(খণ্ড: ১)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: -)
بلوغ الأماني بتراجم شيوخ أبي الشيخ الأصبهاني القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: بلوغ الأماني بتراجم شيوخ أبي الشيخ الأصبهاني
المؤلف: أبو الطيب نايف بن صلاح بن علي المنصوري
راجعه ولخص أحكامه وقدم له: أبو الحسن السليماني
تقديم: بدر بن عبد الله البدر
الناشر: دار العاصمة للنشر والتوزيع، السعودية
الطبعة: الأولى، 1433 هـ - 2012 مـ
عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 3 ربيع الآخر 1444
আবুশ শাইখ আল-আসবেহানির শায়খদের জীবনী বর্ণনায় আকাঙ্ক্ষা পূরণ বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
কিতাব: আবুশ শাইখ আল-আসবেহানির শায়খদের জীবনী বর্ণনায় আকাঙ্ক্ষা পূরণ
লেখক: আবু তাইয়্যিব নায়েফ বিন সালাহ বিন আলী আল-মানসুরি
পর্যালোচনা, বিধানের সারসংক্ষেপ ও ভূমিকা: আবুল হাসান আস-সুলাইমানি
ভূমিকা: বদর বিন আবদুল্লাহ আল-বদর
প্রকাশক: দারুল আসিমাহ প্রকাশনা ও বিতরণ, সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৩ হিজরি - ২০১২ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক ক্রমিক নম্বরসহ)
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৩ রবিউস সানি ১৪৪৪
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥)
تقديم فضيلة الشيخ بَدْر بن عَبْد الله البَدْربسم الله الرحمن الرحيم
الحمد للّه رب العالمين، والصلاة والسلام الأتمان على خاتم المرسلين محمد بن عبد اللّه الأمين، وعلى آله وصحبه أجمعين، ومن تبع هداهم إلى يوم الدين.
وبعد:
فقد طلب مني الأخ الفاضل نايف بن صلاح المنصوري -وفقه الله- أن أبدي وجهة نظري في سلسلته التي أعدها وهي "تقريب رواة السنة بين يدي الأمة"، وذلك بعد أن أهدى إليَّ مشكورًا العدد الأول منها، وهو: "إرشاد القاصي والداني إلى تراجم شيوخ الطبراني". وكذا العدد الثاني منها وهو "الدليل المغني لتراجم شيوخ الإمام أبي الحسن الدَّارقطني"، فرأيته قد أجاد فيهما -وفقه الله- في ذكر مشايخ الإمامين الطَّبراني والدَّارقُطْني، فقد ترجم لكل شيخ منهم بذكر اسمه كاملًا مع ذكر مشايخه وتلاميذه، وذكر من وثقه أو ضعفه، وذلك إن وجد ذلك التوثيق أو التضعيف، وكذا المصادر التي ترجمت له، أو ذكرت رواية له، أو موضع رواية في أحد مصنفات الإمامين المذكورين.
وهذا العمل -في رأيي- لا يقدره إلا من كابد البحث في تراجم الرواة، فكم من راوٍ بذل فيه البحث في ترجمة فلم توجد، وذلك بسبب تحريف ذكر في اسمه أو اسم أبيه أو غيرهما، أو ذكر أبوه بكنيته، وكذا إن نسب إلى جده، أو ممن فوق، أو قُدِّم اسم أبيه على اسمه، فهذا وأمثاله لا يهتدي إليه إلا بعد وقت ليس بالقليل.
وقد تيسر لباحثنا العثور على تراجمهم -بفضل الله- ثم بجهده، مع التنبيه على أن بعض التراجم قد تيسر العثور عليها بعد طباعة بعض الكتب لم تكن متيسرة
বিশিষ্ট শাইখ বদর বিন আব্দুল্লাহ আল-বদরের ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং পূর্ণাঙ্গ সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের মোহর (সর্বশেষ নবী) বিশ্বস্ত মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহর ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর এবং যারা কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাঁদের প্রদর্শিত হেদায়াতের অনুসরণ করবে তাদের ওপর।
অত:পর:
সম্মানিত ভাই নায়েফ বিন সালাহ আল-মানসুরি —আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন— আমার কাছে অনুরোধ করেছেন তার প্রস্তুতকৃত গ্রন্থাবলি "তাকরীবু রুওয়াতিল সুন্নাহ বাইনা ইয়াদায়িল উম্মাহ" (উম্মাহর সামনে সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের উপস্থাপন) সম্পর্কে আমার মতামত ব্যক্ত করতে। তিনি অনুগ্রহ করে আমাকে এর প্রথম খণ্ডটি উপহার দিয়েছেন, যার শিরোনাম: "ইরশাদুল কাসি ওয়াদ দানি ইলা তারাজিমি শুয়ুখিত তাবারানি" (তাবারানির শাইখদের জীবনীর বিষয়ে দূরবর্তী ও নিকটবর্তীদের জন্য নির্দেশনা)। একইভাবে এর দ্বিতীয় খণ্ডটিও তিনি দিয়েছেন যার শিরোনাম: "আদ-দালিলুল মুগনি লি-তারাজিমি শুয়ুখিল ইমাম আবিল হাসান আদ-দারাকুতনি" (ইমাম আবুল হাসান আদ-দারাকুতনির শাইখদের জীবনীর পর্যাপ্ত প্রমাণাদি)। আমি দেখেছি যে, তিনি ইমাম তাবারানি ও ইমাম আদ-দারাকুতনির শাইখদের বর্ণনায় অত্যন্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন —আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন। তিনি তাদের প্রত্যেকের পূর্ণ নাম উল্লেখ করে জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং সেই সাথে তাদের শাইখ ও ছাত্রদের নামও উল্লেখ করেছেন। যদি উক্ত রাবি সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্যতা (তাওসিক) বা দুর্বলতা (তাদয়িফ) সংক্রান্ত মন্তব্য পাওয়া যায়, তবে তাও উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি ওই সকল উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন যেখানে তাদের জীবনী বর্ণিত হয়েছে অথবা তাদের কোনো বর্ণনার কথা কিংবা উল্লিখিত দুই ইমামের কোনো গ্রন্থে তাদের বর্ণনার স্থান নির্দেশ করা হয়েছে।
আমার মতে, এই কাজের গুরুত্ব কেবল তারাই উপলব্ধি করতে পারবেন যারা বর্ণনাকারীদের জীবনী অনুসন্ধানে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। কারণ কত এমন বর্ণনাকারী আছেন যাদের জীবনী খোঁজার জন্য প্রচুর প্রচেষ্টা ব্যয় করা হয়েছে কিন্তু তা পাওয়া যায়নি; আর এর কারণ ছিল তাদের নাম বা পিতার নাম অথবা অন্য কিছুতে কোনো বিকৃতি (তাহরিফ) থাকা, অথবা পিতার নাম কেবল কুনিয়াতের (উপনাম) মাধ্যমে উল্লেখ করা। তেমনিভাবে কখনও কোনো রাবিকে তার দাদার দিকে বা তার ঊর্ধ্বতন কারোর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, অথবা পিতার নাম তার নিজের নামের আগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই জাতীয় জটিলতাগুলো কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টা ছাড়া সম্ভব নয়।
আল্লাহর অনুগ্রহে এবং পরবর্তীতে আমাদের এই গবেষকের প্রচেষ্টায় তাদের জীবনী খুঁজে পাওয়া সহজ হয়েছে। উল্লেখ্য যে, কিছু জীবনী এমন ছিল যা নির্দিষ্ট কিছু গ্রন্থ প্রকাশিত হওয়ার পর পাওয়া সহজ হয়েছে, যা ইতিপূর্বে সহজলভ্য ছিল না।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦)
لبعض الباحثين من قبل، وأشهرها "تاريخ الإسلام" للإمام الذهبي.
فهذا العمل الجليل حقيقة يُشكر عليه -جزاه الله خيرًا-، كما أرجو من الله العلي القدير أن يوفقه لإنجاز ما ذكره في مقدمته للكتابين المذكورين مثل "السلسبيل النقي في تراجم شيوخ البيهقي"، أو "الرَّوْض الباسم في تراجم شيوخ الحاكم"
(1)، وغيرها من المصنفات النافعة -إن شاء الله-.
ولقد عرض عليَّ كذلك جزءًا من عمله الذي بين يديك -أخي القارئ-، وهو "بلوغ الأماني إلى تراجم شيوخ أبي الشيخ الأصْبَهانِي"، فقد أرسل إليَّ مقدمة عمله فيه، وكذا تراجم من بدئ اسمه بحرف الألف، والقسم الأخير منه، وفيه تراجم من بدئ اسمه بحرف الياء.
فوجدته فيما عرض إليّ قد أجاد -حفظه الله- كسابق عمله في الكتابين اللذين أشرت إليهما، فأرجو من الله العلي القدير أن ينفع بكتابه هذا كما نفع بغيره، وكذا أن ينفع بما هو آتٍ في أعماله اللاحقة، وأن يجزيه عن الباحثين في هذا العلم خير الجزاء، وأن يتقبل الله منا ومنه يوم لا ينفع مال ولا بنون إلا من أتى الله بقلب سليم، وصلى الله على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه وسلم.
كتبه: بدر بن عبد الله البدر
في الثالث والعشرين من شهر رمضان
لسنة 1429 من هجرة المصطفى صلى الله عليه وسلم
الموافق للثالث والعشرين من شهر أيلول
لسنة 2008 من ميلاد عيسى عليه السلام
--------------------------------------------
ইতিপূর্বে কিছু গবেষকের পক্ষ থেকে, এবং এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো ইমাম যাহাবীর "তারিখুল ইসলাম"।
এই মহান কর্মটি প্রকৃতপক্ষে প্রশংসার দাবি রাখে -আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন-। তেমনিভাবে আমি মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে আশা করি যেন তিনি তাকে ঐ কাজগুলো সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেন যা তিনি উল্লেখিত বই দুটির ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন, যেমন "আস-সালসাবিলুন নাকি ফি তারাজিমি শুয়ুখিল বায়হাকি", অথবা "আর-রাওদুল বাসিম ফি তারাজিমি শুয়ুখিল হাকিম"
(১), এবং অন্যান্য কল্যাণকর রচনাগুলো -ইনশাআল্লাহ-।
তদ্রূপ তিনি তার সেই কাজের একটি অংশ আমার কাছে উপস্থাপন করেছেন যা বর্তমানে আপনার হাতে রয়েছে -হে পাঠক ভাই-। সেটি হলো "বুলুগুল আমানি ইলা তারাজিমি শুয়ুখি আবিল শাইখ আল-আস বাহানি"। তিনি আমার কাছে এই কাজের ভূমিকা পাঠিয়েছিলেন, এবং যাদের নাম আলিফ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে তাদের জীবনী, আর এর শেষ অংশটি, যাতে যাদের নাম ইয়া বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে তাদের জীবনী রয়েছে।
তিনি আমার কাছে যা উপস্থাপন করেছেন তাতে আমি তাকে দক্ষ পেয়েছি -আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন- যেমনটি তিনি ইতিপূর্বে আমার উল্লেখিত বই দুটিতে দক্ষতা দেখিয়েছেন। আমি মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে আশা করি যেন তিনি এই কিতাব দ্বারা উপকার দান করেন যেমনটি তিনি অন্যদের দ্বারা করেছেন। তদ্রূপ তার পরবর্তী কাজগুলোতে যা আসতে যাচ্ছে সেগুলোর মাধ্যমেও যেন তিনি উপকার সাধন করেন। আর এই ইলমের গবেষকদের পক্ষ থেকে আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন। আল্লাহ আমাদের থেকে এবং তার থেকে সেদিন কবুল করুন যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না, কেবল সেই ব্যক্তি ছাড়া যে আল্লাহর নিকট প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে উপস্থিত হবে। এবং আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সকল সাহাবীদের ওপর।
লেখক: বদর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বদর
২৩শে রমজান
মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিজরতের ১৪২৯ সনে
যা ২৩শে সেপ্টেম্বরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের ২০০৮ সালে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٧)
تقديم فضيلة الشيخ أبي الحسن السليمانيبسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله وكفى، وسلام على عباده الذين اصطفى، أما بعد:
فهذا مولود مبارَك، وعطاء يتجدَّد من المجموعة الأولى الخاصة بالمشيخات من "سلسلة تقريب رواة السنة بين يدي الأمة" لأخينا المبارك المجتهد الدؤوب أبي الطيب نايف بن صلاح المنصوري -حفظه الله تعالى-.
وقد أَسْمى هذا الكتاب الماتع النافع بـ "بلوغ الأَماني بتراجم شيوخ أبي الشَّيْخ الأَصْبَهاني".
وقد تميز هذا العطاء بثوبه القشيب عما سبق من كتب هذه السلسلة المباركة بتوسُّع المؤلِّف في ذِكْر شيوخ وتلامذة الراوي المترجم له توسُّعًا يدل على طول نَفَسِه في البحث، -ولا أزكيه على الله تعالى- كما ذكر في ترجمة كل راوٍ الكتاب الذي أخرج فيه أبو الشَّيْخ الأَصْبَهاني حديث هذا الشَّيْخ المترجم له، وجَعَل لكل كتاب منها رمزًا ذكره في مقدمة كتابه هذا، ومن وقف عليه من شيوخ أبي الشَّيْخ خارج كتب أبي الشَّيْخ رمز له برمز (ن)، ولا شك أن من وقف على صفحات الكتاب الحافلة بأسماء تلامذة وشيوخ المترجمين لهم سيُدْرك -آنذاك- مدى الجُهْد الذي بذله المؤلف وفاء بشرطه هذا.
সম্মানিত শায়খ আবু আল-হাসান আস-সুলাইমানীর উপস্থাপনাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং তিনিই যথেষ্ট। আর শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর মনোনীত বান্দাদের ওপর। অতঃপর:
এটি একটি বরকতময় কাজ এবং আমাদের বরকতময়, পরিশ্রমী ও একনিষ্ঠ ভাই আবু আত-তয়্যিব নায়েফ বিন সালাহ আল-মানসুরী -আল্লাহ তাআলা তাকে হিফাজত করুন- এর "সিলসিলাতু তাকরিবি রুওয়াতিল সুন্নাহ বাইনা ইয়াদাইল উম্মাহ" (উম্মাহর সামনে সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের পরিচিতি সহজীকরণ করার ধারা) এর মাশায়িখ (শায়খদের তালিকা) সংক্রান্ত প্রথম সংকলন থেকে একটি নতুন অবদান।
তিনি এই চমৎকার ও উপকারী কিতাবটির নাম রেখেছেন "বুলুগুল আমানি বি-তরাজিম শুয়ুখ আবিশ শায়খ আল-আসবাহানি" (আবুশ শায়খ আল-আসবাহানীর উস্তাদদের জীবনী বর্ণনায় আকাঙ্ক্ষা পূরণ)।
এই বরকতময় ধারার পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর তুলনায় এই অবদানটি তার নতুন আঙ্গিকের কারণে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে। লেখক এতে যার জীবনী বর্ণিত হয়েছে সেই রাবীর উস্তাদ ও ছাত্রদের বর্ণনায় এমন প্রশস্ততা অবলম্বন করেছেন যা গবেষণায় তার গভীর ধৈর্য ও নিষ্ঠার পরিচয় দেয় -আমি আল্লাহর নিকট তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি না-। যেমন তিনি প্রত্যেক রাবীর জীবনীর অধীনে সেই কিতাবের কথা উল্লেখ করেছেন যাতে আবুশ শায়খ আল-আসবাহানী উক্ত রাবীর হাদিস বর্ণনা করেছেন। লেখক এগুলোর প্রতিটি কিতাবের জন্য একটি করে সংকেত চিহ্ন নির্ধারণ করেছেন যা তিনি তার এই কিতাবের ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন। আর আবুশ শায়খের উস্তাদদের মধ্যে যাদেরকে তিনি আবুশ শায়খের কিতাবসমূহের বাইরে পেয়েছেন, তাদের জন্য (ন) সংকেত ব্যবহার করেছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যারা কিতাবটির পৃষ্ঠাগুলোতে জীবনীকারদের ছাত্র ও উস্তাদদের নামের প্রাচুর্য দেখবেন, তারা বুঝতে পারবেন লেখক তার এই শর্ত পূরণে কতটুকু পরিশ্রম করেছেন।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٨)
هذا وقد سَبَق أن طبع للمؤلف من هذه السلسلة المباركة عدة مؤلفات انتفع بها طلاب العلم، وأثنى عليها عدد من المتخصصين في هذا الشأن، وفتحت تلك الكتب شهية طلبة العلم للباقي من هذه السلسلة، فهذه بُشرى أزفها للمتلهفين من أهل العلم وطلابه المدركين لقيمة هذا العمل، سائلًا المولى عز وجل أن ينفع به كا نفع بما سبق من نتاجٍ علمي، وأن يجعله حجابًا من عذاب الله وسخطه في الدارين للمؤلف وأهله وذريته، ولكاتب هذه الكلمات وأهله وذريته ووالديه ولقارئه وناشره وجميع المسلمين.
ومن الكتب التي سبقت طبعتها: "إرشاد القاصي والداني إلى تراجم شيوخ الطبراني"، و"الدليل المغني إلى تراجم شيوخ أبي الحسن الدارقطني"، و"الرّوْض الباسم في تراجم شيوخ الحاكم"، و "السلسبيل النقي في تراجم شيوخ البيهقي"، كما أن المؤلف -حفظه الله- يقوم حاليًا بجمع مشيخة الخطيب البَغْدادِي، وعلى مشارف الانتهاء من مشيخة أبي نُعَيم الأَصْبَهاني، وقد أسمى هذا العمل: "الفَتْح الرَّباني في تراجم شيوخ أبي نُعَيْم الأَصْبَهاني"، ومن طموحات المؤلف -وهو أهل لذلك- أن يقوم بمثل هذا الجهد في رجال المسانيد والأئمة الأربعة وغيرهم، بل ربما قام بذلك في المشاهير من الكتب الجامعة للرجال، فيضيف إليها ما لم يُذْكر فيها من كلام أئمة الجرح والتعديل، وكذا التلامذة والشيوخ، ولا يخفى ما في هذه الإضافات من تأثير على الراوي جرحًا أو تعديلًا، وكذا على الحكم بسماع الراوي من فلان أو عدمه، فلو أتم الله هذه المشاريع العلمية، وحقَّق للمؤلف طموحاته الحديثية؛ فستكون هذه الجهود خدمة جليلة للمكتبة الإسلامية: حديثًا وفقهًا، لما هو معلوم من أثر صحة الحديث وضعفه على الفقه والأحكام.
ইতিপূর্বে এই বরকতময় ধারাবাহিক থেকে লেখকের বেশ কিছু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, যা থেকে ইলম অন্বেষণকারীগণ উপকৃত হয়েছেন এবং এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞগণ সেগুলোর প্রশংসা করেছেন। ওই বইগুলো এই ধারাবাহিকের বাকি অংশগুলোর প্রতি ইলম অন্বেষণকারীদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। সুতরাং এটি এক সুসংবাদ যা আমি ইলম অন্বেষণকারী ও এই কাজের গুরুত্ব অনুধাবনকারীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। আমি মহান রব্বুল আলামীনের কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি এর মাধ্যমে মানুষকে উপকৃত করেন, যেভাবে তিনি পূর্ববর্তী ইলমী কাজগুলোর মাধ্যমে করেছেন। আর তিনি যেন একে লেখক ও তাঁর পরিবার-পরিজন ও বংশধরদের জন্য, এই শব্দমালার লেখকের জন্য ও তাঁর পরিবার, বংশধর ও পিতামাতার জন্য এবং এর পাঠক, প্রকাশক ও সকল মুসলিমের জন্য উভয় জগতে আল্লাহর আজাব ও অসন্তুষ্টি থেকে ঢাল স্বরূপ বানিয়ে দেন।
ইতোপূর্বে মুদ্রিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে: ‘আত-তাবারানির উস্তাদদের জীবনী বিষয়ে দূর ও নিকটের মানুষের জন্য দিকনির্দেশনা’, ‘আবু হাসান আদ-দারা কুতনির উস্তাদদের জীবনী বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রমাণ’, ‘আল-হাকিমের উস্তাদদের জীবনী বিষয়ে হাস্যোজ্জ্বল বাগান’ এবং ‘আল-বাইহাকির উস্তাদদের জীবনী বিষয়ে স্বচ্ছ প্রস্রবণ’। লেখক—আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন—বর্তমানে আল-খতিব আল-বাগদাদির উস্তাদদের তালিকা সংগ্রহের কাজ করছেন এবং আবু নুআইম আল-আসবাহানির উস্তাদদের তালিকা প্রস্তুত করার কাজ সম্পন্ন করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। তিনি এই কাজের নাম দিয়েছেন: ‘আবু নুআইম আল-আসবাহানির উস্তাদদের জীবনী বিষয়ে রব্বানি বিজয়’। লেখকের আকাঙ্ক্ষা—এবং তিনি এর যোগ্যও বটে—মুসনাদ গ্রন্থসমূহের বর্ণনাকারী, চার ইমাম এবং অন্যদের ক্ষেত্রেও অনুরূপ প্রচেষ্টা চালানো। এমনকি সম্ভবত তিনি বর্ণনাকারীদের জীবনী বিষয়ক প্রসিদ্ধ সংকলনগুলোতেও এমন কাজ করবেন, যেখানে তিনি জারহ ও তা’দিলের (সমালোচনা ও প্রশংসা) ইমামদের এমন বক্তব্যগুলো যোগ করবেন যা সেখানে আগে উল্লেখ করা হয়নি, পাশাপাশি ছাত্র ও উস্তাদদের নামও যুক্ত করবেন। বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা বা অনির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণে এবং অমুকের কাছ থেকে বর্ণনাকারীর হাদিস শোনার বিষয়টি সাব্যস্ত হওয়া বা না হওয়ার ক্ষেত্রে এই সংযোজনগুলোর প্রভাব কারো অজানা নয়। আল্লাহ যদি এই ইলমী প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করার তৌফিক দেন এবং লেখকের হাদিস বিষয়ক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করেন, তবে এই প্রচেষ্টাগুলো হাদিস ও ফিকহ উভয় ক্ষেত্রেই ইসলামী লাইব্রেরির জন্য এক মহান খেদমত হিসেবে গণ্য হবে; কারণ ফিকহ ও আহকামের ক্ষেত্রে হাদিসের বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতার প্রভাব সর্বজনবিদিত।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٩)
وكالعادة: فقد قمتُ بمراجعة هذا الكتاب للمؤلف، ولخصتُ أقوال الأئمة في الراوي بحكم مختصر، يسْهل به على طالب العلم معرفة رتبة حديث الراوي قبولًا أو ردًا، وقد ذكرت في عدد من التراجم التي فيها التباس علة حكمي على الراوي بما حكمت به، وقد سبق أن ذكرت الفائدة من ذلك، وملخص ما سبق ذكره ما يلي:
1 - التسهيل على طلبة العلم في معرفة حال الراوي، ومن ثَمَّ درجة رواياته.
2 - الاعتذار لنفْسي عند من يخالفني من أهل العلم في الحكم على الراوي، فإن مجرد قول الملخِّص: فلان ثقة، أو صدوق، أو ضعيف، أو متروك، مع وجود أقوال لبعض الأئمة ظاهرها يخالف هذا التلخيص؛ فإن سياقة الحكم ملخصًا مجردًا عن بيان موقفي مما ظاهره مخالفتي يورث ريْبة وترددًا عند طالب العلم، فذكْر علة ما ذهبتُ إليه بيان لوجه ما رجحته.
3 - تدريب طلبة العلم على كيفية الجمع بين أقوال الأئمة التي ظاهرها التعارض، وهذا لعمر الحق من أهم ما يحتاج إليه طالب العلم، حتى لا يقوِّل الأئمة ما لم يقولوا به، ولا يصرف كلامهم عن وجهه.
4 - ذِكْر القاعدة الحديثية بمثالها الذي ذكر في بعض التراجم التي عللت فيها أحكامي يؤدي إلى فهم القاعدة على وجهها الصحيح، فبالمثال يتضح المقال.
5 - قد أفسِّر المراد من بعض الحكايات التي يسوقها بعض أئمة الجرح والتعديل، وأوضِّح المراد منها جرحًا أو تعديلًا، وذلك بعد ما رأيتُ كثيرًا من طلبة العلم لا يدركون مراد الأئمة من هذه الحكايات، ولا يسْبرون غَوْرهم في ذلك.
هذا وما من عمل إلا وفيه ما يشوبه عند صاحبه لو أعاد النظر فيه، فكيف إذا
প্রথা অনুযায়ী, আমি লেখকের এই বইটি পর্যালোচনা করেছি এবং বর্ণনাকারীর ব্যাপারে ইমামগণের বক্তব্যসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সারসংক্ষেপ করেছি, যার ফলে ইলম অন্বেষণকারীর জন্য বর্ণনাকারীর হাদিসের গ্রহণযোগ্যতা বা বর্জনীয়তার মান জানা সহজ হবে। আমি এমন কিছু জীবনীর ক্ষেত্রে যেখানে বিভ্রান্তির অবকাশ রয়েছে, বর্ণনাকারীর ওপর আমার প্রদত্ত সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ করেছি। ইতিপূর্বে আমি এর উপকারিতা বর্ণনা করেছি। যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে তার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:
১ - ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য বর্ণনাকারীর অবস্থা এবং ফলশ্রুতিতে তার বর্ণিত হাদিসের মান জানা সহজ করা।
২ - বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে আহলে ইলমদের মধ্যে যারা আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন, তাদের কাছে আমার অবস্থান স্পষ্ট করা। কেননা, কোনো সারসংক্ষেপকারীর কেবল এটুকু বলা যে: অমুক নির্ভরযোগ্য, বা সত্যবাদী, বা দুর্বল, অথবা পরিত্যক্ত, অথচ কিছু ইমামের এমন বক্তব্য বিদ্যমান যার বাহ্যিক দিক এই সারসংক্ষেপের বিপরীত— এমতাবস্থায় আমার অবস্থানের ব্যাখ্যা ব্যতীত কেবল সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত উল্লেখ করা ইলম অন্বেষণকারীর মনে সংশয় ও দ্বিধার সৃষ্টি করবে। তাই আমি যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি তার কারণ উল্লেখ করা মূলত আমার নিকট যা অগ্রগণ্য তার ব্যাখ্যামাত্র।
৩ - ইমামগণের সেই সমস্ত বক্তব্যের মধ্যে কীভাবে সমন্বয় করতে হয় যেগুলোর মধ্যে বাহ্যিকভাবে বৈপরীত্য দেখা যায়, সে বিষয়ে ইলম অন্বেষণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। সত্যের শপথ, এটি একজন ইলম অন্বেষণকারীর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত, যাতে তিনি ইমামগণের নামে এমন কিছু না বলেন যা তারা বলেননি এবং তাদের বক্তব্যকে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত না করেন।
৪ - হাদিস শাস্ত্রের কোনো মূলনীতিকে তার উদাহরণসহ উল্লেখ করা— যা আমি কিছু জীবনীর আলোচনায় করেছি যেখানে আমি আমার সিদ্ধান্তের কারণ দর্শিয়েছি— এর ফলে মূলনীতিটি সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয়। কারণ, উদাহরণের মাধ্যমেই আলোচনা সুস্পষ্ট হয়।
৫ - জারহ ও তা'দিলের (সমালোচনা ও গুণগান) ইমামগণ যেসকল বর্ণনা বা ঘটনা উল্লেখ করেন, আমি সেগুলোর উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেছি এবং সেগুলো সমালোচনা না কি প্রশংসা তা স্পষ্ট করেছি। এটি আমি করেছি যখন দেখলাম যে, অনেক ইলম অন্বেষণকারী এই বর্ণনাগুলো থেকে ইমামগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য বুঝতে পারেন না এবং এগুলোর গভীরতা অনুধাবন করতে সক্ষম হন না।
এটিই মূল বিষয়; আর এমন কোনো কাজ নেই যাতে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার সম্ভাবনা নেই যদি এর কর্তা পুনরায় তাতে দৃষ্টিপাত করেন, তবে কেমন হবে যখন...
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
نظر فيه غيره، لاسيما إذا لم يسْلم من مرغِّب في القدح، ولم يصْفُ من حرص على الطعن، لكن بحسب المرء أن يخلص قصده لخالقه ومولاه، وأن يسلك سبيل أهل العلم فيما يأتي ويذَر، وأن يرجع إلى الصواب إذا ظهر له، وأن تسعه رحمة الله ومغفرته وإحسانه.
هذا وأسأل الله العلي العظيم أن يتولاني بلطفه وعفوه وستره، وجوده وكرمه، وعونه ونصره، ووالدي وأهلي وذريتي وإخواني وذرياتهم وصالح المؤمنين، إنه أعظم مسؤول، وأكرم مأمول، وهو حسبنا ونعم الوكيل.
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
كتبه أبو الحسن السليماني
مأرب في 7/ شوال/ 1431 هـ
অন্যরা এতে দৃষ্টিপাত করেছেন, বিশেষ করে যখন এটি নিন্দা করতে প্ররোচনাকারী থেকে নিরাপদ থাকে না এবং সমালোচনা করতে লালায়িতদের থেকে মুক্ত হয় না। তবে একজন মানুষের জন্য এটিই যথেষ্ট যে, সে তার উদ্দেশ্যকে তার স্রষ্টা ও মাওলার জন্য একনিষ্ঠ করবে এবং বর্জন ও গ্রহণের ক্ষেত্রে ইলম অন্বেষণকারীদের পথ অনুসরণ করবে। আর যখনই সঠিক বিষয়টি তার কাছে স্পষ্ট হবে তখন সেদিকেই ফিরে আসবে, এবং আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও অনুগ্রহ যেন তাকে বেষ্টন করে নেয়।
পরিশেষে, আমি সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাঁর দয়া, ক্ষমা, দোষগোপন, বদান্যতা, মহানুভবতা এবং তাঁর সাহায্য ও বিজয়ের মাধ্যমে আমাকে, আমার পিতা-মাতা, পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি, ভ্রাতৃবর্গ ও তাদের বংশধর এবং নেককার মুমিনদের রক্ষণাবেক্ষণ করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ যাঁর কাছে প্রার্থনা করা হয় এবং সর্বোত্তম যাঁর কাছে আশা করা হয়; তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।
আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
এটি লিখেছেন আবুল হাসান আস-সুলাইমানী
মারিব, ৭ শাওয়াল ১৪৩১ হিজরী
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١١)
المقدمةإن الحمد للّه نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ باللّه من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده اللّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله:
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)} [آل عمران: 102]، {يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)} [النساء:1]، {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)} [الأحزاب: 70، 71].
وبعد: فهذا هو العدد الخامس من "سلسلة تقريب رواة السنة بين يدي الأمة"، أقدمه إلى الباحثين عن رواة سنة خير الأنام، جمعت فيه ما تفرق وتبعثر من شيوخ الحافظ الهمام، أبي مُحَمَّد عَبْد الله بن مُحَمَّد بن جَعْفَر بن حيَّان الأصْبَهانِي الملقب بأبي الشَّيْخ الإمام، (369 هـ)، وذلك من كتبه المطبوعة التي وقفت عليها، والتي بلغت عشرة كتبٍ، وكذا من كتب راويته أبي نعيم أَحْمَد بن عَبْد اللّه الأَصْبَهانِي المتوفى (430 هـ)، وغير ذلك مما هو مبثوث في بطون كتب الرجال، مما سيقف عليه الباحث -إن شاء اللّه تعالى، مما طالته يدي، وقد أسميت هذا العدد "بُلُوغ الأَماني بتراجم شيوخ أبي الشَّيْخ الأَصْبَهانِي"، وسلكت في تنسيق مادته وترتيبها ما سلكته في الأعداد السابقة، وخاصة العدد الأخير منها الموسوم بـ "السلسبيل النقي إلى تراجم شيوخ البيهقي"، إلا أني في هذا العدد قد استعملت
ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ প্রদর্শন করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল:
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (১০২)} [আলে ইমরান: ১০২], {হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর পর্যবেক্ষক। (১)} [নিসা: ১], {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য লাভ করল। (৭১)} [আহজাব: ৭০, ৭১]।
অতঃপর: এটি উম্মতের সামনে সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের নিকটবর্তী করার ধারবাহিক "সিলসিলাতু তাকরিব রওয়াতিল সুন্নাহ বাইনা ইয়াদাইল উম্মাহ"-এর পঞ্চম সংখ্যা। আমি এটি শ্রেষ্ঠ মানবের সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের অনুসন্ধিৎসুদের নিকট পেশ করছি। এতে আমি প্রখ্যাত হাফেজ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়্যান আল-আসবাহানী, যিনি আবুশ শায়খ আল-ইমাম (৩৬৯ হি.) নামে পরিচিত, তাঁর বিভিন্ন কিতাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উস্তাদদের জীবনী একত্রিত করেছি। আমি তাঁর দশটি মুদ্রিত গ্রন্থ যা দেখার সুযোগ পেয়েছি এবং তাঁর বর্ণনাকারী আবু নুয়াইম আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল-আসবাহানী (মৃত্যু ৪৩০ হি.)-এর গ্রন্থসমূহ এবং রিজাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহে বর্ণিত অন্যান্য উৎস থেকে তা সংগ্রহ করেছি যা গবেষকগণ—ইনশাআল্লাহ তাআলা—খুঁজে পাবেন যা আমার সাধ্যের মধ্যে ছিল। আমি এই সংখ্যার নাম দিয়েছি "বুলূগুল আমানী বি-তরাজিম শুয়ূখ আবিল শায়খ আল-আসবাহানী"। এর বিষয়বস্তুর বিন্যাস ও সজ্জায় আমি পূর্ববর্তী সংখ্যাগুলোর পদ্ধতি অনুসরণ করেছি, বিশেষ করে সর্বশেষ সংখ্যাটি যার শিরোনাম ছিল "আস-সালসাবীলুন নাকি ইলা তরাজিম শুয়ূখ আল-বাইহাকী", তবে এই সংখ্যায় আমি ব্যবহার করেছি...
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
رموزًا اختصرت بها أسماء كتب أبي الشَّيْخ الأصْبَهانِي، ووضعتها بجانب كل شيخ، وتفصيلها على النحو التالي:
(أ) رمز لكتاب "أخلاق النبي صلى الله عليه وسلم وآدابه".
(ث) رمز لكتاب "الأمثال في الحديث النبوي".
(ج) رمز لـ "جزء فيه أحاديث أبي محمد عبد الله بن محمد بن جعفر بن حيّان".
(ز) رمز لـ "جزء فيه أحاديث أبي الزبير عن غير جابر".
(ط) رمز لكتاب "طبقات المحدثين بأصبهان والورادين عليها".
(ع) رمز لكتاب "العظمة".
(ف) رمز لجزء من كتاب "الفوائد".
(ق) رمز لجزء "ذكر الأقران ورواياتهم عن بعضهم بعضًا".
(ل) رمز لـ "جزء فيه عوالي أبي الشيخ".
(ن) رمز لما زدته من شيوخ على ما في كتبه المطبوعة.
(و) رمز لكتاب "التوبيخ والتنبيه".
واستعملت -أيضًا- رقمًا تسلسليًا داخليًا لمن زدته، وجعلته قبل الرمز (ن)، وبعد الرقم التسلسلي العام.
وقد عملت ترجمة لأبي الشيخ -كما جرت بذلك عادتي من أني أذكر في مقدمة كل عدد من أعداد هذه السلسلة ترجمة مفصلة نوعًا ما، لصاحب المشيخة التي قمت بجمعها له- وأودعتها أول هذه المشيخة، وتكلمت فيها على العناصر التالية:
اسمه ونسبه، كنيته، لقبه، ولادته، أسرته، أول سماعه للحديث ونشأته فيه، رحلاته، طبقته، شيوخه، تلاميذه، عبادته وزهده وورعه وتقواه، عقيدته ومذهبه، حرفته، آثاره العلمية، ثناء العلماء عليه وتوثيقه، المآخذ التي أخذت عليه، موقعه
আমি আবুশ শায়খ আল-আসবাহানীর গ্রন্থসমূহের নাম সংক্ষেপ করার জন্য কিছু সংকেত ব্যবহার করেছি এবং প্রতিটি শায়খের নামের পাশে তা বসিয়েছি। সেগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:
(আলিফ) ‘আখলাকুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আদাবুহু’ গ্রন্থের সংকেত।
(সা) ‘আল-আমসাল ফিল হাদিসিন নাবাবি’ গ্রন্থের সংকেত।
(জিম) ‘জুযউন ফীহি আহাদিসু আবি মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন জা’ফর বিন হাইয়ান’ এর সংকেত।
(যা) ‘জুযউন ফীহি আহাদিসু আবিয়্যি যুবাইর আন গাইরি জাবির’ এর সংকেত।
(ত্বা) ‘তাবাকাতুল মুহাদ্দিসিনা বি-আসবাহান ওয়াল ওয়ারিদিনা আলাইহা’ গ্রন্থের সংকেত।
(আইন) ‘আল-আজামাহ’ গ্রন্থের সংকেত।
(ফা) ‘আল-ফাওয়াইদ’ গ্রন্থের একটি অংশের সংকেত।
(কাফ) ‘জিকরুল আক্বরান ওয়া রিওয়ায়াতুহুম আন বা’দিহিম বা’দান’ অংশের সংকেত।
(লাম) ‘জুযউন ফীহি আওয়ালি আবিশ শায়খ’ এর সংকেত।
(নুন) তাঁর মুদ্রিত গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান শায়খদের অতিরিক্ত আমি যে সকল শায়খদের নাম যুক্ত করেছি, তাদের সংকেত।
(ওয়াও) ‘আত-তাওবীখ ওয়াত তানবীহ’ গ্রন্থের সংকেত।
আমি অতিরিক্ত যুক্ত করা শায়খদের ক্ষেত্রে একটি অভ্যন্তরীণ ক্রমিক নম্বরও ব্যবহার করেছি এবং তা (নুন) সংকেতের আগে এবং সাধারণ ক্রমিক নম্বরের পরে স্থাপন করেছি।
আমি আবুশ শায়খের একটি জীবনী তৈরি করেছি—যেমনটি আমার অভ্যাস যে, এই সিরিজের প্রতিটি সংখ্যার শুরুতে আমি যার ‘মাশয়াখাহ’ (শিক্ষক-তালিকা) সংকলন করি, তার একটি কিছুটা বিস্তারিত জীবনী উল্লেখ করি। আমি এটি এই মাশয়াখাহর শুরুতে যুক্ত করেছি এবং এতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি:
তাঁর নাম ও বংশপরিচয়, কুনিয়াত (উপনাম), উপাধি, জন্ম, পরিবার, হাদিস শ্রবণের সূচনা ও তাতে তাঁর বেড়ে ওঠা, তাঁর সফরসমূহ, তাঁর স্তর (তাবাকাহ), তাঁর শিক্ষকবৃন্দ, তাঁর ছাত্রবৃন্দ, তাঁর ইবাদত, যুহদ (সংসারবিরাগ), ওরা’ (সতর্কতা) ও তাকওয়া, তাঁর আকিদা ও মাযহাব, তাঁর পেশা, তাঁর ইলমি রচনাবলি, তাঁর সম্পর্কে উলামায়ে কেরামের প্রশংসা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই, তাঁর প্রতি করা সমালোচনা এবং তাঁর মর্যাদা।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
بين أئمة الجرح والتعديل، وفاته، رثاؤه، رؤيا رؤيت له بعد وفاته.
وأخيرًا: فإني أشكر لفضيلة الشيخ بدر بن عبد اللّه البدر على ما تفضل به من إبداء وجهة نظره في هذه السلسلة المباركة عمومًا، وفي بعض الأعداد التي وصلته مما قد طبع منها على وجه الخصوص، وأشكره أيضًا على كتابته لهذه الكلمات النافعة الماتعة، حول كتابنا هذا، والشكر موصول له أيضًا على تواصله معي وسؤاله عن الجديد من مطبوعات هذه السلسلة المباركة -إن شاء اللّه تعالى-.
وفضيلة الشيخ لا يحتاج مني إلى تعريف فهو معروف منذ زمن بالعلم والفضل، والمنهج القويم منهج أهل السنة والجماعة، فجزاه اللّه خير الجزاء، وبارك في عمره ووقته، وجعلنا الله وإياه من مصابيح الهدى وقناديل الدجى، التي ستضاء بها في دفع الردى.
وختامًا؛ فإني أسال المولى سبحانه وتعالى أن يلهمني الصواب في كل ما أكتب، وأن ينفع به العباد جميعًا، في مشارق الأرض ومغاربها، وأن يوفقنا جميعًا للعمل بما علمنا، وأن يجعل ذلك كله خالصًا لوجهه الكريم، إنه سميع مجيب، وصلى اللّه وسلم على نبينا محمد وآله وصحبه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
كتبه الفقير إلى ربه:
أبو الطيب نايف بن صلاح بن علي المنصوري
بمكتبة دار الحديث الخيرية بمأرب
يوم الثلاثاء 11/ شعبان سنة 1429 هـ
الموافق: 12/ 8/ 2008 م
هاتف: 00966777863561
البريد الكتروني: el-ssmansury@hotmail.com
জারহ ও তা'দিল (সমালোচনা ও যাচাইকরণ) ইমামগণের মাঝে, তাঁর মৃত্যু, তাঁর শোকগাথা, এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে দেখা স্বপ্নসমূহ।
পরিশেষে, আমি ফযীলাতুশ শায়খ বদর বিন আব্দুল্লাহ আল-বদরকে ধন্যবাদ জানাই এই বরকতময় সিলসিলা (ধারাবাহিক) সম্পর্কে সাধারণভাবে এবং বিশেষভাবে এর যে সংখ্যাগুলো মুদ্রিত অবস্থায় তাঁর নিকট পৌঁছেছে সে সম্পর্কে তাঁর মতামত ব্যক্ত করার অনুগ্রহ প্রদানের জন্য। এবং আমাদের এই কিতাব সম্পর্কে এই উপকারী ও চমৎকার কথাগুলো লেখার জন্যও আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাঁর কৃতজ্ঞতা আরও এজন্য যে, তিনি আমার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন এবং -আল্লাহ তা'আলা চাইলে- এই বরকতময় সিলসিলার নতুন কোনো মুদ্রণ সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন।
আর ফযীলাতুশ শায়খ আমার পক্ষ থেকে কোনো পরিচয়ের মুখাপেক্ষী নন; তিনি দীর্ঘকাল যাবত জ্ঞান, শ্রেষ্ঠত্ব এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সঠিক মানহাজের জন্য সুপরিচিত। আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন, তাঁর হায়াত ও সময়ে বরকত দান করুন, এবং আল্লাহ আমাদের ও তাঁকে হিদায়াতের আলোকবর্তিকা ও অন্ধকারের প্রদীপসমূহ হিসেবে কবুল করুন, যা ধ্বংস নিবারণে প্রজ্জ্বলিত হবে।
উপসংহারে, আমি মহান প্রতিপালক সুবহানাহু ওয়া তা'আলার নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি যেন আমি যা কিছু লিখি তাতে আমাকে সঠিক পথের দিশা দেন, এর মাধ্যমে পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিমের সকল বান্দাকে উপকৃত করেন এবং আমরা যা শিখেছি সে অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করেন। আর এই সবকিছুকে যেন তিনি একমাত্র তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন। নিশ্চয়ই তিনি শ্রবণকারী ও কবুলকারী। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে, তাঁদের সকলের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। আমাদের শেষ কথা হলো, সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
তাঁর রবের মুখাপেক্ষী এই বান্দা লিখেছেন:
আবু তৈয়ব নায়েফ বিন সালাহ বিন আলী আল-মানসুরী
মারেব-এর দারুল হাদীস আল-খাইরিয়্যাহ লাইব্রেরিতে
মঙ্গলবার, ১১ই শাবান, ১৪২৯ হিজরী
মোতাবেক: ১২/ ৮/ ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ
ফোন: ০০৯৬৬৭৭৭৮৬৩৫৬১
ইমেইল: el-ssmansury@hotmail.com
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
ترجمة أبي الشيخ الأصْبَهانِي
(1) اسمه ونسبه:هو عبد الله بن محمد بن جَعْفَر بن حَيّان
(2) كنيته:أبو محمد، وقد نص على تكنيه بذلك غير واحد منهم: الأمير ابن ماكولا في "الإكمال" (5/ 95)، وابن الصلاح في "المقدمة" مع "التقييد" (ص 371)، والحافظ في "نزهة الألباب" (2/ 264)، وغيرهم.
(3) لقبه:أبو الشيخ: قال ابن الصلاح في "المقدمة" مع "التقييد" (ص: 371) في الضرب الثالث من النوع الموفي خمسين: الذين لقبوا بالكنى، ولهم غير ذلك كنى وأسماء، أبو الشيخ الأصْبَهانِي عبد اللّه بن محمد الحافظ، كنيته أبو محمد، وأبو الشيخ لَقَب.
وقال ابن نقطة في "التكملة" (2/ 199): أبو الشيخ لقب.
وقال العراقي في "ألفيته" (ص: 109):
ثم كنى الألقاب والتعدد
… نحو أبي الشيخ أبي محمد
وقد نص على أن هذا اللقب له غير واحد ممن صنَّف في الألقاب، كالذهبي في رسالته "ذات النقاب في الألقاب" (برقم: 11)، والحافظ ابن حجر في "نزهة الألباب" (2/ 264)، وبدر الدين العيني في "كشف القناع المرئى" (ص: 62)، والسخاوي في "معرفة الألقاب" (ص:؟؟؟)، وغيرهم.
আবু শেখ আল-আসবাহানী-এর জীবনী(১) তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়্যান।
(২) তাঁর কুনিয়াত (উপনাম):আবু মুহাম্মদ। একাধিক আলেম তাঁর এই কুনিয়াতের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: 'আল-ইকমাল' (৫/৯৫) গ্রন্থে আল-আমীর ইবনে মাকুলা, 'আল-মুকাদ্দিমাহ' ও 'আত-তাকয়ীদ' (পৃ. ৩৭১) গ্রন্থে ইবনুস সালাহ, 'নুজহাতুল আলবাব' (২/২৬৪) গ্রন্থে হাফেজ এবং আরও অনেকে।
(৩) তাঁর উপাধি:আবু শেখ: ইবনুস সালাহ 'আল-মুকাদ্দিমাহ' ও 'আত-তাকয়ীদ' (পৃ. ৩৭১) গ্রন্থে পঞ্চাশতম প্রকারের তৃতীয় উপপ্রকারে বলেছেন: যাদের কুনিয়াতকে উপাধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়, অথচ তাদের অন্যান্য কুনিয়াত ও নাম রয়েছে; (যেমন) আবু শেখ আল-আসবাহানী আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ। তাঁর কুনিয়াত হলো আবু মুহাম্মদ, আর 'আবু শেখ' হলো তাঁর উপাধি।
ইবনে নুকতাহ 'আত-তাকমিলাহ' (২/১৯৯) গ্রন্থে বলেছেন: আবু শেখ হলো উপাধি।
আল-ইরাকী তাঁর 'আলফিয়্যাহ' (পৃ. ১০৯) কাব্যে বলেছেন:
অতঃপর উপাধি হিসেবে কুনিয়াতের ব্যবহার এবং এর সংখ্যাধিক্য
… যেমন আবু শেখ ও আবু মুহাম্মদ
যারা উপাধি বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি এই উপাধিটি তাঁর জন্য নির্দিষ্ট হওয়ার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। যেমন: আয-যাহাবী তাঁর 'যাতুন নিকাব ফিল আলকাব' (নং ১১) রিসালায়, হাফেজ ইবনে হাজার 'নুজহাতুল আলবাব' (২/২৬৪) গ্রন্থে, বদরুদ্দীন আইনী 'কাশফুল কিনা আল-মারয়ী' (পৃ. ৬২) গ্রন্থে, সাখাবী 'মা’রিফাতুল আলকাব' (পৃ. ???) গ্রন্থে এবং আরও অনেকে।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
تنبيه:ذكر ابن ماكولا في "الإكمال" (5/ 95): هذا اللقب بالتنكير؛ فقال: "أبو شَيْخ الأصْبَهانِي". فعلق على ذلك العلامة عبد الرحمن بن يحيى المعلمي بقوله: المشهور التعريف "أبو الشيخ"، والخَطْب سهل.
(4) نسبته:ذكر "بالأنصاري"، و "الحيّانِي"، و "الأصبَهاني"، -ويقال: "الأَصْفَهاني" بالفاء و"الوَزان"، و"القَصِيْر".
فأما "الأنصاري"، فلم ترد إلا في مصدر واحد من مصادر ترجمته، وهو كتاب "تذكرة الحفاظ" للذهبي، وتبعه في ذلك بروكلمان، فذكره به في كتابه "تاريخ الأدب العربي" (3/ 226 - 4/ 43).
وعندي أن هذه النِّسبَة مُصَحفة من "الأَصْبَهاني"، لأمور منها:
(أ) لعدم وجود نسبة "الأَصْبَهاني "في ترجمته من "تذكرة الحفاظ" نفسها مع كونها أشهر من غيرها.
(ب) أننا رجعنا إلى مختصر "تذكرة الحفاظ" للسيوطي المسمى بـ "طبقات الحفاظ" فلم نجد فيه إلا نسبة "الأصْبَهانِي" فقط.
(ج) أننا رجعنا إلى كتب الذَّهَبِي نفسه الذي ترجم فيها لأبي الشَّيْخ، فما وجدناه ذكره إلا بنسبة "الأصْبَهانِي" فحسب.
(د) أننا رجعنا إلى "طبقات علماء الحديث" لابن عبد الهادي وغيرها من مصادر ترجمته، فلم تذكر فيها نسبة الأنصاري، فبمجموع هذه القرائن ترجح لدي عدم ثبوت هذه النِّسبة له، وأن صوابها "الأصْبَهانِي"، والله الموفق.
وأما الحَيّاني:
সতর্কতা:ইবনে মাকুলা তাঁর 'আল-ইকমাল' গ্রন্থে (৫/ ৯৫) এই লকব বা উপাধিটি অনির্দিষ্টবাচক বা নাকেরা রূপে উল্লেখ করেছেন; তিনি বলেছেন: "আবু শায়খ আল-আসবাহানি"। এর ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে আল্লামা আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমি বলেন: সুপ্রসিদ্ধ হলো নির্দিষ্টবাচক বা মারেফা রূপে "আবুশ শায়খ", আর বিষয়টি অতি সামান্য।
(৪) তাঁর নিসবত (সম্বন্ধ):তাঁকে "আল-আনসারী", "আল-হাইয়্যানী" এবং "আল-আসবাহানি" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—এবং "ফা" বর্ণ সহযোগে "আল-আসফাহানি"ও বলা হয়—এছাড়া "আল-ওয়াযযান" এবং "আল-কাসীর"ও বলা হয়েছে।
আর "আল-আনসারী" নিসবতটির কথা তাঁর জীবনীমূলক উৎসসমূহের মধ্যে কেবল একটি উৎস ছাড়া পাওয়া যায়নি, সেটি হলো আয-যাহাবীর "তাযকিরাতুল হুফফায" গ্রন্থ। ব্রোকলম্যানও এক্ষেত্রে তাঁকে অনুসরণ করেছেন এবং তাঁর গ্রন্থ "তারিখুল আদাব আল-আরাবি" (৩/ ২২৬ - ৪/ ৪৩) তে তাঁকে এই নিসবতে উল্লেখ করেছেন।
আমার মতে, এই নিসবতটি "আল-আসবাহানি" শব্দ থেকে বিকৃত (মুসাহহাফ) হয়ে এসেছে। এর কিছু কারণ হলো:
(ক) স্বয়ং "তাযকিরাতুল হুফফায"-এ তাঁর জীবনীতে "আল-আসবাহানি" নিসবতটির অনুপস্থিতি, অথচ এটি অন্যান্যের চেয়ে অধিক প্রসিদ্ধ।
(খ) আমরা সুয়ূতী রচিত "তাযকিরাতুল হুফফায"-এর সংক্ষেপিত রূপ "তাবাকাতুল হুফফায"-এর দিকে রুজু করেছি এবং সেখানে কেবল "আল-আসবাহানি" নিসবতটিই পেয়েছি।
(গ) আমরা স্বয়ং আয-যাহাবীর অন্যান্য গ্রন্থসমূহ অনুসন্ধান করেছি যেখানে তিনি আবুশ শায়খের জীবনী আলোচনা করেছেন, সেখানে তাঁকে কেবল "আল-আসবাহানি" নিসবতেই উল্লেখিত পেয়েছি।
(ঘ) আমরা ইবনে আব্দুল হাদীর "তাবাকাতু উলামাইল হাদীস" এবং তাঁর জীবনীর অন্যান্য উৎসসমূহ অনুসন্ধান করেছি, সেখানে "আল-আনসারী" নিসবতটি উল্লেখ করা হয়নি। সুতরাং এই সকল নিদর্শনের সমষ্টির ভিত্তিতে আমার নিকট এটিই অগ্রাধিকার পেয়েছে যে, এই নিসবতটি তাঁর জন্য প্রমাণিত নয় এবং এর সঠিক রূপ হলো "আল-আসবাহানি"। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।
আর আল-হাইয়্যানী প্রসঙ্গে:
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
فبفتح الحاء المهملة، وتشديد الياء المنقوطة باثنتين من تحتها، وفي آخرها النون، نسبة إلى اسم بعض أجداده وهو "حَيّان"، وقد ذكره بها السمعاني في "الأنساب" (4/ 285)، وابن نُقْطَة في "تكملة الإكمال" (2/ 199)، والذَّهَبِي في "المشتبه"، كما "توضيحه" (2/ 150)، وغيرهم.
وأما "الأصْبَهانِي" -ويقال: "الأَصفَهانِي" بالفاء الموحدة-.
فبفتح الهمزة، وسكون الصاد المهملة، وفتح الباء أو الفاء الموحدة والهاء، وفي آخرها النون بعد الألف
(1)، نسبة إلى أشهر بلدة بالجبال، كانت تضاهي بغداد في علو الإنسان، وكثرة الحديث والأثر
(2)، وموقعها جغرافيًا حاليًا في جمهورية إيران
(3)، وقد نسبه إليها كل من ترجم له.
فائدة:اختلف في ضبط همزة هذه النِّسْبة، فمنهم من ضبطها بالفتح، ومنهم من ضبطها بالكسر كعبد الله بن عبد العزيز البكري الأندلسي في "معجم ما استعجم" (1/ 163)، ومنهم من ضبطها بالكسر والفتح معًا كأبي سعد السمعاني في "الأنساب" (1/ 289).
وقال ياقوت الحموي في "معجم البلدان" (1/ 244): "منهم من يفتح الهمزة وهم الأكثر".
فائدة أخرى:قد تكتب الباء في هذه النِّسبة فاءً كما سبقتْ الإشارة إلى ذلك، فيقال للبلد "أَصْفَهان"، وفي النِّسْبة "الأَصْفَهاني"، وذلك لأن هذه البلدة بالعجمية (أسبهان)
--------------------------------------------
নুকতাহীন 'হা' বর্ণের যবর এবং নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট 'ইয়া' বর্ণের তাশদীদ সহযোগে এবং শেষে 'নূন' রয়েছে। এটি তার জনৈক পূর্বপুরুষের নাম 'হাইয়ান'-এর সাথে সম্বন্ধযুক্ত। সামআনী 'আল-আনসাব' (৪/২৮৫) গ্রন্থে, ইবনে নুকতাহ 'তাকমিলাতুল ইকমাল' (২/১৯৯) গ্রন্থে, এবং আয-যাহাবী 'আল-মুশতাবিহ' ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'তাওদীহ' (২/১৫০) সহ অন্যান্যরা তাকে এই নামে উল্লেখ করেছেন।
আর 'আল-আসবাহানী' সম্পর্কে কথা হলো—তাকে এক নুকতা বিশিষ্ট 'ফা' সহযোগে 'আল-আসফাহানী'ও বলা হয়।
এতে হামযাহ বর্ণে যবর, নুকতাহীন 'সাদ' বর্ণে সাকিন এবং এক নুকতা বিশিষ্ট 'বা' অথবা 'ফা' এবং 'হা' বর্ণে যবর রয়েছে। শেষে আলিফের পর 'নূন' রয়েছে
(১)। এটি জাবাল অঞ্চলের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ শহরের সাথে সম্বন্ধযুক্ত, যা মানুষের মর্যাদা এবং হাদিস ও আছারের প্রাচুর্যের দিক থেকে বাগদাদের সমকক্ষ ছিল
(২)। বর্তমানে এর ভৌগোলিক অবস্থান ইরান প্রজাতন্ত্রে
(৩)। যারা তার জীবনী লিখেছেন, তারা প্রত্যেকেই তাকে এই শহরের দিকে সম্বন্ধ করেছেন।
ফায়দা:এই নিসবত বা সম্বন্ধসূচক শব্দের হামযাহর হরকতের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ একে যবর দিয়ে পড়েছেন, আবার কেউ একে যের দিয়ে পড়েছেন; যেমন—আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল আযীয আল-বাকরী আল-আন্দালুসী তার 'মু'জাম মা ইস্তা'জাম' (১/১৬৩) গ্রন্থে। আবার কেউ কেউ যবর ও যের উভয়টিই জায়েয রেখেছেন; যেমন—আবু সা'দ আস-সামআনী তার 'আল-আনসাব' (১/২৮৯) গ্রন্থে।
ইয়াকুত আল-হামাবী 'মু'জামুল বুলদান' (১/২৪৪) গ্রন্থে বলেছেন: "তাদের মধ্যে যারা হামযাহ বর্ণে যবর পড়েন, তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ।"
অন্য একটি ফায়দা:পূর্বে যেমন ইঙ্গিত করা হয়েছে, এই নিসবতের ক্ষেত্রে 'বা' বর্ণটি 'ফা' হিসেবেও লেখা হয়ে থাকে। ফলে শহরটিকে 'আসফাহান' এবং নিসবতের ক্ষেত্রে 'আল-আসফাহানী' বলা হয়। এর কারণ হলো, অনারব ভাষায় শহরটির নাম ছিল 'আসবাহান'।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
بباء فارسية، تُعرّب تارة باء خالصة، وتارة فاء كنظائرها، أفاده العلامة المعلمي، كما في حاشية "الأنساب" (1/ 289).
وأما الوازن:
فقد تفرد بذكره إسماعيل باشا البَغْدادي في "هداية العارفين" (5/ 447)، وعندي أنها مصحفة من "الوَرّاق" فإن أبا الشَّيْخ كان مشهورًا بالوراقة، حتى قال أبو موسى المَدِيني، كما في "النبلاء" (16/ 278): كان يكتب كل يوم دستجة كاغد؛ لأنه كان يورِّق ويُصنف.
وأما القَصِيْر:
فبفتح القاف، وسكون الياء بعد الصاد المكسورة، وفي آخرها الراء، كما في "الأنساب" (10/ 175)، وذكره بهذه النِّسْبة تلميذه أبو بكر ابن المقرئ.
قال ابن عبدالهادي في "طبقاته" (3/ 139): "روى عنه ابن المقرئ، وقال: حدثنا عبد الله بن محمد القَصِيْر". وكذا قال الذهبي في "التذكرة" (3/ 946)، و"النبلاء" (16/ 279).
قلت: وقد وقفت على موضع من كتب ابن المقرئ ذكره بها فيه، ففي كتاب "الرُّخصة في تقبيل اليد" برقم (11): حدثنا عبد الله بن جَعْفَر القَصِيْر.
(5) ولادته:ولد -رحمه الله تعالى- في سنة أربع وسبعين ومائتين. كما صرح بذلك ابن عبد الهادي في "طبقاته" (3/ 138)، والذهبي في "التذكرة" (3/ 945) وغيرها، والصَّفَدي في "الوافي بالوفيات" (17/ 485)، وغيرهم.
(6) أُسْرَته:وأما عن أسرته -رحمه الله تعالى- فأُسرة علمية ذات مكانة في مجتمعها الذي
এটি পারস্যের 'বা' (পে) দিয়ে, যা কখনো বিশুদ্ধ 'বা' হিসেবে আবার কখনো এর সমগোত্রীয় বর্ণের মতো 'ফা' হিসেবে আরবিকরণ করা হয়; আল্লামা মুআল্লিমি 'আল-আনসাব' (১/২৮৯)-এর টীকায় এমনটিই উল্লেখ করেছেন।
আর 'আল-ওয়াযিন' সম্পর্কে কথা হলো:
ইসমাইল পাশা আল-বাগদাদি এককভাবে 'হিদায়াতুল আরিফিন' (৫/৪৪৭)-এ এটি উল্লেখ করেছেন। তবে আমার মতে, এটি 'আল-ওয়াররাক' শব্দেরই একটি লিপিক্রমিক ভুল; কারণ আবুশ শায়খ পাণ্ডুলিপি অনুলিপি করার কাজের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। এমনকি আবু মুসা আল-মাদিনি 'আন-নুবালা' (১৬/২৭৮)-তে যেমনটি বলেছেন: তিনি প্রতিদিন এক দিস্তা কাগজ লিখতেন; কারণ তিনি অনুলিপি করতেন এবং গ্রন্থ রচনা করতেন।
আর 'আল-কাসির' সম্পর্কে কথা হলো:
এটি 'কাফ' বর্ণে ফাতহা এবং কাসরাযুক্ত 'সদ'-এর পরে 'ইয়া' বর্ণে সুকুন দিয়ে, আর শেষে 'রা' বর্ণ রয়েছে; যেমনটি 'আল-আনসাব' (১০/১৭৫)-এ বর্ণিত হয়েছে। তাঁর ছাত্র আবু বকর ইবনুল মুকরি তাঁকে এই নিসবত বা উপাধিতে উল্লেখ করেছেন।
ইবনে আব্দুল হাদি তাঁর 'তাবাকাত' (৩/১৩৯)-এ বলেছেন: "ইবনুল মুকরি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।" একইভাবে আয-যাহাবি 'আত-তাযকিরা' (৩/৯৪৬) এবং 'আন-নুবালা' (১৬/২৭৯)-তে বলেছেন।
আমি বলছি: আমি ইবনুল মুকরির কিতাবসমূহের একটি স্থানে তাঁকে এই উপাধিতে উল্লেখ করতে দেখেছি। 'আর-রুখসাহ ফি তাকবিলিল ইয়াদ' (হাত চুম্বনের অনুমতি) নামক কিতাবের ১১ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে: আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-কাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(৫) তাঁর জন্ম:তিনি—আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—২৭৪ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। ইবনে আব্দুল হাদি তাঁর 'তাবাকাত' (৩/১৩৮)-এ, আয-যাহাবি 'আত-তাযকিরা' (৩/৯৪৫) ও অন্যান্য কিতাবে এবং আস-সাফাদি 'আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত' (১৭/৪৮৫)-এ ও আরও অনেকে স্পষ্টভাবে এটি উল্লেখ করেছেন।
(৬) তাঁর পরিবার:আর তাঁর—আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—পরিবারের কথা হলো, এটি একটি জ্ঞাননির্ভর পরিবার ছিল, যাদের নিজস্ব সমাজে বিশেষ মর্যাদা ছিল।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
كانت تعيش فيه، قال رشَيْد الدين العطّار في "نزهة الناظر" (ص: 80): "أبو الشيخ من بيت الحديث، حدَّث هو، وأبوه، وخاله".
وقد أتحفتنا المصادر الموجودة لدينا عن هذه الأسرة المرموقة بما يلي:
(أ) والده:وقد كان -رحمه الله تعالى- له اهتمام بالحديث وعناية به، وحُب لأهله، ففي "الطبقات" لأبي الشيخ: والدي رضي الله عنه كان عنده كتب الحسين بن حفص، و"مسند" يونس، وعنده عن أحمد بن يونس، وأحمد بن عصام، وعامة الأصبهانيين. وانظر ترجمته في هذا "المعجم".
(ب) جده:قال أبو الشيخ في "الطبقات" (3/ 488): ترجمة محمد بن أسد بن يزيد: "بلغني أن جدي رحمه الله كان ينتابه الكثير، فيدعوا، ويسأله أن يؤمِّن على دعائه، وكذلك والدي رحمه الله كنت أصير إليه، مع والدي قاصدًا للدعاء".
وقال في (3/ 614) - أيضًا-: "أبو نَصْر عَمْرو بن نُصَيْر القُرَشِي" من أصحاب جدي -رحمهما اللّه تعالى-.
(ج) ابنه عبد الرزاق بن أبي الشيخ الأصبَهانِي:
تراجع ترجمته في "مشيخة أبي الشيخ" هذه.
(د) حفيده أبو الفتح محمد بن عبد الرزاق بن أبي الشيخ:
ذكره الذهبي في "المشتبه" كما في "توضيحه" (2/ 150)، وذكر أنه يروي عن جدّه أبي الشيخ.
(هـ) أخوه عبد الرحمن بن محمد بن جَعْفَر بن حيّان الأصْبَهانِي:
ترجمه أبو نعيم في "تاريخه" (2/ 120) فقال: عبد الرحمن بن محمد بن جَعْفَر بن حيّان أبو مسلم المؤدب أخو أبي الشيخ توفي فجْأة سنة تسع وخمسين وثلاثمائة.
সেখানে বাস করতেন। রশিদ উদ্দিন আল-আত্তার 'নুযহাতুন নাযির' (পৃ. ৮০) গ্রন্থে বলেছেন: "আবু আল-শায়খ একটি হাদিসবেত্তা পরিবারের সদস্য ছিলেন; তিনি নিজে, তাঁর পিতা এবং তাঁর মামা—সকলেই হাদিস বর্ণনা করেছেন।"
আমাদের নিকট বিদ্যমান উৎসসমূহ এই মর্যাদাপূর্ণ পরিবার সম্পর্কে নিম্নোক্ত তথ্যসমূহ প্রদান করেছে:
(ক) তাঁর পিতা:তিনি—আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—হাদিসের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ও যত্নবান ছিলেন এবং হাদিসবেত্তাদের ভালোবাসতেন। আবু আল-শায়খের 'আত-তাবাকাত' গ্রন্থে বর্ণিত আছে: "আমার পিতা—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—তাঁর নিকট হুসাইন বিন হাফসের গ্রন্থসমূহ এবং ইউনুসের 'মুসনাদ' ছিল। তাঁর নিকট আহমদ বিন ইউনুস, আহমদ বিন ইসাম এবং সাধারণ ইসফাহানীদের বর্ণিত হাদিসও ছিল।" এই 'মুজাম' গ্রন্থে তাঁর জীবনী দেখুন।
(খ) তাঁর দাদা:আবু আল-শায়খ 'আত-তাবাকাত' (৩/৪৮৮) গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন আসাদ বিন ইয়াযিদের জীবনীতে বলেছেন: "আমি জানতে পেরেছি যে, আমার দাদা—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—তাঁর কাছে অনেকে আসা-যাওয়া করত। তিনি দোয়া করতেন এবং আগত ব্যক্তিরা তাঁর দোয়ায় আমিন বলত। তেমনিভাবে আমার পিতা—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—আমি তাঁর সাথে দোয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর নিকট যেতাম।"
তিনি আরও (৩/৬১৪) বলেছেন: "আবু নাসর আমর বিন নুসাইর আল-কুরাশি ছিলেন আমার দাদার সাথীদের অন্তর্ভুক্ত—আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন।"
(গ) তাঁর পুত্র আবদুর রাজ্জাক বিন আবি আল-শায়খ আল-আসবাহানি:
এই 'মাশইয়াখাতু আবি আল-শায়খ' গ্রন্থে তাঁর জীবনী দেখুন।
(ঘ) তাঁর নাতি আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবদুর রাজ্জাক বিন আবি আল-শায়খ:
আয-যাহাবি 'আল-মুশতাবিহ' গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন, যেমনটি 'তাওযিহ' (২/১৫০) গ্রন্থে এসেছে; সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি তাঁর দাদা আবু আল-শায়খ থেকে বর্ণনা করেন।
(ঙ) তাঁর ভাই আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হায়য়ান আল-আসবাহানি:
আবু নুআইম তাঁর 'তারিখ' (২/১২০) গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করে বলেছেন: আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হায়য়ান আবু মুসলিম আল-মুআদ্দিব ছিলেন আবু আল-শায়খের ভাই; তিনি ৩৫৯ হিজরি সনে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
(و) جده من قِبل أمه محمود بن الفرج:ترجمه أبو الشيخ في "طبقاته"، وغيره، تراجع ترجمته في هذه "المشيخة".
(ز) خاله أبو عبد الرحمن عبد الله بن محمود بن الفرج:مترجم -أيضًا- في هذه "المشيخة".
(ح) خاله عبد الرحمن بن محمود بن الفرج:قال أبو الشيخ في "طبقاته" (4/ 216): خالي عبد الرحمن بن محمود بن الفرج، كتب مع أخيه، سمع الكثير، ولم يخرج حديثه، مات سنة ثمان وتسعين ومائتين.
(7) أول سماعه للحديث ونشأته فيه:بدأ -رحمه الله تعالى- بسماعه للحديث من علماء بلده أصبهان، كما هو دأب المحدثين في ذلك، أن الطالب يتلقى العلم أولًا من علماء بلده؛ لقربهم ومعرفته بهم، فقد قال الخطيب في "تاريخه" (1/ 214): أخبرنا أبو منصور محمد بن عيسى بن عبد العزيز البزَّار بهمذَان، قال: سمعت أبا الفضل صالح بن أحمد بن محمد التَّمِيْمِي الحافظ، يقول: "ينبغي لطالب الحديث ومن عُنيَ به، أن يبدأ بكتب حديث بلده ومعرفة أهله، وتفهمه وضبطه حتى يعلم صحيحه وسقيمه، ويعرف أهل التحديث به، وأحوالهم معرفة تامة، إذا كان في بلده علم وعلماء قديمًا وحديثًا، ثم يشتغل بعدُ بحديث البلدان والرحلة فيه"
(1).
وقد مكث في بلده وهو ينهل من معين علمائها، ويحضر مجالسهم مدة طويلة، وحق له ذلك؛ لما كان لأصبهان من مكانة علمية مرموقة؛ بحيث صارت مقصد القاصي والداني، ولا سيما بعد ما استوطنها عدد من كبار حفاظ المحدثين، فقد قال أبو الشيخ في "طبقاته": (2/ 193): حدثني أبي -رحمه الله تعالى- قال: ثنا أحمد بن
--------------------------------------------
(ওয়া) তাঁর মাতামহ (মায়ের দিক থেকে দাদা) মাহমুদ বিন আল-ফারাজ:আবুশ শেখ তাঁর "তাবাকাত" এবং অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন। এই "মাশয়াখা"-তেও তাঁর জীবনী দেখা যেতে পারে।
(যা) তাঁর মামা আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ বিন মাহমুদ বিন আল-ফারাজ:এই "মাশয়াখা"-তেও তাঁর জীবনী বর্ণিত হয়েছে।
(হা) তাঁর মামা আবদুর রহমান বিন মাহমুদ বিন আল-ফারাজ:আবুশ শেখ তাঁর "তাবাকাত" (৪/২১৬) গ্রন্থে বলেন: আমার মামা আবদুর রহমান বিন মাহমুদ বিন আল-ফারাজ; তিনি তাঁর ভাইয়ের সাথে হাদীস লিখেছেন, প্রচুর হাদীস শুনেছেন, তবে তাঁর বর্ণিত হাদীস আলাদাভাবে প্রকাশিত হয়নি। তিনি দুইশত আটানব্বই হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।
(৭) হাদীস শ্রবণ এবং এই শাস্ত্রে তাঁর বেড়ে ওঠার সূচনা:তিনি —আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রতি রহম করুন— তাঁর নিজ শহর ইসফাহানের আলেমদের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণের মাধ্যমে ইলম অর্জন শুরু করেন, যেমনটি মুহাদ্দিসগণের চিরাচরিত রীতি ছিল যে, ছাত্ররা প্রথমে তাদের নিজ শহরের আলেমদের নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করতেন; কারণ তাঁরা নিকটবর্তী ছিলেন এবং তাঁদের সম্পর্কে ছাত্ররা ভালো জানতেন। খতিব [আল-বাগদাদী] তাঁর "তারিখ" (১/২১৪) গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আবদুল আজিজ আল-বাযযার হামাদানে, তিনি বলেন: আমি হাফেয আবু আল-ফাদল সালিহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আত-তামিমিকে বলতে শুনেছি: "হাদীসের ছাত্র এবং এর প্রতি যত্নশীল ব্যক্তির উচিত প্রথমে তার নিজ শহরের হাদীসের কিতাবসমূহ এবং এর অধিবাসীদের পরিচিতি দিয়ে শুরু করা, এবং সেগুলো অনুধাবন ও আয়ত্ত করা যতক্ষণ না সে এর সহীহ ও দুর্বল বর্ণনা সম্পর্কে অবগত হয় এবং সেখানকার হাদীসবেত্তা ও তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান লাভ করে—যদি তার শহরে প্রাচীনকাল থেকে বা বর্তমানে ইলম ও আলেম থেকে থাকেন। অতঃপর সে অন্যান্য শহরের হাদীস সংগ্রহে এবং সে লক্ষ্যে সফরের কাজে নিয়োজিত হবে।"
(১)।
তিনি দীর্ঘকাল নিজ শহরে অবস্থান করে সেখানকার আলেমদের জ্ঞান-ঝরনা থেকে পান করতে থাকেন এবং তাঁদের মজলিসে উপস্থিত হন। আর তাঁর জন্য এটিই ছিল যথার্থ; কারণ ইসফাহানের এমন এক উচ্চমর্যাদাপূর্ণ ইলমি অবস্থান ছিল যে, তা দূর-দূরান্তের জ্ঞানপিপাসুদের গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছিল। বিশেষ করে যখন সেখানে অনেক বড় বড় হাফেয ও মুহাদ্দিস স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলেন। আবুশ শেখ তাঁর "তাবাকাত" (২/১৯৩) গ্রন্থে বলেছেন: আমার পিতা —আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রতি রহম করুন— আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
مهدي، قال: قدم أبو حفص -يعني الفلاس- من أصبهان، فذُكر لأبي النعمان عارم، فقال: قدم أبو حفص من أصبهان، وحمل خمسة آلاف درهم، فقال: "هاجر أبو داود إلى أصبهان، وصيروها دار هجرة".
وقال الذهبي في رسالته "الأمصار ذوات الآثار" (ص: 232): "وأصبهان التي كانت تُضاهي بغداد في علوم الإسناد، وكثرة الحديث، والأثر".
وقال السخاوي في "الإعلان بالتوبيخ": "كانت أصبهان تُضاهي بغداد في العلو والكثرة".
وقد كان أول سماعه للحديث في سنة أربع وثمانين ومائتين، قبل سن العاشرة من عمره -يرحمه الله-. قال ابن عبد الهادي في "طبقاته" (3/ 138): "سمع سنة أربع وثمانين -يعني ومائتين-، وكتب العالي والنازل".
وقال الذهبي في "التذكرة" (3/ 945): "سمع في سنة أربع وثمانين وهلم جرًا، وكتب العالي والنازل، ولقي الكبار".
وقال في "النبلاء" (16/ 277): "طلب الحديث في الصِّغَر، اعتنى به الجد، فسمع من جده محمود بن الفرج الزاهد،
… ، وإسحاق بن إسماعيل الرَّمْلي سمع منه في سنة أربع وثمانين ومائتين".
وقال في "التاريخ" (26/ 418 - 419): "سمع في صغره، وأول سماعه سنة أربع وثمانين".
وقال في "العبر" (2/ 132): "أول سماعه في سنة أربع وثمانين ومائتين من إبراهيم بن سعدان، وابن أبي عاصم وطبقتهما".
قال مقيده -عفا الله عنه-: ومما يدل على قدم سماعه، وحرصه على سماع الحديث ممن قدم بلدته أصبهان قوله في "الطبقات" (3/ 310) في ترجمة شيخه إبراهيم بن سعدان: "توفي سنة أربع وثمانين ومائتين". ففي هذا النص دليل على أن
মাহদী বলেন: আবু হাফস —অর্থাৎ আল-ফাল্লাস— আস্পাহান থেকে এলেন। আবু নুমান আরিমকে এটি জানানো হলো। তিনি বললেন: আবু হাফস আস্পাহান থেকে এসেছেন এবং পাঁচ হাজার দিরহাম বহন করে এনেছেন। তিনি বললেন: "আবু দাউদ আস্পাহানে হিজরত করেছেন এবং তারা একে হিজরতের স্থানে পরিণত করেছে।"
আয-যাহাবী তাঁর রিসালাহ "আল-আমসার যাওয়াতুল আসার" (পৃষ্ঠা: ২৩২)-এ বলেছেন: "আর আস্পাহান যা ইসনাদ শাস্ত্র, হাদিসের প্রাচুর্য এবং আসারের ক্ষেত্রে বাগদাদের সাথে পাল্লা দিত।"
আস-সাখাভী "আল-ই'লান বিত-তাওবীখ"-এ বলেছেন: "আস্পাহান (হাদিসের) উচ্চ মান ও প্রাচুর্যের দিক থেকে বাগদাদের সমকক্ষ ছিল।"
এবং হাদিস শ্রবণে তাঁর সূচনা ছিল দুইশত চুরাশি হিজরি সনে, তাঁর দশ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে —আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন। ইবনে আব্দুল হাদী তাঁর "তাবাকাত" (৩/১৩৮)-এ বলেছেন: "তিনি চুরাশি —অর্থাৎ দুইশত চুরাশি— সনে শ্রবণ করেছেন এবং উচ্চ ও নিম্ন (উভয় প্রকার) ইসনাদ লিপিবদ্ধ করেছেন।"
আয-যাহাবী "আত-তাযকিরাহ" (৩/৯৪৫)-এ বলেছেন: "তিনি চুরাশি সনে এবং এরপর থেকে শুনেছেন, উচ্চ ও নিম্ন ইসনাদ লিখেছেন এবং প্রবীণদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।"
এবং তিনি "আন-নুবালা" (১৬/২৭৭)-এ বলেছেন: "তিনি শৈশবেই হাদিস অন্বেষণ করেন, তাঁর দাদা তাঁর প্রতি যত্নবান ছিলেন। তাই তিনি তাঁর দাদা মাহমুদ বিন আল-ফারজ আয-যাহিদ,
… , এবং ইসহাক বিন ইসমাঈল আর-রামলি থেকে দুইশত চুরাশি হিজরি সনে শ্রবণ করেছেন।"
এবং তিনি "আত-তারিখ" (২৬/৪১৮-৪১৯)-এ বলেছেন: "তিনি শৈশবে শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর শ্রবণের সূচনা হয় চুরাশি সনে।"
এবং তিনি "আল-ইবার" (২/১৩২)-এ বলেছেন: "তাঁর শ্রবণের সূচনা হয় দুইশত চুরাশি হিজরি সনে ইব্রাহিম বিন সা'দান, ইবনে আবি আসিম এবং তাঁদের সমসাময়িকদের নিকট থেকে।"
এর সংকলক —আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন— বলেন: তাঁর হাদিস শ্রবণের প্রাচীনত্ব এবং তাঁর নিজ শহর আস্পাহানে আগমনকারীদের থেকে হাদিস শ্রবণে তাঁর আগ্রহের প্রমাণ হলো "আত-তাবাকাত" (৩/৩১০)-এ তাঁর উস্তাদ ইব্রাহিম বিন সা'দানের জীবনীতে করা তাঁর এই উক্তি: "তিনি দুইশত চুরাশি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।" সুতরাং এই পাঠ্যাংশে এটিই দলিল যে...
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
سماعه منه كان فيها أو قبلها.
وقال -أيضًا- (3/ 307): "محمد بن أبي سهل، توفي سنة خمس وثمانين ومائتين، أدركته، وسمعت منه مجالس، وذهب سماعي".
وقال في (3/ 296): "أبو الشيخ الأبْهَري محمد بن الحسين، كتبت عنه سنة ست وثمانين ومائتين".
وقال في (3/ 429): "أبو العباس محمد بن أحمد الهروي، كتبنا عنه سنة ست وثمانين ومائتين، وخرج -يعني من أصبهان-".
وقال في (3/ 222): "القاسم بن محمد بن الصَّبَّاح الأصْبَهانِي، حضرت مجلسه، وسمعت منه، مات سنة ست أو سبع وثمانين".
وقال في (3/ 386): "أبو بكر أحمد بن عمرو البزَّار، قدم علينا مرتين، المرة الثانية سنة ست وثمانين ومائتين".
وقال في (3/ 612): "عمر بن بحر الأسدي، قدم علينا سنة ثمان وثمانين ومائتين".
وقال في (3/ 615): "عمر بن نُصَيْر القُرَشِي، كتبت عنه سنة ثمان وثمانين ومائتين، وخرج إلى طَرَسوس".
وقال أبو نعيم في "الحلية" (9/ 339): "حدثنا عبد الله بن محمد بن جَعْفَر، ثنا أبو بكر الدِّيْنوَرْي المفسر سنة ثمان وثمانين ومائتين".
وقال في (3/ 608): "أحمد بن عيسى بن ماهان الرَّازِي الجوال، قدم علينا سنة تسع وثمانين ومائتين، وأملى علينا في الجامع".
وقال في (4/ 86): "أحمد بن روح الشَّعْراني، قدم علينا -يعني قبل التسعين- ومائتين". "أخبار أصبهان" (1/ 110).
وقال في (4/ 73): "الحسن بن إدريس العَسْكري، قدم علينا سنة إحدى
তাঁর থেকে তাঁর শ্রবণ এতে অথবা এর পূর্বে ছিল।
তিনি আরও বলেন (৩/৩০৭): "মুহাম্মদ বিন আবি সাহল, তিনি দুইশত পঁচাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তাঁকে পেয়েছি, তাঁর থেকে মজলিসসমূহে (হাদিস) শুনেছি, তবে আমার শ্রুতলিপি হারিয়ে গেছে।"
তিনি (৩/২৯৬) পৃষ্ঠায় বলেন: "আবুশ শায়খ আল-আবিহারী মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, আমি তাঁর থেকে দুইশত ছিয়াশি হিজরীতে লিখেছি।"
তিনি (৩/৪২৯) পৃষ্ঠায় বলেন: "আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হারাভী, আমরা তাঁর থেকে দুইশত ছিয়াশি হিজরীতে লিখেছি, এবং তিনি বের হয়ে গিয়েছিলেন -অর্থাৎ আসবাহান থেকে-।"
তিনি (৩/২২২) পৃষ্ঠায় বলেন: "আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আল-আসবাহানী, আমি তাঁর মজলিসে উপস্থিত হয়েছি এবং তাঁর থেকে শুনেছি। তিনি দুইশত ছিয়াশি অথবা সাতাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন।"
তিনি (৩/৩৮৬) পৃষ্ঠায় বলেন: "আবু বকর আহমাদ বিন আমর আল-বাযযার, তিনি আমাদের নিকট দুইবার এসেছেন, দ্বিতীয়বার ছিল দুইশত ছিয়াশি হিজরীতে।"
তিনি (৩/৬১২) পৃষ্ঠায় বলেন: "উমর বিন বাহর আল-আসাদী, তিনি আমাদের নিকট দুইশত আটাশি হিজরীতে এসেছেন।"
তিনি (৩/৬১৫) পৃষ্ঠায় বলেন: "উমর বিন নুসাইর আল-কুরাশী, আমি তাঁর থেকে দুইশত আটাশি হিজরীতে লিখেছি এবং তিনি তারসুসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গিয়েছিলেন।"
আবু নুআইম 'আল-হিলয়াহ' (৯/৩৩৯) গ্রন্থে বলেন: "আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আদ-দিনাওয়ারী আল-মুফাসসির দুইশত আটাশি হিজরীতে বর্ণনা করেছেন।"
তিনি (৩/৬০৮) পৃষ্ঠায় বলেন: "আহমাদ বিন ঈসা বিন মাহান আর-রাযী আল-জাওয়াল, তিনি আমাদের নিকট দুইশত উননব্বই হিজরীতে এসেছেন এবং জামে মসজিদে আমাদের নিকট ইমলা (হাদিস শ্রুতলিপি) করিয়েছেন।"
তিনি (৪/৮৬) পৃষ্ঠায় বলেন: "আহমাদ বিন রুহ আশ-শা’রানী, তিনি আমাদের নিকট এসেছেন -অর্থাৎ দুইশত নব্বই হিজরীর পূর্বে-।" "আখবারু আসবাহান" (১/১১০)।
তিনি (৪/৭৩) পৃষ্ঠায় বলেন: "আল-হাসান বিন ইদরিস আল-আসকারী, তিনি আমাদের নিকট এক (একানব্বই) সনে এসেছেন"
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
وتسعين ومائتين".
وقال في (4/ 82): "الحسن بن علي بن نصر الطُّوسي، قدم علينا سنة خمس وتسعين ومائتين".
وقال (4/ 50): "عبد الله بن الحسين بن زهير النَّيْسابُوري، قدم علينا سنة ست وتسعين ومائتين، ثم خرج إلى البصرة".
وقال (3/ 502): "حاجب بن أبي بكر أرَكِيْن، قدم علينا أيام بدر سنة ست وتسعين ومائتين".
وقال في (4/ 40): "عبد اللّه بن الحسين بن محمد بن زهير النَّيْسابُوري، قدم علينا قبل الثلاثمائة، يُحدِّث من حفظه".
(8) رحلاته:سبق وأن ذكرنا قول أبي الفضل صالح بن أحمد التَّمِيْمِي فيما ينبغي على طالب الحديث أن يسلكه في بداية طلبه؛ من انشغاله بحديث علماء بلده، قال: "ثم يشتغل بعدُ بحديث البلدان والرحلة فيه".
وقد كان إمامنا أبو الشيخ الأصْبَهانِي أنموذجًا في ذلك؛ فإنه بعد اشتغاله بحديث بلده وكَتْبِه عاليًا ونازلًا، مع تفهمه وضبطه له، ومعرفته التامة بأهل بلده، اشتغل بعد ذلك بحديث البلدان والرحلة فيه.
قال ابن نقطة في "تكملة الإكمال" (2/ 199): "طاف البلاد وسمع ببغداد، وبالبصرة، وبالموصل".
وقال الذهبي في "النبلاء" (16/ 277): "سمع في ارتحاله من خلق".
وقال في "تاريخه" (26/ 419): "رحل فسمع بالبصرة، وببغداد، وبالموصل، وبحرّان، وبالرَّي".
এবং দুইশত নব্বই"।
তিনি (খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৮২)-এ বলেছেন: "হাসান ইবনে আলী ইবনে নাসর আত-তুসি, আমাদের নিকট দুইশত পঁচানব্বই হিজরি সনে আগমন করেন।"
তিনি (খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫০)-এ বলেছেন: "আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে জুহাইর আন-নাইসাবুরি, আমাদের নিকট দুইশত ছিয়ানব্বই হিজরি সনে আগমন করেন, অতঃপর তিনি বসরার উদ্দেশ্যে বের হন।"
তিনি (খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫০২)-এ বলেছেন: "হাজিব ইবনে আবি বকর আরাকিন, দুইশত ছিয়ানব্বই হিজরি সনের বদরের দিনগুলোতে আমাদের নিকট আগমন করেন।"
তিনি (খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪০)-এ বলেছেন: "আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জুহাইর আন-নাইসাবুরি, তিনশত হিজরি সনের পূর্বে আমাদের নিকট আগমন করেন, তিনি মুখস্থ থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন।"
(৮) তাঁর সফরসমূহ:একজন হাদিসের ছাত্রের জ্ঞান অর্জনের শুরুতে যা করা উচিত সে সম্পর্কে আমরা ইতিপূর্বে আবুল ফজল সালেহ ইবনে আহমাদ আত-তামিমির উক্তি উল্লেখ করেছি; যেখানে তিনি স্বীয় অঞ্চলের আলেমদের হাদিস নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছেন: "অতঃপর সে বিভিন্ন শহরের হাদিস এবং তা সংগ্রহের লক্ষ্যে সফরের কাজে নিয়োজিত হবে।"
আমাদের ইমাম আবুশ শাইখ আল-আসবাহানি এই ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন; কারণ তিনি স্বীয় অঞ্চলের হাদিসসমূহ এবং তার উচ্চ ও নিম্ন উভয় প্রকারের সূত্র সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করা, সেগুলো অনুধাবন ও আয়ত্ত করা এবং নিজ অঞ্চলের বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান অর্জনের পর বিভিন্ন শহরের হাদিস এবং তা সংগ্রহের জন্য সফরে মনোনিবেশ করেছিলেন।
ইবনে নুকতা "তাকমিলাতুল ইকমাল" (খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৯৯)-এ বলেছেন: "তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং বাগদাদ, বসরা ও মসুলে হাদিস শ্রবণ করেছেন।"
আয-যাহাবি "আন-নুবালা" (খণ্ড ১৬, পৃষ্ঠা ২৭৭)-এ বলেছেন: "তিনি তাঁর সফরকালে অসংখ্য মানুষের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন।"
তিনি তাঁর "তারিখ" (খণ্ড ২৬, পৃষ্ঠা ৪১৯)-এ বলেছেন: "তিনি সফর করেছেন এবং বসরা, বাগদাদ, মসুল, হাররান ও রাই শহরে হাদিস শ্রবণ করেছেন।"
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
(أ) أول زمن رحلاته.وقال الذهبي في "العبر" (2/ 132): "رحل في حدود الثلاثمائة إلى الموصل، وحرّان، والحجاز، والعراق".
قال مقيده -عفا الله عنه-: ولعل مأخذ قول الذهبي في تحديد رحلته بحدود الثلاثمائة، قول أبي الشيخ في ترجمة محمد بن العباس بن أيوب الأخرم في "طبقاته" (3/ 447): "سألني عنه ببغداد هيثم الدُّوري، وأبو بكر البَرْدِيْجي، وقاسم المُطرز".
وقد كانت وفاة البَرْدِيْجي ببغداد سنة إحدى وثلاثمائة -كما في "طبقات" أبي الشيخ (4/ 84).
وقد وقفت على تحديد أدق لزمن رحلته، ففي كتاب في "الطبقات" (4/ 128) قال أبو الشيخ: أحمد بن جَعْفَر بن سعيد المُلْحَمي، ارتحل فيما ذكر بضعة عشرة رحلة، آخر رحلته ونحن ببغداد سنة سبع وتسعين ومائتين.
وقد كانت رحلته في أواخر هذه السنة -أعني سنة سبع وتسعين ومائتين- ففي "الطبقات" (4/ 91): قال أبو الفتح: أبو جَعْفَر محمد بن إلياس، قدم علينا سنة سبع وتسعين ومائتين، وخرج، ولقيته ببغداد.
ومما سبق يتلخص لنا أن أول رحلته كانت في أواخر سنة سبع وتسعين ومائتين.
وقد استمر في رحلته هذه إلى سنة أربع وثلاثمائة، فقد قال في "الطبقات" (4/ 101): "أحمد بن محمد بن السَّكَن، قدم علينا -يعني أصبهان- سنة أربع وثلاثمائة،
… ، فَفُتِشَ عنه، وكان ممن يسرق الحديث، ويُحدث بالبواطيل، فتركوا حديثه، ومما كتبنا عنه
… ".
فنستفيد من هذا النص أن أبا الشيخ كان في سنة أربع وثلاثمائة بأصبهان، وأنه
(ক) তাঁর সফরের সূচনালগ্ন।আয-যাহাবী "আল-ইবার" (২/১৩২) গ্রন্থে বলেন: "তিনি তিনশত হিজরীর কাছাকাছি সময়ে মোসেল, হাররান, হিজাজ এবং ইরাকের উদ্দেশ্যে সফর করেন।"
এর সংকলক -আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন- বলেন: তাঁর সফরের সময়কাল তিনশত হিজরীর কাছাকাছি নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আয-যাহাবীর বক্তব্যের উৎস সম্ভবত আবুশ শাইখের তাঁর "তাবাকাত" (৩/৪৪৭) গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস ইবনে আইয়ুব আল-আখরামের জীবনীতে বর্ণিত এই কথাটি: "বাগদাদে হাইসাম আদ-দুরি, আবু বকর আল-বারদিজি এবং কাসিম আল-মুতাররিজ আমাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।"
আর আল-বারদিজির মৃত্যু বাগদাদে ৩০১ হিজরীতে হয়েছিল - যেমনটি আবুশ শাইখের "তাবাকাত" (৪/৮৪) গ্রন্থে রয়েছে।
আমি তাঁর সফরের সময়ের আরও নিখুঁত একটি নির্ধারণ পেয়েছি; "তাবাকাত" (৪/১২৮) গ্রন্থে আবুশ শাইখ বলেন: আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে সাঈদ আল-মুলহামি, বর্ণিত তথ্যমতে তিনি দশটিরও বেশি সফর করেছেন, তাঁর শেষ সফর ছিল ২৯৭ হিজরীতে যখন আমরা বাগদাদে ছিলাম।
আর তাঁর সফর ছিল এই বছরের শেষের দিকে - অর্থাৎ ২৯৭ হিজরীতে - কারণ "তাবাকাত" (৪/৯১) গ্রন্থে বর্ণিত আছে: আবুল ফাতহ বলেন: আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে ইলিয়াস ২৯৭ হিজরীতে আমাদের নিকট আসেন এবং বের হয়ে যান, আর আমি বাগদাদে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করি।
পূর্বোক্ত আলোচনা থেকে আমাদের নিকট এটি সারসংক্ষেপিত হয় যে, তাঁর প্রথম সফর ছিল ২৯৭ হিজরীর শেষভাগে।
আর তাঁর এই সফর ৩০৪ হিজরী পর্যন্ত অব্যাহত ছিল; কারণ তিনি "তাবাকাত" (৪/১০১) গ্রন্থে বলেছেন: "আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আস-সাকান আমাদের নিকট -অর্থাৎ ইসফাহানে- ৩০৪ হিজরীতে আগমন করেন,
… , তাঁর সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হয় এবং দেখা যায় যে তিনি হাদীস চুরিকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং মিথ্যা বর্ণনা করতেন, তাই তারা তাঁর হাদীস বর্জন করেন। আর আমরা তাঁর থেকে যা লিখেছিলাম তা হলো
… "।
সুতরাং এই বর্ণনা থেকে আমরা জানতে পারি যে, আবুশ শাইখ ৩০৪ হিজরীতে ইসফাহানে ছিলেন এবং তিনি...
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
قد رجع من رحلته التي كانت قي حدود الثلاثمائة.
(ب) صحبته في رحلاته كبار الحفاظ:وقد كان -رحمه الله تعالى- يُرافِق في رحلاته كبار الحفاظ والمسندين في زمانه، ففي "تذكرة الحفاظ" (3/ 973): ورُوي عن أبي بكر بن أبي علي-يعني محمد بن أحمد الذَّكواني- أنه قال: "كان ابن المقرئ يقول: كنتُ أنا، والطبراني، وأبو الشيخ بالمدينة، فضاق بنا الوقت، فواصلنا ذلك اليوم، فلما كان وقت العشاء حضرتُ القبر، وقلت: يا رسول الله، الجوع، فقال لي الطبراني: اجلس، فإما أن يكون الرِّزق أو الموت، فقمتُ أنا، وأبو الشيخ، فحضر الباب علوي، ففتحنا له، فإذا معه غُلامان بقفَّتين فيهما شيء كثير، وقال: شكوتموني إلى رسول النبي صلى الله عليه وسلم، رأيته في النوم، فأمرني بحمل شيءٍ إليكم.
(1)
(ج) حرص جيرانه من أهل الحديث على صحبته في الرِّحلة:قال أبو نعيم في "تاريخه" (2/ 293): "محمد بن الحسن بن علي بن معاذ أبو عبد الله جارُنا صحب أبا محمد بن حيّان أبا الشيخ، وخرج معه إلى الرَّي".
(د) رجوع بعض مشايخه الذين كان يرحل إليهم إليه، وسؤاله، وذلك في أثناء رحلته:فقد قال في كتاب "الطبقات" (3/ 447): "محمد بن العباس بن أيوب الأَخْرم، سألني عنه ببغداد هيثم الدُّوْرِي، وأبو بكر البَرْدِيْجي، وقاسم المُطرز".
وهذا يدل على علو قدْره، وعظيم شأنه، واعتماد قوله في هذا الشأن.
(هـ) اعتنائه وحرصه في أثناء رحلته على الاطلاع على أصول شيوخه:قال في "الطبقات": رأيت هذا الحديث في "فوائد أبي بكر البَرْدِيْجي" ببغداد.
--------------------------------------------
তিনি তাঁর সফর থেকে ফিরেছিলেন যা তিনশ হিজরির কাছাকাছি সময়ে হয়েছিল।
(খ) তাঁর সফরে হাফেজগণের বড় বড় ব্যক্তিবর্গের সান্নিধ্য:তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) তাঁর সফরসমূহে সমকালীন বড় বড় হাফেজ এবং মুসনিদগণের সফরসঙ্গী হতেন। 'তাজকিরাতুল হুফফাজ' (৩/ ৯৭৩) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে, আবু বকর বিন আবি আলী—অর্থাৎ মুহাম্মদ বিন আহমদ আজ-জাকওয়ানি—থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "ইবনুল মুকরি বলতেন: আমি, তাবারানি এবং আবুশ শাইখ মদিনায় ছিলাম। আমাদের খাদ্য ফুরিয়ে গিয়েছিল, তাই আমরা সেদিন অনাহারে কাটালাম। যখন এশার সময় হলো, আমি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) কবরের কাছে উপস্থিত হলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, ক্ষুধা! তখন তাবারানি আমাকে বললেন: বসুন, হয় রিজিক আসবে অথবা মৃত্যু ঘটবে। এরপর আমি এবং আবুশ শাইখ দাঁড়ালাম, তখনই দরজায় এক আলভি (আলী রা.-এর বংশধর) উপস্থিত হলেন। আমরা তাঁর জন্য দরজা খুললাম, দেখলাম তাঁর সঙ্গে দু'টি ঝুড়িসহ দুই জন ভৃত্য রয়েছে যাতে অনেক খাবার ছিল। তিনি বললেন: আপনারা কি আমার বিরুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে অভিযোগ করেছেন? আমি তাঁকে স্বপ্নে দেখেছি, তিনি আমাকে আপনাদের কাছে কিছু নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।"
(১)
(গ) সফরে তাঁর সান্নিধ্য লাভের প্রতি আহলুল হাদিস প্রতিবেশীদের আগ্রহ:আবু নুআয়ম তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে (২/ ২৯৩) বলেন: "মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন মুয়াজ আবু আবদুল্লাহ, যিনি আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন, তিনি আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান আবুশ শাইখের সাহচর্য লাভ করেন এবং তাঁর সঙ্গে রায় শহরে গমন করেন।"
(ঘ) সফরকালীন সময়ে তাঁর কিছু উস্তাদের তাঁর কাছে আসা এবং তাঁকে প্রশ্ন করা:তিনি 'আত-তবাকাত' গ্রন্থে (৩/ ৪৪৭) বলেছেন: "মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন আইয়ুব আল-আখরাম সম্পর্কে বাগদাদে আমাকে হায়সাম আদ-দুরি, আবু বকর আল-বারদিজি এবং কাসিম আল-মুতাররিজ জিজ্ঞাসা করেছিলেন।"
এটি তাঁর উচ্চ মর্যাদা, সুমহান শান এবং এই বিদ্যায় তাঁর বক্তব্যের ওপর নির্ভরযোগ্যতা প্রকাশ করে।
(ঙ) সফরকালীন সময়ে উস্তাদদের মূল পাণ্ডুলিপি দেখার প্রতি তাঁর যত্ন ও আগ্রহ:তিনি 'তবাকাত' গ্রন্থে বলেন: আমি এই হাদিসটি বাগদাদে 'ফাওয়ায়েদ আবু বকর আল-বারদিজি'-তে দেখেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
(و) ذكر بعض الأمصار والمدن التي دخلها أثناء رحلاته.
أولًا: العراق:قال الذهبي في "العبر" (2/ 132) "رحل إلى العراق، في حدود الثلاثمائة" اهـ.
ولعلها أول رحلاته، ومن مدنها التي نصت المصادر، التي وقفت عليها على دخوله إليها.
(أ) بغداد:وقد صرح بدخوله إليها أبو الشيخ نفسه في كتابه "الطبقات" (3/ 447)، (4/ 91)، (4/ 128)، وابن نقطة في "تكملة الإكمال" (2/ 199)، والذهبي في "تاريخه" (23/ 419)، والصَّفدي في "الوافي بالوفيات" (17/ 486)، وغيرهم.
وقد سمع بها من جماعة منهم:
أحمد بن الحسن الصُّوفي
(1).
أحمد بن محمد بن غَزْوان البَراثي
(2).
عبد الله بن الحسين البَجَلي الصَّفّار
(3).
أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي
(4).
محمد بن جعفر بن إلياس
(5).
(ب) البصرة:--------------------------------------------
(ওয়াও) তাঁর সফরের সময় তিনি যে সকল অঞ্চল ও শহরে প্রবেশ করেছেন তার মধ্য থেকে কয়েকটির উল্লেখ।প্রথমত: ইরাক:আয-যাহাবী "আল-ইবার" (২/ ১৩২) গ্রন্থে বলেন, "তিনি তিনশত হিজরীর কাছাকাছি সময়ে ইরাকে সফর করেছেন।" সমাপ্ত।
সম্ভবত এটিই ছিল তাঁর প্রথম সফর; আর এর অন্তর্ভুক্ত শহরগুলোর মধ্যে যেগুলোতে তিনি প্রবেশ করেছেন বলে আমি যে সকল উৎসের সন্ধান পেয়েছি তাতে উল্লেখ করা হয়েছে।
(আলিফ) বাগদাদ:স্বয়ং আবুশ শাইখ তাঁর "আত-তবাকাত" (৩/ ৪৪৭), (৪/ ৯১), (৪/ ১২৮) গ্রন্থে সেখানে তাঁর প্রবেশের কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া ইবনে নুকতাহ "তাকমিলাতুল ইকমাল" (২/ ১৯৯) গ্রন্থে, আয-যাহাবী তাঁর "তারিখ" (২৩/ ৪১৯) গ্রন্থে, আস-সাফাদী "আল-ওয়াফি বিল ওফায়াত" (১৭/ ৪৮6) গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা তা উল্লেখ করেছেন।
তিনি সেখানে একদল লোকের নিকট থেকে (হাদিস) শুনেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন:
আহমাদ বিন হাসান আস-সুফি
(১)।
আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন গাযওয়ান আল-বারাছি
(২)।
আবদুল্লাহ বিন হুসাইন আল-বাজালি আস-সাফফার
(৩)।
আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি
(৪)।
মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন ইলিয়াস
(৫)।
(বা) বসরা:--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
وقد صرح بدخوله إليها ابن نقطة في "تكملة الإكمال" (2/ 199)، والذهبي في "تاريخه" (26/ 419)، وكتاب "العلو" (2/ 1270)، والصَّفَدي في "الوافي بالوفيات" (17/ 486)، وقد سمع بها من جماعة منهم.
أبو أيوب سليمان بن الحسن السُّلمي البَصْري
(1).
وأبو خليفة الفضل بن الحُباب الجُمحي البَصْري
(2).
والقاسم بن عباد الخطّابي البَصْري
(3).
(خ) الكوفة:وقد صرح بدخوله إليها الذهبي في كتابه "العلو" (2/ 1270)، وذكر أنه سمع بها من أبي عمر محمد بن جَعْفَر بن محمد بن حبيب القتات.
(د) سُّرْ مَنْ رأى:صرح بدخوله إليها أبو الشيخ نفسه، حيث ذكر أنه سمع بها من محمد بن أحمد بن هارون العَسْكري
(4).
ثانيًا: الحجاز:قال الذهبي في "العبر" (2/ 132): رحل في حدود الثلاثمائة إلى الحجاز. ومن مدنها التي وقع التصريح بدخوله إليها.
(أ) مكة المكرمة:صرح بذلك الذهبي في "تاريخه" (26/ 419)، والصَّفَدي في "الوافي
--------------------------------------------
ইবনে নুকতাহ তার "তাকমিলাতুল ইকমাল" (২/ ১৯৯) গ্রন্থে, আয-যাহাবি তার "তারিখ" (২৬/ ৪১৯) এবং "আল-উলুউ" (২/ ১২৭০) গ্রন্থে এবং আস-সাফাদি "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" (১৭/ ৪৮৬) গ্রন্থে সেখানে তার প্রবেশের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সেখানে তাদের মধ্য থেকে একটি দলের নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।
আবু আইয়ুব সুলাইমান বিন আল-হাসান আস-সুলামি আল-বাসরি
(১)।
এবং আবু খলিফা আল-ফাদল বিন আল-হুবাব আল-জুমাহি আল-বাসরি
(২)।
এবং আল-কাসিম বিন আব্বাদ আল-খাত্তাবি আল-বাসরি
(৩)।
(খ) কুফা:আয-যাহাবি তার "আল-উলুউ" (২/ ১২৭০) গ্রন্থে সেখানে তার প্রবেশের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সেখানে আবু উমর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হাবিব আল-কাততাত থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।
(দ) সুররা মান রাআ:আবুশ শাইখ নিজেই সেখানে তার প্রবেশের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি সেখানে মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন আল-আসকারি
(৪) থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।
দ্বিতীয়ত: হিজাজ:আয-যাহাবি "আল-ইবার" (২/ ১৩২) গ্রন্থে বলেছেন: তিনি তিনশত হিজরির কাছাকাছি সময়ে হিজাজে সফর করেন। আর হিজাজের শহরগুলোর মধ্যে যেগুলোতে তার প্রবেশের কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে:
(ক) মক্কা মুকাররমা:আয-যাহাবি তার "তারিখ" (২৬/ ৪১৯) গ্রন্থে এবং আস-সাফাদি "আল-ওয়াফি" গ্রন্থে এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
بالوفيات" (17/ 486)، وسمع بها من أبي سعيد مُفَضَّل بن محمد الجَنَدي
(1).
(ب) المدينة النبوية:صرح بذلك أبو بكر بن المقرئ، كما في "تذكرة الحفاظ" (3/ 973).
ثالثًا: خُوْزستان -الأَهْواز-:
قال ياقوت الحموي في "معجم البلدان" (2/ 461): خُوْزُ: يضم أوله، وتسكين ثانيه، وآخره زاي؛ بلاد خوزستان يقال لها الخُوْز. ويقال لها الأَهْواز- أيضًا-، قال التَّوَّزي: الأَهْواز تُسمَّى بالفارسية هُرْمُشِيْر، وإنما كان اسمها الأخْواز فعرَ بها الناس، فقالوا: الأَهْواز.
قلت: وبلاد خُوْزستان المسمى بالأهواز، تقع الآن في الجنوب الغربي لجمهورية إيران
(2). وقد صرح أبو الشيخ بأن رحلته إليها كانت سنة خمس وثلاثمائة، فقال في كتابه "الطبقات" (4/ 88): شعيب بن محمد الدَّبِيْلي، قدم أصبهان سنة خمس وثلاثمائة؛ وأنا عند عبدان -يعني الأهْوازي، واسمه عبد الله بن أحمد بن موسى-.
رابعًا: بلاد الجبل:قال عماد الدين أبو الفداء صاحب حمادة في "تقويم البلدان" (ص: 458): "بلاد الجبل، ويقال: الجبال، هي البلاد المعروفة عند العامة بعراق العجم".
وتقع بلاد الجبال حاليًا في جمهورية إيران، ومن مدن بلاد الجبال التي رحل إليها أبو الشيخ الأصْبَهانِي.
الرَّي:نص على ذلك أبو نعيم الأصْبَهانِي في "تاريخه" (2/ 293)، والذهبي في
--------------------------------------------
"ওয়াফিয়াত" (১৭/ ৪৮৬)-এ [রয়েছে], আর তিনি সেখানে আবু সাঈদ মুফাদ্দাল বিন মুহাম্মাদ আল-জানাদি থেকে শ্রবণ করেছেন
(১).
(খ) মদিনা মুনাওয়ারা:আবু বকর বিন আল-মুকরি এটি স্পষ্ট করেছেন, যেমনটি "তাজকিরাতুল হুফফাজ" (৩/ ৯৭৩)-এ রয়েছে।
তৃতীয়ত: খুজিস্তান -আল-আহওয়াজ-:ইয়াকুত আল-হামাউয়ি "মুজামুল বুলদান" (২/ ৪৬১)-এ বলেন: খুজ: প্রথম অক্ষরে পেশ, দ্বিতীয় অক্ষরে সুকুন এবং শেষে যা (য) বর্ণ; খুজিস্তান অঞ্চলকে খুজ বলা হয়। একে আহওয়াজও বলা হয়। আত-তাওওয়াজি বলেন: আহওয়াজকে ফারসি ভাষায় হুরমুশির বলা হয়, আসলে এর নাম ছিল আল-আখওয়াজ, কিন্তু মানুষ একে আরবিকরণ করে ফেলেছে, ফলে তারা বলে: আল-আহওয়াজ।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: খুজিস্তান অঞ্চল যাকে আহওয়াজ বলা হয়, বর্তমানে ইরান প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত
(২)। আবুশ শায়খ স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, সেখানে তাঁর সফর ছিল তিনশত পাঁচ হিজরি সনে। তিনি তাঁর "আত-তাবাকাত" (৪/ ৮৮) গ্রন্থে বলেন: শুআইব বিন মুহাম্মাদ আদ-দাবিলি তিনশত পাঁচ হিজরিতে ইসফাহানে আসেন; আর আমি তখন আবদানের কাছে ছিলাম—অর্থাৎ আল-আহওয়াজি, যাঁর নাম আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুসা।
চতুর্থত: বিলাদুল জাবাল:হামাদার অধিপতি ইমাদুদ্দিন আবুল ফিদা "তাকউয়িমুল বুলদান" (পৃষ্ঠা: ৪৫৮)-এ বলেন: "বিলাদুল জাবাল, যাকে আল-জিবালও বলা হয়, এটি সাধারণ মানুষের কাছে ইরাকে আজম হিসেবে পরিচিত অঞ্চল।"
বর্তমানে বিলাদুল জিবাল ইরান প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত, এবং এটি বিলাদুল জিবালের সেই শহরগুলোর অন্যতম যেখানে আবুশ শায়খ আল-ইসফাহানি সফর করেছিলেন।
আর-রায়:আবু নুআইম আল-ইসফাহানি তাঁর "তারিখ" (২/ ২৯৩) গ্রন্থে এবং আজ-জাহাবি...-তে এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
"تاريخ الإسلام" (26/ 419)، والصَّفَدي في "الوافي بالوفيات" (17/ 486).
خامسًا: الجزيرة:والمراد بها جزيرة ابن عمر، وتقع على الضفة الغربية لنهر دجلة، عند ملتقى الحدود التركية الجنوبية، مع كل من سوريا والعراق
(1)، ومن مدنها التي رحل إليها أبو الشيخ الأصبهاني -رحمه الله تعالى-.
(أ) المَوْصِل:بفتح الميم، وسكون الواو، وكسر الصاد المهملة، وفي آخرها اللام، بلدة من بلاد الجزيرة بين دجلة والفرات، وسميت بذلك؛ لأنها وصلت بين الفرات ودجلة
(2). وتقع حاليًا في كُرْدُسْتان في الأراضي العراق
(3).
وقد صرح برحلته إليها ابن نقطة في "تكملة الإكمال" (2/ 199)، والذهبي في "تاريخه" (26/ 419)، و"العبر" (2/ 132)، والصَّفَدي في "الوافي بالوفيات" (17/ 486)، وقد ذكروا أنه سمع بها من أبي يعلى أحمد بن علي بن المثنى المَوْصِلي
(4).
(ب) حرّان:بتشديد الراء، وآخره نون، مدينة عظيمة مشهورة، من بلاد الجزيرة
(5)، وتقع حاليًا في سوريا، وقد صرح برحلته إليها الذهبي في "تاريخه" (23/ 419)، و"العبر" (2/ 132)، وذكر أنه سمع بها من أبي عروبة الحسين بن محمد بن مَوْدُود
--------------------------------------------
'তারিখুল ইসলাম' (২৬/ ৪১৯), এবং আস-সাফাদি 'আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত' (১৭/ ৪৮৬) গ্রন্থে।
পঞ্চম: আল-জাজিরা:এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো জাযিরাত ইবনে উমর, যা দজলা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত, যেখানে দক্ষিণ তুরস্কের সীমানা সিরিয়া ও ইরাকের সাথে মিলিত হয়েছে
(১)। এটি সেই সব শহরের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে আবুশ শায়খ আল-আসবাহানি -রাহিমাহুল্লাহ তাআলা- সফর করেছেন।
(ক) মসুল:'মিম' অক্ষরে জবর, 'ওয়াও' সাকিন, 'সাদ' অক্ষরে যের এবং শেষে 'লাম', এটি জাজিরা অঞ্চলের একটি শহর যা দজলা ও ফুরাত নদীর মাঝে অবস্থিত; আর এর নামকরণ এ জন্যই করা হয়েছে যে, এটি ফুরাত ও দজলার মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে
(২)। এটি বর্তমানে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থিত
(৩)।
তার সেখানে সফরের কথা ইবনু নুকতাহ 'তাকমিলাতুল ইকমাল' (২/ ১৯৯), আয-যাহাবি তার 'তারিখ' (২৬/ ৪১৯) ও 'আল-ইবার' (২/ ১৩২) গ্রন্থে এবং আস-সাফাদি 'আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত' (১৭/ ৪৮৬) গ্রন্থে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সেখানে আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলি ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি থেকে শুনেছেন
(৪)।
(খ) হাররান:'রা' অক্ষরে তাশদিদ এবং শেষে 'নুন', এটি জাজিরা অঞ্চলের একটি মহান ও সুপ্রসিদ্ধ শহর
(৫), যা বর্তমানে সিরিয়ায় অবস্থিত। আয-যাহাবি তার 'তারিখ' (২৩/ ৪১৯) ও 'আল-ইবার' (২/ ১৩২) গ্রন্থে সেখানে তার সফরের কথা ব্যক্ত করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সেখানে আবু আরুবাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাওদুদ থেকে শুনেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
الحراني.
(ز) استمراره في طلب الحديث، وسماعه بعد رحلاته:لم يقنع الحافظ أبو الشيخ -رحمه اللّه تعالى- بما حصّله في رحلاته التي جال فيها البلاد، واستوطن السُّهاد:
بهمةٍ في الثَّريا إثر أخمصها
… وعزمةٍ ليس من عادتها السأمُ
بل لم يزل طلابة للعلم، حريصًا على سماع الحديث من شيوخ بلده، والقادمين عليها، فقد قال في "الطبقات" (4/ 94): "محمد بن إبراهيم بن داود الجرْباذقاني، قدم علينا سنة إحدى عشرة وثلاثمائة".
وقال في (4/ 96): "عبد الرحمن بن داود بن منصور الفارسي، قدم علينا في ربيع الأول سنة ثلاث عشرة وثلاثمائة".
وقال في (4/ 108): "أبو بشر أحمد بن محمد المَرْوَزِي، قدم البلد خارجًا إلى الحج سنة ثلاث عشرة وثلاثمائة، وقرأ علينا "مشيخة" رقبة بن مصقلة".
وقال في (4/ 239): "القاضي أبو سَلْم عمرو بن عثمان البُرّي، قدم شهر جمادى الأولى سنة أربع عشرة وثلاثمائة، كثير الحديث".
وقال في (4/ 297): "صالح بن محمد بن شاذان الكَرْجي، قدم سنة ثمان عشرة وثلاثمائة، كثير الحديث".
وقال في (4/ 307): "أبو سعيد خلف بن الفضل بن يحيى البَلْخي، قدم علينا، كثير الحديث". وفي "أخبار أصبهان" (1/ 308): "قدم أصبهان، سنة عشرين وثلاثمائة".
(9) طبقته:ذكره ابن عبد الهادي في (طبقاته) (3/ 138) في الطبقة الثانية عشرة، من أصل إحدى وعشرين طبقة.
হাররানী।
(জ) হাদিস অন্বেষণে তাঁর ধারাবাহিকতা এবং সফরের পরবর্তী শ্রবণ:হাফেজ আবুশ শায়খ -আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন- দেশ-দেশান্তরে ভ্রমণ এবং নির্ঘুম রজনী যাপনের মাধ্যমে যা অর্জন করেছিলেন, তাতেই ক্ষান্ত হননি:
এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষা যা সুরাইয়া নক্ষত্রপুঞ্জের পদাঙ্ক অনুসরণ করে... আর এমন এক সংকল্প যাতে ক্লান্তির কোনো অবকাশ নেই।
বরং তিনি সর্বদা ইলমের অন্বেষণকারী এবং নিজ শহরের ও সেখানে আগত শায়খদের থেকে হাদিস শ্রবণের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। তিনি 'আত-তবাকাত' গ্রন্থে (৪/ ৯৪) বলেছেন: "মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন দাউদ আল-জারবাজাকানী, ৩১১ হিজরি সনে আমাদের নিকট আগমন করেন।"
তিনি (৪/ ৯৬) পৃষ্ঠায় বলেছেন: "আব্দুর রহমান বিন দাউদ বিন মানসুর আল-ফারিসী, ৩১৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের নিকট আগমন করেন।"
তিনি (৪/ ১০৮) পৃষ্ঠায় বলেছেন: "আবু বিশর আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী, ৩১৩ হিজরি সনে হজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে এই শহরে আসেন এবং আমাদের নিকট রাকাবা বিন মাসকালার 'মাশয়াখাহ' পাঠ করেন।"
তিনি (৪/ ২৩৯) পৃষ্ঠায় বলেছেন: "কাজী আবু সালম আমর বিন উসমান আল-বুররী, ৩১৪ হিজরি সনের জমাদিউল উলা মাসে আগমন করেন; তিনি প্রচুর হাদিসের অধিকারী ছিলেন।"
তিনি (৪/ ২৯৭) পৃষ্ঠায় বলেছেন: "সালিহ বিন মুহাম্মদ বিন শাযান আল-কারজী, ৩১৮ হিজরি সনে আগমন করেন; তিনি প্রচুর হাদিসের অধিকারী ছিলেন।"
তিনি (৪/ ৩০৭) পৃষ্ঠায় বলেছেন: "আবু সাঈদ খালাফ বিন ফজল বিন ইয়াহইয়া আল-বালখী আমাদের নিকট আগমন করেন; তিনি প্রচুর হাদিসের অধিকারী ছিলেন।" আর 'আখবারু আসবাহান' (১/ ৩০৮) গ্রন্থে এসেছে: "তিনি ৩২০ হিজরি সনে আসবাহানে আগমন করেন।"
(৯) তাঁর স্তর (তবাকাহ):ইবনে আব্দুল হাদী তাঁর 'তবাকাত' (৩/ ১৩৮) গ্রন্থে তাঁকে মোট একুশটি স্তরের মধ্যে দ্বাদশ স্তরে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
وكذا ذكره فيها الذهبي في "التذكرة" (3/ 945)، وابن ناصر الدمشقي في "بديعته" (برقم: 576)، والسيوطي في "طبقات الحفاظ" (برقم: 866)، وذكره الذهبي في كتابه "المعين في طبقات المحدثين" (برقم: 1284) في الطبقة الثالثة عشرة، من أصل ثمان وعشرين طبقة. وذكره في "النبلاء" في الطبقة الثانية والعشرين. وذكره في "تاريخ الإسلام" في الطبقة السابعة والثلاثين. وذكره في رسالته "ذكر من يعتمد قوله في الجرح والتعديل" (ص 209) في الطبقة السابعة، من أصل اثنتين. وعشرين طبقة.
فائدة:قال رُشَيْد الدين العطّار في "نزهة الناظر" (ص: 81): وفي طبقته رجل آخر موافقٌ له في اسمه واسم أبيه واسم جده ونسبته، وهو أبو العباس عبد الله بن محمد بن جَعْفَر الحياني البُوْشَنْجي، يروي عن الإمام أبي بكر ابن خزيمة. روى عنه أبو عثمان سعيد بن العباس الهروي، وأبو بكَر البَرْقاني، وربما اشتبها على من لا معرفة له بهما. وذكر ابن ناصر الدين الدمشقي في توضيحه (2/ 150) أن أبا سعد أحمد بن محمد الماليني قد حدَّث عنهما.
(10) شيوخه:أما شيوخه فهم موضوع هذا العدد ومادته من هذه السلسلة، ولكن بما أن العادة، جرت أن أذكر في مثل هذا المقام بعض الفوائد المتعلقة بهم، فأقول مستعينًا بالله عز وجل:
الفائدة الأولى: فيما يتعلق بذكر أول من أفردهم بتصنيف:أول من أفردهم بتصنيف مستقل أبو الشيخ نفسه؛ في "معجمه"، كما ذكر ذلك تلميذه أبو نعيم في "صفة الجنة" (برقم: 160) حيث قال: حدثنا أبو محمد بن حيّان
একইভাবে আয-যাহাবী তার 'আত-তাযকিরা' (৩/৯৪৫) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন, এবং ইবনুন নাসির আদ-দিমাশকি তার 'বাদিআহ' (৫৭৬ নং) গ্রন্থে, এবং আস-সুয়ূতী 'তাবাকাতুল হুফফায' (৮৬৬ নং) গ্রন্থে। আয-যাহাবী তার 'আল-মুঈন ফি তাবাকাতিল মুহাদ্দিসীন' (১২৮৪ নং) গ্রন্থে আটাশটি স্তরের মধ্যে ত্রয়োদশ স্তরে এটি উল্লেখ করেছেন। তিনি 'আন-নুবালা' গ্রন্থে এটি দ্বাবিংশ স্তরে উল্লেখ করেছেন এবং 'তারিখুল ইসলাম' গ্রন্থে সাইত্রিশতম স্তরে এটি উল্লেখ করেছেন। তিনি তার 'যিকরু মান ইউ'তামাদু কওলুহু ফিল জারহি ওয়াত তাদীল' (পৃ. ২০৯) নামক রিসালায় বাইশটি স্তরের মধ্যে সপ্তম স্তরে এটি উল্লেখ করেছেন।
ফায়দা (উপকারিতা):রুশাইদ উদ্দীন আল-আত্তার 'নুযহাতুন নাযির' (পৃ. ৮১) গ্রন্থে বলেছেন: তাঁর সমসাময়িক স্তরে এমন আরেকজন ব্যক্তি রয়েছেন যাঁর নাম, পিতার নাম, দাদার নাম এবং নিসবত (বংশপরিচয়) তাঁর সাথে হুবহু মিলে যায়; তিনি হলেন আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-হায়ইয়ানি আল-বুশানজি। তিনি ইমাম আবু বকর ইবনে খুজাইমা থেকে বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে আবু উসমান সাঈদ ইবনুল আব্বাস আল-হারাউয়ী এবং আবু বকর আল-বারকানি বর্ণনা করেছেন। যাদের এ বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান নেই, তাদের কাছে অনেক সময় এই দুই ব্যক্তির মাঝে সংশয় তৈরি হতে পারে। ইবনু নাসির আদ-দীন আদ-দিমাশকি তাঁর 'তাওদীহ' (২/১৫০) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, আবু সাদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিনী তাঁদের উভয়ের নিকট থেকেই হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(১০) তাঁর উস্তাদগণ:মূলত তাঁর উস্তাদগণই এই সংখ্যার মূল বিষয়বস্তু ও আলোচ্য উপাদান, তবে যেহেতু এই ধরণের স্থানে সাধারণত তাঁদের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ফায়দা বা তাত্ত্বিক আলোচনা করার রীতি প্রচলিত রয়েছে, তাই মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে আমি বলছি:
প্রথম ফায়দা: তাঁদের নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচয়িতাদের সর্বপ্রথম কে উল্লেখ করেছেন সে প্রসঙ্গে:তাঁদের (উস্তাদদের) নিয়ে সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন স্বয়ং আবুশ শাইখ নিজে; তাঁর 'মুজাম' গ্রন্থে। যেমনটি তাঁর ছাত্র আবু নুআইম 'সিফাতুল জান্নাহ' (১৬০ নং) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
في "معجمه". وقال في "تاريخه": (1/ 280): حدثنا أبو محمد بن حيّان، حدثنا في "معجمه". وقال في "تاريخه" (1/ 335) -أيضًا-: حدثنا أبو محمد بن حيّان في "معجمه". وقال في (2/ 255): حدثناه أبو محمد بن حبّان في "المعجم".
وقال ياقوت الحموي "معجم البلدان" (1/ 443): أحمد بن محمد بن مُكْرم بن خالد البرتي، حدَّث عنه أبو الشيخ عبد الله بن محمد بن جَعْفَر بن حيّان الحافظ الأصْبَهانِي في "معجمه". وقال ابن النجار في ذيل "تاريخ بغداد" (2/ 17): عبيد الله بن عبد الرحمن الخزاعي، روى عنه أبو الشيخ الأصْبَهانِي في "معجم شيوخه". وذكره سراج الدين القزويني (ت 683 - 750 هـ)، في "مشيخة" برقم (225) من مسموعاته، وذكره السخاوي في "الإعلان بالتوبيخ" (ص 240)، في ذكره لكتب المعاجم والمشيخات، ويُعدُّ هذا "المعجم" من تراث الأمة المفقود، والله المستعان.
الفائدة الثانية: في ذكر بعض أنواع التحمل التي صرح بها أبو الشيخ أثناء روايته عن بعض شيوخه:
(أ) السماع:وهذا كثير لا يحتاج إلى تدليل عليه.
(ب) القراءة أو العرض:وهذا كسابقه -أيضًا-.
(ج) الإجازة:وقد صرح بالتحديث بهذا النوع من أنواع التحمل في كتابه "الطبقات" (1/ 283)، حيث قال: وفيما كتب إليَّ محمد بن عَبْدان إجازة، قال: ثنا الأحوص بن المفضل. وقال في (1/ 297) -أيضًا-: فيما كتب إلينا محمد بن عَبْدان، وأجازه لنا.
তাঁর "মু'জাম"-এ। এবং তাঁর "তারিখ" (১/ ২৮০)-এ বলেছেন: আমাদের কাছে আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান বর্ণনা করেছেন, তাঁর "মু'জাম"-এ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। এবং তাঁর "তারিখ" (১/ ৩৩৫)-এও বলেছেন: আমাদের কাছে আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান তাঁর "মু'জাম"-এ বর্ণনা করেছেন। এবং (২/ ২৫৫)-এ বলেছেন: আমাদের কাছে এটি আবু মুহাম্মদ বিন হাব্বান তাঁর "মু'জাম"-এ বর্ণনা করেছেন।
এবং ইয়াকুত আল-হামাউয়ি "মু'জামুল বুলদান" (১/ ৪৪৩)-এ বলেছেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুকরিম বিন খালিদ আল-বারতি, তাঁর থেকে হাফেজ আবুশ শায়খ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আল-আসফাহানি তাঁর "মু'জাম"-এ বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনুন নাজ্জার "জাইলু তারিখি বাগদাদ" (২/ ১৭)-এ বলেছেন: উবাইদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-খুজায়ি, তাঁর থেকে আবুশ শায়খ আল-আসফাহানি তাঁর "মু'জামু শুয়ুখ"-এ বর্ণনা করেছেন। এবং সিরাজুদ্দিন আল-কাযওয়িনি (মৃ. ৬৮৩ - ৭৫০ হি.) তাঁর "মাশইয়াখাহ"-এর (২২৫) নং ক্রমিকে তাঁর শ্রবণকৃত বিষয়াদির মধ্যে এটি উল্লেখ করেছেন। আর সাখাউয়ি "আল-ই'লান বিত-তাওবিখ" (পৃ. ২৪০)-এ মু'জাম ও মাশইয়াখাহ গ্রন্থসমূহের আলোচনায় এটি উল্লেখ করেছেন। এই "মু'জাম" উম্মাহর হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হয়। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয়।
দ্বিতীয় ফায়দা: আবুশ শায়খ তাঁর জনৈক উস্তাদদের থেকে বর্ণনা করার সময় যেসব 'তাহাম্মুল' (হাদিস গ্রহণের পদ্ধতি)-এর প্রকার স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন তার বর্ণনা:
(ক) সামা' (সরাসরি শ্রবণ):এটি এত বেশি যে এর জন্য প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
(খ) কিরাত বা আরদ (পাঠ বা পেশ করা):এটিও আগেরটির মতোই।
(গ) ইজাজাহ (অনুমতি):তিনি তাঁর "তাবাকাত" (১/ ২৮৩) গ্রন্থে 'তাহাম্মুল'-এর এই প্রকারের মাধ্যমে হাদিস বর্ণনার কথা স্পষ্ট করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আবদান ইজাজাত হিসেবে আমার কাছে যা লিখেছেন তাতে আছে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আহওয়াস বিন মুফাদদাল বর্ণনা করেছেন। এবং তিনি (১/ ২৯৭)-এও বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আবদান আমাদের কাছে যা লিখেছেন এবং আমাদের ইজাজাহ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
وقال في (3/ 392): أبو بكر جدي محمود بن الفرج، أملي في ثلاثة أحاديث، وأجاز لنا كتبه ومصنفاته. قلت: وقد أكثر من الرواية عنه بالإجازة. وقال في (3/ 457): أبو عبد الله عمرو بن عثمان المكي، أجازني عامة ما أملاه.
وقال أبو نعيم في كتابه "فضائل الخلفاء" برقم (79): حدثنا أبو محمد بن حيّان، ثنا أبو العباس الهروي فيما أجازني. وقال في "صفة الجنة" برقم (85): حدثنا أبو محمد بن حيّان، ثنا جَعْفَر بن أحمد في إجازته.
فإن قال قائل: كيف الجمع بين صنيع أبي الشيخ هذا، وقول تلميذه أبي نعيم فيما أخرجه الخطيب في "الكفاية" (2/ 270): "وقال أبو نعيم: ما أدركت أحدًا من شيوخنا إلا وهو يرى الإجازة ويستعملها، سوى أبي الشيخ؛ فإنه كان لا يعدها شيئًا".
قلتُ: لعل ذلك كان في بادئ أمره، ثم لما رأى أن القول بصحتها قول الأكثر، رجع عما كان يراه، كما رجع غيره ممن كان لا يرى بصحتها كالسجزي
(1) وغيره، والله أعلم.
(د) المناولة:صرح بالتحديث بها في كتاب "الطبقات" (3/ 243)، حيث قال: ناولني أبو
بكر العقيلي كتابه، فقرأت فيه: حدثني محمد بن نصر.
(هـ) المكاتبة:صرح بتحمله وتحديثه بها في كتابه "ذكر الأقران" برقم (113) فقال: كتب إليّ محمد بن المسيب الأرْغِيانِي، حدثنا محمد بن يزيد، وقال في (رقم: 116): كتب إلى عبد الله بن حمدان، نا أحمد بن سعيد.
--------------------------------------------
এবং তিনি (৩/৩৯২) পৃষ্ঠায় বলেছেন: আবু বকর আমার দাদা মাহমুদ ইবনুল ফারাজ, তিনটি হাদিস আমাকে শ্রুতলিখন করিয়েছেন এবং তাঁর কিতাবসমূহ ও রচনাগুলোর আমাদের জন্য ইজাজাহ (বর্ণনার অনুমতি) দিয়েছেন। আমি বলছি: তিনি ইজাজাহর মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে আধিক্য দেখিয়েছেন। এবং তিনি (৩/৪৫৭) পৃষ্ঠায় বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আমর ইবনে উসমান আল-মাক্কি আমাকে তাঁর শ্রুতিলিখনের অধিকাংশ বিষয়ের ইজাজাহ দিয়েছেন।
এবং আবু নুআয়ম তাঁর "ফাদাইলুল খুলাফা" গ্রন্থে (৭৯ নং) বলেছেন: আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আব্বাস আল-হারাউই আমাদের বর্ণনা করেছেন সেই সবের মাঝে যা তিনি আমাকে ইজাজাহ দিয়েছেন। এবং তিনি "সিফাতুল জান্নাহ" গ্রন্থে (৮৫ নং) বলেছেন: আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে আহমদ তাঁর ইজাজাহর ভিত্তিতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
যদি কেউ প্রশ্ন করে: আবুশ শায়খের এই কাজ এবং তাঁর ছাত্র আবু নুআয়মের বক্তব্যের মধ্যে কীভাবে সমন্বয় করা যাবে, যা আল-খাতিব "আল-কিফায়া" (২/২৭০) গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন: "আবু নুআয়ম বলেছেন: আমি আমাদের শিক্ষকদের মাঝে এমন কাউকে পাইনি যিনি ইজাজাহর বৈধতা দিতেন না এবং তা ব্যবহার করতেন না, শুধু আবুশ শায়খ ছাড়া; কেননা তিনি এটাকে কোনো গুরুত্বই দিতেন না।"
আমি বলছি: সম্ভবত এটি তাঁর প্রাথমিক সময়ের অবস্থা ছিল, তারপর যখন তিনি দেখলেন যে এর বিশুদ্ধতার অভিমতটিই অধিকাংশের অভিমত, তখন তিনি তাঁর পূর্বের অবস্থান থেকে ফিরে আসেন, যেমনটি ফিরে এসেছিলেন অন্যরাও যারা এর বিশুদ্ধতা স্বীকার করতেন না, যেমন সিজযি
(১) এবং অন্যান্যরা। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(ঘ) মুনওয়ালা (হাতে হাতে কিতাব প্রদান):তিনি "আত-তাবাকাত" (৩/২৪৩) গ্রন্থে এর মাধ্যমে বর্ণনা করার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন: আবু বকর আল-উকাইলি তাঁর কিতাবটি আমাকে প্রদান করেছেন, অতঃপর আমি তাতে পাঠ করেছি: মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(ঙ) মুকাতাবাহ (লিখিতভাবে প্রেরণ):তিনি তাঁর "যিকরুল আকরাণ" গ্রন্থে (১১৩ নং) এর মাধ্যমে হাদিস গ্রহণ ও বর্ণনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুসাইয়্যিব আল-আরগিয়ানি আমার কাছে লিখেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং ১১৬ নং-এ তিনি বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে হামদান আমার কাছে লিখেছেন: আহমদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
বুলুগুল আমানী বিতরাজুমি শুয়ুখি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
وقال في "الطبقات" (3/ 459): "الحسين بن إسحاق الخَلّال، كتب إلي أحاديث، فمما كتب إليَّ .... " وانظر "أخبار أصبهان" (1/ 279).
الفائدة الثالثة: في بيان عدّة الرواة الذين اشترك أبو الشيخ والطبراني في الرواية عنهما.أقول: لقد اشتركا في عدد من الرواة ليسوا بقليل، فقد بلغ عدد الرواة الذين اشتركا في الرواية عنهما بضعًا وثمانين ومائة شيخ، ولكثرتهم اكتفيت بذكر عددهم، دون أسمائهم، خلافًا لما جرت به عادتي في هذا الموطن، والله المستعان.
الفائدة الرابعة:قال رُشَيْد الدين العطار في "نزهة الناظر" (ص: 80): روى أبو الشيخ عن أبي القاسم البغوي أحاديث كثيرة، ثم روى عن رجل، عن آخر، عنه، أورده أبو موسى في "اللطائف"
(1).
الفائدة الخامسة:قال الذهبي في "النبلاء" (16/ 210): "ذكر الحافظ يحيى بن مَنْدة، أن الحافظ أبا الشيخ مع تقدمه روى عن أبي علي بن الليث -واسمه الحسن بن أحمد بن محمد بن الليث، توفي سنة 405 هـ- حديثًا واحدًا. فهذا من رواية الشيوخ عن التلاميذ". وانظر -أيضًا- "تاريخ الإسلام".
(11) تلاميذه:لا شك أن من كان كإمامنا الحافظ أبي الشيخ -الذي عرف بالحرص، والجد والتشمير في أخذ العلوم، وسماع لحديث، والرحلة فيه، مع ما رزق من عُمر طويل- جدير بأن يقصده طلاب العلم في شتى البقاع، ويتنافسون على الأخذ
--------------------------------------------
এবং তিনি 'তাবাকাত' (৩/ ৪৫৯) গ্রন্থে বলেছেন: "হুসাইন ইবনে ইসহাক আল-খাল্লাল, তিনি আমার কাছে কিছু হাদিস লিখে পাঠিয়েছিলেন, তো তিনি আমার কাছে যা লিখে পাঠিয়েছিলেন তার মধ্যে রয়েছে...." এবং দেখুন 'আখবারু আসবাহান' (১/ ২৭৯)।
তৃতীয় ফায়দা: আবুশ শাইখ এবং তাবারানি যে সকল বর্ণনাকারীর থেকে হাদিস বর্ণনায় অংশীদার হয়েছেন তাদের সংখ্যার বর্ণনায়।আমি বলছি: তাঁরা উভয়েই অনেক বর্ণনাকারীর ব্যাপারে অংশীদার হয়েছেন যা সংখ্যায় কম নয়। তাঁরা যে সকল বর্ণনাকারীর থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে অংশীদার হয়েছেন তাঁদের সংখ্যা একশ আশি ও কয়েকজন শাইখ পর্যন্ত পৌঁছেছে। তাঁদের আধিক্যের কারণে আমি তাঁদের নামের পরিবর্তে শুধু সংখ্যা উল্লেখ করার উপরই সীমাবদ্ধ থেকেছি, যা এই ক্ষেত্রে আমার সাধারণ অভ্যাসের বিপরীত; আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
চতুর্থ ফায়দা:রুশাইদুদ্দীন আল-আত্তার 'নুজহাতুন নাজির' (পৃষ্ঠা: ৮০) গ্রন্থে বলেছেন: আবুশ শাইখ আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি থেকে অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি একজন ব্যক্তি থেকে, তিনি অন্য একজন থেকে, তিনি তাঁর (বাগাওয়ি) থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু মুসা এটি 'আল-লাতায়েফ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(১)
পঞ্চম ফায়দা:যাহাবি 'আন-নুবালা' (১৬/ ২১০) গ্রন্থে বলেছেন: "হাফিজ ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ উল্লেখ করেছেন যে, হাফিজ আবুশ শাইখ অগ্রবর্তী হওয়া সত্ত্বেও আবু আলী ইবনুল লাইস থেকে—তাঁর নাম হলো হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল লাইস, তিনি ৪০৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন—একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। এটি হলো উস্তাদদের পক্ষ থেকে ছাত্রদের থেকে বর্ণনা করার অন্তর্ভুক্ত।" এবং আরও দেখুন 'তারিখুল ইসলাম'।
(১১) তাঁর ছাত্রগণ:এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যিনি আমাদের ইমাম হাফিজ আবুশ শাইখের মতো—যিনি ইলম অর্জন, হাদিস শ্রবণ এবং হাদিসের জন্য দেশ ভ্রমণে গভীর আগ্রহ, প্রচেষ্টা ও একাগ্রতার জন্য পরিচিত ছিলেন, সেই সাথে তিনি দীর্ঘ জীবনও লাভ করেছিলেন—তিনি এই যোগ্যতাসম্পন্ন যে বিভিন্ন প্রান্তের ইলম অন্বেষণকারীরা তাঁর কাছে আসার সংকল্প করবে এবং ইলম গ্রহণের জন্য একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করবে...
--------------------------------------------