(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: -)
الجزء الثالث من فوائد أبي علي الصواف   (ابن الصواف)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء الثالث من فوائد أبي علي الصواف

المؤلف: محمد بن أحمد بن الحسن بن إسحاق ابن الصواف، أبو علي البغدادي (ت 359هـ)

رواية: أبي نعيم الأصفهاني

انتقاء: الدارقطني

ملاحظة: تم طبع هذا الكتاب بتحقيق محمود الحداد في دار العاصمة بالرياض، إلا أنها طبعة ناقصة، فعدد أحاديثها (35) حديثا، بينما عدد أحاديث المخطوطة (168) حديثا، فقد سقط من المطبوعة (133) حديثا، من بعد الحديث الثالث.

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 37

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আলী আস-সাওয়াফের ফাওয়াইদ-এর তৃতীয় খণ্ড   (ইবনুল সাওয়াফ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আলী আস-সাওয়াফের ফাওয়াইদ-এর তৃতীয় খণ্ড

লেখক: মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক ইবনুল সাওয়াফ, আবু আলী আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৩৫৯ হিজরি)

বর্ণনা: আবু নুআইম আল-আসফাহানী

চয়ন: আদ-দারা কুতনী

দ্রষ্টব্য: এই কিতাবটি রিয়াদের দারুল আসিমাহ থেকে মাহমুদ আল-হাদ্দাদের তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে, তবে এটি একটি অপূর্ণাঙ্গ সংস্করণ, যার হাদিস সংখ্যা (৩৫) টি, অথচ পাণ্ডুলিপিতে হাদিস সংখ্যা (১৬৮) টি, ফলে মুদ্রিত সংস্করণ থেকে ৩য় হাদিসের পর থেকে (১৩৩) টি হাদিস বাদ পড়ে গিয়েছে.

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরী

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: الجزء الثالث من فوائد أبي علي الصواف - 80 % مخطوط

المؤلف: أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن الصواف

المتوفى: 359 هـ

رواية: أبي نعيم الأصفهاني

انتقاء: الدارقطني

ملاحظة: تم طبع هذا الكتاب بتحقيق محمود الحداد في دار العاصمة بالرياض، إلا أنها طبعة ناقصة، فعدد أحاديثها (35) حديثا، بينما عدد أحاديث المخطوطة (168) حديثا، فقد سقط من المطبوعة (133) حديثا، من بعد الحديث الثالث.
গ্রন্থ: আবু আলি আস-সাওয়াফ-এর ‘ফাওয়াইদ’-এর তৃতীয় অংশ - ৮০% পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু আলি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আস-সাওয়াফ

মৃত্যু: ৩৫৯ হিজরি

বর্ণনা: আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি

নির্বাচন: আদ-দারা কুতনি

দ্রষ্টব্য: রিয়াদের দারুল আসিমাহ থেকে মাহমুদ আল-হাদ্দাদের তাহকীকসহ এই বইটি মুদ্রিত হয়েছে, তবে সেটি একটি অপূর্ণাঙ্গ সংস্করণ। সেখানে হাদিস সংখ্যা মাত্র ৩৫টি, যেখানে পাণ্ডুলিপিতে হাদিস সংখ্যা ১৬৮টি। ফলে মুদ্রিত সংস্করণ থেকে তৃতীয় হাদিসের পর ১৩৩টি হাদিস বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১)
الجزء الثالث من فوائد أبي علي محمد بن أحمد بن الحسن الصواف رحمه الله

انتقاء علي بن عمر الدارقطني رحمه الله

رواية أبي نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد الحافظ، عنه

رواية أبي علي الحسن بن أحمد الحداد، عنه

وأبي طاهر عبد الواحد بن محمد بن أحمد الصباغ، حضوراً عنه أيضاً

رواية أم هانئ عفيفة بنت أحمد بن عبد الله بن الحسين الفارفاي، عن أبي طاهر، سماعاً وعن أبي علي، إجازة

بسم الله الرحمن الرحيم

ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم

 

1- أخبرتنا أم هانئ عفيفة بنت أحمد بن عبد الله بن محمد بن عبد الله بن الحسين الفارفانية، قراءة عليها، وأنا أسمع، في يوم الثلاثاء سابع عشر من جمادى الأولى من سنة تسع وتسعين وخمسمائة، قيل: أخبركم أبو طاهر عبد الواحد بن محمد بن أحمد بن الهيثم الصباغ الدشتي، في يوم الثلاثاء الخامس عشر من ربيع الآخرة سنة سبع عشرة وخمسمائة، وأخبركم أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، إجازة، قالا: أنبا أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد، ثنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن الصواف، ثنا أبو يعقوب إسحاق بن الحسن بن ميمون الحربي، ثنا الحسين بن محمد بن بهرام أبو أحمد المروذي، ثنا شيبان، عن قتادة، قال: وحدث أنس بن مالك، قال: قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: " إن العبد إذا وضع في قبره، وتولى عنه أصحابه، إنه ليسمع قرع نعالهم " قال: " يأتيه ملكان فيقعدانه، فيقولان: ما كنت تقول في هذا الرجل؟ فأما المؤمن فيقول: أشهد أنه عبد الله ورسوله " قال: " فيقال: انظر إلى مقعدك من النار، قد أبدلك الله به مقعدا من الجنة " قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: " فيراهما جميعا " قال: وذكر لنا: " يفسح له في قبره سبعون ذراعا، ويملأ عليه خضرا إلى يوم يبعثون "
আবু আলি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসান আস-সাউওয়াফ (রহিমাহুল্লাহ)-এর ফাওয়ায়িদের তৃতীয় অংশ।

আলি বিন উমর আদ-দারাকুতনি (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলন।

তাঁর সূত্রে হাফিয আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ-এর বর্ণনা।

তাঁর সূত্রে আবু আলি হাসান বিন আহমদ আল-হাদ্দাদ-এর বর্ণনা।

এবং আবু তাহির আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সাব্বাগ-এরও তাঁর নিকট উপস্থিত থেকে বর্ণনা।

আবু তাহির থেকে শ্রবণসূত্রে এবং আবু আলি থেকে ইজাজতসূত্রে উম্মে হানি আফিফা বিনতে আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হুসাইন আল-ফারফানিয়া-এর বর্ণনা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও কোনো শক্তি নেই।

 

১- উম্মে হানি আফিফা বিনতে আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হুসাইন আল-ফারফানিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সামনে পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম—৫৯৯ হিজরির জুমাদাল উলা মাসের ১৭ তারিখ মঙ্গলবার। বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাইসাম আস-সাব্বাগ আদ-দাশতি, ৫১৭ হিজরির রবিউল আখিরা মাসের ১৫ তারিখ মঙ্গলবার। এবং আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি হাসান বিন আহমদ আল-হাদ্দাদ ইজাজতসূত্রে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আলি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসান আস-সাউওয়াফ। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন হাসান বিন মাইমুন আল-হারবি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন বাহরাম আবু আহমদ আল-মারুযি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শাইবান, কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করে। তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই বান্দাকে যখন তার কবরে রাখা হয় এবং তার সাথীরা তার থেকে প্রস্থান করে, তখন সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়।" তিনি বলেন: "তখন তার নিকট দুজন ফেরেশতা এসে তাকে বসান এবং জিজ্ঞাসা করেন: 'এই ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী বলতে?' মুমিন ব্যক্তি তখন বলে: 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসুল'।" তিনি বলেন: "তখন তাকে বলা হয়: 'জাহান্নামে তোমার ঐ আসনটির দিকে তাকাও, আল্লাহ তোমাকে সেটির পরিবর্তে জান্নাতের একটি আসন দান করেছেন'।" আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: "তখন সে উভয় স্থানই দেখতে পায়।" বর্ণনাকারী বলেন: আমাদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে যে, "তার জন্য তার কবরকে সত্তর হাত প্রশস্ত করে দেওয়া হয় এবং পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তা সবুজ শ্যামলিমায় পূর্ণ করে রাখা হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২)
2- وبإسناده عن أنس، عن أبي موسى الأشعري، قال: قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: " مثل المؤمن الذي يقرأ القرآن كمثل الأترجة طعمها طيب وريحها طيب، ومثل المؤمن الذي لا يقرأ القرآن كمثل التمرة طعمها طيب ولا ريح لها، ومثل الفاجر الذي يقرأ القرآن كمثل الريحانة طعمها مر وريحها طيب، ومثل الفاجر الذي لا يقرأ القرآن كمثل الحنظلة طعمها مر ولا ريح لها "

3- حدثنا إسحاق، ثنا الحسين، ثنا شيبان، عن قتادة، قال: سمعت أبا نضرة، يحدث عن سمرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " إن منهم من تأخذه النار إلى كعبيه، ومنهم من تأخذه إلى ركبتيه، ومنهم من تأخذه إلى حجزته، ومنهم من تأخذه إلى ترقوته "

4- حدثنا إسحاق، ثنا حسين، ثنا شيبان، عن قتادة، ثنا أبو المتوكل الناجي، عن أبي سعيد، قال: قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: " يخلص المؤمنون فيحبسون على قنطرة بين الجنة والنار، فيقتص لبعضهم من بعض مظالم كانت بينهم في الدنيا، حتى إذا هذبوا أذن لهم في دخول الجنة، فوالذي نفسي بيده لأحدهم أهدى بمنزله الذي كان في الدنيا "

5- حدثنا إسحاق، ثنا حسين، ثنا شيبان، عن قتادة، حدث عن أبي الصديق الناجي، عن أبي سعيد الخدري، أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: إن أخي قد عرب بطنه يعني فسد فقال: " اسق أخاك عسلا " فسقاه، فلم يزده إلا شدة، فرجع إلى النبي صلى الله عليه وسلم، ثلاث مرات، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم في الثالثة: " اسق أخاك عسلا، فإن الله قد صدق، وكذب بطن أخيك " فسقاه، فعافاه الله
2- এবং তাঁর সনদে আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি আবু মুসা আল-আশআরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে মুমিন কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো উতরুজাহ (জাম্বুরা জাতীয় সুগন্ধি ফল) ফলের মতো, যার স্বাদও উত্তম এবং ঘ্রাণও উত্তম। আর যে মুমিন কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো খেজুরের মতো, যার স্বাদ উত্তম কিন্তু কোনো ঘ্রাণ নেই। আর যে পাপাচারী কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো রায়হান (সুগন্ধি লতা) এর মতো, যার স্বাদ তিক্ত কিন্তু ঘ্রাণ উত্তম। আর যে পাপাচারী কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো হানযালা (মাকাল ফল) এর মতো, যার স্বাদ তিক্ত এবং কোনো ঘ্রাণ নেই।"

3- ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাইবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু নাদরাহকে সামুরা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: "তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকবে যাকে আগুন তার টাখনু পর্যন্ত পাকড়াও করবে, তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকবে যাকে আগুন তার হাঁটু পর্যন্ত পাকড়াও করবে, তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকবে যাকে আগুন তার কোমর পর্যন্ত পাকড়াও করবে এবং তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকবে যাকে আগুন তার কণ্ঠাস্থি পর্যন্ত পাকড়াও করবে।"

4- ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাইবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদা থেকে, আবুল মুতাওয়াক্কিল আন-নাজী আমাদের নিকট আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মুমিনগণ যখন (জাহান্নাম থেকে) নাজাত পাবে তখন তাদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি সেতুর ওপর আটকে রাখা হবে। এরপর দুনিয়ায় তাদের পরস্পরের মধ্যে যে জুলুম-অবিচার ছিল সেগুলোর প্রতিশোধ গ্রহণ (হিসাব-নিকাশ) করা হবে। অবশেষে যখন তারা পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হবে, তখন তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, তাদের প্রত্যেকেই জান্নাতে তার নিজ আবাসস্থলকে দুনিয়ার আবাসস্থলের চেয়েও অধিক চিনতে পারবে।"

5- ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাইবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদা থেকে, তিনি আবুস সিদ্দীক আন-নাজী থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে (অর্থাৎ পেট খারাপ হয়েছে)। তিনি বললেন: "তোমার ভাইকে মধু পান করাও।" সে তাকে মধু পান করালো, কিন্তু এতে তার অসুস্থতা আরও বেড়ে গেল। সে তিনবার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এলো। তৃতীয়বার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: "তোমার ভাইকে মধু পান করাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যা বলেছে।" এরপর সে তাকে মধু পান করালো এবং আল্লাহ তাকে সুস্থ করে দিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৩)
6- حدثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن النضر، ثنا معاوية بن عمرو -، ثنا زائدة -، عن منصور -، عن أبي هاشم، عن يحيى بن عباد، عن حجاج، أو عن أبي هاشم، عن حجاج، شك منصور، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، إذا قال: " سمع الله لمن حمده " قال: " اللهم ربنا لك الحمد ملء السماء والأرض، وملء ما شئت من شيء بعد " حدثنا محمد بن أحمد بن النضر، ثنا معاوية، ثنا زائدة، قال: قال منصور وحدثني عون، عن أخيه عبيد الله، هذا، يعني نحوه.

7- حدثنا محمد بن أحمد بن النضر، ثنا معاوية، ثنا زائدة، عن منصور، عن ربعي، ثنا طارق بن عبد الله المحاربي، رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا صليت فلا تبزق بين يديك، ولا عن يمينك، ولكن ابزق تلقاء شمالك، إن كان فارغا أو تحت رجلك، ثم حك به "

8- حدثنا محمد، ثنا معاوية، ثنا زائدة، عن منصور، عن هلال، عن أبي يحيى، عن عبد الله بن عمرو، قال: بلغني أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " صلاة الرجل جالسا نصف الصلاة " قال: فدخلت على النبي صلى الله عليه وسلم، وهو جالس يصلي، قال: فقلت: يا رسول الله بلغني أنك قلت: " صلاة الرجل جالسا نصف الصلاة " وأنت تصلي جالسا فقال: " أجل، ولكن لست كأحد منكم "

9- حدثنا محمد، ثنا معاوية، ثنا زائدة، عن منصور، عن شقيق، عن حذيفة، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم " إذا قام من الليل يشوص فاه بالسواك "

10- حدثنا محمد، ثنا معاوية، عن زائدة، عن منصور، عن شقيق، عن حذيفة، قال: " أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم، سباطة قوم، فبال كما يبول الرجل قائما "
৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুন নাদর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া ইবনে আমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি মানসুর থেকে, তিনি আবু হাশিম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি হাজ্জাজ থেকে; অথবা আবু হাশিম থেকে, তিনি হাজ্জাজ থেকে—মানসুর এ ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন—তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন "সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা—যা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী পূর্ণ করে দেয় এবং এরপর আপনি আর যা কিছু চান তা-ও পূর্ণ করে দেয়।" আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুন নাদর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি বলেন মানসুর বলেছেন: আওন তার ভাই উবাইদুল্লাহর সূত্রেও আমাকে অনুরূপ হাদিস শুনিয়েছেন।

৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুন নাদর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি তারিক ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুহারিবি—যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একজন সাহাবী—থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: "যখন তুমি সালাত আদায় করবে, তখন তোমার সামনে বা তোমার ডান দিকে থুথু ফেলবে না; বরং তোমার বাম দিকে ফেলবে যদি জায়গা খালি থাকে, অথবা তোমার পায়ের নিচে, তারপর তা ঘষে দিবে।"

৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি মানসুর থেকে, তিনি হিলাল থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "বসে সালাত আদায় করা অর্ধেক সালাতের সমান।" তিনি বলেন: এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলাম, এমতাবস্থায় যে তিনি বসে সালাত আদায় করছিলেন। তিনি বলেন, তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি বলেছেন—বসে সালাত আদায় করা অর্ধেক সালাতের সমান, অথচ আপনি নিজে বসে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তবে আমি তোমাদের কারোর মতো নই।"

৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি মানসুর থেকে, তিনি শাকিক থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতে ঘুম থেকে উঠতেন, তখন মেসওয়াক দিয়ে নিজের মুখ পরিষ্কার করতেন।

১০- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুআবিয়া বর্ণনা করেছেন যাইদাহ থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি শাকিক থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কওমের আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন যেমন একজন পুরুষ দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করে।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৪)
11- حدثنا أبو علي بشر بن موسى، ثنا خلاد بن يحيى، ثنا هشام بن سعد، حدثني نعيم، قال: قال أبو هريرة: ما رأيت الحسن قط، إلا فاضت عيناي دموعا، وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج يوما، وأنا في المسجد، فأخذ بيدي اتكاء علي حتى جئنا سوق قينقاع، فنظر فيه، ثم رجع، ورجعت معه حتى جلس في المسجد، فاحتبى، ثم قال: " ادع لي لكع ابن لكع؟ " قال: فأتى حسن يشتد حتى قعد في حجره، ثم جعل يقول بيده هكذا في لحية رسول الله صلى الله عليه وسلم، وجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتح فمه، ثم يدخل فمه في فمه، ويقول: " اللهم إني أحبه فأحبه، وأحب من يحبه " ثلاث مرار يقولها

12- حدثنا بشر، ثنا خلاد، ثنا هشام بن سعد، حدثني نافع، عن عبد الله بن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من أعتق من عبد شركا، فعليه أن يعتق ما بقي "

13- حدثنا بشر، ثنا خلاد، ثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذي جاره، ومن كان يؤمن بالله فليقل خيرا أو ليصمت، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه " قالوا: يا رسول الله وما كرامته؟ قال: " جائزته " قالوا وما جائزته؟ قال: " الضيافة ثلاث ليال، فما كان بعد ذلك فهو صدقة "

14- حدثنا أبو إسماعيل محمد بن إسماعيل السلمي، ثنا أبو صالح حدثني معاوية بن صالح، عن راشد بن سعد، عن عبد الرحمن بن قتادة السلمي، عن هشام بن حكيم، أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أنبدأ الأعمال أم قد قضي القضاء؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله تعالى أخذ ذرية آدم من ظهورهم، ثم أشهدهم على أنفسهم، ثم أفاض بهم في كفيه فقال: هؤلاء في الجنة، وهؤلاء في النار " فأهل الجنة ميسرون لعمل أهل الجنة، وأهل النار ميسرون لعمل النار
১১- আবু আলী বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খাল্লাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন সাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নুয়াইম আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা বলেছেন: আমি যখনই হাসানকে দেখি, তখনই আমার দুই চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়। কারণ, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন, তখন আমি মসজিদে ছিলাম। তিনি আমার হাতের উপর ভর দিয়ে আমার হাত ধরলেন এবং আমরা কাইনুকা বাজারে গেলাম। তিনি সেখানে লক্ষ্য করলেন, এরপর ফিরে আসলেন। আমিও তাঁর সাথে ফিরে আসলাম এবং তিনি মসজিদে বসলেন। এরপর তিনি দুই হাত দিয়ে হাঁটু জড়িয়ে বসলেন এবং বললেন: "সেই ছোট্ট বাচ্চাটি কোথায়? তাকে আমার কাছে ডাক।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন হাসান দৌড়ে আসল এবং তাঁর কোলে বসল। এরপর সে তার হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাড়িতে এভাবে নাড়াচাড়া করতে লাগল। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুখ খুললেন এবং নিজের মুখ তার মুখের ভেতর প্রবেশ করালেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! আমি তাকে ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাকে ভালোবাসুন এবং যে তাকে ভালোবাসে তাকেও ভালোবাসুন।" তিনি এটি তিনবার বললেন।

১২- বিশর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খাল্লাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন সাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাফি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোন দাসের মধ্য থেকে নিজের অংশটি আযাদ করল, তবে অবশিষ্ট অংশটিও আযাদ করা তার জন্য আবশ্যক।"

১৩- বিশর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খাল্লাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন সাদ যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে।" তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! মেহমানের সম্মান কী? তিনি বললেন: "তার বিশেষ উপঢৌকন।" তারা বললেন: তার বিশেষ উপঢৌকন কী? তিনি বললেন: "তিন দিন মেহমানদারি করা, আর এর পরে যা হবে তা সদকা।"

১৪- আবু ইসমাইল মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সুলামী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া বিন সালিহ রাশিদ বিন সাদ থেকে আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুর রহমান বিন কাতাদা আস-সুলামী থেকে, তিনি হিশাম বিন হাকিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: আমরা কি নতুন করে আমল শুরু করছি নাকি ফয়সালা হয়ে গেছে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আদমের সন্তানদের তাদের পিঠ থেকে বের করেছেন, এরপর তাদের নিজেদের উপর সাক্ষ্য নিয়েছেন। এরপর তিনি তাদের আল্লাহর দুই হাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং বলেছেন: 'এরা জান্নাতের জন্য এবং এরা জাহান্নামের জন্য'।" সুতরাং জান্নাতবাসীদের জন্য জান্নাতের আমল সহজ করে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামবাসীদের জন্য জাহান্নামের আমল সহজ করে দেওয়া হয়।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৫)
15- حدثنا علي بن محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، ثنا أبو سلمة، ثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ابنا العاص مؤمنان عمرو وهشام "

16- حدثنا ابن أبي الشوارب، ثنا أبو سلمة، ثنا حماد، أنبا أبو الزبير، عن جابر، قال: " استغفر لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة البعير خمسة وعشرين مرة "

17- حدثنا أبو جعفر أحمد بن يحيى بن إسحاق الحلواني، ثنا سعيد بن سليمان، عن أيوب بن عتبة، عن يحيى بن أبي كثير، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبي قتادة، وكان فارس رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: كنت أرى الرؤيا فأكرهها فتحزنني، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: " إذا استيقظت فتعوذ بالله من الشيطان الرجيم، واتفل عن يسارك ثلاثا، فإنه لا يضرك إن شاء الله "

18- حدثنا أحمد بن يحيى، ثنا سعيد بن سليمان، عن سليمان بن داود، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ثلاث من كن فيه حاسبه الله حسابا يسيرا، وأدخله الجنة برحمته " قلت: ما هي يا رسول الله؟ قال: " تعطي من حرمك، وتصل من قطعك، وتعفو عمن ظلمك " قال: فإذا فعلت ذلك، فماذا لي يا رسول الله؟ قال: " تحاسب حسابا يسيرا، وتدخل الجنة "

19- حدثنا أحمد بن يحيى، ثنا سعيد يعني ابن سليمان، ثنا أيوب بن جابر، عن مسلم الأعور، عن مجاهد، عن قيس بن السائب، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم " يصلي الصبح إذا تغشى النور السماء، والظهر إذا زالت الشمس، والعصر والشمس بيضاء نقية، والمغرب إذا أفطر الصائمون "
১৫- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন আবিল শাওয়ারিব, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আসের দুই পুত্র মুমিন—আমর এবং হিশাম।"

১৬- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবিল শাওয়ারিব, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'উটের রাতে' (লাইলাতুল বা'ঈর) আমার জন্য পঁচিশ বার ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।"

১৭- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইসহাক আল-হালওয়ানি, তিনি সাঈদ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আইয়ুব বিন উতবাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন—যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অশ্বারোহী ছিলেন—তিনি বলেন: আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমি অপছন্দ করতাম এবং তা আমাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করত। আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: "যখন তুমি জাগ্রত হবে, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে এবং তোমার বাম দিকে তিনবার থুতু ছিটাবে (ফুঁ দেবে); তবে আল্লাহর ইচ্ছায় তা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না।"

১৮- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি সাঈদ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি সুলাইমান বিন দাউদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে থাকবে, আল্লাহ তার অত্যন্ত সহজ হিসাব গ্রহণ করবেন এবং তাঁর রহমতে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলো কী? তিনি বললেন: "যে তোমাকে বঞ্চিত করেছে তাকে তুমি দান করবে, যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে এবং যে তোমার ওপর জুলুম করেছে তাকে তুমি ক্ষমা করে দেবে।" তিনি (আবু হুরায়রা) বললেন: আমি যখন তা করব, তখন আমার জন্য কী প্রতিদান রয়েছে হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: "তোমার থেকে সহজ হিসাব নেওয়া হবে এবং তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

১৯- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি সাঈদ অর্থাৎ ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি আইয়ুব বিন জাবির থেকে, তিনি মুসলিম আল-আওয়ার থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি কায়স বিন আস-সাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "ফজরের সালাত আদায় করতেন যখন আলো আকাশে ছড়িয়ে পড়ত, যোহরের সালাত পড়তেন যখন সূর্য ঢলে পড়ত, আসরের সালাত পড়তেন যখন সূর্য উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকত এবং মাগরিবের সালাত পড়তেন যখন রোজা পালনকারীরা ইফতার করত।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৬)
20- حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، ثنا إبراهيم بن الحجاج السامي، ثنا سلام أبو المنذر، ثنا عاصم بن بهدلة، عن زر بن حبيش، عن عبد الله بن مسعود، قال: كنت في غنم لآل عقبة بن أبي معيط، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، ومعه أبو بكر بن أبي قحافة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " هل عندك لبن؟ " فقلت: نعم، ولكني مؤتمن قال: " فهل عندك شاة لم ينز عليها الفحل؟ " قلت: نعم، فأتيته بشاة شصوص قال سلام: وهي التي ليس لها ضرع، فمسح النبي صلى الله عليه وسلم، مكان الضرع، وما لها ضرع، فإذا ضرع حافل مملوء لبنا، قال: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم بصخرة منقعرة، فاحتلب النبي صلى الله عليه وسلم، فسقى أبا بكر، وسقاني، ثم شرب، ثم قال للضرع: " اقلص " فرجع كما كان قال: فلما رأيت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم، قلت: يا رسول الله علمني، فمسح رأسي، وقال: " بارك الله فيك، فإنك غلام معلم " فأسلمت، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فينا نحن عنده على حراء، إذ نزلت عليه سورة المرسلات، فأخذتها، وإنها لرطبة نقية، أو إن فاه لرطب بها، فلا أدري بأية الآيتين ختم: {وإذا قيل لهم اركعوا لا يركعون} ، أو {فبأي حديث بعده يؤمنون} وأخذت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعين سورة، وأخذت بقية القرآن من أصحابه، فبينا نحن نيام على حراء، أو على الجبل، فما نبهنا إلا صوت النبي صلى الله عليه وسلم: " منعها منكم الذي منعكم منها " قال: فقلنا: يا رسول الله وما ذاك؟ قال: " حية خرجت من ناحية الجبل "
২০- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিনি ইব্রাহিম ইবনুল হাজ্জাজ আস-সামি থেকে, তিনি সাল্লাম আবু আল-মুনজির থেকে, তিনি আসিম বিন বাহদালাহ থেকে, তিনি জির বিন হুবাইশ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উকবা বিন আবি মুআইতের পরিবারের ছাগল চরাচ্ছিলাম, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং তাঁর সাথে আবু বকর বিন আবি কুহাফাহ ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তোমার কাছে কি দুধ আছে?" আমি বললাম: হ্যাঁ, কিন্তু আমি আমানতদার। তিনি বললেন: "তোমার কাছে কি এমন কোনো বকরি আছে যার কাছে কোনো পুরুষ ছাগল আসেনি?" আমি বললাম: হ্যাঁ। তারপর আমি তাঁর কাছে একটি 'শাসুস' বকরি নিয়ে আসলাম। সাল্লাম বলেন: এটি এমন বকরি যার ওলান নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওলানের জায়গায় হাত বুলালেন, অথচ তার কোনো ওলান ছিল না। হঠাৎ দেখা গেল একটি বড় ওলান যা দুধে পরিপূর্ণ। তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে একটি গর্তযুক্ত পাথর নিয়ে আসলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাতে দুধ দুইলেন, তারপর আবু বকরকে পান করালেন এবং আমাকে পান করালেন, এরপর তিনি নিজে পান করলেন। তারপর তিনি ওলানকে বললেন: "সংকুচিত হয়ে যাও", তখন তা আগের অবস্থায় ফিরে গেল। তিনি বলেন: যখন আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর থেকে এটি দেখলাম, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে শিক্ষা দিন। তখন তিনি আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং বললেন: "আল্লাহ তোমার মাঝে বরকত দিন, নিশ্চয়ই তুমি একজন শিক্ষিত বালক।" তখন আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম। এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলাম যখন আমরা তাঁর সাথে হেরা পাহাড়ে ছিলাম, তখন তাঁর ওপর সূরা আল-মুরসালাত নাযিল হলো। আমি তা গ্রহণ করলাম, তখন তা সতেজ ও স্বচ্ছ ছিল অথবা তাঁর মুখ থেকে তা সতেজ অবস্থায় বের হচ্ছিল। আমি জানি না তিনি কোন আয়াতটি দিয়ে শেষ করেছিলেন: "আর যখন তাদেরকে বলা হয়, রুকু কর, তারা রুকু করে না" নাকি "সুতরাং এরপর আর কোন বাণীর ওপর তারা ঈমান আনবে?" আর আমি সরাসরি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুখ থেকে সত্তরটি সূরা শিখেছি এবং কুরআনের বাকি অংশ তাঁর সাহাবীদের থেকে শিখেছি। একদা আমরা হেরা পাহাড়ে বা পাহাড়ের ওপর ঘুমাচ্ছিলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আওয়ায ছাড়া আর কিছুই আমাদের জাগ্রত করেনি: "যিনি তোমাদের থেকে তাকে প্রতিহত করেছেন, তিনিই তাকে তোমাদের থেকে প্রতিহত করেছেন।" তিনি বলেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী? তিনি বললেন: "একটি সাপ যা পাহাড়ের এক পাশ থেকে বেরিয়ে এসেছিল।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৭)
21- حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، ثنا شيبان بن أبي شيبة، حدثنا عكرمة بن إبراهيم، حدثنا عاصم، عن زر بن حبيش، عن عبد الله بن مسعود، قال: أخر رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العشاء ذات ليلة، ثم خرج إلى المسجد، فإذا الناس ينتظرون الصلاة، فقال: " أما إنه ليس من أهل ملة من أهل هذه الأديان أحد يذكر الله في هذه الساعة غيركم " قال: ونزلت هذه الآية: {ليسوا سواء من أهل الكتاب أمة قائمة إلى قوله عليم بالمتقين} "

22- حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، ثنا محمد بن سعدان الضرير المقرئ -، ثنا أبو عاصم، كوفي - ضرير، عن محمد بن عبيد الله -، عن عاصم -، عن زر، قال: قرأ رجل على عبد الله بن مسعود: {طَهَ} فلم يكسر فقال عبد الله: " طِهِ " وكسر الطاء والهاء، فقال الرجل: {طَهَ} ولم يكسر فقال عبد الله: " طِهِ " كسر، ثم قال عبد الله: " والله لهكذا علمني رسول الله صلى الله عليه وسلم "

