(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: -)
رسالة في القرآن وكلام الله   (ابن قدامة)

القسم: العقيدة


الكتاب: رسالة في القرآن وكلام الله

المؤلف: أبو محمد موفق الدين عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة الجماعيلي المقدسي ثم الدمشقي الحنبلي، الشهير بابن قدامة المقدسي (ت 620هـ)

المحقق: يوسف بن محمد السعيد

الناشر: دار أطلس الخضراء، المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1424هـ/2004م

عدد الصفحات: 80

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কুরআন ও আল্লাহর কালাম বিষয়ক রিসালাহ   (ইবনে কুদামা)

বিভাগ: আকিদাহ


বই: কুরআন ও আল্লাহর কালাম বিষয়ক রিসালাহ

লেখক: আবু মুহাম্মদ মুওয়াফ্ফাকুদ্দীন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা আল-জামায়িলি আল-মাকদিসি অতঃপর আদ-দামেশকি আল-হানবালি, যিনি ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি নামে পরিচিত (মৃ. ৬২০ হি.)

তাহকিক: ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আস-সাঈদ

প্রকাশক: দার আতলাস আল-খাদরা, সৌদি আরব কিংডম

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৪ হি./২০০৪ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮০

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌مقدمة

…

رسالة في القرآن وكلام الله

للإمام أبي عبد الله بن أحمد بن قدامة المقدسي المعروف بالموفق بن قدامة 541-620هـ

تحقيق وتعليق: الدكتور يوسف بن محمد

بسم الله الرحمن الرحيم.

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.

أما بعد: فإن من أعظم الأمور التي وقع فيها الخلاف بين هذه الأمة: مسألة القرآن وكلام الله تعالى، فإن سلف هذه الأمة وأئمتها، كانوا على صراط مستقيم في هذه المسألة كغيرها من المسائل، فقد كانوا يعتقدون أن هذا القرآن كلام الله-تعالى- وأنه منزل منه- جل وعلا- حتى نبغت نابغة الجهمية، فأتوا بقول خالفوا فيه من سبقهم، وشاقوا بذلك على المسلمين، وخالفوا إجماعهم وما كانوا عليه متفقين، وكان لهؤلاء الجهمية الدولة في وقت من الأوقات، فامتحنوا بذلك علماء هذه الأمة، وجعلوا القول بخلق القرآن دليل الإيمان، وترك القول به دليلا على عدمه، وقتلوا من قتلوا من العلماء، وسجنوا
ভূমিকা

…

কুরআন ও আল্লাহর কালাম বিষয়ক পুস্তিকা

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি, যিনি মুওয়াফ্ফাক বিন কুদামা (৫৪১-৬২০ হি.) নামে পরিচিত এর রচিত

সম্পাদনা ও টীকা: ডক্টর ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবি-রাসুলদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি আমাদের নবি মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সঙ্গীদের ওপর।

অতপর: এই উম্মতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বড় বিষয় হলো কুরআন ও মহান আল্লাহর কালামের বিষয়টি। নিশ্চয়ই এই উম্মতের সালাফ এবং ইমামগণ অন্যান্য বিষয়ের মতো এ বিষয়েও সঠিক পথে অবিচল ছিলেন। তারা বিশ্বাস করতেন যে, এই কুরআন মহান আল্লাহর কালাম এবং তা তাঁর—যিনি মহিমান্বিত ও সুউচ্চ—পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। অবশেষে জাহমিয়াদের এক উপদলের উদ্ভব ঘটল, তারা এমন এক মতবাদ নিয়ে এল যাতে তারা তাদের পূর্ববর্তীদের বিরোধিতা করল এবং এর মাধ্যমে তারা মুসলিমদের ওপর কঠোরতা সৃষ্টি করল। তারা মুসলিমদের ইজমা এবং তারা যে বিষয়ের ওপর ঐক্যবদ্ধ ছিলেন তার বিরোধিতা করল। এক সময় এই জাহমিয়াদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ছিল, তখন তারা এই উম্মতের ওলামায়ে কেরামকে এ বিষয়ে পরীক্ষা করল। তারা কুরআন সৃষ্টির কথা বলাকে ঈমানের দলিল এবং তা বলা ত্যাগ করাকে ঈমান না থাকার দলিল হিসেবে গণ্য করল। তারা ওলামাদের মধ্য থেকে যাদের চাইল হত্যা করল এবং কারারুদ্ধ করল...
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
من سجنوا، وجلدوا من جلدوا، وأجلبوا على ذلك بخيلهم ورجلهم.

ووقف علماء هذه الأمة الربانيون من أولئك الجهمية موقفا يحمدون عليه، فقد نصروا السنة، وفضحوا أهل البدع، وكشفوا عوارهم، فبان خزيهم، وافتضح أمرهم.

وقد أجمع العلماء على كفر من قال بمقالة الجهمية في خلق القرآن، وصنفوا في ذلك المصنفات الكبار والصغار.

ولما أخمدت نار الجهمية، وانطفأت فتنة القول بخلق القرآن، وكان في هذه الأمة من لم يفهم كلام السلف، ولم يرفع بالسنة رأسا، وكان يريد مجادلة الجهمية والمعتزلة ومن وافقهم من الطوائف على القول بخلق القرآن، فإنه قد وقع في أخطاء جسيمة لا تقل شناعة عن قول الجهمية والمعتزلة، بل جهم العلماء من قال بها، حيث ظهرت "اللفظية" الذين يقولون: إن ألفاظنا بالقرآن مخلوقة. وقد شدد العلماء في ذلك.
তারা অনেককে কারারুদ্ধ করেছে, যাদের চাবুক মারার তাদের চাবুক মেরেছে এবং তাদের অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী তথা সর্বশক্তি নিয়ে এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

এই উম্মতের রব্বানী আলেমগণ সেই জাহমিয়াদের বিরুদ্ধে এমন এক প্রশংসনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছেন যার জন্য তাঁরা প্রশংসার যোগ্য। তাঁরা সুন্নাহকে সাহায্য করেছেন, বিদআতিদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন এবং তাদের দোষত্রুটি ফাঁস করে দিয়েছেন। ফলে তাদের লাঞ্ছনা স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।

কুরআন সৃষ্টির বিষয়ে যারা জাহমিয়াদের মতবাদ পোষণ করে, তাদের কাফের হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন এবং এ বিষয়ে ছোট-বড় বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন।

যখন জাহমিয়াদের আগুন স্তিমিত হলো এবং কুরআন সৃষ্টির ফেতনা নির্বাপিত হলো, তখন এই উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক ছিল যারা সালাফদের কথা বুঝতে পারেনি এবং সুন্নাহর প্রতি বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ করেনি। তারা কুরআন সৃষ্টির বিষয়ে জাহমিয়া, মুতাজিলা এবং তাদের অনুসারী দলগুলোর সাথে বিতর্ক করতে চেয়েছিল। ফলে তারা এমন মারাত্মক ভুলে পতিত হয়েছিল যা জাহমিয়া ও মুতাজিলাদের কথার চেয়ে কম জঘন্য ছিল না। বরং আলেমগণ এই মতবাদ পোষণকারীদের 'জাহমি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তখন 'লাফজিয়া' সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে যারা বলত: "কুরআন পাঠে আমাদের উচ্চারণসমূহ সৃষ্ট।" আলেমগণ এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
قال الإمام أحمد (ت241) رحمه الله: " افترقت الجهمية على ثلاث فرق: الذين يقولون: مخلوق، والذين شكوا، والذين قالوا: ألفاظنا بالقرآن مخلوقة "1

وقال أبو زرعة (ت 264) وأبو حاتم (ت 277) الرازيان: " من قال لفظي بالقرآن مخلوق، فهو جهمي، أو القرآن بلفظي مخلوق فهو جهمي"2

وقال حرب بن إسماعيل الكرماني (ت280) :"أن الحق والصواب الواضح المستقيم الذي أدركنا عليه أهل العلم: أن من زعم أن ألفاظنا بالقرآن وتلاوتنا مخلوقة، فهو جهمي مبتدع خبيث"3

وقال شيخ الإسلام ابن تيمية (ت728) رحمه الله: " وأما البدعة الثانية المتعلقة بالقرآن المنزل تلاوة العباد له، وهي "مسألة اللفظية" فقد أنكر بدعة اللفظية الذين

--------------------------------------------

1 " الإبانة عن شريعة الفرقة الناجية ومجانبة الفرق المذمومة –الرد على الجهمية " (1/297) رقم (27) .

2 رواه اللاكائي في " شرح أصول إعتقاد أهل السنة " (1/179) .

3 رواه اللاكائي في " شرح أصول اعتقاد أهل السنة " (2/353) .
ইমাম আহমাদ (মৃত্যু ২৪১ হি.) রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: "জাহমিয়্যারা তিনটি দলে বিভক্ত হয়েছে: যারা বলে: [কুরআন] মাখলুক (সৃষ্ট), যারা সন্দেহ পোষণ করে এবং যারা বলে: কুরআনের ক্ষেত্রে আমাদের শব্দোচ্চারণ মাখলুক।"১

আবু যুরআ (মৃত্যু ২৬৪ হি.) এবং আবু হাতিম (মৃত্যু ২৭৭ হি.) আর-রাযীদ্বয় বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলে কুরআনের ক্ষেত্রে আমার শব্দোচ্চারণ মাখলুক, সে একজন জাহমি; অথবা যে বলে আমার শব্দোচ্চারণের মাধ্যমে কুরআন মাখলুক, সে একজন জাহমি।"২

হারব ইবনে ইসমাঈল আল-কিরমানী (মৃত্যু ২৮০ হি.) বলেছেন: "সুস্পষ্ট সত্য ও সঠিক পথ, যার ওপর আমরা আহলুল ইলমদের (জ্ঞানীগণকে) পেয়েছি, তা হলো: যে ব্যক্তি দাবি করে কুরআনের ক্ষেত্রে আমাদের শব্দোচ্চারণ এবং আমাদের তিলাওয়াত মাখলুক, সে একজন খবীস বিদআতি জাহমি।"৩

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (মৃত্যু ৭২৮ হি.) রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: "আর নাযিলকৃত কুরআনের সাথে সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় বিদআতটি হলো বান্দাদের তিলাওয়াত সংক্রান্ত, যা 'শব্দোচ্চারণ সংক্রান্ত মাসআলা' নামে পরিচিত; যারা লাফজিয়্যাহদের বিদআতকে প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা হলেন...

