(খণ্ড: ১) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: -)
السنة لأبي بكر بن الخلال   (أبو بكر الخلال)

القسم: كتب السنة


الكتاب: السنة

المؤلف: أبو بكر أحمد بن محمد بن هارون بن يزيد الخَلَّال البغدادي الحنبلي (ت 311هـ)

المحقق: د. عطية الزهراني

الناشر: دار الراية - الرياض

الطبعة: الأولى، 1410هـ - 1989م

عدد الأجزاء: 7 (المتوفر إلكترونيا هو أول 5 فقط ونكمل الباقي إن شاء الله)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু বকর বিন আল-খাল্লালের আস-সুন্নাহ   (আবু বকর আল-খাল্লাল)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আস-সুন্নাহ

লেখক: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হারুন বিন ইয়াজিদ আল-খাল্লাল আল-বাগদাদি আল-হাম্বলি (মৃত ৩১১ হিজরি)

মুহাক্কিক (গবেষক): ড. আতিয়্যাহ আয-যাহরানি

প্রকাশক: দারুর রায়াহ - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১০ হিজরি - ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৭ (ইলেকট্রনিকভাবে কেবল প্রথম ৫টি পাওয়া যাচ্ছে এবং আমরা ইনশাআল্লাহ বাকিগুলো পূর্ণ করব)

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٣)
‌‌أَوَّلُ كِتَابِ الْمُسْنَدِ، مَا يُبْتَدَأُ بِهِ مِنْ طَاعَةِ الْإِمَامِ، وَتَرْكِ الْخُرُوجِ عَلَيْهِ، وَغَيْرِ ذَلِكَ
মুসনাদ গ্রন্থের প্রথম কিতাব; ইমামের আনুগত্য, তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ পরিহার এবং এ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ের প্রারম্ভিক আলোচনা।
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٣)
1 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ الْخَلَّالُ قَالَ: أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ أَبُو بَكْرٍ الْمَرُّوذِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ «وَذُكِرَ لَهُ السُّنَّةُ ⦗ص: 74⦘ وَالْجَمَاعَةُ وَالسَّمْعُ وَالطَّاعَةُ ⦗ص: 75⦘، فَحَثَّ عَلَى ذَلِكَ وَأَمَرَ بِهِ»
১ - আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হারুন আল-খাল্লাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ আবু বকর আল-মাররুযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি—যখন তাঁর নিকট সুন্নাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ ও জামাআত এবং শোনা ও আনুগত্যের কথা ⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘ উল্লেখ করা হলো, তখন তিনি এ বিষয়ে উৎসাহিত করলেন এবং এর নির্দেশ দিলেন।
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٥)
2 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَرُّوذِيُّ، أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «السَّمْعُ وَالطَّاعَةُ مَا لَمْ يُؤْمَرْ بِمَعْصِيَةٍ»
২ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মাররুজি যে, আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: «শোনা ও আনুগত্য করা ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না পাপাচারের নির্দেশ দেওয়া হয়।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٥)
3 - وَأَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حَسَّانَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، وَسُئِلَ ⦗ص: 76⦘ عَنْ طَاعَةِ السُّلْطَانِ، فَقَالَ بِيَدِهِ: «عَافَا اللَّهُ السُّلْطَانَ، تَنْبَغِي، سُبْحَانَ اللَّهِ، السُّلْطَانُ»
৩ - এবং আমাকে আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন হাসসান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, এবং তাকে ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ সুলতানের আনুগত্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে (ইশারা করে) বললেন: “আল্লাহ সুলতানকে নিরাপদ রাখুন, এটি আবশ্যক, সুবহানাল্লাহ, সুলতান।”
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٦)
