(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: -)
بيان خطا البخاري في تاريخه   (ابن أبي حاتم)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: بيان خطأ البخاري

المؤلف: عبد الرحمن بن محمد بن إدريس بن المنذر التميمي، الحنظلي، الرازي ابن أبي حاتم (ت 327هـ)

تحقيق: عبد الرحمن بن يحيى المعلمى اليماني (صحح عن النسخة القديمة الوحيدة المحفوظة في مكتبة أحمد الثالث باستانبول [رقم 624] )

الناشر: دائرة المعارف العثمانية بحيدر آباد الدكن

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 166

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বুখারীর ইতিহাসে ভুলত্রুটির বর্ণনা   (ইবনে আবি হাতিম)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: বুখারীর ভুলের বর্ণনা

লেখক: আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস বিন আল-মুনজির আত-তামিমি, আল-হানজালি, আর-রাজি ইবনে আবি হাতিম (মৃ. ৩২৭ হিজরি)

সম্পাদনা ও তাহকীক: আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (ইস্তাম্বুলের আহমদ সালাসা লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একমাত্র প্রাচীন পাণ্ডুলিপি [নম্বর ৬২৪] থেকে সংশোধিত )

প্রকাশক: দায়িরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া, হায়দ্রাবাদ ডেকান

[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৬

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١)
الامام الحافظ شيخ الاسلام أبو محمد عبد الرحمن ابن ابى حاتم الرازي المتوفى سنة 723 هـ / 938 م كتاب بيان خطا محمد بن اسماعيل البخاري في تاريخه للامام الرازي

صحح عن النسخة القديمة الوحيدة المحفوظة في مكتبة أحمد الثالث باستانبول [رقم 624]
ইমাম হাফিজ শায়খুল ইসলাম আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি (মৃত্যু ৭২৩ হিজরী / ৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ), ইমাম আর-রাজি রচিত মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারির তারিখ গ্রন্থে সংঘটিত ভুলসমূহের বর্ণনা বিষয়ক গ্রন্থ।

ইস্তাম্বুলের আহমাদ আস-সালিছ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একমাত্র প্রাচীন পাণ্ডুলিপি [নম্বর ৬২৪] হতে সম্পাদিত ও সংশোধিত।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٢)
- أ -

 

بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌(مقدمة المصحح)

الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه وأشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له واشهد أن محمدا عبده ورسوله صلوات الله وسلامه على محمد وآله وصحبه.

وبعد فان معرفة نقلة الاخبار ورواة الاحاديث والاآثار عليها مدار التمييز بين الصحيح والسقيم والمقبول والمردود، ومن اهم فروعها معرفة ما وقع من الخطأ في بعض كتب أسماء الرجلا المتلقاة بالقبول والاعتماد إذ قد يستند إليها في ذلك الخطأ بناء على أنها أهل للاستناد.

وكنت ذكرت في مقدمة كتاب الجرح والتعديل لابن ابى حاتم الرازي ومقدمة كتاب موضح أو هام الجمع والتفريق لابي بكر الخطيب البغدادي أن لابن أبى حاتم كتيبا جمع فيه تعقبات ابيه وابى زرعة الرازيين على التاريخ الكبير للبخاري، وكنت أحسبه جزءا صغيرا وان عامة فوائده قد شملها كتاب الجرح والتعديل.

ثم ان صديقى العزيز البحاثة المحقق الشيخ سليمان بن عبد الرحمن الصنيع مدير مكتبة الحرم المكى وعضو مجلس الشورى

في الدولة السعودية العلية.

وهو من أولى العناية البالغة بكتب الرجال
- অ -

 

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

‌‌(সম্পাদকের ভূমিকা)

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; এমন প্রশংসা যা অগণিত, পবিত্র ও বরকতময়। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর।

অতঃপর, সংবাদের বাহক এবং হাদিস ও আসারের (পরম্পরাগত বর্ণনা) বর্ণনাকারীদের পরিচয় জানার ওপরই সহিহ (বিশুদ্ধ) ও সাকিম (ত্রুটিপূর্ণ) এবং মাকবুল (গৃহীত) ও মারদুদ (প্রত্যাখ্যাত) বর্ণনার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ আবর্তিত হয়। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো বর্ণনাকারীদের নামের এমন কিছু কিতাবে সংঘটিত ভুলসমূহ অবগত হওয়া যা সর্বজনগৃহীত ও নির্ভরযোগ্য হিসেবে সমাদৃত; কেননা সেই ভুলগুলোর ওপর ভিত্তি করেই তথ্য গ্রহণ করা হতে পারে এই বিশ্বাসে যে, উক্ত কিতাবগুলো নির্ভর করার যোগ্য।

আমি ইবনে আবু হাতিম আর-রাজির 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' এবং আবু বকর খতিব আল-বাগদাদির 'মুদিহু আওহামিল জাময়ি ওয়াত তাফরিক' কিতাবের ভূমিকায় উল্লেখ করেছিলাম যে, ইবনে আবু হাতিমের একটি ছোট পুস্তিকা রয়েছে যাতে তিনি বুখারির 'আত-তারিখুল কাবীর'-এর ওপর তাঁর পিতা এবং আবু জুরআ আর-রাজির করা সমালোচনা ও সংশোধনগুলো সংকলন করেছেন। আমি মনে করেছিলাম এটি একটি ক্ষুদ্র অংশ এবং এর সাধারণ উপযোগিতাগুলো 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' কিতাবটিতেই অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে।

অতঃপর আমার পরম প্রিয় বন্ধু, গবেষক ও মুহাক্কিক শায়খ সুলাইমান বিন আব্দুল রহমান আল-সানি—যিনি মক্কার হারাম লাইব্রেরির পরিচালক এবং মজলিসে শুরার সদস্য

উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন সৌদি রাষ্ট্রে।

তিনি বর্ণনাকারীদের জীবনী সংক্রান্ত (রিজাল) কিতাবসমূহের প্রতি অত্যন্ত গভীর মনোনিবেশকারী ব্যক্তিদের অন্যতম।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٣)
- ب -

 

وتحقيق الاسانيد، وقف على ذكر ذاك الكتيب في فهرس المخطوطات المصورة للادارة الثقافية لجامعة الدول العربية فأخبرني بذلك وذكر لى أن المجموعة الجليلة (تاريخ البخاري، وكتاب الجرح والتعديل، والموضح للخطيب) لا تتم إلا بهذا الكتاب، وان خدمتي لتلك الكتب تتقاضانى أن أقوم بخدمته، وان ما وفقت له دائرة المعارف العثمانية من طبع تلك الكتب لا تكمل إلا بطبعه.

ثم لم يمهل أن طلب صور ذاك الكتاب على نفقته الخاصة ولم اشعر الا وهو يقدم إلى الصور.

1 - اسم الكتاب وقع في صدر هذه النسخة تسميته هكذا " بيان خطأ محمد بن اسماعيل البخاري في التاريخ " وجاء اسمه في ترجمة عباد بن عبد الصمد من لسان الميزان " كتاب خطأ البخاري " وفى التهذيب في ترجمة حسين بن شفى " خطأ البخاري " وفى ترجمة على بن حفص المروزى " كتاب الرد على البخاري " والاول هو المعتمد.

2 - الموضوع والفائدة موضوع الكتاب على التحديد بيان ما وقع من خطأ أو شبهه في النسخة التى وقف عليها الرازيان من تاريخ البخاري.

والشواهد تقضى أن ابا زرعة استقرأ تلك النسخة من اولها إلى آخرها ونبه على ما رآه خطا أو شبهه مع بيان الصواب عنده.

وترك بياضا في مواضع.

ثم تلاه أو حاتم
- ব -

 

এবং সনদসমূহের তাহকীক (যাচাই-বাছাই) করার সময় তিনি আরব লীগের সাংস্কৃতিক বিভাগের চিত্রিত পাণ্ডুলিপি সূচিতে ওই পুস্তিকাটির উল্লেখ পান। এরপর তিনি আমাকে বিষয়টি জানান এবং বলেন যে, এই মহান সংকলনটি (বুখারীর তারিখ, কিতাবুল জারহ ওয়াত তা'দীল এবং খতিবের আল-মুদিহ) এই বইটি ছাড়া পূর্ণতা পায় না। তিনি আরও বলেন যে, ওই কিতাবগুলোর প্রতি আমার খেদমত আমাকে এর খেদমতেও উৎসাহিত করে এবং দায়িরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া ওই কিতাবগুলো ছাপানোর যে তাওফিক পেয়েছে, তা এই কিতাবটি মুদ্রণ করা ছাড়া পূর্ণ হবে না।

এরপর তিনি বিলম্ব না করে নিজ খরচে ওই কিতাবটির প্রতিলিপি চেয়ে পাঠান এবং আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সেই ছবিগুলো আমার কাছে নিয়ে আসেন।

১ - গ্রন্থের নাম: এই পাণ্ডুলিপির শুরুতে গ্রন্থটির নাম এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে— "তারীখে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারীর ভুলসমূহের বর্ণনা"। আর লিসানুল মিজানে আব্বাদ ইবনে আবদুস সামাদের জীবনীতে এর নাম এসেছে "কিতাবু খাতায়িল বুখারী" (বুখারীর ভুলের কিতাব), আত-তাহযীবে হুসাইন ইবনে শাফীর জীবনীতে এসেছে "খাতায়ুল বুখারী" এবং আলী ইবনে হাফস আল-মারওয়াযীর জীবনীতে এসেছে "কিতাবুর রাদ্দ আলাল বুখারী" (বুখারীর খণ্ডনমূলক কিতাব)। তবে প্রথম নামটুকুই নির্ভরযোগ্য।

২ - বিষয়বস্তু ও উপকারিতা: গ্রন্থটির নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু হলো বুখারীর তারিখ-এর যে পাণ্ডুলিপিটি দুই রাযী (আবু যুরআ ও আবু হাতেম) দেখেছিলেন, তাতে যা কিছু ভুল বা ভুলের সদৃশ বিষয় পরিলক্ষিত হয়েছে তার বর্ণনা।

বিভিন্ন প্রমাণাদি একথাই নির্দেশ করে যে, আবু যুরআ ওই পাণ্ডুলিপিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পাঠ করেছেন এবং যে বিষয়গুলোকে তিনি ভুল বা ভুলের মতো মনে করেছেন সে ব্যাপারে সতর্ক করেছেন, সাথে সাথে তাঁর নিকট যা সঠিক তাও বর্ণনা করেছেন।

আর তিনি কিছু কিছু স্থানে ফাঁকা জায়গা রেখেছেন। এরপর আবু হাতেম তাঁর অনুসরণ করেন।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٤)
- ج -

 

فوافقه تارة وخالفة أخرى واستدرك مواضع.

واذ كان البخاري.

والرازيان من اكابر أئمة الحديث والرواية وأوسعهم حفظا واثقبهم فهما واسدهم نظرا فمن فائدة هذا الكتاب أن كل ما في التاريخ مما لم يعترضه الرازيان فهو على ظاهره من الصحة باجماعهم، ومثله بل أولى ما ذكرا انه الصواب وحكيا عن التاريخ خلافه والموجود في نسخ التاريخ ما صوباه.

ومن فائدته بالنظر إلى المواضع التى هي في نسخ التاريخ على ما حكياه وذكر أنه خطأ معرفة الخلاف ليجتهد الناظر في معرفة الصواب وكثير من ذلك لم ينبه عليه في الجرح والتعديل ولا غيره فيما علمت.

3 - النظر في تعقبات الرازيين وجدت المواضع المتعقبة على أضرب: الاول ما هو في التاريخ على ما صوبه الرازيان لا على ما حكياه عنه وخطآه، وهذا كثير جدا لعله اكثر من النصف، وقد ذكرت في مقدمة الموضح أن البخاري أخرج التاريخ ثلاث مرات وفى كل مرة يزيد وينقص ويصلح، واستظهرت ان النسخة التى وقعت للرازيين كانت مما أخرجه البخاري لاول مرة، وهذا صحيح، ولكني بعد الاطلاع على هذا الكتاب علمت انه لا يكفى لتعليل ما وقع فيه من هذا الضرب لكثرته، ولان كثيرا منه يبعد جدا أن يقع من البخاري بعضه فضلا عن كثير منه، وتبين لى أن معظم التبعة في هذا الضرب على تلك النسخة التى وقعت للرازيين، وعلى هذا فوق ما تقدم شاهدان: الاول: ان الخطيب ذكر في الموضح ج 1 ص 7 هذا الكتاب ثم قال: " وقد حكى عنه في ذلك الكتاب أشياء هي مدونة في تاريخه على الصواب
- জ -

 

কখনও তিনি তাঁর সাথে একমত হয়েছেন, আবার কখনও ভিন্নমত পোষণ করেছেন এবং কিছু স্থানে সংশোধন করেছেন।

যেহেতু বুখারি এবং দুই রাজি (ইমাম আবু যুরআ ও আবু হাতিম) হাদিস ও বর্ণন শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠ ইমামদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের মুখস্থ শক্তি অত্যন্ত ব্যাপক, অনুধাবন শক্তি অত্যন্ত প্রখর এবং দৃষ্টি অত্যন্ত সঠিক, তাই এই কিতাবের একটি উপকারিতা হলো, 'তারিখ'-এ এমন যা কিছু আছে যা নিয়ে দুই রাজি কোনো আপত্তি করেননি, তা তাঁদের সকলের ঐকমত্যে বাহ্যিকভাবে সঠিক বলে গণ্য। আর অনুরূপ—বরং অধিকতর প্রযোজ্য—হলো সেই বিষয়গুলো যা তাঁরা সঠিক বলে উল্লেখ করেছেন, অথচ 'তারিখ' থেকে এর বিপরীতটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু 'তারিখ'-এর পাণ্ডুলিপিগুলোতে সেটিই বিদ্যমান যা তাঁরা সঠিক বলে সাব্যস্ত করেছেন।

এর আরেকটি উপকারিতা হলো সেই স্থানগুলোর প্রতি লক্ষ করা, যা 'তারিখ'-এর পাণ্ডুলিপিগুলোতে তাঁদের বর্ণনা অনুযায়ী রয়েছে এবং তাঁরা সেটিকে ভুল বলে উল্লেখ করেছেন, যাতে মতপার্থক্য সম্পর্কে জানা যায় এবং পাঠক সঠিক বিষয়টি নির্ধারণে গবেষণা করতে পারেন। আমার জানামতে, এর অনেকগুলো বিষয় 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' বা অন্য কোনো গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়নি।

৩ - দুই রাজির পর্যালোচনার প্রতি দৃষ্টিপাত করলে আমি সমালোচিত বিষয়গুলোকে কয়েক ভাগে বিভক্ত পেয়েছি: প্রথমত: 'তারিখ'-এ যা আছে তা দুই রাজি যেভাবে সঠিক বলেছেন সেভাবেই রয়েছে, তাঁরা যেভাবে বর্ণনা করে ভুল বলেছেন সেভাবে নয়। এটি সংখ্যায় অনেক বেশি, সম্ভবত অর্ধেকেরও বেশি। আমি 'আল-মুওয়াদিহ' গ্রন্থের ভূমিকায় উল্লেখ করেছি যে, ইমাম বুখারি 'তারিখ' গ্রন্থটি তিনবার প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রতিবারই তিনি তাতে পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও সংশোধন করেছেন। আমি ধারণা করেছিলাম যে, দুই রাজির নিকট যে পাণ্ডুলিপিটি পৌঁছেছিল, তা ছিল বুখারির প্রথমবার প্রকাশিত সংস্করণ থেকে; এবং এটি সঠিক। কিন্তু এই কিতাবটি দেখার পর আমি জানতে পারলাম যে, এই ধরণের ঘটনার আধিক্যের কারণে এটি একক কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়। কারণ এর অনেকগুলো বিষয় ইমাম বুখারির পক্ষ থেকে ঘটা অত্যন্ত সুদূরপরাহত, এমনকি এর সামান্য অংশও তাঁর থেকে হওয়া অসম্ভব, অধিকাংশ তো পরের কথা। আমার কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এই ধরণের ভুলের প্রধান দায়ভার সেই পাণ্ডুলিপিটির ওপর, যা দুই রাজির হস্তগত হয়েছিল। এর স্বপক্ষে পূর্বোক্ত বর্ণনার অতিরিক্ত আরও দুটি প্রমাণ রয়েছে: প্রথমটি হলো, খতিব 'আল-মুওয়াদিহ' গ্রন্থের ১ম খণ্ডের ৭ম পৃষ্ঠায় এই কিতাবটির কথা উল্লেখ করেছেন এবং এরপর বলেছেন: "সেই কিতাবে তাঁর পক্ষ থেকে এমন কিছু বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে যা তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٥)
- د -

 

بخلاف الحكاية عنه " وقد وقف الخطيب على عدة نسخ من التاريخ مختلفة الاسانيد إلى البخاري.

الثاني: ان أبا حاتم هو زميل أبى زرعة ولابد ان يكون قد اطلع على تلك النسخة وعرف حالها يقول في مواضع كثيرة من هذا الكتاب " وانما هو غلط من الكاتب " أو نحو هذا راجع رقم 10، 31، 42، 66، 89، 210، 229، 230، 239، 404، 460، 472، 609.

يعنى أن الخطأ فيها ليس من البخاري ولا ممن فوقه وانما هو من كاتب تلك النسخة التى حكى عنها أبو زرعة، وثم مواضع أكثر مما ذكره الحمل فيها على الكاتب اوضح.

قد يعترض هذا بما في أول هذا الكتاب عن ابى زرعة " حمل إلى الفضل بن العباس المعروف بالصائغ كتاب التاريخ ذكر أنه كتبه من كتاب محمد بن اسماعيل البخاري فوجدت فيه … " والفضل ابن العباس الصائغ حافظ كبير يبعد أن يخطئ في النقل ذاك الخطأ الكثير.

وقد ذكرانه كتب من كتاب البخاري والظاهر انه يريد به نسخة البخاري التى تحت يده والاوجه التى تحمل التبعة على تلك النسخة توجب أحد أمرين: الاول أن يكون الفضل بن العباس حين نقل النسخة لما يستحكم علمه وقد تكون نسخة البخاري حين نقل منها لا تزال مسودة فنقل ولم يسمع لا عرض ولا قابل.