23- حدثنا محمد بن عثمان بن محمد العبسي ثنا ضرار بن صرد، ثنا علي بن هاشم، عن صدقة بن أبي عمران، عن أبي إسحاق، عن هبيرة، عن الحسن بن علي، قال: " ما بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا قط إلا أعطاه الراية "

24- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا أحمد بن طارق الوابشي، ثنا عمرو بن عطية -، عن أبيه -، عن عدي بن ثابت، أن أبا سليمان الجهني زيد بن وهب حدثه أن أبا ذر حدثه، قال: كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: " يا أبا ذر إن الأكثرين الأقلون يوم القيامة " مرتين، ثم قال في الثالثة: " إن الأكثرين الأسفلون يوم القيامة، إلا من حثا عن يمينه، وعن شماله " وقال: هكذا وهكذا
২১- আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, শায়বান ইবনে আবি শায়বা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইকরিমাহ ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি যির ইবনে হুবায়শ থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাতে এশার সালাত বিলম্বিত করলেন, অতঃপর তিনি মসজিদের দিকে বের হলেন। তখন দেখলেন যে, লোকেরা সালাতের জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন: "জেনে রেখো, তোমাদের ব্যতীত এই সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে এই মুহূর্তে আল্লাহকে স্মরণ করছে।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন এই আয়াতটি নাযিল হলো: {তারা সবাই সমান নয়; আহলে কিতাবদের মধ্যে এমন এক দল রয়েছে যারা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত...} মহান আল্লাহর বাণী {মুত্তাকীদের সম্পর্কে তিনি সম্যক পরিজ্ঞাত} পর্যন্ত।

২২- আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে সা'দান আদ-দারীর আল-মুকরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আসিম কুফী—যিনি দৃষ্টিহীন ছিলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের নিকট {ত্ব-হা} পাঠ করল কিন্তু সে অক্ষরে কাসরা (ই-কার) প্রদান করল না। তখন আব্দুল্লাহ বললেন: "{ত্বি-হি}" এবং তিনি 'ত্ব' ও 'হা' উভয় অক্ষরে কাসরা প্রদান করলেন। লোকটি আবারও {ত্ব-হা} পাঠ করল এবং কাসরা করল না। আব্দুল্লাহ পুনরায় বললেন: "{ত্বি-হি}" এবং কাসরা করলেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ বললেন: "আল্লাহর কসম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এভাবেই শিক্ষা দিয়েছেন।"

২৩- মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-আবসী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, দিরার ইবনে সুরদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আলী ইবনে হাশিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সাদাকা ইবনে আবি ইমরান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হুবায়রা থেকে এবং তিনি হাসান ইবনে আলী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীকে যখনই কোনো অভিযানে পাঠাতেন, তাকে অবশ্যই পতাকা প্রদান করতেন।"

২৪- মুহাম্মাদ ইবনে উসমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে তারিক আল-ওয়াবশি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমর ইবনে আতিয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আদি ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু সুলায়মান আল-জুহানী যায়িদ ইবনে ওয়াহাব তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবু যার তাকে হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাঁটছিলাম, তখন তিনি বললেন: "হে আবু যার, নিশ্চয়ই অধিক সম্পদশালীরাই কিয়ামতের দিন সবচেয়ে রিক্তহস্ত হবে" - কথাটি তিনি দুইবার বললেন। অতঃপর তৃতীয়বারে বললেন: "নিশ্চয়ই অধিক সম্পদশালীরাই কিয়ামতের দিন সবচেয়ে নিচু স্তরে থাকবে, তবে সে ব্যক্তি ব্যতীত যে তার ডানে ও বামে এভাবে অকাতরে দান করে।" আর তিনি হাতের ইশারায় দেখালেন, এভাবে এবং এভাবে।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৮)
25- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا منجاب، ثنا علي بن مسهر، ثنا مسعر، عن عامر بن شقيق بن جمرة الأسدي، عن أبي وائل، قال: ما رأيت ابن مسعود في مأدبة أو جنازة ولا غير ذلك، فيقوم حتى يحمد الله، ويصلي على النبي صلى الله عليه وسلم، ويدعو بدعوات، وإن كان مما يأتي السوق فيجلس في أغفلها مكاناً فيحمد الله، ويصلي على النبي صلى الله عليه وسلم ويدعو بدعوات.

26- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا أحمد بن طارق الوابشي، ثنا يوسف بن عطية الباهلي، عن يونس بن عبيد، عن الحسن، عن سمرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: " إذا نكح الوليان فالأول أحق، وإذا بايع البيعان فالأول أحق "
২৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিনজাব, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসহির, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর, তিনি আমির ইবনে শাকিক ইবনে জামরাহ আল-আসাদি থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদকে কোনো ভোজসভায়, জানাজায় কিংবা অন্য কোনো স্থানে এমন অবস্থায় দেখিনি যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা করা, নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি দরুদ পাঠ করা এবং কিছু দোয়া করা ব্যতীত প্রস্থান করেছেন। এমনকি তিনি যখন বাজারে আসতেন, তখন তার নির্জনতম স্থানে বসতেন, অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা করতেন, নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি দরুদ পাঠ করতেন এবং কিছু দোয়া করতেন।

২৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে তারিক আল-ওয়াবিশি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে আতিয়্যাহ আল-বাহিলি, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন দুইজন অভিভাবক (একই নারীর) বিবাহ দিয়ে দেন, তবে প্রথমজনই অধিক হকদার। আর যখন দুইজন বিক্রেতা (একই পণ্য) বিক্রি করেন, তবে প্রথমজনই অধিক হকদার।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ৯)
27-حدثنا محمود بن محمد المروزي، ثنا علي بن حجر السعدي، ثنا داود بن الزبرقان، قال: سئل أبو حنيفة - عن الخليطين خليطي البسر والتمر، فقال حدثني حماد -، عن إبراهيم -، أنه كان لا يرى بذلك بأسا، فقلت: هل كان إبراهيم - يحدث فيه برخصة كما يحدث في نبيذ الجر؟ قال: لا أعلمه فقلت: ما نصنع بحديث إبراهيم، وقد جاء فيه النهي من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال: أما إني أزيدك، حدثني نافع - أن ابن عمر - خلطهما، قال: قلت: إنما صنع مرة - واحدة من - وجع عرض له في صدره، لأن التمر فيه بلغم، والزبيب حار كما كان ينظم له الثوم، فيلقى في القدر -، فإذا نضحت القدر - ما فيها كشط الثوم فرمى به، وحسا المرق أخبرني بذلك أيوب -، عن نافع -، عن ابن عمر - فقال أبو حنيفة -: ما أبالي صنعه مرة - أو مائة مرة - قال: ثم أقبل علي -، فقال: من حدثك؟ فقلت: حدثنا مطر الوراق، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهى عن البسر والتمر أن يخلط بينهما وعن الزبيب والتمر أن يخلط بينهما " وحدثني ابن جريج المكي، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبيد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني ليث بن أبي سليم، عن عطاء، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني سليمان التيمي، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني الصلت بن دينار أبو شعيب الأزدي، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهى عنهما أن يخلطا " في رواية أبي حذيفة: عبد الغفار بن محمد المؤدب وحدثنا إسماعيل بن مسلم العبدي، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد،
২৭-মাহমুদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে হুজর আস-সা'দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনুল যাবরাকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হানিফাকে কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুরের মিশ্রণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন, হাম্মাদ ইব্রাহীম থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এতে কোনো সমস্যা দেখতেন না। তখন আমি বললাম: ইব্রাহীম কি এতে তেমন কোনো শিথিলতা বর্ণনা করতেন যেমনটি তিনি কলসের নাবিযের ক্ষেত্রে বর্ণনা করতেন? তিনি বললেন: আমি তা জানি না। আমি বললাম: আমরা ইব্রাহীমের বর্ণনার কী করব যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এসেছে? তিনি বললেন: শোনো, আমি তোমাকে আরও বলছি, নাফে' আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে উমর এই দুটি মিশ্রিত করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম: তিনি কেবল একবারই এমন করেছিলেন তার বুকে ব্যথার কারণে, কারণ পাকা খেজুরে শ্লেষ্মা তৈরি হয় এবং কিসমিস গরম, যেমনটি তার জন্য রসুনের মালা তৈরি করা হতো এবং হাঁড়িতে ফেলে দেওয়া হতো; যখন হাঁড়ির খাবার সিদ্ধ হতো, তখন রসুন তুলে ফেলে দেওয়া হতো এবং তিনি ঝোল পান করতেন। আইয়ুব নাফে' থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে আমাকে এ সংবাদ দিয়েছেন। তখন আবু হানিফা বললেন: তিনি এটি একবার করেছেন নাকি শতবার, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি আমার দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং বললেন: তোমাকে কে বর্ণনা করেছে? আমি বললাম: মাতার আল-ওয়াররাক আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে এবং তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুর একত্রে মেশাতে এবং কিসমিস ও পাকা খেজুর একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।" এবং ইবনে জুরাইজ আল-মাক্কী আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে এবং তিনি জাবির ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "সেই দুটি একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।" এবং লাইস ইবনে আবি সুলাইম আতা থেকে এবং তিনি জাবির থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই দুটি একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন। এবং সুলাইমান আত-তাইমী আবু নাদরা থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "সেই দুটি একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।" এবং আস-সালত ইবনে দীনার আবু শুয়াইব আল-আযদি আবু নাদরা থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "সেই দুটি একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।" এটি আবু হুযাইফা আব্দুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব-এর বর্ণনায় রয়েছে। এবং ইসমাঈল ইবনে মুসলিম আল-আবদী আবু নাদরা থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "সেই দুটি একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।" এবং সাঈদ ইবনে আবি আরুবা কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু নাদরা থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১০)
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني أبو هارون العبدي، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثنا أبان بن أبي عياش، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " نهى عنهما أن يخلطا " وقال أنس: فقد حرمت الخمر وما لأهل المدينة شراب غير الخليطين وحدثنا ثابت أن أنس بن مالك كان يقطع التذنوبة من البسر هذا المكتوب بالحمرة، جميعه ثابت في رواية أبي طاهر المؤدب وحدثنا شعبة، عن الحكم، عن أبي ليلى، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهى عنهما أن يخلطا " وحدثنا أصحابنا، عن الحسن، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، نهى عنهما أن يخلطا " وحدثني هشام الدستوائي، عن يحيى بن أبي كثير، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: " لا تنبذوا الزهو والرطب جميعا، ولا تنبذوا الزبيب والتمر جميعا، وانبذوا كل واحد منهما على حدته " وحدثني شعبة، عن أبي إسحاق، حدثني فتية من أهل نجران، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي برجل سكران، أو قال نشوان، قال: فلما ذهب سكره، أمر بجلده فقال: يا رسول الله إني لم أشرب خمرا إنما شربت خليط البسر والتمر قال: " فأمر به فجلد، ونهى عنهما أن يخلطا " وحدثنا شعبة، عن محارب بن دثار، عن جابر، قال: " خليط البسر والتمر خمر " وحدثنا هشام، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: " إنما أفسد التمر والبسر، وهما يسمى المزرفاذ، خلطهما لا يصلح " قال: وقال أبو حنيفة: ما أرى به بأسا قال: قلت: سبحان الله، ألم يقل الله جل ثناؤه: " وما آتاكم الرسول فخذوه وما نهاكم عنه فانتهوا؟ " قال: فقال أبو حنيفة: أرأيت لو أتيت الساعة بجمجمة فيها نبيذ تمر نبذ بالأمس
নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির (খেজুর ও কিসমিস অথবা কাঁচা ও পাকা খেজুর) মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং আবু হারুন আল-আবদি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং আবান ইবনে আবি আইয়্যাশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং আনাস (রা.) বলেন: যখন মদ হারাম করা হলো, তখন মদিনাবাসীদের নিকট এই মিশ্রিত পানীয় ব্যতীত অন্য কোনো পানীয় ছিল না। এবং সাবিত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস ইবনে মালিক কাঁচা খেজুরের পক্ক অংশ কেটে আলাদা করতেন। লাল রঙে লিখিত এই অংশটির পুরোটাই আবু তাহির আল-মুয়াদ্দিবের বর্ণনায় প্রমাণিত। এবং শু'বাহ আমাদের কাছে হাকাম থেকে, তিনি আবু লায়লা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং আমাদের সঙ্গীরা হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ি আমার কাছে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা আধা-পাকা খেজুর ও তাজা পাকা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে পানীয় তৈরি করো না, এবং কিসমিস ও শুকনো খেজুরও একত্রে ভিজিয়ে পানীয় তৈরি করো না; বরং এদের প্রত্যেকটি পৃথক পৃথকভাবে ভিজিয়ে পানীয় তৈরি করো।” এবং শু'বাহ আমার কাছে আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নাজরানের কিছু যুবক আমার কাছে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এক মাতাল ব্যক্তিকে আনা হলো, অথবা তিনি বলেছেন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে। বর্ণনাকারী বলেন: যখন তার নেশা কেটে গেল, তিনি তাকে বেত্রাঘাত করার নির্দেশ দিলেন। তখন সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো মদ পান করিনি, আমি কেবল কাঁচা খেজুর ও শুকনো খেজুরের মিশ্রিত পানীয় পান করেছি। তিনি বলেন: “অতঃপর তিনি নির্দেশ দিলেন এবং তাকে বেত্রাঘাত করা হলো, আর তিনি সেই দুটির মিশ্রণ করতে নিষেধ করলেন।” এবং শু'বাহ আমাদের কাছে মুহারিব ইবনে দিসার থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “কাঁচা ও শুকনো খেজুরের মিশ্রণই হলো মদ।” এবং হিশাম আমাদের কাছে ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “শুকনো ও কাঁচা খেজুর—যাকে মুজারফাদ বলা হয়—এদের মিশ্রণ এগুলোকে নষ্ট করে দেয়, তাই এদের মিশ্রণ করা বৈধ নয়।” বর্ণনাকারী বলেন: আবু হানিফা বললেন, “আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না।” বর্ণনাকারী বলেন: আমি বললাম, “সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ কি বলেননি: ‘রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো’?” বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু হানিফা বললেন, “তোমার কী মনে হয়, আমি যদি এখনই তোমার কাছে এমন একটি পাত্র নিয়ে আসি যাতে গতকাল ভিজিয়ে রাখা খেজুরের পানীয় রয়েছে...”
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১১)
أأشربه؟ قلت: نعم قال: ثم أتيت بجمجمة فيها نبيذ زبيب نبذ بالأمس أشربه؟ قال: فسكت، فلم أقل له: لا، ولا نعم قال: فقال: إذا اجتمعا في بطن صلح، وإذا اجتمعا في إناء لم يصلح

إلى هنا من رواية أبي طاهر المؤدب، عن أبي علي ابن الصواف

28- حدثنا أبو جعفر الحسن بن علي بن الوليد الفسوي، ثنا أحمد بن حاتم، ثنا عمر بن هارون، عن ثور، عن يزيد بن شريح، عن جبير بن نفير، عن النواس بن سمعان، قال: قال رسول: " كبرت خيانة أن تحدث أخاك حديثا هو لك مصدق، وأنت له كاذب "

