(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: -)
قواعد تفسير الأحلام = البدر المنير في علم التعبير القسم: علوم أخرى
الكتاب: قواعد تفسير الأحلام = البدر المنير في علم التعبير
المؤلف: أبو العباس، شهاب الدين، ابن نعمة النابلسي، أحمد بن عبد الرحمن بن عبد المنعم بن نعمة بن سلطان بن سرور الحنبلي (ت 697هـ)
المحقق: حسين بن محمد جمعة
الناشر: مؤسسة الريان - بيروت
الطبعة: الأولى، 1421هـ - 2000م
عدد الصفحات: 492
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
স্বপ্ন ব্যাখ্যার মূলনীতিসমূহ = স্বপ্ন ব্যাখ্যা বিদ্যায় উজ্জ্বল চাঁদ বিভাগ: অন্যান্য বিজ্ঞান
গ্রন্থ: স্বপ্ন ব্যাখ্যার মূলনীতিসমূহ = স্বপ্ন ব্যাখ্যা বিদ্যায় উজ্জ্বল চাঁদ
লেখক: আবুল আব্বাস، শিহাবুদ্দীন، ইবনে নি'মাহ আন-নাবুলুসি، আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে নি'মাহ ইবনে সুলতান ইবনে সুরূর আল-হানবালি (মৃত্যু ৬৯৭ হিজরি)
সম্পাদক: হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ জুমুআহ
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রায়য়ান - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৪৯২
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
(1) قَالَ الشَّيْخ، الإِمَام، الْعَالم، الْعَامِل، الصَّدْر، الْكَبِير الْكَامِل، الْفَاضِل البارع، الْحَافِظ المتقن، حجَّة الْمُحَقِّقين، ولسان الْمُتَكَلِّمين، قدوة السالكين، بَقِيَّة السّلف الصَّالح: شهَاب الدّين أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد ابْن شيخ الْإِسْلَام جمال الدّين أبي الْفرج عبد الرَّحْمَن بن عبد الْمُنعم بن نعْمَة بن
(১) শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আমলকারী, বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, মহান ও পূর্ণাঙ্গ গুণী, দক্ষ ও বিদগ্ধ পণ্ডিত, সুনিপুণ হাফেজ, গবেষকদের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ, ইলমুল কালাম শাস্ত্রবিদদের মুখপাত্র, আধ্যাত্মিক সাধকদের আদর্শ, নেককার পূর্বসূরিদের যোগ্য উত্তরসূরি: শিহাবউদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে শাইখুল ইসলাম জামালউদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে নি’মাহ ইবনে বলেন:
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
سُلْطَان بن سرُور الْمَقْدِسِي الْجَعْفَرِي، قدس الله روحه، وَنور ضريحه.
সুলতান বিন সুরূর আল-মাকদিসী আল-জা'ফারী, আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন এবং তাঁর কবরকে আলোকিত করুন।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
[1] الْحَمد لله حق حَمده، وصلواته على خير خلقه؛ مُحَمَّد وَآله وَصَحبه. حمداً وَصَلَاة ينجيان كل عبد من عَذَاب ربه.
[2] وَبعد: فَإِنَّهُ ندبني جمَاعَة إِلَى جمع مُقَدّمَة فِي علم الْمَنَام فأجبتهم إِلَى ذَلِك. ولقبتها ب " الْبَدْر الْمُنِير فِي علم التَّعْبِير ". وجعلتها بلغَة
[1] সকল প্রশংসা আল্লাহর প্রাপ্য যেমনটি তাঁর যথাযথ প্রশংসা হওয়া উচিত; এবং তাঁর সর্বোত্তম সৃষ্টি মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাথীদের ওপর দরুদ বর্ষিত হোক। এমন প্রশংসা ও দরুদ যা প্রত্যেক বান্দাকে তাঁর রবের আযাব থেকে মুক্তি দিবে।
[2] অতঃপর: একটি দল আমাকে স্বপ্নতত্ত্ব বিজ্ঞানের ওপর একটি ভূমিকা সংকলন করার জন্য অনুরোধ করেছেন, তাই আমি তাঁদের সেই আহবানে সাড়া দিয়েছি। আমি এর নামকরণ করেছি "আল-বদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর" (স্বপ্ন ব্যাখ্যার জ্ঞানে উজ্জ্বল পূর্ণিমা)। এবং আমি একে ভাষায়...
