়তের প্রথম উৎস এবং পবিত্র সুন্নাহ হলো দ্বিতীয় উৎস। সুন্নাহ কুরআনের ব্যাখ্যা দানকারী, এর বিষয়বস্তু বিশদ বর্ণনাকারী, এর বিধানাবলি বিস্তারিত বিশ্লেষণকারী এবং এর মূলনীতিসমূহ থেকে শাখা-প্রশাখা নির্গতকারী। এটি হলো ইসলামের ব্যবহারিক প্রয়োগ।

আর তাখরিজ বিদ্যা (علم التخريج) এর মর্যাদা ও গুরুত্ব সেই উৎস থেকেই গ্রহণ করে যার সাথে এটি সম্পৃক্ত, আর তা হলো উৎস...

--------------------------------------------

(১) "জামেউল জাওয়ামি", ১/২১ (ভূমিকা)। এটি উল্লিখিত কিতাবে সুয়ূতীর অনুসৃত মানহাজ (منهج), কিন্তু সঠিক মত হলো সহিহাইন এবং মুয়াত্তা ব্যতীত অন্য কিতাবগুলোর দিকে সম্বন্ধ করা নিরঙ্কুশভাবে বিশুদ্ধতা (صحة) নির্দেশ করে না; কারণ উল্লিখিত অন্যান্য কিতাবগুলোতে এমন কিছু হাদিস রয়েছে যা সহিহ (صحيح) নয়। (ইলমি কমিটি)।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৮)
الثاني، وهو من أهم العلوم التي تخدم الكتاب والسنة معاً فعن طريقه نستطيع معرفة مواضع الأحاديث في كتب السنة ورواياتها وأسانيدها ومراتبها من الصحة أو غيرها، وذلك لأن على السنة مدار أكثر الأحكام الفقهية؛ لأن أكثر الآيات مجملة وبيانها في السنن.

قال تعالى: {وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ} [النحل: 44] .

وقد اتفق العلماء على أن من شروط المجتهد أن يكون عالماً بالأحاديث المتعلقة بالأحكام، فعلم التخريج هو السبيل للوصول إلى تلك الأحاديث ومعرفته من ألزم اللوازم لكل مشتغل بعلوم الشريعة، ولا سيما المشتغلين بالحديث وعلومه، فلا يسوغ لطالب العلم أن يستشهد بحديث ولا يعرف درجته وموضع وجوده من كتب السنة.

وتشتد حاجة المسلمين إليه بعدما قصرت الهمم وضعفت العزائم وأصبح استخراج الحديث من مصادر السنة أمراً شاقاً لجهل الناس بمصنفات السنة وطرق تبويبها ومناهجها وكيفية ترتيبها، فإذا ما عرف أنه في مسند الإمام أحمد مثلاً فإنه لا يكاد يقلب بعض الصفحات حتى يمل ويكسل عن طلبه لأنه لا يعرف كيفية تصنيفه ولا الكتب التي تعين على فهمه وتيسيره وتقريبه، كل هذه النواحي يختص بها هذا الفن؛ لذا كانت الحاجة إليه ماسة في هذه الأزمنة أكثر من غيرها.
দ্বিতীয়ত, এটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান যা একই সাথে কুরআন ও সুন্নাহর সেবা করে। এর মাধ্যমেই আমরা সুন্নাহর গ্রন্থসমূহে হাদিসের অবস্থান, সেগুলোর বর্ণনা, সনদ (أسانيد) এবং সহিহ (الصحة) হওয়া বা অন্য যেকোনো পর্যায়ের মান সম্পর্কে জানতে পারি। এর কারণ হলো, অধিকাংশ ফিকহী বিধান সুন্নাহর ওপর নির্ভরশীল; কারণ কুরআনের অধিকাংশ আয়াতই সংক্ষিপ্ত এবং সেগুলোর ব্যাখ্যা সুন্নাহর গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান।

মহান আল্লাহ বলেন: {আর আমি আপনার প্রতি যিকির অবতীর্ণ করেছি যাতে আপনি মানুষের জন্য যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা বর্ণনা করে দেন} [আন-নাহল: ৪৪]।

উলামায়ে কেরাম একমত হয়েছেন যে, একজন মুজতাহিদ (المجتهد)-এর জন্য অন্যতম শর্ত হলো বিধান সংক্রান্ত হাদিসসমূহ সম্পর্কে জ্ঞান রাখা। সুতরাং ইলমুত তাখরিজ (علم التخريج) হলো সেই হাদিসসমূহ পর্যন্ত পৌঁছানোর পথ এবং শরয়ি জ্ঞান নিয়ে যারা কাজ করেন, বিশেষ করে যারা হাদিস ও এর উলুম নিয়ে ব্যাপৃত, তাদের প্রত্যেকের জন্য এটি জানা অত্যন্ত জরুরি। একজন তালিবে ইলমের জন্য এটি শোভনীয় নয় যে, সে কোনো হাদিস দিয়ে দলিল পেশ করবে অথচ তার মান (درجة) এবং সুন্নাহর কিতাবসমূহে এর উৎস সম্পর্কে জানবে না।

বর্তমানে মুসলিমদের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা আরও প্রকট হয়েছে যখন থেকে মানুষের হিম্মত ও সংকল্প দুর্বল হয়ে পড়েছে। সুন্নাহর মূল উৎসগুলো থেকে হাদিস বের করা এখন একটি কঠিন বিষয়ে পরিণত হয়েছে, কারণ মানুষ সুন্নাহর কিতাবসমূহ, সেগুলোর অধ্যায় বিন্যাস পদ্ধতি, মানহাজ ও বিন্যাস বিন্যাসশৈলী সম্পর্কে অজ্ঞ। উদাহরণস্বরূপ, যদি জানা যায় যে কোনো একটি হাদিস মুসনাদ ইমাম আহমদে রয়েছে, তবুও সে কয়েক পৃষ্ঠা উল্টানোর আগেই ক্লান্ত ও অলস হয়ে যায়; কারণ সে এর বিন্যাস পদ্ধতি চেনে না এবং সেসব কিতাব সম্পর্কেও তার ধারণা নেই যা এটি বুঝতে ও সহজ করতে সাহায্য করে। এই শাস্ত্রটি মূলত এই সকল দিক নিয়েই আলোচনা করে; তাই বর্তমান সময়ে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ৯)
نشأة علم التخريج وأطواره:

عرفت أنه منذ زمن بعيد لم يكن المسلمون بحاجة ماسة إلى علم التخريج، وذلك لصلتهم الوثيقة بمصادر السنة الأصلية. ومرت عصور إلى أن ألف جماعة من العلماء كتباً وذكروا فيها نصوصاً من الأحاديث دون عزوها إلى مخرجيها أو بيان درجتها، وذلك لم يكن جهلاً منهم بذلك، بل لعلمهم أن الناس في عصورهم يعرفون ذلك، أو أنهم قصدوا ذلك عمداً حتى يحثوا الناس على طلب الأحاديث من مصادرها الأصلية، فيعرفوا أسانيدها، واختلاف ألفاظها.

قال العراقي: "عادة المتقدمين السكوت عما أوردوا من الأحاديث في تصانيفهم وعدم بيان من خرجه وبيان الصحيح من الضعيف إلا نادراً وإن كانوا من أئمة الحديث حتى جاء النووي فبيَّن" (1) .

ومراد العراقي أن أول من عزا الأحاديث، وتكلم على مخارجها وبيان درجتها، هو النووي.

ولست مع العراقي في ذلك فإن هناك علماء سبقوا النووي في ذلك، أذكر منهم الخطيب البغدادي فقد عكف على تخريج أحاديث بعض الكتب، منها: تخريج الفوائد المنتخبة، والصحاح والغرائب لكل من: الشريف أبي القاسم الحسيني وأبي القاسم المهرواني.

--------------------------------------------

(1) " فيض القدير "، 1 / 21.
তখরিজ (تخريج) শাস্ত্রের উদ্ভব ও পর্যায়সমূহ:

আপনি জেনেছেন যে, দীর্ঘকাল যাবৎ মুসলিমদের জন্য তখরিজ (تخريج) শাস্ত্রের বিশেষ প্রয়োজন ছিল না, কারণ সুন্নাহর মৌলিক উৎসসমূহের সাথে তাদের নিবিড় যোগাযোগ ছিল। এরপর এমন এক সময় এল যখন একদল আলেম গ্রন্থ রচনা করলেন এবং তাতে হাদিসের পাঠ উল্লেখ করলেন কিন্তু সেগুলো কোনো নির্দিষ্ট উৎসের দিকে সম্পৃক্ত (عزو) করেননি কিংবা সেগুলোর মান (درجة) বর্ণনা করেননি। এটি তাদের অজ্ঞতার কারণে ছিল না, বরং তাদের জানা ছিল যে সমসাময়িক যুগের মানুষ এ বিষয়ে অবগত, অথবা তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এমনটি করেছিলেন যাতে মানুষকে মূল উৎসসমূহ থেকে হাদিস অন্বেষণে উৎসাহিত করা যায় এবং তারা এর সনদসমূহ (أسانيد) ও শব্দগত পার্থক্য সম্পর্কে জানতে পারে।

ইরাকি বলেন: "পূর্বসূরিদের (متقدمين) রীতি ছিল তাদের কিতাবসমূহে সংকলিত হাদিসগুলো সম্পর্কে নীরব থাকা, এর সংকলককে উল্লেখ না করা এবং সহিহ (صحيح) ও জয়িফ (ضعيف)-এর পার্থক্য বর্ণনা না করা—ব্যতিক্রম ছাড়া এমনটিই দেখা যেত, যদিও তারা হাদিসের ইমাম ছিলেন। পরিশেষে ইমাম নববী আসলেন এবং তিনি বিষয়টি বর্ণনা করলেন" (১)।

ইরাকির উদ্দেশ্য হলো, ইমাম নববীই সর্বপ্রথম হাদিসের উৎস নির্দেশ (عزو) করেছেন এবং এর সূত্র ও মান (درجة) নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আমি এই বিষয়ে ইরাকির সাথে একমত নই, কারণ ইমাম নববীর আগেও অনেক আলেম এই পথে হেঁটেছেন। আমি তাদের মধ্যে খতিব বাগদাদীর কথা উল্লেখ করছি; তিনি বেশ কিছু কিতাবের হাদিস তখরিজ (تخريج) করার কাজে মনোনিবেশ করেছিলেন। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: শরিফ আবুল কাসিম আল-হুসাইনি এবং আবুল কাসিম আল-মাহরাওয়ানি এর 'আল-ফাওয়াইদুল মুনতাখাবাহ', 'আস-সিহাহ' ও 'আল-গরাইব'-এর তখরিজ (تخريج)।

--------------------------------------------

(১) "ফয়জুল কাদির", ১ / ২১।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১০)
ثم جاء الحازمي فخرج أحاديث المهذب في فقه الشافعية للشيرازي (1) ثم توالت بعد ذلك كتب التخريج لأحاديث وردت في مصنفات عدة، نذكر منها على سبيل المثال:

أولاً: في التوحيد والعقائد:

1- كتاب فرائد القلائد في تخريج أحاديث شرح العقائد النسفية لملا علي قاري.

2- تخريج شرح العقائد النسفية للسيوطي.

4- تخريج أحاديث شرح المواقف للسيوطي.

5- تخريج أحاديث شرح العقيدة الطحاوية للألباني.

ثانياً: في التفسير وعلوم القرآن:

1 – تخريج أحاديث تفسير الكشاف للحافظ جمال الدين الزيلعي (ت سنة 762 هـ) .

2 – الكافي الشاف في تخريج أحاديث الكشاف للحافظ ابن حجر العسقلاني (ت 852هـ) لخصه من تخريج الزيلعي وأضاف إليه ما أغفله الزيلعي من الأحاديث والآثار المرفوعة.

3 – تخريج أحاديث تفسير البيضاوي للشيخ عبد الرؤوف المناوي.

4 – تحفة الراوي في تخريج أحاديث البيضاوي للشيخ محمد همات زاده.