الثاني أن تكون كلمة " كتاب محمد بن اسماعيل " في عبارة ابى زرعة لا تعنى نسخة البخاري التى تحت يده وانما تعنى مؤلفه الذى هو التاريخ وتكون النسخة التى نقل منها الصائغ لبعض الطلبة غير محررة وانما نقلت عن نسخة أخرى مع جهل الكاتب ولم يسمع ولاعرض ولا قابل.
- দ -

 

...তাঁর সম্পর্কে বর্ণিত বিবরণের বিপরীতে। খতিব (আল-বাগদাদি) তারিখ-এর এমন বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি পর্যবেক্ষণ করেছেন যেগুলোর বুখারী পর্যন্ত পৌঁছানোর সনদগুলো ভিন্ন ভিন্ন ছিল।

দ্বিতীয়ত: আবু হাতিম হলেন আবু যুরআর সহকর্মী এবং অবশ্যই তিনি সেই পাণ্ডুলিপিটি দেখে থাকবেন এবং এর অবস্থা সম্পর্কে অবগত হয়ে থাকবেন। তিনি এই গ্রন্থের অনেক স্থানে বলেছেন, "এটি মূলত লিপিকারের (লেখকের) ভুল" অথবা এই জাতীয় কথা। দেখুন নম্বর: ১০, ৩১, ৪২, ৬৬, ৮৯, ২১০, ২২৯, ২৩০, ২৩৯, ৪০৪, ৪৬০, ৪৭২, ৬০৯।

অর্থাৎ, এতে বিদ্যমান ভুলগুলো বুখারীর পক্ষ থেকে নয় এবং তাঁর ঊর্ধ্বস্থ রাবীদের থেকেও নয়; বরং এটি সেই পাণ্ডুলিপির লিপিকারের পক্ষ থেকে যার উদ্ধৃতি আবু যুরআ দিয়েছেন। এছাড়া সেখানে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা তিনি উল্লেখ করেননি, যেখানে লিপিকারের ওপর দায়ভার অর্পণ করা অধিকতর স্পষ্ট।

এই গ্রন্থের শুরুতে আবু যুরআ থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তার মাধ্যমে এর ওপর আপত্তি উত্থাপিত হতে পারে যে, "সায়িগ নামে পরিচিত ফজল ইবনুল আব্বাসের নিকট 'তারিখ' গ্রন্থটি আনা হয়েছিল এবং তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে তিনি এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বুখারীর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছেন, তখন আমি তাতে পেলাম …"। অথচ ফজল ইবনুল আব্বাস আস-সায়িগ একজন বড় হাফেজ (হাদিস বিশারদ), অনুলিপিকরণে তাঁর পক্ষ থেকে এত বেশি ভুল হওয়া সুদূরপরাহত।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি বুখারীর পাণ্ডুলিপি থেকে লিখেছেন এবং বাহ্যত এর দ্বারা তিনি বুখারীর সেই পাণ্ডুলিপিটিই উদ্দেশ্য করেছেন যা তাঁর হস্তগত ছিল। এমতাবস্থায় সেই পাণ্ডুলিপির ওপর দায়ভার অর্পণ করার বিষয়টি দুটি বিষয়ের একটিকে আবশ্যক করে: প্রথমত, ফজল ইবনুল আব্বাস যখন পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করেছিলেন তখন তাঁর ইলম পরিপক্ক হয়নি; আর বুখারীর যে পাণ্ডুলিপি থেকে তিনি অনুলিপি করেছিলেন সেটি সম্ভবত তখনো খসড়া (মাসওয়াদাহ) অবস্থায় ছিল, ফলে তিনি তা শ্রবণ (সামা'), পেশ (আরয) বা মূলের সাথে মিলিয়ে দেখা (মুকাবালাহ) ছাড়াই অনুলিপি করেছিলেন।

দ্বিতীয়ত, আবু যুরআর বক্তব্যে "মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলের কিতাব" শব্দটি দ্বারা বুখারীর নিজস্ব কপিটি উদ্দেশ্য নয়; বরং এর দ্বারা তাঁর রচিত গ্রন্থ 'তারিখ' উদ্দেশ্য। আর সায়িগ যে পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছিলেন তা ছিল অন্য কোনো ছাত্রের অসম্পাদিত কপি, যা অন্য কোনো পাণ্ডুলিপি থেকে কোনো অজ্ঞ লিপিকার কর্তৃক অনুলিপি করা হয়েছিল এবং সেটিও শ্রবণ, পেশ বা মূলের সাথে মিলিয়ে দেখা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٦)
- هـ -

 

الضرب الثاني: ما اختلفت فيه نسخ التاريخ ففى بعضها كما حكاه أبو زرعة وخطأه وفى بعضها كما ذكر أنه الصواب، والامر في هذا محتمل، وموافقة بعض النسخ للنسخة التى وقف عليها أبو زرعة لا تكفى لتصحيح النسبة إلى البخاري ولا سيما ما يكثر فيه تصحيف النساخ كاسم " سعر " يتوارد النساخ على كتابته " سعد ".

الثالت: ما وقع في الموضع الذى أحال عليه أبو زرعة كما حكاه وفى موضع آخر من التاريخ على ما صوبه، وهذا قريب من الذى قبله، لكن إذا حكى البخاري كلا من القولين من وجهه غير وجه الآخر فالخلاف من قوق.

وقد يذكر البخاري مثل هذا ويرجح تصريحا أو ايماء وقد يسكت عن الترجيح، ولا يعد هذا خطأ، والبخاري معروف بشدة التثبت.

الرابع: ما هو في التاريخ على ما حكاه أبو زرعة وخطأه ولا يوجد فيه كما صوبه، والامر في هذا أيضا محتمل ولا سيما في المواضع التى تنفرد نسخة واحدة من التاريخ، وفى المواضع التى يغلب فيها تصحيف النساخ وما صحت نسبته إلى البخاري من هذا فالغالب أنه كذلك سمعه، فان كان خطأ فالخطأ ممن قبله، وما كان منه يكون أمره هينا كالنسبة إلى الجد فان ابا زرعة يعدها في جملة الخطأ وقد دفع ذلك أبو حاتم في بعض المواضع - راجع رقم 36، 92، وقد يكون الصواب مع البخاري وأخطأ أبو زرعة في تخطئته، وقد قضى أبو حاتم بذلك في مواضع منها ما هو مصرح به في هذا الكتاب ومنها ما يعلم من الجرح والتعديل - راجع رقم 11، 32، 33، 44، 49 وبالجملة استقرأت خمسين موضعا من اول الكتاب
- ৫ -

 

দ্বিতীয় প্রকার: আল-তারিখ-এর পাণ্ডুলিপিগুলোতে যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে এসেছে। কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে তা সেভাবেই রয়েছে যা আবু যুরআ বর্ণনা করেছেন এবং ভুল সাব্যস্ত করেছেন, আবার কোনো কোনোটিতে তা সেভাবেই আছে যা তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেছেন। এক্ষেত্রে বিষয়টি সম্ভাব্য। আবু যুরআ যে পাণ্ডুলিপিটি প্রত্যক্ষ করেছেন, তার সাথে কোনো কোনো পাণ্ডুলিপির মিল থাকা ইমাম বুখারীর দিকে এর সম্বন্ধকে সহীহ করার জন্য যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যেখানে লিপিকারদের পক্ষ থেকে ‘তাসহিফ’ বা পাঠবিকৃতি ঘটার ব্যাপক সম্ভাবনা থাকে, যেমন ‘সি’র’ নামটিকে লিপিকাররা পর্যায়ক্রমে ‘সা’দ’ লিখে থাকেন।

তৃতীয়: আবু যুরআ যে স্থানের কথা উল্লেখ করেছেন সেখানে বিষয়টি তাঁর বর্ণনানুযায়ী রয়েছে, তবে আল-তারিখ-এর অন্য এক স্থানে তাঁর সংশোধিত রূপ অনুযায়ী বিদ্যমান। এটি পূর্ববর্তী প্রকারের কাছাকাছি। তবে ইমাম বুখারী যদি উভয় বক্তব্যই ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করে থাকেন, তবে সেই মতভেদ উর্ধ্বতন স্তরের (সূত্রের মূল উৎস থেকে আগত)।

ইমাম বুখারী কখনো কখনো এ ধরনের বিষয় উল্লেখ করেন এবং স্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতে কোনো একটিকে প্রাধান্য দেন, আবার কখনো প্রাধান্য প্রদান থেকে বিরত থাকেন। আর এটিকে ভুল হিসেবে গণ্য করা যায় না, কারণ ইমাম বুখারী অত্যন্ত সূক্ষ্ম যাচাই-বাছাই ও দৃঢ়তার (তাকান) জন্য সুপরিচিত।

চতুর্থ: আল-তারিখ-এ বিষয়টি সেভাবেই রয়েছে যা আবু যুরআ বর্ণনা করেছেন এবং ভুল সাব্যস্ত করেছেন, এবং সেখানে তাঁর সংশোধিত রূপটি পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রেও বিষয়টি সম্ভাব্য, বিশেষ করে আল-তারিখ-এর সেই স্থানগুলোতে যা কেবল একটি পাণ্ডুলিপিতেই পাওয়া যায়, এবং সেই সব স্থানে যেখানে লিপিকারদের পাঠবিকৃতি ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। এমতাবস্থায় যা কিছু ইমাম বুখারীর দিকে সহীহভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে, তার অধিকাংশের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা এই যে, তিনি এভাবেই শ্রবণ করেছেন। সুতরাং যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে তা তাঁর পূর্ববর্তীদের পক্ষ থেকে হয়েছে। আর তাঁর পক্ষ থেকে যা ঘটেছে তা নিতান্তই সাধারণ বিষয়, যেমন দাদার দিকে নিসবত করা (সম্পৃক্ত করা)। আবু যুরআ একে ভুলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, তবে আবু হাতিম কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা খণ্ডন করেছেন—দেখুন নম্বর ৩৬, ৯২। আবার কখনো এমনও হতে পারে যে, ইমাম বুখারীই সঠিক ছিলেন এবং আবু যুরআ তাঁকে ভুল বলার ক্ষেত্রে ভুল করেছেন। আবু হাতিম অনেক ক্ষেত্রে এমন ফয়সালাই দিয়েছেন, যার কিছু এই কিতাবে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং কিছু আল-জারহ ওয়াত-তাদিল থেকে জানা যায়—দেখুন নম্বর ১১, ৩২, ৩৩, ৪৪, ৪৯। মোটের ওপর, আমি কিতাবটির শুরু থেকে পঞ্চাশটি স্থান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٧)
- و -

 

فوجدته يتجه نسبة الخطأ إلى ابى زرعة في هذه المواضع الخمسة ولا يتجه نسبه الخطأ إلى البخاري نفسه إلا في موضع واحد هو رقم 25 ذكر رجلا ممن أدركه سماه محمدا وقال الرازيان وغيرهما اسمه أحمد.

4 - حكم الخطأ هنا من الناس من عرف طرفا من علم الرواية ولم يحققه فسمع أن كثرة خطا الراوى تخدش في ثقته فإذا رأى هنا نسبة الخطا إلى البخاري أو ابى زرعة توهم أن هذا الخطأ من جنس ذاك، ومن الناس من يعرف الحقيقة ولكنه يتجاهلها لهوى له والحقيقة هي أن غالب الخطا الذى تتجه نسبته إلى البخاري نفسه أو إلى ابى زرعة انما هو من الخطا الاجتهادي الذى يوقع فيه اشتباه الحال وخفاء الدليل، وما قد يكون في ذلك مما يسوغ أن يعد خطا في الرواية فهو أمر هين لا يسلم من مثله أحد من الائمة وعلى كل حال فليس هو بالخطأ الخادش في الثقة.

5 - النسخة الاصل وصفت النسخة في فهرس المخطوطات المصورة لمعهد المخطوطات لجامعة الدول العربية ج 2 ص 51 بما يأتي " نسخة كتبت سنة 728 بخط ابى بكر ابن على بن اسماعيل البهنسى الانصاري الشافعي 25 ق، 25 س، 26 19 x [مكتبة] احمد الثالث [باستانبول] 624 (11) ضمن مجموعة من 119 ب / 143 ف 667، والمجموعة كلها تتعلق بعلوم الحديث والرواية والنسخة صالحة في الجملة وعامة ما فيها من الخطأ ويمكن تداركه كما ستراه ان شاء الله تعالى.
- ও -

 

আমি দেখলাম যে, এই পাঁচটি স্থানে ভুলের সম্বন্ধ আবু জুরআ-র দিকেই নির্দেশ করে, আর স্বয়ং বুখারীর দিকে ভুলের সম্বন্ধ নির্দেশ করে না কেবল একটি স্থান ব্যতীত; যা হলো ২৫ নম্বর ক্রমিক। সেখানে তিনি এমন একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন যাকে তিনি পেয়েছিলেন এবং তাঁর নাম মুহাম্মদ বলেছিলেন, অথচ দুই রাজী এবং অন্যান্যেরা বলেছেন যে তাঁর নাম আহমাদ।

৪ - এখানে ভুলের বিধান: মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে বর্ণনা শাস্ত্রের সামান্য কিছু জানে কিন্তু তা গভীরভাবে আয়ত্ত করেনি। সে শুনেছে যে, বর্ণনাকারীর অধিক ভুল তার নির্ভরযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফলে সে যখন এখানে বুখারী কিংবা আবু জুরআ-র দিকে ভুলের সম্বন্ধ দেখতে পায়, তখন সে ধারণা করে বসে যে এই ভুলও বোধহয় সেই পর্যায়ের। আবার মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে সত্য জানে, কিন্তু প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে তা এড়িয়ে যায়। প্রকৃত সত্য হলো, স্বয়ং বুখারী কিংবা আবু জুরআ-র দিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যেসব ভুলের সম্বন্ধ করা হয়, তা মূলত ইজতিহাদী ভুল, যা পরিস্থিতির অস্পষ্টতা ও দলিলের প্রচ্ছন্নতার কারণে ঘটে থাকে। আর এর মধ্যে যতটুকু ভুল বর্ণনার ত্রুটি হিসেবে গণ্য হওয়ার অবকাশ রাখে, তা খুবই সামান্য বিষয় যা থেকে কোনো ইমামই পুরোপুরি মুক্ত নন। আর যাই হোক, এটি এমন কোনো ভুল নয় যা নির্ভরযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ করে।

৫ - মূল পাণ্ডুলিপি: আরব রাষ্ট্রপুঞ্জের পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটের ছায়ালিপি পাণ্ডুলিপির তালিকার ২য় খণ্ড, ৫১ পৃষ্ঠায় পাণ্ডুলিপিটির বিবরণ এভাবে দেওয়া হয়েছে: "পাণ্ডুলিপিটি ৭২৮ হিজরিতে আবু বকর ইবনে আলী ইবনে ইসমাইল আল-বাহনাসী আল-আনসারী আশ-শাফিয়ী-র হস্তলিপিতে লিখিত। ২৫টি পাতা, প্রতি পাতায় ২৫টি লাইন, আকার ২৬ x ১৯ [ইস্তাম্বুলের আহমাদ আস-সালিস লাইব্রেরি] ৬২৪ (১১), যা ১১৯খ / ১৪৩ফ ৬৬৭ সম্বলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত। পুরো সংকলনটিই হাদীস ও বর্ণনা শাস্ত্র বিষয়ক। পাণ্ডুলিপিটি সামগ্রিকভাবে নির্ভুল এবং এতে বিদ্যমান সাধারণ ভুলগুলো সংশোধনযোগ্য, যা ইনশাআল্লাহ আপনি সামনে দেখতে পাবেন।"
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٨)
‌‌طريقتنا في تحقيق الكتاب

الغالب في هذه التعقبات أن تبدأ باسم رجل من المترجمين في التاريخ ثم قد يكون الاعتراض متعلقا بذاك الرجل نفسه وقد يكون متعلقا باسم أو معنى في ضمن تلك الترجمة.

وفى عدة مواضع لا يذكر اسم صاحب الترجمة بل تحكى عبارة من اثنائها وقد يتعلق بترجمة واحدة اعتراضان أو أكثر.

وعملا باشارة الصديق الشيخ سليمان الصنيع الصائبة وضعت ارقاما مسلسلة بحسب التراجم ووضعت عقب الرقم بين حاجزين رقم تلك الترجمة في تاريخ البخاري المطبوع.

وما لم يذكر فيه اسم صاحب الترجمة أضفت الاسم بين حاجزين وراجعت تلك الترجمة في التاريخ وفى الجرح والتعديل مع مراجعة مواضع أخر منهما ومن غيرهما بحسب ما يقتضيه الحال وعلقت ما ظهر لى.

وكثيرا ما تكون العبارة المحكية في هذا الكتاب عن التاريخ غير مطابقة لما في التاريخ المطبوع.

ولم التزم بيان ذلك الا حيث يختلف المعنى اختلافا بيناو ما كان في الاصل خطأ وبان لى أنه من خطأ النساخ اصلحته في المتن ونبهت في التعليق على ما وقع في الاصل.

