(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الفوائد الجليلة في مسلسلات ابن عقيلة القسم: كتب السنة
الكتاب: الفوائد الجليلة في مسلسلات ابن عقيلة
المؤلف: محمد بن أحمد بن سعيد الحنفي المكيّ، شمس الدين، المعروف كوالده بعقيلة (ت 1150هـ)
تحقيق وتعليق: الدكتور محمد رضا
الناشر: البشائر الإسلامية، بيروت
الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2000 م
عدد الصفحات: 191
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ফাওয়াইদুল জালিলা ফি মুসালসালাতি ইবনে আকিলা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-ফাওয়াইদুল জালিলা ফি মুসালসালাতি ইবনে আকিলা
লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাঈদ আল-হানাফি আল-মাক্কি, শামসুদ্দিন, যিনি তার পিতার ন্যায় আকিলা নামে পরিচিত (মৃত্যু ১১৫০ হিজরি)
তাহকিক ও তালীক: ডক্টর মুহাম্মদ রেজা
প্রকাশক: আল-বাশাঈর আল-ইসলামিয়্যাহ, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯১
[কিতাবের পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
الأَوَّلُ: الْمُسَلْسَلَةُ بِالأَوَّلِيَّةِفَأَقُولُ وَبِاللَّهِ الْمُسْتَعَانُ
سَمِعْتُ حَدِيثَ الرَّحْمَةِ الْمُسَلْسَلَةِ بِالأَوَّلِيَّةِ مِنَ الشَّيْخ النَّاسِكِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الدِّمْيَاطِيِّ الْمَشْهُورِ بِابْنِ عَبْدِ الْغَنِيِّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ بِحَضْرَةِ جَمْعٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ الْمُعَمَّرُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُنُوفِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ وَأَجَازَهُ بِجَمِيعِ مَرْوِيَّاتِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ الشَّيْخ الْمُعَمَّرُ أَبُو الْخَيْرِ بْنُ عَمُوسٍ الرُّشَيْدِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ وَأَجَازَهُ بِجَمِيعِ مَرْوِيَّاتِهِ فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ اثْنَيْنِ بَعْدَ الأَلْفِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ شَيْخُ الإِسْلامِ الشَّرِيفُ زَكَرِيَّا بْنُ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ خَاتِمَةُ الْحُفَّاظِ الشِّهَابُ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَجَرٍ الْعَسْقَلانِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بِهِ الْحَافِظُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ حُسَيْنٍ الْعِرَاقِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ
প্রথম: মুসালসাল বিল আউয়ালিয়্যাহ (প্রথম হওয়ার ধারাবাহিকতাসম্পন্ন বর্ণনা)আমি বলছি—এবং আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি—
আমি প্রথম হওয়ার ধারাবাহিকতাসম্পন্ন (মুসালসাল বিল আউয়ালিয়্যাহ) রহমতের হাদিসটি ইবনে আব্দুল গনি নামে প্রসিদ্ধ আবেদ শাইখ আহমদ বিন মুহাম্মদ আদ-দিময়াতি থেকে শুনেছি। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি একদল আলিমের উপস্থিতিতে তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: দীর্ঘজীবী মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুনুফি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি এবং তিনি তাঁর সকল বর্ণনার ইজাজত প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: দীর্ঘজীবী শাইখ আবুল খায়ের বিন আমুস আর-রুশাইদি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি এবং তিনি এক হাজার দুই হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর সকল মাকবুল বর্ণনার ইজাজত প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: শাইখুল ইসলাম আশ-শারিফ জাকারিয়া বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: হাফেজদের সর্বশেষ দিকপাল শিহাব আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন হাজার আল-আসকালানি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: হাফেজ জয়নুদ্দিন আবুল ফজল আব্দুর রহিম বিন হুসাইন আল-ইরাকি আমাদের এটি অবহিত করেছেন; আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
الصَّدْرُ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَيْدُومِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَاهُ النَّجِيبُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بِهِ الْحَافِظُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْجَوْزِيِّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِهِ أَبُو سَعِيدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ النَّيْسَابُورِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَالِدِي أَبُو صَالِحٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمُؤَذِّنُ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمِشٍ الزِّيَادِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْبَزَّازُ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ النَّيْسَابُورِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي قَابُوسَ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الرَّاحِمُونَ يَرْحَمُهُمُ الرَّحْمَنُ تبارك وتعالى، ارْحَمُوا مَنْ فِي الأَرْضِ يَرْحَمْكُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ» .
সদর আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মায়দুমি, এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আন-নাজীব আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুন'িম আল-হাররানি, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এ সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন আল-হাফিয আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী বিন আল-জাওযী, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ ইসমাঈল বিন আবি সালিহ আন-নাইসাবুরী, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আবু সালিহ আহমদ বিন আব্দুল মালিক আল-মুয়াযযিন, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহমিশ আয-যিয়াদী, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-বাযযায, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন বিশর বিন আল-হাকাম আন-নাইসাবুরী, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস-এর আযাদকৃত দাস আবু ক্বাবূস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দয়াবানদের প্রতি পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
قَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَسَنٌ صَحِيحٌ، وَجَمَعَ طُرُقَهُ جَمَاعَةٌ، وَهُوَ أَصَحُّ الْمُسَلْسَلاتِ
بعض ما قيل فِي حديث الأولية من الشعر: وقد نظم هَذَا الحديث وضمنه جماعة من العلماء، منهم: الإِمَام الْحَافِظ أَبُو الْقَاسِم عَليّ بْن حسن بْن عساكر، رحمه لله تَعَالَى، قَالَ:
بادر إلى الخير يا ذا اللب مغتنما
… ولا تكن عَن قليل الخير منحرما
وأشكر لمولاك ما أولاك من نعم
… فالشكر يستوجب الإفضال والكرما
وارحم بقلبك خلق اللَّه وارعهم
… فإنَّما يرحم الرَّحْمَن من رحما
وللحافظ شهاب الدين أَحْمَد بْن حجر الْعَسْقَلانِيّ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى:
ইমাম তিরমিযী বলেছেন: এটি হাসান সহীহ, এবং একদল আলেম এর বর্ণনাপথগুলো একত্রিত করেছেন। এটি ‘মুসালসাল’ হাদিসসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ।
‘হাদিসে আউয়ালিয়্যাহ’ সম্পর্কে পঙক্তিমালায় যা বলা হয়েছে: একদল আলেম এই হাদিসটিকে কাব্যরূপে গেঁথেছেন এবং একে পঙক্তিভুক্ত করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম হাফিয আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে আসাকির (রহিমাহুল্লাহ তাআলা), তিনি বলেছেন:
হে বুদ্ধিমান! সুযোগ অন্বেষণ করে কল্যাণের দিকে দ্রুত ধাবিত হও
… আর সামান্য কল্যাণ থেকেও বঞ্চিত থেকো না।
তোমার প্রতিপালক তোমাকে যে নিআমত দিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো
… কেননা কৃতজ্ঞতা অনুগ্রহ ও উদারতা বৃদ্ধি করে।
তোমার অন্তর দিয়ে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি মমতা পোষণ করো এবং তাদের যত্ন নাও
… কেননা পরম দয়ালু আল্লাহ কেবল তাদেরকেই দয়া করেন যারা দয়া করে।
এবং হাফিয শিহাবুদ্দিন আহমাদ ইবনে হাজার আল-আসকালানী (রহিমাহুল্লাহ তাআলা)-এর পক্ষ থেকে (অনুরূপ বলা হয়েছে):
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
إنما يرحم من فِي الأرض
… قد جاءنا يرحمه من فِي السما
فارحم الخلق جميعا إنما
… يرحم الرَّحْمَن من رحما
وللحافظ العراقي، رحمه الله:
إن كنت لا ترحم المسكين إن عدما
… ولا الفقير إذ يشكو لك العدما
فكيف ترجو من الرحمن رحمته
… فإنه يرحم الرحمان من رحما
وللشيخ رضوان مُحَمَّد العقبي، رَحِمَهُ اللَّهُ تعالى:
الحب فِيك مسلسل بالأول
… فاصغ ولا تسمع كلام العزل
فارحم عباد اللَّه يا من قد علا
… من يرحم السفلى يرحمه العلى
وللقاضي زَكَرِيَّا، رَحِمَهُ اللَّهُ تعالى:
من يرحم أهل السفل يرحمه العلي
… فارحم جميع الخلق يرحمك العلي
وللشهاب المنصوري، رَحِمَهُ اللَّهُ تعالى:
أخلق لمن يظلم أن يظلما
… وبالذي يرحم أن يرحما
من لم يكن يرحم بالقلب من
… فِي الأرض لم يرحمه من فِي السما
وللشيخ النابلسي، 1143 هـ:
لقد أتانا حديث عَن مشايخنا
… مسلسلًا أوليا قد رويناه
قَالَ النَّبِيُّ صلاة اللَّه دائمة
… مع السلام عليه عِنْدَ ذكراه
الراحمون هم الرحمان يرحمهم
… برحمة منه، نرويه بمعناه
من كَانَ يرحم من فِي الأرض
… يرحمه من فِي السماء تَعَالَى الراحم اللَّه
জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি যে দয়া করে
… আমাদের কাছে (হাদিস) এসেছে যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তার প্রতি দয়া করেন।
অতএব সমস্ত সৃষ্টির প্রতি দয়া করো, কেননা
… রহমান কেবল তাদেরকেই দয়া করেন যারা দয়া করে।
হাফেজ ইরাকি (রহিমাহুল্লাহ)-এর কবিতা:
যদি তুমি অভাবগ্রস্ত মিসকিনের প্রতি দয়া না করো যখন সে রিক্ত হয়
… আর না সেই ফকিরের প্রতি যখন সে তোমার কাছে তার অভাবের অভিযোগ করে;
তবে তুমি রহমানের কাছে কীভাবে তাঁর রহমত আশা করো?