29- حدثنا الحسن بن علي، ثنا الفيض بن الوثيق، ثنا عثمان بن مطر الشيباني، ثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " الحسن والحسين سيدا شباب أهل الجنة "

30- حدثنا الحسن بن علي، ثنا سعيد بن سليمان، ثنا منصور بن أبي الأسود، عن عطاء بن السائب، عن محارب بن دثار، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال: لما قدم جعفر من الحبشة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما أعجب شيء رأيته؟ " قال: رأيت امرأة على رأسها مكتل من طعام، فمر بها فارس يركض، فأذراه، فقعدت تجمعه، ثم التفتت إليه، فقالت: ويل لك يوم يضع الملك كرسيه فيأخذ للمظلوم من الظالم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تصديقا لقولها: " لا قدست أمة " أو " كيف تقدس أمة لا يأخذ ضعيفها حقه من شديدها وهو متعتع "
আমি কি তা পান করব? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: এরপর আমার কাছে একটি কাঠের বাটি আনা হলো যাতে কিসমিসের নাবিয ছিল যা গতকাল ভেজানো হয়েছে, আমি কি তা পান করব? বর্ণনাকারী বলেন: তিনি চুপ থাকলেন, আমি তাঁকে 'না'-ও বললাম না, 'হ্যাঁ'-ও বললাম না। তিনি বললেন: যখন এই দুটি পেটে একত্রিত হয় তখন তা বৈধ হয়, আর যখন কোনো পাত্রে একত্রিত হয় তখন তা বৈধ হয় না।

আবু আলী ইবনাস সাওয়াফ থেকে আবু তাহের আল-মুয়াদ্দিবের বর্ণনা অনুযায়ী এখান পর্যন্ত।

২৮- আবু জাফর হাসান বিন আলী বিন আল-ওয়ালিদ আল-ফাসাওয়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ বিন হাতিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ওমর বিন হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওরের সূত্রে, তিনি ইয়াযীদ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি জুবাইর বিন নুফাইর থেকে, তিনি নাওয়াস বিন সামআন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "এটি একটি বড় ধরণের খিয়ানত যে, তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে এমন কোনো কথা বললে যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করল অথচ তুমি তার কাছে মিথ্যা বলছিলে।"

২৯- হাসান বিন আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ফায়দ বিন আল-ওয়াসীক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন উসমান বিন মাতার আল-শায়বানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "হাসান এবং হুসাইন জান্নাতী যুবকদের সরদার।"

৩০- হাসান বিন আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সাঈদ বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মানসুর বিন আবিল আসওয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আতা বিন আল-সাইব থেকে, তিনি মুহারিব বিন দিসার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন বুরাইদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জাফর যখন হাবশা থেকে ফিরে এলেন তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: "তুমি সেখানে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক কী দেখেছ?" তিনি বললেন: আমি একজন নারীকে দেখলাম যার মাথায় খাবারের একটি ঝুড়ি ছিল। তখন একজন অশ্বারোহী দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে তা ফেলে দিল। এরপর সে বসে তা কুড়াতে লাগল। তারপর সে তার দিকে ফিরে তাকাল এবং বলল: তোমার জন্য দুর্ভোগ সেই দিন, যেদিন রাজাধিরাজ (আল্লাহ) তাঁর কুরসি স্থাপন করবেন এবং যালিমের থেকে মাযলুমের পাওনা আদায় করে দেবেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তার কথার সত্যয়ন করে বললেন: "সেই উম্মত পবিত্র হতে পারে না" অথবা "কীভাবে সেই উম্মত পবিত্র হতে পারে যাদের দুর্বল ব্যক্তিরা তাদের পাওনা সবলদের থেকে বিনা দ্বিধায় বা লাঞ্ছিত না হয়ে আদায় করতে পারে না।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১২)
31- حدثنا الحسن بن علي، ثنا خالد بن خداش، ثنا مالك بن أنس، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم، عن قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم " كان يصلي وهو حامل أمامة بنت أبي العاص، بنت زينب، فإذا ركع وضعها، وإذا قام رفعها ". حدثنا الحسن، ثنا خالد بن خداش، ثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ابن جريج، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم، عن أبي قتادة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، فعل ذلك في صلاة العصر. هكذا في الأصل: معمر، عن ابن جريج.

32- حدثنا جعفر بن أحمد بن عاصم الدمشقي، ثنا هشام بن عمار، ثنا إسماعيل بن عياش، ثنا جعفر بن الحارث، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن عبد الله بن مسعود، رضي الله عنه، قال: كل شيء قد أوتي نبيكم غير مفاتيح الخمس، ثم قرأ عبد الله هذه الآية: {إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ} إلى آخر الآية.

33- حدثنا جعفر بن أحمد، ثنا محمد بن خالد بن عبد الرحمن، ثنا إبراهيم بن عثمان وهو ابن أبي شيبة، عن الحكم بن عتيبة، عن مقسم، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " كان من الأنبياء من يسمع الصوت فيكون بذلك نبيا، وكان منهم من يرى في المنام فيكون بذلك نبيا، وكان منهم من بثت في أذنه وقلبه فيكون بذلك نبيا، وإن جبريل يأتيني فيكلمني كما يأتي أحدكم صاحبه فيكلمه "

34- حدثنا أبو الحسن إدريس بن عبد الكريم المقرئ، ثنا ليث بن حماد، ثنا عبد الواحد بن زياد، عن إسماعيل بن سميع، عن أنس بن مالك، قال: قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم: إني أسمع الله تعالى يقول: " الطلاق مرتان " فأين الثالث؟ قال: " فإمساك بمعروف أو تسريح بإحسان "
৩১- হাসান ইবনে আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে খিদাশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবাইর থেকে, তিনি আমর ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যয়নাবের কন্যা ও আবুল আসের কন্যা উমামাহ-কে বহন করা অবস্থায় নামায পড়ছিলেন; যখন তিনি রুকু করতেন তখন তাকে নামিয়ে রাখতেন, আর যখন দাঁড়াতেন তখন তাকে তুলে নিতেন। হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে খিদাশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মা’মার থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আমির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবাইর থেকে, তিনি আমর ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আসরের নামাযে এটি করেছিলেন। মূল কপিতে এভাবেই রয়েছে: মা’মার, ইবনে জুরাইজ থেকে।

৩২- জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে আসিম আদ-দিমাশকী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবনুল হারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমাশ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: পাঁচটি (অদৃশ্যের) চাবিকাঠি ব্যতীত আপনার নবীকে সবকিছুই প্রদান করা হয়েছে। অতঃপর আব্দুল্লাহ এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: {নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে} আয়াতের শেষ পর্যন্ত।

৩৩- জাফর ইবনে আহমাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে উসমান (যিনি ইবনে আবি শায়বা নামে পরিচিত) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাকাম ইবনে উতাইবাহ থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবীদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যিনি আওয়াজ শুনতেন এবং এর মাধ্যমেই নবী হতেন, তাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যিনি স্বপ্নে দেখতেন এবং এর মাধ্যমেই নবী হতেন, আবার তাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যার কানে এবং অন্তরে (ওহী) নিক্ষেপ করা হতো এবং এর মাধ্যমেই তিনি নবী হতেন। আর জিবরাঈল আমার নিকট আসেন এবং আমার সাথে কথা বলেন, যেমন তোমাদের কেউ তার সঙ্গীর কাছে আসে এবং তার সাথে কথা বলে।"

৩৪- আবুল হাসান ইদরিস ইবনে আব্দুল কারিম আল-মুকরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: লাইস ইবনে হাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাইল ইবনে সামী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমি আল্লাহ তাআলাকে বলতে শুনি যে, "তালাক দুই বার", তাহলে তৃতীয়টি কোথায়? তিনি বললেন: "হয় সদ্ভাবে রেখে দেওয়া, না হয় অনুগ্রহের সাথে বিদায় দেওয়া।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৩)
35- حدثنا إدريس، ثنا سهل بن زنجلة الرازي، ثنا الصباح بن محارب، حدثني عمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة، عن أبيه، عن جده وعن زياد بن علاقة، عن أسامة بن شريك، قال: " كنا إذا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لم نخلع خفافنا لشيء من حاجتنا ثلاثا، وإذا كنا معه في الحضر مسحنا يوما وليلة "

36- حدثنا إدريس، ثنا سهل بن زنجلة، ثنا الصباح بن محارب، ثنا عمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة، عن أبيه، عن جده، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " من كذب على شيء اعتده ليضل به الناس فليتبوأ مقعده من النار ". رواه محمد بن عبد الله الحضرمي، وموسى بن هارون، عن سهل بن زنجلة الرازي، عن الصباح بن محارب، عن عمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة، عن أبيه، عن جده.

37- حدثنا إدريس، ثنا محرز بن عون، ثنا عبد المجيد بن عبد العزيز بن أبي رواد، عن معمر، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ليس فيما دون خمس ذود صدقة، ولا فيما دون خمس أواق صدقة، ولا فيما دون خمسة أوساق صدقة "

38- حدثنا إبراهيم بن هاشم بن الحسين البغوي، ثنا عبد الرحمن بن سلام بن عبيد الله بن سالم، مولى قدامة بن مظعون، ثنا إبراهيم بن طهمان، عن أبي إسحاق، عن أنس بن مالك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من ذكرت عنده فليصل علي، فإنه من صلى علي مرة صلى الله عليه عشرا "

39- حدثنا إبراهيم، بإسناده، عن أبي إسحاق، عن هبيرة بن يريم، عن عبد الله بن مسعود، أنه قال: " من أتى عرافاً أو ساحراً أو كاهناً فسأله فصدقة بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمدٍ صلى الله عليه وسلم ".
৩৫- আমাদের কাছে ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনে জানজালাহ আর-রাজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আস-সাব্বাহ ইবনে মুহারিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়ালা ইবনে মুররাহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং যিয়াদ ইবনে আলাকাহ থেকে, তিনি উসামাহ ইবনে শারিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে থাকতাম, তখন আমাদের কোনো প্রয়োজনে তিন দিন পর্যন্ত আমাদের মোজা খুলতাম না। আর যখন আমরা তাঁর সাথে নিজ আবাসে থাকতাম, তখন আমরা একদিন ও এক রাত মাসেহ করতাম।"

৩৬- আমাদের কাছে ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনে জানজালাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আস-সাব্বাহ ইবনে মুহারিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়ালা ইবনে মুররাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি মানুষকে পথভ্রষ্ট করার জন্য মিথ্যা কোনো কিছু উদ্ভাবন করে আমার ওপর আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।" এটি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি এবং মুসা ইবনে হারুন সাহল ইবনে জানজালাহ আর-রাজি থেকে, তিনি আস-সাব্বাহ ইবনে মুহারিব থেকে, তিনি উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়ালা ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।

৩৭- আমাদের কাছে ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন, মুহরিজ ইবনে আউন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মাজিদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবি রাওয়াদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি মা'মার থেকে, তিনি যাইদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই, পাঁচ উকিয়ার কম (রুপার) ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই এবং পাঁচ ওয়াসাকের কম (শস্যের) ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই।"

৩৮- আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে হাশিম ইবনে আল-হুসাইন আল-বাগাভি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে সালাম ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সালিম (কুদামাহ ইবনে মাজউনের মুক্তদাস) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে তাহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে এবং তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যার নিকট আমার আলোচনা করা হয়, সে যেন আমার ওপর দরুদ পাঠ করে। কারণ যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন।"

৩৯- ইব্রাহিম তাঁর সনদে আবু ইসহাক থেকে, তিনি হুবাইরাহ ইবনে ইয়ারিম থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো গণক, জাদুকর বা ভবিষ্যৎ বক্তার কাছে আসলো এবং সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর যা নাজিল করা হয়েছে তার সাথে কুফরি করল।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৪)
40- وبه عن أبي إسحاق، عن أبي عبيدة، عن ابن مسعود، أنه قال: لما نزلت: {إذا جاء نصر الله والفتح} إلى آخر السورة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكثر أن يقول: " سبحانك ربنا وبحمدك، اللهم اغفر لي إنك أنت التواب "

41- حدثنا أبو الفضل العباس بن أحمد بن الحسن الوشاء، ثنا أحمد بن عمر الوكيعي، ثنا قبيصة، عن سفيان، عن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس، قال: سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم: أي الناس أحسن قراءة؟ قال: " الذي إذا سمعته يقرأ ريت أنه يخشى الله عز وجل "

42- حدثنا العباس، ثنا أحمد بن عمر، ثنا ابن فضيل، ثنا ليث، عن طلحة، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " أعربوا القرآن "

43- حدثنا أبو جعفر محمد بن نصر الصائغ، ثنا ابن أبي أويس -، ثنا أبي -، عن ابن شهاب، أخبره أن مالك بن أوس بن الحدثان، أخبره، قال: قال عمر بن الخطاب: قال أبو بكر الصديق: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا نورث، ما تركنا صدقة "

44- حدثنا محمد بن نصر، ثنا إسماعيل يعني ابن أبي أويس، ثنا سليمان بن بلال، عن إبراهيم بردان بن أبي النضر مولى عمر بن عبيد، عن أبيه، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: " صلاة المرء في بيته أفضل من صلاته في مسجدي هذا إلا المكتوبة "
৪০- এবং তার নিকট থেকে বর্ণিত আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবায়দাহ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: যখন "যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে" সূরার শেষ পর্যন্ত অবতীর্ণ হলো, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক পরিমাণে বলতেন: "হে আমাদের রব! আপনি পবিত্র এবং আপনারই প্রশংসা, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী।"

৪১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফযল আব্বাস ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-ওয়াশশা, তিনি আহমদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিঈ থেকে, তিনি ক্বাবিসাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: মানুষের মধ্যে তিলাওয়াতের দিক থেকে কে সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: "যাকে তিলাওয়াত করতে শুনলে তোমার মনে হয় যে সে মহান আল্লাহকে ভয় করছে।"

৪২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস, তিনি আহমদ ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনে ফুদাইল থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি তালহা থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "তোমরা কুরআনকে ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ উচ্চারণে পাঠ করো।"

৪৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে নাসর আস-সায়িগ, তিনি ইবনে আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মালিক ইবনে আউস ইবনুল হাদাসান থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে, তিনি আবু বকর সিদ্দিক থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমাদের কোনো উত্তরাধিকারী রাখা হয় না, আমরা যা রেখে যাই তা সদকা হিসেবে গণ্য।"

৪৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে নাসর, তিনি ইসমাইল অর্থাৎ ইবনে আবি উওয়াইস থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে, তিনি উমর ইবনে উবাইদের মুক্তদাস ইবরাহিম বারদান ইবনে আবিন নাদর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি বুসর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ব্যক্তির জন্য তার নিজের ঘরে সালাত আদায় করা আমার এই মসজিদে সালাত আদায়ের চেয়েও উত্তম, তবে ফরজ সালাত ব্যতীত।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৫)
45- حدثنا محمد بن نصر، ثنا إبراهيم بن حمزة الزبيري، ثنا موسى بن شيبة الأنصاري، من ولد كعب بن مالك، حدثني محمد بن كليب، عن محمد بن جابر، ومحمود بن جابر، قالا: خرجنا يوم دخل حبيش بن دلجة، ودخل بعد الحرة بعام، فدخل المدينة حتى أتى المنبر، ففزع الناس، فخرجنا بجابر في الحرة وقد ذهب بصره، قال: فينكبه الحجر، قال: فقال: أخاف الله من أخاف رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالها مرتين أو ثلاثا قبل أن نسأله، قال: فقلنا: يا أبتاه وما أخاف رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذلك؟ قال: أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " من أخاف الأنصار فقد أخاف ما بين هذين من جنبيه "

حدثنا محمد بن نصر، ثنا إبراهيم بن حمزة، ثنا عبد العزيز بن محمد، عن طلحة بن خراش، عن عبد الله بن جابر بن عتيك، أن قبر هارون النبي صلى الله عليه وسلم بأُحُدٍ.