وأسأل الله التوفيق عبد الرحمن بن يحيى المعلمى اليماني
গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমাদের পদ্ধতি

এই পর্যালোচনাগুলোর ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ে দেখা যায় যে, এটি ‘তারিখ’-এর অন্তর্ভুক্ত কোনো ব্যক্তির নাম দিয়ে শুরু হয়; অতঃপর সেই আপত্তিটি সরাসরি সেই ব্যক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে অথবা সেই জীবনীর অন্তর্ভুক্ত কোনো নাম বা অর্থের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।

বেশ কিছু স্থানে জীবনীর মূল ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি, বরং জীবনীর মাঝখান থেকে কোনো বাক্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। আবার কখনো একটি জীবনীর ওপর দুই বা ততোধিক আপত্তিও সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে।

বন্ধু শায়খ সুলায়মান আস-সানি‘-এর সঠিক পরামর্শ অনুযায়ী আমি জীবনীগুলোর ক্রমানুসারে ধারাবাহিক নম্বর প্রদান করেছি এবং সেই নম্বরের পরপরই বন্ধনীর ভেতরে বুখারীর মুদ্রিত ‘তারিখ’-এ উক্ত জীবনীর যে নম্বর রয়েছে তা বসিয়েছি।

যেখানে জীবনীর মূল ব্যক্তির নাম উল্লেখ ছিল না, সেখানে আমি বন্ধনীর ভেতরে নামটি যোগ করেছি। আমি সেই জীবনীটি ‘তারিখ’ এবং ‘আল-জারহ ওয়াত তা'দীল’-এ অনুসন্ধান করেছি এবং পরিস্থিতির প্রয়োজনে এই দুটি গ্রন্থ ও অন্যান্য গ্রন্থের অন্যান্য অংশও পর্যালোচনা করেছি। অতঃপর আমার নিকট যা স্পষ্ট হয়েছে তা আমি টীকা হিসেবে যুক্ত করেছি।

প্রায়শই এই গ্রন্থে ‘তারিখ’ থেকে উদ্ধৃত বাক্যটি মুদ্রিত ‘তারিখ’-এর পাঠের সাথে হুবহু মিলে না।

অর্থের স্পষ্ট কোনো পরিবর্তন না হলে আমি বিষয়টি উল্লেখ করার আবশ্যকতা অনুভব করিনি। আর মূল পাণ্ডুলিপিতে যা ভুল ছিল এবং আমার নিকট সেটি অনুলিপিকারের ভুল বলে স্পষ্ট হয়েছে, তা আমি মূল পাঠে সংশোধন করে দিয়েছি এবং মূলে কী ছিল তা টীকায় সতর্ক করে দিয়েছি।

আমি আল্লাহর নিকট তাওফীক প্রার্থনা করছি। আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমী আল-ইয়ামানী।
(খণ্ড: ১) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: -)
بيان خطا البخاري في تاريخه   (ابن أبي حاتم)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: بيان خطأ البخاري

المؤلف: عبد الرحمن بن محمد بن إدريس بن المنذر التميمي، الحنظلي، الرازي ابن أبي حاتم (ت 327هـ)

تحقيق: عبد الرحمن بن يحيى المعلمى اليماني (صحح عن النسخة القديمة الوحيدة المحفوظة في مكتبة أحمد الثالث باستانبول [رقم 624] )

الناشر: دائرة المعارف العثمانية بحيدر آباد الدكن

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 166

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তারিখে বুখারির ভুলসমূহের বর্ণনা   (ইবনে আবি হাতিম)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: বুখারির ভুলের বর্ণনা

লেখক: আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন ইদরীস বিন আল-মুনজির আত-তামিমী, আল-হানজালী, আর-রাজি ইবনে আবি হাতিম (মৃত্যু ৩২৭ হি.)

সম্পাদনা: আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (ইস্তাম্বুলের আহমেদ ৩ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একমাত্র প্রাচীন পাণ্ডুলিপি [নম্বর ৬২৪] থেকে সংশোধিত )

প্রকাশক: দায়িরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া, হায়দ্রাবাদ ডেকান

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৬

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١)
‌‌كتاب بيان خطإ محمد بن إسماعيل البخاري في تاريخه

رواية ابن ابى حاتم عن ابيه وأبى زرعة الرازيين رحمهم الله
মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারীর তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে সংঘটিত ভুলসমূহ বর্ণনা সম্পর্কিত কিতাব

ইবনে আবি হাতিমের বর্ণনা, তাঁর পিতা এবং আবু জুরআ আর-রাজি (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন) থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم وصلى الله على سيدنا محمد وآله وسلم قرأت بخط ابى محمد عبد الرحمن بن ابى حاتم الرازي رحمه الله: بيان خطا محمد بن اسماعيل البخاري رحمه الله في التاريخ.

قال أبو محمد عبد الرحمن بن ابى حاتم: سمعت أبى يقول قال أبو زرعة رضى الله عنهم: حمل إلى الفضل بن العباس المعروف بالصائغ كتاب التاريخ ذكر أنه كتبه من كتاب محمد بن اسماعيل البخاري فوجدت فيه: 1 -[1 / 1 / 29 - (1) ] محمد بن ابراهيم (2) بن سليمان بن سمرة (3) .

وانما هو محمد بن ابراهيم بن خبيب (4) بن سليمان بن سمرة بن جندب.

سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

(1) ما بين الحاجزين يبين موقع الترجمة في تاريخ البخاري المطبوع، ومعناه هنا: الجلد الاول، القسم الاول، الترجمة رقم 29 وقس على هذا نظائره الآتية.

(2) زاد في التاريخ " بن خبيب " فلا خطأ (3) زاد في التاريخ " بن جندب ".

(4) في الاصل " حبيب " خطأ.

(*)
দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লেখা পাণ্ডুলিপি পাঠ করেছি: তারিখ গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ভুলের বর্ণনা।

আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আবু যুরআ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) বলেছেন: ফযল ইবনে আব্বাস, যিনি আস-সাইগ নামে পরিচিত, আমার নিকট তারিখ গ্রন্থটি নিয়ে আসেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি এটি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারির কিতাব থেকে অনুলিপি করেছেন। আমি এতে পেয়েছি: ১ -[১ / ১ / ২৯ - (১) ] মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম (২) ইবনে সুলায়মান ইবনে সামুরা (৩) ।

অথচ তিনি মূলত মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে খুবাইব (৪) ইবনে সুলায়মান ইবনে সামুরা ইবনে জুনদুব।

আমি আমার পিতাকে তাঁর বক্তব্যের অনুরূপ বলতে শুনেছি।

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটি বুখারির মুদ্রিত তারিখ গ্রন্থে জীবনীর অবস্থান নির্দেশ করে। এখানে এর অর্থ হলো: প্রথম খণ্ড, প্রথম অংশ, জীবনী নম্বর ২৯। পরবর্তী ক্ষেত্রগুলোতেও একইভাবে বুঝতে হবে।

(২) তারিখ গ্রন্থে 'ইবনে খুবাইব' শব্দটুকু অতিরিক্ত রয়েছে, তাই এখানে কোনো ভুল নেই (৩) তারিখ গ্রন্থে 'ইবনে জুনদুব' শব্দটুকু অতিরিক্ত রয়েছে।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'হাবিব' রয়েছে যা ভুল।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٣)
2 -[1 / 1 / 99] محمد بن ابى بكير (1) عن ايوب عن ابراهيم بن ميسرة عن عائشة.

وانما هو ابن ابى بكيرة.

سمعت ابى [يقول] كما قال.

3 -[1 / 1 / 180] محمد بن خالد أبو يحيى ويقال أبو خبى (2) .

وانما هو أبو خبية (3) قال أبو زرعة: ثنا قبيصة ثنا أبو خبية محمد بن خالد الضبى.

سمعت ابى يقول كما قال.

4 -[1 / 1 / 232] محمد (4) بن خليدة [روى عنه الشيباني - (5) ] .

وانما هو محمد ابن زيد بن خليدة.

سمعت ابى يقول كما قال.

5 -[1 / 1 / 238] محمد بن زرارة أبو (6) عبد الله بن خزيمة … (7) .

6 - … (8) سمعت ابى يقول: وانما هو محمد بن ابى سعيد.

قال أبو زرعة: حدثنا أبو نعيم ثنا ابراهيم بن اسحاق الصنعانى عن محمد بن

ابى سعيد.

7 -[1 / 1 / 262] محمد بن سعيد (9) أبو سعيد االتغلبى.

وانما هو محمد بن

--------------------------------------------

(1) في التاريخ " بكيرة " فلا خطأ (2) مشتبه في الاصل، وراجع التاريخ (3) راجع التعليق على التاريخ (4) زاد في التاريخ " بن زيد " فلا خطأ (5) ثبت ما بين الحاجزين في الاصل، وليس في التاريخ المطبوع (6) في التاريخ " بن " فلا خطأ.

(7) سقط من الاصل بقية هذه الترجمة ولعلها " وانما هو محمد بن زرارة بن عبد الله ابن خزيمة … " وراجع الجرح والتعديل ج 3 ق 2 رقم 1422 (8) سقط ايضا اول هذا الترجمة ولم يتبين لى امرها ولكن راجع التاريخ رقم 1 / 261.

وفى ترجمة ابراهيم بن اسحاق الصنعانى من التاريخ 1 / 1 / 882 " سمع محمد بن ابى سعيد " فلا خطأ (9) زاد في التاريخ " أو ابن ابى سعيد..سمع منه محمد بن المثنى.

ويقال " ابن اسعد " فالخطأ والشك من ابن المثنى.
২ -[১ / ১ / ৯৯] মুহাম্মদ বিন আবি বুকাইর (১), আইয়ুব থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন মাইসারা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে।

মূলত তিনি হলেন ইবনে আবি বুকাইরাহ।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৩ -[১ / ১ / ১৮০] মুহাম্মদ বিন খালিদ আবু ইয়াহইয়া, আর বলা হয় আবু খাবিয়্যি (২)।

মূলত তিনি হলেন আবু খাবিয়্যাহ (৩)। আবু যুরআহ বলেছেন: কাবিসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খাবিয়্যাহ মুহাম্মদ বিন খালিদ আদ-দাব্বি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৪ -[১ / ১ / ২৩২] মুহাম্মদ (৪) বিন খুলাইদাহ [তার থেকে আশ-শায়বানি বর্ণনা করেছেন - (৫)]।

মূলত তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে জায়েদ বিন খুলাইদাহ।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৫ -[১ / ১ / ২৩৮] মুহাম্মদ বিন যুরারাহ আবু (৬) আব্দুল্লাহ বিন খুযাইমাহ … (৭)।

৬ - … (৮) আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: মূলত তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আবি সাঈদ।

আবু যুরআহ বলেছেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন ইসহাক আস-সানআনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি সাঈদ থেকে।

৭ -[১ / ১ / ২৬২] মুহাম্মদ বিন সাঈদ (৯) আবু সাঈদ আত-তাগলিবি।

মূলত তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন

--------------------------------------------

(১) তারিখে "বুকাইরাহ" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (২) মূলে অস্পষ্ট, তারিখ দেখুন। (৩) তারিখের টীকা দেখুন। (৪) তারিখে "বিন জায়েদ" বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (৫) বন্ধনীভুক্ত অংশটি মূলে সাব্যস্ত আছে, কিন্তু মুদ্রিত তারিখে নেই। (৬) তারিখে "বিন" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই।

(৭) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এই জীবনীর অবশিষ্টাংশ বিলুপ্ত হয়েছে, সম্ভবত তা হলো "মূলত তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন যুরারাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন খুযাইমাহ..."। আল-জারহ ওয়াত তাদীল, ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, নং ১৪২২ দেখুন। (৮) এই জীবনীর শুরু থেকেও অংশবিশেষ বিলুপ্ত হয়েছে এবং বিষয়টি আমার নিকট স্পষ্ট হয়নি, তবে তারিখের ১/২৬১ নম্বরটি দেখুন।

আর তারিখের ১/১/৮৮২-তে ইব্রাহিম বিন ইসহাক আস-সানআনির জীবনীতে রয়েছে "তিনি মুহাম্মদ বিন আবি সাঈদ থেকে শুনেছেন", তাই কোনো ভুল নেই। (৯) তারিখে বৃদ্ধি করা হয়েছে "অথবা ইবনে আবি সাঈদ... তার থেকে মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না শুনেছেন।

আর বলা হয় "ইবনে আসআদ", সুতরাং ভুল ও সন্দেহ ইবনে আল-মুসান্না থেকে হয়েছে।
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٤)
اسعد، حدثنا عنه محمد بن عبد الرحمن العنبري.

سمعت ابى يقول كما قال.

حدثنا عنه المقدمى.

8 -[1 / 1 / 277] [محمد بن سليمان العيذى..عن - 1] هارون بن سعد (2) عن عمران بن ظبيان (3) سمع عليا.

وعمران بن ظبيان لم يلق عليا، وانما يروى عن ابى تحيا عن على.

سمعت ابى يقول كما قال.

9 -[1 / 1 / 306] محمد بن ابى سهل بن حثمة (4) الانصاري وانما هو محمد ابن سهل بن ابى حثمة.

سمعت ابى يقول كما قال.

10 -[1 / 1 / 339] محمد بن عمربن صالح (5) ، سمع منه بشر بن عنبس بن مرحوم (6) .

وانما هو بشر بن عبيس (7) بن مرحوم.

سمعت ابى [يقول] كما قال، وانما هو غلط من الكاتب.

11 -[1 / 1 / 362] محمد بن ابى طويل سمع مجاهدا.

وانما هو محمد بن يزيد الطويل.

سمعت أبى يقول كما قال (8) .

12 -[1 / 1 / 368] محمد بن عبد الله بن عبيد (9) الانصاري.

وانما هو محمد ابن عبد الله بن زيد بن عبد ربه.

سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

(1) اضفتها من التاريخ (2) في الاصل " سعيد " خطأ (3) زاد في التاريخ " عن ابى تحيا " فلا خطأ (4) الذى في التاريخ " محمد بن سهل بن ابى حثمة " فلا خطأ.

(5) في التاريخ " محمد بن صالح بن عمر " ثم ذكر ان بعضهم قدم وأخر (6) في التاريخ " بشر بن مرحوم " نسبه إلى جده (7) في الاصل " عنبس " خطأ.

(8) كذا وقد ذكر ابن ابى حاتم 3 / 2 / 1591 " محمد بن ابى طويل.." كما ذكره البخاري وقال " سمعت ابى يقول ذلك وسمعته يقول هو مكي ليس بمشهور ".

في التاريخ " محمد بن عبد الله بن زيد بن عبد ربه " فلا خطأ.

(*)
আসআদ, তার থেকে আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-আনবারী বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি।

মুকাদ্দামী তাঁর থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

৮ -[১ / ১ / ২৭৭] [মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আল-আইযী... থেকে - ১] হারুন বিন সাদ (২) ইমরান বিন যাবইয়ান (৩) থেকে, তিনি আলী থেকে শুনেছেন।

আর ইমরান বিন যাবইয়ান আলীর সাথে সাক্ষাৎ করেননি, বরং তিনি আবু তাহইয়া থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি।

৯ -[১ / ১ / ৩০৬] মুহাম্মাদ বিন আবি সাহল বিন হাসমাহ (৪) আল-আনসারী; প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন সাহল বিন আবি হাসমাহ।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি।

১০ -[১ / ১ / ৩৩৯] মুহাম্মাদ বিন উমর বিন সালিহ (৫), তাঁর থেকে বিশর বিন আনবাস বিন মারহুম (৬) শুনেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন বিশর বিন উবাইস (৭) বিন মারহুম।

আমি আমার পিতাকে [বলতে] শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন, আর এটি মূলত লেখকের ভুল।

১১ -[১ / ১ / ৩৬২] মুহাম্মাদ বিন আবি তওয়ীল মুজাহিদ থেকে শুনেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াযীদ আত-তওয়ীল।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি (৮)।

১২ -[১ / ১ / ৩৬৮] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদ (৯) আল-আনসারী।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাইদ বিন আব্দু রাব্বিহি।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি।

--------------------------------------------

(১) আমি এটি আত-তারীখ থেকে যোগ করেছি (২) মূলে "সাঈদ" আছে যা ভুল (৩) আত-তারীখ গ্রন্থে "আবু তাহইয়া থেকে" অতিরিক্ত আছে, সুতরাং কোনো ভুল নেই (৪) আত-তারীখ গ্রন্থে যা আছে তা হলো "মুহাম্মাদ বিন সাহল বিন আবি হাসমাহ", সুতরাং কোনো ভুল নেই।

(৫) আত-তারীখ গ্রন্থে আছে "মুহাম্মাদ বিন সালিহ বিন উমর", এরপর তিনি উল্লেখ করেছেন যে কেউ কেউ আগে-পিছে করেছেন (৬) আত-তারীখ গ্রন্থে আছে "বিশর বিন মারহুম", তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে (৭) মূলে "আনবাস" আছে যা ভুল।

(৮) এমনই আছে, এবং ইবনে আবি হাতিম ৩ / ২ / ১৫৯১-এ উল্লেখ করেছেন "মুহাম্মাদ বিন আবি তওয়ীল..." যেমনটি বুখারী উল্লেখ করেছেন এবং তিনি বলেছেন "আমি আমার পিতাকে তা বলতে শুনেছি এবং তাঁকে বলতে শুনেছি যে তিনি মক্কী, প্রসিদ্ধ নন"।

আত-তারীখ গ্রন্থে আছে "মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাইদ বিন আব্দু রাব্বিহি", সুতরাং কোনো ভুল নেই।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٥)
13 -[1 / 1 / 404] محمد بن عبد الله بن عباد (1) .

واما هو محمد بن عباد ابن عبد الله.

سمعت ابى يقول كما قال (2) .

14 -[1 / 1 / 432] محمد بن (3) عبد الله الاسدي، روى عنه معاوية بن صالح.

وانما هو محمد أبو عبد الله الاسدي.

سمعت ابى يقول كما قال، روى عن وابصة.

15 -[1 / 1 / 477] محمد (4) بن عبد الرحمن بن يحنس.

وانما هو عبد الله ابن عبد الرحمن بن يحنس قال /.

روى ابن ابى ذئب وابن اسحاق حديث ام سلمة (5) .

وانما رواه ابن ابى فديك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن يحنس.

والدراوردى.

ورواه ابن اسحاق عن سليمان بن سحيم.

سمعت ابى يقول كما قال.

16 -[1 / 1 / 499] محمد بن عبد العزيز (6) بن عبد الرحمن بن عوف.

وانما

هو محمد بن عبد العزيز بن عمر بن عبد الرحمن بن عوف.

سمعت ابى يقول كما قال.

17 -[1 / 1 / 504] محمد بن عبد الحميد (7) المدنى روى عنه النفيلى.

وانما

--------------------------------------------

(1) ذكره البخاري وقال " قال لى محمد أبو يحيى ثنا سعيد بن منصور ثنا فليح عن صالح بن عجلان ومحمد بن عبد الله بن عباد.." فذكر خبرا تراه في سنن ابى داود - الجنائز - باب الصلاة على الجنازة في المسجد.

رواه عن سعيد بن منصور كما قال البخاري فان كان خطأ فمن فليح، وانظر التهذيب (2) راجع الجرح والتعديل.

(3) في التاريخ " أبو " فلا خطأ (4) كذا سماه بعض الرواة فذكره البخاري وذكر قول من سماه عبد الله (5) ليس هذا اللفظ في التاريخ ولا فيه ذكر لابن ابى ذئب، وفيه عدة اوجه منسوبة إلى رواتها فراجعه (6) زاد في التاريخ " بن عمر " فلا خطأ (7) في التاريخ " عبد المجيد " فلا خطأ.