5 – تخريج أحاديث تفسير السمرقندي للشيخ زين الدين قاسم بن

--------------------------------------------

(1) وذلك لأن الخطيب البغدادي توفي سنة 463هـ والحازمي توفي سنة 584هـ أما النووي فتوفي سنة 676هـ.
এরপর আল-হাজিমি আসলেন এবং তিনি শিরাজি রচিত শাফেয়ি ফিকহ বিষয়ক গ্রন্থ 'আল-মুহায্যাব'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج) করলেন (১)। এরপর ধারাবাহিকভাবে এমন সব তাখরিজ (تخريج) গ্রন্থ প্রকাশিত হতে থাকে যাতে বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণিত হাদিসসমূহ সংকলিত হয়েছে, উদাহরণস্বরূপ আমরা কিছু উল্লেখ করছি:

প্রথমত: তাওহিদ ও আকাইদ বিষয়ক:

১- মোল্লা আলি ক্বারি রচিত 'শারহুল আকাইদ আন-নাসাফিয়া'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ 'ফরাইদুল কলাইদ'।

২- সুয়ূতি রচিত 'শারহুল আকাইদ আন-নাসাফিয়া'-এর তাখরিজ (تخريج)।

৪- সুয়ূতি রচিত 'শারহুল মাওয়াকিফ'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج)।

৫- আলবানি রচিত 'শারহুল আকিদাতুত তহাবিয়া'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج)।

দ্বিতীয়ত: তাফসির ও উলূমুল কুরআন বিষয়ক:

১ – হাফেজ জামালুদ্দিন আয-যাইলায়ি (মৃত্যু: ৭৬২ হিজরি) রচিত 'তাফসিরে কাশশাফ'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج)।

২ – হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু: ৮৫২ হিজরি) রচিত 'আল-কাফিশ শাফ ফি তাখরিজি আহাদিসিল কাশশাফ'। তিনি এটি যাইলায়ির তাখরিজ (تخريج) থেকে সংক্ষেপ করেছেন এবং যাইলায়ি যেসব মারফূ (مرفوع) হাদিস ও আসার (آثار) বাদ দিয়েছিলেন, তা এখানে যুক্ত করেছেন।

৩ – শেখ আব্দুর রউফ আল-মুনাউয়ি রচিত 'তাফসিরে বায়যাভি'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج)।

৪ – শেখ মুহাম্মদ হিম্মত জাদাহ রচিত 'তাফসিরে বায়যাভি'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ 'তুহফাতুর রাওয়ি'।

৫ – শেখ যাইনুদ্দিন কাসিম বিন... রচিত 'তাফসিরে সমরকন্দি'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج)।

--------------------------------------------

(১) আর এটি এ কারণে যে, খতিব আল-বাগদাদি ৪৬৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, আল-হাজিমি ৫৮৪ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং ইমাম নববী ৬৭৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১১)
قطلوبغا.

6 – تخريج أحاديث تفسير ابن كثير وهو على حاشية التفسير، ط الشعب، لكل من الأساتذة: عبد العزيز غنيم، محمد أحمد عاشور، محمد إبراهيم البنا.

7 – تخريج أحاديث سورة الرعد من تفسير ابن كثير لمحمد عبده عبد الرحمن.

8 – تخريج أحاديث أحكام القرآن لابن العربي لمحمد مصطفى بلقات.

ثالثاً: في الحديث:

1 – الحاوي في بيان آثار الطحاوي، وهو تخريج لأحاديث شرح معاني الآثار للطحاوي والتخريج لابن حجر العسقلاني، عزا فيه كل حديث من أحاديثه إلى الكتب الستة وغيرهم، وبيَّن صحيحها وحسنها وضعيفها، لكنه لم يكمله وأكمله تلميذه السخاوي.

2 – نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار للنووي والتخريج لابن حجر العسقلاني.

3 – وله تخريج أيضاً لأحاديث الأربعين النووية.

4 – هداية الرواة إلى تخريج أحاديث المصابيح والمشكاة: مصابيح السنة للبغوي ومشكاة المصابيح للتبريزي، والهداية لابن حجر العسقلاني.

5 – المناهج والتناقيح في تخريج أحاديث المصابيح لصدر الدين المناوي (ت803هـ) وسماه البعض كشف المناهيج والتناقيح.

6 – تخريج تقريب الأسانيد للحافظ ولي الدين أبي زرعة العراقي.
কুতলুবুগা।

৬ – তাফসিরে ইবনে কাসিরের হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج), যা তাফসিরের পাদটীকায় বিদ্যমান, আশ-শা'ব সংস্করণ, এটি নিম্নোক্ত উস্তাদদের দ্বারা সম্পাদিত: আব্দুল আজিজ গুনাইম, মুহাম্মদ আহমাদ আশুর এবং মুহাম্মদ ইব্রাহিম আল-বান্না।

৭ – তাফসিরে ইবনে কাসির থেকে সুরা আর-রা’দের হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج), যা মুহাম্মদ আবদুহু আব্দুর রহমান কর্তৃক রচিত।

৮ – ইবনুল আরাবি রচিত আহকামুল কুরআনের হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج), যা মুহাম্মদ মুস্তফা বালকাত কর্তৃক রচিত।

তৃতীয়ত: হাদিস বিষয়ক:

১ – আল-হাভি ফি বায়ানি আসারিত তাহাবি; এটি ইমাম তাহাবি রচিত শরহু মা'আনিল আসার-এর হাদিসসমূহের একটি তাখরিজ (تخريج), যা ইবনে হাজার আসকালানি সম্পন্ন করেছেন। এতে তিনি প্রতিটি হাদিসকে কুতুবে সিত্তাহ এবং অন্যান্য গ্রন্থের সূত্রায়িত করেছেন এবং সেগুলোর সহিহ (صحيح), হাসান (حسن) ও জয়িফ (ضعيف) হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটি সমাপ্ত করতে পারেননি, পরবর্তীতে তাঁর ছাত্র সাখাভি এটি সমাপ্ত করেন।

২ – নাতায়েজুল আফকার ফি তাখরিজি আহাদিসিল আজকার; এটি ইমাম নববি রচিত আল-আজকার গ্রন্থের হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج), যা ইবনে হাজার আসকালানি কর্তৃক সংকলিত।

৩ – এছাড়া ইমাম নববি রচিত আরবাউন নববি-র হাদিসসমূহের ওপরও তাঁর একটি তাখরিজ (تخريج) রয়েছে।

৪ – হিদায়াতুর রুওয়াত ইলা তাখরিজি আহাদিসিল মাসাবিহি ওয়াল মিশকাত: এটি বাগভি রচিত মাসাবিহুস সুন্নাহ এবং তাবরিজি রচিত মিশকাতুল মাসাবিহ-এর তাখরিজ (تخريج), যা ইবনে হাজার আসকালানি সম্পন্ন করেছেন।

৫ – আল-মানাহিজ ওয়াত তানাতিহ ফি তাখরিজি আহাদিসিল মাসাবিহ; এটি সদরুদ্দিন মুনাভি (মৃত ৮০৩ হিজরি) কর্তৃক রচিত এবং কেউ কেউ একে কাশফুল মানাহিজ ওয়াত তানাতিহ নামেও অভিহিত করেছেন।

৬ – হাফিজ ওয়ালিউদ্দিন আবু জুরআ আল-ইরাকি রচিত তাকরিবুল আসানিদ-এর তাখরিজ (تخريج)।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১২)
7 – تخريج أحاديث الشهاب للقضاعي لأبي العلاء العراقي.

8 – تخريج أحاديث الشفا للقاضي عياض والتخريج للحافظ قاسم ابن قطلوبغا.

9 – مناهل الصفا في تخريج أحاديث الشفا للسيوطي.

10 – تخريج أحاديث المشكاة للألباني.

11 – تخريج أحاديث الشهاب للشيخ أحمد الغماري.

رابعاً: في الأصول:

1 – تخريج أحاديث منهاج البيضاوي في الأصول للتاج السبكي.

2- تخريج أحاديث المختصر الكبير لابن الحاجب والتخريج لابن حجر العسقلاني.

3 – تخريج أحاديث اللمع في أصول الفقه. اللمع للشيرازي والتخريج لعبد الله الصديق الغماري.

4 – تحفة المحتاج إلى أحاديث المنهاج لابن الملقن وهو تخريج لأحاديث المنهاج أيضاً أضاف إليه صاحبه في آخره مختصراً: في ضبط ما يُشكل على الفقيه من الأسماء والألفاظ واللغات.

5 – الابتهاج في تخريج أحاديث المنهاج للشيخ عبد الله الصديق الغماري.

6 – المعتبر في تخريج أحاديث المنهاج والمختصر لبدر الدين محمد بن عبد الله الزركشي.

7 – تحفة الطالب بمعرفة أحاديث مختصر ابن الحاجب في أصول الفقه
7 – আবু আল-আলা আল-ইরাকি কর্তৃক আল-কুদায়ি-র ‘আশ-শিহাব’-এর হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

8 – কাজি আইয়াজ রচিত ‘আশ-শিফা’-র হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج) এবং হাফিজ (حافظ) কাসিম ইবন কুতলুবুগা-র সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

9 – আল-সুয়ুতি রচিত ‘মানাহিল আস-সাফা ফি তাখরিজ আহাদিস আশ-শিফা’।

10 – আলবানি কর্তৃক ‘আল-মিশকাত’-এর হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

11 – শেখ আহমদ আল-গুমারি কর্তৃক ‘আশ-শিহাব’-এর হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

চতুর্থত: মূলনীতি (أصول) প্রসঙ্গে:

1 – তাজ আল-সুবকি কর্তৃক মূলনীতি (أصول) শাস্ত্রের ‘মিনহাজ আল-বায়দাবি’-র হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

2- ইবনুল হাজিব রচিত ‘আল-মুখতাসার আল-কাবির’-এর হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج) এবং ইবনে হাজার আল-আসকালানির সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

3 – উসুলুল ফিকহ (أصول الفقه)-এর গ্রন্থ ‘আল-লুমা’-র হাদিসসমূহের সূত্র-নিরূপণ (تخريج)। শিরাজির ‘আল-লুমা’ এবং আবদুল্লাহ আল-সিদ্দিক আল-গুমারি-র সূত্র-নিরূপণ (تخريج)।

4 – ইবনুল মুলাক্কিন রচিত ‘তুহফাতুল মুহতাজ ইলা আহাদিসিল মিনহাজ’, এটিও ‘আল-মিনহাজ’-এর হাদিসসমূহের একটি সূত্র-নিরূপণ (تخريج); এর লেখক এর শেষে একটি সংক্ষিপ্তসার (مختصر) যুক্ত করেছেন: ফকিহ (فقيه)গণের নিকট অস্পষ্ট হতে পারে এমন নাম, শব্দ ও পরিভাষাগুলোর সঠিক রূপ নির্ধারণ প্রসঙ্গে।

5 – শেখ আবদুল্লাহ আল-সিদ্দিক আল-গুমারি রচিত ‘আল-ইবতিহাজ ফি তাখরিজ আহাদিসিল মিনহাজ’।

6 – বদর উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-যারকাশি রচিত ‘আল-মু’তাবার ফি তাখরিজ আহাদিসিল মিনহাজ ওয়াল মুখতাসার’।

7 – উসুলুল ফিকহ (أصول الفقه)-এর গ্রন্থ ‘মুখতাসার ইবনুল হাজিব’-এর হাদিসসমূহ চেনার ক্ষেত্রে ‘তুহফাতুত তালিব’
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৩)
للحافظ ابن كثير.

8 – موافقة الخبر الخبر بتخريج أحاديث المنهاج والمختصر لابن حجر العسقلاني.

9 – تخريج أحاديث مختصر المنهاج للحافظ العراقي.

10 – تخريج أحاديث أصول البزدوي للحافظ قاسم بن قطلوبغا وهو مطبوع على حاشية كتاب البزدوي.

11- تخريج أحاديث المستصفى من علم الأصول للغزالي، والتخريج لبشير صبحي بشير.

خامساً: في الفقه:

1 – نصب الراية في تخريج أحاديث الهداية للزيلعي وهو في الفقه الحنفي، وهو تخريج نافع ومفيد جداً استفاد منه كل مَنْ شرح الهداية، وهو شاهد على تبحر مخرجه في فن الحديث وأسماء الرجال، وسَعة نظره في فروع الحديث.

2 – الدراية في تخريج أحاديث الهداية لابن حجر العسقلاني.

3 – العناية في تخريج أحاديث الهداية لمحيي الدين عبد القادر القرشي الحنفي المصري (ت سنة 775 هـ) .

4 – الكفاية في معرفة أحاديث الهداية لعلاء الدين بن عثمان المارديني.

5 – تخريج أحاديث الاختيار لتعليل المختار للموصلي في الفقه الحنفي والتخريج لابن قطلوبغا.