--------------------------------------------

১ "আল-ইবানাহ আন শারীআতিল ফিরকাতিন নাজিয়াহ ওয়া মুজানাবাতিল ফিরাকিল মাযমুমাহ - আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ" (১/২৯৭) নং (২৭)।

২ আল-লালাকায়ী এটি বর্ণনা করেছেন "শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাহ" (১/১৭৯) গ্রন্থে।

৩ আল-লালাকায়ী এটি বর্ণনা করেছেন "শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাহ" (২/৩৫৩) গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
يقولون: إن تلاوة القرآن وقراءته واللفظ به مخلوق أئمة زمانهم، جعلوهم من الجهمية وبينوا أن قولهم يقتضي القول بخلق القرآن، وفي كثير من كلامهم تكفيرهم، وكذلك من يقول: إن هذا القرآن ليس هو كلام الله وإنما هو حكاية عنه أو عبارة عنه، أو أنه ليس في المصحف والصدور إلا كما أن الله ورسوله في المصاحف والصدور ونحو ذلك، وهذا محفوظ عن الإمام أحمد، وإسحاق، وأبي عبيد، وأبي مصعب الزهري، وأبي ثور، وأبي الوليد الجارودي، ومحمد بن بشار، ويعقوب بن إبراهيم الدورقي، ومحمد بن يحيى بن أبي عمرو العدني، ومحمد بن يحيى الذهلي، ومحمد بن أسلم الطوسي، وعدد كثير لا يحصيهم إلا الله من أئمة الإسلام وهداته ".1

--------------------------------------------

1 " مجموع الفتاوى " (12/421) .

وانظر كلام الأئمة في اللفظية-على سبيل المثال- في: " السنة " للخلال (7/63-89) ، " الشريعة للآجري (1/235-245) ، " الإبانة- الرد على الجهمية-" (1/317-355) ، " شرح أصول اعتقاد أهل السنة والجماعة " للالكائي (2/349-362)
তারা বলেন: "কুরআনের তিলাওয়াত, কিরাত এবং এর শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি—তাদের সমকালীন ইমামগণ তাদের জাহমিয়াহদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের এই বক্তব্য মূলত কুরআন সৃষ্টির প্রবক্তাদের কথারই নামান্তর; তাঁদের অনেক বক্তব্যে তাদের তাকফিরও (কাফির ঘোষণা) করা হয়েছে। অনুরূপভাবে যারা বলে: এই কুরআন আল্লাহর কালাম নয়, বরং এটি তাঁর পক্ষ থেকে একটি হিকায়াত (অনুকরণ) বা ইবারাত (অভিব্যক্তি মাত্র), অথবা মুসহাফ ও অন্তরে এটি কেবল সেভাবেই আছে যেভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল মুসহাফ ও অন্তরে আছেন ইত্যাদি। আর এ বিষয়টি ইমাম আহমাদ, ইসহাক, আবু উবাইদ, আবু মুসআব আজ-যুহরি, আবু সাওর, আবু আল-ওয়ালিদ আল-জারুদি, মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার, ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম আদ-দাওরাকি, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবু আমর আল-আদানি, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আজ-যুহলি, মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আত-তুসি এবং ইসলামের আরও অসংখ্য ইমাম ও হিদায়াতের পথপ্রদর্শকদের থেকে বর্ণিত ও সংরক্ষিত আছে, যাদের সংখ্যা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ গণনা করতে পারবে না।" ১

--------------------------------------------

১ "মাজমুউল ফাতাওয়া" (১২/৪২১)।

এবং লাফজিয়্যাহ (উচ্চারণ বিষয়ক মতবাদ) সম্পর্কে ইমামদের বক্তব্য দেখুন—উদাহরণস্বরূপ—: আল-খলাল রচিত "আস-সুন্নাহ" (৭/৬৩-৮৯), আল-আজুররি রচিত "আশ-শারিয়াহ" (১/২৩৫-২৪৫), "আল-ইবানাহ—আর-রাদ্দ আলাল জাহমিয়াহ—" (১/৩১৭-৩৫৫), আল-লালকায়ি রচিত "শারহু উসুল ইতিকাদ আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ" (২/৩৪৯-৩৬২)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
وحقيقة قول القائلين بأن القرآن عبارة عن كلام الله أو حكاية عنه هو قول اللفظية.

قال الإمام ابن بطة (ت 387) –رحمه الله:"واعلموا-رحمهم الله أن صنفا من الجهمية اعتقدوا بمكر قلوبهم وخبث آرائهم وقبيح أهوائهم أن القرآن مخلوق، فكنوا عن ذلك ببدعة اخترعوها تمويها وبهرجة على العامة، ليخفي كفرهم، ويستغمض إلحادهم على من قل علمه وضعفت نحيزته، فقالوا: إن القرآن الذي تكلم الله به وقاله، فهو كلام الله غير مخلوق، وهذا الذي نتلوه ونقرؤه بألسنتنا ونكتبه في مصاحفنا ليس هو القرآن الذي هو كلام الله، هذا حكاية لذلك، فما نقرؤه نحن حكاية لذلك القرآن بألفاظنا نحن، وألفاظنا به مخلوقة، فدققوا في كفرهم، واحتالوا لإدخال الكفر على العامة بأغمض مسلك، وأدق مذهب، وأخفى وجه، فلم يخف ذلك بحمد الله ومنه وحسن توفيقه على جهابذة العلماء والنقاد والعقلاء، حتى بهرجوا ما دلسوا، وكشفوا1

--------------------------------------------

1 في بان المحجة وشرح عقيدة أهل السنة" لقوام السنة إسماعيل التيمي (1/387-390) .
যারা বলে থাকেন যে কুরআন হচ্ছে আল্লাহর কালামের একটি অভিব্যক্তি কিংবা তাঁর পক্ষ থেকে একটি বর্ণনা, তাঁদের এ কথার প্রকৃত স্বরূপ হলো তা ‘লফজিয়্যাহ’ সম্প্রদায়ের বক্তব্য।

ইমাম ইবনে বাত্তাহ (মৃত্যু: ৩৮৭ হি.) —রাহিমাহুল্লাহ— বলেন: "তোমরা জেনে রেখো—আল্লাহ তোমাদের প্রতি রহম করুন—জাহমিয়য়াহদের একটি দল তাদের অন্তরের চাতুর্য, মতাদর্শের কলুষতা এবং কুপ্রবৃত্তির কদর্যতার বশবর্তী হয়ে এই বিশ্বাস পোষণ করেছিল যে, কুরআন মাখলুক (সৃষ্ট)। অতঃপর তারা সাধারণ মানুষের নিকট প্রতারণা ও ছদ্মবেশ ধারণ করার উদ্দেশ্যে একটি নব-উদ্ভাবিত বিদআতের আশ্রয় নিয়ে সেটিকে পরোক্ষভাবে ব্যক্ত করেছিল, যাতে তাদের কুফর গোপন থাকে এবং যাদের ইলম কম ও প্রকৃতি দুর্বল তাদের কাছে তাদের ধর্মবিচ্যুতি (ইলহাদ) অস্পষ্ট হয়ে যায়। তারা বলেছিল: 'নিশ্চয়ই আল্লাহ যে কুরআন দ্বারা কথা বলেছেন এবং যা তিনি ব্যক্ত করেছেন, তা আল্লাহর কালাম এবং তা অনাদি-অসৃষ্ট। তবে আমরা আমাদের জিহ্বা দ্বারা যা তিলাওয়াত করি ও পাঠ করি এবং আমাদের মাসহাফসমূহে যা লিখি, তা সেই কুরআন নয় যা আল্লাহর কালাম; বরং এটি সেটির একটি বর্ণনা মাত্র। সুতরাং আমরা যা পাঠ করি তা আমাদের নিজস্ব উচ্চারণের মাধ্যমে সেই কুরআনের একটি উপাখ্যান মাত্র, আর আমাদের সেই উচ্চারণগুলো হলো সৃষ্টি।' এভাবে তারা তাদের কুফরিকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম রূপ দিয়েছিল এবং অতি অস্পষ্ট পথ, সূক্ষ্মতম মতাদর্শ এবং অত্যন্ত প্রচ্ছন্ন উপায়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কুফর অনুপ্রবেশ করানোর জন্য কূটকৌশল অবলম্বন করেছিল। তবে আল্লাহর প্রশংসা, তাঁর অনুগ্রহ ও উত্তম তাওফিকের বদৌলতে প্রাজ্ঞ আলিম, সমালোচক ও বিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিকট তা গোপন থাকেনি; এমনকি তাঁরা তাদের সেই চাতুর্য ও প্রতারণাকে উন্মোচিত করে দিলেন এবং তা ফাঁস করে দিলেন।"১

--------------------------------------------

১ কাওয়ামুস সুন্নাহ ইসমাইল আত-তাইমি রচিত ‘বায়ানুল মাহাজ্জাহ ওয়া শারহু আক্বিদাতি আহলিস সুন্নাহ’ (১/৩৮৭-৩৯০) গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
أولا: اسمه وكنيته ولقبه ونسبه:

هو عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة بن مقدام بن نصر الجماعيلي الصالحي الدمشقي الحنبلي، أبو محمد، موفق الدين.

ثانيا: مولده:

ولد أبو محمد رحمه الله في شهر شعبان من سنة 541، بقرية من قرى فلسطين اسمها "جماعيل"، ثم انتقل إلى دمشق سنة 551، وعمره إذ ذاك عشر سنوات.

ثالثا: طلبه للعلم، ورحلاته فيه:

بدأ أبو محمد رحمه الله طلب العلم قديما، فحفظ القرآن الكريم وهو صغير، ثم حفظ بعض المتون، ومن أمها: مختصر أبي القاسم الخرقي في فقه الحنابلة.