* راجع مقدمة المصحح لهذا الكتاب.

(*)
১৩ -[১ / ১ / ৪০৪] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাদ (১)।

আর প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ ইবনে আব্দুল্লাহ।

আমি আমার পিতাকে তিনি যেমনটি বলেছেন তেমনটি বলতে শুনেছি (২)।

১৪ -[১ / ১ / ৪৩২] মুহাম্মাদ বিন (৩) আব্দুল্লাহ আল-আসাদী, তাঁর থেকে মুআবিয়াহ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মাদ আবু আব্দুল্লাহ আল-আসাদী।

আমি আমার পিতাকে তিনি যেমনটি বলেছেন তেমনটি বলতে শুনেছি, তিনি ওয়াবিসাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

১৫ -[১ / ১ / ৪৭৭] মুহাম্মাদ (৪) বিন আব্দুর রহমান বিন ইউহাননাস।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান বিন ইউহাননাস, তিনি বলেছেন /।

ইবনে আবি জিব এবং ইবনে ইসহাক উম্মে সালামাহর হাদীস বর্ণনা করেছেন (৫)।

প্রকৃতপক্ষে এটি ইবনে আবি ফুদাইক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন ইউহাননাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আদ-দারওয়ার্দীও।

আর ইবনে ইসহাক এটি সুলাইমান বিন সুহাইম থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে তিনি যেমনটি বলেছেন তেমনটি বলতে শুনেছি।

১৬ -[১ / ১ / ৪৯৯] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ (৬) বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ।

আর প্রকৃতপক্ষে

তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ বিন উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ।

আমি আমার পিতাকে তিনি যেমনটি বলেছেন তেমনটি বলতে শুনেছি।

১৭ -[১ / ১ / ৫০৪] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল হামিদ (৭) আল-মাদানী, তাঁর থেকে নুফাইলী বর্ণনা করেছেন।

আর প্রকৃতপক্ষে

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারী তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, "মুহাম্মাদ আবু ইয়াহইয়া আমাকে বলেছেন, সাঈদ বিন মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফালিহ আমাদের নিকট সালেহ বিন আজলান এবং মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাদ থেকে বর্ণনা করেছেন..." অতঃপর তিনি একটি সংবাদ উল্লেখ করেছেন যা আপনি সুনানে আবু দাউদ - জানাযা পর্ব - মসজিদে জানাযার সালাত অধ্যায়ে দেখতে পাবেন।

তিনি এটি সাঈদ বিন মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন যেমনটি বুখারী বলেছেন, সুতরাং যদি কোনো ভুল থেকে থাকে তবে তা ফালিহ-এর পক্ষ থেকে। আল-তাহযীব দেখুন। (২) আল-জারহু ওয়াত-তাদীল দেখুন।

(৩) আত-তারীখ গ্রন্থে "আবু" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (৪) কোনো কোনো বর্ণনাকারী তাকে এভাবে নামকরণ করেছেন, তাই বুখারী তাকে উল্লেখ করেছেন এবং যারা তাকে আব্দুল্লাহ নামকরণ করেছেন তাদের বক্তব্যও উল্লেখ করেছেন। (৫) এই শব্দাবলী আত-তারীখ গ্রন্থে নেই এবং সেখানে ইবনে আবি জিব-এর কোনো উল্লেখ নেই। এতে বর্ণনাকারীদের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত বেশ কিছু দিক রয়েছে, তাই সেটি দেখে নিন। (৬) আত-তারীখ গ্রন্থে "বিন উমর" শব্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (৭) আত-তারীখ গ্রন্থে "আব্দুল মাজীদ" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই।

* এই গ্রন্থের সম্পাদকের ভূমিকাটি দেখুন।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٦)
هو محمد بن عبد المجيد بن سهيل بن عبد الرحمن بن عوف.

سمعت ابى يقول كما قال.

18 -[1 / 1 / 506] محمد بن عبد الله (1) بن زيد بن ابى زيد أبو ثابت.

وانما هو محمد بن عبيد الله (2) .

19 -[1 / 1 / 508] [محمد بن عبيد الله سمع ابا سعيد قال - (3) ] نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن تقليب السلاح (4) .

في كتابه (5) : تقليب الحصى.

سمعت ابى يقول كما قال وهو خطأ.

20 -[1 / 1 / 515] [محمد بن عبيد أبو قدامة الحنفي … - (6) ] قتادة عن محمد بن سيرين ومحمد بن عبيد الحنفي (7) عن عبد الله بن عمر (8) وانما هو عبد الله بن عمرو.

سمعت ابى يقول كما قال.

21 -[1 / 1 / 535] محمد بن عمر البحراني (9) الحمصى.

وانما هو البحترى (10) .

سمعت ابى يقول كما قال.

وهو الطائى.

--------------------------------------------

(1) في التاريخ " عبيد الله " فلا خطأ، وموقع الترجمة يبين ذلك.

وزاد بعده في التاريخ والجرح والتعديل " بن محمد " (2) في الاصل " عبد الله " خطأ (3) اضفتها من التاريخ، وجدتها في الاصل " وفى حديث ابى سعيد " (4) زاد في التاريخ " في المسجد وسله " (5) يعنى البخاري فيما نقله الفضل الصائغ - راجع المقدمة - والذى في التاريخ " السلاح " فلا خطأ (6) اضفتها من التاريخ (7) هكذا في التاريخ والجرح والتعديل وغيرهما ووقع في الاصل " الحبلى " ولم ينبه فيه على خطأ فالظاهر انها من خطأ الناسخ (8) في التاريخ " عمرو " فلا خطأ (9) في التاريخ " المحررى " وثبت فيه في موضع آخر " المحرى " وهو الاصح كما بينته في التعليق على التاريخ 1 / 2 / 2066.

(10) كذا والذى في الجرح والتعديل " المحرى " وهو الصواب بميم مضمومة فحاء مهملة ساكنة فراء فياء النسبة.

(*)
তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মাজীদ বিন সুহাইল বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি (বুখারী) বলেছেন।

১৮ -[১ / ১ / ৫০৬] মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ (১) বিন যায়েদ বিন আবি যায়েদ আবু সাবিত।

কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে হলেন মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ (২)।

১৯ -[১ / ১ / ৫০৮] [মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আবু সাঈদ থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন - (৩)] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্ত্র নাড়াচাড়া করা (৪) থেকে নিষেধ করেছেন।

তাঁর কিতাবে (৫) রয়েছে: কঙ্কর নাড়াচাড়া করা।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন, আর এটি একটি ভুল।

২০ -[১ / ১ / ৫১৫] [মুহাম্মদ বিন উবাইদ আবু কুদামা আল-হানাফী … - (৬)] কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সিরীন এবং মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-হানাফী (৭) থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর (৮) থেকে; কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে আব্দুল্লাহ বিন আমর।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

২১ -[১ / ১ / ৫৩৫] মুহাম্মদ বিন উমর আল-বাহরানী (৯) আল-হিমসী।

কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-বুহতরী (১০)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

আর তিনি হলেন আত-তাঈ।

--------------------------------------------

(১) তারিখে (বুখারীর ইতিহাসে) "উবায়দুল্লাহ" রয়েছে, তাই সেখানে কোনো ভুল নেই এবং জীবনীটির অবস্থান তা স্পষ্ট করে দেয়।

আর এর পরে তারিখে এবং আল-জারহ ওয়াত-তাদিল গ্রন্থে "বিন মুহাম্মদ" অংশটুকু বৃদ্ধি করা হয়েছে। (২) মূল পাণ্ডুলিপিতে "আব্দুল্লাহ" রয়েছে যা একটি ভুল। (৩) আমি এটি তারিখ থেকে যোগ করেছি, মূলে আমি পেয়েছি "আর আবু সাঈদের হাদিসে"। (৪) তারিখে বৃদ্ধি করা হয়েছে "মসজিদে এবং তা খাপমুক্ত করা"। (৫) অর্থাৎ ফাদল আস-সাইগ যা বর্ণনা করেছেন তাতে বুখারীর বক্তব্য - ভূমিকা দেখুন - আর তারিখে "অস্ত্র" রয়েছে, তাই এটি ভুল নয়। (৬) আমি এটি তারিখ থেকে যোগ করেছি। (৭) তারিখ, আল-জারহ ওয়াত-তাদিল এবং অন্যান্য গ্রন্থে এভাবেই রয়েছে; আর মূলে "আল-হাবালী" শব্দটি এসেছে এবং সেখানে ভুলের ব্যাপারে কোনো সতর্ক করা হয়নি, তাই প্রতীয়মান হয় যে এটি লিপিকারের ভুল। (৮) তারিখে "আমর" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (৯) তারিখে "আল-মুহাররারি" রয়েছে এবং অন্য এক স্থানে "আল-মুহরী" সাব্যস্ত হয়েছে, আর এটিই অধিক সঠিক যেমনটি আমি তারিখের টীকা ১ / ২ / ২০৬৬-এ স্পষ্ট করেছি।

(১০) এরূপই আছে, তবে আল-জারহ ওয়াত-তাদিল গ্রন্থে "আল-মুহরী" রয়েছে; আর সেটিই সঠিক যা মিম বর্ণে পেশ, বিন্দুহীন হা বর্ণে সাকিন, এরপর রা এবং নিসবাহ-এর ইয়া সহযোগে গঠিত।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٧)
22 -[1 / 1 / 548] محمد بن عثمان بن عبد الرحمن بن سعد (1) بن يربوع.

وانما هو سعيد بن يربوع.

سمعت ابى يقول كما قال.

23 -[1 / 1 / 559] محمد بن ابى عثمان (2) عن ابن ابى نجيح روى عنه أبو معاوية.

هو محمد بن شريك المكى.

قال ابى كما قال.

24 -[1 / 1 / 577] محمد بن عمرو بن عطاء بن عباس بن علقمة الهاشمي (3) .

وانما هو العامري من بنى عامر بن لؤى.

قال ابى كما قال.

25 -[1 / 1 / 625] محمد بن عمران الاخنسى، كان ببغداد، يتكلمون فيه، منكر الحديث عن ابى بكر بن عياش.

وانما هو احمد بن عمران، قد كتبت عنه.

سمعت ابى يقول كما قال.

26 -[1 / 1 / 632] محمد بن عيسى (4) القرشى سمع زيد بن واقد عن بسر ابن عبيد الله.

فصله (5) من محمد بن عيسى بن سميع عن ابن ابى ذئب وهما واحد (6) ، هو محمد بن عيسى بن القاسم بن سميع مولى معاوية بن ابى سفيان، قال ابى كما قال.

--------------------------------------------

(1) في التاريخ " سعيد " فلا خطأ (2) كذا والذى في التاريخ " محمد أبو عثمان " وهو صواب انما التخطئة في افراده، وهو محمد بن شريك المترجم في التاريخ 1 / 1 / 321 وفى التاريخ ايضا 1 / 1 / 554 " محمد بن عثمان … " وفى الموضح 1 / 38 انه محمد بن شريك ايضا فالثلاثة واحد (3) في التاريخ " العامري " فلا خطأ (4) زاد في التاريخ " بن سميع " (5) في الاصل فقبله " خطأ، والمعنى ان البخاري افرد هذا عن الراوى عن ابن ابى ذئب الذى ذكر 1 / 1 / 630 " محمد بن عيسى بن القاسم ابن سميع … " وهما واحد (6) قد قال البخاري في الترجمة الثانية " يقال هو الاول " وراجع الموضح 1 / 47.

(*)
২২ -[১ / ১ / ৫৪৮] মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আব্দুর রহমান বিন সা'দ (১) বিন ইয়ারবু'।

আর তিনি মূলত সাঈদ বিন ইয়ারবু'।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

২৩ -[১ / ১ / ৫৫৯] মুহাম্মাদ বিন আবি উসমান (২) ইবন আবি নাজিহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তার থেকে আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন।

তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন শারীক আল-মাক্কী।

আমার পিতা যেমন বলেছেন তেমনি বলেছেন।

২৪ -[১ / ১ / ৫৭৭] মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আতা বিন আব্বাস বিন আলকামা আল-হাশিমী (৩)।

বরং তিনি বনী আমির বিন লুওয়াই গোত্রের আল-আমিরী।

আমার পিতা যেমন বলেছেন তেমনি বলেছেন।

২৫ -[১ / ১ / ৬২৫] মুহাম্মাদ বিন ইমরান আল-আখনাসী, তিনি বাগদাদে ছিলেন, তার সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে, তিনি আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে মুনকারুল হাদীস (প্রত্যাখ্যাত হাদীস বর্ণনাকারী)।

বরং তিনি আহমাদ বিন ইমরান, আমি তার থেকে হাদীস লিখেছি।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

২৬ -[১ / ১ / ৬৩২] মুহাম্মাদ বিন ঈসা (৪) আল-কুরাইশী, তিনি বুসর বিন উবাইদুল্লাহর সূত্রে যায়েদ বিন ওয়াকিদ থেকে শুনেছেন।

তাকে (৫) ইবন আবি দি'বের বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন সামী' থেকে পৃথক করা হয়েছে, অথচ তারা উভয়েই একই ব্যক্তি (৬)। তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আল-কাসিম বিন সামী', যিনি মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ানের মাওলা (মুক্তদাস)। আমার পিতা যেমন বলেছেন তেমনি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) আত-তারীখ গ্রন্থে 'সাঈদ' রয়েছে, তাই এটি ভুল নয়। (২) মূল পাঠে এভাবেই আছে, তবে আত-তারীখ-এ 'মুহাম্মাদ আবু উসমান' রয়েছে এবং সেটিই সঠিক; মূলত তাকে পৃথকভাবে উল্লেখ করায় ভুল হয়েছে। তিনি হলেন সেই মুহাম্মাদ বিন শারীক যার জীবনী আত-তারীখ ১/১/৩২১-এ রয়েছে। এছাড়াও আত-তারীখ-এর ১/১/৫৫৪ পৃষ্ঠায় 'মুহাম্মাদ বিন উসমান …' রয়েছে এবং আল-মাউদিহ-এর ১/৩৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে তিনিও মুহাম্মাদ বিন শারীক। সুতরাং এই তিনজন মূলত একই ব্যক্তি। (৩) আত-তারীখ-এ 'আল-আমিরী' রয়েছে, তাই এটি ভুল নয়। (৪) আত-তারীখ-এ 'বিন সামী' অতিরিক্ত রয়েছে। (৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে এর আগে 'ভুল' শব্দটি ছিল। এর অর্থ হলো, ইমাম বুখারী এই ব্যক্তিকে ইবন আবি দি'বের সেই বর্ণনাকারী থেকে পৃথক করে উল্লেখ করেছেন যার আলোচনা ১/১/৬৩০-এ এসেছে: 'মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আল-কাসিম বিন সামী' …' অথচ তারা উভয়েই একই ব্যক্তি। (৬) ইমাম বুখারী দ্বিতীয় জীবনীতে বলেছেন, 'বলা হয় যে তিনিই প্রথম ব্যক্তি'; দেখুন আল-মাউদিহ ১/৪৭।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٨)
27 -[1 / 1 / 711] محمد بن معاذ: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند افطاره (1) .

روى عنه حصين بن عبد الرحمن.

وانما هو معاذ أبو زهرة.

ويقال أبو حنيفة (2) سمعت ابى يقول كما قال.

28 -[1 / 1 / 715] محمد بن مالك بن المنتصر عن انس (3) بن مالك روى عنه المطلب (4) وانما هو عمر بن سويد ويقال عن.. (5) سمعت ابى يقول: هو عمر بن سويد عن محمد بن مالك بن المنتصر (6) الاصبهاني عن انس.

29 -[1 / 1 / 735] محمد بن ميمون عن (7) بلال مؤذن مسجد دمشق.

وانما هو مؤذن بيت المقدس (8) .

سمعت ابى يقول: لا أعرف محمد بن ميمون ولا بلالا هذا.

--------------------------------------------

(1) تتمة الترجمة في التاريخ " لك صمت - قاله لنا موسى سمع عبد العزيز بن مسلم سمع

حصينا.

مرسل " وفى التاريخ ايضا 4 / 1 / 1568 " معاذ أبو زهرة قال حصين، مرسل.

قال يحيى بن معين " وعلقت عليه انه مرقع عند ابى داود من وجه آخر عن حصين " عن معاذ بن زهرة " ولابن السنى من وجه ثالث " عن حصين عن رجل عن معاذ رضى الله عنه " فان كان خطأ فممن فوق البخاري (2) كذا وقع في الاصل ولم اجدها في الجرح والتعديل ولاغيره وأخشى ان يكون الصواب " ويقال ابن زهرة ".

(3) تتمة الترجمة في التاريخ " قال كانت ابواب النبي صلى الله عليه وسلم تقرع بالاظافير.

قال لنا مالك بن اسماعيل سمع المطلب بن زياد عن ابى بكر بن عبد الله ".

(4) المفهوم من التاريخ ان المطلب روى عنه ابى بكر عن محمد بن مالك، وصرح بذلك في الادب المفرد الباب " 500 " وكذلك يعلم من التهذيب (5) ترك في الاصل بياضا وكتب " كذا " (6) هذا لا يقتضى خطأ ما في التاريخ والادب، وانما تابع عمر ابا بكر (7) هكذا في التاريخ والجرح والتعديل وغيرهما ويأتى ما بينته ووقع في الاصل " بن " وهو من خطأ الناسخ (8) وفى التاريخ نفسه 1 / 1 / 1826 " بلال مؤذن بيت المقدس ".