… অথচ রহমান কেবল তাদেরকেই দয়া করেন যারা দয়া করে।
শায়খ রিদওয়ান মুহাম্মদ আল-উকবি (রহিমাহুল্লাহ তায়ালা)-এর কবিতা:
তোমার প্রতি ভালোবাসা প্রথম থেকেই অবিচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে
… অতএব মনোযোগ দাও এবং নিন্দুকদের কথা শুনো না।
হে উচ্চমর্যাদার অধিকারী! আল্লাহর বান্দাদের প্রতি দয়া করো
… যে ব্যক্তি নিম্নস্থদের প্রতি দয়া করে, সুউচ্চ সত্তা তার প্রতি দয়া করেন।
কাজী জাকারিয়া (রহিমাহুল্লাহ তায়ালা)-এর কবিতা:
যে ব্যক্তি নিম্নস্থদের প্রতি দয়া করে, সুউচ্চ সত্তা তার প্রতি দয়া করেন
… অতএব সকল সৃষ্টির প্রতি দয়া করো, সুউচ্চ সত্তা তোমার প্রতি দয়া করবেন।
শিহাব আল-মানসুরি (রহিমাহুল্লাহ তায়ালা)-এর কবিতা:
যে জুলুম করে তার জন্য এটাই উপযুক্ত যে সে জুলুমের শিকার হবে
… আর যে দয়া করে তার জন্য এটাই উপযুক্ত যে সে দয়া পাবে।
যে ব্যক্তি জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি অন্তর থেকে দয়া করে না
… আকাশে যিনি আছেন তিনি তার প্রতি দয়া করেন না।
শায়খ নাবলুসি (মৃত্যু ১১৪৩ হিজরি)-এর কবিতা:
আমাদের নিকট আমাদের মাশায়েখদের থেকে একটি হাদিস এসেছে
… যা আমরা প্রথম থেকে অবিচ্ছিন্ন (মুসালসাল) হিসেবে বর্ণনা করেছি।
নবী বলেছেন—যাঁর স্মরণের সময় তাঁর ওপর সর্বদা আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—
… যারা দয়ালু, রহমান তাদের প্রতি দয়া করেন
… তাঁর নিজস্ব রহমতের মাধ্যমে; আমরা এটি অর্থগতভাবে বর্ণনা করছি।
যে ব্যক্তি জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করে
… আকাশে যিনি আছেন তিনি তার প্রতি দয়া করেন; দয়াময় আল্লাহ সুউচ্চ ও মহান।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦١)
وللشيخ إِسْمَاعِيل العجلوني:
كن يا أخي رحيم القلب طاهره
… يرحمك مولاك بل يؤنسك إيناسًا
ففي الصحيحين ما معناه متصلًا
… لا يرحم اللَّه من لا يرحم الناسا
والراحمون روى الأشياخ مرتفعا
… بالأولية فِي التحديث نبراسا
এবং শায়খ ইসমাইল আল-আজলুনীর কবিতাংশ:
হে আমার ভাই! তুমি দয়াময় ও পবিত্র হৃদয়ের অধিকারী হও
… তবে তোমার প্রতিপালক তোমার প্রতি দয়া করবেন, বরং তিনি তোমাকে নিবিড় সঙ্গ দান করবেন।
কেননা সহীহাইন-এ (বুখারী ও মুসলিম) সেই অর্থ সংবলিত বর্ণনা নিরবচ্ছিন্নভাবে এসেছে
… আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করেন না, যে মানুষের প্রতি দয়া করে না।
আর দয়াকারীদের হাদীসটি শায়খগণ মারফু' সূত্রে বর্ণনা করেছেন
… হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে 'আউয়ালিয়্যাত' হিসেবে যা একটি উজ্জ্বল প্রদীপ।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
الثاني: المسلسل بالمصافحةوَقَدْ صَافَحَنِي بِحَضْرَةِ مَنْ سَبَقَ قَائِلا: يَدِي سَابِعُ يَدٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
قَالَ: صَافَحَنِي الشَّيْخ الْمُعَمَّرُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعِجْلِيُّ الْيَمَنِيُّ، قَالَ: صَافَحَنِي الْعَارِفُ الْكَامِلُ مَوْلانَا الشَّيْخ تَاجُ الدِّينِ الْهِنْدِيُّ النَّقْشَبَنْدِيُّ، قَالَ: صَافَحَنِي الشَّيْخ عَبْدُ الرَّحْمَنِ الشَّهِيرُ بِحَاجِي رَمْزِي، قَالَ: صَافَحَنِي الشَّيْخ الْحَافِظُ عَلِيٌّ الأَوْبَهِيُّ، قَالَ: صَافَحَنِي الشَّيْخَانِ: الشَّيْخ مَحْمُودٌ الإِسْفِزَارِيُّ، وَالسَّيِّدُ أَمِيرُ عَلِيٍّ الْهَمْدَانِيُّ، قَالا: صَافَحَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْحَبَشِيُّ الصَّحَابِيُّ الْمُعَمَّرُ، قَالَ: «صَافَحَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم» قُلْتُ: هَذَا السَّنَدُ كُلُّهُ مُشْتَمِلٌ عَلَى الثِّقَاتِ الأَجِلاءِ، الْعُلَمَاءِ الْعُرَفَاءِ، وَأَبُو سَعِيدٍ الْحَبَشِيُّ الصَّحَابِيُّ هَذَا لا يُعْرَفُ فِي الصَّحَابَةِ، وَلَعَلَّهُ مِمَّنْ لَمْ يَشْتَهِرْ، وَعَلَى هَذَا السَّنَدِ رَوْنَقُ الْقَبُولِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
وقد صَافَحَنِي أيضًا شيخنا ومولانا وبركتنا الشَّيْخ أَحْمَد بْن مُحَمَّدٍ النخلي، وَقَالَ: صافحنا العارف بِاللَّهِ الكبير مولانا الشَّيْخ تاج الدين
দ্বিতীয়: মুসাফাহা (করমর্দন) সম্বলিত মুসালসাল হাদীসপূর্বোক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন এবং বলেছেন: আমার হাতটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতে সপ্তম হাত।
তিনি বললেন: আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত শায়খ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ইজলি আল-ইয়ামানি। তিনি বললেন: আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন আরিফে কামিল মাওলানা শায়খ তাজউদ্দীন আল-হিন্দি আন-নকশবন্দি। তিনি বললেন: আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন হাজি রামজি নামে প্রসিদ্ধ শায়খ আবদুর রহমান। তিনি বললেন: আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন শায়খ হাফেজ আলী আল-আওবাহি। তিনি বললেন: আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন দুই শায়খ: শায়খ মাহমুদ আল-ইসফিজারি এবং সাইয়্যেদ আমির আলী আল-হামদানি। তাঁরা উভয়ই বললেন: আমাদের সাথে মুসাফাহা করেছেন দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত সাহাবী আবু সাঈদ আল-হাবাশি। তিনি বললেন: ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন।’ আমি বলছি: এই সনদের সকলেই মহান নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব, আলেম ও আরিফগণের অন্তর্ভুক্ত। তবে এই সাহাবী আবু সাঈদ আল-হাবাশি সাহাবীদের মধ্যে সুপরিচিত নন; সম্ভবত তিনি এমন সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত যাঁদের প্রসিদ্ধি ঘটেনি। এই সনদে গ্রহণযোগ্যতার উজ্জ্বল আভা বিদ্যমান, আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
আমাদের শায়খ, মুরুব্বি এবং আমাদের বরকত শায়খ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাখলি-ও আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন এবং বলেছেন: আমাদের সাথে মুসাফাহা করেছেন আরিফ বিল্লাহিল কাবীর মাওলানা শায়খ তাজউদ্দীন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
النقشبندي. . فيكون هَذَا السند أعلى من السند الأول، فتكون يد العبد الفقير سابع يد إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
وَقَدْ صَافَحَنِي أَيْضًا مَوْلانَا الشَّيْخُ الْعَلامَةُ الْوَرِعُ الْبَقِيَّةُ شَيْخُنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّخْلِيُّ، فِي رِوَايَتِهِ فِي حَدِيثِ الْمُصَافَحَةِ، عَنِ الشَّيْخ الرِّحْلَةِ الْمُسْنِدِ الشَّيْخ مُحَمَّدِ بْنِ عَلاءِ الدِّينِ الْبَابِلِيِّ، عَنِ الشَّيْخ أَبِي بَكْرِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الشَّنَوَانِيِّ، عَنِ الشَّيْخ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَلْقَمِيِّ، عَنْ أَبِي الْفَضْلِ الْجَلالِ السُّيُوطِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا التَّقِيُّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّمَنِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ بْنُ الْكُوَيْكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْخُوِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَزْوِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الشَّحَّاذِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ نُجَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدَانُ بْنُ حُمَيْدٍ الْمُنَجَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ دِهْقَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ تَمِيمٍ، قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى أَبِي هُرْمُزَ نَعُودُهُ، فَقَالَ: دَخَلْنَا عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه، نَعُودُهُ، فَقَالَ: «صَافَحْتُ بِكَفِّي هَذِهِ كَفَّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَمَا لَمَسْتُ خَزًّا وَلا حَرِيرًا أَلْيَنَ مِنْ كَفِّهِ صلى الله عليه وسلم» .
قَالَ أَبُو هُرْمُزَ: فَقُلْنَا لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَافَحَنَا، قَالَ خَلَفٌ: فَقُلْنَا لأَبِي هُرْمُزَ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَنَسًا، فَصَافَحَنَا، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ دِهْقَانَ: فَقُلْنَا لِخَلَفٍ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَبَا هُرْمُزَ، فَصَافَحَنَا، قَالَ عَمْرُو بْنُ سَعِيدٍ: قُلْنَا لأَحْمَدَ بْنِ دِهْقَانَ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا
আন-নকশবন্দী। ... অতএব এই সনদটি প্রথম সনদের চেয়েও উচ্চতর হবে, ফলে এই অভাবী বান্দার হাত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত সপ্তম হাত হিসেবে গণ্য হবে।
আমাদের মওলানা শায়খ, আল্লামা, পরহেজগার এবং পূর্বসূরিদের যোগ্য উত্তরসূরি আমাদের শায়খ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখলি-ও মুসাফাহার হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন; তিনি রিহলাহ (ভ্রমণকারী) ও মুসনিদ শায়খ মুহাম্মদ বিন আলাউদ্দীন আল-বাবিলি থেকে, তিনি শায়খ আবু বকর বিন ইসমাইল আশ-শানাওয়ানি থেকে, তিনি শায়খ ইব্রাহিম বিন আবদুর রহমান আল-আলকামি থেকে, তিনি আবুল ফজল জালাল আস-সুয়ূতি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাকি আহমদ বিন মুহাম্মদ আশ-শামানি তাঁর নিকট পঠিত পাঠে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের বিন আল-কুওয়াইক; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আলী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-খুয়ি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাজদ বিন আল-হুসাইন আল-কাযউইনি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন ইব্রাহিম আশ-শাহহাজি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবু যুরআহ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আল-বাযযাযি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক বিন নুজাইদ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদান বিন হুমাইদ আল-মুনাজ্জা; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন সাঈদ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন দিহকান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন তামিমি; তিনি বলেন: আমরা আবু হুরমুযের অসুস্থতায় তাঁকে দেখতে গেলাম, তখন তিনি বললেন: আমরা আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর অসুস্থতায় তাঁকে দেখতে গেলাম। তিনি বললেন: «আমি আমার এই হাতের তালুর মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করেছি। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল কোনো পশমি কাপড় বা রেশম স্পর্শ করিনি»।
আবু হুরমুয বলেন: অতঃপর আমরা আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহu আনহুকে বললাম: আপনি যে হাতের তালু দিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুসাফাহা করেছেন, তা দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন। তখন তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। খালাফ বলেন: আমরা আবু হুরমুযকে বললাম: আপনি যে হাতের তালু দিয়ে আনাসের সাথে মুসাফাহা করেছেন, তা দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন। তখন তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আহমদ বিন দিহকান বলেন: আমরা খালাফকে বললাম: আপনি যে হাতের তালু দিয়ে আবু হুরমুযের সাথে মুসাফাহা করেছেন, তা দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন। তখন তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আমর বিন সাঈদ বলেন: আমরা আহমদ বিন দিহকানকে বললাম: আপনি যে হাতের তালু দিয়ে মুসাফাহা করেছেন, তা দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
خَلَفَ بْنَ تَمِيمٍ، فَصَافَحَنَا، قَالَ عَبْدَانُ: قُلْنَا لِعَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَحْمَدَ بْنَ دِهْقَانَ، فَصَافَحَنَا، قَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ: قُلْنَا لِعَبْدَانَ بْنِ حُمَيْدٍ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا عَمْرَو بْنَ سَعِيدٍ، فَصَافَحَنَا، قَالَ أَبُو مَنْصُورٍ: قُلْتُ لِعَبْدِ الْمَلِكِ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا عَبْدَانَ، فَصَافَحَنَا، قَالَ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ: قُلْتُ لأَبِي مَنْصُورٍ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا عَبْدَ الْمَلِكِ، فَصَافَحَنَا، قَالَ أَبُو بَكْرٍ الشَّحَّاذِيُّ: قُلْتُ لأَبِي الْحَسَنِ: صَافِحْنِي بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَبَا الْحَسَنِ، فَصَافَحَنِي، قَالَ الْخُوِيُّ: قُلْتُ لأَبِي الْمَجْدِ: صَافِحْنِي بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَبَا بَكْرٍ، فَصَافَحَنِي.