6 – الطرق والوسائل في تخريج أحاديث خلاصة الدلائل، أي خلاصة
হাফেজ (حافظ) ইবনে কাসীরের।

৮ – ইবনে হাজার আসকালানি রচিত মুয়াফাকাতুল খবার আল-খবার বি-তাখরিজি আহাদিসিল মিনহাজ ওয়াল মুখতাসার।

৯ – হাফেজ (حافظ) ইরাকি রচিত মুখতাসারুল মিনহাজের হাদিস চয়ন (تخريج)।

১০ – হাফেজ (حافظ) কাসিম ইবন কুতলুবুগা রচিত উসুলুল বাজদাওয়ির হাদিস চয়ন (تخريج), যা বাজদাওয়ি কিতাবের পার্শ্বটীকা হিসেবে মুদ্রিত।

১১- গাজালির আল-মুস্তাসফা মিন ইলমিল উসুল-এর হাদিস চয়ন (تخريج), এবং এর চয়ন (تخريج) করেছেন বাশির সুব্হি বাশির।

পঞ্চম: ফিকহ (فقه) শাস্ত্রে:

১ – যাইলায়ি রচিত নাসবুর রায়াহ ফি তাখরিজি আহাদিসিল হিদায়াহ; এটি হানাফি ফিকহ (فقه) শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি অত্যন্ত উপকারী ও ফলপ্রসূ হাদিস চয়ন (تخريج) গ্রন্থ, যেখান থেকে হিদায়ার প্রত্যেক ব্যাখ্যাকারক উপকৃত হয়েছেন। এটি হাদিস বিজ্ঞান (فن الحديث) ও বর্ণনাকারী মূল্যায়ন (أسماء الرجال) শাস্ত্রে এর সংকলকের গভীর পাণ্ডিত্য এবং হাদিসের শাখা-প্রশাখায় (فروع الحديث) তাঁর সুদূরপ্রসারী দৃষ্টির এক অনন্য প্রমাণ।

২ – ইবনে হাজার আসকালানি রচিত আদ-দিরায়াহ ফি তাখরিজি আহাদিসিল হিদায়াহ।

৩ – মুহিউদ্দিন আব্দুল কাদির আল-কুরাশি আল-হানাফি আল-মিসরি (মৃত্যু ৭৭৫ হিজরি) রচিত আল-ইনায়াহ ফি তাখরিজি আহাদিসিল হিদায়াহ।

৪ – আলাউদ্দিন ইবন উসমান আল-মারদিনি রচিত আল-কিফায়াহ ফি মা’রিফাতি আহাদিসিল হিদায়াহ।

৫ – হানাফি ফিকহ (فقه) শাস্ত্রে আল-মাওসিলি রচিত আল-ইখতিয়ার লি-তালিদিল মুখতার-এর হাদিস চয়ন (تخريج), এবং এর চয়ন (تخريج) করেছেন ইবন কুতলুবুগা।

৬ – আত-তুরুকু ওয়াল ওয়াসাইল ফি তাখরিজি আহাদিসিল খুলাসাতুদ দালাইল, অর্থাৎ খুলাসা...
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৪)
الدلائل وتنقيح المسائل في فروع الحنفية لحسام الدين الرازي والتخريج لعبد القادر بن محمد القرشي.

7 – البدر المنير في تخريج الأحاديث والآثار الواقعة في الشرح الكبير لابن الملقن ويقع في سبعة مجلدات، وهو تخريج لأحاديث الشرح الكبير للرافعي على الوجيز في فقه الشافعية للغزالي ثم لخص ابن الملقن البدر في أربعة مجلدات، وسمَّاه ((خلاصة البدر)) ثم انتقى الخلاصة في مجلد وسماه ((منتقى خلاصة البدر المنير)) .

8 – التلخيص الحبير في تخريج أحاديث شرح الوجيز الكبير لابن حجر العسقلاني.

9 – نشر العبير في تخريج أحاديث الشرح الكبير للسيوطي.

10 – تذكرة الأخيار بما في الوسيط من الأخبار لابن الملقن.

11 – تخريج أحاديث المهذب في الفقه الشافعي والمهذب لأبي إسحاق الشيرازي والتخريج لابن الملقن.

12 – منية الألمعي بما فات الزيلعي لابن قطلوبغا، ويعني به ما فات الزيلعي من الأحاديث ولم يخرجها في ((نصب الراية)) .

13 – الذهب الإبريز في تخريج أحاديث فتح العزيز للزركشي.

14 – إرشاد الفقيه إلى أدلة التنبيه، والتنبيه للشيرازي في فقه الشافعية، وتخريجه الإرشاد لابن كثير الدمشقي.

15 – تخريج أحاديث الأم للإمام الشافعي والتخريج للحافظ أبي بكر
হুসামুদ্দিন আর-রাজি রচিত হানাফি ফিকহের শাখা-প্রশাখা বিষয়ক গ্রন্থ 'আদ-দালাইল ওয়া তানকিহুল মাসাইল' এবং এর তাখরিজ (تخريج) করেছেন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশি।

৭ – ইবনুল মুলাক্কিন রচিত 'আল-বাদরুল মুনির ফি তাখরিজি আল-আহাদিস ওয়াল আসার আল-ওয়াকিয়া ফিশ শারহিল কাবির'; এটি সাত খণ্ডে সমাপ্ত। এটি ইমাম গাজালির শাফেয়ি ফিকহের গ্রন্থ 'আল-ওয়াজিজ'-এর ওপর ইমাম রাফিয়ি-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আশ-শারহুল কাবির'-এর হাদিস ও বর্ণনাগুলোর (آثار) একটি তাখরিজ (تخريج)। পরবর্তীতে ইবনুল মুলাক্কিন 'আল-বাদর' গ্রন্থটিকে চার খণ্ডে সংক্ষেপ (تلخيص) করেন এবং এর নাম দেন 'খুলাসাতুল বাদর'। এরপর তিনি এই 'খুলাসা' থেকে বাছাই করে এক খণ্ডে একটি গ্রন্থ সংকলন করেন এবং এর নাম দেন 'মুনতাকা খুলাসাতুল বাদরিল মুনির'।

৮ – ইবনে হাজার আল-আসকালানি রচিত 'আত-তালখিসুল হাবির ফি তাখরিজি আহাদিসি শারহিল ওয়াজিজিল কাবির'।

৯ – জালালুদ্দিন সুয়ূতি রচিত 'নাশরুল আবির ফি তাখরিজি আহাদিসি আশ-শারহিল কাবির'।

১০ – ইবনুল মুলাক্কিন রচিত 'তাযকিরাতুল আখইয়ার বিমা ফিল ওয়াসিত মিনাল আখবার'।

১১ – শাফেয়ি ফিকহের গ্রন্থ 'আল-মুহাজ্জাব'-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج); 'আল-মুহাজ্জাব' গ্রন্থটি আবু ইসহাক আশ-শিরাজি-এর এবং এর তাখরিজ (تخريج) করেছেন ইবনুল মুলাক্কিন।

১২ – ইবনে কুতলুবুগা রচিত 'মুনইয়াতুল আলমায়ি বিমা ফাতা আয-যাইলায়ি'। এর দ্বারা তিনি ইমাম যাইলায়ি-এর সেই হাদিসগুলোকে বুঝিয়েছেন যেগুলো 'নাসবুর রায়া' গ্রন্থে তাখরিজ (تخريج) করতে তিনি সক্ষম হননি।

১৩ – ইমাম যারকাশি রচিত 'আয-যাহাবুল ইব্রিয ফি তাখরিজি আহাদিসি ফাতহিল আজিজ'।

১৪ – শাফেয়ি ফিকহের ওপর শিরাজি রচিত গ্রন্থ 'আত-তানবিহ'-এর হাদিসসমূহের প্রমাণের জন্য ইবনে কাসির আদ-দিমাশকি রচিত 'ইরশাদুল ফাকিহ ইলা আদিল্লাতিত তানবিহ'; এবং এর তাখরিজ (تخريج) হলো এই 'ইরশাদ' গ্রন্থটি।

১৫ – ইমাম শাফেয়ি রচিত 'আল-উম্ম' গ্রন্থের হাদিসসমূহের তাখরিজ (تخريج); এই তাখরিজ (تخريج) কার্যটি হাফেজ (حافظ) আবু বকরের।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৫)
البيهقي.

16 – تخريج أحاديث الكفاية في فروع الشافعية للسهيلي والتخريج للسيوطي.

17 – تخريج أحاديث الكافي لابن قدامة المقدسي في فقه الحنابلة، والتخريج لخلف سويلم العنزي.

18 – إرواء الغليل في تخريج أحاديث منار السبيل في فقه الحنابلة للشيخ إبراهيم بن محمد بن ضويان، والإرواء للألباني.

19 – تخريج الأحاديث الواردة في مدونة الإمام مالك بن أنس وتحقيقها للطاهر محمد الدرديري.

20 – تخريج أحاديث البداية، أي بداية المجتهد ونهاية المقتصد لابن رشد والتخريج للشيخ أحمد بن محمد الصديق الغماري.

21 – تمام المنة في تخريج أحاديث فقه السنة للألباني.

22 – التحقيق في أحاديث التعليق في فقه الحنابلة لابن الجوزي.

23 – تنقيح التحقيق لمحمد بن أحمد المقدسي المعروف بابن عبد الهادي.

سادساً: في التصوف والأخلاق:

1 – تخريج أحاديث إحياء علوم الدين للغزالي، وهو مستخرج من تخريج العراقي وابن السبكي والزبيدي جمعه أبو عبد الله محمود بن محمد الحداد ويقع في سبعة مجلدات.

2 – تحفة الأحياء بما فات من تخاريج الإحياء لابن قطلوبغا.

3 – تخريج أحاديث عوارف المعارف للسهروردي، والتخريج لابن
আল-বাইহাকী।

১৬ – আস-সুহাইলি রচিত শাফিঈ ফিকহের শাখা-প্রশাখা বিষয়ক গ্রন্থ ‘আল-কিফায়া’-র হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج) এবং আস-সুয়ূতী কৃত উৎস নির্দেশ (تخريج)।

১৭ – হাম্বলি ফিকহের গ্রন্থ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি রচিত ‘আল-কাফি’-র হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج), এবং খালাফ সুওয়াইলাম আল-আনাজি কৃত উৎস নির্দেশ (تخريج)।

১৮ – শায়খ ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন দুওয়াইয়ান রচিত হাম্বলি ফিকহের গ্রন্থ ‘মানারুস সাবিল’-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ ‘ইরওয়াউল গালীল’, এবং আলবানী কৃত উৎস নির্দেশ (تخريج)।

১৯ – ইমাম মালিক বিন আনাস-এর ‘মুদাওয়ানা’ গ্রন্থে বর্ণিত হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج) এবং তাহের মুহাম্মদ আদ-দারদিরি কর্তৃক এর পাণ্ডুলিপি যাচাই (تحقيق)।

২০ – ইবনে রুশদ রচিত ‘বিদায়া’ অর্থাৎ ‘বিদায়াতুল মুজতাহিদ ওয়া নিহায়াতুল মুক্তাসিদ’-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج) এবং শায়খ আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সিদ্দিক আল-গুুমারি কৃত উৎস নির্দেশ (تخريج)।

২১ – আলবানী কৃত ‘ফিকহুস সুন্নাহ’-র হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ ‘তামামুল মিন্নাহ’।

২২ – ইবনুল জাওজি রচিত হাম্বলি ফিকহের গ্রন্থ ‘আত-তালিক’-এর হাদিসসমূহের পাণ্ডুলিপি যাচাই (تحقيق)।

২৩ – মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মাকদিসি, যিনি ইবনে আব্দুল হাদি নামে পরিচিত, তাঁর রচিত ‘তানকিহুত তাহকিক’।

ষষ্ঠত: তাসাউফ ও আখলাক (চরিত্র গঠন) শাস্ত্রে:

১ – আল-গাজালি রচিত ‘ইহয়াউ উলুমিদ্দিন’-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج), যা মূলত আল-ইরাকী, ইবনুস সুবকী ও আল-জুবায়দী কৃত উৎস নির্দেশ (تخريج) থেকে সংগৃহীত (مستخرج); এটি আবু আব্দুল্লাহ মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ সংকলন করেছেন এবং এটি সাত খণ্ডে বিন্যস্ত।

২ – ইবনে কুতলুবুগা রচিত ‘তুহফাতুল আহইয়া বিমা ফাতা মিন তাখরিজিল ইহইয়া’।

৩ – আস-সুহরাওয়ার্দি রচিত ‘আওয়ারিফুল মা'আরিফ’-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (تخريج), এবং ইবনে...
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৬)
قطلوبغا أيضاً.

4 – تخريج أحاديث النصيحة الكافية للشيخ زروق الفاسي والتخريج لابن قطلوبغا أيضاً.

5 – تخريج الأحاديث الواقعة في التحفة الوردية لابن الوردي والتخريج لعبد القادر البغدادي.

6 – غاية المرام في تخريج أحاديث الحلال والحرام للدكتور يوسف القرضاوي، والتخريج للألباني.

7 – إخبار الأحياء بأخبار الإحياء. أي إحياء علوم الدين للغزالي، والتخريج للعراقي، وهو تخريجه الكبير يقع في أربعة مجلدات.

8 – المغني عن حمل الأسفار في الأسفار في تخريج ما في الإحياء من أخبار للعراقي أيضاً، وهو التخريج الصغير.

9 – الكشف المبين عن تخريج إحياء علوم الدين للعراقي أيضاً، وهو وسط بين الإخبار والمغني.

10 – إدراك الحقيقة في تخريج أحاديث الطريقة للبركوي والتخريج لعلي بن حسن المصري.