(*)
২৭ -[১ / ১ / ৭১১] মুহাম্মদ বিন মুয়াজ: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ইফতারের সময় বলতেন (১)।

হুসাইন বিন আব্দুর রহমান তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুয়াজ আবু জাহরা।

বলা হয় আবু হানিফা (২), আমি আমার পিতাকে তাঁর মতোই বলতে শুনেছি।

২৮ -[১ / ১ / ৭১৫] আনাস (৩) বিন মালিক থেকে মুহাম্মদ বিন মালিক বিন আল-মুনতাসির, আল-মুত্তালিব (৪) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি হলেন উমর বিন সুওয়াইদ এবং বলা হয়... (৫) থেকে। আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: তিনি হলেন উমর বিন সুওয়াইদ, মুহাম্মদ বিন মালিক বিন আল-মুনতাসির (৬) আল-আসবাহানি থেকে, তিনি আনাস থেকে।

২৯ -[১ / ১ / ৭৩৫] দামেস্ক মসজিদের মুয়াজ্জিন বিলাল (৭) থেকে মুহাম্মদ বিন মাইমুন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন বাইতুল মাকদিসের মুয়াজ্জিন (৮)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি মুহাম্মদ বিন মাইমুনকে চিনি না এবং এই বিলালকেও চিনি না।

--------------------------------------------

(১) "তারিখ" গ্রন্থে জীবনীর অবশিষ্টাংশ হলো: "আপনার জন্য আমি রোজা রেখেছি - মূসা আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল আজিজ বিন মুসলিম থেকে শুনেছেন, তিনি হুসাইন থেকে শুনেছেন। এটি মুরসাল।" এবং "তারিখ"-এর অন্যত্রও ৪ / ১ / ১৫৬৮: "মুয়াজ আবু জাহরা, হুসাইন বলেছেন, এটি মুরসাল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: এবং আমি এর ওপর টীকা লিখেছি যে, আবু দাউদের নিকট হুসাইন থেকে অন্য সূত্রে এটি তালি'ক হিসেবে রয়েছে 'মুয়াজ বিন জাহরা থেকে'। ইবনুস সুন্নির নিকট তৃতীয় একটি সূত্রে রয়েছে 'হুসাইন থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি মুয়াজ (রা.) থেকে'। যদি এতে ভুল থেকে থাকে তবে তা বুখারীর ঊর্ধ্বস্থ কারো পক্ষ থেকে হয়েছে।" (২) মূল পান্ডুলিপিতে এভাবেই এসেছে, তবে আমি আল-জারহ ওয়াত তা'দিল বা অন্য কোথাও এটি পাইনি। আমার আশঙ্কা হয় যে সঠিক শব্দটি হতে পারে "ইবনে জাহরা"।

(৩) "তারিখ" গ্রন্থে জীবনীর অবশিষ্টাংশ হলো: "তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দরজায় নখ দিয়ে করাঘাত করা হতো। মালিক বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুত্তালিব বিন যিয়াদ থেকে শুনেছেন, তিনি আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ থেকে।"

(৪) "তারিখ" থেকে যা বোঝা যায় তা হলো, মুত্তালিব আবু বকর থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-আদাবুল মুফরাদ-এর ৫০০ নং পরিচ্ছেদে এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাহজিব থেকেও এটি জানা যায়। (৫) মূল পান্ডুলিপিতে একটি স্থান শূন্য রাখা হয়েছে এবং "অনুরূপ" লেখা হয়েছে। (৬) এটি "তারিখ" ও "আদাবুল মুফরাদ"-এ যা আছে তাকে ভুল প্রমাণ করে না, বরং উমর কেবল আবু বকরকে অনুসরণ করেছেন। (৭) "তারিখ" এবং "আল-জারহ ওয়াত তা'দিল" ও অন্যান্য গ্রন্থে এভাবেই রয়েছে, যা আমি স্পষ্ট করেছি তা সামনে আসবে। মূল পান্ডুলিপিতে "বিন" এসেছে যা লিপিকারের ভুল। (৮) খোদ "তারিখ" গ্রন্থেই ১ / ১ / ১৮২৬: "বাইতুল মাকদিসের মুয়াজ্জিন বিলাল।"

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٩)
30 -[1 / 1 / 810] محمد (1) بن نويفع.

وانما هو محمد بن الوليد بن نويفع.

سمعت ابى / يقول كما قال.

31 -[1 / 1 / 847] محمد بن يحيى أبو عبد الله هو ابن ابى عثمان (2) العدنى.

وانما هو ابن ابى عمر العدنى.

سمعت أبى يقول كما قال.

وقال: هذا غلط من الكاتب.

باب من يسمى بالالف.

32 -[1 / 1 / 878] ابراهيم بن اسحاق (3) الطالقاني.

وانما هو ابراهيم بن عيسى.

سمعت ابى يقول: هو ابراهيم بن اسحاق بن عيسى، اصاب البخاري.

33 -[1 / 1 / 92] u ابراهيم أبو زرعة وكان من مسلمة اهل الكتاب.

وانما هو زرعة أبو ابراهيم.

سمعت ابى يقول: هو صحيح، اصاب البخاري ولابراهيم ابن يقال له زرعة.

34 -[1 / 1 / 977] ابراهيم بن عمر بن ابان.

روى عنه الفضيل بن سليمان (4) .

ولم يرو عنه الفضيل، انما يروى عنه أبو معشر البراء.

سمعت أبى يقول: اخطأ فيه البخاري، هو كما قال.

35 -[1 / 1 / 980] ابراهيم بن منبه بن عقيل (5) عن عمه.

وانما هو ابراهيم ابن معقل بن منبه.

سمعت ابى يقول: هو ابن عقيل بن معقل بن منبه،

--------------------------------------------

(1) زاد في التاريخ " بن الوليد " فلا خطأو الترجمة فيه في اول من اسم ابيه على الواو (2) في التاريخ " ابن ابى عمر " فلا خطأ (3) زاد في التاريخ " بن عيسى ".

(4) الذى في التاريخ " روى عنه يوسف البراء " ويوسف هو أبو معشر، فلا خطأ.

(5) الذى في التاريخ " ابراهيم بن عقيل بن منبه " ثم ذكر أنه: ابراهيم بن عقيل بن معقل بن منبه.

فلا خطأ، ويوضحه ان الترجمة فيمن اول اسم ابيه عين من آباءه.

(*)
৩০ -[১ / ১ / ৮১০] মুহাম্মদ বিন নুওয়াইফি।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ বিন নুওয়াইফি।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতো বলতে শুনেছি।

৩১ -[১ / ১ / ৮৪৭] মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আবু আব্দুল্লাহ, তিনি হলেন ইবনে আবু উসমান আদ-দানি।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইবনে আবু উমর আদ-দানি।

আমি আমার পিতাকে তাঁর মতো বলতে শুনেছি।

এবং তিনি বলেছেন: এটি লেখকের ভুল।

পরিচ্ছেদ: যাদের নাম আলিফ দিয়ে শুরু হয়েছে।

৩২ -[১ / ১ / ৮৭৮] ইবরাহীম বিন ইসহাক আত-তালকানি।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইবরাহীম বিন ঈসা।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: তিনি হলেন ইবরাহীম বিন ইসহাক বিন ঈসা, বুখারী সঠিক বলেছেন।

৩৩ -[১ / ১ / ৯২] ইবরাহীম আবু যুরআহ, তিনি আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন যুরআহ আবু ইবরাহীম।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: এটি সঠিক, বুখারী সঠিক বলেছেন এবং ইবরাহীমের একটি পুত্র আছে যাকে যুরআহ বলা হয়।

৩৪ -[১ / ১ / ৯৭৭] ইবরাহীম বিন উমর বিন আবান।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ফুযায়েল বিন সুলায়মান।

ফুযায়েল তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি, বরং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু মাশার আল-বাররা।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: বুখারী এতে ভুল করেছেন, বিষয়টি তেমনই যেমন তিনি (পিতা) বলেছেন।

৩৫ -[১ / ১ / ৯৮০] ইবরাহীম বিন মুনাব্বিহ বিন আকীল, তাঁর চাচার সূত্রে।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইবরাহীম বিন মাকিল বিন মুনাব্বিহ।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: তিনি হলেন ইবনে আকীল বিন মাকিল বিন মুনাব্বিহ,

--------------------------------------------

(১) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে "বিন আল-ওয়ালিদ" বর্ধিত আছে, তাই কোনো ভুল নেই। তাঁর জীবনীটি সেই অধ্যায়ে রয়েছে যার পিতার নামের শুরুতে 'ওয়াও' অক্ষর আছে। (২) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে "ইবনে আবু উমর" আছে, তাই ভুল নেই। (৩) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে "বিন ঈসা" বর্ধিত আছে।

(৪) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে যা আছে তা হলো "ইউসুফ আল-বাররা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন" এবং ইউসুফই হলেন আবু মাশার, তাই কোনো ভুল নেই।

(৫) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে যা আছে তা হলো "ইবরাহীম বিন আকীল বিন মুনাব্বিহ", অতঃপর উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি হলেন: ইবরাহীম বিন আকীল বিন মাকিল বিন মুনাব্বিহ।

সুতরাং কোনো ভুল নেই, এবং এটি স্পষ্ট হয় যে জীবনীটি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের পিতার বা পূর্বপুরুষের নামের শুরুতে 'আইন' অক্ষর আছে।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٠)
ونسبه إلى جده.

36 -[1 / 1 / 1001] ابراهيم بن محمد بن جحش.

انما هو ابراهيم بن محمد ان عبد الله بن جحش عن ابيه رأى زينب بنت جحش.

سمعت ابى يقول: هذا نسبه إلى جده.

(1) 37 -[1 / 1 / 1046] ابراهيم بن نسطاس (2) عن كعب بن علقمة سمع منه ابن المبارك وقال ابن وهب: ابن نشيط.

وابن المبارك يقول: ابراهيم بن نشيط، حدثنا عنه غير واحد.

سمعت ابى يقول: هو كما قال.

اخطأ البخاري.

38 -[1 / 1 / 1085] [اسماعيل بن ابراهيم الانصاري … - (3) ] روى ابن ابى

حميد عن ابى المنكدر عن اسماعيل بن ابراهيم الانصاري عن ابيه.

وانما هو ابن ابى حميد عن اسماعيل.

سمعت ابى يقول: ابن ابى حميد عن اسماعيل (4) .

39 -[1 / 1 / 1086] اسماعيل بن ابراهيم عن رجل: خطبت إلى النبي صلى الله عليه وسلم امامة بنت عبد المطلب فأنكحني ; وروى شعبة عن (5) العلاء ابن أخى شعيب الوزان (6) وانما هو شعيب بن خالد الرازي.

--------------------------------------------

(1) صدق أبو حاتم، ليس هذا بخطأ انما وقع في السند " ابراهيم بن محمد بن جحش " فحكاه البخاري، وقد ذكر في التاريخ 1 / 1 / 2 محمد بن عبد الله بن جحش، وانه يقال له محمد بن جحش (2) في التاريخ " نشيط " فلا خطأ (3) اضفتها من التاريخ.

(4) الظاهر أن هذا من اختلاف الرواة عن ابن ابى حميد (5) وقع في الاصل " بن " وهو من خطأ الناسخ حتما (6) كذا والذى في التاريخ " اسماعيل بن ابراهيم، قال بدل ثنا شعبة عن العلاء ابن اخى شعيب عن رجل عن اسماعيل بن ابراهيم عن رجل من بنى سليم: خطبت.." ليس فيه " الوزان " ولا " الرازي " وراجع التعليق على التاريخ.

(*)
এবং তাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন।

৩৬ -[১ / ১ / ১০০১] ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন জাহশ।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ বিন জাহশ, যিনি তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যয়নাব বিনতে জাহশকে দেখেছিলেন।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: এটি তার দাদার দিকে তার বংশপরম্পরা।

(১) ৩৭ -[১ / ১ / ১০৪৬] ইব্রাহিম বিন নাসতাস (২) কাব বিন আলকামা থেকে বর্ণনা করেছেন, তার থেকে ইবনুল মুবারক শুনেছেন এবং ইবনে ওয়াহাব বলেছেন: ইবনে নাশিত।

এবং ইবনুল মুবারক বলেন: ইব্রাহিম বিন নাশিত, আমাদের কাছে তার থেকে একাধিক ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: তিনি যেমনটি বলেছেন বিষয়টি তেমনই।

বুখারী ভুল করেছেন।

৩৮ -[১ / ১ / ১০৮৫] [ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-আনসারী … - (৩) ] ইবনে আবি হুমাইদ, আবুল মুনকাদির থেকে, তিনি ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-আনসারী থেকে, তিনি তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

প্রকৃতপক্ষে এটি হলো ইবনে আবি হুমাইদ, ইসমাইল থেকে।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: ইবনে আবি হুমাইদ, ইসমাইল থেকে (৪) ।

৩৯ -[১ / ১ / ১০৮৬] ইসমাইল বিন ইব্রাহিম জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উমামা বিনতে আব্দুল মুত্তালিবের বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম, অতঃপর তিনি তাকে আমার সাথে বিয়ে দেন; এবং শু'বা, শুয়াইব আল-ওয়াযযানের ভ্রাতুষ্পুত্র আলা' থেকে বর্ণনা করেছেন (৫), প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন শুয়াইব বিন খালিদ আর-রাযী।

--------------------------------------------

(১) আবু হাতেম সত্য বলেছেন, এটি কোনো ভুল নয় বরং সনদে "ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন জাহশ" এসেছে, তাই বুখারী তা বর্ণনা করেছেন। আর তিনি আত-তারিখ গ্রন্থের ১ / ১ / ২ পৃষ্ঠায় মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাহশ-এর কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে, তাকে মুহাম্মদ বিন জাহশ বলা হয় (২) আত-তারিখ গ্রন্থে "নাশিত" রয়েছে, তাই এটি কোনো ভুল নয় (৩) আমি এটি আত-তারিখ থেকে সংযোজন করেছি।

(৪) স্পষ্টতই এটি ইবনে আবি হুমাইদ থেকে বর্ণনাকারীদের মতভেদ (৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে "বিন" এসেছে, যা নিশ্চিতভাবেই লিপিকারের ভুল (৬) এমনই আছে; কিন্তু আত-তারিখ গ্রন্থে যা আছে তা হলো: "ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বলেছেন যে, শু'বা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—এর পরিবর্তে—শু'বা, শুয়াইবের ভ্রাতুষ্পুত্র আলা' থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি বনু সুলাইম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন: আমি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম..."। সেখানে "আল-ওয়াযযান" কিংবা "আর-রাযী" শব্দদ্বয় নেই। আত-তারিখ গ্রন্থের টীকা দ্রষ্টব্য।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١١)
40 -[1 / 1 / 1131] اسماعيل أبو سعيد (1) روى عنه معمر.

وانما هو ابن ابى سعيد (2) .

سمعت ابى يقول كما قال.

41 -[1 / 1 / 1129] اسماعيل بن سعيد بن عبد الله (3) بن زياد (4) بن جبير.

وانما هو ابن عبيد الله بن جبير بن حية.

سمعت ابى يقول كما قال.

42 -[؟ 5] اسماعيل بن عبد الله بن زياد.

وانما هو عمر بن عبد الرحمن.

سمعت ابى يقول كما قال.

وهو خطأ من الكاتب.

43 -[1 / 1 / 1163] اسماعيل بن عبد الكريم (6) العنزي عن الوليد بن على.

هو اسماعيل بن عبد الاعلى العنزي.

سمعت ابى يقول كما قال

44 -[1 / 1 / 1168] اسماعيل بن عاصم الطائى حدثنا (7) أبو نعيم قال هو

--------------------------------------------

(1) زاد في التاريخ " عن عكرمة " (2) كأنه يريد انه اسماعيل بن شروس، فانه يقال له اسماعيل بن ابى سعيد كما في الجرح والتعديل وغيره ويروى عن عكرمة وعنه معمر، وله ترجمة في التاريخ 1 / 1 / 1138 فان صح انه هذا فالقضية من باب الجمع والتفريق وراجع لسان الميزان ج 1 رقم 1281 (3) كذا وفى التاريخ " عبيد الله " وهو الصحيح وانما النظر في زيادة " بن زياد " كما يأتي (4) كذا وقع في هذه الترجمة من التاريخ زيادة " بن زياد " وقال " نسبه نصر بن على عن ابيه عن سعيد ابن عبيد الله " لكنه في ترجمة سعيد 2 / 1 / 1654 قال " سعيد بن عبيد الله بن جبير ابن حية " فلم يذكر زيادا في نسبه نعم ذكر ان سعيدا يروى عن زياد بن جبير، وهو زياد بن جبير بن حية ترجمته في التاريخ 2 / 1 / 1175 فزياد عم سعيد لا جده وكان الوهم من نصر بن على (5) لم اجده في التاريخ (6) كذا وقع في التاريخ لكن فيه 4 / 2 / 2521 " اسماعيل بن عبد الاعلى " (7) كذا، وفى التاريخ " سمع منه أبو نعيم " وابو نعيم من شيوخ البخاري وابى زرعة.

(*)
৪০ -[১ / ১ / ১১৩১] ইসমাঈল আবু সাঈদ (১) তার থেকে মা'মার বর্ণনা করেছেন।

আর তিনি মূলত ইবনে আবি সাঈদ (২)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৪১ -[১ / ১ / ১১২৯] ইসমাঈল ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ (৩) ইবনে যিয়াদ (৪) ইবনে জুবায়ের।

আর তিনি মূলত ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের ইবনে হাইয়্যাহ।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৪২ -[? ৫] ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যিয়াদ।

আর তিনি মূলত ওমর ইবনে আব্দুর রহমান।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

এটি লেখকের পক্ষ থেকে একটি ভুল।

৪৩ -[১ / ১ / ১১৬৩] ইসমাঈল ইবনে আব্দুল কারিম (৬) আল-আনাসি, ওয়ালিদ ইবনে আলীর সূত্রে।

তিনি হলেন ইসমাঈল ইবনে আব্দুল আলা আল-আনাসি।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৪৪ -[১ / ১ / ১১৬৮] ইসমাঈল ইবনে আসিম আত-তাই, আমাদের নিকট আবু নুয়াইম বর্ণনা করেছেন (৭) তিনি বলেন

--------------------------------------------

(১) আত-তারিখে "ইকরিমা থেকে" বৃদ্ধি করা হয়েছে। (২) মনে হচ্ছে তিনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে তিনি হলেন ইসমাঈল ইবনে শারুস, কেননা তাকে ইসমাঈল ইবনে আবি সাঈদ বলা হয় যেমনটি আল-জারহ ওয়াত তা'দিল ও অন্যান্য গ্রন্থে রয়েছে। তিনি ইকরিমা থেকে এবং তার থেকে মা'মার বর্ণনা করেন। আত-তারিখ ১ / ১ / ১১৩৮-এ তার জীবনী রয়েছে। যদি এটি সঠিক হয় যে তিনি তিনিই, তবে বিষয়টি একত্রিতকরণ ও পৃথকীকরণের (জামাউ ওয়া তাফরিক) অন্তর্ভুক্ত। দেখুন: লিসানুল মিজান, খণ্ড ১, নম্বর ১২৮১। (৩) এমনই রয়েছে, তবে আত-তারিখে রয়েছে "উবায়দুল্লাহ" এবং এটিই সঠিক। আর "ইবনে যিয়াদ" বৃদ্ধির বিষয়টি লক্ষণীয় যেমন সামনে আসবে। (৪) এভাবেই আত-তারিখের এই জীবনবৃত্তান্তে "ইবনে যিয়াদ" শব্দটি বর্ধিত আকারে এসেছে এবং বলা হয়েছে "নাসর ইবনে আলী তার পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে তার বংশ বর্ণনা করেছেন"। কিন্তু সাঈদের জীবনবৃত্তান্তে ২ / ১ / ১৬৫৪-এ তিনি বলেছেন "সাঈদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের ইবনে হাইয়্যাহ", তাই তিনি তার বংশে যিয়াদের উল্লেখ করেননি। তবে হ্যাঁ, তিনি উল্লেখ করেছেন যে সাঈদ যিয়াদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেন। তিনি হলেন যিয়াদ ইবনে জুবায়ের ইবনে হাইয়্যাহ যার জীবনী আত-তারিখ ২ / ১ / ১১৭৫-এ রয়েছে। সুতরাং যিয়াদ সাঈদের চাচা, দাদা নন। আর এই বিভ্রমটি নাসর ইবনে আলীর পক্ষ থেকে হয়েছে। (৫) আমি একে আত-তারিখে খুঁজে পাইনি। (৬) এভাবেই আত-তারিখে এসেছে, তবে সেখানে ৪ / ২ / ২৫২১-এ রয়েছে "ইসমাঈল ইবনে আব্দুল আলা"। (৭) এভাবেই রয়েছে, তবে আত-তারিখে রয়েছে "তার নিকট থেকে আবু নুয়াইম শুনেছেন", আর আবু নুয়াইম হলেন বুখারী এবং আবু যুরআ-র উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٢)
ابن عاصم الكنانى.

