(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: -)
الفوائد المنتقاة المسماة بمشيخة الموصل لابن أبي الفهم   (عبد الرحمن بن أبي الفهم)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الفوائد المنتقاة والغرائب الحسان المسماة بمشيخة الموصل - مخطوط

تخريج: عبد الرحمن بن أبي الفهم العباسي الدمشقي المتوفى: 655 هـ

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

المؤلف: عبد الرحمن بن أبي الفهم عبد المنعم بن عبد الرحمن اليلداني الشافعي تقي الدين (ت 655هـ)

عدد الصفحات: 20

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনু আবিল ফাহম রচিত আল-ফাওয়াইদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি মাশয়াখাতিল মাওসিল   (আবদুর রহমান বিন আবিল ফাহম)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-ফাওয়াইদুল মুনতাকাহ ওয়াল গরায়েবুল হিসান আল-মুসাম্মাতু বি মাশয়াখাতিল মাওসিল - পাণ্ডুলিপি

তাখরীজ: আবদুর রহমান বিন আবিল ফাহম আল-আব্বাসী আদ-দিমাস্কি, মৃত্যু: ৬৫৫ হিজরি

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদারি

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি হিসেবে আছে]

লেখক: আবদুর রহমান বিন আবিল ফাহম আবদুল মুনইম বিন আবদুর রহমান আল-ইয়ালদানি আশ-শাফিঈ তাকিউদ্দীন (মৃত্যু ৬৫৫ হিজরি)

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: الفوائد المنتقاة والغرائب الحسان المسماة بمشيخة الموصل - مخطوط

تخريج: عبد الرحمن بن أبي الفهم العباسي الدمشقي

المتوفى: 655 هـ
গ্রন্থ: আল-ফাওয়াইদুল মুনতাক্বাহ ওয়াল গরাইবুল হিসান যা মাশায়িখুল মাওসিল নামে পরিচিত - পাণ্ডুলিপি

তাখরিজ: আবদুর রহমান বিন আবিল ফাহম আল-আব্বাসি আদ-দিমাশকি

মৃত্যু: ৬৫৫ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১)
//1//الحمد لله

سمعه من لفظي أولادي عبد الهادي، وعبد الله أبو بكر،وبدر الدين حسن،وعالية أم بلبل بنت عبد الله،وصح ذلك يوم الخميس أول شهر جمادى الأولى سنة ستة وتسعين وثمان مئة،وأجزت لهم أن يرووه عني وجميع ما يجوز لي، وعني روايتين بشرطي.

وكتب يوسف بن عبد الهادي

//2// الجزء فيه من الفوائد المنتقاة والغرائب الحسان

وغير ذلك

تخريج عبد الرحمان بن أبي الفهم بن عبد الرحمان بن عبد المنعم العباسي ثم الدمشقي.

قرأت هذا الجزء على الشيخة الأصيلة الرحلة فاطمة بنت الحرستاني بإجازتها لعبد الله بن جليل الحرستاني،وعلي بن أحمد المرداوي،وعمر بن الباليسي بإجازتهم من المزي بإجازته من عبد الرحمان بن أبي الفهم،وصح ذلك وكتب في يوم الأربعاء رابع شهر ذي الحجة سنة تسع وستين وثمان مئة،وأجازت.

وكتب يوسف بن عبد الهادي

// 3 // بسم الله الرحمان الرحيم

اللهم سهل
//১// সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

আমার মুখ থেকে এটি শুনেছেন আমার সন্তান আব্দুল হাদী, আব্দুল্লাহ আবু বকর, বদর উদ্দিন হাসান এবং আলিয়া উম্মে বুলবুল বিনতে আব্দুল্লাহ। এটি ৮৯৬ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয়েছে। আমি তাদের আমার পক্ষ থেকে এবং আমার জন্য যা বর্ণনা করা বৈধ তার সবকিছুই আমার শর্তসাপেক্ষে বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করলাম।

ইউসুফ ইবনে আব্দুল হাদী এটি লিখেছেন।

//২// এই অংশটিতে নির্বাচিত ফায়দা এবং সুন্দর বিরল বিষয়সমূহ সংকলিত।

এবং আরও অন্যান্য বিষয়।

এটি সংকলন করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবিল ফাহাম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মুনইম আল-আব্বাসী অতঃপর আদ-দামেশকী।

আমি এই অংশটি উচ্চবংশীয় শায়খা ও পর্যটক ফাতিমা বিনতে আল-হারিস্তানির কাছে পাঠ করেছি; আব্দুল্লাহ ইবনে জলিল আল-হারিস্তানি, আলী ইবনে আহমদ আল-মারদাওয়ী এবং উমর ইবনে আল-বালিসি-এর অনুমতিক্রমে, যারা আল-মিযযীর মাধ্যমে আব্দুর রহমান ইবনে আবিল ফাহাম থেকে বর্ণনা করার অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন। এটি ৮৬৯ হিজরী সনের জিলহজ মাসের চতুর্থ বুধবার সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন।

ইউসুফ ইবনে আব্দুল হাদী এটি লিখেছেন।

// ৩ // পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আল্লাহ, সহজ করে দিন।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا أبو محمد عبد الرحمان بن أبي الفهم بن عبد الرحمان، أَخْبَرَنَا الشيخ أبو طاهر أحمد بن عبد الله بن أحمد بن محمد بن عبد القاهر الطوسي بقرأتي عليه بالموصل، أَخْبَرَنَا جدي أبو نصر أحمد بن محمد،أخبرنا أبو القاسم عبد الواحد بن علي بن محمدبن فهد العلاف،حدثنا أبو الحسين علي بن محمد بن عبد الله بن بشران السكري، أَخْبَرَنَا أبو الحسن علي بن محمد بن أحمد المصري،حدثنا محمد بن نافع أبو عبد الله،حدثنا عبد الله بن المغيرة،حدثنا مسعر بن كدام عن عثمان بن المغيرة عن علي بن ربيعة عن أسماء بن الحكم الفزاري عن علي قَالَ: كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا نَفَعَنِي اللَّهُ بِمَا شَاءَ أن ينفعني منه، قَالَ: وَإِذَا حَدَّثَنِي // 4// عَنْهُ غَيْرُهُ اسْتَحْلَفْتُهُ، فَإِذَا حَلَفَ صَدَّقْتُهُ، وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ، وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَال: ِ لَيْسَ مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَقُومُ، فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ، فَيُصَلِّي وَيَسْتَغْفِرُ رَبِّهِ عز وجل، إِلَاّ غَفَرَ لَهُ.
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন আবি আল-ফাহম ইবন আবদুর রহমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু তাহের আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল কাহির আত-তুসি তাঁর নিকট মুসলে আমার পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু নাসর আহমদ ইবন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আবদুল ওয়াহিদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন ফাহদ আল-আল্লাফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন বিশরান আস-সুক্কারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমদ আল-মিসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন নাফি' আবু আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আল-মুগিরা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিস'আর ইবন কিদাম, উসমান ইবন আল-মুগিরা থেকে, তিনি আলী ইবন রাবিআ থেকে, তিনি আসমা ইবন আল-হাকাম আল-ফাজারি থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে কোনো কিছু শুনতাম, আল্লাহ আমাকে তা থেকে যতটুকু উপকারের ইচ্ছা করতেন ততটুকু উপকার দান করতেন। তিনি বলেন: আর যখন তাঁর পক্ষ থেকে অন্য কেউ আমার নিকট কোনো কিছু বর্ণনা করত // ৪// তখন আমি তাকে শপথ করতে বলতাম, অতঃপর যখন সে শপথ করত তখন আমি তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করতাম। আর আবু বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আবু বকর সত্য বলেছেন—যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে কোনো পাপ করে, এরপর সে দাঁড়ায় এবং উত্তমরূপে ওযু করে, অতঃপর সালাত আদায় করে এবং তার মহাপরাক্রমশালী ও মহান রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - وأَخْبَرَنَا أبو طاهر أحمد بن محمد، أنبأنا عمرأبو محمد عبد الرحمان بن أحمد بن محمد الطوسي، أَخْبَرَنَا أبو منصور عبد المحسن بن محمد بن علي بن المحسن التنوخي، أَخْبَرَنَا أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن شاذان، أَخْبَرَنَا أبو أحمد محمد بن أحمد بن محمد بن الحارث الجريري،قراءة عليه، أَخْبَرَنَا أحمد بن الحارث، أَخْبَرَنَا أبو الحسن علي بن محمد بن أبي سيف المدائني عن عبد الحميد بن يزيد قال: إختصم إليه رجلان يعني إلى إياس بن معاوية //5// بن قرة فِي مُطْرَفٍ خَزٍّ وإنجابي، فادعى كل واحد منهما المطرف الخز أنه له وأن الأنبجاني للآخر. فدعا إياس بمشط وماء، فبل رأس كل واحد منهما، ثم قال لأحدهما: سرح رأسك فسرحه، فخرج في المشط عفر المطرف، وسرح الآخررأسه فخرج في مشط عفر الأنبجاني، فقال: يا خبيث! الأنبجاني لك، فأقر، فدفع المطرف لصاحبه.

شيخ آخر:

3 - أَخْبَرَنَا الرئيس الكامل نقيب النقباء ذي الشرقين،أبو منصور محمد بن زيد بن محمد بن عبيد الله الحسيني، أَخْبَرَنَا أبو بكر محمد بن القاسم بن المظفر الشهروزي، أَخْبَرَنَا أبو عمرو عثمان بن محمد بن عبيد الله المحمي، أَخْبَرَنَا أبو الحسن عبد الرحمان بن إبراهيم بن محمد بن محمد بن يحيى المزكى، أَخْبَرَنَا أبو حامد //6// أحمد بن الحسن السرفي الحافظ،حدثنا محمد بن يحيى،حدثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِرَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ، وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ، فَقَال َله النبي صلى الله عليه وسلم: دَعْهُ؛ فَإِنَّ الْحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ.
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আত-তুসী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-মুহসিন আত-তানুখি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-হাসান বিন শাযান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হারিস আল-জারিবি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হারিস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আবি সাইফ আল-মাদায়েনি, আব্দুল হামিদ বিন ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: দুই ব্যক্তি ইয়াস বিন মুয়াবিয়া //৫// বিন কুররাহর নিকট একটি রেশমি চাদর (মুত্রাফ খায) এবং একটি সাধারণ পশমি চাদর (আনবিজান) নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হলো। তাদের প্রত্যেকেই দাবি করল যে রেশমি চাদরটি তার নিজের এবং পশমি চাদরটি অন্যজনের। তখন ইয়াস একটি চিরুনি এবং পানি আনালেন, অতঃপর তাদের উভয়ের মাথা ভিজিয়ে দিলেন। এরপর তিনি তাদের একজনকে বললেন: তোমার মাথা আঁচড়াও; সে আঁচড়ালো এবং চিরুনিতে রেশমি চাদরের তন্তু বা আঁশ বের হয়ে এল। অপরজন মাথা আঁচড়ালো এবং তার চিরুনিতে পশমি চাদরের আঁশ বের হয়ে এল। তখন তিনি বললেন: হে পাপিষ্ঠ! পশমি চাদরটি তোমার। তখন সে তা স্বীকার করল। অতঃপর তিনি রেশমি চাদরটি তার প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করলেন।

অন্য একজন শাইখ:

৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাইসুল কামিল নাক্বিবুল নুক্রাবা যিশ শারকাইন আবু মানসুর মুহাম্মাদ বিন যাইদ বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-হুসাইনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আল-ক্বাসিম বিন আল-মুযাফফর আশ-শাহরূযি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-মাহমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুর রহমান বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-মুযাক্কা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ //৬// আহমাদ বিন আল-হাসান আস-সারফি আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যখন তিনি তার ভাইকে লজ্জা (হায়া) সম্পর্কে উপদেশ দিচ্ছিলেন (বা তিরস্কার করছিলেন)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: ওকে ছেড়ে দাও; কারণ লজ্জা ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৪)
4 - وأَخْبَرَنَا الرئيس أبو منصور، أَخْبَرَنَا محمد بن القاسم،حدثنا عثمان بن محمد،أنبأنا أبو طاهر محمد بن محمد بن الزيادي، أخبرنا أبو عثمان عمرو بن عبيد البصري،حدثنا أبو محمد الفراء قال: سمعت الحسين بن منصور يقول:كنا عند أحمد بن حنبل،فروى حديثا عن سفيان فقلت: خالفك يحيى بن يحيى، قال: كيف قال يحيى؟ فأخبرته ، فقال: لا نسيان قلبك ، فأجاز علي حديثه، قال كلاما // 7 // عبد الله لعلي، فقال: لا خير فيما يخالف فيه يحيى بن يحيى.

5 - وأنشدت لبعضهم:

إِذَا سَاءَ فِعْلُ الْمَرْءِ سَاءَتْ ظُنُونُهُ

… وَصَدَّقَ مَا يَعْتَادُهُ مِنْ تَوَهُّمِ

وَعَادَى مُحِبِّيهِ بِقَوْلِ عِدَاتِهِ

… وَأَصْبَحَ فِي لَيْلٍ مِنَ الشَّكِّ مُظْلِمِ

شيخ آخر:

6- أَخْبَرَنَا أبو المعالي قينان بن محمد بن علي سودان،بقراءتي عليه بالموصل،أخبرنا أبو نصر أحمد بن محمد الخطيب، أَخْبَرَنَا أبو الحسين أحمد بن محمد بن أحمد بن النقور قال:قريء على ابن القاسم عيسى بن علي بن داود بن الجراح،قال:قريء على ابن القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز حَدَّثَنا كَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ الخدري إملاءا، حَدَّثَنا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ أبو معمر، حَدَّثَنا أَنَس بْن مَالِكٍ ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ: طَبَقَاتُ أُمَّتِي خَمْسُ طَبَقَاتٍ ، كُلُّ طَبَقَةٍ مِنْهَا أَرْبَعُونَ سَنَةً ، // 8 // فَطَبَقَتِي وَطَبَقَةُ أَصْحَابِي أَهْلُ الْعِلْمِ وَالْإِيمَانِ ، وَالذين يلونهم إِلَى الثَّمَانِينَ أَهْلُ الْبِرِّ وَالتَّقْوَى ، وَا لذين يلونهم إِلَى الْعِشْرِينَ وَمِائَةٍ أَهْلُ التَّرَاحُمِ وَالتَّوَاصُلِ ، وَالذين يلونهم إِلَى سِتِّينَ وَمِائَةٍ أَهْلُ التَّقَاطُعِ وَالتَّدَابُرِ ، ، وَالذين يلونهم إِلَى الْمِائَتَيْنِ أَهْلُ الْهَرْجِ وَالْحربِ.
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাইস আবু মানসুর, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন কাসিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জিয়াদি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আমর বিন উবাইদ আল-বাসরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমি হুসাইন বিন মানসুরকে বলতে শুনেছি: আমরা আহমাদ বিন হাম্বলের নিকট ছিলাম, তখন তিনি সুফিয়ান থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করলেন। আমি বললাম: ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আপনার বিরোধিতা করেছেন। তিনি বললেন: ইয়াহইয়া কী বলেছে? আমি তাকে তা জানালাম, তখন তিনি বললেন: তোমার অন্তরের যেন বিস্মৃতি না ঘটে, অতঃপর তিনি আলীর বর্ণনার ওপর তার হাদিসকে অনুমোদন দিলেন। আব্দুল্লাহ আলীকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বললেন, অতঃপর বললেন: ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া যাতে দ্বিমত পোষণ করেন তাতে কোনো কল্যাণ নেই।