قِيلَ لأَبِي بَكْرٍ: صَافِحْ إِبْرَاهِيمَ بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَبَا الْمَجْدِ، فَصَافَحَهُ، قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ: قُلْتُ لإِبْرَاهِيمَ: صَافِحْنِي بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا الْخُوِيُّ، فَصَافَحَنِي، قَالَ الشَّمَنِيُّ: قُلْتُ لأَبِي الطَّاهِرِ، صَافِحْنِي بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا إِبْرَاهِيمَ، فَصَافَحَنِي، قَالَ الْجَلالُ السُّيُوطِيُّ: قُلْتُ لِشَيْخِنَا الشَّمَنِيِّ: صَافِحْنِي بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا أَبَا الطَّاهِرِ، فَصَافَحَنِي ، والجلال صافح إبراهيم العلقمي إن لم يكن فعلًا فإجازة، والعلقمي صافح أَبَا بَكْر كَذَلِكَ، وأبو بَكْر صافح حافظ وقته الشَّيْخ مُحَمَّد بْن عَلاء الدِّينِ البابلي، والشيخ البابلي صافح الشَّيْخ العلامة أحمد بْن مُحَمَّدٍ النخلي، والشيخ أَحْمَد صَافَحَنِي.
খালফ বিন তামীম, তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করলেন। আবদান বলেন: আমরা আমর বিন সাঈদকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আহমদ বিন দিহকানের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আব্দুল মালিক বলেন: আমরা আবদান বিন হুমাইদকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আমর বিন সাঈদের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আবু মানসুর বলেন: আমি আব্দুল মালিককে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আবদানের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আবুল হাসান বিন আবি যুরআহ বলেন: আমি আবু মানসুরকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আব্দুল মালিকের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। আবু বকর আশ-শাহহাজি বলেন: আমি আবুল হাসানকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমার সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আবুল হাসানের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করলেন। আল-খুয়ি বলেন: আমি আবুল মাজদকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমার সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আবু বকরের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবু বকরকে বলা হলো: আপনি ইব্রাহিমের সাথে সেই হাতের তালু দিয়ে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আবুল মাজদের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি তাঁর সাথে মুসাফাহা করলেন। আবু তাহের বলেন: আমি ইব্রাহিমকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমার সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আল-খুয়ির সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করলেন। আশ-শামানি বলেন: আমি আবু তাহেরকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমার সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি ইব্রাহিমের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করলেন। জালাল সুয়ুতি বলেন: আমি আমাদের শায়খ আশ-শামানিকে বললাম: আপনি সেই হাতের তালু দিয়ে আমার সাথে মুসাফাহা করুন যার দ্বারা আপনি আবু তাহেরের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমার সাথে মুসাফাহা করলেন। আর জালাল সুয়ুতি ইব্রাহিম আল-আলকামির সাথে মুসাফাহা করেছেন, যদি বাস্তবে না হয়ে থাকে তবে অনুমতির মাধ্যমে। আর আলকামি একইভাবে আবু বকরের সাথে মুসাফাহা করেছেন। আর আবু বকর তাঁর সময়ের হাফেজ শায়খ মুহাম্মদ বিন আলাউদ্দিন আল-বাবিলির সাথে মুসাফাহা করেছেন। আর শায়খ আল-বাবিলি আল্লামা শায়খ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখলির সাথে মুসাফাহা করেছেন, এবং শায়খ আহমদ আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
وبهَذَا السند صَافَحَنِي مولاي الشَّيْخ العلامة الرحلة المحدث شيخنا عَبْد اللَّهِ بْن سالم الْبَصْرِيّ، عَن الشَّيْخ مُحَمَّد البابلي إلى آخر السند المتقدم.
ورأيت فِي كتاب المواهب السنية، للشيخ مُحَمَّد جار اللَّه بْن فهد زيادة من عِنْدَ: عَمْرو بْن سَعِيد: قُلْنَا لأحمد بْن دِهْقَانَ: صَافِحْنَا بِالْكَفِّ الَّتِي صَافَحْتَ بِهَا خَلَف بْن تَمِيمٍ، فَصَافَحَنَا، وَقَالَ: السلام عليكم. . وهكذا إلى أن انتهى إليه.
أخرج هَذَا الحديث: الديباجي فِي مسلسلاته، وابن المفضل، والتميمي فِي مسلسلاته.
والحديث متكلم فِيهِ بالتضعيف والوضع، وإن كَانَ المتن صحيحًا، كَمَا أخرجه الْبُخَارِيّ، وَأَحْمَد بْن حنبل، عَن أنس، رضي الله عنه: «ما مسست خزا ولا حريرا ألين من كف رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» .
وَقَدْ صَافَحَنِي مَوْلانَا وَشَيْخُنَا وَحَبِيبُنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ النَّاسِكُ حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْمَكِّيُّ، أَيْضًا، مِنْ طَرِيقِ الْمُعَمَّرِ، قَالَ: صَافَحَنِي الشَّيْخ أَحْمَدُ بْنُ الْعَلامَةِ مُحَمَّدُ بْنُ نَاصِرٍ، وَقَالَ: مَنْ صَافَحَنِي أَوْ صَافَحَ مَنْ صَافَحَنِي إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ دَخَلَ الْجَنَّةَ.
وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي أَبُو سَالِمٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَيَّاشِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الْعَلامَةُ أَبُو مَهْدِيٍّ عِيسَى الثَّعَالِبِيُّ الْجَعْفَرِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الْعَلامَةُ الْحُجَّةُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجَزَائِرِيُّ الشَّهِيرُ بِقَدُّورَةَ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الإِمَامُ الْعَلامَةُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِي، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي سَيِّدِي أَحْمَدُ حَجِّيٌّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الْوَهْرَانِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي سَيِّدِي الإِمَامُ إِبْرَاهِيمُ
এই সনদে আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন আমার অভিভাবক, আল্লামা শায়খ, প্রখ্যাত পর্যটক ও মুহাদ্দিস আমাদের শায়খ আবদুল্লাহ ইবন সালিম আল-বাসরী, তিনি শায়খ মুহাম্মদ আল-বাবিলি থেকে, পূর্বোল্লিখিত সনদের শেষ পর্যন্ত।
এবং আমি শায়খ মুহাম্মদ জারুল্লাহ ইবন ফাহদের 'আল-মাওয়াহিব আস-সানিয়্যাহ' কিতাবে আমর ইবন সাঈদ থেকে বর্ণিত একটি অতিরিক্ত অংশ দেখেছি: আমরা আহমদ ইবন দিহকানকে বললাম: "আপনি যে হাত দিয়ে খালাফ ইবন তামিমিমের সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথে মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন এবং বললেন: "আসসালামু আলাইকুম।" এভাবে এটি তার পর্যন্ত পৌঁছে শেষ হয়েছে।
এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: আদ-দিবাজি তার মুসালসালাত গ্রন্থে, ইবনুল মুফাদদাল এবং আত-তামীমি তার মুসালসালাত গ্রন্থে।
এই হাদিসটির বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে দুর্বলতা ও জাল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যদিও এর মূল পাঠ (মাতান) সহীহ, যেমনটি ইমাম বুখারি ও ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে নরম কোনো রেশম বা সিল্ক স্পর্শ করিনি।"
আমাদের অভিভাবক, শায়খ ও প্রিয়জন, পুণ্যবান ও ইবাদতগুজার শায়খ হুসাইন ইবন আবদুর রহীম আল-মাক্কীও আল-মুয়াম্মারের সূত্রে আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লামা মুহাম্মদ ইবন নাসিরের পুত্র শায়খ আহমদ আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন এবং বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার সাথে মুসাফাহা করবে অথবা কিয়ামত পর্যন্ত এমন ব্যক্তির সাথে মুসাফাহা করবে যে আমার সাথে মুসাফাহা করেছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
তিনি আরও বলেন: একইভাবে আবু সালিম আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-আইয়াশী আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে আল্লামা আবু মাহদী ঈসা আস-সা'আলিবি আল-জাফারি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে আল্লামা আল-হুজ্জাহ আবু উসমান সাঈদ ইবন ইব্রাহিম আল-জাজাইরি, যিনি 'কাদ্দুরা' নামে প্রসিদ্ধ, আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে ইমাম আল্লামা আবু উসমান সাঈদ ইবন মুহাম্মদ আল-মুকরি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে আমার নেতা আহমদ হাজ্জি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে আল-ওয়াহরানি আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন, তিনি বলেন: একইভাবে আমার নেতা ইমাম ইব্রাহিম আমার সাথে মুসাফাহা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
التَّازِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي سَيِّدِي الإِمَامُ صَالِحٌ الزَّوَاوِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الشَّرِيفُ مُحَمَّدٌ الْفَاسِيُّ، نَزِيلُ الإِسْكَنْدَرِيَّةِ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي وَالِدِي الشَّرِيفُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَعَاشَ مِنَ الْعُمْرِ مِائَةً وَأَرْبَعِينَ سَنَةً، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الشِّهَابُ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَفَّارِ بْنِ نُوحٍ الْقُوصِيُّ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي الْمُعَمَّرُ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمُلَثَّمُ، وَقَالَ: كَذَلِكَ صَافَحَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ: «مَنْ صَافَحَنِي أَوْ صَافَحَ مَنْ صَافَحَنِي إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ دَخَلَ الْجَنَّةَ» ، وصافح الشريف عَبْد الرَّحْمَنِ الفاسي الشَّيْخ عَبْد الرَّحْمَنِ الْخَطَّاب التونسي، وَقَالَ لَهُ كَذَلِكَ، وَهُوَ صافح الصقلي، وَقَالَ لَهُ كَذَلِكَ، وَهُوَ صافح المعمر، وَقَالَ لَهُ كَذَلِكَ، وَهُوَ صافح رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
ومن طريق الخضر عليه السلام بالسند المتقدم إلى سيدي إِبْرَاهِيم التازي، قَالَ: صَافَحَنِي سيدي عَبْد اللَّهِ العبدوسي، وشد يده عَلَى يدي، وَقَالَ: المراد بهَذَا الاشتداد تأكيد الصحبة، قَالَ: صَافَحَنِي مُحَمَّد بْن جَابِر الغساني، عَن أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْن عَلِيٍّ المراكشي وشهرته بابن عديرات، عَن أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الصدفي، عَن أَبِي الْعَبَّاس أَحْمَد بْن البنا ، عَن أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الهرميز، عَن أَبِي الْعَبَّاس الخضر عليه السلام، عَن رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
قلت: واجتماع الخضر عليه السلام بالنَّبِيّ صلى الله عليه وسلم قد اختلف فِيهِ، والصحيح: اجتماعه وملاقاته للنبي صلى الله عليه وسلم.