سمعت ابى يقول اصاب البخاري، وهو طائى (1) .

45 -[1 / 1 / 1184] اسماعيل بن موسى الفزارى، ابن بنت السدى، أبو اسحاق.

وانما هو [أبو] محمد، فسمعت ابى يقول ليس هو ابن بنت السدى، انا / سألته فذكر نسبة طويلة (2) .

46 -[1 / 1 / 1197] اسماعيل بن يوسف بن صدقة الازدي أبو محمد سمع اليمان بن عدى سمع منه اسحاق بن العلاء.

وانما هو اسحاق بن ابراهيم بن العلاء (3) .

سمعت ابى يقول كما قال.

47 -[1 / 1 / 1204] اسحاق أبو (4) ابراهيم عن الزهري: الشطرنج باطل.

انما هو ابراهيم أبو اسحاق.

سمعت ابى يقول كما قال (5) الكوفى 48 -[1 / 1 / 1287] اسحاق بن المحتفز روى عن عمر، روى مغيرة عن حمزة بن على (6) .

وانما هو اسحاق بن محفر (7) سمعت ابى [يقول] كما قال.

--------------------------------------------

(1) في الجرح والتعديل 1 / 1 / 647 " اسماعيل بن عاصم الطائى..سمعت ابى وأبا زرعة يقولان ذلك " (2) راجع ترجمة اسماعيل في تهذيب التهذيب.

(3) وأى شئ في هذا؟ نسب اسحاق إلى جده إذ لا الباس فيه (4) في التاريخ " بن ".

(5) في الجرح والتعديل 1 / 1 / 700 " اسحاق بن ابراهيم " كما في التاريخ وقال " سمعت ابى يقول ذلك " وكذلك هو في الثقات والميزان واللسان (6) مثله في الجرح والتعديل والذى في التاريخ " حمزة وعلى " والله اعلم (7) الذى في التاريخ والثقات " المحتفز " ومثله في نسخة من الجرح والتعديل وصحح فيها على الكلمة، ووقع في نسخة اخرى " المحتفر " وقد رددتها في التعليق.

وربما كان الصواب عند ابى زرعة " محفن " بناء ان الرواى عنه هو حمزة بن على بن محفن المذكور في اكمال ابن ماكولا وانه عمه.

(*)
ইবনে আসিম আল-কিনানী।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, বুখারী সঠিক বলেছেন, এবং তিনি ত্বায়ী (১)।

৪৫ -[১ / ১ / ১১৮৪] ইসমাঈল ইবনে মুসা আল-ফাযারী, আস-সুদ্দীর দৌহিত্র, আবু ইসহাক।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন [আবু] মুহাম্মাদ। আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আস-সুদ্দীর দৌহিত্র নন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি একটি দীর্ঘ বংশপরম্পরা উল্লেখ করেছিলেন (২)।

৪৬ -[১ / ১ / ১১৯৭] ইসমাঈল ইবনে ইউসুফ ইবনে সাদাকাহ আল-আযদি আবু মুহাম্মাদ, তিনি আল-ইয়ামান ইবনে আদি থেকে শুনেছেন এবং তাঁর থেকে ইসহাক ইবনে আল-আলা শুনেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-আলা (৩)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি তিনি যেমনটি বলেছেন।

৪৭ -[১ / ১ / ১২০৪] ইসহাক আবু (৪) ইব্রাহিম, যুহরী থেকে বর্ণিত: দাবা খেলা বাতিল।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইব্রাহিম আবু ইসহাক।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি তিনি যেমনটি বলেছেন (৫) আল-কুফী ৪৮ -[১ / ১ / ১২৮৭] ইসহাক ইবনে আল-মুহতাফিজ, উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, মুগীরা হামজা ইবনে আলী থেকে বর্ণনা করেছেন (৬)।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইসহাক ইবনে মুহাফফার (৭), আমি আমার পিতাকে [বলতে] শুনেছি তিনি যেমনটি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) আল-জারহ ওয়াত তা'দীল ১ / ১ / ৬৪৭-এ রয়েছে "ইসমাঈল ইবনে আসিম আত-ত্বায়ী... আমি আমার পিতা এবং আবু যুরআহ-কে তা বলতে শুনেছি।" (২) তাহযীবুত তাহযীব-এ ইসমাঈলের জীবনী দেখুন।

(৩) এতে সমস্যা কী? ইসহাককে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে যেহেতু এতে কোনো বিভ্রান্তি নেই। (৪) আত-তারীখ-এ "ইবনে" রয়েছে।

(৫) আল-জারহ ওয়াত তা'দীল ১ / ১ / ৭০০-এ রয়েছে "ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম" যেমনটি আত-তারীখ-এ আছে এবং তিনি বলেছেন "আমি আমার পিতাকে তা বলতে শুনেছি" এবং আস-সিকাত, আল-মিযান ও আল-লিসান গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে। (৬) আল-জারহ ওয়াত তা'দীলেও অনুরূপ আছে, তবে আত-তারীখ-এ আছে "হামজা ও আলী", আল্লাহই ভালো জানেন। (৭) আত-তারীখ ও আস-সিকাত গ্রন্থে "আল-মুহতাফিজ" রয়েছে এবং আল-জারহ ওয়াত তা'দীল-এর একটি পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ আছে যেখানে শব্দটির সংশোধন করা হয়েছে। অন্য একটি পাণ্ডুলিপিতে "আল-মুহতাফির" এসেছে এবং আমি টীকায় এটি প্রত্যাখ্যান করেছি।

সম্ভবত আবু যুরআহর মতে সঠিক শব্দ হচ্ছে "মুহফান", এই ভিত্তিতে যে তাঁর থেকে বর্ণনাকারী হলেন হামজা ইবনে আলী ইবনে মুহফান, যিনি ইবনে মাকুলার 'ইকমাল' গ্রন্থে উল্লিখিত হয়েছেন এবং তিনি তাঁর চাচা।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٣)
49 -[1 / 1 / 1229] اسحاق بن الحارث (1) ، روى القاسم بن مالك عن عبد الرحمن بن اسحاق.

واسحاق بن الحارث هو أبو عبد الرحمن بن اسحاق المدينى الملقب بعباد (2) سمعت ابى يقول كما قال.

50 -[1 / 1 / 1246] اسحاق بن سعيد بن عمرو (3) بن سعيد بن العاص القرشى الاموى وهو اخو خالد بن سعيد، سمع اباه (4) قال كنت عند عثمان.. (5) سمعت ابى يقول كما قال.

51 -[1 / 1 / 1285] اسحاق بن منصور بن حيان الاسدي سمع عقبة بن خالد.

وانما هو عقبة بن اسحاق (6) .

سمعت ابى يقول كما قال.

52 -[1 / 1 / 1304] ايوب بن بشير الانصاري المعلم (7) روى عنه الزهري.

وانما هو المعاوى من بنى معاوية حى من الانصار.

سمعت ابى يقول كما قال.

53 -[1 / 1 / 1344] ايوب بن عبد الرحمن بن صعصعة الانصاري، ابى اخى

--------------------------------------------

(1) زاد في التاريخ " الكوفى " (2) ثم رجلان احدهما عبد الرحمن بن اسحاق بن عبد الله بن الحارث المدينى الملقب عبادا، ينسب ابوه إلى جده فيقال " اسحاق بن الحارث " كما في التاريخ 1 / 1 / 1228.

والثانى عبد الرحمن بن اسحاق بن سعد بن الحارث أبو شيبة الواسطي ويقال الكوفى، والظاهران اباه هو صاحب هذه الترجمة نسب إلى جده كما نسب ذاك إلى جده، والقاسم بن مالك كوفى فصنيع البخاري هو المتجه.

(3) في الاصل " عمر " وهو من خطأ الناسخ حتما (4) زاد في التاريخ " قال لى هشام بن عبد الملك ثنا اسحاق عن ابيه عن جده " كأن هذه العبارة سقطت من السنخة التى وقف عليها أبو زرعة (5) يظهر انه سقط شئ مفاده ان القائل " كنت عند عثمان " هو جد اسحاق لا ابوه.

وقد علمت ان ما في التاريخ صواب (6) ترجمة عقبة بن اسحاق في التاريخ 3 / 2 / 2933 وفيها رواية اسحاق بن المنصور هذا عنه.

(7) في التاريخ " المعاوى " فلا خطأ.

(*)
৪৯ -[১ / ১ / ১২২৯] ইসহাক বিন আল-হারিস (১), আল-কাসিম বিন মালিক আব্দুর রহমান বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর ইসহাক বিন আল-হারিস হলেন আবু আব্দুর রহমান বিন ইসহাক আল-মাদিনী, যিনি আব্বাদ উপাধিতে পরিচিত (২)। আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন সেরূপ বলতে শুনেছি।

৫০ -[১ / ১ / ১২৪৬] ইসহাক বিন সাঈদ বিন আমর (৩) বিন সাঈদ বিন আল-আস আল-কুরাশি আল-উমাবি, তিনি খালিদ বিন সাঈদের ভাই। তিনি তার পিতা (৪) থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি উসমানের নিকট ছিলাম... (৫)। আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন সেরূপ বলতে শুনেছি।

৫১ -[১ / ১ / ১২৮৫] ইসহাক বিন মানসুর বিন হাইয়ান আল-আসাদি, তিনি উকবাহ বিন খালিদ থেকে শুনেছেন।

বস্তুত তিনি হলেন উকবাহ বিন ইসহাক (৬)।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন সেরূপ বলতে শুনেছি।

৫২ -[১ / ১ / ১৩০৪] আইয়ুব বিন বাশির আল-আনসারি আল-মুয়াল্লিম (৭), তার থেকে আজ-জুহরি বর্ণনা করেছেন।

বস্তুত তিনি হলেন আল-মুয়াবি, আনসারদের বনু মুয়াবিয়া গোত্রের সদস্য।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন সেরূপ বলতে শুনেছি।

৫৩ -[১ / ১ / ১৩৪৪] আইয়ুব বিন আব্দুর রহমান বিন সা’সাআহ আল-আনসারি, আমার পিতা, আমার ভাই

--------------------------------------------

(১) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে "আল-কুফি" শব্দটি বর্ধিত আছে। (২) সেখানে দুইজন ব্যক্তি রয়েছেন, তাদের একজন হলেন আব্দুর রহমান বিন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস আল-মাদিনী যিনি আব্বাদ উপাধিতে পরিচিত; তার পিতাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়, ফলে তাকে "ইসহাক বিন আল-হারিস" বলা হয় যেমনটি 'আত-তারিখ' ১ / ১ / ১২২৮-এ রয়েছে।

দ্বিতীয়জন হলেন আব্দুর রহমান বিন ইসহাক বিন সাদ বিন আল-হারিস আবু শায়বাহ আল-ওয়াসিতি, যাকে আল-কুফিও বলা হয়। আর এটা স্পষ্ট যে, তার পিতাই এই জীবনীর ব্যক্তি, যিনি তার দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছেন যেমনটি ওই ব্যক্তি তার দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছিলেন। আর আল-কাসিম বিন মালিক হলেন কুফাবাসী, তাই ইমাম বুখারীর পদক্ষেপই সঠিক।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে "উমর" রয়েছে, যা নিশ্চিতভাবেই লিপিকারের ভুল। (৪) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে বর্ধিত হয়েছে: "হিশাম বিন আব্দুল মালিক আমাকে বলেছেন: আমাদের কাছে ইসহাক বর্ণনা করেছেন তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে"। মনে হচ্ছে এই বাক্যটি সেই পাণ্ডুলিপি থেকে পড়ে গিয়েছে যা আবু জুরআহ দেখেছিলেন। (৫) প্রতীয়মান হয় যে, এখানে এমন কিছু অংশ বাদ পড়েছে যার মর্ম হলো "আমি উসমানের নিকট ছিলাম" কথাটি ইসহাকের দাদার উক্তি, তার পিতার নয়।

আপনি ইতিপূর্বে জেনেছেন যে 'আত-তারিখ' গ্রন্থে যা রয়েছে তা-ই সঠিক। (৬) 'আত-তারিখ' ৩ / ২ / ২৯৩৩-এ উকবাহ বিন ইসহাকের জীবনী রয়েছে এবং সেখানে তার সূত্রে এই ইসহাক বিন মানসুরের বর্ণনা রয়েছে।

(৭) 'আত-তারিখ' গ্রন্থে "আল-মুয়াবি" রয়েছে, সুতরাং এতে কোনো ভুল নেই।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٤)
مالك بن صعصعة (1) .

وانما هو ايوب بن عبد الرحمن بن ابى صعصعة (2) .

سمعت ابى يقول كما قال.

وزاد أبو زرعة وقال: مالك بن صعصعة وفكيف يكون ابن اخيه؟.

54 -[1 / 1 / 1324] ايوب بن سلمة الزمن (3) سمع حجر بن الحارث.

وانما هو ايوب بن سلمة الرملي.

سمعت ابى يقول كما قال.

55 -[1 / 1 / 1305] ايوب بن بشير المصرى عن فضيل بن طلحة.

[فضيل ابن طلحة] بصرى حليف فكيف ضار ايوب بن بشير مصريا؟ ينبغى أن

يكون بصريا (4) سمعت ابى يقول كما قال.

56 -[1 / 1 / 1309] ايوب بن جابر الهمداني (5) انما هو حنفى.

سمعت ابى يقول كما قال.

57 -[1 / 1 / 1415] اياس بن عباد روى عنه الاعمش، منقطع، وانما هو اياس بن عبيد (6) سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

(1) في التاريخ بعد هذا " قال لنا محمد بن سنان عن فليح بن سليمان ثنا ايوب … " ثم ذكر قول غيره " ايوب بن عبد الرحمن بن ابى صعصعة " فكان الاول قول فليح أو الراوى عنه (2) ويقال " ايوب بن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن ابى صعصعة.

ويقال باسقاط " بن عبد الرحمن " الثانية.

راجع التهذيب (3) في التاريخ " الرملي " فلا خطأ (4) كأن البخاري سمعه في السند " المصرى " وإذا سمع كذلك.

اتجه قبوله وان احتمل الخطأ (5) في التاريخ " اليمامى " وهو صواب وانما حرفها كاتب النسخة التى وقف عليها أبو زرعة (6) كذا، وفى الجرح والتعديل " عباد " وقال آخر الترجمة " سمعت ابى وأبا زرعة يقولان ذلك " الذى في التاريخ " عباس " ومثله في الثقات.

(*)
মালিক বিন সা’সাআ (১)।

বরং তিনি হলেন আইয়ুব বিন আব্দুর রহমান বিন আবি সা’সাআ (২)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি (ইমাম বুখারি) বলেছেন।

আবু জুর’আ আরও বৃদ্ধি করে বলেছেন: মালিক বিন সা’সাআ, তবে তিনি কীভাবে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র হন?

৫৪ -[১ / ১ / ১৩২৪] আইয়ুব বিন সালামাহ আল-যামান (৩), তিনি হুজর বিন আল-হারিস থেকে শুনেছেন।

বরং তিনি হলেন আইয়ুব বিন সালামাহ আর-রামলি।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৫৫ -[১ / ১ / ১৩০৫] আইয়ুব বিন বাশির আল-মিসরি, ফুদাইল বিন তালহা থেকে বর্ণনা করেছেন।

[ফুদাইল ইবনে তালহা] একজন বসরী মিত্র, তবে আইয়ুব বিন বাশির কীভাবে মিসরীয় হলেন? তাঁর বসরী হওয়া উচিত (৪)। আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৫৬ -[১ / ১ / ১৩০৯] আইয়ুব বিন জাবির আল-হামদানি (৫), প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন হানাফি।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

৫৭ -[১ / ১ / ১৪১৫] ইয়াস বিন আব্বাদ, তাঁর থেকে আল-আ’মাশ বর্ণনা করেছেন, যা বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি); বরং তিনি হলেন ইয়াস বিন উবাইদ (৬)। আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমনটি তিনি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) আত-তারিখে এর পরে রয়েছে "মুহাম্মদ বিন সিনান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুলাইহ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি বলেছেন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ..." অতঃপর তিনি অন্যের উক্তি উল্লেখ করেছেন যে, "আইয়ুব বিন আব্দুর রহমান বিন আবি সা’সাআ"। সুতরাং প্রথমটি ছিল ফুলাইহ অথবা তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর উক্তি। (২) এবং বলা হয় "আইয়ুব বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি সা’সাআ"।

আবার দ্বিতীয় "বিন আব্দুর রহমান" শব্দটি বাদ দিয়েও বলা হয়।

আত-তাহযিব দ্রষ্টব্য। (৩) আত-তারিখে "আর-রামলি" রয়েছে, তাই কোনো ভুল নেই। (৪) মনে হচ্ছে ইমাম বুখারি সনদে এটি "আল-মিসরি" হিসেবে শুনেছেন, আর যখন তিনি সেভাবে শুনেছেন,

তখন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা গ্রহণ করাই সমীচীন। (৫) আত-তারিখে "আল-ইয়ামামি" রয়েছে এবং সেটিই সঠিক, বরং আবু জুর’আ যে পাণ্ডুলিপিটি দেখেছিলেন তার লিপিকার তা বিকৃত করে ফেলেছিলেন। (৬) অনুরূপভাবে, এবং আল-জারহ ওয়াত তা’দিলে রয়েছে "আব্বাদ" এবং জীবনীর শেষে বলা হয়েছে "আমি আমার পিতা ও আবু জুর’আকে তা বলতে শুনেছি"। আত-তারিখে যা রয়েছে তা হলো "আব্বাস" এবং আস-সিকাত গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٥)
58 -[1 / 2 / 1498] احمد بن عبيد الله بن سهل (1) الغدانى.

وانما هو ابن صخر (2) الغدانى.

سمعت ابى يقول كما قال.

59 -[1 / 2 / 1533] اسيد بن على بن عبيد مولى اسد (3) روى عنه موسى ابن يعقوب الزمعى (4) .

وانما روى عنه ابن الغسيل.

سمعت ابى يقول كما قال (5) .

60 -[1 / 2 / 1574] ايمن (6) بن عبد الله بن المحياة (7) وكان يسكن الربذة سمع منه عقبة بن وهب.

وانما هو أبو المختار.

سمعت ابى يقول

كمال قال.

61 -[1 / 2 / 1592] انس بن انيس (8) العذري سمع عبد الرحمن بن خشخاش (9) .

لم يجب فيه ابى بشئ ضرب على ما كان اجاب فيه أبو زرعة.

--------------------------------------------

(1) كذا والذى في التاريخ والجرح والتعديل والتهذيب وغيرها " سهيل ".

(2) في الجرح والتعديل 1 / 1 / 16 " احمد بن عبد الله بن سهيل بن صخر..كذا يقوله أبو زرعة وخالفه ابى فقال احمد بن عبيد الله " وعلى هذا فالاختلاف في اسم الاب فقط (3) كذا والصواب " مولى ابى اسيد " كما في التاريخ والجرح والتعديل وغيرهما (4) زاد في التاريخ " وابن الغسيل " (5) في الجرح والتعديل 1 / 1 / 1196 " روى عنه..ابن الغسيل وموسى بن يعقوب الزمعى سمعت ابى يقول ذلك " وراجع التعليق على التاريخ (6) هكذا في التاريخ والجرح والتعديل وغيرهما ووقع في الاصل " انس " واراه من خطأ الناسخ (7) في التاريخ " أبو المختار " فلا خطأ (8) مثله في الجرح والتعديل وذكر أن بعضهم قال " انس بن ابى انيس " واختلفت نسخ التاريخ بحسب ذلك فراجعه (9) مثله في الجرح والتعديل واكمال ابن ماكولا والتاريخ 3 / 1 / 908 في ترجمة عبد الرحمن ووقع فيه في ترجمة انس " خشاش أو خشاش … قاله يحيى بن حسان ".

(*)
৫৮ -[১ / ২ / ১৪৯৮] আহমদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সাহল (১) আল-গুদানী।

মূলত তিনি হলেন ইবনে সাখর (২) আল-গুদানী।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমন তিনি বলেছিলেন।

৫৯ -[১ / ২ / ১৫৩৩] উসাইদ ইবনে আলী ইবনে উবাইদ, আসাদের (৩) আযাদকৃত দাস (মাওলা)। মূসা ইবনে ইয়াকুব আজ-যাময়ী (৪) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

মূলত ইবনুল গাসীল তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যেমন তিনি বলেছিলেন (৫)।

৬০ -[১ / ২ / ১৫৭৪] আয়মান (৬) ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুহায়য়াহ (৭)। তিনি রাবাযাহ-তে বসবাস করতেন। উকবাহ ইবনে ওয়াহাব তাঁর থেকে শুনেছেন।

মূলত তিনি হলেন আবু আল-মুখতার।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি

যেমন তিনি বলেছিলেন।

৬১ -[১ / ২ / ১৫৯২] আনাস ইবনে আনাইস (৮) আল-উযরী। তিনি আব্দুর রহমান ইবনে খাশখাশ (৯) থেকে শুনেছেন।

আমার পিতা তাঁর ব্যাপারে কোনো উত্তর দেননি; আবু যুরআহ যা উত্তর দিয়েছিলেন তিনি তা কেটে দিয়েছিলেন।

--------------------------------------------

(১) এমনই আছে; তবে আত-তারিখ, আল-জারহু ওয়াত তা'দীল, আত-তাহযীব এবং অন্যান্য কিতাবে এটি "সুহাইল"।

(২) আল-জারহু ওয়াত তা'দীল ১/১/১৬-তে আছে: "আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুহাইল ইবনে সাখর... আবু যুরআহ এভাবেই বলেন, তবে আমার পিতা তাঁর বিরোধিতা করে বলেছেন আহমদ ইবনে উবাইদুল্লাহ।" এমতাবস্থায় মতভেদটি কেবল পিতার নামের ক্ষেত্রে। (৩) এমনই আছে, তবে সঠিক হলো "আবু উসাইদ-এর মাওলা", যেমনটি আত-তারিখ, আল-জারহু ওয়াত তা'দীল এবং অন্যান্য কিতাবে রয়েছে। (৪) আত-তারিখ-এ অতিরিক্ত উল্লেখ আছে "এবং ইবনুল গাসীল"। (৫) আল-জারহু ওয়াত তা'দীল ১/১/১১৯৬-তে আছে: "তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন... ইবনুল গাসীল এবং মূসা ইবনে ইয়াকুব আজ-যাময়ী। আমি আমার পিতাকে এটি বলতে শুনেছি।" আত-তারিখ-এর টীকাটি দেখুন। (৬) আত-তারিখ, আল-জারহু ওয়াত তা'দীল এবং অন্যান্য কিতাবে এমনই আছে। মূল পাণ্ডুলিপিতে "আনাস" এসেছে, আমি এটিকে অনুলিপিকারের ভুল বলে মনে করি। (৭) আত-তারিখ-এ আছে "আবু আল-মুখতার", তাই কোনো ভুল নেই। (৮) আল-জারহু ওয়াত তা'দীল-এ অনুরূপ রয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাদের কেউ কেউ বলেছেন "আনাস ইবনে আবি আনাইস"। সে অনুযায়ী আত-তারিখ-এর পাণ্ডুলিপিগুলোতে ভিন্নতা রয়েছে, তাই সেটি দেখুন। (৯) আল-জারহু ওয়াত তা'দীল, ইকমাল ইবনে মাকুলা এবং আত-তারিখ ৩/১/৯০৮-এ আব্দুর রহমানের জীবনবৃত্তান্তে অনুরূপ আছে। সেখানে আনাসের জীবনবৃত্তান্তে "খাশাশ বা খুশাশ... ইয়াহইয়া ইবনে হাসসান তা বলেছেন" কথাটি এসেছে।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٦)
باب الباء 62 -[1 / 2 / 1783] بكر بن بشر هو الترمذي (1) سمع عبد الحميد / بن سوار (2) وانما هو بشر بن بكر.

سمعت ابى يقول كما قال (3) .

63 -[1 / 2 / 1792] بكر بن سليم الخياط (4) .

وانما هو الصواف.

سمعت ابى يقول كما قال.

64 -[1 / 2 / 1766] بشر بن كثير بن عبيد الاسدي سمع عبد الاعلى

ابن عبد الله - وينظر فيه - مرسل.

روى عنه النضر.

وقال: بشر بن عمير ابن كثير الاسدي عن ابن شقيق عن ابى هريرة.

وهما واحد.

وهو بشر ابن كثيربن عمير الاسيدى (5) .

سمعت ابى يقول كما قال.

65 -[1 / 2 / 1885] بكير أبو نهيك (6) روى عنه زياد بن حدير (7) .

وانما هو الذى روى عن زياد بن حدير.

سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

(1) مثله في التاريخ والثقات والميزان واللسان، وكذا في الجرح والتعديل في ترجمة بكر، ووقع فيه في ترجمة عبد الحميد " بكر بن بشر العسقلاني " (2) هكذا في عامة الكتب ووقع في الاصل " سواد " (3) جرى المؤلف في الجرح والتعديل على انه بكر بن بشر كما يعلم مما مرو حكى ذلك عن ابيه، وعلى ذلك جرى صاحب الثقات، والقائل انه بشر بن بكر لم يذكر حجة (4) الذى في التاريخ " المدينى " ثم قال " سمع حميدا الخراط " فكأنه وقع في النسخة التى وقف عليها أبو زرعة سقط وتحريف (5) في التاريخ ترجمة واحدة مخالف كما هنا فراجعه مع التعليق (6) هكذا في التاريخ والجرح والتعديل والثقات، ووقع في الاصل " أبو نهشل "، واراه من خطأ الناسخ (7) الذى في التاريخ " رأى زياد بن حدير " فلا خطأ (*)
বাব বা (ব) ৬২ -[১ / ২ / ১৭৮৩] বাকর বিন বিশর, তিনি তিরমিযী (১)। তিনি আব্দুল হামিদ বিন সাওয়ার (২) থেকে শুনেছেন। অথচ তিনি মূলত বিশর বিন বাকর।

আমি আমার পিতাকে তিনি (আবু যুরআ) যা বলেছেন তার অনুরূপ বলতে শুনেছি (৩)।

৬৩ -[১ / ২ / ১৭৯২] বাকর বিন সুলাইম আল-খাইয়্যাত (৪)।

অথচ তিনি হলেন আস-সাউওয়াফ।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তার অনুরূপ বলতে শুনেছি।

৬৪ -[১ / ২ / ১৭৬৬] বিশর বিন কাসীর বিন উবাইদ আল-আসাদী। তিনি আব্দুল আ'লা ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে শুনেছেন - এতে পর্যবেক্ষণ রয়েছে - এটি মুরসাল।

তাঁর থেকে আন-নাদর বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি বলেছেন: বিশর বিন উমাইর ইবনে কাসীর আল-আসাদী, ইবনে শাকিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।

আর তাঁরা দুজনেই এক ব্যক্তি।

এবং তিনি হলেন বিশর ইবনে কাসীর বিন উমাইর আল-আসায়িদী (৫)।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তার অনুরূপ বলতে শুনেছি।

৬৫ -[১ / ২ / ১৮৮৫] বুকাইর আবু নাহীক (৬), তাঁর থেকে যিয়াদ বিন হুদাইর (৭) বর্ণনা করেছেন।

অথচ তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি যিয়াদ বিন হুদাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তার অনুরূপ বলতে শুনেছি।

--------------------------------------------

(১) আত-তারিখ, আস-সিকাত, আল-মিজান এবং আল-লিসান গ্রন্থে অনুরূপ রয়েছে। একইভাবে আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল গ্রন্থে বাকরের জীবনীতে এটি এসেছে। তবে আব্দুল হামিদের জীবনীতে সেখানে "বাকর বিন বিশর আল-আসকালানী" হিসেবে পতিত হয়েছে। (২) সাধারণ সকল কিতাবে এমনই রয়েছে, তবে মূল পাণ্ডুলিপিতে "সাওয়াদ" হিসেবে এসেছে। (৩) লেখক আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল গ্রন্থে একে "বাকর বিন বিশর" হিসেবেই গ্রহণ করেছেন, যা পূর্বোল্লিখিত আলোচনা থেকে জানা যায় এবং তিনি এটি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আস-সিকাত গ্রন্থের লেখকও এই মতই অনুসরণ করেছেন। আর যিনি তাঁকে বিশর বিন বাকর বলেছেন, তিনি কোনো প্রমাণ উল্লেখ করেননি। (৪) আত-তারিখ গ্রন্থে যা রয়েছে তা হলো "আল-মাদিনী", এরপর তিনি বলেছেন "তিনি হুমাইদ আল-খাররাত থেকে শুনেছেন"। মনে হচ্ছে আবু যুরআ যে পাণ্ডুলিপিটি দেখেছিলেন তাতে কোনো অংশ বাদ পড়েছিল এবং বিকৃতি ঘটেছিল। (৫) আত-তারিখ গ্রন্থে একটি জীবনী ভিন্নভাবে এসেছে যেমনটি এখানে রয়েছে, তাই টীকা সহকারে সেটি দেখে নিন। (৬) আত-তারিখ, আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল এবং আস-সিকাত গ্রন্থে এমনই রয়েছে। তবে মূল পাণ্ডুলিপিতে "আবু নাহশাল" এসেছে, যা আমি প্রতিলিপিকারীর ভুল বলে মনে করি। (৭) আত-তারিখ গ্রন্থে রয়েছে "তিনি যিয়াদ বিন হুদাইরকে দেখেছেন", তাই কোনো ভুল নেই (*)।
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٧)
66 -[1 / 2 / 1991] بهلول بن حكم (1) القرقسى (2) .

وانما هو بهلول ابن حكم (3) القرقسانى.

سمعت ابى يقول كما قال وهو خطأ من الكاتب.

67 -[1 / 2 / 2003] بركة (4) الازدي (5) سمع مكحولا روى عنه محمد بن مهاجر.

وانما هو بركة (6) سمعت ابى يقول كما قال.

68 -[1 / 2 / 2006] بلج (7) المهرى (8) .

وانما هو عن شيبة (9) المهرى.

سمعت ابى يقول كما قال.

باب التاء

69 -[1 / 2 / 2037] تميم بن حذلم (10) أبو المعارك بصرى روى عن جابر ابن زيد.

وانما هو تميم بن حدير.

سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

(1) كذا والذى في التاريخ والجرح والتعديل والثقات والميزان واللسان " حكيم " (2) في التاريخ " القرقيسى " (3) كذا وراجع ما مر في التعليق، واحسبه كان في النسخة التى وقف عليها أبو زرعة " حكم " فذكر أن الصواب " حكيم " (4) شكل في الاصح بفتح اوله، وضبطه اصحاب المشتبه بضم فسكون، وموضع الترجمة في التاريخ يوافق ذلك فانها في الافراد من باب الباء وقبلها ترجمة " بركة أبو الوليد.." وهو بفتح اوله وثانيه فعلم ان ضبطهما مختلف فلا خطأ.

(5) كذا وقع في الاصل وبعض الكتب، وفى بعض نسخ التاريخ " الاردني " وكذا ضبطه ابن ماكولا وغيره (6) يعنى بضم فسكون، وهو في التاريخ كذلك كما مر (7) وقع في الاصل " بلخ " وهو من خطأ الناسخ حتما (8) احسبه سقط بعد هذا " ثنا شيبة المهرى " فكذلك وقع في بعض نسخ التاريخ، والذى في بقيتها " عن ابى شيبة المهرى " وهو الصواب راجع التاريخ والتعليق عليه.

(9) وقع في الاصل " عن ابن ابى شيبة " وهو من خطأ الناسخ حتما (10) الذى في التاريخ " حدير " فلا خطأ.

(*)
৬৬ -[১ / ২ / ১৯৯১] বাহলুল ইবনে হাকাম (১) আল-কুরকাসি (২)।

অথচ তিনি হলেন বাহলুল ইবনে হাকাম (৩) আল-কুরকাসানি।

আমি আমার পিতাকে এটি বলতে শুনেছি যেভাবে তিনি বলেছেন এবং এটি লেখকের ভুল।

৬৭ -[১ / ২ / ২০০৩] বারাকাহ (৪) আল-আজদি (৫), তিনি মাকহুল থেকে শুনেছেন, তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনে মুহাজির বর্ণনা করেছেন।

অথচ এটি বারাকাহ (৬), আমি আমার পিতাকে এটি বলতে শুনেছি যেভাবে তিনি বলেছেন।

৬৮ -[১ / ২ / ২০০৬] বালজ (৭) আল-মাহরি (৮)।

অথচ এটি শায়বাহ (৯) আল-মাহরি থেকে।

আমি আমার পিতাকে এটি বলতে শুনেছি যেভাবে তিনি বলেছেন।

তা (تاء) অধ্যায়

৬৯ -[১ / ২ / ২০৩৭] তামীম ইবনে হাযলাম (১০) আবু আল-মা’আরিক আল-বাসরি, তিনি জাবির ইবনে যায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন।

অথচ তিনি তামীম ইবনে হুদাইর।

আমি আমার পিতাকে এটি বলতে শুনেছি যেভাবে তিনি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) এভাবেই আছে, তবে আল-তারিখ, আল-জারহ ওয়াত তা’দিল, আস-সিকাত, আল-মিজান এবং আল-লিসান গ্রন্থে রয়েছে "হাকীম"। (২) আল-তারিখ গ্রন্থে রয়েছে "আল-কুরকিসি"। (৩) এভাবেই আছে, টীকায় যা অতিক্রান্ত হয়েছে তা দেখুন। আমার ধারণা আবু যুর’আ যে পাণ্ডুলিপিটি দেখেছিলেন তাতে "হাকাম" ছিল, তাই তিনি উল্লেখ করেছেন যে সঠিক হলো "হাকীম"। (৪) অধিকতর সঠিক মতে এর হরকত প্রথম অক্ষরে ফাতহা (বারাকাহ) দিয়ে, তবে আল-মুশতাবিহ-এর লেখকগণ যাম্মাহ ও সুকুন (বুরকাহ) দিয়ে নির্ধারণ করেছেন। আল-তারিখ গ্রন্থে এই জীবনীর স্থানটি এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, কারণ এটি বা (ب) অধ্যায়ের একক ব্যক্তিদের বর্ণনায় রয়েছে এবং এর আগে "বারাকাহ আবু আল-ওয়ালিদ..." এর জীবনী রয়েছে যা প্রথম ও দ্বিতীয় অক্ষরে ফাতহা যুক্ত। ফলে জানা গেল যে এই দুইটির উচ্চারণ ভিন্ন, সুতরাং এখানে কোনো ভুল নেই।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপি ও কিছু কিতাবে এভাবেই এসেছে, তবে আল-তারিখ-এর কিছু নুসখায় "আল-উর্দুননি" এসেছে। ইবনে মাকুলা ও অন্যান্যরাও এভাবেই একে নির্ধারণ করেছেন। (৬) অর্থাৎ যাম্মাহ ও সুকুন দিয়ে (বুরকাহ), এবং আল-তারিখ গ্রন্থেও এটি এভাবেই রয়েছে যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। (৭) মূল পাণ্ডুলিপিতে "বালখ" এসেছে যা নিশ্চিতভাবেই লিপিকারের ভুল। (৮) আমার ধারণা এর পরে "শায়বাহ আল-মাহরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন" কথাটি পড়ে গেছে, কারণ আল-তারিখ-এর কিছু নুসখায় এভাবেই এসেছে। আর এর অবশিষ্টাংশে রয়েছে "আবু শায়বাহ আল-মাহরি থেকে", যা সঠিক। আল-তারিখ ও এর টীকা দেখুন।

(৯) মূল পাণ্ডুলিপিতে "ইবনে আবি শায়বাহ থেকে" এসেছে যা নিশ্চিতভাবেই লিপিকারের ভুল। (১০) আল-তারিখ গ্রন্থে "হুদাইর" রয়েছে, সুতরাং কোনো ভুল নেই।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٨)
باب الثاء 70 -[1 / 2 / 2059] ثابت بن الحجاج الخولانى (1) .