4 - أَخْبَرَنِي عِصْمَةُ بْنُ عِصَامٍ، قَالَ: ثنا حَنْبَلٌ، قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ وَتَعْجِيلِهَا؟ . فَقَالَ: «وَلَدُ الْعَبَّاسِ أَقْوَمُ لِلصَّلَاةِ، وَأَشَدُّهُمْ تَعَاهُدًا لِلصَّلَاةِ مِنْ غَيْرِهِمْ» ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَطِيعُوهُمْ مَا أَقَامُوا فِيكُمُ الصَّلَاةَ»
4 - ইসমাহ ইবনে ইসাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে জুমার সালাত এবং তা ওয়াক্তের শুরুতে আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: «আব্বাসের সন্তানগণ সালাত কায়েমের ক্ষেত্রে অধিক সুপ্রতিষ্ঠিত এবং অন্যদের তুলনায় তারা সালাতের ব্যাপারে অধিক যত্নশীল», আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা তাদের আনুগত্য করো যতক্ষণ তারা তোমাদের মাঝে সালাত কায়েম রাখে।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٦)
وَقَالَ حَنْبَلٌ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ: قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «الْأَضْحَى ⦗ص: 77⦘ إِلَى الْإِمَامِ وَالْفِطْرُ، إِذَا أَفْطَرَ الْإِمَامُ أَفْطَرَ النَّاسُ، وَإِذَا ضَحَّى الْإِمَامُ ضَحَّى النَّاسُ، وَالصَّلَاةُ إِلَيْهِ أَيْضًا»
এবং হাম্বল অন্য এক স্থানে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: «ঈদুল আযহা ⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘ ইমামের ওপর নির্ভরশীল এবং ঈদুল ফিতরও। যখন ইমাম রোজা ভঙ্গ করবেন (ঈদ পালন করবেন), তখন মানুষও রোজা ভঙ্গ করবে; আর যখন ইমাম কুরবানি করবেন, তখন মানুষও কুরবানি করবে। আর সালাতও তাঁর ওপর (ইমামের ওপর) নির্ভরশীল।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٧)
5 - وَأَخْبَرَنِي يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، أَنَّ أَبَا عَبْدَ اللَّهِ قِيلَ لَهُ: " صَلَاةُ الْجُمُعَةِ وَالْعِيدَيْنِ جَائِزَةٌ خَلْفَ الْأَئِمَّةِ، الْبَرِّ وَالْفَاجِرِ مَا دَامُوا يُقِيمُونَهَا؟ قَالَ: نَعَمْ "
৫ - এবং ইউসুফ ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আবদুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "জুমুআ এবং দুই ঈদের সালাত কি ইমামদের পেছনে আদায় করা জায়েজ, তারা পুণ্যবান হোক কিংবা পাপাচারী, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তা কায়েম রাখবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٧)
6 - وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي هَارُونَ، قَالَ: ثَنَا مُثَنَّى، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَحْمَدَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ فُرَاتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: كُوفِيٌّ مَوْلَى عَزَّةَ مِنْ أَشْجَعَ ⦗ص: 78⦘، قَالَ: قَاعَدْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ خَمْسَ سِنِينَ، سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «إِنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَتْ تَسُوسُهُمُ الْأَنْبِيَاءُ، كُلَّمَا هَلَكَ نَبِيُّ خَلَفَهُ نَبِيُّ، وَإِنَّهُ لَا نَبِيَّ بَعْدِي، وَإِنَّهُ سَيَكُونُ خُلَفَاءُ فَتَكْثُرُ» قَالُوا: فَمَا تَأْمُرُنَا؟ قَالَ: «فَوَالِهِمْ بِبَيْعَةِ الْأَوَّلِ فَالْأَوَّلِ، وَأَعْطُوهُمْ حَقَّهُمُ الَّذِي جَعَلَ اللَّهُ لَهُمْ، فَإِنَّ اللَّهَ سَائِلُهُمْ عَمَّا اسْتَرْعَاهُمْ» . قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: مَا أَحْسَنَ هَذَا الْحَدِيثَ، كَأَنَّهُ أَعْجَبَهُ، وَهُوَ قَوْلُ أَهْلِ السُّنَّةِ، أَوْ كَمَا قَالَ
