(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: -)
حديث يحيى بن معين رواية أبي منصور الشيباني القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء فيه أحاديث يحيى بن معين
المؤلف: أبو زكريا يحيى بن معين بن عون بن زياد بن بسطام بن عبد الرحمن (ت 233هـ)
رواية: أبي منصور يحيى بن أحمد الشيباني
المحقق: د. عبد الله محمد حسن دمفو
دار النشر: دار المآثر - المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1420هـ، 2000م
عدد الصفحات: 182
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন-এর হাদীস, আবু মানসুর আশ-শায়বানী-র বর্ণনা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন-এর হাদীস সম্বলিত একটি জুয (খণ্ড)
লেখক: আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন ইবনে আওন ইবনে জিয়াদ ইবনে বিসতাম ইবনে আবদুর রহমান (মৃত্যু ২৩৩ হিজরি)
বর্ণনা: আবু মানসুর ইয়াহইয়া ইবনে আহমাদ আশ-শায়বানী
মুহাক্কিক (সম্পাদক): ড. আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ হাসান দামফু
প্রকাশনী: দারুল মাআসির - মদিনা মুনাওয়ারাহ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি, ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮২
[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কিতাবের অনুরূপ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: -)
طبع هَذَا الْكتاب فِي دَار المآثر بِالْمَدِينَةِ النَّبَوِيَّة
بتحقيق د/ عبد الله مُحَمَّد حسن دمفو
الطبعة الأولى 1420هـ
وَهُوَ جُزْء لطيف يشْتَمل على عدد من الْأَحَادِيث النَّبَوِيَّة وَكَذَلِكَ بعض الْمسَائِل فِي العقيدة وَالْفِقْه،،
وَكَذَلِكَ بعض كَلَام فِي الروَاة جرحا وتعديلاً،،،
فَهُوَ جُزْء نَفِيس يشْتَمل على فَوَائِد، رغم صغر حجمه
وَمن الْفَوَائِد المهمة فِي هَذَا الْجُزْء، ذكر بعض الْمسَائِل الْفِقْهِيَّة الَّتِى لَا تُوجد عَن ابْن معِين فِي غير هَذَا الْكتاب، ص/159وَكَذَلِكَ كَلَامه فِي رِوَايَة عَطاء عَن عَائِشَة - رشي الله عَنْهَا - ص/169 كَذَلِك يُوجد عِنْده حديثين لَا تُوجد أسانيدها عِنْد غَيره،، وَغير ذَلِك من الْفَوَائِد،،
وراوي هَذَا الْجُزْء هُوَ الشَّيْخ أَبُو مَنْصُور يحيى بن أَحْمد بن زِيَاد الشَّيْبَانِيّ، تُوجد لَهُ تَرْجَمَة فِي تَارِيخ الْإِسْلَام للذهبي (وفيات 291-300) ص 321
((يحيى بن أَحْمد زِيَاد. أَبُو مَنْصُور السفياني الْهَرَوِيّ.
سمع: خَالِد بن الصَّباح، وَيحيى بن معِين، وَأحمد بن سعيد الدَّارمِيّ.
وَعنهُ: أَبُو إِسْحَاق الْبَزَّار الْحَافِظ، وَالْفضل بن الْعَبَّاس، وَأَبُو الْفضل بن حَمْدَوَيْه.
مَاتَ سنة ثَمَان وَتِسْعين وَمِائَتَيْنِ) انْتهى.
والسفياني تَصْحِيف وَالصَّوَاب الشَّيْبَانِيّ كَمَا بَينه الْمُحَقق.
وَهَذِه التَّرْجَمَة الوحيدة الَّتِي وقف عَلَيْهَا الْمُحَقق، وَهِي تَرْجَمَة نادرة وخاصة أَن الدكتور أَحْمد نور سيف أَشَارَ إِلَى أَنه لم يقف على تَرْجَمَة للْمُصَنف، وَهَذَا الْأَمر يدعوا إِلَى الاستغراب، فحالة الشياني هَذَا أحسن من بعض الروَاة عَن يحيى بن معِين الَّذين لايعرف لَهُ تَرْجَمَة موسعة مثل ابْن مُحرز -رغم كَثْرَة السؤالات المنقولة عَنهُ، وَلَكِن أهل الْعلم تلقوا رِوَايَته بِالْقبُولِ (أَحْمد نور سيف-تَارِيخ ابْن معِين (1/ص143)) . (*)
--------------------------------------------
এই বইটি মদীনা নববীয়াহর দারুল মাআসির থেকে প্রকাশিত হয়েছে
ড. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান দামফুর সম্পাদনায়
প্রথম প্রকাশ ১৪২০ হিজরী
এটি একটি চমৎকার ক্ষুদ্র সংকলন (জুয) যা বেশ কিছু নববীয় হাদীস এবং সেই সাথে আকীদা ও ফিকহ শাস্ত্রের কিছু মাসআলা অন্তর্ভুক্ত করে,
পাশাপাশি বর্ণনাকারীদের জারহ ও তাদীল (দোষ ও গুণাগুণ বিচার) সংক্রান্ত কিছু আলোচনাও এতে রয়েছে,
সুতরাং এটি একটি মূল্যবান সংকলন যা ক্ষুদ্র আকার সত্ত্বেও অনেক জ্ঞানতাত্ত্বিক উপকারে (ফাওয়ায়েদ) সমৃদ্ধ
এই সংকলনের গুরুত্বপূর্ণ উপকারসমূহের মধ্যে রয়েছে ইবনে মাঈন থেকে বর্ণিত এমন কিছু ফিকহী মাসআলার উল্লেখ যা এই কিতাব ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যায় না, পৃষ্ঠা/১৫৯। একইভাবে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে আতার বর্ণিত বর্ণনার ব্যাপারে তার মন্তব্য, পৃষ্ঠা/১৬৯। এছাড়াও এতে এমন দুটি হাদীস রয়েছে যেগুলোর সনদ অন্য কারও নিকট পাওয়া যায় না এবং আরও অনেক জ্ঞানগর্ভ বিষয় এতে রয়েছে।
এই সংকলনের বর্ণনাকারী হলেন শায়খ আবু মনসুর ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন যিয়াদ আল-শাইবানী। আয-যাহাবীর 'তারিখুল ইসলাম' গ্রন্থে (মৃত্যু ২৯১-৩০০ হিজরী) ৩২১ পৃষ্ঠায় তার জীবনী পাওয়া যায়:
((ইয়াহইয়া বিন আহমদ যিয়াদ। আবু মনসুর আস-সুফিয়ানী আল-হারাভী।
তিনি হাদীস শুনেছেন: খালিদ বিন আস-সাবাহ, ইয়াহইয়া বিন মাঈন এবং আহমদ বিন সাঈদ আদ-দারিমীর নিকট থেকে।
তার থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু ইসহাক আল-বাযযার আল-হাফিয, আল-ফজল বিন আল-আব্বাস এবং আবু আল-ফজল বিন হামদাওয়াইহ।
তিনি ২৯৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন)) সমাপ্ত।
'আস-সুফিয়ানী' শব্দটি একটি লিখনপ্রমাদ (তাসহিফ), সঠিক হলো 'আল-শাইবানী', যা সম্পাদক স্পষ্ট করেছেন।
এই জীবনীটিই একমাত্র যা সম্পাদক খুঁজে পেয়েছেন এবং এটি একটি বিরল জীবনী। বিশেষ করে যেখানে ড. আহমদ নূর সাইফ উল্লেখ করেছেন যে তিনি গ্রন্থকারের কোনো জীবনী খুঁজে পাননি, যা একটি বিস্ময়কর বিষয়। এই শাইবানীর অবস্থা ইয়াহইয়া বিন মাঈনের নিকট থেকে বর্ণনাকারী এমন কিছু রাবীর চেয়ে ভালো যাদের কোনো বিস্তারিত জীবনী জানা নেই, যেমন ইবনে মুহরিয—তার থেকে বর্ণিত অসংখ্য প্রশ্ন (সুয়ালাত) থাকা সত্ত্বেও উলামায়ে কেরাম তার বর্ণনাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন (আহমদ নূর সাইফ- তারিখ ইবনে মাঈন (১/১৪৩))। (*)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
جُزْءٌ فِيهِ مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ رِوَايَةُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْحَاكِمِ أَبِي مَنْصُورٍ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الشِّيرَازِيِّ ، حَرَسَهُ اللَّهُ ، عَنِ الشَّيْخِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّيْثِ الشَّاهِدِ ، رحمه الله.