والمتتبع لحال أهل ذلك الوقت يدرك أنهم كانوا يحرصون على الرحلات العلمية، غير أن أبا محمد كان حظه منها قليلا مقارنة بغيره من طلبة العلم في ذلك
প্রথমত: তাঁর নাম, কুনিয়াত, উপাধি ও বংশপরিচয়:

তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা ইবনে মিকদাম ইবনে নাসর আল-জামাঈলী আস-সালিহী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী, আবু মুহাম্মাদ, মুওয়াফফাকুদ্দীন।

দ্বিতীয়ত: তাঁর জন্ম:

আবু মুহাম্মাদ (রহিমাহুল্লাহ) ৫৪১ হিজরীর শাবান মাসে ফিলিস্তিনের "জামাঈল" নামক একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর তিনি ৫৫১ হিজরীতে দামেশকে স্থানান্তরিত হন, তখন তাঁর বয়স ছিল দশ বছর।

তৃতীয়ত: তাঁর ইলম অর্জন এবং এই উদ্দেশ্যে সফরসমূহ:

আবু মুহাম্মাদ (রহিমাহুল্লাহ) অল্প বয়সেই ইলম অর্জন শুরু করেন। তিনি শৈশবেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন, এরপর কিছু মূল পাঠ্য (মুতুন) মুখস্থ করেন, যার মধ্যে প্রধান ছিল: হাম্বলী ফিকহের উপর রচিত আবুল কাসিম আল-খিরাক্বীর ‘মুখতাসার’।

তৎকালীন সময়ের মানুষের অবস্থা যারা পর্যবেক্ষণ করেন তারা বুঝতে পারেন যে, তারা ইলমি সফরের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন; তবে আবু মুহাম্মাদের ক্ষেত্রে সেই সময়ের অন্যান্য ইলম অন্বেষণকারীদের তুলনায় ইলমি সফরের পরিমাণ ছিল সামান্য।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
العصر، ولعل العلة في ذلك أن العلماء في ذلك الوقت كان أكثرهم ما بين مقيم بأرض العراق ومقيم بأرض الشام، حيث إن أبا محمد رحل-أولا- من أرض فلسطين إلى دمشق مع أهله، ثم رحل سنة 561 إلى بغداد، وأخذ عن كبار علمائها، ومن أجلهم: عبد القادر الجيلي الحنبلي، ثم عاد ألى دمشق، وفي طريقه إليها أخذ عن بعض علماء الموصل.

وفي سنة 567 رحل مرة إلى بغداد، ثم عاد بعد إلى دمشق الشام.

رابعا: شيوخه:

تلمذ أبو محمد رحمه الله على عدد من العلماء الأجلاء في عدد من الفنون، ونال حظا وافرا من العلم عن طريقهم، ومنهم:
সেই যুগ, আর সম্ভবত এর কারণ এই ছিল যে সেই সময়ের অধিকাংশ আলেম ইরাক ও শাম ভূখণ্ডে বসবাসকারী ছিলেন। যেহেতু আবু মুহাম্মাদ প্রথমে তাঁর পরিবারের সাথে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড থেকে দামেস্কে সফর করেছিলেন, অতঃপর ৫৬১ হিজরি সনে বাগদাদে সফর করেন এবং সেখানকার বরেণ্য আলেমদের থেকে ইলম অর্জন করেন, যাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন: আব্দুল কাদির জিলানি হাম্বলি। অতঃপর তিনি পুনরায় দামেস্কে ফিরে আসেন এবং পথিমধ্যে মুসেলের কিছু আলেমের নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেন।

এবং ৫৬৭ হিজরি সনে তিনি পুনরায় বাগদাদে সফর করেন, অতঃপর সিরিয়ার দামেস্কে ফিরে আসেন।

চতুর্থত: তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:

আবু মুহাম্মাদ (রহিমাহুল্লাহ) বিভিন্ন শাস্ত্রে একদল বরেণ্য আলেমের নিকট শিক্ষা লাভ করেছেন এবং তাঁদের মাধ্যমে ইলমের এক বিশাল অংশ অর্জন করেছেন, যাঁদের মধ্যে কয়েকজন হলেন:
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
القناع عن قبيح ما ستروه، فظهر للخاصة والعامة كفرهم وإلحادهم".1

وقد كان لأبي محمد موفق الدين بن قدامة المقدسي رحمه الله قدم صدق في رد هذه البدعة، وبيان فسادها، وصنف في ذلك مصنفات، منها:

1- البرهان في بيان القرآن.

2- الصراط المستقيم في إثبات الحرف القديم.

3- حكاية المناظرة في القرآن الكريم.

4 - هذه الفتيا التي بين أيدينا.

وفي هذه الكتب كلها يقرر بطلان قول الأشعرية في هذه المسألة.

وقد أحببت نشر هذه الفتيا، لأمور:

أولا: لأهمية موضوعها.

ثانيا: لجلالة مؤلفها، وكونه من الأئمة الكبار.

ثالثا: لتكمل ما سبق نشره من تلك الكتب المتعلقة بالموضوع نفسه.

--------------------------------------------

1" الإبانة- الرد على الجهمية- " (1/317-318) .
...তারা যা গোপন করেছিল তার কুৎসিত আবরণ উন্মোচিত হলো, ফলে বিশিষ্ট ও সাধারণ সকলের কাছেই তাদের কুফর ও ধর্মহীনতা প্রকাশ পেয়ে গেল।"১

আর আবু মুহাম্মদ মুয়াফফাকুদ্দীন বিন কুদামা আল-মাকদিসী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর এই বিদআত খণ্ডন ও এর অসারতা বর্ণনায় একনিষ্ঠ অবদান ছিল এবং তিনি এ বিষয়ে বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:

১- কুরআনের বর্ণনায় প্রমাণাদি।

২- অনাদি অক্ষর প্রমাণের সঠিক পথ।

৩- পবিত্র কুরআন বিষয়ে বিতর্কের বিবরণ।

৪ - আমাদের সামনে বিদ্যমান এই ফতোয়া।

এই সকল গ্রন্থে তিনি এই মাসআলায় আশআরীদের মতবাদের অসারতা প্রমাণ করেছেন।

আমি বেশ কিছু কারণে এই ফতোয়াটি প্রকাশ করতে চেয়েছি:

প্রথমত: এর বিষয়বস্তুর গুরুত্বের কারণে।

দ্বিতীয়ত: এর লেখকের মর্যাদা এবং তিনি বড় ইমামদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে।

তৃতীয়ত: একই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট পূর্বে প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর পরিপূরক হিসেবে।

--------------------------------------------

১" আল-ইবানা - জাহমিয়াদের খণ্ডন - " (১/৩১৭-৩১৮)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
وسلكت- بعد ههذه المقدمة – الخطة التالية في العمل في هذه الفتيا:

أولا: ترجمت للمؤلف ترجمة موجزة.

ثانيا: قمت بالتعريف بهذه الفتوى من حيث وصف النسخة الخطية، وإثبات نسبتها للموفق.

ثالثا: قراءة المخطوط، وتصويب ما فيه من أخطاء، وكتابته وفق الرسم الإملائي الحديث.

رابعا: عزوت الآيات إلى مواطنها من السور، وخرجت الأحاديث والآثار، وترجمت لبعض الأعلام، وعلقت على ما يحتاج إلى تعليق.

خامسا: صنعت فهرسا للآيات والأحاديث والآثار المذكورة في الكتاب الأصل.

والله –تعالى- أسأل الهداية والسداد، وأن يستر العورات، ويغفر الزلات، وأن يحسن الختام، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
এই ভূমিকার পর—আমি এই ফতোয়াটি সম্পাদনায় নিম্নোক্ত কর্মপন্থা অনুসরণ করেছি:

প্রথমত: আমি লেখকের একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করেছি।

দ্বিতীয়ত: পাণ্ডুলিপির বর্ণনা এবং আল-মুওয়াফফাক-এর প্রতি এর নিসবত (সম্বন্ধ) প্রমাণের মাধ্যমে এই ফতোয়াটির পরিচয় প্রদান করেছি।

তৃতীয়ত: পাণ্ডুলিপিটি পাঠ করা, এতে থাকা ভুলসমূহ সংশোধন করা এবং আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী তা লিপিবদ্ধ করা।

চতুর্থত: আয়াতসমূহকে তাদের সংশ্লিষ্ট সূরার সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা, হাদিস ও আছারসমূহের উৎস নির্দেশ করা, কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির জীবনী উল্লেখ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে টীকা প্রদান করা।

পঞ্চমত: মূল গ্রন্থে উল্লিখিত আয়াত, হাদিস ও আছারসমূহের একটি নির্ঘণ্ট তৈরি করা।

আমি মহান আল্লাহর নিকট হিদায়াত ও সঠিক পথের প্রার্থনা করছি, এবং তিনি যেন দোষ-ত্রুটি গোপন রাখেন, পদস্খলনসমূহ ক্ষমা করেন এবং শেষ পরিণাম সুন্দর করেন। আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
ترجمة المؤلف1

--------------------------------------------

1 انظر في ترجمته:

" معجم البلدان" (2/160) ، "التقييد" لابن نقطة (2/78) ، " مرآة الزمان" لسبط ابن الجوزي (8/627-630) ، " التكملة لوفيات النقلة" للمنذري (3/107) ، "ذيل الروضتين" لأبي شامة المقدسي (ص 139-142) ، "سير أعلام النبلاء" (22/165-173) ، "العبر في خبر من غبر" للذهبي (3/180-181) ، " دول الإسلام"للذهبي (2/93) ، "تاريخ الإسلام " للذهبي- الطبقة الثانية والستين- (ص434-448) ، " المختصر المحتاج إليه من تاريخ بن الدبيثي" للذهبي (2/134-135) ، "فوات الوفيات" لابن شاكر الكتبي (2/158-159) ، " الوافي بالوفيات" للصفدي (17/37-39) ، " مرآة الجنان" لليافعي (4/47-48) ، البداية والنهاية" لابن كثير (13/99-101) ، "ذيل طبقات الحنابلة" لابن رجب (2/133-149) ، " النجوم الزاهرة" لابن تغري بردي (6/206) ، " المقصد المرشد في ذكر أصحاب الإما1أحمد" لابن مفلح (2/15-20) ، "القلائد الجوهرية" لابن طولون (2/340-344) ، "شذرات الذهب" لابن العماد (5/88-92) ، " كشف الظنون" لحاجي خليفة (ص 343،،828،،924، 1164، 1378،1406 1415، 1416،1420، 1626،1750،1751، 1809) ، " أيضاح المكنون " لإسماعيل باشا البغدادي (1/70-544) ، "هدية العارفين"له (1/459-460) ، "التاج المكلل" لصديق حسن خان (ص 229-231) ، " الدر المنضد في أسماء كتب مذهب الإمام أحمد" لابن حميد (32-33) ، رفع النقاب عن تراجم الأصحاب" لابن ضويان (ص 235-238) .

وقد كتب الشيخ علي بن محمد بن سالم الشهراني رسالة نال بها درجة الماجستير من قسم العقيدة والمذاهب المعاصرة بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض بعنوان: "منهج بن قدامة في تقرير عقيدة السلف وموقفه من المخالفين لها"، وقد أفدت منه في الترجمة للموفق كثيرا.