سابعاً: في اللغة والنحو:

1 - فلق الإصباح في تخريج أحاديث الصحاح للجوهري، أي: الصحاح في اللغة، والتخريج للسيوطي خرَّج فيه الأحاديث الواقعة
ইবনে কুতলুবুগাও।

৪ – শেখ যাররুক আল-ফাসি রচিত 'আন-নাসিহা আল-কাফিয়া'-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج); আর এই উৎস নির্ণয় (تخريج) ইবনে কুতলুবুগাও সম্পন্ন করেছেন।

৫ – ইবনুল ওয়ার্দি রচিত 'আত-তুহফাতুল ওয়ারদিয়্যাহ'-তে বিদ্যমান হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج); এই উৎস নির্ণয় (تخريج) করেছেন আব্দুল কাদির আল-বাগদাদি।

৬ – ডক্টর ইউসুফ আল-কারজাভি রচিত 'আল-হালাল ওয়াল হারাম'-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ 'গায়াতুল মারাম'; এর উৎস নির্ণয় (تخريج) করেছেন আলবানি।

৭ – 'ইখবারুল আহইয়া বি আখবারিল ইহইয়া'। অর্থাৎ গাজালির 'ইহয়াউ উলুমিদ্দিন'-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج); এর উৎস নির্ণয় (تخريج) করেছেন আল-ইরাকি এবং এটি তার বৃহৎ উৎস নির্ণয় (تخريج الكبير) যা চার খণ্ডে সমাপ্ত।

৮ – আল-ইরাকি রচিত 'আল-মুগনি আন হামিল আসফার ফিল আসফার ফি তাখরিজি মা ফিল ইহয়া মিন আখবার'; এটি হলো তার সংক্ষিপ্ত উৎস নির্ণয় (تخريج الصغير)।

৯ – আল-ইরাকি রচিত 'আল-কাশফুল মুবিন আন তাখরিজি ইহয়াউ উলুমিদ্দিন'; এটি 'ইখবার' এবং 'মুগনি'-এর মধ্যবর্তী পর্যায়ের সংকলন।

১০ – বিরকভি রচিত 'আত-তরিকা'-এর হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ 'ইদরেকুল হাকিকাহ'; এর উৎস নির্ণয় (تخريج) করেছেন আলি ইবনে হাসান আল-মাসরি।

সপ্তম: ভাষা ও ব্যাকরণ প্রসঙ্গে:

১ - জওহরির 'আস-সিহাহ' অর্থাৎ ভাষাবিদ্যা বিষয়ক গ্রন্থ 'আস-সিহাহ'-তে বর্ণিত হাদিসসমূহের উৎস নির্ণয় (تخريج) বিষয়ক গ্রন্থ 'ফালাকুল ইসবাহ'; এর উৎস নির্ণয় (تخরিج) করেছেন সুয়ুতি, যাতে তিনি গ্রন্থটিতে উল্লিখিত হাদিসসমূহ চয়ন করেছেন।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৭)
في كتاب الصحاح (1) .

2 – تخريج الأحاديث والآثار التي وردت في شرح الكافية في النحو لعبد القادر البغدادي.

ثامناً: كتب أخرى:

1 – تخريج الأحاديث الواردة في كتاب الأموال لأبي عبيد والتخريج لعبد الصمد بكر عابد.

2 – تخريج أحاديث "مشكلة الفقر وكيف عالجها الإسلام" للقرضاوي، والتخريج للألباني.

3 – تخريج أحاديث فضائل الشام للزيلعي، والتخريج للألباني.

هذا وقد توالت كتب التخاريج إلى يومنا هذا وبهذا العمل الجليل قدم علماء الحديث خدمة كبيرة لتلك الكتب التي خرجوا أحاديثها، وبالتالي سدُّوا ثغرة كبيرة في صرح المصنفات الحديثة، ولو لم يقوموا بهذا لما كان الانتفاع بتلك الكتب سهلا ميسوراً، ولخلط أصحاب هذه الكتب الصحيح بغيره، فميزوا المقبول من المردود وأصبح كل كتاب بعد التخاريح عليه كنزا من كنوز السنة ومورداً عذباً من موارد المعرفة ينهل منه كل طالب علم ويجد فيه بغيته وينال منه مطلبه.

--------------------------------------------

(1) راجع " الرسالة المستطرفة "، ص 139: 143، تخريج أحاديث اللمع مقدمة المحقق ص 11 –19، تخريج أحاديث شرح العقائد مقدمة التحقيق ص 10– 14.
"আস-সিহাহ" গ্রন্থে (১)।

২ – আব্দুল কাদির আল-বাগদাদি রচিত নাহু শাস্ত্রের শারহুল কাফিয়া-তে বর্ণিত হাদিস ও বর্ণনাগুলোর (الآثار) হাদিস যাচাইকরণ (تخريج)।

অষ্টম: অন্যান্য গ্রন্থ:

১ – আবু উবাইদ রচিত কিতাবুল আমওয়াল-এ বর্ণিত হাদিসগুলোর হাদিস যাচাইকরণ (تخريج); এবং এর যাচাইকরণ (التخريج) করেছেন আব্দুস সামাদ বকর আবিদ।

২ – আল-কারজাভী রচিত "মুশকিলাতুল ফাকর ওয়া কাইফা আলাজাহাল ইসলাম"-এর হাদিসগুলোর হাদিস যাচাইকরণ (تخريج), এবং এর যাচাইকরণ (التخريج) করেছেন আলবানী।

৩ – আজ-যাইলায়ী রচিত ফাদাইলুশ শাম-এর হাদিসগুলোর হাদিস যাচাইকরণ (تخريج), এবং এর যাচাইকরণ (التخريج) করেছেন আলবানী।

এভাবে বর্তমান সময় পর্যন্ত হাদিস যাচাইকরণ (تخاريج) বিষয়ক গ্রন্থাবলি ধারাবাহিকভাবে রচিত হয়ে আসছে। এই মহান কাজের মাধ্যমে হাদিস বিশারদগণ ঐ সকল গ্রন্থের প্রতি এক বিশাল সেবা প্রদান করেছেন যেগুলোর হাদিস তারা যাচাই (خرجوا) করেছেন। এর ফলে তারা হাদিস বিষয়ক সংকলনসমূহের প্রাসাদে বিদ্যমান এক বিশাল শূন্যতা পূরণ করেছেন। তারা যদি এই কাজ না করতেন, তবে ঐ সকল গ্রন্থ থেকে উপকৃত হওয়া সহজ ও সাবলীল হতো না এবং ওই গ্রন্থসমূহের লেখকরা সহিহ (الصحيح) হাদিসকে অন্যান্য হাদিসের সাথে মিশিয়ে ফেলতেন। ফলশ্রুতিতে তারা গ্রহণযোগ্য (المقبول) বর্ণনাকে বর্জনীয় (المردود) বর্ণনা থেকে পৃথক করেছেন। এখন হাদিস যাচাইকরণের (التخاريج) পর প্রতিটি গ্রন্থ সুন্নাহর ভাণ্ডারসমূহের মধ্যে এক একটি রত্নভাণ্ডার এবং জ্ঞানের এক একটি নির্মল উৎস হিসেবে গণ্য হয়েছে, যেখান থেকে প্রত্যেক জ্ঞানান্বেষী জ্ঞান আহরণ করতে পারে এবং তাতে তার অভীষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য খুঁজে পায়।

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: "আর-রিসালাতুল মুসতাতরাফাহ", পৃ. ১৩৯-১৪৩; তখরিজ আহাদিসিল লুমা, মুহাক্কিকের ভূমিকা, পৃ. ১১-১৯; তখরিজ আহাদিসি শারহিল আকাইদ, তাহকিকের ভূমিকা, পৃ. ১০-১৪।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৮)
الكتب المعتبرة في التخريج:

الكتب التي يعتمدها علماء الحديث، وتكون مرجعاً أصيلاً من مراجع التخريج يستند إليه في عزو الحديث إلى مصدره الأصلي، هي كتب لها أسانيد مستقلة لمؤلفيها المعتمدين عند علماء النقل وهي كثيرة ومتنوعة مثل:

الجوامع والسنن، المسانيد، المصنفات، المستخرجات، المستدركات، كتب السنة والشريعة، كتب الطبقات، الأبواب، المعاجم، المشيخات، الأجزاء.

وتنضم إلى ذلك كتب أخرى في موضوعات مختلفة لكن _أيضاً_ بأسانيد مستقلة لمؤلفيها مثل، المراسيل، الفوائد، الصحابة، المغازي، الشمائل، التفسير، المصاحف، القراءات مختلف الحديث، الناسخ والمنسوخ إلى غير ذلك.

ويمكن أن نحصر ما يعتبر في التخريج وما لا يعتبر فيما يأتي:

1 – يشترط في الكتب التي نعزو إليها أن يكون لها إسناد مستقل لمؤلفيها، إلا إذا فقد هذا الكتاب فإنه يجوز أن نعزو إلى كتاب أشار إليه اعتماداً عليه وثقة في مؤلفه لتعذر الوصول إلى الكتاب الأصلي.

2 – لا يصح بأي حال من الأحوال التخريج من الدوريات (المجلات) أو اليوميات (الجرائد) أو الكتب التي لا يعتد بها علماء الحديث.

3 – لا يصح عزو الحديث إلى من ليس من أهل الحديث وإن جَلَّ
তাখরিজ (تخريج)-এর ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য গ্রন্থসমূহ:

যে সকল গ্রন্থ হাদিস বিশারদগণ কর্তৃক নির্ভরযোগ্য এবং যা তাখরিজ (تخরিজ)-এর মূল উৎস হিসেবে গণ্য হয় এবং যেগুলোর ওপর ভিত্তি করে হাদিসকে তার মূল উৎসের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়, সেগুলো মূলত এমন গ্রন্থ যেগুলোর লেখকদের নিজস্ব স্বতন্ত্র সনদ (أسانيد مستقلة) রয়েছে এবং যা রেওয়ায়েত বিশারদ (علماء النقل)-দের নিকট গ্রহণযোগ্য। এ ধরনের গ্রন্থ অনেক এবং বৈচিত্র্যময়, যেমন:

জামে, সুনান, মুসনাদ, মুসান্নাফ, মুস্তাখরাজ, মুস্তাদরাক, সুন্নাহ ও শরীয়াহ বিষয়ক গ্রন্থ, তাবাকাত বিষয়ক গ্রন্থ, আবওয়াব, মুজাম, মাশয়াখাত এবং জুজসমূহ।

এর সাথে আরও কিছু ভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থও অন্তর্ভুক্ত হবে যেগুলোর লেখকদের নিজস্ব স্বতন্ত্র সনদ (أسانيد مستقلة) রয়েছে, যেমন: মুরসাল (مراسيل), ফাওয়াইদ, সাহাবীগণের জীবনী, মাগাজি, শামায়েল, তাফসির, মাসাহিফ, কিরাত, মুখতালাফুল হাদিস (مختلف الحديث), নাসিখ ও মানসুখ (الناسخ والمنسوخ) ইত্যাদি।

তাখরিজ (تخريج)-এর ক্ষেত্রে যা গ্রহণযোগ্য এবং যা অগ্রহণযোগ্য তা নিম্নোক্তভাবে সীমাবদ্ধ করা যেতে পারে:

১ – যে সকল গ্রন্থের উদ্ধৃতি আমরা প্রদান করব, শর্ত হলো সেগুলোর লেখকদের নিজস্ব স্বতন্ত্র সনদ (إسناد مستقل) থাকতে হবে। তবে যদি মূল গ্রন্থটি হারিয়ে যায়, তবে মূল গ্রন্থটি সংগ্রহ করা অসম্ভব হওয়ার কারণে এমন কোনো গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেওয়া জায়েজ হবে যা সেই মূল গ্রন্থের উদ্ধৃতি প্রদান করেছে—উক্ত গ্রন্থের ওপর নির্ভর করে এবং এর লেখকের নির্ভরযোগ্যতা (ثقة) বিবেচনা করে।

২ – কোনো অবস্থাতেই সাময়িকী (ম্যাগাজিন), দৈনিক পত্রিকা বা এমন সব বই থেকে তাখরিজ (تخريج) করা সঠিক নয় যা হাদিস বিশারদদের নিকট গ্রহণযোগ্য নয়।

৩ – হাদিস বিশারদ (أهل الحديث) নন এমন কারো দিকে হাদিস সম্বন্ধ করা সঠিক নয়, যদিও তিনি যত বড় ব্যক্তিত্বই হোন না কেন।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ১৯)
كعظماء المفسرين والفقهاء والمتصوفة (1) .

قال المناوي: "فلا أعزو إلى من ليس من أهله وإن جَلَّ كعظماء المفسرين".

وقال ابن الكمال: "كتب التفسير مشحونة بالأحاديث الموضوعة".

كذلك وقع كثير من أكابر الفقهاء، والمتزهدين في رواية الأحاديث الضعيفة والموضوعة، ومن تتبع الكتب السالفة الذكر يجد كثيراً من ذلك.

وإحقاقاً للحق وذوداً عن هؤلاء العلماء الأجلاء فإننا نقرر أن مثل هذه الأخطاء الحديثية التي وقعت منهم عن غير قصد؛ لأنهم غير متخصصين في علوم الحديث وأنها لا تقدح في جلالتهم ولا في سلامة مقاصدهم ولا تطعن في مؤلفاتهم لأنهم مجتهدون، وليس من شرط المجتهد الإحاطة بكل حديث في الدنيا (2) .

قال الراغب وغيره: ليس يجب أن نحكم بفساد كتاب لخطأ وقع فيه صاحبه كصنيع العامة إذا وجدوا من أخطاء في مسألة حكموا على صنعته بالفساد ودأبهم أن يعتبروا الصناعة بالصانع خلاف ما قال علي كرم الله وجهه: "الحق لا يعرف بالرجال، اعرف الحق تعرف أهله" (3) .

4 – الحكم على الحديث إذا دعت الحاجة، كأن لم يكن في الصحيحين أو أحدهما، أو لم ينص على حكمه أحد من العلماء. وهذا

--------------------------------------------

(1) أي: من الذين يوردون الأحاديث في مصنفاتهم دون ذكر أسانيدها أو بيان حالها.

(2) " فيض القدير " 1/20، 21.

(3) المصدر السابق، وراجع " كشف اللثام عن أسرار تخريج حديث سيد الأنام " ص 10.
মহান মুফাসসির, ফকিহ এবং সুফিগণের মতো (১)।

আল-মুনাওয়ী বলেছেন: "আমি এমন কারও উদ্ধৃতি দিই না যিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন, যদিও তিনি মহান মুফাসসিরদের মতো বড় কেউ হন না কেন।"

ইবনুল কামাল বলেছেন: "তাফসীরের কিতাবসমূহ জাল (موضوعة) হাদিসে পরিপূর্ণ।"

একইভাবে অনেক বড় বড় ফকিহ এবং সাধকগণ দুর্বল (ضعيفة) ও জাল (موضوعة) হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে ত্রুটি করেছেন। যে কেউ পূর্বে উল্লেখিত কিতাবগুলো পর্যবেক্ষণ করবে, সে সেখানে এর প্রচুর উদাহরণ খুঁজে পাবে।

সত্য প্রতিষ্ঠা এবং এই মহান আলেমদের সম্মান রক্ষার্থে আমরা এটি স্পষ্ট করছি যে, হাদিস সংক্রান্ত এই ধরণের ভুলগুলো তাদের পক্ষ থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে; কারণ তারা হাদিস শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। এটি তাদের মর্যাদা বা তাদের উদ্দেশ্যের স্বচ্ছতাকে কলঙ্কিত করে না এবং তাদের সংকলিত কিতাবসমূহকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে না। কেননা তারা মুজতাহিদ (مجتهدون) ছিলেন, আর একজন মুজতাহিদের জন্য পৃথিবীর সকল হাদিস সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখা অপরিহার্য শর্ত নয় (২)।

আর-রাগিব এবং অন্যান্যরা বলেছেন: লেখকের কোনো একটি ভুলের কারণে একটি পুরো কিতাবকে বাতিল বলে গণ্য করা উচিত নয়, যা সাধারণত সাধারণ মানুষ করে থাকে; তারা কোনো একটি বিষয়ে ভুল দেখলে পুরো কাজটিকে ত্রুটিপূর্ণ বলে রায় দিয়ে দেয়। তাদের অভ্যাস হলো কাজ দেখে নয় বরং ব্যক্তিকে দেখে কাজের মান বিচার করা, যা আলী (রা.)-এর বাণীর পরিপন্থী: "ব্যক্তি দিয়ে সত্য চেনা যায় না, বরং সত্যকে চিনুন, তবেই সত্যপন্থীদের চিনতে পারবেন" (৩)।

৪ – প্রয়োজনে হাদিসের ওপর হুকুম আরোপ করা, যেমন হাদিসটি যদি সহীহাইন বা এ দুটির কোনোটিতে না থাকে, অথবা আলেমদের কেউ এর হুকুমের ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু না বলে থাকেন। আর এটি...

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: যারা তাদের সংকলনে হাদিসের সনদ (أسانيد) উল্লেখ না করে বা এর মান বর্ণনা না করে হাদিস উল্লেখ করেন।

(২) "ফয়জুল কাদির" ১/২০, ২১।

(৩) পূর্বোক্ত উৎস, এবং দেখুন "কাশফুল লিসাম আন আসরারি তাখরিজি হাদিসি সাইয়িদুল আনাম" পৃষ্ঠা ১০।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২০)
الحكم الذي هو بيان درجة الحديث من الصحة أو الحسن أو الضعف أو الوضع. فتلك ثمرة هذا العلم بعد معرفة موضعه ومكان وجوده من كتب السنة، وبذلك تأتي معرفة المقبول منه فيعمل به والمردود منه فيطرح ولا يعمل به.

أما إذا عُرِّي الحديث عن بيان الدرجة فإنه قد أجازه البعض وإن كان خلاف الأصل أو دون الكمال.

وهذا الأمر قد يستتبع عدة أمور منها:

أ – تتبع روايات الحديث والمقارنة بينها مع التركيز على مواطن الضعف في السند.

ب – تتبع ذلك التنقيب عن حال الرواة وآراء العلماء فيهم من توثيق أو تضعيف.

ج – دراسة إسناد الحديث ومعرفة اتصاله من انقطاعه والتأكد من سماع كل راوٍ ممن فوقه مباشرة ودون واسطة مع النظر في أداة الرواية، هل أفادت سماعاً مباشراً أو لا؟

د – التأكد من خلو الحديث من الشذوذ والعلل القادحة.

هـ - بيان معنى الألفاظ الغريبة في الحديث، فعلى فهم الألفاظ ينبني إدراك المعنى العام للحديث.

و– ضبط الأعلام الواردة في سند الحديث أو متنه وذلك بالرجوع إلى كتب الرجال.

ز – قد يستلزم الحكم على الحديث التعليق عليه وشرح ما يلزم ذلك كدفع إيهام التعارض وما أشبهه.
সিদ্ধান্ত (বা হুকুম) যা হলো হাদিসের মান তথা সেটি সহিহ (صحيح), হাসান (حسن), দুর্বল (ضعيف) নাকি জাল (وضع) হওয়ার বিবরণ। সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ থেকে হাদিসের উৎস ও অবস্থান জানার পর এটিই হলো এই ইলমের মূল প্রতিফাল। এর মাধ্যমেই গ্রহণযোগ্য (مقبول) হাদিস শনাক্ত করা সম্ভব হয় যা আমলযোগ্য এবং বর্জনীয় (مردود) হাদিস চেনা যায় যা পরিত্যাজ্য ও আমলযোগ্য নয়।

আর হাদিসটি যদি মানের বর্ণনা থেকে মুক্ত থাকে, তবে কেউ কেউ একে জায়েজ বলেছেন, যদিও এটি মূল নীতির পরিপন্থী বা পূর্ণাঙ্গতার মানদণ্ডের নিচে।

আর এই বিষয়টি বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা অনুসরণ করে, যার মধ্যে রয়েছে:

ক – হাদিসের বর্ণনাগুলো অনুসন্ধান করা এবং সেগুলোর মধ্যে তুলনা করা, বিশেষ করে সনদের (سند) দুর্বলতার দিকগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করা।

খ – সেই সাথে বর্ণনাকারীদের অবস্থা এবং তাদের সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের নির্ভরযোগ্য (توثيق) বা দুর্বল (تضعيف) সাব্যস্তকরণ বিষয়ক মতামতগুলো নিবিড়ভাবে অনুসন্ধান করা।

গ – হাদিসের ইসনাদ (إسناد) নিয়ে গবেষণা করা এবং এর ধারাবাহিকতা (اتصال) বা বিচ্ছিন্নতা (انقطاع) সম্পর্কে অবগত হওয়া। প্রত্যেক বর্ণনাকারী তার ওপরের স্তরের বর্ণনাকারীর থেকে সরাসরি ও কোনো মাধ্যম ছাড়াই শুনেছেন কি না তা নিশ্চিত করা এবং বর্ণনার শব্দগুলোর (সিগাহ) প্রতি লক্ষ্য রাখা যে, সেগুলো সরাসরি শ্রুতি (سماع) বুঝায় কি না।

ঘ – হাদিসটি শায (شذوذ) এবং ক্ষতিকর ত্রুটি (علل قادحة) থেকে মুক্ত কি না তা নিশ্চিত করা।

ঙ – হাদিসের দুর্বোধ্য শব্দগুলোর (غريب) অর্থ বর্ণনা করা; কেননা শব্দের সঠিক অনুধাবনের ওপরই হাদিসের সামগ্রিক অর্থ অনুধাবন নির্ভরশীল।

চ – হাদিসের সনদ (سند) বা মতনের (متن) অন্তর্ভুক্ত নামসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা, যা বর্ণনাকারীদের জীবনীগ্রন্থসমূহের সহায়তায় সম্পন্ন হয়।

ছ – হাদিসের ওপর সিদ্ধান্ত প্রদানের ক্ষেত্রে কখনো এর ওপর টীকা প্রদান ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদানের প্রয়োজন হতে পারে, যেমন আপাতদৃষ্টে পরিলক্ষিত বৈপরীত্য (تعارض) নিরসন করা বা এই জাতীয় বিষয়সমূহ।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌الفصل الأول: طرق تخريج الحديث

‌‌مدخل

…

الفصل الأول: طرق تخريج الحديث

أو المراحل التي يمر بها الباحث عند إرادة تخريجه للحديث:

إذا أراد الباحث أن يستخرج حديثاً ما من كتب السنة فحاله مع الحديث لا تخلو من ثلاث:

الأولى: أن يكون قد وعى وحفظ متن الحديث أو على الأقل أوله.

الثانية: أن يكون قد عرف اسم الراوي الأعلى للحديث كالصحابي أو من دونه.

الثالثة: ألا يكون قد حفظ متن الحديث، ولا عرف اسم راويه، بل يعرف موضوع الحديث وفحواه، وما اشتمل عليه من مباحث وأحكام.

ولكل واحدة من هذه الثلاث كتبها التي تعين الباحث على الوصول إلى الحديث في سهولة ويسر ودون عناء أو تعب.

وقبل أن ندخل في تفصيل تلك المراحل ومعرفة ما يستعان به من الكتب في كل حالة من الحالات السابقة نقرر أن هناك طريقة أسماها العلماء " الاستقراء والتتبع" ويعنون بها التفتيش الدقيق المتأني عن الحديث النبوي الذي يراد تخريجه وتتبعه في بطون المصادر الحديثية وقراءتها سرداً.

وهذه لا تعد فناً من فنون التخريج المعتبرة، فهي وإن كانت أدق الطرق في الوصول إلى الحديث إلا أنها تحتاج إلى جهد كبير، وصبر طويل على البحث، والتفتيش في استقراء كتب السنة كتاباً كتاباً وسردها صفحة صفحة.

وإليك الحديث عن الحالات الثلاث:
প্রথম অধ্যায়: হাদিস তাখরিজ (تخريج) করার পদ্ধতিসমূহ

ভূমিকা

…

প্রথম অধ্যায়: হাদিস তাখরিজ (تخريج) করার পদ্ধতিসমূহ

অথবা একজন গবেষক যখন কোনো হাদিস তাখরিজ (تخريج) করতে চান, তখন তিনি যে পর্যায়গুলো অতিক্রম করেন:

গবেষক যদি সুন্নাহর কিতাবসমূহ থেকে কোনো হাদিস বের করতে চান, তবে হাদিসটির ক্ষেত্রে তার অবস্থা তিনটির কোনো একটির বাইরে হবে না:

প্রথম: তিনি হাদিসের মূল পাঠ (متن) মুখস্থ করেছেন অথবা অন্তত তার প্রথমাংশ আয়ত্ত করেছেন।

দ্বিতীয়: তিনি হাদিসটির ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী (الراوي الأعلى), যেমন সাহাবি (صحابي) বা তার পরবর্তী স্তরের কারো নাম সম্পর্কে অবগত আছেন।

তৃতীয়: তিনি হাদিসের মূল পাঠ (متن) মুখস্থ করেননি এবং এর বর্ণনাকারীর (راوي) নামও জানেন না; বরং তিনি হাদিসটির বিষয়বস্তু, সারমর্ম এবং এর অন্তর্ভুক্ত আলোচ্য বিষয় ও বিধানসমূহ সম্পর্কে জানেন।

এই তিনটির প্রত্যেকটির জন্য নির্দিষ্ট কিতাব রয়েছে, যা গবেষককে কোনো ক্লান্তি বা পরিশ্রম ছাড়াই সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে হাদিস পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করে।

উল্লিখিত পর্যায়গুলোর বিস্তারিত আলোচনায় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সহায়ক কিতাবসমূহ সম্পর্কে জানার আগে আমরা স্থির করছি যে, এখানে একটি পদ্ধতি রয়েছে যাকে উলামায়ে কেরাম "নিরবচ্ছিন্ন অনুসন্ধান ও অনুধাবন (الاستقراء والتتبع)" হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এর দ্বারা তারা উদ্দেশ্য নিয়েছেন সেই নববী হাদিস সম্পর্কে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল অনুসন্ধান, যা তাখরিজ (تخريج) করা কাঙ্ক্ষিত এবং হাদিসের মূল উৎসগ্রন্থসমূহের (المصادر الحديثية) ভেতরে তার অনুসন্ধান ও তা ধারাবাহিকভাবে পাঠ করা।

এটি তাখরিজের (تخريج) স্বীকৃত কলাকৌশলগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। যদিও এটি হাদিস পর্যন্ত পৌঁছানোর সবচেয়ে নির্ভুল পথ, তবুও এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক প্রচেষ্টা এবং গবেষণায় দীর্ঘ ধৈর্য, সেইসাথে সুন্নাহর কিতাবগুলো এক এক করে এবং পৃষ্ঠা পৃষ্ঠা ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে অনুসন্ধান করা।

নিচে এই তিনটি অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌الحالة الأولى:

وهي كون الباحث قد وعى وحفظ متن الحديث أو طرفه الأول.

