(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: -)
الفوائد المنتقاة الحسان للخلعي (الخلعيات) رواية السعدي القسم: كتب السنة
الكتاب: الفوائد المنتقاة الحسان الصحاح والغرائب (الخلعيات) - مخطوط
المؤلف: علي بن الحسن بن الحسين بن محمد، أبو الحسن الخِلَعي الشافعيّ (ت 492هـ)
رواية: أبو محمد عبدالله بن رفاعة بن غدير السعدي
تخريج: أحمد بن الحسن بن الحسين الشيرازي
عدد الأجزاء: 20، ينقصها العاشر
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-খিলা'ই-এর চয়নকৃত সুন্দর ও কল্যাণকর বিষয়সমূহ (আল-খিলা'ইয়্যাত), আস-সা'দির বর্ণনা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: নির্বাচিত সুন্দর, সহিহ ও গরিব বিষয়সমূহ (আল-খিলা'ইয়্যাত) - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ، আবুল হাসান আল-খিলা'ই আশ-শাফেঈ (মৃত্যু: ৪৯২ হিজরি)
বর্ণনা (রেওয়ায়েত): আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে রিফা'আ ইবনে গাদির আস-সা'দি
তাখরিজ: আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন আশ-শিরাজি
খণ্ড সংখ্যা: ২০، যার মধ্যে দশম খণ্ডটি নেই
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদারি
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: الفوائد المنتقاة الحسان الصحاح والغرائب (الخلعيات) - مخطوط
المؤلف: أبو الحسن علي بن الحسن الخلعي
المتوفى: 492 هـ
رواية: أبو محمد عبد الله بن رفاعة بن غدير السعدي
تخريج: أحمد بن الحسن بن الحسين الشيرازي
عدد الأجزاء: 20، ينقصها العاشر
গ্রন্থ: আল-ফাওয়ায়িদ আল-মুনতাকাহ আল-হিসান আস-সিহাহ ওয়াল-গরায়েব (আল-খিলাঈয়াত) - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হাসান আল-খিলাঈ
মৃত্যু: ৪৯২ হিজরি
বর্ণনা: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন রিফায়াহ বিন গাদীর আস-সাদি
তাখরীজ: আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আশ-শিরাজী
খণ্ড সংখ্যা: ২০, দশম খণ্ডটি নেই
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১)
الجزء الأول من الفوائد المنتقاة الحسان الصحاح والغرائب
تخريج أَحْمَد بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الشيرازي
رواية القاضي الجليل أبي الْحَسَن علي بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الفقيه أدام الله عزه
قوبلت فوافق والحمد لله شكرًا
1-[139/أ]
… بن عبد العزيز التنوخي ، عن عطاء الخراساني في قوله: {وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ التَّقْوَى} [الفتح: 26] قال: لا إله إلا الله مُحَمَّد رسول الله.
2- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد الإِشْبِيْلِي، قال: حَدَّثَنَا أبو مُحَمَّد علي بن مُحَمَّد بن هارون بن عيسى بن إبراهيم الهاشمي، إملاً قال: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن منصور بن أبي الجهم، قال: حَدَّثَنَا نصر بن علي، يعني الجهضمي، قال: حَدَّثَنَا عبد الله بن بارق الحنفي، أنه سمع أباه يحدث، أنه سمع ابن عباس يقول في قول الله: {إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَنُ وقال صوابًا} [النبأ: 38] ، قال: الصواب: شهادة أن لا إله إلا الله.
আল-ফাওয়াইদুল মুনতাকাহ আল-হিসানুস সিহাহ ওয়াল-গরাইব-এর প্রথম খণ্ড
আহমদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আশ-শিরাজী কর্তৃক সংকলিত
সম্মানিত বিচারক আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-ফকিহ্ (আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন)-এর বর্ণনা
মূল কপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং মিল পাওয়া গেছে, সকল প্রশংসা আল্লাহর এবং কৃতজ্ঞতা
১-[১৩৯/আ] ইবন আবদুল আজিজ আত-তানুখি থেকে বর্ণিত, আতা আল-খুরাসানি মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলেছেন: {এবং তিনি তাদের জন্য তাকওয়ার বাক্যকে অপরিহার্য করে দিলেন} [আল-ফাতহ: ২৬], তিনি বলেন: তা হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল)।
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আলী বিন মুহাম্মদ বিন হারুন বিন ঈসা বিন ইবরাহিম আল-হাশিমী, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মানসুর বিন আবুল জাহাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর বিন আলী, অর্থাৎ আল-জাহদামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন বারিক আল-হানাফি, তিনি তাঁর পিতাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলতে শুনেছেন: {তবে সে ব্যক্তি ব্যতীত যাকে রহমান অনুমতি দিয়েছেন এবং সে সঠিক কথা বলেছে} [আন-নাবা: ৩৮], তিনি বলেন: 'সঠিক কথা' হলো এই সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২)
3- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد البزاز ، قال: حَدَّثَنَا أبو بكر مُحَمَّد بن أَحْمَد بن أبي الأصبغ الإمام قال: حَدَّثَنَا خير بن عرفة، قال: حَدَّثَنَا عُرْوَة بن مَرْوَان العرقي ، قال: حَدَّثَنَا ابن حيان ، قال: حَدَّثَنَا همام ، عن الْحَسَن قال: لما أهبط الله ادم، عليه السلام، من الجنة إلى الأرض قال الله تعالى، له: يا آدم أربع احفظهن، واحدة لي عندك، وأخرى لك عندي، وأخرى بيني وبينك، وأخرى بينك وبين الناس، فأما التي لي عندك: فتعبدني لا تشرك بي شيئًا. وأما التي لك عندي: فأوفيك عملك لا أظلمك شيئًا. وأما التي بيني وبينك: فتدعوني فأستجيب لك. وأما التي بينك وبين الناس: فترضى للناس أن تأتي إليهم بما ترضى أن يأتوا إليك بمثله.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আল-বাযযা-য, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবিল আসবাগ আল-ইমাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খাইর বিন আরাফাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ বিন মারওয়ান আল-আরকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, হাসান (বসরী) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন আল্লাহ আদম আলাইহিস সালামকে জান্নাত থেকে জমিনে অবতরণ করালেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে বললেন: হে আদম, চারটি বিষয় তুমি স্মরণ রেখো; একটি আমার জন্য তোমার নিকট, একটি তোমার জন্য আমার নিকট, একটি আমার ও তোমার মাঝে এবং অন্যটি তোমার ও মানুষের মাঝে। অতঃপর যা তোমার নিকট আমার জন্য: তা হলো তুমি আমার ইবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরিক করবে না। আর যা আমার নিকট তোমার জন্য: তা হলো আমি তোমার আমলের পূর্ণ প্রতিদান দেব এবং তোমার প্রতি বিন্দুমাত্র জুলুম করব না। আর যা আমার ও তোমার মাঝে: তা হলো তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমি তোমার ডাকে সাড়া দেব। আর যা তোমার ও মানুষের মাঝে: তা হলো তুমি মানুষের সাথে তেমন আচরণই করবে যা তুমি নিজের জন্য তাদের নিকট থেকে প্রত্যাশা করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৩)
4- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد النحاس ، قال: حَدَّثَنَا أبو الطيب مُحَمَّد بن جعفر بن دُران بن سليمان سنة ثمان وثلاثين وثلاث مئة، قال حَدَّثَنَا الْحَسَن بن علي السكر، قال: [140/أ] إبراهيم بن عبد الله بن حاتم ، أنا سألته قال: حَدَّثَنَا سعيد بن راشد ، عن الْزُّهْرِي ، أنه قال: لا إله إلا الله تدفع غضب الرب عن العباد.