بسم الله الرحمن الرحيم
ইয়াহইয়া ইবনে মঈন-এর হাদিস সংবলিত একটি অংশ; যা শায়খ, ইমাম, আল-হাকিম আবু মানসুর আবদুর রহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আশ-শিরাজী (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল লাইস আশ-শাহিদ (আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন) থেকে।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
وَأَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ عَبْدُ الرَّحِيمِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّيْثِ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو الْفَضْلُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خُمَيْرَوَيْهِ الْكَرَابِيسِيُّ، بِهَرَاةَ، نَا أَبُو مَنْصُورٍ يَحْيَى بْنُ أَحْمَدَ بْنِ زِيَادٍ الشَّيْبَانِيُّ،
1 - نَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا ابْنُ مَهْدِيٍّ
⦗ص: 41⦘ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ أَبِي الرَّبِيعِ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي
⦗ص: 42⦘ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، مَوْلَى يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: دَخَلْتُ مَسْجِدَ دِمَشْقَ وَهُمْ مُجْتَمِعُونَ عَلَى شَيْخٍ وَهُوَ يُحَدِّثُهُمْ، يُقَالُ لَهُ سَهْلُ بْنُ
⦗ص: 43⦘ الْحَنْظَلِيَّةِ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ أَكَلَ لَحْمًا فَلْيَتَوَضَّأْ»
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকিম আব্দুর রহিম, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-লাইস আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, ৪৪৩ হিজরি সনের রমজান মাসে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন খুমাইরাওয়াইহ আল-কারাবিসি, হেরাতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন জিয়াদ আশ-শায়বানি,
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন মাহদি
⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ মুয়াবিয়া বিন সালিহ থেকে, তিনি সুলাইমান আবু আর-রাবি থেকে, তিনি কাসিম আবু
⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ আব্দুর রহমান থেকে, যিনি ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার মুক্তদাস ছিলেন, তিনি বলেন: আমি দামেস্কের মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং দেখলাম তারা একজন শাইখের নিকট একত্রিত হয়ে আছেন এবং তিনি তাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করছেন, তাকে সাহল বিন
⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ আল-হানজালিয়া বলা হয়। অতঃপর আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«যে ব্যক্তি মাংস খাবে, সে যেন অজু করে»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
2 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا مَعْنٌ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «لَمْ يُصَافِحْ رَسُولُ اللَّهِ امْرَأَةً قَطُّ»
২ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মা'ন বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনোই কোনো নারীর সাথে করমর্দন করেননি»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৫১)
3 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ كَانُوا يَنْزِلُونَ الْمُحَصَّبَ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, উবায়দুল্লাহ থেকে, নাফি থেকে, ইবনে উমর থেকে বর্ণিত যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর, উমর এবং উসমান আল-মুহাসসাবে অবতরণ করতেন।»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
4 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي ، يُحَدِّثُ عَنِ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ ⦗ص: 59⦘ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، " أَنَّ امْرَأَةً كَانَ يُقَالُ لَهَا أُمُّ مَهْزُولٍ كَانَتْ تَكُونُ بِأَجْيَادٍ، وَكَانَتْ تُسَافِحُ وَتَشْتَرِطُ لِلرَّجُلِ يَتَزَوَّجُهَا أَنْ تَكْفِيَهُ النَّفَقَةَ، وَأَنَّ رَجُلا مِنَ الْمُسْلِمِينَ ⦗ص: 60⦘ اسْتَأْذَنَ فِيهَا نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَرَأَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَذِهِ الآيَةَ ، وأنزلت: {الزَّانِي لَا يَنْكِحُ إِلا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً} [النُّور: 3] "