والذي يعين عليها من الكتب هي كتب المعاجم، جمع فيها مصنفوها الأحاديث، ورتبوا أوائلها على حروف المعجم، تيسيراً على الباحث واختصاراً للوقت وتوفيراً للجهد، ومن هذه الكتب:

1. الجامع الكبير المسمى بجمع الجوامع "قسم الأقوال منه" للحافظ جلال الدين السيوطي، فإنه جمع فيه كل ما تيسر له من الأحاديث النبوية، وقسمه إلى قسمين: الأول خاص بالأقوال، ورتبه على حروف المعجم، والثاني خاص بالأفعال ورتبه على المسانيد.

2. الجامع الصغير من أحاديث البشير النذير للسيوطي أيضاً، وبه ما يزيد على عشرة آلاف حديث، ورتبه على حروف المعجم.

3. زيادات الجامع الصغير: وقد مزجها الشيخ يوسف النبهاني مع الجامع الصغير في كتاب واحد وسماه "الفتح الكبير في ضمّ الزيادة إلى الجامع الصغير".

4. الكنز الثمين في أحاديث النبي الأمين لأبي الفضل عبد الله بن محمد الصديق الحسني الغماري. وقد اشتمل على ستة وعشرين وستمائة وأربعة آلاف حديث ضبطها بالشكل الكامل ورتَّبها على حروف المعجم.

5. الدرر في حديث سيد البشر لزين الدين عبد الغني بن محمد بن عمر الأزهري الشافعي.
প্রথম অবস্থা:

এটি হলো গবেষক যখন হাদিসের মূল পাঠ (متন) অথবা এর প্রারম্ভিক অংশ অনুধাবন ও মুখস্থ করেন।

এক্ষেত্রে যে গ্রন্থগুলো সহায়তা করে তা হলো অভিধানধর্মী গ্রন্থসমূহ (المعاجم); এতে সংকলকগণ হাদিসসমূহ একত্রিত করেছেন এবং গবেষকের সুবিধার্থে, সময় সংক্ষেপ করতে ও শ্রম লাঘব করতে হাদিসের প্রারম্ভিক শব্দগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছেন। এই গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:

1. হাফেজ জালালুদ্দিন সুয়ুতির আল-জামেউল কাবীর যা জামউল জাওয়ামি নামে পরিচিত (এর বাণী সংক্রান্ত অংশটি); তিনি এতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সকল সহজলভ্য হাদিস একত্রিত করেছেন এবং একে দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন: প্রথমটি বাণীর (الأقوال) জন্য নির্দিষ্ট যা বর্ণানুক্রমে সাজানো, আর দ্বিতীয়টি কর্মের (الأفعال) জন্য নির্দিষ্ট যা রাবিভিত্তিক বিন্যাস (المسانيد) পদ্ধতিতে সাজানো।

2. সুয়ুতিরই আল-জামেউস সাগীর মিন আহাদিসিল বাশিরিন নাযির; এতে দশ হাজারেরও অধিক হাদিস রয়েছে এবং তিনি এটি বর্ণানুক্রমে সাজিয়েছেন।

3. যিয়াদাতুল জামেউস সাগীর: শেখ ইউসুফ আন-নাবহানি একে আল-জামেউস সাগীর-এর সাথে একীভূত করে একটি গ্রন্থে রূপান্তর করেছেন এবং এর নাম রেখেছেন আল-ফাতহুল কাবীর ফি দম্মিয যিয়াদতি ইলাল জামেইস সাগীর।

4. আবুল ফজল আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সিদ্দিক আল-হাসানি আল-গুমারির আল-কানযুস সামিন ফি আহাদিসিন নাবিয়্যিল আমিন। এটি চার হাজার ছয়শ ছাব্বিশটি হাদিস সম্বলিত যা তিনি পূর্ণাঙ্গ হরকতসহ যাচাই করেছেন এবং বর্ণানুক্রমে সাজিয়েছেন।

5. জয়নুদ্দিন আব্দুল গনি বিন মুহাম্মদ বিন উমর আল-আযহারি আশ-শাফিয়ির আদ-দুরার ফি হাদিসি সাইয়্যিদিল বাশার।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৩)
6. راموز الأحاديث لأحمد ضياء الدين الحنفي.

7. كنوز الحقائق في حديث خير الخلائق للشيخ محمد عبد الرؤوف المناوي فيه عشرة آلاف حديث، رتبه على حروف المعجم من غير ذكر الصحابي المروي عنه، إلا أنه مشحونٌ بالأحاديث الضعيفة والموضوعة، وفي بعض رموزه تحريف يغلب على الظن أنه من النساخ.

8. الجامع الأزهر في أحاديث النبي الأنور للشيخ عبد الرؤوف المناوي صاحب كتاب «فيض القدير شرح الجامع الصغير» . جمع فيه ثلاثين ألف حديث في ثلاثة مجلدات كبار رتبها على حروف المعجم، ومعظمها من خارج الكتب الستة عقب كل حديث منها ببيان رتبته من الصحة والحسن والضعف تصريحاً لا رمزاً، وذكر أن من البواعث على تأليفه أن السيوطي ادّعى أنه جمع في الجامع الكبير الأحاديث النبوية، مع أنه فاته الثلث فأكثر.

9. المقاصد الحسنة في بيان كثير من الأحاديث المشتهرة على الألسنة للسخاوي.

10. تمييز الطيب من الخبيث فيما يدور على الألسنة من الحديث لابن الديبع الشيباني.

11. كشف الخفاء ومزيل الإلباس فيما اشتهر من الحديث على ألسنة الناس للعجلوني.

12. الدرة اللامعة في بيان كثير من الأحاديث الشائعة، وعليها مختصر
6. আহমাদ জিয়াউদ্দীন আল-হানাফী রচিত 'রামূজ আল-আহাদিস'।

7. শাইখ মুহাম্মাদ আব্দুর রউফ আল-মুনাউয়ী রচিত 'কুনূজুল হাকায়িক ফি হাদিসি খায়রিল খালায়িক'। এতে দশ হাজার হাদিস রয়েছে। তিনি এটি বর্ণনাকারী সাহাবীর নাম উল্লেখ না করে বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে সাজিয়েছেন। তবে গ্রন্থটি দুর্বল (ضعيفة) এবং জাল (موضوعة) হাদিসে পরিপূর্ণ। এর কিছু প্রতীকে এমন কিছু বিকৃতি রয়েছে যা প্রবল ধারণা মতে লিপিকারদের মাধ্যমে ঘটেছে।

8. 'ফায়দুল কাদির শারহু আল-জামিউস সাগির'-এর লেখক শাইখ আব্দুর রউফ আল-মুনাউয়ী সংকলিত 'আল-জামি' আল-আজহার ফি আহাদিসিন নাবি আল-আনওয়ার'। তিনি এতে তিনটি বৃহৎ খণ্ডে ত্রিশ হাজার হাদিস একত্র করেছেন এবং সেগুলোকে বর্ণানুক্রমিক বিন্যস্ত করেছেন। এর অধিকাংশ হাদিসই কুতুবে সিত্তার বহির্ভূত। তিনি প্রতিটি হাদিসের পর প্রতীকের বদলে স্পষ্ট শব্দে সেগুলোর মান বর্ণনা করেছেন—যেমন সেটি সহিহ (صحيح), হাসান (حسن) নাকি দুর্বল (ضعيف)। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি রচনার অন্যতম কারণ হলো সুয়ূতী দাবি করেছিলেন যে তিনি 'আল-জামি' আল-কাবির'-এ সমস্ত নববী হাদিস সংকলন করেছেন, অথচ বাস্তবে এতে এক-তৃতীয়াংশ বা তারও বেশি হাদিস বাদ রয়ে গিয়েছিল।

9. সাখাবী রচিত 'আল-মাকাসিদ আল-হাসানা ফি বায়ানি কাসিরিন মিনাল আহাদিস আল-মুশতাহারা আলাল আলসিনা'।

10. ইবনু দাইবা আশ-শায়বানী রচিত 'তাময়ীযুত তাইয়্যিব মিনাল খাবিস ফিমা ইয়াদুরু আলাল আলসিনা মিনাল হাদিস'।

11. আল-আজলুনী রচিত 'কাশফুল খাফা ওয়া মুযীলুল ইলবাস ফিমা ইশতাহারা মিনাল হাদিস আলা আলসিনাতিন নাস'।

12. 'আদ-দুররাতুল লামিআহ ফি বায়ানি কাসিরিন মিনাল আহাদিস আশ-শায়িআহ', এবং এর ওপর একটি সংক্ষিপ্তসার রয়েছে।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৪)
كبير وصغير للشيخ محمد عبد الباقي الزرقاني.

13. الوسائل السنية من المقاصد السخاوية والجامع والزوائد الأسيوطية لأبي الحسن علي بن محمد بن خلف المنوفي تلميذ السيوطي.

14. الدرر المنتثرة في الأحاديث المشتهرة للسيوطي.

15. التذكرة في الأحاديث المشتهرة لبدر الدين الزركشي.

16. تسهيل السبيل إلى كشف الالتباس عما دار من الأحاديث بين الناس للشيخ عز الدين محمد بن أحمد الخليلي.

17. الغماز على اللماز في الحديث لجلال الدين السمهودي.

18. الإتحافات السنية في الأحاديث القدسية للمناوي.

19. البدر المنير في غريب أحاديث البشير النذير لعبد الوهاب الشعراني، وفيه نحو من ألفين وثلثمائة حديث مرتبة على حروف المعجم انتخبها من الجوامع الثلاثة للسيوطي مع المقاصد، وهي أحاديث غريبة كما يفهم من عنوان الكتاب.

20. أسنى المطالب في أحاديث مختلفة المطالب للحوت البيروتي.

21. الأحاديث المتواترة التي منها الفوائد المتكاثرة في الأخبار المتواترة للسيوطي.

22. الأزهار المتناثرة في الأخبار المتواترة له أيضاً وهو مختصر من الكتاب السابق.
শাইখ মুহাম্মদ আবদ আল-বাকি আল-জুরকানি-এর বড় এবং ছোট (সংকলন)।

13. আস-সুয়ুতির ছাত্র আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-মানুফি রচিত 'আল-ওয়াসাইল আস-সুন্নিয়াহ মিন আল-মাকাসিদ আস-সাখাউয়িয়াহ ওয়াল জামি' ওয়া আল-যাওয়ায়েদ আল-আসয়ুতিয়াহ'।

14. আস-সুয়ুতি রচিত 'আদ-দুরারুল মুনতাছিরাহ ফিল আহাদিসিল মুশতাহিরাহ'।

15. বদরুদ্দিন আজ-যারকাশি রচিত 'আত-তাযকিরাহ ফিল আহাদিসিল মুশতাহিরাহ'।

16. শাইখ ইযযুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-খালিলি রচিত 'তাসহিলুস সাবিল ইলা কাশফ আল-ইলতিবাস আম্মা দারা মিনাল আহাদিসি বাইনান নাস'।

17. জালালুদ্দিন আস-সামহুদি রচিত হাদিস বিষয়ক গ্রন্থ 'আল-গাম্মায আলাল লাম্মায'।

18. আল-মুনাউয়ি রচিত 'আল-ইতিহাফাতুস সুন্নিয়াহ ফিল আহাদিসিল কুদসিয়াহ'।

19. আবদুল ওয়াহহাব আশ-শারানি রচিত 'আল-বদরুল মুনির ফি গরিব আহাদিসিল বাশিরিন নাযির'; এতে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো প্রায় দুই হাজার তিনশ হাদিস রয়েছে, যা তিনি আস-সুয়ুতির তিনটি 'জামি' এবং 'আল-মাকাসিদ' থেকে চয়ন করেছেন। গ্রন্থটির শিরোনাম থেকে যেমনটি অনুমিত হয়, এগুলো মূলত অপরিচিত (غريب) হাদিসসমূহ।

20. আল-হুত আল-বাইরুতি রচিত 'আস্না আল-মাতালিব ফি আহাদিসি মুখতালিফাত আল-মাতালিব'।

21. আস-সুয়ুতি রচিত নিরবচ্ছিন্ন (متواتر) হাদিস বিষয়ক গ্রন্থ 'আল-আহাদিসুল মুতাওয়াতিরাহ আল্লাতি মিনহাল ফাওয়াইদুল মুতাকাছিরাহ ফিল আখবারিল মুতাওয়াতিরাহ'।

22. নিরবচ্ছিন্ন (متواتر) সংবাদ বিষয়ক 'আল-আযহারুল মুনতাছিরাহ ফিল আখবারিল মুতাওয়াতিরাহ'; এটিও তাঁর রচিত এবং এটি পূর্বোক্ত কিতাবটির একটি সংক্ষিপ্তসার।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৫)
23. اللآلئ المتناثرة في الأحاديث المتواترة لابن طولون.