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১০)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১১)
للمبتدي، وبلاغاً للمنتهي. ينْتَفع بهَا المتعلمون، ويرتفع بهَا المعلمون. جعل الله ذَلِك خَالِصا لوجهه الْكَرِيم، وأنقذنا بفضله من عَذَابه الْأَلِيم.
[3] اعْلَم وفقنا الله وَإِيَّاك - أَن معرفَة التَّأْوِيل تحْتَاج أَولا إِلَى
শুরুকারীর জন্য পাথেয় এবং সমাপ্তকারীর জন্য চূড়ান্ত গন্তব্য। এর দ্বারা শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং শিক্ষকরা উচ্চমর্যাদা লাভ করবেন। আল্লাহ যেন একে কেবল তাঁর সম্মানিত চেহারার জন্য কবুল করেন এবং তাঁর অনুগ্রহে আমাদের তাঁর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করেন।
[৩] জেনে রাখুন—আল্লাহ আমাদের এবং আপনাকে তাওফিক দান করুন—যে, তাবিল (ব্যাখ্যা) সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রথমত প্রয়োজন...
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১২)
معرفَة حَقِيقَة النّوم؛ مَا هُوَ. ثمَّ تعرف تَفْسِير مَا يرى فِي الْمَنَام. وَقد ذكرت ذَلِك أَولا. ثمَّ ابتدأت بِذكر الله تَعَالَى، وَالْمَلَائِكَة، والأنبياء عليهم السلام. ثمَّ ذكرت السَّمَوَات وَالْأَرْض، وَمن فِيهِنَّ. ثمَّ كَذَلِك؛ حَتَّى أتيت إِلَى الْجنَّة وَالنَّار، وَمَا يدلان عَلَيْهِ. وَقد ذكرت - قبل أَبْوَاب الْمُقدمَة - أَرْبَعَة عشر فصلا. وَلم أترك شَيْئا - من الْقَوَاعِد الشاملة لهَذَا الْعلم مِمَّا قَالَه الْعلمَاء؛ أَو رزقت الِاجْتِهَاد فِيهِ - إِلَّا ذكرته. على اخْتِلَاف الْملَل والأديان،
ঘুমের প্রকৃত হাকিকত জানা; তা আসলে কী। অতঃপর স্বপ্নে যা দেখা যায় তার ব্যাখ্যা জানা। আমি তা প্রথমেই উল্লেখ করেছি। এরপর আমি মহান আল্লাহ, ফেরেশতাগণ এবং নবীগণের (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) আলোচনার মাধ্যমে শুরু করেছি। তারপর আমি আসমান ও জমিন এবং সেগুলোর মধ্যে যা কিছু আছে তার বর্ণনা দিয়েছি। এরপর একইভাবে ধারাবাহিকভাবে অগ্রসর হয়ে জান্নাত ও জাহান্নাম এবং সেগুলো যা নির্দেশ করে সে পর্যন্ত আলোচনা করেছি। আমি ভূমিকার পরিচ্ছেদগুলোর পূর্বে চৌদ্দটি অধ্যায় উল্লেখ করেছি। এই ইলমের অন্তর্ভুক্ত এমন কোনো ব্যাপক মূলনীতি যা আলেমগণ বলেছেন অথবা যাতে আমি ইজতিহাদ করার তাওফিক পেয়েছি, তার কোনো কিছুই আমি উল্লেখ করতে বাদ দিইনি; বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৩)
والأعصار والبلدان.