৫ - আমি তাদের কারো থেকে আবৃত্তি করেছি:

যখন কোনো ব্যক্তির কর্ম মন্দ হয়, তার ধারণাও মন্দ হয়ে যায়

… আর সে যা অভ্যাসবশত কল্পনা করে তাকেই সত্য বলে গণ্য করে

সে তার শত্রুদের কথায় তার প্রিয়জনদের সাথে শত্রুতা পোষণ করে

… এবং সে সন্দেহের এক অন্ধকার রাতের মধ্যে নিপতিত হয়।

অন্য একজন শায়খ:

৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলি কাইনান বিন মুহাম্মদ বিন আলী সুদান, মোসেলে তার সম্মুখে আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-খাতিব, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন নাক্কুর, তিনি বলেন: ইবনুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: ইবনুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজের নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল বিন তালহা আল-খুদরি মৌখিকভাবে লিখিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আব্দুল সামাদ আবু মা'মার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের স্তর হলো পাঁচটি স্তর, প্রতিটি স্তর চল্লিশ বছরের। // ৮ // সুতরাং আমার এবং আমার সাহাবীদের স্তর হলো জ্ঞান ও ঈমানের অধিকারী। এবং যারা তাদের পরবর্তী আশি বছর পর্যন্ত আসবে তারা পুণ্য ও তাকওয়ার অধিকারী। এবং যারা তাদের পরবর্তী একশত বিশ বছর পর্যন্ত আসবে তারা পরস্পর দয়া ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার অধিকারী। এবং যারা তাদের পরবর্তী একশত ষাট বছর পর্যন্ত আসবে তারা পরস্পর সম্পর্কচ্ছেদ ও বিমুখতার অধিকারী। এবং যারা তাদের পরবর্তী দুইশত বছর পর্যন্ত আসবে তারা ফিতনা-বিপর্যয় ও যুদ্ধের অধিকারী।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৫)
7 - أَخْبَرَنَا أبو المعالي بن سودان، أَخْبَرَنَا أبو نصر بن أبي الطيب، أَخْبَرَنَا أبو الحسين بن النَّقُّور، أَخْبَرَنَا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن إسحاق بن حيان،أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد البغوي، حَدَّثَنا طالوت بن عبّاد، حَدَّثَنا محمد بن أعين أبو العلانية، قال: سمعت عبد الله بن أبي أوفى يلّبي بالكوفة بأعلى صوته في غير أيام التشريق، فسألت بعضهم فقال: إنّه يلبّي من السنة إلى السنة،وكان يأتي الصيارفة فيقول:أبشروا // 9 // فيقولون: بشرى الله. فيقول: أبشروا بالنار.

شيخ آخر:

8- أَخْبَرَنَا أبو المعالي نصر الله بن سلامة بن سالم بن مسلم الهيتي بالموصل، أَخْبَرَنَا أبو الفرج عبد الخالق بن أحمد بن عبد القادر بن محمد بن يوسف، أَخْبَرَنَا أبو نصر محمد بن محمد بن علي الشريف الزينبي، أَخْبَرَنَا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمان المخلص،حدثنا يحيى بن محمد بن صاعد،حدثنا الربيع،حدثنا عبد الله بن وهب ، أخبرني مالك ، عن نافع ، عن ابن عمر ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ، فأطفئوها بِالْمَاءِ.

قال نافع: كان عبد الله يقول: اللهم اكشف عنا الرجز.
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলি বিন সুদান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর বিন আবিত তায়্যিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন বিন আন-নাক্কুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আইয়ুন আবুল আলানিয়াহ, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফাকে তাশরিকের দিনসমূহ ব্যতীত অন্য সময়ে কুফায় উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। আমি তাদের কাউকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি সারা বছরই তালবিয়া পাঠ করেন। তিনি মুদ্রা বিনিময়কারীদের নিকট আসতেন এবং বলতেন: তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো! তখন তারা বলত: আল্লাহর সুসংবাদ। এরপর তিনি বলতেন: তোমরা আগুনের সুসংবাদ গ্রহণ করো।

অন্য একজন শায়খ:

৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মসুল শহরে আবুল মাআলি নাসরুল্লাহ বিন সালামাহ বিন সালিম বিন মুসলিম আল-হিতি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আবদুল খালিক বিন আহমাদ বিন আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আশ-শারিফ আজ-জায়নাবি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-মুখাল্লিস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সায়েদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জ্বর হলো জাহান্নামের উত্তাপের অংশ, সুতরাং তোমরা তা পানি দিয়ে নিভিয়ে দাও।

নাফে বলেন: আবদুল্লাহ (ইবনে উমর) বলতেন: হে আল্লাহ, আমাদের থেকে এই আজাব দূর করে দিন।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৬)
9 - وأَخْبَرَنَا نصر الله الهيتي ، أَخْبَرَنَا أبوالمعالي الفضل بن سهل بن بشر الإسفرائيني ، أنبأنا أبوبكر أحمد بن // 10 // علي بن ثابت الخطيب ، أخبرني الحسن بن أبي بكر ، قال: ذكر محمد بن زياد النقاش ، أن محمد بن عبد الرحمان الشامي أخبرهم بهراة ، أخبرنا علي بن الجعد ، أخبرني يعقوب بن إبراهيم أبو يوسف القاضي ، قال: توفي أبي إبراهيم بن حبيب وخلفني صغيرا في حجر أمي فاسلمتني إلى قصار أخدمه فكنت ادع القصار وامضي إلى حلقة أبي حنيفة فاجلس استمع فكانت أمي تجيء خلفي إلى الحلقة فتاخذ بيدي وتذهب بي إلى القصار، فكان أبو حنيفة يعني بي لما يرى من حضوري وحرصي على التعلم فلما كثر ذلك على أمي وطال عليها هربي قالت لأبي حنيفة ما لهذا الصبي فساد غيرك هذا صبي يتيم لا شيء له وإنَّما اطعمه من مغزلي // 11 // وآمل ان يكسب دانقا يعود به على نفسه فقال لها أبو حنيفة مري يا رعناء هذا هوذا يتعلم أكل الفالوذج بدهن الفستق فانصرفت عنه وقالت له أنت شيخ قد خرفت وذهب عقلك ثم لزمته فنفعني الله بالعلم ورفعني حتي تقلدت القضاء وكنت أجالس الرشيد وآكل معه على مائدته فلما كان في بعض الأيام قدم الي هارون فالوذجه فقال لي هارون يا يعقوب كل منه فليس في كل يوم يعمل لنا مثلها فقلت وما هذه يا أمير المؤمنين فقال هذه فالوذجة بدهن الفستق فضحكت فقال لي مم ضحكت فقلت خيرا ابقى الله أمير المؤمنين قال لتخبرني والح علي فخبرته بالقصه من أولها إلى آخرها فعجب من ذلك وقال لعمري ان العلم ليرفع // 12 // وينفع دينا ودنيا وترحم على أبي حنيفة وقال كان ينظر بعين عقله مالا يراه بعين رأسه.
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসরুল্লাহ আল-হিতি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাআলি আল-ফদল ইবন সাহল ইবন বিশর আল-ইসফিরাইনি, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবন // ১০ // আলি ইবন সাবিত আল-খাতিব, তিনি বলেন আমাকে খবর দিয়েছেন হাসান ইবন আবি বকর, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ আন-নাক্কাশ উল্লেখ করেছেন যে, মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান আশ-শামি হেরাতে তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনুল জা'দ, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াকুব ইবন ইব্রাহিম আবু ইউসুফ আল-কাদি, তিনি বলেন: আমার পিতা ইব্রাহিম ইবন হাবিব ইন্তেকাল করেন এবং আমাকে শিশু অবস্থায় আমার মায়ের কোলে রেখে যান। অতঃপর আমার মা আমাকে এক ধোপার কাছে কাজে দিলেন। আমি ধোপাকে ছেড়ে আবু হানিফার হালকায় (পাঠচক্রে) চলে যেতাম এবং সেখানে বসে জ্ঞানগর্ভ কথা শুনতাম। ফলে আমার মা আমার পিছু পিছু সেই হালকায় আসতেন এবং আমার হাত ধরে আমাকে ধোপার কাছে নিয়ে যেতেন। আবু হানিফা আমার প্রতি মনোযোগী ছিলেন, কারণ তিনি আমার উপস্থিতি এবং ইলম অর্জনের প্রতি প্রবল আগ্রহ প্রত্যক্ষ করেছিলেন। যখন বিষয়টি আমার মায়ের জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠল এবং আমার পলায়ন দীর্ঘায়িত হলো, তখন তিনি আবু হানিফাকে বললেন: "আপনার কারণেই এই বালকের সর্বনাশ হচ্ছে; এটি একটি ইয়াতীম শিশু, তার কিছুই নেই। আমি কেবল সুতা কেটে তাকে আহার করাই // ১১ // এবং আশা করি সে সামান্য কিছু (দানিক) উপার্জন করবে যা দিয়ে সে তার নিজের প্রয়োজন মেটাবে।" তখন আবু হানিফা তাঁকে বললেন: "যাও হে নির্বোধ নারী! সে তো পেস্তা তেলের ফালুদাহ খাওয়া শিখছে।" মহিলাটি তাঁর কাছ থেকে ফিরে গেলেন এবং তাঁকে বললেন: "আপনি এক বৃদ্ধ মানুষ যার মতিভ্রম হয়েছে এবং বুদ্ধি লোপ পেয়েছে।" অতঃপর আমি তাঁর সান্নিধ্য আঁকড়ে ধরলাম এবং আল্লাহ ইলমের মাধ্যমে আমাকে উপকৃত করলেন ও উচ্চমর্যাদা দান করলেন, এমনকি আমি প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করলাম। আমি হারুন আল-রশিদের মজলিসে বসতাম এবং তাঁর দস্তরখানে তাঁর সাথে খাবার খেতাম। একদা হারুন আমার সামনে ফালুদাহ পেশ করলেন এবং বললেন: "হে ইয়াকুব, এটি খাও; আমাদের জন্য প্রতিদিন এর মতো জিনিস তৈরি করা হয় না।" আমি বললাম: "হে আমিরুল মুমিনিন, এটি কী?" তিনি বললেন: "এটি পেস্তা তেল মিশ্রিত ফালুদাহ।" তখন আমি হেসে ফেললাম। তিনি আমাকে বললেন: "তুমি কেন হাসলে?" আমি বললাম: "কল্যাণ হোক, আল্লাহ আমিরুল মুমিনিনকে দীর্ঘজীবী করুন।" তিনি বললেন: "তোমাকে অবশ্যই বলতে হবে," এবং তিনি এ ব্যাপারে পিড়াপীড়ি করলেন। তখন আমি তাঁকে আদ্যোপান্ত ঘটনাটি বর্ণনা করলাম। তিনি এতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন: "আমার জীবনের কসম! ইলম অবশ্যই মানুষকে উচ্চাসনে আসীন করে // ১২ // এবং দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রেই উপকৃত করে।" অতঃপর তিনি আবু হানিফার জন্য রহমতের দোয়া করলেন এবং বললেন: "তিনি তাঁর প্রজ্ঞার চক্ষু দিয়ে এমন কিছু দেখতেন যা সাধারণ মানুষ চর্মচক্ষু দিয়ে দেখতে পায় না।"
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৭)
شيخ آخر:

10 - أَخْبَرَنَا أبو القاسم عبد المحسن بن عبد الله بن أحمد بن محمد بن عبد القاهر الطوسي ، أَخْبَرَنَا أبو الفضل عبد الله ، أَخْبَرَنَا أبو بكر أحمد بن علي بن بدران الحلواني ،وأَخْبَرَنَا به عاليا أبو الفرج عبد المنعم بن عبد الوهاب بن كليب ، أخبرنا أبو بكر أحمد بن علي الحلواني ، أَخْبَرَنَا أبو الحسين أحمد بن الحسين بن علي بن مالك ، أَخْبَرَنَا أبو حفص عمر بن موسى الجلاء ، قال:سمعت بشر بن الحارث يقول: قال:سمعت بشر بن آدم يقول: حدثني خالد ، عن سهيل ، عن أبيه ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، // 3 1 // أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْجُمُعَةِ أَرْبَعًا.

شيخ آخر:

11 - أَخْبَرَنَا أبو إسحاق إبراهيم بن المظفر بن البرتي الواعظ ، أَخْبَرَنَا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان بن البطر ، أَخْبَرَنَا أبو الحسين علي بن محمد بن محمد بن محمد بن الأقطع الأنباري ، أَخْبَرَنَا أبو عمر عبد الواحد بن محمد بن عبد الله بن مهدي بن الفارسي ، حدثنا أبو عبد الله محمد بن مخلد بن حفص العطار الدوري ، حدثنا حميد بن الربيع ، حدثنا ابن علية ، حدثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: رَأَيْتُ نبي اللهِ صلى الله عليه وسلم أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ، ثُمَّ صَلَّى ولم يَتَوَضَّأَ. ثُمَّ رَأَيْتُ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَبَا بَكْرٍ ، رضي الله عنه ، من بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ، ثُمَّ صَلَّى قَبْلَ أَنْ يَتَوَضَّأَ. ثُمَّ رَأَيْتُ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرَ ، رضي الله عنه ، أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ، ثُمَّ صَلَّى قَبْلَ أَنْ يَتَوَضَّأَ. // 14 //
অন্য একজন শায়খ:

১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল মুহসিন বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাহির আত-তুসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন বাদরান আল-হালওয়ানি। এবং উচ্চ সনদে আমাদের এটি জানিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন কুলাইব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী আল-হালওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুসা আল-জাল্লা, তিনি বলেন: আমি বিশর বিন আল-হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশর বিন আদমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ, তিনি সুহাইল থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, // ৩ ১ // রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার পর চার রাকাত সালাত আদায় করতেন।

অন্য একজন শায়খ:

১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আল-মুজাফফর বিন আল-বারতি আল-ওয়ায়েজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমাদ বিন সুলাইমান বিন আল-বাত্তার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আকতা আল-আনবারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদি বিন আল-ফারিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার আদ-দুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ বিন আর-রবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উলাইয়্যাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন খাবার খেতে দেখেছি যা আগুন স্পর্শ করেছে, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করেছেন এবং অজু করেননি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি, তিনি আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার খেয়েছেন, অতঃপর অজু করার পূর্বেই সালাত আদায় করেছেন। এরপর আমি আবু বকরের পরে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি, তিনি আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার খেয়েছেন, অতঃপর অজু করার পূর্বেই সালাত আদায় করেছেন। // ১৪ //
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৮)
12 - وأَخْبَرَنَا ابن البرتي ، أَخْبَرَنَا أبو بكر عبد الله بن محمد بن أحمد بن النقور البزار ، أَخْبَرَنَا أبو عبد الله هبة الله بن أحمد بن محمد الموصلي ، أَخْبَرَنَا أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران ، حَدَّثَنَا أبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان ، أنشدني محمد بن زكريا:

ألا أبلغ لديك أبا دلامة

… فلست من الكرام ولا كرامه

إذا لبس العمامة قلت قرد

… وخنزير إذا طرح العمامه

جمعت دمامة وجمع لؤماً

… كذاك اللؤم تتبعه الدمامه

شيخ آخر:

13 - أَخْبَرَنَا أبو منصور مسلم بن علي بن محمد بن محمد السليحي الصيدلاني بالموصل ، أَخْبَرَنَا أبو البركات محمد بن محمد بن خميس ، أخبرنا أبونصر أحمد بن عبد الباقي بن طوق ، أَخْبَرَنَا أبو القاسم // 15 // نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْخَلِيلِ المرجي ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ ، عز وجل ، فَرَضَ فَرَائِضَ فَلَا تُضَيِّعُوهَا ، وَحَّدَ حُدُودًا فَلَا تَعْتَدُوهَا ، وَنَهَى عَنْ أَشْيَاءَ فَلَا تَنْتَهِكُوهَا، وَحَدَّ حُدُودًا فَلَا تَعْتَدُوهَا ، وَحَرَّمَ حُرُمَاتٍ فَلَا تَنْتَهِكُوهَا ، ، وَسَكَتَ عَنْ أَشْيَاءَ مِنْ غَيْرِ نِسْيَانٍ رَحْمَةً بِكُمْ فَلَا تَبْحَثُوا عَنْهَا.
১২ - ইবনুল বুরতী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে নাক্কুর আল-বাযযার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মাওসিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাহল আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যিয়াদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে যাকারিয়া আমাকে এই কবিতা শুনিয়েছেন:

সাবধান! আবু দুলমার নিকট আমার এই বার্তা পৌঁছে দাও

… তুমি তো মহানুভবদের অন্তর্ভুক্ত নও এবং তোমার কোনো সম্মান নেই

সে যখন পাগড়ি পরিধান করে, তখন তুমি বলবে সে একটি বানর

… আর যখন সে পাগড়ি খুলে ফেলে, তখন সে একটি শুকর

তুমি কুশ্রীতা এবং নীচতাকে একত্রে ধারণ করেছ

… এভাবেই কুশ্রীতা নীচতাকে অনুসরণ করে থাকে

অন্য একজন শাইখ:

১৩ - মাওসিলে আবু মানসুর মুসলিম ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সুলাইহী আস-সাইদালানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল বারাকাত মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খামিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আহমাদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে তওক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম // ১৫ // নাসর ইবনে আহমাদ ইবনে খলীল আল-মুরজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী ইবনে মুসান্না আল-মাওসিলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর আল-মুকাদ্দামী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, যুহাইর ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি দাউদ ইবনে আবু হিন্দ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি আবু সা'লাবা আল-খুশানী থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ কিছু বিধান ফরয করেছেন, সুতরাং তোমরা তা নষ্ট করো না; তিনি কিছু সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সুতরাং তোমরা তা অতিক্রম করো না; তিনি কিছু বস্তু থেকে নিষেধ করেছেন, সুতরাং তোমরা তার অবমাননা করো না; তিনি কিছু সীমা নির্ধারণ করেছেন, সুতরাং তোমরা তা অতিক্রম করো না; তিনি কিছু বিষয় হারাম করেছেন, সুতরাং তোমরা তা লঙ্ঘন করো না; আর তিনি বিস্মৃতি ছাড়াই তোমাদের প্রতি দয়াবশত কিছু বিষয়ে নীরব থেকেছেন, সুতরাং তোমরা সে বিষয়ে অনুসন্ধান করো না।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ৯)
شيخ آخر:

14- أَخْبَرَنَا أَبُوعَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَرَايَا الْمُعَدِّلُ الْبَلَدِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ الصُّوفِيُّ

، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ // 16 // بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الدَاوُدِيُّ الْبُوشَنْجِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللهِ بنُ أَحْمَدَ بنِ حَمَّوَيْهِ السَّرْخَسِيُّ ، مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْفِرَبْرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُوعَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ يَقُلْ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ
অন্য একজন শায়খ:

১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সারায়া আল-মুআদ্দিল আল-বালাদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াকত আবদুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুআইব আস-সিজযি আস-সুফি

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুর রহমান // ১৬ // বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুজাফ্ফর আদ-দাউদি আল-বুশাঞ্জি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্মুওয়াইহ আস-সারখাসি, মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন মাতার আবু আবদুল্লাহ আল-ফিরারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-বুখারি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাক্কি বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন আবু উবাইদ, সালামাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কিছু বলবে যা আমি বলিনি, সে যেন আগুনের মধ্যে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১০)
شيخ آخر:

15- أَخْبَرَنَا أَبُو الْبَنَّا مَحْمُودُ بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي طَاهِرٍ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ أَسَدٍ الْمُقْرِي ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَمِيسٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ ، حَدَّثَنَا وَالِدِي الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ يُوسُفَ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ خَلَفِ بْنِ زُنْبُورٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ // 17// عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَيَّاضٍ الزِّمَّانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى السَّامِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدُ ، عَنْ بكَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَا مِنَّا مِنْ أَحَدٍ إِلَاّ وَهُوَ يَكْرَهُ الْمَوْتَ قَالَ: إِنَّهُ لَيْسَ كَرَاهِيَتَكُمُ الْمَوْتَ ، وَلَكِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا جَاءَهُ الْبَشِيرُ مِنَ اللَّهِ عز وجل ، لَمْ يَكُنْ شَيْءٌ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ لِقَاءِ اللَّهِ عز وجل ، فَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا احْتُضِرَ جَاءَهُ مَا يَكْرَهُ ، فَكَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ ، فَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ.
অন্য একজন শায়খ:

১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল বান্না মাহমুদ বিন আবি মানসুর বিন আবি তাহির বিন আল-হুসাইন বিন আসাদ আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন নাসর বিন মুহাম্মদ বিন খামিস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা শায়খ আবুল কাসিম আব্দুল কাদির বিন ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন খালাফ বিন জুনবুর-এর নিকট পাঠ করা হয়েছিল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর // ১৭ // আব্দুল্লাহ বিন আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন ফায়য়াদ আয-যিমানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আলা বিন আব্দুল আলা আস-সামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি বকর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আরজ করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে মৃত্যুকে অপছন্দ করে না। তিনি বললেন: "এটি তোমাদের মৃত্যু অপছন্দ করার বিষয়টি নয়; বরং মুমিনের নিকট যখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদদাতা আসে, তখন তার নিকট মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাক্ষাতের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কিছুই থাকে না, ফলে আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর কাফিরের যখন অন্তিম সময় উপস্থিত হয়, তখন তার নিকট তা-ই আসে যা সে অপছন্দ করে, ফলে সে আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।"
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১১)
شيخ آخر:

15 - أَخْبَرَنَا // 18 // أَبُو الْفَضْلِ إِلْيَاسُ بْنُ حَامِدِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ أَبِي الحَُجْرِ بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَتْنَا شُهْدَةُ بِنْتِ أَبِي نَصْرِ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ الإِبَرِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِِّ الزَّيْنَبِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ ، أَخْبَرَنَا مُحَمد بن عمر بن علي بن حرب، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عن الزُّهْرِيُّ، عن مُحَمَّدُ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِنّي أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يُمْحَى بِيَ الْكُفْرُ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي أَحْشُرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمِي، وَأَنَا الْعَاقِبُ، الَّذِي لَيْسَ بَعْدِي نَبِيٌّ.

16 - وَأَخْبَرَنَا إِلْيَاسُ ، وَأَخْبَرَتْنَا شُهْدَةُ ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَيُّوبَ الْبَزَّارُ ، وَابْنَهُ أَبُو مُحَمَّدٍ سَعْدُ اللَّهِ قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدِ بْنُ الحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءُ ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ الْحُسَيْنُ بْنُ الْقَاسِمِ // 19 // بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ الْهَرَوِيُّ، أَخْبَرَنَا الرَّقَاشِيُّ، عَنِ الأَصْمَعِيِّ، قَالَ: لَمَّا حَضَرَ الْحَجَّاجُ الوَفَاة ، أَنْشَأَ يَقُولُ:

يا رب قد حلف الأعداء واجتهدوا

… بأنني رجل من ساكني النار

أيحلفون على عمياء ويحهم

… ما ظنهم بكثير العفو غفار

فأخبر بذلك الحسن فقال تالله إن نجا فبهما.
অন্যান্য শাইখ:

১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন // ১৮ // আবুল ফজল ইলিয়াস বিন হামিদ বিন মাহমুদ বিন আবিল হুজর মুসিলে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমদ বিন আল-ফারজ আল-ইবারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আজ-জায়নাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন রিজকওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ওমর বিন আলি বিন হারব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবাইর বিন মুতয়িম থেকে, তিনি তার পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মদ, আমি আহমদ, আমি আল-মাহি (বিদূরণকারী) যার মাধ্যমে কুফরকে মিটিয়ে দেওয়া হয়, আমি আল-হাশির (একত্রকারী) যার পায়ের ওপর মানুষকে হাশর করা হবে, এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ), যার পরে আর কোনো নবী নেই।

১৬ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইলিয়াস, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন আল-হুসাইন বিন আলি বিন আইয়ুব আল-বাযযার এবং তার পুত্র আবু মুহাম্মদ সা’দুল্লাহ, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাররা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন সাঈদ বিন সুওয়াইদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আসিম আল-হুসাইন বিন আল-কাসিম // ১৯ // বিন জাফর, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-হারাউয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাকাশি, আসমাঈ থেকে, তিনি বলেন: যখন হাজ্জাজের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো, তখন সে আবৃত্তি করতে লাগল:

হে রব! শত্রুরা শপথ করেছে এবং আপ্রাণ চেষ্টা করেছে

… যে আমি জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তি

ধিক তাদের! তারা কি অদৃশ্যের ওপর শপথ করছে?

… অতি ক্ষমাশীল ও পরম মার্জনাকারীর প্রতি তাদের ধারণা কী?

অতঃপর হাসানকে এ বিষয়ে সংবাদ দেওয়া হলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! যদি সে মুক্তি পায়, তবে এই বাক্য দুটির কারণেই পাবে।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১২)
شيخ آخر:

17- أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ بِالْمَوْصِلِ ، أَخْبَرَنَا أَبِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ ، وَعَمِّي أَبُو الْفَضْلِ ، ابْنَيْ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الطُّوسِيُّ الْخَطِيبُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ بْنِ بَدْرَانَ الْحُلْوَانِيُّ.

وَأَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا، الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنُ كُلَيْبٍ بِبَغْدَادَ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ بْنُ بَدْرَانَ الْحُلْوَانِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُورِ الْبَزَّازُ حَدَّثَنَا القَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ هَارُونَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ التَّمَّارُ، // 20 // حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْجَرْجَرَائِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، حَدَّثَنِي أَبُو الأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنِي أَوْسُ بْنُ أَوْسٍ الثَّقَفِيُّ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ غَسَّلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاغْتَسَلَ، ثُمَّ بَكَّرَ وَابْتَكَرَ، وَمَشَى وَلَمْ يَرْكَبْ، وَدَنَا مِنَ الإِمَامِ فَاسْتَمَعَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ عَمَلُ سَنَةٍ أَجْرُ صِيَامِهَا وَقِيَامِهَا.
অন্য একজন শায়খ:

১৭- মসুলে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাহাসিন আব্দুল কারিম বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আত-তুসী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ এবং আমার চাচা আবু আল-ফজল—তাঁরা আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাহের আত-তুসী আল-খতিবের দুই পুত্র। তাঁরা বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন বদরান আল-হুলওয়ানী।

এবং উচ্চতর সনদে বাগদাদে আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু আল-ফারাজ আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন কুলাইব। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর বিন বদরান আল-হুলওয়ানী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আন-নাক্কুর আল-বাজ্জাজ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাজী আল-হুসাইন বিন হারুন আদ-দব্বী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন বকর আত-তাম্মার। // ২০ // তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন হাতিম আল-জারজারায়ী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, আওযাঈ থেকে। তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসসান বিন আতিয়্যাহ। তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআস আস-সানআনী। তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আওস বিন আওস আস-সাকাফী। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি জুমার দিন (মাথা) ধৌত করল এবং গোসল করল, এরপর খুব সকালে (মসজিদে) গেল এবং খুতবার শুরু থেকেই উপস্থিত থাকল, আর পায়ে হেঁটে গেল, কোনো সওয়ারিতে আরোহণ করল না এবং ইমামের কাছাকাছি হয়ে বসল ও মনোযোগ দিয়ে (খুতবা) শুনল এবং কোনো অনর্থক কাজ করল না, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের আমলের সওয়াব হবে—তার রোজা ও তাহাজ্জুদের (রাতে ইবাদতে দণ্ডায়মান থাকা) সওয়াব।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৩)
شيخ آخر:

18- أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ مَنْشَأً، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَاجِبِ بِبَغْدَادَ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الْحَمَّامِيُّ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ الشَّيْبَانِيُّ، // 21 // حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الطَّنَافِسِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: أَبْرِدُوا بِالظُّهْرِ، فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ.

19 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ ، أَنْشَدَنا السِّلَفِيُّ لِنَفْسِهِ:

اتق الله، تعالى، وإجتنب معاصيه

… كما قد أمرك

وتفكر بعد في إحسانه

… كيف من غير سؤال عمرك

وتحدث مع من تؤثره

… كل وقت وتجده سمرك
অন্য একজন শাইখ:

১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-ইসকান্দারানি জন্মসূত্রে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম আস-সিলাফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনুল হাজিব বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে উমর আল-হামমামি আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে দুহাইম আশ-শায়বানি, // ২১ // আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আজ-জুহরি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আত-তানাফিসি, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমরা যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে আদায় করো, কেননা গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ হতে উদ্গত।

১৯ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান, আস-সিলাফি আমাদের কাছে তাঁর স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

আল্লাহকে ভয় করো, যিনি মহান, এবং তাঁর অবাবধ্যতা বর্জন করো

... যেরূপ তিনি তোমাকে আদেশ করেছেন

অতঃপর তাঁর অনুগ্রহ নিয়ে চিন্তা করো

... কীভাবে প্রার্থনা ব্যতিরেকেই তিনি তোমার জীবনকে সমৃদ্ধ করেছেন

আর কথা বলো তার সাথে যাকে তুমি পছন্দ করো

... সর্বক্ষণ, আর তাকেই তুমি তোমার নৈশকালীন আলাপচারিতার সাথী হিসেবে পাবে।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৪)
شيخ آخر:

20 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ زَيْتُونٍ بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُورِ الْبَزَّازُ ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الأََسَدِيُّ ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكُ // 22 // بْنُ عَبْدِ الْجَبَّار الطُّيُورِيُّ ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ بْنِ شَاذَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الزُّبَيْرِ الْقُرَشِيُّ الْكُوفِيُّ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، يَعْنِي العُمَرِي ،: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رضي الله عنه ، يَقُولُ: (سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:) إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللهِ وَرَسُولِهِ، فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ.
অন্য একজন শাইখ:

২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন আলী ইবন আহমাদ ইবন যায়তুন মাওসিল শহরে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আন-নাকূর আল-বাযযায, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু সাদ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল মালিক ইবন আব্দুল কাহির আল-আসাদী, এবং আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক // ২২ // ইবন আব্দুল জাব্বার আত-তুয়ূরী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইবন আহমাদ ইবন ইবরাহীম ইবন হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবন শাযান, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন আস-যুবাইর আল-কুরাশী আল-কূফী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন আলী ইবন আফফান আল-আমিরী, আমাদের বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন আউন, অর্থাৎ আল-উমারী: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আত-তাইমী থেকে, আলকামা ইবন ওয়াক্কাস থেকে, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: (আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:) নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পায় যা সে নিয়ত করে, সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে, আর যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের জন্য কিংবা কোনো মহিলাকে বিয়ে করার জন্য, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৫)
21 - وَأَخْبَرَنَا ابْنُ الزَّيْتُونِ // 23 // أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَجَا بْنِ شَاتِيلَ الدَّبَّاسُ ، إِجَازَةً ِإنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْعَلَاّفُ الْمُقْرِئُ،أَخْبَرَنَا أبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ الْحَمَّامِيُّ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَاتِمٍ ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا أَبُو السَّرِيِّ ، قال: سمعت الزبير بن بكار يقول: قال لي رجا من الأدباء ، يعتاد الإغراب: سلهم ، قال: فجبب إلى قوم بفهم ، فقال لهم: بنوا خَفَاج. قلت للشيخ: ممن يكونوا؟ قال: من بني خَفَاجَةَ. قال: قلت: يارب ، شيخ من بني خَفَاج. قال لي: هي. قلت: يكون له بعد العشاء حاجة. قال لي هي؟ قلت: كحاجة الديك إلى الدجاجة. قال: غضب ، وقال: فتح الله شهوتك ، هذا رضا.
২১ - এবং ইবনুয যায়তূন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন // ২৩ // আবুল ফাতহ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন নাজা বিন শাতীল আদ-দাব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—শ্রবণসূত্রে না হলেও ইজাজতসূত্রে; আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-আল্লাফ আল-মুকরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন উমার বিন হাফস আল-হাম্মামি আল-মুকরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন উমার বিন হাতিম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা বিন আল-হাসান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুস সারি; তিনি বলেন: আমি যুবাইর বিন বাক্কারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: সাহিত্যিকদের মধ্য হতে রাজা নামক এক ব্যক্তি—যিনি বিরল ও অপরিচিত শব্দ ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিলেন—আমাকে বললেন: আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি সমঝদার এক সম্প্রদায়ের নিকট গিয়ে তাদের বললেন: ‘বানু খাফাজ’। আমি শায়খকে বললাম: তারা কারা হতে পারে? তিনি বললেন: ‘বানু খাফাজাহ’ গোত্র থেকে। তিনি (যুবাইর) বলেন: আমি বললাম: ‘হে আমার প্রতিপালক, বানু খাফাজ গোত্রের এক শায়খ’। তিনি আমাকে বললেন: ‘চালিয়ে যাও’। আমি বললাম: ‘এশার নামাজের পর তার এক প্রয়োজন দেখা দেয়’। তিনি বললেন: ‘চালিয়ে যাও’। আমি বললাম: ‘যেমন মুরগির প্রতি মোরগের প্রয়োজন থাকে’। তিনি বলেন: এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: ‘আল্লাহ তোমার কামনা বাড়িয়ে দিন! এটিই সন্তোষ’।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৬)
شيخ آخر: // 24 //

22- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ هَبَل الْبَغْدَادِيُّ ، بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ السَمَرْقَنْدِيِّ، أَخَبْرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكِتَّانِيُّ، أَخَبْرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي نَصْرٍ ،وَأَبُو الْقَاسِمِ تَمَّامُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّارِيُّ ، وَأَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ الْغَسَّانِيُّ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْعَقِبِ ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَيْد ِاللَّهِ بْنِ يَحْيَى الْقَطَّانُ ، قالوا: أَخَبْرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْعَقِبِ ، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَفْوَانَ النَّصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مِسْهِرٍ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، // 25 // عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ الأَزْدِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّكُمْ سَتُجَنَّدُونَ أَجْنَادًا: جُنْدٌ بِالشَّامِ، وَجُنْدٌ بِالْعِرَاقِ، وَجُنْدٌ بِالْيَمَنِ، فَقَالَ الْحَرَّانِيُّ: خِرْ لِي

يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ، فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ، وَيَسْقِ مِنْ غُدُرِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ تَكَفَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ.
অন্য একজন শায়খ: // ২৪ //

২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন আলী বিন হবল আল-বাগদাদী, মসুল শহরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ বিন উমর বিন আস-সামারকান্দী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কাত্তানী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আবু নাসর, এবং আবুল কাসিম তাম্মাম বিন মুহাম্মদ আদ-দারী, এবং আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন আল-গাসসানী, এবং আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আবুল আকিব, এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-কাত্তান। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী বিন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন আবুল আকিব; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জুরআ আবদুর রহমান বিন আমর বিন আবদুল্লাহ বিন সাফওয়ান আন-নাসরী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মিসহার আবদুল আলা বিন মিসহার আল-গাসসানী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবদুল আজিজ, রাবিয়াহ বিন ইয়াজিদ থেকে, // ২৫ // তিনি আবু ইদরিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন হাওয়ালা আল-আজদী থেকে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “নিশ্চয়ই তোমরা শীঘ্রই কয়েকটি বাহিনীতে সৈন্যবদ্ধ হবে: এক বাহিনী শামে, এক বাহিনী ইরাকে এবং এক বাহিনী ইয়ামেনে।” তখন হাররানী বললেন: আমার জন্য পছন্দ করে দিন

হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: “তোমরা শামকে বেছে নাও। আর যে তাতে অসম্মতি জানায় সে যেন তার ইয়ামেনের সাথে যুক্ত হয় এবং তার জলাশয় থেকে পানি পান করে। কেননা আল্লাহ তাআলা আমার জন্য শাম ও তার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।”
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৭)
شَيْخٌ آخَر:

22- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ خَلَف بْنِ القَطِيعِيِّ. بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَبَّاسِيُّ الْمَكِّيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ فِرَاسٍ الْمَكِّيُّ الْعَبْسَقِيُّ ، مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ بْنِ رَبِيعَةَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللهِ الأَسْلَمِيُّ // 26 // الْمَكِّيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو صَالِحٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْأَزْهَرِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ زُنْبُورٍالْمَكِّيِّ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ دِينَارٍ الْمَكِّيُّ ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ، مَنْ قَتَلَهُنَّ وَهُوَ حَرَامٌ فَِلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ فِيهِنَّ: العَقْرَبُ، وَالفَأْرَةُ، وَالكَلْبُ العَقُورُ، وَالغُرَابُ، وَالحِدَأَةُ.

شَيْخٌ آخَر:
অন্য একজন শায়খ:

২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উমর ইবনে আল-হুসাইন ইবনে খালাফ ইবনে আল-কতিয়ী, মসুলে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আব্বাসি আল-মাক্কি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে ফিরাস আল-মাক্কি আল-আব্সাকি, যিনি আব্দুল কায়েস ইবনে রাবিয়া গোত্রের অন্তর্ভুক্ত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসলামি // ২৬ // আল-মাক্কি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-আযহার, যিনি ইবনে জুনবুর আল-মাক্কি নামে পরিচিত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে জাফর আল-মাদানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার আল-মাক্কি, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর হতে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "পাঁচটি প্রাণী এমন রয়েছে, ইহরাম অবস্থায় কেউ সেগুলো হত্যা করলে তার ওপর কোনো পাপ নেই: বিচ্ছু, ইঁদুর, আক্রমণকারী কুকুর, কাক এবং চিল।"

অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৮)
23- أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ الأَسَدَآبَاذِي ، بِالْمَوْصِلِ، حَدَّثَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ حَفَدَةَ ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشِّيرَوِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَاذَانَ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ مَعْقِلِ بْنِ سِنَانٍ // 27 // الأُمَوِيُّ الأَصَمُّ، أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ الْمِصْرِيُّ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرَةَ ابْنَةِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنَّهَا قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: أَقِيلُوا ذَوِي الْهَيْئَاتِ عَثَرَاتِهِمْ إِلَاّ حَدًّا مِنْ حُدُودِ اللَّهِ ، تَعَالَى.
২৩- আমাদের মসুল শহরে আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী আল-আসাদাবাদি সংবাদ প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আসআদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে হাফাদাহ বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের আবু বকর আবদুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আশ-শিরাওয়ি সংবাদ প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে আল-ফাদল ইবনে শাযান আস-সাইরাফি সংবাদ প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ ইবনে মাকিল ইবনে সিনান // ২৭ // আল-উমাওয়ি আল-আসাম্ম বর্ণনা করেছেন; তিনি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদিল হাকাম আল-মিসরি থেকে; তিনি বলেন: আমাকে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি ফুদাইক সংবাদ প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আমার কাছে আবদুল মালিক ইবনে যাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে হাযম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: নবী (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: “তোমরা মর্যাদাশীল ব্যক্তিদের পদস্খলনগুলো ক্ষমা করে দাও, মহান আল্লাহর নির্ধারিত কোনো দণ্ডবিধি (হদ) ব্যতীত।”
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ১৯)
شَيْخٌ آخَر:

24- أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بْنُ عُلْوَانَ بْنِ مُهَاجِرٍ ، بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَاسِرٍ الْجِيَانِيُّ الأََنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطِيبُ الْكُشْمِيهَنِيُّ المَرْوَزِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْعَارِفُ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ // 28 // الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي ذِئْبٍ، حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لِلْقُرَشِيِّ مِثْلُ قُوَّةِ الرَّجُلَيْنِ مِنْ غَيْرِ قُرَيْشٍ.

25 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ،، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِذَا سَمِعْتُمُ الإِقَامَةَ، فَامْشُوا وَعَلَيْكُمْ بِالسَّكِينَةِ، فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا، وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا.
অন্য এক শাইখ:

২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুজাফফর মুহাম্মদ বিন উলওয়ান বিন মুহাজির, মসুলে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াসির আল-জিয়ানী আল-আনসারী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-খতিব আল-কুশমিহানি আল-মারওয়াযী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আরিফ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফজল আস-সাইরাফী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব // ২৮ // আল-উমাবী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল হাকাম আল-মিসরী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আবি ফুদাইক; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আবি যিব; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন শিহাব আয-যুহরী; তালহা বিন আবদুল্লাহ বিন আওফ থেকে বর্ণিত; তিনি আবদুর রহমান বিন আযহার থেকে; তিনি জুবায়ের বিন মুতয়িম (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কুরাইশ বহির্ভূত দুই ব্যক্তির শক্তির সমান শক্তি একজন কুরাইশীর রয়েছে।

২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ; সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এবং আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তারা আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন তোমরা ইকামত শুনতে পাও, তখন হেঁটে আসো এবং তোমাদের উপর প্রশান্তি বজায় রাখা আবশ্যক। সালাতের যতটুকু পাও তা আদায় করো, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করো।
(খণ্ড: ১) আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাহ আল-মুসাম্মাতু বি-মাশইয়াখাতিল মাওসিল লি-ইবনি আবিল ফাহম (পৃষ্ঠা: ২০)
آخر الفوائد ، والحمد لله وحده

أختم … لمن كتب// 29 //

قرأ علي جميع هذه الفوائد صاحبها الشيخ الأجل أبو بكر بن يوسف بن عبد الكريم ، سمعها محمد بن أبي بكر بن عباس ، وأخوه أبو الخير ، وعبد الرحمان بن أحمد عبد الغني بن علي..... وصح ذلك في يوم الأربعاء من شهر محرم في سنة إحدى وثلاثين وست مئة.

كتب عبد الرحمان بن أبي الفهم بن عبد الرحمان الشافعي ، عفا الله عنه ، والحمد لله والصلاة والسلام على محمد وآله وسلم.

توفي الشيخ العالم أبو محمد عبد الرحمان بن أبي الفهم بن عبد الرحمان البلداني ، عفا الله عنه وأثابه بالرحمة ، يوم الإثنين ثامن ربيع الأول سنة خمس وخمسين وست مئة للهجرة النبوية.
ফাওয়াইদসমূহের সমাপ্তি, এবং সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।

আমি সমাপ্ত করছি … লেখকের জন্য// ২৯ //

এই সকল ফাওয়াইদ এর সংকলক সুমহান শাইখ আবু বকর বিন ইউসুফ বিন আব্দুল কারীম আমার নিকট পাঠ করেছেন। এটি শ্রবণ করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আব্বাস, তাঁর ভাই আবু আল-খাইর এবং আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আব্দুল গনি বিন আলী... এবং এটি সঠিক হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে ছয়শ একত্রিশ হিজরি সনের মুহাররম মাসের বুধবার দিনে।

লিখেছেন আব্দুর রহমান বিন আবি আল-ফাহম বিন আব্দুর রহমান আশ-শাফিয়ি, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর।

বিদ্বান শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন আবি আল-ফাহম বিন আব্দুর রহমান আল-বালদানি—আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং রহমত দ্বারা পুরস্কৃত করুন—ছয়শ পঞ্চান্ন হিজরি সনের আটই রবিউল আউয়াল সোমবার ইন্তেকাল করেছেন।