24. لقط اللآلئ المتناثرة في الأحاديث المتواترة للزبيدي، وهو تلخيص للآلئ.

25. نظم المتناثر من الحديث المتواتر للكتاني جمع فيه ثلاثمائة حديث وعشرة مما تواتر لفظاً أو معنى.

26. المعجم الوسيط من أحاديث الرسول العزيز لعبد الله ميرغني.

27. صحيح الجامع الصغير وزيادته، وضعه محمد ناصر الدين الألباني، جمع فيه الأحاديث الصحيحة من الجامع الصغير وزيادته للسيوطي، والتي دمجها النبهاني في الفتح الكبير، رتبها الألباني على المعجم كالأصل، وقد بلغت أحاديثه ثمانية آلاف وثمانية وخمسين حديثاً.

28. ضعيف الجامع الصغير وزيادته للألباني أيضاً. جمع فيه الأحاديث الضعيفة من الجامع الصغير وزيادته ورتبها على حروف المعجم، وبلغ عددها ستة آلاف وأربعمائة وتسعة وستين حديثاً.

29. المغير على الأحاديث الموضوعة في الجامع الصغير للغماري. جمع فيه عدة أحاديث وحكم عليها بالوضع استخرجها من الجامع الصغير ورتبها كالأصل.

30. البيان والتعريف في أسباب ورود الحديث الشريف لابن حمزة الحسين الدمشقي وهو مرتب على حروف المعجم ذكر فيه سبب كل حديث ومَن خرَّجه.
23. ইবনে তুলুন রচিত ‘আল-লাআলি আল-মুতানাছিরা ফিল আহাদিস আল-মুতাওয়াতিরা’।

24. জুবাইদি রচিত ‘লাকতুল লাআলি আল-মুতানাছিরা ফিল আহাদিস আল-মুতাওয়াতিরা’, যা ‘আল-লাআলি’ গ্রন্থের একটি সংক্ষিপ্তসার।

25. কাত্তানি রচিত ‘নাযমুল মুতানাছির মিনাল হাদিস আল-মুতাওয়াতির’, যেখানে তিনি তিনশ দশটি হাদিস সংকলন করেছেন যা শব্দগত (لفظاً) বা অর্থগতভাবে (معنى) মুতাওয়াতির (تواتر) পর্যায়ের।

26. আবদুল্লাহ মিরগনি রচিত ‘আল-মু'জাম আল-ওয়াসিত মিন আহাদিসির রাসুল আল-আজিজ’।

27. মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি সংকলিত ‘সহিহ আল-জামে আস-সগির ওয়া জিয়াদাতুহু’। এতে তিনি সুয়ুতি রচিত ‘আল-জামে আস-সগির ওয়া জিয়াদাতুহু’ থেকে সহিহ (الصحيحة) হাদিসগুলো সংকলন করেছেন, যা নাবহানি তার ‘আল-ফতহুল কাবির’ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। আলবানি এগুলোকে মূল গ্রন্থের ন্যায় বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন এবং এর হাদিস সংখ্যা আট হাজার আটান্নটি।

28. আলবানি রচিত ‘জইফ আল-জামে আস-সগির ওয়া জিয়াদাতুহু’। এতে তিনি ‘আল-জামে আস-সগির ওয়া জিয়াদাতুহু’ থেকে দুর্বল (الضعيفة) হাদিসগুলো সংকলন করে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন। এর হাদিস সংখ্যা ছয় হাজার চারশ ঊনসত্তরটি।

29. আল-গুমারি রচিত ‘আল-মুগির আলাল আহাদিস আল-মাউদু'আ ফিল জামে আস-সগির’। এতে তিনি বেশ কিছু হাদিস সংকলন করেছেন এবং সেগুলোকে জাল (بالوضع) হিসেবে হুকুম দিয়েছেন। তিনি এগুলো ‘আল-জামে আস-সগির’ থেকে চয়ন করেছেন এবং মূল গ্রন্থের ন্যায় বিন্যস্ত করেছেন।

30. ইবন হামজা আল-হুসাইনি আদ-দিমাশকি রচিত ‘আল-বায়ান ওয়াত-তারিফ ফি আসবাব ওয়ারুদ আল-হাদিস আশ-শারিফ’। এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত এবং এতে প্রতিটি হাদিসের প্রেক্ষাপট এবং কে তা চয়ন/উদ্ধৃত (خرَّجه) করেছেন তা উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৬)
31. إتقان ما يحسن من الأحاديث الدائرة على الألسن لنجم الدين محمد الغزي، وهو في الأحاديث المشتهرة جمع فيه بين كتب الزركشي والسيوطي والسخاوي وزاد عليها زيادات حسنة.

32. اللآلئ المنثورة في الأحاديث المشهورة مما ألِفَه الطبع، وليس له أصل في الشرع، لابن حجر العسقلاني.

33. زاد المسلم فيما اتفق عليه البخاري ومسلم لمحمد حبيب الله الجكني الشنقيطي جمع فيه ألف حديث ومائتين، من أعلى الصحيح، مما اتفق على تخريجها البخاري ومسلم في صحيحيهما، ورتبه على حروف المعجم، وختمه بخاتمة اشتملت على ثلاثة أنواع.

النوع الأول: فيما صدر بلفظ " كان " من شمائله الشريفة وأفعاله المعصومة المنيفة.

النوع الثاني: فيما جاء مصدراً بلفظ " لا " من الأحايث العلية.

النوع الثالث: فيما صدر بـ " نهى " من الأحاديث.

34. جامع الأحاديث لمؤلفه أحمد عبد الجواد المدني جمع فيه أحاديث الجوامع الثلاثة للسيوطي مع الجامع الأزهر للمناوي وقد طبع في تسعة مجلدات واهتم بنشره حسن عباس زكي. ولقد قام مؤلفه بحذف ما يتعلق بالكلام على أحكام الأحاديث الذي صنعه المناوي، وعقد فصلاً بآخر كل حرف ضمنه الضعيف والموضوع والواهي.

35. موسوعة أطراف الحديث النبوي الشريف لأبي هاجر محمد السعيد بسيوني زغلول.

36. الجامع المفهرس لأطراف الأحاديث والآثار التي خَرَّجها الألباني في كتبه.

فهذه قائمة بأسماء الكتب التي يمكن أن يستعان بها في هذه الطريقة،
31. নাজম উদ্দীন মুহাম্মদ আল-গাজ্জি রচিত ‘ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আহাদিস আদ-দাইরাতি আলাল আলসুন’। এটি বহুল প্রচলিত হাদিসসমূহ নিয়ে রচিত, যাতে তিনি যারকাশি, সুয়ুতী ও সাখাভীর গ্রন্থসমূহকে একত্রিত করেছেন এবং তাতে কিছু উত্তম (حسنة) সংযোজন করেছেন।

32. ইবনে হাজার আল-আসকালানী রচিত ‘আল-লাআলি আল-মানসুরাহ ফিল আহাদিস আল-মাশহুরাহ’; যা লোকমুখে প্রচলিত কিন্তু শরিয়তে তার কোনো ভিত্তি (أصل) নেই এমন হাদিসসমূহ নিয়ে রচিত।

33. মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আল-জাকানি আল-শানকিতী রচিত ‘জাদুল মুসলিম ফিমা ইত্তাফাকা আলাইহিল বুখারী ওয়া মুসলিম’। এতে তিনি এক হাজার দুইশত হাদিস সংকলন করেছেন, যা বিশুদ্ধ (صحيح)-এর সর্বোচ্চ স্তরের অন্তর্ভুক্ত এবং বুখারী ও মুসলিম তাঁদের সহিহ গ্রন্থদ্বয়ে যার উদ্ধৃতি (تخريج) প্রদানের ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন। তিনি এটি বর্ণানুক্রমে সাজিয়েছেন এবং গ্রন্থটি এমন এক উপসংহারের মাধ্যমে সমাপ্ত করেছেন যা তিনটি প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে।

প্রথম প্রকার: তাঁর মহান শামায়েল ও নিষ্পাপ সুউচ্চ কার্যাবলি সম্পর্কিত যেসব হাদিস "কানা" শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রকার: উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন যেসব হাদিস "লা" শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে।

তৃতীয় প্রকার: যেসব হাদিস "নাহা" শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে।

34. আহমাদ আব্দুল জাওয়াদ আল-মাদানী রচিত ‘জামি’উল আহাদিস’। এতে তিনি সুয়ুতী-র তিনটি ‘জামি’ গ্রন্থের সাথে মুনাবী-র ‘আল-জামি’ আল-আযহার’ একত্রিত করেছেন। এটি নয় খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে এবং হাসান আব্বাস জাকি এর প্রকাশনার তদারকি করেছেন। লেখক এতে মুনাবী কর্তৃক কৃত হাদিসের হুকুম বা বিধান (أحكام) সংক্রান্ত আলোচনা বর্জন করেছেন এবং প্রতিটি বর্ণের শেষে একটি পরিচ্ছেদ যুক্ত করেছেন যেখানে তিনি দুর্বল (ضعيف), জাল (موضوع) এবং অতি দুর্বল (واهي) হাদিসসমূহ অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

35. আবু হাজার মুহাম্মদ আল-সাঈদ বাসিয়ুনী যাগলুল রচিত ‘মাওসুআতু আতরাফিল হাদিস আন-নাবাবী আশ-শারীফ’।

36. আলবানী তাঁর গ্রন্থসমূহে যেসকল হাদিস ও আসার-এর উদ্ধৃতি (تخريج) প্রদান করেছেন সেগুলোর ‘আল-জামি’ আল-মুফাহরাস লি-আতরাফিল আহাদিস ওয়াল আসার’।

এটি এমন সব কিতাবের নামের তালিকা যা এই পদ্ধতিতে সহায়তা পেতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৭)
والملاحظ من أسماء تلك الكتب أنها متنوعة، فمنها ما كان يهتم بجميع الأحاديث عامة، ومنها ما اختص بالأحاديث المشتهرة أو المتواترة، ومنها ما كان خاصاً بالأحاديث القدسية أو بأحاديث كتب معينة، ومنها ما هو مختص بالصحيح، ومنها ما جمع بينه وبين غيره من أنواع الحديث كالضعيف والموضوع.

وبالجملة فإن هذه الكتب وما شابهها من المؤلفات على حروف المعجم في هذا الفن وإن اتسمت بالسهولة واليسر في البحث عن الحديث لمن تيسر له نص الحديث أو طرفه الأول.

فإنها من جانب آخر لا يمكن الاستعانة بها في تخريج حديث غاب لفظه عن صاحبه.

كما أنها لا تعين الباحث في جمع النصوص التي تدور حول موضوع معين. فمن أراد ذلك عليه أن يتصفح جميع الكتاب، وفي ذلك من الجهد والمشقة ما لا يخفى.

أضف إلى ذلك أن الأحاديث النبوية تدور بين القول والفعل والإقرار والوصف ولا يتسنى الترتيب على حروف المعجم إلا للأحاديث القولية فقط. أما غيرها مما قد يكون فعلاً أو إقراراً أو رداً أو جواباً لسؤال أو معارضة، فإن هذه الطريقة لا تستوعب تلك الأحاديث ومن أجل ذلك كان السيوطي محقاً حينما قسم جامعه الكبير إلى قسمين:

الأول: في الأقوال، وهو المرتب على حروف المعجم.