سند فِي المصافحة أَيْضًا بطريق آخر ولم يتصل إلينا بطريق المصافحة، لكن لي فِي رواية الحديث سند:
أَخْبَرَنَا شَيْخُنَا حَسَنٌ، فِي عُمِومِ إِجَازَاتِهِ، عَنْ شَيْخِهِ أَحْمَدَ الْقَشَاشِيِّ، عَنْ شَيْخِهِ الشَّيْخ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الشِّنَّاوِيِّ، عَنْ أَبِيهِ الشَّيْخِ عَلِيٍّ
আত-তাজি বলেন: অনুরূপভাবে আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন আমার সাইয়্যিদ ইমাম সালিহ আজ-জাওয়াবি। তিনি বলেন: অনুরূপভাবে আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন আশ-শরীফ মুহাম্মদ আল-ফাসি, যিনি ইস্কান্দারিয়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বলেন: অনুরূপভাবে আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন আমার পিতা আশ-শরীফ আবদুর রহমান, যিনি একশত চল্লিশ বছর জীবন লাভ করেছিলেন। তিনি বলেন: অনুরূপভাবে আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন আশ-শিহাব আহমাদ বিন আব্দুল গাফফার বিন নূহ আল-কুসি। তিনি বলেন: অনুরূপভাবে আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন আল-মুয়াম্মার আবুল আব্বাস আল-মুলাছছাম। তিনি বলেন: অনুরূপভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন এবং বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার সাথে হস্তমর্দন করবে অথবা কিয়ামত পর্যন্ত আমার সাথে হস্তমর্দনকারীর সাথে হস্তমর্দন করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" আর শরীফ আবদুর রহমান আল-ফাসি তিউনিসিয়ার শায়খ আবদুর রহমান আল-খাত্তাবের সাথে হস্তমর্দন করেছেন এবং তাকে অনুরূপ কথা বলেছেন। তিনি (আল-খাত্তাব) আস-সাকল্লির সাথে হস্তমর্দন করেছেন এবং তাকে অনুরূপ বলেছেন। তিনি (আস-সাকল্লি) আল-মুয়াম্মারের সাথে হস্তমর্দন করেছেন এবং তাকে অনুরূপ বলেছেন। তিনি (আল-মুয়াম্মার) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হস্তমর্দন করেছেন।
আর খিজির আলাইহিস সালামের সূত্রে পূর্ববর্তী সনদে সাইয়্যিদ ইবরাহিম আত-তাজি পর্যন্ত বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার সাথে আমার সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আল-আবদুসি হস্তমর্দন করেছেন এবং আমার হাতের ওপর তার হাত শক্ত করে চেপে ধরেছেন এবং বলেছেন: এই হাত শক্ত করে ধরার উদ্দেশ্য হলো সাহচর্যের দৃঢ়তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন: আমার সাথে হস্তমর্দন করেছেন মুহাম্মদ বিন জাবির আল-গাসসানি। তিনি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-মাররাকুশি থেকে—যিনি ইবনে আদিরাত নামে পরিচিত। তিনি আবু আব্দুল্লাহ আস-সাদাফি থেকে, তিনি আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-বান্না থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-হারমিজ থেকে, তিনি আবুল আব্বাস খিজির আলাইহিস সালাম থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে খিজির আলাইহিস সালামের সাক্ষাতের বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে বিশুদ্ধ অভিমত হলো: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তার সাক্ষাৎ ও সম্মেলন হয়েছে।
হস্তমর্দন বিষয়ে অন্য একটি সূত্রেও সনদ রয়েছে, তবে সেটি আমাদের কাছে সরাসরি হস্তমর্দনের মাধ্যমে পৌঁছায়নি। কিন্তু হাদিসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে আমার একটি সনদ রয়েছে:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের শায়খ হাসান—তার সাধারণ ইজাজতসমূহের অন্তর্ভুক্ত—তিনি তার শায়খ আহমাদ আল-কাশাশির সূত্রে, তিনি তার শায়খ শায়খ আহমাদ বিন আলী আশ-শিন্নাউয়ির সূত্রে, তিনি তার পিতা শায়খ আলীর সূত্রে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
الشِّنَّاوِيِّ، عَنِ الشَّيْخ عَبْدِ الْوَهَّابِ الشَّعْرَانِيِّ، عَنِ الحَافِظِ جَلالِ الدِّينِ السُّيُوطِيِّ، عَنْ نَشْوَانَ بِنْتِ الْجَمَالِ عَبْدِ اللَّهِ الْكِنَانِيِّ، إِجَازَةً، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّوْزَرِيِّ، عَنِ ابْنِ مَسْدِيٍّ، قَالَ الْجَلالُ السُّيُوطِيُّ، فِي كِتَابِهِ جَمْعِ الْجَوَامِعِ، قَالَ الْحَافِظُ أَبُو بَكْرِ بْنُ مَسْدِيٍّ فِي مُسَلْسَلاتِهِ: صَافَحْتُ الْحَافِظَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَيْشَرِيٍّ النِّفْرَاوِيَّ، بِهَا، قَالَ: صَافَحْتُ أَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ سَيْفٍ الْحَضْرَمِيَّ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ.
ح وَصَافَحْتُ أَيْضًا أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي الْفَضْلِ الْمَالِكِيَّ، بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ، وَقَالَ: صَافَحْتُ شِبْلَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ شِبْلٍ، قَدِمَ عَلَيْنَا كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا، قَالَ: صَافَحْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ مُقْبِلٍ الْعَجَمِيَّ، قَالَ: صَافَحْتُ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي الْفَرَجِ السَّكْسَكِيَّ، قَالَ: صَافَحْتُ أَبَا مَرْوَانَ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ أَبِي مَيْسَرَةَ، قَالَ: صَافَحْتُ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدٍ التَّقَاوِيَّ، بِهَا، قَالَ: صَافَحْتُ أَحْمَدَ الأَسْوَدَ، قَالَ: صَافَحْتُ مِحْشَادَ الدِّينَوَرِيَّ، قَالَ: صَافَحْتُ عَلِيَّ بْنَ رَزِينٍ الْخُرَاسَانِيَّ، قَالَ: صَافَحْتُ عِيسَى الْقَصَّارَ، قَالَ: صَافَحْتُ الْحَسَنَ الْبَصْرِيَّ، قَالَ: صَافَحْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، كَرَّمَ اللَّهُ وَجْهَهُ، قَالَ: صَافَحْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «صَافَحَتْ كَفِّي هَذِهِ سُرَادِقَ عَرْشِ رَبِّي عز وجل» .
শিন্নাওয়ী থেকে, তিনি শেখ আব্দুল ওয়াহহাব আশ-শা’রানী থেকে, তিনি হাফেজ জালালুদ্দিন আস-সুয়ূতী থেকে, তিনি নাশওয়ান বিনতে আল-জামাল আব্দুল্লাহ আল-কিনানী থেকে ইজাযত বা অনুমতিক্রমে, তিনি আহমাদ বিন আবি বকর বিন কুদামা আল-মাকদিসী থেকে, তিনি উসমান বিন মুহাম্মদ আত-তাউযারী থেকে, তিনি ইবনে মাসদী থেকে বর্ণনা করেন। জালাল আস-সুয়ূতী তাঁর ‘জামউল জাওয়ামি’ গ্রন্থে বলেছেন, হাফেজ আবু বকর বিন মাসদী তাঁর ‘মুসালসালাত’ গ্রন্থে বলেছেন: আমি সেখানে হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আইশারী আন-নিফরাউয়ীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বলেছেন: আমি আলেকজান্দ্রিয়ায় আবুল হাসান আলী বিন সাইফ আল-হাদরামীর সাথে মুসাফাহা করেছি।
এবং আমি আলেকজান্দ্রিয়ায় আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আবিল ফজল আল-মালিকীর সাথেও মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি শিবল বিন আহমাদ বিন শিবলের সাথে মুসাফাহা করেছি; তাঁদের প্রত্যেকেই আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন। তিনি বললেন: আমি আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুকবিল আল-আজমীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি মুহাম্মদ বিন আবিল ফরাজ আস-সাকসাকীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি আবু মারওয়ান আব্দুল মালিক বিন আবি মাইসারার সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি সেখানে আহমাদ বিন মুহাম্মদ আত-তাকায়ীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি আহমাদ আল-আসওয়াদের সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি মিহশাদ আদ-দীনাওয়ারীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি আলী বিন রাযীন আল-খুরাসানীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি ঈসা আল-কাসসারের সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি হাসান বসরীর সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি আলী বিন আবি তালিবের (আল্লাহ তাঁর চেহারাকে সম্মানিত করুন) সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুসাফাহা করেছি। তিনি বলেছেন: “আমার এই হাতের তালু আমার মহান ও পরাক্রমশালী রবের আরশের পর্দার সাথে মুসাফাহা করেছে।”
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
قَالَ ابن مسدي: غريب، لا نعلمه إلا من هَذَا الوجه، وهَذَا إسناد صوفي، انتهى.
ইবনে মুসদী বলেছেন: এটি গরীব, আমরা এই সূত্র ব্যতীত এটি সম্পর্কে জানি না, এবং এটি একটি সূফী সনদ, সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
الثالث: الحديث المسلسل بالمشابكةشَبَّكَ بِيَدَيَّ الشَّيْخُ الصَّالِحُ حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، وَقَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ الْعَلامَةُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَاصِرٍ الْمَغْرِبِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الشِّهَابُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَاجِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الشَّيْخ إِبْرَاهِيمُ الْعَلْقَمِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ أَخِي الشَّمْسُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الْحَافِظُ السُّيُوطِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الإِمْامُ كَمَالُ الدِّينِ إِمَامُ الْمَالِكِيَّةِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الْحَافِظُ ابْنُ الْجَزَرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو حَفْصٍ الْمِزِّيُّ وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ الْمَقْدِسِيُّ وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَلَبِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ الْفَرَجُ الثَّقَفِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ إِسْمَاعِيلُ التَّمِيمِيُّ وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ السَّمَرْقَنْدِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، جَعْفَرٌ الْمُسْتَغْفِرِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَكِّيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ طَالِبٍ وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو عُمَرَ بْنُ الشَّرُودِ الصَّنْعَانِيُّ وَشَبَّكَ بِيَدَيَّ، قَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ أَبِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى،
তৃতীয়: মুসাবাকা (আঙুলের মাঝে আঙুল ঢুকিয়ে ধরা) ভিত্তিক মুসালসাল হাদিসনেককার শায়খ হুসাইন ইবনে আব্দুর রহিম আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরলেন এবং বললেন: আল্লামা আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসির আল-মাগরিবী আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: শিহাব আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাফাজি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: শায়খ ইব্রাহিম আল-আলকামী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আমার ভাই আশ-শামস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ আস-সুয়ূতী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: মালেকী মাযহাবের ইমাম কামালুদ্দিন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ ইবনুল জাযারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু হাফস আল-মিযযী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু হাসান আল-মাকদিসি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: উমর ইবনে সাঈদ আল-হালাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আল-ফারাজ আস-সাকাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ ইসমাইল আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু মুহাম্মদ হাসান আস-সামারকন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: জাফর আল-মুস্তাগফিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু হাসান মুহাম্মদ ইবনে তালিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আবু উমর ইবনুল শারুদ আস-সানআনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আব্দুল আজিজ ইবনুল হাসান আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া আমার হাতের সাথে হাত মিলিয়ে আঙুলে আঙুল ঢুকিয়ে ধরেছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٠)
وَقَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ، وَقَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ أَيُّوبُ بْنُ خَالِدٍ الأَنْصَارِيُّ، وَقَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَافِعٍ، وَقَالَ: شَبَّكَ بِيَدَيَّ أَبُو هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه: شَبَّكَ بِيَدَيَّ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «خَلَقَ اللَّهُ الأَرْضَ يَوْمَ السَّبْتِ، وَالْجِبَالَ يَوْمَ الأَحَدِ، وَالشَّجَرَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ، وَالْمَكْرُوهَ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ، وَالنُّورَ يَوْمَ الأَرْبِعَاءِ، وَالدَّوَابَّ يَوْمَ الْخَمِيسِ، وَآدَمَ عليه السلام يَوْمَ الْجُمُعَةِ» .
