(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: -)
ذيل العراقي على العبر القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الذيل على ذيل العبر (وهو ذيل للعراقي على ذيل العبر للذهبي)
المؤلف: زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 806 هـ)
قرأه وعلق عليه: أحمد عبد الستار
الناشر: دار الذخائر
الطبعة: الأولى، 1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 244
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 ربيع الأول 1442
আল-ইবার-এর উপর ইরাকির পরিশিষ্ট বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
কিতাব: যাইলে যাইলে আল-ইবার (এটি যাহাবির যাইলে আল-ইবারের উপর ইরাকির একটি পরিশিষ্ট)
লেখক: যাইনুদ্দিন আব্দুর রহিম ইবনে আল-হুসাইন আল-ইরাকি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি)
পাঠ ও টীকা প্রদান: আহমাদ আব্দুস সাত্তার
প্রকাশক: দারুজ জাখায়ের
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪৪
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١)
الذيل على ذيل العبر
আল-ইবার-এর পরিশিষ্টের পরিশিষ্ট
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢)
حقوق الطبع محفوظة
الطبعة الأولى
1440 هـ - 2019 م
رقم الايداع
1948/ 2019
دار الذخائر
إحياء لتراث أمة
33 شارع الإمام محمد عبده خلف الجامع الأزهر
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪৪০ হি. - ২০১৯ খ্রি.
নিবন্ধন নম্বর
১৯৪৮/ ২০১৯
দারুদ দাখাইর
উম্মাহর ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনে
৩৩ ইমাম মুহাম্মদ আবদুহ সড়ক, আল-আজহার মসজিদের পেছনে
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٣)
الذيل على ذيل العبر
تأليف
الحافظ زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي
(ت 806 هـ)
يطبع لأول مرة
ويليه
تذييل الذيل
تأليف
نسيم الدين عبد الغني [بن] عبد الواحد المرشدي
(ت 833 هـ)
قرأه وعلق عليه
أحمد عبد الستار
دار الذخائر
إحياء لتراث أمة
যাইলে আলা যাইলি উল-ইবার
রচনা
আল-হাফিজ যাইন উদ্দিন আব্দুর রহিম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকি
(মৃত্যু ৮০৬ হিজরি)
প্রথমবারের মতো মুদ্রিত
এবং এর সাথে রয়েছে
তাযয়িল আদ-যাইল
রচনা
নাসিম উদ্দিন আব্দুল গনি [বিন] আব্দুল ওয়াহিদ আল-মুরশিদি
(মৃত্যু ৮৩৩ হিজরি)
পাঠ ও টীকা প্রদান করেছেন
আহমদ আব্দুস সাত্তার
দারুল জাখাইর
উম্মাহর ঐতিহ্য পুনর্জীবনে
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٤)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٥)
مقدمة التحقيقالحمد لله حمد الشاكرين، والصلاة والسلام على نبيه محمد آخر الأنبياء والمرسلين.
وبعد، فهذان درتان مكنونتان مدخرتان ظلتا مجهولتين طيلة سنين، ثم منَّ الله على الفقير فأتاحهما له، فنفض عنهما غبارهما، وجلَّاهما لقرائهما.
فأولهما، «ذيل العبر»، للحافظ زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 806 هـ)، والذي عدَّه البعض مفقودًا
(1) إلى وقت قريب، رغم أنه معروف مشهور بين علماء عصره، نهل منه واغترف كثيرون ممن جاؤوا بعده، خاصة مما تشاركوا في مادته العلمية، أو فترته التاريخية.
وثانيهما، «ذيلٌ» عليه، لنسيم الدين عبد الغني بن عبد الواحد بن إبراهيم المرشدي (ت 833 هـ)، يشترك مع «ذيل» الحافظ ولي الدين أحمد بن عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 826 هـ).
وكلا الذيلين يستكملان حلقة من حلقات كتاب «العبر»، للذهبي، إذ ذيَّل عليه مؤلفه من سنة 700 هـ وحتى سنة 740 هـ، وعليه ذيلان ابتدءا من البداية نفسها، وأعني سنة 741 هـ، وهما «ذيل» الحافظ شمس الدين محمد
--------------------------------------------
সম্পাদকের ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি কৃতজ্ঞদের প্রশংসার যোগ্য; আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মদের ওপর, যিনি শেষ নবী ও রাসূল।
অতঃপর, দীর্ঘকাল যাবৎ অজ্ঞাত থাকা সঞ্চিত ও সুপ্ত দুটি মুক্তাসম রত্ন এখানে পেশ করা হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা এই অধমের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং এ দুটি তাঁর হস্তগত করার সুযোগ করে দিয়েছেন। ফলে তিনি এগুলোর ধুলোবালি ঝেড়ে পাঠকদের জন্য তা উদ্ভাসিত করেছেন।
এর মধ্যে প্রথমটি হলো হাফেজ জয়নুদ্দিন আবদুর রহিম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকি (ওফাত: ৮০৬ হি.) রচিত ‘যাইলুল ইবার’। সম্প্রতি কিছুকাল পূর্ব পর্যন্ত কেউ কেউ এটিকে হারিয়ে যাওয়া গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করতেন
(১), যদিও এটি তাঁর সমসাময়িক আলেমদের কাছে সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ ছিল। তাঁর পরবর্তী অসংখ্য ব্যক্তি এই গ্রন্থ থেকে জ্ঞান আহরণ করেছেন ও উপকৃত হয়েছেন; বিশেষ করে যারা এর ইলমি বিষয়বস্তু বা ঐতিহাসিক সময়কালের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
দ্বিতীয়টি হলো নাসিমুদ্দিন আবদুল গনি বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন ইবরাহিম আল-মুরশিদি (ওফাত: ৮৩৩ হি.) রচিত এর একটি ‘যাইল’ (পরিশিষ্ট), যা হাফেজ ওয়ালিউদ্দিন আহমদ বিন আবদুর রহিম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকি (ওফাত: ৮২৬ হি.)-এর ‘যাইল’-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
এই উভয় পরিশিষ্টই ইমাম যাহাবির ‘আল-ইবার’ নামক গ্রন্থের একটি ধারাবাহিকতা পূর্ণ করে। কারণ লেখক নিজে ৭০০ হিজরি থেকে ৭৪০ হিজরি পর্যন্ত এর পরিশিষ্ট লিখেছিলেন। অতঃপর একই সময়কাল অর্থাৎ ৭৪১ হিজরি থেকে এর ওপর দুটি পরিশিষ্ট লেখা শুরু হয়, যেগুলো হলো হাফেজ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٦)
ابن علي الحسيني (ت 765 هـ)، و «ذيل» الحافظ العراقي الأب، انتهى ثانيهما سنة 763 هـ، وتأخر أولهما [*] إلى سنة 764 هـ.
وذيَّل على «ذيل» الحافظ العراقي الأب، مذيِّلان: أولهما الحافظ العراقي الابن، ابتدأ «ذيله» من سنة مولده سنة 762 هـ، فاتفق مع أبيه في ذكر وفيات سنتين، ثم أكمله حتى انتهى به إلى سنة 786 هـ.
وثانيهما «ذيل» المرشدي، وابتدأه من سنة 764 هـ، وسقط منه وفيات سنة 775 هـ، إذ لم يعَنوِن لها، وإنما ذكر وفاة محيي الدين القرشي الحنفي في نهاية وفيات سنة 774 هـ، وقد شك هل هو ممن توفي في هذه السنة أو في التي بعدها، ووصلنا من هذا الذيل إلى وفيات سنة 778 هـ، ولعله توقف عندها، أو أكمله إلى بعد ذلك، فليس بين يديَّ ما يُدعم أيِّ الظنين.
موضوع الكتاب، ومنهجهسبق وأن أشرنا إلى أن مادة الكتاب الذي بأيدينا هي مجموعة من التراجم من سنة 741 هـ، وحتى سنة 778 هـ، بالجمع بين الذيلين معًا، مرتبة على السنوات.
ويكاد يتفق المؤلفان في منهجهما في التأليف، متبعين منهج سابقهما، وهو مؤلف الكتاب الأصل، والتي دارت حول فَلَكه هذه النجوم.
فهما يذكران لقب المُترْجم له، وعادة ما يسبقه كلمة: «وفيها»، وقد يحددان تأريخ وفاة صاحب الترجمة إن علماه، أو يؤخران هذا التاريخ بعد الاسم، ثم
--------------------------------------------
ইবন আলী আল-হুসাইনী (মৃ. ৭৬৫ হি.), এবং হাফিজ আল-ইরাকি পিতার ‘যাইল’ (পরিশিষ্ট)। এই দুটির মধ্যে দ্বিতীয়টি ৭৬৩ হিজরিতে সমাপ্ত হয়েছে এবং প্রথমটির সমাপ্তি বিলম্বিত হয়ে ৭৬৪ হিজরি পর্যন্ত পৌঁছেছে।
হাফিজ আল-ইরাকি পিতার ‘যাইল’-এর ওপর দুজন পরিশিষ্টকার সংযোজনী লিখেছেন: তাদের মধ্যে প্রথমজন হলেন হাফিজ আল-ইরাকি পুত্র। তিনি তার ‘যাইল’ শুরু করেছেন তার জন্মসাল ৭৬২ হিজরি থেকে। এর ফলে তিনি তার পিতার সাথে দুই বছরের মৃত্যুর বর্ণনায় একমত হয়েছেন। এরপর তিনি এটি পূর্ণ করেন এবং ৭৮৬ হিজরি পর্যন্ত নিয়ে সমাপ্ত করেন।
আর দ্বিতীয়টি হলো আল-মুরশিদীর ‘যাইল’। তিনি এটি ৭৬৪ হিজরি থেকে শুরু করেছেন। এতে ৭৭৫ হিজরির মৃত্যুসংবাদগুলো বাদ পড়েছে, কারণ তিনি সেটির জন্য কোনো শিরোনাম দেননি। তবে তিনি ৭৭৪ হিজরির মৃত্যুসংবাদসমূহের শেষে মুহিউদ্দীন আল-কুরাশী আল-হানাফীর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি সন্দেহ পোষণ করেছিলেন যে, তিনি কি এই বছর ইন্তেকাল করেছেন নাকি তার পরের বছর। এই পরিশিষ্ট থেকে আমাদের কাছে ৭৭৮ হিজরির মৃত্যুসংবাদ পর্যন্ত পৌঁছেছে। সম্ভবত তিনি এখানেই থেমে গিয়েছিলেন অথবা এর পরেও এটি সম্পন্ন করেছিলেন; আমার কাছে এমন কিছু নেই যা এই দুই ধারণার কোনো একটিকে সমর্থন করতে পারে।
গ্রন্থের বিষয়বস্তু ও পদ্ধতিআমরা ইতোপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, আমাদের হাতে থাকা এই গ্রন্থের বিষয়বস্তু হলো ৭৪১ হিজরি থেকে ৭৭৮ হিজরি পর্যন্ত কতগুলো জীবনীর সংকলন, যা উভয় পরিশিষ্টকে একত্রিত করার মাধ্যমে বছর অনুযায়ী বিন্যস্ত করা হয়েছে।
রচনার পদ্ধতির ক্ষেত্রে লেখকদ্বয় প্রায় একমত, তারা তাদের পূর্বসূরি অর্থাৎ মূল গ্রন্থের লেখকের পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন, যার চারপাশেই এই নক্ষত্ররাজি আবর্তিত হয়েছে।
তারা জীবনীপ্রদত্ত ব্যক্তির উপাধি উল্লেখ করেন এবং সাধারণত এর আগে ‘এবং সেই বছরে’ শব্দটি থাকে। তারা জীবনীপ্রদত্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ নির্ধারণ করেন যদি তা তাদের জানা থাকে, অথবা এই তারিখটি নামের পরে উল্লেখ করেন, এরপর...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٧)
يذكران الاسم كاملًا، ثم شيوخه وما سمعه منهم، وأحيانًا يحددان مسموعه على شيوخه، وإن كان التلميذ لم يتم سماع الكتاب المذكور، حددا قدر سماعه، وقدر الفوت، ثم يذكران تلاميذه، وما سمعوه عليه، وإن كان صاحب مصنفات، يحددان عددها.