46- حدثنا أبو عبد الله الحسين بن عمر بن إبراهيم الثقفي، ثنا أبي، ثنا عبيدة بن حميد، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، أو عبيدة، عن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " خير الناس قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم، ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه، ويمينه شهادته "

47- حدثنا الحسين، ثنا جبارة بن مغلس، ثنا محمد بن أبان، عن أبي إسحاق، عن العيزار، ويحيى بن أم الحصين، جميعا -، عن أم الحصين، قالت: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " إذا كان فيكم زنجي يقيم بكتاب الله فاسمعوا وأطيعوا "

48- حدثنا الحسين، ثنا محمد بن إسحاق البلخي، ثنا بشر بن السري، ثنا محمد بن ثابت البناني، عن أبيه -، عن شهر بن حوشب، عن أم سلمة، قالت: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقرأ: " {إنه عمل غير صالح} "
৪৫- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন হামজা আল-জুবাইরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুসা বিন শাইবা আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, যিনি কাব বিন মালিকের বংশধর, আমার নিকট মুহাম্মদ বিন কুলাইব বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন জাবির এবং মাহমুদ বিন জাবির থেকে, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমরা সেই দিন বের হলাম যেদিন হুবাইশ বিন দুলজাহ (মদিনায়) প্রবেশ করেছিল, সে হাররাহ্ যুদ্ধের এক বছর পর প্রবেশ করেছিল। সে মদিনায় প্রবেশ করে মিম্বর পর্যন্ত পৌঁছে গেল, ফলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। আমরা জাবিরকে নিয়ে হাররাহ্ প্রান্তরে বের হলাম, এমতাবস্থায় যে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি পাথরে হোঁচট খেলেন। জাবির বললেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আতঙ্কিত করবে, আল্লাহ তাকে আতঙ্কিত করবেন। আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করার আগেই তিনি কথাটি দুই বা তিনবার বললেন। তাঁরা বলেন: আমরা বললাম: হে পিতা! এর দ্বারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে আতঙ্কিত হন? তিনি বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আনসারদের আতঙ্কিত করল, সে যেন আমার এই দুই পার্শ্বের মধ্যবর্তী অংশকে (অর্থাৎ হৃদয়কে) আতঙ্কিত করল।"

আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন হামজা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তালহা বিন খিরাশ থেকে, আব্দুল্লাহ বিন জাবির বিন আতিক থেকে যে, নবী হারুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবর উহুদ পাহাড়ে অবস্থিত।

৪৬- আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন উমর বিন ইব্রাহিম আল-সাকাফি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদাহ বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, মানসুর থেকে, ইব্রাহিম থেকে, আলকামা অথবা উবাইদাহ থেকে, আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "সর্বোত্তম মানুষ হলো আমার প্রজন্মের মানুষ, তারপর তারা যারা তাদের পরবর্তী, তারপর তারা যারা তাদের পরবর্তী। এরপর এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যাদের সাক্ষ্য তাদের শপথের অগ্রগামী হবে এবং শপথ তাদের সাক্ষ্যের অগ্রগামী হবে।"

৪৭- আমাদের নিকট আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জাবারাহ বিন মুগাল্লিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আবান বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, আল-আইজার এবং ইয়াহইয়া বিন উম্মুল হুসাইন উভয়ের সূত্রে, উম্মুল হুসাইন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যদি তোমাদের মাঝে এমন কোনো কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিও নিযুক্ত হন যিনি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তোমাদের পরিচালনা করেন, তবে তোমরা তাঁর কথা শোনো এবং আনুগত্য করো।"

৪৮- আমাদের নিকট আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-বালখি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বিশর বিন আস-সাররি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-বুনানি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, শাহর বিন হাওশাব থেকে, উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পড়তে শুনেছি: "{নিশ্চয়ই এটি এক অসৎ কাজ}"।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৬)
49- حدثنا الحسين بن عمر، ثنا محمد بن إسحاق، ثنا معن بن عيسى، ثنا شيخ لنا مدني، ثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي فروة، عن يحيى بن عروة بن الزبير، عن أبيه، عن عائشة، قالت: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ: " {وما هو على الغيب بظنين} "

50- حدثنا الحسين، ثنا محمد بن إسحاق، ثنا بشر بن السري، وعباد بن العوام، قالا: ثنا هارون الأعور -، عن بديل بن ميسرة، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة، قالت: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ: " {فروح وريحان} "

51- حدثنا أحمد بن يحيى الحلواني، ثنا سعيد بن سليمان، عن يحيى بن إسماعيل، قال: سمعت الشعبي، عن ابن عمر، قال: " خير رسول الله صلى الله عليه وسلم بين الدنيا والآخرة، فاختار الآخرة "

52- حدثنا أحمد بن يحيى، ثنا عتيق بن يعقوب الزبيري، ثنا عبد العزيز الدراوردي، عن إبراهيم بن طهمان، عن أبي الزبير المكي -، أن أبا أسيد - سمع ابن عباس يفتي الدينار بالدينارين، والدرهم بالدرهمين، فأغلظ له أبو أسيد، فقال ابن عباس: سبحان الله يا أسيد، ما كنت أظن أحدا يعرف قرابتي من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في مثل هذا قال أبو أسيد: أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم، وصاع من حنطة بصاع من حنطة، وصاع من شعير بصاع من شعير، وصاع من تمر بصاع من تمر، وصاع من ملح بصاع من ملح، لا فضل بين شيء من ذلك " قال: فقال ابن عباس: لا أدري إنما هو شيء كنت أقول فيه برأيي ولم أسمع فيه شيئا

53- حدثنا عبد الله بن الحسن الحراني، ثنا أحمد بن عبد الملك بن واقد الحراني، نا زهير، ثنا عبد الملك بن عمير، عن ابن أبي بكرة، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا يقضي أحد بين اثنين وهو غضبان "
৪৯- হুসাইন বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'ন বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের জনৈক মদিনাবাসী শায়খ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি ফারওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন উরওয়াহ বিন যুবায়ের থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠ করতে শুনেছি: "{আর তিনি গায়েবের বিষয়ে কৃপণ নন।}"

৫০- হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন সারী ও আব্বাদ বিন আওয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: হারুন আল-আওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বুদাইল বিন মাইসারাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন শাকীক থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠ করতে শুনেছি: "{তবে তার জন্য রয়েছে আরাম ও সুগন্ধি।}"

৫১- আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন ইসমাইল থেকে, তিনি বলেন: আমি শাবী থেকে শুনেছি, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যে ইখতিয়ার (পছন্দ করার সুযোগ) দেওয়া হয়েছিল, তিনি আখিরাতকে পছন্দ করে নিয়েছেন।"

৫২- আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতীক বিন ইয়াকুব আল-যুবায়রী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ আদ-দারাওয়ারদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন তাহমান থেকে, তিনি আবু যুবায়ের আল-মাক্কী থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু আসীদ ইবনে আব্বাস (রা.)-কে এক দিনারের বিনিময়ে দুই দিনার এবং এক দিরহামের বিনিময়ে দুই দিরহামের (লেনদেনের) ফতোয়া দিতে শুনেছেন। তখন আবু আসীদ তার সাথে কঠোর ব্যবহার করলেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন: "সুবহানাল্লাহ হে আসীদ! আমি ভাবিনি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আমার আত্মীয়তার কথা জানেন এমন কেউ আমার সাথে এমন কথা বলবেন।" আবু আসীদ বললেন: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: 'দিনারের বদলে দিনার, দিরহামের বদলে দিরহাম, এক সা' গমের বদলে এক সা' গম, এক সা' যবের বদলে এক সা' যব, এক সা' খেজুরের বদলে এক সা' খেজুর এবং এক সা' লবণের বদলে এক সা' লবণ; এর কোনোটির মধ্যেই কোনো আধিক্য (কম-বেশি) রাখা চলবে না।'" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন: "আমি জানতাম না, এটি কেবল একটি বিষয় যা আমি নিজের মতানুসারে বলতাম এবং এ বিষয়ে আমি আগে কিছু শুনিনি।"

৫৩- আব্দুল্লাহ বিন হাসান আল-হাররানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আব্দুল মালিক বিন ওয়াকিদ আল-হাররানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক বিন উমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ক্রোধত অবস্থায় কেউ যেন দুই ব্যক্তির মাঝে ফয়সালা না করে।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৭)
54- حدثنا عبد الله بن الحسن، ثنا إسماعيل بن عبد الله بن زرارة الرقي، ثنا عمرو بن صالح القرشي، عن عبد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إنا نشبه عثمان بن عفان بأبينا إبراهيم عليه السلام "

55- حدثنا عبد الله بن الحسن، ثنا إسماعيل بن عبد الله، ثنا منيع بن حشرج، عن أبيه، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " الخلافة في أمتي ثلاثون سنة "

56- حدثنا عبد الله بن الحسن، ثنا يحيى البابلتي، ثنا إبراهيم بن جريج الرهاوي، عن زيد بن أبي أنيسة، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " المعدة حوض البدن، والعروق إليها واردة، فإذا صحت المعدة صدرت العروق بالصحة، وإذا سقمت المعدة صدرت العروق بالسقم "

57- حدثنا إسحاق بن الحسن الحربي، ثنا أبو عمر الحوضي، ثنا مرجى بن رجاء، عن سعيد البقال -، عن الضحاك بن مزاحم، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " زينوا القرآن بأصواتكم "

58- حدثنا إسحاق، ثنا أبو عمر، ثنا مرجى بن رجاء، ثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " على اليد ما أخذت حتى تؤديه "

59- حدثنا إسحاق، ثنا أبو عمر، ثنا همام، ثنا قتادة، أخبرني الزهري، عن عروة، عن عائشة، قال: " تقطع اليد في ربع دينار " موقوف.
54- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বিন যুরারাহ আল-রাক্কি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর বিন সালিহ আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমরা উসমান বিন আফফানকে আমাদের পিতা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের সাথে তুলনা করি।"

55- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মানি' বিন হাশরাজ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ বিন জুমহান থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস সাফিনাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্যে খিলাফত থাকবে ত্রিশ বছর।"

56- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া আল-বাবলিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহীম বিন জুরায়জ আল-রুহাউয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়দ বিন আবি আনিসা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পাকস্থলী হলো শরীরের আধার স্বরূপ, আর শিরাগুলো এর দিকেই ধাবিত হয়। সুতরাং পাকস্থলী যখন সুস্থ থাকে, তখন শিরাগুলো সুস্থতা নিয়ে ফিরে আসে; আর পাকস্থলী যখন অসুস্থ হয়, তখন শিরাগুলো অসুস্থতা নিয়ে ফিরে আসে।"

57- আমাদের নিকট ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হারবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমর আল-হাওদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুরজ্জা বিন রাজা বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ আল-বাক্কাল থেকে, তিনি যাহহাক বিন মুজাহিম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা তোমাদের কণ্ঠস্বর দিয়ে কুরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করো।"

58- আমাদের নিকট ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুরজ্জা বিন রাজা বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাদের নিকট সাঈদ বিন আবি আরুবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "হাত যা গ্রহণ করেছে তার দায়ভার সেই হাতের ওপরই থাকে, যতক্ষণ না তা সে আদায় করে দেয়।"

59- আমাদের নিকট ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে যুহরী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "এক চতুর্থাংশ দীনার (চুরির) দায়ে হাত কাটা হবে।" - এটি একটি মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৮)
60- حدثنا إسحاق بن الحسن، ثنا عفان بن مسلم، ثنا حماد بن سلمة، عن أبي جعفر الخطمي، عن محمد بن كعب القرظي، قال: دعي عبد الله بن يزيد إلى طعام، فلما جاء رأى البيت منجدا فقعد خارجا وبكى، فقيل له: ما يبكيك؟ قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شيع جيشا فبلغ معهم عقبة الوداع، قال: " أستودع الله دينكم وأماناتكم وخواتيم عملكم " فرأى رجلا ذات يوم قد رقع بردة له بقطعة فروة، استقبل مطلع الشمس، وقال: تطالعت عليكم الدنيا، تطالعت عليكم الدنيا، تطالعت عليكم الدنيا ثلاثا أي أقبلت، ومد عفان يده وجعل باطن كفيه إلى الأرض حتى ظننا أن يقع علينا، ثم قال: أنتم اليوم خير، أم إذا غدت عليكم قصعة وراحت عليكم أخرى، ويغدو أحدكم في حلة ويروح في أخرى، وتسترون بيوتكم كما تستر الكعبة فقال عبد الله: فلا أبكي وقد رأيتكم تسترون بيوتكم كما تستر الكعبة؟ "

61- حدثنا محمد بن عثمان بن أبي شيبة، ثنا عون بن سلام، ثنا سنان بن هارون، ثنا أشعث بن عبد الملك، عن الحسن، عن أنس بن مالك، " أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي في بيته الضحى، ولا يصليها في المسجد مخافة أن يراه الناس فيتخذونها فريضة "

62- حدثنا محمد بن عثمان، أنبا منجاب بن الحارث، ثنا علي بن مسهر، عن مسعر، عن عاصم، عن زر بن حبيش، عن صفوان بن عسال، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله الرجل يحب القوم ولم يلحق بهم؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " المرء مع من أحب "

63- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا عمي عبد الله بن محمد، ثنا وكيع، عن مسعر، عن يونس بن عبيدٍ، وعن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال: " نهينا أن يبيع حاضرٌ لبادٍ، وإن كان أخاه لأبيه وأمه "
60- আমাদের নিকট ইসহাক বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আফফান বিন মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-খাতমি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাজি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হলো। যখন তিনি আসলেন, ঘরটিকে পর্দায় সজ্জিত দেখলেন, তখন তিনি বাইরে বসে পড়লেন এবং কাঁদতে লাগলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কেন কাঁদছেন? তিনি বললেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো বাহিনীকে বিদায় জানাতেন এবং তাদের সাথে আকাবাতুল বিদা পর্যন্ত পৌঁছাতেন, তখন বলতেন: "আমি তোমাদের দ্বীন, তোমাদের আমানত এবং তোমাদের আমলের শেষ অংশ আল্লাহর কাছে সোপর্দ করছি।" একদিন তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে তার চাদরটি এক টুকরো পশমি চামড়া দিয়ে তালি দিয়েছে এবং সে উদীয়মান সূর্যের দিকে মুখ করে আছে। তখন তিনি বললেন: "দুনিয়া তোমাদের উপর ধেয়ে আসছে, দুনিয়া তোমাদের উপর ধেয়ে আসছে, দুনিয়া তোমাদের উপর ধেয়ে আসছে" - তিনবার বললেন, অর্থাৎ দুনিয়া সামনে আসছে। তখন আফফান তার হাত প্রসারিত করলেন এবং তার হাতের তালুর ভেতরের দিক মাটির দিকে নিচু করলেন, এমনকি আমরা ভাবলাম যে তা আমাদের উপর পড়ে যাবে। অতঃপর তিনি বললেন: "তোমরা কি আজ উত্তম, নাকি তখন (উত্তম হবে) যখন তোমাদের কাছে সকালে এক পেয়ালা খাবার আসবে এবং সন্ধ্যায় অন্য এক পেয়ালা আসবে, আর তোমাদের কেউ সকালে এক জোড়া পোশাকে বের হবে এবং সন্ধ্যায় অন্য এক জোড়া পোশাকে ফিরবে, আর তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে পর্দা দিয়ে ঢেকে দেবে যেমনভাবে কাবাকে ঢাকা হয়?" তখন আবদুল্লাহ বললেন: "তাহলে আমি কেন কাঁদব না যখন আমি তোমাদের দেখছি যে তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে পর্দা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছ যেমনভাবে কাবাকে ঢাকা হয়?"

61- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আউন বিন সালাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সিনান বিন হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আশআস বিন আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে চাশতের (দুহা) সালাত আদায় করতেন এবং এই ভয়ে মসজিদে তা আদায় করতেন না যে পাছে মানুষ তা দেখে একে ফরজ বানিয়ে নেয়।"

62- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মিনজাব বিন আল-হারিস সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী বিন মুসহির বর্ণনা করেছেন মিসআর থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি জির বিন হুবাইশ থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন আস্সাল থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করল: "হে আল্লাহর রাসুল, এক ব্যক্তি কোনো কওমকে ভালোবাসে কিন্তু (আমলে) তাদের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি?" তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "মানুষ তারই সাথে থাকবে যাকে সে ভালোবাসে।"

63- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমার চাচা আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ওয়াকি বর্ণনা করেছেন মিসআর থেকে, তিনি ইউনুস বিন উবাইদ ও আনাস বিন সিরিন থেকে, তারা আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে যেন কোনো শহরবাসী কোনো গ্রামবাসীর পণ্য বিক্রি না করে দেয়, যদিও সে তার সহোদর ভাই হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ১৯)
64- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا منجاب، ثنا علي بن مسهر، ثنا مسعر، عن عبد الملك بن ميسرة، عن مصعب بن سعد، عن معاذ، قال: " ما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم في النوم واليقظة فهو حق "

65- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا منجاب، ثنا بشر بن عمارة، عن أبي روق، عن عطية، عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم، في قول الله تعالى: " {لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار} " قال: لو أن الجن والإنس والشياطين منذ يوم خلقوا إلى أن فنوا صفوا صفا واحدا، ما أحاطوا بالله أبدا

66- حدثنا محمد، ثنا عبد الحميد بن صالح، ثنا أبو شهاب، عن مغيرة بن زياد، عن نافع، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من شرب في إناء فضة فإنما يجرجر في بطنه نارا "

67- حدثنا جعفر بن أحمد بن عاصم الدمشقي، ثنا هشام بن عمار، ثنا سعيد بن يحيى، ثنا عبيد الله بن الوليد الوصافي، عن محارب بن دثار، عن عبد الله بن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " يطبع المؤمن على كل خلق ليس الخيانة والكذب "

68- حدثنا جعفر، ثنا هشام، ثنا إسماعيل بن عياش، ثنا أبو بكر الهذلي -، عن الحسن، عن عمران بن حصين، وسمرة بن جندب، قالا: " ما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم مقاما قط إلا حضنا على الصدقة، ونهانا عن المثلة "
৬৪- মুহাম্মাদ ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক ইবনে মাইসারাহ থেকে, মুসআব ইবনে সাদ থেকে, মুআজ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নে এবং জাগ্রত অবস্থায় যা কিছু দেখেছেন, তা সত্য।"

৬৫- মুহাম্মাদ ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে উমারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রওক থেকে, আতিয়্যাহ থেকে, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: "{দৃষ্টিসমূহ তাঁকে উপলব্ধি করতে পারে না, অথচ তিনি সকল দৃষ্টিকে আয়ত্ত করেন}" প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: "যদি জিন, মানুষ এবং শয়তানরা তাদের সৃষ্টির দিন থেকে ধ্বংস হওয়ার দিন পর্যন্ত একটি সারিতে দাঁড়িয়ে যেত, তবে তারা কখনোই আল্লাহকে পরিবেষ্টন করতে পারত না।"

৬৬- মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল হামিদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু শিহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুগীরাহ ইবনে যিয়াদ থেকে, নাফি থেকে, ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে, সে আসলে তার পেটে জাহান্নামের আগুনই ঢোকায়।"

৬৭- জাফর ইবনে আহমদ ইবনে আসিম আদ-দিমাশকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-ওয়ালীদ আল-ওয়াসসাফী থেকে, মুহারিব ইবনে দিসার থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মুমিনের মাঝে খিয়ানত (বিশ্বাসঘাতকতা) ও মিথ্যা ব্যতিরেকে সব ধরনের স্বভাবই গড়ে উঠতে পারে।"

৬৮- জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আল-হুযালী থেকে, হাসান থেকে, ইমরান ইবনে হুসাইন এবং সামুরাহ ইবনে জুনদুব (রা.) হতে বর্ণিত, তাঁরা বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো সমাবেশে দাঁড়িয়েছেন, তখনই আমাদের দান-সদকা করার জন্য উৎসাহিত করেছেন এবং মৃতদেহ বিকৃত করতে নিষেধ করেছেন।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২০)
69- حدثنا محمد بن أحمد بن النضر أبو بكر، ثنا معاوية بن عمرو، ثنا زائدة، عن منصور، عن شقيق، عن ابن مسعود، قال: كنا إذا صلينا خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول الرجل منا إذا قعد في صلاته: السلام على الله، السلام على فلان، يخص فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم: " إن الله هو السلام، فإذا قعد أحدكم في صلاته فليقل: التحيات لله والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي صلى الله عليه وسلم ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين فإنها تصيب كل عبد في السماء والأرض صالح لله، أشهد أن لا إله إلا الله، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله، ثم ليتخير بعد من المسألة ما شاء " أو " ما أحب "

70- حدثنا محمد بن أحمد بن النضر، ثنا معاوية بن عمرو، ثنا زائدة، عن منصور، عن شقيق، عن عبد الله، قال: ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم رجل، فقيل: يا رسول الله إن فلانا نام الليلة حتى أصبح ما صلى فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " ذلك رجل بال الشيطان في أذنه " أو " في أذنيه "

71- حدثنا محمد، ثنا معاوية، ثنا زائدة، عن منصور، عن شقيق، قال: سأل رجل عبد الله، فقال: اقرأ خلق الإمام؟ فقال عبد الله: أنصت للقرآن فإن في الصلاةِ شُغْلاً وسيكفيك ذاك الإمام "

72- حدثنا بشر بن موسى، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب بن أبي ثابت، عن ميمون بن أبي شبيب، عن أبي ذر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " اتق الله حيثما كنت وأتبع الحسنة السيئة تمحها، وخالق الناس بخلق حسن "

73- حدثنا بشر، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب بن أبي ثابت، عن ميمون بن أبي شبيب، عن سمرة بن جندب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " البسوا هذه الثياب البيض وكفنوا فيها موتاكم "
৬৯- মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাদর আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুআবিয়া বিন আমর থেকে, তিনি যায়িদা থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি শাকীক থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে সালাত আদায় করতাম, তখন আমাদের মধ্য থেকে কোনো ব্যক্তি সালাতে বসা অবস্থায় বলত: আল্লাহর প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, অমুকের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক—এভাবে সে নির্দিষ্ট করে বলত। একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ নিজেই সালাম (শান্তি)। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন সালাতে বসবে, সে যেন বলে: সমস্ত মৌখিক ইবাদত, সমস্ত শারীরিক ইবাদত এবং সমস্ত আর্থিক ও পবিত্র ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেককার বান্দাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। কেননা এই দোয়া আসমান ও জমিনে থাকা আল্লাহর প্রত্যেক নেককার বান্দার কাছে পৌঁছে যায়। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। এরপর সে এরপর নিজের যা ইচ্ছা বা যা পছন্দ হয় তেমন দোয়া বেছে নিতে পারে।"

৭০- মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুআবিয়া বিন আমর থেকে, তিনি যায়িদা থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি শাকীক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো এবং বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, অমুক ব্যক্তি রাতভর সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটিয়েছে এবং সে সালাত আদায় করেনি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সে এমন এক ব্যক্তি যার কানে (অথবা তার দুই কানে) শয়তান প্রস্রাব করে দিয়েছে।"

৭১- মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুআবিয়া থেকে, তিনি যায়িদা থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি শাকীক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রা.)-কে প্রশ্ন করল: আমি কি ইমামের পেছনে কিরাত পড়ব? তখন আবদুল্লাহ বললেন: কুরআনের কিরাতের সময় নীরব থাকো, কেননা সালাতের মধ্যে মনোযোগ নিবেশ করার মতো কাজ রয়েছে এবং ইমামের কিরাত তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।"

৭২- বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু নুআইম থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি হাবীব বিন আবু সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন বিন আবু শাবীব থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তুমি যেখানেই থাকো আল্লাহকে ভয় করো, মন্দ কাজের পর ভালো কাজ করো যা মন্দকে মিটিয়ে দেবে, এবং মানুষের সাথে উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে মেলামেশা করো।"

৭৩- বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু নুআইম থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি হাবীব বিন আবু সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন বিন আবু শাবীব থেকে, তিনি সামুরা বিন জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা এই সাদা পোশাক পরিধান করো এবং তোমাদের মৃত ব্যক্তিদের এতে কাফন দাও।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২১)
74- حدثنا بشر، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب، عن ميمون بن أبي شبيب، عن المغيرة بن شعبة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من حدث بحديث وهو يرى أنه كذب فهو أحد الكاذبين "

75- حدثنا بشر، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب بن أبي ثابت، عن أبي وائل، قال: قال علي لأبي هياج: تعال أبعثك على ما بعثني عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تدعن قبرا مشرفا إلا سويته، ولا صورة في بيت إلا طمستها "

76- حدثنا بشر، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال: " لبا رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى رمى الجمرة "

77- وبه عن ابن عباس، قال: قال عمر: عليٌّ أقضانا، وأُبِيٍّ أقرأنا، وإنا لندع بعض ما يقول أُبِيٌّ.

78- حدثنا بشر، ثنا أبو نعيم، ثنا سفيان، عن حبيب، عن أبي البختري، قال: أتي عمار بلبن فضحك، وقال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: " آخر شراب تشربه شربة لبن حين تموت "

79- وبه عن حبيب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أنه سُئِلَ عن المَنِيُّ؟ فقال: امسحه بإذخِرةٍ.

80- وبه عن ابن عباس: {وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ} ، قال: العارية.
৭৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হাবিব থেকে, তিনি মাইমুন ইবনে আবি শাবিব থেকে, তিনি মুগিরা ইবনে শু’বা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে যা সে মিথ্যা বলে মনে করে, তবে সেও মিথ্যুকদের একজন।"

৭৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবু ওয়ািল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলি আবু হাইয়াজকে বললেন: "এসো, আমি তোমাকে সেই অভিযানে প্রেরণ করি যে অভিযানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে প্রেরণ করেছিলেন—কোনো উঁচু কবর পেলেই তা সমান করে দেবে এবং ঘরের কোনো ছবি পেলেই তা মুছে ফেলবে।"

৭৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হাবিব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামরাহ (পাথর) নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়াহ পাঠ করেছিলেন।"

৭৭- এবং একই সনদে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর বলেছেন: "আলি আমাদের মধ্যে বিচারকার্যে শ্রেষ্ঠ এবং উবাই আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ক্বারী, তবুও আমরা উবাই যা বলেন তার কিছু অংশ বর্জন করি।"

৭৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হাবিব থেকে, তিনি আবুল বাখতারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আম্মারের নিকট দুধ আনা হলে তিনি হাসলেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছিলেন: "মৃত্যুকালে তোমার সর্বশেষ পানীয় হবে এক ঢোক দুধ।"

৭৯- এবং একই সনদে হাবিব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে বীর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: "তা ইযখির (তৃণবিশেষ) দিয়ে মুছে ফেলো।"

৮০- এবং একই সনদে ইবনে আব্বাস থেকে আল্লাহর বাণী: {এবং তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিতে অস্বীকার করে} সম্পর্কে বর্ণিত, তিনি বলেন: "(এর অর্থ) ধার দেওয়া বস্তু।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২২)
81- حدثنا علي بن محمد بن أبي الشوارب، ثنا أبو سلمة، ثنا حماد، أنبا علي بن زيد بن جدعان، عن عمار بن أبي عمار، أن الحسن بن علي -، وعبد الله بن نوفل، قال عبد الله: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم حنين وأبو سفيان إلى جنبه، كلما التفت رآه إلى جنبه فقال: " أبو سفيان خير أهلي " يعني أبا سفيان بن الحارث بن عبد المطلب فقال الحسن بن علي: " من خير أهلي " قال: بيني وبينك أبو حبة البدري، فأرسل الحسن عبيد الله بن أبي رافع، وأرسل عبد الله بن نوفل عبيد الله بن نوفل، قال عمار: فقلت: والله لأسمعن مقالته، فسمعهما، فسألاه، فقال: نعم، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم حنين كلما التفت رأى أبا سفيان إلى جنبه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " خير أهلي " فقال عبيد الله: " من خير أهلي " فقال: " خير أهلي "

82- حدثنا إدريس بن عبد الكريم، ثنا محمد بن حميد، ثنا مهران بن أبي عمر، ثنا سفيان -، عن بيان، عن أنس بن مالك، قال: " بنى النبي صلى الله عليه وسلم على بعض نسائه، فأرسلني فدعوتهم، فأطعمهم، فخرجت معه حتى انتهى إلى باب عائشة، فإذا هو برجلين فانصرف وانصرفت معهم، فنزلت: {لا تدخلوا بيوت النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن يؤذن لكم} "

