(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: -)
المنتخب من مسند عبد بن حميد ت مصطفى العدوي   (عبد بن حميد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المنتخب من مسند عبد بن حميد

المؤلف: أبو محمد عبد الحميد بن حميد بن نصر الكَسّي ويقال له: الكَشّي بالفتح والإعجام (ت 249هـ)

تحقيق: الشيخ مصطفى العدوي

الناشر: دار بلنسية للنشر والتوزيع

الطبعة: الثانية 1423هـ - 2002م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুসনাদে আবদ বিন হুমাইদ থেকে নির্বাচিত - তাহকীক: মুস্তফা আল-আদবী   (আবদ বিন হুমাইদ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুসনাদে আবদ বিন হুমাইদ থেকে নির্বাচিত

লেখক: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ বিন হুমাইদ বিন নাসর আল-কাস্সি এবং তাঁকে বলা হয়: আল-কাশ্শি ফাতহাহ ও নুকতা যোগে (মৃত্যু ২৪৯ হিজরি)

তাহকীক: শায়খ মুস্তফা আল-আদবী

প্রকাশক: দার বালানসিয়াহ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন

সংস্করণ: দ্বিতীয় ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المجلد الأول

‌‌المقدمات

‌‌مقدمة الطبعة الثانية

…

بسم الله الرحمن الرحيم

مقدمة الطبعة الثانية:

الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله،

وبعد:

فهذه هي الطبعة الثانية لكتاب "المنتخب من مسند عبد بن حميد، رحمه الله تعالى" بتحقيقي وتعليقي، أقدمها لإخواني أهل الإسلام وفّقهم الله لكل خير، بعد أن نفدت الطبعة الأولى، إذ قد طبعت الطبعة الأولى منذ ما يقارب من سبعة عشر عامًا، وبلا شك فقد ظهرت في هذه السنوات كتبٌ في علل الأحاديث ودواوين من دواوين السنن كانت من قبل في عالم المخطوط المحفوظ في الخزائن والأدراج، فخرجت إلى الناس وتداولوها بالنشر والتوزيع والبحث والاطلاع، ومما لا شك فيه أن هذا له تأثير على تخريج الأحاديث التي خُرجت من قبل، وعلى الحكم عليها كذلك بعد ظهور هذا الكم الهائل من كتب العلل والسنن، فأضفت ما تيسر لي إضافته من التخريج وأقوال علماء العلل على الطبعة السابقة، وإن لم أحرص على ذكر كل من أخرج الحديث خشية إثقال الكتاب بالحواشي، ثم لوجود الموسوعات التي عني أهلها بإيراد أطراف الحديث فيها.

هذا، ومما تمتاز به هذه الطبعة عن سابقتها ما يلي:

أولًا: مراجعة متون الأحاديث على عدة مخطوطات "للمنتخب"، فقد كان
প্রথম খণ্ড

ভূমিকা

দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা

…

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর,

অতঃপর:

এটি হলো আমার তাহকীক (সম্পাদনা) ও তালীক (টীকা) সহ "আল-মুনতাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ, রহিমানুল্লাহু তাআলা" কিতাবের দ্বিতীয় সংস্করণ। আমি এটি আমার মুসলিম ভাইদের নিকট পেশ করছি—আল্লাহ তাদের সকল কল্যাণের তৌফিক দান করুন। প্রথম সংস্করণটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর এটি প্রস্তুত করা হয়েছে; কেননা প্রথম সংস্করণটি প্রায় সতের বছর আগে মুদ্রিত হয়েছিল। নিঃসন্দেহে এই বছরগুলোতে হাদীসের 'ইলাল' (ত্রুটি) সংক্রান্ত এমন অনেক কিতাব এবং অনেক 'সুনান' গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, যা পূর্বে সিন্দুক ও ড্রয়ারে পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত ছিল। অতঃপর সেগুলো মানুষের কাছে প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রকাশনা, বিতরণ, গবেষণা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে তা মানুষের হাতে হাতে পৌঁছেছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই বিশাল পরিমাণ 'ইলাল' ও 'সুনান' গ্রন্থ প্রকাশের ফলে পূর্বে সম্পাদিত হাদীসের তাখরীজ ও সেগুলোর ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে। তাই আমি পূর্ববর্তী সংস্করণের সাথে হাদীসের তাখরীজ ও ইলমে ইলাল বিশেষজ্ঞদের মতামত যতটুকু সম্ভব যুক্ত করেছি। যদিও টীকায় কিতাবটির কলেবর বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় আমি হাদীসটি যারা বর্ণনা করেছেন তাদের প্রত্যেকের নাম উল্লেখ করার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহী ছিলাম না। তাছাড়া বর্তমানে এমন অনেক বিশ্বকোষ (মওসূআহ) পাওয়া যায়, যেগুলোর সংকলকগণ তাতে হাদীসের প্রান্তসমূহ (আতরাফ) সংকলন করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

এই সংস্করণটি তার পূর্ববর্তী সংস্করণের তুলনায় যে সকল বৈশিষ্ট্যে স্বতন্ত্র, সেগুলো নিম্নরূপ:

প্রথমত: "আল-মুনতাখাব"-এর হাদীসের মূল পাঠসমূহ (মতন) বেশ কয়েকটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়েছে; কেননা...
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৬)
بالطبعة السابقة بعض السقط، وعدم الوضوح في مواطن، إذ قد اعتمدنا فيها على مخطوطة المكتبة الصديقية بمنى لصاحبها الشيخ عبد الرحيم صديق رحمه الله وقد آلت بعد موته إلى مكتبة الحرم المكي، زاده الله تشريفًا.

أما هذه الطبعة التي بين أيدينا، فقد رُوجعت على عدة مخطوطات منها:

1- نسخة مكتبة الفتياني بالقدس، وعدد أوراقها: "249" ورقة، وسيأتي وصفها ضمن وصف النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق، وبهذه النسخة سقط من الحديث رقم [1255] إلى رقم [1442] استكملنا هذا النقص بالاعتماد على نسخة خزانة جامعة القرويين.

2- نسخة خزانة جامعة القرويين بفاس بالمغرب، وعدد أوراقها: "204" وروقات وسيأتي وصفها.

3- نسخة الزيدانية بالخزانة الملكية بالرباط، وعدد أوراقها: "12" ورقة.

4- نسخة المكتبة الصديقية، واعتمدنا عليها من خلال الطبعة الأولى للكتاب.

ثانيًا: إيراد مزيد من أقوال علماء العلل على بعض الأحاديث، مع مزيد من التخريج حيث يحتاج الأمر إلى مزيد من التخريج.

ثالثًا: بعض التعديلات في الأحكام على بعض الأحاديث، وهذا شيءٌ قليل، وذلك بناء على تغير الاجتهادات وظهور العلل، وكذلك ظهور مزيد من الطرق.

هذا، ولم تكن همتي -كما أسلفت- التوسع في التخريج لما قد أشرت إليه.
পূর্ববর্তী সংস্করণে কিছু বিচ্যুতি এবং কিছু স্থানে অস্পষ্টতা ছিল, কারণ আমরা তাতে মিনায় অবস্থিত মাকতাবাতুস সিদ্দিকিয়্যাহ-এর একটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছিলাম, যার মালিক ছিলেন শায়খ আবদুর রহীম সিদ্দিক (রাহিমাহুল্লাহ)। তাঁর মৃত্যুর পর এটি হারাম মাক্কী লাইব্রেরিতে স্থানান্তরিত হয়, আল্লাহ এর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন।

আর আমাদের হাতে থাকা এই সংস্করণটি বেশ কয়েকটি পাণ্ডুলিপির আলোকে সংশোধন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

১- জেরুজালেমের আল-ফিতইয়ানি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: "২৪৯" পৃষ্ঠা। তাহক্বীকে (গবেষণায়) ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বর্ণনার মধ্যে এর বর্ণনাও আসবে। এই পাণ্ডুলিপিতে ১২৫৫ নম্বর থেকে ১৪৪২ নম্বর হাদীস পর্যন্ত অংশটি বাদ পড়েছিল, যা আমরা কারাওয়িয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করে পূরণ করেছি।

২- মরক্কোর ফাস নগরীর কারাওয়িয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: "২০৪" পৃষ্ঠা। এর বর্ণনা সামনে আসবে।

৩- রাবাতের রাজকীয় লাইব্রেরির জায়দানিয়্যাহ পাণ্ডুলিপি, এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: "১২" পৃষ্ঠা।

৪- মাকতাবাতুস সিদ্দিকিয়্যাহ-এর পাণ্ডুলিপি, কিতাবটির প্রথম সংস্করণের মাধ্যমে আমরা এর ওপর নির্ভর করেছি।

দ্বিতীয়ত: কিছু হাদীসের ওপর 'ইলমে ইলাল' (হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটি বিষয়ক জ্ঞান) বিশেষজ্ঞ আলেমগণের অধিকতর মতামত উল্লেখ করা হয়েছে, সেইসাথে যেখানে প্রয়োজন সেখানে অধিকতর তাখরীজ করা হয়েছে।

তৃতীয়ত: কিছু হাদীসের হুকুমের (মান নির্ধারণের) ক্ষেত্রে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে; আর এটি ইজতিহাদের পরিবর্তন, নতুন ইল্লাত (সুক্ষ্ম ত্রুটি) প্রকাশ পাওয়া এবং হাদীসের অধিকতর সূত্র লাভের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

আমি পূর্বে যেমন উল্লেখ করেছি, আমার উদ্দেশ্য তাখরীজের ক্ষেত্রে খুব বেশি বিস্তৃতি ঘটানো ছিল না।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৭)
ثم إنه لا يفوتني بعد شكر الله عز وجل أن أشكر أخي الشيخ أبا مصعب طعلت الحُلواني -جزاه الله خيرًا- وهو أحد إخواننا من طلبة العلم النجباء الذين لهم اهتمامات بالمخطوطات؛ على ما قام به من إمدادي بالمخطوطات لهذا الكتاب.

هذا، وما كان من توفيق في هذا الكتاب فمن الله وحده، فله الحمد وله الشكر، وما كان من خطإٍ فمن نفسي ومن الشيطان، والله ورسوله بريئان من ذلك.

نفع الله المسلمين بهذا السِّفْر الجليل، وجعله في موازين حسناتنا يوم نلقاه.

وصلِّ اللهم على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه وسلم.

كتبه

أبو عبد الله

مصطفى بن العدوي
অতঃপর মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের পর আমি আমার ভাই শাইখ আবু মুসআব তলাত আল-হুলওয়ানিকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলে যাচ্ছি না—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন—যিনি পাণ্ডুলিপি বিষয়ে আগ্রহী আমাদের মেধাবী ইলম অন্বেষণকারী ভাইদের একজন; এই কিতাবের জন্য আমাকে পাণ্ডুলিপি সরবরাহ করে তিনি যে সহায়তা করেছেন সেজন্য।

আর এই কিতাবের ক্ষেত্রে যে তাওফিক বা সফলতা অর্জিত হয়েছে তা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই, সুতরাং সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা তাঁরই প্রাপ্য। আর যে ভুল-ভ্রান্তি হয়েছে তা আমার নিজের পক্ষ থেকে এবং শয়তানের পক্ষ থেকে, আর আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তা থেকে দায়মুক্ত।

আল্লাহ তাআলা এই মহান গ্রন্থের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের দিনে এটিকে আমাদের নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করুন।

হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।

এটি লিখেছেন

আবু আব্দুল্লাহ

মুস্তফা বিন আল-আদাউয়ি
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌ترجمة المصنف "عبد بن حميد":

هو أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ بنُ حُمَيدِ بن نصر الكِسِّي1، ويقال له: الكَشِّي، بالفتح والإعجام، يقال: اسمه عبد الحميد.

ولد بعد السبعين ومائة.

قال الذهبي في السير "12/ 235": وحدَّث عن: علي بن عاصم الواسطي، ومحمد بن بشر العبدي، وابن أبي فديك، ويزيد بن هارون، ويحيى بن آدم، وأبي علي الحنفي، وأبي داود الحَفَرِي، وعبد الرزاق، وجعفر بن عون، وأبي أسامة، وأبي داود الطيالسي، وأبي بدر السَّكُوني، وعبد الرحمن بن عبد الله الدَّشْتكيِّ، ومسلم بن قتيبة، وزيد بن الحباب، وعبد الله بن بكر، وعمر بن يونس اليمامي، والواقدي، ومحاضر بن المورع، ومصعب بن المقدام، وأبي عاصم، وخلق كثير مذكورين في "تفسيره الكبير" وفي "مسنده" الذي وقع لنا "المنتخب" منه.

حدث عنه: مسلم، والترمذي، والبخاري تعليقًا في دلائل النبوة من "صحيحه" فقال: وقال عبدُ الحميد: حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا معاذ به

--------------------------------------------

1 قال ابن ماكولا في "الإكمال" "7/ 185": أما الكِسي بالسين المهملة، فجماعة كثيرة ينسبون إلى "كِس" بلد يقارب "سمرقند" منه جماعة من المحدثين، والعراقيون، وغيرهم يقولونه بفتح الكاف، وربما صحفه بعضهم فقال بالشين المعجمة، وهو خطأ.

وقال ابن السمعاني في الأنساب "4/ 625": الكِسِّي، بكسر الكاف وتشديد السين المهملة، هذه النسبة إلى بلدة بما وراء النهر، يقال لها: كِس، أقمت بها اثني عشر يومًا، وقد ذكر الحفاظ في تواريخهم أن اسم هذه البلدة "كس" بكسر الكاف والسين غير المنطوقة، والنسبة إليها كسي، غير أن المشهور "كش" بفتح الكاف والشين المنقوطة، بقرب "نخشب" والمعروف من هذه البلدة: أبو محمد عبد الحميد بن حميد بن نصر الكشي، وهو المعروف بعبد بن حميد.
গ্রন্থকার "আবদ বিন হুমাইদ"-এর জীবনী:

তিনি হলেন আবু মুহাম্মাদ আবদ বিন হুমাইদ বিন নাসর আল-কিসসি ১, এবং তাকে 'আল-কাশশি'ও বলা হয়—কাফ বর্ণে ফাতহা (যবর) এবং শিন বর্ণে নুকতাসহ। বলা হয় যে, তাঁর নাম আব্দুল হামিদ।

তিনি ১৭০ হিজরির পর জন্মগ্রহণ করেন।

ইমাম যাহাবি আস-সিয়ার (১২/২৩৫) গ্রন্থে বলেন: "তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন: আলি বিন আসিম আল-ওয়াসিতি, মুহাম্মাদ বিন বিশর আল-আবদি, ইবন আবি ফুদাইক, ইয়াজিদ বিন হারুন, ইয়াহইয়া বিন আদম, আবু আলি আল-হানাফি, আবু দাউদ আল-হাফারি, আব্দুর রাজ্জাক, জাফর বিন আউন, আবু উসামা, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, আবু বদর আস-সুকুনি, আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাশতামকি, মুসলিম বিন কুতাইবা, যাইদ বিন হুবাব, আব্দুল্লাহ বিন বকর, উমর বিন ইউনুস আল-ইয়ামামি, ওয়াকিদি, মুহাজির বিন আল-মুওয়াররা, মুসআব বিন আল-মিকদাম, আবু আসিম এবং আরও বহু সংখ্যক লোকের নিকট থেকে, যাদের নাম তাঁর 'তাফসিরে কাবির' এবং তাঁর 'মুসনাদ' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে; যে মুসনাদ থেকে 'আল-মুনতাখাব' (নির্বাচিত অংশ) আমাদের কাছে পৌঁছেছে।"

তাঁর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: মুসলিম, তিরমিজি এবং বুখারি তাঁর "সহিহ" গ্রন্থের 'দালাইলুন নুবুওয়াহ' অধ্যায়ে মুআল্লাক (সূত্রবিহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন। সেখানে বুখারি বলেন: আব্দুল হামিদ বলেছেন, উসমান বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআদ আমাদের নিকট এই হাদিস বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১ ইবন মাকুলা "আল-ইকমাল" (৭/১৮৫) গ্রন্থে বলেন: সিন বর্ণে নুকতাহীন 'কিসসি' শব্দের ক্ষেত্রে এক বিশাল দল সমরকন্দের নিকটবর্তী 'কিস' নামক শহরের দিকে নিজেদের নিসবত (সম্পর্ক) করেন। সেখান থেকে একদল মুহাদ্দিস রয়েছেন। ইরাকি এবং অন্যান্যরা একে কাফ বর্ণে ফাতহা দিয়ে উচ্চারণ করেন, আবার কখনো কেউ কেউ একে ভুলভাবে নুকতাহযুক্ত শিন বর্ণ দিয়ে উচ্চারণ করেছেন, যা সঠিক নয়।

এবং ইবনুস সামআনি "আল-আনসাব" (৪/৬২৫) গ্রন্থে বলেন: 'আল-কিসসি' হলো কাফ বর্ণে কাসরা (যের) এবং সিন বর্ণে তাশদিদ ও নুকতাহীন উচ্চারণ। এই নিসবতটি মাওয়ারাননাহর অঞ্চলের একটি শহরের দিকে, যাকে 'কিস' বলা হয়; সেখানে আমি ১২ দিন অবস্থান করেছি। হাফিজগণ তাঁদের ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে উল্লেখ করেছেন যে, এই শহরের নাম হলো 'কিস'—কাফ বর্ণে কাসরা এবং সিন বর্ণে সাকিন। আর এর নিসবত হলো 'কিসসি'। তবে প্রসিদ্ধ হলো 'কাশ'—কাফ বর্ণে ফাতহা এবং শিন বর্ণে নুকতাহযুক্ত উচ্চারণ, যা 'নাখশাব'-এর কাছে অবস্থিত। এই শহরের সুপরিচিত ব্যক্তি হলেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ বিন হুমাইদ বিন নাসর আল-কাশশি, যিনি 'আবদ বিন হুমাইদ' নামে পরিচিত।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১১)
العلاء، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ "في حنين الجذع" فقيل: هذا هو عَبْد.

وروى أيضًا ولده محمد عنه، وبكر بن المرزبان، وشُريح بن أبي عبد الله النسفي الزاهد، والمكي بن نوح المقرئ، وعمر بن محمد بن بُجَيْر، ومحمد بن عبد بن عامر السمرقندي، وإبراهيم بن خُزَيْم بن قمير الشاشي، وأبو معاذ العباس بن إدريس بن الفرج الكِسِّي، وأبو سعيد حاتم بن حسن الشاشي، والحسن بن الفضل بن أبي البزاز، وأبو عمرو حفص بن بوخاش، وسلمان بن إسرائيل بن جابر الخُجَنْدي، وسهل بن شاذويه البخاري، وأبو سعيد الشاه بن جعفر بن حبيب النَّسَفي، وأبو بكر محمد بن عمر بن منصور الكشي، ومحمد بن موسى بن الهذيل النسفي، ومحمود بن عنبر بن نُعَيم الأزدي النَّسَفي، وغيرهم من أهل ما وراء النهر ممن لا نعرِفُ أحوالهم.

ثناء العلماء عليه:

قال ابن حبان: وكان ممن جمع وصنّف1.

وقال أبو سعد عبد الرحمن بن محمد الإدريسي: عبد الحميد بن حميد بن نصر الكشي أبو محمد، يعرف بـ "عبد بن حميد"، صاحب "المسند" و"التفسير"، وكان من الأئمة المتقنين والثقات من المحدثين2.

وقال ابن السمعاني: إمام جليل القدر، ممن جمع وصنف … وكانت إليه الرحلة في أقطار الأرض3.

--------------------------------------------

1 "الثقات" "8/ 401".

2 التقييد في رواية السنن والمسانيد "ص374".

3 "الأنساب" "4/ 625".
আল-আলা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে ‘খর্জুর কাণ্ডের রোনাজারি’ প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলা হয়েছে: ইনিই হলেন আব্দ।

আরও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁর পুত্র মুহাম্মদ, বাকর বিন আল-মারযুবান, শুরাইহ বিন আবি আব্দুল্লাহ আন-নাসাফি আল-যাহিদ, আল-মাক্কি বিন নূহ আল-মুকরি, উমর বিন মুহাম্মদ বিন বুজাইর, মুহাম্মদ বিন আব্দ বিন আমির আস-সামারকান্দি, ইব্রাহিম বিন খুযাইম বিন কুমাইর আশ-শাশি, আবু মুআয আল-আব্বাস বিন ইদ্রিস বিন আল-ফারাজ আল-কিশশি, আবু সাঈদ হাতিম বিন হাসান আশ-শাশি, আল-হাসান বিন আল-ফাদল বিন আবিল বাযযায, আবু আমর হাফস বিন বুখাশ, সালমান বিন ইসরাইল বিন জাবির আল-খুজান্দি, সাহল বিন শাযওয়াইহ আল-বুখারি, আবু সাঈদ আশ-শাহ বিন জাফর বিন হাবিব আন-নাসাফি, আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর বিন মানসুর আল-কাশশি, মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-হুযাইল আন-নাসাফি, মাহমুদ বিন আম্বার বিন নুআইম আল-আযদি আন-নাসাফি এবং মা ওয়ারাউন নহরের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ যাদের অবস্থা আমাদের জানা নেই।

তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:

ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা (হাদিস) সংগ্রহ ও সংকলন করেছেন।১

আবু সাদ আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-ইদ্রিসি বলেন: আব্দুল হামিদ ইবনে হুমাইদ ইবনে নাসর আল-কাশশি আবু মুহাম্মদ, যিনি “আব্দ বিন হুমাইদ” নামে পরিচিত, তিনি “মুসনাদ” ও “তাফসির” গ্রন্থদ্বয়ের রচয়িতা। তিনি মুহাদ্দিসদের মধ্যে অত্যন্ত দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য ইমামগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।২

ইবনে আল-সামআনি বলেন: তিনি সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী একজন ইমাম ছিলেন, যিনি (হাদিস) সংগ্রহ ও সংকলন করেছেন ... এবং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁর কাছে (ইলম অর্জনের জন্য) সফর করা হতো।৩

--------------------------------------------

১ “আল-সিকাত”, ৮/৪০১।

২ ‘আত-তাকয়িদ ফি রিওয়ায়াতিস সুনান ওয়াল মাসানিদ’, পৃষ্ঠা ৩৭৪।

৩ “আল-আনসাব”, ৪/৬২৫।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১২)
وقال ياقوت الحموي: صاحب "المسند" وأحد أئمة الحديث1.

وقال الذهبي: الإمام الحافظ، الحجة الجَوَّال2.

وقال: وكان من الأئمة الثقات3.

مؤلفاته:

1- "التفسير": ذكره ابن نقطة في "التقييد"، والذهبي في "سير أعلام النبلاء"، وفي "تذكرة الحفاظ"، وابن كثير في "البداية والنهاية" وغيرهم.

2- "المسند الكبير": ذكره العلماء باسم "المسند".

3- "المنتخب": وهو الذي ذكره العلماء باسم "المنتخب"، وقالوا: إنه القدر المسموع لإبراهيم بن خزيم الشاشي من "المسند".

--------------------------------------------

1 "معجم البلدان" "5/ 460".

2 السير "12/ 235".

3 تذكرة الحفاظ "2/ 534".
ইয়াকুত আল-হামাওয়ী বলেছেন: "আল-মুসনাদ"-এর লেখক এবং হাদীসশাস্ত্রের অন্যতম ইমাম১।

আয-যাহাবী বলেছেন: ইমাম, হাফিয, হুজ্জাহ (প্রমাণস্বরূপ) এবং পরিব্রাজক২।

তিনি আরও বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ইমামদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন৩।

তাঁর রচনাবলী:

১- "আত-তাফসীর": ইবনে নুকতাহ "আত-তাকয়ীদ" গ্রন্থে, আয-যাহাবী "সিয়ারু আলামিন নুবালা" ও "তাযকিরাতুল হুফফায" গ্রন্থে, ইবনে কাসীর "আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ" গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা এর উল্লেখ করেছেন।

২- "আল-মুসনাদুল কাবীর": আলেমগণ একে "আল-মুসনাদ" নামে অভিহিত করেছেন।

৩- "আল-মুন্তখাব": এটি সেই গ্রন্থ যাকে আলেমগণ "আল-মুন্তখাব" নামে উল্লেখ করেছেন; তাঁরা বলেছেন: এটি ইব্রাহীম ইবন খুযায়ম আশ-শাশী কর্তৃক "আল-মুসনাদ" থেকে শ্রবণকৃত অংশবিশেষ।

--------------------------------------------

১ "মুজামুল বুলদান" "৫/ ৪৬০"।

২ আস-সিয়ার "১২/ ২৩৫"।

৩ তাযকিরাতুল হুফফায "২/ ৫৩৪"।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌توثيق نسبة الكتاب إلى مؤلفه:

1- ذكره الذهبي في "السير" "12/ 235" في ترجمة عبد بن حميد … قال: وفي "مسنده" الذي وقع لنا "المنتخب" منه.

وقال: وقد وقع لنا "المنتخب" عاليًا، ثم لصغار أولادنا1.

2- قال ابن حجر في "المعجم المفهرس" "ص134" برقم "482":

"مسند عَبْدُ بنُ حُمَيدِ بنِ نَصْرٍ الكِسي" ويسمى "المنتخب"، وهو القدر المسموع لإبراهيم بن خزيم من عبد، وهو أعلى المسانيد التي وقعت لي، ثم ساق أسانيده إليه.

3- وقال ابن نقطة في "التقييد" في ترجمة إبراهيم بن خزيم الشاشي "ص189": حدَّث عن عبد بن حميد الكشي بكتاب مختصر "المسند" وغيره.

4- وقال ابن نقطة في "التقييد" في ترجمة عبد الأول السجزي "ص386": إنه حدَّث بالمنتخب من مسند عبد بن حميد.

5- تخريج العلماء لزوائد هذا المسند في كتبهم بنفس أسانيده ومتونه، ومنهم:

أ- الحافظ ابن حجر في كتابه "المطالب العالية في زوائد المسانيد الثمانية".

ب- الحافظ البوصيري في كتابه "إتحاف الخيرة المهرة في زوائد المسانيد العشرة".

--------------------------------------------

1 "سير أعلام النبلاء" "12/ 236".
লেখকের প্রতি গ্রন্থটির সম্পর্কের প্রামাণ্যতা:

১- যাহাবি এটি "আস-সিয়ার" (১২/২৩৫) গ্রন্থে আবদ বিন হুমাইদ-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন … তিনি বলেন: এবং তার "মুসনাদ"-এর মধ্য হতে যা আমাদের হস্তগত হয়েছে তা হলো "আল-মুনতাখাব"।

তিনি আরও বলেন: এবং "আল-মুনতাখাব" আমাদের কাছে উচ্চ মানের সনদে পৌঁছেছে, অতঃপর আমাদের ছোট সন্তানদের কাছে।১

২- ইবনে হাজার "আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস" (পৃ. ১৩৪, নং ৪৮২)-এ বলেছেন:

"মুসনাদ আবদ বিন হুমাইদ বিন নাসর আল-কিসি" এবং এটি "আল-মুনতাখাব" নামে পরিচিত। আর এটি ইবরাহিম বিন খুজাইম কর্তৃক আবদ-এর নিকট থেকে শ্রবণকৃত অংশ, এবং এটি আমার কাছে থাকা মুসনাদগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মানের সনদবিশিষ্ট, অতঃপর তিনি এর প্রতি তার সনদগুলো বর্ণনা করেছেন।

৩- ইবনে নুকতাহ "আত-তাকয়িদ" গ্রন্থে ইবরাহিম বিন খুজাইম আশ-শাশির জীবনীতে (পৃ. ১৮৯) বলেছেন: তিনি আবদ বিন হুমাইদ আল-কাশশির নিকট হতে "আল-মুসনাদ"-এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ এবং অন্যান্য গ্রন্থ বর্ণনা করেছেন।

৪- ইবনে নুকতাহ "আত-তাকয়িদ" গ্রন্থে আবদ আল-আউয়াল আস-সিজজির জীবনীতে (পৃ. ৩৮৬) বলেছেন: তিনি আবদ বিন হুমাইদ-এর মুসনাদ থেকে "আল-মুনতাখাব" বর্ণনা করেছেন।

৫- আলেমগণ তাদের গ্রন্থসমূহে এই মুসনাদের অতিরিক্ত (জাওয়াইদ) হাদিসসমূহ এর মূল সনদ ও পাঠসহ সংকলন করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন:

ক- হাফেজ ইবনে হাজার তার "আল-মাতালিব আল-আলিয়াহ ফি জাওয়াইদ আল-মাসানিদ আস-সামানিয়াহ" গ্রন্থে।

খ- হাফেজ আল-বুসিরি তার "ইতহাফুল খিয়ারাতিল মাহারা ফি জাওয়াইদিল মাসানিদিল আশারা" গ্রন্থে।

--------------------------------------------

১ "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১২/২৩৬)।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৪)
6- ذكره فؤاد سزكين في كتاب "تاريخ التراث العربي" "ص113" برقم "64" وفي النسخة المطبوعة بالعربية "1/ 216" فقال:

آثاره: "المسند الكبير"، ومن المرجح أنه وصلت إلينا منه مختارات في المخطوطات التالية، ثم ذكر المخطوطات.

وذكره بروكلمان ملحق "1/ 257".
৬- ফুয়াদ সেজকিন এটি "তারিখুত তুরাছিল আরাবি" (আরবি ঐতিহ্যের ইতিহাস) গ্রন্থের ১১৩ পৃষ্ঠায় ৬৪ নম্বর অধীনে এবং আরবিতে মুদ্রিত সংস্করণের ১/২১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করে বলেন:

তাঁর রচনাবলি: "আল-মুসনাদুল কাবির", এবং এটি অধিকতর সম্ভাব্য যে, নিম্নোক্ত পাণ্ডুলিপিগুলোতে এর কিছু চয়িতাংশ আমাদের নিকট পৌঁছেছে। এরপর তিনি পাণ্ডুলিপিগুলো উল্লেখ করেন।

এবং ব্রোকলম্যান এটি তাঁর গ্রন্থের পরিশিষ্ট ১/২৫৭-এ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌سبب تسمية الكتاب بـ"المنتخب":

قال ابن حجر في "المعجم المفهرس": "مسند عبد بن حميد الكسي"، ويسمى "المنتخب"، وهو القدر المسموع لإبراهيم بن خزيم بن عبد1.

وقال الكتاني في "الرسالة المستطرفة": إن عبد بن حميد له مسندان؛ أحدهما كبير والآخر صغير، وهو المسمى بـ"المنتخب"، وهو القدر المسموع لإبراهيم بن خزيم الشاشي منه، وهو الموجود بين أيدي الناس مجلد لطيف، وهو خالٍ من مسانيد كثير من مشاهير الصحابة2.

--------------------------------------------

1 المعجم المفهرس "ص134" برقم "482".

2 الرسالة المستطرفة "ص59".
"আল-মুন্তাখাব" নামে গ্রন্থটির নামকরণের কারণ:

ইবনে হাজার "আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস"-এ বলেছেন: "মুসনাদ আবদ ইবনে হুমাইদ আল-কাশশি", আর একে "আল-মুন্তাখাব" বলা হয়, যা ইব্রাহিম ইবনে খুজাইম ইবনে আবদের শ্রুত অংশ১।

আল-কাত্তানি "আর-রিসালাহ আল-মুসতাতরাফাহ"-তে বলেছেন: নিশ্চয়ই আবদ ইবনে হুমাইদের দুটি মুসনাদ রয়েছে; একটি বড় এবং অন্যটি ছোট, আর ছোটটিকেই "আল-মুন্তাখাব" বলা হয়, এটি তার নিকট থেকে ইব্রাহিম ইবনে খুজাইম আশ-শাশির শ্রুত অংশ, যা বর্তমানে মানুষের নিকট একটি চমৎকার খণ্ড হিসেবে বিদ্যমান, আর এটি অনেক প্রসিদ্ধ সাহাবীর মুসনাদ থেকে শূন্য২।

--------------------------------------------

১ আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস "পৃষ্ঠা ১৩৪", নম্বর "৪৮২"।

২ আর-রিসালাহ আল-মুসতাতরাফাহ "পৃষ্ঠা ৫৯"।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌تراجم سند نسخة "المنتخب من مسند عبد حميد"

…

تراجم سند نسخة "المنتخب من مسند عبد بن حميد":

1- أَبُو الوََقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عيسى السجزي 1:

قال الذهبي: الشيخ الإمام الزاهد الخير الصوفي، شيخ الإسلام، مسند الآفاق، أبو الوقت، عبد الأول ابن الشيخ المحدث المعمر أبي عبد الله عيسى بن شعيب بن إبراهيم بن إسحاق، السجزي، ثم الهروي الماليني.

مولده في سنة 458هـ2.

وقال ابن نقطة: حدث بـ"صحيح البخاري" عن عبد الرحمن بن محمد الداودي، و"مسند الدارمي" عن أبي الحسن الداودي، وبـ"المنتخب من مسند عبد بن حميد"3.

وقال ابن نقطة: سمعت والده عيسى حمله على رقبته من هراة إلى بوشنج، وسمّعه "مسند الدارمي"، و"صحيح البخاري"، و"المنتخب من حديث عبد بن حميد"4.

قال السمعاني: شيخ صالح، حسن السمت والأخلاق، متودد، متواضع، سليم الجانب، استسعد بصحبة الإمام عبد الله الأنصاري، وخدمه مدة، وسافر إلى العراق وخوزستان والبصرة، نزل بغداد برباط البسطامي فيما حكاه

--------------------------------------------

1 من عند أبي الوقت اختلفت أسماء الرواة في النسخ، فلم نترجم لهم خشية الإطالة.

2 "السير" "20/ 303، 304".

3 "التقييد" لابن نقطة "ص386"، وذكر ذلك الذهبي في "السير" "20/ 304".

4 "التقييد" "ص387" والمستفاد من "ذيل تاريخ بغداد" لابن الدمياطي "ص150".
‌"আল-মুনতাখাব মিন মুসনাদ আবদ ইবনে হুমাইদ" পাণ্ডুলিপির সনদের জীবনীসমূহ

...

"আল-মুনতাখাব মিন মুসনাদ আবদ ইবনে হুমাইদ" পাণ্ডুলিপির সনদের জীবনীসমূহ:

১- আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আওয়াল ইবনে ঈসা আস-সিজজি ১:

আয-যাহাবি বলেন: শায়খ, ইমাম, যাহিদ (সংযমী), কল্যাণকামী, সুফি, শায়খুল ইসলাম, দিগন্তের মুসনিদ (বিখ্যাত বর্ণনাকারী), আবুল ওয়াক্ত, আব্দুল আওয়াল ইবনুল শায়খ আল-মুহাদ্দিস আল-মুয়াম্মার আবু আব্দুল্লাহ ঈসা ইবনে শুআইব ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইসহাক, আস-সিজজি, অতঃপর আল-হারাউয়ি আল-মালিনি।

তাঁর জন্ম ৪৫৮ হিজরিতে।২

ইবনে নুকতাহ বলেন: তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দাউদি থেকে "সহিহ বুখারি", আবুল হাসান আদ-দাউদি থেকে "মুসনাদ আদ-দারিমি" এবং "আল-মুনতাখাব মিন মুসনাদ আবদ ইবনে হুমাইদ" বর্ণনা করেছেন।৩

ইবনে নুকতাহ বলেন: আমি শুনেছি যে, তাঁর পিতা ঈসা তাঁকে হেরাত থেকে বুশাঞ্জ পর্যন্ত নিজ কাঁধে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁকে "মুসনাদ আদ-দারিমি", "সহিহ বুখারি" ও "আল-মুনতাখাব মিন হাদিস আবদ ইবনে হুমাইদ" শ্রবণ করিয়েছিলেন।৪

আস-সামআনি বলেন: তিনি একজন নেককার শায়খ, উত্তম স্বভাব ও আখলাকের অধিকারী, বন্ধুত্বপূর্ণ, বিনয়ী ও সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি ইমাম আব্দুল্লাহ আল-আনসারীর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হয়েছিলেন এবং দীর্ঘকাল তাঁর খেদমত করেছেন। তিনি ইরাক, খুজিস্তান ও বসরা সফর করেছেন। তিনি যা বর্ণনা করেছেন তাতে দেখা যায় যে, তিনি বাগদাদের রিবাতুল বিস্তামিতে অবস্থান করেছিলেন।

--------------------------------------------

১ আবুল ওয়াক্তের পর থেকে পাণ্ডুলিপিগুলোতে বর্ণনাকারীদের নামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে, তাই দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা তাদের জীবনী উল্লেখ করিনি।

২ "আস-সিয়ার" (২০/ ৩০৩, ৩০৪)।

৩ ইবনে নুকতাহ রচিত "আত-তাকয়িদ" (পৃ. ৩৮৬), এবং আয-যাহাবি "আস-সিয়ার" (২০/ ৩০৪)-এ তা উল্লেখ করেছেন।

৪ "আত-তাকয়িদ" (পৃ. ৩৮৭) এবং ইবনুদ দামইয়াতি রচিত "যাইল তারিখ বাগদাদ" (পৃ. ১৫০) থেকে সংগৃহীত।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৭)
لي، وسمعت منه بهراة ومالين، وكان صبورا على القراءة محبا للرواية، حدث بـ"الصحيح"، و"مسند عبد"، و"الدارمي" عدة نُوب1.

قال زكي الدين البرزالي: طاف أبو الوقت العراق وخوزستان، وحدث بهراة ومالين وبوشنج وكرمان ويزد وأصبهان والكرج وفارس وهمذان، وقعد بين يديه الحفاظ والوزراء، وكان عنده كتب وأجزاء، سمع عليه من لا يحصى ولا يحصر2.

وقال ابن الجوزي: كان صبورا على القراءة، وكان صالحا، كثير الذكر والتهجد والبكاء، على سمت السلف، وعزم عام موته على الحج وهيأ ما يحتاج إليه، فمات3.

قال أبو الفرج ابن الجوزي: حدثني محمد بن الحسين التكريتي الصوفي قال: أسندته إليّ4، وكان آخر كلمة قالها: {يَا لَيْتَ قَوْمِي يَعْلَمُونَ، بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُكْرَمِينَ} ومات5.

قال الذهبي: أنبأنا طائفة عن ابن النجار، قال: أنشدنا داود بن معمر بأصبهان، أنشدنا محمد بن الفضل العقيلي لنفسه في سنة إحدى وخمسين:

أتاكم الشيخ أبو الوقت … بأحسن الأخبار عن ثبت

طوى إليكم ناشرا علمه … مراحل الأبرق والخبت6

--------------------------------------------

1 "السير" "20/ 306".

2، 3 "السير" "20/ 307".

4 أي: وهو يحتضر.

5 "المنتظم" "10/ 183".

6 الأبرق: الأرض المتسعة الغليظة، مختلطة بحجارة ورمل.

والخبت: ما اطمأن من الأرض واتسع، وقيل: هو الوادي العميق الوطيء.
আমার কাছে, এবং আমি তাঁর নিকট থেকে হেরাত ও মালিনে শ্রবণ করেছি। তিনি পাঠ শ্রবণে অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং বর্ণনা করতে পছন্দ করতেন। তিনি কয়েক দফায় 'সহীহ', 'মুসনাদে আবদ' এবং 'আদ-দারিমি' বর্ণনা করেছেন১।

জাকিউদ্দিন আল-বারজালি বলেন: আবু আল-ওয়াক্ত ইরাক ও খুজিস্তান ভ্রমণ করেছেন এবং হেরাত, মালিন, বুশাঞ্জ, কিরমান, ইয়াজদ, ইসফাহান, আল-কারজ, পারস্য ও হামাদানে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর সামনে হাদিস বিশারদ (হাফেজগণ) ও মন্ত্রীরা উপবেশন করতেন। তাঁর নিকট অনেক মূলগ্রন্থ ও পাণ্ডুলিপির অংশ ছিল, তাঁর নিকট থেকে অসংখ্য ও অগণিত মানুষ হাদিস শ্রবণ করেছেন২।

ইবনুল জাওজি বলেন: তিনি পাঠ শ্রবণে ধৈর্যশীল ছিলেন এবং তিনি একজন সৎ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি প্রচুর জিকির, তাহাজ্জুদ ও ক্রন্দন করতেন এবং সালাফদের (পূর্বসূরিদের) আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। যে বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন, সে বছর তিনি হজের সংকল্প করেছিলেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন, অতঃপর তিনি ইন্তেকাল করেন৩।

আবু আল-ফারাজ ইবনুল জাওজি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আত-তিকরিতি আস-সুফি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তাঁকে আমার সাথে হেলান দিয়ে বসিয়েছিলাম৪, আর তাঁর উচ্চারিত শেষ কথাটি ছিল: {হায়, আমার সম্প্রদায় যদি জানত, আমার পালনকর্তা আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন}। এরপর তিনি ইন্তেকাল করেন৫।

আয-যাহাবি বলেন: আমাদের একদল ব্যক্তি ইবনে আন-নাজ্জার থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ বিন মুয়াম্মার আমাদের ইসফাহানে কবিতা পাঠ করে শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল আল-উকায়লি একান্ন সালে নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

শাইখ আবু আল-ওয়াক্ত তোমাদের নিকট এসেছেন … বিশ্বস্ত সূত্রের সর্বোত্তম সংবাদ নিয়ে।

তিনি তোমাদের নিকট স্বীয় জ্ঞান প্রচারের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন … বন্ধুর ও বিস্তীর্ণ প্রান্তরের দীর্ঘ পথ৬।

--------------------------------------------

১ "আস-সিয়ার" "২০/ ৩০৬"।

২, ৩ "আস-সিয়ার" "২০/ ৩০৭"।

৪ অর্থাৎ: যখন তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন।

৫ "আল-মুনতাজাম" "১০/ ১৮৩"।

৬ আবরাক: পাথর ও বালু মিশ্রিত বিস্তীর্ণ শক্ত ভূমি।

এবং খাবত: প্রশস্ত নিচু ভূমি, বলা হয় এটি গভীর সমতল উপত্যকা।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৮)
ألحق بالأشياخ أطفالكم … وقد رمى الحاسد بالكبت

فمنة الشيخ بما قد روى … كمنة الغيث على النبت

بارك فيه الله من حامل … خلاصة الفقه إلى المفتي

انتهزوا الفرصة يا سادتي … وحصِّلوا الإسناد في الوقت

فإن من فوّت ما عنده … يصير ذا الحسرة المقت1

توفي أبو الوقت في ليلة الأحد سادس ذي القعدة سنة 553هـ ودفن بالشونيزية2، وكان مستقيم الرأي حاضر الذهن3.

2- أَبُو الحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ محمد بن المظفر الداودي 4:

قال ابن السمعاني: وجه مشايخ خراسان فضلا عن ناحيته، والمشهور في أصله وفضله وسيرته وورعه، له قدم راسخ في التقوى، ينسب إلى جده الأعلى داود بن أحمد، قرأ الأدب على أبي علي الفنجكردي، وقرأ الفقه بمرو على أبي بكر القفال، وبنيسابور على أبي سهل الصعلوكي، وببغداد على أبي

--------------------------------------------

1 "السير" "20/ 310، 311".

