(খণ্ড: ১)
আল-জুযউছ ছানি মিন হাদিছি আবি মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসি
(পৃষ্ঠা: -)
الجزء الثاني من حديث أبي محمد حاجب بن أحمد الطوسي (حاجب بن أحمد الطوسي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الجزء الثاني من حديث أبي محمد حاجب بن أحمد الطوسي - مخطوط
المؤلف: أَبُو مُحَمَّدٍ حَاجِبُ بنُ أَحْمَدَ بنِ يَرْحُمَ بنِ سُفْيَانَ الطُّوْسِيُّ (ت 336هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 3
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমদ আত-তুসি-র হাদিসের দ্বিতীয় অংশ (হাজিব বিন আহমদ আত-তুসি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমদ আত-তুসি-র হাদিসের দ্বিতীয় অংশ - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমদ বিন ইয়ারহুম বিন সুফিয়ান আত-তুসি (মৃ. ৩৩৬ হিজরি)
শামেলা-র জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি
[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩
শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউছ ছানি মিন হাদিছি আবি মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসি
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: الجزء الثاني من حديث أبي محمد حاجب بن أحمد الطوسي - مخطوطالمؤلف: أبو محمد حاجب بن أحمد بن يرحم الطوسيالمتوفى: 336 هـ
গ্রন্থ: আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসির বর্ণিত হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড - পাণ্ডুলিপিগ্রন্থকার: আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমাদ বিন ইয়ারহাম আত-তুসিমৃত্যু: ৩৩৬ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউছ ছানি মিন হাদিছি আবি মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসি
(পৃষ্ঠা: ১)
-ق1أ-بسم الله الرحمن الرحيمولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم وبه نستعين وهو حسبي ونعم الوكيل1- أخبرني الشيخ الإمام أبو قاسم حسين بن الشيخ أبي منصور ومحمد بن علي بن مطهر بن أبي غالب بن أبي طاهر المحدث (غير واضح بالأصل) بقرائتي عليه بأصبهان في شهر شعبان سنة ست وست مائة قلت له أخبركم أبو الفضل محمد بن عثمان بن يوسف وأنت حاضر في شعبان سنة ثمان وخمسين وخمس مائة فأقر به أنبا الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن غيلان الكرخي في عشرة شعبان سنة تسع وخمس مائة بهمدان قراءة عليه من أصل سماعه قيل له أخبركم القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن الحيري بنيسابور فأقر به أنبا أبو محمد حاجب بن أحمد بن يرحم الطوسي ثنا محمد بن حماد ثنا أبو معاوية عن الأعمش عن عمرو بن مرة عن أبى البخترى عن علي أنه أتاه رجل فأثنى عليه قال وكان يبلغه عنه قال فقال على ليس كما تقول وأنا فوق ما فى نفسك هـ.2- حدثنا عبد الرحيم بن منيب ثنا سليمان عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ أَنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ يَكْبُرُ ابْنُ آدَمَ وَتَشِبُّ مِنْهُ اثْنَتَانِ حِرْص عَلَى الْمَالِ وَطول الْعُمُرِ هـ.3- حدثنا عبد الرحيم ثنا الحسن بن موسى ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ بن مالك أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ قَالَ الْحَمْدُ للهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَكَفَانَا وَأَوَانَا وَكَمْ مَنْ لَا كَافِيَ لَهُ، وَلَا مُئْوِيَ هـ.
-পৃ ১ক-পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই, আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি, তিনি আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম অভিভাবক।১- শেখ ইমাম আবু কাসিম হুসাইন বিন শেখ আবু মনসুর এবং মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুতাহার বিন আবি গালিব বিন আবি তাহের আল-মুহাদ্দিস (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, যখন আমি ৬০৬ হিজরির শাবান মাসে আসবাহানে তাঁর সামনে পাঠ করেছিলাম। আমি তাঁকে বললাম: আবু ফজল মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন ইউসুফ কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? আর আপনি তখন ৫৫৮ হিজরির শাবান মাসে উপস্থিত ছিলেন। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন। রঈস আবু হাসান মাক্কি বিন মনসুর বিন গাইলান আল-কারখি ৫০৯ হিজরির ১০ই শাবান হামাদানে তাঁর মূল শ্রবণলব্ধ পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁকে বলা হয়েছিল: নিশাপুরে কাজী আবু বকর আহমাদ বিন হাসান আল-হিরি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। আবু মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ বিন ইয়ারহাম আত-তুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন হাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আবুল বাখতারি থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁর প্রশংসা করল—বলা হয় যে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে তাঁর (আলীর) নিকট (বিপরীত) সংবাদ পৌঁছেছিল—তখন আলী (রা.) বললেন: “তুমি যা বলছ আমি তেমন নই, তবে তোমার মনে (আমার সম্পর্কে) যা আছে আমি তার ঊর্ধ্বে।”২- আব্দুর রহিম বিন মুনীব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলাইমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “আদম সন্তান বৃদ্ধ হয়, কিন্তু তার মধ্যে দুটি জিনিস যুবক হতে থাকে: সম্পদের প্রতি লোভ এবং দীর্ঘ জীবনের লালসা।”৩- আব্দুর রহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাসান বিন মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নিজ বিছানায় যেতেন, তখন বলতেন: “সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের আহার করিয়েছেন, পান করিয়েছেন, আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছেন এবং আমাদের আশ্রয় দান করেছেন; অথচ এমন অনেকে আছে যাদের কোনো সাহায্যকারী নেই এবং কোনো আশ্রয়দাতা নেই।”
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউছ ছানি মিন হাদিছি আবি মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসি
(পৃষ্ঠা: ২)
4- حدثنا عبد الرحيم قال قال عفان اختلف يحيى بن سعيد وعبد الرحمن بن مهدي في حديث فبعثوا إليّ فقال عبد الرحمن أقول شيئا وتسأل عفان فقال يحيى ما أحد أكره أن يخالفني من عفان فقال وخالفتها فنظر تحتي في كتابه فوجد الأمر على ما قلت هـ.5- حدثنا عبد الرحيم ثنا الفضيل بن عياض عن منصور عن إبراهيم قال كان العدل في المسلمين ما لم تظهر منه ريبة هـ.6- وبه عن إبراهيم أن الأسود وعمرو بن ميمون قالا صلينا خلف عمر الفجر فلم يقنت هـ.7- حدثنا محمد بن يحيى هو الذهلي ثنا عمر بن أبي سلمة عن صدقة بن عبد الله عن موسى بن بشار عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال العشر في كل عشر زقاق زق هـ.8- حدثنا محمد بن يحيى ثنا صفوان بن عيسى عن الحارث عن منير ابن عبد الله عن أبيه عن سعد بن أبي ذباب قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأسلمت فقلت يا رسول الله اجعل لقومي ما أسلموا عليه من أموالهم ففعل فاستعملني عليهم ثم استعملني أبو بكر من بعده ثم استعملني عمر من بعده قال فقدمت على قومي وكان من أهل السراة فقلت في العسل زكوه هو قال زكاه هو قال زكوة لا خير في مالا لا يزكى قالوا كم ترى قلت العشر فأخذته منهم ثم قدمت بعده على عمر وأخبرته بما فيه فأخذه عمر فباعه وجعله في صدقات المسلمين هـ.9- حدثنا محمد بن يحيى ثنا محمد بن يوسف ثنا سفيان عن زياد بن علاقة عن قطبة بن مالك قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الركعة الأولى في الفجر والنخل باسقات لها طلع نضيد هـ.
৪- আমাদের নিকট আব্দুর রহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আফফান বলেছেন: একটি হাদীসের বিষয়ে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ এবং আব্দুর রহমান বিন মাহদীর মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হলো। তখন তাঁরা আমার নিকট লোক পাঠালেন। আব্দুর রহমান বললেন, আমি একটি কথা বলছি এবং আপনি আফফানকে জিজ্ঞাসা করুন। ইয়াহইয়া বললেন, আমার নিকট আফফানের বিরোধিতা করার চেয়ে অপ্রিয় আর কিছুই নেই। তিনি বললেন, অতঃপর আমি তার বিরোধিতা করলাম। তখন তিনি তাঁর কিতাবে আমার নিচের অংশে দৃষ্টিপাত করলেন এবং বিষয়টি আমি যেমন বলেছিলাম তেমনই পেলেন। সমাপ্ত।৫- আমাদের নিকট আব্দুর রহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুদাইল বিন ইয়াদ থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুসলমানদের মধ্যে ন্যায়বিচার বা বিশ্বস্ততা ততক্ষণ বিদ্যমান থাকে যতক্ষণ তাদের পক্ষ থেকে কোনো সন্দেহ প্রকাশ না পায়। সমাপ্ত।৬- এবং তাঁর সূত্রেই ইবরাহীম থেকে বর্ণিত যে, আল-আসওয়াদ এবং আমর বিন মাইমুন বলেছেন: আমরা উমরের পেছনে ফজরের সালাত আদায় করেছি, কিন্তু তিনি কুনুত পড়েননি। সমাপ্ত।৭- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া (তিনি হলেন আয-যুহলী) বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর বিন আবি সালামাহ থেকে, তিনি সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মূসা বিন বাশার থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: প্রতি দশ মশক (চামড়ার ব্যাগ) মধুর ক্ষেত্রে এক মশক উশর (দশমাংশ যাকাত) দিতে হবে। সমাপ্ত।৮- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি সাফওয়ান বিন ঈসা থেকে, তিনি আল-হারিস থেকে, তিনি মুনীর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সা'দ বিন আবি যুবাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কওম যে সম্পদের উপর ইসলাম গ্রহণ করেছে তা তাদের মালিকানাধীন রাখার আদেশ দিন। তিনি তাই করলেন এবং আমাকে তাদের উপর শাসক নিযুক্ত করলেন। অতঃপর তাঁর পরে আবু বকর আমাকে শাসক নিযুক্ত করলেন এবং তাঁর পরে উমরও আমাকে নিযুক্ত করলেন। তিনি বলেন: আমি আমার কওমের নিকট আসলাম, তারা ছিল সরাত অঞ্চলের অধিবাসী। আমি বললাম, মধুর যাকাত প্রদান করো। তিনি বললেন, এর যাকাত দাও। তিনি বললেন, যাকাতবিহীন সম্পদে কোনো কল্যাণ নেই। তারা বলল, আপনি কতটুকু মনে করেন? আমি বললাম, দশমাংশ (উশর)। অতঃপর আমি তাদের নিকট থেকে তা গ্রহণ করলাম। এরপর আমি উমরের নিকট আসলাম এবং এ বিষয়ে তাঁকে অবহিত করলাম। উমর তা গ্রহণ করলেন এবং তা বিক্রয় করে মুসলমানদের সদকার (বায়তুল মাল) অন্তর্ভুক্ত করলেন। সমাপ্ত।৯- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন ইউসুফ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি যিয়াদ বিন আলাকাহ থেকে, তিনি কুতবাহ বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফজরের প্রথম রাকাতে পাঠ করতে শুনেছি: ‘আর সুউচ্চ খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে থরে থরে সাজানো ফলসমূহ’। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউছ ছানি মিন হাদিছি আবি মুহাম্মাদ হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসি
(পৃষ্ঠা: ৩)
10- ثنا محمد بن يحيى عن محمد بن يوسف عن سفيان عن زياد بن علاقة عن-ق1ب-قطبة بن مالك قال قال النبي صلى الله عليه وسلم سيكون هنات وهنات فمن جاء يفرق بين أمة محمد صلى الله عليه وسلم وهم جميع فاقتلوه كائنا من كان هـ.11- حدثنا محمد بن يحيى ثنا عبد الصمد بن عبد الوارث أنا أبو عوانة وشعبة عن زياد بن علاقة عن عرفجة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله هـ.12- حدثنا محمد بن يحيى ثنا يزيد بن هارون ثنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لأستغفر الله وأتوب إليه كل يوم مائة مرة هـ.آخر ما (غير واضح بالأصل) من الجزء الثاني من حديث الطوسي وأوله أول حديث كتبته هنا وآخر حديث عائشة (غير واضح بالأصل) وسمعت الجزء على أبي هاشم الحسين بن أبي منصور وحدي في داره بالليل في شهر شعبان وسنة ست وست مائة بأصبهان.
১০- মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি যিয়াদ বিন আলাকাহ হতে, তিনি -পৃষ্ঠা ১ খ-কুতবাহ বিন মালিক হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: অচিরেই অনেক ফ্যাসাদ ও ফিতনা দেখা দেবে। সুতরাং যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর উম্মতের ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করতে আসবে, সে যেই হোক না কেন, তাকে হত্যা করো। সমাপ্ত।১১- মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুস সামাদ বিন আবদুল ওয়ারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ ও শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যিয়াদ বিন আলাকাহ হতে, তিনি আরফাজাহ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) অনুরূপ বলেছেন। সমাপ্ত।১২- মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আমর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে একশ বার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর কাছে তাওবা করি। সমাপ্ত।আত-তুসীর হাদীসের দ্বিতীয় অংশ হতে যা (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট) তার শেষাংশ, এবং এর শুরু হলো এখানে আমার লেখা প্রথম হাদীসটি এবং শেষ হলো আয়েশার হাদীস (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট)। আমি এই অংশটি আবু হাশিম আল-হুসাইন বিন আবি মানসুরের নিকট একা তাঁর বাড়িতে রাতে শাবান মাসে এবং ছয়শত ছয় হিজরী সনে ইসফাহানে শ্রবণ করেছি।