83- وبه ثنا محمد بن حميد، ثنا الفرات بن خالد، ثنا عبد الحميد بن جعفر الأنصاري، عن هشيم بن بشير الواسطي، عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر برجل يدعو وهو يقول: اللهم إني أسالك بأن لك الحمد، لا إله إلا أنت بديع السماوات والأرض، ذو الجلال والإكرام فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " لقد دعا الله بالاسم الذي إذا دعي به أجاب، وإذا سئل به أعطى "
81- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-শাওয়ারিব, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জুদআন থেকে, তিনি আম্মার ইবনে আবু আম্মার থেকে বর্ণনা করেন যে, হাসান ইবনে আলী এবং আবদুল্লাহ ইবনে নাওফাল আলোচনা করছিলেন। আবদুল্লাহ বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের দিন বলেছিলেন, এমতাবস্থায় যে আবু সুফিয়ান তাঁর পাশে ছিলেন; যখনই তিনি ফিরে তাকাতেন তাঁকে তাঁর পাশে দেখতে পেতেন। তখন তিনি বললেন: "আবু সুফিয়ান আমার পরিবারের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।" অর্থাৎ আবু সুফিয়ান ইবনুল হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিব। তখন হাসান ইবনে আলী বললেন: "(তিনি কি বলেছিলেন) আমার পরিবারের শ্রেষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত?" আবদুল্লাহ বললেন: আমার ও তোমার মাঝে (ফয়সালাকারী) হলেন আবু হাব্বাহ আল-বাদরি। তখন হাসান উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফিকে পাঠালেন এবং আবদুল্লাহ ইবনে নাওফাল উবায়দুল্লাহ ইবনে নাওফালকে পাঠালেন। আম্মার বলেন: আমি বললাম: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই তাঁর বক্তব্য শুনব। তিনি তাঁদের দুজনকে শুনতে পেলেন, তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: হ্যাঁ, হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ফিরে তাকাতেন আবু সুফিয়ানকে তাঁর পাশে দেখতেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আমার পরিবারের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।" উবায়দুল্লাহ বললেন: "(তিনি কি বলেছিলেন) আমার পরিবারের শ্রেষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত?" তিনি বললেন: "আমার পরিবারের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।"

82- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদ্রিস ইবনে আবদুল কারিম, তিনি মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি মেহরান ইবনে আবু উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি বায়ান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জনৈক স্ত্রীর সাথে বাসর করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে পাঠালেন এবং আমি তাঁদের দাওয়াত দিলাম। তিনি তাঁদের খাওয়ালেন। এরপর আমি তাঁর সাথে বের হলাম এমনকি তিনি আয়েশার ঘরের দরজায় পৌঁছালেন। সেখানে তিনি দু’জন লোককে দেখতে পেলেন, ফলে তিনি ফিরে আসলেন এবং আমিও তাঁদের সাথে ফিরে আসলাম। তখন এই আয়াত নাযিল হলো: {তোমরা নবীর ঘরসমূহে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না তোমাদের অনুমতি দেওয়া হয়}।"

83- এবং তাঁর মাধ্যমেই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ, তিনি আল-ফুরাত ইবনে খালিদ থেকে, তিনি আবদুল হামিদ ইবনে জাফর আল-আনসারী থেকে, তিনি হুশাইম ইবনে বাশির আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু বকর ইবনে আনাস থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে দুআ করছিল এবং বলছিল: 'হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এই উসিলায় যে, সকল প্রশংসা আপনারই, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি আসমান ও জমিনের অদ্বিতীয় স্রষ্টা, হে মহিমাময় ও মহানুভব'। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সে আল্লাহকে এমন নামে ডেকেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যার মাধ্যমে চাইলে তিনি প্রদান করেন।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৩)
84- وبه ثنا محمد بن حميد، ثنا يحيى بن واضح أبو تميلة، ثنا عبد المؤمن بن خالد الحنفي، عن ابن بريدة -، عن أبيه -، عن أم سلمة، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما زال جبريل يوصيني بالسواك حتى خفت على أضراسي "

85- حدثنا العباس بن أحمد الوشاء، ثنا أبو إبراهيم الترجماني، ثنا عبد الرحمن بن مالك بن مغول، عن عطاء بن عجلان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما زال جبريل يوصيني بالسواك حتى خشيت أن يأمرني به وأنا أخطب "

86- وبه ثنا أبو إبراهيم إسماعيل بن إبراهيم، ثنا عمرو بن جميع، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن إبراهيم، عن عائشة وعبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، كان إذا نظر في المرآة قال: " اللهم كما حسنت خلقي فأحسن خلقي، وحرم وجهي على النار "

87- وبه ثنا أبو إبراهيم، ثنا عمرو، عن يحيى بن سعيد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم " يكره أن ينام الرجل على بطنه والمرأة على ظهرها "

88- وبه عن أبي هريرة، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، " يكره أن يتمطى الرجل في الصلاة أو عند العشاء إلا أن يكون عند أهله "

89- وبه عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن عائشة، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " شراركم أسوؤكم خلقا، وأشده مؤنة، وأثقله على أهله "

90- وبه عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " صوت الديك، وضربه بجناحيه سجوده وركوعه، ثم تلا هذه الآية: {وإن من شيء إلا يسبح بحمده ولكن لا تفقهون تسبيحهم} "
৮৪- এবং তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াদিহ আবু তামিলাই থেকে, তিনি আব্দুল মুমিন ইবনে খালিদ আল-হানাফি থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "জিবরাঈল আমাকে মিসওয়াক করার ব্যাপারে ক্রমাগত উপদেশ দিচ্ছিলেন, এমনকি আমি আমার মাড়ির দাঁতগুলোর ব্যাপারেও আশঙ্কা বোধ করলাম।"

৮৫- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে আহমাদ আল-ওয়াশশা, তিনি আবু ইব্রাহীম আত-তারজুমানি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মালিক ইবনে মিগওয়াল থেকে, তিনি আতা ইবনে আজলান থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "জিবরাঈল আমাকে মিসওয়াক করার ব্যাপারে ক্রমাগত উপদেশ দিচ্ছিলেন, এমনকি আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে, খুতবাহ প্রদানরত অবস্থায়ও তিনি আমাকে এর নির্দেশ প্রদান করবেন।"

৮৬- এবং তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইব্রাহীম ইসমাঈল ইবনে ইব্রাহীম, তিনি আমর ইবনে জামী’ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) এবং আব্দুর রহমান আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আয়নায় তাকাতেন তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে আমার শারীরিক গঠন সুন্দর করেছেন, তেমনিভাবে আমার চরিত্রকেও সুন্দর করে দিন এবং আমার চেহারাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দিন।"

৮৭- এবং তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইব্রাহীম, তিনি আমর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) "পুরুষের পেটের ওপর ভর দিয়ে ঘুমানো এবং নারীর পিঠের ওপর ভর দিয়ে (চিৎ হয়ে) ঘুমানো অপছন্দ করতেন।"

৮৮- এবং তাঁর সূত্রে আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) "নামাযের মধ্যে অথবা রাতের খাবারের সময় পুরুষের আড়মোড়া ভাঙা অপছন্দ করতেন, তবে যদি সে তার পরিবারের নিকট থাকে (তাহলে ভিন্ন কথা)।"

৮৯- এবং তাঁর সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম আত-তাইমি থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা মন্দ সেই ব্যক্তি যে চরিত্রের দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ, যার ভরণপোষণের ব্যয়ভার অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং যে তার পরিবারের নিকট অত্যন্ত বোঝা স্বরূপ।"

৯০- এবং তাঁর সূত্রে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মোরগের ডাক এবং ডানা ঝাপটানোই হলো তার সিজদাহ ও রুকু। এরপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন: {এমন কোনো কিছু নেই যা তাঁর প্রশংসার তাসবীহ পাঠ করে না, কিন্তু তোমরা তাদের তাসবীহ বুঝতে পারো না।}"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৪)
91- حدثنا محمود بن محمد المروزي، حدثنا علي بن حجر، حدثنا إسحاق بن نجيح، عن عطاء الخراساني، عن الحسن، قال: سمعت أبا تميمة، وكان ممن أدرك النبي صلى الله عليه وسلم، قال: سألت النبي صلى الله عليه وسلم، عن أبواب القسط؟ فقال: " إنصاف الناس من نفسك، وبذل السلام للعالم، وذكر الله في الغنى والفاقة حتى لا تبالي أذممت في الله، أو حمدت " قال: وسألته عن أبواب الهوى؟ فقال: " شح مطاع وهوى متبع، وإعجاب المرء بنفسه، وقلة الصبر عند البلاء، وقلة الشكر عند الرخاء "

92- حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، حدثنا عبادة بن زياد الأسدي -، ثنا قيس بن الربيع -، عن أبي إسحاق -، عن أبي البختري، عن حجر بن عدي، قال: سمعت شراحيل بن مرة، يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول لعلي: " أبشر يا علي، حياتك وموتك معي "

93- حدثنا عبد الله، نا عبادة بن زياد، حدثنا يونس بن أبي يعفور، عن أبيه، عن عبد الله بن عمر، قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: " كل سبب ونسب منقطع يوم القيامة، إلا سببي ونسبي "

94- حدثنا عبد الله بن أحمد، ثنا أبي، ثنا أسود بن عامر، حدثني عبد الحميد بن أبي جعفر الفراء، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن زيد بن يثيع، عن علي، قال: قيل: يا رسول الله من نؤمر بعدك؟ قال: " إن تؤمروا أبا بكر تجدوه أمينا، زاهدا في الدنيا راغبا في الآخرة، وإن تؤمروا عمر تجدوه قويا أمينا لا يخاف في الله لومة لائم، وإن تؤمروا عليا ولا أراكم فاعلين تجدوه هاديا مهديا يأخذ بكم الطريق المستقيم "

95- حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: وجدت في كتاب أبي بخط يده، حدثت عن المفضل بن فضالة، حدثنا عياش بن عباس القتباني، عن سالم أبي النضر، عن نوفل بن مساحق التيمي، عن أبيه -، سمع طلحة بن عبيد الله، يقول: " نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبيع حاضر لباد "
৯১- আমাদের নিকট মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী বিন হাজার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসহাক বিন নাজীহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা আল-খুরাসানী থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু তামীমাহকে বলতে শুনেছি—আর তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত—তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইনসাফের দরজাগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "নিজের পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি ইনসাফ করা, জগৎবাসীর মাঝে সালামের প্রসার ঘটানো এবং সচ্ছলতা ও অভাব অনটন—উভয় অবস্থায় আল্লাহর জিকির করা, এমনকি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে তোমার নিন্দা করা হলো নাকি প্রশংসা করা হলো সে বিষয়ে পরোয়া না করা।" তিনি (আবু তামীমাহ) বলেন, আমি তাকে প্রবৃত্তি বা কামনার দরজাগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "এমন কৃপণতা যার আনুগত্য করা হয়, এমন প্রবৃত্তি যার অনুসরণ করা হয়, মানুষের নিজের প্রতি নিজের মুগ্ধতা, বিপদের সময় ধৈর্যের অভাব এবং সুখের সময় কৃতজ্ঞতার অভাব।"

৯২- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবাদাহ বিন যিয়াদ আল-আসাদী বর্ণনা করেছেন, তিনি কায়েস বিন আল-রাবী থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-বাখতারী থেকে, তিনি হুজর বিন আদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি শুরাহীল বিন মুররাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আলীর উদ্দেশে বলতে শুনেছি: "সুসংবাদ গ্রহণ করো হে আলী, তোমার জীবন এবং তোমার মৃত্যু আমার সাথেই।"

৯৩- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবাদাহ বিন যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস বিন আবি ইয়াফুর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "কিয়ামতের দিন সমস্ত সম্পর্ক ও বংশীয় ধারা ছিন্ন হয়ে যাবে, কেবল আমার সম্পর্ক ও বংশীয় ধারা ব্যতীত।"

৯৪- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আসওয়াদ বিন আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুল হামীদ বিন আবি জাফর আল-ফাররা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসরাইল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি যায়েদ বিন ইয়াসাই থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার পরে আমরা কাকে আমির নিযুক্ত করব? তিনি বললেন: "যদি তোমরা আবু বকরকে আমির নিযুক্ত করো তবে তাকে আমানতদার, দুনিয়া বিমুখ এবং আখিরাতকামী হিসেবে পাবে। আর যদি তোমরা উমরকে আমির নিযুক্ত করো তবে তাকে শক্তিশালী ও আমানতদার হিসেবে পাবে, যে আল্লাহর পথে কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় করে না। আর যদি তোমরা আলীকে আমির নিযুক্ত করো—তবে আমি মনে করি না যে তোমরা তা করবে—তবে তাকে তোমরা হিদায়াত দানকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত হিসেবে পাবে, যে তোমাদের সরল পথে পরিচালিত করবে।"

৯৫- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার কিতাবে তাঁর নিজ হাতের লেখায় পেয়েছি যে, আল-মুফাযযাল বিন ফাযালাহ থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি বলেন আমাদের নিকট আইয়াশ বিন আব্বাস আল-কিতবানী বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিম আবু আল-নাযর থেকে, তিনি নওফাল বিন মুসাহিক আত-তাইমী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো শহরবাসীকে কোনো গ্রামবাসীর পণ্য বিক্রি করে দিতে নিষেধ করেছেন।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৫)
96- حدثنا عبد الله، قال: وجدت في كتاب أبي بخط يده، عن محمد بن جابر، عن مجمع التيمي، عن مصعب بن سعد، عن سعد، سمع النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: " إذا جلس الرجل في قوم فنظروا إليه، فحديثهم أمانة عنده، وإن لم يقولوا الأمانة "

97- حدثنا عبد الله بن أحمد، حدثني أبي، ثنا محمد بن عبد الله الزبيري، ثنا ربيع بن أبي صالح، حدثني يزيد بن زياد، قال: سمعت علي بن أبي طالب ينشد الناس، قال: أنشد الله رجلاً سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في يوم غدير خُمٍّ ما قال؟ فقام اثنا عشر بدريّاً فشهدوا.

98- حدثنا أحمد بن يحيى الحلواني، ثنا سعيد بن سليمان، عن يونس بن بكير، عن محمد بن إسحاق، ثنا الجراح بن المنهال، عن حبيب بن نجيح، عن عبد الرحمن بن غنم، عن عبد الله بن أرقم، قال: كنت عند عمر بن الخطاب، فقال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " إن لكل أمة أمينا، وأمين هذه الأمة أبو عبيدة بن الجراح "

99- حدثنا الحسين بن عمر بن إبراهيم الثقفي، ثنا أحمد بن يحيى الأحول -، ثنا أبو عبيدة بن معن -، عن الأعمش، عن شقيق، عن خباب بن الأرت، قال: قتل مصعب بن عمير يوم أحد، فلم يترك إلا نمرة، وكان إذا غطي بها وجهه ورأسه بدت رجلاه، وإذا غطي بها رجلاه بدا رأسه ووجهه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " غطوا رأسه ووجهه واجعلوا على رجليه الإذخر "

100- حدثنا الحسين، ثنا أبي، ثنا نصر القطان، ثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول: " آمين " في الصلاة
৯৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার কিতাবে তাঁর নিজ হাতের লেখায় পেয়েছি, মুহাম্মদ বিন জাবির থেকে, তিনি মুজাম্মা আত-তাইমি থেকে, তিনি মুসআব বিন সাদ থেকে, তিনি সাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "যখন কোনো ব্যক্তি কোনো কওমের মধ্যে বসে এবং তারা তার দিকে মনোনিবেশ করে, তখন তাদের কথাবার্তা তার নিকট আমানতস্বরূপ, যদিও তারা একে আমানত বলে উল্লেখ না করে।"

৯৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আজ-জুবাইরি থেকে, তিনি রাবী বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন জিয়াদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলী বিন আবি তালিবকে লোকদের কসম দিয়ে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: আমি সেই ব্যক্তিকে আল্লাহর কসম দিচ্ছি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গাদীরে খুমের দিনে যা বলেছেন তা বলতে শুনেছে। তখন বারোজন বদরী সাহাবী দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দিলেন।

৯৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-হালওয়ানি, তিনি সাঈদ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি ইউনুস বিন বুকাইর থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আল-জাররাহ বিন আল-মিনহাল থেকে, তিনি হাবীব বিন নাজীহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন গানাম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আরকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকট ছিলাম, তখন তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই প্রতিটি উম্মতের একজন আমীন (বিশ্বস্ত আমানতদার) থাকে, আর এই উম্মতের আমীন হলেন আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ।"

৯৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন উমর বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি, তিনি আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ বিন মান থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি শাকীক থেকে, তিনি খাব্বাব বিন আল-আরাত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুসআব বিন উমাইর উহুদের যুদ্ধে শহীদ হন, তিনি একটি ছোট পশমী চাদর ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি। যখন তা দিয়ে তাঁর মাথা ও মুখমণ্ডল ঢাকা হতো, তখন তাঁর পা দুটি বেরিয়ে যেত, আর যখন তা দিয়ে তাঁর পা দুটি ঢাকা হতো, তখন তাঁর মাথা ও মুখমণ্ডল বেরিয়ে যেত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা তাঁর মাথা ও মুখমণ্ডল ঢেকে দাও এবং তাঁর পায়ের ওপর ইযখির ঘাস বিছিয়ে দাও।"

১০০- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নাসর আল-কাত্তান থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আলকামা বিন ওয়াইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সালাতে "আমীন" বলতেন।
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৬)
101- حدثنا الحسين، ثنا أبي، ثنا أبو يوسف، عن حجاج، عن نافع، عن ابن عمر، وعبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " دفع خيبر إليهم بالنصف، وكان في أيديهم حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وحياة أبي بكر، وعامة حياة عمر، ثم كان هو الذي نزعها منهم "

102- حدثنا الحسين بن عمر، ثنا أبي، ثنا أبو يوسف، عن أبي حنيفة، عن أبي حصين، عن ابن رافع بن خديج، عن أبيه، قال: عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه مر بحائط فأعجبه، فسأل: " لمن هذا؟ " فقال له رافع: إني استأجرته فقال: " لا تستأجره بشيء منه "

103- حدثنا الحسين بن عمر، ثنا محمد بن العلاء، ثنا إسماعيل بن صبيح، عن سليمان أبي محمد، عن عبد الرحمن المسعودي، عن حبيب بن أبي ثابت، عن نافع بن جبير، عن بشر بن سحيم، عن علي، قال: خرج منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم أيام التشريق، أنه لا يدخل الجنة إلا نفس مؤمنة، وإنها أيام أكل وشرب

104- حدثنا إبراهيم بن أسباط، ثنا بشر بن الوليد، ثنا أبو الأحوص، عن عبد العزيز بن رفيع، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عبد الله بن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من أعتق شقصا له في عبد ضمن لشركائه أنصباءهم "

105- حدثنا إبراهيم، ثنا عبد الله بن عمر، ثنا طلحة بن سنان اليامي، عن عبد الله بن أبي نجيح، عن مجاهد، عن عائشة، قالت: " ربما دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بالغداء، فلم يجده فيفرض على نفسه الصوم "

106- حدثنا أحمد بن محمد بن الجعد الوشاء، ثنا محمد بن حميد الرازي، ثنا نعيم بن ميسرة النحوي، ثنا معاوية بن حبيش، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن أسفل أهل الجنة درجة لينظرون إلى أهل عليين كما تنظرون أنتم إلى الكوكب الأحمر في أفق السماء، وإن أبا بكر وعمر منهم، وأنعما "
১০১- হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে; এবং উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারকে অর্ধেক ফসলের শর্তে তাদের (ইহুদিদের) নিকট অর্পণ করেছিলেন। এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায়, আবু বকরের জীবদ্দশায় এবং উমরের খিলাফতের অধিকাংশ সময় তাদের হাতে ছিল। অতঃপর তিনিই (উমর) তাদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করেন।

১০২- হুসাইন ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হানিফা থেকে, তিনি আবু হাসিন থেকে, তিনি ইবনে রাফি ইবনে খাদিজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাগান অতিক্রম করছিলেন যা তাঁর পছন্দ হয়েছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: "এটি কার?" তখন রাফি তাঁকে বললেন: "আমি এটি ইজারা নিয়েছি।" তিনি বললেন: "এর কোনো অংশের (ফসলের) বিনিময়ে এটি ইজারা নিও না।"

১০৩- হুসাইন ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে সাবিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আবু মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান আল-মাসউদি থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি নাফি ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি বিশর ইবনে সুহাইম থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ামে তাশরিকের দিনগুলোতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘোষক ঘোষণা করেছিলেন যে, মুমিন ব্যক্তি ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং এই দিনগুলো হলো পানাহারের দিন।

১০৪- ইব্রাহিম ইবনে আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনুল ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে রাফি থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো দাসের মধ্যে থাকা তার অংশটি মুক্ত করে দিল, তবে সে তার অংশীদারদের প্রাপ্য অংশের জন্যও দায়ী থাকবে।"

১০৫- ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তালহা ইবনে সিনান আল-ইয়ামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কখনো কখনো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালের খাবার চাইতেন, কিন্তু তা না পেলে তিনি নিজের ওপর রোজা নির্ধারণ করে নিতেন।"

১০৬- আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জাদ আল-ওয়াশা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুয়াইম ইবনে মাইসারা আন-নাহবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াবিয়া ইবনে হুবাইশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতিয়্যাহ আল-আউফি থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই জান্নাতীদের মধ্যে যারা নিম্ন স্তরের, তারা ইল্লিয়্যিনবাসীদের দিকে সেভাবেই তাকাবে যেভাবে তোমরা আকাশের দিগন্তে উজ্জ্বল লাল নক্ষত্রের দিকে তাকাও। আর আবু বকর ও উমর তাঁদেরই অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা কতই না নেয়ামতপ্রাপ্ত।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৭)
107- حدثنا جعفر بن محمد الفريابي، ثنا إبراهيم بن العلاء، ثنا عباد بن يوسف أبو عثمان، عن أبي جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " من خرج يطلب العلم فهو في سبيل الله حتى يرجع "

108- حدثنا جعفر، ثنا إبراهيم بن العلاء، ثنا إسماعيل بن عياش، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم " كان يأتي مسجد قباء ماشيا وراكبا "

109- حدثنا جعفر، ثنا علي بن حكيم السمرقندي الخراساني، ثنا هاشم بن مخلد، عن شبيل، عن سليمان الأحول، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أنه سكب للنبي صلى الله عليه وسلم وضوءا، فقال: " من وضع لي وضوئي؟ " فقالت أم هانئ: ابن أختي فقال: " اللهم فقهه في الدين، وعلمه التأويل "

110- حدثنا جعفر، ثنا داود بن مخراق، ثنا الفضل بن موسى، ثنا محمد بن عبيد الله العرزمي، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، " كان يقرأ يوم الجمعة في صلاة الصبح: {تنزيل} السجدة و {هل أتى على الإنسان} "

111- حدثنا محمد بن عثمان بن أبي شيبة، ثنا أحمد بن موسى -، ثنا إسماعيل التيمي -، عن عبد الملك -، عن عطاء -، عن سويد بن غفلة، قال: رأى عمر بن الخطاب رجلا يخاصم عليا رضي الله عنهما، فقال له عمر: أي ويحك من المنافقين؟ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول لعلي: " أنت مني بمنزلة هارون من موسى "

112- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا عقبة بن مكرم، ثنا المسيب بن شريك، عن صالح بن أبي الأخضر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن عائشة، قالت: " كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، إذا أصابته الجنابة، فأراد أن ينام توضأ، وإذا أراد أن يطعم غسل يديه "
১০৭- আমাদের নিকট জা’ফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন আল-আলা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্বাদ বিন ইউসুফ আবু উসমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু জা’ফর আর-রাজি থেকে, তিনি রাবি বিন আনাস থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণে বের হয়, সে ফিরে আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে থাকে।"

১০৮- আমাদের নিকট জা’ফর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন আল-আলা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আইয়াশ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "মসজিদে কুবায় হেঁটে এবং আরোহণ করে আসতেন।"

১০৯- আমাদের নিকট জা’ফর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী বিন হাকিম আস-সামারকান্দি আল-খুরাসানি হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাশিম বিন মাখলাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি শুবাইল থেকে, তিনি সুলায়মান আল-আহওয়াল থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযুর জন্য পানি ঢেলে দিয়েছিলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "কে আমার জন্য ওযুর পানি রেখেছে?" তখন উম্মে হানি বললেন: আমার ভাগ্নে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "হে আল্লাহ, তাকে দ্বীনের সমঝ দান করুন এবং তাকে তাওয়ীল (ব্যাখ্যা) শিক্ষা দিন।"

১১০- আমাদের নিকট জা’ফর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট দাউদ বিন মিখরাক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ফাদল বিন মুসা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-আরযামি থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম "জুমার দিন ফজরের সালাতে পাঠ করতেন: সুরা আস-সাজদাহ (তানযীল) এবং সুরা আদ-দাহর (হাল আতা ‘আলাল ইনসানি)।"

১১১- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবু শাইবা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন মুসা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল আত-তাইমি হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল মালিক থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি সুওয়াইদ বিন গাফালা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: উমর বিন আল-খাত্তাব একজন লোককে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর সাথে বিবাদ করতে দেখলেন, তখন উমর তাকে বললেন: "আফসোস তোমার জন্য! তুমি কি মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আলীর উদ্দেশে বলতে শুনেছি: ‘তুমি আমার নিকট ঠিক তেমনি যেমন হারুন ছিলেন মুসার নিকট।’"

১১২- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উসমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উকবা বিন মুকরাম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-মুসাইয়্যিব বিন শারীক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিহ বিন আবু আল-আখদার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অপবিত্র (জানাবাত) অবস্থায় থাকতেন এবং ঘুমাতে চাইতেন, তখন তিনি ওযু করতেন; আর যখন খাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন তার হাত ধুয়ে নিতেন।"
(খণ্ড: ১) আল-জুযউস সালিসু মিন ফাওয়াইদি আবী আলী আস-সাউওয়াফ (পৃষ্ঠা: ২৮)
113- حدثنا محمد بن عثمان بن محمد، ثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، ثنا حفص، عن عاصم الأحول، عن أبي عثمان، عن سلمان، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ثلاث لا يكلمهم الله يوم القيامة، ولا ينظر إليهم، ولا يزكيهم، ولهم عذاب أليم: أشمط زان، وعائل مستكبر، ورجل جعل الله بضاعة فلا يشتري إلا بيمينه، ولا يبيع إلا بيمينه "

114- حدثنا محمد بن عثمان، ثنا جبارة بن مغلس، ثنا أبو بكر النهشلي -، عن إبراهيم بن مهاجر، عن أبي الشعثاء، عن أبي هريرة، أنه دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهو يحتجم، فقال: أي شيء هذا يا رسول الله؟ قال: " الحجم " قال: وما الحجم؟ قال: " خير ما تداوت به العرب "

115- وفي كتابي عن محمد بن عثمان، ولم أر عليه - علامة السماع، ثنا أحمد بن الحارث الأشعري، ثنا قيس بن الربيع، عن عمار الدهني، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري، أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " لم يكن نبي إلا قد أعطي دعوة تعجلها، وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة، وإن من أمتي من يشفع لأهل بيته، فيدخلون الجنة بشفاعته "

116- حدثنا محمد بن نَصْرٍ الصَّائِغُ ، ثنا محمد بن إِسْمَاعِيلَ الْجَعْفَرِيُّ بمدينة الرسول صلى الله عليه وسلم ، حدثني عبد اللَّهِ بن سَلَمَةَ الرَّبْعِيُّ ، عن محمد بن مُسْلِمِ بن عبيد الله الزهري ، عن عُبَيْدِ اللَّهِ بن عبد اللَّهِ بن عُتْبَةَ بن مَسْعُودٍ ، عَنِ ابن عَبَّاسٍ قال: " بُعِثَ إِلَي النبي صلى الله عليه وسلم فَرْوَةُ بن عَامِرٍ الْجُذَامِيُّ بِإِسْلامِهِ وَأَهْدَى له بَغْلَةً بَيْضَاءَ وكان فَرْوَةُ غُلامًا لِقَيْصَرَ مَلِكِ الرُّومِ على من يَلِيهِ مِنَ الْعَرَبِ وكان مَنْزِلُهُ عُمَانَ وما حَوْلَهَا فلما بَلَغَ الرُّومُ ذلك من أَمْرِهِ حَبَسُوهُ فقال في مَحْبَسِهِ:
১১৩- মুহাম্মদ বিন উসমান বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আমর আল-আশআসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি সালমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তিন প্রকার ব্যক্তি এমন যাদের সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি: বৃদ্ধ ব্যভিচারী, অহঙ্কারী অভাবী, এবং সেই ব্যক্তি যে আল্লাহকে তার ব্যবসায়িক পণ্যে পরিণত করেছে; সে আল্লাহর নামে শপথ করা ছাড়া কোনো কিছু ক্রয় করে না এবং আল্লাহর নামে শপথ করা ছাড়া কোনো কিছু বিক্রয় করে না।"

১১৪- মুহাম্মদ বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাবারাহ বিন মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আন-নাহশালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাজির থেকে, তিনি আবুল শা’সা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলেন যখন তিনি শিঙা (হিজামা) লাগাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, এটি কী? তিনি বললেন: "এটি শিঙা লাগানো।" তিনি বললেন: শিঙা লাগানো কী? তিনি বললেন: "আরবরা যে সব পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা করে তার মধ্যে এটি সর্বোত্তম।"

১১৫- এবং আমার কিতাবে মুহাম্মদ বিন উসমান থেকে বর্ণিত হয়েছে—তবে আমি তার ওপর শ্রবণের (সরাসরি শোনার) কোনো চিহ্ন দেখিনি—আহমদ বিন আল-হারিস আল-আশআরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাইস বিন আল-রবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার আদ-দুহনি থেকে, তিনি আতিয়্যাহ আল-আউফি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "এমন কোনো নবী ছিলেন না যাঁকে একটি সুনিশ্চিত দুআ প্রদান করা হয়নি যা তিনি দুনিয়াতেই দ্রুত করে ফেলেছেন। আর আমি আমার দুআটি কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের শাফাআতের (সুপারিশের) জন্য জমা রেখেছি। আর আমার উম্মতের মধ্যে এমন ব্যক্তিও থাকবে যে তার পরিবারের লোকদের জন্য সুপারিশ করবে, ফলে তারা তার সুপারিশের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

১১৬- মুহাম্মদ বিন নাসর আস-সায়িগ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-জাফরি মদিনাতুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন সালামাহ আর-রাবয়ি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন উবাইদুল্লাহ আজ-জুহরি থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উতবাহ বিন মাসউদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ফারওয়াহ বিন আমির আল-জুদামি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তার ইসলাম গ্রহণের সংবাদ পাঠালেন এবং তাঁকে একটি সাদা খচ্চর উপহার দিলেন। ফারওয়াহ রোম সম্রাট কায়সারের পক্ষ থেকে তার নিকটস্থ আরবদের শাসক নিযুক্ত ছিলেন। তার আবাসস্থল ছিল আম্মান ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা। যখন রোমানরা তার এই (ইসলাম গ্রহণের) সংবাদ পেল, তখন তারা তাকে কারারুদ্ধ করল। এমতাবস্থায় কারাবন্দি অবস্থায় তিনি বলেন:"