2 "تكملة الإكمال" لابن نقطة "3/ 316"، والمستفاد من "ذيل تاريخ بغداد" لابن الدمياطي "ص152، 153".

3 "التكملة" لابن نقطة "3/ 316".

* انظر لمزيد من ترجمة أبي الوََقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عِيسَى "السير" "20/ 303-311" و"الأنساب" "3/ 249"، و"المنتظم" "10/ 182، 183"، و"تكملة الإكمال" "3/ 315، 316"، و"التقييد" لابن نقطة "2/ 163"، و"وفيات الأعيان" "3/ 366"، و"تذكرة الحفاظ" "4/ 1315"، و"العبر" "3/ 20" و"المستفاد" "ص150-153"، و"النجوم الزاهرة" "5/ 328"، وغيرهم.

4 قال ابن السمعاني في "الأنساب" "2/ 511": الداودي بفتح الدال المهملة والألف والواو المضمومة بين الدالين المهملتين، هذه النسبة إلى مذهب داود.
তোমাদের শিশুদের শায়খদের সাথে যুক্ত করো … আর হিংসুককে লাঞ্ছনার সাথে নিক্ষেপ করা হয়েছে।

শায়খ যা বর্ণনা করেছেন তার অনুগ্রহ … উদ্ভিদের উপর বৃষ্টির অনুগ্রহের মতো।

আল্লাহ সেই বাহকের মাঝে বরকত দান করুন … যিনি মুফতির নিকট ফিকহশাস্ত্রের নির্যাস পৌঁছে দেন।

হে আমার সর্দারগণ! আপনারা সুযোগ গ্রহণ করুন … এবং সময়ের মাঝেই উচ্চতর সনদ হাসিল করুন।

কেননা যে ব্যক্তি তার নিকট যা আছে তা হারিয়ে ফেলে … সে আক্ষেপ ও ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়।১

আবু আল-ওয়াক্ত ৫৫৩ হিজরির ৬ই জিলকদ রবিবার রাতে ইন্তেকাল করেন এবং শাওনিজিয়াহ-তে সমাহিত হন। তিনি সঠিক মতামতের অধিকারী এবং প্রখর মেধাসম্পন্ন ছিলেন।৩

২- আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফফর আদ-দাউদি ৪:

ইবনে আল-সামআনি বলেন: তিনি তার অঞ্চলের শ্রেষ্ঠত্ব ছাড়াও খোরাসানের শায়খদের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার আভিজাত্য, ফজিলত, জীবনচরিত ও আল্লাহভীতি সর্বজনবিদিত। তাকওয়ার ক্ষেত্রে তার সুদৃঢ় অবস্থান ছিল। তাকে তার ঊর্ধ্বতন পিতামহ দাউদ ইবনে আহমদের দিকে নিসবত করা হয়। তিনি আবু আলী আল-ফাঞ্জকিরদির নিকট আদব (সাহিত্য) পড়েছেন, মার্ভে আবু বকর আল-কাফফালের নিকট ফিকহ পড়েছেন, নিশাপুরে আবু سهل আস-সা'লুকির নিকট এবং বাগদাদে আবু...

--------------------------------------------

১. "আস-সিয়ার" ২০/ ৩১০, ৩১১।

২. ইবনে নুকতার "তাকমিলাতুল ইকমাল" ৩/ ৩১৬, এবং ইবনে আদ-দামিয়াতীর "যাইলু তারিখি বাগদাদ" থেকে সংগৃহীত পৃ. ১৫২, ১৫৩।

৩. ইবনে নুকতার "আত-তাকমিলা" ৩/ ৩১৬।

* আবু আল-ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল ইবনে ঈসার বিস্তারিত জীবনীর জন্য দেখুন: "আস-সিয়ার" ২০/ ৩০৩-৩১১, "আল-আনসাব" ৩/ ২৪৯, "আল-মুনতাজাম" ১০/ ১৮২, ১৮৩, "তাকমিলাতুল ইকমাল" ৩/ ৩১৫, ৩১৬, ইবনে নুকতার "আত-তাকয়িদ" ২/ ১৬৩, "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" ৩/ ৩৬৬, "তাযকিরাতুল হুফফায" ৪/ ১৩১৫, "আল-ইবার" ৩/ ২০, "আল-মুস্তাফাদ" পৃ. ১৫০-১৫৩, "আন-নুজুমুজ জাহিরা" ৫/ ৩২৮ এবং অন্যান্য।

৪. ইবনে আল-সামআনি "আল-আনসাব" (২/ ৫১১) গ্রন্থে বলেন: আদ-দাউদি শব্দটি দাল বর্ণে ফাতহা, আলিফ, এবং দুই দালের মাঝে ওয়াও বর্ণে পেশ যোগে উচ্চারিত হবে। এটি দাউদ (যাহিরি) মাযহাবের দিকে নিসবত।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ১৯)
حامد الإسفراييني، وببوشنج على أبي سعيد يحيى بن منصور الفقيه.

وكان حال التفقه يحمل ما يأكله من بلاده احتياطا وتورعا، صحب الأستاذ أبا علي الدقاق وأبا عبد الرحمن السلمي، سمع ببغداد أبا الحسن بن الصلت المجبر، وبنيسابور أبا عبد الله الحافظ، وبهراة أبا محمد بن أبي شريح، وببوشنج أبا محمد الحمويي، وجماعة كثيرة من هذه الطبقة.

روى لنا عنه: أبو الحسن مسافر، وأبو محمد أحمد ابنا محمد بن علي البسطامي بنيسابور، وأبو الوََقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عِيسَى السجزي بهراة، وأبو المحاسن أسعد بن علي الحنفي بمالين، وأم الفضل عائشة بنت أبي بكر بن بحر البلخي ببوشنج، وغيرهم.

أخبرنا أبو الحسن الفارسي كتابة، أنشدنا أبو القاسم أسعد بن علي البارع لنفسه في الحسن الداودي:

أئمة العالم جربتهم … من بين مذموم ومحمود

سيرة داوديهم خيرهم … وخير درع درع داود1

سمع "صحيح البخاري" من أبي مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بنُ أَحْمَدَ بن حمويه السرخسي في صفر سنة 381هـ2.

ولد أبو الحسن الداودي في شهر ربيع الآخر سنة 374هـ، وتوفي ببوشنج في شوال سنة 467هـ3.

--------------------------------------------

1 "الأنساب" "2/ 511، 512".

2 "التقييد" لابن نقطة "ص335".

3 "الأنساب" لابن السمعاني "2/ 512".
হামিদ আল-ইসফরাইনি, এবং বুশাঞ্জ নামক স্থানে আবু সাঈদ ইয়াহইয়া বিন মনসুর আল-ফকিহ্-এর নিকট।

ফিকহ অধ্যয়নকালীন সময়ে তিনি সতর্কতা ও তাকওয়া স্বরূপ নিজের এলাকা থেকে খাবার বয়ে নিয়ে যেতেন। তিনি উস্তাদ আবু আলী আদ-দাক্কাক এবং আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামীর সাহচর্য লাভ করেন। তিনি বাগদাদে আবুল হাসান বিন আস-সালত আল-মুজাব্বির থেকে, নিশাপুরে আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয থেকে, হেরাতে আবু মুহাম্মদ বিন আবি শুরাইহ্ থেকে, বুশাঞ্জে আবু মুহাম্মদ আল-হামুয়ী থেকে এবং এই স্তরের বহু জামাতের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন।

আমাদের নিকট তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: নিশাপুরে আবুল হাসান মুসাফির এবং আবু মুহাম্মদ আহমদ — মুহাম্মদ বিন আলী আল-বিস্তামীর দুই পুত্র, হেরাতে আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা আস-সিজযী, মালিনে আবুল মাহাসিন আসআদ বিন আলী আল-হানাফী, বুশাঞ্জে উম্মুল ফজল আয়েশা বিনতে আবু বকর বিন বাহর আল-বালখী এবং আরও অনেকে।

আবুল হাসান আল-ফারিসি আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন, আবুল কাসিম আসআদ বিন আলী আল-বারী আল-হাসান আদ-দাউদী সম্পর্কে তাঁর স্বরচিত কবিতা আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

বিশ্বের ইমামদের আমি পরখ করেছি … নিন্দিত এবং প্রশংসিতদের মাঝে

তাদের মাঝে দাউদীর আদর্শই শ্রেষ্ঠ … আর সর্বোত্তম বর্ম হলো দাউদের বর্ম১

তিনি ৩৮১ হিজরীর সফর মাসে আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হামুয়াহ আস-সারাকসী থেকে "সহীহ বুখারী" শ্রবণ করেছেন২।

আবু হাসান আদ-দাউদী ৩৭৪ হিজরীর রবিউল আখির মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৪৬৭ হিজরীর শাওয়াল মাসে বুশাঞ্জে ইন্তেকাল করেন৩।

--------------------------------------------

১ "আল-আনসাব" "২/ ৫১১, ৫১২"।

২ ইবনে নুকতার "আত-তাকয়ীদ" "পৃষ্ঠা ৩৩৫"।

৩ ইবনে সামআনির "আল-আনসাব" "২/ ৫১২"।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২০)
3- أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بنُ أحمد بن حمويه السرخسي:

قال الذهبي: الإمام المحدث الصدوق المسند، أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بنُ أحمد بن حمويه بن يوسف بن أعين، خطيب سرخس1.

قال ابن السمعاني: نزيل بوشنج وهراة، كان رحل إلى بلاد ما وراء النهر، وسمع بفربر أبا عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يوسف بن مطر الفربري راوية "الصحيح"2، في سنة ست عشرة وثلاثمائة3، وبسمرقند أبا عمر العباس بن عمر السمرقندي4، راوي "الدارمي"، وبخرشكت أبا إسحاق إبراهيم بن خزيم الشاشي5، راوي "عبد بن حميد"6.

حدث عنه: الحافظ أبو ذر الهروي، والحافظ أبو يعقوب إسحاق بن إبراهيم القرّاب، ومحمد بن عبد الصمد الترابي المروزي، وعلي بن عبد الله الهروي، ومحمد بن أحمد بن محمد بن محمود، وأبو الحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ مُحَمَّدِ الداودي، وآخرون7.

قال أبو ذر عَبْدُ اللَّهِ بنُ أَحْمَدَ بنِ محمد الحافظ الهروي: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بنُ أَحْمَدَ بنِ حمويه أبو محمد السرخسي قرأت عليه، ثقة صاحب أصول سنة8.

--------------------------------------------

1 "سر أعلام النبلاء" "16/ 492".

2 "الأنساب" للسمعاني "2/ 313".

3 "السير" "16/ 492".

4 "الأنساب" "2/ 313" وأضاف الذهبي أنه سمع منه مسند الدارمي.

5 "الأنساب" "2/ 313" وأضاف الذهبي أنه سمع منه "المسند الكبير" و"التفسير" عبد بن حميد.

6 "الأنساب" "2/ 313".

7 "السير" "16/ 493".

8 "التقييد" لابن نقطة "ق125، 126"، ونقل هذا النص الذهبي في "السير" إلا أنه قال: "صاحب أصول حسان".
৩- আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হামুওয়াহ আস-সারখাসি:

যাহাবি বলেন: ইমাম, মুহাদ্দিস, সত্যবাদী, মুসনিদ, আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হামুওয়াহ বিন ইউসুফ বিন আয়ুন, সারখাসের খতিব।১

ইবনুস সামআনি বলেন: বুশাঞ্জ ও হারাতের বাসিন্দা, তিনি মা ওয়ারউন নাহর অঞ্চলে সফর করেছিলেন এবং ৩১৬ হিজরি সনে ফিরাবরে "সহিহ"-এর বর্ণনাকারী আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন মাতার আল-ফিরাবরির নিকট শ্রবণ করেছেন২, এবং সমরকন্দে "দারিমি"-র বর্ণনাকারী আবু উমর আব্বাস বিন উমর আস-সামারকন্দির নিকট৪, এবং খারশাকতে "আবদ বিন হুমাইদ"-এর বর্ণনাকারী আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন খুজাইম আশ-শাশির নিকট৫ শ্রবণ করেছেন৬।

তার নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: হাফেজ আবু যর আল-হারাবি, হাফেজ আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-কাররাব, মুহাম্মাদ বিন আবদুস সামাদ আত-তুরাবি আল-মারওয়াযি, আলি বিন আবদুল্লাহ আল-হারাবি, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ, আবু আল-হাসান আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আদ-দাউদি এবং আরও অনেকে।৭

হাফেজ আবু যর আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাবি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হামুওয়াহ আবু মুহাম্মাদ আস-সারখাসি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং সুন্নাহর মূলনীতির অনুসারী ছিলেন।৮

--------------------------------------------

১ "সিয়ারু আলামিন নুবালা" "১৬/ ৪৯২"।

২ সামআনির "আল-আনসাব" "২/ ৩১৩"।

৩ "আস-সিয়ার" "১৬/ ৪৯২"।

৪ "আল-আনসাব" "২/ ৩১৩", এবং যাহাবি আরও যোগ করেছেন যে তিনি তাঁর নিকট থেকে মুসনাদে দারিমি শ্রবণ করেছেন।

৫ "আল-আনসাব" "২/ ৩১৩", এবং যাহাবি আরও যোগ করেছেন যে তিনি তাঁর নিকট থেকে আবদ বিন হুমাইদের "আল-মুসনাদ আল-কাবির" এবং "আত-তাফসির" শ্রবণ করেছেন।

৬ "আল-আনসাব" "২/ ৩১৩"।

৭ "আস-সিয়ার" "১৬/ ৪৯৩"।

৮ ইবনু নুকতাহর "আত-তাকয়িদ" "পৃষ্ঠা ১২৫, ১২৬", যাহাবি এই বর্ণনাটি "আস-সিয়ার"-এ উদ্ধৃত করেছেন, তবে তিনি বলেছেন: "উত্তম মূলনীতির অধিকারী"।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২১)
قال الذهبي: له جزء مفرد، عد فيه أبواب "الصحيح" وما في كل باب من الأحاديث، فأورد ذلك الشيخ محيي الدين النواوي في أول شرحه لـ"صحيح البخاري". وقد بقي حديثه يروى عاليا في سنة ثلاثين وسبعمائة عند أبي العباس الحجار.

مولده في سنة ثلاث وتسعين ومائتين.

وقال أبو يعقوب القراب: توفي لليلتين بقيتا من ذي الحجة، سنة إحدى وثمانين وثلاثمائة1.

4- أبو إسحاق إِبْرَاهُيمُ بنُ خُزَيمٍ الشَّاشِيُّ:

قَالَ الذهبي عنه: المحدث الصدوق، أبو إسحاق الشاشي، المروزي الأصل.

سمع من عبد بن حميد "تفسيره" و"مسنده" في سنة تسع وأربعين ومائتين، وحدث بهما، وطال عمره.

حدث عنه: أبو حاتم بن حبان، وعبد اللَّهِ بنُ أَحْمَدَ بنِ حَمَّوَيْهِ السرخسي، وغيرهما. وسماع ابن حمويه منه بالشاش -مدينة من مدائن الترك- وكان ذلك في سنة ثماني عشرة وثلاثمائة في شعبان2.

وقال ابن ماكولا: يروي عنه محمد بن عبد الله البروجردي وغيره3.

--------------------------------------------

1 "السير" "16/ 493"، وانظر غير ما ذكرنا من مراجع، "العبر" "3/ 17"، و"تاريخ الإسلام" "ج4/ ق42ب" ومشتبه النسبة "1/ 250" وتبصير المنتبه "2/ 515"، والنجوم الزاهرة" "4/ 161"، و"شذرات الذهب" "3/ 100".

2 "سير أعلام النبلاء" "14/ 486، 487".

3 "الإكمال" لابن ماكولا "3/ 134".
আয-যাহাবী বলেন: তাঁর একটি একক সংকলন (জুয) রয়েছে, যাতে তিনি ‘সহীহ’-এর অধ্যায়গুলো এবং প্রতিটি অধ্যায়ে বিদ্যমান হাদীসসমূহ গণনা করেছেন। শাইখ মুহিউদ্দীন আন-নববী তাঁর ‘সহীহ আল-বুখারী’-এর শরহ-এর শুরুতে তা উল্লেখ করেছেন। আর তাঁর হাদীস সাতশত ত্রিশ হিজরী সালেও আবুল আব্বাস আল-হাজ্জারের নিকট উচ্চ সনদে বর্ণিত হতো।

তাঁর জন্ম দুইশত তিরানব্বই হিজরীতে।

আবু ইয়াকূব আল-ক্বরাব বলেন: তিনি তিনশত একাশি হিজরীর যিলহজ মাস শেষ হতে দুই দিন বাকি থাকতে মৃত্যুবরণ করেন।

৪- আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে খুযাইম আশ-শাশী:

আয-যাহাবী তাঁর সম্পর্কে বলেন: নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস, আবু ইসহাক আশ-শাশী, মূলত মারওয়াযী।

তিনি দুইশত ঊনপঞ্চাশ হিজরীতে আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে তাঁর ‘তাফসীর’ ও ‘মুসনাদ’ শ্রবণ করেন এবং তা বর্ণনা করেন; আর তিনি দীর্ঘায়ু লাভ করেছিলেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু হাতিম ইবনে হিব্বান, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্মুয়াহ আস-সারখাসী এবং অন্যান্যরা। ইবনে হাম্মুয়াহর তাঁর থেকে শ্রবণ ছিল শাশ-এ —যা তুর্কিদের শহরগুলোর একটি— আর তা ছিল তিনশত আঠারো হিজরীর শাবান মাসে।

ইবনে মাকূলা বলেন: তাঁর থেকে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-বুরূজারদী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১ ‘আস-সিয়ার’ (১৬/৪৯৩), এবং আমরা যা উল্লেখ করেছি তা ছাড়াও অন্যান্য উৎস দেখুন: ‘আল-ইবার’ (৩/১৭), ‘তারীখুল ইসলাম’ (৪র্থ খণ্ড/৪২বি), ‘মুশতাবিহুন নিসবাহ’ (১/২৫০), ‘তাবসীরুল মুনতাব্বিহ’ (২/৫১৫), ‘আন-নুজুমুয যাহিরা’ (৪/১৬১), এবং ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৩/১০০)।

২ ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১৪/৪৮৬, ৪৮৭)।

৩ ইবনে মাকূলা রচিত ‘আল-ইকমাল’ (৩/১৩৪)।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২২)
وقال ابن نقطة: حدث عن عبد بن حميد الكشي بكتاب مختصر "المسند" وغيره1.

وقال الذهبي: ولم تبلغنا وفاة ابن خزيم ولا شيء من سيرته. وهو في عداد الثقات، ومن أبناء التسعين، رحمه الله2.

--------------------------------------------

1 "التقييد في رواة السنن والمسانيد" "ص189".

2 "سر أعلام النبلاء" "14/ 487"، وانظر لمصادر ترجمته غير ما ذكرنا "المشتبه" للذهبي "1/ 263"، و"تبصير المنتبه" لابن حجر "2/ 528"، و"توضيح المشتبه" لابن ناصر الدين "3/ 410".
এবং ইবনে নুকতাহ বলেছেন: তিনি আবদ ইবন হুমাইদ আল-কাশশি থেকে তাঁর সংক্ষেপিত "আল-মুসনাদ" গ্রন্থ এবং অন্যান্য বিষয় বর্ণনা করেছেন১।

এবং আয-যাহাবি বলেছেন: ইবনে খুযাইমের মৃত্যু কিংবা তাঁর জীবনীর কোনো অংশই আমাদের কাছে পৌঁছেনি। তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং নব্বই বছর বয়সীদের একজন ছিলেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন২।

--------------------------------------------

১ "আত-তাক্বয়ীদ ফি রুয়াত আস-সুনান ওয়াল মাসানিদ" পৃষ্ঠা ১৮৯।

২ "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" ১৪/৪৮৭, এবং আমরা যা উল্লেখ করেছি তা ছাড়াও তাঁর জীবনীর অন্যান্য উৎসের জন্য দেখুন আয-যাহাবির "আল-মুশতাবিহ" ১/২৬৩, ইবনে হাজারের "তাবসিরুল মুনতাব্বিহ" ২/৫২৮, এবং ইবনে নাসিরুদ্দিনের "তাওদিহুল মুশতাবিহ" ৩/৪১০।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌وصف النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق:

اعتمدنا في تحقيق الكتاب على النسخ الآتية:

1- نسخة مكتبة الفتياني بالقدس، ونرمز لها بالرمز "س"، وهي نسخة قديمة، كتبت سنة "680" هجرية بخط علي بن محمد بن شاملي، وعليها قراءات عديدة، غير أن بها آثار أرضة كثيرة وتقطيع، إلا أنها مقروءة وقد سقط منها الأحاديث من رقم "1255" إلى رقم "1442".

وعدد أوراقها "249" ورقة.

2- نسخة خزانة جامعة القرويين بفاس بالمغرب، ونرمز لها بالرمز "م"، وهي نسخة بقلم نسخي نفيس، من خطوط القرن السابع -ظنا- وبآخرها تحبيس للوزير أبي الحسن علي بن يوسف الوطاسي سنة 855هـ، وعلى حواشيها مقابلات، وبها أكل أرضة أيضا، وأولها مبتور، ويبدأ الموجود منها بقوله: حُصَيْنِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مُخَارِقِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "مَنْ غَشَّ الْعَرَبَ لَمْ يَدْخُلْ فِي شَفَاعَتِي، وَلَمْ تَنَلْهُ مودتي".

وآخرها: عَنْ أُمَّ أَيْمَنَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوصِي بَعْضَ أَهْلِهِ، فَقَالَ: "لا تشرك بالله شيئا … " كَانَ الْمُوصَى بِهَذِهِ الْوَصِيَّةِ ثَوْبَانَ رضي الله عنه. تم الكتاب. وعدد أوراقها: "204" ورقة.

3- نسخة الزيدانية بالخزانة الملكية بالرباط، ونرمز لها بالرمز "ز"،
তাহকীকে ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ:

গ্রন্থটির তাহকীকের ক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্ত পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছি:

১- জেরুজালেমের আল-ফিতইয়ানি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, একে আমরা "স" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। এটি একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, যা "৬৮০" হিজরিতে আলী বিন মুহাম্মাদ বিন শামলির হস্তলিপিতে লেখা হয়েছে। এর ওপর বহু পাঠের (কিরাত) চিহ্ন রয়েছে, তবে এতে উইপোকার আক্রমণের অনেক চিহ্ন ও ছেঁড়া অংশ রয়েছে; তা সত্ত্বেও এটি পাঠযোগ্য। এর থেকে "১২৫৫" নম্বর থেকে "১৪৪২" নম্বর পর্যন্ত হাদিসগুলো বাদ পড়েছে।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা "২৪৯"টি।

২- মরক্কোর ফেসে অবস্থিত আল-কারাউইয়িন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপি, একে আমরা "ম" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। এটি একটি মূল্যবান নাসখ লিপিতে লিখিত পাণ্ডুলিপি, যা সম্ভবত সপ্তম শতাব্দীর হস্তলিপি। এর শেষে ৮৫৫ হিজরিতে উজির আবুল হাসান আলী বিন ইউসুফ আল-ওয়াত্তাসির একটি ওয়াকফনামা রয়েছে। এর পার্শ্বটীকায় অন্য কপির সাথে মিলিয়ে দেখার (মুকাবিলা) চিহ্ন রয়েছে। এতেও উইপোকার আক্রমণের চিহ্ন আছে এবং এর শুরুর অংশটি খণ্ডিত। বিদ্যমান অংশটি এই বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়েছে: হুসাইন বিন উমর থেকে, তিনি মুখারিক বিন আব্দুল্লাহ বিন জাবির থেকে, তিনি তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আরবদের সাথে প্রতারণা করবে, সে আমার শাফায়াত লাভ করবে না এবং আমার ভালোবাসা তার কাছে পৌঁছাবে না।"

এর শেষ অংশটি হলো: উম্মে আয়মান থেকে বর্ণিত যে, তিনি আল্লাহর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর পরিবারের কাউকে উপদেশ দিতে শুনেছেন, তখন তিনি বললেন: "আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না..." এই উপদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তিটি ছিলেন সাওবান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। কিতাবটি সমাপ্ত হলো। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: "২০৪"টি।

৩- রাবাতের রাজকীয় গ্রন্থাগারে রক্ষিত যায়দানিয়া পাণ্ডুলিপি, একে আমরা "য" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি,
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৪)
وهي بخط مغربي رقيق، كتبت سنة "720" هجرية، وتبدأ من مسند أبي بكر الصديق -وهو أول الكتاب- وآخرها مبتور، وتنتهي أثناء حديث عمرو بن عبسة من مسند زيد بن أرقم.

وآخر ما فيها: قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: "مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَ ذلك عدل عتق رقبة".

وعدد أوراقها: "12" ورقة.

4- نسخة المكتبة الصديقية بالحرم المكي الشريف، وهي التي اعتمدنا عليها في التحقيق الأول للكتاب، وقد اكتفينا بالرجوع إلى المطبوع بتحقيقنا.

5- النسخة المطبوعة بتحقيق صبحي السامرائي، ومحمد خليل الصعيدي، وقد اعتمدا في تحقيقها على ثلاث نسخ خطية:

أ- نسخة الظاهرية.

ب- نسخة آيا صوفيا.

ج- نسخة جامعة القرويين، وهي إحدى النسخ التي اعتمدنا عليها -كما بينا- فيما سقط من نسخة الخالدية بالقدس، وفي بعض المواضع الأخرى.
এটি সূক্ষ্ম মাগরিবী লিপিতে লিখিত, যা "৭২০" হিজরি সনে অনুলিপি করা হয়েছে। এটি শুরু হয়েছে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর মুসনাদ থেকে—যা কিতাবটির প্রারম্ভিক অংশ—এবং এর শেষাংশ খণ্ডিত। এটি জায়েদ ইবনে আরকামের মুসনাদ থেকে বর্ণিত আমর ইবনে আবাসা (রা.)-এর হাদিসের মাঝখানে শেষ হয়েছে।

এর শেষ অংশটি হলো: তিনি বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি তীর নিক্ষেপ করবে, তা একটি দাস মুক্ত করার সমান হবে।"

এর পত্র সংখ্যা: "১২"টি।

৪- মক্কার হারাম শরীফের সিদ্দিকিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি। এটিই সেই পাণ্ডুলিপি যার ওপর আমরা কিতাবটির প্রথম সম্পাদনার সময় নির্ভর করেছিলাম এবং বর্তমানে আমাদের সম্পাদিত মুদ্রিত কপির সাহায্য গ্রহণকেই আমরা যথেষ্ট মনে করেছি।

৫- সুবহি আস-সামাররাঈ এবং মুহাম্মদ খলিল আস-সাঈদি সম্পাদিত মুদ্রিত সংস্করণ। তারা এর সম্পাদনায় তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন:

ক- জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি।

খ- আয়া সোফিয়া পাণ্ডুলিপি।

গ- আল-কারাওইয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয় পাণ্ডুলিপি। এটি সেই পাণ্ডুলিপিগুলোর একটি যার ওপর আমরা নির্ভর করেছি—যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি—জেরুজালেমের খালিদিয়া পাণ্ডুলিপি থেকে যা বাদ পড়েছিল এবং আরও কিছু স্থানের ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌منهج التحقيق:

1- قمنا بمقابلة النسخ الخطية على المطبوعتين بتحقيق السامرائي والصعيدي، وبتحقيقنا الأول.

2- قمنا بإضافة الزيادات على المطبوع من النسخ الخطية، ونضع الزيادات بين أقواس صغيرة هكذا " "، ونكتب في الحاشية مثلا: من "س" أو: من "م" أو: من "ز".

3- قمنا بتصويب النص، والكلمة التي نصوبها في النص نضعها بين معقوفتين هكذا [] ونشير إلى ذلك في الحاشية.

4- قمنا بوضع علامات الترقيم المناسبة للكتاب، حيث إن المطبوعين ليس بهما علامات ترقيم مناسبة.

5- قمنا بشرح بعض الكلمات الغريبة التي قد تشكل في القراءة من المخطوط.

6- أشرنا إلى بعض الأخطاء في المطبوع في الحاشية.

7- قمنا بعمل تراجم موجزة لرجال سند الكتاب، وقد اعتمدنا رجال سند نسخة الفتياني بالقدس.

8- أثبتنا نسبة الكتاب إلى "عبد بن حميد".

9- قمنا بعمل ترجمة موجزة للمصنف "عبد بن حميد" من كتب التراجم.

10- قمنا بوصف النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق.
সম্পাদনা পদ্ধতি:

১- আমরা পাণ্ডুলিপিগুলোকে আল-সামাররাঈ ও আল-সাঈদীর তাহকীককৃত দুটি মুদ্রিত সংস্করণ এবং আমাদের প্রথম তাহকীকের সাথে মিলিয়ে দেখেছি।

২- পাণ্ডুলিপি থেকে প্রাপ্ত অতিরিক্ত অংশগুলো আমরা মুদ্রিত সংস্করণে যুক্ত করেছি এবং এই অতিরিক্ত অংশগুলোকে ছোট উদ্ধৃতি চিহ্নের " " মধ্যে রেখেছি; আর পাদটীকায় লিখেছি, যেমন: "স" থেকে অথবা: "ম" থেকে অথবা: "য" থেকে।

৩- আমরা মূল পাঠ সংশোধন করেছি এবং যে শব্দটি আমরা সংশোধন করেছি তা তৃতীয় বন্ধনী [] এর মধ্যে রেখেছি এবং পাদটীকায় সেদিকে ইঙ্গিত করেছি।

৪- আমরা বইটিতে যথাযথ বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেছি, কারণ মুদ্রিত সংস্করণ দুটিতে যথাযথ বিরামচিহ্ন ছিল না।

৫- পাণ্ডুলিপি পাঠের সময় অস্পষ্টতা তৈরি করতে পারে এমন কিছু দুর্লভ ও কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা আমরা প্রদান করেছি।

৬- মুদ্রিত সংস্করণের কিছু ভুল আমরা পাদটীকায় উল্লেখ করেছি।

৭- আমরা বইটির সনদের বর্ণনাকারীদের সংক্ষিপ্ত জীবনী তৈরি করেছি এবং এক্ষেত্রে জেরুজালেমের আল-ফিতইয়ানি পাণ্ডুলিপির সনদের বর্ণনাকারীদের ওপর নির্ভর করেছি।

৮- আমরা বইটিকে "আবদ ইবনে হুমাইদ"-এর রচনা হিসেবে সাব্যস্ত করেছি।

৯- আমরা জীবনীগ্রন্থসমূহ হতে গ্রন্থকার "আবদ ইবনে হুমাইদ"-এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী সংকলন করেছি।

১০- সম্পাদনায় (তাহকীকে) নির্ভরযোগ্য হিসেবে ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বর্ণনা আমরা প্রদান করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৬)
11- قمنا بتخريج أحاديث الكتاب والحكم على الأسانيد.

12- قمنا بعمل فهارس علمية للمسانيد والآيات والأحاديث والآثار الموجودة في الكتاب؛ ليتسنى للقارئ سهولة الوصول إليها.

ونسأل الله عز وجل أن يتقبل هذا العمل منا بقبول حسن، وأن يجعله في ميزان حسناتنا يوم نلقاه، إنه ولي ذلك والقادر عليه.
১১- আমরা কিতাবের হাদিসগুলোর তাখরিজ (উৎসনির্দেশ) সম্পন্ন করেছি এবং সনদগুলোর ওপর হুকুম প্রদান করেছি।

১২- আমরা কিতাবে বিদ্যমান মুসনাদসমূহ, আয়াতসমূহ, হাদিসসমূহ এবং আসারসমূহের জন্য ইলমি সূচিপত্র তৈরি করেছি; যাতে পাঠকের জন্য সেগুলো খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।

আর আমরা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের পক্ষ থেকে এই আমলটি উত্তমভাবে কবুল করেন এবং যেদিন আমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করব, সেদিন যেন তিনি একে আমাদের নেক আমলের পাল্লায় স্থান দেন; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌نماذج من النسخ الخطية التي اعتمدنا عليها في تحقيق الكتاب:

في هذه الصفحة مخطوطة
গ্রন্থটি সম্পাদনায় আমরা যে পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছি তার নমুনা:

এই পৃষ্ঠায় একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ২৯)
في هذه الصفحة مخطوطة
এই পৃষ্ঠায় একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌السماعات:

شاهدت على الأصل المنقول منه ما مثاله: عارضته بأصل سماع الشيخ أبي بكر -المذكور أعلاه- على أبي الوقت، وهذه صورة سماعه.

وسمع جميع هذا الكتاب وهو "مسند عبد بن حميد" على الشيخ أبي الوقت الهروي بقراءة الشيخ عبد المغيث بن زهير الحربي، ابناه عبد الرحمن وعبد المعز، وعبد المحسن ويعقوب أبناء يوسف بن عمرو، وعمرو بن علي اللتي، وابنه عبد الله، وابن أخيه عبد الرحمن، وابن أخته محمد بن سليمان بن الأصفر، وأبو بكر محمد بن مسعود بن بهروز الطبيب، في آخرين لا يمكن إحصاؤهم في هذه الورقة.

ذكرت من سطر اسمه هنا مختصرا، وبتاريخ هذا السماع في شهور سنة اثنتين وخمسين وخمسمائة.

كتبه أحمد بن عبد المحسن بن أبي العباس بن محمد بن علي بن الحسن العرافي، حامدا لله عز وجل ومصليا على سيد البشر محمد النبي وآله وسلم تسليما، وذلك لثلاث خلون من ربيع الآخر سنة ثلاث وثلاثين وستمائة.

نقله كما شاهده؛ العبد الفقير إلى الله تعالى المستجير بعفوه والمتشفع بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم:

علي بن محمد بن أبي بكر، عرف بـ"القمي"، عفا الله عنه.

شاهدت على الأصل: أنه … سمعت جميع كتاب … عبد بن حميد الكشي رحمه الله على الشيخ الصالح الأمين الثقة أبي بكر محمد بن مسعود بن بهروز الطبيب، بسماعه من أبي الوََقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عِيسَى
শ্রবণলিপি:

যে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এটি অনুলিপি করা হয়েছে, তাতে আমি এই নমুনাটি দেখেছি: আমি এটি শায়খ আবু বকর —যিনি উপরে উল্লিখিত হয়েছেন— এর শ্রবণলিপির মূল কপির সাথে মিলিয়েছি যা আবু আল-ওয়াক্তের নিকট পঠিত, এবং এটিই তার শ্রবণলিপির অনুলিপি।

তিনি এই সম্পূর্ণ কিতাব অর্থাৎ "মুসনাদে আবদ বিন হুমায়দ" শায়খ আবু আল-ওয়াক্ত আল-হারাভীর নিকট শ্রবণ করেছেন, যা পাঠ করেছেন শায়খ আবদুল মুগীস বিন জুহায়র আল-হারবী। (শ্রোতাগণ হলেন) তার দুই পুত্র আবদুর রহমান ও আবদুল মুয়িজ, ইউসুফ বিন আমরের দুই পুত্র আবদুল মুহসিন ও ইয়াকুব, আমর বিন আলী আল-লাত্তি ও তার পুত্র আবদুল্লাহ, তার ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুর রহমান, তার ভাগ্নে মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আল-আসফার এবং চিকিৎসক আবু বকর মুহাম্মদ বিন মাসউদ বিন বাহরুজ। এছাড়াও আরও অনেকে রয়েছেন যাদের নাম এই পাতায় গণনা করা সম্ভব নয়।

যাদের নাম এখানে লিপিবদ্ধ আছে আমি তা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছি। এই শ্রবণলিপির তারিখ হলো পাঁচশত বায়ান্ন হিজরি সালের মাসসমূহ।

এটি লিখেছেন আহমাদ বিন আবদুল মুহসিন বিন আবিল আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-আরাফী; মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসা করে এবং মানবজাতির শ্রেষ্ঠ মুহাম্মদ নবী ও তাঁর পরিবারের প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করে। এটি সম্পন্ন হয়েছে ছয়শত তেত্রিশ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসের তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর।

তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছেন তা সেভাবেই অনুলিপি করেছেন; মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা, তাঁর ক্ষমার প্রত্যাশী এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত কামনাকারী:

আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর, যিনি "আল-কুম্মী" নামে পরিচিত, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।

আমি মূল পাণ্ডুলিপিতে প্রত্যক্ষ করেছি: নিশ্চয়ই তিনি … আমি আবদ বিন হুমায়দ আল-কাশশী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সম্পূর্ণ কিতাব … নেককার, আমানতদার ও নির্ভরযোগ্য শায়খ চিকিৎসক আবু বকর মুহাম্মদ বিন মাসউদ বিন বাহরুজ-এর নিকট শ্রবণ করেছি, যা তিনি আবু আল-ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল বিন ঈসা থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৩৮)
السجزي، بقراءة الإمام العالم جمال الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد بن محمد البكري الشريشي صاحب الكتاب وبالله الثقة الإمام العالم أبو العباس أحمد بن عبد المحسن بن أبي العباس بن محمد بن علي بن الحسن العرافي رضي الله عنه وعن سلفه الكريم- وابنه أبو الحسن علي -هداه الله- وحضر ابنه أبو عبد الله محمد في أول الثالثة من قوله: "مسند ابن عباس" كان أصحاب النبي الَّذِينَ جَاوَزُوا الْبَحْرَ اثْنَيْ عَشَرَ سبطا، كل سبط اثنا عشر ألفا، إلى حديث أبي الدحداح مسند أنس رضي الله عنه، وهو حديث الحائط، وأجاز الشيخ المسمع … جميع مسموعاته ومروياته وما يجوز له أن يرويه على وجه العرف في ذلك، وصح ذلك وثبت يوم الجمعة غرة ربيع الآخر سنة ثلاث وثلاثين وستمائة.

وكتب أحمد بن محمد بن أمية العبدري:

نقلته ملخصا أول عبيد الله علي بن محمد بن أبي بكر، عفا الله عنه.

سمع عليَّ جميع هذا "المنتخب من مسند عبد بن حميد" من لفظي إلا … كراسين من أول الكتاب … بقراءة أبي الوفاء كامل بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي محمد الشقيري، بسماعي فيه نقلا، صاحب هذا … ، وكاتبه السيد الأجل الصدر الرئيس العدل الأمين نور الدين أبو الحسن علي بن محمد بن أبي بكر القمي -وفقه الله-وولداه جمال الدين أبو عبد الله محمد، وشهاب الدين أبو العباس أحمد، نفع [الله] 1 بهما و … العدل شهاب الدين أبو العباس أحمد بن حسن بن إبراهيم المخزومي القوصي، وأبو الحجاج يوسف بن أحمد بن عبد الجبار المؤذن الأنصاري، وسمع آخرون … وصح وثبت في مجالس آخرها يوم السبت لثمانٍ بقين من ربيع الآخر سنة ثمانين وستمائة.

--------------------------------------------

1 لعلها سقطت من الناسخ.
আস-সিজজি, কিতাবের সংকলক ইমাম আলিম জামালুদ্দিন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাকরি আশ-শারিশি-এর পাঠ অনুযায়ী—এবং আল্লাহর ওপরই ভরসা—ইমাম আলিম আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবদুল মুহসিন বিন আবুল আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন হাসান আল-আরাফি (আল্লাহ তার প্রতি এবং তার সম্মানিত পূর্বসূরিদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এবং তার পুত্র আবু হাসান আলি (আল্লাহ তাকে হিদায়াত দান করুন) উপস্থিত ছিলেন। আর তার পুত্র আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ উপস্থিত ছিলেন তৃতীয় অংশের শুরুতে তার এই উক্তি থেকে: "মুসনাদে ইবনে আব্বাস": "নবীজির সেই সব সাহাবী যারা সমুদ্র পাড়ি দিয়েছিলেন তারা ছিলেন বারোটি গোত্র, প্রতিটি গোত্রে ছিল বারো হাজার জন", আবু দাহদাহ-এর হাদিস তথা আনাস (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর মুসনাদ পর্যন্ত, আর এটি হলো বাগানের হাদিস। শ্রবণকারী শাইখ ইজাজত দিয়েছেন … তার শ্রুত ও বর্ণিত সকল বিষয় এবং প্রথা অনুযায়ী যা কিছু তার বর্ণনা করার অনুমতি রয়েছে। এটি সঠিক ও সাব্যস্ত হয়েছে শুক্রবার, ৬৩৩ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের শুরুতে।

আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমাইয়াহ আল-আবদারি লিখেছেন:

আমি এটি সংক্ষেপে ওবায়দুল্লাহ আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আবু বকর-এর অনুলিপি থেকে নকল করেছি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।

আমার নিকট থেকে এই "আল-মুনতাখাব মিন মুসনাদি আবদ বিন হুমাইদ"-এর পুরোটিই আমার উচ্চারণে শোনা হয়েছে, শুধু কিতাবের শুরুর … দুই ফর্মা ব্যতীত … আবু আল-ওয়াফা কামিল বিন আবদুল আজিজ বিন আবু মুহাম্মাদ আশ-শুকাইরি-এর পাঠ অনুযায়ী, যা আমার শ্রুত পাঠ থেকে নকল করা হয়েছে। এর অধিকারী …, এবং এর লেখক মহান সাইয়্যেদ, প্রধান নেতা, ন্যায়পরায়ণ ও বিশ্বস্ত নূরুদ্দিন আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আবু বকর আল-কুম্মি (আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন)—এবং তার দুই পুত্র জামালুদ্দিন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ও শিহাবুদ্দিন আবুল আব্বাস আহমদ (আল্লাহ তাদের দ্বারা উপকার করুন 1) এবং … ন্যায়পরায়ণ শিহাবুদ্দিন আবুল আব্বাস আহমদ বিন হাসান বিন ইব্রাহিম আল-মাখযুমি আল-কুসি, এবং আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ বিন আহমদ বিন আবদুল জাব্বার আল-মুয়াযযিন আল-আনসারি। আরও অনেকে এটি শুনেছেন … এবং এটি একাধিক মজলিসে শুদ্ধ ও সাব্যস্ত হয়েছে যার শেষটি ছিল ৬৮০ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের আট দিন বাকি থাকতে শনিবার।

--------------------------------------------

1 সম্ভবত এটি লিপিকারের অনবধানবশত বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌مقدمة النص المحقق

…

بسم الله الرحمن الرحيم

[وبه نستعين] 1

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آل محمد:

2 أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْأَمِينُ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو الخَطَّابِ مَحْفُوظُ بنُ عُمَرَ بنِ أَبيِ بَكْرِ بنِ الحَامِضِ الحَنْبَلِيُّ البَغْدَادِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَجَلُّ أَبُو المُنَجَّا عَبْدُ الَّلهِ بنُ عُمَرَ بنِ اللتيُّ -قِرَاءةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ- فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَسُتُّمِائةٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الوََقْتِ -عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عِيسَى بنِ شُعَيبٍ السِّجْزِيُّ3- قَالَ: أَنْبَأ أَبُو الحَسَنِ -عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ مُحَمَّدِ بنِ مُظَفَّرٍ الدَّاوُدِيُّ- قِرَاءةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ4، قَالَ: أَنْبَأ أَبُو مُحَمَّدٍ -عَبْدُ اللَّهِ بنُ أَحْمَدَ بنِ حَمَّوَيْهِ السَّرْخَسِيُّ- قِرَاءةً عَلَيْهِ مِنْ أَصْلِهِ فِي المَسْجِدِ الجَامِعِ بِبُوشَنْجَ فِي سَنَةِ إِحْدَى وَثَمَانِينَ وَثَلاثِمائةٍ، قَالَ: أَنَا إِبْرَاهُيمُ بنُ خُزَيمٍ الشَّاشِيُّ، قَالَ: ثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ "عَبْدُ بنُ حُمَيدِ بنِ نَصْرٍ"5:

--------------------------------------------

1 من "س".

2 في "س": أخبرني الشيخ الثقة الأمين أبو بكر محمد بن مسعود بن بهروز الطبيب بقراءة الفقيه المحدث الفاضل أبي عبد الله محمد بن أحمد بن محمد البكري الشريشي ببغداد -جبرها الله تعالى- في سنة ثلاث وثلاثين وستمائة قال: قرئ على الشيخ الإمام بقية المشايخ أبي الوََقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بنُ عِيسَى …

3 في "س": الهروي الماليني الصوفي، قدم علينا قراءة عليه جميع هذا الكتاب، فأخبر به يوم الأحد حادي عشر محرم سنة ثلاث وخمسمائة، بقراءة ابن لبيد وأنا حاضر أسمع.

4 في "س": في رجب سنة خمس وستين وأربعمائة ببوشنج، فأقر به، وقال: نعم.

5 في "س": عبد الحميد بن نصر الكشي.
সম্পাদিত পাণ্ডুলিপির ভূমিকা

…

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

[এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি] ১

হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন:

২ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিশ্বস্ত শাইখ তাকিউদ্দীন আবুল খাত্তাব মাহফুজ বিন উমর বিন আবু বকর বিন আল-হামিজ আল-হাম্বালি আল-বাগদাদি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অতি সম্মানিত শাইখ আবু আল-মুনাজ্জা আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আল-লাততি—তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম—৬২৭ হিজরির জুমাদাল উলা মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুয়াইব আস-সিজজি৩। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন মুজাফফর আদ-দাউদি—তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকৃতি দিয়েছেন৪। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্মুয়াইহ আস-সারখাসি—৩৮১ হিজরিতে বুশাঞ্জ জামে মসজিদে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর নিকট পাঠ করে শোনানো হয়েছে। তিনি বলেন: আমি ইবরাহিম বিন খুজাইম আশ-শাশি থেকে বর্ণনা করছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ "আবদ বিন হুমাইদ বিন নাসর"৫:

--------------------------------------------

১ "স" পাণ্ডুলিপি থেকে।

২ "স" পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন বিশ্বস্ত ও আমানতদার শাইখ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মাসউদ বিন বাহরুজ আত-তাবিব; ফকিহ, মুহাদ্দিস ও ফাজিল আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাকরি আশ-শারিশির পাঠের মাধ্যমে, বাগদাদে—আল্লাহ তাআলা একে পুনর্জীবিত রাখুন—৬৩৩ হিজরিতে। তিনি বলেন: শাইখদের অবশিষ্টাংশ ইমাম শাইখ আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা এর নিকট পাঠ করা হয়েছিল …

৩ "স" পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-হারাউই আল-মালিনি আস-সুফি, তিনি আমাদের নিকট আগমন করলে তাঁর নিকট সম্পূর্ণ কিতাবটি পাঠ করা হয়। অতঃপর তিনি ৫০৩ হিজরির ১১ই মুহাররম রবিবার দিন এর সংবাদ দেন; ইবনে লাবিদের পাঠের মাধ্যমে এবং আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম।

৪ "স" পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ৪৬৫ হিজরির রজব মাসে বুশাঞ্জে; তিনি তা স্বীকৃতি দেন এবং বলেন: হ্যাঁ।

৫ "স" পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আব্দুল হামিদ বিন নাসর আল-কাশশি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৪২)
1-‌‌ مُسْنَدُ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، رضي الله عنه:

1- قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه قَالَ: إِنَّكُمْ تقرءون هذه الآية: {أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ} [المائدة: 105] وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: "إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوُا الظَّالِمَ فَلَمْ يَأْخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ؛ أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابِهِ".

--------------------------------------------

1 إسناده صحيح، وقد أُعل بالوقوف:

وقد أخرجه الإمام أحمد "1/ 2 و5، 7، 9"، وأبو داود "حديث 4338"، والترمذي "مع التحفة 6/ 388، 8/ 442"، وابن ماجه "4005"، وأبو يعلى في "مسنده" "128 و130 و131 و132"، وابن أبي حاتم في "التفسير" "9/ 69"، والطبري موقوفا ومرفوعا "12871، 12872، 12873"، وغيرهم جم غفير.

أما وجه إعلاله:

فإن جماعة من الرواة الأثبات رووه عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ عن أبي بكر … فذكر الحديث، وفيه: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: "إِنَّ النَّاسَ إذا رأوا المنكر فلم يغيروه، أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابِهِ".

وثم رواه آخرون رووه عن إسماعيل بن قيس عن أبي بكر من قوله، لم يذكر النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.

وهذه بعض أقوال العلماء في ذلك، فهذه بعضها:

قال الترمذي، رحمه الله: هكذا روى غير واحد عن إسماعيل نحو حديث يزيد، ورفعه بعضهم عن إسماعيل، ووقفه بعضهم.

وقال أبو زرعة "كما نقل عنه ابن أبي حاتم في "العلل"" بعد أن ذكر بعض وجوه الاختلاف فيه: وأحسب إسماعيل بن أبي خالد كان يرفعه مرة، ويوقفه مرة.

وقال الدارقطني -رحمه الله تعالى- "العلل 1/ 250": هو حديث رواه إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قيس، فرواه عنه جماعة من الثقات فاختلفوا عليه فيه، فمنهم من أسنده إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ومنهم من أوقفه على أبي بكر.

ثم ذكر عددا كبيرا جدا من الرواة الذين رووه عن إسماعيل عن قيس عن أبي بكر مرفوعا، =
১-‌‌ আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ:

১- তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবন আবি খালিদ, কায়স ইবন আবি হাজিম থেকে, আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই তোমরা এই আয়াতটি পাঠ করো: {হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর তোমাদের নিজেদের দায়িত্ব। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও, তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না} [আল-মায়েদাহ: ১০৫]। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মানুষ যখন কোনো জালেমকে দেখে আর তার দুই হাত ধরে তাকে প্রতিহত করে না; আল্লাহ শীঘ্রই তাদের সকলকে তাঁর শাস্তির অন্তর্ভুক্ত করবেন।"

--------------------------------------------

১ এর সনদ সহিহ, তবে একে মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) হওয়ার কারণে ত্রুটিযুক্ত বলা হয়েছে:

ইমাম আহমদ এটি বর্ণনা করেছেন "১/ ২ ও ৫, ৭, ৯", আবু দাউদ "হাদিস ৪৩৩৮", তিরমিজি "তুহফাহ সহ ৬/ ৩৮৮, ৮/ ৪৪২", ইবন মাজাহ "৪০০৫", আবু ইয়ালা তাঁর "মুসনাদ"-এ "১২৮ ও ১৩০ ও ১৩১ ও ১৩২", ইবন আবি হাতিম তাঁর "তাফসীর"-এ "৯/ ৬৯", তাবারী মাওকুফ ও মারফু উভয়ভাবে "১২৮৭১, ১২৮৭২, ১২৮৭৩" এবং আরও এক বিশাল দল বর্ণনাকারী এটি বর্ণনা করেছেন।

এর সনদে ত্রুটি ধরার দিকটি হলো:

কেননা একদল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী এটি ইসমাঈল ইবন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়স ইবন আবি হাজিম থেকে, তিনি আবু বকর থেকে ... হাদিসটি উল্লেখ করেছেন, যাতে আছে: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মানুষ যখন কোনো মন্দ কাজ দেখে আর তা পরিবর্তন করে না, আল্লাহ শীঘ্রই তাদের সকলকে তাঁর শাস্তির অন্তর্ভুক্ত করবেন।"

অতঃপর অন্যরা এটি ইসমাঈল ইবন কায়স থেকে, তিনি আবু বকর থেকে তাঁর নিজস্ব উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, সেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে আলেমদের কিছু বক্তব্য নিচে দেওয়া হলো:

তিরমিজি (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এভাবেই ইসমাঈল থেকে একাধিক ব্যক্তি ইয়াজিদের হাদিসের মতো বর্ণনা করেছেন; তাদের কেউ কেউ একে ইসমাঈল থেকে মারফু (রাসূলের উক্তি) হিসেবে এবং কেউ কেউ মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আবু জুরআ বলেন—যেমনটি ইবন আবি হাতিম তাঁর "আল-ইলাল" গ্রন্থে তাঁর থেকে নকল করেছেন—এ বিষয়ের মতপার্থক্যগুলো উল্লেখ করার পর: আমি মনে করি ইসমাঈল ইবন আবি খালিদ এটি কখনো মারফু হিসেবে এবং কখনো মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করতেন।

দারাকুতনি (রহিমাহুল্লাহু তায়ালা) বলেন—"আল-ইলাল ১/ ২৫০": এটি এমন এক হাদিস যা ইসমাঈল ইবন আবি খালিদ কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে একদল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী এটি বর্ণনা করেছেন এবং এ বিষয়ে তাঁর ওপর মতভেদ করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ একে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন (মারফু), আবার কেউ একে আবু বকরের ওপর স্থগিত করেছেন (মাওকুফ)।

এরপর তিনি সেই বিপুল সংখ্যক বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেন যারা এটি ইসমাঈল থেকে, তিনি কায়স থেকে, তিনি আবু বকর থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। =
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৪৩)
..............................................................................

--------------------------------------------

= وجماعة من الذين رووه موقوفا.

ثم قال أيضا: ورواه بيان وطارق بن عبد الرحمن وذر بن عبد الله الهمداني والحكم بن عتيبة وعبد الملك بن عمير، وعبد الملك بن ميسرة، فرووه عن قيس عن أبي بكر موقوفا.

قال: وجميع رواة هذا الحديث ثقات، ويشبه أن يكون قيس بن أبي حازم كان ينشط في الرواية مرة فيسند، ومرة يجبن عنه فيقفه على أبي بكر.

وأشار الحافظ ابن كثير رحمه الله أيضا إلى الخلاف في وقفه ورفعه، وقال: وقد رجح رفعه الدارقطني وغيره.

قلت: فيمكنني أن ألخص صورة الخلاف على النحو التالي:

هنا جزء يسحب إسكانر****

فحصل على إسماعيل اختلاف، فبالنسبة لرواية إسماعيل يمكن أن يقال: إنه روى على الوجهين، ويصحح المرفوع والموقوف.

ولكن بالنظر إلى الرواة الآخرين فكلهم "على ما ذكره الدارقطني" تابعوا إسماعيل على الوقوف.

فمن ثم، فقد رجح بعض أهل العلم الوقف =
..............................................................................

--------------------------------------------

= এবং একদল রাবী এটি মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি আরও বলেন: এটি বয়ান, তারিক বিন আবদুর রহমান, যার বিন আব্দুল্লাহ আল-হামদানী, আল-হাকাম বিন উতাইবাহ, আব্দুল মালিক বিন উমাইর এবং আব্দুল মালিক বিন মাইসারাহ বর্ণনা করেছেন; তারা কাইস থেকে, আর তিনি আবু বকর (রা.) থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন: এই হাদিসের সকল বর্ণনাকারীই নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। মনে হচ্ছে কাইস বিন আবি হাযিম কখনো বর্ণনার ক্ষেত্রে উৎসাহী হতেন এবং হাদিসটিকে মারফু (রাসূলুল্লাহর কথা) হিসেবে বর্ণনা করতেন, আবার কখনো তিনি সতর্কতা অবলম্বন করতেন এবং তা আবু বকরের (রা.) বক্তব্যের ওপর স্থগিত (মাওকুফ) রাখতেন।

হাফিজ ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ)-ও হাদিসটি মাওকুফ নাকি মারফু—এ নিয়ে মতভেদের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন: আদ-দারাকুতনী এবং অন্যরা এটিকে মারফু হিসেবেই প্রাধান্য দিয়েছেন।

আমি বলি: মতভেদের ধরনটি আমি নিম্নোক্তভাবে সংক্ষেপে উপস্থাপন করতে পারি:

এখানে একটি অংশ স্ক্যানারে যাচ্ছে****

ফলে ইসমাইলের বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে। ইসমাইলের বর্ণনার ব্যাপারে বলা যায় যে, তিনি উভয়ভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং মারফু ও মাওকুফ উভয়টিই সহীহ।

কিন্তু অন্যান্য বর্ণনাকারীদের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তারা সকলেই—যেমনটি দারাকুতনী উল্লেখ করেছেন—মাওকুফ বর্ণনার ক্ষেত্রে ইসমাইলের অনুসরণ করেছেন।

তাই একদল আলেম মাওকুফ হওয়াকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। =
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৪৪)
...............................................................................................

--------------------------------------------

= إلا أن الذين رجحوا الرفع ذهبوا إلى أن إسماعيل من أثبت الناس في قيس، وقد رواه إسماعيل على الوجهين على الرفع والوقف، والذين رووه عن إسماعيل على الرفع عدد هائل، فلا معنى لرد روايته.

فهذه وجهة من رجحوا الرفع.

وعلى كل؛ ففي هذا الحديث وجهان للاجتهاد، فمن رجح وقفه فله وجه، ومن رجح رفعه فله وجه، والله تعالى أعلم.

هذا، ومما يشهد للحديث من ناحية المعنى قوله تعالى: {وَالْعَصْرِ، إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ، إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ} .

بل، وقد حلت اللعنة على بني إسرائيل لتركهم الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر، قال تعالى: {لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ بَنِي إِسْرائيلَ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ، كَانُوا لا يَتَنَاهَوْنَ عَنْ مُنْكَرٍ فَعَلُوهُ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ} [المائدة: 78، 79] .

ومعنى الآية -والعلم عند الله تعالى- أنكم إذا فعلتم ما كلفتم به -ومما كلفوا به الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر- فلا عليكم من ضلال غيركم. وقد قال تعالى: {أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى} [النجم: 38] ، وقد قال سبحانه لنبيه، صلى الله عليه وسلم: {فَلا تَذْهَبْ نَفْسُكَ عَلَيْهِمْ حَسَرَاتٍ} .

وليراجع البحث القيم الذي ذكره الشيخ محمد الأمين في "أضواء البيان" "ج2 ص151" وبما بعدها عند تفسير هذه الآية من سورة المائدة، ويراجع أيضا "ج28" من فتاوى شيخ الإسلام ابن تيمية، رحمه الله.

قوله: "إذا رأوا الظالم" في بعض الروايات: "المنكر"، وهما متلازمان.

قوله: "فلم يغيروه" أي: وهم قادرون، لقول الله تعالى: {لا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا} . وقد جاء في معنى الحديث قوله تعالى: {وَاتَّقُوا فِتْنَةً لا تُصِيبَنَّ الَّذِينَ ظَلَمُوا مِنْكُمْ خَاصَّةً وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ} .

ومن حديث النعمان بن بشير عند البخاري والترمذي، ففي البخاري في كتاب الشركة، باب هل يقرع في القسمة والاستهام فيه؟ "فتح" "ج5 ص132": حدثنا أبو نعيم، حدثنا زكريا، قال: سمعت عامرا يقول: قال النعمان بن بشير عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أنه قال: "مثل القائم على حدود الله والواقع فيها كمثل قوم استهموا على سفينة، فأصاب بعضهم أعلاها وبعضهم أسفلها، فكان الذين في أسفلها إذا استقوا من الماء مروا على من فوقهم، فقالوا: لو أنا خرقنا في نصيبنا خرقا ولم نؤذ من فوقنا، فإن يتركوهم وما أرادوا هلكوا جميعا، وإن أخذوا على أيديهم نجوا، ونجوا جميعا".
...............................................................................................

--------------------------------------------

= তবে যারা মারফূ (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে বর্ণিত) হওয়ার মতকে প্রাধান্য দিয়েছেন, তারা মনে করেন যে ইসমাঈল কাইস গোত্রের লোকদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের একজন। ইসমাঈল এটি দুইভাবেই বর্ণনা করেছেন—মারফূ হিসেবে এবং ওয়াকফ (সাহাবীর কথা) হিসেবে। যারা ইসমাঈলের কাছ থেকে এটি মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তাদের সংখ্যা বিশাল, তাই তাঁর বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করার কোনো মানে হয় না।

যারা মারফূ হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন এটি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি।

যাই হোক, এই হাদিসের ক্ষেত্রে ইজতিহাদ বা গবেষণার দুটি দিক রয়েছে। যে ব্যক্তি একে মাওকূফ (সাহাবীর বাণী) হিসেবে প্রাধান্য দেয় তারও যুক্তি আছে, আর যে ব্যক্তি একে মারফূ হিসেবে প্রাধান্য দেয় তারও যুক্তি আছে। আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।

এছাড়া, অর্থগত দিক থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী হাদিসটির সত্যতার সাক্ষ্য দেয়: "সময়ের কসম, নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। কিন্তু তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।"

বরং, বনী ইসরাঈলদের ওপর অভিশাপ নেমে এসেছিল সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ ত্যাগ করার কারণে। মহান আল্লাহ বলেন: "বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফরী করেছিল, তাদেরকে দাউদ ও মারয়াম-পুত্র ঈসার মুখে অভিশপ্ত করা হয়েছে। এটা এজন্য যে, তারা অবাধ্য হয়েছিল এবং সীমালঙ্ঘন করত। তারা যেসব গর্হিত কাজ করত তা থেকে তারা একে অপরকে বাধা দিত না। তারা যা করত তা কতই না মন্দ!" [মায়িদা: ৭৮, ৭৯]।

আর আয়াতের অর্থ—যার প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহর কাছে—হলো এই যে, তোমাদেরকে যা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (আর যার অন্যতম হলো সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ) তা যদি তোমরা পালন করো, তবে অন্য কেউ পথভ্রষ্ট হলে তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: "কেউ অন্য কারো পাপের বোঝা বহন করবে না" [নাজম: ৩৮]। তিনি তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন: "সুতরাং তাদের জন্য আক্ষেপ করে আপনার প্রাণ যেন বেরিয়ে না যায়।"

শাইখ মুহাম্মদ আল-আমিন 'আদওয়াউল বায়ান' (২য় খণ্ড, ১৫১ পৃষ্ঠা এবং পরবর্তী) গ্রন্থে সূরা মায়িদার এই আয়াতের তাফসীরে যে মূল্যবান আলোচনা করেছেন তা দেখে নেওয়া উচিত। এছাড়া শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-এর ফাতাওয়ার ২৮তম খণ্ডও দেখা যেতে পারে।

তাঁর উক্তি: "যখন তারা যালিমকে দেখে", কিছু বর্ণনায় এসেছে "অন্যায় কাজ", আর এ দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক।

তাঁর উক্তি: "অতঃপর তারা তা পরিবর্তন করেনি", অর্থাৎ তারা সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও। কারণ আল্লাহর বাণী: "আল্লাহ কোনো ব্যক্তির ওপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না।" হাদিসের এই মর্মার্থ মহান আল্লাহর এই বাণীতেও পাওয়া যায়: "আর তোমরা এমন ফিতনাকে ভয় করো, যা বিশেষ করে তোমাদের মধ্যে যারা যুলুম করেছে শুধু তাদেরকেই গ্রাস করবে না। আর জেনে রেখো, আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর।"

নু'মান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি বুখারী ও তিরমিযীতে রয়েছে। বুখারীর 'শরীকাত' (অংশীদারিত্ব) অধ্যায়ে, 'বণ্টন ও লটারি করার বিধান' অনুচ্ছেদে (ফাতহুল বারী, ৫ম খণ্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা) বর্ণিত হয়েছে: আবু নুআইম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া আমাদের বলেছেন যে, তিনি আমিরকে বলতে শুনেছেন যে, নু'মান ইবনে বশীর (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আল্লাহর নির্ধারিত সীমার ওপর অটল থাকা এবং তাতে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তির উদাহরণ সেই দলের মতো যারা একটি নৌকার ব্যাপারে লটারি করল। ফলে তাদের কিছু লোক ওপরের তলায় এবং কিছু লোক নিচের তলায় স্থান পেল। যারা নিচে ছিল তারা পানি সংগ্রহের জন্য ওপরের লোকদের পাশ দিয়ে যাতায়াত করত। তখন তারা বলল, 'আমরা যদি আমাদের অংশে (নিচের তলায়) একটি ছিদ্র করে নেই, তবে ওপরের লোকদের আর কষ্ট হবে না।' এখন ওপরের লোকেরা যদি তাদের খেয়ালখুশিমতো ছেড়ে দেয়, তবে সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। আর যদি তারা তাদের হাত ধরে বাধা দেয়, তবে তারাও বেঁচে যাবে এবং সবাই রক্ষা পাবে।"
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ ইবনে হুমাইদ (তাহকীক: মুস্তফা আল-আদাওয়ী) (পৃষ্ঠা: ৪৫)
2- أَخْبَرَنِي حَبَّانُ بْنُ هِلَالٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، قَالَ: ثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ حَدَّثَهُ قَالَ: نَظَرْتُ إِلَى أَقْدَامِ الْمُشْرِكِينَ وَنَحْنُ فِي الْغَارِ وهم على رءوسنا، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ نَظَرَ إِلَى قَدَمَيْهِ أَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ! فَقَالَ: "يَا أَبَا بَكْرٍ، مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ الله ثالثهما؟! ".

--------------------------------------------

2 صحيح:

أخرجه البخاري "حديث 3653"، "4633 و3922"، ومسلم "ص91854"، والترمذي في "التفسير"، "تفسير سورة براءة"، وقال: حديث حسن صحيح غريب، إنما يروى من حديث همام، وقد ورى هذا الحديث حبان بن هلال وغير واحد عن همام نحو هذا.

قلت: انظر التنبيه المتقدم.

وأخرجه أحمد "1/ 4"، وابن جرير في "تفسيره" آية "40" من سورة براءة "ج9 ص136".

وعزاه السيوطي في "الدر المنثور" "ج3 ص242" بالإضافة إلى من ذكرنا، إلى ابن سعد وابن أبي شيبة وأبي عوانة وابن حبان وابن المنذر وابن مردويه.

وعزاه أيضا السيوطي "ج3 ص241" إلى ابن شاهين وابن مردويه وابن عساكر من حديث حبشي بن جنادة نحوه.

حبان بن هلال الباهلي، ثقة ثبت من رجال الجماعة، قال فيه أحمد "كما في التهذيب": كان إليه المنتهى في التثبت بالبصرة.

همام بن يحيى بن دينار، ثقة ربما وهم، من السابعة من رجال الجماعة.

تنبيه: قال الحافظ في "فتح الباري" "ج7 ص11" من كتاب فضائل الصحابة وبعد شرحه للحديث: تنبيه: اشتهر أن حديث الباب تفرد به همام عن ثابت، وممن صرح بذلك الترمذي والبزار. وقد أخرجه ابن شاهين في "الأفراد" من طريق جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ ثَابِتٍ بمتابعة همام، وقد قدمت له شاهدًا من حديث حبشي بن جنادة، ووجدت له آخر عن ابن عباس أخرجه الحاكم في "الإكليل" ا. هـ.

ثابت البناني: وهو ابن أسلم البناني، ثقة عابد، من الرابعة، من رجال الجماعة، وقال أبو حاتم "كما نقله عنه في "التهذيب"": أثبت أصحاب أنس: الزهري، ثم ثابت، ثم قتادة.

أنس بن مالك بن النضر الأنصاري الخزرجي، خادم رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خدمه عشر سنين، صحابي مشهور، مات سنة اثنتين، وقيل: ثلاث وتسعين، وقد جاوز المائة، رضي الله عنه. =
২- হাব্বান ইবনে হিলাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাবিত আল-বুনানী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আনাস ইবনে মালিক (রা.) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, আবু বকর আস-সিদ্দিক (রা.) তাঁর নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি মুশরিকদের পায়ের দিকে তাকালাম যখন আমরা গুহার মধ্যে ছিলাম এবং তারা আমাদের মাথার উপরে ছিল। তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তাদের কেউ যদি নিজের পায়ের দিকে তাকাত, তবে সে তার পায়ের নিচে আমাদের দেখতে পেত! তখন তিনি বললেন: "হে আবু বকর, সেই দুই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ?!"

--------------------------------------------

২ সহীহ:

এটি বুখারি "হাদিস ৩৬৫৩", "৪৬৩৩ ও ৩৯২২", এবং মুসলিম "পৃষ্ঠা ৯১৮৫৪" বর্ণনা করেছেন। আর তিরমিযী "আত-তাফসীর" অধ্যায়ে "সূরা বারায়াহ (তওবা)-এর তাফসীর" পরিচ্ছেদে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহীহ গরীব। এটি কেবল হাম্মামের সূত্র থেকে বর্ণিত হয়েছে। আর এই হাদিসটি হাব্বান ইবনে হিলাল এবং আরও একাধিক ব্যক্তি হাম্মাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: পূর্বে উল্লিখিত সতর্কবার্তাটি দেখুন।

এটি আহমদ "১/৪", এবং ইবনে জারীর তাঁর "তাফসীরে" সূরা বারায়াহ-এর "৪০" নম্বর আয়াতের অধীনে "৯ম খণ্ড, ১৩৬ পৃষ্ঠা"-য় বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী "আদ-দুররুল মানসুর"-এ "৩য় খণ্ড, ২৪২ পৃষ্ঠা"-য় আমাদের উল্লিখিত বর্ণনাকারীদের পাশাপাশি ইবনে সাদ, ইবনে আবি শায়বাহ, আবু আওয়ানাহ, ইবনে হিব্বান, ইবনে মুনযির এবং ইবনে মারদুওয়াইহ-এর দিকেও এটি নিসবত করেছেন।

সুয়ূতী "৩য় খণ্ড, ২৪১ পৃষ্ঠা"-য় হুবশি ইবনে জুনদাহ-এর হাদিস থেকে অনুরূপ বর্ণনা ইবনে শাহীন, ইবনে মারদুওয়াইহ এবং ইবনে আসাকির-এর দিকেও নিসবত করেছেন।

হাব্বান ইবনে হিলাল আল-বাহিলী, নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় (সিকাহ সাবত) এবং জামাআতের রাবীদের অন্তর্ভুক্ত। আহমদ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন (যেমনটি তাহযীব গ্রন্থে রয়েছে): বসরার বর্ণনাকারীদের মধ্যে দৃঢ়তার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন চূড়ান্ত পর্যায়ের।

হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দীনার, নির্ভরযোগ্য, কখনো কখনো ভুল করেন, সপ্তম স্তরের জামাআতের রাবীদের অন্তর্ভুক্ত।

সতর্কবার্তা: হাফেজ (ইবনে হাজার) "ফাতহুল বারী" গ্রন্থের "৭ম খণ্ড, ১১ পৃষ্ঠা"-য় সাহাবীদের মর্যাদা অধ্যায়ে হাদিসটি ব্যাখ্যার পর বলেছেন: সতর্কবার্তা: এটি প্রসিদ্ধ যে, এই হাদিসটি এককভাবে হাম্মাম সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিরমিযী ও বাযযার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তবে ইবনে শাহীন "আল-আফরাদ" গ্রন্থে জাফর ইবনে সুলাইমান-এর সূত্রে সাবিত থেকে হাম্মামের অনুসরণ হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন। আমি ইতিপূর্বে হুবশি ইবনে জুনদাহ-এর হাদিস থেকে এর একটি শাহিদ (সাক্ষী) পেশ করেছি, এবং ইবনে আব্বাস থেকে এর আরেকটি বর্ণনা পেয়েছি যা হাকিম "আল-ইকলীল" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

সাবিত আল-বুনানী: তিনি হলেন ইবনে আসলাম আল-বুনানী, নির্ভরযোগ্য ও আবিদ, চতুর্থ স্তরের জামাআতের রাবীদের অন্তর্ভুক্ত। আবু হাতিম বলেছেন (যেমনটি তাহযীব গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে): আনাসের সাথীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হলেন: যুহরী, তারপর সাবিত, তারপর কাতাদাহ।

আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদর আল-আনসারী আল-খাযরাজী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাদেম, তিনি তাঁর দশ বছর খিদমত করেছেন, একজন প্রসিদ্ধ সাহাবী। তিনি হিজরি ৯২ সালে, মতান্তরে ৯৩ সালে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর বয়স একশ বছর অতিক্রম করেছিল, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন। =