৬ - এবং মুহাম্মদ ইবন আবি হারুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদ-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি মুহাম্মদ ইবন জা'ফর থেকে, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুরাত থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু হাযিমকে বলতে শুনেছি। আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) বলেন: তিনি একজন কুফিবাসী, আশজা' গোত্রের আযযার মুক্তদাস ⦗পৃষ্ঠা: ৭৮⦘। তিনি (আবু হাযিম) বলেন: আমি পাঁচ বছর আবু হুরাইরাহ-র সাথে বসেছি, আমি তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই বনী ইসরাঈলকে নবীরা শাসন করতেন; যখনই একজন নবী মৃত্যুবরণ করতেন, অন্য একজন নবী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতেন। আর নিশ্চয়ই আমার পরে কোনো নবী নেই, তবে অচিরেই অনেক খলিফা হবে এবং তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।» তাঁরা বললেন: "তাহলে আপনি আমাদের কী আদেশ দিচ্ছেন?" তিনি বললেন: «তোমরা একের পর এক ক্রমানুসারে প্রথমজনের বায়আত পূর্ণ করো এবং তাদের সেই অধিকার প্রদান করো যা আল্লাহ তাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। কারণ আল্লাহ তাদের সে বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন যার দায়িত্ব তিনি তাদের ওপর অর্পণ করেছেন।» আবু আব্দুল্লাহ বলেন: "এই হাদিসটি কতই না উত্তম!" যেন এটি তাঁকে অভিভূত করেছে; এবং এটাই আহলুস সুন্নাহর অভিমত, অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন।
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٨)
7 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ فُرَاتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ، قَالَ: قَاعَدْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ خَمْسَ سِنِينَ، فَسَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «إِنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَتْ تَسُوسُهُمُ الْأَنْبِيَاءُ، كُلَّمَا هَلَكَ نَبِيُّ خَلَفَهُ نَبِيُّ، وَإِنَّهُ لَا نَبِيَّ بَعْدِي، وَإِنَّهُ سَيَكُونُ خُلَفَاءُ فَتَكْثُرُ» ، قَالُوا: فَمَا تَأْمُرُنَا؟ قَالَ: «فَوَالِهِمْ بِبَيْعَةِ الْأَوَّلِ فَالْأَوَّلِ، وَأَعْطُوهُمْ حَقَّهُمُ الَّذِي جَعَلَهُ اللَّهُ عز وجل لَهُمْ، فَإِنَّ اللَّهَ سَائِلُهُمْ عَمَّا اسْتَرْعَاهُمْ»
৭ - আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ফুরাত থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু হাযিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে পাঁচ বছর অতিবাহিত করেছি, তখন আমি তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই বনী ইসরাঈলের নেতৃত্ব নবীরা দিতেন। যখনই কোনো নবী মৃত্যুবরণ করতেন, অন্য একজন নবী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতেন। আর আমার পরে কোনো নবী নেই। তবে অচিরেই অনেক খলীফা হবে এবং তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।’ তাঁরা বললেন: তবে আপনি আমাদের কী নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: ‘একজনের পর একজনের আনুগত্যের শপথ (বাইয়াত) পূরণ করো এবং তাদের প্রাপ্য অধিকার দিয়ে দাও যা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। কারণ আল্লাহ তাদের সেই জিম্মাদারি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন যা তিনি তাদের ওপর অর্পণ করেছিলেন।’
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٧٩)
8 - وَأَخْبَرَنِي الدُّورِيُّ، قَالَ: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، قَالَ ثنا أَبُو كِبْرَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، يَقُولُ: «حِبَّ أَهْلَ بَيْتِ نَبِيِّكَ، وَلَا تَكُنْ رَافِضِيًّا، وَاعْمَلْ بِالْقُرْآنِ، وَلَا تَكُنْ حَرُورِيًّا، وَاعْلَمْ أَنَّ مَا أَتَاكَ مِنْ حَسَنَةٍ فَمِنَ اللَّهِ، وَمَا أَتَاكَ مِنْ سَيِّئَةٍ فَمِنْ نَفْسِكَ، وَلَا تَكُنْ قَدَرِيًّا، وَأَطِعِ الْإِمَامَ، وَإِنْ كَانَ عَبْدًا حَبَشِيًّا»
৮ - আদ-দুরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু কিবরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আশ-শা‘বীকে বলতে শুনেছি: «তোমার নবীর আহলে বাইতকে ভালোবাসো এবং রাফেযী হয়ো না; কুরআনের ওপর আমল করো এবং হারূরী হয়ো না; আর জেনে রেখো যে, তোমার কাছে যা কিছু কল্যাণ আসে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু অকল্যাণ আসে তা তোমার নিজের পক্ষ থেকে, এবং কাদারী হয়ো না; আর ইমামের আনুগত্য করো, যদিও তিনি একজন হাবশী গোলাম হন।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٠)