এবং যুগসমূহ ও দেশসমূহ।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৪)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৬)
صفحة فارغة
ফাঁকা পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৮)
وَجعلت الْأَبْوَاب خَمْسَة عشر بَابا وَهِي:
الْبَاب الأول: فِي رُؤْيَة الْبَارِي جلّ وَعلا، وَالْمَلَائِكَة، والأنبياء عليهم السلام، وَالصديقين، وَالصَّحَابَة وَالتَّابِعِينَ رضي الله عنه الله عَنْهُم أَجْمَعِينَ.
الْبَاب الثَّانِي: فِي رُؤْيَة السَّمَاء، وَمَا فِيهَا، وَمَا ينزل مِنْهَا، وَمَا يطلع إِلَيْهَا.
الْبَاب الثَّالِث: فِي الْحَوَادِث فِي الجو.
الْبَاب الرَّابِع: فِي الأَرْض، وأشجارها، وجبالها، وسهلها ووعرها، وَمَا يتَعَلَّق بهَا.
الْبَاب الْخَامِس: فِي مياه الأَرْض.
الْبَاب السَّادِس: فِي الْحَيَوَانَات.
الْبَاب السَّابِع: فِي الْأكل والذبائح.
الْبَاب الثَّامِن: فِي الْأَبْنِيَة وَمَا تصرف مِنْهَا.
الْبَاب التَّاسِع: فِي الملابس.
আমি অধ্যায়গুলোকে পনেরটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছি, আর সেগুলো হলো:
প্রথম অধ্যায়: মহান স্রষ্টা (যিনি মহান ও সুউচ্চ), ফেরেশতাগণ, নবীগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), সিদ্দিকগণ, সাহাবীগণ এবং তাবিঈগণ (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর দর্শন প্রসঙ্গে।
দ্বিতীয় অধ্যায়: আসমান, তার ভেতরে যা কিছু আছে, যা সেখান থেকে অবতীর্ণ হয় এবং যা সেখানে আরোহণ করে তার দর্শন প্রসঙ্গে।
তৃতীয় অধ্যায়: বায়ুমণ্ডলের ঘটনাবলি প্রসঙ্গে।
চতুর্থ অধ্যায়: যমীন, এর বৃক্ষরাজি, পাহাড়-পর্বত, সমভূমি ও বন্ধুর ভূমি এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি প্রসঙ্গে।
পঞ্চম অধ্যায়: যমীনের পানিসমূহ প্রসঙ্গে।
ষষ্ঠ অধ্যায়: জীবজন্তু প্রসঙ্গে।
সপ্তম অধ্যায়: আহার্য এবং যবেহকৃত পশুপাখি প্রসঙ্গে।
অষ্টম অধ্যায়: দালানকোঠা এবং তা থেকে যা কিছু উদ্ভূত হয় সে সম্পর্কে।
নবম অধ্যায়: পোশাক-পরিচ্ছদ প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১১৯)
الْبَاب الْعَاشِر: فِي الصَّنَائِع والصناع.
الْبَاب الْحَادِي عشر: فِي الأدوات المستعملات.
الْبَاب الثَّانِي عشر: فِي رُؤْيَة بني آدم.
الْبَاب الثَّالِث عشر: فِي أَعْضَاء ابْن آدم، وَمَا يحدث مِنْهُ.
الْبَاب الرَّابِع عشر: فِي الْمَوْت والنزاع.
الْبَاب الْخَامِس عشر: فِي السَّاعَة وأشراطها. قَالَ المُصَنّف رحمه الله: لما أَن كَانَ الْملك - فِي الْيَقَظَة - بَين يَدَيْهِ أعوان؛ يتصرفون بأَمْره فِي وَقت حُضُوره، وَلم يقدروا على الْوُقُوف دَائِما بِلَا أَخذ رَاحَة - وَلَا يَلِيق أَن يتصرفوا لأخذ الرَّاحَة وَهُوَ جَالس؛ رُبمَا حدث حَادث فِي وَقت غيبتهم أفْضى إِلَى الْفساد - فحجب نَفسه فاستراح، واستراحت الأعوان. وَجعل فِي وَقت غيبته حرساً على الْأَبْوَاب - لِئَلَّا يحدث حَادث فِي وَقت غيبتهم، وَمَا يُمكن الحرس يتْركُوا مواضعهم؛ ويطلعوه على الْحَادِث، خوفًا من حُدُوث حَادث فِي وَقت غيبتهم، فَجعل عَلَيْهِم من يسمع مِنْهُم مَا يقولوه. وَالْآخر مَا يُمكنهُ الْغَيْبَة لِئَلَّا يطلبوه وَقت غيبته لحادث آخر فَمَا يجدوه فَمَا يُفِيد - فَاحْتَاجَ إِلَى كَبِير متوصل؛ يُوصل ذَلِك إِلَى الْملك إِذا جلس. فَإِذا انْتهى إِلَيْهِ مثلا؛ أَن جمَاعَة بِالْمَكَانِ الفاني سرقوا /؛
দশম অধ্যায়: কারুশিল্প ও কারিগর প্রসঙ্গে।
একাদশ অধ্যায়: ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি প্রসঙ্গে।
দ্বাদশ অধ্যায়: আদম সন্তান দর্শন প্রসঙ্গে।
ত্রয়োদশ অধ্যায়: আদম সন্তানের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং তা থেকে যা উদ্ভূত হয় প্রসঙ্গে।
চতুর্দশ অধ্যায়: মৃত্যু ও মৃত্যুযন্ত্রণা প্রসঙ্গে।
পঞ্চদশ অধ্যায়: কিয়ামত ও তার আলামতসমূহ প্রসঙ্গে। গ্রন্থকার (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেন: যেহেতু জাগ্রত অবস্থায় বাদশাহর সামনে সাহায্যকারীরা থাকে; যারা তাঁর উপস্থিতিকালীন সময়ে তাঁর নির্দেশে কার্যাদি পরিচালনা করে, কিন্তু তারা বিশ্রাম নেওয়া ছাড়া সর্বদা দাঁড়িয়ে থাকতে সক্ষম হয় না—আর বাদশাহ উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় তাদের বিশ্রাম নিতে যাওয়াটা সমীচীন নয়; কারণ সম্ভবত তাদের অনুপস্থিতির সময়ে এমন কোনো ঘটনা ঘটতে পারে যা বিপর্যয়ের কারণ হবে—তাই তিনি নিজেকে আড়াল করলেন এবং বিশ্রাম নিলেন, আর সাহায্যকারীরাও বিশ্রাম নিল। তিনি তাঁর অনুপস্থিতিকালীন সময়ের জন্য দরজাসমূহে প্রহরী নিযুক্ত করলেন—যাতে সেই সময়ে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে। আর প্রহরীদের পক্ষে নিজ স্থান ত্যাগ করে তাঁকে কোনো ঘটনার সংবাদ দেওয়া সম্ভব নয়; পাছে তাদের অনুপস্থিতিতে অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়। তাই তিনি তাদের ওপর এমন একজনকে দায়িত্ব দিলেন যে তাদের কথা শুনবে। আর অন্য ব্যক্তিটি অনুপস্থিত থাকতে পারে না, যাতে কোনো ঘটনার প্রয়োজনে তাঁকে খোঁজা হলে তাঁকে না পাওয়ার কারণে কোনো ফায়দা না হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না হয়—ফলে বাদশাহর একজন উচ্চপদস্থ মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হলো; যে বাদশাহ যখন দরবারে বসবেন তখন তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছে দেবে। যেমন যখন তাঁর কাছে এই সংবাদ পৌঁছে যে, নশ্বর স্থানের এক দল লোক চুরি করেছে /;
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২০)