৪ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে আল-হাদরামি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আল-কাসিম ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন যে, "উম্মু মাহজুল নামক এক নারী ছিল, সে আজইয়াদ নামক স্থানে থাকত। সে ব্যভিচার করত এবং যে ব্যক্তি তাকে বিয়ে করত তার কাছে সে এই শর্তারোপ করত যে, সে তার ভরণপোষণের দায়িত্ব বহন করবে। তখন মুসলমানদের এক ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার ব্যাপারে অনুমতি চাইলেন। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াতটি পাঠ করলেন এবং তা অবতীর্ণ হয়েছিল: {ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিণী অথবা মুশরিক নারীকে বিয়ে করবে} [আন-নূর: ৩]"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
5 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ ⦗ص: 65⦘ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خُفِّفَ الْقُرْآنُ عَلَى دَاوُدَ عليه السلام، وَكَانَ يَأْمُرُ بِدَابَّتِهِ أَنْ تُسْرَجَ فَلا يُفْرَغُ مِنْهَا حَتَّى يَقْرَأَ الْقُرْآنَ، وَكَانَ يَأْكُلُ مِنْ عَمَلِ يَدَيْهِ»
৫ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে ইউসুফ ও আবদুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৫⦘ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য কুরআন পাঠ সহজ করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর বাহন জন্তুকে জিন পরানোর নির্দেশ দিতেন, আর জিন পরানো শেষ হওয়ার পূর্বেই তিনি কুরআন পাঠ সম্পন্ন করতেন, আর তিনি নিজ হাতের উপার্জিত খাদ্য গ্রহণ করতেন»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
6 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم «إِنَّمَا سُمِّيَ الْخَضِرَ لأَنَّهُ جَلَسَ عَلَى فَرْوَةٍ بَيْضَاءَ فَاهْتَزَّتْ تَحْتَهُ خَضْرَاءَ»
৬ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম ইবনে ইউসুফ ও আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “নিশ্চয়ই তাঁর নাম ‘খিদির’ রাখা হয়েছে এ কারণে যে, তিনি একটি সাদা শুষ্ক ঘাসযুক্ত জমিনের ওপর বসেছিলেন, অতঃপর সেটি তাঁর নিচে সবুজ হয়ে আন্দোলিত হয়ে উঠেছিল।”
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৭১)
7 - وَقَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا قَرْيَةٍ آتَيْتُمُوهَا فَأَقَمْتُمْ فِيهَا فَسَهْمُكُمْ فِيهَا، وَأَيُّمَا قَرْيَةٍ عَصَتِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَخُمُسُهَا لِلَّهِ وَلِرَسُولِهِ ثُمَّ هِيَ لَكُمْ»
৭ - এবং আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা যে কোনো জনপদেই আসো এবং তাতে অবস্থান করো, তবে তাতে তোমাদের অংশ রয়েছে; আর যে কোনো জনপদ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করবে, তার এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য, এরপর তা তোমাদের জন্য।»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي ⦗ص: 74⦘ خَالِدٍ، عَنْ سَعْدٍ الطَّائِيِّ، قَالَ: الْعَرْشُ يَاقُوتَةٌ حَمْرَاءُ
আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু উসামাহ বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবি ⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ খালিদ থেকে, তিনি সাদ আত-তাঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আরশ হলো একটি লাল ইয়াকুত পাথর।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
8 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا أَبُو عُبَيْدَةَ الْحَدَّادُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ شَبِيبٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ، عَنْ ⦗ص: 79⦘ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ كَانَ فِي هَذَا الْمَسْجِدِ مِائَةُ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ، ثُمَّ تَنَفَّسَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ النَّارِ فَأَصَابَهُمْ نَفَسُهُ لأَحْرَقَ الْمَسْجِدَ بِمَنْ فِيهِ»
৮ - ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উবায়দাহ আল-হাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে হাস্সান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে শাবীব থেকে, তিনি জাফর ইবনে আবু ওয়াহশিয়াহ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৭৯⦘ সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যদি এই মসজিদে এক লক্ষ বা তারও বেশি লোক থাকত, অতঃপর জাহান্নামীদের মধ্য হতে কোনো এক ব্যক্তি নিশ্বাস ছাড়ত এবং তার সেই নিশ্বাস তাদের দেহে লাগত, তবে তা মসজিদসহ তার মধ্যকার সকলকে জ্বালিয়ে দিত।»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
9 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ صَالِحٍ الأَسَدِيِّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ⦗ص: 82⦘ الأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها وَعَنْ أَبِيهَا، قَالَتْ: «مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمْتَنِعُ مِنْ شَيْءٍ مِنْ وَجْهِي وَهُوَ صَائِمٌ»
