(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث منتخبة من أجزاء أبي منصور الخوجاني للسلفي   (أبو طاهر السلفي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء فيه أحاديث منتخبة من أجزاء الشيخ أبي منصور أحمد بن نصر الخوجاني المذكر المتوفى: 532 هـ

المؤلف: صدر الدين، أبو طاهر السِّلَفي أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم سِلَفَه الأصبهاني (ت 576هـ)

المحقق: أبو عبد الأعلى خالد بن محمد بن عثمان

الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر [طبع ضمن مجموع فيه ستة أجزاء حديثية]

الطبعة: الأولى، 2008 م

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

عدد الصفحات: 111

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু মনসুর আল-খুজানি-এর সংকলনসমূহ হতে আস-সিলাফি কর্তৃক নির্বাচিত হাদিসসমূহ   (আবু তাহের আস-সিলাফি)

বিভাগ: হাদিস শাস্ত্রের কিতাবসমূহ


কিতাব: শায়খ আবু মনসুর আহমদ বিন নাসর আল-খুজানি আল-মুজাক্কির (মৃত্যু: ৫৩২ হি.)-এর সংকলনসমূহ হতে নির্বাচিত হাদিস সম্বলিত খণ্ড

লেখক: সদরুদ্দিন, আবু তাহের আস-সিলাফি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম সিলাফাহ আল-আসবাহানি (মৃ. ৫৭৬ হি.)

গবেষক ও সম্পাদক: আবু আবদিল আ’লা খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন উসমান

প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসাহ মুদ্রণ ও প্রকাশনা [ছয়টি হাদিস বিষয়ক খণ্ড সম্বলিত একটি সংকলনের অধীনে মুদ্রিত]

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা লাইব্রেরির জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (পাণ্ডুলিপি তুলনা)

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১১

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৬৯)
الجزء فيه أحاديث منتخبة من أجزاء الشيخ أبي منصور أحمد بن نصر الخوجاني المذكر

لأحمد بن محمد بن سلفة الأصبهاني -نفعه الله الكريم به-

رواية أبي الفضل جعفر بن أبي الحسن الهمداني عنه

وفيه من حديث النهاوندي أبي الفرج وأبي طاهر ومن حديث الأشتاذجردي لم يدخل في السماع
এই খণ্ডটিতে শায়খ আবু মনসুর আহমদ বিন নাসর আল-খুজানি আল-মুযাক্কিরের সংকলিত বিভিন্ন খণ্ড হতে নির্বাচিত হাদীসসমূহ রয়েছে

আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সিলাফাহ আল-আসবাহানীর সংকলন -পরম করুণাময় আল্লাহ এর দ্বারা তাকে উপকৃত করুন-

তার নিকট হতে আবু আল-ফাদল জাফর বিন আবু আল-হাসান আল-হামাদানীর বর্ণনা

আর এতে আবু আল-ফারজ আল-নাহাওয়ান্দি ও আবু তাহিরের হাদীস এবং আশতাজরদির হাদীসসমূহ রয়েছে যা (বিধিবদ্ধ) শ্রবণের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৭৫)
بسم الله الرحمن الرحيم وصلى الله على محمد

1- أخبرنا الشيخ الأوحد الإمام الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني -قراءة عليه بالإسكندرية في جمادى الآخرة سنة اثنتين وسبعين وخمسمائة- قال: أنا أبو منصور أحمد بن نصر بن أحمد الخوجاني المذكر -بالمراغة- من أجزائه بانتخابي عليه، وقراءتي في المحرم سنة ثلاث وخمسمائة، وسألته عن مولده؟ فقال: ((سنة ثلاث وثلاثين وأربعمائة)) .

قال: أنا أبو عثمان إسماعيل بن عبد الرحمن الصابوني بنيسابور، قال: أنا عبد الملك بن الحسن أبو نعيم، قال: نا أبو عوانة، قال: [نا](1) يونس بن عبد الأعلى الصدفي قال: نا ابن وهب قال: نا مالك بن أنس عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((من ⦗ص: 76⦘ قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شيء قدير في يومه مائة مرة كانت له عدل عشر رقاب، وكتبت له مائة حسنة، ومحيت عنه مائة سيئة، وكانت له حرزاً من الشيطان يومه ذلك حتى يمسي، ولم يأت أحدٌ بأفضل مما جاء به إلا أحد عمل أكثر من ذلك.

ومن قال سبحان الله وبحمده في يومه مائة مرة حطت عنه خطاياه، ولو كانت مثل زبد البحر)) .

--------------------------------------------

(1) [[ليست في المطبوع]]
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং আল্লাহ মুহাম্মাদ (সা.)-এর উপর রহমত বর্ষণ করুন।

১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অনন্য শাইখ, ইমাম, হাফিজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি—আলেকজান্দ্রিয়াতে পাঁচশত বাহাত্তর হিজরীর জুমাদাল আখিরা মাসে তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে—তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আহমাদ ইবনে নাসর ইবনে আহমাদ আল-খুজানি আল-মুযাক্কির—মারাগায়—তাঁর নিকট আমার করা নির্বাচন ও পাঠ হতে যা পাঁচশত তিন হিজরীর মুহাররাম মাসে হয়েছিল; আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: "চারশত তেত্রিশ হিজরী।"

তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান ইসমাঈল ইবনে আবদুর রহমান আস-সাবুনি নিশাপুরে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান আবু নুআঈম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, তিনি বলেন: [আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন] ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আবু বকর ইবনে আবদুর রহমানের আযাদকৃত গোলাম সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি দিনে একশত বার বলবে: 'আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান', তবে এটি তার জন্য দশটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য হবে, তার জন্য একশত নেকি লেখা হবে এবং তার একশত গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে। আর সেদিন সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত এটি তার জন্য শয়তান থেকে সুরক্ষা হিসেবে থাকবে। আর কেউ তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ আমল নিয়ে আসতে পারবে না, তবে সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে এর চেয়ে বেশি আমল করেছে।

আর যে ব্যক্তি দিনে একশত বার 'আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর প্রশংসার সাথে' বলবে, তার পাপসমূহ মিটিয়ে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার ন্যায় বিপুল হয়।))।

--------------------------------------------

(১) [[এটি মুদ্রিত সংস্করণে নেই]]
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৭৬)
2- أخبرنا أبو الحسين عبد القادر بن محمد الفارسي بنيسابور قال: أنا أبو سهل الإسفراييني قال: نا داود بن الحسين البيهقي. قال: نا يحيى بن يحيى قال: أنا هشيم عن يعلى بن عطاء عن جابر بن يزيد بن الأسود العامري عن أبيه قال: شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجته، فصليت معه صلاة الصبح في مسجد الخيف، فلما قضى الصلاة انصرف، فإذا هو برجلين في آخر المسجد ما شهدا معه الصلاة، فقال: ((علي بهما)) ، فأتي بهما ترعد فرائصهما، فقال: ((ما منعكما أن تصليا معنا؟)) ، قالا: يا رسول الله كنا صلينا في رحالنا؟ قال: ((فلا تفعلا، إذا صليتما في رحالكما ثم أتيتما ⦗ص: 77⦘ مسجد جماعة فصليا معهم، فإنها لكم نافلة)) .
২- নিশাপুরে আবুল হুসাইন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু সাহল আল-ইসফিরায়িনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: দাউদ বিন আল-হুসাইন আল-বাইহাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়া'লা বিন আতা থেকে, তিনি জাবির বিন ইয়াজিদ বিন আল-আসওয়াদ আল-আমিরি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাঁর হজে উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর আমি তাঁর সাথে খায়েফ মসজিদে ফজরের সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন তিনি ফিরে তাকালেন। হঠাৎ তিনি মসজিদের শেষ প্রান্তে দু’জন লোককে দেখতে পেলেন যারা তাঁর সাথে সালাত আদায় করেনি। তিনি বললেন: ((তাদের দু’জনকে আমার কাছে নিয়ে এসো))। অতঃপর তাদের আনা হলো এমতাবস্থায় যে (ভয়ে) তাদের কাঁধের মাংস কাঁপছিল। তিনি বললেন: ((তোমাদের আমাদের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে বাধা দিল?))। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আমাদের আবাসে সালাত আদায় করে ফেলেছিলাম। তিনি বললেন: ((তোমরা এমনটি করো না। যখন তোমরা তোমাদের আবাসে সালাত আদায় করবে, এরপর ⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘ জামাতের মসজিদে আসবে, তখন তাদের সাথে সালাত আদায় করে নিও, কেননা তা তোমাদের জন্য নফল হবে।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৭৯)
3- حدثنا أبو عبد الله محمد بن علي الخبازي المقرئ بنيسابور قال: نا أبو الهيثم محمد بن المكي الكشميهني قال: نا محمد بن يوسف الفربري قال: أنا محمد بن إسماعيل البخاري قال: نا محمد بن العلاء قال: نا حماد بن أسامة عن بريد بن عبد الله عن أبي بردة عن أبي موسى الأشعري قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((مثل ما بعثني الله به من الهدى كمثل الغيث الكثير أصاب أرضاً فكانت منها نقية قبلت الماء فأنبتت الكلأ والعشب الكثير، وكانت منها أجادبة أمسكت الماء فنفع الله بها الناس فشربوا، وسقوا وزرعوا، وأصاب منها طائفة أخرى (وكانت منها سنحات وقيعان) لا تمسك ماءً، ولا تنبت كلأً، فذلك مثل من فقه في دين الله عز وجل، ونفعه بما بعثني الله به فعلم، وعلم، ومثل من لم يرفع بذلك رأساً، ولم يقبل هدى الله الذي أرسلت به)) .
