(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون الأبدال التساعيات للبخاري ومسلم للدمياطي   (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأربعون الأبدال التساعيات للبخاري ومسلم أو أحدهما - مخطوط

المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 42

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আদ-দিময়াতি রচিত বুখারি ও মুসলিমের চল্লিশটি আবদাল আত-তিসাঈ হাদীস   (আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: বুখারি ও মুসলিম অথবা উভয়ের কোনো একজনের জন্য বর্ণিত চল্লিশটি আবদাল আত-তিসাঈ হাদীস - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতি, আবু মুহাম্মদ, শরফুদ্দীন আশ-শাফেঈ (মৃত্যু ৭০৫ হি.)

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদারি

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪২

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: الأربعون الأبدال التساعيات للبخاري ومسلم أو أحدهما - مخطوط

المؤلف: أبو محمد عبد المؤمن بن أبي القاسم الدمياطي

المتوفى: 705 هـ
গ্রন্থ: বুখারী ও মুসলিম অথবা তাদের একজনের নয় স্তরবিশিষ্ট চল্লিশটি আবদাল হাদিস - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন আবিল কাসিম আদ-দিময়াতি

মৃত্যু: ৭০৫ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢)
ق 1

الجزء الأول من الأربعين الأبدال التساعيات

للبخاري ومسلم أوأحدهما رحمة الله عليهما

تخريج شيخنا وسيدنا الإمام العالم العامل الحافظ قدوة الخلف بقية السلف مفتي المسلمين شرف الدين أبو محمد عبد المؤمن بن أبي القاسم الدمياطي فسح الله من مدته أعاد على المسلمين من بركته

خذها أحاديث أبدال مصححة وافت تساعية الإسناد في العدد

في أول وقعت فيه موافقة أحمد بن شعيب قابل السدد

وتلوه وردت فيه مصافحة لمسلم حافظ متقن الألفاظ والسند

ومثله بعد عشرين موافقة للترمذي أبي عيسى حماه رد

ق 2 (أ)

بسم الله الرحمن الرحيم، وصلى الله على سيدنا محمد،

الحمد لله سامع الأصوات مجيب الدعوات وقاضي الحاجات وكاشف البليات ومفرج الكربات العالم بالكليات والجزئيات، والمطلع على ما في القلوب والنيات والضمائر والطويات والسرائر والحفيات، مكفر الخطيات والسيئات، وغافر الذنوب السالفات والحادثات، أحمده بما يجب من الأسماء والصفات، وأشكره على أنعمه المترادفات، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له شهادة تنجي قائلها من وبال التبعات وتبوؤه منازل أهل الكرامات وأشهد أن محمداً عبده الساعي إلى الخيرات والقربات، ورسوله الداعي إلى الطاعات والعبادات، صلى الله وعلى آله صلاة تبلغ أعلى الدرجات في سواء الجنات.

وبعد فإني قد استخرت الله تعالى وخرجت من مسموعاتي العاليات أربعين حديثاً أبدالا تساعيات للبخاري ومسلم أو أحدهما رحمة الله عليهما
পৃষ্ঠা ১

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম অথবা তাঁদের যে কোনো একজনের বর্ণিত ‘আবদাল তুসায়িয়াত’ (নয়জন রাবীর উচ্চতর সনদবিশিষ্ট) চল্লিশটি হাদীসের প্রথম অংশ, তাঁদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক

আমাদের শায়খ ও সরদার, আলেম, আমলকারী ইমাম, হাফেজ, উত্তরসূরিদের আদর্শ, পূর্বসূরিদের অবশিষ্টাংশ, মুসলিমদের মুফতি, শরফুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন আবিল কাসিম আদ-দিময়াতি কর্তৃক চয়নকৃত; আল্লাহ তাঁর হায়াত বৃদ্ধি করুন এবং তাঁর বরকত মুসলিমদের ওপর ফিরিয়ে দিন

গ্রহণ করো এই সংশোধিত আবদাল হাদীসসমূহ, যা গণনায় নয়জন রাবীর উচ্চতর সনদ হিসেবে উপনীত হয়েছে

যার প্রথমটিতে আহমদ বিন শুআইবের সাথে একীভুত হওয়া (মুওয়াফাকাত) সংঘটিত হয়েছে, যিনি সঠিক পথপ্রদর্শক

আর তার পরবর্তীটিতে হাফেজ ইমাম মুসলিমের সাথে করমর্দনতুল্য (মুসাফাহাহ) সনদ বর্ণিত হয়েছে, যিনি শব্দ ও সনদে অত্যন্ত দক্ষ

আর অনুরূপভাবে বিশটির পর আবু ঈসা তিরমিযীর সাথে একীভুত হওয়া (মুওয়াফাকাত) সংঘটিত হয়েছে

পৃষ্ঠা ২ (ক)

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের সরদার মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল আওয়ায শ্রবণকারী, দোয়াসমূহ কবুলকারী, হাজতসমূহ পূরণকারী, বিপদ-আপদ দূরকারী এবং দুঃখ-কষ্ট লাঘবকারী। যিনি সকল সামষ্টিক ও ব্যাষ্টিক বিষয় সম্পর্কে পরিজ্ঞাত, এবং অন্তরসমূহ, নিয়তসমূহ, বিবেকসমূহ, গোপন চিন্তা ও রহস্যসমূহ এবং অতি সূক্ষ্ম গোপন বিষয় সম্পর্কে সম্যক অবগত। যিনি ভুল-ত্রুটি ও মন্দ কাজসমূহের মোচনকারী এবং অতীত ও বর্তমানের সকল গুনাহ ক্ষমাশীল। আমি তাঁর প্রশংসা করছি সেই সকল নাম ও গুণাবলীর দ্বারা যা তাঁর জন্য আবশ্যক, এবং তাঁর ক্রমাগত নেয়ামতরাজির জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই; এমন সাক্ষ্য যা এর পাঠকারীকে মন্দ পরিণাম থেকে মুক্তি দেবে এবং তাকে সম্মানিত ব্যক্তিদের মর্যাদাপূর্ণ স্থানে আসীন করবে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা—যিনি কল্যাণ ও নৈকট্য লাভের কাজে সদা সচেষ্ট—এবং তাঁর রাসূল, যিনি আনুগত্য ও ইবাদতের দিকে আহ্বানকারী। আল্লাহ তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর এমন রহমত বর্ষণ করুন যা জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম পর্যন্ত পৌঁছে দেবে।

অতঃপর, আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করে আমার শ্রুত উচ্চতর সনদসমূহ থেকে ‘আবদাল তুসায়িয়াত’ (নয়জন রাবীর উচ্চতর সনদবিশিষ্ট) চল্লিশটি হাদীস চয়ন করেছি, যা বুখারী ও মুসলিম অথবা তাঁদের একজনের বর্ণিত, তাঁদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٣)
الحديث الأول

قرئ على الشيخ الصالح المعمر أبي الحسن علي بن أبي عبد الله الحسين بن أبي علي الحسن بن منصور البغدادي الأزجي الحنبلي وأنا أسمع بالقاهرة قدمها بأبنيات، عن الشريف النقيب أبي جعفر وأبي العباس أحمد بن محمد بن عبد العزيز

ق 2 (ب)

ابن علي بن إسماعيل بن علي بن سليمان بن يعقوب بن إبراهيم بن محمد بن إسماعيل بن علي بن عبد الله بن العباس العباسي المكي قال: أنبأ أبو علي الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن بن محمد بن أحمد بن إبراهيم بن العباس بن عبيد الله بن جعفر المكي الشافعي قراءةً عليه وأنا أسمع بمكة في جمادى الآخرة سنة اثنتين وسبعين وأربعمائة قال: أنبأ أبو الحسن أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن علي بن أحمد بن فراس العبقسي المكي قال: أنبأ أبو جعفر محمد بن إبراهيم بن عبد الله الدبيلي المكي قراءةً عليه في ذي الحجة سنة إحدى وعشرين وثلاثمائة قال: أبو صالح محمد بن أبي الأزهر المكي مولى بني هاشم المعروف بابن زنبور قال: ثنا حماد بن زيد، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك قال: (كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أجمل الناس وجهاً، وأجود الناس كفاً، وأشجع الناس قلباً، خرج وقد فزع أهل المدينة فركب فرساً لأبي طلحة عرياً ثم رجع وهو يقول: لم تراعوا لم تراعوا، ثم قال: إني وجدته بحراً)

رواه البخاري في الجهاد عن أحمد بن عبد الملك، وعن سليمان بن حرب، وعن قتيبة، وفي الجهاد والأدب عن عمرو بن عون. ورواه مسلم في الفضائل عن يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وأبي الربيع، وأبي كامل. ورواه الترمذي في الجهاد عن قتيبة. ورواه النسائي في اليوم والليلة عن محمد بن زنبور. ورواه ابن ماجة في الجهاد عن أحمد بن عبدة، عشرتهم عن حماد بن زيد فوقع موافقةً

ق3 (أ)

عاليةً للنسائي في ابن زنبور. كأني سمعته من أبي زرعة طاهر بن محمد المقدسي وكانت وفاته بهمدان يوم الأربعاء سابع ربيع الآخر سنة ست وستين وخمسمائة، وكان مولده بالري في سنة أحدى وثمانين وأربعمائة، وبدلاً عالياً للبخاري ومسلم والترمذي وابن ماجة وهو أحد الأحاديث التساعيات التي وقعت إلينا موافقة بعلو درجتين.

وقد وقع إلينا أيضا موافقة للبخاري في سليمان بن حرب الأزدي الواشحي البصري قاضي مكة أخبرناه أبو علي منصور بن سند بن منصور بن الدماغ فيما قرأت عليه بالإسكندرية في الثانية قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الحافظ قراءةً عليه وأنا أسمع بالثغر قال: أنبأ أبو بكر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ قال: أنبأ أبو منصور محمد بن سليمان بن داود بن سليمان بن داود الوكيل قال: ثنا أبو الحسن علي بن الفضل بن شهريار المعدل قال: ثنا أبو عبد الله محمد بن أيوب بن يحيى بن الضريس قال: أنبأ سليمان قال: ثنا حماد، عن ثابت، عن أنس قال: (كان النبي صلى الله عليه وسلم أحسن الناس وأجود الناس وأشجع الناس)
প্রথম হাদীস

নেককার ও দীর্ঘজীবী শায়খ আবু আল-হাসান আলী বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবি আলী আল-হাসান বিন মানসুর আল-বাগদাদী আল-আযজি আল-হাম্বলীর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি কায়রোর আবনিয়াত নামক স্থানে তা শ্রবণ করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন শরীফ আন-নাকীব আবু জাফর এবং আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয

পৃষ্ঠা ২ (খ)

বিন আলী বিন ইসমাইল বিন আলী বিন সুলাইমান বিন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আব্বাস আল-আব্বাসী আল-মাক্কী থেকে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-আব্বাস বিন উবাইদুল্লাহ বিন জাফর আল-মাক্কী আশ-শাফিয়ী, তাঁর সামনে মক্কায় ৪৭২ হিজরী সনের জুমাদাল আখিরা মাসে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন ফিরাস আল-আবক্বাসী আল-মাক্কী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাবীলী আল-মাক্কী, ৩২১ হিজরী সনের জিলহজ মাসে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন: বনু হাশেমের মুক্তদাস আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আযহার আল-মাক্কী, যিনি ইবনে যানবুর নামে পরিচিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, তিনি সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেহারার দিক থেকে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর ছিলেন, হাতের তালুর বিবেচনায় মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল ছিলেন এবং হৃদয়ের দিক থেকে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী ছিলেন। একদিন মদিনাবাসী আতঙ্কিত হয়ে বের হলেন, তখন তিনি আবু তালহার একটি জিনহীন ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়ে পড়লেন। অতঃপর তিনি ফিরে এসে বললেন: তোমরা ভয় পেয়ো না, তোমরা ভয় পেয়ো না। এরপর তিনি বললেন: আমি এটিকে (ঘোড়াটিকে) সমুদ্রের মতো [দ্রুতগামী] পেয়েছি।)

ইমাম বুখারী এটি জিহাদ অধ্যায়ে আহমাদ বিন আব্দুল মালিক, সুলাইমান বিন হারব এবং কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং জিহাদ ও আদব অধ্যায়ে আমর বিন আউন থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ফাদাইল অধ্যায়ে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, সাঈদ বিন মানসুর, আবু আর-রাবী এবং আবু কামিল থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি জিহাদ অধ্যায়ে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন যানবুর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনে মাজাহ এটি জিহাদ অধ্যায়ে আহমাদ বিন আবদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা দশজনই হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি একটি মুয়াফাকাত (উচ্চস্তরের সনদসূত্রীয় মিল) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

পৃষ্ঠা ৩ (ক)

যা ইবনে যানবুর-এর সূত্রে ইমাম নাসাঈর জন্য উচ্চস্তরের। মনে হচ্ছে যেন আমি এটি আবু যুরআহ তাহির বিন মুহাম্মদ আল-মাকদিসী থেকে শুনেছি, যাঁর মৃত্যু হয়েছে হামাদানে ৫৬৬ হিজরী সনের রবিউল আউয়াল মাসের সাত তারিখ বুধবার, আর তাঁর জন্ম হয়েছিল ৪8১ হিজরী সনে রাই নামক স্থানে। এটি ইমাম বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহর জন্য একটি উচ্চস্তরের ‘বাদাল’ (বিকল্প উচ্চতর সনদ)। এটি সেই নবস্তরীয় (তুসায়িয়্যাত) হাদীসগুলোর অন্তর্ভুক্ত যা আমাদের নিকট দুই স্তরের উচ্চতাসহ ‘মুয়াফাকাত’ হিসেবে পৌঁছেছে।

আমাদের নিকট ইমাম বুখারীর সাথে মুয়াফাকাত হিসেবে সুলাইমান বিন হারব আল-আযদী আল-ওয়াশিহী আল-বাসরী, যিনি মক্কার কাযী ছিলেন, তাঁর সূত্রেও পৌঁছেছে। আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন আবু আলী মানসুর বিন সানাদ বিন মানসুর বিন আদ-দামাগ, আলেকজান্দ্রিয়ায় তাঁর সামনে আমার দ্বিতীয়বার পাঠের সময়। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিয, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি আস-সাগার নামক স্থানে তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন দাউদ বিন সুলাইমান বিন দাউদ আল-ওয়াকীল। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আল-ফাদল বিন শাহরিয়ার আল-মুয়াদ্দিল। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আইয়ুব বিন ইয়াহইয়া বিন আদ-দুরাইস। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম, সবচেয়ে দানশীল এবং সবচেয়ে সাহসী ছিলেন।)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٤)
الحديث الثاني

أخبرنا علي بن الحسين بن علي النجار قراءةً عليه، عن أحمد بن محمد بن عبد العزيز الهاشمي قال: أنبأ الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن الشافعي قال: أنبأ أحمد بن إبراهيم بن أحمد الفراسي قال: أنبأ محمد بن إبراهيم بن عبد الله بن أبي الفضل قال:

ق 3 (ب)

ثنا أبو صالح محمد بن أبي الأزهر الهاشمي، ثنا إسماعيل بن جعفر المدني، أخبرني عبد الله بن دينار، عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من كان حالفاً فلا يحلف إلا بالله ، وكانت قريش تحلف بآبائها، فقال: لا تحلفوا بآبائكم)

رواه البخاري في أيام الجاهلية عن قتيبة. ورواه مسلم في الأيمان والنذور عن يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن حجر، أربعتهم عن أبي إبراهيم إسماعيل بن جعفر بن أبي كثير قارئ أهل المدينة أخي محمد ويحيى وكثير ويعقوب بني جعفر، قدم بغداد وكان مؤدباً بها لعلي بن المهدي المعروف بابن ريطة، لم يزل بها حتى مات سنة ثمانين ومائة فوقع بدلاً للبخاري ومسلم، ورواه مسلم أيضاً عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد، أبيه، عن جده، عن عقيل، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم. فباعتبار العدد إلى النبي صلى الله عليه وسلم كأني سمعته من مسلم وصافحته به، وكانت وفاة مسلم عشية الأحد لخمس أو لست بقين من رجب سنة إحدى وستين ومائتين، ومات البخاري قبله ليلة السبت يوم الفطر سنة ست وخمسين ومائتين، وابن ماجة في رمضان سنة ثلاث وسبعين ومائتين، وأبو داود في شوال سنة خمس وسبعين ومائتين،والترمذي في رجب

ق 4 (أ)

سنة سبع وسبعين ومائتين، والنسائي في صفر سنة ثلاث وثلاثمائة.
দ্বিতীয় হাদীস

আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী আন-নাজ্জার আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয আল-হাশিমী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শাফেয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আহমাদ আল-ফারাসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবিল ফজল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

পৃষ্ঠা ৩ (খ)

আবু সালিহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আযহার আল-হাশিমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসমাঈল বিন জাফর আল-মাদানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন দীনার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুর শপথ না করে। কুরাইশরা তাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করত, তাই তিনি বললেন: তোমরা তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করো না।)

বুখারী এটি 'আইয়ামে জাহিলিয়্যাহ' অধ্যায়ে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মুসলিম এটি 'ঈমান ও মানত' অধ্যায়ে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, কুতাইবা এবং ইবনে হাজার থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা চারজনই মদীনার অধিবাসী কারী আবু ইবরাহীম ইসমাঈল বিন জাফর বিন আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি মুহাম্মদ, ইয়াহইয়া, কাসীর এবং ইয়াকুব বিন জাফরের ভাই। তিনি বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানে আলী বিন আল-মাহদী (যিনি ইবনে রাইতাহ নামে পরিচিত ছিলেন) এর শিক্ষক ছিলেন। তিনি একশত আশি হিজরিতে মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন, ফলে তিনি বুখারী ও মুসলিমের (উচ্চস্তরের বর্ণনাকারী বা বদল হিসেবে) স্থলাভিষিক্ত হন। মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ, তাঁর পিতা, তাঁর দাদা, উকাইল, যুহরী এবং সালিমের মাধ্যমে তাঁর পিতা উমর বিন আল-খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে। সুতরাং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে বিবেচনা করলে মনে হয় যেন আমি এটি স্বয়ং মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছি এবং এ হাদীসের সাথে তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। ইমাম মুসলিমের মৃত্যু হয়েছিল দুইশত একষট্টি হিজরির রজব মাস শেষ হওয়ার পাঁচ বা ছয় দিন বাকি থাকতে রবিবার সন্ধ্যায়। ইমাম বুখারী তাঁর আগে দুইশত ছাপ্পান্ন হিজরির ঈদুল ফিতরের রাতে শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে মাজাহ দুইশত তিয়াত্তর হিজরির রমজান মাসে, আবু দাউদ দুইশত পঁচাত্তর হিজরির শাওয়াল মাসে এবং তিরমিযী রজব মাসে

পৃষ্ঠা ৪ (ক)

দুইশত ৭৭ হিজরিতে এবং নাসাঈ তিনশত তিন হিজরির সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٥)
الحديث الثالث

قرأت على الشيخين العالمين الحنبليين أبي المظفر وأبي عبد الله محمد بن أبي البدر مقبل بن فتيان بن مطر النهرواني المحتد البغدادي الدار والمولد الفقيه المعروف بابن المنى، وأبي محمد إبراهيم بن أبي الثناء محمود بن سالم بن مهدي البغدادي الأزجي المقرئ المعروف بابن الخير منفردين ببغداد في الرحلة الأولى قلت لكل واحد مهما: أخبرتك الجهة العالمة الكاتبة فخر النساء شهدة بنت الشيخ أبي نصر أحمد بن الفرج بن عمر الأبري الدينوري قراءةً عليها وأنت تسمع فأقر به وقال: نعم (ح) وقرأت ببغداد أيضاً على أبي الحسن علي بن عبد اللطيف بن يحيى بن علي بن خطاب الدينوري البغدادي الخيمي، وعلى أبي القاسم علي بن أبي غالب هبة الله بن عبد الله بن محمد السامري، وعلى أبي صالح محمد بن أبي الحسن بن أبي بكر بن صالح الدقاق، عن شهدة (ح) وشافهني العدل أبو الفرج عبد اللطيف بن أبي السعادات المبارك بن أبي محمد المبارك بن أبي السعادات المبارك بن عبيد الله بن هبة الله النهرواني المحتد البغدادي الدار والمولد، وأم محمود زاهدة بنت المظفر بن إبراهيم بن محمد بن البرني، وأبو الفضل

ق 4 (ب)

إسماعيل بن أحمد بن الحسين بن محمد بن أحمد الأواني المحتد الدمشقي الدار والمولد، أبو القاسم بن أبي الحرم الطرابلسي، وأبو المعالي بن أبي الحسن القرشي، كلهم عن زهدة (ح) وأخبرنا أحمد بن المفرج الدمشقي قراءةً عليه بها، وعجيبة بنت محمد البغدادية كتابةً، عن شهدة ، وأم عتب تجني بنت عبد الله الوهبانية، قالتا: أخبرنا الشريف نقيب النقباء أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي العباسي الزينبي قراءةً عليه ونحن نسمع (ح) وقرأت على أبي العباس بن أبي الفتح بدمشق، عن العدل أبي عبد الله محمد بن عبد الله بن العباس الحراني قال: أنبأ أبو الحسن هبة الله بن عبد الرزاق بن محمد بن عبد الله بن الليث الأشهلي، وكان يأخذ على جزء هلال الحفار ديناراً صحيحاً (ح) وأخبرنا أبو محمد الحسن بن أبي الفضائل الفقيه، وأبو الحسن بن أبي الفتح الصوفي، وأبوا القاسم الأنصاريان حمزة بن عمر بن عتيق بن أوس الغزال، وعبد الله بن الحسين بن عبد الله الحموي، وأبو إبراهيم محمد بن عبد الرحمن بن عبد الله بن الجباب بالفسطاط والإسكندرية وحلب، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الفقيه قراءةً عليه ونحن نسمع بالثغر، أنبأ أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد بن أحمد بن محمود الثقفي قراءةً عليه في سنة ثماني وثمانين وأربعمائة بأصبهان في الأول من فوائده، قالوا: أنبأ أبو الفتح

ق 5 (أ)

هلال بن محمد بن جعفر بن سعدان قراءةً عليه ونحن نسمع، قال الثقفي في شهر ربيع الآخر سنة ثلاث عشرة وأربعمائة قال: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن يحيى بن عياش القطان قراءةً عليه في رجب سنة اثنتين وثلاثين وثلاثمائة قال: أنبأ أبو الأشعث أحمد بن المقدام العجلي يوم الاثنين لست خلون من شوال سنة تسع وأربعين ومائتين قال: ثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما (أن رجلاً أتى المسجد والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب الجمعة، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: أصليت يا فلان؟ قال: لا، قال: قم فاركع)

رواه البخاري عن أبي النعمان. ومسلم عن قتيبة، وأبي الربيع. وأبو داود عن سليمان بن حرب. والترمذي والنسائي عن قتيبة، جميعاً عن حماد بن زيد. فوقع بدلاً للبخاري ومسلم وأبي داود والترمذي والنسائي. ورواه البخاري ومسلم أيضاً وابن ماجة من حديث ابن عيينة، عن عمرو، عن أبي عبد الله جابر بن عبد الله بن عمرو بن حرام بن ثعلبة بن حرام بن كعب بن غنم بن كعب بن سلمة بكسر اللام، أخي أدي رهط معاذ بن جبل ابني سعد بن علي بن أسد بن سادة بن تزيد بالتاء المنقوطة من فوق، أخي غضب بفتح الغين المعجمة رهط بياضة وزريق ابني عامر بن زريق بن عبد حارثة

ق 5 (ب)

ابن مالك بن غضب ابني جشم بن الخزرج. ورواه مسلم أيضاً عن أبي بكر، ويعقوب الدورقي، عن إسماعيل بن علية، عن أيوب، عن عمرو. وعن محمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، عن عمرو. وعن بندار، عن غندر، عن شعبة، عن عمرو. ورواه النسائي أيضاً عن محمد بن عبد الأعلى، عن خالد، عن شعبة، عن عمرو. وعن إبراهيم بن الحسن، ويوسف بن سعيد، عن حجاج، عن ابن جريج، عن عمرو. فكأني من طريق أيوب وشعبة وابن جريج، سمعته من عبد الغافر بن محمد الفارسي في طريق مسلم، ومن عبد الرحمن بن حمد الدوني في طريق النسائي، وكانت وفاة الفارسي في سنة ثماني وأربعين وأربعمائة، ووفاة الدوني سنة إحدى وخمسمائة، ولله الحمد والمنة.
তৃতীয় হাদীস