والثاني: في الأفعال وما في حكمها، فقد رتبه على المسانيد لتعذر ترتيب هذا النوع على حروف المعجم كما عرفت.
ঐ সকল কিতাবের নামসমূহ থেকে লক্ষ্য করা যায় যে সেগুলো বৈচিত্র্যপূর্ণ। তার মধ্যে কিছু কিতাব সাধারণভাবে সকল হাদিস নিয়ে আলোচনা করেছে, আবার কিছু কিতাব প্রসিদ্ধ (مشتهرة) বা নিরবচ্ছিন্ন (متواترة) হাদিসসমূহের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। আবার কিছু কিতাব কুদসি (قدسية) হাদিস বা নির্দিষ্ট কিছু কিতাবের হাদিসের জন্য বিশেষায়িত ছিল। কোনোটি সহিহ (صحيح) হাদিসের জন্য নির্দিষ্ট ছিল, আবার কোনোটি এর সাথে হাদিসের অন্যান্য প্রকার যেমন দুর্বল (ضعيف) ও জাল (موضوع) হাদিসকে একত্রিত করেছে।

সারকথা এই যে, এই শাস্ত্রে বর্ণানুক্রমিক (حروف المعجم) পদ্ধতিতে রচিত এই কিতাবসমূহ এবং এই জাতীয় অন্যান্য সংকলনগুলো হাদিস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সহজসাধ্য ও সাবলীলতার বৈশিষ্ট্যমন্ডিত তাদের জন্য, যাদের কাছে হাদিসের মূল পাঠ বা এর প্রথমাংশ সহজলভ্য।

তবে অন্যদিক থেকে, এমন কোনো হাদিসের উৎস নির্দেশের (تخريج) ক্ষেত্রে এগুলো দ্বারা সাহায্য নেওয়া সম্ভব নয়, যার শব্দাবলি অনুসন্ধানকারীর স্মৃতি থেকে হারিয়ে গেছে।

তেমনিভাবে এগুলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সংশ্লিষ্ট পাঠসমূহ একত্রিত করতে গবেষককে কোনো সহায়তা করে না। সুতরাং যে ব্যক্তি তা করতে চায়, তাকে পুরো কিতাবটি আদ্যোপান্ত দেখতে হবে; আর এর মধ্যে যে কী পরিমাণ পরিশ্রম ও কষ্ট রয়েছে তা কারো অবিদিত নয়।

এর সাথে আরও যুক্ত করা প্রয়োজন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহ কথা (قول), কাজ (فعل), মৌন সম্মতি (إقرار) এবং গুণাবলির (وصف) মধ্যে আবর্তিত হয়। আর বর্ণানুক্রমিক (حروف المعجم) বিন্যাস কেবল বাচনিক হাদিসসমূহের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু এছাড়া অন্যগুলো যা কাজ, মৌন সম্মতি, প্রতিবাদ বা কোনো প্রশ্নের জবাব হতে পারে, এই পদ্ধতি সেই হাদিসগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে ধারণ করতে পারে না। এ কারণেই সুয়ূতী যথার্থই করেছেন যখন তিনি তাঁর জামেউল কাবীর-কে দুই ভাগে বিভক্ত করেছিলেন:

প্রথম অংশ: কথা বা বাচনিক হাদিসসমূহ নিয়ে, যা বর্ণানুক্রমিক (حروف المعجم) পদ্ধতিতে সাজানো।

দ্বিতীয় অংশ: কাজ এবং এই পর্যায়ের বিষয়গুলো নিয়ে। তিনি এগুলোকে মুসনাদ (مسانيد) ভিত্তিক বিন্যাস করেছেন, কারণ আপনি যেমনটি জেনেছেন যে এই প্রকারকে বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে সাজানো অসম্ভব।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৮)
المفاتيح والفهارس

يمكن أن نلحق بهذه الحالة الكتب التي اهتمت بفهرسة أحاديث كتب معينة حسب أوائلها.

ونستطيع أن نقول بحق: إن هذا العصر قد شهد نهضة كبيرة في هذا النوع من التصنيف لم يعهد لها نظير، حتى حق لنا أن نصف هذا العصر بأنه عصر الفهرسة لكتب السنة فلا تكاد تجد كتاباً في السنة إلا وقد أشرف على خدمته ووضع له فهرساً عالم أو باحث يسر الانتفاع به والاستفادة منه ومن هذه الفهارس ما يلي: (1)

1. مفتاح الصحيحين: اشترك في وضعه كل من محمد صادق إسماعيل ومحمد حسين العقبي، وزكريا علي يوسف وهو مرتب على حروف الهجاء، يشير إلى الأجزاء والصفحات لطبعة الشعب وطبعة استانبول.

2. مفتاح الصحيحين لمحمد الشريف بن مصطفى التوقادي، وقد رتب أحاديث البخاري ومسلم على حروف المعجم ذاكراً الكتاب ورقم الباب، وقد أشار في مقدمته إلى الطبعات التي اعتمد عليها، فمن لم يكن لديه تلك الطبعات يمكنه الاستفادة بالإحالة على الكتاب.

3. هداية الباري إلي ترتيب أحاديث صحيح البخاري للسيد عبد الرحيم عنبر الطهطاوي، وقد رتب فيه أحاديث تجريد صحيح البخاري للزبيدي على حروف المعجم.

--------------------------------------------

(1) أورد الباحث ضمن هذه القائمة جملة كبيرة من فهارس الأحاديث الملحقة بأواخر الكتب المحققة، وقد رأينا حذف أكثرها وذلك تجنباً للإطالة. (اللجنة العلمية) .
চাবিকাঠি ও সূচিপত্রসমূহ

আমরা এই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করতে পারি সেই কিতাবগুলোকে, যেগুলো নির্দিষ্ট কিতাবের হাদিসসমূহকে সেগুলোর প্রারম্ভিক শব্দ অনুযায়ী (حسب أوائلها) সূচিবদ্ধ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে।

আমরা যথাযথভাবেই বলতে পারি যে: বর্তমান যুগে এই ধরনের গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে এক বিশাল জাগরণ পরিলক্ষিত হয়েছে যার কোনো নজির আগে দেখা যায়নি। এমনকি আমাদের জন্য এই যুগকে ‘সুন্নাহর কিতাবসমূহের সূচিবদ্ধকরণের যুগ’ হিসেবে অভিহিত করা যথার্থ হবে। সুন্নাহর এমন কোনো কিতাব খুব কমই পাওয়া যাবে যার খিদমত কোনো আলেম বা গবেষক করেননি এবং সেটি থেকে উপকৃত হওয়া সহজ করার লক্ষ্যে তার জন্য একটি সূচিপত্র তৈরি করেননি। এই সূচিপত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: (১)

১. মিফতাহুস সহিহাইন: এটি সংকলনে যৌথভাবে কাজ করেছেন মুহাম্মদ সাদিক ইসমাইল, মুহাম্মদ হুসাইন আল-উকবি এবং জাকারিয়া আলি ইউসুফ। এটি বর্ণানুক্রমিক (حروف الهجاء) পদ্ধতিতে বিন্যস্ত, যা আশ-শা’ব এবং ইস্তাম্বুল মুদ্রণের খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বরের প্রতি নির্দেশ করে।

২. মুহাম্মদ আশ-শরিফ বিন মুস্তফা আত-তুয়াকাদি রচিত মিফতাহুস সহিহাইন। তিনি এতে বুখারি ও মুসলিমের হাদিসসমূহ বর্ণানুক্রমিক (حروف المعجم) পদ্ধতিতে সাজিয়েছেন এবং কিতাব ও অধ্যায় নম্বর উল্লেখ করেছেন। তিনি এর ভূমিকায় সেই সংস্করণগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন যার ওপর তিনি নির্ভর করেছেন। ফলে যাদের কাছে সেই সংস্করণগুলো নেই, তারা কিতাব ও অধ্যায়ের হাওয়ালার মাধ্যমে উপকৃত হতে পারবেন।

৩. আস-সাইয়্যিদ আব্দুর রহিম আনবার আত-তাহতাবি রচিত হিদায়াতুল বারি ইলা তারতিবি আহাদিসি সহিহিল বুখারি। এতে তিনি ইমাম যুবাইদি রচিত তাজরিদুস সহিহিল বুখারি-এর হাদিসসমূহ বর্ণানুক্রমিক (حروف المعجم) পদ্ধতিতে সাজিয়েছেন।

--------------------------------------------

(১) গবেষক এই তালিকায় সম্পাদিত (المحققة) কিতাবগুলোর শেষে যুক্ত হাদিসের সূচিপত্রগুলোর একটি বড় তালিকা উল্লেখ করেছিলেন। আমরা কলেবর বৃদ্ধি পরিহার করার জন্য সেগুলোর অধিকাংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। (বৈজ্ঞানিক কমিটি)।
(খণ্ড: ১) ইলমুত তাখরীজি ওয়া দাওরুহু ফী হিফযিস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ - মুহাম্মাদ মাহমুদ বাক্কার (পৃষ্ঠা: ২৯)
1. دليل فهارس صحيح البخاري إعداد مصطفى بن علي البيومي.

2. كشاف صحيح أبي عبد الله البخاري وضعه مصطفى كامل وصفي بالترتيب الهجائي للألفاظ والموضوعات وأسماء الأشخاص والأعلام.

3. فهارس البخاري وضعه رضوان محمد رضوان البيلي.

4. دليل القاري إلى مواضع الحديث في صحيح البخاري، وضعه عبد الله ابن محمد الغنيمان، فهرس فيه لأطراف الحديث هجائياً مع الإحالة للكتاب والباب وأرقام الأجزاء والصفحات لكتاب فتح الباري شرح صحيح البخاري لابن حجر بتحقيق الأستاذ محمد فؤاد عبد الباقي.

5. فهارس صحيح البخاري إعداد المكتب السلفي لتحقيق التراث بالقاهرة.

6. فهارس اللؤلؤ والمرجان فيما اتفق عليه الشيخان لمحمد فؤاد عبد الباقي إعداد وترتيب عبد الرحمن دمشقية.

7. فهارس أحاديث وآثار سنن أبي داود إعداد عبد الرحمن دمشقية.

8. فهارس سنن أبي داود وضعها المكتب السلفي لتحقيق التراث بالقاهرة.

9. فهارس سنن الترمذي وضعها المكتب السلفي لتحقيق التراث بالقاهرة.

10. فهارس سنن النسائي الصغرى المعروفة بالمجتبى، وضعها المكتب السلفي لتحقيق التراث بالقاهرة.
1. দালীলু ফাহারিস সহীহ আল-বুখারী, প্রস্তুতিতে মুস্তফা বিন আলী আল-বায়ূমী।

2. কাশশাফ সহীহ আবী আব্দুল্লাহ আল-বুখারী; এটি শব্দ, বিষয়বস্তু এবং ব্যক্তি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামের বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে সংকলন করেছেন মুস্তফা কামিল ওয়াসফী।

3. ফাহারিস আল-বুখারী, সংকলনে রিদওয়ান মুহাম্মদ রিদওয়ান আল-বাইলী।

4. দালীলুল কারী ইলা মাওয়াদিউল হাদীস ফী সহীহ আল-বুখারী, এটি সংকলন করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-গুনাইমান। এতে তিনি বর্ণানুক্রমিকভাবে হাদিসের প্রারম্ভিক অংশের (أطراف الحديث) নির্ঘণ্ট তৈরি করেছেন এবং ইবনে হাজারের ‘ফাতহুল বারী শারহু সহীহ আল-বুখারী’ (যা উস্তাদ মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকীর সম্পাদনা (تحقيق)-এ প্রকাশিত) গ্রন্থের কিতাব, অধ্যায় এবং খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বরের উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

5. ফাহারিস সহীহ আল-বুখারী, প্রস্তুতিতে আল-মাকতাব আস-সালাফী লি-তাহকীকিত তুরাহ, কায়রো।

6. মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী সংকলিত ‘আল-লু’লু ওয়াল মারজান ফীমা ইত্তাফাকা আলাইহিশ শাইখান’-এর সূচিপত্র, প্রস্তুতি ও বিন্যাসে আব্দুর রহমান দিমাসকিয়্যাহ।

7. সুনান আবি দাউদ-এর হাদিস ও বর্ণনাসমূহের (آثار) সূচিপত্র, প্রস্তুতিতে আব্দুর রহমান দিমাসকিয়্যাহ।

8. সুনান আবি দাউদ-এর সূচিপত্র, সংকলনে আল-মাকতাব আস-সালাফী লি-তাহকীকিত তুরাহ, কায়রো।

9. সুনান আত-তিরমিযী-র সূচিপত্র, সংকলনে আল-মাকতাব আস-সালাফী লি-তাহকীকিত তুরাহ, কায়রো।

10. সুনান আন-নাসায়ী আস-সুগরা যা ‘আল-মুজতবা’ নামে পরিচিত, এর সূচিপত্র সংকলন করেছে আল-মাকতাব আস-সালাফী লি-তাহকীকিত তুরাহ, কায়রো।