৩- নিসাবুরে আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আলী আল-খাব্বাজি আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাইসাম মুহাম্মাদ বিন আল-মাক্কি আল-কুশমিহানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফিরাবরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন আল-আলা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ বিন উসামা বর্ণনা করেছেন বুরাইদ বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ আমাকে যে হিদায়াত দিয়ে পাঠিয়েছেন তার উদাহরণ হলো সেই প্রচুর বৃষ্টির মতো যা ভূমিতে পতিত হয়েছে। তার মধ্যে কিছু ভূমি ছিল উর্বর যা পানি গ্রহণ করেছে, ফলে প্রচুর ঘাস ও লতা-পাতা উৎপন্ন করেছে। আর কিছু ছিল শক্ত ভূমি যা পানি ধরে রেখেছে, অতঃপর আল্লাহ তা দিয়ে মানুষের উপকার করেছেন, ফলে তারা তা থেকে পান করেছে, অন্যদের পান করিয়েছে এবং চাষাবাদ করেছে। আর সেই বৃষ্টির পানি অন্য এক শ্রেণির ভূমিতেও পতিত হয়েছে (যা ছিল মসৃণ মরু প্রান্তর ও নিচু ভূমি), যা পানি ধরে রাখে না এবং কোনো ঘাসও উৎপন্ন করে না। এটি হলো সেই ব্যক্তির উদাহরণ যে আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞান ও পাণ্ডিত্য লাভ করেছে এবং আল্লাহ আমাকে যা দিয়ে পাঠিয়েছেন তার মাধ্যমে আল্লাহ তাকে উপকৃত করেছেন, ফলে সে নিজে শিখেছে এবং অন্যকে শিখিয়েছে। আর এটি ঐ ব্যক্তির উদাহরণ যে এর প্রতি মাথা উঁচু করেনি (ভ্রুক্ষেপ করেনি) এবং আল্লাহর সেই হিদায়াত গ্রহণ করেনি যা দিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি।”
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮০)
4- حدثنا أبو القاسم عبد الكريم بن هوازن القشيري إملاءً بنيسابور قال: أنا أبو الحسين الخفاف قال: أنا أبو العباس السراج قال: نا أبو همام السكوني، نا إسماعيل بن جعفر عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((الصلوات الخمس، والجمعة إلى الجمعة: كفارة لما بينهما ما لم (تغش) الكبائر)) .
৪- আবু আল-কাসিম আব্দুল কারিম বিন হাওয়াজিন আল-কুশাইরি আমাদের কাছে নিশাপুরে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাম্মাম আস-সুকুনি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন জাফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং এক জুমুআ থেকে পরবর্তী জুমুআ; এই মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহের জন্য কাফফারা স্বরূপ, যতক্ষণ না কবিরা গুনাহে লিপ্ত হওয়া হয়))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮০)
5- أخبرنا أبو بكر أحمد بن الحسين البيهقي بنيسابور قال: أنا علي بن محمد بن عبد الله العدل قال: أنا إسماعيل بن محمد النحوي قال: نا سعدان بن نصر قال: نا أبو معاوية قال: نا الأعمش عن زيد بن وهب عن عبد الله بن مسعود قال: أخبرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم -وهو الصادق المصدوق-: ((إن أحدكم يجمع خلقه في بطن أمه أربعين يوماً ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغةً مثل ذلك ثم يبعث إليه الملك ينفخ فيه الروح ثم يؤمر بأربع: كتب رزقه، وعمله وأجله، وشقي هو أم سعيد، والذي لا إله غيره إن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق ⦗ص: 81⦘ الكتاب عليه فيختم له بعمل أهل الجنة فيدخلها، وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق الكتاب عليه فيختم له بعمل أهل النار فيدخلها)) .
৫- নিশাপুরে আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-বায়হাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আন-নাহবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সা’দান বিন নাসর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-আ’মাশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়েদ বিন ওয়াহব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—যিনি সত্যবাদী ও সত্যনিষ্ঠ হিসেবে স্বীকৃত—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ((তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান নিজ নিজ মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত জমা করা হয়, অতঃপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য জমাট রক্তপিণ্ড হিসেবে থাকে, অতঃপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য গোশতপিণ্ড হিসেবে থাকে। তারপর তার নিকট ফেরেশতা পাঠানো হয় এবং তিনি তাতে রুহ ফুঁকে দেন। আর তাকে চারটি বিষয় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়: তার রিযিক, তার আমল, তার আয়ুষ্কাল এবং সে কি দুর্ভাগা নাকি সৌভাগ্যবান। সেই সত্তার কসম, যাঁর ব্যতীত অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই, তোমাদের কেউ জাহান্নামবাসীদের আমল করতে থাকে এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, এমতাবস্থায় ⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘ তাকদীরের লিখন তার ওপর জয়ী হয় এবং সে জান্নাতবাসীদের আমল দ্বারা আমলের সমাপ্তি ঘটায় ফলে জান্নাতে প্রবেশ করে। আর তোমাদের কেউ জান্নাতবাসীদের আমল করতে থাকে এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, এমতাবস্থায় তাকদীরের লিখন তার ওপর জয়ী হয় এবং সে জাহান্নামবাসীদের আমল দ্বারা আমলের সমাপ্তি ঘটায় ফলে জাহান্নামে প্রবেশ করে।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮১)
6- حدثنا أبو العباس الفضل بن العباس الحنيفي باستيجاب قال: أنا أبو الحسن علي بن محمد المهرجاني قال: نا محمد بن أحمد بن سعيد الرازي قال: نا الحسين بن داود قال: نا الفضيل بن عياض قال: نا منصور عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله بن مسعود قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن الله إذا أحب عبداً في دار الدنيا يقتر عليه في موضع الطعام الكثير الرخيص، فلا يجد طعاماً يملأ به بطنه)) .
৬- আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আল-ফজল ইবনে আব্বাস আল-হানিফী আস্তীজাব নামক স্থানে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মিহরাজানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সাঈদ আল-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফুদাইল ইবনে ইয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মানসুর আমাদের নিকট ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন দুনিয়ার আবাসে কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন প্রচুর ও সস্তা খাবারের স্থানেও তার জন্য (রিজিক) সংকীর্ণ করে দেন, ফলে সে পেট পূর্ণ করার মতো খাবার পায় না।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮১)
7- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا محمد بن القاسم الفارسي قال: نا محمد بن عبد الله بن قريش قال: نا الحسن بن سفيان قال: نا عقبة بن مكرم قال: نا يونس قال: نا يحيى بن أيوب عن أبي زرعة عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن العبد ليكون له عند الله المنزلة الرفيعة فما ينالها بعمله، فما يزال الله ⦗ص: 82⦘ عز وجل يبتليه بما يكره حتى يبلغه إياها)) .
৭- আল-ফজল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুরাইশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উকবাহ ইবনে মুকরিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট কোনো বান্দার জন্য এমন উচ্চ মর্যাদা নির্ধারিত থাকে যা সে তার আমল দ্বারা লাভ করতে পারে না। অতঃপর আল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ আযযা ওয়া জাল্লা তাকে তার অপছন্দনীয় বিষয়গুলো দিয়ে পরীক্ষা করতে থাকেন, যতক্ষণ না তিনি তাকে সেই মর্যাদায় পৌঁছে দেন।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮৩)
8- أخبرنا الفضل بن العباس قال: نا أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحافظ قال: نا محمد بن يعقوب الأموي قال: نا أبو عبد الله الخولاني قال: قرئ على عبد الله بن وهب أخبرني عمرو بن الحارث عن سعيد بن أبي سعيد المقبري أن أبا سعيد الخدري شكا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حاجته، فقال: ((اصبر أبا سعيد، فإن الفقر إلى من يحبني منكم أسرع من السيل من أعلى الجبل إلى أسفله)) .
8- ফাদল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আল-উমাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-খাওলানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহবের নিকট পাঠ করা হয়েছে (যেখানে তিনি বলেছেন), আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে যে, আবু সাঈদ আল-খুদরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর অভাব-অনটনের অভিযোগ করলেন। তখন তিনি বললেন: ((হে আবু সাঈদ, ধৈর্য ধারণ করো; কেননা তোমাদের মধ্যে যারা আমাকে ভালোবাসে, তাদের নিকট দারিদ্র্য পাহাড়ের উচ্চভাগ থেকে নিচের দিকে নেমে আসা ঢলের চেয়েও দ্রুতগতিতে ধাবিত হয়))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
9- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا عبد الله [بن](1) يوسف الأصبهاني قال: أنا أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد بن الأعرابي قال: نا يحيى بن أبي طالب قال: نا (الحسن) ابن حماد قال: نا إبراهيم بن عيينة عن صالح بن حسان عن أبيه عن عائشة أنها ⦗ص: 88⦘ قالت: ((جلست أبكي عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ما يبكيك؟ إن كنت تريدين اللحوق بي، فيكفيك من الدنيا زاد الراكب، ولا تخالطي الأغنياء)) .

--------------------------------------------

(1) [[ليست في المطبوع]]
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফজল বিন আব্বাস, তিনি বলেছেন: আমাদের জানিয়েছেন আবদুল্লাহ [বিন] ইউসুফ আল-আসবাহানি, তিনি বলেছেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন আল-আরাবি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবু তালিব, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (আল-হাসান) ইবনে হাম্মাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন উয়ায়নাহ, সালেহ বিন হাসান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘ বলেছেন: "আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসে কাঁদছিলাম। তখন তিনি বললেন: 'তোমাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তুমি যদি আমার সাথে মিলিত হতে চাও, তবে দুনিয়া থেকে একজন আরোহীর পাথেয়ই যেন তোমার জন্য যথেষ্ট হয়, আর ধনীদের সাথে মেলামেশা করো না।'"।

--------------------------------------------

(১) [[মুদ্রিত সংস্করণে এটি নেই]]
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮৯)
10- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو الحسين محمد بن الحسن البونجاني قال: أنا أبو بكر محمد بن علي القفال قال: نا أحمد بن محمد بن سعيد الهمداني قال: سمعت أبا حامد أحمد بن سهل النيسابوري قال: سمعت أحمد بن حنبل رضي الله عنه يقول: ((أصول الإسلام ثلاثة أحاديث: حديث إنما الأعمال بالنيات، وحديث من أحدث في أمرنا هذا ما ليس منه فهو رد، وحديث الحلال بين والحرام بين)) .
১০- ফজল বিন আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-বুনজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলি আল-কাফফাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু হামিদ আহমদ বিন সাহল আন-নিশাপুরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আহমদ বিন হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: ((ইসলামের মূল ভিত্তি তিনটি হাদিস: হাদিস—'নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল', হাদিস—'যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের বিষয়ে নতুন কিছুর উদ্ভব ঘটাল যা এর অন্তর্ভুক্ত নয় তা প্রত্যাখ্যাত' এবং হাদিস—'হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট'))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮৯)
11- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو الحسن عبد الرحمن بن إبراهيم بن محمد قال: نا محمد بن يعقوب الأصم قال: نا أبو أمية محمد بن إبراهيم بن مسلم قال: نا الوليد بن صالح قال: نا أبو بكر الداهري قال: نا عطاء بن عجلان عن نعيم بن أبي هند عن ربعي بن حراش عن حذيفة بن اليمان قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من طلب العلم ليباهي به العلماء أو ليماري به الجهلاء، أو ليقبل الناس إليه بوجوههم فله النار)) .
১১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফজল ইবনুল আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুর রহমান বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়াহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন মুসলিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন সলিহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আদ-দাহিরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা বিন আজলান, তিনি নুআইম বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি রিবঈ বিন হিরাশ থেকে, তিনি হুজায়ফাহ বিন আল-ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি উলামাদের সাথে গর্ব করার জন্য, কিংবা মূর্খদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য, অথবা মানুষের মনোযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য ইলম অন্বেষণ করবে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৩)
12- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو علي الطوسي الروذباري قال: نا محمد بن بكر بن داسة قال: أنا أبو داود قال: نا إبراهيم بن موسى الرازي قال: نا عيسى عن الأوزاعي عن عبد الله بن سعد بن الصنابحي عن معاوية أن النبي صلى الله عليه وسلم ((نهى عن الغلوطات أي صعاب المسائل)) .
১২- ফযল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আলী আত-তূসী আল-রূদবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে বকর ইবনে দাসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে মুসা আল-রাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আওযাঈ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে আস-সুনাবিহী থেকে, তিনি মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) ‘আল-গুলুতাত’ তথা অত্যন্ত জটিল ও কঠিন মাসআলাসমূহ (জিজ্ঞেস করা) থেকে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৫)
13- أخبرنا الفضل بن العباس قال: نا أبو زرعة محمد بن علي بن الحسن القاضي -من حفظه- قال: أنا أبو الحسن علي بن إبراهيم بن سلمة القطان قال: نا يحيى بن عبدك قال: نا حسان بن حسان البصري عن مندل بن علي عن محمد بن زياد عن معاذ بن جبل قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن من فتنة العالم أن يكون الكلام أحب إليه من الاستماع، وفي الكلام (تعميق) ، ولا يؤمن على صاحبه الخطأ، وفي الصمت سلامة (وعلم)) ) .
১৩- ফজল বিন আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআ মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাসান আল-কাজী -তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন ইবরাহিম বিন সালামাহ আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আবদুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসসান বিন হাসসান আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানদাল বিন আলী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ((নিশ্চয়ই আলেমের একটি ফিতনা হলো কথা বলা শ্রবণ করার চেয়ে তার নিকট অধিক প্রিয় হওয়া, আর কথার মধ্যে রয়েছে (গভীরতা), এবং এর বক্তা ভুল করা থেকে নিরাপদ নয়, পক্ষান্তরে নীরবতার মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা (ও জ্ঞান)।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৫)
14- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو الحسن العلوي، قال: أنا أبو الفضل العباس بن محمد بن سفيان، قال: نا حماد بن قيراط قال: نا فرج بن فضالة عن عروة بن رويم عن عمرة عن عائشة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((صلاة بسواك خير من سبعين صلاة بغير سواك)) .
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনুল আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-আলাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাদল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে কিরাত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফারাজ ইবনে ফাদালাহ, তিনি উরওয়াহ ইবনে রুওয়াইম থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ((মিসওয়াকসহ সালাত মিসওয়াকবিহীন সত্তর সালাতের চেয়ে উত্তম))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
15- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو سعد أحمد بن محمد بن أحمد الهروي قال: أنا أبو محمد عبد الوهاب بن محمد البزاز ببغداد قال: أنا أحمد بن ⦗ص: 97⦘ الحسن المنقري قال: نا أبو عبد الله محمد بن يحيى الكسائي قال: نا خلف بن هشام المقرئ قال: نا معروف الكرخي قال: نا بكر بن خنيس قال: نا سفيان عن عمرو بن دينار عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من قال عند منامه: اللهم لا تؤمنا مكرك، ولا تنسنا ذكرك، ولا تهتك عنا سترك، ولا تجعلنا من الغافلين، اللهم ابعثنا في أحب الساعات إليك حتى نذكرك فتذكرنا، ونسألك فتعطينا وندعوك فتستجيب لنا، ونستغفرك فتغفر لنا إلا بعث الله ملكاً في أحب الساعات إليه، فيوقظه، فإن قام، وإلا صعد الملك، فيعبد الله في السماء، ثم يأته ملكٌ آخر فيوقظه فإن قام، وإلا صعد الملك فيعبد الله في السماء ثم يأتيه ملك آخر، فيوقظه فإن قام وإلا صعد الملك فيعبد الله في السماء ثم يأتيه ملك آخر فيوقظه فإن قام فدعا استجيب له، وإن لم يقم كتب الله عز وجل له ثواب أولئك الملائكة)) .
১৫- ফজল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সা'দ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-হারাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বাগদাদের আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন মুহাম্মাদ আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ হাসান আল-মানকারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-কিসায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালফ বিন হিশাম আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারুফ আল-কারখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বকর বিন খুনাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমর বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় বলে: হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে আপনার কৌশল (মকর) থেকে নিরাপদ করবেন না, আমাদের আপনার জিকির ভুলিয়ে দেবেন না, আমাদের ওপর থেকে আপনার পর্দা উন্মোচন করবেন না এবং আমাদেরকে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত করবেন না। হে আল্লাহ! আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সময়ে আমাদের জাগ্রত করুন যাতে আমরা আপনাকে স্মরণ করতে পারি এবং আপনিও আমাদের স্মরণ করেন, আমরা আপনার কাছে প্রার্থনা করি এবং আপনি আমাদের দান করেন, আমরা আপনাকে ডাকি এবং আপনি আমাদের ডাকে সাড়া দেন, এবং আমরা আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনি আমাদের ক্ষমা করে দেন; (এই দোয়া পাঠ করলে) আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নিকট সবচেয়ে প্রিয় সময়ে একজন ফেরেশতা পাঠাবেন, যিনি তাকে জাগ্রত করবেন। যদি সে জাগ্রত হয় (তবে তো ভালোই), নতুবা ফেরেশতা উপরে উঠে যাবেন এবং আকাশে আল্লাহর ইবাদত করবেন। এরপর অন্য একজন ফেরেশতা এসে তাকে জাগ্রত করবেন, যদি সে জাগ্রত হয়, নতুবা ফেরেশতা উপরে উঠে যাবেন এবং আকাশে আল্লাহর ইবাদত করবেন। এরপর অন্য আরেকজন ফেরেশতা এসে তাকে জাগ্রত করবেন, যদি সে জাগ্রত হয়, নতুবা ফেরেশতা উপরে উঠে যাবেন এবং আকাশে আল্লাহর ইবাদত করবেন। এরপর আরেকজন ফেরেশতা এসে তাকে জাগ্রত করবেন, তখন যদি সে জাগ্রত হয়ে দোয়া করে তবে তার দোয়া কবুল করা হবে। আর যদি সে জাগ্রত না হয়, তবে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তার জন্য ঐ সকল ফেরেশতাদের সওয়াব লিখে দেবেন।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৮)
16- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو بكر عبد الله بن محمد السكري قال: أنا أبو العباس أحمد بن محمد بن عيسى الحافظ قال: نا أبو العباس محمد بن عبد الرحمن السرخسي قال: نا سختويه بن مازيار قال: نا أبو معاذ معروف بن حسان عن زياد الأعلم عن عبد الملك بن عمير عن عبد الله بن أبي أوفى قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((نوم الصائم عبادة وصمته تسبيح ودعاؤه مستجاب وعمله مضاعف)) .
১৬- ফজল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সুক্কারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আস-সারখাসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাখতাওয়াইহ ইবনে মাযিয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু মুয়াজ মারুফ ইবনে হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ আল-আলাম থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((রোজাদারের ঘুম ইবাদত, তার নীরবতা তাসবীহ, তার দোয়া কবুলযোগ্য এবং তার আমল দ্বিগুণ করা হয়))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৮)
17- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو الحسن محمد بن الحسن البوزجاني قال: نا أبو حامد الصائغ قال: نا سعيد بن محمد بن أحمد بن إدريس الحافظ قال: نا إسحاق بن إبراهيم المروزي قال: نا أبو عبيدة الحداد قال: نا عمارة بن زاذان قال: نا زياد النميري عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن المرأة والرجل لا يجتمعان حتى ينادي منادٍ من السماء أن فلاناً لفلانة)) .
১৭- ফজল ইবনে আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বুজজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু হামিদ আস-সায়িগ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইদ্রিস আল-হাফিজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-মারওয়াজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু উবাইদাহ আল-হাদ্দাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: উমারাহ ইবনে জাযান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: যিয়াদ আন-নুমাইরি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((নিশ্চয়ই একজন নারী ও পুরুষ ততক্ষণ পর্যন্ত একত্রিত হয় না, যতক্ষণ না আসমান থেকে জনৈক আহ্বানকারী ঘোষণা করেন যে, অমুক ব্যক্তি অমুক নারীর জন্য নির্ধারিত))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৮)
18- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو عبد الرحمن السلمي قال: أنا أبو الفتح يوسف بن عمر الزاهد قال: نا الحسين بن محمد قال: نا محمد بن عبد الرحمن قال: نا بقية عن أبي يعقوب المدني عن عبد الله بن الحسين عن أبيه عن جده قال: قال ⦗ص: 99⦘ رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من سعادة المرء أن يكون إخوانه صالحين)) .
১৮- ফাদল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবুল ফাতহ ইউসুফ ইবনে উমর আজ-জাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট আবু ইয়াকুব আল-মাদানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৯৯⦘ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((ব্যক্তির সৌভাগ্যের অন্তর্ভুক্ত হলো তার ভাইদের সৎকর্মপরায়ণ হওয়া))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯৯)
19- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا جعفر بن محمد أبو العباس قال: أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد الحضرمي قال: نا أبو العباس عبد الملك بن أحمد بن عبد الرحمن قال: نا حفص بن عمرو قال: نا درست بن زياد القشيري قال: نا أبان بن طارق قال: نا نافع عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من دعي فلم يجب فقد عصى الله ورسوله)) .
১৯- ফাদল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্বাস জাফর ইবনু মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্বাস আব্দুল মালিক ইবনু আহমাদ ইবনু আব্দুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস ইবনু আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দুরুস্ত ইবনু যিয়াদ আল-কুশায়রী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবান ইবনু তারিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাফি‘ ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে অথচ সে তাতে সাড়া দেয়নি, সে নিশ্চিতভাবে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০০)
20- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو سعيد محمد بن الحسن بن الوجيه قال: أنا أبو علي الحسين بن علي الحافظ قال: أنا محمد بن علي بن الحسن بن حرب البرقي قال: نا الفتح بن سعيد الحراني قال: نا حجاج بن محمد قال: نا شعبة عن بديل بن ميسرة عن أبي الحوراء عن الحسن بن علي قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((دع ما يريبك إلى ما لا يريبك، فإن الخير طمأنينة والشر ريبة، فإن أوتيت في شيء فدعه إلى ما لا ترتاب فيه)) .
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল বিন আল-আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-ওয়াজিহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন আলী আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান বিন হারব আল-বারকি, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-ফাতহ বিন সাঈদ আল-হাররানি, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, বুদাইল বিন মাইসারাহ থেকে, তিনি আবু আল-হাওরা থেকে, তিনি আল-হাসান বিন আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে তা বর্জন করো এবং যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে না তার দিকে ধাবিত হও। কেননা নিশ্চয়ই কল্যাণ হলো প্রশান্তি এবং মন্দ হলো সন্দেহ। অতএব তোমার নিকট যদি কোনো সন্দেহপূর্ণ বিষয় উপস্থাপিত হয়, তবে তা বর্জন করে সেই বিষয়ের দিকে যাও যাতে তোমার কোনো সন্দেহ নেই।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০১)
21- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو سعيد محمد بن الحسن الفقيه قال: أنا أبو الفضل محمد بن إبراهيم بن فضلويه قال: نا محمد بن المسيب قال: أنا أبو بكر محمد بن عبد الملك بن زنجويه قال: نا عبد الرزاق قال: أنا معمر عن محمد بن واسع عن أبي صالح عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من أقال نادماً في بيع أقاله الله نفسه يوم القيامة)) .
২১- ফজল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহিম ইবনু ফাযলুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাইয়িব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল মালিক ইবনু জানজুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মামার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসি' থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি কেনাবেচার ক্ষেত্রে কোনো অনুতপ্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি প্রদান করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে মুক্তি দান করবেন))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০১)
22- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أنا أبو بكر محمد بن محمد بن محمد بن عبد الله البغدادي قال: أنا أبو عبد الله محمد بن سعيد المروزي قال: نا محمد بن نصر القرشي قال: أنا أحمد بن محمد بن حكيم البلخي عن شقيق بن إبراهيم عن عباد بن كثير عن أبي الزبير عن جابر بن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لا تجلسوا عند كل عالم، ولا تجلسوا إلا عند عالم يدعوكم من خمس إلى خمس: من الشك إلى اليقين، ومن الكبر إلى التواضع، ومن الرياء إلى الإخلاص، ومن العداوة إلى النصيحة، ومن الرغبة إلى الرهبة)) .
২২- আল-ফাদল ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মারওয়াজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-কুরাশি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাকিম আল-বালখি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাকিক ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্বাদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((তোমরা প্রত্যেক আলেমের নিকট বসো না; বরং কেবল এমন আলেমের নিকট বসো যে তোমাদের পাঁচটি বিষয় থেকে পাঁচটি বিষয়ের দিকে আহ্বান করে: সন্দেহ থেকে দৃঢ় বিশ্বাসের দিকে, অহংকার থেকে বিনয়ের দিকে, লোকদেখানো আমল থেকে ইখলাসের দিকে, শত্রুতা থেকে শুভাকাঙ্ক্ষার দিকে এবং দুনিয়ার মোহ থেকে আখেরাতের ভীতির দিকে।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০১)
23- أخبرنا الفضل بن العباس قال: أبو علي الطوسي قال: أنا محمد بن بكر ⦗ص: 102⦘ التمار قال: أنا أبو داود السجستاني قال: نا سليمان بن حرب قال: نا حماد عن أيوب عن أبي قلابة عن أبي أسماء عن ثوبان قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((أيما امرأة سألت زوجها طلاقها في غير ما بأس فحرام عليها رائحة الجنة)) .
২৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনুল আব্বাস, তিনি বলেন: আবু আলী আত-তুসী বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে বকর ⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘ আত-তাম্মার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আবু আসমা থেকে এবং তিনি সাওবান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে কোনো নারী কোনো সঙ্গত কারণ ছাড়াই তার স্বামীর নিকট তালাক প্রার্থনা করে, তার জন্য জান্নাতের সুঘ্রাণ হারাম।))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০২)
24- أخبرنا علي بن منصور التنكتي بالشاش قال: أنا طاهر بن عبد الله أبو الربيع قال: أنا محمد بن الحسن الأزدي قال: أنا عبد الرحيم بن علي الحافظ ببغداد قال: أنا أبو عبد الله محمد بن عمر بن الفضل قال: نا محمد بن عيسى الدهقان قال: نا أحمد بن محمد النوري قال: نا سري السقطي عن معروف الكرخي عن ابن السماك عن الأعمش عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من قضى لأخيه المسلم حاجة كان له من الأجر كمن خدم الله تعالى عمره)) .

⦗ص: 103⦘

إلى هنا عن أبي منصور الخوجاني
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন মনসুর আত-তানুকতি আশ-শাশ-এ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাহির বিন আব্দুল্লাহ আবু আর-রবি’, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-আজদি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহিম বিন আলি আল-হাফিজ বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-ফাদল, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ঈসা আদ-দিহকান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আন-নুরি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাররি আস-সাকতি, তিনি মারুফ আল-কারখি থেকে, তিনি ইবনুস সাম্মাক থেকে, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কোনো প্রয়োজন পূরণ করবে, তার জন্য সেই ব্যক্তির ন্যায় সওয়াব হবে যে সারা জীবন মহান আল্লাহর খিদমত করেছে))।

⦗পৃষ্ঠা: ১০৩⦘

এ পর্যন্ত আবু মনসুর আল-খুজানি থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০৩)
25- أخبرنا أبو طاهر المطهر بن عبد الرحمن بن غزو بن محمد النهاوندي بقراتي عليه بنهاوند في شوال سنة ثلاث وخمسمائة وسألته عن مولده؟ فقال: سنة تسع عشرة وأربعمائة.

قال: أنا والدي أبو مسلم عبد الرحمن بن غزو الفقيه قال: أنا أبو الحسين محمد بن جعفر بن محمد النحوي بالكوفة قال: نا أبو جعفر محمد بن عمار العطار قال: نا ⦗ص: 104⦘ علي بن زنجويه الدينوري قال: نا محمد بن إبراهيم بن أبي طيبة قال: حدثني أبي عن ابن جريج عن عطاء عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من روى عني أربعين حديثاً جاء في زمرة العلماء يوم القيامة)) .
২৫- আবু তাহির আল-মুতাহহার বিন আবদুর রহমান বিন গাজু বিন মুহাম্মদ আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাহাওয়ান্দি শহরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে পাঁচশত তিন হিজরি সালের শাওয়াল মাসে; এবং আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: চারশত ঊনিশ হিজরি সাল।

তিনি বলেন: আমার পিতা ফকিহ আবু মুসলিম আবদুর রহমান বিন গাজু আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: কুফায় আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ আন-নাহবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আম্মার আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ আলী বিন জানজুওয়াহ আদ-দিনাওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবি তাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করবে, সে কিয়ামতের দিন আলেমদের দলভুক্ত হয়ে উপস্থিত হবে।"।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০৪)
26- أخبرنا والدي قال: نا أبو الحسين محمد بن عبد الله بن الحسن الفرضي بالدينور قال: نا أبو بكر محمد بن بكر التمار البصري قال: نا أبو داود قال: نا الحسن بن علي الحلواني قال: أنا عبد الرزاق قال أنا معمر عن الزهري عن عطاء بن يزيد الليثي عن حمران بن أبان مولى عثمان بن عفان قال: رأيت عثمان بن عفان توضأ فأفرغ على يديه ثلاثاً، (وغسلهما) ثم تمضمض واستنشق ثم غسل وجهه ثلاثاً؛ وغسل يده اليمنى إلى المرفق ثلاثاً ثم اليسرى مثل ذلك ثم مسح رأسه ثم غسل قدمه اليمنى ثلاثاً ثم اليسرى مثل ذلك، ثم قال: رأيت رسول الله توضأ وضوئي هذا، ثم قال: ((من توضأ وضوئي هذا ثم صلى ركعتين لا يحدث فيهما نفسه، غفر الله ما تقدم من ذنبه)) .
২৬- আমাদের পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান আল-ফারাজি আদ-দিনাওয়ারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মদ বিন বকর আত-তাম্মার আল-বাসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বিন আলি আল-হুলওয়ানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াযিদ আল-লাইসি থেকে, তিনি উসমান বিন আফফানের আযাদকৃত দাস হুমরান বিন আবান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন আফফানকে অযু করতে দেখেছি; তিনি তাঁর দুই হাতের ওপর তিনবার পানি ঢাললেন এবং (হাত দুটি ধৌত করলেন), এরপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন, তারপর তিনবার তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করলেন; এবং কনুই পর্যন্ত তাঁর ডান হাত তিনবার ধৌত করলেন, অতঃপর বাম হাতও একইভাবে ধৌত করলেন, এরপর তাঁর মাথা মাসাহ করলেন, তারপর তাঁর ডান পা তিনবার ধৌত করলেন এবং বাম পা-ও একইভাবে ধৌত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূলকে আমার এই অযুর মতো অযু করতে দেখেছি। এরপর তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি আমার এই অযুর মতো অযু করবে এবং এরপর এমন দুই রাকাত সালাত আদায় করবে যাতে সে নিজের মনে (পার্থিব) কোনো কথা বলবে না, আল্লাহ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।"
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০৫)
27- أخبرنا والدي قال: نا أبو الحسن علي بن إبراهيم بن علويه الجوهري ببغداد قال: نا أبو العباس محمد بن أحمد الأثرم المقرئ بالبصرة قال: نا الحسن بن داود بن مهران قال: نا إسحاق بن بشر الكاهلي قال: نا مهاجر بن كثير أبو عامر الأسدي عن الحكم عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من أسرج في مسجد من مساجد الله سراجاً لم تزل الملائكة وحملة العرش يستغفرون له ما دام في ذلك المسجد ضوء من ذلك السراج)) .
২৭- আমাদের পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী বিন ইবরাহিম বিন আলাওয়াইহ আল-জাওহারী বাগদাদে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-আছরাম আল-মুক্বরি বসরায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান বিন দাউদ বিন মিহরান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসহাক বিন বিশর আল-কাহিলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাজির বিন কাছীর আবু আমির আল-আসাদী বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহের কোনো একটিতে একটি প্রদীপ জ্বালায়, ফেরেশতাগণ এবং আরশ বহনকারীগণ তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন যতক্ষণ পর্যন্ত সেই প্রদীপের আলো সেই মসজিদে বিদ্যমান থাকে))।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু মুনতাখাবাহ মিন আজযায়ে আবী মানসূর আল-খুজানী লিস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০৫)
28- أخبرنا والدي قال: نا أبو الحسن علي بن أحمد بن يوسف القاضي بسامري، وأبو الحسن أحمد بن محمد بن الصلت القرشي ببغداد قال: نا إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى الهاشمي قال: نا أبو مصعب الزهري عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((تكفل الله من جاهد في سبيله لا يخرجه من بيته إلا الجهاد في سبيله وتصديق كلمته أن يدخله الجنة أو يرجعه إلى مسكنه الذي خرج منه مع ما ناله من أجر أو غنيمة)) .
২৮- আমাদের পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট সামারিয়ার বিচারক আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে ইউসুফ এবং বাগদাদের আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল সালত আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে মুসা আল-হাশিমী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু মুসআব আজ-জুহরি মালিক হতে, তিনি আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আরাজ হতে এবং তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((আল্লাহ সেই ব্যক্তির জিম্মাদার হয়েছেন যে তাঁর পথে জিহাদ করে; তাকে তাঁর পথে জিহাদ এবং তাঁর বাণীর সত্যয়ন ছাড়া অন্য কিছুই তার ঘর থেকে বের করেনি—আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন অথবা তাকে সেই সওয়াব বা গনীমতসহ তার সেই আবাসে ফিরিয়ে আনবেন যেখান থেকে সে বের হয়েছিল।))