ونلاحظ أن هذا المنهج كان مُخْتَطًّا قبل الذهبي، وعليه صار هو ومن تبعه من بعده، وهو منهجٌ اتَّبعه أكثر المؤرخين، خاصة الحوليين منهم.
جمع الكتاب بين دفَّتيه تراجم لطوائف مختلفة للمجتمع، ففيه تراجم العلماء، والحُفَّاظ - وهم الكُثر منهم، والقضاة، والملوك، والأمراء، ورجال السياسة.
ومما يُلاحظ ذلك التقارب - وإن لم يكن التطابق - بين «ذيل العبر» الحالي وبين «الوفيات»، وكلاهما للعراقي، وإن زادت «الوفيات» بعض التراجم ممَّن تُوُفِّيَ أصحابها خلال الفترة التاريخية التي تصدَّى لها المصنف هنا
(1).
أهمية الكتاب وأثره في المؤلفات اللاحقة بهإن المُطَّلع على «ذيل العراقي» يتبين له مدى استيعاب صاحبه كمًّا وكيفًا لوفيات الفترة التاريخية التي تصدَّى لها، كما تُعدُّ مادته المادة الأساسية لعدد من المصنفات التي تلته واعتمدت عليه.
--------------------------------------------
তাঁরা পূর্ণ নাম উল্লেখ করেন, অতঃপর তাঁর উস্তাদদের নাম এবং তিনি তাঁদের নিকট থেকে যা শ্রবণ করেছেন তা উল্লেখ করেন। কখনো কখনো তাঁরা তাঁর উস্তাদদের নিকট তাঁর শ্রুত অংশটুকু নির্দিষ্ট করে দেন। আর যদি ছাত্রটি উল্লিখিত কিতাবটি শ্রবণ করা সম্পন্ন না করে থাকে, তবে তাঁরা তাঁর শ্রবণের পরিমাণ এবং কতটুকু বাদ পড়েছে (ফউত) তা নির্ধারণ করে দেন। এরপর তাঁরা তাঁর ছাত্রদের কথা এবং তাঁরা তাঁর নিকট কী শ্রবণ করেছেন তা উল্লেখ করেন। আর যদি তিনি কোনো গ্রন্থের রচয়িতা হন, তবে তাঁরা সেগুলোর সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেন।
আমরা লক্ষ্য করি যে, এই পদ্ধতিটি ইমাম যাহাবীর পূর্বেই সুপরিকল্পিত ছিল এবং তিনি ও তাঁর পরবর্তী অনুসারীরা এই পথেই চলেছেন। এটি এমন একটি পদ্ধতি যা অধিকাংশ ঐতিহাসিক অনুসরণ করেছেন, বিশেষ করে বর্ষানুক্রমিক ইতিহাস লেখকগণ।
গ্রন্থটি তার দুই মলাটের মাঝে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির জীবনী সংকলন করেছে; এতে আলেম, হাফেজ—যাঁদের সংখ্যাই বেশি—বিচারক, রাজা, আমির এবং রাজনীতিবিদদের জীবনী রয়েছে।
আরও লক্ষ্য করা যায় যে, বর্তমান «যাইলুল ইবার» এবং «আল-ওয়াফায়াত»-এর মধ্যে যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা রয়েছে—যদিও তা হুবহু এক নয়। উভয় গ্রন্থই আল-ইরাকীর রচনা। তবে «আল-ওয়াফায়াত» গ্রন্থে এমন কিছু ব্যক্তির জীবনী বৃদ্ধি পেয়েছে যাঁরা সেই ঐতিহাসিক সময়কালের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন যা লেখক এখানে বর্ণনা করেছেন
(১)।
গ্রন্থটির গুরুত্ব এবং পরবর্তী রচনাবলির ওপর এর প্রভাবযিনি «যাইলুল ইরাকী» পাঠ করবেন, তাঁর নিকট স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, লেখক তাঁর আলোচিত ঐতিহাসিক সময়কালের মৃত্যুর ঘটনাবলি পরিমাণ ও গুণগত উভয় দিক থেকে কতটা ব্যাপকভাবে আয়ত্ত করেছেন। এছাড়া এর বিষয়বস্তু পরবর্তী বেশ কিছু গ্রন্থের মূল উপজীব্য হিসেবে গণ্য হয়, যা এই গ্রন্থের ওপর নির্ভর করে রচিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٨)
فعلى الرغم من الاتفاق الزمني بين المصنفين (741 - 763 هـ)، إلا أن عدد تراجم «ذيل العراقي» قد زادت - إن لم يكن تضاعفت - عن عدد تراجم «ذيل الحسيني»، فقد بلغت تراجم الحسيني 265 (مئتين وخمس وستين) ترجمة، في حين بلغت عدد تراجم «ذيل العراقي» الأب (أربع مئة وواحدة وخمسين) 451 ترجمة، أي أنه زاد عليه عدد 186 (مئة ست وثمانين) ترجمة، منها 99 (تسع وتسعون) ترجمة في سنة 749 هـ، وهي أكثر السنوات إيرادًا للوفيات؛ نظرًا لوقوع الطاعة فيها؛ لذا فقد اتخذناها مقياسا في عقد المقارنات بين «ذيل العراقي» وسابقيه ولاحقيه.
ورغم تفوق عدد تراجم «ذيل العراقي» الابن على «ذيل المرشدي»، والتي بلغت عدد تراجمه 220 (مئتين وعشرين) ترجمة فقط، إلا أن «ذيل المرشدي» ورد فيه تراجم لم ترد عند العراقي الابن في «ذيله» بلغت (سبعًا وعشرين) 27 ترجمة، أي أن الجديد لديه يكاد يقترب من 8% ممَّا قدمه.
والمطَّلع على المصنفَّات التالية على «ذيل العراقي» خاصة يبصر مدى استعانة لاحقيه به واعتمادهم عليه، فاتَّقي الفاسي مثلًا بنى كتابه «إيضاح بغية أهل البصارة» على مادة هذا الذيل، فإذا بلغت تراجم «ذيل العراقي» (451 أربع مئة وواحدة وخمسين) ترجمة، فقد ضمَّنها التقي الفاسي في كتابه، وأضاف إليها «ذيل ابن أيبك» المفقود - وهو يتناول نفس الفترة التاريخية
উভয় গ্রন্থকারের সময়কাল এক হওয়া সত্ত্বেও (৭৪১ - ৭৬৩ হিজরি), ‘যাইলুল ইরাকি’-এর জীবনী সংখ্যা ‘যাইলুল হুসাইনি’-এর জীবনীর তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে—বরং বলা যায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আল-হুসাইনির জীবনী সংখ্যা ছিল ২৬৫ (দুইশত পঁয়ষট্টি)টি, যেখানে পিতা আল-ইরাকির ‘যাইল’-এ জীবনী সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৫১ (চারশত একান্ন)টিতে। অর্থাৎ তিনি ১৮৬ (একশত ছিয়াশি)টি জীবনী বৃদ্ধি করেছেন। এর মধ্যে ৯৯ (নিরানব্বই)টি জীবনীই হচ্ছে ৭৪৯ হিজরি সালের, যা মৃত্যুর আধিক্যের কারণে সর্বাধিক জীবনী সম্বলিত বছর ছিল; এর কারণ ছিল সেই বছরে প্লেগ মহামারির প্রাদুর্ভাব। এ কারণেই আমরা ‘যাইলুল ইরাকি’ এবং এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গ্রন্থসমূহের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনার ক্ষেত্রে এটিকে মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করেছি।
পুত্র আল-ইরাকির ‘যাইল’-এর জীবনী সংখ্যা ‘যাইলুল মুরশিদি’ থেকে বেশি হওয়া সত্ত্বেও—যার জীবনী সংখ্যা ছিল মাত্র ২২০ (দুইশত বিশ)টি—‘যাইলুল মুরশিদি’-তে এমন ২৭ (সাতাশ)টি জীবনী বর্ণিত হয়েছে যা পুত্র আল-ইরাকির ‘যাইল’-এ নেই। অর্থাৎ তার প্রদানকৃত বিষয়ের প্রায় ৮ শতাংশই নতুন।
বিশেষ করে ‘যাইলুল ইরাকি’-এর পরবর্তী গ্রন্থসমূহ যারা পাঠ করবেন, তারা বুঝতে পারবেন যে পরবর্তী লেখকগণ এর থেকে কতটা সাহায্য নিয়েছেন এবং এর ওপর কতটা নির্ভর করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, আত-তাকি আল-ফাসি তার ‘ইযাহু বুগয়াতি আহলিল বাসারা’ গ্রন্থটি এই ‘যাইল’-এর উপাদানের ওপর ভিত্তি করেই সাজিয়েছেন। ‘যাইলুল ইরাকি’-তে যে ৪৫১ (চারশত একান্ন)টি জীবনী রয়েছে, আত-তাকি আল-ফাসি তা স্বীয় গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং এর সাথে ইবনে আইবাকের হারিয়ে যাওয়া ‘যাইল’-টিও যুক্ত করেছেন—যা মূলত একই ঐতিহাসিক সময়কাল নিয়ে রচিত।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٩)
أيضًا، فبلغت عدد تراجم «الإيضاح» حتى سنة 763 هـ - وهي السنة التي انتهى بها «ذيل العراقي» - 729 (سبع مئة واثنتين وعشرين) ترجمة.
لقد صرَّح التَّقي الفاسي بالنقل عن الزين العراقي في 62 (اثنين وستين) موضعًا من كتابه، منها 27 (سبعٌ وعشرون) موضعًا في سنة 749 هـ - مما يؤكد مدى التلاقح بين الكتابين، بل إن هناك عددًا من التراجم انفرد بإيرادها الحافظ العراقي ضمن وفيات هذه السنة تحديدًا، ونقلها عنه أغلب من جاء بعد - ومنهم بالطبع التقي الفاسي، نحو تراجم أرقام: 139 (زين الدين محمد بن محمد الحارث الزهري)، 140 (برهان الدين إبراهيم بن علي بن هبة الله بن غالي الدمنهوري الشاذلي)، 143 (تقي الدين محمد بن الببائي، ابن قاضي ببا)، 144 (سعد الدين مسعود ابن الميموني الشافعي)، 145 (جمال الدين الإهناسي)، 147 (الفقيه سديد الدين الأقفاسي)، 151 (شمس الدين محمد ابن صديق بن عفيف الجياني)، 152 (علاء الدين أحمد بن عبد المؤمن السبكي)، 157 (جلال الدين يوسف بن عمر بن عوسجة العباسي)، 161 (جمال الدين الملطي)، 162 (صدر الدين الكاشاني)، 191 (نور الدين علي بن شبيب الحنبلي)، 195 (عز الدين الحراني)، وغير ذلك الكثير.
আরও, 'আল-ইজাহ' গ্রন্থের জীবনী সংখ্যা ৭৬৩ হিজরি পর্যন্ত—যে বছরটিতে 'জাইলুল ইরাকি' সমাপ্ত হয়েছে—৭২৯ (সাতশত বাইশ)টি জীবনীতে পৌঁছেছে।
তাকি আল-ফাসি তাঁর গ্রন্থের ৬২ (বাষট্টি)টি স্থানে যাইনুল ইরাকি থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে ২৭ (সাতাশ)টি স্থান ৭৪৯ হিজরি সালের—যা এই দুই গ্রন্থের মধ্যকার পারস্পরিক প্রভাব ও সমন্বয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এমনকি বেশ কিছু জীবনী রয়েছে যা হাফেজ আল-ইরাকি বিশেষভাবে এই বছরের মৃত্যু তালিকায় এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পরবর্তী অধিকাংশ লেখকই তাঁর থেকে তা বর্ণনা করেছেন—যাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই তাকি আল-ফাসিও রয়েছেন। যেমন জীবনী নম্বর: ১৩৯ (যাইন উদ্দিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-হারিস আল-জুহরি), ১৪০ (বুরহান উদ্দিন ইব্রাহিম বিন আলি বিন হিবাতুল্লাহ বিন গালি আদ-দামানহুরি আশ-শাজিলি), ১৪৩ (তাকি উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আল-বাবায়ি, ইবন কাজি বাবা), ১৪৪ (সাদ উদ্দিন মাসউদ ইবনুল মাইমুনি আশ-শাফিঈ), ১৪৫ (জামাল উদ্দিন আল-ইহনাসি), ১৪৭ (ফকিহ সাদিদ উদ্দিন আল-আকফাসি), ১৫১ (শামস উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে সিদ্দিক বিন আফিফ আল-জায়ানি), ১৫২ (আলাউদ্দিন আহমদ বিন আব্দুল মুমিন আস-সুবকি), ১৫৭ (জালাল উদ্দিন ইউসুফ বিন উমর বিন আওসাজা আল-আব্বাসি), ১৬১ (জামাল উদ্দিন আল-মালতি), ১৬২ (সদর উদ্দিন আল-কাশানি), ১৯১ (নূর উদ্দিন আলি বিন শাবিব আল-হাম্বলি), ১৯৫ (ইজ্জুদ্দিন আল-হাররানি), এবং এ রকম আরও অনেক।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٠)
بل إن هناك عددًا من التراجم انفرد بها الحافظ العراقي في «ذيله»، وانفرد بنقلها عنه التقي الفاسي أيضًا، نحو تراجم أرقام: 164 (شرف الدين ابن بنت أبي سعد الغالبي)، 166 (تقي الدين محمد بن علاء الدين الجوجري)، 179 (صائن الدين أبو بكر بن يوسف بن أحمد بن عبد الدايم)، 189 (شهاب الدين أحمد بن سلك الحنفي)، 253 (شمس الدين محمد بن الطحان)، 254 (شهاب الدين أحمد بن الرقام)، 255 (شمس الدين محمد بن البكتمري)، 256 (الشيخ محمد القصَّار)، 257 (الشيخ محمد الفيومي)، 259 (الشيخ محمد الزركشي الشافعي، وقد نوع في النقل عنه)؛ إذ ينقل عنه الترجمة بتمامها أحيانًا، وأحيانًا ينقلها بالمعنى مشيرًا إلى ذلك بقوله: «ذكره بمعنى هذا شيخنا العراقي».
كما أن هناك عددًا آخر انفرد به، وأغفلته المصادر الأخرى، واحتفظ به الحافظ ابن فهد في لحظ الألحاظ، نحو تراجم أرقام: 202 (زين الدين محمد بن أحمد بن ظهير القليوبي)، 230 (مجد الدين إبراهيم بن محمد بن إبراهيم الجزري)، 244 (شهاب الدين أحمد بن عبد الرحمن بن عبد المحسن العطار).
إضافة إلى ذلك فقد انفرد الحافظ العراقي بذكر تراجم لم تُذكر لدى غيره من المصادر المعاصرة له، أو حتى اللاحقة عليه، خاصة تلك التي أكثرت
বস্তুত সেখানে বেশ কিছু জীবনী রয়েছে যা হাফিজ আল-ইরাকি তাঁর 'জাইল' (পরিশিষ্ট) গ্রন্থে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তাকী আল-ফাসিও তাঁর থেকে সেগুলো বর্ণনায় স্বতন্ত্রতা বজায় রেখেছেন, যেমন জীবনী নম্বর: ১৬৪ (শারাফুদ্দিন ইবনে বিনতে আবি সাদ আল-গালিবি), ১৬৬ (তাকীউদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আলাউদ্দীন আল-জাওজারি), ১৭৯ (সায়িনুদ্দীন আবু বকর ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল দায়িম), ১৮৯ (শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে সিল্ক আল-হানাফি), ২৫৩ (শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আত-তাহহান), ২৫৪ (শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনুর রাককাম), ২৫৫ (শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনুল বুকতামারি), ২৫৬ (শাইখ মুহাম্মাদ আল-কাসসার), ২৫৭ (শাইখ মুহাম্মাদ আল-ফাইয়ুমি), ২৫৯ (শাইখ মুহাম্মাদ আজ-জারকাশি আশ-শাফিয়ি, যার ক্ষেত্রে তিনি বর্ণনায় বৈচিত্র্য এনেছেন); কেননা তিনি কখনও কখনও তাঁর থেকে পুরো জীবনীটি হুবহু উদ্ধৃত করেছেন, আবার কখনও কখনও মর্মার্থে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি এই বলে ইঙ্গিত করেছেন: "আমাদের উস্তাদ ইরাকি এটি এই অর্থে উল্লেখ করেছেন।"
অনুরূপভাবে আরও কিছু জীবনী রয়েছে যা তিনি এককভাবে উল্লেখ করেছেন এবং অন্যান্য উৎসগুলো তা এড়িয়ে গেছে, তবে হাফিজ ইবনে ফাহাদ তা 'লাহজুল আলহাজ' গ্রন্থে সংরক্ষণ করেছেন, যেমন জীবনী নম্বর: ২০২ (যাইনুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে জাহির আল-কালয়ুবি), ২৩০ (মাজদুদ্দীন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-জাজারি), ২৪৪ (শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মুহসিন আল-আত্তার)।
এর পাশাপাশি হাফিজ আল-ইরাকি এমন কিছু জীবনী উল্লেখ করার ক্ষেত্রে একক বৈশিষ্ট্য লাভ করেছেন যা তাঁর সমসাময়িক বা এমনকি পরবর্তী অন্যান্য উৎসগুলোতেও উল্লেখ করা হয়নি, বিশেষ করে সেই সব জীবনী যা অধিক সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١١)
من النقل عنه، نحو ترجمة رقم 234 (إبراهيم بن إدريس بن يحيى المارديني).
ويعد ابن قاضي شهبة في «تاريخه» ثاني مصدر أكثر من النقل عن الحافظ العراقي بعد التقي الفاسي في «إيضاحه»، واعتمد ابن قاضي شهبة في «تاريخه» على كتابَيْ العراقي: «الوفيات»، و «ذيل العبر»، موضحًا مصدره الذي ينقل عنه، فإنْ نقل عن «ذيل العبر» قال: «وقال الحافظ زين الدين العراقي»، وإنْ نقل عن «الوفيات» قال: «ذكره الشيخ زين الدين العراقي في وفياته»، وقد نقل عنه في سنة 749 هـ وحدها حوالي (تسع وأربعين) 49 ترجمة.
كما كان «ذيل العراقي» أحد مصادر ابن حجر التي اعتمد عليها في تحرير مادة كتابه «الدرر الكامنة»، وقد صرَّح بذلك في مقدمته، فقال: «فهذا تعليق مفيد جمعتُ فيه تراجم من كان في المئة الثامنة من الهجرة النبوية من ابتداء سنة إحدى وسبع مئة إلى آخر سنة ثمان مئة من
… »، ثم عدَّ من مصادره: «
… والذيل عليه، لشيخنا الحافظ أبي الفضل بن الحسين العراقي»، فأكثر التراجم الواردة في هذا الذيل من مصادر ترجمتها الرئيسة «درر» ابن حجر، بل إنه انفرد عنه بذكر تراجم لم ترد إلا في «ذيل العبر»، للحافظ العراقي الأب، نحو تراجم أرقام: 405 (محمد بن أبي بكر بن محمد، المعروف بابن
তাঁর থেকে উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে, যেমন জীবনী নম্বর ২৩৪ (ইব্রাহিম বিন ইদ্রিস বিন ইয়াহইয়া আল-মারদিনী)।
ইবনুল কাদি শুহবাহ তাঁর «তারিখ» গ্রন্থে হাফিজ ইরাকি থেকে উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে তাকি আল-ফাসির «ঈজাহ» গ্রন্থের পর দ্বিতীয় প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হন। ইবনুল কাদি শুহবাহ তাঁর «তারিখ» গ্রন্থে ইরাকির দুটি বইয়ের ওপর নির্ভর করেছেন: «আল-ওয়াফায়াত» এবং «জাইলুল ইবার»। তিনি তাঁর উদ্ধৃতি প্রদানের উৎসটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতেন; যদি তিনি «জাইলুল ইবার» থেকে উদ্ধৃতি দিতেন তবে বলতেন: "হাফিজ যাইনুদ্দীন আল-ইরাকি বলেছেন," আর যদি তিনি «আল-ওয়াফায়াত» থেকে উদ্ধৃতি দিতেন তবে বলতেন: "শায়খ যাইনুদ্দীন আল-ইরাকি এটি তাঁর ওয়াফায়াত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।" কেবল ৭৪৯ হিজরি সালেই তিনি তাঁর থেকে প্রায় ৪৯টি (ঊনপঞ্চাশ) জীবনী উদ্ধৃত করেছেন।
একইভাবে, ইবনে হাজারের «আদ-দুরারুল কামিনাহ» গ্রন্থের বিষয়বস্তু সম্পাদনার ক্ষেত্রে তাঁর অন্যতম উৎস ছিল «জাইলুল ইরাকি»। তিনি তাঁর ভূমিকার এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "এটি একটি উপকারী টিকা যেখানে আমি হিজরি অষ্টম শতাব্দীর ব্যক্তিবর্গের জীবনী সংগ্রহ করেছি, যার শুরু ৭০১ হিজরি থেকে ৮০০ হিজরির শেষ পর্যন্ত
…" এরপর তিনি তাঁর উৎসগুলোর মধ্যে গণনা করেছেন: "
… এবং এর পরিশিষ্ট (জাইল), যা আমাদের শায়খ হাফিজ আবুল ফজল বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকির লেখা।" ফলে এই পরিশিষ্টে (জাইল) বর্ণিত অধিকাংশ জীবনীর প্রধান উৎস হলো ইবনে হাজারের «দুরার» গ্রন্থ। বরং হাফিজ ইরাকি (পিতা)-র «জাইলুল ইবার» গ্রন্থে এমন কিছু জীবনী এককভাবে বর্ণিত হয়েছে যা অন্য কোথাও আসেনি, যেমন জীবনী নম্বর: ৪০৫ (মুহাম্মাদ বিন আবু বকর বিন মুহাম্মাদ, যিনি ইবনে... নামে পরিচিত)।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الدماميني)، 406 (نور الدين علي بن محمد بن عبد الله السكندري المقدسي)، 420 (شمس الدين محمد بن أحمد بن عبد الرحمن المناوي)، 421 (شرف الدين يعقوب بن الحسين بن علي الإسنائي)، 425 (زين الدين فرج بن طوغان)، 439 (أبو بكر بن علي بن يوسف الكردي).
مؤلِّفا الذيلينصاحب الذيل الأول، هو الحافظ زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 806 هـ)
(1)، وقد أفاض في ترجمته القدماء والمحدثون، وقد عرضت لذلك تفصيلًا في مقدمة تحقيقي لكتاب «الوفيات»، له
(2)، غير أني سأحاول أن أعرض له من خلال ذيله الذي كتبه.
ذكرنا أن أغلب التراجم المذكورة من العلماء، خاصة ممن عنوا بعلم الحديث منهم، وأكثر هؤلاء ممَّن تتلمذ عليهم المصنِّف مباشرة، وأخذ عنهم قسطًا من علومهم، ومصنفاتهم.
--------------------------------------------
(আদ-দামামিনী), ৪০৬ (নূরুদ্দিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আস-সাকান্দারী আল-মাকদিসী), ৪২০ (শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবদুর রহমান আল-মুনাভী), ৪২১ (শারাফুদ্দীন ইয়াকুব বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-ইসনাঈ), ৪২৫ (যাইনুদ্দীন ফারাজ বিন তুগান), ৪৩৯ (আবু বকর বিন আলী বিন ইউসুফ আল-কুর্দী)।
দুইটি পরিশিষ্টের লেখকদ্বয়প্রথম পরিশিষ্টের লেখক হলেন হাফেজ যাইনুদ্দীন আবদুর রহীম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকী (মৃত্যু ৮০৬ হিজরী)
(১)। প্রাচীন ও আধুনিক আলেমগণ বিস্তারিতভাবে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন। আমি তাঁর রচিত «আল-ওয়াফিয়াত» গ্রন্থের সম্পাদনার ভূমিকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি
(২), তবে আমি এখানে তাঁর লিখিত পরিশিষ্টের মাধ্যমে তাঁর একটি চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করব।
আমরা উল্লেখ করেছি যে, উল্লিখিত অধিকাংশ জীবনীই আলেমদের, বিশেষ করে যাঁরা হাদিস শাস্ত্রের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই এমন ব্যক্তিবর্গ যাঁদের নিকট গ্রন্থকার সরাসরি ছাত্রত্ব গ্রহণ করেছেন এবং তাঁদের জ্ঞান ও রচনাবলি থেকে একটি বড় অংশ অর্জন করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٣)
ولست هنا بصدد إعداد قائمة بشيوخه، خاصة وقد أشرت سابقًا في مقدمة تحقيقي لكتاب «الوفيات»، أني أعمل على جمع معجم شيوخه مفردًا، لكنه استوقفني بعض أمور، منها:
••إغفاله لتراجم عدد من الشخصيات المهمة في عصره، حتى أنه أغفل ترجمة بعض شيوخه ممَّن تُوُفُّوا خلال الفترة الزمنية التي تصدَّى لها، وكان الأولى به ترجمته لهم، مثل: شيخه المُسْنِد المُكثِر المعمَّر تقي الدين عبد الله بن محمد بن إبراهيم، المعروف بابن قيِّم الضيائية، المُتَوَفَّى سنة 761 هـ، وهو ممَّن على شرطه، رغم أنه أكثر عنه كما قال ابن حجر
(1)، حتى أن ابن حجر سمع على الحافظ زين الدين اثنين وعشرين كتابًا بسماعه من ابن قيِّم الضيائية المذكور
(2).
••التنوع المعلوماتي بين كتابيه، إذ اختلفت بعض المعلومات الواردة لبعض التراجم بين الكتابين زيادة ونقصًا، مثل ترجمته في «الذيل» لشيخه جمال الدين إبراهيم بن محمود بن سليمان الحلبي، المُتَوَفَّى سنة 760 هـ لم يذكُر تلمذته له، ولا مسموعه عليه، في حين أنه صرَّح بذلك في ترجمته له في «الوفيات»
(3) وذكر سماعه عليه أجزاء بحلب بقراءته عليه.
--------------------------------------------
আমি এখানে তাঁর শিক্ষকদের কোনো তালিকা প্রস্তুত করতে আসিনি, বিশেষ করে আমি পূর্বেই আমার সম্পাদিত «আল-ওয়াফায়াত» গ্রন্থের ভূমিকায় উল্লেখ করেছি যে, আমি তাঁর শিক্ষকদের একটি পৃথক অভিধান সংকলনের কাজ করছি। তবে কিছু বিষয় আমাকে নিবিষ্ট করেছে, যার মধ্যে রয়েছে:
••তাঁর সমসাময়িক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের জীবনী উপেক্ষা করা, এমনকি তিনি তাঁর এমন কিছু শিক্ষকের জীবনীও বাদ দিয়েছেন যারা তাঁর আলোচিত সময়সীমার মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন, অথচ তাঁদের জীবনী উল্লেখ করা তাঁর জন্য অধিকতর সমীচীন ছিল। যেমন: তাঁর উস্তাদ, প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী (মুসনিদ আল-মুকসির) ও দীর্ঘজীবী তাকীউদ্দীন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম, যিনি ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াইয়্যাহ নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭৬১ হিজরি)। তিনি তাঁর (লেখকের) শর্ত মোতাবেক ছিলেন, যদিও তিনি তাঁর কাছ থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন যেমনটি ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন
(১)। এমনকি ইবনে হাজার হাফেজ জয়নুদ্দীনের নিকট উক্ত ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াইয়্যাহ-এর সূত্রে বাইশটি কিতাব শ্রবণ করেছেন
(২)।
••তাঁর উভয় গ্রন্থের মধ্যে তথ্যের বৈচিত্র্য; যেহেতু কিছু জীবনীর ক্ষেত্রে উভয় গ্রন্থে বর্ণিত তথ্যের মধ্যে কম-বেশি হওয়ার কারণে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। যেমন: «আদ-দাইল» গ্রন্থে তাঁর শিক্ষক জামালুদ্দীন ইবরাহিম বিন মাহমুদ বিন সুলায়মান আল-হালাবী (মৃত্যু ৭৬০ হিজরি)-এর জীবনীতে তিনি তাঁর নিকট ছাত্রত্ব গ্রহণ বা তাঁর নিকট পাঠ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেননি, অথচ তিনি «আল-ওয়াফায়াত» গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন
(৩) এবং আলেপ্পোতে তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে কিছু অংশ শ্রবণ করার কথা বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٤)
ونحو ترجمة أحمد بن كُشْتُغْدي بن عبد الله المُعزِّي الصيرفي، المُتوَفَّى سنة 744 هـ، فهو من طبقة شيوخ شيوخه، وقد أخذ عنه بواسطة شيوخه، فحين ترجمه في «الوفيات» ذكر من شيوخه الوسطاء بينهما: جمال الدين الأميوطي، وعبد الرحمن بن أحمد، المعروف بابن الشيخة، وغازي الحلاوي، وعبد الوهاب ابن أحمد الإخنائي، في حين أنه لم يذكر شيئًا من هذا في ترجمته في «الذيل».
أما صاحب «الذيل الثاني»، فهو نسيم الدين عبد الغني
(1) بن عبد الواحد بن إبراهيم المرشدي المكي.
ولد سنة 804 هـ بمكة المشرفة، وحفظ القرآن الكريم كبقية أقرانه، وأكثر من السماع وحضور دروس العلم.
فأحضره أبوه في السنة الأولى من عمره على أحمد بن محمد بن عثمان الخليلي (ت 805 هـ)، فسمه منه «مجلس البطاقة».
وفي هذه السنة - أعني سنة 805 هـ - كانت أولى إجازاته، فأجازه فيها وما بعدها الحافظان: زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 806 هـ)، صاحب الذيل الأول، ونور الدين الهيثمي (ت 807 هـ).
--------------------------------------------
যেমন আহমাদ বিন কুশতুগদী বিন আব্দুল্লাহ আল-মুইজ্জী আস-সাইরাফীর জীবনী (মৃত্যু ৭৪৪ হি.), তিনি তাঁর উস্তাদগণের উস্তাদ পর্যায়ের ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তাঁর উস্তাদগণের মাধ্যমেই তাঁর থেকে ইলম অর্জন করেছেন। তাই যখন তিনি 'আল-ওয়াফায়াত' গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন, তখন তিনি তাঁদের উভয়ের মধ্যবর্তী মধ্যস্থতাকারী উস্তাদগণের কথা উল্লেখ করেছেন: জামালুদ্দিন আল-আমিয়ুতী, আব্দুর রহমান বিন আহমাদ (যিনি ইবনুশ শাইখাহ নামে পরিচিত), গাজী আল-হাল্লাভী এবং আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আহমাদ আল-ইখনায়ী। অথচ 'আয-যাইল' গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণনায় এর কোনো কিছুই তিনি উল্লেখ করেননি।
আর 'আয-যাইল আস-সানি' (দ্বিতীয় পরিশিষ্ট)-এর রচয়িতা হলেন নাসিমুদ্দিন আব্দুল গনি
(১) ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে ইবরাহিম আল-মুরশিদী আল-মাক্কী।
তিনি ৮০৪ হিজরিতে মক্কা মুশাররাফায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর অন্যান্য সমসাময়িকদের মতোই পবিত্র কুরআন হিফজ করেন। তিনি প্রচুর পরিমাণে হাদিস শ্রবণ ও ইলমী মজলিসে উপস্থিত হতেন।
তাঁর পিতা তাঁর জীবনের প্রথম বছরেই তাঁকে আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান আল-খালীলী (মৃত্যু ৮০৫ হি.)-এর নিকট নিয়ে যান এবং তিনি তাঁর থেকে 'মাজলিসুল বিতাকাহ' শ্রবণ করেন।
আর এই বছরেই—অর্থাৎ ৮০৫ হিজরিতে—তাঁর প্রথম ইজাযত লাভ হয়। এতে এবং এর পরবর্তীতে তাঁকে ইজাযত প্রদান করেন দুই হাফিজ: যাইনুদ্দিন আব্দুর রাহিম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকী (মৃত্যু ৮০৬ হি.), যিনি প্রথম 'যাইল'-এর লেখক, এবং নুরুদ্দিন আল-হায়সামি (মৃত্যু ৮০৭ হি.)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٥)
وممن أجازه أيضًا: برهان الدين إبراهيم بن محمد بن صديق، المعروف بابن الرسَّام (ت 806 هـ)، ومحمد ابن حسن الفرسيسي (ت 806 هـ)، وشهاب الدين أحمد بن عمر بن علي بن أبي البدر الجوهري (ت 809 هـ)، وعائشة بنت محمد بن عبد الهادي (ت 816 هـ)، وخلق.
ويمكننا ذكر أهم شيوخه وفق تاريخ وفياتهم:
- شمس الدين محمد بن محمود بن محمود الخوارزمي، المعروف بالمعيد (ت 813 هـ)، سمع عليه بعض «المصابيح»، و «عوارف المعارف»، و «المقامات».
- زين الدين، أبو بكر بن الحسين بن عمر المراغي (ت 816 هـ)، سمع عليه «صحيح مسلم»، خلا المجلس الثاني والعشرين (22)، و «سنن أبي داود» عدا المجالس الثلاثة الأُوَل، و «صحيح ابن حبان» عدا المجالس الثلاثة الأُوَل، ونحو نصف «صحيح البخاري» مُفَرَّقًا.
- كمال الدين أبو الفضل بن محمد بن أحمد بن ظهيرة (ت 829 هـ)، سمع عليه «المعجم الصغير»، للطبراني، و «مسند عمر»، للنجاد، و «اعتقاد الشافعي».
- تقي الدين محمد بن أحمد الفاسي (ت 832 هـ)، سمع عليه الأجزاء العشرة المعروفة بـ «الثقفيات».
যারা তাকে ইজাজাহ (অনুমতি) দিয়েছেন তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন: বুরহান উদ্দিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন সিদ্দিক, যিনি ইবনুর রাসসাম নামে পরিচিত (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি), মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আল-ফারসিসি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি), শিহাব উদ্দিন আহমাদ বিন উমর বিন আলি বিন আবিল বদর আল-জাওহারি (মৃত্যু ৮০৯ হিজরি), আয়েশা বিনতে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল হাদি (মৃত্যু ৮১৬ হিজরি) এবং আরও অনেকে।
আমরা তার প্রধান শিক্ষকদের মৃত্যু তারিখ অনুযায়ী উল্লেখ করতে পারি:
- শামস উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ বিন মাহমুদ আল-খোয়ারিজমি, যিনি আল-মুয়িদ নামে পরিচিত (মৃত্যু ৮১৩ হিজরি), তিনি তার নিকট ‘আল-মাসাবিহ’, ‘আওয়ারিফুল মাআরিফ’ এবং ‘আল-মাকামাত’-এর কিছু অংশ শুনেছেন।
- জয়নুদ্দিন আবু বকর বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-মারাগি (মৃত্যু ৮১৬ হিজরি), তিনি তার নিকট ‘সহিহ মুসলিম’ শুনেছেন (২২তম মজলিস ব্যতীত), এবং প্রথম তিনটি মজলিস ব্যতীত ‘সুনানে আবু দাউদ’, প্রথম তিনটি মজলিস ব্যতীত ‘সহিহ ইবনে হিব্বান’ এবং বিক্ষিপ্তভাবে ‘সহিহ বুখারি’-র প্রায় অর্ধেক শুনেছেন।
- কামাল উদ্দিন আবুল ফজল বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন জুহাইরা (মৃত্যু ৮২৯ হিজরি), তিনি তার নিকট তাবারানির ‘আল-মুজামুস সাগির’, নাজ্জাদের ‘মুসনাদে উমর’ এবং ‘ইতিকাদুশ শাফেয়ি’ শুনেছেন।
- তাকি উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-ফাসি (মৃত্যু ৮৩২ হিজরি), তিনি তার নিকট ‘আস-সাকাফিয়্যাত’ নামে পরিচিত দশটি অংশ শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٦)
- وشمس الدين محمد بن محمد الجزري (ت 833 هـ)، سمع عليه جميع «النشر في القراءات العشر»، و «الحصن الحصين»، و «مختصره»، و «الإجلال والتعظيم في مقام إبراهيم»، و «المسلسل بالمحمدين»، و «جزء فيه مناقب الشيخ أبو إسحاق بن شهربار»، و «التكريم في العمرة من التنعيم»، و «مُسند الإمام أحمد» عدا المجلس الثاني والثمانين (82)، و «جزء ابن فارس»، وغير ذلك.
وعلى خلق سواهم ذكرهم ابن فهد في ترجمته في كتاب «الدر الكمين».
وسافر أكثر من مرة في طلب العلم، زار خلالها أكثر من بلد، إذ سافر سنة 828 هـ مع ابن الجزري، وقرأ عليه على ظهر البحر في حال المسير من جدة إلى زبيد في تسعة مجالس «المعجم الصغير»، للطبراني.
وحضر إلى القاهرة مرتين، الأولى في سنة 830 هـ، والثانية في سنة 832 هـ، وسمع بها كثيرًا، ولازم فيها الحافظ ابن حجر، واختُصَّ به، وحضر دروسه، وأذن له في إفادة علوم الحديث كلها، وإقرائها.
ودخل دمشق والقدس والخليل.
وأثنى عليه من شيوخه ابن الجزري لمَّا اجتمع في رحلة اليمن المذكورة، ووصفه بـ: «الشيخ العلَّامة المحدِّث المفيد، ولقَّبه تقي الدين».
এবং শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-জাযারি (মৃত্যু ৮৩৩ হি.), তাঁর নিকট সম্পূর্ণ 'আন-নাশর ফিল কিরাআতিল আশর', 'আল-হিসনুল হাসিন', এর 'সংক্ষিপ্তসার', 'আল-ইজলাল ওয়াত-তাজিম ফি মাকামি ইব্রাহিম', 'আল-মুসালসাল বিল মুহাম্মাদিন', 'জুয ফিহি মানাকিব আল-শাইখ আবু ইসহাক ইবনে শাহরাবার', 'আত-তাকরিম ফিল উমরাহ মিনাত তানঈম' এবং বিরাশিতম (৮২) মজলিস ব্যতীত 'মুসনাদে ইমাম আহমাদ', 'জুয ইবনে ফারিস' এবং এ ছাড়া আরও অনেক কিছু শ্রবণ করেছেন।
এবং তাঁরা ব্যতীত আরও অনেকের নিকট ইলম অর্জন করেছেন, যাদের কথা ইবনে ফাহদ তাঁর 'আদ-দুররুল কামিন' গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন।
তিনি ইলম অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধিকবার সফর করেছেন এবং এই সফরগুলোতে একাধিক দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি ৮২৮ হিজরিতে ইবনে আল-জাযারির সাথে সফর করেন এবং জেদ্দা থেকে জাবিদ যাওয়ার পথে সমুদ্রবক্ষে নয়টি মজলিসে ইমাম তাবারানির 'আল-মু'জামুস সাগির' তাঁর নিকট পাঠ করেন।
তিনি দুইবার কায়রোতে আগমন করেন; প্রথমবার ৮৩০ হিজরিতে এবং দ্বিতীয়বার ৮৩২ হিজরিতে। সেখানে তিনি প্রচুর শ্রবণ (হাদিস গ্রহণ) করেছেন এবং হাফিজ ইবনে হাজরের সান্নিধ্যে অবস্থান করেন ও তাঁর বিশেষ ছাত্রে পরিণত হন। তিনি তাঁর পাঠদানসমূহে উপস্থিত থাকতেন এবং ইবনে হাজর তাঁকে হাদিসের সকল শাস্ত্র শিক্ষাদান ও বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করেন।
তিনি দামেস্ক, কুদস (জেরুজালেম) ও খলিল (হেব্রন) শহরেও প্রবেশ করেছেন।
তাঁর উস্তাদদের মধ্যে ইবনে আল-জাযারি উল্লেখিত ইয়েমেন সফরে একত্রিত হওয়ার সময় তাঁর প্রশংসা করেন এবং তাঁকে 'আল-শাইখুল আল্লামা আল-মুহাদ্দিস আল-মুফিদ' হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তাঁকে 'তাকিউদ্দিন' উপাধিতে ভূষিত করেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٧)
وكتب له ابن حجر على نسخته من أطراف «مُسند أحمد»
(1): «أما بعد، فقد قرأ عليَّ الفاضل، البارع، الأصيل، الباهر، الماهر، المحدِّث، المُفيد، جمال الطلبة، رأس المهرة، مفخرة الحُفَّاظ
… جامع أشتات الفضائل، ذو الفنون المتكاثرة والأفنان المثمرة».
وأنه لازمه في سنة 824 هـ في: «مجالس الحديث ودروسه، ومجالس الإملاء، وتحرير «شرح البخاري» ما هو في كلِّ ذلك يُفيد فيُجيد، ويستكشل بحيث بهرت الجماعة فضائله، وشهدت بحقِّ الإجادة في الفن دلائله».
ووصفه في موضع آخر، فقال: «الشيخ الإمام الفاضل البارع، جمال الدين والمُحدِّثين».
وقال عن قراءته وكتب بها على نسخة أطراف المسند المذكورة أنها: «قراءة حسنة، فصيحة، مُتقَنَة، يُظهر في غضونها ما يشهد له بحُسن الاستحضار، ويتبيَّن في أثنائها ما يثبت له في هذا الفنِّ مزيد الإكبار».
وقال عنه بعد موته: «كنت أرجو أن يكون خَلَفًا ببلاد الحجاز عن القاضي تقي الدين الفاسي، رحمهم الله».
أما عن مصنفاته، فقد أجمع مترجموه أنه جمع وخرَّج لبعض مشايخه، وذكر البقاعي في «عنوان الزمان»، ونقله عن السخاوي في «الضوء اللامع»، أن من
--------------------------------------------
ইবনে হাজার তাঁর ‘আতরাফু মুসনাদি আহমাদ’-এর পাণ্ডুলিপিতে তাঁর জন্য লিখেছেন
(১): "অতঃপর, আমার নিকট পাঠ করেছেন মহীয়ান, নিপুণ, সম্রান্ত, প্রদীপ্ত, দক্ষ, হাদিসবিশারদ, কল্যাণকর, শিক্ষার্থীদের সৌন্দর্য, পারদর্শীদের শিরোমণি, হাফেজদের গৌরব … নানাবিধ সদ্গুণের সংগ্রাহক, বহুবিধ শিল্প ও ফলদায়ক শাখার অধিকারী।"
এবং তিনি ৮২৪ হিজরিতে তাঁর সাথে হাদিসের মজলিস ও পাঠদান, শ্রুতিলিপি প্রদানের মজলিস এবং ‘শারহুল বুখারি’ সম্পাদনার কাজে সার্বক্ষণিকভাবে যুক্ত ছিলেন; এসবের প্রতিটিতেই তিনি উপকৃত হয়েছেন এবং নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন, আর এমন সব সূক্ষ্ম প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন যে তাঁর গুণাবলি উপস্থিত সকলকে বিমোহিত করেছে এবং এই শাস্ত্রে তাঁর পারদর্শিতার প্রমাণসমূহ যথাযথ শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষ্য প্রদান করেছে।
তিনি অন্য এক স্থানে তাঁর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন: "শায়খ, ইমাম, মহীয়ান, নিপুণ, দ্বীন ও হাদিসবিশারদগণের অলংকার।"
তিনি তাঁর পাঠ সম্পর্কে উক্ত ‘আতরাফুল মুসনাদ’-এর পাণ্ডুলিপিতে লিখেছেন যে, এটি ছিল: "একটি সুন্দর, প্রাঞ্জল ও সুসংহত পাঠ, যার ভাঁজে ভাঁজে তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তির সাক্ষ্য ফুটে ওঠে এবং যার মাঝখানে এমন বিষয় সুস্পষ্ট হয় যা এই শাস্ত্রে তাঁর সুমহান মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করে।"
তাঁর ইন্তেকালের পর তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "আমি আশা পোষণ করতাম যে তিনি হেজাজ ভূখণ্ডে কাজি তাকিউদ্দিন আল-ফাসির যোগ্য উত্তরসূরি হবেন, আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন।"
তাঁর রচনাবলির বিষয়ে তাঁর জীবনীকারগণ একমত হয়েছেন যে, তিনি তাঁর কিছু শিক্ষকের জন্য হাদিস সংগ্রহ ও সংকলন করেছেন। আল-বিকাঈ ‘উনওয়ানুয যামান’-এ উল্লেখ করেছেন এবং সাখাবি থেকে ‘আদ-দউ আল-লামি’ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন যে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٨)
تصانيفه «أطراف صحيح بن حبَّان» في مجلد ضخم، وذكر ابن فهد في «الدر الكمين» أنه اختصر كتاب «التقييد»، لابن نقطة، ولم تزد المصادر على ذلك.
وفي سنة 833 هـ حل طاعون بمكة، فاخترم النسيم المرشدي شابًا، وكان مأمولًا منه أن يخلُف شيخه التقي الفاسي مؤرِّخ مكة.
النسخة الخطيةسبق وأن ذكرنا أن نسختنا الخطية جمعت بين ذيلين على كتاب «العبر»، أولهما «ذيل العراقي»، المعروف في الأوساط العلمية في عصره وما بعده.
وثانيهما «ذيل المرشدي»، وقد سكنت عنه المصادر، كذا لم تصرِّح به أيٌّ من كتب الببليوجرافيات التراثية، كـ «سلم الوصول»، و «كشف الظنون»، وكلاهما لحاجي خليفة، وكذا صنواه: «إيضاح المكنون»، و «هدية العارفين».
ولمَّا كانت هذه النسخة ضمن خزائن المخطوطات التي لم تُفَهْرَس بعد، فقد غفلت عنه كتب فهارس المخطوطات أيضًا.
وهذه النسخة محفوظة ضمن مكتبة المنظومة اليمنية تحت رقم 23160، وهي تحتوي كتاب «العبر»، للذهبي، و «ذيله» له، ينتهيان باللوحة رقم 182 و.
يلي ذلك «ذيل العبر»، للحافظ العراقي من اللوحة رقم 182 ظ، وحتى اللوحة رقم 194 و، ابتدأه الناسخ بذكر ترجمة موجزة للحافظ العراقي، ونصُّها: «قال سيدنا الإمام الحافظ العلَّامة، جمال الحُفَّاظ، قاضي المسلمين
তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে এক বিশাল খণ্ডে ‘আতরাফু সহিহ ইবনে হিব্বান’। ইবনে ফাহাদ ‘আদ-দুররুল কামিন’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইবনে নুকতাহ-র ‘আত-তাকয়িদ’ গ্রন্থটি সংক্ষেপ করেছেন। এর বাইরে উৎসসূত্রগুলোতে আর কিছুর উল্লেখ পাওয়া যায় না।
৮৩৩ হিজরি সনে মক্কায় প্লেগ মহামারি দেখা দেয়, যাতে যুবক নাসিম আল-মুরশিদি ইন্তেকাল করেন। আশা করা হচ্ছিল যে, তিনি মক্কার ইতিহাসবিদ তাঁর শায়খ তাকিউল ফাসির স্থলাভিষিক্ত হবেন।
পাণ্ডুলিপি বর্ণনাআমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, আমাদের এই পাণ্ডুলিপিটি ‘আল-ইবার’ গ্রন্থের ওপর লিখিত দুটি পরিশিষ্ট বা জাইলকে একত্রিত করেছে। এর প্রথমটি হলো ‘জাইলুল ইরাকি’, যা তাঁর সমসাময়িক এবং পরবর্তী সময়ের ইলমি মহলে সুপরিচিত।
দ্বিতীয়টি হলো ‘জাইলুল মুরশিদি’, যার ব্যাপারে ঐতিহাসিক উৎসসূত্রগুলো নীরব থেকেছে। একইভাবে কোনো ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থপঞ্জি বা বিবিলিওগ্রাফি বিষয়ক গ্রন্থেও এর সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় না, যেমন—হাজি খলিফার ‘সুল্লামুল উসুল’ এবং ‘কাশফুয যুনুন’, কিংবা তাঁর সমগোত্রীয় গ্রন্থাবলি ‘ঈজাহুল মাকনুন’ এবং ‘হাদিয়াতুল আরিফিন’।
যেহেতু এই পাণ্ডুলিপিটি সেই সব পাণ্ডুলিপি ভাণ্ডারের অন্তর্ভুক্ত ছিল যা এখনো তালিকাভুক্ত করা হয়নি, তাই পাণ্ডুলিপির তালিকা বিষয়ক গ্রন্থগুলো থেকেও এটি অগোচরে থেকে গেছে।
এই পাণ্ডুলিপিটি ইয়েমেনি মানজুমা লাইব্রেরিতে ২৩১৬০ নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে। এতে রয়েছে আয-যাহাবি রচিত ‘আল-ইবার’ এবং তাঁর স্বরচিত এর পরিশিষ্ট, যা ১৮২-ক নম্বর পৃষ্ঠায় শেষ হয়েছে।
এরপর ১৮২-খ নম্বর পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়ে ১৯৪-ক নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত হাফেজ ইরাকি রচিত ‘জাইলুল ইবার’ রয়েছে। লিপিকার হাফেজ ইরাকির একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ করে এটি শুরু করেছেন, যার পাঠ নিম্নরূপ: “আমাদের নেতা ইমাম, হাফেজ, মহাজ্ঞানী, হাফেজদের সৌন্দর্য, মুসলিমদের বিচারক...”
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ١٩)
أبو الفضل، زين الدين عبد الرحيم بن الحسين بن عبد الرحمن بن أبي بكر العراقي الشافعي، وكان مولده -رحمه الله تعالى- في جمادى الأول سنة خمس وعشرين وسبع مئة، وتُوُفِّيَ - تغمده الله برحمته - في ليلة الأربعاء سابع شعبان سنة ست وثمان مئة، ولم يخلف بعده مثله، قدَّس الله روحه، ونوَّر ضريحه».
وفي نهاية هذا «الذيل» تأريخ كتابة النسخة مفتتح عام خمسة
… ، ثم أصاب النسخة طمسٌ إثر ترميم خطأ أذهب أطراف بعض الصفحات أحيانًا، ولعله سنة 825 هـ، إذ تقدير سن المرشدي حينئذ 21 سنة، وهي سن الفتوة وقوة الاشتغال بالعلم والسعي على تحصيله، خاصة وأنه في العام السابق كان ملازمًا للحافظ ابن حجر، وشهد له - كما ذكرنا - بنباهته وتفوقه.
يتلو ذلك بالنسخة الخطية «ذيل» النسيم المرشدي بداية من اللوحة رقم 194 ظ، وحتى اللوحة 196 ظ.
ولعله انتهى منه في تلك السنة أو بعدها، على الرغم من عدم وجود تاريخ تأليف، أو نسخٍ للذيل، إلا أنه من الواضح قرب العهد بينهما، إن لم يكن استكمل كتابة «ذيله» مباشرة بعد انتهائه من نسخ «ذيل العراقي»، فإن سمات الخط، ولون المداد يتفقان تمامًا بين الذيلين.
ومسطرة النسخة مختلفة بين الذيلين، فمسطرة «ذيل العراقي» 31 سطرًا، في حين أن مسطرة «ذيل المرشدي» 40 سطرًا.
আবুল ফজল, জয়নুদ্দিন আব্দুর রহিম বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুর রহমান বিন আবি বকর আল-ইরাকি আশ-শাফিয়ি। তাঁর জন্ম —আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন— সাতশত পঁচিশ হিজরি সালের জমাদিউল আউয়াল মাসে, এবং তিনি ইন্তেকাল করেন —আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতে আবৃত করুন— আটশত ছয় হিজরি সালের সাতই শাবান বুধবার রাতে। তিনি তাঁর পরে তাঁর মতো কাউকে রেখে যাননি। আল্লাহ তাঁর রূহকে পবিত্র করুন এবং তাঁর কবরকে আলোকিত করুন।
এই 'জায়ল' (পরিশিষ্ট)-এর শেষে পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করার তারিখ লেখা আছে পাঁচ
… হিজরি সালের শুরুতে। এরপর ভুলভাবে পাণ্ডুলিপি সংস্কারের ফলে লেখা অস্পষ্ট হয়ে যায়, যার কারণে মাঝে মাঝে কিছু পৃষ্ঠার প্রান্ত নষ্ট হয়ে গেছে। সম্ভবত এটি ৮২৫ হিজরি সাল ছিল, কারণ সেই সময়ে আল-মুরশিদির বয়স আনুমানিক ২১ বছর ছিল; আর এটিই হলো তারুণ্যের এবং জ্ঞানার্জনে কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার বয়স। বিশেষ করে এর আগের বছর তিনি হাফেজ ইবনে হাজারের সান্নিধ্যে ছিলেন এবং ইবনে হাজার —যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি— তাঁর মেধা ও শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
হাতে লেখা এই পাণ্ডুলিপিতে এরপরই নাসিম আল-মুরশিদির 'জায়ল' অংশটি রয়েছে, যা ১৯৪-খ নম্বর পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়ে ১৯৬-খ নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত।
কোনো রচনার তারিখ বা এই পরিশিষ্টটি অনুলিপি করার সময় উল্লেখ না থাকলেও সম্ভবত তিনি ওই বছরই বা তার কিছু পরে এটি শেষ করেছিলেন। তবে এটা স্পষ্ট যে দুটির সময়কাল খুব কাছাকাছি। এমনকি যদি তিনি 'জায়লুল ইরাকি' নকল শেষ করার পরপরই সরাসরি নিজের 'জায়ল' লেখা সম্পন্ন করে থাকেন, তবে হাতের লেখার বৈশিষ্ট্য এবং কালির রঙ উভয় পরিশিষ্টের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠার বিন্যাস উভয় পরিশিষ্টে ভিন্ন ভিন্ন। 'জায়লুল ইরাকি'-এর বিন্যাসে প্রতি পৃষ্ঠায় ৩১টি লাইন রয়েছে, যেখানে 'জায়লুল মুরশিদি'-এর বিন্যাসে প্রতি পৃষ্ঠায় ৪০টি লাইন রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
وكلاهما كُتبا بخط النسخ، بالمداد الأسود، وأشار فوق عناوين السنوات، وأسماء المترجمين باللون الأحمر تمييزًا لهما.
منهج التحقيققمت بنسخ المخطوط متَّبِعًا الرسم الإملائي الحديث، وحاولت تتبع الناقلين عن الذيل الأول قدر المستطاع، وأثبتُّ ما توصلت إليه من ذلك.
وقمت بذكر المصادر الرئيسة لأصحاب التراجم، كما عرَّفت بأهم الأعلام المذكورين بالنص، كما عرَّفت بأهم الأماكن المذكور بالنسخة، خاصة متشابهة الأسماء، ومختلفة المواضع، وأكثر ما تقع في المساجد والمدارس المنتشرة على اتساع رقعة الدولة الإسلامية، والتي كانت عامرة بحلقات العلم.
كما قمت بإعداد أربعة كشافات تحليلية تُعين الباحث على الوصول إلى مبتغاه من النص بسهولة؛ ككشَّاف الأعلام المُتَرجمين، وقد رتبتهم هجائيًّا، ولم أقم بعمل كشافٍ للأعلام المتَرجَمين على السنوات منعًا للتكرار، حيث ذكرهم المؤلفيْن وفق هذا الترتيب.
ثم ثنَّين هذا الكشاف بكشَّاف الأعلام غير المُتَرجَمين، وكشاف للأماكن الواردة بالنص، وكشاف الكتب والأجزاء الحديثية كثيرة الذكر والتكرار بالنص.
ولا يسعني في هذا المقام إلا أن أتقدم بجزيل الشكر والعرفان للصديق الفاضل الدكتور محمد عبد الله السريع، الذي تفضَّل على الفقير بنسخة
উভয়টিই নসখ লিপিতে কালো কালিতে লেখা হয়েছে এবং বছরের শিরোনাম ও জীবনীকারদের নামের উপরে তাদের পৃথক করার জন্য লাল রঙ ব্যবহার করে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সম্পাদনা পদ্ধতিআমি আধুনিক বানানরীতি অনুসরণ করে পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করেছি এবং প্রথম পরিশিষ্ট (যাইল) থেকে যারা উদ্ধৃত করেছেন তাদের যথাসম্ভব অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি এবং এ সম্পর্কে যা তথ্য পেয়েছি তা সাব্যস্ত করেছি।
আমি জীবনীভুক্ত ব্যক্তিদের মূল উৎসসমূহ উল্লেখ করেছি, তেমনিভাবে মূল পাঠে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গেরও পরিচয় প্রদান করেছি। সেই সাথে পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোরও পরিচয় দিয়েছি, বিশেষ করে যেগুলোর নাম সদৃশ কিন্তু অবস্থান ভিন্ন। এগুলোর অধিকাংশই ইসলামী রাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছড়িয়ে থাকা মসজিদ ও মাদরাসাসমূহে অবস্থিত ছিল, যা সে সময় ইলমি মজলিসে মুখরিত থাকত।
এছাড়াও আমি চারটি বিশ্লেষণাত্মক সূচি প্রস্তুত করেছি যা গবেষককে মূল পাঠ থেকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে সহজে পৌঁছাতে সাহায্য করবে; যেমন জীবনীভুক্ত ব্যক্তিদের সূচি, যা আমি বর্ণানুক্রমে সাজিয়েছি। তবে পুনরাবৃত্তি রোধে বছরের ভিত্তিতে জীবনীভুক্ত ব্যক্তিদের কোনো সূচি তৈরি করিনি, কারণ লেখকদ্বয় এই ক্রম অনুযায়ীই তাদের নাম উল্লেখ করেছেন।
অতঃপর এই সূচির সাথে দ্বিতীয়ত যুক্ত করেছি যাদের জীবনী আলোচিত হয়নি এমন ব্যক্তিবর্গের সূচি, পাঠে উল্লিখিত স্থানসমূহের সূচি এবং টেক্সটে বারবার উল্লিখিত কিতাব ও হাদিসের জুযসমূহের সূচি।
পরিশেষে, আমি আমার সম্মানীয় বন্ধু ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-সারী-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি, যিনি এই অধমের প্রতি অনুগ্রহ করে একটি অনুলিপি প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الكتاب لعلمه السابق أني أسعى للحصول عليه، والعمل على إخراجه، خاصة بعد إخراجي للمنتقى منه، بانتقاء ابن خطيب الناصرية منذ فترة
(1).
كما أتقدم أيضًا بجزيل الشكر والتقدير، لأخي الفاضل الأستاذ صالح عبد الفتاح، المفهرس بإدارة المخطوطات بدار الكتب والوثائق المصرية، والذي كان واسطة الخير بيني وبين معالي الدكتور السريع.
وأرجو من القارئ الكريم تصويبي في ما جنحت إليه من خطأ، فإن المسلم مرآة أخيه، ورحم الله من بصَّرني بعيوبي.
وفي الخاتمة، إن كنت وُفِّقتُ، فذلك الفضل من الله يؤتيه من يشاء، وإن تكن الأخرى، فمن نفسي ومن الشيطان، عصمني الله وإياكم من الزلل.
المفتقر إلى عفو مولاه
أحمد عبد الستار
Ahmed-sattar@hotmail.com
--------------------------------------------
বইটি প্রদানের কারণ ছিল তাঁর পূর্বজ্ঞান যে, আমি এটি সংগ্রহ করার এবং এর সম্পাদনা ও প্রকাশের প্রচেষ্টায় নিয়োজিত ছিলাম, বিশেষ করে কিছুদিন আগে ইবনুল খতিব আন-নাসিরিয়্যাহ কর্তৃক সংকলিত এর 'আল-মুনতাকা' (নির্বাচিত অংশ) প্রকাশ করার পর
(১).
সেইসাথে আমি আমার শ্রদ্ধেয় ভাই জনাব সালিহ আব্দুল ফাত্তাহ-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি, যিনি মিসরের 'দারুল কুতুব ওয়া আল-ওয়াসায়িক' (জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভস)-এর পাণ্ডুলিপি বিভাগের ক্যাটালগার হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। তিনি মহামান্য ডক্টর আস-সারী এবং আমার মধ্যে কল্যাণের যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন।
আমি সম্মানিত পাঠকের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি, আমার কোনো ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে যেন তা সংশোধন করে দেওয়া হয়; কেননা এক মুসলিম অপর মুসলিমের আয়না। আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন, যিনি আমাকে আমার ত্রুটিগুলো সম্পর্কে সচেতন করেন।
পরিশেষে, আমি যদি সঠিক সমাধানে সফল হয়ে থাকি, তবে তা কেবল আল্লাহর অনুগ্রহ, যা তিনি যাকে ইচ্ছা দান করেন। আর যদি অন্যথা হয়, তবে তা আমার নিজের পক্ষ থেকে এবং শয়তানের পক্ষ থেকে। আল্লাহ আমাকে ও আপনাদেরকে পদস্খলন থেকে রক্ষা করুন।
নিজ রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী
আহমাদ আব্দুল সাত্তার
Ahmed-sattar@hotmail.com
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
ببليوجرام كتاب العبر [*]:

--------------------------------------------
কিতাব আল-ইবার-এর গ্রন্থপঞ্জি তালিকা [*]:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الصفحة الأولى من ذيل العراقي
যাইলুল ইরাকি-এর প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الصفحة الأخير من ذيل العراقي، وفيها تاريخ النسخ
যায়লুল ইরাকির শেষ পৃষ্ঠা, এতে অনুলিখনের তারিখ রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
نهاية ذيل المرشدي
আল-মুরশিদীর পরিশিষ্টের সমাপ্তি
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
[182 ظ] ذيل العبر
الحمد لله الذي أوجد وأفنى، وأفقر وأغنى، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، فله الأسماء الحسنى.
وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله الذي فتح أعينًا عميًا، وآذانًا صُمًّا، وألسنة لكنًا، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم، صلاة لا تنفد، وسلامًا لا يفنى.
وبعد، فإني أذكر في هذه الأوراق «ذيلًا» على «العبر» للحافظ أبي عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي، يلي «ذيله» الذي ذيَّله عليها، فإنه انتهى في «العبر» إلى سنة سبع مئة، وقد كنت قبل هذا بزمن طويل ذيَّلت من هنا، ثم رأيته ذيَّل عليها إلى سنة أربعين وسبع مئة، وقع لي بخطِّه، وفي عقبه «ذيل» لصاحبنا الحافظ أبي المحاسن محمد
(1) بن علي بن محمد بن حمزة الحسيني، وكان في ملكي، فقدته من سنين، فلم أظفر به إلى الآن، وهو بخط مذيِّله وما أظنه نقل منه شيئًا فإني ابتعته من تركته، فرأيت أن أقتصر على ما ذيَّله الذهبي من سنة إحدى وأربعين وسبع مئة إلى زماننا، مستمدًّا من الله حسن المعونة، إنه حسبنا ونعم الوكيل.
--------------------------------------------
[১৮২ খ] আল-ইবারের পরিশিষ্ট
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি অস্তিত্ব দান করেছেন ও বিনাশ করেন, এবং দরিদ্র করেন ও ধনী করেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; সকল সুন্দর নাম তাঁরই জন্য।
আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যিনি অন্ধ চোখ, বধির কান এবং জড়তাগ্রস্ত জিহ্বা উন্মুক্ত করেছেন। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক—এমন দরুদ যা কখনো শেষ হবে না এবং এমন সালাম যা কখনো ফুরাবে না।
অতঃপর, আমি এই পৃষ্ঠাগুলোতে হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আদ-দাহাবি রচিত ‘আল-ইবার’-এর একটি ‘পরিশিষ্ট’ উল্লেখ করছি। এটি তাঁর সেই পরিশিষ্টের অনুবর্তী যা তিনি এর ওপর সংযোজন করেছিলেন; কেননা তিনি ‘আল-ইবার’-এ সাতশ হিজরি সাল পর্যন্ত সমাপ্ত করেছিলেন। আমি এর অনেক আগে এখান থেকে একটি পরিশিষ্ট লিখেছিলাম, পরে দেখলাম তিনি সাতশ চল্লিশ হিজরি পর্যন্ত এতে পরিশিষ্ট যোগ করেছেন, যা তাঁর স্বহস্তে লেখা পাণ্ডুলিপিতে আমি পেয়েছি। এর পরে আমাদের সাথী হাফেজ আবুল মাহাসিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন হামজা আল-হুসাইনির একটি ‘পরিশিষ্ট’ ছিল, যা আমার সংগ্রহে ছিল। কয়েক বছর আগে আমি তা হারিয়ে ফেলি এবং এখন পর্যন্ত তা আর পাইনি। এটি ছিল সেই পরিশিষ্ট লেখকের হস্তাক্ষরে এবং আমার মনে হয় না তিনি তা থেকে কিছু নকল করেছেন, কারণ আমি এটি তাঁর মিরাস থেকে ক্রয় করেছিলাম। তাই আমি আদ-দাহাবি সাতশ একচল্লিশ হিজরি থেকে আমাদের বর্তমান সময় পর্যন্ত যা পরিশিষ্ট হিসেবে যুক্ত করেছেন, তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি; আল্লাহর কাছে উত্তম সাহায্য প্রার্থনা করছি। নিশ্চয়ই তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
سنة إحدى وأربعين وسبع مئةفيها، أرسل الملك الناصر إلى ملك الأمراء تَنْكِزْ
(1)، فقبض عليه بدمشق، ووجه به إلى مصر، فحُبِس بالإسكندرية إلى أن مات بها.
وفي هذه السنة، قيل أنه قتل وحُمِل إلى الأشرفية
(2)، فدفن بها.
وفي هذه السنة أيضًا:
1 - تُوفِّي الملك الناصر محمد
(3) بن الملك المنصور قلاوون بقلعة الجبل، وحُمِل إلى المدرسة المنصورية
(4)، فغُسِّل بها، ودفن بها.
--------------------------------------------
সাতশত একচল্লিশ হিজরি সালএই বছরে, আল-মালিক আন-নাসির আমীরদের প্রধান তানকিজ-এর নিকট লোক পাঠালেন। দামেস্কে তাকে গ্রেফতার করা হলো এবং তাকে মিশরে পাঠানো হলো। আলেকজান্দ্রিয়ায় তাকে বন্দি রাখা হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এই বছরেই বলা হয় যে, তাকে হত্যা করে আশরাফিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।
এই বছরে আরও যা ঘটেছে:
১ - আল-মালিক আল-মানসুর কালাউনের পুত্র আল-মালিক আন-নাসির মুহাম্মাদ কালআত আল-জাবালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে আল-মাদরাসা আল-মানসুরিয়াতে নিয়ে আসা হয়, সেখানেই তাকে গোসল দেওয়া হয় এবং দাফন করা হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٣١)
وولي بعده الملك المنصور
(1).
2 - وفيها، تُوفِّي الشيخ الإمام العلامة شمس الدين محمد
(2) بن أحمد بن إبراهيم بن حيدرة القمَّاح الشافعي، مدرس المدرسة الصلاحية
(3) بجوار ضريح الشافعي رضي الله عنه ا، وخليفة الحُكم العزيز بجامع الصالح
(4).
سمع «صحيح مسلم» من [أبي]
(5) إسحاق إبراهيم
(6) بن عمر بن مضر الواسطي، و «علوم الحديث» لابن الصلاح بن قاضي القضاة تقي الدين
(7) بن رزين، وغير ذلك.
--------------------------------------------
এবং তাঁর পরে শাসনভার গ্রহণ করেন আল-মালিক আল-মানসুর
(১)।
২ - এবং এই বছরেই মৃত্যু বরণ করেন শায়খ, ইমাম, আল্লামা শামস উদ্দিন মুহাম্মদ
(২) ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে হায়দারা আল-কাম্মাহ আল-শাফিয়ি; তিনি ইমাম শাফিয়ি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর মাজার সংলগ্ন সালাহিয়া মাদরাসার
(৩) শিক্ষক এবং জামি আস-সালেহ-এর
(৪) আজিজ শাসনের প্রতিনিধি ছিলেন।
তিনি [আবু]
(৫) ইসহাক ইবরাহিম
(৬) ইবনে উমর ইবনে মুদার আল-ওয়াসিতি-এর নিকট থেকে «সহিহ মুসলিম» এবং কাযিল কুযাত তাকি উদ্দিন
(৭) ইবনে রাজিনের নিকট থেকে ইবনুস সালাহ-এর «উলূমুল হাদিস» ও অন্যান্য কিতাব শ্রবণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
যাইলুল ইরাকী আলাল ইবার
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
سمع منه العَسْجدي
(1)، وابن أبيك
(2)، [و] أبو الفتح
(3) السبكي، والشيخ جمال الدين عبد الرحيم
(4) الإسنادي، والشيخ شهاب الدين أحمد
(5) بن لؤلؤ بن النقيب والشيخ جمال الدين
(6) الأميوطي، وآخرون.
وحضرتُ درسه بالشافعي.
وكانت له مجاميع حسنة بخطة.
وكان مولده سنة خمس وخمسين وست مئة
(7).
3 - وفيها، الشيخ محمد
(8) بن أحمد بن تمام بن حسان التَّلِّي، بصالحية دمشق، في ثالث عشر ربيع الأول.
--------------------------------------------
আল-আসজাদি
(১), ইবনে আইবাক
(২), [এবং] আবুল ফাতহ
(৩) আস-সুবকি, শায়খ জামালুদ্দিন আবদুর রহিম
(৪) আল-ইসনাদি, শায়খ শিহাবুদ্দিন আহমাদ
(৫) ইবনে লুলু ইবনুন নাকিব এবং শায়খ জামালুদ্দিন
(৬) আল-আমিউতি ও অন্যান্যরা তাঁর নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।
আমি শাফেয়ী মাদরাসায় তাঁর দরসে উপস্থিত হয়েছিলাম।
তাঁর নিজস্ব হস্তাক্ষরে চমৎকার সংকলনসমূহ ছিল।
তাঁর জন্ম ছিল ৬৫৫ হিজরী সনে
(৭)।
৩ - এবং এই বছরেই, শায়খ মুহাম্মাদ
(৮) ইবনে আহমাদ ইবনে তাম্মাম ইবনে হাসসান আত-তাল্লি, দামেস্কের সালিহিয়াতে, তেরো রবিউল আউয়ালে (ইন্তেকাল করেন)।
--------------------------------------------