وكتب الدكتور عبد العزيز بن عبد الرحمان السعيد "ابن قدامة وآثاره الأصولية".
লেখকের পরিচিতি১

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনী সম্পর্কে দেখুন:

"মু‘জামুল বুলদান" (২/১৬০), ইবনে নুকতার "আত-তাকয়ীদ" (২/৭৮), সিবত ইবনুল জাওযীর "মিরআতুয যামান" (৮/৬২৭-৬৩০), মুনযিরীর "আত-তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন নাকলাহ" (৩/১০৭), আবু শামাহ আল-মাকদিসীর "যাইলুর রওদাতাইন" (পৃ. ১৩৯-১৪২), "সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা" (২২/১৬৫-১৭৩), আয-যাহাবীর "আল-ইবার ফী খাবারি মান গাবার" (৩/১৮০-১৮১), আয-যাহাবীর "দুওয়ালুল ইসলাম" (২/৯৩), আয-যাহাবীর "তারিখুল ইসলাম" -বাষট্টিতম স্তর- (পৃ. ৪৩৪-৪৪৮), আয-যাহাবীর "আল-মুখতাসারুল মুহ্তাজু ইলাইহি মিন তারিখি ইবনিদ দুবাইসী" (২/১৩৪-১৩৫), ইবনে শাকির আল-কুতুবীর "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/১৫৮-১৫৯), আস-সাফাদীর "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" (১৭/৩৭-৩৯), আল-ইয়াফিয়ীর "মিরআতুল জানান" (৪/৪৭-৪৮), ইবনে কাসীরের "আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া" (১৩/৯৯-১০১), ইবনে রাজাবের "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (২/১৩৩-১৪৯), ইবনে তাগরি বারদীর "আন-নুজুমুয যাহিরাহ" (৬/২০৬), ইবনে মুফলিহের "আল-মাকসাদুল মুরশিদ ফী যিকরি আসহাবিল ইমাম আহমাদ" (২/১৫-২০), ইবনে তুলুনের "আল-কালাইদুল জাওহারিয়্যাহ" (২/৩৪০-৩৪৪), ইবনে ইমাদের "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৮৮-৯২), হাজি খালিফার "কাশফুয যুনুন" (পৃ. ৩৪৩, ৮২৮, ৯২৪, ১১৬৪, ১৩৭৮, ১৪০৬, ১৪১৫, ১৪১৬, ১৪২০, ১৬২৬, ১৭৫০, ১৭৫১, ১৮০৯), ইসমাইল পাশা আল-বাগদাদীর "ঈযাহুল মাকনুন" (১/৭০-৫৪৪), তাঁরই "হাদিয়্যাতুল আরিফীন" (১/৪৫৯-৪৬০), সিদ্দিক হাসান খানের "আত-তাজুল মুকাল্লাল" (পৃ. ২২৯-২৩১), ইবনে হুমাইদের "আদ-দুররুল মুনাদ্দাদ ফী আসমায়ি কুতুবি মাযহাবিল ইমাম আহমাদ" (৩২-৩৩), ইবনে দ্বাওয়ানের "রাফউল নিকাব আন তারাজিমিল আসহাব" (পৃ. ২৩৫-২৩৮)।

শেখ আলী বিন মুহাম্মাদ বিন সালিম আল-শাহরানী একটি অভিসন্দর্ভ রচনা করেছেন যার মাধ্যমে তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদা ও সমসাময়িক মতবাদ বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেছেন। এর শিরোনাম হলো: "সালাফদের আকিদা প্রতিষ্ঠায় ইবনে কুদামার মানহাজ এবং এর বিরোধীদের প্রতি তাঁর অবস্থান"। আমি মুওয়াফফাক (ইবনে কুদামা)-এর জীবনী রচনায় এটি থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি।

ডক্টর আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান আল-সাঈদ "ইবনে কুদামা ওয়া আসারুহু আল-উসুলিয়্যাহ" (ইবনে কুদামা ও তাঁর উসুলি নিদর্শনসমূহ) লিখেছেন।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
-أحمد بن صالح الجيلي البغدادي، المتوفى سنة565 1

-أحمد بن محمد بن قدامة، والده، المتوفى سنة558.2

-شهدة بنت أحمد بن الفرج الدينورية، الملقبة بفخر النساء، المتوفاة سنة574.3

-طاهر بن محمد المقدسي المتوفى سنة 566.4

--------------------------------------------

1 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (20-572-573) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (1/311-313) ، "شذرات الذهب" (4/215)

2 انظر في ترجمته: "ذيل طبقات الحنابلة" (2/61) ، "شذرات الذهب" (4/182) .

3 انظر في ترجمتها: "سير أعلام النبلاء" (20/542-543) ، " وفيات الأعيان" (2/477-478) ، "شذرات الذهب" (4/248)

4 انظر في ترجمته: " العبر" (4/192-193) .
-আহমদ বিন সালিহ আল-জিলি আল-বাগদাদি, মৃত্যু বছর ৫৬৫ ১

-আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন কুদামা, তাঁর পিতা, মৃত্যু বছর ৫৫৮।২

-শুহদা বিনতে আহমদ বিন আল-ফারজ আদ-দিনাওয়ারি, ফখরুন নিসা উপাধিতে ভূষিত, মৃত্যু বছর ৫৭৪।৩

-তাহের বিন মুহাম্মাদ আল-মাকদিসি মৃত্যু বছর ৫৬৬।৪

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২০-৫৭২-৫৭৩), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (১/৩১১-৩১৩), "শাযারাতুয যাহাব" (৪/২১৫)

২ তাঁর জীবনী দেখুন: "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/৬১), "শাযারাতুয যাহাব" (৪/১৮২)।

৩ তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২০/৫৪২-৫৪৩), "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (২/৪৭৭-৪৭৮), "শাযারাতুয যাহাব" (৪/২৪৮)

৪ তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-ইবার" (৪/১৯২-১৯৩)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
- عبد الرحمن بن أبي الحسن علي بن محمد بن الجوزي، أبو الفرج، المتوفى سنة 597.1

-عبد القادر الجيلي، البغدادي، أبو محمد، المتوفى سنة561.2

-عبد الله بن أحمد الخشاب، أبو محمد النجوي، المتوفى سنة567.3

--------------------------------------------

انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (21/365-384) ، "وفيات الأعيان" (3/140-142) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (1/399-433) .

2 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (20/439-451) ، "مرآة الزمان" (8/264-266) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (1/290-301) .

3 انظر في ترجمته: "المنتظم" (10/238-239) ، "سير أعلام النبلاء" (20/523-528) ، "وفيات الأعيان" (3/102-104) .
- আব্দুর রহমান বিন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-জাওযী, আবু আল-ফারাজ, মৃত্যু বছর ৫৯৭। ১

- আব্দুল কাদির আল-জিলী, আল-বাগদাদী, আবু মুহাম্মদ, মৃত্যু বছর ৫৬১। ২

- আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-খাশশাব, আবু মুহাম্মদ আন-নাহবী, মৃত্যু বছর ৫৬৭। ৩

--------------------------------------------

১. তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২১/৩৬৫-৩৮৪), "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (৩/১৪০-১৪২), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (১/৩৯৯-৪৩৩)।

২. তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২০/৪৩৯-৪৫১), "মিরআতুয যামান" (৮/২৬৪-২৬৬), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (১/২৯০-৩০১)।

৩. তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-মুন্তাযাম" (১০/২৩৮-২৩৯), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২০/৫২৩-৫২৮), "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (৩/১০২-১০৪)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
-عبد الله بن أحمد الطوسي، أبو الفضل، المتوفى سنة578.1

-محمد بن عبد الباقي البغدادي، أبو الفتح، المعروف بابن بطي، المتوفى سنة 564.2

رابعا: تلامذته:

تلمذ على يد أبي محمد رحمه الله طلبة كثيرون جدا، ومن هؤلاء:

- إبراهيم بن علي بن أحمد الواسطي الحنبلي، تقي الدين أبو إسحاق، المتوفى سنة 6923.

--------------------------------------------

1 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (21/87-89) ، "طبقات الشافعية الكبرى" (7/119-120) .

2 انظر في ترجمته: " المنتظم" (10/229) ، "سير أعلام النبلاء" (20/481-484) ، "شذرات الذهب" (4/213-214) .

3 انظر في ترجمته: " ذيل طبقات الحنابلة" (2/329-331) .
- আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আল-তুসি, আবুল ফজল, মৃত্যু বছর ৫৭৮।১

- মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আল-বাগদাদি, আবুল ফাতহ, ইবনে বাত্তি নামে পরিচিত, মৃত্যু বছর ৫৬৪।২

চতুর্থত: তাঁর ছাত্রগণ:

আবু মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ-এর নিকট অসংখ্য ছাত্র শিক্ষাগ্রহণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন:

- ইবরাহিম বিন আলী বিন আহমাদ আল-ওয়াসিতি আল-হাম্বলি, তাকিউদ্দীন আবু ইসহাক, মৃত্যু বছর ৬৯২।৩

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনীর জন্য দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২১/৮৭-৮৯), "তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা" (৭/১১৯-১২০)।

২ তাঁর জীবনীর জন্য দেখুন: "আল-মুনতাজাম" (১০/২২৯), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২০/৪৮১-৪৮৪), "শাযারাতুয যাহাব" (৪/২১৩-২১৪)।

৩ তাঁর জীবনীর জন্য দেখুন: "যায়লু তাবাকাতির হানাবিলাহ" (২/৩২৯-৩৩১)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
-أحمد بن محمد بن عبد الغني المقدسي، أبو العباس، تقي الدين، المتوفى سنة 643.1

-عبد الرحمن بن إبراهيم بن أحمد المقدسي، أبو محمد، بهاء الدين، المتوفى سنة624.2

-عبد الرحمن بن إسماعيل بن إبراهيم المقدسي، أبو القاسم، المعروف بأبي شامة، المتوفى سنة 665.3

--------------------------------------------

01 انظر في ترجمته: " سير أعلام النبلاء" (23/212) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/232-233) ، "شذرات الذهب" (5/217-218) .

2 انظر في ترجمته: " سير أعلام النبلاء" (22/269-272) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/170-171) ، "شذرات الذهب" (5/114) .