أَخْرَجَ هَذَا الْحَدِيثَ الدِّيبَاجِيُّ فِي مُسَلْسَلاتِهِ، وَغَيْرُهُ.
وَالْمَتْنُ بِغَيْرِ تَسَلْسُلٍ صَحِيحٍ، وَأَخْرَجَهُ: أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ، وَمُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، وَفِيهِ بَعْضُ زِيَادَةٍ فِي اللَّفْظِ، وَلَفْظُهُ: «خَلَقَ اللَّهُ التُّرْبَةَ يَوْمَ السَّبْتِ، وَخَلَقَ فِيهَا الْجِبَالَ يَوْمَ الأَحَدِ، وَخَلَقَ الشَّجَرَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ، وَخَلَقَ الْمَكْرُوهَ يَوْمَ
এবং তিনি বললেন: সাফওয়ান ইবনে সুলাইম আমার হাতের আঙুলসমূহ তাঁর নিজের আঙুলের সাথে প্রবিষ্ট করলেন (তাশবীক করলেন)। এবং তিনি বললেন: আইয়ুব ইবনে খালিদ আল-আনসারী আমার হাতের আঙুলসমূহ তাঁর নিজের আঙুলের সাথে প্রবিষ্ট করলেন। এবং তিনি বললেন: আবদুল্লাহ ইবনে রাফি আমার হাতের আঙুলসমূহ তাঁর নিজের আঙুলের সাথে প্রবিষ্ট করলেন। এবং তিনি বললেন: আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু আনহু) আমার হাতের আঙুলসমূহ তাঁর নিজের আঙুলের সাথে প্রবিষ্ট করলেন। এবং আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু আনহু) বললেন: আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাতের আঙুলসমূহ তাঁর নিজের আঙুলের সাথে প্রবিষ্ট করেছিলেন। এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "আল্লাহ শনিবার দিন পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, রবিবার দিন পাহাড়সমূহ সৃষ্টি করেছেন, সোমবার দিন গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার দিন অপ্রীতিকর বিষয়সমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার দিন নূর সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার দিন জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন এবং শুক্রবার দিন আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করেছেন।"
আদ-দিবাজি তাঁর মুসালসালাত গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
এবং ধারাবাহিকতা (তাসালসুল) ব্যতিরেকে হাদিসের মূল পাঠটি (মতন) সহিহ। এটি ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে এবং মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে শব্দের কিছু অতিরিক্ত অংশ রয়েছে। তার শব্দরূপ হলো: "আল্লাহ শনিবার দিন মাটি সৃষ্টি করেছেন, তাতে রবিবার দিন পাহাড়সমূহ সৃষ্টি করেছেন, সোমবার দিন গাছপালা সৃষ্টি করেছেন এবং মঙ্গলবার দিন অপ্রীতিকর বিষয়সমূহ সৃষ্টি করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧١)
الثُّلاثَاءِ، وَخَلَقَ النُّورَ يَوْمَ الأَرْبِعَاءِ، وَبَثَّ فِيهَا الدَّوَابَّ يَوْمَ الْخَمِيسِ، وَخَلَقَ آدَمَ عليه السلام يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي آخِرِ سَاعَةٍ مِنْ سَاعَاتِ الْجُمُعَةِ فِيمَا بَيْنَ الْعَصْرِ إِلَى اللَّيْلِ» .
أَخْرَجَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه
طريق آخر فِي المشابكة عَن الشَّيْخ الصَّالِح حسين بْن عَبْدِ الرَّحِيمِ أَيْضًاقَالَ: شَابَكَنِي الشَّيْخ أَحْمَدُ ابْنُ الْعَلَّامَةِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ، وَقَالَ: شَابِكْنِي فَمَنْ شَابَكَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ.
وَهُوَ شَابَكَ الشَّيْخ عَبْدَ اللَّهِ الْعَيَّاشِيَّ، وَقَالَ لَهُ: شَابِكْنِي مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ الْعَلَّامَةَ عِيسَى الْجَعْفَرِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ أَبَا عُثْمَانَ سَعِيدًا الْجَزَائِرِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ أَبَا عُثْمَانَ سَعِيدًا الْمُقْرِي، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ سَيِّدِي أَحْمَدَ حِجِّيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ سَيِّدِي مُحَمَّدًا الْوَهْرَانِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ الإِمَامَ إِبْرَاهِيمَ التَّازِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ سَيِّدِي صَالِحًا الزَّوَاوِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ الْعِزَّ بْنَ جُمَاعَةَ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ الشَّيْخ مُحَمَّدَ بْنَ شَيْرِيزَ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ سَعْدَ الدِّينِ الزَّعْفَرَانِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ أَبَا بَكْرٍ الْبُوَاسِيَّ، وَالشَّيْخَ نَاصِرَ الدِّينِ يَحْيَى بْنَ أَبِي بَكْرِ بْنِ ذِي النُّونِ الْمَلَطِيَّ، وَقَالا لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ.
وَهُمَا شَابَكَا الصَّدْرَ الشَّيْخ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ القُونَوِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ الشَّيْخ الأَكْبَرَ مُحْيِي الدِّينِ مُحَمَّدَ بْنَ عَرَبِيٍّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ أَحْمَدَ بْنَ مَسْعُودِ بْنِ سِنْدَانَ الْمُقْرِي الْمَوْصِليَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ عَليَّ بْنَ مُحَمَّدٍ الْحَايِكَ النَّبْهَرِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، وَهُوَ شَابَكَ أَبَا الْحَسَنِ الْبَاعُوزَاوِيَّ، وَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ، قَالَ الْبَاعُوزَاوِيُّ: " رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي النَّوْمِ، وَشَبَّكَ أَصَابِعِي،
মঙ্গলবার, এবং বুধবার নূর সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার তাতে জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং শুক্রবারের শেষ মুহূর্তে আসর থেকে রাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করেছেন।"
তাঁরা উভয়ে এটি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।
নেককার শায়খ হুসাইন বিন আব্দুল রহীম থেকেও মুশাবাকা (আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলানো) সম্পর্কিত অন্য একটি সূত্রতিনি বলেন: আল্লামা মুহাম্মদ বিন নাসরের পুত্র শায়খ আহমদ আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং বলেছেন: আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলাও, কারণ যে আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
তিনি শায়খ আব্দুল্লাহ আল-আইয়াশীর সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আল্লামা ঈসা আল-জাফারির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আবু উসমান সাঈদ আল-জাজাইরির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আবু উসমান সাঈদ আল-মুকরির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি সাইয়্যেদি আহমদ হিজ্জির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি সাইয়্যেদি মুহাম্মদ আল-ওয়াহরানির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি ইমাম ইব্রাহিম আত-তাজির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি সাইয়্যেদি সালিহ আজ-জাওয়ায়ির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি ইজ্জ বিন জামাআহর সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি শায়খ মুহাম্মদ বিন শায়রিজের সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি সা’দ উদ্দীন আজ-জাফরানির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আবু বকর আল-বুওয়াসি এবং শায়খ নাসিরুদ্দীন ইয়াহইয়া বিন আবু বকর বিন যিন নুন আল-মালাতির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তাঁরা উভয়েও তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন।
তাঁরা উভয়ে সদরুশ শায়খ মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-কুনাবির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তিনি তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি শায়খুল আকবর মুহিউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আরাবির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তিনি তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আহমদ বিন মাসউদ বিন সিন্দান আল-মুকরি আল-মাওসিলির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তিনি তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আলী বিন মুহাম্মদ আল-হাইক আন-নাবাহরির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তিনি তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; তিনি আবুল হাসান আল-বাউজাউয়ির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছেন এবং তিনি তাঁকে অনুরূপ কথা বলেছেন; আল-বাউজাউয়ি বলেন: "আমি স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি এবং তিনি আমার আঙ্গুলসমূহের সাথে তাঁর আঙ্গুল মিলিয়েছিলেন,"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
وَقَالَ: يَا عَلِيُّ شَابِكْنِي، فَمَنْ شَابَكَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ شَابَكَ مَنْ شَابَكَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَا زَالَ يَعُدُّ حَتَّى وَصَلَ إِلَى سَبْعَةٍ، فَاسْتَيْقَظْتُ وَأَصَابِعِي فِي أَصَابِعِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ".
قَالَ سَيِّدِي إِبْرَاهِيمُ التَّازِيُّ: وَهَكَذَا يَنْبَغِي لِكُلِّ مَنْ شَابَكَ أَحَدًا أَنْ يَقُولَ لَهُ: شَابِكْنِي فَمَنْ شَابَكَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ، كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْبَاعُوزَاوِيِّ، وكَذَلِكَ قَالَ كُلٌّ مِنَ الأَشْيَاخِ لِمَنْ شَابَكَهُ إِلَى أَنْ وَصَلَ إِلَيْنَا وَلِلَّهِ الْحَمْدُ عَلَى نِعْمَتِهِ، إِلَّا أَنَّهُ زَادَ بَعْضُهُمْ: «فَمَنْ شَابَكَنِي إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ دَخَلَ الْجَنَّةَ» .
انْتَهَى.
قَالَ بَعْضُهُمْ: هَذَا الْحَدِيثُ وَإِنْ كَانَ رُؤْيَا مَنَامِيَّةً، لَكِنْ لا بَأْسَ بِهِ لِلتَّبَرُّكِ.