وَفُلَان قَامَ قَاتلهم وَدفع شرهم. نظر الْملك رَأْيه فيهم. فيأمر بقتل بَعضهم، أَو قطعه، أَو صلبه، أَو سجنه، ونو ذَلِك. وَيَأْمُر بإكرام المدافع لَهُم على مَا يَلِيق بِهِ من الْكَرَامَة. وَلما كَانَت الرّوح؛ الْمُدبر فِي الْبدن. كالملك فِي الْبَلَد - وَبَين يَدَيْهِ أعوان - السّمع، وَالْبَصَر، والنطق، وَالْيَدَانِ، وَالرجلَانِ - وَلَيْسَ لَهُم طَاقَة السهر دَائِما - لِأَنَّهُ يقل السّمع وَالْبَصَر والنطق - فَأرْسل الله تَعَالَى النّوم رَاحَة لأولئك كَمَا ذكرنَا. وَأقَام الْأَنْفس الثَّلَاثَة - كَمَا فِي الْيَقَظَة - للْملك. فَإِذا اسْتَيْقَظَ الرّوح الْمُدبر؛ أمْلى عَلَيْهِ الْمَنَام؛ أَنِّي رَأَيْت كأنني آكل حلواً من إِنَاء مليح فَيَقُول لَهُ الرّوح الْمُدبر: هُوَ للْمَرِيض بالحرارة ردئ. لكَون ذَلِك لَا يُوَافق مَرضه. وَيَقُول للصحيح - إِن كَانَ ملكا -: ملك بَلَدا كَبِيرا. وَلمن دونه: ستتولى مَكَانا مليحاً. ولطالب الْعُلُوم: تبلغ مرادك مِنْهَا: وللعازب: ستتزوج امْرَأَة حسناء. وَنَحْو ذَلِك. وَإِن كَانَت الْحَلَاوَة ردية؛ فعكس ذَلِك.
[فصل: 1] الْفَصْل الأول
فِي هَيْئَة الْمَنَام [4] أعلم أَن النّوم رَحْمَة من الله على عَبده؛ ليستريح بِهِ بدنه عِنْد
এবং অমুক ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করল এবং তাদের অনিষ্ট প্রতিহত করল। বাদশাহ তাদের বিষয়ে নিজ অভিমত বিবেচনা করলেন। অতঃপর তিনি তাদের কাউকে হত্যা, কাউকে অঙ্গচ্ছেদ, কাউকে শূলে চড়ানো অথবা কাউকে কারারুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন এবং অনুরূপ ব্যবস্থা নিলেন। আর তিনি আক্রমণকারীদের যারা প্রতিহত করেছিল, তাদের উপযুক্ত মর্যাদায় সম্মানিত করার নির্দেশ দিলেন। এবং যেহেতু রূহ হলো শরীরের পরিচালক, যেমন দেশের বাদশাহ - আর তার সামনে রয়েছে সাহায্যকারী বাহিনী - শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, বাকশক্তি, দুই হাত ও দুই পা - এবং সর্বদা জেগে থাকার সামর্থ্য তাদের নেই - কারণ তাতে শ্রবণ, দর্শন ও বাকশক্তি লোপ পায় - তাই আল্লাহ তাআলা তাদের বিশ্রামের জন্য নিদ্রা পাঠিয়েছেন যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি। এবং জাগ্রত অবস্থার ন্যায় বাদশাহর জন্য তিনি তিনটি নফসকে বহাল রেখেছেন। যখন পরিচালক রূহ সজাগ হয়, তখন স্বপ্ন তার কাছে বর্ণনা পেশ করে: 'আমি দেখলাম যেন আমি একটি সুন্দর পাত্র থেকে মিষ্টান্ন খাচ্ছি'। তখন পরিচালক রূহ তাকে বলে: 'উষ্ণতা জনিত রোগে (জ্বর) আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য এটি মন্দ, যেহেতু তা তার অসুস্থতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।' আর সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে বলে - যদি সে বাদশাহ হয় -: 'সে একটি বিশাল রাষ্ট্রের মালিক হবে।' আর সাধারণ স্তরের মানুষের ক্ষেত্রে: 'তুমি শীঘ্রই একটি চমৎকার পদের দায়িত্ব পাবে।' আর জ্ঞান অন্বেষণকারীর ক্ষেত্রে: 'তুমি তোমার উদ্দেশ্য হাসিল করবে।' আর অবিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে: 'তুমি শীঘ্রই একজন রূপবতী নারীকে বিবাহ করবে।' এবং অনুরূপ আরও কিছু। আর যদি সেই মিষ্টান্নটি মন্দ হয়, তবে ব্যাখ্যা এর বিপরীত হবে।
[পরিচ্ছেদ: ১] প্রথম পরিচ্ছেদ
স্বপ্নের ধরণ বা স্বরূপ প্রসঙ্গে [৪] জেনে রেখো যে, নিদ্রা হলো বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি রহমত; যাতে এর মাধ্যমে তার শরীর বিশ্রাম পায় যখন...