3 انظر في ترجمته: "طبقات الشافعية الكبرى " (8/165-168) ، " طبقات الشافعية" لابن قاضي شهبة (2/464-466) .
- ১. আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল গনি আল-মাকদিসি, আবুল আব্বাস, তাকিউদ্দিন, মৃত্যু বছর ৬৪৩ হিজরি।

- ২. আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ আল-মাকদিসি, আবু মুহাম্মাদ, বাহাউদ্দিন, মৃত্যু বছর ৬২৪ হিজরি।

- ৩. আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-মাকদিসি, আবুল কাসিম, যিনি আবু শামা নামে পরিচিত, মৃত্যু বছর ৬৬৫ হিজরি।

--------------------------------------------

০১. তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২৩/২১২), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/২৩২-২৩৩), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/২১৭-২১৮)।

২. তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২২/২৬৯-২৭২), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৭০-১৭১), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/১১৪)।

৩. তাঁর জীবনী দেখুন: "তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা" (৮/১৬৫-১৬৮), ইবনে কাজি শুহবার "তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ" (২/৪৬৪-৪৬৬)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
- عبد الرحمن بن محمد بن أحمد المقدسي، أبو محمد، المتوفى سنة 682.1

-عبد العظيم المنذري‘ أبو محمد، المتوفى سنة 656.2

- عثمان بن عبد الرحمن بن عثمان الكردي الموصلي، أبو عمرو، المعروف بابن الصلاح، المتوفى سنة 643.3

--------------------------------------------

1 انظر في ترجمته: " وفات الوفيات" (2/291-292) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/304-310) ، "شذرات الذهب" (5/376-379) .

2 انظر في ترجمته: "طبقات الشافعية الكبرى" (8/259-277) ، "طبقات الشافعية " لابن قاضي شهبة (2/442-444) ، "شذرات الذهب" (5/277-278) .

3 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (23/140-144) ، "طبقات الشافعية الكبرى" (8/326-336) ، "وفيات الأعيان" (3/243-245) .
- ১. আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মাকদিসি, আবু মুহাম্মদ, মৃত্যু ৬৮২ হিজরি।১

- ২. আবদুল আজিম আল-মুনজিরি, আবু মুহাম্মদ, মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি।২

- ৩. উসমান বিন আবদুর রহমান বিন উসমান আল-কুর্দি আল-মাওসিলি, আবু আমর, ইবনুল সালাহ নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি।৩

--------------------------------------------

১ তাঁর জীবনী দেখুন: "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/২৯১-২৯২), "যাইল তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (২/৩০৪-৩১০), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৩৭৬-৩৭৯)।

২ তাঁর জীবনী দেখুন: "তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা" (৮/২৫৯-২৭৭), ইবনু কাযি শুহবার "তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ" (২/৪৪২-৪৪৪), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/২৭৭-২৭৮)।

৩ তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২৩/১৪০-১৪৪), "তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা" (৮/৩২৬-৩৩৬), "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (৩/২৪৩-২৪৫)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
- محمد بن سعيد بن يحيى الواسطي الشافعي، أبو عبد الله، المعروف بابن الدبيثي، المتوفى سنة 637.1

- محمد بن عبد الواحد بن أحمد المقدسي، أبو عبد الله، ضياء الدين، المتوفى سنة643.2

- محمد بن محمود بن حسن البغدادي، أبو عبد الله، المعروف بابن النجار، المتوفى سنة643.3

--------------------------------------------

1 انظر في ترجمته: "وفيات الأعيان" (4/394-395) ، "سير أعلام النبلاء" (23/68-70) ، "طبقات الشافعية الكبرى" (8/61-62) .

2 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (23/126-130) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/236-240) .

3 انظر في ترجمته: "سير أعلام النبلاء" (23/131-134) ، "طبقات الشافعية الكبرى" (8/98-99) ، "طبقات الشافعية"لابن قاضي شهبة (2/454-456) .
- মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-ওয়াসিতি আশ-শাফেয়ী, আবু আব্দুল্লাহ, ইবনুদ দুবাইসি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬৩৭ হিজরী।১

- মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আহমদ আল-মাকদিসি, আবু আব্দুল্লাহ, জিয়াউদ্দীন, মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী।২

- মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে হাসান আল-বাগদাদি, আবু আব্দুল্লাহ, ইবনুন নাজ্জার নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী।৩

--------------------------------------------

১ তার জীবনী দেখুন: "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (৪/৩৯৪-৩৯৫), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২৩/৬৮-৭০), "তাবাকাতুশ শাফেয়িয়্যাহ আল-কুবরা" (৮/৬১-৬২)।

২ তার জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২৩/১২৬-১৩০), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/২৩৬-২৪০)।

৩ তার জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২৩/১৩১-১৩৪), "তাবাকাতুশ শাফেয়িয়্যাহ আল-কুবরা" (৮/৯৮-৯৯), ইবনে কাজি শুহবাহ-এর "তাবাকাতুশ শাফেয়িয়্যাহ" (২/৪৫৪-৪৫৬)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
خامسا: مصنفاته:

ألف ابن قدامة رحمه الله مصنفات كثيرة، منها ما يتعلق بالتوحيد ومسائله، ومنها ما يتعلق بالفقه، ومنها ما يتعلق بأصول الفقه، ومنها ما يتعلق بالزهد والرقائق، وغير ذلك، وسأذكر بعض هذه الكتب مرتبة ترتيبا هجائيا:

* الاستبصار في نسب الصحابة من الأنصار.

* البرهان في بيان القرآن.

* التبيين في أنساب القرشيين.

* تحريم النظر في كتب الكلام، وهو الرد على ابن عقيل.

* حكاية المناظرة في القرآن مع بعض أهل البدعة.

* ذم التأويل.

* ذم الوسواس.

ذم ما عليه مدعوا التصوف، وهو الفتيا في ذم الشبابة والرقص.
পঞ্চম: তাঁর রচনাবলী:

ইবনে কুদামা রাহিমাহুল্লাহ অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে কিছু তাওহীদ ও এর মাসআলা সংক্রান্ত, কিছু ফিকহ সংক্রান্ত, কিছু উসূলে ফিকহ সংক্রান্ত, আবার কিছু যুহদ ও রাকায়েত (আত্মশুদ্ধি) সংক্রান্ত এবং আরও বিবিধ বিষয়ের ওপর। আমি নিচে তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্য হতে কিছু গ্রন্থ বর্ণানুক্রমিকভাবে উল্লেখ করছি:

* আনসারী সাহাবীগণের বংশপরিচয় বিষয়ক অন্তর্দৃষ্টি।

* কুরআন বর্ণনায় সুস্পষ্ট দলিল।

* কুরাইশদের বংশপরিচয় বিষয়ক বিশদ বর্ণনা।

* কালাম শাস্ত্রের কিতাবসমূহ পাঠের নিষিদ্ধতা, যা মূলত ইবনে আকীলের খণ্ডন।

* কতিপয় বিদআতিদের সাথে কুরআন নিয়ে বিতর্কের বিবরণ।

* অপব্যাখ্যার নিন্দা।

* কুমন্ত্রণা বা সংশয়ের নিন্দা।

সুফীবাদের দাবিদারদের অনুসৃত পথের নিন্দা, যা মূলত বাঁশি ও নাচের নিন্দায় প্রদত্ত একটি ফতোয়া।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
* الرقة والبكاء في أخبار الصالحين.

* روضة الناضر وجنة المناضر.

* الصراط المستقيم في إثبات الحرف القديم.

* العمدة في الفقه.

* قنعة الأريب في تفسير الغريب من حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم والصحابة والتابعين.

* الكافي في الفقه.

* كتاب التوابين.

* كتاب المتحابين في الله.

* لمعة الإعتقاد.

* مسألة العلو.

* المغني شرح مختصر الخرقي في الفقه.

* المقنع في الفقه.

* وصية ابن قدامة.

ثانيا: الكتب غير المطبوعة:

*جواب مسألة وردت من صرخد في القرآن.1

--------------------------------------------

1 انظر: "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/90) .
* নেককারদের জীবনীতে কোমলতা ও ক্রন্দন।

* রওদাতুন নাযির ওয়া জান্নাতুল মুনাযির।

* অনাদি বা আদিম হরফ (বর্ণ) সাব্যস্তকরণে সঠিক পথ।

* আল-উমদাহ ফিল ফিকহ।

* রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবী এবং তাবিঈগণের হাদীসের কঠিন শব্দাবলির ব্যাখ্যায় কানয়াতুল আরীব।

* আল-কাফী ফিল ফিকহ।

* তওবাকারীদের কিতাব।

* আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরস্পর মহব্বতকারীদের কিতাব।

* লুমআতুল ইতিকাদ (বিশ্বাসের আলোকচ্ছটা)।

* আল্লাহর উচ্চমর্যাদা ও উপরে থাকা (উলু) সংক্রান্ত মাসআলা।

* আল-মুগনি: ফিকহ শাস্ত্রে মুখতাসারুল খিরাকির ব্যাখ্যা।

* আল-মুকনি ফিল ফিকহ।

* ইবনে কুদামার অসিয়তনামা।

দ্বিতীয়ত: অপ্রকাশিত গ্রন্থাবলি:

* কুরআন সম্পর্কে সারখাদ থেকে আসা একটি মাসআলার উত্তর।

--------------------------------------------

১ দেখুন: "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯০)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
* رسالة إلى الشيخ فخر الدين بن تيمية في تخليد أهل البدع في النار.1

*رسالة في التصوف2،ولعلها هي ذم ما عليه مدعوا التصوف.

* رسالة في المذاهب الأربعة3.

* الشافعي.4

* صفة الفلق.5

* فضائل العشر.6

--------------------------------------------

1 انظر: "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/90) .

2 "تاريخ الأدب العربي" (1/398) .

3 "تاريخ الأدب العربي-الملحق-" (1/689) .

4 انظر: "البداية والنهاية" (13/100) .

5 انظر: "معجم البلدان" (2/160) .