৯ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি যায়িদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন সালিহ আল-আসাদি থেকে, তিনি আশ-শাবি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল ⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ আশআস ইবনে কাইস থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এবং তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় আমার মুখমণ্ডলের কোনো কিছু (স্পর্শ বা চুম্বন) থেকে বিরত হতেন না»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
10 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ الدَّرَاوَرْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، وَأَخِيهِ الْعُمَرِيِّ ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ⦗ص: 89⦘ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَضَ عَلَى كُلِّ حَائِطٍ بِقِنْوٍ لِلْمَسْجِدِ» ، قَالَ أَبُو مَنْصُورٍ يَحْيَى بْنُ أَحْمَدَ: سَمِعْتُ أَبَا الْهَيْثَمِ، يَقُولُ: مَعْنَاهُ ، أَنَّهُ أُمِرَ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَحْمِلَ مِنْ كُلِّ حَائِطٍ بِجِذْعٍ إِلَى الْمَسْجِدِ فَيَأْكُلَهُ النَّاسُ
১০ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন বর্ণনা করেছেন, ইবনু আবী মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদ্-দারওয়ারদী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর ও তাঁর ভাই আল-উমারী থেকে, তিনি নাফি থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘ ইবনু উমর থেকে যে, «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক বাগানের মালিকের ওপর মসজিদের জন্য এক ছড়া খেজুর আবশ্যক করেছিলেন। আবূ মানসূর ইয়াহইয়া ইবনু আহমাদ বলেন: আমি আবূল হাইসামকে বলতে শুনেছি, এর অর্থ হলো , তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন প্রতিটি বাগান থেকে একটি করে খেজুরের ছড়া মসজিদে বহন করে আনা হয় এবং মানুষ তা আহার করে।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
11 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
يَسْتَأْذِنُ إِذَا كَانَ فِي يَوْمِ الْمَرْأَةِ مِنَّا بَعْدَمَا نَزَلَتْ: {تُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ} [الْأَحْزَاب: 51] ،
فَقَالَتْ مُعَاذَةُ: فَقُلْتُ لَهَا
⦗ص: 93⦘: فَكَيْفَ تَقُولِينَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَأْذَنَكِ؟ قَالَتْ: أَقُولُ: إِنْ كَانَ ذَلِكَ إِلَيَّ لَمْ أُوثِرْ أَحَدًا عَلَى نَصِيبِي "
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনুল আওয়াম, আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি মুআযাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
আমাদের মধ্য থেকে কোনো স্ত্রীর পালার দিনে (অন্য কারো নিকট যাওয়ার জন্য) অনুমতি প্রার্থনা করতেন, যখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো: {আপনি তাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা আপনার নিকট আশ্রয় দিতে পারেন} [আল-আহযাব: ৫১],
অতঃপর মুআযাহ বললেন: আমি তাঁকে বললাম
⦗পৃষ্ঠা: ৯৩⦘: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন আপনার নিকট অনুমতি চাইতেন, তখন আপনি কী বলতেন? তিনি বললেন: আমি বলতাম: যদি বিষয়টি আমার ইচ্ছাধীন হতো, তবে আমি আমার প্রাপ্ত অংশের ওপর অন্য কাউকে প্রাধান্য দিতাম না।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
12 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ⦗ص: 97⦘ الْبَرَاءَ، قَالَ: " لَمَّا أَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ تَبِعَهُ سُرَاقَةُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: فَدَعَا عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 98⦘ فَسَاخَتْ فَرَسُهُ، فَقَالَ: ادْعُ اللَّهَ لِي وَلا يَضُرُّكَ ، قَالَ: فَدَعَا اللَّهَ لَهُ ، فَعَطِشَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَرُّوا بِرَاعِي غَنَمٍ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ: فَأَخَذْتُ قَدَحًا فَحَلَبْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُثْبَةً مِنْ لَبَنٍ، فَأَتَيْتُهُ بِهِ فَشَرِبَ حَتَّى رَضِيتُ "
১২ - ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, গুন্দার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শুনেছি ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ বারা’ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: " যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে মদিনার অভিমুখে আসছিলেন, তখন সুরাকা ইবনু মালিক তাঁর পিছু নিল। তিনি বলেন: অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করলেন তার বিরুদ্ধে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘ ফলে তার ঘোড়ার পা দেবে গেল। তখন সে বলল: আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন এবং আমি আপনার কোনো ক্ষতি করব না। তিনি বলেন: তখন তিনি তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তৃষ্ণার্ত হলেন এবং তাঁরা এক মেষপালকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আবু বকর সিদ্দীক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: তখন আমি একটি পেয়ালা নিলাম এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য সামান্য দুধ দোহন করলাম। অতঃপর আমি তা নিয়ে তাঁর কাছে আসলাম এবং তিনি পান করলেন, এমনকি আমি সন্তুষ্ট হলাম।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১০২)
13 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا الْفَزَارِيُّ مَرْوَانُ، نَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ رَسُولُ ⦗ص: 103⦘ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا طَرَفَ صَاحِبُ الصُّورِ مُنْذُ وُكِّلَ بِهِ، مُسْتَعِدًّا نَحْوَ الْعَرْشِ مَخَافَةَ أَنْ يُؤْمَرَ بِالصَّيْحَةِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْهِ طَرْفُهُ ، كَأَنَّ عَيْنَيْهِ كَوْكَبَانِ دُرِّيَّانِ»
১৩ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান আল-ফাজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল আসম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনুল আসম্ম থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল ⦗পৃষ্ঠা: ১০৩⦘ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “শিংগার অধিকারী (ফেরেশতা) যখন থেকে তাঁর প্রতি এ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তখন থেকে তিনি চোখের পলক ফেলেননি; তিনি আরশের দিকে প্রস্তুত অবস্থায় তাকিয়ে আছেন এই ভয়ে যে, তাঁর চোখের পলক তাঁর নিকট ফিরে আসার পূর্বেই হয়তো তাঁকে মহানাদের নির্দেশ দেওয়া হবে তাঁর পলক; তাঁর চোখ দু’টি যেন উজ্জ্বল দু’টি নক্ষত্র।”
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
14 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا سَهْلُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ حُمَيْدٍ ⦗ص: 106⦘ الطَّوِيلِ، قَالَ: كَانَ أَنَسٌ إِذَا تَوَضَّأَ فَأَرَادَ أَنْ يَمْسَحَ رَأْسَهُ لَمْ يُقَلِّبِ الشَّعَرَ
১৪ - ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনু ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ আত-তবীল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আনাস যখন ওজু করতেন এবং তাঁর মাথা মাসেহ করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি চুলগুলো উল্টেপাল্টে দিতেন না।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
15 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا هُشَيْمٌ، نَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدَ، حَدَّثَنِي أَبُو حَرْبِ بْنُ أَبِي ⦗ص: 109⦘ الأَسْوَدِ، عَنْ فَضَالَةَ اللَّيْثِيِّ، قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَسْلَمْتُ ، وَعَلَّمَنِي، حَتَّى عَلَّمَنِي الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ فِي مَوَاقِيتِهِنَّ، قَالَ: فَقُلْتُ لَهُ: إِنَّ هَذِهِ سَاعَاتٌ نُشْغَلُ فِيهِنَّ، فَمُرْ لِي بِجَوَامِعَ ، فَقَالَ: «إِنْ شُغِلْتَ فَلا ⦗ص: 110⦘ تَشْغَلْ عَنِ الْعَصْرَيْنِ» ، قُلْتُ: وَمَا الْعَصْرَانِ؟ قَالَ: «صَلاةُ الْغَدَاةِ وَصَلاةُ الْعَصْرِ»
১৫ - ইয়াহইয়া বিন মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হারব বিন আবিল ⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ আসওয়াদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদালাহ আল-লাইসি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং ইসলাম গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে শিক্ষা দিলেন, এমনকি তিনি আমাকে তাদের নির্দিষ্ট ওয়াক্ত অনুযায়ী পাঁচ ওয়াক্ত সালাত শিক্ষা দিলেন। তিনি বলেন: আমি তাঁকে বললাম: এগুলো এমন সময় যাতে আমরা ব্যস্ত থাকি, তাই আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক কোনো আমলের নির্দেশ দিন। তিনি বললেন: «যদি তুমি ব্যস্ত থাকোই, তবে যেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘ 'দুই আসর' থেকে বিমুখ না হও বা তা ছেড়ে না দাও।’ আমি বললাম: দুই আসর কী? তিনি বললেন: ‘ভোরের সালাত এবং আসরের সালাত।’
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১১৪)
16 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ:
بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى بَنِي خُزَيْمَةَ فَدَعَاهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ، فَلَمْ يُحْسِنُوا يَقُولُوا
⦗ص: 115⦘: أَسْلَمْنَا.
فَجَعَلُوا يَقُولُونَ: صَبَأْنَا صَبَأْنَا.
وَجَعَلَ بِهِمْ خَالِدٌ قَتْلًا وَأَسْرًا، وَدَفَعَ خَالِدٌ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ مِنَّا أَسِيرًا، حَتَّى إِذَا أَصْبَحْنَا يَوْمًا أَمَرَنَا خَالِدٌ أَنْ يَقْتُلَ كُلُّ رَجُلٍ مِنَّا أَسِيرَهُ ، قَالَ ابْنُ عُمَرَ: فَقُلْتُ: وَاللَّهِ لَا أَقْتُلُ أَسِيرِي وَلا يَقْتُلُ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِي أَسِيرَهُ، قَالَ: فَقَدِمْنَا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ صَنِيعَ خَالِدٍ، فَرَفَعَ يَدَيْهَ وَقَالَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَبْرَأُ إِلَيْكَ مِمَّا صَنَعَ خَالِدٌ»
১৬ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালিদ বিন ওয়ালিদকে বনু খুজাইমা গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তিনি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন, কিন্তু তারা সঠিকভাবে বলতে পারল না
⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘: "আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি"।
তাই তারা বলতে লাগল: "আমরা সাবী হয়েছি, আমরা সাবী হয়েছি"।
অতঃপর খালিদ তাদের হত্যা ও বন্দী করতে শুরু করলেন এবং খালিদ আমাদের প্রত্যেকের হাতে একজন করে বন্দী তুলে দিলেন। একদিন সকালে খালিদ আমাদের নির্দেশ দিলেন যে, আমাদের প্রত্যেকে যেন তার বন্দীকে হত্যা করে। ইবনে উমর (রা.) বলেন: আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি আমার বন্দীকে হত্যা করব না এবং আমার সঙ্গীদের কেউই তার বন্দীকে হত্যা করবে না। তিনি বলেন: এরপর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং খালিদের কৃতকর্মের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি তাঁর দুই হাত উত্তোলন করলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! খালিদ যা করেছে তা থেকে আমি আপনার নিকট দায়মুক্তি ঘোষণা করছি।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
17 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبْدُ الأَعْلَى، نَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «كَانَ يَحُجُّ بِصِبْيَانِهِ، فَمَنِ اسْتَطَاعَ مِنْهُمْ أَنْ يَرْمِيَ وَإِلا رَمَى عَنْهُ»
১৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আলা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর, নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: “তিনি তাঁর শিশুদের নিয়ে হজ করতেন, অতঃপর তাদের মধ্যে যারা (কংকর) নিক্ষেপ করতে সক্ষম হতো তারা নিক্ষেপ করত, অন্যথায় তিনি তাদের পক্ষ থেকে নিক্ষেপ করতেন।”
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১১৮)
18 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا أَبُو عُبَيْدَةَ، نَا خَلَفُ بْنُ مِهْرَانَ أَبُو الرَّبِيعِ الْعَدَوِيُّ، حَدَّثَنِي عَامِرٌ الأَحْوَلُ، نَا صَالِحُ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ ⦗ص: 119⦘ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّرِيدَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: " مَنْ قَتَلَ عُصْفُورًا عَبَثًا عَجَّ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ، قَالَ: يَا رَبِّ إِنَّ فُلانًا قَتَلَنِي عَبَثًا وَلَمْ يَقْتُلْنِي لِمَنْفَعَةٍ "
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন মিহরান আবু আল-রাবী আল-আদাউয়ী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমের আল-আহওয়াল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন দীনার, ⦗পৃষ্ঠা: ১১৯⦘ আমর বিন আশ-শারীদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আশ-শারীদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: " যে ব্যক্তি অনর্থক কোনো চড়ুই পাখি হত্যা করল, কিয়ামতের দিন সেটি আল্লাহ তাআলার নিকট উচ্চৈঃস্বরে ফরিয়াদ করে বলবে: হে আমার রব, নিশ্চয়ই অমুক ব্যক্তি আমাকে অনর্থক হত্যা করেছে এবং কোনো উপকারের জন্য আমাকে হত্যা করেনি।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১২২)
19 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ الْمُهَلَّبِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنَّا نَشْهَدُ بَعْدَ الْفَجْرِ تُنَادِينَا عَائِشَةُ رضي الله عنها مِنْ حُجْرَتِهَا «يَا بَنِيَّ ، أَصْبَحْتُمْ أَوْ أَسْحَرْتُمْ»
১৯ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা ফজরের পর উপস্থিত থাকতাম, তখন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাঁর কামরা থেকে আমাদের ডেকে বলতেন: «হে আমার পুত্রগণ, তোমরা কি ভোরে প্রবেশ করেছ নাকি শেষ রাতেই আছ?»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১২২)
20 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ، نَا شَرِيكٌ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ قَيْسٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ ⦗ص: 124⦘ شُعْبَةَ، قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ بِالْهَاجِرَةِ ، وَقَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَبْرِدُوا بِالصَّلاةِ ، فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ»
