(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: -)
تعليقات الدارقطني على المجروحين لابن حبان القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: تعليقات الدارقطني على المجروحين لابن حبان
المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385هـ)
تحقيق: خليل بن محمد العربي
الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر، دار الكتاب الإسلامي - القاهرة
الطبعة: الأولى، 1414 هـ - 1994 م
عدد الصفحات: 296
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে হিব্বানের 'আল-মাজরুহীন'-এর ওপর আদ-দারা কুতনীর টীকা বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: ইবনে হিব্বানের 'আল-মাজরুহীন'-এর ওপর আদ-দারা কুতনীর টীকা
লেখক: আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী ইবনে মাসউদ ইবনে নুমান ইবনে দীনার আল-বাগদাদী আদ-দারা কুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি)
সম্পাদনা: খলীল ইবনে মুহাম্মদ আল-আরাবী
প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসা লি আল-তিবাআ ওয়া আল-নাশর, দারুল কিতাব আল-ইসলামী - কায়রো
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯৬
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ عَدِيٍّ النَّسَائِيُّ، قَالَ: ثَنَا حُمَيْدُ بْنُ زَنْجُوَيْهِ، قَالَ: ثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْخَيْفِ مِنْ مِنًى» . . . . . . . . . . . . . . . الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: لَمْ يَسْمَعْ هَذَا الْحَدِيثَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ مِنَ الزُّهْرِيِّ، إِنَّمَا سَمِعَهُ مِنْ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ أَبِي الْجَنُوبِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ.
كَذَلِكَ قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُحَمَدِ بْنِ إِسْحَاقَ، وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، كَذَلِكَ تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَدِ بْنِ رَبِيعَةَ الْقُدَامِيُّ، عَنْ مَالِكٍ
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ زُهَيْرٍ بِتُسْتَرَ، قَالَ: ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِشْكَابَ، قَالَ: ثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ الْمَدَائِنِيُّ، قَالَ: ثَنَا
মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আদি আন-নাসাঈ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমাইদ ইবনে জানজুওয়াইহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়ালা ইবনে উবাইদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আমাদের বর্ণনা করেছেন জুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতইম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনার খাইফ নামক স্থানে দণ্ডায়মান হলেন..." হাদিসটি।
আবুল হাসান বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক এই হাদিসটি জুহরি থেকে শোনেননি, বরং তিনি এটি জুহরির সূত্রে আব্দুস সালাম ইবনে আবিল জানুব থেকে শুনেছেন।
একইভাবে ইবনে নুমাইর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই হাদিসটি মালিক ইবনে আনাসের সূত্রে জুহরি থেকেও বর্ণিত হয়েছে, একইভাবে এটি মালিক থেকে বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রাবিআ আল-কুদামি একক হয়ে গেছেন।
ইবনে হিব্বান বলেন: তুস্তারে আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জুহাইর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে ইশকাব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে হাফস আল-মাদায়িনী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤١)
شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ» .
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هَذَا حَدِيثٌ رَوَاهُ غُنْدَرٌ، وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَغَيْرُهُمَا، عَنْ شُعْبَةَ، مُرْسَلا، لَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ أَبَا هُرَيْرَةَ ، وَذَكَرَهُ عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ الْمَدَائِنِيُّ، وَغَيْرُهُ أَثْبَتُ مِنْهُ
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قَحْطَبَةَ بِفَمِ الصُّلْحِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زَكَرِيَّا
শু'বাহ খুবাইব ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "একজন মানুষের পাপিষ্ঠ হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তা-ই বর্ণনা করে।"
আবুল হাসান বলেন: এটি এমন একটি হাদিস যা গুন্দার, ইবনে আবি আদি এবং অন্যান্যরা শু'বাহ থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তারা এতে আবু হুরায়রার নাম উল্লেখ করেননি। আলী ইবনে হাফস আল-মাদায়িনী তার নাম উল্লেখ করেছেন, তবে অন্যান্যরা তার চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য।
ইবনে হিব্বান বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে কাহতাবা ফামুস সুলহ নামক স্থানে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আহমদ ইবনে জাকারিয়া বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
الْوَاسِطِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْحَارِثِ الْوَرَّاقَ، يَقُولُ: جَلَسْنَا عَلَى بَابِ شُعْبَةَ نَتَذَاكَرُ السَّنَدَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: أَبُو الْحَارِثِ الْوَرَّاقُ اسْمُهُ نَصْرُ بْنُ حَمَّادٍ.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عُمَرَ الْخَطَّابِيُّ بِالْبَصْرَةِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: لَمَّا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَطِيَّةَ التَّيْمِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ «إِذَا حَكَكْتَ جَسَدَكَ» .
الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: حَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَيْسَرَةَ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَدٍ الْوَكِيلُ، قَالا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ بِهَذَا.
قَالَ ابْنُ حَبَّانَ حَدَّثَنَا عَمْرُ بْنُ مُحَمَدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَلِيٍّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ زِيَادٍ، يَقُولُ لِيَحْيَى بْنِ سَعَيدٍ فِي حَدِيثِ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْعَبْسِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ. . . . . . . قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هَذَا سُفْيَانُ الرَّءَّاسُ، بَصْرِيُّ.
আল-ওয়াসিতী বলেন: আমি আবুল হারিস আল-ওয়াররাককে বলতে শুনেছি: আমরা শু'বার দরজায় বসে সনদ নিয়ে আলোচনা করছিলাম।
আবুল হাসান বলেন: আবুল হারিস আল-ওয়াররাকের নাম হলো নাসর ইবনে হাম্মাদ।
ইবনে হিব্বান বলেন: বাসরায় আব্দুল কাবীর ইবনে উমর আল-খাত্তাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে সিনান আমাদের নিকট হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি: সুফিয়ান যখন হাম্মাদ থেকে, তিনি আমর ইবনে আতিয়্যাহ আত-তাইমী থেকে এবং তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেছেন, সালমান বলেন: "যখন তুমি তোমার শরীর চুলকাবে..."।
আল-হাদীস।
আবুল হাসান বলেন: আমাদের নিকট এটি আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাইসারাহ এবং আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াকীল বর্ণনা করেছেন; তারা উভয়েই বলেছেন: আহমাদ ইবনে সিনান আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
ইবনে হিব্বান বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হামদানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমর ইবনে আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে যিয়াদকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ-এর নিকট আশ'আস ইবনে আবিশ শা'সা থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে মুয়াবিয়া আল-আবসী থেকে এবং তিনি আলক্বামাহ থেকে বর্ণিত হাদীসের ব্যাপারে বলতে শুনেছি...
আবুল হাসান বলেন: এই সুফিয়ান হলেন আর-রাউয়াস, তিনি বসরার অধিবাসী।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
قَالَ ابْنُ حَبَّانَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ عُثْمَانَ بْنِ زِيَادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ الرَّازِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ، يَقُولُ: دَارَ حَدِيثُ الثِّقَاتِ عَلَى سِتَّةٍ: رَجُلَانِ مِنَ الْبَصْرَةِ، وَرَجُلَانِ مِنَ الْكُوفَةِ، وَرَجُلَانِ مِنَ الْحِجَازِ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: مَا أَحَدٌ جَمَعَ السِّتَّةَ إِلا مَعْمَرٌ، يَعْنِي: لَمْ يَسْمَعْ مِنْ هَؤُلاءِ السِّتَّةِ إِلا مَعْمَرٌ.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَحَتَّى إِذَا قَالَ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ، عَنِ الْحَسَنِ، مَيَّزُوا حَدِيثَ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ مِنْ أَشْعَثَ بْنِ سَوَّارٍ، وَاحِدٌ مِنْهُمَا ثِقَةٌ، وَالْآخَرُ ضَعِيفٌ، وَقَدْ رَوَيَا جَمِيعًا عَنِ الْحَسَنِ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: الضَّعِيفُ أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: قَالَ ابْنُ مَعِينٍ. . . . . . . . . . .: ومُحَمَّد بْن زِيَادٍ كَانَ يَضَعُ الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: مُحَمَّد بْن زِيَادٍ صَاحِبُ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ كَذَّابٌ، يُحَدِّثُ بِنُسْخَةٍ، عَنْ مَيْمُونٍ بَاطِلَةٍ.
ইবনে হিব্বান বলেন, আমি হাসান ইবনে উসমান ইবনে যিয়াদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু যুরআ আর-রাজিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে মাদিনীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের হাদিস ছয় ব্যক্তির ওপর আবর্তিত হয়েছে: দুইজন বসরা থেকে, দুইজন কুফা থেকে এবং দুইজন হিজাজ থেকে।
আবুল হাসান বলেন: মা’মার ব্যতীত অন্য কেউ এই ছয়জনকে একত্রিত করেননি, অর্থাৎ: এই ছয়জনের কাছ থেকে মা’মার ছাড়া আর কেউ শ্রবণ করেননি।
ইবনে হিব্বান বলেন: এমনকি যখন হাফস ইবনে গিয়াস বলেন যে, আশআছ হাসান থেকে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তখন তারা আশআছ ইবনে আব্দুল মালিকের হাদিসকে আশআছ ইবনে সাওয়ারের হাদিস থেকে পৃথক করেছেন; তাদের একজন নির্ভরযোগ্য এবং অন্যজন দুর্বল, অথচ তাঁরা উভয়েই হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন।
আবুল হাসান বলেন: দুর্বল বর্ণনাকারী হলেন আশআছ ইবনে সাওয়ার।
ইবনে হিব্বান বলেন: ইবনে মাঈন বলেছেন . . . . . . . . . . . এবং মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ হাদিস জাল করত।
আবুল হাসান বলেন: মায়মুন ইবনে মিহরানের সাথী মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ একজন চরম মিথ্যাবাদী; সে মায়মুনের পক্ষ থেকে একটি বাতিল পাণ্ডুলিপি বর্ণনা করে।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: أَخْبَرَنا الضَّحَّاكُ بْنُ هَارُونَ، بِجُنْدَيسَابُورَ، ثَنَا الأَصْفَرِيُّ، ثَنَا الْمُعَيْطِيُّ، قَالَ: سُئِلَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى، عَنْ رَجُلٍ أَعْطَى الْغَزْلَ إِلَى الْحَائِكِ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: الأَصْفَرِيُّ: أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الأَصْفَرِ.
وَالْمُعَيْطِيُّ: مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ قَالَ ابْنُ حِبَّانَ. . . . . . . . عبد الْملك بْن مُحَمَّد، قَالَ: سَمِعت الحوضي، يَقُول: دخلت على فلَان، أُرِيد أَن أسمع مِنْهُ، وَقد اخْتَلَط فَسَمعته يَقُول: الأزد عريضة، ذَبَحُوا شَاة مَرِيضَة، أَطْعمُونِي فأبيت ضربوني، فَبَكَيْت، فتركته، وَلم أسمع مِنْهُ شَيْئا.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هُوَ سعيد بْن أبي عرُوبَة فِي اخْتِلَاطه.
1- أبان بْن أبي عَيَّاشيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: روى عَن أبان: الزُّهْرِيّ، وَالثَّوْري، والفضيل بْن عِيَاض، وَعدد يطول ذكرهم،
ইবনে হিব্বান বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দাহহাক ইবনে হারুন জুন্দিসাবুরে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-আসফারী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-মুআইতী, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে আবি ইয়াহইয়াকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে জনৈক তাঁতিকে সুতা দিয়েছিল।
আবুল হাসান বলেন: আল-আসফারী হলেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আসফার।
আর আল-মুআইতী হলেন মুহাম্মদ ইবনে উমর। ইবনে হিব্বান বলেন... আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ বলেন: আমি আল-হাওদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি অমুকের নিকট প্রবেশ করলাম, তার নিকট থেকে হাদীস শোনার ইচ্ছা পোষণ করলাম, অথচ তিনি তখন বিভ্রান্ত দশায় (বার্ধক্যজনিত স্মৃতিভ্রম) পতিত হয়েছিলেন। আমি তাকে বলতে শুনলাম: "আযদ গোত্রীয়রা বিশালদেহী, তারা একটি রুগ্ন ছাগল জবাই করেছে, তারা আমাকে খাওয়াতে চাইল কিন্তু আমি অস্বীকার করলাম, তারা আমাকে প্রহার করল এবং আমি কাঁদতে লাগলাম।" অতঃপর আমি তাকে ছেড়ে চলে এলাম এবং তার নিকট থেকে কিছুই শ্রবণ করিনি।
আবুল হাসান বলেন: তিনি হলেন সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ্, তাঁর বিভ্রান্ত অবস্থার সময়ের ঘটনা।
১- আবান ইবনে আবি আয়্যাশইবরাহীম ইবনে আহমদ বলেন: আবান থেকে বর্ণনা করেছেন: যুহরী, সাওরী, ফুদাইল ইবনে ইয়াদ এবং এমন এক বিরাট সংখ্যক বর্ণনাকারী যাদের উল্লেখ করতে গেলে দীর্ঘ হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
وَلم يحدث عَنهُ: شعبه، وَلَا يَحْيَى، وَلَا عَبْد الرَّحْمَنِ بْن مهدى.
قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «نَحَرَ الْمُسْلِمُونَ حُمُرًا يَوْمَ خَيْبَرَ، فَجَعَلُوا يَطْبُخُونَهَا، فَأَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيًا فَنَادَى بِتَحْرِيمِهِ، فَمِنْهُمْ مَنْ كَانَ يَطْبُخُ فَأَكْفَأَ قِدْرَهُ عَلَى النَّارِ، وَمِنْهُمْ مَنْ أَكَلَ فَجَعَلَ يَسْتَقِيءُ، وَمِنْهُمْ مَنْ ثَرَدَ فَصَبَّهُ»
وَرَوَى فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ أَبَانٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ حَيِيٌّ كَرِيمٌ، يَكْرَهُ إِذَا بَسَطَ الرَّجُلُ يَدَهُ أَنْ يَرُدَّهَا صِفْرًا، لَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ»
يَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمد: قَالَ أبي: أبان بْن أبي عَيَّاش مَتْرُوك الحَدِيث، ترك النَّاس حَدِيثه مُنْذُ دهر.
وأخبرت عَن عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمد، عَن أَبِيه، قَالَ: كَانَ وَكِيع إِذا أَتَى على حَدِيث أبان بْن أبي عَيَّاش، يَقُول: عَن رجل أُسَمِّيهِ استضعافا.
وأخبرت عَن عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمد، قَالَ: سَمِعت أبي، يَقُول: إِن عباد بْن عباد، قَالَ: أتيت شُعْبَة أَنا وَحَمَّاد بْن زيد فكلمناه فِي أبان بْن أبي عَيَّاش، فَقلت لَهُ: يَا أَبَا بسطَام، أمسك عَنهُ، فَأمْسك عَنهُ فَلَقِيته فقَالَ: مَا أَرَانِي يَنْبَغِي السُّكُوت عَنهُ
এবং তাঁর থেকে শু'বাহ, ইয়াহইয়া এবং আবদুর রহমান ইবনে মাহদী হাদিস বর্ণনা করেননি।
মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বলেন, ইবনে শিহাব আমার কাছে আবান ইবনে আবি আয়্যাশ থেকে এবং তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "খায়বার যুদ্ধের দিন মুসলিমরা গাধা জবেহ করল এবং সেগুলো রান্না করতে শুরু করল। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন এবং সে তা নিষিদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিল। তখন তাদের মধ্যে যারা রান্না করছিল তারা আগুনের ওপর তাদের ডেকচি উল্টে দিল, যারা খেয়েছিল তারা বমি করতে শুরু করল এবং যারা ঝোলে রুটি ভিজিয়েছিল তারা তা ঢেলে দিল।"
ফুযাইল ইবনে ইয়াদ আবান থেকে এবং তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ অতি লজ্জাশীল ও মহানুভব। কোনো ব্যক্তি যখন আল্লাহর কাছে হাত প্রসারিত করে, তখন তিনি তা শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিতে অপছন্দ করেন, যাতে কিছুই নেই।"
ইবরাহীম ইবনে আহমদ বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ বলেছেন, আমার পিতা বলেছেন: আবান ইবনে আবি আয়্যাশ ত্যাজ্য হাদিস বর্ণনাকারী (মাত্রুকুল হাদিস), মানুষ দীর্ঘকাল যাবৎ তার হাদিস বর্জন করেছে।
এবং আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ তাঁর পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ওকী যখন আবান ইবনে আবি আয়্যাশের হাদিস উল্লেখ করতেন, তখন তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করে বলতেন: এক ব্যক্তি থেকে যার নাম আমি নিচ্ছি।
এবং আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, আব্বাদ ইবনে আব্বাদ বলেছেন: আমি এবং হাম্মাদ ইবনে যায়দ শু'বার নিকট আসলাম এবং আমরা তাঁর সাথে আবান ইবনে আবি আয়্যাশ সম্পর্কে কথা বললাম। আমি তাঁকে বললাম: হে আবু বিসতাম, তাঁর থেকে বিরত থাকুন। ফলে তিনি তাঁর থেকে বিরত থাকলেন। এরপর আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন: আমার মনে হয় না যে, তাঁর ব্যাপারে চুপ থাকা আমার জন্য সমীচীন হবে।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
2- أبان بْن سُفْيَان الْمَقْدِسِيقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَرَوَى يَعْنِي: أَبَانَ بْنَ سُفْيَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُصَلِّيَ الْإِنْسَانُ إِلَى نَائِمٍ أَوْ مُتَحَدِّثٍ» .
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ رحمه الله: حَدِيثُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ إِنَّمَا يَرْوِيهِ أَبَانُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي هِلالٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَقِيلَ: أَنَّ أَبَا هِلالٍ هَذَا هُوَ يَعْلَى بْنُ هِلالٍ، وَيَعْلَى مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ
3- أبان بْن عَبْد اللَّهِ البَجلِيّقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: أَخْبَرَنَا الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَلِيٍّ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: الْهَمْدَانِيُّ هُوَ: عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بُجَيْرٍ الصُغْدِيُّ
4- إِبْرَاهِيم بْن مُسلم الهجريقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَهُوَ الَّذِي رَوَى عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنّ النَّبِي صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ مَأْدُبَةُ اللَّهِ عز وجل»
২- আবান বিন সুফিয়ান আল-মাকদিসিইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ আবান বিন সুফিয়ান—উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমন্ত ব্যক্তি বা কথা বলতে থাকা ব্যক্তির দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন।"
আবুল হাসান (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: উবায়দুল্লাহ বিন উমরের হাদিসটি আবান বিন সুফিয়ান কেবল আবু হিলাল থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর বলা হয়ে থাকে যে, এই আবু হিলাল হলেন ইয়ালা বিন হিলাল, এবং ইয়ালা হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে ত্যাজ্য (মাতরুকুল হাদিস)।
৩- আবান বিন আবদুল্লাহ আল-বাজালিইবনে হিব্বান বলেছেন: আল-হামদানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আমর বিন আলীকে বলতে শুনেছি।
আবুল হাসান বলেছেন: আল-হামদানী হলেন—উমর বিন মুহাম্মদ বিন বুজাইর আস-সুগদি।
৪- ইব্রাহিম বিন মুসলিম আল-হাজরিইবনে হিব্বান বলেছেন: আর তিনি সেই ব্যক্তি যিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই কুরআন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ভোজের দস্তরখান।"
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: مَأْدبة، ومأربة.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: سَمِعت الدغولي، يَقُول: سَمِعت مُحَمَّد بْن عَبْد اللَّهِ بْن قهزاد. . . . . قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: الدغولي: مُحَمَّد بْن عَبْد الرَّحْمَنِ السَّرخسِيّ.
5- إِبْرَاهِيم بْن يزِيد الخوزيقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَهُوَ يَعْنِي: إِبْرَاهِيمَ بْنَ يَزِيدَ الْخُوزِيَّ، الَّذِي رَوَى عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَا يَقْطَعُ الصَّلاةَ شَيْءٌ» .
الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: وَقَدْ رَوَى مُجَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْوَدَاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم «لَا يَقْطَعُ الصَّلاةَ شَيْءٌ» .
يَقُولُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ: إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ الْخُوزِيُّ ضَعِيفٌ
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَرَوَى عَنْ أَيُوبَ السَّخْتِيانِيِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ:
আবুল হাসান বলেন: মা’দুবাহ এবং মা’রাবাহ।
ইবনে হিব্বান বলেন: আমি আদ-দাগুলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন কাহজাদ থেকে শুনেছি... আবুল হাসান বলেন: আদ-দাগুলি হলেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আস-সারাকসি।
৫- ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ আল-খুযীইবনে হিব্বান বলেন: আর তিনি অর্থাৎ ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ আল-খুযী, যিনি সালিম বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «কোন কিছুই সালাত নষ্ট করে না»।
হাদীস।
আবুল হাসান বলেন: মুজালিদ, আবুল ওয়াদাক থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: «কোন কিছুই সালাত নষ্ট করে না»।
ইবরাহীম বিন আহমাদ বলেন: আলী বিন আল-মাদীনী বলেছেন: ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ আল-খুযী যয়ীফ (দুর্বল)।
ইবনে হিব্বান বলেন: আর তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ الْأَعْرَابَ يَأْتُونَا بِلُحْمَانٍ، لَا نَدْرِي أَذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهَا أَمْ لَا؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الْمُسْلِمَ مَعَهُ اسْمُ اللَّهِ فَكُلُوا وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ»
وَرَوَى عَنْ أَيُوبَ السَّخْتِيانِيِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «تَابِعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الذُّنُوبَ، كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ»
أَخْبَرَنا بِهَذَيْنِ الْحَدِيثين أَيْضا على بْن جَعْفَر بْن مُسَافر، ثَنَا أبي، ثَنَا مُؤَمل بْن إِسْمَاعِيل، ثَنَا إِبْرَاهِيم بْن يزِيد، عَن أَيُّوب السّخْتِيَانِيّ. . . . . قَالَ أَبُو الْحَسَنِ، رحمه الله: هَذَانِ الحديثان اللَّذَان ذكرهمَا، عَن أَيُّوب السّخْتِيَانِيّ وهم من أبي حَاتِم، أَو من عَليّ بْن جَعْفَر، لِأَن مؤملًا رَوَاهُمَا عَن إِبْرَاهِيم بْن يزِيد، عَن أَيُّوب بْن مُوسَى، عَن عَمْرو بْن سعيد بْن الْعَاصِ، وَإِبْرَاهِيم لم يلق أَيُّوب السّخْتِيَانِيّ، وَلم يرو عَنهُ.
6- إِبْرَاهِيم بْن عَليّ الرَّافِعِيّيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الرَّافِعِيُّ، مُنْكَرُ الْحَدِيثِ، حَدَّثَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «نَظِفُّوا مَجْمَعَ اللَّحْيَيْنِ، وَمَجْمَعَ الشِّدْقَيْنِ، مَدْخَلَ الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ»
বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, মরুচারীরা আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে, আমরা জানি না তার ওপর আল্লাহর নাম নেওয়া হয়েছে কি না? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই মুমিনের সাথে আল্লাহর নাম থাকে, সুতরাং তোমরা খাও এবং আল্লাহর নাম নাও»
আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা হজ ও উমরার একটির পর অপরটি ধারাবাহিকভাবে সম্পাদন করো, কেননা এই দুটি গুনাহকে এমনভাবে দূরীভূত করে দেয়, যেমন হাপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়»
আলী ইবনে জাফর ইবনে মুসাফিরও আমাদের এই দুটি হাদিস জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআম্মাল ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে ইয়াযিদ আমাদের নিকট আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে বর্ণনা করেছেন... আবুল হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির সূত্রে যে দুটি হাদিস তিনি উল্লেখ করেছেন, তা আবু হাতিম অথবা আলী ইবনে জাফরের ভ্রম; কেননা মুআম্মাল এই দুটি বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি আইয়ুব ইবনে মুসা থেকে, তিনি আমর ইবনে সাঈদ ইবনে আস থেকে। আর ইবরাহিম আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির সাথে সাক্ষাৎ করেননি এবং তাঁর থেকে বর্ণনাও করেননি।
৬- ইবরাহিম ইবনে আলী আর-রাফেয়ীইবরাহিম ইবনে আহমদ বলেন:
ইবরাহিম ইবনে আলী আর-রাফেয়ী, তিনি মুনকারুল হাদিস। তিনি মুহাম্মদ ইবনে উরওয়াহ ইবনে হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা চোয়ালের দুই পাশের মিলনস্থল এবং গালের দুই প্রান্ত তথা খাদ্য ও পানীয় প্রবেশের পথসমূহ পরিষ্কার করো»
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
وَرَوَى عَنْ كَثِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَبَّرَ عَلَى النَّجَاشِيِّ خَمْسًا»
7-إِبْرَاهِيم بْن عُثْمَان الْعَبْسِيقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: إِبْرَاهِيم بْن عُثْمَان الْعَبْسِي من أهل وَاسِط، ثمَّ قَالَ: ولى الْقَضَاء بواسط.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هُوَ من أهل الْكُوفَة ولي قَضَاء وَاسِط.
8- إِبْرَاهِيم بْن الْفضل المَخْزُومِييَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
رَوَى أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ قَتْلِ الصُّرَدِ، وَالْهُدْهُدِ، وَالنَّمْلَةِ، وَالضِّفْدِعِ» .
بَلَغَنِي عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، وَيَحْيَى بْنِ مَعِينٍ، أَنَّهُمَا قَالا: إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْفَضْلِ لَيْسَ بِشَيْءٍ
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: أَخْبَرَناه ابْن نَاجِية، بحران، ثَنَا عبد الحميد بْن مُحَمَّد بْن مستام. . . . .
কাসির ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজানি থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাজ্জাশির (জানাজার) ওপর পাঁচ তাকবির দিয়েছিলেন»
৭- ইব্রাহিম ইবনে উসমান আল-আবসিইবনে হিব্বান বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে উসমান আল-আবসি ওয়াসিতের অধিবাসী ছিলেন। অতঃপর তিনি বলেন: তিনি ওয়াসিতে বিচারকের (কাজগিরি) দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবুল হাসান বলেন: তিনি কুফার অধিবাসী ছিলেন এবং ওয়াসিতের বিচারকার্য পরিচালনা করেছেন।
৮- ইব্রাহিম ইবনে আল-ফজল আল-মাখজুমিইব্রাহিম ইবনে আহমাদ বলেন:
আবু আমির আল-আকাদি ইব্রাহিম ইবনে আল-ফজল থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লাটোরা পাখি, হুদহুদ পাখি, পিপঁড়া এবং ব্যাঙ হত্যা করতে নিষেধ করেছেন»।
আহমাদ ইবনে হাম্বল এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাইন থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তারা উভয়ই বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে আল-ফজল উল্লেখযোগ্য কেউ নন।
ইবনে হিব্বান বলেন: হাররানে ইবনে নাজিয়া আমাদের এটি অবহিত করেছেন, আব্দুল হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুস্তাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন. . . . .
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هُوَ يَحْيَى بْن مُحَمَّد بْن نَاجِية الْحَرَّانِي.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: رَوَى يَعْنِي: إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَدِ بْنِ أَبِي يَحْيَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «اسْتَأْذَنْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَنْ أَبْنِيَ كَنِيفًا بِمَنًى» الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: حَدِيثُ هِشَامٍ فِي اتِّخَاذِ الْكَنِيفِ بِمَنًى، إِنَّمَا يَرْوِيهِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي حَيَّةَ، لَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى
9-إِبْرَاهِيم بْن إِسْمَاعِيل بْن أبي حَبِيبَةقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: مَاتَ يَعْنِي: إِبْرَاهِيم بْن إِسْمَاعِيل بْن أبي حَبِيبَة الأشْهَلِي سنة سِتِّينَ وَمِائَة.
يَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: ويقَالَ: مَاتَ سنة وَخمْس وَسِتِّينَ وَمِائَة
وَرَوَى عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُهُ دُعَاءَ الْأَوْجَاعِ»
আবুল হাসান বলেছেন: তিনি হলেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজিয়াহ আল-হাররানী।
ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অর্থাৎ ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে। তিনি বলেন: "আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মিনায় একটি শৌচাগার নির্মাণের অনুমতি চেয়েছিলাম"— হাদিসটি।
আবুল হাসান বলেছেন: মিনায় শৌচাগার নির্মাণ সংক্রান্ত হিশামের হাদিসটি মূলত ইব্রাহিম ইবনে আবি হাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া নন।
৯- ইব্রাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি হাবিবাহইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অর্থাৎ ইব্রাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি হাবিবাহ আল-আশহালি একশত ষাট হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
ইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন: এবং বলা হয় যে, তিনি একশত পঁয়ষট্টি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
এবং তিনি দাউদ ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে রোগ-ব্যথার দোয়া শিক্ষা দিতেন।"
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥١)
وَرَوَى عَنْ دَاوُدَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ إِلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ بِقَطِيعٍ مِنْ غَنَمٍ، فِيهِ تَيْسٌ، فَضَحَّى بِهِ»
10- إِبْرَاهِيم بْن عمر بْن أبانأَخْبَرَناه الْحسن بْن سُفْيَان، قَالَ: ثَنَا أَبُو معشر الْبَراء حَاشِيَة: سقط رجل بَين ابْن سُفْيَان والبراء.
يَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: إِبْرَاهِيم بْن عمر بْن أبان بْن عمر فِي حَدِيث بعض الْمَنَاكِير.
11- إِسْمَاعِيل بْن مُسلم الْمَكِّيّيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: يروي عَن أَحْمد بْن حَنْبَل، أَنه قَالَ: إِسْمَاعِيل بْن مُسلم الْمَكِّيّ يروي عجائب عَن عَمْرو بْن دِينَار، وَالزهْرِيّ.
إِسْمَاعِيل بْن مُسلم ثَلَاثَة: إِسْمَاعِيل بْن مُسلم الْبَصْرِيّ الْعَبْدي، ثِقَة.
وَإِسْمَاعِيل بْن مُسلم المَخْزُومِي، مولى لَهُم، ثِقَة، روى عَنهُ وَكِيع.
দাউদ ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণিত, তিনি আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের নিকট এক পাল বকরি পাঠিয়েছিলেন যার মধ্যে একটি পাঠা ছিল, অতঃপর তিনি তা দিয়ে কুরবানি করেছিলেন।»
১০- ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আবানআল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মা'শার আল-বারা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। টীকা: ইবনে সুফিয়ান এবং আল-বারার মাঝে একজন বর্ণনাকারী বাদ পড়েছেন।
ইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন: ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আবান ইবনে উমরের হাদিসে কিছু মুনকার (অস্বীকৃত) বর্ণনা রয়েছে।
১১- ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কিইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন: তিনি আহমদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কি আমর ইবনে দিনার ও যুহরি থেকে বিস্ময়কর বিষয়াদি বর্ণনা করেন।
ইসমাইল ইবনে মুসলিম নামে তিনজন ব্যক্তি রয়েছেন: ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-বাসরি আল-আবদি, তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।
এবং ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাখজুমি, তাদের আযাদকৃত দাস, তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তাঁর থেকে ওয়াকি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
وَإِسْمَاعِيل بْن مُسلم الْمَكِّيّ ضَعِيف.
وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ الْمَكِّيُّ هَذَا رَوَى عَنْ مُحَمَدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكْحِلُوا بِالْإِثْمِدِ عِنْدَ مَنَامِكُمْ، فَإِنَّهُ يَجْلُوا الْبَصَرَ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ» .
قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ الْبَصْرِيُّ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ، ضَعِيفٌ، أَسْقَطَ شَهَادَتَهُ بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: ثِقَةٌ
12- إِسْمَاعِيل بْن رَافع بْن عُوَيْمِريَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
رَوَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، َأَنّ النَّبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنَ الرُّغْبِ، فَإِنَّ الرُّغْبَ شُؤْمٌ» .
قَالَ: وَكَانَتْ لِأَبِي سَعِيدٍ ابْنَةٌ، فَدَعَى عَلَيْهَا، فَقُبِضَتْ
وَبِشْرُ بْنُ رَافِعٍ لَيْسَ هُوَ أَخُو إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَافِعٍ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ: سَأَلُوا أَبِي عَنْ سُفْيَانَ بْنِ رَافِعٍ، فَقَالَ: هُوَ الْبَحْرَانِيُّ، لَيْسَ بِشَيْءٍ، حَدَّثَ عَنْهُ: عَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَصَفْوَانُ بْنُ عِيسَى.
13- إِسْحَاق بْن يَحْيَى بْن طَلْحَة الْقُرَشِيّيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: وَحدث عَنهُ ابْن وهب، وَوجدت فِيمَا أجَازه لي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّد
এবং ইসমাঈল বিন মুসলিম আল-মক্কী দুর্বল।
এবং এই ইসমাঈল বিন মুসলিম আল-মক্কী মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা ঘুমানোর সময় ইছমিদ সুরমা ব্যবহার করো, কারণ এটি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং চুল (চোখের পাপড়ি) গজায়।"
ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: ইসমাঈল বিন মুসলিম আল-বাসরী শক্তিশালী নন, তিনি দুর্বল; বিশর বিন মানসুর তার সাক্ষ্য বাতিল করে দিয়েছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।
১২- ইসমাঈল বিন রাফি বিন উয়াইমিরইবরাহিম বিন আহমাদ বলেন:
তিনি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন হিব্বান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা লোভ-লালসা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো, কারণ লোভ-লালসা অমঙ্গলজনক।"
তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আবু সাঈদের একটি কন্যা ছিল, তিনি তার বিরুদ্ধে দুআ করেছিলেন, ফলে সে মৃত্যুবরণ করে।
আর বিশর বিন রাফি ইসমাঈল বিন রাফির ভাই নন। আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বলেছেন: তারা আমার পিতাকে সুফিয়ান বিন রাফি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন তিনি বললেন: তিনি আল-বাহরানি, তিনি ধর্তব্য নন; তার থেকে আব্দুর রাজ্জাক এবং সাফওয়ান বিন ঈসা বর্ণনা করেছেন।
১৩- ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন তালহা আল-কুরাশিইবরাহিম বিন আহমাদ বলেন: এবং তার থেকে ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, এবং আবু বকর মুহাম্মদ আমাকে যা অনুমতি (ইজাজাহ) দিয়েছিলেন তাতে আমি পেয়েছি...
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
بْن عَليّ الْإِيَادِي، عَن أبي يَحْيَى السَّاجِي، قَالَ يَحْيَى بْن معِين: إِسْحَاق بْن يَحْيَى بْن طَلْحَة ضَعِيف، وَإِسْحَاق بْن يَحْيَى الَّذِي روى عَنهُ ابْن الْمُبَارك ثِقَة.
14- إِسْحَاق بْن إِبْرَاهِيم بْن نسطاسيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
رَوَى مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَطَّارُ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نِسْطَاسٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنّ النَّبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَا تَقُولُونَ فِي رَجُلٍ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالُوا: الْجَنَّةُ "، فِي حَدِيثٍ طَويْلٍ ذَكَرَهُ
15- إِسْحَاق بْن بشر الْكَاهِلِيقَالَ أَبُو الْحَسَنِ: إِسْحَاق بْن بشر رجلَانِ: أَحدهمَا: يكنى أَبَا حُذَيْفَة البُخَارِيّ، هُوَ الَّذِي يحدث عَن الثَّوْريّ، وَغَيره بِالْمَنَاكِيرِ، وَهُوَ صَاحب الْمُبْتَدَأ، والفتوح، وَالرِّدَّة.
وَالْآخر: إِسْحَاق بْن بشر بْن مقَاتل أَبُو يَعْقُوب الْكَاهِلِي، كُوفِي، وَهُوَ ضَعِيف أَيْضا، وَهُوَ الَّذِي روى عَن أبي معشر، عَن نَافِع، عَن ابْن عمر، عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قصَّة الْهَام من بْن الْهَام،
ইবন আলী আল-ইয়াদি, আবু ইয়াহইয়া আস-সাজি থেকে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন মাঈন বলেছেন: ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া ইবন তালহা দুর্বল, আর ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া—যার থেকে ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন—তিনি নির্ভরযোগ্য।
১৪- ইসহাক ইবন ইব্রাহিম ইবন নিসতাসইব্রাহিম ইবন আহমদ বলেন:
মারহুম ইবন আব্দুল আজিজ আল-আত্তার, ইসহাক ইবন ইব্রাহিম ইবন নিসতাস থেকে, তিনি সাঈদ ইবন ইসহাক ইবন কাব ইবন উজরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহর পথে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের অভিমত কী? তারা বললেন: জান্নাত।" তিনি এটি একটি দীর্ঘ হাদিসে উল্লেখ করেছেন।
১৫- ইসহাক ইবন বিশর আল-কাহিলিআবুল হাসান বলেছেন: ইসহাক ইবন বিশর নামে দুইজন ব্যক্তি রয়েছেন: তাদের একজন: যার উপনাম আবু হুজাইফা আল-বুখারি; তিনি সাওরি এবং অন্যদের থেকে ভিত্তিহীন হাদিস বর্ণনা করেন, এবং তিনি আল-মুবতাদা, আল-ফুতুহ এবং আর-রিদদাহ গ্রন্থসমূহের রচয়িতা।
আর অপরজন হলেন: ইসহাক ইবন বিশর ইবন মুকাতিল আবু ইয়াকুব আল-কাহিলি, তিনি কুফাবাসী এবং তিনিও দুর্বল। তিনি আবু মাশার থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাম ইবন হাম-এর কাহিনী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
وَيحدث عَن الْكُوفِيّين، وَعَن مَالك بْن أنس مَنَاكِير.
وَقد هم أَبُو حَاتِم رحمه الله، فَأدْخل حَدِيث أَحدهمَا، فِي الآخر.
16- أَحْمد بْن دَاوُد بْن عبد الْغفاررَوَى عَنْ أَبِي مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِكُلِّ أَمْرٍ مِفْتَاحٌ، وَمِفْتَاحُ الْجَنَّةِ الْمَسَاكِينُ» .
الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: هَذَا الْحَدِيثُ وَضَعَهُ عُمَرُ بْنُ رَاشِدٍ الْجَارِيُّ، مِنْ أَهْلِ الْجَارِ، عَلَى مَالِكٍ، حَدَّثَ بِهِ عَنْهُ: عُثْمَانُ بْنُ مَعْبَدٍ، وَيَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ،
তিনি কুফাবাসীদের পক্ষ থেকে এবং মালিক ইবনে আনাস থেকে মুনকার (অপ্রসিদ্ধ) বিষয়াদি বর্ণনা করেন।
আবু হাতিম (রহিমাহুল্লাহ) সংকল্প করেছিলেন এবং তাদের একজনের হাদিস অন্যজনের মধ্যে দাখিল করে দিয়েছেন।
১৬- আহমদ বিন দাউদ বিন আব্দুল গাফফারতিনি আবু মুসআব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাদের কাছে নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক বিষয়ের একটি চাবিকাঠি থাকে, আর জান্নাতের চাবিকাঠি হলো মিসকিন বা অভাবীগণ»।
হাদিসটি।
আবুল হাসান বলেন: এই হাদিসটি উমর বিন রাশিদ আল-জারি—যিনি আল-জার জনপদের অধিবাসী—মালিকের নামে জাল করেছেন। তার থেকে এটি উসমান বিন মাবাদ এবং ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
وَسَرَقَهُ مِنْهُ هَذَا الشَّيْخُ، فَوَضَعَهُ عَلَى أَبِي مُصْعَبٍ
17- أَيُّوب بْن خوطيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: أَيُّوب بْن خوط مَتْرُوك.
18- أَيُّوب بْن جَابر بْن سياريَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: وقَالَ يَحْيَى بْن معِين: أَيُّوب بْن جَابر لَيْسَ حَدِيثه بِشَيْء، وَلَا مُحَمَّد بْن جَابر، وَكَانَ كوفيا انْتقل إِلَى الْيَمَامَة.
19- أَيُّوب بْن وَاقد الْكُوفِييَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
এবং এই শাইখ এটি তার কাছ থেকে চুরি করেছেন, তারপর তিনি তা আবু মুসআব-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন।
১৭- আইয়ুব ইবনে খুওয়াতইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন: আইয়ুব ইবনে খুওয়াত মাতরুক (পরিত্যক্ত)।
১৮- আইয়ুব ইবনে জাবির ইবনে সাইয়ারইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন: এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: আইয়ুব ইবনে জাবিরের হাদিস উল্লেখযোগ্য কিছু নয়, মুহাম্মদ ইবনে জাবিরের হাদিসও নয়; তিনি কুফার অধিবাসী ছিলেন, পরে ইয়ামামায় স্থানান্তরিত হন।
১৯- আইয়ুব ইবনে ওয়াকিদ আল-কুফিইব্রাহিম ইবনে আহমদ বলেন:
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: أَيُّوبُ بْنُ وَاقِدٍ لَيْسَ بِثِقَةٍ، يَرْوِي عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ مَنَاكِيرَ، رَوَى عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «نَبَاتُ الشَّعْرِ فِي الْأَنْفِ أَمَانٌ مِنَ الْجُذَامِ» .
وَرَوَى عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: أَنَّهُ كَرِهَ زَرْعَ. . . . . وَبِإِسْنَادِهِ، قَالَ: النَّظَرُ فِي مِرْآةِ الْحَمَّامِ مِنَ الدَّنَاءَةِ
20- أَيُّوب بْن سيار الزُّهْرِيّيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
قَالَ بُنْدَارٌ: ثَنَا ابْنُ عَامِرٍ، ثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سَيَّارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ صَلَّى ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ النَّهَارِ، يُحَافِظُ عَلَيْهِنَّ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ»
21- أَشْعَث بْن سواريَقُول ابْن حِبَّان:
ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: আইয়ুব ইবনে ওয়াকিদ নির্ভরযোগ্য নন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: «নাকের ভেতর চুল গজানো কুষ্ঠরোগ থেকে নিরাপত্তা স্বরূপ।»
আর তিনি মুগিরা থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি চাষাবাদ করাকে অপছন্দ করতেন... এবং তাঁর সনদসহ তিনি বলেছেন: গোসলখানার আয়নায় তাকানো নীচতার অন্তর্ভুক্ত।
২০- আইয়ুব ইবনে সাইয়্যার আল-জুহরিইব্রাহিম ইবনে আহমাদ বলেন:
বুন্দার বলেছেন: আমাদের কাছে ইবনে আমির বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আইয়ুব ইবনে সাইয়্যার বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আল-মুনকাদির থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি দিনের বেলা বারো রাকাত সালাত আদায় করবে এবং সেগুলোর প্রতি যত্নশীল হবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।»
২১- আশ’আস ইবনে সাওয়ারইবনে হিব্বান বলেন:
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
روى يَعْنِي: أَشْعَث بْن سوار، عَن الشّعبِيّ، وَحدث عَنهُ وَكِيع.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: يَعْنِي حدث عَنهُ وَكِيع، أَي: عَن رجل، عَنهُ.
22- أَشْعَث بْن سعيد السمانيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: أَشْعَث هَذَا يرْمى بِالْقدرِ، مَتْرُوك الحَدِيث.
23- أَشْعَث بْن برَازيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
أَشْعَثُ بْنُ بَرَازٍ رَوَى عَنْ قَتَادَةَ، وَعَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، حَدِيثَيْنِ مُنْكَرَيْنِ، وَرَوَى أَشْعَثُ بْنُ بَرَازٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: «نَهَى عَنِ الْإِبِلِ الْجَلَّالَةِ، أَنْ يُحْمَلَ عَلَيْهَا، أَوُ يُؤْكَلَ مِنْ لَحْمِهَا»
وَرَوَى عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْعَقْلُ رَأْسُ الْإِيمَانِ»
বর্ণনা করেছেন অর্থাৎ: আশআছ ইবনে সাওয়ার, আশ-শা'বী থেকে, আর তাঁর থেকে ওয়াকি বর্ণনা করেছেন।
আবুল হাসান বলেন: অর্থাৎ ওয়াকি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, অর্থাৎ: জনৈক ব্যক্তি থেকে, তাঁর সূত্রে।
২২- আশআছ ইবনে সাঈদ আস-সাম্মানইবরাহিম ইবনে আহমাদ বলেন: এই আশআছ-এর বিরুদ্ধে কাদারি মতবাদের অভিযোগ রয়েছে, তিনি হাদিস বর্ণনায় পরিত্যক্ত।
২৩- আশআছ ইবনে বারাজইবরাহিম ইবনে আহমাদ বলেন:
আশআছ ইবনে বারাজ কাতাদাহ এবং আলী ইবনে যায়িদ থেকে দুটি মুনকার হাদিস বর্ণনা করেছেন। আশআছ ইবনে বারাজ কাতাদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাকিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাল্লালাহ (নাজাসাত ভক্ষণকারী) উটের পিঠে চড়তে অথবা তার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।
আর তিনি আলী ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "আকল বা বুদ্ধি হলো ঈমানের মূল।"
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
24- أغلب بْن تَمِيميَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ السَّاجِي: أغلب بْن تَمِيم السَّعْدِيّ، قَالَ يَحْيَى بْن معِين: أغلب بْن تَمِيم لَيْسَ بِشَيْء روى عَنهُ زيد بْن الْحباب، وَابْنه حِبَّان بْن أغلب بْن تَمِيم.
رَوَى حِبَّانُ بْنُ أَغْلَبَ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُجَاءُ بِالْإِمَامِ الْجَائِرِ فَيُخَاصِمُهُ الرَّعِيَّةُ فَيَنْفَلِجُوا عَلَيْهِ، فَيُقَالُ لَهُ: سُدَّ عَنَّا رُكْنًا مِنْ أَرْكَانِ جَهَنَّمَ "
25- أُسَامَة بْن زيديَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: حدث يَحْيَى بْن معِين، عَن أُسَامَة بْن زيد، ثمَّ تَركه بآخرة.
26- أَصْرَم بْن حَوْشَبيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: أَصْرَم بْن حَوْشَب اتَّفقُوا على أَنه مَتْرُوك الحَدِيث.
27- أَيمن بْن نابليَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ أَحْمد بْن حَنْبَل: أَيمن بْن نابل صَالح الحَدِيث، وقَالَ يَحْيَى
২৪- আগলাব বিন তামীমইবরাহীম বিন আহমাদ বলেন: আস-সাজী বলেছেন: আগলাব বিন তামীম আস-সাদী। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: আগলাব বিন তামীম কিছুই নন। তার থেকে যায়েদ বিন আল-হুবাব এবং তার পুত্র হিব্বান বিন আগলাব বিন তামীম বর্ণনা করেছেন।
হিব্বান বিন আগলাব বিন তামীম তার পিতা থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "অত্যাচারী শাসককে উপস্থিত করা হবে, তখন প্রজারা তার বিরুদ্ধে বিতর্ক করবে এবং তারা তার ওপর জয়ী হবে। এরপর তাকে বলা হবে: আমাদের পক্ষ থেকে জাহান্নামের স্তম্ভগুলোর একটি স্তম্ভ বন্ধ করো।"
২৫- উসামা বিন যায়েদইবরাহীম বিন আহমাদ বলেন: ইয়াহইয়া বিন মাঈন উসামা বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর শেষ জীবনে তিনি তাকে বর্জন করেন।
২৬- আসরাম বিন হাওশাবইবরাহীম বিন আহমাদ বলেন: আসরাম বিন হাওশাব সম্পর্কে সকলে একমত যে তিনি মাতরুকুল হাদীস (পরিত্যক্ত)।
২৭- আয়মান বিন নাবিলইবরাহীম বিন আহমাদ বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: আয়মান বিন নাবিল সালিহুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য), এবং ইয়াহইয়া বলেছেন...
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
بْن معِين: هُوَ ثِقَة، كَانَت فِيهِ لكنه، لَا يفصح، وقَالَ السَّاجِي: صَدُوق.
28- باذام أَبُو صَالحيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ السَّاجِي فِي الضُّعَفَاء: من المكيين: أَبُو صَالح، مولى ضباعة بنت الزبير، روى عَنهُ أهل الْكُوفَة، فِيهِ ضعف، ثمَّ قَالَ: اسْمه باذام، ثمَّ قَالَ: سَمِعت مُحَمَّد بْن الْمثنى، يَقُول: أَبُو صَالح جمَاعَة.
فَذكرهمْ وقَالَ: وَمِنْهُم: أَبُو صَالح الَّذِي روى عَنهُ إِسْمَاعِيل بْن أبي خَالِد، اسْمه باذان، مولى أم هَانِئ، وَهُوَ الَّذِي روى عَنهُ الْكَلْبِيّ، والسدى، وَمَنْصُور، وسيار، وَإِسْمَاعِيل بن سَالم، وَعبد الْعَزِيز بن رفيع، وَأَبُو مكين، وفراس، وَمُحَمّد بن جحادة، وَسماك ابْن حَرْب، وحصين، وقَالَ عَليّ بْن الْمَدِينِيّ سَمِعت يَحْيَى بْن سعيد، يَقُول: لم أر أحدا من أَصْحَابنَا ترك أَبَا صَالح، مولى أم هَانِئ، وَمَا سمعنَا أحدا من النَّاس يَقُول فِيهِ شَيْئا، وَلم يتْركهُ شُعْبَة، وَلَا زَائِدَة، وَلَا عَبْد اللَّهِ بْن عُثْمَان.
29- بشر بْن حَرْب الندبييَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
ইবনে মাঈন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তাঁর মাঝে আড়ষ্টতা ছিল, তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলতেন না; আস-সাজি বলেন: তিনি সত্যবাদী।
২৮- বাযাম আবু সালিহইব্রাহিম বিন আহমাদ বলেন: আস-সাজি আদ-দুয়াফা গ্রন্থে বলেছেন: মক্কাবাসীদের মধ্যে রয়েছেন আবু সালিহ, তিনি জুবাইরের কন্যা দুবাআ-এর মুক্তদাস, তাঁর থেকে কুফাবাসীরা বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। এরপর তিনি বলেন: তাঁর নাম বাযাম। এরপর তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্নাকে বলতে শুনেছি: আবু সালিহ নামে একদল ব্যক্তি রয়েছেন।
অতঃপর তিনি তাঁদের উল্লেখ করে বলেন: তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সেই আবু সালিহ যাঁর থেকে ইসমাইল বিন আবি খালিদ বর্ণনা করেছেন, তাঁর নাম বাযান, তিনি উম্মে হানির মুক্তদাস। তিনি সেই ব্যক্তি যাঁর থেকে আল-কালবি, আস-সুদ্দি, মানসুর, সাইয়্যার, ইসমাইল বিন সালিম, আব্দুল আজিজ বিন রাফি, আবু মাকিন, ফিরাস, মুহাম্মদ বিন জুহাদাহ, সিমাক ইবন হারব এবং হুসাইন বর্ণনা করেছেন। আলি বিন আল-মাদিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদকে বলতে শুনেছি: আমি আমাদের সঙ্গীদের মধ্যে কাউকে উম্মে হানির মুক্তদাস আবু সালিহকে বর্জন করতে দেখিনি এবং আমরা মানুষের মধ্য থেকে কাউকে তাঁর সম্পর্কে (নেতিবাচক) কিছু বলতে শুনিনি। শু'বাহ, জাইদাহ এবং আব্দুল্লাহ বিন উসমান কেউই তাঁকে বর্জন করেননি।
২৯- বিশর বিন হারব আন-নাদাবিইব্রাহিম বিন আহমাদ বলেন:
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
أَخْبَرَنِي الِإيَادِيُّ إِجَازَةً، عَنِ السَّاجِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُثَنَى، يَقُولُ: مَاتَ بِشْرُ بْنُ حَرْبٍ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَةٍ، قَالَ عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمد: سَأَلت أبي عَن بشر بْن حَرْب، فَقلت: يعْتَمد عَليّ حَدِيثه؟ فقَالَ: لَيْسَ هُوَ مِمَّن يتْرك حَدِيثه.
قَالَ يَحْيَى بْن معِين: سُئِلَ يَحْيَى الْقطَّان عَن بشر بْن حَرْب وَأبي هَارُون، أَيّمَا أحب إِلَيْك؟ فَاخْتَارَ بشر بن حَارب، وَلَا أعلمهُ إِلَّا كَمَا قَالَ: وَكَانَ عَليّ بْن الْمَدِينِيّ يضعف بشر بْن حَرْب، وقَالَ يَحْيَى بْن معِين: بشر بْن حَرْب أحب إليّ من مائَة مثل يَحْيَى الْبكاء وَقد روى عَنهُ شُعْبَة أَيْضا
30- بشر بْن نمير الْقشيرِييَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
وَرَوَى عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَرْبَعَةٌ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِمْ: عَاقٌّ، وَمَنَّانٌ، وَمُدْمِنُ خَمْرٍ، وَمُكَذِّبٌ بِقَدَرٍ "
31- بشر بْن حَرْب الْبَزَّازقَالَ ابْنُ حِبَّانُ: رَوَى، يَعْنِي بِشْرَ بْنَ حَرْبٍ الْبَزَّازَ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ الْعُطَّارِدِيِّ، سَمِعْتُ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعُوَّامِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
আল-ইয়াদী আমাকে ইজাযত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আস-সাজি থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুসান্নাকে বলতে শুনেছি: বিশর ইবনে হারব একশত আটাশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বিশর ইবনে হারব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, আমি বললাম: তাঁর হাদিসের ওপর কি নির্ভর করা যায়? তিনি বললেন: তিনি এমন কেউ নন যার হাদিস বর্জন করা হয়।
ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: ইয়াহইয়া আল-কাত্তানকে বিশর ইবনে হারব এবং আবু হারুন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আপনার কাছে কোনটি অধিক পছন্দনীয়? তিনি বিশর ইবনে হারবকে বেছে নিয়েছেন, এবং আমি তাঁর সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন তা ছাড়া অন্য কিছু জানি না। আলী ইবনুল মাদিনী বিশর ইবনে হারবকে দুর্বল বলতেন। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: বিশর ইবনে হারব আমার নিকট ইয়াহইয়া আল-বুক্কার মতো একশ জনের চেয়েও অধিক পছন্দনীয়। এবং শু'বাহও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৩০- বিশর ইবনে নুমাইর আল-কুশায়রীইবরাহিম ইবনে আহমাদ বলেন:
তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "চার প্রকার ব্যক্তির দিকে আল্লাহ (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না: পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, দান করে খোটা দানকারী, মদপানে আসক্ত ব্যক্তি এবং তাকদীর অস্বীকারকারী।"
৩১- বিশর ইবনে হারব আল-বাযযারইবনে হিব্বান বলেন: তিনি অর্থাৎ বিশর ইবনে হারব আল-বাযযার, আবু রাজা আল-উতারিদী থেকে বর্ণনা করেছেন, আমি যুবাইর ইবনুল আওয়ামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦١)
«الْخَلِيفَةُ بَعْدِي أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، ثُمَّ يَقَعُ الاخْتِلافُ» ، قَالَ: فَقُمْنَا إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام، فَأَخْبَرْنَاهُ بِمَا قَالَ الزُّبَيْرُ، فقَالَ: صَدَقَ الزُّبَيْرُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ذَلِكَ، ثَنَاهُ الْقَطَّانُ بِالرَّقَّةِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الْعَسْكَرِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ حَرْبٍ البَّزَّازُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا رَجَاءٍ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: كَذَا قَالَ أَبُو حَاتِمٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ، وَقَدْ وَهِمَ فِي اسْمِ الرَّجُلِ الرَّاوِي عَنْ أَبِي رَجَاءٍ الْعُطَّارِدِيِّ، فَلا أَدْرِي الْوَهْمَ مِنْهُ، أَوْ مِمَّنْ حَدَّثَهُ؟
وَالصُّوَابُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جَبَلَةَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ بَشِيرِ بْنِ سُرَيْجٍ الْمُنَقِّرِيِّ، لَا بِشْرِ بْنِ حَرْبٍ، وَلا أَعْلَمُ أَنَّ أَحَدًا يُعْرَفُ بِبِشْرِ بْنِ حَرْبٍ مِنْ رُوَاةِ الْحَدِيثِ غَيْرَ أَبِي عَمْرٍو النَّدَبِيِّ الَّذِي تَقَدَّمَ ذِكْرُهُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَخْلَدٍ وَغَيْرُهُ، قَالُوا: ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْبَزَّارُ.
32- بكير بْن مِسْمَارقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَقد قيل: إِنَّه بكير الدَّامغَانِي الَّذِي يروي عَن مقَاتل قَالَ أَبُو الْحَسَنِ رحمه الله: بكير الدَّامغَانِي هُوَ بكير بْن شهَاب، لَيْسَ بِابْن مِسْمَار، وَبُكَيْر
«আমার পরবর্তী খলিফা হলেন আবু বকর সিদ্দিক এবং উমর ইবনুল খাত্তাব, এরপর মতভেদ দেখা দিবে», তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: অতঃপর আমরা আলী ইবনে আবু তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট গেলাম এবং জুবায়ের যা বলেছিলেন তা তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: জুবায়ের সত্য বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তা বলতে শুনেছি। রাক্কায় আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আল-আসকারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আমর ইবনে জাবালা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে হারব আল-বাজ্জার, তিনি বললেন: আমি আবু রাজাকে বলতে শুনেছি।
আবুল হাসান বলেন: আবু হাতিম এই হাদিসের ক্ষেত্রে এমনই বলেছেন। তিনি আবু রাজা আল-উতারিদি থেকে বর্ণনাকারী ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হয়েছেন। আমি জানি না এই বিভ্রান্তি তাঁর নিজের পক্ষ থেকে, নাকি যিনি তাঁকে বর্ণনা করেছেন তাঁর পক্ষ থেকে?
আর সঠিক বিষয় হলো এই যে, আবদুর রহমান ইবনে জাবালা এই হাদিসটি বাশির ইবনে সুরাইজ আল-মুনাক্কিরি থেকে বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে হারব থেকে নয়। আমি হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে বিশর ইবনে হারব নামে কাউকে চিনি না, কেবল আবু আমর আন-নাদাবি ব্যতীত যাঁর কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাখলাদ এবং অন্যান্যরা, তাঁরা বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাইসাম আল-বাজ্জার।
৩২- বুকাইর ইবনে মিসমারইবনে হিব্বান বলেন: বলা হয়ে থাকে যে, তিনি হলেন বুকাইর আদ-দামিঘানি, যিনি মুকাতিল থেকে বর্ণনা করেন। আবুল হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: বুকাইর আদ-দামিঘানি হলেন বুকাইর ইবনে শিহাব, তিনি ইবনে মিসমার নন। আর বুকাইর...
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
بْن مِسْمَار ثِقَة، وَهُوَ أَخُو مهَاجر بْن مِسْمَار.
33- بكر بْن الْأسود أَبُو عُبَيْدَة النَّاجِيقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَكَانَ يَحْيَى بْن كثير الْعَنْبَري يروي عَنهُ وَيَقُول: هُوَ كَذَّاب.
يَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: فِي كتابي عَن السَّاجِي: يَحْيَى بْن كثير الْعَنْبَري، قَالَ: هُوَ كَذَّاب.
قَالَ السَّاجِي سَمِعت مُحَمَّد بْن مُوسَى يحدث عَن عَبْد اللَّهِ بْن بكر النَّاجِي، عَن أبي عُبَيْدَة النَّاجِي، عَن الْحسن الموعظة بِطُولِهَا.
34- البخْترِي بْن عبيد الطانجيرَوَى عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَسْبَاطٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذََّاءِ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْمَضْمَضَةُ وَالاسْتِنْشَاقُ لِلْجُنُبِ ثَلاثًا ثَلاثًا فَرِيضَةٌ» ، حَدَّثَنَاهُ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، ثَنَا بَرَكَةُ بِهَذَا، وَهَذَا لَا أَصْلَ لَهُ، وَإِنَّمَا هُوَ مُرْسَلٌ، وَهُوَ ابْنُ سِيرِينَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ رحمه الله: ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَخْلَدٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ، ثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: «سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَضْمَضَةَ وَالاسْتِنْشَاقَ لِلْجُنُبِ ثَلاثًا» ، أَوْ كَمَا قَالَ
...বিন মিসমার নির্ভরযোগ্য, এবং তিনি মুহাজির বিন মিসমারের ভাই।
৩৩- বকর বিন আল-আসওয়াদ আবু উবাইদাহ আন-নাজিইবনে হিব্বান বলেন: ইয়াহইয়া বিন কাসির আল-আনবারি তার থেকে বর্ণনা করতেন এবং বলতেন: সে একজন চরম মিথ্যাবাদী।
ইব্রাহিম বিন আহমদ বলেন: আস-সাজি থেকে প্রাপ্ত আমার কিতাবে আছে: ইয়াহইয়া বিন কাসির আল-আনবারি বলেছেন: সে একজন চরম মিথ্যাবাদী।
আস-সাজি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন মুসাকে বলতে শুনেছি, তিনি আবদুল্লাহ বিন বকর আন-নাজি থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ আন-নাজি থেকে, তিনি হাসানের নিকট থেকে দীর্ঘ উপদেশবাণীটি বর্ণনা করেছেন।
৩৪- আল-বাখতারি বিন উবায়েদ আত-তাঞ্জিতিনি ইউসুফ বিন আসবাত থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জানাবাতগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য তিনবার কুলি করা এবং তিনবার নাকে পানি দেওয়া ফরজ», উমর বিন মুহাম্মদ আল-হামদানি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন, বারাকাহ আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; অথচ এর কোনো ভিত্তি নেই, বরং এটি মুরসাল, যা ইবনে সিরিন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।
আবুল হাসান (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: আবু আবদুল্লাহ বিন মাখলাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-হাসসানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাবাতগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য তিনবার কুলি করা এবং তিনবার নাকে পানি দেওয়াকে সুন্নত সাব্যস্ত করেছেন», অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
35- ثَابت بْن أبي صَفِيَّة أَبُو حَمْزَة الثمالِيقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: ثَابت بْن أبي صَفِيَّة أَبُو حَمْزَة الثمالِي، من أهل الْكُوفَة، مولى الْمُهلب بْن أبي صفرَة.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ رحمه الله: أَبُو صفرَة وَالِد الْمُهلب اسْمه: ظَالِم بْن سراق، ويقَالَ: ابْن سَارِق.
36- ثَابت بْن زُهَيْريَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: وروى ثَابت بْن زُهَيْر، عَن نَافِع، عَن ابْن عمر، عَن رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الطِّبّ، مُنكر الحَدِيث.
37- ثَابت بْن قيس أَبُو الْغُصْنيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد:
حَدَّثَ أَبُو الْغُصْنِ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ الأيَّامَ، حَتَى لَا يَكَادَ يُفْطِرُ» .
وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
وَرَوَى عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ النَّبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ تَزَوَّجَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّهَا فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ، فَإِنِ اشْتَجَرُوا فَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لَا وَلِيَّ لَهُ» .
وَهَذَا حَدِيثٌ تَفَرَّدَ بِهِ الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ
৩৫- সাবিত বিন আবি সাফিয়্যাহ আবু হামযাহ আস-সুমালিইবনে হিব্বান বলেছেন: সাবিত বিন আবি সাফিয়্যাহ আবু হামযাহ আস-সুমালি, কুফার অধিবাসী, মুহাল্লাব বিন আবি সুফরাহ-এর মুক্তদাস।
আবুল হাসান (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: মুহাল্লাবের পিতা আবু সুফরাহ-এর নাম: যালিম বিন সুরাক, এবং বলা হয়: ইবনে সারিক।
৩৬- সাবিত বিন যুহায়রইবরাহিম বিন আহমাদ বলেন: সাবিত বিন যুহায়র নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে চিকিৎসা শাস্ত্র বিষয়ে বর্ণনা করেছেন; তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী)।
৩৭- সাবিত বিন কায়স আবু আল-গুসনইবরাহিম বিন আহমাদ বলেন:
আবু আল-গুসন সাবিত বিন কায়স সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি উসামাহ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দিনগুলোতে এমনভাবে রোজা রাখতেন যে, মনে হতো তিনি রোজা ভঙ্গ করবেন না।»
এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
এবং তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে, তার বিবাহ বাতিল। অতঃপর যদি তারা বিবাদে লিপ্ত হয়, তবে যার কোনো অভিভাবক নেই সুলতান (শাসক) তার অভিভাবক।»
এবং এটি এমন একটি হাদিস যা যুহরি এককভাবে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
38- ثُمَامَة بْن عُبَيْدَة الْعَبْدييَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: ثُمَامَة بْن عُبَيْدَة بْن ثُمَامَة الْعَبْدي يروي عَن أبي الزبير، ضعفه على بْن الْمَدِينِيّ.
39- جَابر بْن يزِيد الْجعْفِيّقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: أَبُو سَلمَة، عَن سَلام بْن مِسْكين، قَالَ: قَالَ لي جَابر الْجعْفِيّ: عِنْدِي خَمْسُونَ ألف بَاب من الْعلم، لم أخبر بِشَيْء مِنْهُ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: سَلام بْن مِسْكين خطأ، وَإِنَّمَا هُوَ ابْن أبي مُطِيع.
40- جلد بْن أَيُّوبيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ ابْن الْمُبَارك: أهل الْبَصْرَة يضعفون الْجلد بْن أَيُّوب.
وَرَوَى عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ، قَالَ: قَدِمْتُ
৩৮- সুমামা ইবন উবাইদাহ আল-আবদিইবরাহীম ইবন আহমদ বলেন: সুমামা ইবন উবাইদাহ ইবন সুমামা আল-আবদি আবুয যুবাইর থেকে বর্ণনা করেন, আলী ইবনুল মাদীনী তাকে দুর্বল বলেছেন।
৩৯- জাবির ইবন ইয়াযীদ আল-জু'ফীইবন হিব্বান বলেন: আবু সালামাহ, সালাম ইবন মিসকীন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জাবির আল-জু'ফী আমাকে বলেছেন: আমার কাছে ইলমের পঞ্চাশ হাজার অধ্যায় রয়েছে, যা থেকে আমি কিছুই প্রকাশ করিনি।
আবুল হাসান বলেন: সালাম ইবন মিসকীন বলা ভুল, বরং তিনি হলেন ইবন আবি মুতী।
৪০- জিলদ ইবন আইয়ুবইবরাহীম ইবন আহমদ বলেন: ইবনুল মুবারক বলেছেন: বসরার অধিবাসীরা জিলদ ইবন আইয়ুবকে দুর্বল মনে করেন।
এবং তিনি মুয়াবিয়া ইবন কুররাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন মাসলামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আগমন করলাম...
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «فَأَخَذَ بِيَدَيَّ، فَمَا تَرَكَ يَدَيَّ، حَتَّى تَرَكْتُ يَدَهُ» .
قَالَ الرَّبِيعُ: سَمِعْتُ الشَّافِعِيُّ، يَقُولُ: سَأَلْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنَ عُلَيَّةَ عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ، فَقَالَ: أَعْرَابِيٌّ، وَضَعَّفَهُ الشَّافِعِيُّ.
قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: الْجَلْدُ مُضْطَرِبُ الْحَدِيثِ، لَا عَلَيْكَ أَلا تَعْبَأُ بِالنَّظَرِ فِي حَدِيثِهِ.
قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ: قَالَ أَبِي: الْجَلْدُ بْنُ أَيُّوبَ لَيْسَ يَسْوَى شَيْئًا، ضَعِيفُ الْحَدِيثِ
41- جَعْفَر بْن الزبيريَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: جَعْفَرُ بْن الزبير لَيْسَ بِشَيْء: قَالَ أَحْمد بْن حَنْبَل: إِنَّمَا أذهب حَدِيثه بروايته عَن الْقَاسِم بْن عَبْد الرَّحْمَنِ.
فَرَوَى جَعْفَرٌ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ عَلَى أَخِيهِ فَهُوَ أَمِيرٌ حَتَى يَخْرُجَ مِنْ عِنْدِهِ»
আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর নিকট থেকে বর্ণিত, "অতঃপর তিনি আমার দুই হাত ধরলেন, এরপর তিনি আমার হাত ছাড়েননি যতক্ষণ না আমি তাঁর হাত ছেড়ে দিয়েছি।"
রাবী' বলেন: আমি শাফিঈকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহকে আল-জালদ বিন আইয়ুব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: সে একজন গ্রাম্য বেদুইন। আর শাফিঈ তাকে দুর্বল হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন: আল-জালদ হাদিসের বর্ণনায় অসংলগ্ন (মুদতারিব), তুমি তার হাদিস পর্যালোচনার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করলে তোমার কোনো সমস্যা নেই।
আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আল-জালদ বিন আইয়ুব কোনো গুরুত্বেরই যোগ্য নয়, সে হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল।
৪১- জাফর বিন আল-জুবাইরইব্রাহিম বিন আহমাদ বলেন: ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: জাফর বিন আল-জুবাইর উল্লেখযোগ্য কিছু নন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: আল-কাসিম বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত তার রেওয়ায়েতসমূহের কারণেই মূলত তার হাদিস পরিত্যক্ত হয়েছে।
জাফর আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যখন কোনো ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে প্রবেশ করে, তখন সে (গৃহকর্তা) আমীর স্বরূপ, যতক্ষণ না সে তার নিকট থেকে প্রস্থান করে।"
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
42- جسر بْن فرقد القصابيَقُول إِبْرَاهِيم بْن أَحْمد: لم يحدث عَنهُ يَحْيَى، وَلَا عَبْد الرَّحْمَنِ، وقَالَ يَحْيَى بْن معِين: جسر القصاب لَيْسَ بِشَيْء، وَأَبُو جناب القصاب ثِقَة.
رَوَى عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الرَّقَاشِيِّ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: " كَانَ خُلُقُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ، ثُمَّ قَرَأَتْ: {وَإِنَّكَ لَعَلَى خُلُقٍ عَظِيمٍ} [الْقَلَم: 4] "
أَخْبَرَنِي الْإِيَادِيُّ إِجَازَةً، عَنِ السَّاجِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَازِنِيُّ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ جِسْرٍ، قَالَ: حَدَّثَ أَبِي، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: لَا تُسَمُّوا بِأَسْمَاءٍ فِيهَا أُوهٍ أُوهٍ، فَإِنَّ أُوهَ شَيْطَانٌ.
43- جَمِيع بْن عُمَيْرقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: روى عَنهُ الْعَلَاء بْن صَالح وَصدقَة بْن الْمثنى.
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ رحمه الله: قَوْله: روى عَنهُ الْعَلَاء بْن صَالح وَصدقه بْن الْمثنى وهم.
الْعَلَاء بْن صَالح لم يدْرك جَمِيعًا، وَلَا رَآهُ، وَصدقَة بْن الْمثنى،
৪২- জিসর বিন ফারকাদ আল-কাসসাবইব্রাহিম বিন আহমদ বলেন: ইয়াহইয়া এবং আব্দুর রহমান তাঁর থেকে কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন: জিসর আল-কাসসাব নির্ভরযোগ্য কেউ নন, তবে আবু জানাব আল-কাসসাব নির্ভরযোগ্য।
তিনি আবু সাঈদ আর-রাকাশি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র ছিল কুরআন।" এরপর তিনি পাঠ করলেন: {আর নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী} [আল-কলাম: ৪]
আল-ইয়াদি আমাকে ইজাজাতক্রমে আস-সাজি থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-মাজিনী আমাকে বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন জিসর বলেন: আমার পিতা মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তোমরা এমন নাম রেখো না যাতে 'উহ উহ' শব্দ রয়েছে, কারণ 'উহ' হলো শয়তান।
৪৩- জামি' বিন উমাইরইবনে হিব্বান বলেন: তাঁর থেকে আল-আলা বিন সালিহ এবং সাদাকাহ বিন আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন।
আবুল হাসান রহমাহুল্লাহ বলেন: তাঁর এই উক্তি—'তাঁর থেকে আল-আলা বিন সালিহ এবং সাদাকাহ বিন আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন'—একটি ভ্রম।
আল-আলা বিন সালিহ জামি'র সাক্ষাৎ পাননি এবং তাকে দেখেনওনি, আর সাদাকাহ বিন আল-মুসান্না,
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
لم يسمع من جَمِيع، وَلَا حدث عَنهُ، وَإِنَّمَا روى عَنهُ، صَدَقَة بْن سعيد الْحَنَفِيّ، وَالِد أبي حَمَّاد الْمفضل بْن صَدَقَة، وروى عَنهُ سُلَيْمَان الشَّيْبَانِيّ، وَأَبُو الجحاف، والعوام بْن حَوْشَب، وَسليمَان الْأَعْمَش، وحرملة الضَّبِّيّ.
44- الْجَارُود بْن يزِيد العامريقَالَ ابْنُ حِبَّانَ: عَن بهز بْن حَكِيم، وَالثَّوْري، روى عَنهُ سَلمَة بن شبيب، ينْفَرد بِالْمَنَاكِيرِ عَن الْمَشَاهِير، ويروي عَن الثِّقَات مَالا أصل لَهُ.
رَوَى
তিনি জামি‘ থেকে কোনো হাদিস শুনেননি এবং তাঁর থেকে কোনো হাদিস বর্ণনাও করেননি। বরং তাঁর থেকে সাদাকা ইবনে সাঈদ আল-হানাফি বর্ণনা করেছেন, যিনি আবু হাম্মাদ আল-মুফাদদাল ইবনে সাদাকার পিতা। এবং তাঁর থেকে সুলাইমান আশ-শাইবানি, আবু আল-জুহাফ, আল-আওয়াম ইবনে হাওশাব, সুলাইমান আল-আমাশ এবং হারমালা আদ-দব্বি বর্ণনা করেছেন।
৪৪- আল-জারুদ ইবনে ইয়াজিদ আল-আমিরিইবনে হিব্বান বলেন: তিনি বাহয ইবনে হাকিম এবং আস-সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সালামাহ ইবনে শাবিব বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারীদের সূত্রে এককভাবে প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস বর্ণনা করেন এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে এমন সব বিষয় বর্ণনা করেন যার কোনো ভিত্তি নেই।
বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১)
তালীকাতুদ দারা কুতনী আলাল মাজরূহীন লিবনি হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَتَرْعَوْنَ عَنْ ذِكْرِ الْفَاجِرِ» الْحَدِيثَ.
قَالَ أَبُو الْحَسَنَ: هَذَا حَدِيثُ الْجَارُودِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ بَهْزٍ، وَضَعَهُ عَلَيْهِ، وَسَرَقَهُ مِنْهُ عَمْرُو بْنُ الْأَزْهَرِ، فَحَدَّثَ بِهِ عَنْ بَهْزٍ، وَعَمْرُو بْنُ الْأَزْهَرِ كَذَّابٌ.
قَالَ مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى: عَمْرُو بْنُ الْأَزْهَرِ يَكْذِبُ، فَجَاوَبَهُ.
وَسَرَقَهُ مِنْهُ سُلَيْمَانُ بْنُ عِيسَى السُّكَّرِيُّ، وَكَانَ دَجَّالًا فَرَوَاهُ عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ.
وَسَرَقَهُ شَيْخٌ يُعْرَفُ بِالْعَلاءِ بْنِ بِشْرٍ، فَرَوَاهُ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ بَهْزٍ، وَابْنُ عُيَيْنَةَ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ بَهْزٍ شَيْئًا، وَغَيَّرَ لَفْظَهُ، وَأَتَى بِمَعْنَاهُ، فَقَالَ: «لَيْسَ لِلْفَاسِقِ غَيْبَةٌ»
45- الْحَارِث بْن نَبهَانقَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ: رَوَى حَدِيثَ مُصْعَبِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ سَعْدٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ»
বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "তোমরা কি পাপাচারীর আলোচনা করতে দ্বিধাবোধ করছ?" - হাদিসের শেষ পর্যন্ত।
আবুল হাসান বলেন: এটি বাহজের সূত্রে জারুদ ইবনে ইয়াজিদের বর্ণিত হাদিস, সে এটি তাঁর নামে জাল করেছে। আর আমর ইবনুল আজহার এটি তাঁর থেকে চুরি করেছে এবং বাহজের বরাতে বর্ণনা করেছে; আর আমর ইবনুল আজহার একজন চরম মিথ্যাবাদী।
মুজাহিদ ইবনে মুসা বলেন: আমর ইবনুল আজহার মিথ্যা বলত, তাই তিনি তাকে প্রত্যুত্তর দিয়েছিলেন।
সুলায়মান ইবনে ঈসা আস-সুক্কারি এটি তাঁর থেকে চুরি করেছে, সে ছিল একজন দাজ্জাল (মহা প্রবঞ্চক)। সে এটি সাওরি থেকে এবং তিনি বাহজ ইবনে হাকিম থেকে - এই সূত্রে বর্ণনা করেছে।
আলা ইবনে বিশর নামে পরিচিত জনৈক শায়খ এটি চুরি করেছেন; তিনি এটি সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে এবং তিনি বাহজ থেকে - এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। অথচ ইবনে উয়াইনা বাহজ থেকে কিছুই শোনেননি। তিনি এর শব্দ পরিবর্তন করে মর্মার্থ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "ফাসিকের কোনো গিবত (পরনিন্দা) নেই।"
৪৫- আল-হারিস ইবনে নাবহানইবরাহিম ইবনে আহমাদ বলেন: তিনি মুসআব ইবনে সালামার হাদিস সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয়।"