6 انظر: "سير أعلام النبلاء" (22/168) ، "فوات الوفيات" (2/159) ، "الوافي بالوفيات" (17/38) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/140) .
* বিদআতপন্থীদের জাহান্নামে চিরস্থায়ী হওয়া প্রসঙ্গে শায়খ ফখরুদ্দিন বিন তাইমিয়্যাহর নিকট প্রেরিত পত্র।১

* তাসাউফ বিষয়ক একটি রিসালাহ২, সম্ভবত এটি তাসাউফের দাবিদারদের রীতিনীতির নিন্দায় রচিত।

* চার মাযহাব বিষয়ক একটি রিসালাহ৩।

* আশ-শাফিঈ।৪

* আল-ফালাক-এর বিবরণ।৫

* দশকের ফযীলতসমূহ।৬

--------------------------------------------

১ দেখুন: "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯০)।

২ "তারিখুল আদাবিল আরবি" (১/৩৯৮)।

৩ "তারিখুল আদাবিল আরবি-পরিশিষ্ট-" (১/৬৮৯)।

৪ দেখুন: "আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া" (১৩/১০০)।

৫ দেখুন: "মু'জামুল বুলদান" (২/১৬০)।

৬ দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২২/১৬৮), "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/১৫৯), "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" (১৭/৩৮), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (২/১৪০)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
* فضائل عاشوراء.1

* القدر.2

*مختصر العلل للخلال.3

*مختصر الهداية في أصول الفقه لأبي الخطاب الكلوذاني.4

--------------------------------------------

1 انظر: "مرآة الزمان" (8/628) ،"سير أعلام النبلاء" (22/168) ، "فوات الوفيات" (2/159) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/140) ، "شذرات الذهب".

2 انظر: "مرآة الزمان" (8/627) ،"سير أعلام النبلاء" (22/168) ، الوافي بالوفيات" (17/38) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/90) .

3 انظر: "سير أعلام النبلاء" (22/168) ، "فوات الوفيات" (2/159) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/91) .

4 انظر: "سير أعلام النبلاء" (22/168) ، "فوات الوفيات" (2/159) ، "الوافي بالوفيات" (17/38) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/91) .
* ১. আশুরার ফযিলতসমূহ।

* ২. তাকদীর।

* ৩. আল-খল্লাল রচিত 'আল-ইলাল'-এর সংক্ষিপ্তসার।

* ৪. আবু আল-খাত্তাব আল-কালওয়াযানী রচিত উসুলুল ফিকহ-এর গ্রন্থ 'আল-হিদায়াহ'-এর সংক্ষিপ্তসার।

--------------------------------------------

১. দেখুন: "মিরআতুয যামান" (৮/৬২৮), "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২২/১৬৮), "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/১৫৯), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৪০), "শাযারাতুয যাহাব"।

২. দেখুন: "মিরআতুয যামান" (৮/৬২৭), "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২২/১৬৮), "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" (১৭/৩৮), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯০)।

৩. দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২২/১৬৮), "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/১৫৯), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯১)।

৪. দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (২২/১৬৮), "ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত" (২/১৫৯), "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" (১৭/৩৮), "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯১)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
* مشيخة ابن قدامة.1

* مقدمة في الفرائض.2

*مناسك الحج.3

* مناظرة بين الحنابلة والشافعية.4

* منهاج القاصدين في فضائل الخلفاء الراشدين.5

* الميزان في أصول الفقه.6

--------------------------------------------

1 انظر:"سير أعلام النبلاء" (22/166-168) ، "فوات الوفيات" (2/159) ، "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/91) .

2 انظر: "هدية العارفين" (1/460) .

3 انظر: "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/91)

4 انظر: "تاريخ الأدب العربي-الملحق-" (1/689) .

5 انظر: "ذيل طبقات الحنابلة" (2/139) ، "شذرات الذهب" (5/90) ، "هدية العارفين" (1/460) .

6 انظر: "تاريخ الأدب العربي" (1/398 من الأصل) .
১. ইবনে কুদামার মাশয়াখাহ (শিক্ষকবৃন্দের তালিকা)।

২. মিরাস শাস্ত্রের (ফারায়িয) ভূমিকা।

৩. হজের নিয়মাবলি।

৪. হাম্বলি এবং শাফেয়িগণের মধ্যকার বিতর্ক।

৫. খোলাফায়ে রাশেদিনের শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক মিনহাজুল কাসিদিন।

৬. উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রের মানদণ্ড (আল-মিজান)।

--------------------------------------------

১ দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২২/১৬৬-১৬৮), "ফাওয়াতুল ওফায়াত" (২/১৫৯), "যায়লু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯১)।

২ দেখুন: "হাদিয়াতুল আরিফিন" (১/৪৬০)।

৩ দেখুন: "যায়লু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯১)।

৪ দেখুন: "তারিখুল আদাবিল আরাবি—পরিশিষ্ট—" (১/৬৮৯)।

৫ দেখুন: "যায়লু তাবাকাতিল হানাবিলা" (২/১৩৯), "শাযারাতুয যাহাব" (৫/৯০), "হাদিয়াতুল আরিফিন" (১/৪৬০)।

৬ দেখুন: "তারিখুল আদাবিল আরাবি" (মূল গ্রন্থের ১/৩৯৮)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
وقد أثنى العلماء على الموفق في علمه خيرا1، حتى قال شيخ الإسلام بن تيمية رحمه الله: "ما دخل الشام بعد الأوزاعي أفقه من الموفق".2

سادسا: وفاته:

توفي شيخ الإسلام موفق الدين، رحمه الله-يوم السبت-وكان يوم عيد الفطر-سنة 6200.

--------------------------------------------

1 انظر: كتب التراجم التي ترجمت له، فإنها ذكرت شيئا كثيرا من ذلك.

2 "ذيل طبقات الحنابلة" (2/136) .
উলামায়ে কিরাম আল-মুওয়াফফাকের ইলমের অনেক প্রশংসা করেছেন১, এমনকি শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: "আওযাঈর পরে শাম দেশে আল-মুওয়াফফাকের চেয়ে বড় কোনো ফকীহ প্রবেশ করেননি।"২

ষষ্ঠ: তাঁর মৃত্যু:

শাইখুল ইসলাম মুওয়াফফাকুদ্দীন রহিমাহুল্লাহ ৬২০ হিজরীর ঈদুল ফিতরের দিন—শনিবার—মৃত্যুবরণ করেন।

--------------------------------------------

১ দেখুন: তাঁর জীবনীগ্রন্থসমূহ, যেগুলোতে তাঁর জীবনী আলোচনা করা হয়েছে, সেখানে এ বিষয়ে অনেক প্রশংসা বর্ণিত হয়েছে।

২ "যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ" (২/১৩৬)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
التعريف بالكتاب

هذه الفتوى لم تطبع-حسب علمي-من قبل، وهي موجودة في قسم المخطوطات بالمكتبة المركزية بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض تحت الرقم (10635/ف12/توحيد) .

وتقع ضمن مجموعة من ص 101 إلى ص 105، وفي كل لوحة عشرون سطرا تقريبا سطرا، وفي كل سطر تسع كلمات تقريبا.

وهي مكتوبة يوم الإثنين 17 رجب 1227 بقلم عبد الصالح بن حسن بن صالح المقدسي الحنبلي السلفي.

وخطها مقروء، وعليها بعض التصحيحات.
বই পরিচিতি

এই ফতোয়াটি—আমার জানামতে—এর আগে কখনো মুদ্রিত হয়নি, এবং এটি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি বিভাগে (১০৬৩৫/ফা১২/তাওহিদ) নম্বরের অধীনে সংরক্ষিত রয়েছে।

এটি একটি সংগ্রহের অন্তর্গত ১০১ পৃষ্ঠা থেকে ১০৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং প্রতিটি পাতায় প্রায় বিশটি করে লাইন এবং প্রতিটি লাইনে প্রায় নয়টি করে শব্দ রয়েছে।

এটি সোমবার ১৭ রজব ১২২৭ হিজরি তারিখে আব্দুস সালেহ বিন হাসান বিন সালেহ আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি আস-সালাফি-এর কলমে লিখিত।

এর হস্তলিপি পাঠযোগ্য এবং এতে কিছু সংশোধনী রয়েছে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
إثبات نسبة هذه الفتوى للموفق

يدل على نسبة هذه الفتوى للموفق أمور:

أولا: ما جاء في مقدمتها.

ثانيا: أن هذه الفتوى طرقت الموضوعات التي بحثها الموفق في كتبه الأخرى ك"البرهان في بيان القرآن"، وكتابه "الصراط المستقيم في إثبات الحرف القديم"، وكتاب "حكاية المناظرة".

ثالثا: أسلوب المؤلف في هذه الفتوى هو أسلوبه في كتبه السابقة، وذلك من حيث العرض والمناقشة والاستدلال.
মুওয়াফফাক-এর প্রতি এই ফতোয়ার সম্পৃক্ততা সাব্যস্তকরণ

মুওয়াফফাক-এর প্রতি এই ফতোয়ার সম্পৃক্ততা বেশ কিছু বিষয় নির্দেশ করে:

প্রথমত: এর ভূমিকায় যা বর্ণিত হয়েছে।

দ্বিতীয়ত: এই ফতোয়াটি এমন সব বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেছে যা মুওয়াফফাক তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে আলোচনা করেছেন, যেমন: "আল-বুরহান ফি বায়ানিল কুরআন", "আস-সিরাত আল-মুস্তাকিম ফি ইসবাতিল হারফিল কদিম" এবং "হিকায়াতুল মুনাজারা" নামক গ্রন্থ।

তৃতীয়ত: এই ফতোয়ায় লেখকের লেখনশৈলী হলো তাঁর পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহের শৈলীর অনুরূপ, যা উপস্থাপন, আলোচনা এবং দলীল উপস্থাপনের দিক থেকে সুস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌رسالة في القرآن وكلام الله

…

بسم الله الرحمن الرحيم.

ما يقول الفقهاء أئمة الدين وسادات المسلمين وفقهم الله بتوفيق العارفين فيمن يعتقد أن كلام الله تعالى معنى قائم بالذات؟ وأن هذه السور والآيات والحروف والكلمات التي هي في مصاحف المسلمين وصدور الحافظين ليست كلام رب العالمين؟ أهم أهل السنة والجماعة الذين وافقوا أئمة دينهم، وتمسكوا بسنة نبيهم، وقفوا طريق صالح سالفهم؟ أم الذين قالوا: إن القرآن الكريم والكلام القديم الذي هو كلام الله العظيم هو هذه السور والآيات والحروف والكلمات التي في مصاحف المسلمين وصدور العالمين، وأي الفريقين أتبع للحق من ربه وتمسك بسنة نبيه وقفا طريق صالح سلفه؟ أفتونا مأجورين مثابين.

--------------------------------------------

في المخطوط: وفهم، ولعل الصواب ما أثبته.
কুরআন ও আল্লাহর কালাম বিষয়ক রিসালাহ

…

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

দীনের ইমাম ও মুসলিমদের নেতৃস্থানীয় ফকিহগণ—আল্লাহ তাঁদের আরিফদের তাওফিক দান করুন—সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, আল্লাহ তাআলার কালাম বা বাণী হলো তাঁর সত্তার সাথে বিদ্যমান একটি অর্থ মাত্র? এবং এই সকল সুরা, আয়াত, বর্ণ ও শব্দ যা মুসলিমদের মুসহাফে এবং হাফেজদের অন্তরে রয়েছে, তা রব্বুল আলামিনের কালাম নয়? তারা কি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত যারা তাদের দীনের ইমামদের সাথে একমত হয়েছে, তাদের নবীর সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরেছে এবং তাদের নেককার পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করেছে? নাকি তারা সত্যের ওপর যারা বলে: নিশ্চয়ই সম্মানিত কুরআন ও অনাদি কালাম যা আল্লাহর মহান বাণী, তা হলো এই সকল সুরা, আয়াত, বর্ণ ও শব্দ যা মুসলিমদের মুসহাফে এবং বিশ্ববাসীর অন্তরে রয়েছে? এই দুই দলের মধ্যে কোনটি তাদের রবের পক্ষ থেকে আগত সত্যের অধিক অনুসারী এবং তাদের নবীর সুন্নাহ ও নেককার পূর্বসূরিদের পথের অধিক অনুসারী? আমাদের ফতোয়া প্রদান করুন, আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান ও সওয়াব দান করবেন।

--------------------------------------------

পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এবং বুঝ", সম্ভবত আমি যা পাঠ্য হিসেবে স্থির করেছি সেটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
أجاب الشيخ الإمام العالم العلامة موفق الدين أبو محمد عبد الله بن قدامة المقدسي رحمه الله تعالى:

الحمد لله رب العالمين، وهو حسبنا ونعم الوكيل.

إن القرآن العظيم الذي هو كلام الله القديم1، المنزل على قلب سيد المرسلين، هو هذا الكتاب العزيز

--------------------------------------------

1 قول المؤلف رحمه الله: "القديم" يحتمل أن يكون نعتا للفظ الجلالة، ويحتمل أن يكون نعتا للقرآن، فإن كان مراده الأول، فإن أسماء الله تعالى وصفاته توقيفية، ولا يجوز أن يسمى الله تعالى بما لم يأتي به النقل، وإن كان قد يتساهل في باب الإخبار، غير أنه لا يجوز أن يعد اسما من أسمائه تعالى قال ابن أبي العز الحنفي رحمه الله في شرح "الطحاوية" (ص 77-78) : "وقد أدخل المتكلمون في أسماء الله تعالى "القديم" وليس هو من الأسماء الحسنى، فإن القديم في لغة العرب التي نزل بها االقرآن: هو المتقدم على غيره، فيقال: هذا قديم للعتيق، وهذا حديث للجديد، ولم يستعملوا هذا الاسم إلا في المتقدم على غيره، لا فيما لم يسبقه عدم، كما قال تعالى: {حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ} والعرجون القديم: الذي يبقى إلى حين وجود العرجون الثاني، فإذا وجد الجديد قيل للأول: قديم، وقال تعالى: {وَإِذْ لَمْ يَهْتَدُوا بِهِ 1 فَسَيَقُولُونَ هَذَا إِفْكٌ قَدِيمٌ} أي: متقدم في الزمان، وقال تعالى: {قَالَ أَفَرَأَيْتُمْ مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ}

فالأقدم مبالغة في القدم، ومنه: القول القديم والجديد للشافعي رحمه الله وقال تعالى: {يَقْدُمُ قَوْمَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَوْرَدَهُمُ النَّارَ} أي: يتقدمهم، ويستعمل منه الفعل لازما ومتعديا، كما يقال: أخذني ما قدم وما حدث، ويقال: هذا قدم هذا، وهو يقدمه، ومنه سميت القدم قدما، لأنها تقدم بقية قدم الإنسان.

وأما إدخال القديم في أسماء الله تعالى فهو مشهور عند أكثر أهل الكلام، وقد أنكر ذلك كثير من السلف والخلف، منهم ابن حزم.

ولا ريب أنه إذا كان مستعملا في نفس التقدم، فإن ما تقدم على الحوادث كلها، فهو أحق بالتقدم من غيره، لكن أسماء الله تعالى هي الأسماء الحسنى التي تدل على خصوص ما يمدح به، والتقدم في اللغة مطلق لا يختص بالتقدم على الحوادث كلها، فلا يكون من الأسماء الحسنى، وجاء الشرع باسمه"الأول" وهو أحسن من "القديم"لأنه يشعر بأن ما بعده آيل إليه، وتابع له، بخلاف "القديم" والله تعالى له الأسماء الحسنى لا الحسنة".
শেখ ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আল্লামা মুয়াফফাকুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন কুদামা আল-মাকদিসি (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) উত্তর দিয়েছেন:

সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।

নিশ্চয়ই এই মহান কুরআন যা আল্লাহর অনাদি বাণী১, যা রাসূলগণের সরদারের হৃদয়ে অবতীর্ণ হয়েছে, তা হলো এই মহিমান্বিত কিতাব।

--------------------------------------------

১ লেখকের (রহিমাহুল্লাহ) উক্তি: "অনাদি" (আল-কাদিম) শব্দটি মহান আল্লাহর নামের বিশেষণ হওয়ার সম্ভাবনা রাখে, আবার কুরআনের বিশেষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রাখে। যদি তাঁর উদ্দেশ্য প্রথমটি হয়, তবে মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলীসমূহ ওহী-নির্ভর (তাওকিফিয়্যাহ); আর মহান আল্লাহকে এমন কোনো নামে অভিহিত করা জায়েজ নেই যা দলিলের মাধ্যমে আসেনি। যদিও তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা বজায় রাখা হয়, তবুও একে মহান আল্লাহর অন্যতম নাম হিসেবে গণ্য করা জায়েজ নেই। ইবনে আবিল ইয আল-হানাফী (রহিমাহুল্লাহ) 'শরহুত তাহাবিয়্যাহ' (পৃ. ৭৭-৭৮)-এ বলেছেন: "ইলমুল কালামবিদগণ আল্লাহর নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত 'অনাদি' (আল-কাদিম) শব্দটিকে ঢুকিয়েছেন, অথচ এটি আসমাউল হুসনার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ আরবি ভাষায়, যে ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, সেখানে 'কাদিম' অর্থ হলো এমন কিছু যা অন্য কিছুর অগ্রবর্তী। যেমন পুরাতন বস্তুর ক্ষেত্রে বলা হয় 'কাদিম' এবং নতুনের ক্ষেত্রে বলা হয় 'হাদিস'। তারা এই শব্দটি কেবল অন্য কিছুর অগ্রবর্তী হওয়া বোঝাতেই ব্যবহার করে, এমন কিছু বোঝাতে নয় যার পূর্বে কোনো অনস্তিত্ব ছিল না। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন: {পরিশেষে তা শুকনো খেজুর শাখার (আল-উরজুনিল কাদিমি) মতো হয়ে যায়}। আর 'প্রাচীন খেজুর শাখা' বলতে যা দ্বিতীয় নতুন শাখা আসা পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে।

সুতরাং যখন নতুন কিছু পাওয়া যায়, তখন পূর্বেরটিকে 'প্রাচীন' (কাদিম) বলা হয়। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {আর যখন তারা এর দ্বারা হেদায়াতপ্রাপ্ত হলো না, তখন তারা বলবে—এটি এক প্রাচীন মিথ্যা}, অর্থাৎ যা সময়ের দিক থেকে অগ্রবর্তী। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {তিনি বললেন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ যা তোমরা ইবাদত করতে...}।

আর 'আল-আকদাম' শব্দটি প্রাচীনত্বের আধিক্য বোঝায়। এখান থেকেই ইমাম শাফেয়ী (রহিমাহুল্লাহ)-এর 'পুরাতন মত' (কাওলুল কাদিম) এবং 'নতুন মত' (কাওলুল জাদিদ) কথাটি এসেছে। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {সে কিয়ামতের দিন তার সম্প্রদায়ের আগে আগে থাকবে এবং তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে} অর্থাৎ সে তাদের অগ্রবর্তী হবে। এর ক্রিয়াটি অকর্মক ও সকর্মক উভয়ভাবেই ব্যবহৃত হয়, যেমন বলা হয়: 'যা আগে ঘটেছে এবং যা পরে ঘটেছে তা আমাকে গ্রাস করেছে', এবং বলা হয়: 'এটি সেটির অগ্রবর্তী এবং সে এর সামনে অগ্রসর হচ্ছে'। এখান থেকেই মানুষের পা-কে 'কাদাম' বলা হয়, কারণ এটি শরীরের বাকি অংশের অগ্রে থাকে।

আর মহান আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে 'অনাদি' (আল-কাদিম) শব্দটিকে অন্তর্ভুক্ত করা অধিকাংশ ইলমুল কালামবিদদের নিকট প্রসিদ্ধ, তবে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অনেক আলেম একে প্রত্যাখ্যান করেছেন, যাদের মধ্যে ইবনে হাজম অন্যতম।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যদি এটি নিছক 'অগ্রবর্তী' হওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে যা সমস্ত নতুন সৃষ্ট বিষয়ের অগ্রবর্তী, তা অন্যদের তুলনায় অগ্রবর্তী হওয়ার অধিক হকদার। কিন্তু মহান আল্লাহর নামসমূহ হলো সেই 'সুন্দরতম নামসমূহ' (আসমাউল হুসনা) যা বিশেষ প্রশংসনীয় গুণ নির্দেশ করে। আর ভাষাগতভাবে 'অগ্রবর্তী হওয়া' একটি সাধারণ অর্থ যা কেবল সমস্ত নতুনের ঊর্ধ্বে অগ্রবর্তী হওয়াকেই নির্দিষ্ট করে না, তাই এটি আসমাউল হুসনার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। শরীয়তে আল্লাহর নাম হিসেবে 'আল-আউয়াল' (প্রথম/অনাদি) শব্দটি এসেছে, যা 'আল-কাদিম' শব্দের চেয়ে অধিক উত্তম। কারণ এটি ইঙ্গিত দেয় যে, এর পরবর্তী সবকিছু তাঁরই মুখাপেক্ষী এবং তাঁর অনুগামী, যা 'আল-কাদিম' শব্দের ক্ষেত্রে নেই। আর মহান আল্লাহর জন্য রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ, কেবল সুন্দর নাম নয়।"
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
المبين، المكتوب في المصاحف، المحفوظ في الصدور، وهو سور محكمات وآيات بينات، وكلمات تامات، من قرأه فأعربه فله بكل حرف عشر حسنات، أوله سورة الفاتحة وآخره الناس.