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক আল-আজরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, তিনি বয়ান থেকে, তিনি কায়স থেকে, তিনি মুগিরাহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১২৪⦘ শুবা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে প্রচণ্ড উত্তপ্ত দুপুরে যোহরের সালাত আদায় করতাম। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেন: «তোমরা সালাতকে শীতল অবস্থায় (দেরি করে) আদায় করো, কারণ প্রচণ্ড গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিশ্বাসের অংশ থেকে হয়ে থাকে»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১২৭)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، أَرَاهُ ابْنَ الزِّبْرِقَانِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ ⦗ص: 128⦘ حَيَّانَ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {يَأَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ} [الْفجْر: 27] ، قَالَ: حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ رضي الله عنه وَأَرْضَاهُ
ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম থেকে—আমি মনে করি তিনি ইবনুল জিবরিকান—তিনি সালিহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১২৮⦘ হাইয়ান থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; মহান আল্লাহর বাণী: {হে প্রশান্ত আত্মা} [আল-ফজর: ২৭] সম্পর্কে তিনি বলেন: (তিনি হলেন) হামযাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১৩০)
21 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ قَنَانٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْشُوا السَّلامَ تَسْلَمُوا»
২১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া, কানান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আওসাজা থেকে, তিনি বারা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, তবেই তোমরা শান্তিতে থাকবে»
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১৩৪)
22 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، نَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سميرةَ، حَدَّثَنِي ⦗ص: 135⦘ أَبُو طَرِيفٍ، أَنَّهُ كَانَ شَاهَدَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُحَاصِرٌ أَهْلَ الطَّائِفِ، فَكَانَ يُصَلِّي بِنَا صَلاةَ الْبَصَرِ، حَتَّى لَوْ أَنَّ إِنْسَانًا رَمَى بِنَبْلِهِ أَبْصَرَ مَوَاقِعَ نَبْلِهِ " ، قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ يَقُولُ: صَلاةُ الْبَصَرِ صَلاةُ الْفَجْرِ
২২ - ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুস সাররি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাকারিয়া ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি সামিরা থেকে, তিনি বলেন, আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৫⦘ আবু তরিফ যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তায়েফবাসীদের অবরোধ করার সময় প্রত্যক্ষ করেছেন; তিনি আমাদের নিয়ে দৃষ্টির সালাত (সালাতুল বাসার) আদায় করতেন, এমনকি যদি কোনো ব্যক্তি তার তীর নিক্ষেপ করত তবে সে তার তীর পতনের স্থান দেখতে পেত।" আবু জাফর আহমদ ইবনে সাঈদ বলেন: দৃষ্টির সালাত হলো ফজরের সালাত।
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১৩৮)
23 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ ⦗ص: 139⦘ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ الْعُقَيْلِيِّ، عَنْ مَيْسَرَةَ الْفَجْرِ، قَالَ: قُلْتُ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ مَتَى كُتِبْتَ نَبِيًّا؟ قَالَ: كُتِبْتُ نَبِيًّا وَآدَمُ بَيْنَ الرُّوحِ وَالْجَسَدِ "
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মাহদী থেকে, তিনি মনসুর ইবনে সাদ থেকে, তিনি বুদাইল ইবনে মাইসারা থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৯⦘ আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক আল-উকাইলি থেকে, তিনি মাইসারা আল-ফজর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কখন নবী হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে? তিনি বললেন: আমি নবী হিসেবে লিপিবদ্ধ ছিলাম যখন আদম রুহ ও শরীরের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১৪৬)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا أَبُو كَامِلٍ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ ⦗ص: 147⦘ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، أَنَّهُ قَالَ: إِنِّي لأَشْتَهِي أَنْ أَشُمَّ الرَّيْحَانَ أَذْكُرُ بِهِ الْجَنَّةَ
ইয়াহইয়া ইবনে মাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে তালহা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবদিল আলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৭⦘ আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন: "আমি রায়হানের সুঘ্রাণ গ্রহণ করতে পছন্দ করি, যার মাধ্যমে আমি জান্নাতকে স্মরণ করি।"
(খণ্ড: ১)
হাদিসু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রিওয়ায়াতু আবি মানসুর আশ-শাইবানী
(পৃষ্ঠা: ১৪৭)
24 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، نَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي ⦗ص: 148⦘ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ، وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ»
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে কায়সান, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৮⦘ ফজরের পূর্বের দুই রাকাতে ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ এবং ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠ করতেন।