القسم: البلاغة
الكتاب: البلاغة 1 - البيان والبديع
كود المادة: LARB4093
المرحلة: بكالوريوس
المؤلف: مناهج جامعة المدينة العالمية
الناشر: جامعة المدينة العالمية
عدد الصفحات: 509
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 جُمادَى الآخرة 1433
বিভাগ: অলঙ্কারশাস্ত্র (বালাগাহ)
বই: আল-বালাগাহ ১ - আল-বায়ান ও আল-বাদী'
বিষয় কোড: LARB4093
স্তর: স্নাতক
লেখক: আল-মাদিনাহ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পাঠ্যক্রমসমূহ
প্রকাশক: আল-মাদিনাহ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০৯
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাহ সংস্করণে প্রকাশের তারিখ: ২৬ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৩
অতএব, কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করা, এটি শিক্ষা করা এবং এর অর্থসমূহ অনুধাবন করা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। আর অলঙ্কারশাস্ত্র (ইলমে বালাগাত) শিক্ষা করা ব্যতীত তা অর্জনের অন্য কোনো পথ নেই। এ কারণেই মুফাসসির এবং উলূমুল কুরআন সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ আলেম উল্লেখ করেছেন যে, অলঙ্কারশাস্ত্র শিক্ষা করা হলো সেই সব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত যা একজন শরয়ী ইলম অন্বেষণকারীর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যারা স্পষ্টভাবে এটি ব্যক্ত করেছেন, আমি তাদের মধ্য থেকে ইমাম যামাখশারীর কথা উল্লেখ করছি। তিনি তাঁর ‘আল-কাশশাফ’ গ্রন্থে আল-জাহিজের ‘নাযমুল কুরআন’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করে উল্লেখ করেছেন: “নিশ্চয়ই একজন ফকীহ যদি ফতোয়া ও আহকামের জ্ঞানে তাঁর সমসাময়িকদের ছাড়িয়েও যান, একজন ওয়ায়েজ (উপদেশদাতা) যদি হাসান বসরীর চেয়েও বড় উপদেশদাতা হন, একজন নাহবী (ব্যাকরণবিদ) যদি সিবওয়াইহ-এর চেয়েও বড় ব্যাকরণবিদ হন এবং একজন ভাষাবিদ যদি তাঁর চোয়ালের সমস্ত শক্তি দিয়ে ভাষাসমূহকে চিবিয়েও ফেলেন—ভাষাসমূহ চিবিয়ে ফেলা মানে হলো: তা যথাযথভাবে হজম করা, আয়ত্ত করা এবং পরিপূর্ণভাবে বুঝতে পারা—তবুও কেউ সেই পথসমূহে বিচরণ করতে পারবে না এবং সেই সব গূঢ় তত্ত্বের গভীরে ডুব দিতে পারবে না, যতক্ষণ না সে কুরআনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ দুটি বিদ্যায় পারদর্শী হয়। আর সেই দুটি হলো: ইলমুল মাআনী ও ইলমুল বায়ান। সে দীর্ঘ সময় ধরে এই দুটি বিদ্যা অন্বেষণে নিমগ্ন থেকেছে, দীর্ঘকাল এগুলোর সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় অনুসন্ধানে ধৈর্য ধারণ করেছে এবং এগুলোর উৎস সন্ধানে তাঁর প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাকে তাড়িত করেছে।”
এটি ইমাম যামাখশারীর বক্তব্য। ইমাম সুয়ূতীও তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলূমিল কুরআন’ গ্রন্থে এই দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি গ্রন্থটিকে আশিটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছেন এবং আটাত্তরতম পরিচ্ছেদে আলেমদের সেই সব বক্তব্য উল্লেখ করেছেন যেখানে একজন মুফাসসিরের জন্য যে বিদ্যাগুলো জানা শর্ত, তার আলোচনা এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে যে এই বিদ্যাগুলো সংখ্যায় পনেরোটি; যার মধ্যে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম হলো যথাক্রমে মাআনী, বায়ান এবং বাদী। তিনি বলেন: “কেননা প্রথমটির (মাআনী) মাধ্যমে বাক্যের গঠনশৈলীর এমন সব বৈশিষ্ট্য জানা যায় যার দ্বারা অর্থের পূর্ণতা প্রকাশ পায়। দ্বিতীয়টির (বায়ান) মাধ্যমে বাক্যের অর্থের স্পষ্টতা ও অস্পষ্টতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানা যায়। এবং তৃতীয়টির (বাদী) মাধ্যমে বাক্যকে অলঙ্কৃত ও সুন্দর করার পদ্ধতিসমূহ জানা যায়।”তিনি বলেন: “এই তিনটি বিদ্যাই মূলত অলঙ্কারশাস্ত্র (ইলমে বালাগাত), যা একজন মুফাসসিরের জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্তম্ভ। কারণ একজন মুফাসসিরের জন্য কুরআনের অলৌকিকত্বের দাবিগুলো রক্ষা করা অপরিহার্য, আর মূলত এই বিদ্যাগুলোর মাধ্যমেই সে সেই সোপানে আরোহণ করতে পারে।”