আমি দুই হাম্বলী আলিম শায়খদের নিকট পাঠ করেছি: আবু আল-মুজাফ্ফর এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবিল বদর মুকবিল বিন ফিতইয়ান বিন মাতার আন-নাহরওয়ানী আল-মুহতিদ আল-বাগদাদী আদ-দার ওয়াল-মাওলিদ (বাগদাদে জন্ম ও বাসস্থান), যিনি ইবনুল মুন্না নামে পরিচিত ফকীহ; এবং আবু মুহাম্মদ ইবরাহীম বিন আবিল সানা মাহমুদ বিন সালিম বিন মাহদী আল-বাগদাদী আল-আযজী আল-মুকরী, যিনি ইবনুল খায়র নামে পরিচিত। তাদের উভয়ের নিকট পৃথকভাবে বাগদাদে আমার প্রথম সফরের সময় আমি তাদের প্রত্যেকের উদ্দেশ্যে বলেছি: বিদুষী নারী লেখক ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে শায়খ আবু নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমার আল-আবরী আদ-দীনাওয়ারী কি আপনাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আপনি তা শুনেছেন? তখন তিনি তা স্বীকার করলেন এবং বললেন: হ্যাঁ। (হা) এবং আমি বাগদাদে আরও পাঠ করেছি আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুল লতিফ বিন ইয়াহইয়া বিন আলী বিন খাত্তাব আদ-দীনাওয়ারী আল-বাগদাদী আল-খাইমীর নিকট; এবং আবুল কাসিম আলী বিন আবি গালিব হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সামারীর নিকট; এবং আবু সালিহ মুহাম্মদ বিন আবিল হাসান বিন আবি বকর বিন সালিহ আদ-দাক্কাক এর নিকট, তিনি শুহদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। (হা) এবং ন্যায়নিষ্ঠ আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আবিল সাআদাত আল-মুবারক বিন আবি মুহাম্মদ আল-মুবারক বিন আবিল সাআদাত আল-মুবারক বিন উবাইদুল্লাহ বিন হিবাতুল্লাহ আন-নাহরওয়ানী আল-মুহতিদ আল-বাগদাদী আদ-দার ওয়াল-মাওলিদ আমাকে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন; এবং উম্মু মাহমুদ যাহিদা বিনতে আল-মুজাফ্ফর বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আল-বারনী; এবং আবু আল-ফাদল

পৃষ্ঠা ৪ (খ)

ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-আওয়ানী আল-মুহতিদ আদ-দিমাশকী আদ-দার ওয়াল-মাওলিদ, আবুল কাসিম বিন আবিল হারাম আত-তরাবুলসী এবং আবুল মাআলী বিন আবিল হাসান আল-কুরায়শী, তারা সকলে যাহিদা থেকে বর্ণনা করেছেন। (হা) এবং আহমাদ বিন আল-মুফাররাজ আদ-দিমাশকী সেখানে আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন এবং আজীবা বিনতে মুহাম্মদ আল-বাগদাদিয়া লিখিতভাবে শুহদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং উম্মু উতব তুজনা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়া, তারা দুজনেই বলেছেন: শরীফ নাকীবুন নুকালা আবু আল-ফাওয়ারিস ত্বরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-আব্বাসী আয-যাইনাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যখন তার সামনে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমরা শুনছিলাম। (হা) এবং আমি দামেস্কে আবুল আব্বাস বিন আবিল ফাতহ এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি ন্যায়নিষ্ঠ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আব্বাস আল-হাররানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-লাইস আল-আশহালী; আর তিনি হিলাল আল-হাফ্ফারের পাণ্ডুলিপি পাঠ করার জন্য একটি পূর্ণ দিনার নিতেন। (হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকীহ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আবিল ফাদায়িল, আবু আল-হাসান বিন আবিল ফাতহ আস-সুফী, আনসারীদ্বয় আবুল কাসিম হামযা বিন উমার বিন আতীক বিন আওস আল-গায্যাল এবং আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-হামাবী, এবং আবু ইবরাহীম মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-জাব্বাব ফুসতাত, আলেকজান্দ্রিয়া ও আলেপ্পোতে, তারা বলেছেন: ফকীহ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যখন সীমান্ত এলাকায় তার সামনে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমরা তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন মাহমুদ আস-সাকাফী ৪৮৮ হিজরীতে ইসফাহানে তার 'ফাওয়াইদ' এর প্রথম অংশে তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ

পৃষ্ঠা ৫ (ক)

হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যখন তার সামনে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমরা শুনছিলাম। আস-সাকাফী ৪১৩ হিজরীর রবিউস সানি মাসে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান ৩৩২ হিজরীর রজব মাসে তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আল-اشআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলী ২৪৯ হিজরীর শাওয়াল মাসের ছয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সোমবার দিন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল এমতাবস্থায় যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: হে অমুক, তুমি কি সালাত আদায় করেছ? সে বলল: না। তিনি বললেন: দাঁড়াও এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করো)।

এটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী আবু আন-নুমান থেকে; ইমাম মুসলিম কুতাইবা ও আবুল রাবী থেকে; আবু দাউদ সুলাইমান বিন হারব থেকে; এবং তিরমিযী ও নাসাঈ কুতাইবা থেকে, তারা সকলে হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে। ফলে এটি বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈর জন্য উচ্চপর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম বুখারী, মুসলিম ও ইবনে মাজাহ এটি ইবনে উয়াইনার হাদীস থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ জাবির বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন হারাম বিন সালাবা বিন হারাম বিন কা'ব বিন গানম বিন কা'ব বিন সালামাহ (লাম বর্ণে কাসরা সহ) থেকে বর্ণনা করেছেন; যিনি আদি-র ভাই এবং মুআয বিন জাবালের গোত্রভুক্ত, যিনি সা'দ বিন আলী বিন আসাদ বিন সাদা বিন তাযীদ (উপরের দুই নুকতাওয়ালা 'তা' যোগে) এর বংশধর, যিনি গদব (জবরযুক্ত গাইন বর্ণ সহ) এর ভাই এবং বায়াদাহ ও যুরাইক এর গোত্রভুক্ত, যারা আমির বিন যুরাইক বিন আব্দ হারিষা

পৃষ্ঠা ৫ (খ)

বিন মালিক বিন গদব বিন জুশাম বিন আল-খাযরাজ-এর বংশধর। ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর এবং ইয়াকুব আদ-দাওরাকী থেকেও বর্ণনা করেছেন, তারা ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আমর থেকে। এবং মুহাম্মদ বিন রাফি ও আবদ বিন হুমাইদ থেকে, তারা আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আমর থেকে। এবং বুন্দার থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আমর থেকে। ইমাম নাসাঈও এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আ'লা থেকে, তিনি খালিদ থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আমর থেকে। এবং ইবরাহীম বিন আল-হাসান ও ইউসুফ বিন সাঈদ থেকে, তারা হাজ্জাজ থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আমর থেকে। ফলে আইয়ুব, শু'বাহ এবং ইবনে জুরাইজের সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টি এমন যেন আমি এটি মুসলিমের সূত্রে আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসীর নিকট থেকে এবং নাসাঈর সূত্রে আব্দুর রহমান বিন হামাদ আদ-দুনীর নিকট থেকে শুনেছি। আল-ফারিসীর মৃত্যু হয়েছিল ৪৪৮ হিজরীতে এবং আদ-দুনীর মৃত্যু হয়েছিল ৫০১ হিজরীতে। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ কেবল আল্লাহরই প্রাপ্য।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٦)
الحديث الرابع

قرأت على الشيخ الصالح المعمر أبي العزائم عيسى بن سلامة بن سالم بحران، وعلى أبي محمد إبراهيم بن محمود بن سالم بن مهدي ببغداد، وعلى صفية بنت عبد الوهاب بن علي بن الخضر بحماه، وعلى أبي العباس أحمد بن المفرج بن علي بدمشق، قال عيسى وإبراهيم أنبأ أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان الحاجب المعروف بابن البطي إجازة، وقالت صفية: أنبأ أبو الحسن علي بن عبد الرحمن بن أحمد بن محمد بن رافع المعروف

ق 6 (أ)

والده بابن تاج القراء إذناً، قال أبو العباس: أنبأ ابن البطي، وابن تاج القراء كتابةً، قالا: أنبأ أبو عبد الله مالك بن أحمد بن علي البانياسي قال: أنبأ أبو الحسن أحمد بن محمد بن موسى بن القاسم بن الصلت المُجَبِّر قال: ثنا أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى بن محمد بن إبراهيم الإمام بن محمد بن علي بن عبد الله بن العباس إملاءً قال: ثنا أبو مصعب، عن مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك يقول: (إن خياطاً دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى طعام صنعه، قال أنس: فذهبت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقرب إليه خبزاً من شعير ومرقاً فيه دباء وقديد، قال أنس: فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء في حروف الصحفة، قال: فلم أزل أحب الدباء من ذلك اليوم) .

رواه البخاري في البيوع عن عبد الله بن يوسف، والقعنبي، وفي الأطعمة عن قتيبة، وأبي نعيم، وإسماعيل. ورواه مسلم والترمذي والنسائي جميعاً عن قتيبة. ورواه أبو داود عن القعنبي خمستهم، عن أبي عبد الله مالك بن أنس بن مالك بن أبي عامر نافع بن عمرو بن الحارث بن عثمان بن جثيل بن عمرو بن الحارث ذي أصبح. فوقع لنا بدلاً للبخاري ومسلم

ق 6 (ب)

وأبو داود والترمذي والنسائي رحمة الله عليهم.
চতুর্থ হাদিস

আমি পাঠ করেছি পুণ্যবান দীর্ঘজীবী শায়খ আবুল আযাইম ঈসা বিন সালামাহ বিন সালিম হাররানি-র নিকট, এবং বাগদাদে আবু মুহাম্মদ ইবরাহিম বিন মাহমুদ বিন সালিম বিন মাহদীর নিকট, এবং হামাতে সফিয়্যাহ বিনতে আবদুল ওয়াহহাব বিন আলি বিন খুদরের নিকট, এবং দামেস্কে আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুফাররিজ বিন আলির নিকট। ঈসা ও ইবরাহিম বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবদুল বাকি বিন আহমদ বিন সুলাইমান আল-হাজিব, যিনি ইবনুল বাত্তি নামে পরিচিত, ইজাযতসূত্রে। সফিয়্যাহ বলেন: আমাকে অনুমতি দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন রাফি, যিনি পরিচিত

পৃষ্ঠা ৬ (ক)

তাঁর পিতার মাধ্যমে ইবনে তাজুল কুররা নামে। আবুল আব্বাস বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল বাত্তি এবং ইবনে তাজুল কুররা লিখিতভাবে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মালিক বিন আহমদ বিন আলি আল-বানিয়াসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন কাসিম বিন সালত আল-মুজাব্বির। তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আবদুল সামাদ বিন মুসা বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-ইমাম বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আবদুল্লাহ বিন আব্বাস। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব, মালিক থেকে, তিনি ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিককে বলতে শুনেছেন: (এক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর প্রস্তুতকৃত খাবারের দাওয়াত দিলেন। আনাস বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে গেলাম। তিনি তাঁর সামনে যবের রুটি এবং কদু ও শুকানো গোশত সম্বলিত ঝোল পেশ করলেন। আনাস বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পেয়ালার চারপাশ থেকে কদু খুঁজে নিতে দেখলাম। তিনি বলেন: সেদিন থেকেই আমি সর্বদা কদু পছন্দ করি)।

এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন ‘ক্রয়-বিক্রয়’ অধ্যায়ে আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ ও আল-কা’নাবি থেকে, এবং ‘খাদ্যদ্রব্য’ অধ্যায়ে কুতাইবা, আবু নুয়াইম ও ইসমাইল থেকে। ইমাম মুসলিম, তিরমিজি ও নাসাঈ সকলেই এটি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন আল-কা’নাবি থেকে। তাঁরা পাঁচজনই বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মালিক বিন আনাস বিন মালিক বিন আবি আমির নাফি বিন আমর বিন হারিস বিন উসমান বিন জুসাইল বিন আমর বিন হারিস যি আসবাহ থেকে। ফলে এটি আমাদের নিকট বুখারি ও মুসলিম,

পৃষ্ঠা ৬ (খ)

আবু দাউদ, তিরমিজি এবং নাসাঈ—আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন—এর উচ্চতর বিকল্প সনদ হিসেবে গণ্য হলো।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٧)
الحديث الخامس

أخبرنا الأشياخ أبو الحسن علي بن أبي الفضائل هبة بن سلامة بن المسلم بن أحمد بن علي اللخمي الفقيه الخطيب الشافعي المصري قراءةً عليه غير مرة بمنزله بالفسطاط بزقاق بني جمح أخي سهم ابني عمرو بن مصيص، وأبو محمد عبد الوهاب بن ظافر بن علي بن فتوح بن الحسين بن إبراهيم، وأبو القاسم عبد الرحمن بن مكي بن عبد الرحمن المالكيان بالإسكندرية في الرحلة الثانية قراءةً وسماعاً، وكتب إلينا العلامة أبو الحسن علي بن محمد بن عبد الصمد بن عبد الأحد بن عبد الغالب السخاوي من دمشق، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الأصبهاني الحافظ قراءةً عليه ونحن نسمع بالثغر في تواريخ مختلفة قال: أنبأ السلار الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد علاون الكرجي، قدم علينا أصبهان سنة إحدى وتسعين وأربعمائة وفيها مات، أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري بنيسابور قال: ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف الأصم (ح) وأخبرنا أبو القاسم بن أبي السعود

ق 7 (أ)

ابن أبي القاسم البغدادي قراءةً عليه عوداً على بدء قال: أخبرتنا أم عتب تجني بنت عبد الله الوهبانية قراءةً عليها ونحن نسمع ببغداد قالت: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن أحمد بن محمد بن طلحة النعالي قراءةً عليه ونحن نسمع قال: أنبأ أبو الحسن محمد بن أحمد بن محمد بن رزقويه قال: أنبأ أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار قراءةً عليه في سنة ثماني وثلاثين وثلاثمائة، قالا: أنبأ أبو يحيى زكريا بن يحيى بن أسد المروزي ببغداد قال: ثنا سفيان، عن الزهري، عن أنس بن مالك قال: (سقط رسول الله صلى الله عليه وسلم من فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا عليه نعوده، فحضرت الصلاة، فصلى قاعداً فصلينا قعوداً، فلما قضى الصلاة، قال: إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا كبر فكبروا، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا قال سمع الله لمن حمده، فقولوا ربنا ولك الحمد، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا صلى قاعداً فصلوا قعوداً أجمعون)

وأخبرناه أبو محمد بن أبي المنصور أيضاً بقراءتي عليه بالثغر قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الفقيه قال: أنبأ أبو الحسن مكي بن منصور قال: أنبأ أبو بكر أحمد بن الحسن القاضي قال، ثنا حاجب بن أحمد الطوسي

ق 7 (ب)

قال: ثنا عبد الرحيم هو ابن منيب قال: ثنا سفيان، عن الزهري، سمع أنس يقول: (سقط رسول الله صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش شقه الأيمن فأتيناه نعوده فحضرت الصلاة فصلى قاعداً وصلينا قعوداً، فلما قضينا الصلاة، قال: إنما الإمام ليؤتم به، إذا كبر فكبروا، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا قال سمع الله لمن حمده، فقولوا ربنا ولك الحمد، وإذا صلى قاعداً فصلوا قعوداً أجمعون) .

رواه البخاري في الصلاة عن علي بن المديني، وأبي نعيم. ورواه مسلم عن أبي بكر، والناقد، ويحيى بن يحيى، وقتيبة، وزهير بن حرب، وأبي كريب. ورواه النسائي عن هناد بن السري. ورواه ابن ماجة عن هشام بن عمار، عشرتهم عن سفيان بن عيينة، فوقع بدلا للبخاري ومسلم والنسائي وابن ماجة من الوجهين جميعاً. ورواه أبو داود من حديث مالك، والترمذي من حديث الليث بن سعد، وقد اتفقا عليه أيضاً من حديث يونس والليث ومالك. وانفرد به البخاري من حديث شعيب. وانفرد به مسلم من حديث معمر، ستتهم عن الزهري. ورواه أيضاً حميد، عن أبي حمزة أنس بن مالك بن النضر بن ضمضم بن زيد بن حرام

ق 8 (أ)

بن جندب بن عامر بن غنم بن عدي بن النجار، ووقع لنا بدلاً تساعياً أيضاً.

أخبرناه أبو الحجاج الحافظ قال: أنبأ أبو سعيد بن أبي الرجاء بن أبي الفتح الداراني، أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، ثنا أبو نعيم الحافظ، ثنا أبو بكر أحمد بن يوسف بن خلاد، ثنا الحارث بن أبي أسامة، ثنا يزيد بن هارون، أنبأ حميد الطويل، عن أنس بن مالك: (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سقط عن فرسه فجحش شقه أو فخذه، وآلى من نساءه شهراً فجلس في مشربة له درجها من جذوع، فأتاه أصحابه يعودونه، قال: فصلى بهم جالساً وهم قيام، فلما سلم قال: إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا، وإذا ركع فاركعوا، وإذا سجد فاسجدوا، وإن صلى قائماً فصلوا قياماً، وإن صلى قاعداً فصلوا قعوداً، ونزل لتسع وعشرين، فقالوا: يا رسول الله، إنك آليت شهراً، قال: إن الشهر تسع وعشرون)

رواه البخاري في الصلاة عن محمد بن عبد الرحيم صاعقة، عن يزيد بن هارون فوقع بدلاً له، ورواه أيضاً في الملازمة من حديث مروان بن معاوية، عن حميد، وفي الصوم والنذور

ق 8 (ب)

والنكاح من حديث سليمان بن بلال، عن حميد، ورواه في الطلاق نازلاً عن إسماعيل بن أبي أويس، عن أخيه، عن سليمان بن بلال، عن حميد الطويل، فكأني من هذا الوجه سمعته من أبي الحسن عبد الرحمن بن محمد الداودي البوشنجي، وكانت بها وفاته في شوال سنة سبع وستين وأربعمائة. وأخرج الترمذي والنسائي منه قصة الإيلاء فقط، وجاء في لفظ الزهري (صلينا قعوداً) ، وفي لفظ حميد (صلى بهم جالساً وهم قيام) وكلاهما صحيح لأنهم افتتحوا الصلاة قياماً فالتفت صلى الله عليه وسلم فأشار إليهم فقعدوا، وقد بين ذلك في رواية جابر وعائشة، فجودا الحديث الوارد في صحيح مسلم من حديث هشام، عن أبيه، عن عائشة قالت: (اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليه ناس من أصحابه يعودونه، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم جالساً فصلوا بصلاته قياماً، فأشار إليهم أن اجلسوا فجلسوا، فلما انصرف قال: إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا صلى جالساً فصلوا جلوساً) . ومن حديث أبي الزبير، عن جابر أنه قال: (اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلينا

ق 9 (أ)

وراءه وهو قاعد وأبو بكر يسمع الناس تكبيره، فالتفت إلينا فرآنا قياماً فأشار إلينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعوداً، فلما سلم قال: إن كدتم آنفاً تفعلون فعل فارس والروم، يقومون على ملوكهم وهم قعود، فلا تفعلوا ائتموا بأئمتكم، إن صلى قائماً فصلوا قياماً، وإن صلى قاعداً فصلوا قعوداً)
পঞ্চম হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখগণ—আবু আল-হাসান আলী বিন আবি আল-ফাদাইল হিবা বিন সালামা বিন আল-মুসলিম বিন আহমাদ বিন আলী আল-লাখমি আল-ফকীহ আল-খতীব আশ-শাফেয়ী আল-মিসরীয়, তাঁর নিকট ফুসতাতে বনী জুমাহর গলিতে—যিনি আমল বিন মাসীসের পুত্র সাহাম বিন আমরের ভাই—তাঁর বাসভবনে একাধিকবার পাঠের মাধ্যমে; এবং আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলী বিন ফুতুহ বিন আল-হুসাইন বিন ইব্রাহীম, এবং আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন মাক্কী বিন আব্দুর রহমান আল-মালিকীদ্বয় ইসকান্দারিয়াতে দ্বিতীয় সফরকালে পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে; এবং দামেস্ক থেকে আমাদের নিকট লিখেছেন আল্লামা আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল সামাদ বিন আব্দুল আহাদ বিন আব্দুল গালিব আস-সাখাওয়ী। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-আসফাহানী আল-হাফিয, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা সীমান্তে বিভিন্ন সময়ে তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আস-সাল্লার আর-রাইস আবু আল-হাসান মাক্কী বিন মানসুর বিন মুহাম্মাদ আলাওয়ান আল-কারাজী, তিনি চারশত একানব্বই হিজরীতে আমাদের নিকট আসফাহানে আগমন করেন এবং সেই বছরই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন কাযী আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আল-হিরাশী আল-হীরী নিশাপুরে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল- আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম। (সূত্রান্তর) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম বিন আবিস সাউদ

পৃষ্ঠা ৭ (ক)

বিন আবিল কাসিম আল-বাগদাদী, তাঁর নিকট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মু উতাব তাজনি বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়া, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন তালহা আন-নি'আলী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন রিযকুয়্যাহ। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার, তিনশত আটত্রিশ হিজরীতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আসাদ আল-মারওয়াযী বাগদাদে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন, ফলে তাঁর ডান পাশ জখম হলো। আমরা তাঁকে দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। সালাতের সময় উপস্থিত হলো, তিনি বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও বসে সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, বললেন: ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে অনুসরণ করার জন্য। সুতরাং সে যখন তাকবীর বলে তখন তোমরা তাকবীর বলো, সে যখন রুকু করে তখন তোমরা রুকু করো, সে যখন মাথা উঠায় তখন তোমরা মাথা উঠাও, সে যখন 'সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তখন তোমরা 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ' বলো, সে যখন সিজদাহ করে তখন তোমরা সিজদাহ করো, আর সে যখন বসে সালাত আদায় করে তখন তোমরা সকলে বসে সালাত আদায় করো।)

এবং আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ বিন আবিল মানসুরও, সীমান্তে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-ফকীহ। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হাসান মাক্কী বিন মানসুর। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান আল-কাযী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাজিব বিন আহমাদ আত-তূসী

পৃষ্ঠা ৭ (খ)

তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহীম—তিনি হলেন ইবনে মুনীব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরী থেকে, তিনি আনাসকে বলতে শুনেছেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন, ফলে তাঁর ডান পাশ জখম হলো। আমরা তাঁকে দেখতে আসলাম। সালাতের সময় উপস্থিত হলো, তিনি বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও বসে সালাত আদায় করলাম। যখন আমরা সালাত শেষ করলাম, তিনি বললেন: ইমাম তো অনুসরণের জন্যই। সে যখন তাকবীর বলে তখন তোমরা তাকবীর বলো, সে যখন রুকু করে তখন তোমরা রুকু করো, সে যখন মাথা উঠায় তখন তোমরা মাথা উঠাও, সে যখন 'সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তখন তোমরা 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ' বলো, আর সে যখন বসে সালাত আদায় করে তখন তোমরা সকলে বসে সালাত আদায় করো।)

ইমাম বুখারী এটি সালাত অধ্যায়ে আলী বিন আল-মাদিনী এবং আবু নুআইম থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর, আন-নাকিদ, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, কুতাইবা, যুহায়ের বিন হারব এবং আবু কুরাইব থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসায়ী এটি হান্নাদ বিন আস-সারী থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনে মাজাহ এটি হিশাম বিন আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁরা দশজনই সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে। ফলে এটি বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহর জন্য উভয় সূত্র থেকেই 'বদল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম আবু দাউদ এটি মালিকের হাদীস থেকে এবং তিরমিজী এটি লাইস বিন সা'দ-এর হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা ইউনুস, লাইস ও মালিকের হাদীস থেকেও এর ওপর একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারী এটি শুয়াইবের হাদীস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি মা'মারের হাদীস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন—তাঁরা ছয়জনই যুহরী থেকে। এছাড়াও এটি বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আবু হামযাহ আনাস বিন মালিক বিন আন-নাযর বিন দামদাম বিন যাইদ বিন হারাম থেকে—

পৃষ্ঠা ৮ (ক)

বিন জুনদুব বিন আমির বিন গানাম বিন আদি বিন আন-নাজ্জার; এবং এটি আমাদের নিকট 'বদল তুসায়ী' (নবম স্তরের উচ্চতর সূত্র) হিসেবে পৌঁছেছে।

আমাদের এটি জানিয়েছেন আবু আল-হাজ্জাজ আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু সাঈদ বিন আবির রাজা বিন আবিল ফাতহ আদ-দারানী। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ আল-হাদ্দাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন আবি উসামা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন হুমাইদ আত-তাবীল, আনাস বিন মালিক থেকে: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তাঁর পাশ বা ঊরু জখম হলো। তিনি তাঁর স্ত্রীদের সাথে এক মাসের জন্য ইলা (পৃথক থাকা) করলেন এবং তাঁর একটি মাশরুবাহতে (উপর তলার কামরা) অবস্থান নিলেন যার সিঁড়ি ছিল খেজুর গাছ দিয়ে তৈরি। তাঁর সাহাবীগণ তাঁকে দেখতে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি তাঁদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। যখন তিনি সালাম ফিরালেন তখন বললেন: ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে অনুসরণ করার জন্য। সুতরাং সে যখন তাকবীর বলে তোমরাও তাকবীর বলো, সে যখন রুকু করে তোমরাও রুকু করো, সে যখন সিজদাহ করে তোমরাও সিজদাহ করো। আর যদি সে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে তবে তোমরা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো, আর যদি সে বসে সালাত আদায় করে তবে তোমরাও বসে সালাত আদায় করো। তিনি উনত্রিশতম দিনে নেমে আসলেন। তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি তো এক মাসের ইলা করেছিলেন? তিনি বললেন: মাস হলো উনত্রিশ দিনে।)

ইমাম বুখারী এটি সালাত অধ্যায়ে মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহীম সা'ইকাহ থেকে, তিনি ইয়াযীদ বিন হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি তাঁর জন্য 'বদল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। তিনি এটি 'মুলাযামাহ' অধ্যায়ে মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে; এবং 'সাওম' (রোজা) ও 'নুযুর' (মানত) অধ্যায়ে—

পৃষ্ঠা ৮ (খ)

এবং 'নিকাহ' অধ্যায়ে সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি 'তালাক' অধ্যায়ে অপেক্ষাকৃত নিম্ন সূত্রে ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই থেকে, তিনি সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি হুমাইদ আত-তাবীল থেকে বর্ণনা করেছেন। যেন আমি এই সূত্রে এটি আবু আল-হাসান আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আদ-দাউদী আল-বুশাঞ্জী থেকে শুনেছি, সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল চারশত সাতষট্টি হিজরীর শাওয়াল মাসে। ইমাম তিরমিজী এবং নাসায়ী এখান থেকে শুধু ইলার ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। যুহরীর শব্দে এসেছে 'আমরা বসে সালাত আদায় করলাম', আর হুমাইদের শব্দে এসেছে 'তিনি তাঁদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন'। উভয়টিই সঠিক, কারণ তাঁরা দাঁড়িয়ে সালাত শুরু করেছিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দিকে লক্ষ্য করে ইশারা করলেন এবং তাঁরা বসে পড়লেন। জাবির ও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুমার বর্ণনায় এটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। সহীহ মুসলিমে হিশামের সূত্রে তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হাদীসটি একে আরও সুদৃঢ় করে, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হলেন, তখন তাঁর একদল সাহাবী তাঁকে দেখতে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে সালাত আদায় করলেন এবং তাঁরা তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। তিনি তাঁদের বসার ইশারা করলেন, ফলে তাঁরা বসে পড়লেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন তখন বললেন: ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে অনুসরণ করার জন্য। সুতরাং সে যখন রুকু করে তোমরাও রুকু করো, সে যখন মাথা উঠায় তোমরাও মাথা উঠাও, আর সে যখন বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে সালাত আদায় করো।)। এবং আবু যুবাইরের সূত্রে জাবির থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হলেন, আমরা সালাত আদায় করলাম—

পৃষ্ঠা ৯ (ক)

তাঁর পেছনে, আর তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু মানুষকে তাঁর তাকবীর শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে লক্ষ্য করলেন এবং আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ইশারা করলেন, ফলে আমরা বসে পড়লাম এবং তাঁর সালাতের সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাম ফিরালেন, তখন বললেন: তোমরা এইমাত্র প্রায় পারস্য ও রোমানদের মতো কাজ করছিলে, তারা তাদের রাজাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে অথচ রাজারা বসে থাকে। তোমরা এমন করো না; তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করো। যদি সে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে তবে তোমরা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো, আর যদি সে বসে সালাত আদায় করে তবে তোমরাও বসে সালাত আদায় করো।)।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٨)
الحديث السادس

قرأت على الشيخة الصالحة ست العشير أم حمزة صفية بنت أبي محمد عبد الوهاب بن علي بن الخضر بن عبد الله بن علي القرشية الأسدية الزبيرية الدمشقية بمنزلها بسوق الأعلى من حماة بمحضر من ولدها قاضي القضاة أبي يعلي حمزة بن محمد بن الحسين البهراني، عن أبي الفرج مسعود بن الحسن بن القاسم بن الفضل بن أحمد بن أحمد بن محمود بن عبد الله بن إبراهيم الثقفي، والإمام المفتي أبي عبد الله الحسن بن العباس بن علي الرستمي، وأبي الحسن علي بن أحمد بن محمد اللباد، وأبي الغنائم محمد بن عبد المؤمن بن هبة الله بن أحمد، وأبي القاسم محمود بن عبد الكريم بن علي بن محمد بن إبراهيم التاجر المعروف بفورجه، قال الرستمي، ثنا أبو عيسى عبد الرحمن بن محمد بن عبد الرحمن بن زياد

ق 9 (ب)

، وأبو الفضل المطهر بن عبد الواحد بن محمد بن عبد الله بن محمد بن عبد الله بن الفضل بن الربيع البزاني، قال الثقفي: أنبأ زياد المذكور. وقال الباقون: أنبأ أبو بكر محمد بن أحمد بن الحسين بن ماجة الأبهري، قالوا: أنبأ أبو جعفر أحمد بن محمد بن المزربان الأبهري قال: أنبأ أبو جعفر محمد بن إبراهيم بن يحيى بن الحكم الجزوري قال: ثنا أبو جعفر محمد بن سليمان بن حبيب المصيصي الملقب بلوين قال: ثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك قال: (رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم على عبد الرحمن بن عوف صفرة، فقال: ما هذا؟ قال: يا رسول الله، إني تزوجت امرأة على وزن نواة من ذهب، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: أولم ولو بشاة) قال لوين: الوقية أربعون، والنش عشرون، والنواة وزن خمسة.

رواه البخاري في النكاح عن سليمان، وفي الدعوات عن مسدد. ورواه مسلم عن يحيى بن يحيى، والزهراني، وقتيبة. ورواه الترمذي عن قتيبة. وابن ماجة عن أحمد بن عبدة، ستتهم عن حماد بن زيد، فوقع بدلاً للبخاري ومسلم والترمذي وابن ماجة. ورواه أبو داود من حديث حماد بن سلمة، عن ثابت، وحميد، عن أنس، ورواه النسائي عن أبي بكر، عن بهز، عن حماد بن سلمة، عن ثابت وحده، فكأني

ق 10 (أ)

سمعته من عبد الرحمن بن حمد الدوني وكانت وفاته في سنة إحدى وخمسمائة، ولله الحمد والمنة.
ষষ্ঠ হাদীস

আমি পুণ্যবতী শাইখা সিত্তুল আশীর উম্মু হামযাহ সাফিয়্যাহ বিনতে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী বিন আল-খিদর বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-কুরাইশিয়্যাহ আল-আসাদিয়্যাহ আয-যুবাইরিয়্যাহ আদ-দিমাশকিয়্যাহর নিকট হামাতের সুকুল আ‘লা-তে অবস্থিত তাঁর নিজ গৃহে পাঠ করেছি; তখন তাঁর পুত্র প্রধান বিচারপতি আবু ইয়ালা হামযাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আল-বাহরানী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি (সাফিয়্যাহ) বর্ণনা করেন আবু আল-ফারাজ মাসউদ বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহীম আস-সাকাফী, ইমাম মুফতী আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান বিন আল-আব্বাস বিন আলী আর-রুসতামি, আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-লাব্বাদ, আবু আল-গানায়িম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মুমিন বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ এবং আবু আল-কাসিম মাহমুদ বিন আব্দুল কারীম বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আত-তাজির—যিনি ফুরজাহ নামে পরিচিত—তাঁদের থেকে। রুসতামি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ঈসা আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন যিয়াদ

পত্র ৯ (খ)

এবং আবু আল-ফাদল আল-মুতাহহার বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাদল বিন আর-রাবী আল-বাযানী। আস-সাকাফী বলেন: উল্লিখিত যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আর অন্যান্যেরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন মাজাহ আল-আবহারী। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুযরাবান আল-আবহারী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন ইয়াহইয়া বিন আল-হাকাম আল-জাযওয়ারী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান বিন হাবীব আল-মাসসী—যাঁর উপাধি লুওয়াইন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, সাবিত থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুর রহমান বিন আউফের শরীরে হলুদ রঙের আভা দেখতে পেলেন। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: এটি কী? তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি একটি খেজুরের আঁটির ওজন পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে একজন মহিলাকে বিবাহ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ওয়ালিমা করো, যদিও তা একটি বকরি দিয়ে হয়।) লুওয়াইন বলেন: উকিয়া হলো চল্লিশ, নাশ হলো বিশ এবং নাওয়াহ হলো পাঁচ ওজনের সমপরিমাণ।

ইমাম বুখারী এটি বিবাহ অধ্যায়ে সুলাইমান থেকে এবং দুআ অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, আয-যাহরানী এবং কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে মাজাহ এটি আহমাদ বিন আবদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁরা ছয়জনই হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ-র সনদের উচ্চস্তরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। ইমাম আবু দাউদ এটি হাম্মাদ বিন সালামাহর সূত্রে সাবিত ও হুমাইদ থেকে, তাঁরা আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি আবু বকরের সূত্রে বাহয থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে এবং তিনি এককভাবে সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন। যেন আমি

পত্র ১০ (ক)

এটি আব্দুর রহমান বিন হামাদ আদ-দুনীর নিকট থেকে শুনেছি, যাঁর মৃত্যু হয়েছিল পাঁচশত এক হিজরীতে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٩)
الحديث السابع

أخبرنا أبو الحسن بن أبي عبد الله بن أبي الحسن البغدادي قراءةً عليه بالقاهرة قال: أنبأ الشيخان الشريف أبو هاشم عيسى بن أحمد بن محمد الهاشمي الدوشاني، والعالملاة شهدة بنت أبي نصر أحمد بن الفرج بن عمر الأبري قراءةً عليهما وأنا أسمع ببغداد (ح) وأخبرنا الإمام أبو الحسن بن أبي الفضائل الشافعي الفقيه بالفسطاط قراءةً عليه قال: أخبرتنا شهدة بنت أحمد الأبري قراءةً عليها وأنا أسمع ببغداد (ح) وقرأت على أبي العباس بن أبي الفتح بدمشق، عن أبي جعفر المبارك بن علي بن خلف الكرخي،وبشارة بنت أبي السعادات مسعود بن موهب، قالوا: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن أبي القاسم علي بن أحمد بن محمد بن علي بن محمد البسري، أنبأ أبو محمد عبد الله بن يحيى بن عبد الجبار السكري قال: قرئ على أبي علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل بن صالح الصفار وأنا أسمع في المحرم سنة إحدى وأربعين وثلاثمائة قال: ثنا سعدان بن نصر، ثنا سفيان، عن أبي حازم، سمع سهل بن سعد الساعدي يقول: كنت في القوم عند النبي صلى الله عليه وسلم

ق 10 (ب)

فقامت امرأة فقالت: أنها وهبت نفسها لك فرا فيها رأيك، فقام رجل من الناس فقال: يا رسول الله، زوجنيها، فلم يرد عليه شيئاً، ثم قامت فقالت: يا رسول الله: أنها قد وهبت نفسها لك فرا فيها رأيك، فقام الرجل فقال: يا رسول الله، زوجنيها، ثم قامت الثالثة، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: هل عندك من شيء؟ فقال: لا، قال: فاذهب فاطلب، فذهب فطلب فلم يجد شيئاً، فقال: اذهب فاطلب ولو خاتماً من حديد، قال: فذهب فطلب، فقال: لم أجد شيئاً، قال: هل معك من القرآن شيء؟ قال: نعم سورة كذا وسورة كذا، قال: اذهب فقد زوجتكها على ما معك من القرآن) .

رواه البخاري عن علي بن عبد الله. ومسلم عن زهير بن حرب. والنسائي عن محمد بن عبد الله بن يزيد، ثلاثتهم عن سفيان بن عيينة. فوقع بدلاً للبخاري ومسلم والنسائي. ورواه البخاري أيضاً عن يحيى، عن وكيع. ورواه القزويني عن حفص بن عمرو الربالي، عن عبد الرحمن بن مهدي، كلاهما عن سفيان الثوري، عن أبي حازم سلمة بن دينار مختصراً. فكأني من هذه الطريق سمعته من الدارودي، ومحمد بن الحسين القزويني المقومي. وحدث المقومي بالسنن عن الخطيب أبي طالحة القاسم بن أبي المنذر القزويني سنة أربع وثمانين وأربعمائة، وكان مولده في سنة ثماني وتسعين وثلاثمائة، وحدث الخطيب بها

ق 11 (أ)

عن أبي الحسن علي بن إبراهيم القطان القزويني في سنتي ثماني، وتسع وأربعمائة
সপ্তম হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আবিল হাসান আল-বাগদাদি কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—শরিফ আবু হাশিম ঈসা বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-হাশেমি আদ-দাওশানি এবং বিদুষী শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আল-আবরি তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি বাগদাদে শুনছিলাম (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল হাসান বিন আবিল ফাদাইল আশ-শাফিয়ি আল-ফকিহ আল-ফুস্তাতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ বিনতে আহমাদ আল-আবরি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি বাগদাদে শুনছিলাম (হ) এবং আমি পাঠ করেছি আবুল আব্বাস বিন আবিল ফাতহ-এর নিকট দামেস্কে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-মুবারক বিন আলি বিন খালাফ আল-কারখি এবং বিশারাহ বিনতে আবিল সাআদাত মাসউদ বিন মাওহিব থেকে, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবিল কাসিম আলি বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ আল-বাসরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জাব্বার আস-সুক্কারি, তিনি বলেন: আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন সালিহ আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম ৩৪১ হিজরির মুহাররম মাসে, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাদান বিন নাসর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি সাহল বিন সাদ আস-সায়িদিকে বলতে শুনেছেন যে: আমি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একদল লোকের মধ্যে ছিলাম

পৃষ্ঠা ১০ (খ)

এমতাবস্থায় এক নারী দাঁড়িয়ে বললেন: তিনি নিজেকে আপনার জন্য উৎসর্গ করেছেন, সুতরাং তাঁকে নিয়ে আপনার সিদ্ধান্ত দিন। তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসুল, তাঁকে আমার সাথে বিয়ে দিন। তিনি তাকে কোনো উত্তর দিলেন না। এরপর নারীটি পুনরায় দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, তিনি নিজেকে আপনার জন্য উৎসর্গ করেছেন, সুতরাং তাঁকে নিয়ে আপনার সিদ্ধান্ত দিন। তখন সেই ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসুল, তাঁকে আমার সাথে বিয়ে দিন। এরপর তৃতীয়বারও নারীটি দাঁড়ালেন। তখন নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: তোমার কাছে (মোহর হিসেবে) দেওয়ার মতো কিছু আছে কি? সে বলল: না। তিনি বললেন: যাও, তালাশ করো। সে গেল এবং খুঁজে এসে বলল: আমি কিছুই পেলাম না। তিনি বললেন: যাও, তালাশ করো, যদিও তা লোহার একটি আংটি হয়। সে গেল এবং খুঁজে এসে বলল: আমি কিছুই পেলাম না। তিনি বললেন: তোমার কি কুরআনের কিছু মুখস্থ আছে? সে বলল: হ্যাঁ, অমুক অমুক সুরা। তিনি বললেন: যাও, তোমার কাছে থাকা কুরআনের বিনিময়ে আমি তাকে তোমার সাথে বিয়ে দিলাম।

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি—আলি বিন আব্দুল্লাহ থেকে, মুসলিম—জুহাইর বিন হারব থেকে এবং নাসায়ি—মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ থেকে; তাঁরা তিনজনই সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারি, মুসলিম ও নাসায়ির জন্য উচ্চ সনদে পরিণত হয়েছে। বুখারি এটি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে—এই সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। কাযউইনি এটি হাফস বিন আমর আর-রাবালি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন মাহদি থেকে—উভয়ে সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি আবু হাজিম সালামাহ বিন দিনার থেকে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মনে হচ্ছে এই সূত্রে আমি হাদিসটি আদ-দারুদি এবং মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-কাযউইনি আল-মাক্বুমি থেকে শুনেছি। আল-মাক্বুমি এই সুনান গ্রন্থটি বর্ণনা করেছেন খতিব আবু তালহা আল-কাসিম বিন আবিল মুনজির আল-কাযউইনি থেকে ৪৮৪ হিজরিতে। তাঁর জন্ম ছিল ৩৯৮ হিজরিতে। আর খতিব এটি বর্ণনা করেছেন

পৃষ্ঠা ১১ (ক)

আবুল হাসান আলি বিন ইব্রাহিম আল-কাত্তান আল-কাযউইনি থেকে ৪০৮ ও ৪০৯ হিজরিতে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٠)
الحديث الثامن

أخبرنا أبو القاسم يحيى بن أبي السعود نصر بن أبي القاسم بن أبي الحسن البغدادي التاجر قراءةً عليه غير مرة بمصر ودمشق وحماة، قال: أخبرتنا أم عتب تجني بنت عبد الله الوهبانية قراءةً عليها وأنا أسمع ببغداد قالت: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن أحمد بن محمد بن طلحة النعالي قراءةً عليه وأنا أسمع قال: أنبأ أبو الحسن محمد بن أحمد بن محمد بن رزقويه قراءةً عليه وأنا أسمع قال: أنبأ أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار قراءةً عليه في سنة ثماني وثلاثين وثلاثمائة (ح) وأخبرنا أبو الحسن بن أبي الفضائل الفقيه، وعبد الوهاب بن ظافر بن علي، وعبد الرحمن بن مكي بن عبد الرحمن الإسكندريان سماعاً عليهم، وأبو الحسن علي بن محمد بن عبد الصمد السخاوي كتابةً، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ قراءةً عليه ونحن نسمع، أنبأ أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي بأصبهان قال: أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري بنيسابور، ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف الأصم، قالا: ثنا أبو يحيى زكريا بن يحيى بن أسد المروزي ببغداد قال: ثنا سفيان، عن ابن المنكدر، سمع جابراً يقول: (ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم، فقلنا: لا نكنيك أبا القاسم، ولا ننعم لك عيناً فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فقال: سمي أبنك عبد الرحمن) .

ق 11 (ب)

رواه البخاري عن صدقة بن الفضل، وعبد الله بن محمد. ورواه مسلم عن الناقد، وابن نمير، أربعتهم عن سفيان بن عيينة. فوقع بدلاً لهما. ورواه مسلم أيضاً عن أمية بن بسطام، عن يزيد بن زريع، عن روح بن القاسم. وعن علي بن حجر، عن ابن علية، عن روح، عن أبي بكر محمد بن المنكدر أخي ربيعة ابني عبد الله بن الهدير بن محرز بن عبد العزى بن عامر بن الحارث بن حارثة بن سعد بن تيم بن مرة، وقيل أبو عبد الله أخو عمر وأبي بكر رضي الله عنهم، ولد أبوهم وعمهم في عهد النبي صلى الله عليه وسلم. فكأني من طريق روح سمعته من عبد الغافر بن محمد الفارسي.
অষ্টম হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ইয়াহইয়া বিন আবুস সউদ নাসর বিন আবুল কাসেম বিন আবুল হাসান আল-বাগদাদি আত-তাজির, মিসর, দামেস্ক ও হামাতে তাঁর নিকট একাধিকবার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মু উতবা তাজনি বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়া, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি; তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন তালহা আল-নি’আলি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি; তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন রিযকুয়াহ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি; তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আস-সাফফার, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে ৩৩৮ হিজরি সনে। (হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবুল ফাদায়েল আল-ফকিহ, আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলি এবং আব্দুর রহমান বিন মক্কি বিন আব্দুর রহমান আল-ইস্কান্দারি—তাঁদের থেকে শ্রবণের মাধ্যমে, এবং আবুল হাসান আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সামাদ আস-সাখাওয়ি লিখিতভাবে; তাঁরা বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-হাফিজ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করেছি; তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান মাক্কি বিন মানসুর বিন মুহাম্মাদ বিন আললান আল-কারজি আসফাহানে; তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন বিচারক আবু বকর আহমাদ বিন হাসান বিন আহমাদ আল-হারাশি আল-হাইরি নিশাপুরে; তাঁরা দুজন বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম; তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আসাদ আল-মারওয়াজি বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবিরকে বলতে শুনেছেন: (আমাদের এক লোকের একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করল এবং সে তার নাম রাখল কাসেম। তখন আমরা বললাম: আমরা তোমাকে আবু আল-কাসেম উপনামে ডাকব না এবং এ ব্যাপারে তোমার চক্ষু শীতল হতে দেব না। এরপর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম এবং তাঁর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন: তোমার পুত্রের নাম রাখো আবদুর রহমান।)

পৃষ্ঠা ১১ (খ)

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি সাদাকা বিন আল-ফাদল এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ থেকে। আর মুসলিম বর্ণনা করেছেন আন-নাক্বিদ এবং ইবনে নুমাইর থেকে—তাঁরা চারজনই সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে। ফলে এটি তাঁদের উভয়ের বর্ণনার সমপর্যায়ে পৌঁছেছে। মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন উমাইয়া বিন বিস্তাম থেকে, তিনি ইয়াযিদ বিন যুরাই থেকে, তিনি রুহ বিন আল-কাসেম থেকে। এবং আলি বিন হুজর থেকে, তিনি ইবনে উলইয়াহ থেকে, তিনি রুহ থেকে, তিনি আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, যিনি রাবিয়ার ভাই, তাঁরা উভয়ে আব্দুল্লাহ বিন আল-হুদাইর বিন মুহরিয বিন আব্দুল উযযা বিন আমির বিন আল-হারিস বিন হারিসা বিন সাদ বিন তাইম বিন মুররাহ-এর পুত্র। আর বলা হয়েছে তিনি আবু আব্দুল্লাহ, ওমর ও আবু বকরের ভাই (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন); তাঁদের পিতা ও চাচা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সুতরাং রুহ-এর সূত্রের মাধ্যমে আমি এটি যেন আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মাদ আল-ফারিসি থেকে শ্রবণ করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١١)
الحديث التاسع

أخبرنا علي بن الحسين بن علي النجار قراءةً عليه، عن أبي جعفر أحمد بن محمد بن عبد العزيز العباسي، أنبأ أبو علي الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن الشافعي، أنبأ أبو الحسن أحمد بن إبراهيم بن أحمد العبقسي، أنبأ أبو جعفر محمد بن إبراهيم بن عبد الله الدبيلي، ثنا أبو صالح محمد بن أبي الأزهر المعروف بابن زنبور قال: ثنا إسماعيل هو ابن جعفر المدني قال: ثنا عبد الله بن دينار، أنه سمع ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (إن من الشجر شجرة لا يسقط ورقها، وإنها مثل المسلم فحدثوني ما هي؟

ق 12 (أ)

فوقع الناس في شجر البوادي، قال عبد الله: ووقع في نفسي أنها النخلة فاستحييت، ثم قالوا: حدثنا يا رسول الله، ما هي؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: هي النخلة، فذكرت ذلك لعمر، فقال: لأن تكون قلت هي النخلة كان أحب إلي من كذا وكذا) .

رواه البخاري في العلم عن قتيبة. ورواه مسلم عن قتيبة، ويحيى بن أيوب، وعلي بن حجر، ثلاثتهم عن إسماعيل بن جعفر، فوقع بدلاً لهما. ورواه الترمذي في الأمثال عن إسحاق بن موسى، عن معن، عن مالك، عن ابن دينار. فكأني سمعته من القاضي أبي عامر محمود بن القاسم بن محمد الأزدي الهروي، وكانت وفاته جمادى الآخرة سنة سبع وثمانين وأربعمائة، وكان مولده في سنة أربعمائة، وتوفى شيخه عبد الجبار بن محمد الجراحي في سنة أثنتي عشرة وأربعمائة
নবম হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী আন-নাজ্জার, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-আব্বাসী থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শাফিয়ী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-আবক্বাসী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দুবাইলি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আজহার, যিনি ইবনে জাম্বুর নামে পরিচিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল—তিনি হলেন ইবনে জাফর আল-মাদানী—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দীনার যে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "গাছপালার মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা ঝরে পড়ে না, আর সেটি হলো মুমিনের উদাহরণ। তোমরা আমাকে বলো সেটি কী?"

পৃষ্ঠা ১২ (ক)

তখন লোকজন মরুভূমির বিভিন্ন গাছপালা নিয়ে ভাবতে লাগল। আব্দুল্লাহ বললেন: আমার মনে আসলো যে সেটি খেজুর গাছ, কিন্তু আমি (লজ্জায়) ইতস্তত বোধ করলাম। তারপর তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের বলুন সেটি কী? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "সেটি হলো খেজুর গাছ।" পরবর্তীতে আমি উমরকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন: "যদি তুমি বলতে যে সেটি খেজুর গাছ, তবে তা আমার কাছে অমুক অমুক জিনিসের চেয়েও বেশি প্রিয় হতো।"

বুখারী এটি 'ইলম' অধ্যায়ে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি কুতাইবা, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব এবং আলী বিন হুজর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা তিনজনেই ইসমাইল বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি তাঁদের (বুখারী ও মুসলিমের) উচ্চতর সনদের (বাদাল) সমতুল্য হয়েছে। তিরমিযী এটি 'আমসাল' অধ্যায়ে ইসহাক বিন মুসা থেকে, তিনি মা'ন থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আমি যেন এটি শুনেছি বিচারক আবু আমের মাহমুদ বিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-আজদী আল-হারাউয়ীর কাছ থেকে, যাঁর মৃত্যু হয়েছিল চারশত সাতাশি হিজরীর জমাদিউল আখের মাসে, আর তাঁর জন্ম হয়েছিল চারশত হিজরীতে, এবং তাঁর শায়খ আব্দুল জব্বার বিন মুহাম্মদ আল-জাররাহী মৃত্যুবরণ করেছিলেন চারশত বারো হিজরীতে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٢)
الحديث العاشر

أخبرنا أبو الحسن بن أبي عبد الله البغدادي قراءةً عليه، عن أحمد بن محمد بن عبد العزيز المكي، أنبأ الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن المكي، أنبأ أحمد بن إبراهيم بن أحمد المكي، أنبأ محمد

ق 12 (ب)

بن إبراهيم بن عبد الله المكي، ثنا أبو صالح محمد بن أبي الأزهر المكي، ثنا إسماعيل هو بن جعفر المدني، أنبأ عبد الله بن دينار، أنه سمع ابن عمر يقول: (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بعثاً وأمر عليهم أسامة بن زيد، فطعن بعض الناس في إمرته، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: إن تطعنوا في إمرته فقد طعنتم في إمارة أبيه من قبل، وأيم الله إن كان لخليقاً للإمارة وإن كان لمن أحب الناس إلي وإن هذا من أحب الناس إلي من بعده) .

رواه البخاري في الفضائل عن قتيبة. ورواه مسلم عن يحيى بن يحيى، وابن أيوب، وقتيبة، وابن حجر. ورواه الترمذي والنسائي عن علي بن حجر، أربعتهم عن إسماعيل بن جعفر. فوقع بدلاً للبخاري ومسلم والترمذي والنسائي. ورواه الترمذي أيضاً عن أحمد بن الحسن، عن القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن مولاه عبد الله بن عمر بن الخطاب بن نفيل بن عبد العزى بن رياح بن عبد الله بن قرط بن رزاح بن عدي بن كعب. فكأني سمعته من القاضي أبي عامر الأزدي، وساويت فيه الكروخي عبد الملك بن أبي القاسم بن أبي سهل أبي الفتح الهروي، وكان مولده بها في شهر ربيع الأول سنة اثنتين وستين وأربعمائة

ق 13 (أ)

، وتوفى بمكة مجاوراً في الحادي والعشرين من ذي الحجة سنة ثماني وأربعين وخمسمائة بعد مصدر الحج بثلاث.
দশম হাদীস

আবুল হাসান বিন আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আমাদের নিকট এটি পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মাক্কী থেকে, হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন হাসান আল-মাক্কী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-মাক্কী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

পৃষ্ঠা ১২ (খ)

বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-মাক্কী, আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবু আল-আজহার আল-মাক্কী আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল—যিনি ইবনে জাফর আল-মাদানী—আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন দিনার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী প্রেরণ করেন এবং তাদের উপর উসামা বিন যায়েদকে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। এতে কিছু লোক তার নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে বলেন: তোমরা যদি তার নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করো, তবে এর আগে তোমরা তার পিতার নেতৃত্বের ব্যাপারেও বিরূপ মন্তব্য করেছিলে। আল্লাহর কসম! তিনি অবশ্যই নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ছিলেন এবং তিনি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষদের অন্যতম ছিলেন। আর এই ব্যক্তিও (উসামা) তার পরে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষদের অন্যতম।)

ইমাম বুখারী এটি 'ফাদায়েল' অধ্যায়ে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, ইবন আইয়ুব, কুতাইবা এবং ইবন হাজার থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এবং নাসাঈ এটি আলী বিন হাজার থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা চারজনই ইসমাইল বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী এবং নাসাঈর জন্য 'বদল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম তিরমিযী এটি আহমদ বিন হাসান থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-কানবী থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি তাঁর মনিব আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব বিন নুফায়েল বিন আব্দুল উজ্জা বিন রিয়াহ বিন আব্দুল্লাহ বিন কুরত বিন রিজাহ বিন আদি বিন কাব থেকে। মনে হচ্ছে যেন আমি এটি কাজী আবু আমের আল-আজদী থেকে সরাসরি শুনেছি, এবং এর মাধ্যমে আমি আল-কারুখী আব্দুল মালিক বিন আবুল কাসিম বিন আবু সাহল আবুল ফাতহ আল-হারাভীর সমপর্যায়ে পৌঁছেছি। ৪৬২ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে সেখানে তাঁর জন্ম হয়েছিল

পৃষ্ঠা ১৩ (ক)

, এবং তিনি মক্কায় অবস্থানরত অবস্থায় ৫৪৮ হিজরীর ২১ শে জিলহজ তারিখে হজ কাফেলা প্রত্যাবর্তনের তিন দিন পর মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٣)
الحديث الحادي عشر

أخبرنا أبو محمد إبراهيم بن أبي الثناء محمود بن سالم بن مهدي ببغداد، وأبو العزائم عيسى بن سلامة بن سالم بحران، وأبو الحسن بن أبي عبد الله بن أبي الحسن بالقاهرة، عن الحاجب أبي الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سلمان البغدادي المعروف بابن البطي قراءةً، وقرأت على أم حمزة بنت أبي محمد القرشية بحماة، عن أبي الحسن علي بن عبد الرحمن بن أحمد بن محمد بن رافع المعروف والده ابن تاج القراء (ح) وأخبرنا أحمد بن المفرج بن علي بدمشق، عن ابن البطي، وابن تاج القراء، قالا: أنبأ أبو عبد الله مالك بن أحمد بن علي الفراء البانياسي المالكي، أنبأ أبو الحسن أحمد بن محمد بن موسى بن القاسم بن الصلت المُجبّر قال: ثنا أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى بن محمد بن إبراهيم الإمام الهاشمي قال: ثنا أبو مصعب، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر رضي الله عنهما أنه قال: (كنا إذا بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بايعناه على السمع والطاعة، يقول لنا: فيما استطعت)

وأخبرنا علي بن الحسين الحنبلي، عن

ق 13 (ب)

أحمد بن محمد المكي، أنبأ الحسن بن عبد الرحمن المكي، أنبأ أحمد بن إبراهيم المكي، ثنا محمد بن أبي الأزهر المكي، ثنا إسماعيل هو ابن جعفر، أنبأ عبد الله بن دينار، أنه سمع ابن عمر قال: (كنا نبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة، فيقول لنا: فيما استطعتم) .

رواه البخاري عن عبد الله بن يوسف، عن مالك. ورواه مسلم عن قتيبة، ويحيى بن أيوب، وعلي بن حجر. ورواه الترمذي والنسائي جميعاً عن علي بن حجر، ثلاثتهم عن إسماعيل بن جعفر. فوقع بدلاً للبخاري من الوجه الأول، وبدلاً لمسلم والترمذي والنسائي من الوجه الثاني. ورواه أبو داود عن حفص، عن شعبة، عن ابن دينار. ورواه النسائي أيضاً عن قتيبة، عن سفيان، عن ابن دينار. وعن الحسن بن محمد، عن حجاج، عن ابن جريج، عن موسى بن عقبة، عن ابن دينار. فكأني سمعته من القاضي أبي نصر أحمد بن الحسين بن الكسار الدينوري، وسمع الدوني منه السنن في شوال سنة ثلاث وثلاثين وأربعمائة، وكان سماعه لها من أبي بكر أحمد بن محمد بن السني في جمادى الأولى سنة ثلاث وستين وثلاثمائة.
একাদশ হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইবরাহীম বিন আবিত সানা মাহমুদ বিন সালিম বিন মাহদী বাগদাদে, এবং আবুল আযায়িম ঈসা বিন সালামাহ বিন সালিম হাররানে, এবং আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আবুল হাসান কায়রোতে—তাঁরা আল-হাজিব আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকী বিন আহমাদ বিন সালমান আল-বাগদাদী, যিনি ইবনুল বাত্তি নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; এবং আমি পাঠ করেছি হামাহ শহরে উম্মে হামযাহ বিনতে আবু মুহাম্মদ আল-কুরাশিয়্যাহর নিকট, তিনি আবুল হাসান আলী বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন রাফি হতে, যাঁর পিতা ইবনু তাজিল কুররা নামে পরিচিত ছিলেন (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-মুফাররাজ বিন আলী দামেশকে, তিনি ইবনুল বাত্তি ও ইবনু তাজিল কুররা হতে—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মালিক বিন আহমাদ বিন আলী আল-ফাররা আল-বানিয়াসী আল-মালিকী, আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মূসা বিন আল-কাসিম বিন আস-সালত আল-মুজাব্বির, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আব্দুস সামাদ বিন মূসা বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-ইমাম আল-হাশিমী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুসআব, তিনি মালিক হতে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দীনার হতে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর নিকট আনুগত্যের শপথ নিতাম, তখন শ্রবণ ও আনুগত্যের ওপর শপথ নিতাম; তিনি আমাদের বলতেন: 'তোমাদের সাধ্যানুযায়ী'।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আল-হুসাইন আল-হাম্বলী... হতে

পৃষ্ঠা ১৩ (খ)

আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মাক্কী, আমাদের অবহিত করেছেন হাসান বিন আব্দুর রহমান আল-মাক্কী, আমাদের অবহিত করেছেন আহমাদ বিন ইবরাহীম আল-মাক্কী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবিল আযহার আল-মাক্কী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাইল—যিনি ইবনে জাফর, আমাদের অবহিত করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দীনার, তিনি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর নিকট শ্রবণ ও আনুগত্যের ওপর বাইআত হতাম, তখন তিনি আমাদের বলতেন: 'তোমাদের সাধ্যানুযায়ী'।"

এটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ হতে, তিনি মালিক হতে। ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবা, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব এবং আলী বিন হুজর হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এবং নাসাঈ উভয়েই আলী বিন হুজর হতে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনই ইসমাইল বিন জাফর হতে। ফলে এটি প্রথম সূত্রের মাধ্যমে ইমাম বুখারীর এবং দ্বিতীয় সূত্রের মাধ্যমে মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈর উচ্চতর সমপর্যায়ের (বাদাল) বর্ণনায় পরিণত হয়েছে। ইমাম আবু দাউদ এটি হাফস হতে, তিনি শু'বাহ হতে, তিনি ইবনে দীনার হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি পুনরায় কুতাইবা হতে, তিনি সুফিয়ান হতে, তিনি ইবনে দীনার হতে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া হাসান বিন মুহাম্মদ হতে, তিনি হাজ্জাজ হতে, তিনি ইবনু জুরাইজ হতে, তিনি মূসা বিন উকবা হতে, তিনি ইবনে দীনার হতে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মনে হচ্ছে যেন আমি এটি কাযী আবু নাসর আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-কাসসার আদ-দিনাওয়ারীর নিকট হতে শুনেছি; আর আদ-দুনী তাঁর নিকট হতে ৪৩৩ হিজরীর শাওয়াল মাসে 'আস-সুনান' শ্রবণ করেছিলেন, এবং আদ-দুনীর এটি শোনার সময় ছিল ৩৬৩ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সুন্নীর নিকট হতে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٤)
الحديث الثاني عشر

قرأت على أبي القاسم عبد الله بن أبي علي الحسين بن عبد الله بن الحسين بن رواحة بن إبراهيم بن عبد الله بن رواحة بن عبيد بن محمد

ق 14 (أ)

ابن عبد الله بن رواحة بن ثعلبة بن امرئ القيس بن عمرو بن امرئ القيس بن مالك الأغر بن ثعلبة بن كعب بن الخزرج بن الحارث بن الخزرج الأنصاري الخزرجي الحموي بحلب، أخبرك أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم الأصبهاني الحافظ قراءةً عليه وأنت تسمع، أنبأ الشيخان أبو الحسين المبارك بن عبد الجبار بن أحمد الصيرفي في الجانب الغربي من بغداد، وأبو بكر أحمد بن علي بن الحسين بن زكريا الطريثيتي في الجانب الشرقي منها سنة أربع وتسعين وأربعمائة، قالا: أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان البزاز، أنبأ أبو بكر أحمد بن سليمان بن أيوب بن إسحاق بن عبده بن الربيع بن صبح العباداني، ثنا علي بن حرب بن محمد بن علي بن حبان بن مازن الطائي بسامراء سنة أربع وستين ومائتين، قال: ثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سهل بن سعد الساعدي قال: (شهدت المتلاعنين على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن خمس عشرة، ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما حيث تلاعنا)

وأخبرنا أبو محمد بن أبي المنصور بن أبي الحسن المالكي بقراءتي عليه بالثغر قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الفقيه قراءةً عليه وأنا أسمع في شهر رجب سنة ثلاث وسبعين وخمسمائة، أنبأ السلار الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي قدم علينا أصبهان قال: أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحيري بنيسابور قال: ثنا أبو محمد حاجب بن أحمد بن يرحم بن سفيان الطوسي، ثنا عبد الرحيم هو ابن منيب، ثنا ابن

ق 14 (ب)

عيينة، عن الزهري، عن سهل بن سعد قال: (شهدت النبي صلى الله عليه وسلم فرق بين المتلاعنين وأنا ابن خمس عشرة سنة) .

رواه البخاري في الأحكام والمتحاربين عن علي بن المديني. ورواه أبو داود في الطلاق عن مسدد، ووهب بن بيان، وأحمد بن عمرو بن السرح، وعمرو بن عثمان الحمصي، خمستهم عن سفيان بن عيينة. فوقع بدلاً للبخاري وأبو داود من الوجهين جميعاً. ورواه البخاري وأبو داود أيضاً ومسلم من حديث مالك، عن الزهري. ورواه البخاري أيضاً مطولاً ومختصراً في الصلاة والطلاق عن يحيى، عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، عن الزهري، وفي التفسير عن إسحاق، عن محمد بن يوسف، عن الأوزاعي، عن الزهري. ورواه مسلم أيضاً عن ابن رافع، عن عبد الرزاق به. وعن حرملة، عن ابن وهب، عن يونس، عن الزهري. ورواه أبو داود أيضاً عن أحمد بن صالح، عن ابن وهب به. وعن محمود بن خالد، عن محمد بن يوسف به. وعن أبي الطاهر، عن ابن وهب، عن عياض بن عبد الله الفهري وغيره، عن ابن شهاب. ورواه النسائي في الطلاق عن محمد بن مسلمة، عن ابن القاسم، عن مالك، فكأني سمعته من الداودي، والفارسي، والدوني، وأبي بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب، وكانت وفاته في سابع ذي الحجة سنة ثلاث وستين وأربعمائة، وكانت ولادته في جمادى الآخرة سنة إحدى وتسعين وثلاثمائة

ق 15 (أ)

، وكانت وفاة رفيقه في رواية السنن أبي علي علي بن أحمد بن علي التستري البصري في سنة تسع وسبعين وأربعمائة، وكانت وفاة شيخهما القاضي أبو عمر القاسم بن جعفر بن عبد الواحد الهاشمي البصري في أواخر ذي القعدة سنة أربع عشرة وأربعمائة، وكان مولده في رجب سنة اثنتين وعشرين وثلاثمائة.
দ্বাদশ হাদীস

আমি পাঠ করেছি আবূল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে রাওয়াহা ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা ইবনে উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ

পত্র ১৪ (ক)

ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা ইবনে সা’লাবা ইবনে ইমরাউল কায়েস ইবনে আমর ইবনে ইমরাউল কায়েস ইবনে মালিক আল-আগার ইবনে সা’লাবা ইবনে কাব ইবনে আল-খাযরাজ ইবনে আল-হারিস ইবনে আল-খাযরাজ আল-আনসারী আল-খাযরাজী আল-হামাবী এর নিকট আলেপ্পোতে। তিনি বলেন: হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আসবাহানী আপনাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন; দুই শেখ—আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে আহমদ আস-সাইরাফি বাগদাদের পশ্চিম অংশে এবং আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে যাকারিয়া আত-তারাইসীতি বাগদাদের পূর্ব অংশে চারশত চুরানব্বই হিজরি সনে তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আইয়ুব ইবনে ইসহাক ইবনে আবদাহ ইবনে আল-রাবী ইবনে সুব্হ আল-আবাদানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আলী ইবনে হারব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হাব্বান ইবনে মাযিন আত-তাঈ দুইশত চৌক্সট্টি হিজরি সনে সামাররায় আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ঈদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে লি’আনকারীদের (পারস্পরিক অভিশাপ প্রদানকারী দম্পতি) উপস্থিতিতে ছিলাম যখন আমার বয়স ছিল পনেরো বছর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারা লি’আন করার পর তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন।)

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে আবিল মানসুর ইবনে আবিল হাসান আল-মালিকি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আস-সাগরে (সীমান্তবর্তী দুর্গে)। তিনি বলেন: ফকীহ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ পাঁচশত তিয়াত্তর হিজরি সনের রজব মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আস-সাল্লার আর-রাঈস আবু আল-হাসান মাক্কী ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আললান আল-কারজী, যিনি আমাদের নিকট আসবাহানে এসেছিলেন, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: কাযী আবু বকর আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হীরী নিশাপুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ হাজিব ইবনে আহমদ ইবনে ইয়ারহাম ইবনে সুফিয়ান আত-তুসী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবদুর রহীম (তিনি হলেন ইবনে মুনীব) আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ইবনে

পত্র ১৪ (খ)

উইয়াইনা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে তিনি লি’আনকারীদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন, আর তখন আমার বয়স ছিল পনেরো বছর।)

বুখারী এটি ‘আহকাম’ এবং ‘মুতাহারিবীন’ (বিদ্রোহী) অধ্যায়ে আলী ইবনুল মাদীনী থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি ‘তালাক’ অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ, ওয়াহাব ইবনে বায়ান, আহমদ ইবনে আমর ইবনে আস-সারহ এবং আমর ইবনে উসমান আল-হিমসী থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা পাঁচজনই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারী ও আবু দাউদের জন্য উভয় দিক থেকেই বিকল্প উচ্চতর সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। বুখারী, আবু দাউদ এবং মুসলিম এটি মালেক থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। বুখারী এটি বিস্তারিত এবং সংক্ষিপ্ত আকারে ‘সালাত’ ও ‘তালাক’ অধ্যায়ে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ‘তাফসীর’ অধ্যায়ে ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি ইবনে রাফে’ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন; এবং হারমালা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি আহমদ ইবনে সালেহ থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন; এবং মাহমুদ ইবনে খালিদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন; এবং আবু তাহের থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ফিহরী ও অন্যান্যদের থেকে, তাঁরা ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী এটি ‘তালাক’ অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা থেকে, তিনি ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি মালেক থেকে বর্ণনা করেছেন। যেন আমি এটি আদ-দাউদী, আল-ফারিসী, আদ-দুনী এবং আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খতীব (আল-বাগদাদী) থেকে শুনেছি। তাঁর (আল-খতীব) মৃত্যু হয়েছিল চারশত তেষট্টি হিজরি সনের সাতই জিলহজ্জ তারিখে, আর তাঁর জন্ম হয়েছিল তিনশত একানব্বই হিজরি সনের জমাদিউল আখিরা মাসে।

পত্র ১৫ (ক)

, আর ‘সুনান’ বর্ণনায় তাঁর সঙ্গী আবু আলী আলী ইবনে আহমদ ইবনে আলী আত-তুস্তারি আল-বাসরীর মৃত্যু হয়েছিল চারশত ঊনআশি হিজরি সনে। তাঁদের উভয়ের শায়খ কাযী আবু ওমর আল-কাসিম ইবনে জাফর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশেমী আল-বাসরীর মৃত্যু হয়েছিল চারশত চৌদ্দ হিজরি সনের জিলকদ মাসের শেষ দিকে, আর তাঁর জন্ম হয়েছিল তিনশত বাইশ হিজরি সনের রজব মাসে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٥)
الحديث الثالث عشر

أخبرنا الشيخ العالم أبو الحسن علي بن الشيخ أبي الفتح محمود بن أبي العباس أحمد بن أبي جعفر علي بن أحمد بن عثمان بن موسى البصري، والفقيه أبو الحسن علي بن أبي الفضائل هبة الله بن سلامة بن المسلم بن أحمد بن علي المصري، وأبو إبراهيم محمد بن عبد الرحمن بن عبد الله المالكي، وأبا القاسم حمزة بن عمر بن عتيق بن أوس الغزالي، وعبد الله بن الحسين بن عبد الله الأنصاري، وعبد الرحمن بن مكي بن عبد الرحمن، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ قال: أنبأ أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد الثقفي في الثالث من فوائده قال: ثنا علي بن محمد بن عبد الله بن بشران، ثنا إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار، ثنا سعدان بن نصر بن منصور، ثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، سمع جابر بن عبد الله يقول: (لما نزل على النبي صلى الله عليه وسلم "قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذاباً من فوقكم" قال: أعوذ بوجهك " أو من تحت أرجلكم" قال: أعوذ بوجهك "أو يلبسكم شيعاً ويذيق

ق 15 (ب)

بعضكم بأس بعض" قال: هاتان أهون أو أيسر) .

رواه البخاري في الإعتصام عن علي بن المديني. ورواه الترمذي في التفسير عن ابن أبي عمر، كلاهما عن سفيان بن عيينة، فوقع بدلاً للبخاري والترمذي. ورواه البخاري أيضاً في التفسير والتوحيد من حديث حماد بن زيد. ورواه النسائي من حديث حماد بن زيد ، ومعمر، جميعاً عن عمرو بن دينار.
ত্রয়োদশ হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, আলিম আবুল হাসান আলী বিন শায়খ আবুল ফাতহ মাহমুদ বিন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবু জাফর আলী বিন আহমদ বিন উসমান বিন মুসা আল-বাসরি; এবং ফকিহ আবুল হাসান আলী বিন আবিল ফাদাইল হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ বিন আল-মুসলিম বিন আহমদ বিন আলী আল-মিসরি; এবং আবু ইব্রাহিম মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-মালিকি; এবং আবুল কাসিম হামযাহ বিন উমর বিন আতিক বিন আওস আল-গাযালি; এবং আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি; এবং আবদুর রহমান বিন মাক্কি বিন আবদুর রহমান। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হাফিয, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমদ আস-সাকাফি তাঁর ‘ফাওয়াইদ’-এর তৃতীয় অংশে, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান বিন নাসর বিন মনসুর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, আমর থেকে বর্ণিত, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: (যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর অবতীর্ণ হলো— "বলুন, তিনি তোমাদের ওপর তোমাদের ওপরের দিক থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম", তখন তিনি বললেন: আমি আপনার চেহারার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। "অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে", তখন তিনি বললেন: আমি আপনার চেহারার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। "অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দিতে এবং তোমাদের এককে অন্যের সহিংসতার স্বাদ আস্বাদন করাতে", তখন তিনি বললেন: এই শেষোক্ত দুটি অপেক্ষাকৃত হালকা বা সহজ)।

পৃষ্ঠা ১৫ (খ)

ইমাম বুখারি এটি ‘আল-ইতিসাম’ অধ্যায়ে আলী বিন আল-মাদিনি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি তাফসির অধ্যায়ে ইবনে আবু উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি বুখারি ও তিরমিযীর জন্য একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ (বাদাল) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম বুখারি এটি তাফসির ও তাওহিদ অধ্যায়ে হাম্মাদ বিন যায়েদ-এর হাদিস থেকেও বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি হাম্মাদ বিন যায়েদ ও মা’মার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই আমর বিন দিনার থেকে বর্ণনা করেছেন।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٦)
الحديث الرابع عشر

أخبرنا علي بن الحسين بن علي البغدادي، عن أبي بكر محمد بن عبيد الله بن نصر بن السري البغدادي المعروف بابن الزغواني قراءةً عليه قال: أنبأ أبو القاسم علي بن أحمد بن محمد بن علي بن محمد البسري البندار قراءةً عليه وأنا أسمع، أنبأ أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن بن العباس المخلص قال: حدثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي قال: ثنا علي بن الجعد قال: أنبأ شعبة، وشيبان، عن قتادة قال: سمعت أنس بن مالك قال: (صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فلم أسمع أحد منهم يجهر ببسم الله الرحمن الرحيم) .

رواه البخاري عن حفص بن عمر الحوضي، عن شعبة ولم يذكر عثمان. فوقع بدلاً له. ورواه مسلم عن أبي موسى، وبندار، عن غندر، عن شعبة. ورواه أبو داود من حديث هشام، عن قتادة. والترمذي

ق 16 (أ)

، والنسائي من حديث أبي عوانة، عن قتادة. ورواه النسائي أيضاً عن عبد الله بن محمد الزهري، عن سفيان، عن أيوب. وعن أبي سعيد الأشج، عن عقبة بن خالد، عن شعبة. وابن أبي عروبة، كلهم عن قتادة. ورواه ابن ماجة عن محمد بن الصباح، عن سفيان، عن أيوب، عن قتادة. وعن جُبَارة، عن أبي عوانة، عن قتادة، ولم يذكرا عثمان. فكأني من حديث شعبة وأيوب سمعته من الفارسي والدوني والمقومي، وقد وقع إلينا تساعياً أيضاً من حديث حميد، عن أنس.

أخبرناه أبو القاسم بن أبي الحرم بقراءتي عليه بالثغر قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ قراءةً عليه وأنا حاضر في شهر رمضان سنة أربع وسبعين وخمسائة، أنبأ أبو العباس أحمد بن عبد الغفار بن أحمد بن علي بن أشتة في صفر سنة تسع وثمانين وأربعمائة قال: أخبرنا أبو الحسين علي بن محمد بن أحمد المعروف بماشاده في جمادى الأولى سنة أربع عشرة وأربعمائة قال: حدثنا أبو الحسين محمد بن أحمد الأسواري قال: ثنا أبو بكر محمد بن سليمان بن الحارث الواسطي، ثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، ثنا حميد الطويل، أنس بن مالك قال: (كان النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر وعثمان يستفتحون القراءة بالحمد لله رب العالمين) .

ق 16 (ب)
চতুর্দশ হাদীস

আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে আল-সারী আল-বাগদাদী (যিনি ইবনে আল-যাগওয়ানী নামে পরিচিত) থেকে তাঁর নিকট পাঠকালে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-বিসরী আল-বিন্দার আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আল-আব্বাস আল-মুখলিস সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আল-জাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শু’বা ও শায়বান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি: (আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবু বকর, উমর ও উসমানের পেছনে সালাত আদায় করেছি, আমি তাদের কাউকেই ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ উচ্চস্বরে পাঠ করতে শুনিনি)।

এটি ইমাম বুখারী হাফস ইবনে উমর আল-হাওযী থেকে, তিনি শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি উসমানের কথা উল্লেখ করেননি। ফলে এটি তার জন্য একটি বিকল্প (বদাল) হিসেবে গণ্য হয়েছে। ইমাম মুসলিম এটি আবু মুসা ও বিন্দার থেকে, তারা গুন্দার থেকে, তিনি শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু দাউদ হিশামের সূত্রে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এবং ইমাম তিরমিযী

পৃষ্ঠা ১৬ (ক)

—এবং ইমাম নাসাঈ আবু আওয়ানাহ-এর সূত্রে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এটি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-যুহরী থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আবু সাঈদ আল-আশাজ থেকে, তিনি উকবা ইবনে খালিদ থেকে, তিনি শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবি আরুবাহ-সহ তারা সবাই কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া জুবাহরা থেকে, তিনি আবু আওয়ানাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তারা দুইজন উসমানের কথা উল্লেখ করেননি। সুতরাং শু’বা ও আইয়ুবের হাদীসটি যেন আমি ফারিসী, দুনী এবং মুকাওয়্যিমী থেকে শুনেছি, আর হুমাইদ থেকে আনাস পর্যন্ত হাদীসটি নয়জনের সূত্রে (তুসায়ী) আমাদের নিকট পৌঁছেছে।

আবুল কাসেম ইবনে আবিল হারাম সাগার নামক স্থানে আমার পাঠের মাধ্যমে এটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিয তাঁর নিকট পাঠকালে সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম ৫৭৪ হিজরী সনের রমজান মাসে। আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুল গাফফার ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে আশতা ৪৮৯ হিজরী সনের সফর মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ (যিনি মাশাদা নামে পরিচিত) ৪১৪ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আসওয়ারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হারিস আল-ওয়াসিতী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুমাইদ আত-তাবীল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আনাস ইবনে মালিক বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর, উমর ও উসমান কিরাত শুরু করতেন 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন' দিয়ে)।

পৃষ্ঠা ১৬ (খ)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٧)
الحديث الخامس عشر

قرأت على الحافظ أبي الحجاج يوسف بن خليل بن عبد الله الدمشقي بحلب، أخبرك أبو عبد الله محمد بن أبي زيد بن حمد الكراني بأصبهان قراءةً عليه قال: أنبأ أبو منصور محمود بن إسماعيل بن محمد الصيرفي قال: أنبأ أبو الحسين أحمد بن محمد بن الحسين بن فادشاه قال: أنبأ الإمام أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير الطبراني قال: ثنا أبو مسلم الكشي قال: ثنا أبو عاصم (ح) وقرئ على ابن الخليل أيضاً وأنا أسمع أخبرك أبو جعفر محمد بن إسماعيل محمد الطرسوسي بأصبهان، عن الحسن بن أحمد بن الحسن الحداد قال: أنبأ أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ في المستخرج على البخاري قال: ثنا فاروق، وأبو علي بن الصواف، وحبيب، قالوا: ثنا أبو مسلم الكشي، ثنا أبو عاصم النبيل، عن يزيد بن أبي عبيد، عن سلمة بن الأكوع قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من قال علي ما لم أقل فليتبوأ مقعده من النار) .

رواه البخاري في العلم عن مكي بن إبراهيم الحنظلي البلخي، عن يزيد بن أبي عبيد، عن مولاه أبو مسلم، وقيل أبو إياس بابنه سلمة بن عمرو، وأخي عامر الشاعر المستشهد يوم خيبر ابني الأكوع، وهو سنان بن عبد الله بن قشير بن خزيمة بن مالك، أخي الحارث، رهط أبي برزة، وبريدة، وحمزة بن عمرو، وجرهد

ق 17 (أ)

، وناجية، ومالك، ونعمان، كلاهما مالك، والحارث ولدا سلامان أخي هوازن، رهط أبي أوفى، وأبي حدرد، وزرعة، وعبيد الله ابن مالك، كلاهما سلامان، وهوازن.... (1) أسلم أخي مالك وملكان (2) ، وقد انخزعوا مع خزاعة دون أخوتهم فلم يشربوا من غسان، وكانت أسلم ثُمُنُ المهاجرين يوم الحديبية، وكان أهل الحديبية ألفاً وأربعمائة، وأسلم، مالك، وملكان، وامرؤ القيس، وعدي، وعمرو، وخطاب، وزيد وغيرهم كلهم أولاد قصي أخي عدي أبي بارق، واسمه سعد، وبارق جبل نزلوه، وأخوهما لحي واسمه ربيعة، والد أبي خزاعة بن عمرو بن لحي (الذي رآه النبي صلى الله عليه وسلم يجر قصبة في النار) ، وكان أول من غير دين إسماعيل فنصب الأوثان وسيب السائبة وبحر البحيرة ووصل الوصيلة وحمى الحامي، ثلاثتهم قصي وعدي ولحي أبناء حارثة أخي ثعلبة العنقاء جد الأوس والخزرج ابني حارثة بن ثعلبة بن عمرو مزيقياء، وقع إلينا هذا الحديث بدلاً للبخاري رحمه الله، وقد رواه عن يزيد غير واحد كرواية مكي منهم، أبو خالد الأحمر، ويحيى القطان، وأبو عاصم، وخالفهم أنس بن عياض الليثي فرواه عنه محمد بن الصلت أبو يعلى وهو ثقة روى عنه البخاري. وروى الترمذي، والنسائي عن رجل عنه، وقال: كتبته من أصل كتابة عن يزيد مولى سلمة بن الأكوع، عن أبي هريرة. وقد رواه جماعة من التابعين عن أبي هريرة منهم أبو صالح السمان، وأبو سلمة، وابن سيرين، ومسلم بن يسار، وكثير بن عبيد، وكليب، وصالح، وأبو السدي واتفقا عليه من رواية أبي صالح، عن أبي هريرة، وقد ذكرت روايات هؤلاء الجماعة مستوفاة مستقصاة في كتاب الأربعين المتباينة الإسناد المخرجة على الصحيح من حديث بغداد فمن أراده فليلتمسه هناك.

ق 17 (ب)

ــ

(1) بياض بالأصل

(2) مرسومة بالأصل "ملحان" وصححها الناسخ في الهامش "ملكان"
পঞ্চদশ হাদীস

আমি হালব শহরে হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকী-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আসবাহানে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি যায়েদ বিন হামদ আল-কিরানী আপনার নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মনসুর মাহমুদ বিন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আস-সায়রাফী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন ফাদশাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম আবু আল-কাসিম সুলায়মান বিন আহমদ বিন আইয়ুব বিন মুতায়ের আত-তাবারানী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুসলিম আল-কাশ্শী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)। এবং ইবনুল খলিলের নিকট আবারও পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আসবাহানে আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল মুহাম্মদ আত-তারসূসী আপনার নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফেজ 'আল-মুস্তাখরাজ আলা আল-বুখারী' গ্রন্থে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফারূক, আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ এবং হাবীব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু মুসলিম আল-কাশ্শী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আন-নাবীল আমাদের নিকট ইয়াজিদ বিন আবি উবাইদ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সালামাহ বিন আল-আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কিছু বলবে যা আমি বলিনি, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয়)।

ইমাম বুখারী এটি 'ইলম' অধ্যায়ে মাক্কী বিন ইব্রাহিম আল-হানজালী আল-বালখী থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবি উবাইদ থেকে, তিনি তাঁর মুক্তদাস আবু মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন। কারো মতে তিনি আবু ইয়াস, যিনি সালামাহ বিন আমর-এর পিতা। তিনি খায়বারের দিন শহীদ হওয়া কবি আমেরের ভাই। তাঁরা আল-আকওয়ার দুই পুত্র, আর আল-আকওয়া হলেন সিনান বিন আব্দুল্লাহ বিন কুশাইর বিন খুযাইমাহ বিন মালিক। তিনি হারিসের ভাই, যিনি আবু বারযাহ, বুরাইদাহ, হামযাহ বিন আমর এবং জারহাদ-এর গোত্রভুক্ত।

পৃষ্ঠা ১৭ (ক)

এবং নাজিয়াহ, মালিক ও নুমান; তাদের উভয়ই মালিক এবং হারিস ছিলেন হাওয়াযিনের ভাই সালামানের দুই পুত্র। তাঁরা আবু আওফা, আবু হাদরাদ, যুরআহ এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে মালিকের গোত্রভুক্ত। তাঁরা উভয়েই সালামান ও হাওয়াযিন থেকে... (১) আসলাম ছিলেন মালিক ও মালকানের ভাই (২)। তাঁরা তাঁদের অন্যান্য ভাইদের ছেড়ে খুযাআ গোত্রের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন, তাই তাঁরা গাসসান থেকে পানি পান করেননি। হুদায়বিয়ার দিন আসলাম গোত্র মুহাজিরদের এক-অষ্টমাংশ ছিল। আর হুদায়বিয়ার লোক সংখ্যা ছিল এক হাজার চারশত। আসলাম, মালিক, মালকান, ইমরুল কায়েস, আদী, আমর, খাত্তাব, যায়েদ ও অন্যান্যরা সবাই কুসাই-এর বংশধর। কুসাই ছিলেন আবু বারিকের ভাই আদী-এর ভাই। তাঁর নাম ছিল সা'দ, আর বারিক হলো একটি পাহাড় যেখানে তাঁরা অবতরণ করেছিলেন। তাঁদের অপর ভাই ছিলেন লুহাই, যার নাম ছিল রাবীআ। তিনি আবু খুযাআ বিন আমর বিন লুহাই-এর পিতা (যাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাহান্নামে তাঁর নাড়িভুঁড়ি টেনে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন)। তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি ইসমাঈল (আলাইহিস সালাম)-এর দ্বীন পরিবর্তন করেছিলেন; ফলে তিনি মূর্তিপূজা স্থাপন করেন, 'সাইবা' প্রথা চালু করেন, 'বাহিরা' কান ছিদ্র করেন, 'ওয়াসিলা' যুক্ত করেন এবং 'হামি' সংরক্ষণ করেন। কুসাই, আদী এবং লুহাই—এই তিনজনই হারিসার পুত্র। হারিসা ছিলেন সা'লাবা আল-আনকার ভাই, যিনি আউস ও খাযরাজ গোত্রদ্বয়ের পিতামহ। আউস ও খাযরাজ ছিলেন হারিসা বিন সা'লাবা বিন আমর মুযায়কিয়া-এর পুত্র। ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সনদের উচ্চতর বিকল্প (বাদাল) হিসেবে এই হাদীসটি আমাদের নিকট পৌঁছেছে। ইয়াজিদ থেকে মাক্কী-এর বর্ণনার মতো আরও অনেকেই এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবু খালিদ আল-আহমার, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং আবু আসিম। আনাস বিন ইয়াদ আল-লাইসী তাঁদের বিরোধিতা করেছেন এবং তিনি এটি মুহাম্মদ বিন আস-সালত আবু ইয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী যার থেকে বুখারী বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী এবং নাসাঈ তাঁর থেকে জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আমি এটি সালামাহ বিন আল-আকওয়ার মুক্তদাস ইয়াজিদের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে লিখেছি, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাবিঈদের একটি দল আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবু সালিহ আস-সাম্মান, আবু সালামাহ, ইবনে সীরীন, মুসলিম বিন ইয়াসার, কাসীর বিন উবাইদ, কুলাইব, সালিহ এবং আবু আস-সুদ্দী। তাঁরা আবু সালিহ-এর বর্ণনায় আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। আমি এই দলের বর্ণনাগুলো পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিতভাবে 'আল-আরবাউন আল-মুতাবায়িনাতুল ইসনাদ আল-মুখাররাজাতু আলা আস-সহীহ মিন হাদীসে বাগদাদ' কিতাবে উল্লেখ করেছি; সুতরাং যে ব্যক্তি তা ইচ্ছুক সে যেন সেখানে তা তালাশ করে।

পৃষ্ঠা ১৭ (খ)

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'মালহান' লেখা ছিল এবং অনুলিপিকারক হাশিয়ায় (পার্শ্বটীকা) এটি 'মালকান' হিসেবে সংশোধন করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٨)
الحديث السادس عشر

قرأت على أبي العباس أحمد بن أبي السعود نصر بن أبي القاسم ابن أبي الحسن البغدادي بدرب ثمل من باب الأزج شرقي بغداد في الرحلة الأولى، أخبرك أبو محمد عبد الله بن أحمد بن هبة الله بن محمد بن النرسي قراءةً عليه وأنت تسمع في سلخ ربيع الأول سنة خمس وستين وخمسمائة فأقر به، وقال: نعم، قال: أنبأ الحاجب أبو الحسن علي بن أبي طاهر محمد بن علي بن محمد بن يوسف بن يعقوب المقرئ المعروف بابن العلاف قال: أنبأ أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران قال: أنبأ أبو بكر أحمد بن سلمان بن الحسن الفقيه المعروف بالنجاد قال: أنبأ يحيى بن جعفر بن الزبرقان قراءةً عليه، أنبأ عبد الله بن بكر

ق 18 (أ)

السهمي، ثنا حميد الطويل، عن أنس بن مالك قال: (حضرت الصلاة فقام من كان قريب الدار إلى أهله فتوضأ وبقي قوم، وأتى النبي صلى الله عليه وسلم بمخضب من حجارة في ماء فبسط فيه كفيه فتوضأ القوم كلهم، قلنا: كم هم؟ قال: ثمانون وزيادة) .

رواه البخاري في الطهارة عن عبد الله بن منير، عن أبي وهب عبد الله بن بكر بن حبيب الباهلي السهمي، من سهم بن عمرو بن ثعلبة بن غنم بن قتيبة بن معن بن مالك بن أعصر بن سعد بن قيس بن عيلان بصري سكن بغداد ومات بها في المحرم سنة ثمان، وقيل ست، وقيل سبع ومائتين. فوقع بدلاً للبخاري ورواه أيضاً في علامات النبوة عن ابن منير، عن يزيد، عن حميد. والمخضب المركن بكسر الميم فيهما
ষোড়শ হাদিস

আমি প্রথম সফরে বাগদাদের পূর্বাংশে বাবুল আজাজের দারবে থামিলে আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবুল সউদ নাসর বিন আবুল কাসেম ইবনুল হাসান আল-বাগদাদির নিকট পাঠ করেছি। আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নারসি আপনার নিকট পাঠ করেছেন এবং আপনি শ্রবণ করেছেন ৫৫৫ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের শেষে, তিনি এটি স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন: হ্যাঁ। তিনি বলেন: হাজিব আবুল হাসান আলী বিন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-মুুকরি—যিনি ইবনুল আল্লাফ নামে পরিচিত—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন সালমান বিন আল-হাসান আল-ফকিহ—যিনি আন-নাজ্জাদ নামে পরিচিত—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন জাফর বিন আজ-জুবরাকান তার নিকট পঠিত অবস্থায় সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

পৃষ্ঠা ১৮ (ক)

আস-সাহমি, হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (নামাজের সময় হলো, তখন যাদের বাড়ি কাছে ছিল তারা নিজ পরিবারের কাছে গিয়ে অজু করে নিল এবং একদল লোক রয়ে গেল। এরপর আল্লাহর নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পাথর নির্মিত একটি পাত্র আনা হলো যাতে পানি ছিল। তিনি তাতে তার দুই হাতের তালু প্রসারিত করে দিলেন এবং সকল লোক অজু সম্পন্ন করল। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: তারা কতজন ছিলেন? তিনি বললেন: আশি ও তার বেশি।)

এটি বুখারি পবিত্রতা অধ্যায়ে আবদুল্লাহ বিন মুনির থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব আবদুল্লাহ বিন বকর বিন হাবিব আল-বাহিলি আস-সাহমি থেকে বর্ণনা করেছেন। যিনি সাহম বিন আমর বিন সালাবা বিন গানাম বিন কুতাইবা বিন মান বিন মালিক বিন আসর বিন সাদ বিন কায়স বিন আয়লান বংশের অন্তর্ভুক্ত; তিনি বসরার বাসিন্দা ছিলেন এবং বাগদাদে বসবাস করেছেন ও সেখানেই ২০৮ হিজরির মহররম মাসে ইন্তেকাল করেন। তবে কেউ কেউ ২০৬ বা ২০৭ হিজরির কথাও বলেছেন। এটি বুখারির একটি বদল (বিকল্প সূত্র) হিসেবে গণ্য। তিনি এটি নবুওয়তের আলামত অধ্যায়ে ইবনে মুনির থেকে, তিনি ইয়াজিদ থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। 'মিখদাব' অর্থ হলো 'মিরকান' (অজু বা ধোয়ার পাত্র), উভয়েই মিম অক্ষরে কাসরা বিশিষ্ট।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ١٩)
الحديث السابع عشر

أخبرنا الإمام أبو الحسن بن أبي الفضائل هبة الله بن سلامة بن المسلم بن أحمد بن علي اللخمي الفقيه الشافعي المصري بقراءتي عليه بمنزله في زقاق بني جمح أخي سهم من الفسطاط، قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الفقيه الحافظ قراءةً عليه وأنا أسمع بالثغر ثغر الإسكندرية قال: أخبرنا أبو الخطاب نصر بن أحمد بن عبد الله بن

ق 18 (ب)

البطر القارئ فيما قرأت عليه ببغداد في داره في شوال سنة ثلاث وتسعين وأربعمائة قلت له: أخبركم أبو الحسن محمد بن أحمد بن محمد بن رزقويه قراءة عليه في صفر سنة إحدى عشرة وأربعمائة قال: أخبرنا أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار قال: حدثنا محمد بن سنان بن يزيد القزاز البصري قال: ثنا عثمان بن عمر قال: أنبأ حريز قال: لقيت عبد الله بن بسر السلمي رضي الله عنهما فقلت: أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم شيخاً قال: (كان في عنفقته شعراتٌ بيضٌ)

وأخبرنا أبو محمد بن أبي المنصور بن أبي الحسن المالكي بقراءتي عليه بالثغر قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الفقيه قراءةً عليه وأنا أسمع بالثغر المذكور في شهر ربيع الآخر سنة أربع وسبعين وخمسمائة قال: أخبرنا أبو زكريا يحيى بن عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده الأصبهاني ببغداد في جامع المنصور سلخ صفر سنة تسع وتسعين وأربعمائة بانتخابي عليه (ح) وأخبرنا أبو الحجاج الحافظ بقراءتي عليه في فوائد ابن المقرئ قال: أخبرنا أبو عبد الله محمود بن أحمد بن عبد الرحمن بن أحمد بن محمود الثقفي الأصبهاني قال: أنبأ أبو الفرج سعيد بن أبي الرجاء بن أبي الفتح بن أبي المنصور الصيرفي، قالا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمود بن أحمد بن محمود

ق19 (أ)

ابن عبد الله بن إبراهيم الثقفي قال: أنبأ أبو بكر محمد بن إبراهيم بن علي قال: ثنا أحمد بن عمير بن يوسف بن جوصا قال: ثنا معاوية بن عمرو قال: حدثنا حريز بن عثمان قال: قلت لعبد الله بن بسر: (هل كان في رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم شيب؟ قال: كان في رأسه شعرات بيض كان إذا ادهن تتغير)

وأخبرنا أبو الحجاج أيضاًَ قراءةً عليه قال: أنبأ أبو عبد الله محمد بن أبي زيد بن حمد الكراني قراءةً عليه بأصبهان قال: أنبأ محمود بن إسماعيل بن محمد الصيرفي قال: أنبأ أبو الحسين أحمد بن محمد بن الحسين بن فادشاه قال: أنبأ أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني قال: حدثنا أبو خليفة الفضل بن الحباب الجمحي قال: ثنا الوليد بن هشام القحذمي قال: حدثنا حريز بن عثمان قال: سألت عبد الله بن بسر: (أشاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأومأ إلى عنفقته)

رواه البخاري في صفة النبي صلى الله عليه وسلم عن عصام بن خالد الحمصي، عن أبي عثمان حريز بن عثمان الرحبي الحمصي. فوقع بدلاً له، وعبد الله بن بسر يكنى أبا بسر، وقيل أبا صفوان السلمي، ويقال المازني، ومازن وسليم وهوازن أولاد منصور بن عكرمة أخي محارب ابني خصفة بن قيس بن عيلان

ق 19 (ب)
সতেরতম হাদিস

ইমাম আবুল হাসান ইবনে আবিল ফাদায়েল হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনুল মুসলিম ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-লাখমী আল-ফকিহ আশ-শাফিঈ আল-মিসরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফুস্তাত শহরের বানি জুমাহ গলিতে তাঁর বাসভবনে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহ আল-হাফিজ আমাদের অবহিত করেছেন আলেকজান্দ্রিয়া সীমান্তে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আবু আল-খাত্তাব নাসর ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে

পৃষ্ঠা ১৮ (খ)

আল-বাতার আল-ক্বারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা আমি তাঁর নিকট বাগদাদে তাঁর ঘরে চারশত তিরানব্বই হিজরীর শাওয়াল মাসে পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম: আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রিযকুয়্যাহ চারশত এগারো হিজরীর সফর মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে সিনান ইবনে ইয়াযীদ আল-কাযযায আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: উসমান ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হারীয আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে বুসর আস-সুলামী (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। আমি বললাম: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি বৃদ্ধ হয়েছিলেন? তিনি বললেন: (তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের পশমে কিছু সাদা চুল ছিল।)

এবং আবু মুহাম্মদ ইবনে আবিল মানসুর ইবনে আবিল হাসান আল-মালিকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সীমান্তে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-ফকিহ পাঁচশত চুয়াত্তর হিজরীর রবিউল আখের মাসে উল্লিখিত সীমান্তে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন যখন আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আবু জাকারিয়া ইয়াহিয়া ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহিয়া ইবনে মানদাহ আল-আসবাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাগদাদের জামে মানসুরে চারশত নিরানব্বই হিজরীর সফরের শেষ দিকে তাঁর নিকট আমার নির্বাচনের মাধ্যমে (হ)। এবং হাফিজ আবুল হাজ্জাজ ইবনুল মাক্বরির ‘ফাওয়ায়েদ’-এ তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মাহমুদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফী আল-আসবাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল ফারাজ সাঈদ ইবনে আবিল রাজা ইবনে আবিল ফাতহ ইবনে আবিল মানসুর আস-সাইরাফী আমাদের অবহিত করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু তাহের আহমাদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ

পৃষ্ঠা ১৯ (ক)

ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আস-সাকাফী আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আলী আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে উমাইর ইবনে ইউসুফ ইবনে জাওসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুয়াবিয়া ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হারীয ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে বুসরকে বললাম: (আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাথায় কি সাদা চুল ছিল? তিনি বললেন: তাঁর মাথায় কিছু সাদা চুল ছিল, যা তেল ব্যবহার করলে পরিবর্তিত হয়ে যেত [চুলের সাথে মিশে যেত])।

এবং আবু হাজ্জাজও আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি যায়েদ ইবনে হামদ আল-কাররানি ইসফাহানে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: মাহমুদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাইরাফী আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ফাদশাহ আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু খলিফা আল-ফাদল ইবনুল হুবাব আল-জুমাহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ওয়ালীদ ইবনে হিশাম আল-কাহযামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হারীয ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে বুসরকে জিজ্ঞেস করলাম: (আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি বৃদ্ধ হয়েছিলেন? তখন তিনি তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের পশমের দিকে ইশারা করলেন।)

ইমাম বুখারী এটি ‘সিফাতুন নবী’ (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বৈশিষ্ট্য) অধ্যায়ে ইশাম ইবনে খালিদ আল-হিমসি থেকে, তিনি আবু উসমান হারীয ইবনে উসমান আর-রাহবি আল-হিমসি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁর জন্য বদল হিসেবে গণ্য হলো। আবদুল্লাহ ইবনে বুসরের উপনাম হলো আবু বুসর, আবার কারো মতে আবু সাফওয়ান আস-সুলামী। তাঁকে আল-মাযানীও বলা হয়। আর মাযান, সুলাইম ও হাওয়াযেন হলো মানসুর ইবনে ইকরিমার সন্তান, যিনি মুহারিবের ভাই; তাঁরা খাসফাহ ইবনে কায়েস ইবনে আয়লানের দুই পুত্র।

পৃষ্ঠা ১৯ (খ)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
الحديث الثامن عشر

ابن مضر، كانت له ولأبويه ولأخويه عطية بن بسر، والصماء بنت بسر صحبة، نزل حمص وكان آخر من بقي بها وبالشام من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومات بها سنة ست وتسعين في خلافة سليمان بن عبد الملك، قاله ابن منده، وحكى عن محمد بن القاسم الطائي أن عبد الله بن بسر كان معه في قريته، فقال: (هاجر أبي وأمي إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وأن النبي صلى الله عليه وسلم مسح بيده رأسي، وقال: يعيش هذا الغلام قرناً، قيل: يا رسول الله، وكم القرن؟ قال: مائة سنة، قال عبد الله: فلقد عشت خمس وتسعين سنة وبقيت لي خمس سنين إلى أن أتم قول رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال محمد: فحسبنا بعد ذلك خمس سنين ثم مات) قال الواقدي، ويحيى بن بكير، وعمرو بن علي: مات عبد الله بن بسر سنة ثماني وثمانين وهو ابن أربع وتسعين سنة، ويقال: أنه ممن صلى القبلتين، وليس له في جامع البخاري سواه انفرد به عن الأئمة الخمسة. وانفرد مسلم أيضاً عن البخاري بحديث له وليس في مسنده سواه من رواية يزيد بن خمير الرحبي الشامي، عن عبد الله بن بسر قال: (نزل النبي صلى الله عليه وسلم على أبي، قال: فقربنا إليه طعاماً ووطية فأكل منها ثم أتي بتمر فكان يأكله ويلقي النوى بين أصبعيه ويجمع السبابة والوسطى … الحديث)

ق 20 (أ)

أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن الحسين بن عبد الله بن الحسين الحارثي قراءةً عليه بحلب قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الحافظ سماعاً عليه بالإسكندرية قال: أخبرنا أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي قدم علينا أصبهان سنة إحدى وتسعين وأربعمائة، وفيها مات قال: أنبأ أبو سعيد محمد بن موسى بن الفضل بن شاذان الصيرفي قال: ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف الأصم قال: ثنا محمد بن هشام بن ملاس النميري من أهل دمشق سنة ست وستين ومائتين قال: حدثنا مروان بن معاوية قال: ثنا حُمَيْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: (أَرَادَت بَنُو سَلِمَةَ أَنْ يَتَحَوَّلُوا إِلَى قُرْبِ الْمَسْجِدِ، فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُعْرَى الْمَدِينَةُ، فَقَالَ «يَا بَنِى سَلِمَةَ. أَلَا تَحْتَسِبُونَ آثَارَكُمْ) .

رواه البخاري في الحج عن محمد بن سلام، عن أبي عبد الله مروان بن معاوية بن الحارث بن أسماء بن خارجة بن عُتيبة بن حصن بن حذيفة، أخي مالك وعوف وحَمَل قُتِلُوا يوم داحس والغبراء، والحارث وربيعة ورباب وزيد أولاد بدر، أخي جَاس ابني عمرو بن جُوَّبة بن لوذان بن ثعلبة بن عدي، أخي مازن وشمخ وظالم ومرة أولاد فزارة بن ذبيان

ق 20 (ب)

أخي عبس وأنمار، أولاد بغيض أخي أشجع ابني ريث بن عطفان بن سعد بن قيس بن عيلان، كان مروان كوفياً سكن دمشق ثم تحول إلى مكة ومات بها فجأة قبل يوم التورية سنة ثلاث وتسعين ومائة. وقع إلينا هذا الحديث بدلاً للبخاري، وقد رواه أيضاً في الصلاة عن محمد بن عبد الله بن حوشب، عن عبد الوهاب، عن حميد. ورواه ابن ماجة عن ابن المثنى، عن خالد بن الحارث، عن حميد.
আঠারোতম হাদিস

ইবনে মুদার; তাঁর নিজের, তাঁর পিতামাতার এবং তাঁর দুই ভাই আতিয়্যাহ বিন বুসর ও আস-সাম্মা বিনত বুসরের সাহাবিত্বের মর্যাদা অর্জিত ছিল। তিনি হিমসে বসতি স্থাপন করেন এবং তিনি ছিলেন সেখানে ও সিরিয়ায় অবস্থানকারী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের মধ্যে সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি। তিনি সেখানে সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে ছিয়ানব্বই হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন—একথা ইবনে মানদাহ বলেছেন। মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আত-তাঈ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, আব্দুল্লাহ বিন বুসর তাঁর সাথে তাঁর গ্রামে ছিলেন, তখন তিনি (আব্দুল্লাহ) বললেন: "আমার পিতা ও মাতা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হিজরত করেছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত দিয়ে আমার মাথা মুছে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: এই বালকটি এক শতাব্দী (এক কর্ন) বেঁচে থাকবে।" জিজ্ঞেস করা হলো: "হে আল্লাহর রাসূল, এক শতাব্দী কতকাল?" তিনি বললেন: "একশত বছর।" আব্দুল্লাহ বলেন: "আমি পঁচানব্বই বছর বেঁচেছি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী পূর্ণ হতে আমার আরও পাঁচ বছর বাকি আছে।" মুহাম্মদ বলেন: "অতঃপর আমরা আরও পাঁচ বছর গণনা করলাম এবং এরপর তিনি মারা গেলেন।" আল-ওয়াকিদি, ইয়াহইয়া বিন বুকাইর এবং আমর বিন আলী বলেন: "আব্দুল্লাহ বিন বুসর অষ্টাশি হিজরিতে চুরানব্বই বছর বয়সে মারা যান।" বলা হয় যে, তিনি ওই সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা উভয় কিবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছেন। জামে বুখারিতে এটি ছাড়া তাঁর আর কোনো হাদিস নেই, পাঁচজন ইমামের বিপরীতে তিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি ব্যতীত ইমাম মুসলিমও তাঁর বর্ণিত একটি হাদিস এককভাবে বর্ণনা করেছেন, যা ইয়াজিদ বিন খুমাইর আর-রাহবি আশ-শামি আব্দুল্লাহ বিন বুসর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পিতার নিকট মেহমান হিসেবে আসলেন। আব্দুল্লাহ বলেন: আমরা তাঁর নিকট খাবার এবং ওতিয়াহ (এক প্রকার খাবার) পেশ করলাম, তিনি তা থেকে আহার করলেন। এরপর তাঁর নিকট খেজুর আনা হলো, তিনি তা খাচ্ছিলেন এবং আঁটিগুলো তাঁর দুই আঙুলের—শাহাদাত ও মধ্যমা আঙুল—মাঝখানে রাখছিলেন এবং আঙুল দুটি একত্রিত করছিলেন … হাদিসটি শেষ পর্যন্ত।"

পৃষ্ঠা ২০ (ক)

আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-হারিসি আমাদের নিকট হালব শহরে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ আমাকে ইস্কান্দারিয়ায় শ্রবণ করিয়ে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মক্কি বিন মনসুর বিন মুহাম্মদ বিন আল্লান আল-কারজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তিনি চারশত একানব্বই হিজরিতে আস্পাহানে আমাদের নিকট আগমন করেন এবং সেই বছরই সেখানে মৃত্যুবরণ করেন—তিনি বলেন: আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফাদল বিন শাজান আস-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দামেস্কের অধিবাসী মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন মাল্লাস আন-নুমাইরি দুইশত ছেষট্টি হিজরিতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হুমাইদ থেকে এবং তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: (বনু সালিমাহ মসজিদের নিকটে স্থানান্তরিত হতে চাইল, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদিনার উপকণ্ঠ জনশূন্য হওয়া অপছন্দ করলেন। তাই তিনি বললেন: "হে বনু সালিমাহ! তোমরা কি তোমাদের পদচিহ্নের সওয়াব আশা করো না?")।

ইমাম বুখারি এটি হজ অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আব্দুল্লাহ মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া বিন আল-হারিস বিন আসমা বিন খারিজাহ বিন উতাইবাহ বিন হিসন বিন হুজাইফা থেকে বর্ণনা করেছেন; যিনি মালিক, আউফ এবং হামাল-এর ভাই—যারা দাহিস ও গাবরা যুদ্ধের দিন নিহত হয়েছিলেন—এবং হারিস, রাবিয়াহ, রাবাব ও জাইদ-এর ভাই, যারা বদর-এর পুত্র, জাস-এর ভাই; তারা আমর বিন জুওয়াবাহ বিন লাউজান বিন সা'লাবাহ বিন আদি-এর দুই পুত্র; আদি ছিলেন মাজিন, শামখ, জালিম ও মুররাহ-এর ভাই, যারা ফাজারাহ বিন জুবিয়ান-এর সন্তান।

পৃষ্ঠা ২০ (খ)

আবস ও আনমার-এর ভাই, যারা বাগীদ-এর সন্তান, যিনি আশজা-এর ভাই; তারা রাইস বিন গাতফান বিন সা’দ বিন কায়েস বিন আইলান-এর পুত্র। মারওয়ান কুফাবাসী ছিলেন, দামেস্কে বসবাস করতেন, এরপর মক্কায় চলে যান এবং সেখানে একশত তিরানব্বই হিজরিতে তারওয়িয়ার দিনের পূর্বে হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন। এই হাদিসটি বুখারির বর্ণনার বিকল্প হিসেবে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। ইমাম বুখারি এটি সালাত অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাওশাব থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহহাব থেকে এবং তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি খালিদ বিন আল-হারিস থেকে এবং তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢١)
الحديث التاسع عشر

أخبرنا أبو الحسن بن أبي عبد الله بن أبي الحسن البغدادي قراءةً عليه بالقاهرة قال: أنبأ الشيخان الشريف أبو هاشم عيسى بن أحمد بن محمد الهاشمي الدوشاني، والعالمة شهدة بنت أبي نصر أحمد بن الفرج بن عمر الدينوري قراءةً عليها ونحن نسمع ببغداد (ح) وأخبرنا الإمام أبو الحسن بن أبي الفضائل الفقيه الشافعي بالفسطاط قراءة عليه قال أخبرتنا شهدة بنت أحمد الأبري قراءةً عليها وأنا أسمع ببغداد، قالا: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن أبي القاسم علي بن أحمد بن محمد بن علي بن محمد البسري البندار قال: أنبأ أبو محمد عبد الله بن يحيى بن عبد الجبار السكري قال: قرئ على أبي علي إسماعيل محمد بن إسماعيل بن صالح الصفار

ق 21 (أ)

وأنا أسمع في المحرم سنة إحدى وأربعين وثلاثمائة قال: حدثنا معدان بن نصر بن منصور قال: حدثنا سفيان بن عيينة، سمع عمرو، جابر بن عبد لله يقول: (اصطبح ناس الخمر يوم أحد ثم قتلوا شهداء) قال سفيان: لم تكن حرمت.

رواه البخاري في الجهاد عن علي بن عبد الله، وفي التفسير عن صدقة بن الفضل، وفي المغازي عن عبد الله بن محمد، جميعاً عن ابن عيينة. فوقع بدلاً له.
উনবিংশতম হাদীস

আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আবুল হাসান আল-বাগদাদী কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দুই শাইখ—শরীফ আবু হাশিম ঈসা বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাশিমী আদ-দুশানী এবং বিদুষী শাহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আদ-দিনাওয়ারী—বাগদাদে তাঁদের নিকট পাঠকালে আমরা শ্রবণরত অবস্থায় আমাদের জানিয়েছেন। (হ) এবং ফুসতাতে ইমাম আবুল হাসান বিন আবিল ফাযায়েল আল-ফকীহ আশ-শাফিয়ী তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শাহদাহ বিনতে আহমাদ আল-আবরী বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণরত অবস্থায় আমাদের জানিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবিল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-বুসরী আল-বিনদার আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জাব্বার আস-সুককারী আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাঈল মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন সালিহ আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছে—

পৃষ্ঠা ২১ (ক)

এবং আমি ৩৪১ হিজরী সনের মুহাররাম মাসে তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: মা’দান বিন নাসর বিন মানসূর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর থেকে শুনেছেন, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: (উহুদের যুদ্ধের দিন সকালে একদল লোক মদ পান করেছিল, অতঃপর তারা শহীদ হিসেবে নিহত হয়।) সুফিয়ান বলেন: তখনও তা হারাম করা হয়নি।

এটি ইমাম বুখারী ‘জিহাদ’ অধ্যায়ে আলী বিন আব্দুল্লাহ হতে, ‘তাফসীর’ অধ্যায়ে সাদাকা বিন আল-ফাদল হতে এবং ‘মাগাযী’ অধ্যায়ে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ হতে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই ইবনে উয়াইনাহ থেকে। ফলে এটি উচ্চতর সনদের (বাদাল) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحديث العشرون

قرأت على الحافظ محدث الشام ومسنده أبي الحجاج يوسف بن خليل بن عبد الله الدمشقي بخلب، أخبرك شيخ الشيوخ أبو سعيد خليل بن أبي الرجاء بدر بن أبي الفتح ثابت الداراني الصوفي الأصبهاني قراءةً عليه بها قال: أنبأ أبو علي الحسن بن أحمد بن الحسن الحداد قال: أنبأ أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد الحافظ قال: ثنا أبو بكر أحمد بن يوسف بن خلاد قال: ثنا الحارث بن محمد بن أبي أسامة قال: ثنا عبد الله بن بكر قال: ثنا حُمَيْدٌ، عَنَّ أَنَس: (أَنَّ الرُّبَيِّعَ كَسَرَتْ ثَنِيَّةَ جَارِيَةٍ، فَطَلَبُوا إليها الْعَفْوَ فَأَبَوْا والأَرْشَ فَأَبَوْا فَأَتَوُا رسول الله صلى الله عليه وسلم فَأَبَوْا إلا الْقِصَاصِ، فَأَمَرَهُمْ رسول الله صلى الله عليه وسلم بِالْقِصَاصِ

ق 21 (ب)

. فَقَالَ أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ أَتُكْسَرُ ثَنِيَّةُ الرُّبَيِّعِ، لَا وَالَّذِى بَعَثَكَ بِالْحَقِّ، لَا تُكْسَرُ ثَنِيَّتُهَا فَقَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم «يَا أَنَسُ كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ» . فَرَضِىَ الْقَوْمُ فَعَفَوْا، فَقَالَ رسول صلى الله عليه وسلم «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لأَبَرَّهُ»

رواه البخاري في التفسير عن عبد الله بن منير، عن أبي وهب عبد الله بن بكر السهمي. فوقع بدلاً له. ورواه في التفسير أيضاً عن محمد بن سلام، عن مروان بن معاوية الفزاري، عن حميد، ورواه في التفسير أيضاً والصلح والديات عن الأنصاري، عن حميد. ورواه أبو داود في الديات عن مسدد، عن المعتمر، عن حميد. ورواه النسائي في القصاص عن حميد بن مسعدة، وإسماعيل بن مسعود ، عن بشر بن المفضل ، عن حميد، وفيه وفي المناقب والتفسير عن ابن المثنى، عن خالد بن الحارث، عن حميد، وفي القصاص عن إسحاق بن إبراهيم، عن أبي خالد، عن حميد مختصراً. ورواه ابن ماجة في الديات عن ابن المثنى، عن خالد، وابن أبي عدي، عن حميد. وقد وقع إلينا موافقة للبخاري في القاضي أبي عبد الله محمد بن عبد الله بن المثنى أخي قاضي البصرة ثمامة ابني عبد الله بن أنس بن مالك بن النضر بن ضمضم ين زيد بن حرام بن جندب

ق 22 (أ)

ابن عامر بن غنم بن عدي بن النجار.
বিংশতম হাদিস

আমি শামের হাফেজ, মুহাদ্দিস ও মুসনিদ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি-এর নিকট হালাবে পাঠ করেছি; শায়খুশ শুয়ুখ আবু সাঈদ খলিল বিন আবি আর-রাজা বদর বিন আবিল ফাতহ সাবিত আদ-দারানি আস-সুফি আল-আসবেহানি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হাফিজ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন মুহাম্মদ বিন আবি উসামা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন বকর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমায়দ, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন: (আর-রুবাইয়ি বিনতে নাদর এক কিশোরীর একটি সামনের দাঁত ভেঙে ফেলেন। অতঃপর তারা (রুবাইয়ির পরিবার) তাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করল, কিন্তু তারা অস্বীকার করল। তারা রক্তপণ (ক্ষতিপূরণ) দিতে চাইল, কিন্তু তারা তাও অস্বীকার করল। তখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এল, কিন্তু তারা কিসাস (প্রতিশোধ) গ্রহণ ছাড়া অন্য কিছুতে রাজি হলো না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে কিসাসের নির্দেশ দিলেন।

পৃষ্ঠা ২১ (খ)

তখন আনাস বিন নাদর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আর-রুবাইয়ির সামনের দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? না, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তার সামনের দাঁত ভাঙা হবে না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আনাস, আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস (দাঁতের বদলে দাঁত)»। অতঃপর সেই সম্প্রদায় (কিশোরীর পরিবার) সন্তুষ্ট হলো এবং তারা ক্ষমা করে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছেন, যারা আল্লাহর নামে কসম করলে আল্লাহ তা অবশ্যই পূরণ করে দেন»।

ইমাম বুখারি এটি তাফসির অধ্যায়ে আব্দুল্লাহ বিন মুনির থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব আব্দুল্লাহ বিন বকর আস-সাহমি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তার একটি বিকল্প বর্ণনা (বাদল) হিসেবে গণ্য হয়েছে। তিনি এটি তাফসির অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন সালাম থেকে, তিনি মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও তিনি তাফসির, সন্ধি এবং দিয়াত (রক্তপণ) অধ্যায়ে আনসারি থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ দিয়াত অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি মুতামির থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ কিসাস অধ্যায়ে হুমায়দ বিন মাসআদাহ এবং ইসমাইল বিন মাসউদ থেকে, তারা বিশর বিন আল-মুফাদ্দাল থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি মানাকিব ও তাফসির অধ্যায়ে ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি খালিদ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং কিসাস অধ্যায়ে ইসহাক বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু খালেদ থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ দিয়াত অধ্যায়ে ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি খালিদ থেকে এবং ইবনে আবি আদি থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট এটি বুখারির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সূত্রে পৌঁছেছে কাজী আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুসান্নার মাধ্যমে, যিনি বসরার কাজী সুমামার ভাই; তারা উভয়ে আব্দুল্লাহ বিন আনাস বিন মালিক বিন আন-নাদর বিন দামদাম বিন জায়েদ বিন হারাম বিন জুনদুব

পৃষ্ঠা ২২ (ক)

বিন আমির বিন গানম বিন আদি বিন আন-নাজ্জার-এর বংশধর।)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
أخبرناه الشيخ الصالح المحدث المقرئ أبو الحسن علي بن معالي بن أبي عبد الله بن غانم البغدادي الرصافي رصافة المهدي شرقي بغداد، وأبو محمد عبد الوهاب بن يعقوب بن أبي الفرج بن عمر بن أبي الديني الأزجي ببغداد، والحافظ أبو الحجاج يوسف بن خليل بحلب فيما قرأت عليهم قلت لكل واحد منهم: أخبرك أبو القاسم ذاكر بن كامل بن أبي غالب الخفاف، ويحيى بن أسعد بن يحيى بن نوش الزّنْدَوَرْدي، قالا: أنبأ أبو طالب عبد القادر بن محمد بن عبد القادر بن يوسف قال: أنبأ أبو إسحاق إبراهيم بن عمر بن أحمد الفقيه الحنبلي قال: أنبأ أبو محمد عبد الله بن إبراهيم بن أيوب البزاز قال: حدثنا أبو مسلم إبراهيم بن عبد الله بن مسلم البصري قال: حدثنا الأنصاري هو محمد بن عبد الله بن المثنى قال: حدثنا حُمَيْدٌ ، عَنْ أَنَسِ (أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ عَمَّتهَ لطمت جَارِيَةٍ فكَسَرَتْ سنها فَعَرَضُوا عَلَيْهِمُ الأَرْشَ فَأَبَوْا ، فَطَلَبُوا الْعَفْوَ فَأَبَوْا ، فَأَتَوُا النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهم بِالْقِصَاصِ ، فَجَاءَ أَخُوهَا أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَتُكْسَرُ سن الرُّبَيِّعِ؟ لَا وَالَّذِى بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا تُكْسَرُ سنهَا. فَقَالَ: يَا أَنَسُ كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ، فَعَفَا الْقَوْمُ. قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لأَبَرَّهُ)

ق 22 (ب)

الجزء الثاني من كتاب الأربعين العاليات الأبدال التساعيات للبخاري ومسلم أو أحدهما رحمة الله عليهما

تخريج شيخنا وسيدنا الإمام العالم العامل الحافظ قدوة الخلف بقية السلف مفتي المسلمين شرف الدين أبي محمد عبد المؤمن بن خلف بن أبي الحسن الدمياطي فسح الله في مدته وأعاد على المسلمين من بركته

لمخرجها خذها أحاديثاً أبدالاً مصححة وافت تساعية الإسناد في العدد في أولٍ وقعت فيه موافقة لأحمد بن شعيب قائل السَنددِ، وتلوه وردت فيه مصافحة لمسلم حافظ متقن الألفاظ والسندِ، ومثله بعد عشرينٍ موافقه للترمذي أبي عيسى حِمَاهُ رِدِ
আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন পুণ্যবান শায়খ, মুহাদ্দিস, ক্বারী আবুল হাসান আলী ইবনে মা’আলী ইবনে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে গানিম আল-বাগদাদী আল-রুসাফী—যিনি বাগদাদের পূর্ব দিকের রসাফাতুল মাহদীতে অবস্থান করতেন—এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবুল ফারাজ ইবনে উমর ইবনে আবু আদ-দ্বীনি আল-আযজী বাগদাদে, এবং হাফিজ আবু হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলিল হালব শহরে। আমি তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পাঠ করার সময় বলেছি: আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কাসেম জাকির ইবনে কামিল ইবনে আবু গালিব আল-খাফফাফ এবং ইয়াহইয়া ইবনে আসআদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে নুশ আয-যান্দাওয়ার্দী। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে ইউসুফ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-ফকিহ আল-হাম্বলী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আইয়ুব আল-বাযযায। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-বসরী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আনসারী, তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুসান্না। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, (আনাস ইবনে নাদরের বোন রুবাই বিনতে নাদর, যিনি তাঁর ফুফু ছিলেন, তিনি এক দাসীকে চড় মারেন এবং তার একটি দাঁত ভেঙে ফেলেন। তখন তাঁরা (রুবাইয়ের পরিবার) রক্তপণ পেশ করল কিন্তু অপরপক্ষ তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। অতঃপর তাঁরা ক্ষমা প্রার্থনা করল কিন্তু তাও তারা অস্বীকার করল। এরপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলে তিনি তাঁদের কিসাসের (প্রতিশোধের) নির্দেশ দিলেন। তখন রুবাইয়ের ভাই আনাস ইবনে নাদর এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! রুবাইয়ের দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? না, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর দাঁত ভাঙা হবে না। তখন তিনি বললেন: হে আনাস! আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস। অতঃপর লোকজন ক্ষমা করে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন: আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা যদি আল্লাহর নামে কসম করে তবে আল্লাহ তা অবশ্যই পূরণ করে দেন।)

পৃষ্ঠা ২২ (খ)

বুখারী ও মুসলিম অথবা তাঁদের যে কোনো একজনের বর্ণিত উচ্চ পর্যায়ের 'আবদাল' ও নয়জন বর্ণনাকারী বিশিষ্ট 'আরবাঈন' (চল্লিশ হাদিস) গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড, তাঁদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

এর সংকলক আমাদের শায়খ ও নেতা, আলিম, আমলকারী ইমাম, হাফিজ, উত্তরসূরিদের আদর্শ, পূর্বসূরিদের অবশিষ্টাংশ, মুসলিমদের মুফতি শরফ উদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মু’মিন ইবনে খালাফ ইবনে আবুল হাসান আদ-দিময়াতি। আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘায়িত করুন এবং তাঁর বরকত মুসলিমদের ওপর ফিরিয়ে দিন।

এর সংকলকের পক্ষ থেকে এই সহীহ 'আবদাল' হাদিসগুলো গ্রহণ করো, যা বর্ণনাকারীর সংখ্যায় নয় স্তরের সনদে পৌঁছেছে। এর শুরুতে ইমাম আহমদ ইবনে শুয়াইব (নাসায়ী)-এর সাথে বর্ণনাকারী সংখ্যায় সামঞ্জস্যের মর্যাদা অর্জিত হয়েছে। এর পরেরটিতে ইমাম মুসলিমের সাথে হাত মিলানোর মর্যাদা অর্জিত হয়েছে, যিনি শব্দের নির্ভুলতা ও সনদে পারদর্শী হাফিজ ছিলেন। আর বিশটি হাদিসের পর আবু ঈসা আত-তিরমিযীর সাথেও বর্ণনাকারী সংখ্যায় সামঞ্জস্যের মর্যাদা মিলেছে, আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
ق 23

.............................................................. (1)

ق 24 (أ)

أخبرناه أبو القاسم عبد الله بن الحسين بن عبد الله الأنصاري فيما قرأت عليه بحلب قال: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ قال: أنبأ الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي قال: أنبأ أبو سعيد محمد بن موسى بن الفضل بن شاذان الصيرفي قال: أنبأ أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف المعقلي قال: ثنا محمد بن هشام بن ملاس النميري من أهل دمشق سنة ست وستين ومائتين قال: ثنا مروان بن معاوية الفزاري قال: ثنا حميد الطويل عن أَنَسٌ رضي الله عنه قَالَ: (مَا شَمِمْتُ رائحة قَطُّ مِسْكة وَلَا عَنْبَرة أَطْيَبَ مِنْ رائحة رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَا مَسِسْتُ شَيْئاً قَطُّ خزة وَلَا حَرِيرة أَلْيَنَ مِنْ كف رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

--------------------------------------------

(1) هذه الورقة ساقطة، وفيها بداية الحديث الحادي والعشرون.
পৃষ্ঠা ২৩

.............................................................. (১)

পৃষ্ঠা ২৪ (ক)

আবুল কাসেম আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলেপ্পোতে তাঁর নিকট আমার পাঠকৃত সংবাদের ভিত্তিতে, তিনি বলেন: হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: রইস আবুল হাসান মক্কী বিন মনসুর বিন মুহাম্মদ বিন আল্লান আল-কারজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফজল বিন শাযান আস-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-মা’কিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দামেস্কের অধিবাসী মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন মাল্লাস আল-নুমাইরী দুইশত ছেষট্টি হিজরি সালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমায়দ আত-তাবীল আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (আমি কখনো কস্তুরী বা আম্বরের এমন কোনো সুগন্ধি আঘ্রাণ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুগন্ধির চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিল। আর আমি কখনো এমন কোনো মোটা রেশম বা চিকন রেশম স্পর্শ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল ছিল।)

--------------------------------------------

(১) এই পাতাটি হারিয়ে গেছে, এতে একুশতম হাদিসের শুরু ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
الحديث الثاني والعشرون

أخبرنا الأشياخ الأجلاء الخمسة أبوا القاسم الأنصاريان حمزة بن عمر بن عتيق بن أوس الغزال، وعبد الله بن الحسين بن عبد الله الشافعي، وأبو الحسن العليان بن أبي الفضائل المصري (1) وأبو محمد بن أبي منصور بن أبي الحسن الأزدي قراءةً على كل واحد منهم منفرد، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الحافظ قراءةً عليه ونحن نسمع قال: أنبأ الرئيس أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد بن أحمد بن محمود بن عبد الله بن إبراهيم الثقفي في الثاني من فوائده قراءةً عليه وأنا أسمع

ق 24 (ب)

بأصبهان سنة ثماني وثمانين وأربعمائة (ح) وقرأت على أبي العباس أحمد بن أبي الفتح المفرج بن علي بن عبد العزيز بن المفرج بن عمرو الدمشقي بها، عن أبي عبد الله محمد بن عبد الله بن العباس الحراني، وشهدة بنت أحمد بن الفرج بن عمر الأبري، وأم عُتب تجني بنت عبد الله الوهبانية (ح) وكتب إلينا أبو طالب عبد اللطيف بن محمد بن علي بن حمزة البغدادي منها قال: أخبرنا أبو عبد الله الحراني، وشهدة بنت الأبري، قال الحراني: أنبأ أبو الحسن هبة الله بن عبد الرزاق بن محمد بن عبد الله بن الليث الأشهلي. وقالت شهدة، وتجني: أنبأ الشريف النقيب أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي بن الحسن الزينبي قراءةً عليه ونحن نسمع، قالوا: أنبأ أبو الفتح هلال بن محمد بن جعفر بن سعدان قراءةً عليه ونحن نسمع قال: أنبأ أبو عبد الله الحسين بن يحيى بن عياش القطان قراءةً عليه وأنا أسمع سنة اثنتين وثلاثين وثلاثمائة قال: ثنا أبو الأشعث أحمد بن المقدام العجلي قال: ثنا حماد بن زيد، عن عاصم بن سليمان، عن عبد الله بن سرجس رضي الله عنه قال: (أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس في أصحابه فدرت من خلفه فعرف الذي أريد فألقى الرداء عن ظهره، فرأيت موضع الخاتم على نغض كتفه مثل الجمع حوله خيلان كأنها الثآليل فرجعت حتى استقبلته، فقلت: غفر الله لك يا رسول الله، فقال: ولك، فقال القوم: استغفر لك رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال: نعم، ولكم ثم تلا الآية "واستغفر لذنبك

ق 25 (أ)

وللمؤمنين والمؤمنات") .

رواه مسلم في فضائل النبي صلى الله عليه وسلم عن أبي كامل الجحدري. ورواه الترمذي في الشمائل عن أبي الأشعث أحمد بن المقدام بن سليمان بن الأشعث العجلي البصري. ورواه النسائي في التفسير عن يحيى بن حبيب، ثلاثتهم عن حماد بن زيد. فوقع موفقة بعلو درجتين للترمذي كأني سمعته من عبد الملك الكروخي، وبدلاً عالياً لمسلم والنسائي كأني سمعته من الفراوي وأبي زرعة، وهو أحد الأحاديث التساعيات التي وقعت إلينا موافقة بعلو درجتين. ورواه مسلم أيضاً عن سويد بن سعيد، عن علي بن مسهر. وعن حامد بن عمر، عن عبد الواحد بن زياد. ورواه النسائي أيضاً في اليوم والليلة عن أحمد بن عبدة، عن عبد الواحد. وعن بندار، عن غندر، عن شعبة، أربعتهم عن أبي عبد الرحمن عاصم بن سليمان الأحول البصري مولى بني تميم، قال ابن سعد: كان يتولى الولايات فكان بالكوفة على الحسبة في المكاييل والأوزان وكان قاضياً بالمدائن في خلافة أبي جعفر، مات سنة إحدى أو اثنتين وأربعين ومائة، عن عبد الله بن سرخس المزني البصري وهو من الصحابة الذين انفرد مسلم بإخراج حديثهم عن البخاري.
দ্বাবিংশ হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পাঁচজন মহান শাইখ—আবুল কাসিম আনসারিদ্বয় হামজাহ বিন উমর বিন আতিক বিন আউস আল-গাজ্জাল এবং আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিঈ, আবুল হাসান আল-উলইয়ান বিন আবিল ফাদায়িল আল-মিসরি এবং আবু মুহাম্মদ বিন আবি মানসুর বিন আবিল হাসান আল-আযদি; তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পৃথকভাবে পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি তাঁর সংকলিত ‘ফাওয়াইদ’-এর দ্বিতীয় খণ্ডে, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম

পৃষ্ঠা ২৪ (খ)

আসফাহানে চারশ আটাশি হিজরিতে। (হ) এবং আমি পাঠ করেছি আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আবিল ফাতহ আল-মুফাররাজ বিন আলী বিন আব্দুল আজিজ বিন আল-মুফাররাজ বিন আমর আদ-দিমাশকির নিকট দিমাশকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আব্বাস আল-হাররানি, শাহদাহ বিনতে আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আল-আবরী এবং উম্মু উতব তাজনি বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়াহ থেকে। (হ) এবং আমাদের নিকট লিখে পাঠিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হামজাহ আল-বাগদাদি সেখান থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাররানি এবং শাহদাহ বিনতে আল-আবরী। আল-হাররানি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-লাইস আল-আশহালি। শাহদাহ ও তাজনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শরিফ নাকীব আবু আল-ফাওয়ারিস তারাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-যাইনাবি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান, ৩৩২ হিজরিতে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, আসিম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সারজিস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আসলাম যখন তিনি তাঁর সাহাবীদের সাথে উপবিষ্ট ছিলেন। আমি তাঁর পেছন দিক দিয়ে ঘুরে আসলাম, ফলে আমি কী চাচ্ছি তা তিনি বুঝতে পারলেন এবং তাঁর পিঠ থেকে চাদরটি সরিয়ে দিলেন। তখন আমি তাঁর কাঁধের হাড়ের ওপর মোহরের স্থানটি দেখলাম যা একটি মুষ্টির মতো ছিল, তার চারপাশে তিল ছিল যেন সেগুলো আঁচিল। তারপর আমি ফিরে তাঁর সামনে আসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। তিনি বললেন: এবং তোমাকেও। উপস্থিত লোকেরা বলল: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তোমাদের জন্যও। তারপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: "এবং আপনার গুনাহের জন্য এবং মুমিন নারী ও পুরুষদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।")

পৃষ্ঠা ২৫ (ক)

এটি ইমাম মুসলিম ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ফজিলত’ অধ্যায়ে আবু কামিল আল-জাহদারি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি ‘শামাইল’-এ আবু আল-আশআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম বিন সুলাইমান বিন আল-আশআস আল-ইজলি আল-বাসরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি ‘তাফসির’-এ ইয়াহইয়া বিন হাবিব থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনেই হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি ইমাম তিরমিযীর সনদের সাথে দুই স্তরের উচ্চ সনদে (উলু) মিলে গিয়েছে, যেন আমি এটি আব্দুল মালিক আল-কারুখির নিকট থেকে শুনেছি। আর ইমাম মুসলিম ও নাসাঈর জন্য এটি একটি উচ্চতর স্থলাভিষিক্ত সনদ হয়েছে, যেন আমি এটি আল-ফারাবি ও আবু যুরআহ থেকে শুনেছি। এটি সেই নবম স্তরের (তুসায়িয়াত) হাদিসগুলোর অন্তর্ভুক্ত যা আমাদের নিকট দুই স্তরের উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। ইমাম মুসলিম এটি সুওয়াইদ বিন সাঈদ থেকে, তিনি আলী বিন মুশহির থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া হামিদ বিন উমর থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ থেকেও বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি ‘আল-ইয়াউম ওয়াল লাইলাহ’-তেও আহমাদ বিন আবদাহ থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং বুন্দার থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা চারজনেই আবু আব্দুর রহমান আসিম বিন সুলাইমান আল-আহওয়াল আল-বাসরি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি বনু তামীমের আযাদকৃত গোলাম ছিলেন। ইবনে সাদ বলেন: তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন; কুফায় তিনি মাপে ও ওজনে তদারকির দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন এবং আবু জাফরের খিলাফতকালে মাদায়েনের বিচারক ছিলেন। তিনি ১৪১ বা ১৪২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সারজাস আল-মুযানী আল-বাসরি থেকে, আর তিনি সেইসব সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত যাঁদের হাদিস ইমাম বুখারি বর্ণনা না করলেও ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
الحديث الثالث والعشرون

قرأت على الشيخ الصالح العالم أبي محمد عبد الوهاب بن أبي المنصور

ق 25 (ب)

ظافر بن علي بن فتوح بن الحسين بن إبراهيم المالكي بالإسكندرية في الرحلة الثانية، أخبرك الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم الأصبهاني قراءةً عليه وأنت تسمع بالثغر في يوم الأحد التاسع من شهر رجب سنة ثلاث وسبعين وخمسمائة قال: أنبأ السلار الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي قدم علينا أصبهان سنة إحدى وتسعين وأربعمائة وفيها مات قال: أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري بنيسابور قال: حدثنا أبو محمد حاجب بن أحمد بن يرحم بن سفيان بن نصر بن عبد الله الطوسي قال: حدثنا عبد الرحيم هو ابن منيب المروزي قال: ثنا ابن عيينة، عن ابن المنكدر، سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول: (كانت اليهود تقول في الذي يأتي امرأته من دبرها في قبلها أن الولد يكون أحول، فنزل "نساؤكم حرثٌ لكم فأتوا حرتكم أنى شئتم" يعني في الميتاء) .

وأخبرنا أبو الحسن بن أبي عبد الله البغدادي قراءةً عليه، عن أبي الكرم المبارك بن الحسن بن أحمد بن الشهرزوري، عن أبي محمد عبد الله بن محمد بن عبد الله الخطيب الصريفيني قال: ثنا أبو حفص عمر بن إبراهيم بن أحمد المقرئ المعروف بالكتاني قال: ثنا عبد الله بن محمد هو أبو القاسم البغوي قال: ثنا أبو كامل الجحدري (ح) وقرأت على علي بن الحسين النجار، عن أبي بكر محمد بن عبيد الله بن نصر بن السري

ق 26 (أ)

الزغواني قال: أنبأ أبو نصر محمد بن محمد بن علي العباسي الزينبي الزاهد قال: أنبأ أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن بن العباس المخلص قال: ثنا عبد الله هو البغوي قال: ثنا أبو كامل الفضيل بن الحسين الجحدري قال: ثنا أبو عوانة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله قال: (قالت اليهود إنما يكون الحول أن يأتي المرأة من خلفها، قال: فأنزل الله عز وجل "نساؤكم حرثٌ لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم" من بين يديها ومن خلفها ولا تأتها، وقال الكتاني: ولا تأتوها إلا في الميتاء) .

رواه مسلم في التفسير. والنسائي في عشرة النساء، جميعاً عن قتيبة، عن أبي عوانة واسمه الوضاح. ورواه مسلم أيضاً عن أبي بكر، وقتيبة، والناقد. ورواه الترمذي في التفسير عن محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني. ورواه ابن ماجة في النكاح عن سهل بن أبي سهل الداري، وجميل بن الحسن الجهضمي، ستتهم عن سفيان بن عيينة. فوقع بدلاً لمسلم من الوجهين جميعاً، وبدلاً للنسائي من رواية أبي عوانة، وبدلاً للترمذي وابن ماجة من رواية ابن عيينة. ورواه مسلم أيضاً والبخاري وأبو داود من حديث سفيان الثوري، عن محمد بن المنكدر. ورواه مسلم والنسائي من وجهين آخرين، فأما مسلم فرواه عن أبي قدامة اليشكري السرخسي، وأبي معن الرقاشي، وهارون الحمال جميعاً، عن وهب بن جرير، عن أبيه

ق 26 (ب)

عن النعمان بن راشد، عن الزهري، عن محمد بن المنكدر. وأما النسائي فرواه عن محمد بن عبد الله، عن شعيب بن الليث بن سعد، عن الليث، عن ابن الهاد، عن أبي حازم سلمة بن دينار، عن محمد بن المنكدر. فكأني من هذين الوجهين سمعته من الفقيه أبي إسحاق إبراهيم بن محمد بن سفيان النيسابوري صاحب مسلم، ومن القاضي أبي بكر أحمد بن محمد بن إسحاق الدينوري الحافظ عرف بابن السني صاحب النسائي، وكانت وفاة أبي إسحاق في رجب سنة ثمان وثلاثمائة، ووفاة ابن السني في العاشر من شوال سنة أربع وستين وثلاثمائة، ووفيات نظرائهما محمد بن يوسف الفربري في شوال سنة عشرين وثلاثمائة، ورفيقه منصور بن محمد بن علي بن قرينة سنة تسع وعشرين وثلاثمائة روى جامع البخاري عنه وكان ثقة، وأبي بكر محمد بن بكر بن محمد بن عبد الرزاق التمار البصري عرف بابن داسة سنة ست وأوربعين وثلاثمائة، ورفيقه أبي علي محمد بن أحمد بن عمرو اللؤلؤي، ورفيقهما أبي سعيد أحمد بن محمد بن سعيد بن زياد بن بشر بن درهم البصري عرف بابن الأعرابي سنة أربعين وثلاثمائة بمكة، وأبي العباس محمد بن أحمد المحبوبي في رمضان سنة ست وأربعين وثلاثمائة، وكان مولده سنة تسع وأربعين ومائتين، وأبي الحسن علي بن إبراهيم بن سلمة بن بحر القطان القزويني الفقيه الصالح الزاهد صاحب ابن ماجة سنة خمس وأربعين وثلاثمائة، وكان مولده سنة أربع وخمسين ومائتين. ورواية الزهري

ق 27 (أ)

، وأبي حازم هذا الحديث عن ابن المنكدر داخلة في رواية الأقران لأنهم من الطبقة الرابعة من التابعين رحمة الله عليهم أجمعين.
তেইশতম হাদিস

আমি দ্বিতীয় সফরের সময় আলেকজান্দ্রিয়াতে সৎ ও বিজ্ঞ শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আবিল মানসুর

পৃষ্ঠা ২৫ (বি)

জাফির বিন আলী বিন ফুতুহ বিন আল-হুসাইন বিন ইব্রাহিম আল-মালিকির নিকট পাঠ করেছি; হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-আসফাহানি আপনাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন আলেকজান্দ্রিয়ার সীমান্ত শহরে (আস-সাঘর), পাঁচশ তিয়াত্তর হিজরির রজব মাসের নয় তারিখ রবিবার। তিনি বলেন: আস-সাল্লার আর-রাইস আবু হাসান মক্কি বিন মনসুর বিন মুহাম্মদ বিন আল্লান আল-কারাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি চারশ একানব্বই হিজরিতে আসফাহানে এসেছিলেন এবং সেই বছরই তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি বলেন: কাজি আবু বকর আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ আল-হিরাশি আল-হিরি নিশাপুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমদ বিন ইয়ারহাম বিন সুফিয়ান বিন নাসর বিন আব্দুল্লাহ আত-তুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আব্দুর রহিম (যিনি ইবনে মুনীব আল-মারওয়াযি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ইবনে উয়াইনা ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: (ইয়াহুদিরা বলত যে, যদি কেউ তার স্ত্রীর যোনিপথে পেছন দিক থেকে সংগম করে, তবে সন্তান টেরা হবে। তখন অবতীর্ণ হলো: "তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো" অর্থাৎ যোনিপথে বা সন্তান প্রসবের স্থানে।) .

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান বিন আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি তাঁর নিকট পঠিত পাঠে, তিনি আবু কারাম আল-মুবারক বিন আল-হাসান বিন আহমদ ইবনে আশ-শাহরাযুরি থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-খতিব আস-সারিফিনি থেকে। তিনি বলেন: আবু হাফস উমর বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-মুকরি (যিনি আল-কাত্তানি নামে পরিচিত) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (যিনি আবু কাসিম আল-বাগাভি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু কামিল আল-জাহদারি (হ)। এবং আমি আলী বিন আল-হুসাইন আন-নাজ্জারের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন নাসর বিন আস-সাররি

পৃষ্ঠা ২৬ (এ)

আয-যাগওয়ানি থেকে। তিনি বলেন: আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-আব্বাসি আজ-যাইনিবি আজ-যাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখলিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ (যিনি আল-বাগাভি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু কামিল আল-ফুদাইল বিন আল-হুসাইন আল-জাহদারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু আওয়ানা মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: (ইয়াহুদিরা বলত যে, স্ত্রীর পেছন দিক থেকে মিলন করলে সন্তান টেরা হয়। তিনি বলেন: তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা নাযিল করলেন: "তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো" সম্মুখ থেকে হোক বা পেছন থেকে। তবে আল-কাত্তানি তার বর্ণনায় বলেছেন: তোমরা যোনিপথ ছাড়া অন্য কোথাও মিলন করো না।) .

মুসলিম এটি তাফসির অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি এটি 'ইশরাতুন নিসা' অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই কুতাইবাহ থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে (তাঁর নাম আল-ওয়াদদাহ)। মুসলিম এটি আবু বকর, কুতাইবাহ এবং আন-নাকিদ থেকেও বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি এটি তাফসির অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবু উমর আল-আদানি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি নিকাহ অধ্যায়ে সাহল বিন আবু সাহল আদ-দারি এবং জামিল বিন আল-হাসান আল-জাহদামি থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা ছয়জনই সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি উভয় সূত্র থেকেই মুসলিমের জন্য 'বদল' হিসেবে পরিগণিত হয়েছে, আর আবু আওয়ানার বর্ণনা থেকে নাসায়ির জন্য 'বদল', এবং ইবনে উয়াইনার বর্ণনা থেকে তিরমিজি ও ইবনে মাজাহর জন্য 'বদল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। মুসলিম, বুখারি ও আবু দাউদও এটি সুফিয়ান আস-সাওরির হাদিস থেকে মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদিরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম ও নাসায়ি আরও দুটি ভিন্ন সূত্র থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি আবু কুদামা আল-ইয়াশকারি আস-সাখরাসি, আবু মা'ন আর-রাকাশি এবং হারুন আল-হাম্মাল থেকে; তাঁরা সকলে ওহাব বিন জারির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে

পৃষ্ঠা ২৬ (বি)

তিনি নুমান বিন রাশিদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে। আর নাসায়ি এটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি ইবনুল হাদ থেকে, তিনি আবু হাযিম সালামাহ বিন দিনার থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেছেন। যেন আমি এই দুটি সূত্র থেকে মুসলিমের গ্রন্থ বর্ণনাকারী ফকিহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান আন-নিশাপুরি থেকে এবং নাসায়ির গ্রন্থ বর্ণনাকারী কাজি আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আদ-দিনাওয়ারি আল-হাফিজ (যিনি ইবনুস সুন্নি নামে পরিচিত) থেকে এটি শুনেছি। আবু ইসহাকের মৃত্যু ছিল তিনশ আট হিজরির রজব মাসে, আর ইবনুস সুন্নির মৃত্যু ছিল তিনশ চৌষট্টি হিজরির দশই শাওয়াল। তাঁদের সমসাময়িকদের মৃত্যু: মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফিরাবরি তিনশ বিশ হিজরির শাওয়াল মাসে; তাঁর সঙ্গী মনসুর বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন কুরিনা তিনশ উনত্রিশ হিজরিতে, যার নিকট থেকে জামে বুখারি বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন; আবু বকর মুহাম্মদ বিন বকর বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক আত-তাম্মার আল-বাসরি (যিনি ইবনে দাসা নামে পরিচিত) তিনশ ছেচল্লিশ হিজরিতে; তাঁর সঙ্গী আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আমর আল-লু'লুয়ি; তাঁদের সঙ্গী আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন যিয়াদ বিন বিশর বিন দিরহাম আল-বাসরি (যিনি ইবনুল আরাবি নামে পরিচিত) তিনশ চল্লিশ হিজরিতে মক্কায়; আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মাহবুবি তিনশ ছেচল্লিশ হিজরির রমজান মাসে, তাঁর জন্ম ছিল দুইশ উনপঞ্চাশ হিজরিতে; এবং ইবনে মাজাহর গ্রন্থ বর্ণনাকারী আবু হাসান আলী বিন ইব্রাহিম বিন সালামাহ বিন বাহর আল-কাত্তান আল-কাযওয়িনি, যিনি একজন সৎ ও যাহিদ ফকিহ ছিলেন, তাঁর মৃত্যু হয়েছে তিনশ পঁয়তাল্লিশ হিজরিতে, তাঁর জন্ম ছিল দুইশ চুয়ান্ন হিজরিতে। আর জুহরির বর্ণনা

পৃষ্ঠা ২৭ (এ)

এবং আবু হাযিমের ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি সমসাময়িকদের (আকরান) বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত, কারণ তাঁরা তাবেয়িদের চতুর্থ স্তরের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
الحديث الرابع والعشرون

أخبرنا الأشياخ الفقيه الخطيب أبو الحسن علي بن أبي الفضائل هبة الله بن سلامة اللخمي الشافعي بمنزله بالفسطاط عودا على بدء، وأبو محمد بن أبي المنصور بن أبي الحسن، وأبو القاسم عبد الرحمن بن مكي بن عبد الرحمن المالكيان بالإسكندرية في الثانية قراءةً وسماعاً، والعلامة أبو الحسن علي بن محمد بن عبد الصمد بن عبد الأحد بن عبد الغالب السخاوي من كتابه، قالوا: أنبأ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الحافظ قراءةً عليه ونحن نسمع بالثغر قال: أنبأ السلار الرئيس أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي قدم علينا أصبهان سنة إحدى وتسعين وأربعمائة وفيها مات قال: أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري بنيسابور قال: ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف الأصم قال: ثنا أبو يحيى زكريا بن يحيى بن أسد المروزي ببغداد باب خراسان سنة ثماني وستين ومائتين في المحرم قال: ثنا سفيان، عن الزهري، عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال: (قال رجل: يا رسول الله، متى الساعة؟ قال: وما أعددت لها، فلم يذكر

ق 27 (ب)

كبيراً إلا أنه يحب الله ورسوله، قال: فأنت مع من أحببت) .

رواه مسلم في الأدب عن أبي بكر، والناقد، وزهير، وابن نمير، وابن أبي عمر، جميعاً عن سفيان. فوقع بدلاً له. ورواه أيضاً من حديث مالك، عن إسحاق، عن أنس. ومن حديث جعفر بن سليمان، عن ثابت، عن أنس، وقد اتفقا عليه من حديث سالم بن أبي الجعد، عن أنس (1) . فرواه البخاري في الأدب عن عبدان عبد الله بن عثمان، عن أبيه، عن شعبة، عن عمرو بن مرة. وفي الأحكام عن عثمان بن أبي شيبة، عن جرير، عن منصور. ورواه مسلم عن عثمان، وإسحاق بن إبراهيم، عن جرير، عن منصور. وعن محمد بن يحيى اليشكري، عن عبدان، عن أبيه عثمان، عن شعبة، عن عمرو، جميعاً عن سالم. فباعتبار هذا العدد إلى أنس. كأني من رواية اليشكري عن عبدان سمعته من أبي إسحاق إبراهيم بن محمد بن سفيان صاحب مسلم بن الحجاج.

ــ

(1) في الهامش "وليس لسالم عن أنس في الصحيح"
চব্বিশতম হাদিস

আমাদেরকে বিজ্ঞ ফকিহ ও খতিব আবু হাসান আলী বিন আবিল ফাযায়েল হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ আল-লাখমি আশ-শাফিয়ি ফুসতাত নগরীতে তাঁর নিজ গৃহে ধারাবাহিকভাবে অবহিত করেছেন; এবং আবু মুহাম্মদ বিন আবিল মানসুর বিন আবিল হাসান এবং আবু কাসিম আবদুর রহমান বিন মক্কি বিন আবদুর রহমান আল-মালিকিদ্বয় আলেকজান্দ্রিয়াতে দ্বিতীয়বার পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন; এবং আল্লামা আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল আহাদ বিন আব্দুল গালিব আস-সাখাভি তাঁর কিতাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে বলেন: হাফিজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট পাঠ করেছেন এবং আমরা তা থাগর (আলেকজান্দ্রিয়া) নামক স্থানে শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: সালার রয়িস আবু হাসান মক্কি বিন মানসুর বিন মুহাম্মদ বিন আল্লান আল-কারজি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি ৪৯১ হিজরিতে আমাদের নিকট ইসফাহানে এসেছিলেন এবং সেই বছরই তিনি সেখানে পরলোকগমন করেন। তিনি বলেন: নঈশাপুরে কাজি আবু বকর আহমাদ বিন হাসান বিন আহমাদ আল-হারশি আল-হাইরি আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আসাদ আল-মারওয়াযি ২৬৮ হিজরির মহররম মাসে বাগদাদের খোরাসান তোরণে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহরি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেন: তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? সে বিশেষ বড় কোনো আমলের কথা উল্লেখ করল না, কেবল এইটুকু বলল যে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে। তিনি বললেন: তবে তুমি যার সাথে ভালোবাসা পোষণ করো, তার সাথেই থাকবে।)

পৃষ্ঠা ২৭ (খ)

ইমাম মুসলিম এটি 'শিষ্টাচার' (আদাব) অধ্যায়ে আবু বকর, আন-নাক্বিদ, জুহাইর, ইবনুন নুমাইর এবং ইবনু আবি উমর থেকে—তাঁরা সকলে সুফিয়ান থেকে—বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁর জন্য একটি বিকল্প সূত্র (বাদাল) হিসেবে গণ্য হয়েছে। তিনি এটি মালিকের সূত্রে ইসহাক থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও জাফর বিন সুলাইমান এর সূত্রে সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম বুখারি ও মুসলিম উভয়েই সালিম বিন আবিল জাদ-এর সূত্রে আনাস (১) থেকে বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারি এটি 'শিষ্টাচার' অধ্যায়ে আবদান আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর 'বিধান' (আহকাম) অধ্যায়ে উসমান বিন আবি শাইবাহ থেকে, তিনি জারির থেকে, তিনি মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি উসমান এবং ইসহাক বিন ইব্রাহিম থেকে—তাঁরা জারির থেকে, তিনি মানসুর থেকে—বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-ইয়াশকুরি থেকে, তিনি আবদান থেকে, তিনি তাঁর পিতা উসমান থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আমর থেকে—তাঁরা সকলে সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন। আনাস পর্যন্ত এই বর্ণনাকারীদের সংখ্যা বিবেচনা করলে, আল-ইয়াশকুরি-এর সূত্রে আবদান থেকে প্রাপ্ত এই বর্ণনাটি যেন আমি মুসলিম বিন হাজ্জাজের সহচর আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ানের নিকট থেকেই সরাসরি শুনেছি।

--

(১) টীকায় রয়েছে: "সহিহ গ্রন্থদ্বয়ে সালিমের সূত্রে আনাস থেকে কোনো বর্ণনা নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
الحديث الخامس والعشرون

قرأت على أبي محمد بن أبي منصور بن أبي الحسن المالكي بالثغر في الدفعة الثانية، أخبرك أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الفقيه قراءةً عليه وأنت تسمع في رجب سنة ثلاث وسبعين وخمسمائة

ق 28 (أ)

قال: أنبأ أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرجي سنة إحدى وتسعين وأربعمائة بأصبهان قال: أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري بنيسابور قال: ثنا أبو محمد حاجب بن أحمد بن يرحم بن سفيان بن نصر بن عبد الله الطوسي قال: ثنا عبد الرحيم هو ابن منيب المروزي قال: حدثنا سفيان، عن عبد الله بن دينار، سمع ابن عمر رضي الله عنهما يقول: (نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته)

وقرئ على علي بن الحسين النجار، عن أحمد بن محمد بن عبد العزيز القرشي وأنا أسمع، قال: أنبأ الحسن بن عبد الرحمن ين الحسن الشافعي قراءةً عليه وأنا أسمع قال: أنبأ أحمد بن إبراهيم بن أحمد الفراسي قال: أنبأ محمد بن إبراهيم بن عبد الله بن أبي الفضل قال: ثنا محمد بن أبي الأزهر الهاشمي قال: ثنا إسماعيل قال: ثنا عبد الله بن دينار، أنه سمع ابن عمر رضي الله عنهما يقول: (إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته) .

رواه مسلم في العتق عن أبي بكر، وزهير. ورواه الترمذي في الولاء عن ابن أبي عمر، ثلاثتهم عن سفيان بن عيينة. ورواه مسلم أيضاً عن يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن حجر. ورواه النسائي في البيوع عن علي بن حجر، أربعتهم عن إسماعيل بن جعفر فوقع بدلاً لمسلم من الوجهين جميعاً، وبدلاً

ق 28 (ب)

للترمذي من رواية سفيان، وبدلاً للنسائي من رواية إسماعيل. ورواه مسلم أيضاَ عن ابن رافع، عن ابن أبي فديك، عن الضحاك بن عثمان. وعن أبي موسى، عن الثقفي، عن عبيد الله بن عمر. وعن أبي موسى، عن غندر، عن شعبة. وعن ابن نمير، عن أبيه، عن الثوري. ورواه الترمذي أيضاً في البيوع عن بندار، عن ابن مهدي، عن الثوري، وشعبة. ورواه النسائي أيضاً من حديث عبيد الله، وشعبة، والثوري من طرق، منها أنه رواه عن علي بن سعيد بن مسروق، عن عبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، وسفيان الثوري، أربعتهم عن ابن دينار. ورواه النسائي أيضاً في جمعه حديث مالك، عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد، عن أبيه، عن جده، عن يحيى بن أيوب، عن مالك، عن ابن دينار. فباعتبار هذا العد إلى ابن دينار كأني سمعته من القاضي أبي بكر أحمد بن محمد بن إسحاق الدينوري المعروف بابن السني صاحب النسائي. ورواه البخاري في العتق من حديث شعبة، وفي الفرائض من حديث الثوري. ورواه أبو داود في الفرائض من حديث شعبة. وقد كتب إلينا المؤيد عاماً وحدثنا عنه غير واحد، عن اللؤلؤي، عن الفارسي، أن أبا أحمد الجلودي أخبرهم قال: سمعت إبراهيم بن محمد بن سفيان يقول: سمعت مسلم بن الحجاج يقول: الناس كلهم عيال على عبد الله بن دينار في هذا الحديث.

ق 29 (أ)
পঁচিশতম হাদিস

আমি আস-সাগার নামক স্থানে দ্বিতীয়বার পাঠের সময় আবু মুহাম্মদ বিন আবু মনসুর বিন আবু আল-হাসান আল-মালিকির নিকট পাঠ করেছি, (যিনি বলেন) আপনাকে আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-ফকিহ সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের সময় এবং আপনি তা শুনছিলেন ৫৭৩ হিজরির রজব মাসে।

পৃষ্ঠা ২৮ (ক)

তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মক্কি বিন মনসুর বিন মুহাম্মদ বিন আল্লান আল-কারজি ৪৯১ হিজরিতে ইসফাহানে। তিনি বলেন: নিশাপুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আল-হারাশি আল-হাইরি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ হাজিব বিন আহমাদ বিন ইয়ারহাম বিন সুফিয়ান বিন নাসর বিন আব্দুল্লাহ আত-তুসি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহিম—তিনি হলেন ইবনে মুনীব আল-মারওয়াযি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'ওয়ালা' [মুক্ত দাসের ওপর পূর্বতন মালিকের উত্তরাধিকারী হওয়ার অধিকার] বিক্রয় করা এবং তা দান করা থেকে নিষেধ করেছেন)।

আলি বিন আল-হুসাইন আন-নাজ্জারের নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-কুরাশি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের সময় এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ আল-ফারাাসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু আল-ফজল। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবু আল-আযহার আল-হাশেমি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দিনার, যে তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: (নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'ওয়ালা' বিক্রয় করা এবং তা দান করা থেকে নিষেধ করেছেন)।

ইমাম মুসলিম এটি 'দাসমুক্তি' অধ্যায়ে আবু বকর এবং জুহাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি 'ওয়ালা' অধ্যায়ে ইবনে আবি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা তিনজনই সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, কুতাইবা এবং ইবনে হাজার থেকে। ইমাম নাসায়ি এটি 'ক্রয়-বিক্রয়' অধ্যায়ে আলি বিন হাজার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা চারজনই ইসমাইল বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি উভয় দিক থেকে মুসলিমের জন্য 'বদল' হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এবং এটি একটি 'বদল'

পৃষ্ঠা ২৮ (খ)

তিরমিযীর জন্য সুফিয়ানের বর্ণনা থেকে এবং নাসায়ির জন্য ইসমাইলের বর্ণনা থেকে। মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন ইবনে রাফি থেকে, তিনি ইবনে আবি ফুদাইক থেকে, তিনি যাহহাক বিন উসমান থেকে। এছাড়া আবু মুসা থেকে, তিনি সাকফি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে। এছাড়া আবু মুসা থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু'বা থেকে। এবং ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাওরি থেকে। তিরমিযী এটি আরও বর্ণনা করেছেন 'ক্রয়-বিক্রয়' অধ্যায়ে বুন্দার থেকে, তিনি ইবনে মাহদি থেকে, তিনি সাওরি এবং শু'বা থেকে। নাসায়ি এটি আরও বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ, শু'বা এবং সাওরির হাদিস থেকে বিভিন্ন সূত্রে; তন্মধ্যে একটি হলো যে তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আলি বিন সাঈদ বিন মাসরুক থেকে, তিনি আব্দুর রহিম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন উমর ও সুফিয়ান সাওরি থেকে—তাঁরা চারজনই ইবনে দিনার থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি তাঁর 'হাদিসে মালিক' সংকলনে এটি আরও বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে দিনার থেকে। ইবনে দিনার পর্যন্ত এই ধারার হিসেবে এটি যেন আমি বিচারক আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আদ-দিনাওয়ারি থেকে শুনেছি, যিনি ইবনুস সুন্নি নামে পরিচিত এবং নাসায়ির ছাত্র। ইমাম বুখারি এটি 'দাসমুক্তি' অধ্যায়ে শু'বা-র হাদিস থেকে এবং 'উত্তরাধিকার' অধ্যায়ে সাওরির হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি 'উত্তরাধিকার' অধ্যায়ে শু'বা-র হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-মুয়াইয়িদ আমাদের নিকট ব্যাপকভাবে লিখেছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে একাধিক ব্যক্তি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লু'লুয়ি থেকে, তিনি ফারাসি থেকে, যে আবু আহমাদ আল-জালুদি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন এবং বলেছেন: আমি ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ানকে বলতে শুনেছি: আমি মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি: "এই হাদিসের ক্ষেত্রে সকল মানুষ আব্দুল্লাহ বিন দিনারের মুখাপেক্ষী।"

পৃষ্ঠা ২৯ (ক)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল আবদালুত তিসাইয়াতু লিল বুখারী ওয়া মুসলিম লিদ-দিমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
الحديث السادس والعشرون

أخبرنا أبو الحسن بن أبي عبد الله بن أبي الحسن البغدادي قراءةً عليه، عن الشريف أبي جعفر أحمد بن محمد بن عبد العزيز بن علي العباسي قال: أنبأ أبو علي الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن المكي قراءةًٍ عليه وأنا أسمع بمكة سنة اثنتين وسبعين وأربعمائة قال: أنبأ أبو الحسن أحمد بن إبراهيم بن أحمد العبقسي قال: أنبأ أبو جعفر محمد بن إبراهيم بن عبد الله الدبيلي قال: ثنا أبو صالح محمد بن أبي الأزهر قال: ثنا إسماعيل هو ابن جعفر المدني، ثنا عبد الله بن دينار، أنه سمع عبد الله بن عمر رضي الله عنهما يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (كلكم راع، وكلكم مسئول عن رعيته، فالأمير الذي على الناس راع عليهم وهو مسئول عن رعيته، والرجل راع على أهل بيته وهو مسئول عنهم، وامرأة الرجل راعية على بيت زوجها وولده وهي مسئولة عنهم، وعبد الرجل راع على مال سيده وهو مسئول عنه، فكلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته) .

رواه مسلم في المغازي عن يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة، وعلي بن حجر، عن إسماعيل. فوقع بدلاً له. ورواه أبو داود من حديث مالك عن ابن دينار، وقد اتفقا عليه من أوجه منها أن البخاري رواه عن بشر بن محمد المروزي، عن ابن المبارك. ورواه مسلم

ق 29 (ب)

عن حرملة، عن ابن وهب، كلاهما عن يونس، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، فاعتبار هذا العدد إلى ابن عمر كأني سمعته من عبد الله بن أحمد الحموي، ومحمد بن عيسى الجلودي، وكانت وفاة الحموي لليلتين بقيتا من ذي الحجة سنة إحدى وثمانين وثلاثمائة، ووفاة الجلودي في الرابع والعشرين من ذي الحجة سنة ثماني وستين وثلاثمائة، ووفيات نظرائهما القاضي أبي عمر القاسم بن جعفر الهاشمي في التاسع والعشرين من ذي القعدة سنة أربع عشرة وأربعمائة، ومولده في رجب سنة اثنتين وعشرين وثلاثمائة، وأبي محمد عبد الجبار بن محمد الجراحي في سنة اثنتي عشرة وأربعمائة، وسمع الدوني سنن النسائي من القاضي أبي نصر أحمد بن الحسن بن محمد الدينوري المعروف بابن الكسار في شوال سنة ثلاث وثلاثين وأربعمائة، وسمع المقومي سنن ابن ماجة من أبي طلحة القاسم بن أبي المنذر الخطيب في سنتي ثماني وتسع وأربعمائة.
ছাব্বিশতম হাদিস

আবু আল-হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আবি আল-হাসান আল-বাগদাদি আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি শরিফ আবু জাফর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আলি আল-আব্বাসি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু আলি আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আল-মাক্কি ৪৭২ হিজরি সনে মক্কায় আমার শ্রবণে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আহমাদ আল-আবকাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দুবাইলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আজহার আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল (যিনি ইবনে জাফর আল-মাদানি) আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, আর তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সুতরাং জনগণের উপর নিযুক্ত আমির একজন দায়িত্বশীল এবং তিনি তার প্রজাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবেন। আর পুরুষ তার পরিবারের সদস্যদের দায়িত্বশীল এবং সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। আর নারী তার স্বামীর ঘর ও সন্তানের দায়িত্বশীল এবং সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। আর মনিবের সম্পদের উপর গোলাম একজন দায়িত্বশীল এবং সে তার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। অতএব তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে)।

মুসলিম এটি 'আল-মাগাজি' অধ্যায়ে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, কুতায়বা এবং আলি বিন হুজর থেকে, তারা ইসমাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁর জন্য একটি বিকল্প উচ্চতর সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর আবু দাউদ এটি মালিকের হাদিস থেকে, ইবনে দিনার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি ও মুসলিম উভয়েই এই হাদিসের ওপর ঐক্যমত পোষণ করেছেন, যার অন্যতম সূত্র হলো বুখারি এটি বিশর বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযি থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন

পৃষ্ঠা ২৯ (খ)

হারমালা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তারা উভয়ই ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে উমর পর্যন্ত এই বর্ণনাকারীদের আধিক্য বা ধারাবাহিকতার বিবেচনাটি এমন যে, যেন আমি এটি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আল-হামাউয়ি এবং মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-জাল্লুদি থেকে শুনেছি। আল-হামাউয়ির মৃত্যু হয়েছিল ৩৮১ হিজরি সনের জিলহজ মাসের বাকি থাকা শেষ দুই রাতে। আর আল-জাল্লুদির মৃত্যু হয়েছিল ৩৬৮ হিজরি সনের ২৪ শে জিলহজ। তাদের সমসাময়িক অন্যদের মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে: কাজী আবু উমর আল-কাসিম বিন জাফর আল-হাশেমি ৪১৪ হিজরি সনের ২৯ শে জিলকদ, আর তার জন্ম হয়েছিল ৩২২ হিজরির রজব মাসে; এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বিন মুহাম্মদ আল-জাররাহি ৪১২ হিজরি সনে। আদ-দুনি 'সুনানে নাসায়ি' শ্রবণ করেছেন কাজী আবু নাসর আহমাদ বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আদ-দিনাওয়ারি (যিনি ইবনুল কাসসার নামে পরিচিত) থেকে ৪৩৩ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে। আর আল-মাকুমি 'সুনানে ইবনে মাজাহ' শ্রবণ করেছেন আবু তালহা আল-কাসিম বিন আবিল মুনজির আল-খাতিব থেকে ৪০৮ ও ৪০৯ হিজরি সনে।