5- أنشدنا أبو مُحَمَّد إسماعيل بن إسماعيل المقرىء، قال أنشدنا أبو الطيب الْعَبَّاس بن أَحْمَد الهاشمي، أنشدنا أبو الْحَسَن مُحَمَّد بن عبد الله بن سعيد المهراني ، قال: أنشدنا مُحَمَّد بن يزيد، لمحمود الوراق:
إذا كان شكري نعمة الله نعمة عليّ له في مثلها يجب الشكر
فكيف بلوغ الشكر إلا بفضله وإن طالت الأيام واتصل العمر
إذ أمس بالشر أعم شرارها وإن مس بالضر أعقبه الأجر
وما منهما إلا له نعمة تضيق بها الأوهام والبر والنحر
آخر الجزء الأول والحمد لله حق حمده وصلواته على خير خلقه مُحَمَّد وآله وسلم تسلمًا
[140/ب] الجزء الثاني
من الفوائد المنتقاة الحسان من الصحاح الغرائب
تخريج
أَحْمَد بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الشيرازي
رواية
القاضي الجليل
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আত-তৈয়্যিব মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে দুরান ইবনে সুলাইমান তিনশ আটত্রিশ হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী আস-সুক্কার, তিনি বলেন: [১৪০/ক] ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাতিম, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে রাশিদ, আয-যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বান্দাদের থেকে রবের ক্রোধ দূর করে দেয়।
৫- আবু মুহাম্মদ ইসমাঈল ইবনে ইসমাঈল আল-মুকরী আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আত-তৈয়্যিব আল-আব্বাস ইবনে আহমদ আল-হাশিমী আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-মিহরানী আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আমাদের মাহমুদ আল-ওয়াররাকের এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:
যদি আল্লাহর নেয়ামতের জন্য আমার শোকর আদায় করাটাই আমার ওপর তাঁর পক্ষ থেকে একটি নেয়ামত হয়, তবে সেই নেয়ামতের জন্যও অনুরূপভাবে শোকর আদায় করা ওয়াজিব হয়ে যায়।
তাহলে তাঁর অনুগ্রহ ব্যতীত কীভাবে শোকর আদায়ের পূর্ণতা অর্জিত হবে, যদিও দিনসমূহ দীর্ঘ হয় এবং জীবন প্রলম্বিত হয়?
যখন মন্দের স্পর্শ হয় তখন তার অশুভ দিকগুলো ছেয়ে যায়, আর যখন কষ্টের স্পর্শ হয় তখন তার পশ্চাতে প্রতিদান আসে।
এই দুটির প্রত্যেকটিই তাঁর পক্ষ থেকে এমন নেয়ামত যার সামনে কল্পনা, স্থলভাগ এবং বক্ষদেশও সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।
প্রথম খণ্ড সমাপ্ত। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যা তাঁর উপযুক্ত প্রশংসা। এবং তাঁর সৃষ্টিজগতের শ্রেষ্ঠতম মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর অনেক অনেক দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
[১৪০/খ] দ্বিতীয় খণ্ড
সহীহ ও বিরল বর্ণনা থেকে চয়নকৃত সুন্দর ও কল্যাণকর বিষয়সমূহ
তাখরীজ করেছেন:
আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন আশ-শিরাজী
বর্ণনায়:
মহান বিচারক
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৪)
أبي الْحَسَن علي بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الفقيه
أدام الله عزه
قوبل به فوافق والحمد لله شكرًا
[141/أ] أَخْبَرَنَا الشريف القاضي الطاهر نقيب النقباء بمصر أبو علي مُحَمَّد بن أسعد بن علي الْحُسَيْني المالكي النسابة، قراءةً عليه وهو يسمع وينظر في أصله فأقر به بالجامع العتيق، قال: أَخْبَرَنَا الشيخ أبو مُحَمَّد عبد الله بن رفاعة بن غدير السعدي، في سنة ثلاث وأربعين وخمس مئة، بقرأتي عليه قال: أَخْبَرَنَا الشيخ أبو الْحُسَيْن الْخِلَعِي رَضِىَ الله عَنْهُ.
بسم الله الْرَّحْمَان الْرَّحِيْم
আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-ফকিহ
আল্লাহ তাঁর মর্যাদা দীর্ঘস্থায়ী করুন
এটির প্রতিলিপি মোকাবিলা করা হয়েছে এবং তা মূলের সাথে মিলেছে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং তাঁরই শুকরিয়া
[১৪১/ক] শরীফ, পবিত্র বিচারক, মিসরের নকীবুল নুকাaba (প্রধানদের প্রধান) আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আসআদ বিন আলী আল-হুসাইনী আল-মালিকী বংশলিপিকার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে যখন তিনি তা শ্রবণ করছিলেন এবং তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ্য রাখছিলেন, অতঃপর তিনি জামে আতিক-এ তা সত্যায়ন করেন। তিনি বলেন: শায়খ আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন রিফাআ বিন গাদীর আস-সাদি পাঁচশত তেতাল্লিশ হিজরি সালে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শায়খ আবু আল-হুসাইন আল-খিলায়ী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৫)
6- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز المعروف بابن النحاس، قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن بشر بن درهم البصري المعروف بابن الأعرابي، قراءةً عليه بمكة وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر بن منصور المخرمي البزاز قال: حَدَّثَنَا أبو مُحَمَّد سُفْيَان بن عُيَيْنَة الهلالي ، عن عاصم بن أبي النجود ، عن زر بن حبيش، قال: أتيت صفوان بن عسال المرادي، فقال: ما جاء بك؟ قلت: العلم، قال: فإن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضًا بما يطلب فقلت: حك في صدري المسح على الخفين بعد الغائط والبول وكنت امرأ من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيتك أسألك هل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئًا؟ فقال: نعم كان يأمرنا إذا كنا سفرًا أو مسافرين أن لا ننزع خفافنا ثلاثة أيام ولياليهن إلا من جنابة لكن من غائط وبول ونوم ، قلت: هل سمعته يذكر في الهوى شيئًا؟ قال: نعم بينما نحن في مسير إذ ناداه أعرابي بصوت له جهوري: يا مُحَمَّد فأجابه على نحو ذلك: هاؤم قلنا: ويحك اغضض من صوتك فإنك
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ আল-বাযযা, যিনি ইবনুন নাহহাস নামে পরিচিত। তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবন বিশর ইবন দিরহাম আল-বাসরী, যিনি ইবনুল আরাবী নামে পরিচিত। মক্কায় তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সা’দান ইবন নাসর ইবন মানসূর আল-মুখাররামী আল-বাযযা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ সুফইয়ান ইবন উয়ায়নাহ আল-হিলালী, তিনি আসিম ইবন আবিন নাজুূদ থেকে, তিনি যিরর ইবন হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সাফওয়ান ইবন আসসাল আল-মুরাদী-এর নিকট আসলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমার আসার কারণ কী?" আমি বললাম: "ইলম অর্জন করা।" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই ফেরেশতারা ইলম অন্বেষণকারীর জন্য তাদের ডানা বিছিয়ে দেয় তার অন্বেষণকৃত বিষয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে।" আমি বললাম: "পায়খানা ও প্রস্রাবের পর মোজার ওপর মাসেহ করার বিষয়টি আমার মনে খটকা তৈরি করেছে। আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সাহাবী ছিলেন, তাই আমি আপনার নিকট এটি জিজ্ঞেস করতে এসেছি যে, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ বিষয়ে কিছু শুনেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তিনি আমাদের নির্দেশ দিতেন যে, যখন আমরা সফরে বা মুসাফির অবস্থায় থাকতাম, তখন যেন আমরা বড় অপবিত্রতা (জানাবাত) ছাড়া পায়খানা, প্রস্রাব এবং ঘুমের কারণে তিন দিন ও তিন রাত আমাদের মোজা না খুলি।" আমি বললাম: "আপনি কি তাঁকে ভালোবাসা সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করতে শুনেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, আমরা এক সফরে থাকাকালীন এক গ্রাম্য ব্যক্তি উচ্চস্বরে তাঁকে ডাক দিল: হে মুহাম্মাদ! তিনিও তাকে অনুরূপ উচ্চস্বরে উত্তর দিলেন: আমি উপস্থিত! আমরা বললাম: তোমার মরণ হোক! তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করো, কারণ তুমি"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৬)
قد نهيت عن ذلك ،فقال: والله لا أغضض فقال: أرأيت [141/ب] رجلاً أحب قومًا فلم يلحق بهم قال: المرء مع من أحب ، قال: ثم لم يزل يحدثنا حتى قال: إن من قبل المغرب بابًا مسيرة عرضه أربعين سنة أو سبعين سنة فتحه الله للتوبة يوم خلق السماوات والأرض فلا يغلقه حتى تطلع الشمس منه.
7- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز ، قال: أَخْبَرَنَا أبو عمرو عثمان بن مُحَمَّد بن أَحْمَد بن هارون بن وردان السمرقندي من ساكني تنيس، قدم مصر، قراءةً عليه في شعبان سنة ثمان وثلاثين وثلاث مئة ، قال: حَدَّثَنَا أبو عبد المؤمن أَحْمَد بن شيبان الرملي ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن عاصم ، عن زر: أتيت صفوان بن عسال المرادي فقال: ما جاء بك؟ ، فقلت: ابتغاء العلم ، فقال: إن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضا بما يطلب ، قلت: حك في صدري، أو في نفسي المسح على الخفين وكنت امرأ من أصحاب الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم فأتيتك لأسألك هل سمعت في ذلك شيئًا؟ قال: نعم كان يأمرنا صلى الله عليه وسلم إذا كنا سفرًا لا ننزع خفافنا ثلاثة أيام ولياليهن من نوم أو غائط
আমাকে তা থেকে নিষেধ করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, আমি আমার কণ্ঠ নিচু করব না। তিনি বললেন: আপনি কি [১৪১/খ] এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলবেন যে কোনো সম্প্রদায়কে ভালোবাসে অথচ তাদের আমলের স্তরে পৌঁছাতে পারেনি? তিনি বললেন: মানুষ তার সাথেই থাকবে যাকে সে ভালোবাসে। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি আমাদের সাথে কথা বলতে থাকলেন, এমনকি তিনি বললেন: পশ্চিম দিকে একটি দরজা আছে যার প্রশস্ততা চল্লিশ বা সত্তর বছরের পথ। আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহ তাআলা তওবার জন্য সেটি উন্মুক্ত রেখেছেন। সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি তা বন্ধ করবেন না।
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-বাজ্জার। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন বিন ওয়ারদান আস-সামারকান্দি, যিনি তিন্নিসের বাসিন্দা ছিলেন এবং মিশরে এসেছিলেন। ৩৩৮ হিজরি সালের শাবান মাসে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল মুমিন আহমদ বিন শাইবান আল-রামলি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, আসিম থেকে, তিনি যির থেকে বর্ণনা করেন: আমি সাফওয়ান বিন আসসাল আল-মুরাদির নিকট আসলাম, তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কী উদ্দেশ্যে এসেছ? আমি বললাম: জ্ঞান অন্বেষণের জন্য। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ফেরেশতারা ইলম অন্বেষণকারীর কার্যে সন্তুষ্ট হয়ে তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়। আমি বললাম: চামড়ার মোজার ওপর মাসেহ করার ব্যাপারে আমার মনে বা অন্তরে সংশয় জেগেছে। যেহেতু আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী ছিলেন, তাই আমি আপনার কাছে এ বিষয়ে কিছু শুনেছেন কিনা তা জিজ্ঞাসা করতে এসেছি। তিনি বললেন: হ্যাঁ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিতেন যে, যখন আমরা সফরে থাকব, তখন ঘুম বা মলত্যাগের কারণে আমরা যেন তিন দিন ও তিন রাত আমাদের মোজা না খুলি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৭)
ولا بول إلا من جنابة ، قال: وبينا نسير معه في سفر إذ ناداه أعرابي بصوت له جهوري: يا مُحَمَّد يا مُحَمَّد فأجابه الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم كنحو من صوته: هاؤم، ثم قال الرجل: [المرء] يحب القوم ولما يلحق بهم قال: المرء مع من أحب قال: وبينا هو يحدثنا فقال: إن بالمغرب بابًا عرضه أربعون - أو قال: سبعون - سنة [142/أ] فتحه الله عز وجل للتوبة لا يغلقه حتى تطلع الشمس منه.
8- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي بمكة ، قال: حَدَّثَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر المخرمي ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن يزيد بن أبي زياد ، عن عبد الْرَّحْمَان بن أبي ليلى ، عن كعب بن عجرة، قلنا: يا رسول الله قد علمنا أو عُلِّمنا كيف نسلم عليك فكيف نصلي عليك؟ قال: قولوا: اللهم صل على مُحَمَّد وعلى آل مُحَمَّد كما صليت على إبراهيم وآل إبراهيم ، إنك حميد مجيد ، وبارك على مُحَمَّد وعلى آل مُحَمَّد ، كما باركت على إبراهيم ، إنك حميد مجيد ، قال ابن أبي ليلى: ونحن نقول: وعلينا معهم.
এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত কোনো পেশাব নেই। তিনি বললেন: আমরা এক সফরে তাঁর সাথে থাকাকালে এক বেদুইন তাকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকল: হে মুহাম্মদ, হে মুহাম্মদ! নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার স্বরের অনুরূপ আওয়াজে উত্তর দিলেন: আমি এখানে হাজির। এরপর লোকটি বলল: একজন মানুষ কোনো এক সম্প্রদায়কে ভালোবাসে অথচ সে তাদের স্তরে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি বললেন: মানুষ যাকে ভালোবাসে, সে তার সাথেই থাকবে। তিনি আরও বললেন: তিনি যখন আমাদের সাথে কথা বলছিলেন, তখন বললেন: পশ্চিমে একটি দরজা রয়েছে যার প্রশস্ততা চল্লিশ—বা তিনি বলেছেন সত্তর—বছরের পথ [১৪২/অ]। মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তা তাওবার জন্য উন্মুক্ত রেখেছেন, যে পর্যন্ত না সূর্য সেখান থেকে উদিত হবে, ততক্ষণ তিনি তা বন্ধ করবেন না।
৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযা্য। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মক্কায় আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনুল আরাবি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর আল-মুখাররামি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, ইয়াযিদ ইবনে আবি জিয়াদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জেনেছি বা আমাদের শেখানো হয়েছে কীভাবে আপনাকে সালাম দিতে হয়, তবে কীভাবে আপনার ওপর দরুদ পাঠ করব? তিনি বললেন: তোমরা বলো: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। আর আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিমের ওপর বরকত দান করেছেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। ইবনে আবি লায়লা বলেন: আর আমরা বলি: এবং তাদের সাথে আমাদের ওপরও (রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক)।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৮)
9- أخبرناه أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر البزاز ، قال: حَدَّثَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي ، قال: حَدَّثَنَا الْحَسَن بن مُحَمَّد بن الصباح الزعفراني ، قال: حَدَّثَنَا يحيى بن عبّاد ، وشبابة بن سوار ، وعفان بن مسلم - واللفظ ليحيى بن عبَّاد - قالوا: حَدَّثَنَا شُعْبَة ، عن الحكم ، عن عبد الْرَّحْمَان بن أبي ليلى ، قال: لقيني كعب بن عجرة فقال: ألا أهدي لك هدية ، قال: قلت: بلى، قال: فإن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم دخل علينا فقلنا: إنا قد عرفنا السلام عليك فكيف نصلي عليك؟ قال: قولوا: اللهم صل على مُحَمَّد وعلى آل مُحَمَّد كما صليت على إبراهيم إنك حميد مجيد اللهم بارك على مُحَمَّد وعلى آل مُحَمَّد كما باركت على إبراهيم إنك حميد مجيد.
10- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر البزاز ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي ،................
11-[1/ب] فقد أثقلتني فايتني لقد زغل منك ركعتين أحب إليَّ من الدنيا وما فيها إنكم تعلمون ولا تعلمون ونحن نعلم ولا نقدر أن نعمل.
৯- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর আল-বাজ্জায এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনুল আরাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ আল-জাফরানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদ, শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার এবং আফফান ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন — আর শব্দবিন্যাস ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদের — তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন হাকাম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কা’ব ইবনে উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন: “আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না?” তিনি বলেন: আমি বললাম: “হ্যাঁ, অবশ্যই।” তিনি বললেন: একদা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন, তখন আমরা বললাম: “আমরা তো আপনার প্রতি সালাম দেওয়ার পদ্ধতি জেনেছি, কিন্তু আপনার ওপর কীভাবে দরুদ পাঠ করব?” তিনি বললেন: “তোমরা বলো: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীমের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীমের ওপর বরকত দান করেছিলেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।”
১০- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর আল-বাজ্জায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনুল আরাবী সংবাদ প্রদান করেছেন।
১১- [১/খ] নিশ্চয়ই তুমি আমাকে ভারাক্রান্ত করেছ, তাই তুমি আমার নিকট আসো। তোমার পক্ষ থেকে আদায়কৃত দুই রাকাত নামাজ আমার কাছে দুনিয়া এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও বেশি প্রিয়। তোমরা তো জানো কিন্তু আমল করো না, আর আমরা জানি কিন্তু আমল করার সামর্থ্য রাখি না।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ৯)
12- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد الإِشْبِيْلِي ، قال: حَدَّثَنَا أبو الفضل الْعَبَّاس بن مُحَمَّد بن نصر إملاءً ، قال: حَدَّثَنَا الْحَسَن بن علي بن زرعة، قال: حَدَّثَنَا عامر بن سيّار ، قال: أَخْبَرَنَا أبو معتمر ، عن أبي خازم ، عن عطاء بن يسار قال: ليس من بيت يُسكن إلا وملك الموت عليه السلام يتصفحه كل يوم خمس مرات.
13- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد إسماعيل بن عمرو بن إسماعيل الْمُقْرِىءُ ، قال: أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد الْحَسَن بن رشيق ، قال: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن إبراهيم الصغدي ، قال: حَدَّثَنَا الْعَبَّاس بن الوليد ، قال: حدثني أبي قال: سمعت الأوزاعي يقول: ما أكثر عبد ذكر الموت إلا كفاه اليسير.
14- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج ، قال: أَخْبَرَنَا علي بن يعقوب الهمذاني ، قال: حَدَّثَنَا أبو عبد الملك يعني: أَحْمَد بن إبراهيم ، قال: حَدَّثَنَا مدرك بن أبي سعد ، قال: حَدَّثَنَا يزيد بن عبيدة ، أنه كان يدعو: اللهم أحدث لنا خيرًا وأدمنا عليه ، وقدّم لنا خيرًا وأوردنا عليه.
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন নাসর শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আলী বিন জুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমির বিন সাইয়্যার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুতামির, তিনি আবু খাযিম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এমন কোনো বসবাসযোগ্য ঘর নেই যেখানে মৃত্যুর ফেরেশতা (আলাইহিস সালাম) প্রতিদিন পাঁচবার দৃষ্টিপাত করেন না।
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আমর বিন ইসমাইল আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন রাশিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আস-সুগদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আওযাঈকে বলতে শুনেছি: কোনো বান্দা যখন মৃত্যুকে অধিক স্মরণ করে, তখন অল্পই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন ইয়াকুব আল-হামদানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল মালিক অর্থাৎ আহমদ বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুদরিক বিন আবু সাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন উবাইদাহ যে, তিনি এই বলে দুআ করতেন: হে আল্লাহ! আমাদের জন্য কল্যাণের সূচনা করুন এবং আমাদের তাতে অবিচল রাখুন, এবং আমাদের জন্য কল্যাণকে অগ্রগামী করুন ও আমাদের সেখানে পৌঁছে দিন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১০)
15- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج الإِشْبِيْلِي ، قال: حَدَّثَنَا أبو الْحُسَيْن ثوابة بن أَحْمَد ابن عيسى الموصلي ، قال: حدثني علي بن إسحاق الغساني بطبرية ، قال: حَدَّثَنَا عبد الله بن الهيثم عن الأصمعي قال: رأيت جاريةً بالبصرة كأنها الشمس وهي تتكلم بكلام ما سمعت كلامًا أسبق إلى شيء منه ، ثم رفعت صوتها فقالت:
أنوح على دهرٍ مضى بقضاءه إذا العيش رطب والزمان مواتي
أبكي زمانًا صالحًا قد فقدته فقطع قلبي ذكره حسرات
فيا زمنًا عليَّ على رغم أهله إلا عدكما قد كنت مد سنوات
تمطا علينا الدهر في منن قوسه ففرقنا منه بسهم شتات
آخر الجزء الثاني ، والحمد لله حق حمده ، وصلى الله على مُحَمَّد خير خلقه وسلّم تسليمًا.
[3/أ] الجزء الثالث
من الفوائد المنتقاة الحسان الصحاح والغرائب
تخريج
أَحْمَد بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الشيرازي
رواية
القاضي الجليل
أبي الْحَسَن علي بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الفقيه الْخِلَعِي
[4/ب] الجزء الثالث من الْخِلَعِيات
১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন সাওয়াবাহ ইবনে আহমদ ইবনে ঈসা আল-মাওসিলি, তিনি বলেন: তাবারিয়্যাহতে আলী ইবনে ইসহাক আল-গাসসানি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল হায়সাম আমাদের নিকট আসমায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বসরায় এক কিশোরীকে দেখলাম যে দেখতে যেন সূর্যের মতো উজ্জ্বল ছিল। সে এমন বাকপটু ভাষায় কথা বলছিল যে আমি এর আগে এমন প্রাঞ্জল কথা আর শুনিনি। তারপর সে তার কণ্ঠস্বর উঁচু করে বলল:
আমি বিলাপ করি সেই অতিবাহিত যুগের জন্য যা আল্লাহর ফয়সালায় গত হয়েছে, যখন জীবন ছিল সজীব আর সময় ছিল অনুকূলে।
আমি সেই উত্তম সময়ের জন্য কাঁদি যা আমি হারিয়েছি, যার স্মৃতি আমার হৃদয়কে আক্ষেপ ও যন্ত্রণায় বিদীর্ণ করে দেয়।
হে সময়! সেখানের মানুষের অনীহা সত্ত্বেও তুমি কেন ফিরে আসো না, যেমনটি তুমি বিগত বছরগুলোতে ছিলে।
কাল বা সময় আমাদের ওপর তার ধনুকের ছিলা টেনে ধরেছে এবং বিচ্ছেদের তীর দিয়ে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
দ্বিতীয় খণ্ড সমাপ্ত। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর প্রাপ্য যেমনটি তাঁর প্রশংসার হক। আল্লাহর সৃষ্টিজগতের শ্রেষ্ঠ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর রহমত ও প্রচুর শান্তি বর্ষিত হোক।
[৩/ক] তৃতীয় খণ্ড
চয়নকৃত সুন্দর, সহীহ ও অভিনব সংকলন থেকে সংগৃহীত ফায়দা বা উপকারিতাসমূহ থেকে
তাখরীজ করেছেন:
আহমদ ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন আল-শিরাজি
বর্ণনায়:
মহান বিচারক
আবুল হাসান আলী ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন আল-ফকীহ আল-খিলায়ী
[৪/খ] আল-খিলায়ীয়াত-এর তৃতীয় খণ্ড
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১১)
أَخْبَرَنَا الشريف القاضي الطاهر نقيب النقباء بمصر أبو علي مُحَمَّد بن أسعد بن علي الْحُسَيْني المالكي النسابة قراءةً عليه وهو يسمع وينظر في أصله فأقر به بالجامع العتيق قال: أَخْبَرَنَا الشيخ أبو مُحَمَّد عبد الله بن رفاعة بن غدير السعدي، في سنة ثلاث وأربعين وخمس مئة، بقرأتي عليه قال، أَخْبَرَنَا أبو الْحَسَن علي بن الْحَسَن بن الْحُسَيْن الْخِلَعِي، رَضِىَ الله عَنْهُ، قال:
بسم الله الْرَّحْمَان الْرَّحِيْم
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মিশরের প্রধান নকিব শরিফ কাজি আত-তাহির আবু আলি মুহাম্মদ ইবনে আসআদ ইবনে আলি আল-হুসাইনি আল-মালিকি বংশতত্ত্ববিদ; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় তিনি তা শুনছিলেন এবং এর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ্য রাখছিলেন, অতঃপর তিনি জামে আতিক মসজিদে এটি সত্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে রিফাআহ ইবনে গাদির আস-সাদি, পাঁচশত তেতাল্লিশ হিজরি সালে, তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন আল-খিলায়ি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন)। তিনি বলেন:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১২)
16- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد الشاهد المعروف بابن النحاس، قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن بشر بن درهم البصري المعروف بابن الأعرابي، قراءةً عليه بمكة وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر بن منصور المخرمي ، قال: حَدَّثَنَا أبو مُحَمَّد سُفْيَان بن عُيَيْنَة الهلالي ، عن أبي حازمٍ ، سمع سهل بن سعد الساعدي وهو من أصحاب الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم يقول: وقع بين الأوس والخزرج كلام فتناول بعضهم بعضًا فأُتى الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم، فأخبر فأتاهم، فاحتبس، فأذن بلال، واحتبس الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم فلما احتبس أقام الْصَّلَاة، فتقدم أبو بكر يؤم الناس، وجاء الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم من مجيئة ذلك، قال: فتخلل الناس حتى انتهى إلى الصف الذي يلي أبا بكر، فصفق الناس، وكان أبو بكر لا يلتفت في الْصَّلَاة، فلما سمع التصفيق التفت فإذا الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم، فأشار إليه الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم أن أثبت مكانك فرفع أبو
১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আশ-শাহিদ, যিনি ইবনুন নাহহাস নামে পরিচিত; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনে দিরহাম আল-বাসরি, যিনি ইবনুল আরাবি নামে পরিচিত; মক্কায় তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মনসুর আল-মুখাররামি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আল-হিলালি, তিনি আবু হাজিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ইদিকে বলতে শুনেছেন—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: আউস ও খাযরাজ গোত্রের মধ্যে কিছু কথা কাটাকাটি হলো, এমনকি তারা একে অপরের প্রতি চড়াও হলো। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট খবর পৌঁছালে তিনি তাদের নিকট আসলেন। সেখানে তিনি আটকে গেলেন। এদিকে বিলাল আযান দিলেন, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখনও সেখানে অবস্থান করছিলেন। তিনি যখন আসতে বিলম্ব করলেন, তখন বিলাল নামাযের ইকামত দিলেন। আবু বকর মানুষের ইমামতি করার জন্য সামনে অগ্রসর হলেন। এর মধ্যেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি মানুষের কাতার চিরে সামনে অগ্রসর হলেন এবং আবু বকরের নিকটবর্তী কাতারে এসে দাঁড়ালেন। তখন লোকজন তালি দিতে শুরু করল। আবু বকর নামাযের মধ্যে এদিক-ওদিক তাকাতেন না; কিন্তু যখন তিনি তালি দেওয়ার আওয়াজ শুনলেন, তখন তিনি ফিরে তাকালেন এবং দেখলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত হয়েছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইশারা করলেন যে, তুমি নিজ স্থানেই স্থির থাকো। তখন আবু বকর তাঁর হাত উঠালেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بكر رأسه إلى السماء ونكص القهقري وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى بهم، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الْصَّلَاة قال: ما منعك أن تثبت؟ قال: ما كان الله ليرى ابن أبي قحافة بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: مالكم حين نابكم شيء في صلاتكم صفقتم إنما هذا للنساء من نابه شيء في صلاته فليقل سبحان الله.
17- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد النحاس ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد الأعرابي [5/أ] ، قال: حَدَّثَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، عن أبي سلمة ، عن أبي هُرَيْرَة، عن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم قال: التسبيح في الْصَّلَاة للرجال ، والتصفيق للنساء.
আবু বকর তাঁর মাথা আকাশের দিকে তুললেন এবং পিছু হটে আসলেন, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করলেন, তিনি বললেন: "তোমাকে নিজ স্থানে স্থির থাকতে কিসে বাধা দিল?" তিনি বললেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, ইবনে আবি কুহাফার এমন সাধ্য নেই।" আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমাদের কী হলো যে সালাতে কোনো বিষয়ের সম্মুখীন হলে তোমরা তালি দিলে? এটি তো কেবল মহিলাদের জন্য। সালাতে কারও কোনো বিষয়ের উদ্রেক হলে সে যেন 'সুবহানাল্লাহ' বলে।"
১৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে ওমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-আরাবি [৫/অ], তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, জুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: সালাতে তাসবীহ পাঠ করা পুরুষদের জন্য এবং তালি বাজানো মহিলাদের জন্য।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
18- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن النحاس ، أَخْبَرَنَا أبو الطاهر أَحْمَد بن مُحَمَّد بن عمرو المديني، سنة سبع وثلاثين وثلاث مئة ، حَدَّثَنَا يونس بن عبد الأعلى الصدفي ، حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، عن أبي سلمة ، عن أبي هُرَيْرَة ، عن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم، أنه قال: التسبيح للرجال ، والتصفيق للنساء.
19- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي ، قال: أَخْبَرَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، عن عُرْوَة ، عن عائشة قالت: كنا نساء من المؤمنات يصلين مع الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح متلفعات بمروطهن ثم يرجعن إلى أهليهن وما يعرفهن أحدٌ.
১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবনুন নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আমর আল-মাদিনী, তিনশ সাইত্রিশ হিজরী সনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবন আবদিল আলা আস-সাদাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবন উইয়াইনাহ, তিনি জুহরী হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "তাসবিহ পাঠ পুরুষদের জন্য এবং তালি দেওয়া নারীদের জন্য।"
১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবনুল আ’রাবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সা’দান ইবন নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবন উইয়াইনাহ, তিনি জুহরী হতে, তিনি উরওয়াহ হতে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "মুমিন নারীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নিজেদের চাদরে ভালোভাবে আবৃত হয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন। অতঃপর তারা যখন নিজ পরিবারে ফিরে যেতেন, তখন অন্ধকারের কারণে কেউ তাঁদের চিনতে পারত না।"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
20- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن النحاس ، قال: أَخْبَرَنَا أبو عمرو عثمان بن مُحَمَّد السمرقندي، قراءةً عليه ثمان وثلاثين وثلاث مئة ، قال: حَدَّثَنَا أبو عبد المؤمن أَحْمَد بن شيبان الرملي ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، عن عُرْوَة ، عن عائشة: كنا نساء المؤمنات يصلين مع الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم الصبح متلفعات بمروطهن ثم يرجعن إلى أهليهن وما يُعرفن من الغلس.
21- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج الإِشْبِيْلِي قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: أَخْبَرَنَا أبو بكر أَحْمَد بن عبيد بن أَحْمَد الصفَّار الحمصي، قراءةً عليه بمصر وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا موسى بن عيسى بن المنذر ، قال: حَدَّثَنَا أبو اليمان واسمه: الحكم بن نافع ، قال: أَخْبَرَنَا شعيب ، عن الْزُّهْرِي ، قال: أخبرني أبو سلمة، أن أبا هُرَيْرَة قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إذا أقيمت الْصَّلَاة فلا تأتوها تسعون، وأتوها تمشون ، وعليكم السكينة ، فما أدركتم منها فصلوا ، وما فاتكم فأتموا.
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনুন নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সামারকান্দি, তিনশত আটত্রিশ হিজরিতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল মুমিন আহমদ ইবনে শায়বান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবনে উয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন: মুমিন নারীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নিজেদের পশমি চাদর মুড়ি দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন; অতঃপর তাঁরা তাঁদের পরিবারের নিকট ফিরে যেতেন এবং অন্ধকারের কারণে তাঁদের চেনা যেত না।
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ আল-ইশবিলি, তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে উবাইদ ইবনে আহমদ আস-সাফফার আল-হিমসি, মিশরে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ঈসা ইবনুল মুনযির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ইয়ামান—তাঁর নাম হলো আল-হাকাম ইবনে নাফি—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুয়াইব, যুহরি থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সালামাহ যে, আবু হুরায়রা বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা দৌড়ে সালাতে আসবে না, বরং হেঁটে হেঁটে আসবে এবং তোমাদের ওপর গাম্ভীর্য ও প্রশান্তি বজায় রাখা আবশ্যক; অতঃপর সালাতের যতটুকু অংশ তোমরা পাবে তা আদায় করবে এবং যা তোমাদের থেকে ছুটে যাবে তা পূর্ণ করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
22- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج ، قال: حدثناه مُحَمَّد بن زكريا النيسابوري إملاءً ، [5/ب] قال: حَدَّثَنَا أبو عبد الله الْحُسَيْن بن مُحَمَّد بن الضحاك ، قال: حَدَّثَنَا أبو مَرْوَان، يعني العثماني ، قال: حَدَّثَنَا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن ابن الْمُسَيَّب ، وأبي سلمة بن عبد الْرَّحْمَان ، عن أبي هُرَيْرَة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا أقيمت الْصَّلَاة فلا تأتوها تسعون ، وأتوها تمشون ، وعليكم السكينة ، فما أدركتم فصلوا وما فاتكم فأتموا.
23- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج ، قال: حَدَّثَنَا أبو الفضل الْعَبَّاس بن مُحَمَّد بن نصر الرافقي، إملاءً ، قال: حَدَّثَنَا سعد بن يحيى بن يزيد بن عبد الحميد ، قال: حَدَّثَنَا زهير بن حرب ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن معمر ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن عبد الله بن أبي قَتَادَة ، عن أبيه ، عن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم قال: إذا أقيمت الْصَّلَاة فلا تقوموا حتى تروني.
২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন যাকারিয়া আন-নাইসাবুরি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, [৫/খ] তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আদ-দাহহাক, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান, অর্থাৎ আল-উসমানি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন সাদ, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসাইয়্যিব এবং আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন দৌড়ে সালাতে আসবে না, বরং ধীরস্থিরতার সাথে হেঁটে আসবে। সালাতের যতটুকু অংশ তোমরা পাবে তা আদায় করবে এবং যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করবে।
২৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন নাসর আল-রাফিকি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াযিদ বিন আব্দুল হামিদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যুহাইর বিন হারব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, মা’মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি কাতাদা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
24- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج الإِشْبِيْلِي ، قال: أخبرناه أبو علي الْحَسَن بن مَرْوَان بن يحيى القيسراني البزاز، قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا إبراهيم بن معاوية، وعمرو بن ثور: قالا: حَدَّثَنَا الفريابي واسمه: مُحَمَّد بن يوسف قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان ، عن معمر ، عن يحيى بن أبي كثير ، عن عبد الله بن أبي قَتَادَة، عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إذا أقيمت الْصَّلَاة فلا تقوموا حتى تروني.
25- أَخْبَرَنَا أبو سعد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن أَحْمَد الماليني ، قال: أَخْبَرَنَا أبو بكر أَحْمَد بن جعفر بن حمدان بن مالك الحنبلي ، قال: حَدَّثَنَا عبد الله بن أَحْمَد بن حنبل، قال: حدثني أبي ، قال: حَدَّثَنَا عفان قال: حَدَّثَنَا شُعْبَة ، عن ورقاء ، عن عمرو بن دينار، عن عطاء بن يسار ، عن أبي هُرَيْرَة ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا أقيمت الْصَّلَاة فلا صلاة إلاّ المكتوبة. [6/أ]
২৪- আবু আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ আল-ইশবিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান বিন মারওয়ান বিন ইয়াহইয়া আল-কায়সারানি আল-বাজ্জাজ এটি পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন মুআউইয়াহ এবং আমর বিন সাওক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেন: আল-ফিরইয়াবি—যার নাম মুহাম্মদ বিন ইউসুফ—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত দাঁড়াবে না।
২৫- আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মালিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-হাম্বলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা (আহমদ বিন হাম্বল) আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আফফান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শুবা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ওয়ারকা থেকে, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন ফরজ সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই। [৬/ক]
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
26- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن بشر بن الأعرابي بمكة ، قال: أَخْبَرَنَا أبو عثمان سعدان بن نصر بن منصور المخرمي ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، عن سالم ، عن أبيه ، قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا افتتح الْصَّلَاة رفع يديه حتى يحاذي منكبيه ، وإذا أراد أن يركع، وبعد ما يرفع من الركوع، ولا يرفع بين السجدتين.
27- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن مُحَمَّد بن النحاس ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي ، قال: حَدَّثَنَا سعدان بن نصر ، قال: حَدَّثَنَا أبو بدر شجاع بن الوليد ، قال: حَدَّثَنَا زهير بن معاوية ، عن أبي إسحاق ، عن عبد الْرَّحْمَان بن الأسود ، عن أبيه ، عن علقمة ، عن عبد الله قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي في كل رفع ووضع وقيام وقعود وتسليم عن يمينه وعن شماله حتى أرى بياض خديه كلتيهما ، ورأيت أبا بكر، وعمر يفعلان ذلك.
২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জায, তাঁর সামনে পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনুল আরাবী মক্কায়, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আল-মুখাররামী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন; এবং যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময়ও (হাত উঠাতেন); তবে দুই সিজদার মাঝে তিনি হাত উঠাতেন না।
২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ ইবনুল আরাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বদর শুজা ইবনুল ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলকামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রতিটি উঠা, নামা, দাঁড়ানো এবং বসার সময় তাকবির পাঠ করতে দেখেছি এবং তাঁর ডানে ও বামে সালাম ফিরাতে দেখেছি, এমনকি আমি তাঁর উভয় গালের শুভ্রতা দেখতে পেতাম; আর আমি আবু বকর ও উমরকেও অনুরূপ করতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
28- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج الإِشْبِيْلِي قال: أَخْبَرَنَا أبو الفضل مُحَمَّد بن عبد الْرَّحْمَان بن عبد الله بن الحارث الرملي ، قال: حَدَّثَنَا أبو الفضل الْعَبَّاس بن الفضل بن يونس الأسفاطي بمكة ، قال: حَدَّثَنَا أَحْمَد بن يونس ، قال: حَدَّثَنَا زائدة ، عن أبي إسحاق ، عن أبي الأحوص ، عن عبد الله قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلم عن يمينه وعن شماله حتى يرى بياض وجهه: السلام عليكم ورحمة الله.
29- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز ، قال: أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي ، قال: حَدَّثَنَا سعدان بن نصر ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن عثمان بن أبي سليمان ، ومُحَمَّد بن عجلان، عن عامر بن عبد الله بن الزبير ، عن عمرو بن سليم الزرقي ، يذكر أبا قَتَادَة أن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم قال: إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس. [6/ب]
২৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ আল-ইশবিলি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস আল-রামলি, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আল-আব্বাস বিন আল-ফজল বিন ইউনুস আল-আসফাতি মক্কায়, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইউনুস, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাইদাহ, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডানে এবং বামে সালাম ফিরাতেন এমনকি তাঁর চেহারার শুভ্রতা দেখা যেত: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
২৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-বাজজাজ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জিয়াদ বিন আল-আরাবি, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সা'দান বিন নাসর, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, উসমান বিন আবু সুলাইমান এবং মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে, তাঁরা আমির বিন আবদুল্লাহ বিন আল-জুবায়ের থেকে, তিনি আমর বিন সুলাইম আল-জুরাকি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি আবু কাতাদা থেকে উল্লেখ করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন সে যেন বসার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করে। [৬/খ]
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২০)
30- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج ، قال: أَخْبَرَنَا أبو بكر أَحْمَد بن جعفر بن حمدان السقطي، قراءةً عليه بالبصرة وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا الْحَسَن بن المثنى ، قال: حَدَّثَنَا عفان ، قال: حَدَّثَنَا شُعْبَة ، قال: أَخْبَرَنَا مُحَمَّد بن زياد ، سمع أبا هُرَيْرَة ، عن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم قال: ما يخشى أحدكم إذا رفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار أو صورته صورة حمار.
31- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج ، قال: أخبرناه أبوعلي مُحَمَّد بن هارون بن شعيب الأنصاري بدمشق، قراءة عليه، وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا يحيى بن أيوب العلاف ، قال: حَدَّثَنَا يوسف بن عدي ، قال: حَدَّثَنَا معتمر بن سليمان، عن زيد بن حبان، عن مسعر بن كدام.
৩০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান আস-সাকতি, বসরায় তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আল-মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আফফান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ কি ভয় পায় না যে, যখন সে ইমামের আগে নিজের মাথা উঠাবে, আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় অথবা তার আকৃতিকে গাধার আকৃতিতে রূপান্তরিত করে দেবেন?
৩১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ, তিনি বলেন: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মাদ বিন হারুন বিন শুয়াইব আল-আনসারি দামেস্কে, তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব আল-আল্লাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুতামির বিন সুলাইমান, যায়েদ বিন হিব্বান থেকে, তিনি মিসআর বিন কিদাম থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২১)
وَأَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس، قال: وَأَخْبَرَنَا أبو بكر أَحْمَد بن عبد الله بن عمرو بن صفوان المعروف بابن أبي دجانة الدمشقي، قراءة عليه بالرملة، وأنا أسمع ، قال: حَدَّثَنَا الْحَسَن بن الفرج الغزي ، قال: حَدَّثَنَا يوسف بن عدي ، قال: حَدَّثَنَا معتمر بن سليمان، عن زيد بن حبان، عن مسعر، عن مُحَمَّد بن زياد، عن أبي هُرَيْرَة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أما يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار.
32- أخبرناه أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد بن النحاس ، قال: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن جعفر بن دران بن سليمان البغدادي غُندر، قال: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن الْحُسَيْن ، قال: حَدَّثَنَا أَحْمَد بن الفرات الأنصاري ، قال: حَدَّثَنَا خنيس بن يزيد بن بكر بن خنيس ، قال: حَدَّثَنَا بكر بن خنيس ، عن مُحَمَّد بن زياد ، عن أبي هُرَيْرَة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أما يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار.
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে সাফওয়ান, যিনি ইবনে আবি দুজানা আদ-দিমাশকি নামে পরিচিত, রামলাতে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান ইবনুল ফারাজ আল-গাজ্জি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ ইবনে আদি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুতামির ইবনে সুলাইমান, যায়েদ ইবনে হাব্বান থেকে, তিনি মিসআর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি ইমামের আগে তার মাথা উত্তোলন করে, সে কি ভয় পায় না যে আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দেবেন?
৩২- আমাদের এই সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনুন নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে দুররান ইবনে সুলাইমান আল-বাগদাদী গুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনুল ফুরাত আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন খুনাইস ইবনে ইয়াযীদ ইবনে বাকর ইবনে খুনাইস, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাকর ইবনে খুনাইস, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি ইমামের আগে তার মাথা উত্তোলন করে, সে কি ভয় পায় না যে আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দেবেন?
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২২)
33- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز ، قال: أَخْبَرَنَا أبو عمرو عثمان [7/أ] بن مُحَمَّد بن أَحْمَد بن مُحَمَّد بن هارون بن وردان السمرقندي، قدم مصر، قراءةً عليه وأنا أسمع سنة ثمانٍ وثلاثين وثلاث مئة ، قال: حَدَّثَنَا أبو عبد المؤمن أَحْمَد بن شيبان الرملي ، قال: حَدَّثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة ، عن الْزُّهْرِي ، سمع أنس بن مالك يقول: سقط الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم من فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا عليه نعوده فصلى بنا قاعدًا فصلينا قعودًا ، فلما قضى الْصَّلَاة قال: إنما جعل الإمام ليؤتم به ، فإذا كبّر فكبروا ، وإذا ركع فاركعوا ، وإذا قال: سمع الله لمن حمده قولوا: ربنا ولك الحمد فإذا سجد فاسجدوا ، وإذا صلى قاعدًا فصلوا قعودًا أجمعين.
৩৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান [৭/ক] ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে ওয়ারদান আস-সামারকান্দি—তিনি মিশরে আগমন করেছিলেন—৩৩৮ হিজরি সনে তাঁর উপস্থিতিতে পঠিত হওয়া অবস্থায় আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আবদিল মুমিন আহমাদ ইবনে শায়বান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, যুহরি থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন, ফলে তাঁর শরীরের ডান পাশ ছিলে গেল। অতঃপর আমরা তাঁকে দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও বসে সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেবল তাকে অনুসরণ করার জন্য; সুতরাং তিনি যখন তাকবির দেবেন, তখন তোমরাও তাকবির দাও; যখন তিনি রুকু করবেন, তখন তোমরাও রুকু করো; যখন তিনি বলবেন: "আল্লাহ তাঁর প্রশংসা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে", তখন তোমরা বলো: "হে আমাদের প্রতিপালক, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা"; যখন তিনি সিজদা করবেন, তখন তোমরাও সিজদা করো; আর যখন তিনি বসে সালাত আদায় করবেন, তখন তোমরা সবাই বসে সালাত আদায় করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
34- أخبرناه أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد البزاز ، فال: أَخْبَرَنَا أبو الطاهر أَحْمَد بن مُحَمَّد بن عمرو المديني ، قال: حَدَّثَنَا أبو موسى يونس بن عبد الأعلى الصدفي ، قال: حَدَّثَنَا عبد الله بن وهب ، قال: أخبرني يونس ، ومالك بن أنس، والليث بن سعد ، أن ابن شهاب أخبرهم قال: أخبرني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رَكِبَ فَرَساً فَصُرِعَ عَنْهُ فَجُحِشَ شِقّهُ اْلأَيْمَنُ فَصَلّى بنا صَلَاةً مِنَ الصّلَوَاتِ وَهُوَ جالسٌ، فَصَلّيْنَا معه جلوسًا فَلمّا انْصَرَفَ قال: إِنّمَا جُعِلَ اْلإِمَامُ لِيُؤْتَمّ بِهِ، فلا تختلفوا عليه ، فإِذَا صَلّى قَائْمًا فَصَلّوا قِيَامًا، وَإِذَا كبر فكبروا، وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا، وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا، وَإِذَا قال: سَمِعَ الله لِمَنْ حَمِدَهُ، فَقُولُوا: رَبّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، وَإِذَا سجدَ فاسجدوا وإذا صَلّى قاعدًا فَصَلّوا قعودًا أَجْمَعُونَ.
৩৪- আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে ওমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু মুসা ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আস-সাদাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইউনুস, মালিক ইবনে আনাস এবং লাইস ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আনাস ইবনে মালিক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন, অতঃপর তিনি তা থেকে পড়ে যান এবং তাঁর শরীরের ডান পাশ ছিলে যায়। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে নামাজসমূহের মধ্যে কোনো একটি নামাজ বসে আদায় করলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে বসে নামাজ পড়লাম। যখন তিনি নামাজ শেষ করলেন, তখন বললেন: ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেবল তাঁকে অনুসরণ করার জন্য, সুতরাং তোমরা তাঁর বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করো না। অতএব তিনি যখন দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বে; যখন তিনি তাকবীর দেবেন, তখন তোমরাও তাকবীর দেবে; যখন তিনি রুকু করবেন, তখন তোমরাও রুকু করবে; যখন তিনি রুকু থেকে মাথা উঠাবেন, তখন তোমরাও মাথা উঠাবে; যখন তিনি বলবেন 'আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রশংসা শুনেছেন যে তাঁর প্রশংসা করেছে', তখন তোমরা বলবে 'হে আমাদের রব, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা'; যখন তিনি সিজদা করবেন, তখন তোমরাও সিজদা করবে এবং যখন তিনি বসে নামাজ পড়বেন, তখন তোমরা সকলেই বসে নামাজ পড়বে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
35- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن سعيد المالكي الشاهد ، أخبرنا أبو الطاهر أَحْمَد بن مُحَمَّد بن عمرو المديني ، أَخْبَرَنَا يونس بن عبد الأعلى ، حَدَّثَنَا عبد الله بن وهب ، أَخْبَرَنَا مالك بن أنس ، عن ابن شهاب، عن سعيد بن الْمُسَيَّب ، عن أبي هُرَيْرَة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده بخمسة وعشرين جزءًا.
36- أَخْبَرَنَا أبو سعد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن أَحْمَد بن عبد الله الهروي الحافظ ، قال: حَدَّثَنَا أبو بكر أَحْمَد بن إبراهيم بن إسماعيل بن الْعَبَّاس قال: أخبرني [7/ب] أبو يحيى مُحَمَّد بن يحيى بن بيتان، قال: حَدَّثَنَا إبراهيم بن موسى الفراء قال: حَدَّثَنَا عيسى هو ابن يونس، عن إسماعيل، هو ابن أبي خالد، عن الحارث بن شبيل، عن أبي عمرو الشيباني، قال: قال لي زيد بن أرقم: إن كنا لنتكلم في الْصَّلَاة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، يكلم أحدنا صاحبه لحاجته، حتى نزلت: {حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالْصَّلَاة الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} [البقرة: 238] فأُمِرْنا بالسكوت.
35- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-মালিকি আশ-শাহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর আল-মাদিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস বিন আবদিল আ’লা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক বিন আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: জামাআতে সালাত তোমাদের কারো একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি শ্রেষ্ঠ।
36- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল-হারাউয়ি আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ইসমাইল বিন আল-আব্বাস, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন [7/খ] আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বাইতান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন মুসা আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা—যিনি ইবনে ইউনুস—ইসমাইল থেকে—যিনি ইবনে আবি খালিদ—আল-হারিস বিন শুবাইল থেকে, আবু আমর আশ-শাইবানি থেকে, তিনি বলেন: জায়েদ বিন আরকাম আমাকে বলেছেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে সালাতের মধ্যে কথা বলতাম, আমাদের কেউ তার সঙ্গীর সাথে প্রয়োজনে কথা বলত, যতক্ষণ না নাজিল হলো: {তোমরা সালাতসমূহের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী সালাতের এবং আল্লাহর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়াও} [আল-বাকারা: 238], অতঃপর আমাদের নীরব থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
37- أخبرنا أبو سعد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن أَحْمَد الماليني ، قال: حَدَّثَنَا أبو الْحَسَن مُحَمَّد بن الْحَسَن بن إسماعيل السراج، بنيسابور، قال: أخبرنا الْحَسَن بن المثنى بن معاذ بن معاذ العنبري ، قال: حَدَّثَنَا عفان بن مسلم ، قال: حَدَّثَنَا وهيب، عن موسى بن عقبة، قال: سمعت أبا النضر يحدث عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير، فصلى فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ليالي، حتى اجتمع الناس، ففقدوا صوته، فظنوا أنه قد نام، فجعلوا يتنحنحون ليخرج، فلما أصبح قال: ما ذاكم الذي رأيت من صنيعكم حتى خشيت أن يكتب عليكم قيام الليل، ولو كتب عليكم ما قمتم به، صلوا أيها الناس في بيوتكم، فإن أفضل صلاة المرء في بيته إلا المكتوبة.
৩৭- আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মালিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল আল-সাররাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন নিশাপুরে, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আল-মুসান্না বিন মুয়ায বিন মুয়ায আল-আনবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আফফান বিন মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহাইব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন উকবা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু আল-নাযরকে বুসর বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি জায়েদ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে চাটাই দিয়ে একটি কক্ষ তৈরি করেছিলেন। সেখানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক রাত সালাত আদায় করলেন, একপর্যায়ে লোকজন সেখানে একত্রিত হলো। এরপর তারা তাঁর কণ্ঠস্বর শুনতে পেল না, তখন তারা ধারণা করল যে তিনি হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছেন। ফলে তারা গলা খাঁকারি দিতে শুরু করল যাতে তিনি বেরিয়ে আসেন। যখন সকাল হলো তখন তিনি বললেন: "তোমাদের যা করতে দেখলাম তা দেখে আমি আশঙ্কা করছিলাম যে তোমাদের ওপর কিয়ামুল লাইল (রাতের সালাত) ফরয করে দেওয়া হতে পারে। আর যদি তা তোমাদের ওপর ফরয করা হতো তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না। হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের ঘরে সালাত আদায় করো, কেননা ফরয সালাত ব্যতীত মানুষের শ্রেষ্ঠ সালাত হলো তার নিজের ঘরে আদায় করা।"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
38- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد عبد الْرَّحْمَان بن عمر بن مُحَمَّد بن النحاس، قال: [8/أ] أَخْبَرَنَا أبو سعيد أَحْمَد بن مُحَمَّد بن زياد بن الأعرابي قال: حَدَّثَنَا الْحَسَن بن مُحَمَّد بن الصباح الزعفراني قال: حَدَّثَنَا سعيد بن زكريا المدائني، عن أبي الفيض سالم بن عبد الأعلى، قال: حَدَّثَنَا نافع، عن ابن عمر، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أشفق من الحاجة أن ينساها جعل في يده خيطًا ليذكره أو ليذكرها.
39- أَخْبَرَنَا أبو مُحَمَّد الْحَسَن بن مُحَمَّد بن رزيق الكوفي ، قال: حَدَّثَنَا إسماعيل بن يعقوب بن الجراب البغدادي إملاءً ، قال: حَدَّثَنَا إسحاق بن الْحَسَن الحرمي ، قال: حَدَّثَنَا أبو نعيم، وهو الفضل بن دكين ، قال: حَدَّثَنَا أبو معاوية عمرو بن عبد الله النخعي ، قال: حَدَّثَنَا أبو عمرو الشيباني ، قال حَدَّثَنَا صاحب هذه الدار وأشار إلى عبد الله بن مسعود قال: سألت الْنَّبِي صلى الله عليه وسلم: أي الأعمال أفضل عند الله عز وجل؟ قال: الْصَّلَاة على ميقاتها ، قلت: ثم أي؟ قال: بر الوالدين ، قلت: ثم أي؟ قال: أن يسلم المسلمون من لسانك.
৩৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন আন-নাহহাস, তিনি বলেন: [৮/ক] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবনুল আরাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবনাস সাব্বাহ আয-যাফরানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন যাকারিয়া আল-মাদায়িনী, তিনি আবু আল-ফায়য সালিম ইবন আবদিল আ'লা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন নাফে‘, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো প্রয়োজনীয় বিষয়ের ব্যাপারে আশঙ্কা করতেন যে তিনি তা ভুলে যেতে পারেন, তখন তিনি তা স্মরণ করার জন্য বা তা তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য নিজের হাতে একটি সুতা বেঁধে রাখতেন।
৩৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবন রুযায়াক আল-কুফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবন ইয়াকুব ইবনুল জাররাব আল-বাগদাদি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনুল হাসান আল-হারামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম—যিনি হলেন আল-ফাদল ইবন দুকাইন—তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া আমর ইবন আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আমর আশ-শায়বানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এই গৃহের মালিক হাদীস বর্ণনা করেছেন—এই বলে তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদের দিকে ইঙ্গিত করলেন—তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর নিকট কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করা। আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: পিতামাতার প্রতি সদাচরণ। আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: তোমার জিহ্বা (বা কথা) থেকে যেন মুসলমানরা নিরাপদ থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
40- أَخْبَرَنَا أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج الإِشْبِيْلِي قال: أَخْبَرَنَا القاضي أبو جعفر أَحْمَد بن إسحاق بن يزيد الحلبي قراءةً عليه بالرملة ، قال: حَدَّثَنَا أَحْمَد بن خليد هو ابن عبد الله بن يزيد الحلبي ، قال: حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن معاوية النيسابوري ، قال: حَدَّثَنَا الوليد بن بكير ، عن علي بن زيد بن جدعان ، عن سعيد بن الْمُسَيَّب ، عن جابر بن عبد الله، قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: أيها الناس! توبوا إلى الله قبل أن تموتوا ، وصلوا الذي بينكم وبين ربكم بكثرة الصوم والْصَّلَاة تؤجروا وتجبروا وترزقوا وتنصروا ، واعلموا أن الله عز وجل قد افترض عليكم الجمعة في يومي هذا في شهري هذا في بلدي هذا إلى يوم القيامة ، فمن تركها [8/ب] جحودًا بها واستخفافًا بحقها فلا جمع الله له شمله ولا بارك له في أمره ، ألا ولا جهاد له ، ألا ولا صلاة له ، ألا ولا بر له ، ألا ولا حج له ، ألا ولا تؤمن امرأة رجلاً ، ولا يؤمن أعرابي مهاجرًا ، ولا يؤمن فاجرًا إلا أن يقهره بسيفه.
৪০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাজী আবু জাফর আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াজিদ আল-হালাবি রামলায় তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে খুলাইদ, তিনি হলেন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-হালাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুয়াবিয়া আন-নাইসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে বুকাইর, তিনি আলী ইবনে যাইদ ইবনে জুদআন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: হে লোকসকল! তোমরা মৃত্যু আসার আগে আল্লাহর নিকট তওবা করো। আর অধিক রোজা ও সালাতের মাধ্যমে তোমাদের ও তোমাদের রবের মধ্যবর্তী সম্পর্ককে সুদৃঢ় করো; তাহলে তোমরা প্রতিদান লাভ করবে, তোমাদের ক্ষতিপূরণ করা হবে, তোমরা রিজিকপ্রাপ্ত হবে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। জেনে রেখো যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদের ওপর জুমুআহ ফরজ করেছেন—আমার এই দিনে, আমার এই মাসে এবং আমার এই জনপদে, কিয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য। অতএব, যে ব্যক্তি একে [৮/খ] অস্বীকার করে বা এর হককে অবজ্ঞা করে এটি বর্জন করবে, আল্লাহ যেন তার বিক্ষিপ্ত অবস্থাকে একত্রিত না করেন এবং তার কোনো কাজে বরকত না দেন। সাবধান! তার কোনো জিহাদ নেই; সাবধান! তার কোনো সালাত নেই; সাবধান! তার কোনো নেক আমল নেই; সাবধান! তার কোনো হজ নেই। আর কোনো নারী যেন কোনো পুরুষের ইমামতি না করে, কোনো মরুবাসী বেদুঈন যেন কোনো মুহাজিরের ইমামতি না করে এবং কোনো পাপিষ্ঠ ব্যক্তি যেন ইমামতি না করে—যদি না সে তাকে তার তরবারি দ্বারা বাধ্য করে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান লিল খালাঈ (আল-খালাঈয়াত) রিওয়ায়াতুস সাদী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
41- قال لنا أبو الْعَبَّاس: قال لنا أبو حعفر: قال أبو عبد الله أَحْمَد بن خليد: قال مُحَمَّد بن معاوية النيسابوري: حدثني عبد الله بن المبارك وحفص بن غياث بهذا الحديث، بهذا الإسناد.
42- أخبرناه أبو الْعَبَّاس أَحْمَد بن مُحَمَّد بن الحاج المعدل ، قال: أخبرناه أبو القاسم بكير بن الْحَسَن بن عبد الله بن سلمة الرازي، قراءةً عليه وأنا أسمع ، قال: أَخْبَرَنَا يوسف بن يزيد وهو أبو يزيد القراطيسي ، قال: حَدَّثَنَا أسد بن موسى ، قال: حَدَّثَنَا فضيل بن مرزوق، عن الوليد بن بكير ، عن عبد الله بن مُحَمَّد العدوي البصري ، عن علي بن زيد ، عن سعيد بن الْمُسَيَّب ، عن جابر بن عبد الله قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على منبره: أيها الناس! توبوا إلى الله قبل أن تموتوا ، وبادروا بالأعمال الصالحة ، وصلوا الذي بينكم وبين ربكم بكثرة ذكركم له، وبكثرة الصدقة في السر والعلانية تؤجروا وتنصروا وترزقوا ، واعلموا أن الله افترض عليكم الجمعة فريضة مكتوبة في مقامي هذا في يومي هذا في شهري هذا في عامي هذا إلى يوم القيامة على من وجد إليها سبيلاً، فمن تركها في حياتي أو بعدي جحودًا بها واستخفافًا بها وله
৪১- আবুল আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন খুল্যাইদ বলেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুয়াবিয়া আন-নিসাবুরি বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন মুবারাক এবং হাফস বিন গিয়াস আমাকে এই হাদিসটি এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
৪২- আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম বুকাইর বিন আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ আর-রাজি আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: ইউসুফ বিন ইয়াজিদ—যিনি আবু ইয়াজিদ আল-কারাতিসি—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আসাদ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফুদাইল বিন মারজুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওলীদ বিন বুকাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আদাবি আল-বাসরি থেকে, তিনি আলী বিন যাইদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: হে লোকসকল! তোমরা মৃত্যুর আগেই আল্লাহর কাছে তাওবা করো এবং নেক আমলের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও। তোমরা অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে অধিক সদকা করার মাধ্যমে তোমাদের ও তোমাদের রবের মাঝখানের সম্পর্ককে জুড়ে দাও, তাহলে তোমরা পুরস্কৃত হবে, সাহায্যপ্রাপ্ত হবে এবং তোমাদের রিজিক দেওয়া হবে। জেনে রেখো, আল্লাহ তোমাদের ওপর জুমাকে ফরজ করেছেন—আমার এই স্থানে, এই দিনে, এই মাসে, আমার এই বছরে কিয়ামত পর্যন্ত—সেই ব্যক্তির ওপর যে এর সামর্থ্য রাখে। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার জীবদ্দশায় বা আমার পরে অস্বীকার করে কিংবা একে তুচ্ছ মনে করে তা বর্জন করবে এবং তার...