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২১)
تَعبه. لما علم الله عز وجل عجز الرّوح عَن الْقيام بتدبير الْبدن دَائِما.
তার ক্লান্তি। যেহেতু আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল সর্বদা শরীরের তদ্বীর বা পরিচালনা আঞ্জাম দিতে রুহের অক্ষমতা সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২২)
فالنوم هُوَ أبخرة تحيط بِالروحِ الْمُدبر للبدن؛ فتحجبه عَن التَّدْبِير.
সুতরাং নিদ্রা হলো এমন কিছু বাষ্প যা দেহের পরিচালক রূহকে পরিবেষ্টন করে ফেলে; ফলে তা তাকে পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখে।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৩)
وَمَا هُوَ فِي الْمِثَال إِلَّا كالملك - إِذا حجب نَفسه عَن تَدْبِير مَمْلَكَته ليستريح وتستريح أعوانه فِي وَقت حجبه - وَمن الْحِكْمَة جعل الله تَعَالَى - حِين غيبَة الرّوح الْمُدبرَة - ثَلَاثَة أنفس قَائِمَة؛ فَالْأولى: النَّفس المخيلة. أشبه شَيْء بالمرآة، لتخيل كل شَيْء يواجهها. وَجعل أمامها؛ نفسا حافظة: تحفظ مَا تصَوره المخيلة. وَجعل نفسا موصلة: توصل ذَلِك إِلَى الرّوح الْمُدبرَة -
এবং এটি উদাহরণের ক্ষেত্রে কেবল সেই বাদশাহর মতো - যখন সে তার রাজ্যের পরিচালনা থেকে নিজেকে আবৃত রাখে যাতে সে নিজে এবং তার সহযোগীরা তার অন্তরালে থাকার সময়ে বিশ্রাম নিতে পারে - আর মহান আল্লাহর হিকমতের অন্তর্ভুক্ত হলো যে, তিনি - পরিচালক রূহের অনুপস্থিতিকালীন সময়ে - তিনটি সক্রিয় সত্তা নির্ধারণ করেছেন; প্রথমটি হলো: কল্পনাপ্রবণ সত্তা। এটি আয়নার সাথে সর্বাপেক্ষা সাদৃশ্যপূর্ণ, যা তার সম্মুখে উপস্থাপিত প্রতিটি বিষয়কে চিত্রায়িত করার জন্য। আর তিনি তার সম্মুখে একটি সংরক্ষণকারী সত্তা রেখেছেন: যা কল্পনাপ্রবণ সত্তা যা কিছু চিত্রিত করে তা সংরক্ষণ করে। এবং তিনি একটি সংযোগকারী সত্তা রেখেছেন: যা তা পরিচালক রূহের নিকট পৌঁছে দেয় -
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৪)
إِذا انْكَشَفَ الْحجب عَنْهَا - ليتصرف فِيهِ على مَا يرى. وَمَا جعل الله تَعَالَى النّوم كَذَلِك إِلَّا من لطفه وحكمته، لِأَن حَال الْيَقَظَة مَا يُمكن أَن الْإِنْسَان يعرف مَا يحدث فِي الْوُجُود كل وَقت إِذْ لَو كَانَ ذَلِك كَذَلِك، لتساوى النَّاس بالأنبياء عليهم السلام.
যখন তা থেকে পর্দা উন্মোচিত হয়—যাতে সে সেখানে যা দেখে সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারে। আর আল্লাহ তাআলা নিদ্রাকে এরূপ করেননি তাঁর অনুগ্রহ ও প্রজ্ঞা ব্যতীত; কারণ জাগ্রত অবস্থায় মানুষের পক্ষে অস্তিত্ব জগতে প্রতিটি মুহূর্তে যা ঘটছে তা জানা সম্ভব নয়; কেননা বিষয়টি যদি এমনই হতো, তবে মানুষ আম্বিয়া কিরামের (আলাইহিমুস সালাম) সমপর্যায়ের হয়ে যেত।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৫)
صفحة فارغة
ফাঁকা পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৬)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৭)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৮)
صفحة فارغة
ফাঁকা পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১২৯)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩০)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩১)
[فصل: 2] الْفَصْل الثَّانِي
[5] والرؤيا على قسمَيْنِ: صَحِيح، فَاسد. فَالصَّحِيح: مَا كَانَ من اللَّوْح الْمَحْفُوظ وَهُوَ الَّذِي تترتب عَلَيْهِ الْأَحْكَام.
[পরিচ্ছেদ: ২] দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
[৫] স্বপ্ন দুই প্রকার: সহিহ (সঠিক) ও ফাসিদ (ভ্রান্ত)। সহিহ হলো তা, যা লাওহে মাহফুজ থেকে আগত এবং এটিই সেই স্বপ্ন যার ওপর বিধানাবলি আবর্তিত হয়।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩২)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩৩)
الْقسم الثَّانِي: الْفَاسِد: الَّذِي لَا حكم لَهُ. وَهُوَ خَمْسَة أَقسَام: الأول: حَدِيث النَّفس: وَهُوَ أَن يحدث الْإِنْسَان نَفسه فِي الْيَقَظَة شَيْئا فيراه فِي الْمَنَام. وَكَذَلِكَ الْعَادة.
দ্বিতীয় প্রকার: ফাসিদ (অকার্যকর), যার কোনো বিধান নেই। এটি পাঁচ প্রকার: প্রথমটি: মনের কল্পনা (হাদিসুন নাফস); আর তা হলো মানুষ জাগ্রত অবস্থায় নিজের মনে কোনো কিছু চিন্তা করে, অতঃপর স্বপ্নে তা দেখতে পায়। একইভাবে অভ্যাসজনিত স্বপ্নও এর অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩৪)
قَالَ المُصَنّف: إِنَّمَا ابتدأت بِذكر الْفَاسِد لقلته. فَإِذا عرف علم أَن مَا سواهُ هُوَ الصَّحِيح. وَقد ذكر جمَاعَة أَن الْفساد هَذِه الْأَقْسَام وَزَادُوا عَلَيْهَا: السَّحَرَة، وَبعث الشَّيَاطِين، وَنَحْو ذَلِك. وَلَيْسَ بِصَحِيح. وَالَّذِي ذكرته غير مُخْتَلف فِيهِ. وَفِي مَعْرفَته كِفَايَة.
গ্রন্থকার বলেন: আমি বাতিল বা ত্রুটিপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমেই প্রারম্ভ করেছি, কারণ তা সংখ্যায় নগণ্য। সুতরাং যখন তা পরিজ্ঞাত হবে, তখন এটিও জানা যাবে যে তা ব্যতিরেকে যা আছে সেটিই সঠিক। একদল আলিম উল্লেখ করেছেন যে, ফাসাদ (ত্রুটি) কেবল এই কয়েকটি প্রকারের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা এর সাথে জাদুকর, শয়তানদের লেলিয়ে দেওয়া এবং এই জাতীয় বিষয়গুলোও যুক্ত করেছেন। অথচ তা সঠিক নয়। আমি যা উল্লেখ করেছি সে বিষয়ে কোনো মতভেদ নেই এবং এটি অবগত হওয়াই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১)
কাওয়াইদু তাফসীরিল আহলাম = আল-বাদরুল মুনীর ফী ইলমিত তাবীর
(পৃষ্ঠা: ১৩৫)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা