(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث المختارة   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأحاديث المختارة أو المستخرج من الأحاديث المختارة مما لم يخرجه البخاري ومسلم في صحيحيهما

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643 هـ)

دراسة وتحقيق: الدكتور عبد الملك بن عبد الله بن دهيش

الناشر: دار خضر للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت - لبنان

الطبعة: الثالثة، 1420 هـ - 2000 م

عدد الأجزاء: 13

تنبيه: انتشر في كثير من النُسَخ الإكترونية السابقة نقلُ أحكام المحقق على الأحاديث في متن الكتاب؛ فحصل بذلك خلط كبير.

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 4 شوّال 1442

আল-আহাদিসুল মুখতারাহ   (যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আল-আহাদিসুল মুখতারাহ অথবা আল-মুস্তাখরাজ মিনাল আহাদিসিল মুখতারাহ যা ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম তাদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে বর্ণনা করেননি

লেখক: যিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী)

গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর আব্দুল মালিক বিন আব্দুল্লাহ বিন দাহিশ

প্রকাশক: দারু খিদর মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪২০ হিজরী - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১৩

সতর্কতা: পূর্ববর্তী অনেক ইলেকট্রনিক সংস্করণে হাদিসের মূল পাঠের (মতন) সাথে সম্পাদকের মন্তব্য ও হুকুমগুলো মিশে গিয়েছিল; ফলে তাতে বড় ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল।

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৪ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٣)
رِوَايَةُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه -
আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর বর্ণনা -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٣)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَرَجِ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَبْنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ: «إِنَّ أَبَا بَكْرٍ قَامَ فِينَا خَطِيبًا، فَقَالَ: إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ فِينَا عَامَ أَوَّلَ، فَقَالَ: إِنَّهُ لَمْ يُقْسَمْ بَيْنَ النَّاسِ أَفْضَلُ مِنَ الْمُعَافَاةِ بَعْدَ الْيَقِينِ أَلَا إِنَّ الصِّدْقَ وَالْبِرَّ فِي الْجَنَّةِ،

 

⦗ص: 74⦘

أَلَا وَإِنَّ الْكَذِبَ وَالْفُجُورَ فِي النَّارِ».
১ - আবুল মাজদ জাহির ইবন আহমদ ইবন হামিদ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - আমি তাঁকে বললাম: আবুল ফারাজ সাঈদ ইবন আবির রাজা আস-সায়রাফী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শুনছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবন মানসুর, সাবত বাহরাওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম ইবনুল মুকরি - তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শুনছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ ইবন আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু খাইসামাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবন মাহদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সালীম ইবন হাইয়ান, কাতাদাহ থেকে, তিনি হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান আল-হিময়ারী থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: «নিশ্চয়ই আবু বকর আমাদের মাঝে খুতবা প্রদানের জন্য দাঁড়ালেন এবং বললেন: নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গত বছর আমাদের মাঝে দাঁড়িয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: ইয়াকীনের (দৃঢ় বিশ্বাস) পর মানুষকে সুস্থতা ও নিরাপত্তার চেয়ে উত্তম কিছু বন্টন করা হয়নি। জেনে রাখো, সত্যবাদিতা ও পুণ্য জান্নাতে থাকবে,

 

⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘

আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই মিথ্যা ও পাপাচার জাহান্নামে থাকবে»।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٤)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي الْحَرِيمِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ - بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْ بَغْدَادَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا بَهْزُ بْنُ أَسَدٍ، ثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ يُحَدِّثُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عُمَرَ قَالَ: «إِنَّ أَبَا بَكْرٍ خَطَبَنَا، فَقَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ فِينَا عَامَ أَوَّلَ، فَقَالَ: أَلَا إِنَّهُ لَمْ يُقْسَمْ بَيْنَ النَّاسِ شَيْءٌ أَفْضَلُ مِنَ الْمُعَافَاةِ بَعْدَ الْيَقِينِ، أَلَا إِنَّ الصِّدْقَ وَالْبِرَّ فِي الْجَنَّةِ، أَلَا إِنَّ الْكَذِبَ وَالْفُجُورَ فِي النَّارِ».

رَوَاهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، عَنْ بَهْزِ بْنِ أَسَدٍ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانَ.

قَالَ الْإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ: رَوَاهُ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ

 

⦗ص: 75⦘

الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيُّ الْبَصْرِيُّ، وَاخْتُلِفَ عَنْهُ فَرَوَاهُ قَتَادَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُمَرَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ. حَدَّثَ بِهِ سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ قَتَادَةَ كَذَلِكَ، وَاخْتُلِفَ عَنْ سَلِيمٍ فَقِيلَ عَنْهُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عُمَرَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ.

وَرَوَاهُ أَبُو التَّيَّاحِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ عُمَرَ وَلَا ابْنَ عَبَّاسٍ. وَقَوْلُ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانَ فِيهِ أَصَحُّ؛ لِأَنَّهُ ثِقَةٌ، وَزَادَ فِيهِ عُمَرَ، وَزِيَادَتُهُ مَقْبُولَةٌ.

قُلْتُ: وَلَا أَدْرِي هَلْ سَمِعَ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيُّ مِنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَمْ لَا؟ وَلَمْ يَذْكُرِ الدَّارَقُطْنِيُّ فِي ذَلِكَ شَيْئًا.
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আল-মুবারক ইবন আবিল মা'আলি আল-হারিমি—বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ—তাঁর নিকট পাঠকালে আর আপনি তা শুনছিলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান ইবন আলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহজ ইবন আসাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবন হাইয়্যান, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বর্ণনা করতে শুনেছি হুমাইদ ইবন আব্দুর রহমান থেকে যে, উমর (রা.) বলেন: «নিশ্চয়ই আবু বকর আমাদের সামনে খুতবা প্রদান করেছেন, তিনি বললেন: নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম বছর আমাদের মাঝে দাঁড়িয়েছিলেন, অতঃপর বললেন: জেনে রেখো! নিশ্চয়ই মানুষের মাঝে দৃঢ় বিশ্বাসের (ইয়াকীন) পর সুস্থতা ও নিরাপত্তার (মুআফাত) চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কিছু বণ্টিত হয়নি। সাবধান! সত্যবাদিতা ও পুণ্য জান্নাতে থাকবে, আর সাবধান! মিথ্যা ও পাপাচার জাহান্নামে থাকবে»।

এটি বর্ণনা করেছেন নাসায়ি, ইসহাক ইবন মানসুর থেকে, তিনি আহমাদ ইবন হানবাল থেকে, তিনি বাহজ ইবন আসাদ থেকে, তিনি সালিম ইবন হাইয়্যান থেকে।

ইমাম হাফিয আবু হাসান আদ-দারা কুতনি বলেন: এটি বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবন আব্দুল

 

⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘

রহমান আল-হিমইয়ারি আল-বসরি। এ ব্যাপারে তাঁর সূত্রে মতভেদ রয়েছে; কাতাদাহ এটি হুমাইদ ইবন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি উমর থেকে, তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন। সালিম ইবন হাইয়্যানও কাতাদাহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে সালিমের সূত্রেও মতভেদ হয়েছে; বর্ণিত হয়েছে যে তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হুমাইদ ইবন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে, তিনি উমর থেকে, তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু আত-তাইয়্যাহ এটি হুমাইদ ইবন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি উমর বা ইবন আব্বাসের নাম উল্লেখ করেননি। এ ক্ষেত্রে সালিম ইবন হাইয়্যানের বক্তব্য অধিক শুদ্ধ; কারণ তিনি নির্ভরযোগ্য, আর তিনি এতে উমরের নাম বৃদ্ধি করেছেন এবং তাঁর এই বৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য।

আমি বলছি: হুমাইদ ইবন আব্দুর রহমান আল-হিমইয়ারি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে শ্রবণ করেছেন কি না তা আমি জানি না। আদ-দারা কুতনি এ বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٥)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ الْإِخْوَةِ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ

 

⦗ص: 76⦘

الْخَلَّالُ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، أَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ، ثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ «أَنَّ عُمَرَ اطَّلَعَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ وَهُوَ يَمُدُّ بِلِسَانِهِ، فَقَالَ: مَا تَصْنَعُ يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَ: إِنَّ هَذَا أَوْرَدَنِي الْمَوَارِدَ، إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لَيْسَ شَيْءٌ مِنَ الْجَسَدِ إِلَّا وَهُوَ يَشْكُو ذَرَبَ اللِّسَانِ».

سُئِلَ عَنْهُ الدَّارَقُطْنِيُّ، وَذَكَرَ رِوَايَةَ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنِ الدَّرَاوَرْدِيِّ قَالَ: وَوُهِمَ فِيهِ عَلَى الدَّرَاوَرْدِيِّ قَالَ: وَرَوَاهُ هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ وَغَيْرُهُمَا، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ. أَنَّ عُمَرَ دَخَلَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ … نَحْوَ قَوْلِ الدَّرَاوَرْدِيِّ، وَلَمْ يَذْكُرُوا الْمَرْفُوعَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلًا وَلَا مُسْنَدًا.
৩ - আবু মুসলিম আল-মুয়াইয়্যাদ ইবনে আবদুর রহীম ইবনুল ইখওয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমি তাঁকে বলেছি: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক

 

⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘

আল-খাল্লাল আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শুনছিলেন—যে ইবরাহীম ইবনে মানসূর সিবতু বাহরাওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মূসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল আজীজ আদ-দারাওয়ারদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, «উমর (রা.) আবূ বকর (রা.)-এর নিকট উপস্থিত হলেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর জিহ্বা টেনে বের করছেন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খলীফা, আপনি এ কী করছেন? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এটি আমাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: শরীরের এমন কোনো অঙ্গ নেই যা জিহ্বার কটুতার অভিযোগ করে না।»

আদ-দারাকুতনীকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি আদ-দারাওয়ারদী থেকে আব্দুস সামাদের বর্ণনা উল্লেখ করেন এবং বলেন: এতে আদ-দারাওয়ারদীর সূত্রে বর্ণনা করতে ভ্রম হয়েছে। তিনি আরও বলেন: হিশাম ইবনে সাদ, মুহাম্মদ ইবনে আজলান এবং অন্যরা যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন যে, উমর (রা.) আবূ বকর (রা.)-এর নিকট প্রবেশ করলেন … আদ-দারাওয়ারদীর বর্ণনার অনুরূপ; তবে তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত মারফূ’ অংশটুকু উল্লেখ করেননি—মুরসাল হিসেবেও নয়, মুসনাদ হিসেবেও নয়।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٦)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى،

 

⦗ص: 77⦘

ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، ثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ الْخِرِّيتِ، عَنْ أَبِي لَبِيدٍ قَالَ: «خَرَجَ رَجُلٌ مِنَ الْأَسْدِ مِنْ طَاحِيَةَ، يُقَالُ لَهُ: بَيْرَحُ بْنُ أَسَدٍ مُهَاجِرًا إِلَى الْمَدِينَةِ، وَقَدْ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ ذَاكَ قَالَ: فَرَأَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بَيْرَحًا يَطُوفُ فِي سِكَكِ الْمَدِينَةِ فَأَنْكَرَهُ، فَقَالَ: مِمَّنْ أَنْتَ؟ فَقَالَ: أَنَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ عُمَانَ، فَأَخَذَ بِيَدِهِ فَذَهَبَ بِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا بَكْرٍ هَذَا مِنَ الْأَرْضِ الَّتِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُ أَهْلَهَا مِنْ أَهْلِ عُمَانَ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: إِنِّي لَأَعْلَمُ أَرْضًا يَنْضَحُ بِنَاحِيَتِهَا الْبَحْرُ بِهَا حَيٌّ مِنَ الْعَرَبِ لَوْ أَتَاهُمْ رَسُولِي لَمْ يَرْمُوهُ بِسَهْمٍ وَلَا حَجَرٍ.»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাজদ জাহির ইবনে আহমদ ইবনে হামিদ আস-সাকাফি—ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবিল রাজা আস-সাইরাফি—তাঁর নিকট পাঠকালে আপনি তা শুনছিলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে মানসুর সিবত বাহরাওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আলি ইবনুল মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলি ইবনুল মুসান্না,

 

⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘

আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু খাইসামা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন জারির ইবনে হাজিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যুবায়ের ইবনুল খিররিত, আবু লাবিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «তাহিইয়াহর আশদ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি, যাঁকে বাইরাহ ইবনে আসাদ বলা হতো, মদিনার পানে হিজরত করে বের হলেন; অথচ এর আগেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেছিলেন। তিনি (রাবী) বলেন: ওমর ইবনুল খাত্তাব বাইরাহকে মদিনার অলিগলিতে ঘুরতে দেখে তাঁকে অপরিচিত মনে করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কে? তিনি বললেন: আমি ওমানবাসীদের একজন। তখন ওমর তাঁর হাত ধরলেন এবং তাঁকে আবু বকরের নিকট নিয়ে গেলেন। অতঃপর বললেন: হে আবু বকর, ইনি সেই ভূখণ্ডের লোক যাদের সম্পর্কে আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আলোচনা করতে শুনেছি, অর্থাৎ ওমানবাসী। তখন আবু বকর বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: 'নিশ্চয়ই আমি এমন এক ভূখণ্ড সম্পর্কে জানি যার এক পাশ সমুদ্র ধৌত করে, সেখানে আরবদের একটি গোত্র বাস করে; যদি তাদের নিকট আমার কোনো দূত যেত, তবে তারা তাকে কোনো তীর ছুড়ত না এবং পাথরও মারত না'।»
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٧)
5 - وَأَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْقُرَشِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ: أَخْبَرَكُمْ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ أَحْمَدَ الْبَقَّالُ، أَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنَا جَدِّي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَمِيلٍ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْخِرِّيتِ، عَنْ أَبِي لَبِيدٍ، قَالَ: «خَرَجَ رَجُلٌ مِنْ طَاحِيَةَ مُهَاجِرًا يُقَالُ لَهُ: يَبْرَحُ بْنُ أَسَدٍ، فَقَدِمَ الْمَدِينَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِأَيَّامٍ، فَرَآهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَعَلِمَ أَنَّهُ غَرِيبٌ، فَقَالَ لَهُ: مِنْ

 

⦗ص: 78⦘

أَيْنَ أَنْتَ؟ قَالَ: مِنْ أَهْلِ عُمَانَ؟ قَالَ: نَعَمْ. فَأَخَذَ بِيَدِهِ فَأَدْخَلَهُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ، فَقَالَ: هَذَا مِنَ الْأَرْضِ الَّتِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: إِنِّي لَأَعْلَمُ أَرْضًا يُقَالُ لَهَا عُمَانُ، يَنْضَحُ بِنَاحِيَتِهَا الْبَحْرُ، بِهَا حَيٌّ مِنَ الْعَرَبِ لَوْ أَتَاهُمْ رَسُولِي مَا رَمَوْهُ بِسَهْمٍ وَلَا حَجَرٍ».

أَبُو لَبِيدٍ اسْمُهُ: لِمَازَةُ بْنُ زَبَّارٍ.

رَوَاهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ فِي مُسْنَدِ عُمَرَ قَالَ أَحْمَدُ: إِنَّمَا هُوَ سَمِعْتَ يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ، وَقَالَ يَزِيدُ: سَمِعْتُ بِالرَّفْعِ يَعْنِي: عُمَرَ.
৫ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মা'মার বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কুরাইশি — ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে — আমি বলেছি: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আবিল রাজা আস-সাইরাফি — তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আপনি শুনছিলেন — (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমদ আল-বাক্কাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন জামিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মানি', আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জারীর বিন হাযিম, যুবাইর বিন খিররিত থেকে, আবু লাবীদ থেকে, তিনি বলেন: «ত্বাহিয়া থেকে হিজরতকারী এক ব্যক্তি বের হলেন যাকে ইয়াবরাহ বিন আসাদ বলা হয়। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের কয়েকদিন পর মদীনায় আসলেন। উমর ইবনুল খাত্তাব তাকে দেখলেন এবং বুঝতে পারলেন যে তিনি একজন আগন্তুক। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি

 

⦗পৃষ্ঠা: ৭৮⦘

কোত্থেকে এসেছেন? তিনি বললেন: ওমানের অধিবাসী? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি তাঁর হাত ধরলেন এবং তাঁকে আবু বকরের নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন: এ ব্যক্তি সেই ভূখণ্ডের অধিবাসী যার সম্পর্কে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে: ‘নিশ্চয়ই আমি এমন একটি ভূখণ্ড সম্পর্কে জানি যাকে ওমান বলা হয়, যার পাশ দিয়ে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ে, সেখানে আরবের এমন এক গোত্র রয়েছে যে, যদি তাদের নিকট আমার দূত যেত তবে তারা তাকে তীর বা পাথর ছুড়ে মারত না’»।

আবু লাবীদের নাম হলো: লিমাজাহ বিন জাব্বার।

ইমাম আহমদ এটি ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে মুসনাদে উমরে বর্ণনা করেছেন। আহমদ বলেন: শব্দটি মূলত ‘সামি’তা’ (তুমি শুনেছ) যা দ্বারা আবু বকরকে বুঝানো হয়েছে, আর ইয়াজিদ বলেন: শব্দটি ‘সামি’তু’ (আমি শুনেছি) পেশ-সহকারে যা দ্বারা উমর (নিজেকে) বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٩)
رِوَايَةُ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ
আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) হতে উসমান বিন আফফান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর বর্ণনা।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٧٩)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ الْإِخْوَةِ - بِأَصْبَهَانَ - أَنَّ الْحُسَيْنَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ الْأَدِيبَ أَخْبَرَهُمْ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ أَبْنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ أَبِي

 

⦗ص: 80⦘

الْحُوَيْرِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ، «أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ مَرَّ عَلَى عُثْمَانَ وَهُوَ جَالِسٌ فِي الْمَسْجِدِ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ، فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ فَدَخَلَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ فَاشْتَكَى ذَلِكَ إِلَيْهِ، فَقَالَ: مَرَرْتُ عَلَى عُثْمَانَ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيَّ قَالَ: وَأَيْنَ هُوَ؟ قَالَ: هُوَ فِي الْمَسْجِدِ قَاعِدٌ. قَالَ: فَانْطَلَقْنَا إِلَيْهِ، فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ: مَا مَنَعَكَ أَنْ تَرُدَّ عَلَى أَخِيكَ حِينَ سَلَّمَ عَلَيْكَ؟ قَالَ: وَاللهِ مَا شَعَرْتُ أَنَّهُ سَلَّمَ، مَرَّ بِي وَأَنَا أُحَدِّثُ نَفْسِي فَلَمْ أَشْعُرْ أَنَّهُ سَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ: بِمَا تُحَدِّثُ نَفْسَكَ قَالَ: خَلَا بِيَ الشَّيْطَانُ، فَجَعَلَ يُلْقِي فِي نَفْسِي أَشْيَاءَ مَا أُحِبُّ أَنِّي تَكَلَّمْتُ بِهَا، وَأَنَّ لِي مَا عَلَى الْأَرْضِ، قُلْتُ فِي نَفْسِي حِينَ أَلْقَى الشَّيْطَانُ ذَلِكَ فِي نَفْسِي يَا لَيْتَنِي سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا الَّذِي يُنْجِينَا مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ الَّذِي يُلْقِي الشَّيْطَانُ فِي أَنْفُسِنَا، قَالَ أَبُو بَكْرٍ: فَإِنِّي وَاللهِ قَدِ اشْتَكَيْتُ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُهُ مَنِ الَّذِي يُنْجِينَا مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ الَّذِي يُلْقِي الشَّيْطَانُ فِي أَنْفُسِنَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: يُنْجِيكُمْ مِنْ ذَلِكَ أَنْ تَقُولُوا مِثْلَ الَّذِي أَمَرْتُ بِهِ عَمِّي عِنْدَ الْمَوْتِ فَلَمْ يَفْعَلْ».

رَوَاهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ - مُخْتَصَرًا - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَسَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ مَوْلَى أَبِي الْحُسَامِ، كِلَاهُمَا عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو.

أَبُو الْحُوَيْرِثِ اسْمُهُ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُعَاوِيَةَ.

 

⦗ص: 81⦘

قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: مُحَمَّدُ بْنُ جُبَيْرٍ لَا يَثْبُتُ سَمَاعُهُ مِنْ عُثْمَانَ فَيَكُونُ حَدِيثُهُ هَذَا مُرْسَلًا.

وَرَوَاهُ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ بِإِسْنَادٍ مُتَّصِلٍ، عَنْ عُثْمَانَ، رَوَاهُ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، تَفَرَّدَ بِهِ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنِ ابْنِ عَقِيلٍ، وَلَا نَعْلَمُ حَدَّثَ بِهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ غَيْرُ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ خَالِدِ بْنِ أَبِي زَيْدٍ، وَهُوَ إِسْنَادٌ مُتَّصِلٌ حَسَنٌ، إِلَّا أَنَّ ابْنَ عَقِيلٍ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ.

وَرَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ. حَدَّثَنَا بِهِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ يَزِيدَ الدِّيبَاجِيُّ - بِالْبَصْرَةِ - ثَنَا سَيَّارُ بْنُ الْحَسَنِ التُّسْتَرِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ بِذَلِكَ. إِلَى هُنَا عَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ.

قُلْتُ: قَدْ رَوَى ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَهُوَ قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ: تَعَلَّمُوا أَنْسَابَكُمْ وَصِلُوا أَرْحَامَكُمْ.

، وَإِذَا صَحَّ سَمَاعُهُ مِنْ عُمَرَ فَلَا يَبْعُدُ سَمَاعُهُ مِنْ عُثْمَانَ - وَاللهُ أَعْلَمُ -.
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-মুআইয়্যাদ বিন আব্দুর রাহীম বিন আল-ইখওয়াহ—ইসফাহানে—যে, আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-আদীব তাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—আমি (সংবাদ পেয়েছি) ইব্রাহীম বিন মনসুরের নিকট থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-মুকরির নিকট থেকে, তিনি আবু ইয়ালা আল-মাওসিলীর নিকট থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আইয়ুবের নিকট থেকে, তিনি ইসমাঈল বিন জাফরের নিকট থেকে, তিনি বলেন: আর আমাকে আমর সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুওয়াইরিস থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেন যে,

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘

«উমর বিন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু মসজিদে উপবিষ্ট উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং তাকে সালাম দিলেন, কিন্তু তিনি সালামের উত্তর দিলেন না। ফলে তিনি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গিয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ করে বললেন: আমি উসমানের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে তাকে সালাম দিলাম, কিন্তু তিনি আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি (আবু বকর) বললেন: তিনি কোথায়? তিনি বললেন: তিনি মসজিদে বসে আছেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমরা তার কাছে গেলাম। আবু বকর তাকে বললেন: তোমার ভাই তোমাকে সালাম দেওয়ার সময় উত্তর দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি (উসমান) বললেন: আল্লাহর কসম, তিনি যে সালাম দিয়েছেন তা আমি টেরই পাইনি। তিনি যখন আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন আমি মনে মনে কিছু চিন্তা করছিলাম, ফলে তিনি যে সালাম দিয়েছেন তা আমি অনুভব করতে পারিনি। আবু বকর তাকে বললেন: তুমি মনে মনে কী চিন্তা করছিলে? তিনি বললেন: শয়তান আমার সাথে একাকী হয়েছিল এবং আমার মনে এমন কিছু বিষয় ঢেলে দিচ্ছিল যা বলার পরিবর্তে দুনিয়ার সবকিছু আমার হয়ে যাওয়াও আমার কাছে অধিক প্রিয় ছিল না। শয়তান যখন আমার মনে তা ঢেলে দিচ্ছিল, তখন আমি মনে মনে বলছিলাম যে, হায়! আমি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করতাম যে, শয়তান আমাদের মনে যে কুমন্ত্রণা (কথা) ঢেলে দেয় তা থেকে কিসে আমাদের মুক্তি দেবে। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আল্লাহর কসম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ করেছিলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, শয়তান আমাদের মনে যে কুমন্ত্রণা ঢেলে দেয় তা থেকে কিসে আমাদের মুক্তি দেবে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমাদের সেই বাক্যটিই মুক্তি দেবে যা আমি আমার চাচাকে মৃত্যুর সময় বলতে নির্দেশ দিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি (বলেননি)»।

এটি ইমাম আহমাদ সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন বনু হাশিমের মুক্তদাস আবু সাঈদ থেকে, তিনি আব্দুল আজীজ বিন মুহাম্মাদ ও আবু আল-হুসামের মুক্তদাস সাঈদ বিন সালামাহ থেকে, তারা উভয়ে আমর বিন আবি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু আল-হুওয়াইরিস-এর নাম হলো: আব্দুর রহমান বিন মুয়াবিয়া।

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘

দারা কুতনী বলেছেন: উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মুহাম্মাদ বিন জুবায়েরের শ্রবণ প্রমাণিত নয়, তাই তার এই হাদীসটি মুরসাল।

আর জায়েদ বিন আবি আনাইসাহ এটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত) সনদে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আকীল থেকে, তিনি আবান বিন উসমান থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আকীল থেকে এই বর্ণনায় জায়েদ বিন আবি আনাইসাহ একক হয়ে গেছেন। আর জায়েদ বিন আবি আনাইসাহ থেকে আবু আব্দুর রহীম খালিদ বিন আবি জায়েদ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এটি একটি মুত্তাসিল হাসান সনদ, তবে ইবনে আকীল তেমন শক্তিশালী নন।

আর আব্দুর রহমান বিন আমর বিন জাবাল্লাহ এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজীজ বিন আবি সালামাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি আবু বকর থেকে। এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ আদ-দীবাজী—বসরায়—তিনি সিয়্যার বিন আল-হাসান আত-তুস্তারি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আমর বিন জাবাল্লাহ থেকে। দারা কুতনী থেকে উদ্ধৃতি এই পর্যন্তই।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইবনে ওয়াহব বর্ণনা করেছেন হায়ওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুবায়ের বিন মুতঈম থেকে; তিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাবকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় শিক্ষা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখো।

আর যদি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তার শ্রবণ সহীহ হয়ে থাকে, তবে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও তার শ্রবণ হওয়া অসম্ভব নয়—আর আল্লাহই ভালো জানেন—।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٢)
رِوَايَةُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه -
আবু বকর আস-সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আলী ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বর্ণনা -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٢)
7 - أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْفَاخِرِ الْقُرَشِيُّ الْأَصْبَهَانِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ - بِهَا قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَرَجِ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْبَقَّالُ، أَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللهِ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنَا جَدِّي أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَمِيلٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: أَنَا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ الْأَسَدِيُّ، ثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ: «كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا نَفَعَنِي اللهُ بِمَا شَاءَ مِنْهُ، فَإِذَا حَدَّثَنِي عَنْهُ غَيْرُهُ اسْتَحْلَفْتُهُ، فَإِذَا حَلَفَ لِي صَدَّقْتُهُ، وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ - وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: لَيْسَ مِنْ عَبْدٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَقُومُ

 

⦗ص: 83⦘

فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ، ثُمَّ يُصَلِّي فَيَسْتَغْفِرُ اللهَ إِلَّا غَفَرَ اللهُ لَهُ».
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মা’মার বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-ফাখির আল-কুরাশি আল-আসবাহানি - তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - সেখানে আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ সাঈদ বিন আবি আল-রাজা আল-সাইরাফি - তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আপনি শুনছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বাক্কাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ উবায়দুল্লাহ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন জামিল তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আহমাদ বিন মানি’ বিন আব্দুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আজ-যুবাইর আল-আসাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিস’আর, উসমান বিন আল-মুগিরা থেকে, তিনি আলী বিন রাবিআ থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম থেকে, তিনি আলী বিন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ তা দ্বারা আমাকে যতটুকু ইচ্ছা উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর পক্ষ থেকে অন্য কেউ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করত, আমি তাকে কসম করতে বলতাম। যখন সে আমার নিকট কসম করত, তখন আমি তাকে সত্যবাদী বলে গণ্য করতাম। আর আমার নিকট আবু বকর বর্ণনা করেছেন - এবং আবু বকর সত্য বলেছেন - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে যে, তিনি বলেছেন: এমন কোনো বান্দা নেই যে কোনো গুনাহ করে, অতঃপর দাঁড়িয়ে

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘

উত্তমরূপে অজু করে, অতঃপর সালাত আদায় করে এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’»
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٣)
8 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْحَرْبِيُّ(1) - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالْحَرْبِيَّةِ - قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ هِبَةُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَا وَكِيعٌ، أَنَا مِسْعَرٌ وَسُفْيَانُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ الثَّقَفِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الْوَالِبِيِّ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه قَالَ: «كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا نَفَعَنِي اللهُ بِمَا شَاءَ مِنْهُ، وَإِذَا حَدَّثَنِي عَنْهُ غَيْرُهُ اسْتَحْلَفْتُهُ، فَإِذَا حَلَفَ لِي صَدَّقْتُهُ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ حَدَّثَنِي - وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ - أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَا مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا فَيَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ، قَالَ مِسْعَرٌ: وَيُصَلِّي، وَقَالَ سُفْيَانُ: ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ فَيَسْتَغْفِرُ اللهَ إِلَّا غَفَرَ لَهُ».

--------------------------------------------

(1) كذا في طبعة دار خضر، تحقيق عبد الملك بن عبد الله بن دهيش والذي في تاريخ الإسلام والسير وكتب الرجال (أبو محمد).
৮ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আবিল মাজদ আল-হারবী(১) - তাঁর নিকট পাঠকালে আমরা তা হারবিয়্যাহ এলাকায় শ্রবণ করছিলাম - তাঁকে বলা হয়েছে: হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠকালে আপনি তা শ্রবণ করছিলেন - তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আলী বিন আল-মুযহিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি‘, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মিসআর ও সুফইয়ান, উসমান বিন আল-মুগীরাহ আস-সাকাফী থেকে, তিনি আলী বিন রাবিয়াহ আল-ওয়ালিবি থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাযারি থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি যখনই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কোনো হাদীস শুনতাম, আল্লাহ আমাকে তা দ্বারা যা ইচ্ছা উপকৃত করতেন। আর যখন অন্য কেউ তাঁর পক্ষ থেকে আমাকে হাদীস শোনাতেন, আমি তাকে দিয়ে শপথ করাতাম; যখন সে শপথ করত, আমি তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করতাম। আর আবু বকর আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন —এবং আবু বকর সত্য বলেছেন— যে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: কোনো ব্যক্তি যখনই কোনো গুনাহ করে ফেলে, অতঃপর সে ওযু করে এবং তার ওযুটি উত্তমরূপে সম্পন্ন করে —মিসআর বলেছেন: এবং সালাত আদায় করে; আর সুফইয়ান বলেছেন: অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করে— এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন»।

--------------------------------------------

(১) দার খিজর সংস্করণে এভাবেই রয়েছে, যার তাহকীক করেছেন আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ বিন দাহিশ। তবে তারিখুল ইসলাম, আস-সিয়ার এবং রিজাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহে (আবু মুহাম্মাদ) নাম এসেছে।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٣)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْإِخْوَةِ

 

⦗ص: 84⦘

- بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلَّالُ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، أَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، ثَنَا غُنْدَرٌ، ثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ الْمُغِيرَةِ الثَّقَفِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ رَبِيعَةَ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي فَزَارَةَ يُقَالُ لَهُ أَسْمَاءُ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ قَالَ: كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا نَفَعَنِي اللهُ بِمَا شَاءَ أَنْ يَنْفَعَنِي بِهِ، فَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ - وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا مِنْ عَبْدٍ - قَالَ شُعْبَةُ: أَحْسَبُهُ قَالَ: - مُسْلِمٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ، ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللهَ لِذَلِكَ الذَّنْبِ إِلَّا غَفَرَ لَهُ. قَالَ شُعْبَةُ: وَقَرَأَ إِحْدَى هَاتَيْنِ الْآيَتَيْنِ: {مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ}، {وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ}».
৯ - আবু মুসলিম আল-মুয়াইয়াদ বিন আব্দুর রহিম বিন আহমাদ বিন আল-ইখওয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৪⦘

- ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - আমি তাঁকে বললাম: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন? তিনি বলেন, ইব্রাহিম বিন মনসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আলী বিন আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-কাওয়ারিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, গুন্দার আমাদের বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন আল-মুগিরা আস-সাকাফিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী বিন রাবিআহকে বনী ফাজারা গোত্রের আসমা নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, আলী (রা.) বলেন: আমি যখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোনো কিছু শুনতাম, আল্লাহ আমাকে তা দ্বারা যতটুকু উপকার করতে চাইতেন ততটুকু উপকৃত করতেন। অতপর আবু বকর আমাকে হাদিস শোনালেন - আর আবু বকর সত্য বলেছেন - নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে, তিনি বলেছেন: «এমন কোনো মুসলিম বান্দা নেই - শু'বাহ বলেন: আমি মনে করি তিনি বলেছেন - যে কোনো গুনাহ করে, অতঃপর অজু করে, এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করে এবং সেই গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন। শু'বাহ বলেন: তিনি এই দুই আয়াতের একটি পাঠ করলেন: {যে মন্দ কাজ করবে তাকে তার প্রতিফল দেওয়া হবে}, {এবং যারা কোনো অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে...}»।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٤)
10 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ

 

⦗ص: 85⦘

مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ أَبُو بَحْرٍ، أَنَا أَبُو عَوَانَةَ قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: كُنْتُ امْرَأً إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا نَفَعَنِي اللهُ بِمَا شَاءَ أَنْ يَنْفَعَنِي، وَإِذَا حَدَّثَنِي أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِهِ اسْتَحْلَفْتُهُ، فَإِذَا حَلَفَ لِي صَدَّقْتُهُ، وَإِنَّهُ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ - وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «أَيُّمَا عَبْدٍ أَذْنَبَ ذَنْبًا، ثُمَّ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى، ثُمَّ اسْتَغْفَرَ اللهَ إِلَّا غَفَرَ لَهُ، ثُمَّ قَرَأَ: {وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ}».
১০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাজদ যাহির বিন আহমদ বিন হামিদ আস-সাকাফি —ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে— আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আবিল রাজা আস-সাইরাফি —তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আপনি তা শ্রবণ করছিলেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন মানসুর সিবত বাহরাওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৫⦘

মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন গিয়াস আবু বাহর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি বলেন: আলি (রা.) বলেছেন: আমি এমন এক ব্যক্তি ছিলাম যে, যখন আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ আমাকে তা দ্বারা যা ইচ্ছা উপকার দান করতেন। আর যখন তাঁর সাহাবিদের মধ্য থেকে কেউ আমাকে কোনো হাদিস শোনাতেন, আমি তাঁকে দিয়ে শপথ করাতাম; অতঃপর যখন তিনি আমার নিকট শপথ করতেন, আমি তাকে সত্য বলে গ্রহণ করতাম। আর নিশ্চয়ই আবু বকর (রা.) আমাকে একটি হাদিস শুনিয়েছেন —আর আবু বকর সত্য বলেছেন— যে তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «যে কোনো বান্দা কোনো পাপ করে ফেলে, অতঃপর অজু করে এবং উত্তমরূপে অজু সম্পাদন করে, এরপর দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে, তারপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {এবং তারা যারা যখন কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেলে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করে...}»।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٥)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ - بِهَا قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفُضَيْلِيِّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو مُضَرَ مُحَلِّمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ - هُوَ ابْنُ مُضَرَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الضَّبِّيُّ - أَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْخَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الشَّجَرِيِّ(1)، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ السَّرَّاجُ، ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ: كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا نَفَعَنِي اللهُ مِنْهُ بِمَا شَاءَ أَنْ يَنْفَعَنِي، فَإِذَا حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ اسْتَحْلَفْتُهُ، فَإِذَا حَلَفَ لِي

 

⦗ص: 86⦘

صَدَّقْتُهُ، وَإِنَّهُ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ - وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَا مِنْ رَجُلٍ مُؤْمِنٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَقُومُ فَيَتَطَهَّرُ فَيُحْسِنُ الطُّهُورَ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللهَ إِلَّا غَفَرَ اللهُ لَهُ، ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الْآيَةَ: {وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ} إِلَى آخِرِ الْآيَةِ».

وَرَوَاهُ شَرِيكٌ، وَقَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، وَإِسْرَائِيلُ، وَالْحَسَنُ بْنُ عُمَارَةَ فَاتَّفَقُوا فِي إِسْنَادِهِ، كَمَا رَوَاهُ مِسْعَرٌ، وَسُفْيَانُ، وَشُعْبَةُ، وَأَبُو عَوَانَةَ، إِلَّا أَنَّ شُعْبَةَ يَقُولُ: عَنْ أَسْمَاءَ أَوْ أَبِي أَسْمَاءَ.

ذَكَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ الِاخْتِلَافَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ، قَالَ: وَأَحْسَنُهَا إِسْنَادًا وَأَصَحُّهَا مَا رَوَاهُ الثَّوْرِيُّ وَمِسْعَرٌ وَمَنْ تَابَعَهُمَا، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ.

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ.

وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدِيثٌ حَسَنٌ لَا نَعْرِفُهُ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، عَنْ عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ بُنْدَارٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ.

وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَوْنٍ، عَنْ مِسْعَرٍ.

 

⦗ص: 87⦘

وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَنَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ مِسْعَرٍ وَسُفْيَانَ، عَنْ عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ أَبُو حَاتِمِ بْنُ حَبَّانَ، عَنْ أَبِي خَلِيفَةَ الْفَضْلِ بْنِ الْحُبَابِ، عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ.

--------------------------------------------

(1) كذا في طبعة دار خضر، تحقيق عبد الملك بن عبد الله بن دهيش، والصواب: (بن السجزي).
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাওহ আবদ আল-মুয়িজ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হারাবি - তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - সেখানে আমি তাঁকে বলেছি: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আল-ফুদাইলি - তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শ্রবণকারী ছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুদার মুহাল্লিম ইবনে ইসমাইল - তিনি হলেন ইবনে মুদার ইবনে ইসমাইল আদ-দাব্বি - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-খালিল ইবনে আহমাদ ইবনে আশ-শাজারি(১), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আস-সাকাফি আস-সাররাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, উসমান ইবনে আল-মুগিরা থেকে, তিনি আলি ইবনে রাবিআ থেকে, তিনি আসমা ইবনে আল-হাকাম আল-ফাযারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলিকে বলতে শুনেছি: আমি যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ তাআলা তা থেকে আমাকে যতটা উপকৃত করার ইচ্ছা করতেন, ততটা উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর সাহাবিদের মধ্য থেকে কেউ আমার কাছে বর্ণনা করতেন, আমি তাকে শপথ করাতাম। যখন তিনি আমার কাছে শপথ করতেন

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৬⦘

তখন আমি তাঁকে সত্য বলে মেনে নিতাম। আর আমাকে আবু বকর বর্ণনা করেছেন - এবং আবু বকর সত্য বলেছেন - তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «এমন কোনো মুমিন ব্যক্তি নেই যে কোনো পাপ করে, তারপর সে উঠে পবিত্রতা অর্জন করে এবং উত্তমরূপে পবিত্র হয়, এরপর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। তারপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেন: {আর যারা কোনো অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে...} আয়াতের শেষ পর্যন্ত।»

আর এটি শারিক, কায়েস ইবনে আর-রাবি, ইসরাইল এবং আল-হাসান ইবনে উমারা বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা এর সনদের ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন যেভাবে মিসআর, সুফিয়ান, শুবা এবং আবু আওয়ানা বর্ণনা করেছেন। তবে শুবা বলেন: আসমা অথবা আবু আসমা থেকে।

আদ-দারাকুতনি এই হাদিসের মতভেদ উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এর মধ্যে সনদের দিক থেকে সর্বোত্তম এবং বিশুদ্ধতম হলো যা আস-সাওরি, মিসআর এবং তাঁদের অনুসারীরা উসমান ইবনে আল-মুগিরা থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ এটি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর তিরমিজি ও আন-নাসায়ি এটি কুতাইবা থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি বলেছেন: এটি একটি হাসান হাদিস, যা আমরা উসমানের বর্ণনা থেকে এই সূত্র ব্যতীত জানি না।

আর আন-নাসায়ি এটি বুন্দার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমাদ ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি জাফর ইবনে আওন থেকে, তিনি মিসআর থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৭⦘

আর ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বা এবং নাসর ইবনে আলি থেকে, তাঁরা ওয়াকি থেকে, তিনি মিসআর ও সুফিয়ান থেকে, তাঁরা উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু হাতিম ইবনে হিব্বান এটি আবু খলিফা আল-ফাদল ইবনে আল-হুবাব থেকে, তিনি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) দার খিজর সংস্করণে এভাবেই রয়েছে, আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দোহাইশের সম্পাদনা অনুযায়ী; তবে সঠিক হলো: (ইবনে আস-সিজজি)।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٨)
رِوَايَةُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه -
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে আবদুর রহমান বিন আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বর্ণনা -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٨٨)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَخْرِ أَسْعَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ مَحْمُودٍ الْأَصْبَهَانِيُّ - قِرَاءَةً وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِأَصْبَهَانَ - قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللهِ الْجُوزْدَانِيَّةُ - قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ(1)، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، ثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ الْمِصْرِيُّ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، حَدَّثَنِي عُلْوَانُ بْنُ دَاوُدَ الْبَجَلِيُّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «دَخَلْتُ

 

⦗ص: 89⦘

عَلَى أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه أَعُودُهُ فِي مَرَضِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ، فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ، وَسَأَلْتُهُ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟ فَاسْتَوَى جَالِسًا. فَقُلْتُ: أَصْبَحْتَ بِحَمْدِ اللهِ بَارِئًا، فَقَالَ: أَمَا إِنِّي عَلَى مَا تَرَى وَجِعٌ، وَجَعَلْتُمْ لِي شُغُلًا مَعَ وَجَعِي، جَعَلْتُ لَكُمْ عَهْدًا مِنْ بَعْدِي، وَاخْتَرْتُ لَكُمْ خَيْرَكُمْ فِي نَفْسِي فَكُلُّكُمْ وَرِمَ لِذَاكَ أَنْفُهُ رَجَاءَ أَنْ يَكُونَ الْأَمْرُ لَهُ، وَرَأَيْتُ الدُّنْيَا قَدْ أَقْبَلَتْ وَلَمَّا تُقْبِلْ وَهِيَ جَائِيَةٌ، وَسَتُنَجِّدُونَ بُيُوتَكُمْ سُتُورَ الْحَرِيرِ وَنَضَائِدَ الدِّيبَاجِ، وَتَأْلَمُونَ ضَجَائِعَ الصُّوفِ الْأَذْرِيِّ، كَأَنَّ أَحَدَكُمْ عَلَى حَسَكِ السَّعْدَانِ، وَوَاللهِ لَأَنْ يُقَدَّمَ أَحَدُكُمْ فَتُضْرَبَ عُنُقُهُ فِي غَيْرِ حَدٍّ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْبَحَ فِي غَمْرَةِ الدُّنْيَا، ثُمَّ قَالَ: أَمَا إِنِّي لَا آسَى عَلَى شَيْءٍ إِلَّا عَلَى ثَلَاثٍ فَعَلْتُهُنَّ وَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَفْعَلْهُنَّ، وَثَلَاثٍ لَمْ أَفْعَلْهُنَّ وَدِدْتُ أَنِّي فَعَلْتُهُنَّ، وَثَلَاثٍ وَدِدْتُ أَنِّي سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهُنَّ.

فَأَمَّا الثَّلَاثُ اللَّاتِي وَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَفْعَلْهُنَّ: فَوَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ كَشَفْتُ بَيْتَ فَاطِمَةَ أَوْ تَرَكْتُهُ، وَأَنْ أُغْلِقَ عَلَيَّ الْحَرْبَ، وَدِدْتُ أَنِّي يَوْمَ سَقِيفَةِ بَنِي سَاعِدَةَ كَنْتُ قَذَفْتُ الْأَمْرَ فِي عُنُقِ أَحَدِ الرَّجُلَيْنِ: أَبُو عُبَيْدَةَ أَوْ عُمَرُ، فَكَانَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَكُنْتُ وَزِيرًا. وَوَدِدْتُ أَنِّي حَيْثُ كُنْتُ وَجَّهْتُ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى أَهْلِ الرِّدَّةِ أَقَمْتُ بِذِي الْقَصَّةِ، فَإِنْ ظَفِرَ الْمُسْلِمُونَ ظَفِرُوا، وَإِلَّا كُنْتُ رِدْءًا وَمَدَدًا، وَأَمَّا اللَّاتِي وَدِدْتُ أَنِّي فَعَلْتُهَا: فَوَدِدْتُ أَنِّي يَوْمَ أُتِيتُ بِالْأَشْعَثِ أَسِيرًا ضَرَبْتُ عُنُقَهُ، فَإِنَّهُ

 

⦗ص: 90⦘

يُخَيَّلُ إِلَيَّ أَنَّهُ لَا يَكُونُ شَرٌّ إِلَّا طَارَ إِلَيْهِ، وَوَدِدْتُ أَنِّي يَوْمَ أُتِيتُ بِالْفُجَاءَةِ السُّلَمِيِّ لَمْ أَكُنْ أَحْرَقْتُهُ، وَقَتَلْتُهُ سَرِيحًا، أَوْ أَطْلَقْتُهُ نَجِيحًا، وَوَدِدْتُ أَنِّي يَوْمَ حَيْثُ وَجَّهْتُ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى الشَّامِ، وَجَّهْتُ عُمَرَ إِلَى الْعِرَاقِ، فَأَكُونُ قَدْ بَسَطْتُ يَدَيَّ: يَمِينِي وَشِمَالِي فِي سَبِيلِ اللهِ عز وجل.

وَأَمَّا الثَّلَاثُ اللَّاتِي وَدِدْتُ أَنِّي سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهُنَّ: فَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ سَأَلْتُهُ فِيمَنْ هَذَا الْأَمْرُ؟ فَلَا يُنَازَعُهُ أَهْلَهُ، وَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ سَأَلْتُهُ هَلْ لِلْأَنْصَارِ فِي هَذَا الْأَمْرِ سَبَبٌ؟ وَوَدِدْتُ أَنِّي سَأَلْتُهُ عَنِ الْعَمَّةِ وَبِنْتِ الْأَخِ فَإِنَّ فِي نَفْسِي فِيهِمَا حَاجَةً».

قَالَ الْإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، وَذَكَرَ هَذِهِ الرِّوَايَةَ وَقَالَ: خَالَفَهُ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ فَرَوَاهُ عَنْ عُلْوَانَ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ بِهَذَا الْإِسْنَادِ، إِلَّا أَنَّهُ لَمْ يَذْكُرْ بَيْنَ عُلْوَانَ وَبَيْنَ صَالِحٍ، حُمَيْدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، فَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ ضَبَطَهُ عَنْ عُلْوَانَ؛ لِأَنَّهُ زَادَ فِيهِ رَجُلًا، وَكَانَ سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ مِنَ الْحُفَّاظِ الثِّقَاتِ.

قُلْتُ: وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ إِلَّا أَنَّهُ لَيْسَ فِيهِ شَيْءٌ مِنْ

 

⦗ص: 91⦘

قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ رَوَى الْبُخَارِيُّ فِي كِتَابِهِ غَيْرَ شَيْءٍ مِنْ كَلَامِ الصَّحَابَةِ، فَمِنْ ذَلِكَ مَا رَوَى طَارِقُ بْنُ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَنَّهُ قَالَ لِوَفْدِ بُزَاخَةَ: تَتَّبِعُونَ أَذْنَابَ الْإِبِلِ حَتَّى يُرِيَ اللهُ خَلِيفَةَ رَسُولِهِ وَالْمُهَاجِرِينَ أَمْرًا يَعْذُرُونَكُمْ وَرَوَتْ عَائِشَةُ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ قَبَّلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ مَوْتِهِ. وَغَيْرَ ذَلِكَ.

--------------------------------------------

(1) كذا في طبعة دار خضر، تحقيق عبد الملك بن عبد الله بن دهيش، وهو تصحيف، والصواب (ابن ريذة).
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফখর আস'আদ বিন সাঈদ বিন মাহমুদ আল-আসফাহানি - পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা আসফাহানে তা শুনছিলাম - তাকে বলা হয়েছে: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জুজদানিয়া - তার উপস্থিতিতে পাঠের মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন - তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাইদ(১), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুয যিনবা' রূহ বিন আল-ফারাজ আল-মিসরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন উফাইর, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন উলওয়ান বিন দাউদ আল-বাজালি, হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান বিন হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ থেকে, তিনি সালিহ বিন কাইসান থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি

 

⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে প্রবেশ করলাম তাঁর সেই অসুস্থাবস্থায় যাতে তিনি ইন্তেকাল করেন, আমি তাঁকে সালাম দিলাম এবং জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কেমন বোধ করছেন? তখন তিনি সোজা হয়ে উঠে বসলেন। আমি বললাম: আল্লাহর প্রশংসায় আপনি সুস্থ হয়ে সকাল অতিবাহিত করছেন। তিনি বললেন: শোনো, আমি যে অবস্থায় আছি তা তুমি দেখছ যে আমি ব্যথিত। আর আমার এই ব্যথার সাথে তোমরা আমাকে ব্যস্ত করে তুলেছ। আমি তোমাদের জন্য আমার পরবর্তী সময়ের জন্য অঙ্গীকার স্থির করেছি এবং আমার অন্তরে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে তোমাদের জন্য নির্বাচন করেছি, অথচ তোমরা সবাই এতে নাক সিটকাচ্ছ এই আশায় যে নেতৃত্ব যেন তোমাদের ভাগে পড়ে। আমি দেখেছি দুনিয়া তোমাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যদিও পুরোপুরি আসেনি কিন্তু তা শীঘ্রই আসবে। তোমরা শীঘ্রই তোমাদের ঘরগুলোকে রেশমি পর্দা এবং কারুকার্যমন্ডিত গালিচা দিয়ে সাজাবে এবং তোমরা আজারবাইজানি পশমি বিছানায় পিঠ ঠেকানোকেও কষ্টকর মনে করবে, মনে হবে যেন তোমাদের কেউ কণ্টকাকীর্ণ ঝোপের উপর রয়েছে। আল্লাহর কসম, তোমাদের কাউকে যদি অপরাধ ছাড়াই সামনে এনে শিরশ্ছেদ করা হয়, তবে তা তার জন্য দুনিয়ার মোহে ডুবে থাকার চেয়ে অনেক উত্তম হবে। অতঃপর তিনি বললেন: জেনে রেখো, আমি তিনটি কাজ করেছি যা না করার আকাঙ্ক্ষা করি, আর তিনটি কাজ আমি করিনি যা করার আকাঙ্ক্ষা করি, আর তিনটি বিষয় এমন যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করার আকাঙ্ক্ষা করি।

যে তিনটি কাজ আমি না করার আকাঙ্ক্ষা করি তা হলো: আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যদি আমি ফাতিমার ঘর না খুলতাম বা তা যেভাবে ছিল সেভাবেই ছেড়ে দিতাম যদিও আমাকে যুদ্ধের মুখে পড়তে হতো। আর আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল সাকিফা বনী সাঈদার দিন যদি আমি বিষয়টি এই দুই ব্যক্তির কারো গলায় দিয়ে দিতাম: আবু উবাইদাহ অথবা উমর; তাহলে তিনি হতেন আমিরুল মুমিনীন আর আমি হতাম উজির (সহকারী)। আর আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যখন আমি খালিদ বিন ওয়ালিদকে মুরতাদদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম, তখন যদি আমি ‘যিল কাসসা’ নামক স্থানে অবস্থান করতাম; যদি মুসলিমরা বিজয়ী হতো তবে ভালো, নতুবা আমি তাদের সাহায্য ও শক্তি জোগাতাম। আর যে বিষয়গুলো আমি করার আকাঙ্ক্ষা করি: আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যেদিন আশ’আসকে বন্দী অবস্থায় আনা হয়েছিল, আমি যদি তার শিরশ্ছেদ করতাম, কারণ আমার

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘

মনে হয় কোনো অকল্যাণ হলেই সে সেদিকে ধাবিত হয়। আর আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যেদিন ফুজাআহ আস-সুলামিকে আনা হয়েছিল, আমি যদি তাকে না পুড়িয়ে দ্রুত হত্যা করতাম অথবা সসম্মানে মুক্তি দিতাম। আর আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যখন আমি খালিদ বিন ওয়ালিদকে শাম অভিমুখে পাঠিয়েছিলাম, তখন যদি উমরকে ইরাক অভিমুখে পাঠাতাম; তবে আমি মহান আল্লাহর পথে আমার দুই হাত: ডান ও বাম হাত প্রসারিত করতে পারতাম।

আর যে তিনটি বিষয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করার আকাঙ্ক্ষা করি তা হলো: আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যদি আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতাম যে, এই শাসনের দায়িত্ব কার জন্য? যাতে এর অধিকারীদের সাথে কোনো ঝগড়া না হতো। আর আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যদি আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতাম যে, এই বিষয়ে আনসারদের কোনো অংশীদারিত্ব আছে কি না? আর আমি তাঁকে ফুফু এবং ভাতিজির (উত্তরাধিকারের) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চেয়েছিলাম, কারণ এ ব্যাপারে আমার মনে জানার প্রয়োজন ছিল।»

ইমাম আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি বলেন—তিনি এই বর্ণনাটি উল্লেখ করে বলেছেন: লাইস বিন সাদ এর বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি উলওয়ান থেকে, সালিহ বিন কাইসান থেকে এই একই সনদে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি উলওয়ান ও সালিহ-এর মধ্যে হুমাইদ বিন আব্দুর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। সম্ভবত সাঈদ বিন উফাইর উলওয়ান থেকে এটি সঠিকভাবে মুখস্থ রেখেছেন, কারণ তিনি এতে একজন ব্যক্তি বৃদ্ধি করেছেন, আর সাঈদ বিন উফাইর ছিলেন নির্ভরযোগ্য হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এটি আবু বকর থেকে বর্ণিত একটি হাসান (সুন্দর) হাদিস, তবে এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো বাণী নেই।

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘

আর ইমাম বুখারি তাঁর গ্রন্থে সাহাবিদের বাণীর অনেক অংশ বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে তারেক বিন শিহাবের বর্ণনা আবু বকর থেকে, তিনি বুযাখার প্রতিনিধি দলকে বলেছিলেন: তোমরা উটের লেজ অনুসরণ করতে থাকো যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর রাসূলের খলিফা এবং মুহাজিরদের এমন এক সিদ্ধান্তের পথ দেখান যাতে তারা তোমাদের ক্ষমা করতে পারে। আর আয়েশা বর্ণনা করেছেন যে, আবু বকর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পর তাঁকে চুম্বন করেছিলেন। এ ছাড়াও আরও অনেক বর্ণনা রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) অনুরূপভাবে দারু খিজর সংস্করণে আছে, আব্দুল মালিক বিন আব্দুল্লাহ বিন দাহিশের তাহকিককৃত, আর এটি একটি মুদ্রণজনিত ভুল, সঠিক হলো (ইবন রীযাহ্)।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٢)
رِوَايَةُ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه -
আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর বর্ণনা -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٢)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْإِخْوَةِ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - وَأَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ أَيْضًا - قُلْتُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلَّالُ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتُمْ تَسْمَعُونَ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: «كُنْتُ فِي الْمَسْجِدِ أُصَلِّي فَدَخَلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَسَجَلْتُ سُورَةَ النِّسَاءِ

 

⦗ص: 93⦘

فَقَرَأْتُهَا، فَلَمَّا فَرَغْتُ جَلَسْتُ فَبَدَأْتُ بِالثَّنَاءِ عَلَى اللهِ عز وجل وَالصَّلَاةِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ دَعَوْتُ لِنَفْسِي، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: سَلْ تُعْطَهْ سَلْ تُعْطَهْ، ثُمَّ قَالَ: مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَقْرَأَ الْقُرْآنَ غَضًّا فَلْيَقْرَأْهُ كَمَا يَقْرَأُ ابْنُ أُمِّ عَبْدٍ، قَالَ: فَرَجَعْتُ إِلَى مَنْزِلِي، فَأَتَانِي أَبُو بَكْرٍ، فَقَالَ: هَلْ تَحْفَظُ مِمَّا كُنْتَ تَدْعُو شَيْئًا؟ قُلْتُ: نَعَمِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ إِيمَانًا لَا يَرْتَدُّ، وَنَعِيمًا لَا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فِي أَعْلَى جَنَّةِ الْخُلْدِ، فَأَتَى عُمَرُ عَبْدَ اللهِ لِيُبَشِّرَهُ فَوَجَدَ أَبَا بَكْرٍ خَارِجًا قَدْ سَبَقَهُ. فَقَالَ: إِنْ فَعَلْتَ إِنَّكَ لَسَبَّاقٌ بِالْخَيْرِ».

رَوَى الْإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ آدَمَ الْمُسْنَدَ عَنْهُ.

وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ غَيْلَانَ.

وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْخَلَّالِ، كِلَاهُمَا عَنْ يَحْيَى بْنِ آدَمَ.

وَرِوَايَةُ الْخَلَّالِ مُخْتَصَرَةٌ، وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدِيثٌ صَحِيحٌ.
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-মুয়াইয়্যাদ বিন আবদুর রহিম বিন আহমাদ বিন আল-ইখওয়া - ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - এবং আবুল মাজদ জাহির বিন আহমাদ বিন হামিদ আস-সাকাফি - তাঁর নিকটও আমার পাঠের মাধ্যমে - আমি তাঁদের প্রত্যেকের উদ্দেশ্যে বলেছি: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনারা তা শুনেছেন - (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন মনসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি জির (বিন হুবাইশ) থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আমি মসজিদে নামাজ পড়ছিলাম, এমতামস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন এবং তাঁর সাথে আবু বকর ও উমর ছিলেন। তখন আমি সূরা আন-নিসা পাঠ করছিলাম

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৩⦘

আমি তা তিলাওয়াত করলাম। যখন আমি শেষ করলাম, তখন বসলাম এবং মহান আল্লাহর প্রশংসা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরূদ পাঠের মাধ্যমে শুরু করলাম, এরপর নিজের জন্য দোয়া করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: চাও, তোমাকে দেওয়া হবে; চাও, তোমাকে দেওয়া হবে। এরপর তিনি বললেন: যে ব্যক্তি কুরআনকে অবিকল সেভাবে পাঠ করতে পছন্দ করে যেভাবে তা অবতীর্ণ হয়েছে, সে যেন ইবনে উম্মে আবদ (আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ)-এর পাঠ অনুযায়ী পাঠ করে। তিনি (আব্দুল্লাহ) বলেন: এরপর আমি আমার ঘরে ফিরে এলাম। তখন আবু বকর আমার কাছে এলেন এবং বললেন: তুমি যা দিয়ে দোয়া করছিলে তার কিছু কি তোমার মনে আছে? আমি বললাম: হ্যাঁ; হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন ঈমান প্রার্থনা করছি যা কখনো বিচ্যুত হবে না, এমন নেয়ামত যা কখনো শেষ হবে না এবং চিরস্থায়ী জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য। এরপর উমর আব্দুল্লাহকে সুসংবাদ দিতে এলেন, কিন্তু তিনি আবু বকরকে বের হয়ে আসতে দেখলেন যে তিনি তাঁর আগেই পৌঁছে গেছেন। তখন তিনি (উমর) বললেন: আপনি যদি এটি করেন (তবে তা স্বাভাবিক), নিশ্চয়ই আপনি কল্যাণকর কাজে সর্বদা অগ্রগামী।»

ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে ইয়াহইয়া বিন আদম থেকে তাঁর সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি এটি মাহমুদ বিন গাইলান থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে মাজাহ এটি হাসান বিন আলী আল-খাল্লাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই ইয়াহইয়া বিন আদম থেকে বর্ণনা করেছেন।

আল-খাল্লালের বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, আর তিরমিজি বলেছেন: হাদিসটি সহিহ।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٣)
14 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلَانِيُّ - بِقِرَاءَتِي

 

⦗ص: 94⦘

عَلَيْهِ - بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللهِ الْجُوزْدَانِيَّةُ - قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ(1)، أَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ؛ وَبِشْرُ بْنُ مُوسَى قَالَا: ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ: «جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عُمَرَ رضي الله عنه فَقَالَ: إِنِّي جِئْتُكَ مِنْ عِنْدِ رَجُلٍ يُمْلِي الْمَصَاحِفَ عَنْ ظَهْرِ قَلْبٍ؛ قَالَ: فَفَزِعَ عُمَرُ. فَقَالَ: وَيْحَكَ انْظُرْ مَا تَقُولُ وَغَضِبَ، فَقَالَ: مَا جِئْتُكَ إِلَّا بِالْحَقِّ. قَالَ: مَنْ هُوَ؟ قَالَ: عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ. قَالَ: مَا أَعْلَمُ أَحَدًا أَحَقَّ بِذَلِكَ مِنْهُ؛ وَسَأُحَدِّثُكَ عَنْ عَبْدِ اللهِ: إِنَّا سَمَرْنَا لَيْلَةً فِي بَيْتِ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه فِي بَعْضِ مَا يَكُونُ مِنْ حَاجَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ خَرَجْنَا وَرَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنِي وَبَيْنَ أَبِي بَكْرٍ، فَلَمَّا انْتَهَيْنَا إِلَى الْمَسْجِدِ إِذَا رَجُلٌ يَقْرَأُ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَمِعُ إِلَيْهِ. فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ! أَعْتَمْتَ، فَغَمَزَنِي بِيَدِهِ اسْكُتْ، قَالَ: فَقَرَأَ وَرَكَعَ وَسَجَدَ وَجَلَسَ يَدْعُو وَيَسْتَغْفِرُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: سَلْ تُعْطَهْ، ثُمَّ قَالَ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَقْرَأَ الْقُرْآنَ رَطْبًا كَمَا أُنْزِلَ فَلْيَقْرَأْ قِرَاءَةَ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ. فَعَلِمْتُ أَنَا وَصَاحِبِي أَنَّهُ عَبْدُ اللهِ، فَلَمَّا أَصْبَحْتُ غَدَوْتُ إِلَيْهِ لِأُبَشِّرَهُ، فَقَالَ: سَبَقَكَ بِهَا أَبُو بَكْرٍ، وَمَا سَابَقْتُهُ إِلَى خَيْرٍ قَطُّ إِلَّا سَبَقَنِي إِلَيْهِ».

 

⦗ص: 95⦘

رَوَاهُ زَائِدَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ.

وَرَوَاهُ خَيْثَمَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مَرْوَانَ قَالَ: أَتَى رَجُلٌ عُمَرَ بِنَحْوِ حَدِيثِ عَلْقَمَةَ.

--------------------------------------------

(1) كذا في طبعة دار خضر، تحقيق عبد الملك بن عبد الله بن دهيش، وهو تصحيف، والصواب (ابن ريذة).
১৪ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি — আমার পাঠের মাধ্যমে —

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৪⦘

তার নিকট — ইস্পাহানে — আমি তাকে বললাম: ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জুজদানিয়া কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? — তার নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আপনি তা শ্রবণ করছিলেন — আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাইদ(১), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আব্দুল আজিজ এবং বিশর ইবনে মুসা; তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «এক ব্যক্তি উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট এসে বলল: আমি আপনার নিকট এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসেছি, যিনি মুখস্থ থেকে কুরআন লিখে দিচ্ছেন; তিনি (আলকামা) বলেন: এতে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বিচলিত হলেন। অতঃপর বললেন: তোমার দুর্ভোগ হোক! দেখো তুমি কী বলছ, এবং তিনি রাগান্বিত হলেন। সে বলল: আমি আপনার কাছে কেবল সত্য নিয়ে এসেছি। তিনি বললেন: সে কে? সে বলল: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ। তিনি বললেন: আমি এ কাজের জন্য তার চেয়ে অধিক যোগ্য আর কাউকে জানি না; এবং আমি তোমাকে আব্দুল্লাহ সম্পর্কে বলব: এক রাতে আমরা আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বাড়িতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলাপ করছিলাম, এরপর আমরা বের হলাম এবং আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ও আবু বকরের মাঝখানে ছিলেন। যখন আমরা মসজিদে পৌঁছালাম, তখন হঠাৎ এক ব্যক্তি কুরআন পাঠ করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে তার পাঠ শুনতে লাগলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আপনি অনেক রাত করে ফেলেছেন, তখন তিনি স্বীয় হাত দিয়ে আমাকে ইশারা করে বললেন: চুপ থাকো। তিনি বলেন: এরপর তিনি (আব্দুল্লাহ) পাঠ করলেন এবং রুকু ও সিজদাহ করলেন এবং বসে দোয়া ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: যা চাইবে তা-ই দেওয়া হবে। এরপর তিনি বললেন: যার কাছে এটা আনন্দদায়ক হয় যে সে কুরআনকে অবিকল সতেজভাবে পাঠ করবে যেভাবে তা অবতীর্ণ হয়েছে, সে যেন ইবনে উম্মে আবদ-এর কিরাত অনুযায়ী পাঠ করে। তখন আমি ও আমার সাথী বুঝতে পারলাম যে তিনি হলেন আব্দুল্লাহ। যখন সকাল হলো, আমি ভোরেই তার নিকট গেলাম তাকে সুসংবাদ দিতে। তখন তিনি বললেন: আবু বকর এ ক্ষেত্রে আপনার আগে বেড়ে গেছেন। আর আমি কখনোই কোনো নেক কাজে তার সাথে পাল্লা দিতে পারিনি যাতে তিনি আমার অগ্রগামী হননি»।

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘

যাইদাহ এটি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং খাইসামাহ ইবনে আব্দুর রহমান এটি কাইস ইবনে মারওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আলকামার হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা নিয়ে এসেছিল।

--------------------------------------------

(১) দারু খিদর সংস্করণে এভাবেই রয়েছে, আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দাহিশের তাহকিককৃত; এটি একটি অনুলিপি প্রমাদ, সঠিক হলো (ইবনে রিযাহ)।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٦)
عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه -
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন), আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) হতে -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٦)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَخْرِ أَسْعَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ رَوْحٍ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِأَصْبَهَانَ - قِيلَ لَهُ أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللهِ الْجُوزْدَانِيَّةُ - قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ(1)، أَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثَنَا أَبُو غَسَّانَ مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ النَّهْدِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدٍ الرُّؤَاسِيُّ، ثَنَا سُلَيْمَانُ الْأَعْمَشُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: «اخْتَصَمَ عَلِيٌّ وَالْعَبَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهم فِي مِيرَاثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا كُنْتُ لِأُحَوِّلَهُ عَنْ

 

⦗ص: 97⦘

مَوْضِعِهِ الَّذِي وَضَعَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم» -.

--------------------------------------------

(1) كذا في طبعة دار خضر، تحقيق عبد الملك بن عبد الله بن دهيش، وهو تصحيف، والصواب (ابن ريذة).
১৫ - আবুল ফাখর আসআদ ইবনে সাঈদ ইবনে রাওহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমরা ইস্পাহানে শ্রবণ করছিলাম—তাঁকে বলা হলো, ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জুজদানিয়্যাহ আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি শ্রবণ করছিলেন—মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ(১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান মালিক ইবনে ইসমাঈল আন-নাহদি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে হুমাইদ আর-রুআসি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আল-আ’মাশ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে রাজা থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস উমাইর থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আলী এবং আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উত্তরাধিকার বিষয়ে আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট বিতর্কে লিপ্ত হলেন। তখন তিনি (আবু বকর) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে বিষয়টিকে যেখানে

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘

স্থাপন করেছেন, আমি তা সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার লোক নই»। -

--------------------------------------------

(১) দার খিদর সংস্করণে আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দাহিশের তাহকীকে এমনই রয়েছে, তবে এটি একটি লেখনীগত ভুল; আর সঠিক হলো (ইবনে রীযাহ)।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٧)
16 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْإِخْوَةِ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلَّالُ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلَى الْعَبَّاسِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: «لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ خَاصَمَ الْعَبَّاسُ عَلِيًّا فِي أَشْيَاءَ تَرَكَهَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَبِي بَكْرٍ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: شَيْءٌ تَرَكَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُحَرِّكْهُ فَلَا أُحَرِّكُهُ».

رَوَاهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ حَمَّادٍ.

وَقَدْ رَوَى الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ: أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ

 

⦗ص: 98⦘

رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم سَأَلَتْ أَبَا بَكْرٍ بَعْدَ وَفَاةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُقْسِمَ لَهَا. فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لَا نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ، إِنَّمَا يَأْكُلُ آلُ مُحَمَّدٍ فِي هَذَا الْمَالِ، وَإِنِّي وَاللهِ لَا أُغَيِّرُ شَيْئًا مِنْ صَدَقَةِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ حَالِهَا الَّتِي كَانَتْ عَلَيْهَا فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَلَأَعْمَلَنَّ فِيهَا بِمَا عَمِلَ بِهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم.

فَيُشْبِهُ أَنَّ يَكُونَ هَذَا مَعْنَى حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ. وَاللهُ أَعْلَمُ.
১৬ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-মুআইয়্যাদ ইবনে আবদুর রহীম ইবনে আহমদ ইবনুল ইখওয়াহ — ইস্পাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে — আমি তাঁকে বললাম: আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবদুল মালিক আল-খাল্লাল কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন — তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আপনি শুনছিলেন? — ইব্রাহীম ইবনে মনসুর সিবতু বাহরাওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ সুলাইমান আল-আমাশ থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে রাজা থেকে, তিনি আব্বাসের মুক্তদাস উমাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: «যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন এবং আবু বকর খলীফা নিযুক্ত হলেন, তখন আব্বাস কিছু বিষয়ে আলীর সাথে বিবাদে লিপ্ত হলেন যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকরের নিকট রেখে গিয়েছিলেন। তখন আবু বকর বললেন: যে জিনিসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেখে গেছেন এবং তিনি তাতে কোনো পরিবর্তন করেননি, আমিও তাতে কোনো পরিবর্তন আনব না।»

ইমাম আহমদ এটি তাঁর মুসনাদে ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর বুখারী ও মুসলিম আয়িশার হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন যে: ফাতিমা বিনতে

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পর আবু বকরের নিকট তাঁর প্রাপ্য অংশ বণ্টন করার আবেদন জানালেন। তখন আবু বকর বললেন: নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমাদের কোনো উত্তরাধিকার রাখা হয় না, আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকাহ (দান)। মুহাম্মাদের পরিবার কেবল এই সম্পদ থেকে জীবিকা নির্বাহ করবে। আর আল্লাহর কসম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাদাকাহকে তাঁর যুগে যে অবস্থায় ছিল তা থেকে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করব না এবং অবশ্যই আমি তাতে সেভাবেই আমল করব যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে আমল করেছেন।

প্রতীয়মান হয় যে, এটিই ইবনে আব্বাসের হাদীসের মর্মার্থ। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ٩٨)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الصُّوفِيُّ

 

⦗ص: 99⦘

- بِهَرَاةَ - أَنَّ أَبَا الْقَاسِمِ تَمِيمَ بْنَ أَبِي سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْعَبَّاسِ الْجُرْجَانِيَّ أَخْبَرَهُمْ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - أَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ، أَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ الْعَبَّاسُ التَّمِيمِيُّ الْبَصْرِيُّ، أَنَا أَبُو لَبِيدٍ؛ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ بْنِ إِيَاسٍ السَّامِيُّ السَّرَخْسِيُّ، ثَنَا سُوَيْدٌ هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ».

لَا أَعْلَمُ أَنِّي كَتَبْتُهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ؛ وَقَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ بَعْضُ الْعُلَمَاءِ؛ وَقَدْ أَخْرَجَ عَنْهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ أَحَادِيثَ كَثِيرَةً.

وَقَدْ رُوِيَ عَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ شَيْءٌ يُقَوِّي أَمْرَهُ وَاللهُ أَعْلَمُ.

وَذَلِكَ مَا أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِدَارِ الْقَزِّ بِبَغْدَادَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْوَزِيرُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ طِرَادِ بْنِ مُحَمَّدٍ الزَّيْنَبِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعَدَةَ الْإِسْمَاعِيلِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ - قَالَ: أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ السَّهْمِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - سَأَلْتُ الدَّارَقُطْنِيَّ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ تَكَلَّمَ فِيهِ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ؛ وَقَالَ: حَدَّثَ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ سَيِّدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: فَهَذَا بَاطِلٌ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ لَمْ يَرْوِهِ غَيْرُ سُوَيْدٍ وَجُرِّحَ سُوَيْدٌ لِرِوَايَتِهِ لِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: فَلَمْ نَزَلْ نَظُنُّ أَنَّ هَذَا كَمَا قَالَ يَحْيَى؛ وَأَنَّ سُوَيْدًا أَتَى أَمْرًا عَظِيمًا فِي رِوَايَتِهِ هَذَا الْحَدِيثَ؛ حَتَّى دَخَلْتُ مِصْرَ فِي

 

⦗ص: 100⦘

سَنَةِ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ فَوَجَدْتُ هَذَا الْحَدِيثَ فِي مُسْنَدِ أَبِي يَعْقُوبَ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُونُسَ، الْمَعْرُوفِ بِالْمَنْجَنِيقِيِّ، وَكَانَ ثِقَةً رَوَى عَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ؛ كَمَا قَالَ سُوَيْدٌ سَوَاءً؛ وَتَخَلَّصَ سُوَيْدٌ وَصَحَّ الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ؛ وَقَدْ حَدَّثَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيُّ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ هَذَا وَمَاتَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَبْلَهُ.
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাওহ আব্দুল মুয়িয ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল ফাদল আস-সুফি

 

⦗পৃষ্ঠা: ৯৯⦘

- হেরাত শহরে - যে আবুল কাসিম তামিম ইবনে আবি সাঈদ ইবনে আবিল আব্বাস আল-জুরজানি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কাঞ্জারুযি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে সাওর আল-আব্বাস আত-তামিমি আল-বাসরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু লাবিদ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস ইবনে ইয়াস আস-সামি আস-সারাকসি, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ, তিনি হলেন ইবনে সাঈদ, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবনে সুলাইমান, তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ওয়ালা (উত্তরাধিকারের স্বত্ব) তার জন্য, যে আজাদ (মুক্ত) করেছে।»

আমার জানা মতে আমি এটি সুওয়াইদ ইবনে সাঈদের হাদীস ছাড়া লিখিনি; আর উলামাদের কেউ কেউ তাঁর ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন; অথচ ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে তাঁর থেকে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আর দারা কুতনী থেকে এমন কিছু বর্ণিত হয়েছে যা তাঁর বিষয়টিকে শক্তিশালী করে, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

আর তা হলো যা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মামার - বাগদাদের দারুল কায্যে তাঁর কাছে আমার পাঠ করার মাধ্যমে - আমি তাঁকে বললাম: উজির আবুল কাসিম আলী ইবনে তিরাদ ইবনে মুহাম্মদ আয-যাইনাবি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে মাসআদাহ আল-ইসমাঈলি তাঁর নিকট একাধিকবার পাঠ করার মাধ্যমে - তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হামজাহ ইবনে ইউসুফ আস-সাহমি - তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে - আমি দারা কুতনীকে সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, যাঁর ব্যাপারে ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন সমালোচনা করেছেন; এবং তিনি বলেছেন: তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হাসান ও হুসাইন জান্নাতী যুবকদের সরদার। ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন বলেছেন: এটি বাতিল, আবু মুয়াবিয়া থেকে সুওয়াইদ ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেনি, এবং এই হাদীসটি বর্ণনা করার কারণে সুওয়াইদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। আবুল হাসান (দারা কুতনী) বলেন: আমরা সব সময় এটাই মনে করতাম যেমনটি ইয়াহইয়া বলেছিলেন; এবং সুওয়াইদ এই হাদীসটি বর্ণনা করে একটি গুরুতর কাজ করেছেন; যতক্ষণ না আমি সাতান্ন সালে মিসরে প্রবেশ করলাম এবং

 

⦗পৃষ্ঠা: ১০০⦘

এই হাদীসটি আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইউনুস, যিনি মানজানিয়ি নামে পরিচিত, তাঁর মুসনাদে পেলাম। তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, তিনি আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন; ঠিক যেমনটি সুওয়াইদ বলেছিলেন; ফলে সুওয়াইদ (দোষারোপ থেকে) মুক্তি পেলেন এবং আবু মুয়াবিয়া থেকে হাদীসটি সহীহ সাব্যস্ত হলো; আর আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী এই ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আবু আব্দুর রহমান তাঁর পূর্বেই ইন্তেকাল করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠١)
‌‌أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ: سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهما
আবু সাঈদ আল-খুদরী: সাদ বিন মালিক, আবু বকর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠١)
18 - أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ؛ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَجَا بْنِ غَنَايِمَ الْأَنْصَارِيُّ الْوَاعِظُ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِدِيَارِ مِصْرَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو صَابِرٍ؛ عَبْدُ الصَّبُورِ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ الْهَرَوِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا أَبُو عَامِرٍ مَحْمُودُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُقَاتِلِ بْنِ صُبَيْحِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ الْأَزْدِيُّ؛ قَالَ: أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي الْجَرَّاحِ الْمَرْوَزِيُّ قَالَ: أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ فُضَيْلٍ التَّاجِرُ الْمَحْبُوبِيُّ قَالَ: أَنَا أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ سَوْرَةَ التِّرْمِذِيُّ ثَنَا

 

⦗ص: 102⦘

أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، ثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، ثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ؛ قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ: «أَلَسْتُ أَحَقَّ النَّاسِ بِهَا؟ أَلَسْتُ أَوَّلَ مَنْ أَسْلَمَ؟ أَلَسْتُ صَاحِبَ كَذَا؟ أَلَسْتُ صَاحِبَ كَذَا؟ »

كَذَا رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: حَدِيثٌ غَرِيبٌ قَالَ: وَقَدْ رَوَاهُ بَعْضُهُمْ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ. قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ؛ وَهَذَا أَصَحُّ؛ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ؛ قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ فَذَكَرَ نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَهَذَا أَصَحُّ.

رَوَاهُ أَبُو حَاتِمِ بْنُ حَبَّانَ فِي كِتَابِهِ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ الْأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعِيدٍ الْأَشَجِّ بِإِسْنَادِهِ.
১৮ - ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে ইবরাহিম ইবনে নাজা ইবনে গানায়িম আল-আনসারি আল-ওয়ায়েজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—মিশর দেশে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমি তাঁকে বললাম: আবু সাবির আবদুস সবুর ইবনে আবদুস সালাম ইবনে আবিল ফাদল ইবনে আবি মানসুর আল-হারাবি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শুনছিলেন—তিনি বলেন: আবু আমির মাহমুদ ইবনুল কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুকাতিল ইবনে সাবিহ ইবনে আবদিল মালিক ইবনুল মুহাল্লাব ইবনে আবি সুফরাহ আল-আযদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবিল জাররাহ আল-মারওয়াযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ফুদ্বাইল আত-তাজির আল-মাহবুবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সাওরাহ আত-তিরমিযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

 

⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘

আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উকবাহ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুরায়রি থেকে, তিনি আবু নাদাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর (রা.) বলেছেন: "আমি কি এই কাজের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হকদার নই? আমি কি প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী নই? আমি কি অমুক গুণের অধিকারী নই? আমি কি অমুক গুণের অধিকারী নই?"

তিরমিযি এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি একটি গারিব হাদিস। তিনি আরও বলেছেন: তাদের কেউ কেউ এটি শু'বাহ থেকে, তিনি জুরায়রি থেকে, তিনি আবু নাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু বকর বলেছেন; আর এটিই অধিক বিশুদ্ধ; আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে বাশশার এটি বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মাহদি আমাদের নিকট শু'বাহ থেকে, তিনি জুরায়রি থেকে, তিনি আবু নাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর বলেছেন, অতঃপর তিনি সমার্থবোধক অনুরূপ বর্ণনা করেন, এবং তাতে আবু সাঈদের কথা উল্লেখ করেননি এবং এটিই অধিক বিশুদ্ধ।

আবু হাতিম ইবনে হিব্বান তাঁর কিতাবে এটি হাসান ইবনে ইসহাক আল-আসবাহানি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-আশাজ্জ থেকে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠٢)
19 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الثَّنَاءِ حَمَّادُ بْنُ هِبَةِ اللهِ بْنِ حَمَّادٍ الْحَرَّانِيُّ وَغَيْرُهُ فِي كِتَابِهِ وَأَنَا عَنْهُ أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ طُغْرَاءَ بْنِ أَحْمَدَ النَّابُلُسِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَلَّالُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ؛ الصَّيْدَلَانِيُّ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ أَبُو مُحَمَّدٍ يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ

 

⦗ص: 103⦘

يَزْدَادَ الْكَاتِبُ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ؛ عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ الْأَشَجُّ حَدَّثَنِي عُقْبَةُ، ثَنَا شُعْبَةُ؛ حَدَّثَنِي سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ أَبُو بَكْرٍ: «أَلَسْتُ أَحَقَّ النَّاسِ بِهَا؟ أَلَسْتُ أَوَّلَ مَنْ أَسْلَمَ؟ أَلَسْتُ صَاحِبَ كَذَا»؟ .
১৯ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ছানা হাম্মাদ ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ আল-হাররানি এবং অন্যরা তাঁর কিতাবে, এবং তাঁর থেকে আমি বর্ণনা করছি আবু আল-তাহির ইসমাঈল ইবনে তুগরা ইবনে আহমদ আন-নাবুলুসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দি—তাঁকে পাঠ করে শুনানোর মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন আস-সাইদালানি—তাঁকে আমার পাঠ করে শুনানোর মাধ্যমে—আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইয়াজদাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে

 

⦗পৃষ্ঠা: ১০৩⦘

ইয়াজদাদ আল-কাতিব—তাঁকে পাঠ করে শুনানোর মাধ্যমে—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-আশাজ্জ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উকবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ আল-জুরায়রি, আবু নাদরাস থেকে, আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু বকর (রা.) বলেছেন: «আমি কি এর (খিলাফতের) জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হকদার নই? আমি কি প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী নই? আমি কি অমুক অমুক গুণের অধিকারী নই?»।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠٤)
أَبُو بَرْزَةَ نَضْلَةُ بْنُ عُبَيْدٍ رضي الله عنه عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه -
আবু বারযাহ নাযলাহ ইবনে উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু, আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে -
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠٤)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي بْنِ الْمَعْطُوشِ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ - بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْ بَغْدَادَ - قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ هِبَةُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ - أَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَحْمَدَ؛ حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَفَّانُ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُطَرِّفِ بْنِ الشِّخِّيرِ؛ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ؛ أَنَّهُ قَالَ: «كُنَّا عِنْدَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فِي عَمَلِهِ فَغَضِبَ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَاشْتَدَّ غَضَبُهُ عَلَيْهِ جِدًّا، فَلَمَّا رَأَيْتُ ذَلِكَ قُلْتُ: يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللهِ أَضْرِبُ عُنُقَهُ؟ فَلَمَّا ذَكَرْتُ الْقَتْلَ صَرَفَ عَنْ ذَلِكَ الْحَدِيثِ أَجْمَعَ إِلَى غَيْرِ ذَلِكَ مِنَ النَّحْوِ، فَلَمَّا تَفَرَّقْنَا أَرْسَلَ إِلَيَّ بَعْدَ ذَلِكَ أَبُو بَكْرٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا بَرْزَةَ مَا قُلْتَ؟ قَالَ: وَنَسِيتُ الَّذِي قُلْتُ. قُلْتُ: ذَكِّرْنِيهِ، فَقَالَ:

 

⦗ص: 105⦘

أَمَا تَذْكُرُ مَا قُلْتَ؟ قَالَ: قُلْتُ: لَا وَاللهِ. قَالَ: أَرَأَيْتَ حِينَ رَأَيْتَنِي غَضِبْتُ عَلَى الرَّجُلِ. فَقُلْتَ: أَضْرِبُ عُنُقَهُ يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللهِ؟ أَمَا تَذْكُرُ ذَاكَ؟ أَوَكُنْتَ فَاعِلًا؟ قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ وَاللهِ، وَالْآنَ إِنْ أَمَرْتَنِي فَعَلْتُ قَالَ: وَيْحَكَ أَوْ وَيْلَكَ وَاللهِ مَا هِيَ لِأَحَدٍ بَعْدَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم» -.
২০ - আবু তাহের আল-মুবারক ইবনে আবিল মা'য়ালি ইবনুল মাতুশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে - আমি তাঁকে বললাম: হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন - আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আফফান আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে যুরাই' আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে উবাইদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ ইবনে হিলাল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুতাররিফ ইবনে আশ-শিখখীর থেকে; তিনি তাদের নিকট আবু বারযাহ আল-আসলামী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: «আমরা আবু বকর আস-সিদ্দিক-এর নিকট তাঁর কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তখন তিনি জনৈক মুসলমানের প্রতি রাগান্বিত হলেন এবং তাঁর ক্রোধ অত্যন্ত তীব্র হলো। যখন আমি তা দেখলাম, তখন বললাম: হে আল্লাহর রাসূলের খলিফা, আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব? যখন আমি হত্যার কথা উল্লেখ করলাম, তখন তিনি সেই প্রসঙ্গের আলোচনা পুরোপুরি বর্জন করে অন্য দিকে নিবিষ্ট হলেন। এরপর যখন আমরা চলে গেলাম, তখন আবু বকর আমার নিকট লোক পাঠালেন এবং বললেন: হে আবু বারযাহ, তুমি কী বলেছিলে? তিনি (আবু বারযাহ) বললেন: আমি যা বলেছিলাম তা ভুলে গিয়েছিলাম। আমি বললাম: আমাকে তা স্মরণ করিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন:

 

⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘

তুমি কি স্মরণ করতে পারছ না তুমি কী বলেছিলে? তিনি (আবু বারযাহ) বললেন: আমি বললাম: না, আল্লাহর কসম। তিনি বললেন: তুমি কি সেই সময়ের কথা ভেবে দেখেছ, যখন তুমি আমাকে সেই লোকটির প্রতি রাগান্বিত হতে দেখলে এবং বললে: হে আল্লাহর রাসূলের খলিফা, আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব? তুমি কি তা স্মরণ করতে পারছ না? তুমি কি সত্যিই তা করতে? তিনি (আবু বারযাহ) বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, আর এখনো আপনি আমাকে আদেশ করলে আমি তা করব। তিনি (আবু বকর) বললেন: তোমার প্রতি করুণা হোক (বা তোমার ধ্বংস হোক), আল্লাহর কসম, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর এটি আর কারো জন্য (বৈধ) নয়।» -।
(খণ্ড: ١) আল-আহাদীসুল মুখতারাহ (পৃষ্ঠা: ١٠٥)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ، زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ - بِأَصْبَهَانَ - أَنَّ سَعِيدَ بْنَ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيَّ أَخْبَرَهُمْ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِئِ، أَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا يَزِيدُ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُطَرِّفٍ.
২১ - আবু আল-মাজদ জাহির ইবন আহমদ ইবন হামিদ আস-সাকাফি—আসফাহানে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, সাঈদ ইবন আবিল রাজা আল-সাইরাফি তাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে—ইবরাহিম ইবন মনসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম ইবনুল মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুওয়াইদ ইবন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মুতাররিফ থেকে।