9 - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، أَنَّهُ قَالَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ: يُرْوَى عَنِ الْفُضَيْلِ أَنَّهُ قَالَ: «وَدِدْتُ أَنَّ اللَّهَ عز وجل زَادَ فِي عُمُرِ هَارُونَ وَنَقَصَ مِنْ عُمُرِي» ؟، قَالَ: نَعَمْ. يُرْوَى هَذَا عَنْهُ، وَقَالَ: يَرْحَمُ اللَّهُ الْفُضَيْلَ، كَانَ يَخَافُ أَنْ يَجِيءَ أَشَرُّ مِنْهُ
৯ - মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলেছেন: ফুযাইল থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন: “আমি আকাঙ্ক্ষা করি যে আল্লাহ মহাপ্রতাপশালী ও মহিমান্বিত হারুনের জীবনকাল বাড়িয়ে দিন এবং আমার জীবনকাল কমিয়ে দিন।” তিনি বললেন: “হ্যাঁ, এটি তাঁর থেকে বর্ণিত আছে।” এবং তিনি বললেন: “আল্লাহ ফুযাইলের প্রতি রহম করুন, তিনি আশঙ্কা করতেন যে তাঁর চেয়েও মন্দ কেউ আসবে।”
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٠)
10 - وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي هَارُونَ، أَنَّ إِسْحَاقَ، حَدَّثَهُمْ أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ ⦗ص: 81⦘ سُئِلَ عَنْ حَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ مَاتَ وَلَيْسَ لَهُ إِمَامٌ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً» ، مَا مَعْنَاهُ؟ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: " تَدْرِي مَا الْإِمَامُ؟ الْإِمَامُ الَّذِي يُجْمِعُ الْمُسْلِمُونَ عَلَيْهِ، كُلُّهُمْ يَقُولُ: هَذَا إِمَامٌ، فَهَذَا مَعْنَاهُ "
১০ - এবং মুহাম্মদ বিন আবি হারুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহকে ⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল যে তার কোনো ইমাম নেই, সে জাহিলিয়াতের মৃত্যু বরণ করল", এর অর্থ কী? আবু আব্দুল্লাহ বললেন: "তুমি কি জানো ইমাম কে? ইমাম তিনিই যাঁর ওপর মুসলিমগণ ঐক্যবদ্ধ হন, তাঁরা সকলেই বলেন: 'ইনিই ইমাম', এটাই এর অর্থ।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨١)
11 - دَفَعَ إِلَيْنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفِ بْنِ سُفْيَانَ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يَقُولُ: «وَالْفِتْنَةُ إِذَا لَمْ يَكُنْ إِمَامٌ يَقُومُ بِأَمْرِ النَّاسِ»
১১ - মুহাম্মাদ ইবনে আউফ ইবনে সুফিয়ান আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: “আর ফিতনা (বিপর্যয়) তখনই ঘটে যখন মানুষের বিষয়াবলী পরিচালনা করার জন্য কোনো ইমাম (নেতা) থাকে না।”
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٢)
12 - أَخْبَرَنِي أَبُو نُعَيْمٍ الْهَمْدَانِيُّ، بِطَرَسُوسَ قَالَ: ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: «رَأَيْتُ السُّنَّةَ مُعَلَّقَةً بِعُثْمَانَ رحمه الله، وَرَأَيْتُ الْفِتْنَةَ مُعَلَّقَةً بِالسُّلْطَانِ»
১২ - আবু নুয়াইম আল-হামদানি আমাকে তারসুসে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে, তিনি বলেন: «আমি সুন্নাহকে উসমান (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর সাথে সম্পৃক্ত দেখেছি এবং ফিতনাকে সুলতানের সাথে সম্পৃক্ত দেখেছি।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٢)
13 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: ثَنَا صَالِحُ بْنُ أَحْمَدَ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ قَالَ لِابْنِ الْكَلْبِيِّ وَالْمُظَفَّرِ رَسُولَيِ الْخَلِيفَةِ: «أَرَى طَاعَتَهُ فِي الْعُسْرِ وَالْيُسْرِ، وَالْمَنْشَطِ وَالْمَكْرَهِ وَالْأَثَرِ، وَإِنِّي لَآسِفٌ عَنْ تَخَلُّفِي عَنِ الصَّلَاةِ جَمَاعَةً، وَعَنْ حُضُورِي الْجُمُعَةَ وَدَعْوَةِ الْمُسْلِمِينَ»
১৩ - মুহাম্মদ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সালেহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা তাঁকে অবহিত করেছেন যে তিনি খলিফার দুই দূত ইবনুল কালবী ও আল-মুজাফফরকে বলেছেন: «আমি তাঁর (খলিফার) আনুগত্য করাকে কষ্ট ও স্বাচ্ছন্দ্যে, উদ্যম ও অনাগ্রহে এবং নিজের ওপর অন্যের অগ্রাধিকার প্রদানের ক্ষেত্রেও আবশ্যক মনে করি। আর আমি জামাতে নামাজে শরীক হতে না পারায় এবং জুমার নামাজে ও মুসলিমদের সমাবেশে উপস্থিত হতে না পারার কারণে অত্যন্ত ব্যথিত।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٣)
14 - أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ عِيسَى بْنِ الْوَلِيدِ، أَنَّ حَنْبَلًا، حَدَّثَهُمْ ح وَأَخْبَرَنِي عِصْمَةُ بْنُ عِصَامٍ، قَالَ: ثَنَا حَنْبَلٌ، فِي هَذِهِ الْمَسْأَلَةِ، قَالَ: «وَإِنِّي لَأَدْعُو لَهُ بِالتَّسْدِيدِ، وَالتَّوْفِيقِ، فِي اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَالتَّأْيِيدِ، وَأَرَى لَهُ ذَلِكَ وَاجِبًا عَلَيَّ»
১৪ - আলী ইবনে ঈসা ইবনুল ওয়ালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হাম্বল তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং আমাকে ইসমাহ ইবনে ইসাম সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্বল এই মাসআলায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি দিন-রাত তাঁর জন্য সঠিক পথে অবিচল থাকা, তাওফিক ও সাহায্যের দোয়া করি এবং আমি একে আমার জন্য আবশ্যক মনে করি।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٣)
15 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ⦗ص: 84⦘، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «عَلَيْكَ بِالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، فِي عُسْرِكَ وَيُسْرِكَ، وَمَنْشَطِكَ وَمَكْرَهِكَ، وَأَثَرَةٍ عَلَيْكَ»
১৫ - সাঈদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮৪⦘, আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু সালিহ আস-সাম্মান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমার ওপর শোনা ও আনুগত্য করা আবশ্যক; তোমার কষ্টে ও স্বাচ্ছন্দ্যে, তোমার উদ্যমী ও অনাগ্রহী অবস্থায়, এবং তোমার ওপর অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٤)
16 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَرُّوذِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، وَذَكَرَ الْخَلِيفَةَ الْمُتَوَكِّلَ، رحمه الله فَقَالَ: " إِنِّي لَأَدْعُو لَهُ بِالصَّلَاحِ وَالْعَافِيَةِ، وَقَالَ: لَئِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ لَتَنْظُرَنَّ مَا يَحِلُّ بِالْإِسْلَامِ "
১৬ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মাররুযী, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি—এমতাবস্থায় যে তিনি খলীফা আল-মুতাওয়াক্কিল (রহিমাহুল্লাহ)-এর কথা উল্লেখ করছিলেন—অতঃপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমি তাঁর সংশোধন ও কল্যাণের জন্য দোয়া করি।" এবং তিনি আরও বললেন: "যদি তাঁর কোনো বিপদ ঘটে, তবে তোমরা অবশ্যই দেখবে যে ইসলামের ওপর কী (বিপর্যয়) নেমে আসে।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٤)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَرُّوذِيُّ، قَالَ: ثَنَا مَرْدَوَيْهِ، قَالَ: سَمِعْتُ الْفُضَيْلَ، يَقُولُ: «النَّظَرُ إِلَى وَجْهِ الْإِمَامِ الْعَادِلِ عِبَادَةٌ»
১৭ - আবু বকর আল-মাররুজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মারদাওয়াইহ্ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-ফুজাইলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: ‘ন্যায়পরায়ণ ইমামের চেহারার দিকে তাকানো ইবাদত।’
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٥)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَرُّوذِيُّ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ يَوْمَ ضُرِبَ ابْنُ عَاصِمٍ الرَّافِضِيُّ رَأْسَ الْجِسْرِ، وَكَانَ ضُرِبَ الْحَدَّ، فَدَخَلْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ فَرَأَيْتُهُ مُسْتَبْشِرًا يَتَبَيَّنُ فِي وَجْهِهِ أَثَرَ السُّرُورِ، فَقَالَ لِي: إِنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ: «لَإِقَامَةُ حَدٍّ فِي الْأَرْضِ خَيْرٌ لِلْأَرْضِ مِنْ أَنْ تُمْطَرَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا» ، فَقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ: قَدْ جَعَلْتُ الْخَلِيفَةَ فِي حِلٍّ إِنْ كَانَ يَجِبُ لَنَا عَلَيْهِ شَيْءٌ مِنْ أُمُورِنَا، فَتَبَسَّمَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، وَكَانَ الَّذِي أَمَرَ بِضَرْبِهِ جَعْفَرٌ الْمَنْصُورُ رحمه الله، فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ الضَّرْبِ الثَّانِي الَّذِي مَاتَ فِيهِ دَخَلْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، فَجَعَلَ يَسْتَرْجِعُ وَيَسْأَلُ اللَّهَ الْعَافِيَةَ
১৮ - আবু বকর আল-মাররুযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহর নিকট সেই দিন প্রবেশ করলাম যেদিন সেতুর মুখে রাফেযী ইবনে আসিমকে প্রহার করা হয়েছিল, এবং তাকে শরয়ী দণ্ড (হদ্দ) হিসেবে প্রহার করা হয়েছিল। আমি আবু আব্দুল্লাহর নিকট প্রবেশ করে তাকে অত্যন্ত আনন্দিত অবস্থায় দেখতে পেলাম, তাঁর চেহারায় আনন্দের আভা ফুটে উঠেছিল। তিনি আমাকে বললেন: আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন: "যমীনে একটি শরয়ী দণ্ড কার্যকর করা যমীনবাসীর জন্য চল্লিশ দিন বৃষ্টিপাত হওয়ার চেয়েও উত্তম।" তখন আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আমাদের বিষয়াবলির কোনো দাবি যদি খলীফার নিকট থেকে থাকে, তবে আমি খলীফাকে তা থেকে দায়মুক্ত করে দিলাম। এতে আবু আব্দুল্লাহ মুচকি হাসলেন। আর তাকে প্রহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন জাফর আল-মানসুর (রাহিমাহুল্লাহ)। অতঃপর যখন দ্বিতীয়বার প্রহার করা হলো এবং তাতে সে মারা গেল, তখন আমি আবু আব্দুল্লাহর নিকট প্রবেশ করলাম; তিনি তখন 'ইন্নালিল্লাহ' পড়তে লাগলেন এবং আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা প্রার্থনা করতে লাগলেন।
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٦)
19 - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْكَحَّالُ، قَالَ: قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «جَعْفَرٌ الْمُتَوَكِّلُ غَيْرَ مُعْتَقِدٍ لِمَقَالَةٍ، يَعْنِي غَيْرَ مُعْتَقِدٍ لِمَقَالَةِ مَنْ كَانَ قَبْلَهُ فِي الْقُرْآنِ»
১৯ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাহহাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: "জাফর আল-মুতাওয়াক্কিল কোনো (ভ্রান্ত) মতবাদে বিশ্বাসী নন; অর্থাৎ কুরআনের বিষয়ে তাঁর পূর্বে যারা ছিলেন, তাদের মতবাদে তিনি বিশ্বাসী নন।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٦)
20 - قَالَ: وَحَدَّثَنَا الدُّورِيُّ، قَالَ: ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، قَالَ: ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: ثَنَا عَطِيَّةُ السَّرَّاجُ، أَنَّ أَبَا مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيَّ، قَالَ: «إِنَّهُ مُؤَمَّرٌ عَلَيْكَ مِثْلُكَ، فَإِنِ اهْتَدَى فَاحْمَدِ اللَّهَ، وَإِنْ عَمِلَ بِغَيْرِ ذَلِكَ فَادْعُ لَهُ بِالْهُدَى، وَلَا تُخَالِفْهُ فَتَضِلَّ»
২০ - তিনি বলেন: আমাদের নিকট আদ-দুরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবন দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবন যায়দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আতিয়্যাহ আস-সাররাজ বর্ণনা করেছেন যে, আবু মুসলিম আল-খাওলানি বলেছেন: “নিশ্চয়ই তোমার ওপর তোমার মতোই একজনকে আমির নিযুক্ত করা হয়েছে। সুতরাং যদি তিনি সঠিক পথে চলেন, তবে আল্লাহর প্রশংসা করো। আর যদি তিনি এর বিপরীত কাজ করেন, তবে তার সঠিক পথের জন্য দোয়া করো। আর তার বিরোধিতা করো না, অন্যথায় তুমি পথভ্রষ্ট হবে।”
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٦)
21 - قَالَ: وَثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ ⦗ص: 87⦘: حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ حُذَيْفَةَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: «مَنْ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ شِبْرًا فَقَدْ فَارَقَ الْإِسْلَامَ»
২১ - তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮৭⦘: আবু ইসহাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাদ ইবনে হুজাইফাহ থেকে, তিনি হুজাইফাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি জামাত থেকে এক বিঘত পরিমাণ বিচ্ছিন্ন হলো, সে ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٧)
22 - قَالَ: وَحَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي رَجَاءَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: «مَنْ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ شِبْرًا فَمَاتَ، فَمِيتَةُ جَاهِلِيَّةٍ»
২২ - তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব থেকে, আবু রাজা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি জামাআত থেকে এক বিঘত পরিমাণ বিচ্ছিন্ন হলো এবং এরপর মারা গেল, সে জাহিলিয়াতের মৃত্যু বরণ করল।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٧)
23 - وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَنْبَلٍ ⦗ص: 88⦘، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: قَالَ عَمِّي: " عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ جَاءَ إِلَى أَمْرٍ مُظْلِمٍ فَأَنَارَهُ، وَإِلَى سُنَنٍ قَدْ أُمِيتَتْ فَأَحْيَاهَا، لَمْ يَخَفْ فِي اللَّهِ لَوْمَةَ لَائِمٍ، وَلَا خَافَ فِي اللَّهِ أَحَدًا، فَأَحْيَا سُنَنًا قَدْ أُمِيتَتْ، وَشَرَّعَ شَرَائِعَ قَدْ دَرَسَتْ، رحمه الله، قَالَ عَمِّي: وَيُقَالَ: إِنَّ فِي كُلِّ كَذَا وَكَذَا يَقُومُ قَائِمٌ بِأَمْرِ اللَّهِ، ثُمَّ ذَكَرَ الْمُتَوَكِّلَ، فَقَالَ: لَقَدْ أماتَ عَنِ النَّاسِ أُمُورًا قَدْ كَانُوا أَحْدَثُوهَا مِنْ دَرْسِ الْإِسْلَامِ، وَإِظْهَارِ الْمُنْكَرِ، قُلْتُ: فَتَرَاهُ مِنْ أُولِي ⦗ص: 89⦘ الْحَقِّ؟ قَالَ: أَلَيْسَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: مَنْ أَحْيَا سُنَّةً مِنْ سُنَّتِي قَدْ أُمِيتَتْ فَقَدْ أَظْهَرَ مَا أَظْهَرَ، وَأَيُّ بَلَاءٍ كَانَ أَكْثَرَ مِنَ الذِّمِّيِّ، كَانَ أَحْدَثَ عَدُوُّ اللَّهِ، وَعَدُوُّ الْإِسْلَامِ فِي الْإِسْلَامِ مِنْ إِمَاتَةِ السُّنَّةِ، يَعْنِي الَّذِي قَبْلَ الْمُتَوَكِّلِ، فَأَحْيَا الْمُتَوَكِّلُ السُّنَّةَ، رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ "
২৩ - এবং আমাকে আব্দুল্লাহ ইবন হাম্বল সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা বলেছেন: "উমর ইবন আব্দুল আজিজ এক অন্ধকার বিষয়ের সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং তিনি সেটিকে আলোকিত করেছেন, আর এমন কিছু সুন্নাহর সম্মুখীন হয়েছিলেন যা মৃতপ্রায় (বিলুপ্ত) করে দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি সেগুলোকে পুনর্জীবিত করেছেন। আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে তিনি কোনো নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করেননি এবং আল্লাহর ব্যাপারে কাউকে ভয় পাননি। তিনি এমন সব সুন্নাহকে পুনর্জীবিত করেছেন যা বিলুপ্ত করা হয়েছিল এবং এমন সব বিধান প্রবর্তন করেছেন যা মিটে গিয়েছিল, আল্লাহ তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করুন। আমার চাচা বলেন: আর বলা হয়ে থাকে যে, প্রতিটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর আল্লাহর নির্দেশে একজন সংস্কারক দণ্ডায়মান হন। অতঃপর তিনি মুতাওয়াক্কিলের কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন: তিনি মানুষের মাঝ থেকে এমন সব বিষয়কে মিটিয়ে দিয়েছেন যা তারা ইসলামের বিলুপ্তি এবং মন্দ বিষয় প্রকাশের মাধ্যমে নতুন করে উদ্ভাবন করেছিল। আমি বললাম: আপনি কি তাকে ⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘ সত্যপন্থীদের অন্তর্ভুক্ত মনে করেন? তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেননি: 'যে ব্যক্তি আমার সুন্নাহর মধ্য থেকে এমন কোনো সুন্নাহকে পুনর্জীবিত করবে যা মৃতপ্রায় (বিলুপ্ত) করা হয়েছিল, তবে সে যা প্রকাশ করার তা প্রকাশ করল'। আর জিম্মির চেয়ে বড় বিপদ আর কী হতে পারে? আল্লাহর শত্রু এবং ইসলামের শত্রু সুন্নাহকে মিটিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামের মধ্যে যা নতুন করে উদ্ভাবন করেছিল—অর্থাৎ মুতাওয়াক্কিলের পূর্ববর্তী শাসক—অতঃপর মুতাওয়াক্কিল সুন্নাহকে পুনর্জীবিত করেছেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।"
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٩)
‌‌بَابٌ فِي الْعَبَّاسِ وَالدُّعَاءِ
আল-আব্বাস এবং দোয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٨٩)
24 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَنْبَأَ عَبْدُ الْوَهَّابِ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ⦗ص: 90⦘: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْعَبَّاسِ: «إِذَا كَانَ غَدَاةُ الْإِثْنَيْنِ فَأْتِنِي أَنْتَ وَوَلَدُكَ» ، قَالَ: فَغَدَا وَغَدَوْنَا مَعَهُ، فَأَلْبَسَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كِسَاءً لَهُ، ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْعَبَّاسِ وَوَلَدِهِ مَغْفِرَةً ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً، لَا تُغَادِرُ ذَنْبًا، اللَّهُمَّ اخْلُفْهُ فِي وَلَدِهِ»
২৪ - ইয়াহইয়া বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাওর বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস (রা.)-কে বললেন: «যখন সোমবার সকাল হবে, তখন তুমি এবং তোমার সন্তানরা আমার নিকট আসবে।» তিনি বলেন: অতঃপর তিনি সকালে আসলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে সকালে আসলাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তাঁর নিজের একটি চাদর দ্বারা আবৃত করলেন, অতঃপর বললেন: «হে আল্লাহ! আপনি আব্বাসকে এবং তাঁর সন্তানদের এমন ক্ষমা করুন যা প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য, যা কোনো গুনাহকেই অবশিষ্ট রাখবে না। হে আল্লাহ! আপনি তাঁর সন্তানদের মাঝে তাঁর উত্তম স্থলাভিষিক্ত হোন।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٩٠)
25 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى، قَالَ: أَنْبَأَ عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ: أَنْبَأَ إِسْرَائِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: صَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ، فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ، أَيُّ أَهْلِ الْأَرْضِ أَكْرَمُ عَلَى اللَّهِ عز وجل؟» قَالُوا: أَنْتَ، قَالَ: «فَإِنَّ الْعَبَّاسَ مِنِّي، وَأَنَا مِنْهُ، لَا تُؤْذُوا الْعَبَّاسَ فَتُؤْذُونِي» وَقَالَ: «مَنْ سَبَّ الْعَبَّاسَ فَقَدْ سَبَّنِي»
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবদুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন ইসরাঈল, তিনি আবদুল আ'লা থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বরে আরোহণ করলেন, অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা কীর্তন করলেন, তারপর বললেন: «হে লোকসকল, পৃথিবীবাসীর মধ্যে কে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি সম্মানিত?» তারা বললেন: আপনি। তিনি বললেন: «নিশ্চয় আব্বাস আমার অংশ এবং আমি তাঁর অংশ; তোমরা আব্বাসকে কষ্ট দিও না, অন্যথায় তোমরা আমাকেই কষ্ট দেবে।» তিনি আরও বললেন: «যে ব্যক্তি আব্বাসকে গালি দিল, সে যেন আমাকেই গালি দিল।»
(খণ্ড: ١) আস-সুন্নাহ লি-আবী বকর ইবনুল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ٩١)
26 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى، قَالَ: ثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ: ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الْعَبَّاسُ صِنْوُ أَبِي، فَمَنْ آذَى الْعَبَّاسَ فَقَدْ آذَانِي»
২৬ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমারাহ বিন আবি হাফসাহ থেকে, তিনি আবু মিজলাজ থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আব্বাস আমার পিতার সহোদর তুল্য; সুতরাং যে ব্যক্তি আব্বাসকে কষ্ট দিল, সে মূলত আমাকেই কষ্ট দিল।»