وانما هو الكلابي.

سمعت ابى يقول كما قال.

71 -[1 / 2 / 2098] ثابت بن زيد (2) أبو السرى الاودى (3) روى عن عمرو ابن ميمون.

وانما هو ثابت بن يزيد.

سمعت ابى يقول كما قال.

72 -[1 / 2 / 2093] ثابت بن عبد الله بن الوليد (4) بن جميع.

وانما هو

ثابت بن الوليد بن عبد الله بن جميع.

سمعت ابى يقول كما قال.

73 -[1 / 2 / 2124] [ثور، قال لى محمد عن ابن المبارك عن - (5) ] معمر عن خلاد بن (6) عبد الرحمن عن يسرة (7) بن ثور.

وانما هو شقيق بن ثور.

سمعت ابى يقول كما قال.

74 -[؟ 8] عبد الصمد بن عبد الرحمن بن دينار عن ابى حازم.

وانما هو عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار.

سمعت ابى يقول كما قال.

باب الجيم.

75 -[1 / 2 / 2182] جعفر بن ابى كثير عن ابيه (9) رواه بكر بن كليب.

--------------------------------------------

(1) ليس في التاريخ كلمة " الخولانى " فلا خطأ (2) الذى في التاريخ " يزيد " فلا خطأ " (3) هكذا في التاريخ والجرح والتعديل وعدة كتب ووقع في الاصل " الازدي " (4) الذى في التاريخ " ثابت بن الوليد بن عبد الله " فلا خطأ.

(5) اضفتها من التاريخ (6) وقع في الاصل " عن " وهو من خطأ الناسخ حتما.

(7) الذى في التاريخ " … معمر بن خلاد عن شقيق بن ثور " فلا خطأ وهكذا فيه 2 / 2 / 2683 في ترجمة شقيق (8) لم اجد في التاريخ العبارة الآتية.

(9) عبارة التاريخ بعد هذا " قاله لنا قتيبة عن بكر بن كليب، وقال مسدد (*)
'ছা' বর্ণানুক্রমিক অধ্যায় ৭০ -[১ / ২ / ২০৫৯] ছাবিত ইবনুল হাজ্জাজ আল-খাওলানি (১) ।

আসলে তিনি হলেন আল-কিলাবি।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তাই বলতে শুনেছি।

৭১ -[১ / ২ / ২০৯৮] ছাবিত ইবনে যায়েদ (২) আবুস সাররি আল-আওদি (৩), তিনি আমর ইবনে মাইমুন থেকে বর্ণনা করেছেন।

আসলে তিনি হলেন ছাবিত ইবনে ইয়াযিদ।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তাই বলতে শুনেছি।

৭২ -[১ / ২ / ২০৯৩] ছাবিত ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনিল ওয়ালিদ (৪) ইবনে জামী‘।

আসলে তিনি হলেন

ছাবিত ইবনিল ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জামী‘।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তাই বলতে শুনেছি।

৭৩ -[১ / ২ / ২১২৪] [ছাওর, মুহাম্মাদ আমাকে ইবনুল মুবারাক থেকে - (৫)] মা’মার, খাল্লাদ ইবনে (৬) আব্দুর রহমান থেকে, তিনি ইয়াসারাহ (৭) ইবনে ছাওর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আসলে তিনি হলেন শাকিক ইবনে ছাওর।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তাই বলতে শুনেছি।

৭৪ -[? ৮] আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে দীনার, আবু হাযিম থেকে।

আসলে তিনি হলেন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার।

আমি আমার পিতাকে তিনি যা বলেছেন তাই বলতে শুনেছি।

'জীম' বর্ণানুক্রমিক অধ্যায়।

৭৫ -[১ / ২ / ২১৮২] জাফর ইবনে আবি কাসীর তার পিতা থেকে (৯), বকর ইবনে কুলাইব এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থে ‘আল-খাওলানি’ শব্দটি নেই, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। (২) ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থে যা আছে তা হলো ‘ইয়াযিদ’, সুতরাং কোনো ভুল নেই। (৩) ‘আত-তারিখ’, ‘আল-জারহ ওয়াত তা’দিল’ এবং বেশ কিছু কিতাবে এভাবেই আছে, তবে মূল পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-আযদি’ এসেছে। (৪) ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থে যা আছে তা হলো ‘ছাবিত ইবনিল ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ’, তাই ভুল নেই।

(৫) আমি এটি ‘আত-তারিখ’ থেকে যোগ করেছি। (৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে ‘থেকে’ (আন) শব্দটি এসেছে, যা নিশ্চিতভাবেই অনুলিপিকারের ভুল।

(৭) ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থে যা আছে তা হলো ‘... মা’মার ইবনে খাল্লাদ, শাকিক ইবনে ছাওর থেকে’, তাই কোনো ভুল নেই; একইভাবে এতে ২ / ২ / ২৬৮৩ নম্বরে শাকিকের জীবনীর বর্ণনায় উল্লেখ আছে। (৮) আমি ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থে পরবর্তী বাক্যটি খুঁজে পাইনি।

(৯) এর পরে ‘আত-তারিখ’ গ্রন্থের ভাষ্য হলো: "কুতাইবা আমাদের কাছে বকর ইবনে কুলাইব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং মুসাদ্দাদ বলেছেন (*)"
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ١٩)
وانما هو جعفر بن كثير.

سمعت ابى يقول كما قال.

76 -[1 / 2 / 2242] جميل بن مرة الشيباني، سمع ابا الوضئ روى عنه حماد وهمام.

وانما هو هشام.

سمعت ابى يقول: روى همام وهشام جميعا عن جميل (1) .

77 -[1 / 2 / 2206] جابر بن سعد (2) الدؤلى الحجازى سمع اباه.

وانما

هو جابر بن سبع (3) .

سمعت ابى قول كما قال.

78 -[1 / 2 / 2197] جابر (4) المقرى (5) واناهو جابر بن ازد (6) المقرى (5) .

سمعت ابى يقول جابر بن آزاذ صاحب حديث التنين.

79 -[1 / 2 / 2310] [جارية بن ظفر، قال لى هدبة بن خالد ثنا أبو بكر بن عياش عن - (7) ] قران بن تمام (8) عن نمران بن جارية (9) .

وانما هو دهثم ابن قران.

سمعت ابى يقول كما قال.

--------------------------------------------

= وغيره … عن بكر عن جعفر بن كثير " فعلم ان الاول قول قتيبة حكاه البخاري ثم بين الصواب فلا خطأ منه.

(1) فلا خطأ في التاريخ (2) كذا في الاصل، وكذا وقع في الاصلين المطبوع عنهما تاريخ البخاري والاصلين المطبوع عنهما الجرح.

والتعديل مع ان والد جابر هذا في ترجمته فيهما وفى غيرهما " سعر " آخره راء وهى في باب سعر، وكذلك ضبطه اصحاب المشتبه وغيرهم وهذا مما يكثر فيه خطأ النساخ (3) كذا والصواب " سعر " كما مر (4) زاد في التاريخ " بن آزاذ " (5) كذا ومثله في الاصلين المطبوع عنهما التاريخ، وصوابه " المقرإى " (6) كذا والمعروف " آزاذ " كما مر (7) اضفتها من التاريخ (8) الذى في التاريخ " عن دهثم بن قران " فلاخطأ (9) في الاصل حارثة " وهومن خطأ الناسخ.

(*)
বলাবাহুল্য তিনি হচ্ছেন জাফর ইবনে কাসীর।

আমি আমার পিতাকে তাঁর ন্যায় বলতে শুনেছি।

৭৬ -[১ / ২ / ২২৪২] জামিল ইবনে মুররাহ আশ-শায়বানী, তিনি আবুল ওয়াদী থেকে শুনেছেন, তাঁর থেকে হাম্মাদ ও হাম্মাম বর্ণনা করেছেন।

বলাবাহুল্য তিনি হচ্ছেন হিশাম।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: হাম্মাম ও হিশাম উভয়েই জামিল (১) থেকে বর্ণনা করেছেন।

৭৭ -[১ / ২ / ২২০৬] জাবির ইবনে সাদ (২) আদ-দুয়ালী আল-হিজাজী, তিনি তাঁর পিতা থেকে শুনেছেন।

বলাবাহুল্য

তিনি হচ্ছেন জাবির ইবনে সাবা (৩)।

আমি আমার পিতাকে তাঁর ন্যায় বলতে শুনেছি।

৭৮ -[১ / ২ / ২১৯৭] জাবির (৪) আল-মুকরী (৫), বলাবাহুল্য তিনি হচ্ছেন জাবির ইবনে আজদ (৬) আল-মুকরী (৫)।

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, জাবির ইবনে আজাদ ড্রাগন (তিন্নীন) বিষয়ক হাদীসের বর্ণনাকারী।

৭৯ -[১ / ২ / ২৩১০] [জারিয়াহ ইবনে জাফার, হুদবাহ ইবনে খালিদ আমাকে বলেছেন যে, আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন - (৭) থেকে] কুররান ইবনে তাম্মাম (৮), তিনি নিমরান ইবনে জারিয়াহ (৯) থেকে।

বলাবাহুল্য তিনি হচ্ছেন দাহসাম ইবনে কুররান।

আমি আমার পিতাকে তাঁর ন্যায় বলতে শুনেছি।

--------------------------------------------

= এবং অন্যান্যরা ... বকর থেকে, তিনি জাফর ইবনে কাসীর থেকে; এর মাধ্যমে জানা গেল যে, প্রথম বক্তব্যটি কুতাইবাহ-এর যা আল-বুখারী উদ্ধৃত করেছেন, অতঃপর তিনি সঠিক বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন, সুতরাং এটি তাঁর পক্ষ থেকে কোনো ভুল নয়।

(১) সুতরাং আত-তারীখ-এ কোনো ভুল নেই। (২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, এবং আল-বুখারীর আত-তারীখ ও আল-জারহ ওয়াত তাদীল যে দুটি মূল কপি থেকে মুদ্রিত হয়েছে সেখানেও এভাবেই এসেছে।

যদিও এই জাবিরের পিতার জীবনীতে এই দুই গ্রন্থে এবং অন্যান্য কিতাবেও নামের শেষে 'রা' দিয়ে "সার" এসেছে এবং এটি 'সার' পরিচ্ছেদে রয়েছে। মুশতাবিহ গ্রন্থকারগণ ও অন্যান্যরাও এভাবেই একে লিপিবদ্ধ করেছেন। এটি এমন একটি বিষয় যেখানে পাণ্ডুলিপি লেখকদের ভুল বেশি হয়ে থাকে। (৩) এভাবেই আছে, তবে সঠিক হলো "সার" যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। (৪) আত-তারীখ গ্রন্থে "ইবনে আজাদ" কথাটি বর্ধিত আছে। (৫) এভাবেই আছে এবং আত-তারীখ-এর মুদ্রিত পাণ্ডুলিপিদ্বয়েও অনুরূপ রয়েছে, তবে এর সঠিক রূপ হলো "আল-মাকরায়ী"। (৬) এভাবেই আছে, তবে প্রসিদ্ধ হলো "আজাদ" যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। (৭) এটি আমি আত-তারীখ থেকে যুক্ত করেছি। (৮) যা আত-তারীখ গ্রন্থে "দাহসাম ইবনে কুররান থেকে" হিসেবে আছে, সুতরাং কোনো ভুল নেই। (৯) মূল পাণ্ডুলিপিতে "হারিসাহ" রয়েছে এবং এটি পাণ্ডুলিপি লেখকের একটি ভুল।

(*)
(খণ্ড: ١) বায়ানু খাতাউল বুখারী ফী তারীখিহী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
80 -[1 / 2 / 2326] جويرية بن اسماء بن عبيد (1) أبو مخراق.

وانما هو أبو المخارق.

سمعت ابى يقول كما قال.

81 -[1 / 2 / 2331] جميع (2) بن ثوب الشامي.

وانما هو جميع (3) بن ثوب / سمعت ابى يقول كما قال.

82 -[1 / 2 / 2350] جهضم بن عبد الله اليمامى روى عن عبد الله بن زيد (4) .

وانما هو عبد الله بن بدر.

سمعت ابى يقول كما قال.

باب الحاء 83 -[1 / 2 / 2502] الحسن (5) بن على بن ابى طالب روى عن ابيه، روى عنه الحسن بن محمد وابراهيم بن الحسن.

وانما هو الحسن بن الحسن بن على.

سمعت ابى يقول كما قال.

84 -[1 / 2 / 2543] الحسن بن كيران (6) .

وانما هو الحسن بن عقبة أبو كيران.

سمعت ابى يقول كما قال.

85 -[1 / 2 / 2581] الحسن عن جده المزني (7) .

وانما هو ايوب بن النجار

--------------------------------------------

(1) زاد في التاريخ " بن مخراق " وفى التهذيب " بن مخارق ويقال مخراق ".

(2) في الاصل " جمع " وهو من خطأ الناسخ فالترجمة في التاريخ في باب " جميع " بالتصغير (3) يعنى بفتح فكسر وراجع التعليق على التاريخ (4 الذى في التاريخ " بدر " فلا خطأ (5) زاد في التاريخ " بن الحسن " فلا خطأ ويوضحه ان الترجمة فيه فيمن اول اسم ابيه حاء من الحسنين (6) الذى في التاريخ فيمن اول اسم ابيه عين من الحسنين " الحسن بن عقبة أبو كيران " فلا خطأ (7) الذى في التاريخ " الحسن أبو عبد الله، قال عبد الله الجعفي ثنا محمد بن بشر ثنا ايوب بن النجار ثنا أبو عبد الله الحسن عن جده المزني ".

(*)
৮০ -[১ / ২ / ২৩২৬] জুয়াইরিয়াহ ইবনে আসমা ইবনে উবাইদ (১) আবু মিখরাক।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন আবু আল-মুখারিক।

আমি আমার পিতাকে তা-ই বলতে শুনেছি যা তিনি বলেছেন।

৮১ -[১ / ২ / ২৩৩১] জামী' (২) ইবনে সাওব আশ-শামী।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন জামী' (৩) ইবনে সাওব / আমি আমার পিতাকে তা-ই বলতে শুনেছি যা তিনি বলেছেন।

৮২ -[১ / ২ / ২৩৫০] জাহযাম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়ামামী, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ (৪) থেকে বর্ণনা করেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে বদর।

আমি আমার পিতাকে তা-ই বলতে শুনেছি যা তিনি বলেছেন।

হা (ح) অধ্যায় ৮৩ -[১ / ২ / ২৫০২] আল-হাসান (৫) ইবনে আলী ইবনে আবী তালিব, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ এবং ইবরাহীম ইবনে হাসান।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন হাসান ইবনে হাসান ইবনে আলী।

আমি আমার পিতাকে তা-ই বলতে শুনেছি যা তিনি বলেছেন।

৮৪ -[১ / ২ / ২৫৪৩] হাসান ইবনে কাইরান (৬)।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন হাসান ইবনে উকবাহ আবু কাইরান।

আমি আমার পিতাকে তা-ই বলতে শুনেছি যা তিনি বলেছেন।

৮৫ -[১ / ২ / ২৫৮১] হাসান, তাঁর দাদা আল-মুযানী (৭) থেকে।

প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন আইয়ুব ইবনুন নাজ্জার।

--------------------------------------------

(১) আত্তারিখে "ইবনে মিখরাক" বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং আত-তাহযীব-এ রয়েছে "ইবনে মুখারিক, আর মিখরাকও বলা হয়"।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে "জাম'" রয়েছে যা অনুলিপিকারের ভুল, কারণ আত্তারিখে জীবনীটি তাসগির (ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ) তথা "জামী'" অধ্যায়ে রয়েছে। (৩) অর্থাৎ ফাতহা ও পরবর্তীতে কাসরা যোগে; আত্তারিখে এর টীকা দ্রষ্টব্য। (৪) আত্তারিখে যা রয়েছে তা হলো "বদর", সুতরাং কোনো ভুল নেই। (৫) আত্তারিখে "ইবনুল হাসান" বৃদ্ধি করা হয়েছে, সুতরাং কোনো ভুল নেই। বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, সেখানে জীবনীটি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের পিতার নামের প্রথম অক্ষর "হা", দুই হাসানের মধ্য থেকে। (৬) আত্তারিখে যা রয়েছে তা হলো এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের পিতার নামের প্রথম অক্ষর "আইন", দুই হাসানের মধ্য থেকে, "হাসান ইবনে উকবাহ আবু কাইরান", সুতরাং কোনো ভুল নেই। (৭) আত্তারিখে যা রয়েছে তা হলো: "হাসান আবু আব্দুল্লাহ; আব্দুল্লাহ আল-জু'ফী আমাদের বলেছেন, মুহাম্মদ ইবনে বিশর আমাদের বলেছেন, আইয়ুব ইবনুন নাজ্জার আমাদের বলেছেন, আবু আব্দুল্লাহ হাসান তাঁর দাদা আল-মুযানী থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন"।

(*)