سماه الله تعالى قرآنا وفرقانا، وكتابا، وذكرا وروحا، ونورا وضياء، وهدى، ووصفه بكونه عربيا1

--------------------------------------------

1وإن كان مراد المؤلف هو الثاني، وهو أنه نعت للقرآن، فإن هذا اللفظ من الألفاظ المخترعة المبتدعة أيضا.

قال شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله في "التسعينية" (2/612) :" الوجه الثاني: أن أحدا من السلف والأئمة لم يقل: إن القرآن قديم، وإنه لا يتعلق بمشيئته وقدرته".

قال الشيخ سليمان بن سحمان في تعليقه على قول السفاريني: "كلامه سبحانه قديم" (1/131) : "هو من جنس ما قبله من الألفاظ المبتدعة المخترعة التي لم ينطق بها سلف الأمة وأئمتها، والذي عليه أهل السنة والجماعة المخالفون لأهل البدع: أن كلام الله سبحانه وتعالى حادث الآحاد، قديم النوع، وأنه يتكلم بمشيئته وقدرته، إذا شاء لا يمتنع عليه شيء أراده، وأن الله تعالى متصف بالصفات الاختيارية القائمة به".
সুস্পষ্ট, যা মুসহাফসমূহে লিখিত, অন্তরে সংরক্ষিত, এবং এটি সুসংবদ্ধ সূরাসমূহ, সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ ও পূর্ণাঙ্গ শব্দসমূহ; যে ব্যক্তি এটি পাঠ করল এবং এর ব্যাকরণগত বিশুদ্ধতা বজায় রাখল, তার জন্য প্রতিটি অক্ষরে দশটি নেকি রয়েছে। এর শুরু সূরা আল-ফাতিহা এবং এর শেষ সূরা আন-নাস।

মহান আল্লাহ এর নামকরণ করেছেন কুরআন, ফুরকান, কিতাব, যিকর, রূহ, নূর, জ্যোতি এবং হিদায়াত হিসেবে; এবং তিনি একে আরবি হিসেবে বর্ণনা করেছেন ১

--------------------------------------------

১ যদিও লেখকের উদ্দেশ্য দ্বিতীয়টি হয়—অর্থাৎ এটি কুরআনের একটি বিশেষণ—তবে এই শব্দটিও উদ্ভাবিত ও নবপ্রবর্তিত পরিভাষাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) 'আত-তিসয়িনিয়্যাহ' (২/৬১২) গ্রন্থে বলেছেন: "দ্বিতীয় দিকটি হলো: সালাফ ও ইমামদের কেউই বলেননি যে, কুরআন অনাদি (কাদীম), এবং এটি তাঁর ইচ্ছা ও ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।"

শাইখ সুলাইমান ইবনে সাহমান আস-সাফারিনির উক্তি— "তাঁর (সুবহানাহু) কালাম অনাদি"—এর টিকায় (১/১৩১) বলেছেন: "এটিও পূর্ববর্তী উদ্ভাবিত ও নবপ্রবর্তিত শব্দগুলোর পর্যায়ভুক্ত যা উম্মতের সালাফ ও ইমামগণ উচ্চারণ করেননি। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ, যারা বিদআতিদের বিরোধী, তাদের অভিমত হলো: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কালাম একক বক্তৃতার দিক থেকে নতুনভাবে সংঘটিত (হাদিসুল আহাদ) কিন্তু জাতিগতভাবে অনাদি (কাদীমুন নাউ); তিনি তাঁর ইচ্ছা ও ক্ষমতা অনুযায়ী কথা বলেন—যখন তিনি চান। তিনি যা চান তাতে কোনো কিছুই তাঁকে বাধা দিতে পারে না। আর আল্লাহ তাআলা তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট ইচ্ছাধীন গুণাবলি (সিফাত ইখতিয়ারিয়্যাহ) দ্বারা গুণান্বিত।"
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
وهاديا ورحمة وشفاء، ينذر ويبشر، ويهدي ويقص، ويقرأ ويتلى ويسمع، ويحفظ ويكتب.

نزله الله تنزيلا، ورتله، وسماه قولا ثقيلا، وفضله على سائر الكتب تفضيلا، وأحكمت آياته ثم فصلت تفصيلا.

أمر الله بترتيله، وامتن بتنزيله، وشهد الله والملائكة بإنزاله إلى رسوله {هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ} .1

ندب الله إلى الإستعاذة عند قراءته، وأمر بالاستماع والإنصات عند تلاوته، فمن اعتقد أنه القرآن فقد أصاب، وهدي إلى الصراط المستقيم، واعتقد معتقد المسلمين.

--------------------------------------------

1 سورة آل عمران، آية (7)
(এটি) পথপ্রদর্শক, রহমত এবং আরোগ্য দানকারী; তা সতর্ক করে ও সুসংবাদ প্রদান করে, পথ দেখায় ও বর্ণনা করে; তা পাঠ করা হয়, তিলাওয়াত করা হয় এবং শোনা হয়; আর তা মুখস্থ করা হয় ও লিপিবদ্ধ করা হয়।

আল্লাহ তা যথাযথভাবে অবতীর্ণ করেছেন, সুবিন্যস্তভাবে পাঠ করেছেন, একে 'গুরুভার বাণী' হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং অন্যান্য সমস্ত কিতাবের ওপর একে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন। এর আয়াতসমূহ সুসংহত করা হয়েছে, অতঃপর বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

আল্লাহ এটি সুবিন্যস্তভাবে পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন, এটি অবতীর্ণ করার মাধ্যমে অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর রাসূলের প্রতি এটি নাযিল করার বিষয়ে আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দিয়েছেন: {তিনিই সেই সত্তা যিনি আপনার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার কিছু আয়াত সুস্পষ্ট—এগুলোই কিতাবের মূল ভিত্তি, আর অন্যগুলো রূপক। যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে, তারা ফিতনা সৃষ্টি ও অপব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে রূপক আয়াতগুলোর অনুসরণ করে}। ১

আল্লাহ এটি পাঠ করার সময় (শয়তান থেকে) আশ্রয় প্রার্থনার প্রতি উৎসাহিত করেছেন এবং এর তিলাওয়াতের সময় মনোযোগ সহকারে শোনার ও চুপ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব, যে ব্যক্তি বিশ্বাস করল যে এটি কুরআন, সে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হলো, সরল সঠিক পথের দিশা পেল এবং মুসলিমদের আকিদাই পোষণ করল।

--------------------------------------------

১ সূরা আলে ইমরান, আয়াত (৭)
(খণ্ড: ১) রিসালাতুন ফিল কুরআনি ওয়া কালামিল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
ومن زعم أن هذا الكتاب غير القرآن، وأنه كلام المخلوقين، وأن القرآن معنى في النفس لا ينزل ولا يقرأ، ولا يسمع ولا يتلى، ولا ينفع، ولا له أول ولا آخر، ولا جزء ولا بعض، ولا هو سور، ولا آيات وحروف، ولا كلمات، فهذا زنديق راد على رب العالمين، وعلى رسوله الصادق الأمين، مخالف لجميع المسلمين، ناكب عن الصراط المستقيم.

أما رده على الله سبحانه فإن الله تعالى قال: {وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلاً} 1،وقال: {وَقُرْآناً فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَى مُكْثٍ وَنَزَّلْنَاهُ تَنْزِيلاً} 2،وقال: {لَكِنِ اللَّهُ يَشْهَدُ بِمَا أَنْزَلَ إِلَيْكَ أَنْزَلَهُ بِعِلْمِهِ وَالْمَلائِكَةُ يَشْهَدُونَ وَكَفَى بِاللَّهِ شَهِيداً} .3

والذي يرتل وينزل ويقرأ، إنما هو هذا الكتاب.

--------------------------------------------

1 سورة المزمل، آية (4) .

2 -سورة الإسراء، آية (106) ، وقد جاء في الأصل: ورتلناه ترتيلا، وهو خطأ.

3 سورة النساء، آية (166)
আর যে ব্যক্তি দাবি করে যে এই কিতাবটি কুরআন নয়, বরং এটি মাখলুক বা সৃষ্টির বাণী, এবং কুরআন হলো কেবল অন্তরের একটি অর্থ যা নাযিল হয় না, পাঠ করা হয় না, শোনা যায় না, তিলাওয়াত করা হয় না, কোনো উপকার দেয় না, যার কোনো শুরু বা শেষ নেই, কোনো অংশ বা টুকরো নেই, যা কোনো সূরা নয়, কোনো আয়াত বা হরফ নয় এবং কোনো শব্দও নয়—তবে সে একজন যিন্দিক, যে বিশ্বজগতের প্রতিপালক এবং তাঁর সত্যবাদী ও আমানতদার রাসূলের কথার প্রত্যাখ্যানকারী, সকল মুসলিমের বিরোধী এবং সিরাতুল মুস্তাকিম থেকে বিচ্যুত।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রতি তার এই প্রত্যাখ্যানের কারণ হলো, আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {আর আপনি কুরআন তিলাওয়াত করুন সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে} ১, এবং তিনি বলেছেন: {আর আমি কুরআনকে ভাগে ভাগে নাযিল করেছি যাতে আপনি তা মানুষের কাছে বিরতি দিয়ে দিয়ে পাঠ করেন এবং আমি তা ধারাবাহিকভাবে নাযিল করেছি} ২, এবং তিনি বলেছেন: {কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যা তিনি আপনার প্রতি নাযিল করেছেন সে বিষয়ে; তিনি তা স্বীয় জ্ঞানে নাযিল করেছেন এবং ফেরেশতারাও সাক্ষ্য দিচ্ছে; আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট} ৩।

আর যা সুবিন্যস্তভাবে তিলাওয়াত করা হয়, নাযিল করা হয় এবং পাঠ করা হয়, তা মূলত এই কিতাবটিই।

--------------------------------------------

১ সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াত (৪)।

২ -সূরা আল-ইসরা, আয়াত (১০৬), মূল পাঠে এসেছে: ‘আর আমি তা উত্তমরূপে পাঠ (তারতীল) করেছি’, যা একটি ভুল।

৩ সূরা আন-নিসা, আয়াত (১৬৬)