এবং তিনি বললেন: "হে আলী, আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাও; কারণ যে ব্যক্তি আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে এমন ব্যক্তির সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাবে যে আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছে, সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে।" তিনি এভাবে গণনা করতে করতে সাতজন পর্যন্ত পৌঁছালেন। এরপর আমি জাগ্রত হলাম এবং দেখলাম আমার আঙ্গুলগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আঙ্গুলসমূহের মাঝে প্রবিষ্ট অবস্থায় রয়েছে।
আমার সাইয়্যেদ ইবরাহীম আত-তাজি রহ. বলেন: একইভাবে প্রত্যেকের জন্য উচিত, যখন সে অন্য কারও সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাবে তখন তাকে বলা: "আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাও, কেননা যে ব্যক্তি আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে," যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাউজাউয়িকে বলেছিলেন। একইভাবে মাশায়েখদের প্রত্যেকেই তাদের সাথে যারা আঙ্গুলে আঙ্গুল মিলিয়েছে তাদেরকে এই কথা বলেছেন, এভাবে তা আমাদের পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে। আল্লাহর নিআমতের জন্য তাঁরই সকল প্রশংসা। তবে তাদের কেউ কেউ এ কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: "কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যে ব্যক্তি আমার সাথে আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
সমাপ্ত।
তাদের কেউ কেউ বলেছেন: এই হাদীসটি যদিও স্বপ্নলব্ধ বিষয়, তবুও বরকতের জন্য এটি গ্রহণ করতে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٣)
الرابع: الحديث المسلسل بالضيافة بالتمر والماءأَخْبَرَنَا بِهِ مَوْلانَا وَحَبِيبُنَا الشَّيْخ الصَّالِحُ النَّاسِكُ حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، وَأَضَافَنِي عَلَى الأَسْوَدَيْنِ: التَّمْرِ، وَالْمَاءِ، وَقَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ الشَّيْخ الْعَلامَةُ الشَّيْخ أَحْمَدُ بْنُ نَاصِرٍ، وَأَضَافَنِي عَلَى الأَسْوَدَيْنِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ الْعَلامَةُ عَبْدُ اللَّهِ الْعَيَّاشِيُّ، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، وَقَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ سَيِّدِي أَبُو مَهْدِيٍّ عِيسَى بْنُ مُحَمَّدٍ الثَّعَالِبِيُّ الْجَعْفَرِيُّ، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ سَيِّدِي سَعِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجَزَائِرِيُّ الشَّهِيرُ بِقَدُّورَةَ، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدٌ الْمُقْرِي، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ سَيِّدِي الشَّيْخ مُحَمَّدٌ الْوَهْرَانِيُّ، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ سَيِّدِي إِبْرَاهِيمُ الإِمَامُ التَّازِيُّ، وَأَضَافَنِي كَذَلِكَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْمَرَاغِيُّ، بِالْمَدِينَةِ الُمْشَرَّفَةِ، وَقَرَأَ عَلَيْنَا، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْحَافِظُ نَفِيسُ الدِّينِ سُلَيْمَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْعَلَوِيُّ الْيَمَنِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِتَعِزَّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِ وَالِدِي، إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنِي تَقِيُّ الدِّينِ عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ الشَّعْبِيُّ، قَالَ: أَضَافَنِي الْقَاضِي فَخْرُ الدِّينِ الطَّبَرِيُّ، فِي مَنْزِلِهِ بِزُبَيْدٍ عَلَى
চতুর্থ: খেজুর ও পানি দ্বারা আপ্যায়নের মাধ্যমে বর্ণিত মুসালসাল হাদিসআমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আমাদের মউলা ও আমাদের প্রিয়পাত্র, নেককার ও ইবাদতগুজার শায়খ হুসাইন ইবনে আব্দুর রহিম, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন; তিনি আমাকে ‘আল-আসওয়াদাইন’ অর্থাৎ খেজুর ও পানি দ্বারা আপ্যায়ন করেছেন এবং বলেছেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা শায়খ আহমদ ইবনে নাসের, এবং তিনি আমাকে ‘আল-আসওয়াদাইন’ দ্বারা আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা আব্দুল্লাহ আল-আইয়াশি, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; এবং তিনি বলেছেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আমার সাইয়্যেদ আবু মাহদি ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আস-সাআলিবি আল-জাফরি, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আমার সাইয়্যেদ সাঈদ ইবনে ইবরাহিম আল-জাজাইরি যিনি ‘কাদ্দুরা’ নামে পরিচিত, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ আল-মুকরি, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আমার সাইয়্যেদ শায়খ মুহাম্মদ আল-ওয়াহরানি, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আমার সাইয়্যেদ ইবরাহিম ইমাম আত-তাযি, এবং তিনিও একইভাবে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাতহ মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-মারায়ি, পবিত্র মদিনা মুনাওয়ারায় এবং তিনি আমাদের নিকট এটি পাঠ করেছেন; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ নাফিসুদ্দিন সুলাইমান ইবনে ইবরাহিম আল-আলাওয়ি আল-ইয়ামানি, তাইয শহরে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমার পিতা ইজাজত হিসেবে আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তাকিউদ্দিন উমর ইবনে আলী আশ-শাবি; তিনি বলেন: আমাকে কাজী ফখরুদ্দিন আত-তাবারি জুবাইদ শহরে তাঁর বাসভবনে আপ্যায়ন করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
الأَسْوَدَيْنِ: التَّمْرِ، وَالْمَاءِ، قَالَ: أَضَافَنِي فَخْرُ الدِّينِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجَبَرْتِيُّ، بِهِمَا، قَالَ: أَضَافَنِي أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَرَجِ الْكَاتِبُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أُخْتِ الطَّوِيلِ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: أَضَافَنِي أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْوَاعِظُ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنَا أَبُو شَيْبَةَ أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْعَطَّارُ الْمَخْزُومِيُّ، بِالْبَرَدَانِ عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَاصِمٍ الدِّمَشْقِيُّ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنَا نَوْفَلُ بْنُ أَحْقَابٍ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَيْمُونٍ الْقَدَّاحُ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنَا جَعْفَرٌ الصَّادِقُ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنِي أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدٌ الْبَاقِرُ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنَا أَبِي عَليُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، رضي الله عنهما، قَالَ: أَضَافَنِي أَبِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَلَيْهِمَا، قَالَ: أَضَافَنِي عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، كَرَّمَ اللَّهُ وَجْهَهُ، عَلَى الأَسْوَدَيْنِ: التَّمْرِ، وَالْمَاءِ، قَالَ: أَضَافَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَلَى الأَسْوَدَيْنِ، التَّمْرِ، وَالْمَاءِ، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ أَضَافَ مُؤْمِنًا فَكَأَنَّمَا أَضَافَ آدَمَ عليه السلام، وَمَنْ أَضَافَ مُؤْمِنَيْنِ فَكَأَنَّمَا أَضَافَ آدَمَ وَحَوَّاءَ، وَمَنْ أَضَافَ ثَلاثَةً فَكَأَنَّمَا أَضَافَ جِبْرِيلَ، وَمِيكَائِيلَ، وَإِسْرَافِيلَ، وَمَنْ أَضَافَ أَرْبَعَةً، فَكَأَنَّمَا قَرَأَ التَّوْرَاةَ، وَالإِنْجِيلَ، وَالزَّبُورَ، وَالْفُرْقَانَ، وَمَنْ أَضَافَ خَمْسَةً، فَكَأَنَّمَا صَلَّى الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ فِي الْجَمَاعَةِ مِنْ يَوْمِ خَلَقَ اللَّهُ الْخَلْقَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ أَضَافَ سِتَّةً، فَكَأَنَّمَا أَعْتَقَ سِتِّينَ رَقَبَةً مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ، وَمَنْ أَضَافَ سَبْعَةً، غُلِّقَتْ عَنْهُ السَّبْعَةُ أَبْوَابِ جَهَنَّمَ، وَمَنْ أَضَافَ ثَمَانِيَةً، فُتِحَتْ لَهُ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَضَافَ تِسْعَةً، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ حَسَنَاتٍ بِعَدَدِ مَنْ عَصَاهُ مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ خَلَقَ اللَّهُ الْخَلْقَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ أَضَافَ عَشَرَةً كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَجْرَ مَنْ
দুই কৃষ্ণবর্ণ বস্তু: খেজুর এবং পানি। তিনি বলেন: ফখর উদ্দীন ইবনে ইব্রাহিম আল-জাবারতি আমাকে এই দুটির মাধ্যমে আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনুল ফারাজ আল-কাতিব, যিনি ইবনে উখতিত তাবিল আল-হামদানি নামে পরিচিত, তিনি আমাকে এই দুটির মাধ্যমে আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-ওয়াইজ এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: বারাদানে আবু শায়বাহ আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আত্তার আল-মাখজুমি এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসিম আদ-দিমাশকি এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: নাওফাল ইবনে আহকাব এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মায়মুন আল-কাদ্দাহ এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: জাফর আস-সাদিক (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) এই দুটির মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ আল-বাকির এই দুটির মাধ্যমে আমাকে আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনুল হুসাইন (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন) আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব (তাঁদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) আমাকে আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আলী ইবনে আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর মুখমণ্ডলকে মহিমান্বিত করুন) আমাকে দুই কৃষ্ণবর্ণ বস্তু অর্থাৎ খেজুর ও পানি দ্বারা আপ্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) আমাকে দুই কৃষ্ণবর্ণ বস্তু অর্থাৎ খেজুর ও পানি দ্বারা আপ্যায়ন করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি একজন মুমিনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন আদম (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-কে আপ্যায়ন করল। আর যে ব্যক্তি দুইজন মুমিনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন আদম ও হাওয়াকে আপ্যায়ন করল। আর যে ব্যক্তি তিনজনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফিলকে আপ্যায়ন করল। আর যে ব্যক্তি চারজনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন তাওরাত, ইনজিল, জাবুর ও ফুরকান পাঠ করল। আর যে ব্যক্তি পাঁচজনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন সৃষ্টির প্রথম দিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ছয়জনকে আপ্যায়ন করল, সে যেন ইসমাঈলের বংশধর থেকে ষাটজন ক্রীতদাস মুক্ত করল। আর যে ব্যক্তি সাতজনকে আপ্যায়ন করল, তার জন্য জাহান্নামের সাতটি দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি আটজনকে আপ্যায়ন করল, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি নয়জনকে আপ্যায়ন করল, আল্লাহ তার জন্য সৃষ্টির আদি লগ্ন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত যতজন আল্লাহর অবাধ্য হয়েছে তাদের সমপরিমাণ নেকি লিখে দেবেন। আর যে ব্যক্তি দশজনকে আপ্যায়ন করল, আল্লাহ তার জন্য এমন ব্যক্তির প্রতিদান লিখে দেবেন যিনি..."
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
صَلَّى وَصَامَ وَحَجَّ وَاعْتَمَرَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
সালাত আদায় করেছে, সিয়াম পালন করেছে, হজ ও উমরাহ পালন করেছে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত»
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
الخامس: الحديث المسلسل بأني أحبك فقل اللَّهُمَّ أعني عَلَى ذكرك وشكرك وحسن عبادتكأَخْبَرَنَا بِهِ مَوْلانَا وَشَيْخُنَا الْمُحَدِّثُ الرِّحْلَةُ الشَّيْخ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ الْبَصْرِيُّ، عَنِ الشَّيْخ الشَّمْسِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلاءِ الدِّينِ الْبَابِلِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَلْقَمِيِّ، عَنْ أَبِي الْفَضْلِ الْجَلالِ السُّيُوطِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحِجَازِيُّ الأَدِيبُ، سَمَاعًا، قَالَ: أَخْبَرَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ مَجْدُ الدِّينِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنَفِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو سَعِيدٍ الْعَلائِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأُرْمَوِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيٍّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ السِّلَفِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ شَاذَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ النِّيجَادِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْجَرَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُسْلِمٍ التَّنَّاسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُقْبَةُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنِ الصُّنَابِحِيِّ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
পঞ্চম: ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বাক্য দ্বারা বর্ণিত মুসালসাল হাদীস; সুতরাং তুমি বলো: হে আল্লাহ! আমাকে আপনার যিকির, আপনার শোকর এবং আপনার উত্তম ইবাদতের বিষয়ে সাহায্য করুনআমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আমাদের মাওলানা এবং শায়খ, প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আবদুল্লাহ বিন সালিম আল-বাসরি; তিনি শায়খ শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন আলাউদ্দিন আল-বাবিলি থেকে; তিনি আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুর রহমান আল-আলকামি থেকে; তিনি আবুল ফজল জালাল আস-সুয়ূতী থেকে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাহিত্যিক আবু তাইয়্যিব আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হিজাজি শ্রবণ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি মাজদুদ্দীন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-হানাফি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু সাঈদ আল-আলায়ী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-উরমাভি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মাক্কি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আস-সিলাফি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী বিন শাযান; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন সুলাইমান আন-নিজ্জাদি; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবিদ দুনিয়া; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আব্দুল আজিজ আল-জারভি; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমরু বিন মুসলিম আত-তান্নাসি; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাকাম বিন আবদাহ; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাইওয়াহ বিন শুরাইহ; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উকবা বিন মুসলিম; তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলি থেকে; তিনি আস-সুনাবেহী থেকে; তিনি মুয়াজ বিন জাবাল (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
" يَا مُعَاذُ، إِنِّي أُحِبُّكَ، فَقُلْ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ ".
وَفِي رِوَايَةٍ: " أُوصِيكَ يَا مُعَاذُ، لا تَدَعَنَّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ تَقُولُ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ " قَالَ الصُّنَابِحِيُّ: قَالَ لِي مُعَاذٌ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: قَالَ لِي الصُّنَابِحِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ عُقْبَةُ بْنُ مُسْلِمٍ: قَالَ لِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: إِنِّي أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ: قَالَ لِي عُقْبَةُ: إِنِّي أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الْحَكَمُ بْنُ عَبْدَةَ: قَالَ لِي حَيْوَةُ: وَأَنْتَ تَعْلَمُ مَا بَيْنِي وَبَيْنَكَ، فَقُلْ: قَالَ التَّنَّاسِيُّ: قَالَ لِي الْحَكَمُ بْنُ عَبْدَةَ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الْحَسَنُ: قَالَ لِي التَّنَّاسِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: قَالَ لِي الْحَسَنُ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ: قَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ ابْنُ شَاذَانَ: قَالَ لَنَا ابْنُ سُلَيْمَانَ: وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا.
قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ: قَالَ لَنَا ابْنُ شَاذَانَ: وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا.
قَالَ السِّلَفِيُّ: قَالَ لِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ. . . قَالَ ابْنُ مَكِّيٍّ: قَالَ لَنَا السِّلَفِيُّ، وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا.
قَالَ الأُرْمَوِيُّ: قَالَ لِي ابْنُ مَكِّيٍّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الْعَلائِيُّ: قَالَ لِي الأُرْمَوِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الْمَجْدُ الْحَنَفِيُّ: قَالَ لَنَا الْعَلائِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا، قَالَ الْحِجَازِيُّ: قَالَ لَنَا الْمَجْدُ: وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا، قَالَ جَلالٌ السُّيُوطِيُّ: قَالَ لَنَا الشِّهَابُ: وَأَنَا أُحِبُّكُمْ، فَقُولُوا، قَالَ الْعَلْقَمِيُّ: قَالَ لِي الْجَلالُ السُّيُوطِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: قَالَ لِي الْعَلْقَمِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الشَّيْخ مُحَمَّدٌ الْبَابِلِيُّ: قَالَ لِي عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الشَّيْخ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ: قَالَ لِي الشَّيْخ مُحَمَّدٌ الْبَابِلِيُّ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ، قَالَ الْفَقِيرُ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى
"হে মুয়াজ, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো: হে আল্লাহ, আমাকে সাহায্য করুন আপনার জিকির (স্মরণ) করতে, আপনার শোকর (কৃতজ্ঞতা) প্রকাশ করতে এবং আপনার সুন্দর ইবাদত করতে।"
অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: "হে মুয়াজ, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের শেষভাগে এই কথাগুলো বলা ছেড়ে দেবে না: হে আল্লাহ, আমাকে সাহায্য করুন আপনার জিকির করতে, আপনার শোকর করতে এবং আপনার সুন্দর ইবাদত করতে।" সুন্নাবিহী বলেন: মুয়াজ আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। আবু আবদুর রহমান বলেন: সুন্নাবিহী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। উকবা ইবনে মুসলিম বলেন: আবু আবদুর রহমান আমাকে বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। হাইওয়া ইবনে শুরাইহ বলেন: উকবা আমাকে বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। হাকাম ইবনে আবদাহ বলেন: হাইওয়া আমাকে বলেছেন: আমার ও তোমার মাঝে কী (ভালোবাসা) রয়েছে তা তো তুমি জানোই, সুতরাং তুমি বলো। তন্নাসী বলেন: হাকাম ইবনে আবদাহ আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। হাসান বলেন: তন্নাসী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। ইবনে আবিদ দুনিয়া বলেন: হাসান আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। আহমদ ইবনে সুলাইমান বলেন: ইবনে আবিদ দুনিয়া বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। ইবনে শাযান বলেন: ইবনে সুলাইমান আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।
মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম বলেন: ইবনে শাযান আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।
সিলাফি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। . . ইবনে মাক্কী বলেন: সিলাফি আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।
উরমাভী বলেন: ইবনে মাক্কী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। আলায়ী বলেন: উরমাভী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। মাজদ আল-হানাফি বলেন: আলায়ী আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো। হিজাযী বলেন: মাজদ আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো। জালাল সুয়ূতী বলেন: শিহাব আমাদের বলেছেন: আর আমিও তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো। আলকামী বলেন: জালাল সুয়ূতী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন: আলকামী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। শায়খ মুহাম্মদ আল-বাবিলী বলেন: উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। শায়খ আবদুল্লাহ ইবনে সালিম বলেন: শায়খ মুহাম্মদ আল-বাবিলী আমাকে বলেছেন: আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো। মহান আল্লাহ তাআলার মুখাপেক্ষী [ব্যক্তি] বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
مُؤَلِّفُ هَذَا الْكِتَابِ مُحَمَدُّ بْنُ أَحْمَدَ: قَالَ لِي الشَّيْخ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ: وَأَنَا أُحِبُّكَ، فَقُلْ.
بِهَذَا السَّنَدِ أَخَذْتُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الشَّيْخ أَحْمَدَ النَّخْلِيِّ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى.
أَخْرَجَ هَذَا الْحَدِيثَ الدَّيْلَمِيُّ فِي الْفِرْدَوْسِ مُسَلْسَلا، وَلَفْظُهُ: «يَا مُعَاذُ، وَاللَّهِ إِنِّي لأُحِبُّكَ، وَأُوصِيكَ أَنْ لا تَدَعَنَّ فِي كُلِّ صَلاةٍ. . .» إلخ.
وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ، بِلَفْظِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ بِيَدِي، وَقَالَ: «وَاللَّهِ يَا مُعَاذُ، إِنِّي لأُحِبُّكَ، وَأُوصِيكَ أَنْ لا تَدَعَنَّ دُبُرَ كُلِّ صَلاةٍ أَنْ تَقُولَ. . .» إلخ.
وَلَيْسَ فِي رِوَايَةِ أَبِي دَاوُدَ، وَالنَّسَائِيِّ، ثَلاثًا، بَلْ هِيَ رِوَايَةُ غَيْرِهِمَا.
এই গ্রন্থের লেখক মুহাম্মদ ইবনে আহমদ: শেখ আবদুল্লাহ ইবনে সালিম আমাকে বললেন: আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।
এই সনদে আমি এই হাদিসটি শেখ আহমদ আন-নাখলি (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন) থেকে গ্রহণ করেছি।
দাইলামি আল-ফিরদাউস গ্রন্থে এই হাদিসটি মুসালসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দাবলি হলো: "হে মুয়াজ, আল্লাহর শপথ, আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি এবং আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তুমি প্রত্যেক সালাতে যেন এটি ছেড়ে না দাও..." ইত্যাদি।
আবু দাউদ ও নাসায়ি এটি এই শব্দাবলিতে বর্ণনা করেছেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: "আল্লাহর শপথ, হে মুয়াজ, আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি এবং আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তুমি প্রত্যেক সালাতের শেষে যেন বলতে ভুলে না যাও..." ইত্যাদি।
আবু দাউদ ও নাসায়ির বর্ণনায় "তিনবার" কথাটি নেই, বরং এটি অন্যদের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
وَقَدْ أَخْرَجَ أَيْضًا هَذَا الْحَدِيثَ الْحَاكِمُ فِي الْمُسْتَدْرَكِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لَهُمْ: «أَتُحِبُّونَ أَيُّهَا النَّاسُ أَنْ تَجْتَهِدُوا فِي الدُّعَاءِ؟» قَالُوا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: " قُولُوا: اللَّهُمَّ أَعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ "
ইমাম হাকেম তাঁর ‘আল-মুস্তাদরাক’ গ্রন্থে আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদেরকে বললেন: "হে লোকসকল! তোমরা কি দোয়ার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হতে পছন্দ করো?" তাঁরা বললেন: "হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!" তিনি বললেন: "তোমরা বলো: হে আল্লাহ! আপনার যিকির, আপনার শুকরিয়া এবং আপনার উত্তম ইবাদতের জন্য আমাদের সাহায্য করুন।"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
السادس: الحديث المسلسلة بسورة الصفسَمِعْتُهُ مِنْ شَيْخِنَا الشَّيْخِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّخْلِيِّ، بِرَوَايَتِهِ لَهُ عَنِ الشَّمْسِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلاءِ الدِّينِ الْبَابِلِيِّ، عَنِ الشِّهَابِ أَحْمَدَ بْنِ الشِّبْلِيِّ الْحَنَفِيِّ، عَنِ النَّجْمِ، وَمُحَمَّدٍ الْغَيْطِيِّ، عَنْ شَيْخِ الإِسْلامِ زَكَرِيَّا الأَنْصَارِيِّ، عَنِ الحَافِظِ أَبِي نُعَيْمٍ رِضْوَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعُقْبِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ التَّنُوخِيِّ، عَنِ الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الدِّمَشْقِيِّ، عَنْ أَبِي الْمَنْجَا عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْبَغْدَادِيِّ، عَنْ أَبِي الْوَقْتِ عَبْدِ الأَوَّلِ بْنِ عِيسَى الْهَرَوِيِّ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدَّاوَرِيِّ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، عَنْ عِيسَى بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ، رضي الله عنه قَالَ: قَعَدْنَا نَفَرًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَتَذَاكَرْنَا، فَقُلْنَا: " لَوْ نَعْلَمُ أَيَّ الأَعْمَالِ أَقْرَبَ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى لَعَمِلْنَاهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل: {سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ {1} يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لا تَفْعَلُونَ} [الصف: 1-2] ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ: قَرَأَهَا عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَكَذَا ".
ষষ্ঠ: সূরা আস-সাফ সংক্রান্ত মুসালসাল হাদীসআমি এটি আমাদের শাইখ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখলি থেকে শুনেছি, তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আশ-শামস মুহাম্মদ বিন আলাউদ্দিন আল-বাবিলি থেকে, তিনি আশ-শিহাব আহমদ বিন আশ-শিবলি আল-হানাফি থেকে, তিনি আন-নাজম এবং মুহাম্মদ আল-গাইতি থেকে, তারা শাইখুল ইসলাম যাকারিয়া আল-আনসারি থেকে, তিনি হাফেজ আবু নুআইম রিদওয়ান বিন মুহাম্মদ আল-উকবি থেকে, তিনি আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আহমদ আত-তানুখি থেকে, তিনি আল-আব্বাস আহমদ বিন আবু তালিব আদ-দিমাশকি থেকে, তিনি আবুল মাঞ্জা আবদুল্লাহ বিন উমর আল-বাগদাদি থেকে, তিনি আবু ওয়াকত আবদুল আওয়াল বিন ঈসা আল-হারাউই থেকে, তিনি আবুল হাসান আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আদ-দাওয়ারি থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ থেকে, তিনি ঈসা বিন উমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আদ-দারিমি থেকে; তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন কাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আওযায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন সালাম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের একটি দল একত্রে বসে ছিলাম এবং একে অপরের সাথে আলোচনা করছিলাম। আমরা বললাম: 'যদি আমরা জানতাম কোন আমলটি মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি প্রিয়, তবে আমরা অবশ্যই তা পালন করতাম।' তখন মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: {আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং জমিনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। হে ঈমানদারগণ! তোমরা যা করো না, তা কেন বলো?} [সূরা আস-সাফ: ১-২]। আবদুল্লাহ বিন সালাম বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এটি এভাবেই তিলাওয়াত করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨١)
قَالَ أَبُو سَلَمَةَ: وَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ، رضي الله عنه، هَكَذَا قَالَ يَحْيَى، وَقَرَأَهَا عَلَيْنَا أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ الأَوْزَاعِيُّ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا يَحْيَى، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ الدَّرَّامِيُّ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ عِيسَى: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا الدِّرَامِيُّ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عِيسَى، قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ عَبْدُ الأَوَّلِ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْبَغْدَادِيُّ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عَبْدُ الأَوَّلِ، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا ابْنُ أَبِي طَالِبٍ تَلْقِينًا، قَالَ رِضْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ زَكَرِيَّا: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا رِضْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ الْغَيْطِيُّ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا زَكَرِيَّا، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ الشِّبْلِيِّ: فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا الْغَيْطِيُّ، قَالَ الشَّمْسُ مُحَمَّدٌ الْبَابِلِيُّ: فَقَرَأَهَا أَحْمَدُ بْنُ الشِّبْلِيِّ، قَالَ الشَّيْخ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّخْلِيُّ: فَقَرَأَهَا الشَّيْخ مُحَمَّدٌ الْبَابِلِيُّ، قَالَ مُؤَلِّفُ هَذَا الْكِتَابِ الْفَقِيرُ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ عَقِيلَةَ: فَقَرَأَهَا عَلَيَّ الشَّيْخُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّخْلِيُّ.
আবু সালামাহ বললেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন; ইয়াহইয়া এভাবেই বলেছেন এবং আবু সালামাহ এটি আমাদের সামনে পাঠ করেছিলেন। আল-আওযাঈ বললেন: ইয়াহইয়া আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। মুহাম্মদ ইবনে কাসীর বললেন: আল-আওযাঈ আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আদ-দারামী বললেন: মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। ঈসা বললেন: আদ-দারামী আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ বললেন: ঈসা আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আবদুর রহমান বললেন: আবদুল্লাহ আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আবদুল আউয়াল বললেন: আবদুর রহমান আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-বাগদাদী বললেন: আবদুল আউয়াল আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আহমাদ ইবনে আবি তালিব বললেন: আবদুল্লাহ আল-বাগদাদী আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। ইবরাহিম ইবনে আহমাদ বললেন: ইবনে আবি তালিব তালীক হিসেবে আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। রিদওয়ান ইবনে মুহাম্মদ বললেন: ইবরাহিম ইবনে আহমাদ আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। জাকারিয়া বললেন: রিদওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আল-গাইতী বললেন: জাকারিয়া আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আহমাদ ইবনে আশ-শিবলী বললেন: আল-গাইতী আমাদের সামনে এটি পাঠ করেছিলেন। আশ-শামস মুহাম্মদ আল-বাবিলী বললেন: আহমাদ ইবনে আশ-শিবলী এটি পাঠ করেছিলেন। আল-শায়খ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাখলী বললেন: আল-শায়খ মুহাম্মদ আল-বাবিলী এটি পাঠ করেছিলেন। এই গ্রন্থের লেখক, মহান আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আকিলাহ বললেন: আল-শায়খ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাখলী আমার সামনে এটি পাঠ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨٢)
وَهَذَا الْحَدِيثُ صَحِيحٌ مُتَّصِلُ الإِسْنَادِ وَالتَّسَلْسُلِ، وَرِجَالُ إِسْنَادِهِ ثِقَاتٌ، أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ فِي مُسْتَدْرَكِهِ مُسَلْسَلا، وَرَوَاهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ، وَأَبُو يَعْلَى، فِي مُسْنَدَيْهِمَا، وَالطَّبَرَانِيُّ، فِي الْمُعْجَمِ الْكَبِيرِ، وَغَيْرِهِ
এবং এই হাদিসটি সহিহ, এর সনদ ও ধারাবাহিকতা নিরবিচ্ছিন্ন এবং এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ইমাম হাকিম এটি তার মুসতাদরাক গ্রন্থে মুসালসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আহমাদ ও আবু ইয়ালা তাদের নিজ নিজ মুসনাদ গ্রন্থে এবং তাবারানি তার আল-মুজামুল কাবির ও অন্যান্য গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
السابع: حَدِيثُ الْمُسَلْسَلِ بِقِرَاءَةِ أَوَّلِ سُورَةِ النَّحْلِ$ قَرَأَ عَلَيْنَا شَيْخُنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّخْلِيُّ، طَرَفًا مِنْ أَوَّلِ سُورَةِ النَّحْلِ وَأَجَازَ بِبَاقِيهَا رِوَايَتَهُ وَسَائِرَ الْقُرْآنِ الشَّرِيفِ بِسَمَاعَهِ لِطَرَفٍ مِنْهَا، وَإِجَازَتِهِ بِبَاقِيهَا وَسَائِرِ الْقُرْآنِ الْعَظِيمِ مِنَ الشَّمْسِ، الشَّيْخِ مُحَمَّدٍ الْبَابِلِيِّ، عَنْ أَبِي النَّجَا سَالِمٍ السَّنْهُورِيِّ، وَغَيْرِهِ، عَنِ النَّجْمِ مُحَمَّدٍ الْغَيْطِيِّ، عَنِ الشَّمْسِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدُّلَجِيِّ الْعُثْمَانِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، «فَإِنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَنَامِ فِي مَكَّةَ الْمُشَرَّفَةِ فَقَرَأَ عَلَيْهِ أَوَّلَ السُّورَةِ الْمَذْكُورَةِ»
সপ্তম: সূরা আন-নাহলের প্রথমাংশ পাঠের মাধ্যমে মুসালসাল হাদীসআমাদের নিকট আমাদের শাইখ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখলী সূরা আন-নাহলের প্রথমাংশ থেকে কিছু অংশ পাঠ করেছেন এবং এর অবশিষ্টাংশ ও সম্পূর্ণ সম্মানিত কুরআন বর্ণনার অনুমতি প্রদান করেছেন। তিনি এর কিছু অংশ শ্রবণ এবং অবশিষ্টাংশসহ সম্পূর্ণ মহান কুরআনের ইজাযাহ বা অনুমতি লাভ করেছেন শামসুদ্দিন শাইখ মুহাম্মদ আল-বাবিলি থেকে, তিনি আবু নাজা সালিম আস-সানহুরী ও অন্যান্যদের থেকে, তিনি নাজমুদ্দিন মুহাম্মদ আল-গাইতী থেকে, তিনি শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আদ-দুলাজী আল-উসমানী থেকে, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (বর্ণনা করেছেন); কেননা তিনি সম্মানিত মক্কায় স্বপ্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছিলেন এবং তাঁর সমীপে উক্ত সূরার প্রথমাংশ পাঠ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨٤)
الثامن: الحديث المسلسل بقراءة سورة الفاتحة$ قرأت عَلَى الشَّيْخ أَحْمَد بْن مُحَمَّدٍ النخلي، سورة الفاتحة وأجازني بقراءتها، بِقِرَاءَتِي لَهَا عَلَى العلامة أَبِي المهدي الشَّيْخ عِيسَى بْن مُحَمَّدٍ الثعلبي الجعفري الْمَغْرِبِيّ، قَالَ: قرأتها عَلَى الشَّيْخ عَليّ الأجهوري، قَالَ الشَّيْخُ الأجهوري: قرأتها عَلَى الشَّيْخ الفاضل نور الدين عَليّ بْن أَبِي بَكْر القرافي، قَالَ القرافي: قرأتها عَلَى قاضي القضاة شَمْس الدِّينِ مُحَمَّد بْن إِبْرَاهِيمَ التتائي، قَالَ: قرأتها عَلَى القاضي برهان الدين بْن مُحَمَّدٍ اللقاني، قَالَ اللقاني: قرأتها عَلَى علم الدين سُلَيْمَان مؤدب الجن، قَالَ سُلَيْمَان: قرأتها عَلَى القاضي شمهورش قاضي الجن، قَالَ شمهورش: «قرأتها عَلَى من أنزلت عَلَيْهِ، سيد الوجود، ومنبع الكرم والسخاء والجود، مُحَمَّد صلى الله عليه وسلم وأصحابه أئمة الهدى واتبعيهم بإحسان ومن بهم يقتدي» .
অষ্টম: সূরা আল-ফাতিহা পাঠের ধারাবাহিকতায় বর্ণিত (মুসালসাল) হাদিসআমি শাইখ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখলির নিকট সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করেছি এবং তিনি আমাকে তা পাঠ করার অনুমতি প্রদান করেছেন; যা আমি আল্লামা আবুল মাহদি শাইখ ঈসা বিন মুহাম্মদ আস-সালাবি আল-জাফারি আল-মাগরিবির নিকট পাঠ করেছিলাম। তিনি বলেন: আমি এটি শাইখ আলী আল-আজহুরির নিকট পাঠ করেছি। শাইখ আল-আজহুরি বলেন: আমি এটি বিশিষ্ট শাইখ নূরুদ্দীন আলী বিন আবু বকর আল-কারাফির নিকট পাঠ করেছি। আল-কারাফি বলেন: আমি এটি প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাতাইয়ের নিকট পাঠ করেছি। তিনি বলেন: আমি এটি বিচারপতি বুরহানুদ্দীন বিন মুহাম্মদ আল-লাক্কানির নিকট পাঠ করেছি। আল-লাক্কানি বলেন: আমি এটি ইলমুদ্দীন সুলাইমান মুয়াদ্দিবুল জিনের নিকট পাঠ করেছি। সুলাইমান বলেন: আমি এটি জিনদের বিচারক বিচারপতি শামহুরুশের নিকট পাঠ করেছি। শামহুরুশ বলেন: «আমি এটি তাঁর নিকট পাঠ করেছি যাঁর ওপর এটি অবতীর্ণ হয়েছে, যিনি সৃষ্টিজগতের সর্দার এবং সম্মান, বদান্যতা ও মহানুভবতার উৎস—মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; এবং তাঁর সাহাবীদের নিকট, যাঁরা হিদায়াতের ইমাম; এবং নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারী ও তাঁদের নিকট যাঁরা তাঁদের অনুসরণ করেন»।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল জালিলাহ ফি মুসালসালাতি ইবনি আকীলাহ
(পৃষ্ঠা: ٨٥)
قلت: ولمَّا كَانَ هَذَا الحديث لَيْسَ فِيهِ شيء من الأحكام، بل هو أمر يتبرك بِهِ، قبله الأئمة الأعلام بهَذَا السند، ولو كَانَ من الأحكام الشرعية والاستنباطات الفرعية لمَّا قبل هَذَا السند، وفيه ما فِيهِ.
আমি বলি: যেহেতু এই হাদিসটিতে আহকাম (বিধান) সংক্রান্ত কিছু নেই, বরং এটি কেবল বরকত লাভের একটি বিষয়, তাই প্রখ্যাত ইমামগণ এই সনদের ভিত্তিতেই এটি গ্রহণ করেছেন। আর যদি এটি শারয়ি আহকাম কিংবা শাখাগত মাসআলা উদ্ভাবন (ইস্তিনবাত) সংক্রান্ত হতো, তবে এই সনদটি গ্রহণ করা হতো না, অথচ এতে যা (দুর্বলতা) থাকার তা রয়েছেই।