(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: -)
سؤالات البرقاني للدارقطني ت مجدي السيد   (البرقاني)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: سؤالات أبى بكر البرقانى للدارقطني في الجرح والتعديل

المؤلف: أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب، أبو بكر المعروف بالبرقاني (ت 425هـ)

تحقيق وتعليق: مجدي السيد ابراهيم

الناشر: مكتبة القرآن للطبع والنشر والتوزيع

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 83

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

দারা কুতনীর প্রতি আল-বারকানীর প্রশ্নসমূহ, সম্পাদনা: মাজদী সাইয়্যেদ   (আল-বারকানী)

বিভাগ: হাদীসের ত্রুটি এবং প্রশ্নাবলী


গ্রন্থ: জারহ ও তা'দীল বিষয়ে দারা কুতনীর নিকট আবু বকর আল-বারকানীর প্রশ্নসমূহ

লেখক: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন গালিব, আবু বকর, যিনি আল-বারকানী নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪২৫ হি.)

সম্পাদনা ও টীকা: মাজদী সাইয়্যেদ ইব্রাহীম

প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুরআন মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৩

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

‌‌تقديم

 

الحمد لله … نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا..من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادى له.

وأشهد أن لا إله إلا الله وححده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.

(يأيها الذين آمنوا اتقوا الله حق تقاته، ولا تموتن إلا وأنتم مسلمون) (1) .

(يا ايها الناس اتقوا ربكم الذى خلقكم من نفس واحدة، وخلق منها زوجها وبث منهما رجالا كثيرا ونساء، واتقوا الله الذى تساءلون به والأرحام، إن الله كان عليكم رقيبا) (2) .

(يا ايها الذين آمنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا، يصلح لكم أعمالكم، ويغفر لكم ذنوبكم، ومن يطع الله ورسوله، فقد فاز فوزا عظيما) (3) .

--------------------------------------------

(1) سورة آل عمران: 102.

(2) سورة النساء: 1.

(3) سورة الأحزاب: 70 - 71.

(*)
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

‌‌উপস্থাপনা

 

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য … আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

(হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না) (১)।

(হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো যিনি তোমাদেরকে একটি প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের দু’জন থেকে বহু নর ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো যার দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট যাচ্ঞা করো এবং রক্ত-সম্পর্কীয় আত্মীয়তা (ছিন্ন করা) থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর পর্যবেক্ষক) (২)।

(হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করেছে) (৩)।

--------------------------------------------

(১) সূরা আলে ইমরান: ১০২।

(২) সূরা আন-নিসা: ১।

(৩) সূরা আল-আহযাব: ৭০ - ৭১।

(*)
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌[بين يدى الكتاب]

إن علم الجرح والتعديل من أشرف العلوم، وأعظمها قدرا، إذ به يفرق بين الأحاديث الصحيحة والضعيفة، والأخبار المقبولة والمرفوضة، فما من فقيه إلا وهو إليه محتاج، وما من محدث إلا وإليه يلجأ ويستهدى، فالجرح والتعديل هو الميزان الذى يوزن به رجال الحديث، ويتعرف به على الراوى الذى يقبل حديثه، أو يرد.

ولقد اهتم علماء الحديث النبوى بعلم الجرح والتعديل حتى قال الصحابي الجليل ابن عباس رضى الله عنهما: إن هذا العلم دين فانظروا عمن تأخذون دينكم.

وعلم الجرح والتعديل لا يدعيه كل إنسان أو حتى محدث، إذ لا بد أن تتوفر شروط في الجارح والمعدل، فلا يقبل الجرح والتعديل، إلا من عدل متيقظ، له أسباب تجريحه، ولا تقبل التزكية إلا ممن يعرف

أسبابها.

ولقد تصدر جهابذة المحدثين من الأئمة الحفاظ لهذا العلم، كالإمام أحمد بن جنبل، والبخاري، والنسائي، وابن معين، وابن المديني، ومنهم الإمام الحافظ الدارقطني، ولا عجب في ذلك، فهو فريد عصره، ووحيد دهره، وإمام وقته، انتهى إليه علم الحديث، والمعرفة بعلله، وأسماء وأحوال رجاله مع الصدق، والأمانة، والفقه، والفطنة، وصحة العقيدة وسلامة المذهب.
‌‌[গ্রন্থ পরিচিতি]

নিশ্চয়ই জারহ ও তাদিল শাস্ত্র হলো অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুমহান মর্যাদাপূর্ণ বিদ্যা; কেননা এর মাধ্যমেই সহিহ ও যঈফ হাদিস এবং গ্রহণযোগ্য ও বর্জনীয় সংবাদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা হয়। সুতরাং এমন কোনো ফকিহ নেই যার এই শাস্ত্রের প্রয়োজন হয় না এবং এমন কোনো মুহাদ্দিস নেই যিনি এর শরণাপন্ন হন না বা এর মাধ্যমে দিকনির্দেশনা লাভ করেন না। অতএব, জারহ ও তাদিল হলো এমন এক মানদণ্ড যার দ্বারা হাদিসের বর্ণনাকারীদের যাচাই করা হয় এবং এর মাধ্যমেই সেই রাবি বা বর্ণনাকারীকে চেনা যায় যার হাদিস গ্রহণ করা হবে অথবা প্রত্যাখ্যান করা হবে।

নবিজির হাদিস বিশারদগণ জারহ ও তাদিল শাস্ত্রের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন, এমনকি মহান সাহাবি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন: নিশ্চয়ই এই জ্ঞান হলো দ্বীন, সুতরাং তোমরা কার কাছ থেকে তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ তা লক্ষ্য করো।

আর জারহ ও তাদিল শাস্ত্রের দাবি যে কেউ বা এমনকি প্রত্যেক মুহাদ্দিস করতে পারেন না; কেননা জারহ (সমালোচনা) এবং তাদিল (প্রশংসা) প্রদানকারীর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত থাকা আবশ্যক। সুতরাং জারহ ও তাদিল কেবল এমন একজন ন্যায়পরায়ণ ও সচেতন ব্যক্তির পক্ষ থেকেই গ্রহণযোগ্য হবে, যিনি সমালোচনার কারণসমূহ সম্পর্কে অবগত। আর প্রশংসা কেবল তার পক্ষ থেকেই গ্রহণযোগ্য হবে যিনি এর

কারণসমূহ সম্পর্কে জানেন।

হাদিস বিশারদদের মধ্য থেকে হাফেজ ইমামগণ এই শাস্ত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন, যেমন—ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল, বুখারি, নাসায়ি, ইবনে মাঈন এবং ইবনে মাদিনি। তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হলেন ইমাম হাফেজ দারাকুতনি। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই, কেননা তিনি ছিলেন নিজ যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও অনন্য ব্যক্তিত্ব এবং সমসাময়িক ইমাম। হাদিস শাস্ত্রের জ্ঞান, হাদিসের সূক্ষ্ম ত্রুটিসমূহ (ইলাল), বর্ণনাকারীদের নাম ও অবস্থা জানার বিষয়টি তার নিকট এসেই সমাপ্ত হয়েছে (অর্থাৎ তিনি ছিলেন এর সর্বোচ্চ বিশেষজ্ঞ)। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ফিকহ (গভীর প্রজ্ঞা), তীক্ষ্ণ মেধা, বিশুদ্ধ আকিদা এবং সঠিক মানহাজের অধিকারী।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৬)
وهذه سؤالات أبى بكر البرقانى لإمام وقته أبى الحسن الدارقطني في الجرح والتعديل … وفقني ربى الكريم لتحقيقها ودراستها.

وسؤالات البرقانى من الكتب المهمة جدا في مجال الجرح والتعديل، سيما أنها لإمامين كبيرين، اشتهرا بالجرح والتعديل، ومعرفة الرجال وعلل الحديث، فنشر هذه السؤالات يسدى خدمة جليلة للمكتبة الحديثية، والسنة النبوية المطهرة، خصوصا وأنها تكمل سلسلة سؤالات الجرح والتعديل التى قيلت للإمام الدارقطني، فلقد أخرج الأستاذ موفق بن عبد الله بن عبد القادر (سؤالات الحاكم للدارقطني) ، و (سؤالات حمزة السهمى للدارقطني) ، وها نحن نخرج (سؤالات حمزة السهمى للدارقطني) ، وها نحن نخرج (سؤالات البرقانى للدارقطني) وإن شاء الله في الطريق (سؤالات أبى عبد الرحمن السلمى للدارقطني) .

وما التوفيق إلا من عند رب العالمين
এগুলো হলো জুরহ ও তা’দীল (সমালোচনা ও গুণাগুণ বিচার) বিষয়ে নিজ সময়ের ইমাম আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীর নিকট আবু বকর আল-বারকানীর জিজ্ঞাসাসমূহ … আমার সম্মানিত রব আমাকে এগুলো তাহকীক ও গবেষণার তাওফীক দান করেছেন।

জুরহ ও তা’দীল এর ক্ষেত্রে বারকানীর জিজ্ঞাসাসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিতাবগুলোর অন্তর্ভুক্ত, বিশেষ করে যেহেতু এটি এমন দুইজন মহান ইমামের সাথে সংশ্লিষ্ট, যারা জুরহ ও তা’দীল, বর্ণনাকারীদের পরিচিতি এবং হাদিসের ইল্লাত (সুক্ষ্ম ত্রুটি) বিষয়ে প্রসিদ্ধ ছিলেন। সুতরাং এই জিজ্ঞাসাসমূহ প্রকাশ করা হাদিস বিষয়ক গ্রন্থাগার এবং পবিত্র সুন্নাহর জন্য এক মহান সেবা প্রদান করবে। বিশেষত এটি ইমাম দারা কুতনীকে করা জুরহ ও তা’দীল বিষয়ক জিজ্ঞাসাসমূহের ধারাবাহিকতাকে পূর্ণ করে। ইতিপূর্বে উস্তাদ মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কাদির ‘দারা কুতনীর নিকট আল-হাকিমের জিজ্ঞাসাসমূহ’ এবং ‘দারা কুতনীর নিকট হামজা আস-সাহমীর জিজ্ঞাসাসমূহ’ প্রকাশ করেছেন, আর এখন আমরা ‘দারা কুতনীর নিকট বারকানীর জিজ্ঞাসাসমূহ’ প্রকাশ করছি এবং ইনশাআল্লাহ অচিরেই ‘দারা কুতনীর নিকট আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামীর জিজ্ঞাসাসমূহ’ প্রকাশিত হবে।

আর তাওফীক তো কেবল জগতসমূহের প্রতিপালকের পক্ষ থেকেই আসে।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌دراسة السؤالات

1 - تعريف عام بالسؤالات: السؤالات عبارة عن تلميذ يسأل شيخه عن رجال حديث، أو علل متن إلى آخره، وتعتبر سؤالات أبى بكر البرقانى للدارقطني حلقة من حلقات متعددة، فقد سأل الدارقطني عدد من تلاميذه من كبار الحفاظ عن علل الحديث ورجاله، فأعطى فيهم حكمه جرحا وتعديلا، ولا عجب في ذلك، فلقد رأينا من يثنى عليه فيقول: (حافظ عصره، واحد دهره، لم يأت بعد النسائي مثله) إلى غير ذلك من عبارات الثناء والتفريط التى قيلت في حقه.

ومن أجل ذلك اتجه عدد من كبار الحفاظ والمحدثين إلى الإمام الدارقطني يسألونه عن علل الحديث، ومعرفة الرجال، ومن هؤلاء الحفاظ: 1 - أبو القاسم حمزة بن يوسف السهمى (المتوفى سنة 427 هـ) صاحب تاريخ جرجان، حيث سأل الدارقطني عن علل الحديث، والجرح والتعديل، ومعظم الذين سأل عنهم إنما هم من شيوخ الدارقطني نفسه، أو من شيوخ شيوخه، فأعطى فيهم الدارقطني حكمه جرحا وتعديلا.

ومن الجدير بالتنويه أن الأستاذ موفق بن عبد الله، أخرج هذه السؤالات إلى عالم النور في طبعة محققة، ومفهرسة بدقة.

2 - سؤالات أبى عبد الله الحسين بن أحمد، في ذكر قوم أخرج لهم البخاري ومسلم في صحيحيهما، وضعفهم النسائي في كتاب الضعفاء.
সুয়ালাত সংক্রান্ত গবেষণা

১ - সুয়ালাতের সাধারণ পরিচিতি: সুয়ালাত বলতে মূলত এমন একটি বিষয়কে বোঝায় যেখানে একজন ছাত্র তার উস্তাদকে হাদীসের বর্ণনাকারী (রিজাল) অথবা মতন বা পাঠের ত্রুটি (ইলাল) ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করেন। দারা কুতনীকে করা আবু বকর আল-বারকানি-এর সুয়ালাত বা প্রশ্নমালা তেমনি বহু শৃঙ্খলের একটি অংশ। ইমাম দারা কুতনীকে তাঁর বহু হাফেজ ছাত্র হাদীসের ত্রুটি এবং বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, অতঃপর তিনি তাদের বিষয়ে জারাহ (দোষারোপ) ও তা’দীল (নির্ভরযোগ্যতা) সংক্রান্ত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই, কারণ আমরা এমন অনেককেই তাঁকে প্রশংসা করতে দেখেছি যারা বলেছেন: (তিনি স্বীয় যুগের হাফেজ, তার সময়ের অদ্বিতীয় ব্যক্তি, ইমাম নাসায়ীর পরে তার মতো আর কেউ আসেনি) এছাড়া তার সম্মানে আরও অনেক প্রশংসা ও অতিশয়োক্তিপূর্ণ বাক্য উচ্চারিত হয়েছে যা তাঁর প্রাপ্য ছিল।

এ কারণেই অনেক বড় বড় হাফেজ এবং মুহাদ্দিস ইমাম দারা কুতনীর শরণাপন্ন হয়েছেন তাকে হাদীসের ত্রুটি এবং বর্ণনাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে। এই হাফেজদের মধ্যে রয়েছেন: ১ - আবুল কাসেম হামজা ইবনে ইউসুফ আস-সাহমী (মৃত্যু ৪২৭ হিজরী), 'তারিখে জুরজান'-এর লেখক; তিনি দারা কুতনীকে হাদীসের ত্রুটি এবং জারাহ ও তা’দীল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি যাদের সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলেন তাদের অধিকাংশ ছিলেন খোদ দারা কুতনীর উস্তাদ অথবা তাঁর উস্তাদদের উস্তাদ। অতঃপর দারা কুতনী তাদের ব্যাপারে জারাহ ও তা’দীল সংক্রান্ত তাঁর রায় প্রদান করেছেন।

এটি উল্লেখ করা জরুরি যে, উস্তাদ মুওয়াফফাক বিন আবদুল্লাহ এই সুয়ালাতগুলো একটি তাহকীককৃত এবং নিখুঁতভাবে নির্ঘণ্ট সংবলিত সংস্করণের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

২ - আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমদের সুয়ালাত বা প্রশ্নমালা, যাতে এমন একদল বর্ণনাকারীর উল্লেখ রয়েছে যাদের থেকে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম তাঁদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে হাদীস বর্ণনা করেছেন, কিন্তু ইমাম নাসায়ী তাঁর 'কিতাবুজ জুয়াফা'-তে তাদের দুর্বল বলে গণ্য করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৮)
3 - سؤالات أبى عبد الرحمن السلمى، مخطوطة، يسر الله لنا تحقيقها.

4 - سؤالات أبى بكر أحمد بن محمد الخوارزمي، المتوفى سنة 425 هـ.

5 - سؤالات أبى نعيم أحمد بن عبد الله الأصبهاني، المتوفى سنة 425 هـ.

6 - سؤالات أبى ذر الهروي، المتوفى سنة 434 هـ.

7 - سؤالات أبى محمد عبد الغنى الأزدي، المتوفى سنة 409 هـ.

8 - سؤالات الحاكم النيسابوري، صاحب المستدرك، حققه الأستاذ موفق.

فسؤالات أبى بكر البرقانى ماهى إلا حلقة من حلقات متعددة، أخرج لنا فيها الإمام الدارقطني آراءه، وأفكاره في الجرح والتعديل، وعلل الحديث.

ومعظم السؤالات تبدأ بقوله: قلت لأبى الحسن، وأحيانا: سمعت أبا الحسن، وتارة أخرى: وسمعت أبا الحسن، ونادرا: وقال أبو الحسن.

وأسلوب الدارقطني في نقده - في سؤالات البرقانى - هو نفس الأسلوب في سؤالات السهمى، والحاكم.

فأحيانا يكون نقدا كاملا، وهو أنه يحكم على الراوى بالجرح أو التعديل، بصفة عامة، كأن يقول مثلا: (ضعيف) ، أو (متروك) … إلى آخره.

وأحيانا يكون النقد من النوع المقيد، وهو أن يحكم على الراوى بالتعديل مع جرحه في جانب معين.
৩ - আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামীর প্রশ্নাবলি, পাণ্ডুলিপি, আল্লাহ আমাদের জন্য এর সম্পাদনা সহজ করেছেন।

৪ - আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-খাওয়ারিজমীর প্রশ্নাবলি, মৃত্যু ৪২৫ হিজরি।

৫ - আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানীর প্রশ্নাবলি, মৃত্যু ৪২৫ হিজরি।

৬ - আবু যর আল-হারাভীর প্রশ্নাবলি, মৃত্যু ৪৩৪ হিজরি।

৭ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি আল-আযদীর প্রশ্নাবলি, মৃত্যু ৪০৯ হিজরি।

৮ - আল-মুস্তাদরাক প্রণেতা আল-হাকিম আন-নিশাপুরীর প্রশ্নাবলি, যা উস্তাদ মুওয়াফফাক সম্পাদনা করেছেন।

আবু বকর আল-বারকানীর প্রশ্নাবলি মূলত সেই অসংখ্য ধারার একটি অংশ মাত্র, যার মাধ্যমে ইমাম আদ-দারাকুতনী আমাদের নিকট 'জারহ ও তা'দীল' এবং 'ইল্লালুল হাদিস' (হাদিসের নিগূঢ় ত্রুটি) বিষয়ে তাঁর মতামত ও চিন্তাধারা উপস্থাপন করেছেন।

অধিকাংশ প্রশ্নাবলি তাঁর এই উক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছে: "আমি আবুল হাসানকে বললাম", আবার কখনো: "আমি আবুল হাসানকে বলতে শুনেছি", অন্য সময়: "এবং আমি আবুল হাসানকে বলতে শুনেছি", আর কদাচিৎ: "আবুল হাসান বলেছেন"।

বারকানীর প্রশ্নাবলিতে ইমাম আদ-দারাকুতনীর সমালোচনার পদ্ধতি ঠিক সেই একই পদ্ধতি যা সাহমী এবং হাকিমের প্রশ্নাবলিতে বিদ্যমান।

কখনো কখনো সমালোচনাটি হয় পূর্ণাঙ্গ, যেখানে তিনি সাধারণভাবে বর্ণনাকারীর ওপর 'জারহ' (অযোগ্যতা) অথবা 'তা'দীল' (যোগ্যতা)-এর হুকুম প্রদান করেন, যেমন উদাহরণস্বরূপ তাঁর উক্তি: (দুর্বল), অথবা (পরিত্যক্ত) … ইত্যাদি।

আবার কখনো সমালোচনাটি হয় সীমাবদ্ধ প্রকৃতির, যেখানে তিনি বর্ণনাকারীর কোনো একটি নির্দিষ্ট দিকের নেতিবাচক সমালোচনা (জারহ) করা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাঁর নির্ভরযোগ্যতার (তা'দীল) হুকুম প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৯)
وأحيانا يكون النقد في المتن، وهذا النقد ينبع من اطلاعه على سبب غامض خفى، يقدح في الحديث، وسنرى في كتابنا هذا بعضا من ذلك.

لا غرو في إشارة الإمام الدارقطني إلى علل المتون، فهو المتبحر في ذلك، والذى وصف كتابه في العلل، بأنه من أحسن كتب علل الحديث.

وبانضمام هذا الكتاب مع باق السؤالات التى وجهت إلى الإمام الدارقطني نجاول تجميع السلسلة التى تركها لنا من نقده للرجال، وكلامه عن علل الحديث، والله الموفق للصواب.
কখনও কখনও সমালোচনা মতনের (মূল পাঠ্য) ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, আর এই সমালোচনা তাঁর এমন এক রহস্যময় ও গোপন কারণ সম্পর্কে অবগতির ফলাফল যা হাদিসকে ত্রুটিযুক্ত করে; আমরা আমাদের এই গ্রন্থে এর কিছু উদাহরণ দেখতে পাব।

ইমাম দারাকুতনী কর্তৃক মতনের ইল্লাত (সুক্ষ্ম ত্রুটি) সমূহের প্রতি ইঙ্গিত করার বিষয়টি আশ্চর্যের কিছু নয়, কেননা তিনি এ বিষয়ে অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন এবং তাঁর 'আল-ইলাল' বিষয়ক গ্রন্থটিকে হাদিসের ইল্লাত শাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

এই গ্রন্থটিকে ইমাম দারাকুতনীর নিকট পেশ করা অন্যান্য প্রশ্নাবলির সাথে যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা সেই জ্ঞান-শৃঙ্খলটি সংকলনের চেষ্টা করছি যা তিনি আমাদের জন্য বর্ণনাকারীদের সমালোচনা এবং হাদিসের সুক্ষ্ম ত্রুটি আলোচনার ক্ষেত্রে রেখে গেছেন। আল্লাহই সঠিক বিষয়ের তাওফিকদাতা।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌[ترجمة الإمام الدارقطني]

(1) نسبه ونشأته: هو الإمام الحافظ المجود، أبو الحسن، على بن عمر بن أحمد بن مهدى بن مسعود بن النعمان البغدادي، من أهل محلة دار القطن ببغداد، وإليها ينسب.

ولد في سنة ست وثلاثمائة هجرية، ومنذ صباه بدا في طلب العلم من كبار علماء عصره، فلقد قال عن نفسه: كتبت في أول سنة خمس عشرة وثلاثمائة.

فدرس الفقه الشافعي على أبى سعيد الأصطخري، وكان يحضر بصفة منتظمة إلى مجلس البغوي.

وبعد أن سمع شيوخ موطنه أخذ في الارتحال إلى البلدان، فرحل إلى أغلب الأمصار التى اشتهرت بعلو مكانة علم الحديث بها.

ومن الأشياء الطريفة في هذا الموضع أن أهله وعشيرته كانوا يرجون

له أن يكون مقرئ البلد، فكانوا يقولون: يخرج الكتاني - هو أحد أقران الدارقطني في بلدته - محدث البلد، ويخرج الدارقطني مقرئ البلد، يقول الدارقطني: فخرجت أنا محدثا، والكتاني مقرئا.

وهكذا نشأ العلماء الدارقطني نشأة علمية طيبة، أهلته لأن يكون من شيوخ الإسلام.

(2) شيوخ الدارقطني الذين تلقى عنهم: لا يستطيع المرء أن يقوم بحصر العلماء الذين تلقى عنهم، لأن ذلك يحتاج إلى تأليف منفرد، ولكني سأذكر بعض هؤلاء العلماء، لتتضح صورة جلية عن شدة طلب الإمام الدارقطني للعلم.
[ইমাম দারা কুতনীর জীবনী]

(১) তাঁর বংশপরিচয় ও বেড়ে ওঠা: তিনি হলেন ইমাম, হাফেজ ও মুজাওবিদ, আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ বিন মাহদী বিন মাসউদ বিন নুমান আল-বাগদাদী। তিনি বাগদাদের দারুল কুতন মহল্লার অধিবাসী ছিলেন এবং সেই অনুসারেই তাঁর এই নামকরণ করা হয়েছে।

তিনি ৩০৬ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি তাঁর সমসাময়িক শ্রেষ্ঠ আলেমদের নিকট ইলম অন্বেষণে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলেন: আমি ৩১৫ হিজরি সনের শুরু থেকে (হাদিস) লিখতে শুরু করি।

তিনি আবু সাঈদ আল-ইসতাখরীর নিকট শাফেয়ী ফিকহ অধ্যয়ন করেন এবং নিয়মিতভাবে আল-বাগবীর মজলিসে উপস্থিত হতেন।

নিজ এলাকার শায়খদের নিকট থেকে শোনার পর তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে বের হন। তিনি এমন অধিকাংশ জনপদে সফর করেন যেগুলো ইলমে হাদিসের উচ্চ মর্যাদার জন্য প্রসিদ্ধ ছিল।

এ প্রসঙ্গে একটি চমৎকার বিষয় হলো, তাঁর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা আশা করতেন যে তিনি তাঁর শহরের শ্রেষ্ঠ ক্বারী হবেন। তাঁরা বলতেন: কাত্তানি (যিনি দারা কুতনীর সমসাময়িকদের একজন ছিলেন) হবে শহরের মুহাদ্দিস, আর দারা কুতনী হবে শহরের ক্বারী। দারা কুতনী বলেন: শেষ পর্যন্ত আমি মুহাদ্দিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলাম আর কাত্তানি ক্বারী হিসেবে।

এভাবেই আলেম দারা কুতনী এক উত্তম জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন, যা তাঁকে শায়খুল ইসলামদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য করে তুলেছিল।

(২) ইমাম দারা কুতনীর শায়খগণ যাদের নিকট থেকে তিনি ইলম অর্জন করেছেন: তিনি যেসব আলেমদের নিকট ইলম অর্জন করেছেন তাদের গণনা করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ এর জন্য স্বতন্ত্র একটি গ্রন্থের প্রয়োজন। তবে আমি তাঁদের মধ্য থেকে কিছু আলেমের নাম উল্লেখ করব যাতে ইমাম দারা কুতনীর ইলম অন্বেষণের তীব্রতার একটি স্পষ্ট চিত্র ফুটে ওঠে।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১১)
من شيوخه الذين حفظ عنهم، وسمع منهم: أبو إسحاق إبراهيم بن حماد بن إسحاق الأزدي، وإبراهيم بن عبد الصمد الهاشمي، وإبراهيم ابن محمد بن الحسن، وأبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان، وأحمد بن سعيد بن سعد، وأبو بكر أحمد بن سلمان بن الحسن، أحمد بن عيسى بن الخواص، وأحمد بن كامل القاضى، وأبو عبد الله أحمد ابن محمد الصلحى، وأبو سعيد أحمد بن محمد بن رميح، وأبو العباس أحمد بن محمد، المعروف بابن عقدة، وله ذكر في الكتاب الذى بين أيدينا، وأحمد بن محمد، أبو ذر المعروف بابن الباغندى، وأبو طلحة أحمد بن محمد الغزارى، وأحمد بن المطلب بن عبد الله الهاشمي، وابن مجاهد، شيخ القراء في عصره، وأبو طالب أحمد بن نصر البغدادي، وأبو محمد بن إسماعيل بن على الخطبى، وأبو محمد جعفر بن على الدوري، وأبو الفضل جعفر بن الفضل، المعروف بابن حنزابة،

وأبو محمد الحسن بن أحمد الهمداني، وأبو سعيد الحسن بن على بن زكريا العدوى البصري، ودعلج بن أحمد السجستاني، وله ذكر في كتابنا هذا، والحافظ ابن قانع صاحب (معجم الصحابة) ، والحافظ أبو القاسم عبد الله بن إبراهيم الأنبدونى الجرجاني، وأبو بكر عبد الله ابن محمد بن زياد، الفقيه الشافعي، وأبو القاسم عبد الله بن محمد البغوي، وعمر بن أحمد بن مهدى، وأبو الحسين محمد بن المظفر البغدادي، وأبو جعفر محمد بن الحسين الهمذانى، وأبو عبد الله محمد ابن اسماعيل بن إسحاق الفارسى، وأبو بكر الإنباري النحوي المعروف، وأبو جعفر محمد بن عبيد الله الكاتب، ومحمد بن عمر التميمي المعروف بابن الجعابى، وأبو عبد الله محمد بن القاسم الكوفى، وأبو عبيد الله محمد بن مخلد السدورى العطار، ومحمد بن هارون الحضرمي، المعروف بالبعرانى، وأبو بكر محمد بن مزيد الخزاعى،
তাঁর ঐসব শায়খদের মধ্য হতে যাঁদের থেকে তিনি ইলম সংরক্ষণ করেছেন এবং শুনেছেন: আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবন হাম্মাদ ইবন ইসহাক আল-আযদী, ইবরাহীম ইবন আব্দুস সামাদ আল-হাশিমী, ইবরাহীম ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান, আবু বকর আহমাদ ইবন জাফর ইবন হামদান, আহমাদ ইবন সাঈদ ইবন সাদ, আবু বকর আহমাদ ইবন সালমান ইবনুল হাসান, আহমাদ ইবন ঈসা ইবনুল খাওওয়াস, আহমাদ ইবন কামিল আল-কাজী, আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আস-সুলহী, আবু সাঈদ আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন রুমাইহ, আবুল আব্বাস আহমাদ ইবন মুহাম্মদ—যিনি ইবন উকদাহ নামে পরিচিত এবং আমাদের সামনে উপস্থিত এই কিতাবে তাঁর উল্লেখ রয়েছে, আহমাদ ইবন মুহাম্মদ—আবু যার যিনি ইবনুল বাগানদী নামে পরিচিত, আবু তালহা আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আল-গাযযারী, আহমাদ ইবনুল মুত্তালিব ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাশিমী, ইবন মুজাহিদ—যিনি তাঁর যুগের কারীগণের শায়খ ছিলেন, আবু তালিব আহমাদ ইবন নাসর আল-বাগদাদী, আবু মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন আলী আল-খাতবী, আবু মুহাম্মদ জাফর ইবন আলী আদ-দাওরী, আবুল ফযল জাফর ইবনুল ফযল—যিনি ইবন হিনযাবাহ নামে পরিচিত,

আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন আহমাদ আল-হামাদানী, আবু সাঈদ আল-হাসান ইবন আলী ইবন যাকারিয়া আল-আদাবী আল-বাসরী, দালাজ ইবন আহমাদ আস-সিজিস্তানী—এবং আমাদের এই কিতাবে তাঁর উল্লেখ রয়েছে, হাফিয ইবন কানি—যিনি (মুজামুস সাহাবা) গ্রন্থের প্রণেতা, হাফিয আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম আল-আনবাদুনী আল-জুরজানী, আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ—শাফিয়ী ফকীহ, আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-বাগাবী, উমর ইবন আহমাদ ইবন মাহদী, আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুযাফফার আল-বাগদাদী, আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-হামাযানী, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন ইসহাক আল-ফারিসী, আবু বকর আল-আনবারী—যিনি প্রসিদ্ধ নাহবী (ব্যাকরণবিদ), আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন উবাইদুল্লাহ আল-কাতিব, মুহাম্মদ ইবন উমর আত-তামীমী—যিনি ইবনুল জাআবী নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-কূফী, আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন মাখলাদ আস-সাদূরী আল-আত্তার, মুহাম্মদ ইবন হারুন আল-হাদরামী—যিনি আল-বারানী নামে পরিচিত এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবন মাযীদ আল-খুযাঈ।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১২)
والمعروف بابن أبى الأزهر، وأبو الحسن محمد بن نوح، وأبو محمد يحيى بن محمد، المعروف بابن صاعد، ويعقوب بن موسى الأردبيلى، وأبو طالب أحمد بن نصر، وإسماعيل بن العباس الوراق، والفضل بن أحمد الزبيدى، وأبو بكر بن أبى داود، وغيرهم كثير، فلقد حدث عن خلائق وأمم كثيرة.

وهذا يدلل بوضوح لامرية فيه أن الإمام الدارقطني كان ينهل من العلماء نهلا كبيرا، ويسعى في طلب العلم سعيا حثيثا.

(3) تلاميذه الذين أخذوا عنه: لما كان الدارقطني محدث عصره، وإمام وقته في الحديث، فلقد

تسابق إليه التلاميذ، طلبا لتحصيل السند العالي، والمتون العزيزة، فلم يكن أمامهم من يأخذون منه هذا أكثر من الإمام الدارقطني.

والمرء يحار من يذكر من تلاميذه، ومن، فإنهم كثيرون جدا، ولكن على عجالة نذكر بعضهم، من تلاميذه: أبو بكر البرقانى صاحب السؤالات في كتابنا هذا، وأبو نعيم الأصبانى، وأبو القاسم ابن بشران، والأزهري، والخلال، والجوهري، والتنوخى، وأبو بكر بن بشران، والعتيقي، وأبو الطيب الطبري، وحمزة بن محمد بن طاهر، وعبد العزيز الأزجى، وأبو عبد الرحمن السلمى له (سؤالات) مخطوطة، يسر الله لنا تحقيقها، والحاكم النيسابوري، وحمزة بن يوسف السهمى، وأبو محمد عبد الغنى الأزدي، وأبو ذر الهروي له جزء (مسموعات) يسر الله لنا تحقيقه، وأبو حامد أحمد ابن محمد الإسفرايينى، وأبو مسعود إبراهيم بن محمد الدمشقي، وغيرهم كثير.
ইবন আবি আল-আযহার হিসেবে পরিচিত, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবন নুহ, আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মদ—যিনি ইবন সায়েদ হিসেবে পরিচিত, ইয়াকুব ইবন মুসা আল-আরদাবিলি, আবু তালিব আহমদ ইবন নাসর, ইসমাইল ইবন আল-আব্বাস আল-ওয়াররাক, আল-ফাদল ইবন আহমদ আয-যুবাইদি, আবু বকর ইবন আবি দাউদ এবং আরও অনেকে। তিনি অসংখ্য মানুষ ও জাতির কাছ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আর এটি কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, ইমাম দারাকুতনি আলেমদের কাছ থেকে প্রচুর জ্ঞান আহরণ করেছিলেন এবং ইলম অন্বেষণে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

(৩) তাঁর ছাত্রগণ যারা তাঁর কাছ থেকে ইলম অর্জন করেছেন: যেহেতু দারাকুতনি ছিলেন তাঁর যুগের মুহাদ্দিস এবং হাদিস শাস্ত্রে তাঁর সময়ের ইমাম, তাই

উচ্চতর সনদ এবং দুর্লভ মতন অর্জনের উদ্দেশ্যে ছাত্ররা তাঁর কাছে আসার জন্য প্রতিযোগিতা করত। তাঁদের সামনে ইমাম দারাকুতনির চেয়ে বেশি হাদিস গ্রহণ করার মতো আর কেউ ছিল না।

তাঁর ছাত্রদের মধ্যে কার কথা উল্লেখ করা হবে আর কার কথা না, তা নিয়ে মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারে, কারণ তাঁরা সংখ্যায় অত্যন্ত বেশি। তবে সংক্ষেপে আমরা তাঁর কয়েকজন ছাত্রের নাম উল্লেখ করছি: আবু বকর আল-বারকানি (যিনি আমাদের এই কিতাবের ‘সুয়ালাত’-এর লেখক), আবু নুআইম আল-আসবাহানি, আবু আল-কাসিম ইবন বিশরান, আল-আযহারি, আল-খাল্লাল, আল-জাওহারি, আত-তানুখি, আবু বকর ইবন বিশরান, আল-আতিকি, আবু আত-তায়্যিব আত-তাবারানি, হামযা ইবন মুহাম্মদ ইবন তাহির, আবদুল আজিজ আল-আযজি, আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি (যাঁর একটি পাণ্ডুলিপি আকারে ‘সুয়ালাত’ রয়েছে যা আল্লাহ আমাদের জন্য তাহকিক করা সহজ করে দিয়েছেন), আল-হাকিম আন-নাইসাপুরি, হামযা ইবন ইউসুফ আস-সাহমি, আবু মুহাম্মদ আবদুল গনি আল-আযদি, আবু যার আল-হারাউই (যাঁর ‘মাসমুয়াত’ নামক একটি অংশ রয়েছে যা আল্লাহ আমাদের জন্য তাহকিক করা সহজ করে দিয়েছেন), আবু হামিদ আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ইসফারায়িনি, আবু মাসউদ ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি এবং আরও অনেকে।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৩)
(4) مؤلفاته المطبوعة والمخطوطة:

1 - كتاب (العلل) في الحديث، منه نسخة مخطوطة في خزانة دار الكتب المصرية، تقع في خمسة مجلدات، وطبع حديثا، قال عنه الذهبي: إذا شئت أن تتبين براعة هذا الإمام الفرد، فطالع العلل له، فإنك تندهش ويطول تعجبك.

انظر: تذكرة الحفاظ (3 / 993) .

2 - كتاب (السنن) مطبوع أكثر من طبعة، قال عنه الخطيب: كتاب السنن الذى صنفه يدل على أنه كان ممن اعتنى بالفقه، لأنه لا يقدر على جمع ما تضمن ذلك الكتاب إلا من تقدمت

معرفته بالإختلاف في الأحكام.

انظر: تاريخ بغداد (12 / 35) .

3 - كتاب (أحاديث الصفات أو الصفات) مطبوع.

4 - كتاب (أحاديث النزول) مطبوع.

5 - كتاب (الأسخياء) ذكره فؤاد سزكين في تاريخ التراث العربي (1 / 511) .

6 - (عشرون حديثا من كتاب الصفات) .

أشار إليه في المصدر السابق، ويبدو أنه منتقى من الكتاب رقم (3) .

والله أعلم.

7 - كتاب (الرؤيا) ذكره فؤاد سزكين (1 / 511) ، وصاحب طبقات الحنابلة (2 / 192) .

8 - كتاب (ذكر أسماء التابعين ومن بعدهم ممن صحت روايته من الثقات عند البخاري) ذكره فؤاد سزكين (1 / 511) .

9 - كتاب (غريب الحديث) .

المصدر السابق.

10 - كتاب (الإلزامات على صحيحي البخاري ومسلم) مطبوع.
(৪) তাঁর মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি আকারে রক্ষিত গ্রন্থসমূহ:

১ - হাদীস শাস্ত্রে 'আল-ইলাল' গ্রন্থ; মিশরের 'দারুল কুতুব' গ্রন্থাগারে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যা পাঁচটি খণ্ডে বিন্যস্ত এবং সম্প্রতি এটি মুদ্রিত হয়েছে। আয-যাহাবী এই গ্রন্থ সম্পর্কে বলেন: "আপনি যদি এই অনন্য ইমামের পাণ্ডিত্য প্রত্যক্ষ করতে চান, তবে তাঁর 'আল-ইলাল' গ্রন্থটি পাঠ করুন; নিশ্চয়ই আপনি বিস্মিত হবেন এবং আপনার বিস্ময় দীর্ঘস্থায়ী হবে।"

দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফায (৩ / ৯৯৩)।

২ - 'আস-সুনান' গ্রন্থ, যা একাধিক সংস্করণে মুদ্রিত। আল-খাতিব এটি সম্পর্কে বলেন: "তাঁর সংকলিত সুনান গ্রন্থটি প্রমাণ করে যে, তিনি ফিকহ শাস্ত্রের প্রতি বিশেষ মনোযোগী ছিলেন; কারণ এই গ্রন্থে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তা এমন ব্যক্তি ব্যতীত সংকলন করা সম্ভব নয় যার ফিকহী মাসআলাসমূহের মতভেদ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রয়েছে।"

দেখুন: তারিখু বাগদাদ (১২ / ৩৫)।

৩ - 'আহাদীসুস সিফাত' বা 'আস-সিফাত' (গুণাবলি বিষয়ক হাদীসসমূহ) গ্রন্থ, যা মুদ্রিত।

৪ - 'আহাদীসুন নুযূল' (আল্লাহর অবতরণ বিষয়ক হাদীসসমূহ) গ্রন্থ, যা মুদ্রিত।

৫ - 'আল-আসখিয়া' (দানবীরদের বর্ণনা) গ্রন্থ, ফুয়াদ সেজগিন তাঁর 'তারিখুত তুরাসিল আরাবি' গ্রন্থে এর উল্লেখ করেছেন (১ / ৫১১)।

৬ - (সিফাত বা গুণাবলি বিষয়ক গ্রন্থ থেকে বিশটি হাদীস)।

পূর্বোক্ত উৎসে এর দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং প্রতীয়মান হয় যে এটি ৩ নম্বর গ্রন্থ থেকে চয়িত।

আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

৭ - 'আর-রুয়া' (স্বপ্ন দর্শন) গ্রন্থ, ফুয়াদ সেজগিন (১ / ৫১১) এবং 'তাবাকাতুল হানাবিলা'র লেখক (২ / ১৯২) এর উল্লেখ করেছেন।

৮ - 'যিকর আসমাইল তাবিঈন ওয়া মান বাদাহুম' (তাবিঈদের নাম এবং তাদের পরবর্তী যাদের বর্ণনা বুখারীর নিকট নির্ভরযোগ্য ও সহীহ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে তাদের নাম) গ্রন্থ, ফুয়াদ সেজগিন এর উল্লেখ করেছেন (১ / ৫১১)।

৯ - 'গারিবুল হাদীস' গ্রন্থ।

পূর্বোক্ত উৎস।

১০ - 'আল-ইলযামাত আলা সহীহাইল বুখারী ওয়া মুসলিম' গ্রন্থ, যা মুদ্রিত।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
كتاب (الغرائب والأفرد) ذكره حاجى خليفة في كشف الظنون (1394) ، وفوائد سزكين (1 / 512) .

12 - كتاب (الفوائد المنتفاة من الغرائب الحسان) .

فؤاد سزكين (1 / 513) .

13 - كتاب (الفوائد المنتقاة الحسان لابن معروف) .

المصدر السابق.

14 - كتاب (الفوائد المنتخبة والمنتقاة) .

المصدر السابق.

15 - كتاب (ذكر أسماء التابعين ومن بعدهم ممن صحت روايته عند مسلم) مطبوع.

16 - كتاب (أسماء الصحابة التى اتفق فيها البخاري ومسلم، وما انفرد به أحدهما عن الآخر) ذكره فؤاد سزكين (1 / 513) .

17 - كتاب (رجال البخاري ومسلم) المصدر السابق.

18 - رسالة في (بيان ما اتفق عليه البخاري ومسلم، وما انفرد به أحدهما عن الآخر) فؤاد سزكين (1 / 514) .

19 - كتاب (ذكر قوم أخرج لهم البخاري ومسلم في صحيحيهما وضعفهم النسائي في كتاب الضعفاء) المصدر السابق.

20 - كتاب (التتبع وهو ما أخرج على الصحيحين وله علة) أشار الأستاذ موفق بن عبد الله، إلى أنه حقق كرسالة ما جستير في الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة.

21 - كتاب (المؤتلف والمختلف) أشار إليه فؤاد سزكين (1 / 514) .
'আল-গারায়িব ওয়াল আফরাদ' কিতাব; হাজী খলিফা এটি 'কাশফুয যুনুন' (১৩৯৪) গ্রন্থে এবং ফুয়াদ সেজকিন (১/৫১২) উল্লেখ করেছেন।

১২ - 'আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাফাতু মিনাল গারায়িবিল হিসান' কিতাব।

ফুয়াদ সেজকিন (১/৫১৩)।

১৩ - 'ইবনে মারুফ-এর আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতুল হিসান' কিতাব।

পূর্বোক্ত উৎস।

১৪ - 'আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাখাবাতু ওয়াল মুনতাকাত' কিতাব।

পূর্বোক্ত উৎস।

১৫ - 'যিকরু আসমায়িত তাবিঈন ওয়া মান বাদাহুম মিম্মান সহহাত রিওয়ায়াতুহু ইনদা মুসলিম' কিতাব; এটি মুদ্রিত।

১৬ - 'আসমায়ুস সাহাবাতিল্লাতি ইত্তাফাকা ফিহাল বুখারি ওয়া মুসলিম, ওয়ামা ইনফারাযা বিহি আহাদুহুমা আনিল আখারি' কিতাব; ফুয়াদ সেজকিন এটি উল্লেখ করেছেন (১/৫১৩)।

১৭ - 'রিজালুল বুখারি ওয়া মুসলিম' কিতাব; পূর্বোক্ত উৎস।

১৮ - 'বায়ানু মাত্তাফাকা আলাইহিল বুখারি ওয়া মুসলিম, ওয়ামা ইনফারাযা বিহি আহাদুহুমা আনিল আখারি' শীর্ষক একটি রিসালা। ফুয়াদ সেজকিন (১/৫১৪)।

১৯ - 'যিকরু কওমিন আখরাজা লাহুমুল বুখারি ওয়া মুসলিম ফি সহিহাইহিমা ওয়া দ্বা'আফাহুমুন নাসায়ি ফি কিতাবিদ দুয়াফা' কিতাব; পূর্বোক্ত উৎস।

২০ - 'আত-তাতাব্বু' কিতাব; যা বুখারি ও মুসলিমের (সহিহাইন) উপর ভিত্তি করে সংকলিত এবং এতে ত্রুটি (ইল্লাত) নির্দেশ করা হয়েছে। উস্তায মুওয়াফ্ফাক বিন আবদুল্লাহ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এটি মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স থিসিস হিসেবে সম্পাদিত হয়েছে।

২১ - 'আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ' কিতাব; ফুয়াদ সেজকিন এটি উল্লেখ করেছেন (১/৫১৪)।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৫)
22 - كتاب (الأحاديث التى خولف فيها الإمام مالك) يحققه الأستاذ موفق بن عبد الله لنيل شهادة الدكتوراه، من جامعة الإمام محمد بن سعد بالرياض.

23 - كتاب (سؤالات الحاكم النيسابوري للدارقطني) مطبوع.

24 - كتاب (سؤالات حمزة بن يوسف السهمى للدارقطني)

مطبوع.

25 - كتاب (السؤالات لأبى عبد الرحمن السلمى للدارقطني) منه مخطوط بمعهد المخطوطات بمصر، يسر الله لنا تحقيقه.

26 - كتاب (فضائل الصحابة ومناقبهم) فؤاد سركين (1 / 515) .

27 - كتاب (أخبار عمرو بن عبيد) المصدر السابق.

28 - كتاب (في بيان نزول الجبار كل ليلة رمضان، وليلة النصف من شعبان، ويوم عرفات إلى سماء الدنيا) المصدر السابق.

29 - كتاب (الإخوة والأخوات) أشار إليه الحافظ في التهذيب (8 / 421) وفؤاد سزكين (1 / 515) في تاريخ التراث العربي.

30 - كتاب (فيه أربعون حديثا من مسند بريد بن عبد الله ابن أبي بردة) أشار إليه فؤاد سزكين في المصدر السابق.

31 - كتاب (الأحاديث الرباعيات) المصدر السابق.
22 - কিতাব (আল-আহাদিসুল্লাতি খুলিফা ফিহিল ইমাম মালিক—যেসব হাদীসে ইমাম মালিকের বিরোধিতা করা হয়েছে), রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের জন্য এটি সম্পাদনা করছেন উস্তাদ মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ।

23 - কিতাব (দারাকুতনীর প্রতি আল-হাকিম আন-নিশাবুরীর প্রশ্নাবলী), এটি মুদ্রিত।

24 - কিতাব (দারাকুতনীর প্রতি হামজা বিন ইউসুফ আস-সাহমীর প্রশ্নাবলী)

মুদ্রিত।

25 - কিতাব (দারাকুতনীর প্রতি আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামীর প্রশ্নাবলী), মিশরের পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, আল্লাহ আমাদের জন্য এর সম্পাদনা সহজ করে দিন।

26 - কিতাব (সাহাবীদের মর্যাদা ও গুণাবলী), ফুয়াদ সেজগিন (১ / ৫১৫)।

27 - কিতাব (আমর বিন উবাইদের সংবাদ), পূর্বোক্ত উৎস।

28 - কিতাব (প্রতি রমজান রজনী, শাবানের মধ্যবর্তী রজনী এবং আরাফার দিনে জাব্বার আল্লাহর দুনিয়ার আসমানে নেমে আসার বর্ণনায়), পূর্বোক্ত উৎস।

29 - কিতাব (আল-ইখওয়াতু ওয়াল আখাওয়াত—ভাই ও বোন), হাফিজ ইবনে হাজার আত-তাহজিব (৮ / ৪২১) গ্রন্থে এবং ফুয়াদ সেজগিন তারিখুত তুরাসিল আরাবি (১ / ৫১৫) গ্রন্থে এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

30 - কিতাব (যাতে বুরাইদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি বুরদার মুসনাদ থেকে চল্লিশটি হাদীস রয়েছে), ফুয়াদ সেজগিন পূর্বোক্ত উৎসে এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

31 - কিতাব (আল-আহাদিসুর রুবাইয়্যাত), পূর্বোক্ত উৎস।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৬)
32 - كتاب (تصحيف المحدثين) أشار إليه ابن خير الأشبيلي في فهرسة ما رواه عن شيوخه (481) .

33 - (حديث أبى إسحاق إبراهيم بن محمد المزكى النيسابوري عن شيوخه) المصدر السابق.

34 - كتاب (المدبج) المصدر السابق (487) .

35 - جزء (الجهر بالبسملة في الصلاة) أشار إليه الفخر

الرازي في كتاب (أحكام البسملة) بتحقيقنا، وانظر: تدريب الراوى (3 / 336) .

36 - كتاب (المستجاد من الحديث) أشار إليه حاجى خليفة في كشف الظنون (55) .

37 - كتاب (سؤالات أبى نعيم للدارقطني) مقدمة أطراف الغرائب، للمقدسي، مخطوطة بدار الكتب المصرية.

38 - كتاب (سؤالات أبى ذر عبد بن أحمد الهروي للدارقطني) المصدر السابق.

39 - كتاب (سؤالات عبد الغنى بن سعيد الأزدي للدارقطني) المصدر السابق.

40 - كتاب (القراءات) ذكره الخطيب (12 / 34) في تاريخه، وقال عنه: سمعت بعض من يعتنى بعلوم القرآن يقول: لم يسبق أبو الحسن إلى طريقته التى سلكها في عقد الأبواب المقدمة في أول القراءات، وصار القراءة بعده يسلكون طريقته في تصانيفهم، ويحذون حذوه.
32 - কিতাব (তাসহিফুল মুহাদ্দিসিন); ইবনে খাইর আল-ইশবিলি তার শায়খদের থেকে যা বর্ণনা করেছেন তার فهرسة বা তালিকায় (৪৮১) এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

33 - (আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-মুযাক্কি আন-নিশাপুরি এর হাদিস যা তিনি তার শায়খদের থেকে বর্ণনা করেছেন) পূর্বোক্ত উৎস।

34 - কিতাব (আল-মুদাব্বাজ) পূর্বোক্ত উৎস (৪৮৭)।

35 - জুয (সালাতে সশব্দে বিসমিল্লাহ পাঠ); ফখর আল-রাজি আমাদের সম্পাদিত (আহকামুল বিসমিল্লাহ) গ্রন্থে এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, এবং দেখুন: তাদরিবুর রাবি (৩ / ৩৩৬)।

36 - কিতাব (আল-মুস্তাজাদ মিনাল হাদিস); হাজি খলিফা কাশফুজ জুনুন (৫৫) গ্রন্থে এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

37 - কিতাব (দারাকুতনির নিকট আবু নুয়াইমের প্রশ্নাবলি) আল-মাকদিসি রচিত আতরাফুল গরাইব-এর ভূমিকা, মিসরীয় দারুল কুতুব-এ সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি।

38 - কিতাব (দারাকুতনির নিকট আবু যর আবদ ইবনে আহমদ আল-হারাউয়ির প্রশ্নাবলি) পূর্বোক্ত উৎস।

39 - কিতাব (দারাকুতনির নিকট আবদুল গনি ইবনে সাঈদ আল-আযদি-এর প্রশ্নাবলি) পূর্বোক্ত উৎস।

40 - কিতাব (আল-কিরাত); আল-খাতিব তার ইতিহাসে (১২ / ৩৪) এটি উল্লেখ করেছেন এবং এর সম্পর্কে বলেছেন: আমি উলূমুল কুরআন নিয়ে চর্চাকারী কাউকে বলতে শুনেছি যে, কিরাতের শুরুতে উপস্থাপিত অধ্যায়গুলো বিন্যাসের ক্ষেত্রে আবুল হাসান যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন, তার পূর্বে কেউ তা করেনি; আর পরবর্তী কিরাত বিশেষজ্ঞগণ তাদের রচনায় তার পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন এবং তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৭)
41 - كتاب (الضعفاء والمتروكين) مطبوع أكثر من طبعة.

42 - كتاب (الجرح والتعديل) نسبه له ابن حجر في التهذيب (2 / 14) ، (5 / 267، 268) .

43 - كتاب (غرائب مالك) نسبه له ابن حجر في اللسان (4 / 60، 77) .

44 - (الذيل على التاريخ الكبير للبخاري) نسبه له السخاوى

في كتابه الإعلان بالتوبيخ (220، 222) .

45 - كتاب (ذكر من روى عن الشافعي) نسبه له أبو إسحاق الشيرازي في كتابه (طبقات الفقهاء) (103) .

(5) ثناء العلماء على الدارقطني:

* * قال الخطيب البغدادي رحمه الله: (كان فريد عصره، وقريع دهره، ونسيج وحده، وإمام وقته، انتهى إليه علم الأثر والمعرفة بعلل الحديث، وأسماء الرجال، وأحوال الرواة، مع الصدق والأمانة، والفقه والعدالة، وقبول الشهادة، وصحة الاعتقاد، وسلامة المذهب، والاضطلاع بعلوم سوى علم الحديث منها القراءات، والمعرفة بمذاهب الفقهاء، ومنها المعرفة بالأدب والشعر) .

* * وقال أبو عبد الله الحاكم في كتاب (مزكى الأخبار) : (أبو الحسن صار واحد عصره في الحفظ والفهم والورع، وإماما في القراء، والنحويين، وكان أحد الحفاظ) .
৪১ - (আদ-দুয়াফা ওয়াল-মাতরুকিন) বইটি একাধিক সংস্করণে মুদ্রিত হয়েছে।

৪২ - (আল-জারহ ওয়াত-তাদিল) বইটি ইবনে হাজার 'আত-তাহজিব' (২ / ১৪), (৫ / ২৬৭, ২৬৮) গ্রন্থে তাঁর প্রতি নিসবত করেছেন।

৪৩ - (গারাইবে মালিক) বইটি ইবনে হাজার 'আল-লিসান' (৪ / ৬০, ৭৭) গ্রন্থে তাঁর প্রতি নিসবত করেছেন।

৪৪ - (আয-যাইল আলাত তারিখিল কাবির লিল-বুখারি) বইটি আস-সাখাভি

তাঁর 'আল-ইলান বিত-তাওবিখ' (২২০, ২২২) গ্রন্থে তাঁর প্রতি নিসবত করেছেন।

৪৫ - (জিকরু মান রাওয়া আনিশ শাফেয়ি) বইটি আবু ইসহাক আশ-শিরাজি তাঁর 'তাবাকাতুল ফুকাহা' (১০৩) গ্রন্থে তাঁর প্রতি নিসবত করেছেন।

(৫) দারাকুতনির প্রশংসায় ওলামায়ে কেরাম:

* * খতিব আল-বাগদাদি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: (তিনি ছিলেন তাঁর যুগের অদ্বিতীয়, সমকালের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব, অনন্যসাধারণ এবং নিজ সময়ের ইমাম। আছার (সনদভিত্তিক বর্ণনা) সংক্রান্ত জ্ঞান এবং হাদিসের ইল্লত (সূক্ষ্ম ত্রুটি), আসমাউর রিজাল ও বর্ণনাকারীদের অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান তাঁর কাছে এসেই সমাপ্ত হয়েছে। এর সাথে তাঁর ছিল সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ফিকহ ও ন্যায়পরায়ণতা, সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা, আকিদার বিশুদ্ধতা, মাজহাবের সঠিকতা এবং হাদিস শাস্ত্র ছাড়াও কিরাত, ফুকাহাদের মাজহাব এবং সাহিত্য ও কাব্যচর্চার মতো অন্যান্য বিদ্যায় অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল।) .

* * এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম 'মুযাক্কিল আখবার' গ্রন্থে বলেছেন: (আবুল হাসান হিফজ, সমঝ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে নিজ যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। কিরাত বিশেষজ্ঞ ও ব্যাকরণবিদদের মাঝে তিনি ছিলেন একজন ইমাম এবং তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান হাফেজ।) .
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
* * وقال الأزهري رحمه الله: (كان الدارقطني ذكيا، إذا ذكر شيئا من العلم - أي نوع كان - وجد عنده منه نصيب وافر) .

* * وقال أبو الطيب الطبري رحمه الله: (كان الدارقطني أمير المؤمنين في الحديث) .

* * وقال عبد الغنى الأزدي رحمه الله: (أحسن الناس كلاما على حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة: ابن

المدينى في وقته، وموسى بن هارون في وقته، والدارقطني في وقته) .

* * وقال شمس الدين الذهبي رحمه الله: (إمام حافظ، مجود، شيخ الإسلام، علم الجهابذة، صنف التصانيف، وسار ذكره في الدنيا، وكان من بحور العلم، ومن أئمة الدنيا، انتهى إليه الحفظ، ومعرفة علل الحديث ورجاله، مع التقدم في القراءات، وطرقها، وقوة المشاركة في الفقه، والاختلاف، والمغازى، وأيام الناس) .

* * وقال السمعاني رحمه الله: (كان أحد الحفاظ المتقنين المكثرين، وكان يضرب به المثل في الحفظ) .

* * وقال ابن الجوزى رحمه الله: (اجتمع له مع معرفة الحديث والعلم بالقراءات، النحو والفقه والشعر مع الإمامة والعدالة، وصحة العقيدة) .
* * আল-আযহারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (আদ-দারা কুতনী অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন; যখনই কোনো ইলম বা জ্ঞান—তা যে বিষয়েরই হোক না কেন—উল্লেখ করা হতো, তাঁর নিকট সে বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান পাওয়া যেত।)

* * আবুুত তাইয়্যিব আত-তাবারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (আদ-দারা কুতনী ছিলেন হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন।)

* * আব্দুল গনী আল-আযদী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদীস সম্পর্কে সবচেয়ে সুন্দর আলোচনা করতে পারেন এমন ব্যক্তি তিনজন: ইবনে

আল-মাদীনী তাঁর নিজ সময়ে, মূসা ইবনে হারূন তাঁর নিজ সময়ে এবং আদ-দারা কুতনী তাঁর নিজ সময়ে।)

* * শামসুদ্দীন আয-যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (তিনি ছিলেন ইমাম, হাফেজ, মুজাওউইদ, শাইখুল ইসলাম এবং প্রাজ্ঞ আলিমদের পথিকৃৎ। তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তাঁর খ্যাতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি ছিলেন ইলমের সমুদ্র এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইমামদের অন্তর্ভুক্ত। মুখস্থ করার পারদর্শিতা এবং হাদীসের ইল্লাত (ত্রুটি) ও রাবীগণের (বর্ণনাকারী) পরিচিতির ক্ষেত্রে তাঁর জ্ঞান ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ের। এর পাশাপাশি তিনি ক্বিরাআত ও এর পদ্ধতিসমূহ, ফিকহ ও মতপার্থক্যমূলক মাসআলা এবং মাগাযী (যুদ্ধসমূহ) ও ইতিহাসের জ্ঞানেও অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন।)

* * আস-সামআনী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিখুঁত ও অধিক হাদীস বর্ণনাকারী হাফেজদের একজন, আর মুখস্থ রাখার শক্তির ক্ষেত্রে তিনি প্রবাদতুল্য ছিলেন।)

* * ইবনুল জাওযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (হাদীস ও ক্বিরাআতের ইলমের সাথে সাথে তাঁর মাঝে নাহু (ব্যাকরণ), ফিকহ ও কবিতার সমন্বয় ঘটেছিল; সেই সাথে তাঁর মাঝে নেতৃত্ব, ন্যায়পরায়ণতা এবং বিশুদ্ধ আকীদার সমাবেশ ঘটেছিল।)
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
* * وقال ابن كثير رحمه الله: (من الحفاظ الأفراد، والأئمة النقاد، والجهابذة الجياد، إمام دهره في أسماء الرجال، وصناعة التعليل، والجرح والتعديل، وحسن التصنيف والتأليف، واتساع الرواية، والاضطلاع التام في الدراية، وكان من صغره موصوفا بالحفظ الباهر، والفهم الثاقب، والبحر الزاخر) .

* * وقال ابن العماد الحنبلى رحمه الله: (الحافظ الكبير، الإمام، شيخ الإسلام، إليه النهاية في معرفة

الحديث وعلومه، وكان يدعى فيه أمير المؤمنين) .

* * وقال حمزة الدقاق في أبى الحسن الدارقطني شعرا، منه قوله: جعلناك فيما بيننا ورسولنا * وسيطا فلم تظلم ولم تتحوب فأنت الذى لولاك لم يعرف الورى * ولو جهدوا ما صدق من مكذب (6) وفاته: هكذا بعد هذه الحياة الحافلة بخدمة السنة النبوية، والذب عنها، صعدت الروح الطيبة إلى بارئها، ليجزيها خير الجزاء وأحسنه.

ففى سنة خمس وثمانين وثلاثمائة هجرية، ارتحل الإمام الدارقطني عن دنيانا إلى دار الآخرة، وإن بقى حيا بيننا بأعماله الطيبة.

ولقد رؤى له بعد موته ما يجعل المرء يستبشر بما آل إليه حاله.

قال العالم العلامة، الحبر ابن ماكولا رحمه الله: رأيت في المنام ليلة من ليالى شهر رمضان كأنى أسأل عن حال أبى الحسن الدارقطني في الآخرة، وما آل إليه أمره؟ فقيل لى: ذاك يدعى في الجنة بالإمام.
এবং ইবনে কাসির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: (তিনি অনন্য হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত, সমালোচক ইমামদের মধ্য হতে এবং শ্রেষ্ঠ প্রাজ্ঞদের একজন। আসমাউর রিজাল (বর্ণনাকারীদের পরিচিতি), ত্রুটি নির্ণয় বিদ্যা, জারহ ও তা’দিল (সমালোচনা ও গুণাবলি যাচাই), চমৎকার শ্রেণিবিন্যাস ও রচনা, বর্ণনার ব্যাপকতা এবং বিশ্লেষণাত্মক জ্ঞানে পূর্ণ পারদর্শিতার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন নিজ যুগের ইমাম। শৈশব থেকেই তিনি বিস্ময়কর স্মৃতিশক্তি, তীক্ষ্ণ মেধা এবং কূলহীন সমুদ্রতুল্য জ্ঞানের অধিকারী হিসেবে গুণান্বিত ছিলেন।)

এবং ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: (তিনি মহান হাফেজ, ইমাম, শাইখুল ইসলাম। হাদীস এবং এর জ্ঞানসমূহে তিনি চূড়ান্ত পারঙ্গমতায় পৌঁছেছিলেন এবং এই শাস্ত্রে তাঁকে আমিরুল মুমিনীন বলা হতো।)

এবং হামযা আদ-দাক্কাক আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী সম্পর্কে কবিতা বলেছেন, যার কিছু অংশ হলো: আমরা আপনাকে আমাদের এবং আমাদের রাসূলের মাঝে মধ্যস্থতাকারী বানিয়েছি, ফলে আপনি কোনো জুলুম করেননি এবং পাপে লিপ্ত হননি। আপনিই সেই ব্যক্তি, যদি আপনি না থাকতেন তবে সৃষ্টিজগৎ জানত না— তারা শত চেষ্টা করলেও— মিথ্যাবাদীর হাত থেকে সত্যবাদীকে আলাদা করতে পারত না। (৬) তাঁর মৃত্যু: সুন্নাতে নববীর খিদমত এবং তার প্রতিরক্ষায় মুখর এই জীবনের পর, পবিত্র আত্মা তার স্রষ্টার নিকট আরোহণ করেছে, যাতে তিনি তাকে উত্তম ও সুন্দরতম প্রতিদান দান করেন।

অতঃপর ৩৮৫ হিজরী সনে ইমাম দারা কুতনী আমাদের এই দুনিয়া থেকে আখিরাতের আবাসে পাড়ি জমান, যদিও তিনি তাঁর নেক আমলগুলোর মাধ্যমে আমাদের মাঝে জীবিত রয়েছেন।

তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে এমন স্বপ্ন দেখা গিয়েছে যা মানুষকে তাঁর পরিণতির শুভ সংবাদ প্রদান করে।

বিজ্ঞ আলিম ও পণ্ডিত ইবনে মাকুলা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: আমি রমযান মাসের এক রাতে স্বপ্নে দেখলাম যে, যেন আমি আখিরাতে আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীর অবস্থা এবং তাঁর পরিণতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছি। তখন আমাকে বলা হলো: জান্নাতে তাঁকে ‘ইমাম’ বলে ডাকা হয়।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২০)
أورده هذه الحكاية الخطيب البغدادي في تاريخه (12 / 40) بسنده، والله أعلم.

ولمزيد من التفصيل فعليك بالرجوع إلى المراجع والمصادر التالية: - 1 - تاريخ بغداد: (12 / 34) .

2 - الأنساب للسمعاني: (2 / 438) .

3 - وفيات الأعيان: (3 / 297) .

4 - تذكرة الحفاظ: (3 / 991) .

5 - العبر: (3 / 28) .

6 - البداية والنهاية: (11 / 317) .

7 - سير أعلام النبلاء: (16 / 449) .

8 - النجوم الزاهرة: (4 / 172) .

9 - شذرات الذهب: (3 / 116) .

10 - هداية العارفين: (1 / 683) .

وغيرها.
খতিব আল-বাগদাদি তাঁর তারিখে (১২ / ৪০) তাঁর সনদে এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আরও বিস্তারিত বিবরণের জন্য আপনাকে নিম্নোক্ত রেফারেন্স এবং উৎসসমূহের শরণাপন্ন হতে হবে: - ১ - তারিখ বাগদাদ: (১২ / ৩৪) ।

২ - সামআনি রচিত আল-আনসাব: (২ / ৪৩৮) ।

৩ - ওফায়াতুল আইয়ান: (৩ / ২৯৭) ।

৪ - তাজকিরাতুল হুফফাজ: (৩ / ৯৯১) ।

৫ - আল-ইবার: (৩ / ২৮) ।

৬ - আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: (১১ / ৩১৭) ।

৭ - সিয়ারু আলামিন নুবালা: (১৬ / ৪৪৯) ।

৮ - আন-নুজুমুজ জাহিরা: (৪ / ১৭২) ।

৯ - শাজারাতুজ জাহাব: (৩ / ১১৬) ।

১০ - হিদায়াতুল আরিফিন: (১ / ৬৮৩) ।

এবং অন্যান্য।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌[التعريف بالإمام أبى بكر البرقانى]

(1) نسبه ونشأته: هو الإمام العلامة، الفقيه، الحافظ الثبت، شيخ الفقهاء، والمحدثين، أبو بكر، أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب، الخوارزمي، ثم البرقانى، الشافعي، صاحب التصانيف.

والبرقاني: بفتح الباء، نسبة إلى قرية من قرى كاث بنواحي خوارزم، خرب أكثرها.

بدأ في السماع سنة خمسين وثلاثمائة بخوارزم، ثم ورد بغداد، فسمع مع كبار العلماء بها، وارتحل إلى جرجان، وإسفرايين، ونيسابور، وهراة، ومرو، ثم عاد إلى بغداد فاستوطنها وحدث بها، وكان حريصا على العلم، منصرف الهمة إليه.

(2) شيوخه الذين تلقى عنهم: في خوارزم سمع من: ابن حمدان الحيرى، ومحمد بن الضريس، وغيرهما.

وفى هراة سمع من: أبى الفضل بن خميرويه، وبجرجان من الإمام أبى بكر الإسماعيلي، وفى بغداد سمع من: أبى على بن الصواف، ومحمد بن جعفر البندار، وأبى بكر القطيعى، وابن

كيسان، وغيرهم.

وفى دمشق سمع من: أبى بكر بن أبى حديد، وبمصر من الحافظ عبد الغنى، وعبد الرحمن بن عمر المالكى، وبنيسابور من أبى عمرو ابن حمدان، وأبى أحمد الحاكم.
[ইমাম আবু বকর আল-বারকানির পরিচিতি]

(১) তাঁর বংশপরিচয় ও বেড়ে ওঠা: তিনি হলেন ইমাম, আল্লামা, ফকিহ, নির্ভরযোগ্য হাফিজ, ফকিহ ও মুহাদ্দিসগণের শাইখ, আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে গালিব, আল-খাওয়ারিজমি, অতঃপর আল-বারকানি, আশ-শাফিঈ, বহু গ্রন্থের প্রণেতা।

আর বারকানি: ‘বা’ বর্ণে জবর (ফাতহা) সহকারে, এটি খাওয়ারিজম অঞ্চলের কাছ্-এর পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যার অধিকাংশ বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত।

তিনি ৩৫০ হিজরি সনে খাওয়ারিজমে হাদিস শ্রবণ শুরু করেন। অতঃপর তিনি বাগদাদে আগমন করেন এবং সেখানকার বড় বড় আলেমদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি জুরজান, ইসফারায়িন, নিশাপুর, হেরাত ও মার্ভ সফর করেন। এরপর পুনরায় বাগদাদে ফিরে এসে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি ইলম অর্জনে অত্যন্ত আগ্রহী এবং এর প্রতি নিবিষ্ট ছিলেন।

(২) তাঁর শাইখগণ যাঁদের নিকট থেকে তিনি ইলম লাভ করেছেন: খাওয়ারিজমে তিনি ইবন হামদান আল-হাইরি, মুহাম্মদ ইবন আদ-দারিস এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।

হেরাতে তিনি আবুল ফজল ইবন খুমায়রাওয়াইহ-এর নিকট থেকে, জুরজানে ইমাম আবু বকর আল-ইসমাঈলির নিকট থেকে এবং বাগদাদে আবু আলি ইবন আস-সাওয়াফ, মুহাম্মদ ইবন জাফর আল-বিন্দার, আবু বকর আল-কাতিয়ী, ইবন

কায়সান ও অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।

দামেস্কে তিনি আবু বকর ইবন আবি হাদিদ-এর নিকট থেকে, মিশরে হাফিজ আব্দুল গনি ও আব্দুর রহমান ইবন উমর আল-মালিকির নিকট থেকে এবং নিশাপুরে আবু আমর ইবন হামদান ও আবু আহমদ আল-হাকিম-এর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২২)
(3) تلاميذه الذين أخذوا عنه: حدث عنه جم غفير، فلقد حدث عنه: أبو عبد الله الصوري، وأبو بكر البيهقى، والفقيه أبو إسحاق الشيرازي، وسليمان بن إبراهيم الحافظ، وأبو القاسم على بن أبى العلاء المصيصى، وأبو طاهر أحمد بن الحسن الكرجى، وأبو الفضل بن خيرون، ويحيى بن بندار البقال، ومحمد بن عبد السلام الأنصاري، واستوطن بغداد دهرا طويلا، فجاء إليه الطلاب من كل البلدان.

(4) ثناء العلماء عليه: قال الخطيب البغدادي رحمه الله وهو من تلاميذ البرقانى: (كان البرقانى ثقة ورعا، ثبتا فهما، لم نر في شيوخنا أثبت منه، عارفا بالفقه، له حظ من علم العربية، كثير الحديث) .

وقال محمد بن يحيى الكرماني الفقيه: (ما رأيت في أصحاب الحديث أكثر عبادة من البرقانى) .

وقال السمعاني رحمه الله: (الفقيه، الحافظ، الأديب، الشاعر، كانت له معرفة تامة بالحديث) .

وقال الأزهري رحمه الله:

(إذا مات البرقانى ذهب هذا الشأن، وما رأيت أتقن منه) .

وقال الإسنوى رحمه الله: (كان إماما، حافظا، ورعا مجتهدا في العبادة، حافظا للقرآن) .
(৩) তাঁর ছাত্রগণ যারা তাঁর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন: তাঁর থেকে এক বিশাল জনসমষ্টি বর্ণনা করেছেন। নিশ্চয়ই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আস-সুরী, আবু বকর আল-বায়হাকী, আল-ফকীহ আবু ইসহাক আশ-শিরাজী, সুলাইমান বিন ইবরাহীম আল-হাফিজ, আবুল কাসিম আলী বিন আবিল আলা আল-মাসিসী, আবু তাহির আহমদ বিন আল-হাসান আল-কারজী, আবুল ফজল বিন খায়রুন, ইয়াহইয়া বিন বান্দার আল-বাক্কাল এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুস সালাম আল-আনসারী। তিনি দীর্ঘকাল বাগদাদে বসবাস করেছেন, ফলে সকল দেশ থেকে ছাত্ররা তাঁর কাছে আসত।

(৪) তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা: আল-খতীব আল-বাগদাদী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন—আর তিনি আল-বারকানীর ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—: (আল-বারকানী ছিলেন নির্ভরযোগ্য, পরহেযগার, সুদৃঢ় ও প্রজ্ঞাবান। আমরা আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে তাঁর চেয়ে অধিক সুদৃঢ় আর কাউকে দেখিনি। তিনি ফিকহ শাস্ত্র সম্পর্কে অবগত ছিলেন, আরবী সাহিত্যে তাঁর বিশেষ দখল ছিল এবং তিনি প্রচুর হাদীস বর্ণনাকারী ছিলেন)।

এবং ফকীহ মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-কিরমানী বলেন: (আমি হাদীস শাস্ত্রের অনুসারীদের মধ্যে আল-বারকানীর চেয়ে অধিক ইবাদতগুজার আর কাউকে দেখিনি)।

এবং আস-সামআনী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: (তিনি ছিলেন একজন ফকীহ, হাফিজ, সাহিত্যিক ও কবি। হাদীস শাস্ত্রে তাঁর পূর্ণ জ্ঞান ছিল)।

এবং আল-আযহারী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন:

(যদি আল-বারকানী মারা যান তবে এই জ্ঞানধারা বিদায় নেবে; আর আমি তাঁর চেয়ে অধিক নিখুঁত পারদর্শী আর কাউকে দেখিনি)।

এবং আল-ইসনাভী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: (তিনি ছিলেন একজন ইমাম, হাফিজ, পরহেযগার, ইবাদতে কঠোর পরিশ্রমী এবং কুরআনের হাফিজ)।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
(5) شعره: يغلب عليه سمة شعر العلماء من ناحية خصائصه الشعرية، ولعل من أقرب الأبيات لاتى توضح لنا هذا الاتجاه، وهى أشهر ما تركه من شعره: أعلل نفسي بكتب الحديث * وأجمل فيه لها الموعدا وأشغل نفسي بتصنيفه * وتخريجه دائما سرمدا فطورا أصنفه في الشيو * خ وطورا أصنفه مسندا وأقفوا البخاري فيما نحا * وصنفه جاهدا مجهدا ومسلم إذ كان زين الأنا * م بتصنيفه مسلما مرشدا ومالى فيه سوى أننى * أراه هوى صادف المقصدا وأرجو الثواب بكتب الصلا * ة على السيد المصطفى أحمدا وأسأل ربى إله العبا * د جريا على ما به عودا (6) مؤلفاته العلمية: 1 - المسند: ملخص لصحيح البخاري ومسلم، نسبه له أكثر من عالم كالذهبي، والبغدادي، وغيرهما.

له نسخة مخطوطة في آصفية 1 / 67، حديث 5959، مكتوبة سنة 1131 هـ.

2 - التخريج لصحيح الحديث.

مخطوط في شستربيتي 3890،

في (10) ورقات، مكتوبة بخط 709 هـ.

3 - سؤالات أبى بكر البرقانى للدارقطني، هو الكتاب الذى بين أيدينا.
(৫) তাঁর কবিতা: কাব্যিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে তাঁর কবিতার ওপর আলেমদের কবিতার বৈশিষ্ট্যই প্রবল। সম্ভবত এই ধারার সবচেয়ে নিকটবর্তী পঙ্ক্তিগুলো, যা তাঁর কবিতার মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ, তা হলো: আমি হাদিসের কিতাবসমূহ দ্বারা নিজের মনকে প্রবোধ দেই * এবং তাতে তার জন্য উত্তম প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করি। আমি সর্বদা নিজেকে এর সংকলন * এবং এর উৎস উদ্ধারের (তাখরিজ) কাজে নিমগ্ন রাখি। কখনো আমি একে শাইখদের বিন্যাসে সংকলন করি * আবার কখনো একে মুসনাদ হিসেবে সাজাই। ইমাম বুখারি যে পথ ধরেছেন আমি তাঁরই অনুসরণ করি * যা তিনি কঠোর সাধনায় সংকলন করেছেন। এবং ইমাম মুসলিমকেও অনুসরণ করি, যিনি আপন সংকলনের মাধ্যমে সৃষ্টির অলংকার ছিলেন * এবং এক সত্যনিষ্ঠ পথপ্রদর্শক ছিলেন। এতে আমার উদ্দেশ্য কেবল এটিই যে * আমি একে এমন এক ভালোবাসা হিসেবে দেখি যা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দেখা পেয়েছে। আমি সৃষ্টির নেতা মুস্তফা আহমাদ-এর প্রতি দরুদ ও সালাম লিখার মাধ্যমে * সওয়াবের আশা করি। আর আমি বান্দাদের ইলাহ আমার রবের কাছে প্রার্থনা করি * সেই বিষয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে যাতে তিনি আমাকে অভ্যস্ত করেছেন। (৬) তাঁর ইলমি রচনাবলি: ১ - আল-মুসনাদ: এটি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের সংক্ষিপ্তসার। ইমাম জাহাবি, বাগদাদি এবং অন্যান্য একাধিক আলেম এটি তাঁর রচিত বলে উল্লেখ করেছেন।

আসিফিয়্যাহ গ্রন্থাগারে (১/৬৭, হাদিস ৫৯৫৯) এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যা ১১৩১ হিজরিতে অনুলিপি করা হয়েছে।

২ - আত-তাখরিজ লি-সহিহিল হাদিস।

চেস্টার বিটি (৩৮৯০) সংকলনে এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে,

১০ পৃষ্ঠার এই পাণ্ডুলিপিটি ৭০৯ হিজরি সালের হস্তলিপিতে লিখিত।

৩ - সুআলাত আবু বকর আল-বারকানি লিদ-দারাকুতনি; এটি সেই কিতাব যা বর্তমানে আমাদের সামনে (সম্পাদনার জন্য) রয়েছে।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৪)
4 - ذكر أصحاب التراجم أنه جمع أحاديث الثوري، ومسعر وغيرهما.

(7) وفاته: مات رحمه الله في أول رجب سنة خمس وعشرين وأربعمائة في بغداد.

ولمزيد من التفصيل عن ترجمة الشيخ عليك بالرجوع إلى المراجع التالية: 1 - تاريخ بغداد: (4 / 373) .

2 - الأنساب للسمعاني: (2 / 156) .

3 - تذكرة الحفاظ: (3 / 1074) .

4 - العبر: (3 / 156) .

5 - الوافى بالوفيات: (7 / 331) .

6 - البداية والنهاية: (12 / 36) .

7 - سير أعلام النبلاء: (17 / 464) .

8 - شذرات الذهب: (3 / 228) .

9 - هدية العارفين: (1 / 74) .

10 - تاريخ التراث العربي: (1 / 384) .
৪ - জীবনীকারগণ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সাওরি, মিসআর এবং অন্যদের হাদিসগুলো সংকলন করেছেন।

(৭) তাঁর মৃত্যু: তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) চারশত পঁচিশ হিজরি সনের রজব মাসের শুরুতে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।

শাইখের জীবনী সম্পর্কে অধিকতর বিস্তারিত বিবরণের জন্য আপনাকে নিম্নোক্ত উৎসগ্রন্থগুলোর শরণাপন্ন হতে হবে: ১ - তারিখু বাগদাদ: (৪ / ৩৭৩)।

২ - সামআনির আল-আনসাব: (২ / ১৫৬)।

৩ - তাযকিরাতুল হুফফাজ: (৩ / ১০৭৪)।

৪ - আল-ইবার: (৩ / ১৫৬)।

৫ - আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত: (৭ / ৩৩১)।

৬ - আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: (১২ / ৩৬)।

৭ - সিয়ারু আলামিন নুবালা: (১৭ / ৪৬৪)।

৮ - শাযারাতুয যাহাব: (৩ / ২২৮)।

৯ - হাদিয়াতুল আরিফিন: (১ / ৭৪)।

১০ - তারিখুত তুরাসিল আরাবি: (১ / ৩৮৪)।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌[وصف مخطوطات الكتاب]

وتوثيق نسبتها للمصنف لعل هذه السؤالات تعد من أوثق السؤالات نسبة إلى الإمام الدارقطني، رحمه الله، فلقد اقتبس الحفاظ والمحدثون في كتبهم منها، ونقلوا في كلامهم عن رواة الأحاديث كلام الإمام الدارقطني عن طريق ترميذة البرقانى.

بل لقد ذكرها بعضهم بسنده إلى الإمام البرقانى، كما حدث من الخطيب البغدادي في تاريخه، ونقل بعضهم تلك الآراء، وعزاها إلى الدارقطني ذاكرا أن تلميذة البرقانى هو الذى قام بنقلها، وحدث ذلك من الحافظ الذهبي، وابن حجر.

فعلى سبيل المثال: نقل الحافظ البغدادي من تلك السؤالات في المواضع التالية من تاريخه: (4 / 24) ، (5 / 22) ، (12 / 396) ، (13 / 220) .

ونقل الإمام الذهبي في سير أعلام النبلاء في المواضع التالية: (12 / 15) ، (14 / 99) ، (15 / 354) ، وفى الميزان في المواضع التالية: (3 / 344) ، (4 / 574) ، ونقل الإمام ابن حجر العسقلاني في تهذيبه في المواضع التالية: (1 / 15) ، (1 / 113) ، (1 / 312) ، (2 / 19) ، (3 / 253) ، (6 / 163) ، (8 / 260) ، (9 / 501) ، (10 / 125) ، (10 / 159) ، (10 / 398) ، (11 / 305) ، (12 / 15) ، وفى لسان الميزان في المواضع التالية: (1 / 264) ، (4 / 213) ، (7 / 108) .
[গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ]

এবং গ্রন্থকারের প্রতি এর সম্বন্ধের প্রামাণিকতা; সম্ভবত এই সুয়ালাত (প্রশ্নোত্তরসমূহ) ইমাম দারাকুতনী (রহিমাহুল্লাহ)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত সুয়ালাতগুলোর মধ্যে অন্যতম নির্ভরযোগ্য। কেননা হাফেজ ও মুহাদ্দিসগণ তাঁদের গ্রন্থসমূহে এটি থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন এবং হাদীস বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে ইমাম দারাকুতনীর বক্তব্য তাঁরা তাঁর ছাত্র আল-বারকানীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এমনকি তাঁদের কেউ কেউ ইমাম বারকানী পর্যন্ত নিজস্ব সনদে এটি উল্লেখ করেছেন, যেমনটি খতিব বাগদাদী তাঁর ‘তারিখ’-এ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ সেই মতগুলো বর্ণনা করেছেন এবং সেগুলো ইমাম দারাকুতনীর প্রতি সম্বন্ধ করেছেন এই উল্লেখসহ যে, তাঁর ছাত্র আল-বারকানী তা বর্ণনা করেছেন; আর হাফেজ যাহাবী ও ইবনে হাজারও অনুরূপ করেছেন।

উদাহরণস্বরূপ: হাফেজ বাগদাদী তাঁর ‘তারিখ’-এর নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে এই সুয়ালাত থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন: (৪ / ২৪), (৫ / ২২), (১২ / ৩৯৬), (১৩ / ২২০)।

এবং ইমাম যাহাবী ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’-এর নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে উদ্ধৃতি দিয়েছেন: (১২ / ১৫), (১৪ / ৯৯), (১৫ / ৩৫৪); এবং ‘মিজান’-এর নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে: (৩ / ৩৪৪), (৪ / ৫৭৪)। আর ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী তাঁর ‘তাহযীব’-এর নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে বর্ণনা করেছেন: (১ / ১৫), (১ / ১১৩), (১ / ৩১২), (২ / ১৯), (৩ / ২৫৩), (৬ / ১৬৩), (৮ / ২৬০), (৯ / ৫০১), (১০ / ১২৫), (১০ / ১৫৯), (১০ / ৩৯৮), (১১ / ৩০৫), (১২ / ১৫); এবং ‘লিসানুল মিজান’-এর নিম্নোক্ত স্থানগুলোতে: (১ / ২৬৪), (৪ / ২১৩), (৭ / ১০৮)।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৬)
وهذا يبين على سبيل التمثيل أهمية تلك السؤالات، ويوثق لنا من ناحية أخرى صحة نسبها إلى مصنفها، بل لقد ذكر أصحاب التراجم

- كما مر آنفا - أن البرقانى كان يسأل الدارقطني عن العلل، والجرح والتعديل، ويكتبها، إنما كان التعجب من كون الإمام الدارقطني يمليها من حفظه.

أما الكلام عن وصف نسخ الكتاب المخطوطة التى عثرنا عليها، فلقد عثرت بفضل الله على نسختين للكتاب، لكن اتضح أن الثانية مأخوذة، ومنسوخة عن الأول طبق الأصل، والفارق هو عامل الزمن فقط، وجودة الخط كما سنوضح.

أما المخطوطة الأولى فهى في (4) ورقات، أي في (8) صفحات، يوجد في كل صفحة من صفحاتها (27) سطرا في المتوسط، حيث أن بعض الصفحات تكون (28) سطرا، والبعض الآخر (27) سطرا، ما عدا الصفحة الأولى، فهى (22) سطرا، ولعل ذلك بسبب وجود عنوان الجزء بها، أما الصفحة الأخيرة فهى (33) سطرا، ويوجد في السطر - في الأعم الغالب - (17) كلمة في السطر الواحد.

توجد هذه المخطوطة برقم (1558) تحت رمز (حديث) على ميكروفيلم برقم (25059) ، وهى النسخة الأصلية، وقد كتبت بخط دقيق جدا، يصعب قراءته، فهو متداخل، تخلو كلماته في غالبها من النقاط.

وعليها سماعات كثيرة، منها في سنة 574 هـ على أبى طاهر السلفي، وكاتب السماع عبد الملك بن محمد بن أبى القاسم
এটি উদাহরণস্বরূপ সেই প্রশ্নগুলোর গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে এবং অন্যদিকে এর সংকলকের প্রতি এর সম্বন্ধের সঠিকতা আমাদের কাছে প্রামাণ্য করে তোলে। এমনকি জীবনীকারগণ উল্লেখ করেছেন—যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে—যে আল-বারকানি ইমাম আদ-দারাকুতনিকে হাদিসের ত্রুটি (ইলাল) এবং বর্ণনাকারীদের সমালোচনা ও সত্যায়ন (জারহ ওয়া তা’দিল) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন এবং সেগুলো লিখে রাখতেন; বিষ্ময় তো ছিল ইমাম আদ-দারাকুতনির এগুলো তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে লিখিয়ে দেওয়ার (ইমলা) বিষয়টির ওপর।

আমরা যে পাণ্ডুলিপিগুলো পেয়েছি সেগুলোর বর্ণনার ক্ষেত্রে বলতে হয়, আল্লাহর অনুগ্রহে আমি বইটির দুটি পাণ্ডুলিপি খুঁজে পেয়েছি। তবে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, দ্বিতীয়টি প্রথমটি থেকেই হুবহু নকল ও অনুলিপি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে পার্থক্য কেবল সময়ের ব্যবধান এবং হস্তাক্ষরের মান, যা আমরা পরে ব্যাখ্যা করব।

প্রথম পাণ্ডুলিপিটি ৪টি পত্রে, অর্থাৎ ৮টি পৃষ্ঠায় বিন্যস্ত। এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় গড়ে ২৭টি করে লাইন রয়েছে; যেখানে কিছু পৃষ্ঠায় ২৮টি লাইন এবং অন্যগুলোতে ২৭টি লাইন রয়েছে, তবে প্রথম পৃষ্ঠাটি এর ব্যতিক্রম, যাতে ২২টি লাইন আছে—সম্ভবত এটি খণ্ডের শিরোনাম থাকার কারণে। আর শেষ পৃষ্ঠাটি ৩৩ লাইনের, এবং প্রতিটি লাইনে সাধারণত গড়ে ১৭টি করে শব্দ রয়েছে।

এই পাণ্ডুলিপিটি ১৫৫৮ নম্বরে (হাদিস) প্রতীকের অধীনে ২৫০৫৯ নম্বর মাইক্রোফিল্মে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি মূল অনুলিপি এবং এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম হস্তাক্ষরে লেখা যা পড়া বেশ কঠিন; কারণ এটি অত্যন্ত ঘন ও জড়ানো এবং এর অধিকাংশ শব্দই সাধারণত নুকতাহীন।

এর ওপর অনেক শ্রবণ-লিপি (সামাআত) রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো ৫৭৪ হিজরি সনে আবু তাহির আস-সিলাফির নিকট শ্রুত হওয়ার লিপি এবং এই শ্রবণ-লিপির লেখক ছিলেন আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আবুল কাসিম।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
التوزرى، وفى سنة 617 هـ على الفخر محمد بن إبراهيم الفارسى،

وكات السماع الحافظ عبد العظيم المنذرى، وفى سنة 757 هـ على القاضى عز الدين عبد العزيز بن محمد، المعروف بابن جماعة، وذلك بالمدرسة الصالحية من القاهرة، وفى سنة 810 هـ على الشرق محمد بن محمد بن عبد اللطيف الكويك، وفى سنة 814 هـ.

ولقد جاءتنا هذه النسخة موثقة بسندها المتصل إلى المؤلف، كما سنبين ذلك في تحقيق الكتاب.

وهذه النسخة مكتوبة في القران الثامن الهجرى، وهى ضمن مجموعة، تأخذ فيها أرقام الصفحات من (539 - 546) .

أما النسخة الثانية، فهى مكتوبة بخط جميل، في سنة 1351 هجرية، الموافق سنة 1932 ميلادية، وقد نسخها الناسخ المشهور محمود عبد اللطيف فخر الدين النساخ بدار الكتب المصرية.

تقع تلك النسخة في (8) ورقات تقريبا، إذ أنها (17) صفحة، في كل صفحة (21) سطرا، وهى غير منقوطة في كثير من أسماء أعلامها إذ أنها مأخوذة عن النسخة الأولى، وتقع تحت رمز (ب) برقم (25580) ، على ميكرو فيلم (24148) .

وقد أرفقت في نهاية المقدمة صورا في المخطوطات المذكورة.
আত-তাওজারি, এবং ৬১৭ হিজরি সালে আল-ফাখর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-ফারিসির নিকট,

এবং শ্রবণকারী ছিলেন হাফিজ আব্দুল আজিম আল-মুনজিরি; এবং ৭৫৭ হিজরি সালে কাজি ইজ্জুদ্দিন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ, যিনি ইবনে জামা'আহ নামে পরিচিত, তাঁর নিকট কায়রোর আল-মাদরাসাতুস সালিহিয়্যাহ-তে; এবং ৮১০ হিজরি সালে আশ-শারিক মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল লতিফ আল-কুওয়াইক-এর নিকট, এবং ৮১৪ হিজরি সালে।

এই পাণ্ডুলিপিটি লেখকের নিকট পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন সনদে নির্ভরযোগ্যভাবে আমাদের কাছে পৌঁছেছে, যেমনটি আমরা কিতাবটির সম্পাদনায় বর্ণনা করব।

এই পাণ্ডুলিপিটি অষ্টম হিজরি শতাব্দীতে লিখিত এবং এটি একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে এর পৃষ্ঠা নম্বরগুলো হলো (৫৩৯ - ৫৪৬)।

দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপিটি সুন্দর হস্তাক্ষরে ১৩৫১ হিজরি মোতাবেক ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে লিখিত হয়েছে এবং এটি দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে প্রখ্যাত লিপিকার মাহমুদ আব্দুল লতিফ ফখরুদ্দিন আন-নাসসাখ অনুলিপি করেছেন।

এই পাণ্ডুলিপিটি প্রায় ৮টি পত্র সম্বলিত, কেননা এটি ১৭ পৃষ্ঠার; প্রতি পৃষ্ঠায় ২১টি করে লাইন রয়েছে। এতে অনেক ব্যক্তিনামের ক্ষেত্রে নুকতাহ বা বিন্দু দেওয়া হয়নি, কারণ এটি প্রথম পাণ্ডুলিপি থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এটি (খ) প্রতীকের অধীনে ২৫৫৮০ নম্বরে এবং মাইক্রোফিল্ম ২৪১৪৮-এ সংরক্ষিত।

আর আমি ভূমিকার শেষে উল্লিখিত পাণ্ডুলিপিগুলোর ছবি সংযুক্ত করেছি।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌[عملي في الكتاب]

1 - قمت بالمطابقة بين النسختين، ونسخت منهما نسخة واحدة، ثم راجعت بين المنسوخ والمخطوط لكى يحدث الضبط الكامل، ما أمكن إلى ذلك سبيلا.

2 - قمت بتخريج الأحاديث التى جاءت في الجزء، مع ذكر

درجتها، من خلال أقوال أهل الجرح والتعديل.

3 - ترجمت للأعلام الذين ورد ذكرهم في الكتاب، مع ذكر مصادر الترجمة لمن أراد الجروع إليها، والاستفادة، وتركت الترجمة لأعلام الصحابة لشهرتهم.

4 - ذكرت من خرج أقوال المصنف، أو استفاد منها.

5 - قدمت للكتاب بدارسة عن الكتاب، ومصنفه، ووصف نسخ الكتاب الخطية وتوثيقها.

6 - أعددت الفهارس العلمية التى تخدم الكتاب.

أخيرا..مع صفحات من تراثنا النفيس، مع كلام السلف الصالح، أترككم على رجاء بالتوفيق والسداد فيما قدمته، والحمد لله أولا وآخرا.

(مجدي فتحي السيد إبراهيم)
‌[গ্রন্থে আমার কাজ]

১ - আমি পাণ্ডুলিপির কপি দুটির মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করেছি এবং সেগুলো থেকে একটি অনুলিপি তৈরি করেছি। অতঃপর অনুলিপি ও মূল পাণ্ডুলিপির মধ্যে পুনরায় তুলনা করেছি যাতে যতটুকু সম্ভব পূর্ণাঙ্গ নির্ভুলতা অর্জিত হয়।

২ - আমি এই খণ্ডে আসা হাদিসগুলোর তাখরিজ (উৎস বর্ণনা) করেছি এবং 'জারহ ও তাদিল' (হাদিস বিশারদদের সমালোচনা ও প্রশংসা) শাস্ত্রের পণ্ডিতদের বক্তব্যের আলোকে সেগুলোর মান উল্লেখ করেছি।

৩ - আমি গ্রন্থে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রদান করেছি এবং যারা মূল উৎসের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে ও উপকৃত হতে চান তাদের জন্য তথ্যসূত্র উল্লেখ করেছি। আর সাহাবায়ে কেরামের জীবনী তাঁদের প্রসিদ্ধির কারণে বাদ দিয়েছি।

৪ - গ্রন্থকারের উক্তিগুলো যারা উদ্ধৃত করেছেন কিংবা তা থেকে উপকৃত হয়েছেন, আমি তাঁদের কথা উল্লেখ করেছি।

৫ - আমি গ্রন্থটি সম্পর্কে একটি গবেষণা, এর রচয়িতার পরিচিতি এবং গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ ও প্রামাণিকতা আলোচনার মাধ্যমে গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছি।

৬ - আমি গ্রন্থটির জন্য সহায়ক বিভিন্ন তাত্ত্বিক নির্ঘণ্ট (সূচিপত্র) প্রস্তুত করেছি।

পরিশেষে.. আমাদের মূল্যবান ঐতিহ্যের এই পাতাগুলো এবং সালাফে সালেহীনের বাণীর সাথে আমি আপনাদের নিকট এটি সোপর্দ করছি; আমি যা পেশ করেছি তাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওফিক ও সঠিক পথনির্দেশনার আশা রাখছি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আদিতে ও অন্তে।

(মাজদী ফাতহী আস-সাঈদ ইবরাহীম)
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ২৯)
الصفحة الاولى من المخطوطة
পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৩০)
الصفحة الاخيرة من المخطوطة
পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌الجزء فيه سؤالات أبى بكر البرقانى الحافظ أبا الحسن على بن أحمد الدارقطني رواية أبى غالب محمد بن الحسن بن أحمد الكرجى الباقلانى عن البرقانى.

رواية الحافظ أبى طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الأصبهاني.

رواية أبي عبد الله محمد بن إبراهيم بن أحمد الفارسى الفيروز آبادى عنه.

رواية أبى الفضل عبد الرحيم بن عبد المنعم بن خلف الدميري عنه.

رواية الإمام أبى عمر عبد العزيز بن محمد بن إبراهيم بن جماعة عنه إجازة.

رواية أم عبد الله عائشة ابنة على بن محمد الكنانية الحنبلية عنه إجازة.

رواية أبى الفضل عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن القلقشندى عنها قراءة.

الحمد لله..سمعه على الشيخة الأصلية الخيرة، الكاتبة المعمرة، المسندة أم عبد الله عائشة ابنة الشيخ الإمام، قاضى القضاة علاء الدين، على بن محمد العسقلاني الكنانى الحنبلى بسندها بخلوتها، بقراءة أبى الفضل عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن محمد القلقشندى الشافعي لطف الله به، وذا خطه، الفاضل شمس الدين محمد بن أحمد بن حسن بن
এই অংশটিতে আবু বকর আল-বারকানির প্রশ্নসমূহ রয়েছে হাফিজ আবুল হাসান আলী বিন আহমদ আদ-দারা কুতনী; আল-বারকানি থেকে আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ আল-কারজি আল-বাকিল্লানির বর্ণনা।

হাফিজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবাহানির বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-ফারসি আল-ফিরুজাবাদির বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে আবু আল-ফাদল আব্দুর রহিম বিন আব্দুল মুনইম বিন খালাফ আদ-দামিরির বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে ইমাম আবু উমর আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন জামাআহর ইজাযত প্রাপ্ত বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে উম্মে আব্দুল্লাহ আয়েশা বিনতে আলী বিন মুহাম্মদ আল-কিনানীয়াহ আল-হানবালিয়াহর ইজাযত প্রাপ্ত বর্ণনা।

তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আবু আল-ফাদল আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন ইসমাইল আল-কালকাশান্দির বর্ণনা।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য... এটি শ্রবণ করা হয়েছে বিদুষী নেককার শায়খা, দীর্ঘজীবী লেখিকা এবং মুসনিদাহ উম্মে আব্দুল্লাহ আয়েশা বিনতে শায়খ আল-ইমাম, প্রধান বিচারপতি আলাউদ্দীন আলী বিন মুহাম্মদ আল-আসকালানী আল-কিনানী আল-হানবালীর নিকট, তাঁর একাকীত্বে তাঁর নিজস্ব সনদে; আবু আল-ফাদল আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আল-কালকাশান্দি আশ-শাফিয়ীর পাঠের মাধ্যমে, আল্লাহ তাঁর প্রতি সদয় হোন; এবং এটি হলো গুণী শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসান বিন... এর হস্তলিপি।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল বারকানি লিদ-দারা কুতনি তাহকীক মাজদি আস-সাইয়্যিদ (পৃষ্ঠা: ৩২)
الغنامي، البسطامى، والمحدث نجم الدين محمد، المدعو عمر بن محمد ابن محمد بن فهد المكى، والمستقل شمس الدين محمد بن محمد بن محمد السنباطى.

وصح يوم الأحد، التاسع من شوال سنة ثمان وثلاثين وثمانمائة بمنزل المسمعمة، بجوار المدرسة الصالحية بالقاهرة، وأجازت، وسمعوا

عليه بقراءتي جزء فيه حديث وحشى في قتل حمزة بن عبد المطلب، تخرج القاضى عز الدين بن جماعة بإجازته منه، والحمد لله وحده، وصلى الله على محمد وآله وصحبه وسلم.

حسبنا الله ونعم الوكيل الحمد لله: - وسمعه على الشيخ الإمام، حافظ العصر، قاضى القضاة، شهاب الدين أبى الفضل أحمد بن على بن حجر العسقلاني الشافعي بقراءته على أبى الطاهر محمد بن محمد بن عبد اللطيف التكرتى بسماعه من القاضى عبد الله بن عبد العزيز بن جماعة بسنده قراءة.

قال شيخنا: وقرأته عاليا على أبى المعالى عبد الله بن عمر بن على الحلاوى، وسارة بنت الإمام تقى الدين على بن عبد الكافي السبكى.

قالا: أخبرتنا زينب بنت الكمال، قال الأول: إجازة، والأخرى سماعا، زاد الحلاوى: وأبو بكر بن محمد بن الذهبي، قالا: أنا أبو القاسم بن مكى الطرابلسي إجازء أنا السلفي بسنده فيه بقراءة الشيخ نعمة الله بن محمد بن عبد الرحمن الجرهى، والإمام برهان الدين إبراهيم بن خضر العثماني، وأبو الفضل عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن القلقشندى، وذا خطه، ومحب الدين عبد الله بن
আল-গান্নামি, আল-বিস্তামি, এবং মুহাদ্দিস নাজমুদ্দীন মুহাম্মদ, যাকে উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ফাহদ আল-মাক্কি বলা হয়, এবং স্বতন্ত্র শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আস-সুনবাতি।

এবং এটি সহীহ বা সাব্যস্ত হয়েছে রবিবারে, আটশত আটত্রিশ হিজরী সনের নয়ই শাওয়াল তারিখে, কায়রোর মাদরাসা সালিহিইয়ার সন্নিকটে মুসমি'আ (শ্রবণকারিণী) এর গৃহে। তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন এবং তাঁরা শ্রবণ করেছেন

আমার পাঠের মাধ্যমে তাঁর নিকট এমন একটি অংশ (জুজ) যাতে হামজা বিন আব্দুল মুত্তালিবের হত্যার বিষয়ে ওয়াহশির হাদীস রয়েছে, যা থেকে কাজী ইজ্জুদ্দীন ইবনে জামা'আহ তাঁর অনুমতিক্রমে তা বর্ণনা করেছেন। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর।

আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য: - এবং তিনি এটি শ্রবণ করেছেন শায়খ, ইমাম, যুগের হাফেজ, প্রধান বিচারপতি (কাযিউল কুযাত), শিহাবুদ্দীন আবুল ফযল আহমদ বিন আলী বিন হাজার আল-আসকালানী আশ-শাফি'ঈর নিকট, আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল লতিফ আত-তিকরিতীর নিকট তাঁর পাঠের মাধ্যমে, যা তিনি কাজী আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ ইবনে জামা'আহর নিকট থেকে শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর সনদসহ পাঠ করেছেন।

আমাদের শায়খ বলেন: আমি এটি উচ্চ সনদে পাঠ করেছি আবুল মা'য়ালি আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলী আল-হালাওয়ী এবং ইমাম তাক্বীউদ্দীন আলী বিন আব্দুল কাফি আস-সুবকীর কন্যা সারার নিকট।

তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যয়নাব বিনতে আল-কামাল; প্রথমজন (হালাওয়ী) বলেন অনুমতির মাধ্যমে (ইজাযাতান), আর অপরজন (সারা) বলেন শ্রবণের মাধ্যমে (সামা'আন)। হালাওয়ী আরও যুক্ত করেন: এবং আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আদ-দাহাবী। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বিন মাক্কি আত-তরাবুলুসি অনুমতির মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সিলাফী তাঁর সনদে, শায়খ নি'মাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-জারহী, ইমাম বুরহানুদ্দীন ইবরাহীম বিন খিজর আল-উসমানী এবং আবুল ফযল আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন ইসমাঈল বিন আল-কালকাশান্দি এর পাঠের মাধ্যমে, এবং এটি তাঁর হস্তলিপি, এবং মুহিব্বুদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন...