(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث السباعيات الألف للشحامي (زاهر الشحامي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحاديث السباعيات الألف - مخطوط
المؤلف: زاهر بن طاهر بْنُ مُحَمَّدِ الشحّامي، أبو القاسم (ت 533هـ)
تخريج: محمد بن خرقي السحري اليمني
الأجزاء: 1، 2، 5، 6، 7، 8
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 118
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আশ-শহহামি কর্তৃক সংকলিত এক হাজার সুবায়িয়্যাত হাদিসসমূহ (যাহির আশ-শহহামি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: এক হাজার সুবায়িয়্যাত হাদিস - পাণ্ডুলিপি
লেখক: যাহির বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আশ-শহহামি، আবুল কাসিম (মৃত্যু ৫৩৩ হি.)
তাখরিজ: মুহাম্মদ বিন খুরকি আস-সাহরি আল-ইয়ামানি
খণ্ডসমূহ: ১، ২، ৫، ৬، ৭، ৮
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: আহমদ আল-খুদরি
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৮
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: الأحاديث السباعيات الألف - مخطوطالمؤلف: زاهر بن طاهر الشحاميالمتوفى: 533 هـتخريج: محمد بن خرقي السحري اليمنيالأجزاء: 1، 2، 5، 6، 7، 8
গ্রন্থ: আল-আহাদিস আস-সুবাইয়াত আল-আলফ - পাণ্ডুলিপিলেখক: জাহির বিন তাহির আশ-শাহামিমৃত্যু: ৫৩৩ হিজরিতাখরিজ: মুহাম্মাদ বিন খুরকি আস-সাহরি আল-ইয়ামানিখণ্ডসমূহ: ১, ২, ৫, ৬, ৭, ৮
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١)
الأحاديث السباعيات الألف المخرجة من أصول مسموعات زاهر بن طاهر الشحاميتخريج محمد بن خرقي بن محمد بن معاذ السحري اليمني -ق2أ-الجزء الأول بسم الله الرحمن الرحيمصلى الله علي سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم1-…أخبرنا الشيخ الإمام محدث خراسان أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشحامي النيسابوري قال أنبأ الإمام والشيخ أبو عبد الرحمن طاهر قال أنبأ القاضي أبو بكر أحمد بن الحسين الحسيني أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم بن منيب المروزي ثنا يزيد بن هارون ثنا حميد عن أنس قال ما كنا نَشَاءُ أَنْ نَرَى رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ مُصَلِّيًا إِلا رَأَيْنَاهُ وَمَا نَشَاءُ أَنْ نَرَاهُ نَائِمًا إِلا رَأَيْنَاهُ نَائِمًا هـ.2-…وبهذا الإسناد عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سمع المسلمين ببلد وهو ينادي يا أبا جهل بن هشام ويا عتبة بن ربيعة ويَا شَيْبَةُ بْنَ رَبِيعَةَ ويَا أُمَيَّةُ بْنَ خَلَفٍ ألا هَلْ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَ رَبُّكُمْ حَقًّا فَإِنِّي وَجَدْتُ مَا وَعَدَنِي رَبِّي حَقًّا قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ تُنَادِي قَوْمًا قَدْ جَيَّفُوا قَالَ مَا أَنْتُمْ بِأَسْمَعَ لِمَا أَقُولُ مِنْهُمْ وَلَكِنَّهُمْ لَا يَسْتَطِيعُونَ أَنْ يُجِيبُوا هـ.3-…وبهذا الإسناد عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال ألا أخبركم بِخَيْرِ دُورِ الأَنْصَارِ قَالُوا بَلَى يا رسول الله قَالَ دُورُ بَنِي النَّجَّارِ ثم دُورُ بَنِي الأَشْهَلِ ثم دُورُ بَنِي الْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ ثم دُورُ بَنِي سَاعِدَةَ وفِي كُلِّ دُورِ الأَنْصَارِ خَيْرٌ هـ.4-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن حمدان أنبأ الحسن بن سفيان بن عامر الشيباني النسوي وأبويعلى أحمد بن-ق2ب-
জহির বিন তাহের আশ-শাহহামীর শ্রুত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে সংকলিত এক হাজার সুবায়ি (সাত রাবির উচ্চ সনদবিশিষ্ট) হাদিসসমূহতাখরিজ: মুহাম্মদ বিন খিরকি বিন মুহাম্মদ বিন মুয়াজ আস-সাহরি আল-ইয়ামানি -পৃষ্ঠা ২ক-প্রথম খণ্ড পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।১-…আমাদের শাইখ, ইমাম, খুরাসানের মুহাদ্দিস আবু আল-কাসিম জহির বিন তাহের বিন মুহাম্মদ আশ-শাহহামি আন-নিশাপুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম ও শাইখ আবু আবদুর রহমান তাহের আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাজি আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-হুসাইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজিব বিন আহমদ আত-তুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহিম বিন মুনীব আল-মারওয়াজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াজিদ বিন হারুন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হুমাইদ আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাতের বেলা আমরা যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাতরত অবস্থায় দেখার ইচ্ছা করতাম, তখনই আমরা তাঁকে সালাতরত অবস্থায় দেখতাম; আর যখনই তাঁকে নিদ্রারত অবস্থায় দেখার ইচ্ছা করতাম, তখনই তাঁকে নিদ্রারত অবস্থায় দেখতাম।২-…এবং একই সনদে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জনপদে মুসলমানদের কথা শুনলেন এবং তিনি ডাকছিলেন: হে আবু জাহল বিন হিশাম, হে উতবাহ বিন রবিআহ, হে শায়বাহ বিন রবিআহ এবং হে উমাইয়াহ বিন খালাফ! তোমাদের রব তোমাদের সাথে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা কি তোমরা সত্য হিসেবে পেয়েছ? কেননা আমার রব আমাকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা আমি সত্য হিসেবে পেয়েছি। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি এমন এক কওমকে ডাকছেন যারা মৃতদেহে পরিণত হয়েছে? তিনি বললেন: আমি যা বলছি তা তোমরা তাদের চেয়ে বেশি শুনছ না, কিন্তু তারা উত্তর দিতে সক্ষম নয়।৩-…এবং একই সনদে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি কি তোমাদের আনসারদের শ্রেষ্ঠ ঘরগুলো (পরিবারগুলো) সম্পর্কে খবর দেব না? তারা বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: বনু আন-নাজ্জারের ঘরসমূহ, তারপর বনু আল-আশহালের ঘরসমূহ, তারপর বনু আল-হারিস বিন আল-খাযরাজ এর ঘরসমূহ, তারপর বনু সাঈদার ঘরসমূহ; আর আনসারদের প্রতিটি ঘরেই কল্যাণ রয়েছে।৪-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-কাঞ্জারুজি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান বিন আমির আশ-শায়বানি আন-নাসাউয়ি এবং আবু ইয়া’লা আহমদ বিন...-পৃষ্ঠা ২খ-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢)
علي بن المثنى الموصلي قالا ثنا عبد الله بن محمد بن أسماء ثنا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال ما حق امريء مُسْلِمٍ لَهُ شَيْءٌ يُوصَي فِيهِ أن يَبِيتُ لَيْلَتَيْنِ إِلَاّ وَوَصِيَّتُهُ مَكْتُوبَةٌ عِنْدَهُ.5-…وبهذا الإسناد عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كان ينهي إذا كان نفر ثلاثة أن يتناجى اثنان منهم دون الثالث هـ.6-…وَبِهَذَا الإِسْنَادِ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ كان يقول أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ أَلَا إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا مَاتَ عُرض عَلَيْهِ مَقْعَدُهُ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ إِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَمِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ فَمِنْ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى يَبْعَثه الله يَوْمِ الْقِيَامَةِ.7-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أبو الحسين محمد بن عبد الله الدقاق ببغداد أنبأ البغوي ثنا محمد بن كثير بن مروان الفهري ثنا عبد الله بن لهيعة عن أبي قبيل عن عبد الله بن عمرو قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من عطس أو تجشأ فقال الحمد لله على كل حال من الحال دفع عنه بها سبعون داء أهونها الجذام.8-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصياد الصوفي في أخرين قالوا أنبا أبومحمد الحسن بن أحمد الخليلي أنبأ محمد بن إسحاق بن إبراهيم الثقفي أنبأ قتيبة بن سعيد ثنا جعفر بن سليمان عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كان يَزُورُ الأَنْصَارَ فَيُسَلِّمُ عَلَى صِبْيَانِهِمْ وَيَمْسَحُ بِرُءوسِهِمْ.9-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي أنبأ أبو عمرو بن حمدان أنبأ الحسن بن سفيان ثنا يزيد بن صالح ثنا العمري عن نافع عن ابن عمر:"خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حجاجا، فما أحللنا من شئ حتى أحللنا يوم النحر".10-…حدثنا-ق3أ-
আলী বিন আল-মুসান্না আল-মাওসিলী এবং অন্য একজন বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। জুওয়াইরিয়াহ বিন আসমা নাফে’র সূত্রে এবং তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোনো মুসলিম ব্যক্তির কাছে অসিয়ত করার মতো কোনো কিছু থাকলে, তার জন্য এটি সংগত নয় যে, সে দুই রাত অতিবাহিত করবে অথচ তার নিকট তার অসিয়তটি লিখিত অবস্থায় থাকবে না।”৫-…এবং এই একই সনদে ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তিনজন লোক একত্র হতো, তখন তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে অন্য দুইজনকে গোপনে কথা বলতে নিষেধ করতেন।৬-…এবং এই একই সনদে নাফে’র সূত্রে বর্ণিত যে, আব্দুল্লাহ (রা.) বলতেন যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জেনে রেখো, তোমাদের কেউ যখন মারা যায়, তখন সকাল এবং সন্ধ্যায় তার সামনে তার (পরকালের) আবাসস্থল উপস্থাপন করা হয়। সে যদি জান্নাতী হয় তবে জান্নাতীদের আবাসস্থল, আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নামীদের আবাসস্থল দেখানো হয়। যতক্ষণ না কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে পুনরুত্থিত করেন।”৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ আল-বাহীউরী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক বাগদাদে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বাগাবী। মুহাম্মদ বিন কাসীর বিন মারওয়ান আল-ফিহরী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ বিন লাহীআহ আবু কবীলের সূত্রে এবং তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি হাঁচি দেয় কিংবা ঢেকুর তোলে এবং বলে ‘আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল’ (সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা), এর বরকতে তার থেকে সত্তরটি রোগ দূর করে দেওয়া হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে নগণ্য হলো কুষ্ঠরোগ।”৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সাইয়্যাদ আস-সূফী এবং অন্যান্যরা। তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ আল-খালীলী। মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। কুতাইবাহ বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। জাফর বিন সুলাইমান সাবিতের সূত্রে এবং তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারদের সাথে সাক্ষাৎ করতে যেতেন, তাদের শিশুদের সালাম দিতেন এবং তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন।৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কানজুরূযী। আবু আমর বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইয়াযীদ বিন সালিহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। আল-উমারী নাফে’র সূত্রে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: “আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জ করার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম। অতঃপর নহরের দিন (কুরবানীর দিন) হালাল হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা ইহরামের কোনো কিছু থেকেই হালাল হইনি।”১০-…আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন-পৃষ্ঠা ৩ক-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٣)
وَالِدِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّحَّامِيُّ أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الحسن الجبلي أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم بن منيب ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ في بيته فاطلع رجل مِنْ خَلَلِ الْبَابِ فَسَدَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ بِمِشْقَصٍ فَتَأَخَّرَ.11-…أخبرنا الشيخ أبو عثمان سعيد بن محمد بن محمد بن الجنيد البحيري السمسار في آخرين قالوا أنبا أبو الحسين أحمد بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بن إسحاق بن إبراهيم السراج ثثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَزِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ قَالا ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى ذات يوم فسمع بكاء صبي فتجوز في الصلاة فظننا أنه إنما صنع ذلك رحمة له.12-…أخبرنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ الْعُمَرِيُّ الْهَرَوِيُّ أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بن محمد بن أحمد الأنصاري أنبأ البغوي ثنا أبو جهم العلاء بن موسى بن عطية الباهلي سنة تسع وعشرين ومائتين ثنا الليث بن سعد المصري عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قال إن امْرَأَة وُجِدَتْ فِي بَعْضِ مَغَازِي رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَقْتُولَةً فأنكر رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ هـ.13-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ أنبأ محمد بن هارون بن حميد بن المُجدر ثنا محمد بن بكار بن الريان ثنا العطاف بن خالد عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ طلق امرأته عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وهي حائض فجاء عمر إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مره فليراجعها حتى إذا طهرت فأراد أن يطلقها فليطلقها وإن بدا له أن يمسكها فليمسكها هـ.-ق3ب-
আমার পিতা আবু আবদুর রহমান তাহির ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিচারক আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান আল-জাবালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজিব ইবনে আহমদ আত-তুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহিম ইবনে মুনিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুমাইদ আমাদের আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ঘরে ছিলেন, তখন এক ব্যক্তি দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি চওড়া তীরের ফলা নিয়ে তার দিকে তেড়ে গেলেন, ফলে সে পিছিয়ে গেল।১১-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জুনাইদ আল-বুহাইরি আস-সামসার এবং আরও অনেকে। তাঁরা বলেছেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম ও জিয়াদ ইবনে আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুমাইদ আমাদের আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন সালাত আদায় করছিলেন, তখন তিনি একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন, ফলে তিনি সালাত সংক্ষিপ্ত করলেন। আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি তাঁর প্রতি দয়াপরবশ হয়েই এমনটি করেছেন।১২-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবি আসিম আল-উমারি আল-হারাওয়ি, আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আনসারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বাগাউয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাহম আল-আলা ইবনে মুসা ইবনে আতিয়্যাহ আল-বাহিলি দুইশত ঊনত্রিশ হিজরি সনে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লাইস ইবনে সাদ আল-মিসরি আমাদের নাফি থেকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোনো এক যুদ্ধে এক নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নারী ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করলেন।১৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে হুমাইদ ইবনুল মুজাদদার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার ইবনুর রাইয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আত্তাাফ ইবনে খালিদ আমাদের নাফি থেকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে তাঁর স্ত্রীকে ঋতুস্রাব অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। তখন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন: "তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর যখন সে পবিত্র হবে, তখন যদি সে তাকে তালাক দিতে চায় তবে যেন তালাক দেয়, আর যদি তাকে রেখে দিতে চায় তবে যেন রেখে দেয়"।-পৃষ্ঠা ৩খ-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٤)
14-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خلف المغربي أنبا أبو الفضل عبيد الله بن محمد بن عبد الله الْفَامِيُّ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بن إبراهيم الثقفي ثنا قتيبة بن سعيد ثنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال استعمل على المدينة رجل من آل مروان قال فَدَعَا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ فَأَمَرَهُ أَنْ يَشْتِمَ عَلِيًّا قَالَ فَأَبَى سَهْلٌ فَقَالَ لَهُ أَمَّا إِذْ أَبَيْتَ فَقُلْ لَعَنَ اللَّهُ أَبَا تُرَابٍ فَقَالَ سَهْلٌ مَا كَانَ لِعَلِيٍّ اسْمٌ أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ أَبِي تُرَابٍ وَإِنْ كَانَ لَيَفْرَحُ إِذَا دُعِيَ بِهَا فَقَالَ لَهُ أَنبأ عَنْ قِصَّتِهِ لِمَ سُمِّيَ أَبَا تُرَابٍ قَالَ جَاءَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ فَاطِمَةَ فَلَمْ يَجِدْ عَلِيًّا فِي الْبَيْتِ فَقَالَ لَهَا أَيْنَ ابْنُ عَمِّكِ فَقَالَتْ كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ شَيْءٌ فَغَاضَبَنِي فَخَرَجَ وَلَمْ يَقِلْ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لإِنْسَانٍ انْظُرْ أَيْنَ هُوَ فَجَاءَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ هُوَ فِي الْمَسْجِدِ رَاقِدٌ فَجَاءَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مُضْطَجِعٌ قَدْ سَقَطَ رِدَاؤُهُ عَنْ شِقِّهِ فَأَصَابَهُ تُرَابٌ فَجَعَلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَمْسَحُهُ عَنْهُ وَيَقُولُ قُمْ أَبَا تُرَابٍ قُمْ أَبَا تُرَابٍ. روياه في الصحيح عن قتيبة بن سعيد هـ.15-…أخبرنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن أحمد بن حسكويه سنة خمسين وأربعمائة أنبأ أبو الحسين أحمد بن الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السراج ثنا عبد الله بن الجراح ثنا حماد بن زيد عن عبد العزيز بن صهيب عن أنس بن مالك أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا دَخَلَ الْخَلاءَ قَالَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بك من الخبث والخبائث.
১৪-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মানসুর বিন খালাফ আল-মাগরিবী, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফামী থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আস-সাকাফী থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন কুতায়বা বিন সাঈদ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আবি হাযিম থেকে, তিনি আবি হাযিম থেকে, তিনি সাহল বিন সা’দ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মারওয়ান পরিবারের এক ব্যক্তিকে মদীনার প্রশাসক নিযুক্ত করা হলো। তিনি সাহল বিন সা’দকে ডাকলেন এবং তাকে আলী (রা.)-কে গালি দেওয়ার আদেশ দিলেন। সাহল তা অস্বীকার করলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, “যদি তুমি (গালি দিতে) অস্বীকারই করো, তবে বলো: আল্লাহ আবু তুরাবকে লানত করুন।” সাহল বললেন, আলীর নিকট ‘আবু তুরাব’ নামের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কোনো নাম ছিল না এবং যখন তাকে এই নামে ডাকা হতো তখন তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হতেন। তিনি (প্রশাসক) তাকে বললেন, আমাদের তার ঘটনাটি বর্ণনা করো যে, কেন তার নাম ‘আবু তুরাব’ রাখা হলো? সাহল বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমার ঘরে আসলেন কিন্তু ঘরে আলীকে পেলেন না। তিনি ফাতিমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার চাচাতো ভাই কোথায়?” ফাতিমা বললেন, “আমার ও তার মধ্যে কিছু একটা (মনোমালিন্য) হয়েছে, এতে তিনি আমার ওপর রাগান্বিত হয়ে বেরিয়ে গেছেন এবং আমার এখানে দুপুরের বিশ্রাম করেননি।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে বললেন, “দেখো সে কোথায়।” সে ফিরে এসে বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! তিনি মসজিদে ঘুমাচ্ছেন।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট আসলেন, তখন তিনি কাত হয়ে শুয়ে ছিলেন, তার শরীরের পাশ থেকে চাদরটি পড়ে গিয়েছিল এবং তার শরীরে মাটি লেগেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার শরীর থেকে মাটি মুছতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, “ওঠো হে আবু তুরাব! ওঠো হে আবু তুরাব!” তাঁরা উভয়ই (ইমাম বুখারী ও মুসলিম) কুতায়বা বিন সাঈদ থেকে এটি তাদের সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।১৫-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাসকুয়াইহ ৪৫০ হিজরী সনে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন আল-খাফফাফ থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-জাররাহ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ বিন সুহাইব থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: “হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট পুরুষ ও নারী শয়তানদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٥)
16-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي سنة إحدى وخمسين وأربعمائة ثنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الهمداني سنة ست وثمانين وثلاثمائة ثنا أبو علي إسماعيل-ق4أ-بن محمد الصفار ثنا محمد بن علي الدقاق ثنا أبو نعيم الفضل بن دكين ثنا فطر حدثني أبو خالد الوالبي قال سمعت جابر بن سمرة يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بعثت أنا والساعة كهاتين هذه يعني إصبعه الوسطى من السبابة.17-…أخبرنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الطريثيثي اللحساني سنة اثنتين وخمسين وأربعمائة بقراءة والدي عليه أنبأ أبو معاذ شاه بن عبد الرحمن بن محمد بن مأمون الهروي بها سنة اثنتين وتسعين وثلاثمائة أنبأ أبو الحسن علي بن عبد الله بن دينار بن مبشر الواسطي بها سنة ثلاث وعشرين وثلاثمائة ثنا أبو الأشعث ثنا حماد بن زيد عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سرجس قال أَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِهِ فَدُرْتُ هَكَذَا مِنْ خَلْفِهِ فَعَرَفَ الَّذِي أُرِيدُ فَأَلْقَى الرِّدَاءَ عَنْ ظَهْرِهِ فَرَأَيْتُ مَوْضِعَ الْخَاتَمِ عَلَى كَتِفَيْهِ مِثْلَ الْجُمْعِ حَوْلَه خِيلانٌ كَأَنَّهَا الثَآلِيلُ فَرَجَع فاسْتَقْبَلْتُهُ فَقُلْتُ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ يَا رَسُولَ اللهِ فَقَالَ وَلَكَ فَقَالَ الْقَوْمُ أَسْتَغْفَرَ لَكَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ نَعَمْ وَلَكُمْ ثُمَّ تَلا الآيَةَ "وَاسْتَغْفِرْ لِذَنْبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ ".
১৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কাঞ্জারুযী চারশত একান্ন হিজরীতে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন আল-হুসাইন আল-হামাদানী তিনশত ছিয়াশি হিজরীতে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আলী ইসমাঈল-পৃষ্ঠা ৪ক-ইবন মুহাম্মাদ আস-সাফফার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আলী আদ-দাক্কাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-ফাদল ইবন দুকাইন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফিতর, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু খালিদ আল-ওয়ালিবি, তিনি বলেন, আমি জাবির ইবন সামুরাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি এবং কিয়ামত এই দুটির ন্যায় প্রেরিত হয়েছি।" অর্থাৎ তিনি তাঁর তর্জনীর সাথে মধ্যমা অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করলেন।১৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন জাফর আত-তুরাইথীছী আল-লাহসানী চারশত বাহান্ন হিজরীতে আমার পিতার তাঁর নিকট পঠনকালে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুআয শাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন মামুন আল-হারাভী সেখানে তিনশত বিরানব্বই হিজরীতে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবন আবদুল্লাহ ইবন দীনার ইবন মুবাশশির আল-ওয়াসিতী সেখানে তিনশত তেইশ হিজরীতে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআছ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়দ আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন সারজিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি তাঁর সাহাবীদের এক দলের মাঝে ছিলেন। আমি তাঁর পিছন দিক থেকে এভাবে ঘুরলাম, তিনি বুঝতে পারলেন আমি কী চাইছি, তাই তিনি তাঁর পিঠ থেকে চাদরটি সরিয়ে দিলেন। তখন আমি তাঁর দুই কাঁধের মাঝখানে মোহরের স্থানটি দেখলাম যা ছিল মুষ্টিবদ্ধ হাতের ন্যায় এবং এর চারপাশে আঁচিলের মতো কিছু তিল ছিল। অতঃপর আমি ফিরে তাঁর সামনে আসলাম এবং বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন।" তিনি বললেন: "এবং তোমাকেও।" তখন লোকেরা বলল: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, এবং তোমাদের জন্যও।" অতঃপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: "এবং আপনার ত্রুটির জন্য এবং মুমিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।"
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٦)
18-…أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ محمد النامقي أنبا أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الزَّعْفَرَانِيُّ أنبا أَبُو عَمْرٍو إِسْمَاعِيلُ بْنُ نُجَيْدٍ السُّلَمِيُّ أنبا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عبد الله الكجي ثنا محمد بن عبد الله الأنصاري ثنا سليمان التيمي ثنا أنس بن مالك قال عطس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلان فشمت أحدهما ولم يشمت الآخر أو فسمت أحدهما ولم يسمت الآخر فقال إن هذا حمد الله فشمته وإن هذا لم يحمد الله فلم اشمته هـ.19-…أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ أنبا أبو الحسن أحمد بن إبراهيم العدوي-ق4ب-أنبا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بن خزيمة ثنا علي بن حجر ثنا إسماعيل بن بشر عن عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر أنه سمع أنس بن مالك يقول أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم في دارنا فحلبت شاة فصببت عليه من ماء بئر ثم أعطي رسو ل الله صلى الله عليه وسلم فشرب وكان أبو بكر عن يساره وعمر جابهه وناس والأعرابي عن يمينه فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عمر يا رسول الله أَبُو بَكْرٍ، يُؤْذِنُهُ بِهِ لِيُعْطِيَهُ فَضْلَهُ، فَأَعْطَى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الأَعْرَابِيَّ، وقال الأيمنون، قَالَ أَنَسٌ: فَهِيَ سُنَّةٌ.20-…حدثنا وَالِدِي أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الحسن الحسيني أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم بن منيب المروزي ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أن المؤذن كان يقيم فعرض لرسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فحبسه حتى نعس بعض القوم ثم صلى بهم.
১৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আন-নামিকি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান আজ-জাফরানি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইসমাইল ইবন নুজাইদ আস-সুলামি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবন আবদুল্লাহ আল-কাজ্জি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আল-আনসারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবন মালিক থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দিল। তখন তিনি তাদের একজনের হাঁচির জবাব দিলেন (ইয়ারহামুকাল্লাহ বললেন), কিন্তু অন্যজনের দিলেন না; অথবা তিনি একজনের জন্য দোয়া করলেন কিন্তু অন্যজনের জন্য করলেন না। এরপর তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিয়েছি। আর ওই ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিইনি।”১৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবি বকর আল-আদিব, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ ইবন ইব্রাহিম আল-আদাবি-৪খ-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন খুজাইমা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন হাজার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবন বিশর, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন মা’মার থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঘরে আসলেন। আমি একটি বকরির দুধ দোহন করলাম এবং তাতে কূপের পানি মিশ্রিত করলাম। এরপর তা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেওয়া হলো এবং তিনি তা পান করলেন। আবু বকর ছিলেন তাঁর বাম পাশে, উমর ছিলেন তাঁর সামনে এবং আরও কিছু লোক ছিল, আর একজন গ্রাম্য আরব (বেদুইন) ছিল তাঁর ডান পাশে। যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান শেষ করলেন, তখন উমর বললেন: “হে আল্লাহর রাসূল, এই যে আবু বকর”—তিনি তাঁকে এটি অবহিত করছিলেন যাতে তিনি তাঁর অবশিষ্টাংশ তাকে প্রদান করেন। কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ওই গ্রাম্য আরবকে দিয়ে দিলেন এবং বললেন: “ডান দিকের ব্যক্তিরাই অগ্রগণ্য।” আনাস বললেন: “এটিই সুন্নাহ।”২০-…আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর আহমদ ইবন আল-হাসান আল-হুসাইনি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজিব ইবন আহমদ আত-তুসি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহিম ইবন মুনিব আল-মারওয়াজি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন হারুন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, মুয়াজ্জিন ইকামত দিচ্ছিলেন, তখন এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এসে দাঁড়াল এবং তাঁকে আটকে রাখল (কথা বলতে লাগল), এমনকি লোকজনের কেউ কেউ ঝিমিয়ে পড়ল। অতঃপর তিনি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٧)
21-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي أنبأ أبو سعيد محمد بن بشر الْعَبَّاسِ الْبَصْرِيُّ أنبا أَبُو لَبِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ إدريس الشامي ثنا سويد بن سعيد ثنا مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عن رعيته فَالأَمِيرُ الَّذِي عَلَى النَّاسِ رَاعٍ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهم وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتَهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عنهم وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى مال زَوْجِهَا وولده وَهِيَ مَسْئُولَةٌ عنهم وَالْعَبْدُ رَاعٍ عَلَى مَالِ سَيِّدِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عنهم أَلَا كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ. رواه البخاري عن بن أبي أويس عن مالك هـ.22-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أبي شريح أنبأ البغوي ثنا أبو الجهم العلاء بن موسى ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ الله بن عمر عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أنه قال ألا كلكم-ق5أ-راع وكلكم مسئول عن رعيته وذكر الحديث بمثله ومعناه هـ.23-…أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ أنبا أبو سعيد عبد الله بن محمدالرازي أنبأ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الرَّازِيُّ أنبا مُسْلِمُ بْنُ إبراهيم ثنا جرير بن حازم ثنا قتادة عن أنس قال كانت قَبِيعَةُ سَيْفِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ فِضَّةٍ هـ.
২১-…আবু সা'দ আল-কানজরুধি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন বিশর আল-আব্বাস আল-বাসরি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু লাবিদ মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আশ-শামি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন সুওয়াইদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। মানুষের ওপর নিযুক্ত আমির (শাসক) একজন দায়িত্বশীল এবং তিনি তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন। পুরুষ তার পরিবারের ওপর একজন দায়িত্বশীল এবং সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। নারী তার স্বামীর সম্পদ ও তার সন্তানের ওপর একজন দায়িত্বশীল এবং সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। আর দাস তার মালিকের সম্পদের ওপর একজন দায়িত্বশীল এবং সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। জেনে রেখো, তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। ইমাম বুখারি এটি ইবনে আবি উয়াইস-এর সূত্রে ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।২২-…আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-উমরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুর রহমান বিন আবি শুরাইহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আল-বাগাওয়ি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আল-জাহম আল-আলা বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন লাইস বিন সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি' থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: জেনে রেখো, তোমাদের প্রত্যেকেই-ক৫অ-দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। এরপর তিনি অনুরূপ শব্দ ও অর্থে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।২৩-…মুহাম্মাদ বিন আবি বকর আল-আদিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আর-রাজি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আর-রাজি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন মুসলিম বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন জারির বিন হাজিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন কাতাদাহ আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তলোয়ারের হাতলের অগ্রভাগ রুপার তৈরি ছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٨)
24-…أخبرنا أَبُو سَعْدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ أنبا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ ببغداد ثنا يزيد بن سعيد الاسكندراني ثنا مالك عن ابن شهاب عن ابن السباق ح، قال الحاكم وحدثنا أبو بكر ثنا أبو طاهر يعني أحمد بن عمرو بن السرح أنبأ ابن وهب عن مالك عن ابن شهاب عن ابن السباق أن رسول الله صلى الله عليه وسلم في جمعة من الجمع قال يا معشر المسلمين إن هذا يوم جعله الله عيدا للمسلمين فاغتسلوا ومن كان عنده طيب فلا يضره أن يمس منه وعليكم بالسواك. هذا لفظ حديث ابن وهب عن مالك وكان قدمه أبو بكر بن أبي داود وقال وحدثه يزيد بن سعيد عن مالك عن السباق بمثله.25-…حدثنا وَالِدِي أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الحسن الحسيني أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم بن منيب المروزوي ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ عَنْ أنس بن مالك عن أبُي بن كعب قال يعني عمر رضي الله عنه ما حاك في صدري شيء منذ أَسْلَمْتُ إِلَاّ أَنِّي قَرَأْتُ آيَةً وَقَرَأَهَا رَجُلٌ على غَيْر قِرَاءَتِي فقلت أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فَأَتَيْنَا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقُلْتُ يا رسول الله أَقْرَأْتَنِي آيَةَ كَذَا وَكَذَا قَالَ: نَعَمْ قَالَ الرجل أقرأني كذا وكذا قال نعم ثم قال إن جبريل وإسرافيل عليهما السلام أتياني فَقَعَدَ جِبْرِيلُ عَنْ يَمِينِي وإسرافيل عَنْ يَسَارِي فَقَالَ-ق5ب-جِبْرِيلُ اقْرَأ يا محمد الْقُرْآنَ عَلَى حَرْفٍ فَقَالَ مِيكَائِيلُ اسْتَزِدْهُ فقلت زدني فقال جبريل اقرأه على حرفين فقال ميكائيل استزده فقلت زدني قال اقرأه على ثلاثة أحرف كل ذلك يقول له جبريل حَتَّى بَلَغَ سَبْعَةَ أَحْرُفٍ كل ذلك يقول له جبريل اقرأ ويقول ميكائيل استزده حتى قال اقرأ على سبعة أحرف كُلُّ شَافٍ كَافٍ هـ.
২৪-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কাঞ্জারুযী, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিজ থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআছ আস-সিজিস্তানী থেকে বাগদাদে, তিনি বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন সাঈদ আল-ইসকান্দারানী থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল সাব্বাক থেকে। (হাকিম বলেন) এবং আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু তাহির অর্থাৎ আহমাদ বিন আমর বিন আস-সারহ থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল সাব্বাক থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনগুলোর একদিনে বললেন: হে মুসলিম সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই এটি এমন একটি দিন যা আল্লাহ মুসলিমদের জন্য ঈদ (উৎসব) হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং তোমরা গোসল করো, আর যার কাছে সুগন্ধি থাকে সে যেন তা ব্যবহার করে, তাতে তার কোনো ক্ষতি হবে না; আর তোমরা মিসওয়াক ব্যবহার করো। এটি ইবনে ওয়াহাব কর্তৃক বর্ণিত মালিকের হাদিসের শব্দাবলী। আবু বকর বিন আবি দাউদ একে আগে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তাকে ইয়াযিদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, সাব্বাক থেকে অনুরূপ হাদিস।২৫-…আমাদের বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আল-কাজী আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হুসাইনী থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হাজিব বিন আহমাদ আত-তূসী থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবদুর রহীম বিন মুনীব আল-মারওয়াযী থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ আত-তাবীল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে। উবাই (রা.) বলেন (অর্থাৎ উমর রা.-এর প্রসঙ্গে বর্ণিত): ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমার অন্তরে কখনও কোনো বিষয়ে সংশয় জাগেনি, কেবল এই বিষয় ছাড়া যে, আমি একটি আয়াত পাঠ করলাম আর অন্য এক ব্যক্তি তা আমার পাঠের চেয়ে ভিন্নভাবে পাঠ করল। আমি বললাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এটি এভাবে পড়িয়েছেন। এরপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাকে অমুক অমুক আয়াত এভাবে পড়াননি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। ওই ব্যক্তি বলল: আমাকে তিনি এভাবে এভাবে পড়িয়েছেন। তিনি বললেন: হ্যাঁ। এরপর তিনি বললেন: জিবরাঈল ও ইসরাফীল (আলাইহিমাস সালাম) আমার কাছে আসলেন। জিবরাঈল আমার ডান পাশে বসলেন এবং ইসরাফীল আমার বাম পাশে বসলেন। তখন জিবরাঈল বললেন:-পৃষ্ঠা ৫খ-হে মুহাম্মাদ! কুরআন এক পদ্ধতিতে পাঠ করুন। তখন মিকাঈল বললেন: এর চেয়ে বৃদ্ধি করতে বলুন। আমি বললাম: আমার জন্য বৃদ্ধি করুন। জিবরাঈল বললেন: তবে দুই পদ্ধতিতে পাঠ করুন। মিকাঈল বললেন: এর চেয়ে বৃদ্ধি করতে বলুন। আমি বললাম: আমার জন্য বৃদ্ধি করুন। তিনি বললেন: তবে তিন পদ্ধতিতে পাঠ করুন। এভাবে জিবরাঈল তাকে সাত পদ্ধতি পর্যন্ত বলতে থাকলেন। জিবরাঈল প্রতিবার বলছিলেন ‘পাঠ করুন’ এবং মিকাঈল বলছিলেন ‘এর চেয়ে বৃদ্ধি করতে বলুন’, যতক্ষণ না তিনি বললেন: সাত পদ্ধতিতে পাঠ করুন, যার প্রতিটিই নিরাময়কারী ও যথেষ্ট। হ.
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٩)
26-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي أنبأ أبو العباس أحمد بن محمد بن أحمد بن إسحاق البالوي أنبا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ن خزيمة ثنا بشر بن معاذ العقدي ثنا حماد بن زيد ثنا محمد نب زياد عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أما يخشى أحدكم أن يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار. أخرجه مسلم عن قتيبة وغيره.27-…أخبرنا الأستاذ أبو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُحِبِّ أنبأ أبو الحسن الخفاف أنبأ أبو العباس السراج ثنا أبو الأشعث ثنا حماد بن زيد باسناده نحوه.28-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أبو عمرو محمد بن أحمدج بن حمدان أخبرني عثمان بن موسى الجرجاني ثنا عبد الأعلى بن حماد النرسي ثنا حماد بن سلمة عن عاصم الأحول عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم حالف بين المهاجريين والأنصار في دار أنس بن مالك بالمدينة هـ.29-…أخبرنا أبو عمير سعيد بن محمد التجيبي أنبأ الإمام أبو علي زاهر بن أحمد بسرجس أنبأ أبو القاسم البغوي أنبأ علي بن الجعد أنبأ شعبة عن أبي جمرة قال كنت أَقْعُدُ مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ فكان يُجْلِسُنِي عَلَى سَرِيرِهِ فَقَالَ أَقِمْ عِنْدِي حَتَّى أَجْعَلَ لَكَ سَهْمًا مِنْ مَالِي فَأَقَمْتُ مَعَهُ شَهْرَيْنِ فقَالَت لي امرأة سله عن نبيذ الجر قال فكانت علي يمين لا أسأله عن نبيذ الجر فسألوه عن ذلك فنهاني عنها فقلت يا أبا العباس إني أنتبذ في جرة لي خضراء فأشرب نبيذا-ق6أ-
২৬-…আবু সাদ আল-কাঞ্জরূযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-বালুয়ী আমাদের জানিয়েছেন, ইমাম আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক বিন খুযায়মাহ আমাদের জানিয়েছেন, বিশর ইবনে মুআয আল-আকাদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে যায়দ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের কেউ কি এ কথা ভয় পায় না যে, ইমামের আগে তার মাথা তোলার কারণে আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তর করে দেবেন? এটি মুসলিম কুতাইবাহ ও অন্যান্যদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।২৭-…উস্তাদ আবু আল-কাসিম আল-ফাদল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুহিব্ব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আল-খাফফাফ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-আশআস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে যায়দ তার সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।২৮-…আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বুহাইরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান আমাদের জানিয়েছেন, উসমান ইবনে মুসা আল-জুরজানী আমাকে খবর দিয়েছেন, আব্দুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আনাস ইবনে মালিকের বাড়িতে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের চুক্তি স্থাপন করেছিলেন।২৯-…আবু উমাইর সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আত-তুজীবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইমাম আবু আলী যাহির ইবনে আহমাদ সারজাসে আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ী আমাদের জানিয়েছেন, আলী ইবনুল জা’দ আমাদের জানিয়েছেন, শু’বাহ আমাদের জানিয়েছেন আবু জামরাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসের সাথে বসতাম, তিনি আমাকে তার খাটে বসাতেন। তিনি বললেন: আমার কাছে অবস্থান করো, আমি তোমার জন্য আমার সম্পদ থেকে একটি অংশ নির্ধারণ করব। ফলে আমি তার সাথে দুই মাস অবস্থান করলাম। এরপর একজন নারী আমাকে বললেন, আপনি তাকে কলসের নাবীজ (পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। তিনি (আবু জামরাহ) বললেন: আমার ওপর একটি শপথ ছিল যে আমি তাকে কলসের নাবীজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব না। এরপর তারা তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল এবং তিনি আমাকে তা থেকে নিষেধ করলেন। তখন আমি বললাম: হে আবুল আব্বাস, আমি আমার একটি সবুজ কলসে নাবীজ তৈরি করি এবং সেই নাবীজ পান করি।-পৃষ্ঠা ৬ক-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
حلوا يتقرقر منه بطني قال لا تشربه وإن كان أحلى من العسل قال فقلت إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا أَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فقَالَ: مَنِ الْقَوْمُ أَوْ مَنِ الْوَفْدُ قَالُوا رَبِيعَةُ قَالَ مَرْحَبًا بِالْقَوْمِ - أَوْ بِالْوَفْدِ - غَيْرَ خَزَايَا، وَلَا نَادمين قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّا لَا نَسْتَطِيعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلَاّ فِي شَهْرِ الْحَرَامِ وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَىُّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ فَصْلٍ نُخْبِرْ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا وَنَدْخُلْ بِهِ الْجَنَّةَ قال وَسَأَلُوهُ، عَنِ الأَشْرِبَةِ فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعة، وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعة أَمَرَهُمْ بِالإِيمَانِ بِاللَّهِ وَحْدَهُ قَالَ أَتَدْرُونَ مَا الإِيمَانُ بِاللَّهِ وَحْدَهُ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، وَإِقَامُ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَأَنْ تُعْطُوا مِنَ الْمَغْنَمِ الْخُمُسَ، وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعة، عَنِ الدُّبَّاءِ، وَالْحَنْتَمِ، وَالنَّقِيرِ، وَرُبَّمَا قَالَ الْمُقَيَّرِ وَالْمُزَفَّتِ، قَالَ احْفَظُوهُنَّ وَأَخْبِرُوا بِهِنَّ مَنْ وَرَاءَكُمْ. رواه البخاري عن علي بن الجعد.30-…أَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرحيم الإسماعيلي أنبأ أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ السراج ثنا محمد بن بكار أنبأ عطاف عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أنه كان يصلى بالليل على راحلته حيث ما توجهت به.
...মিষ্টি যা পান করলে আমার পেট গুড়গুড় শব্দ করে। তিনি বললেন, তুমি তা পান করো না যদিও তা মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি হয়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আব্দুল কায়েসের প্রতিনিধি দল যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, তখন তিনি বললেন: এই কওম কারা? অথবা এই প্রতিনিধি দলটি কারা? তারা বললেন, রাবীআ গোত্র। তিনি বললেন, এই কওমকে - অথবা এই প্রতিনিধি দলকে - স্বাগতম, যারা লাঞ্ছিত হবে না এবং অনুতপ্তও হবে না। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ও আপনার মাঝে মুদার গোত্রের এই কাফিররা বসবাস করার কারণে হারাম মাস ব্যতীত অন্য কোনো সময়ে আমরা আপনার কাছে আসতে পারি না। সুতরাং আপনি আমাদের এমন কিছু অকাট্য বিষয়ের আদেশ দিন যা আমরা আমাদের পেছনের লোকদের জানিয়ে দিতে পারি এবং যার মাধ্যমে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তারা তাঁকে বিভিন্ন পানীয় সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি তাঁদের চারটি বিষয়ে আদেশ দিলেন এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করলেন। তিনি তাঁদের এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার আদেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা কি জানো এক আল্লাহর প্রতি ঈমান কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা এবং গণিমতের মালের এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করা। আর তিনি তাঁদের চারটি পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করলেন: দুব্বা, হানতাম, নাকীর এবং সম্ভবত মুকাইয়ার ও মুজাফফাত। তিনি বললেন, এগুলো মনে রেখো এবং তোমাদের পেছনে যারা আছে তাদের নিকট পৌঁছে দিও। আলী ইবনুল জাদ থেকে ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন।৩০-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকিম আবুল হাসান আহমদ বিন আব্দুর রহীম আল-ইসমাঈলী, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-খাফফাফ, আমাদের জানিয়েছেন আবুল আব্বাস আস-সিরাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন বাক্কার, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আতাফ, নাফি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাতে তাঁর সওয়ারির ওপর সওয়ারি যেদিকেই মুখ করে থাকত সেদিকে মুখ করেই সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١١)
31-…أخبرنا أَبُو سَعْدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ محمد بن محمد الحافظ أنبا أبو عروبة الحسين بن محمد الحراني ثنا مخلد بن مالك ثنا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ الصَّنْعَانِيُّ عَنْ زَيْدِ بْنِ أسلم أن عبد الملك بعث إلى أم الدرداء فكانت عنده فلما كان ذات ليلة قام عبد الملك من الليل فدعا خادمه فكأنه أبطأ عنه، فلعنه، فلما أصبح قالت أم الدرداء: قد سمعتك الليلة لعنت خادماً، قال: إنه أبطأ عني، قالت: سمعت أبا الدرداء يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا يكون اللعانون شفعاء ولا شهداء يوم القيامة هـ.32-…حدثنا والدي لفظا أنبأ أبو بكر أحمد بن الحسن الحسيني أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم-ق6ب-بن منيب ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا الْعَلاءُ أَبُو مُحَمَّدٍ الثَّقَفِيُّ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ غزونا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك فطلعت الشمس ذات يوم ونحن بتبوك بنور وشعاع وضياء لم نرها قبل ذلك فيما مضى فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعجب من ضيائها ونورها إذ آتاه جبريل عليه السلام بالوحي قال فقال يا جبريل ما للشمس طلعت نور لها وضياء وشعاع لم أرها طلعت فيما مضى قال يا نبي الله إنه ذاك مات اليوم معاوية بن أبي معاويةالليثي فبعث الله عز وجل سبعين ألف ملك يصلون عليه قال بم ذاك يا جبريل قال كان يكثر تلاوة قل هو الله أحد قائما وقاعدا وماشيا وآناء الليل والنهار فهل لك يا نبي الله أن تصلي عليه ثم ترجع فأقبض لك الأرض ففعل فصلى عليه ثم رجع هـ.
31-…আবু সা’দ আল-কানজারুযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আরুবাহ আল-হুসাইন ইবন মুহাম্মাদ আল-হাররানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মাখলাদ ইবন মালিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবন মাইসারাহ আস-সানআনী যায়দ ইবন আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ‘আবদুল মালিক উম্মুদ দারদাকে ডেকে পাঠালেন এবং তিনি তাঁর কাছে অবস্থান করছিলেন। এক রাতে ‘আবদুল মালিক রাত জেগে তাঁর খাদেমকে ডাকলেন, কিন্তু সে আসতে বিলম্ব করল বলে মনে হলো, তাই তিনি তাকে লানত দিলেন। পরদিন সকালে উম্মুদ দারদা বললেন: আমি রাতে আপনাকে আপনার খাদেমকে লানত দিতে শুনেছি। তিনি বললেন: সে আমার কাছে আসতে বিলম্ব করেছিল। উম্মুদ দারদা বললেন: আমি আবু দারদাকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: লানতকারীরা কিয়ামতের দিন সুপারিশকারী বা সাক্ষী হতে পারবে না।32-…আমার পিতা মৌখিকভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আহমাদ ইবনুল হাসান আল-হুসাইনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজিব ইবন আহমাদ আত-তূসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ‘আবদুর রহীম-পৃ ৬খ-ইবন মুনীব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবন হারূন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আলা আবু মুহাম্মাদ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছি যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। একদিন তাবুকে থাকাকালীন সূর্য এমন নূর, রশ্মি ও আভা নিয়ে উদিত হলো যা আমরা ইতিপূর্বে কখনো দেখিনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আভা ও নূরে বিস্ময় প্রকাশ করতে লাগলেন। এমতাবস্থায় জিবরাঈল আলাইহিস সালাম ওহী নিয়ে তাঁর নিকট আসলেন। তিনি (নবীজি) বললেন: হে জিবরাঈল, সূর্যের কী হলো যে এটি এমন নূর, আভা ও রশ্মি নিয়ে উদিত হলো যা ইতিপূর্বে আমি কখনো দেখিনি? তিনি বললেন: হে আল্লাহর নবী, আজ মুআবিয়াহ ইবন আবি মুআবিয়াহ আল-লায়সী মৃত্যুবরণ করেছেন। ফলে মহান আল্লাহ সত্তর হাজার ফেরেশতা পাঠিয়েছেন যারা তাঁর জানাযার সালাত আদায় করছেন। তিনি বললেন: তা কী কারণে হে জিবরাঈল? তিনি বললেন: তিনি দাঁড়িয়ে, বসে, হেঁটে এবং রাত ও দিনের বিভিন্ন সময়ে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ অধিক পরিমাণে পাঠ করতেন। হে আল্লাহর নবী, আপনি কি তাঁর জানাযার সালাত পড়বেন? এরপর আমি আপনার জন্য যমীনকে সংকুচিত করে দেব। অতঃপর তিনি তা করলেন এবং তাঁর জানাযার সালাত পড়লেন, এরপর ফিরে আসলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
33-…أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ هوازن بن القشيري أنبأ أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ السراج ثنا قتيبة بن سعيد الثقفي ثنا الليث بْنُ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَنَسٍ قال خرّ رسول الله صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش فصلى بِنَا قَاعِدًا فصَلَّيْنَا معه قعودا ثم انصرف فقال إنما الإمام أو إنما جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعُونَ.34-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأديب ثنا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ أنبأ الحسن بن سفيان، وأبو يعلى الموصلي قالا ثنا عبد الله بن محمد بن أسماء ثنا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عُذبت امرأة في هرة سجنتها حتى ماتت فدخلت فيها النار لا هي أطعمتها وسقتها إذ حبستها ولا هي تركتها فتأكل من خشاش الأرض هـ هـ.-ق7أ-35-…وَبِهَذَا الإِسْنَادِ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ أخبره أن عمر بن الخطاب رأس حلة سيراء من حرير فقال يا رسول الله لو ابتعت هذه الحلة فَلَبِسْتَهَا لِلْوَفْدِ وَلِيَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ إِنَّمَا يَلْبَسُ هَذِهِ مَنْ لا خَلاقَ لَهُ فِي الآخِرَةِ36-…وَبِهَذَا الإِسْنَادِ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ أخبره أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ إِلَى عُمَرَ بِحُلَّةٍ سِيَرَاءَ مِنْ حَرِيرٍ كَسَاهَا إِيَّاهُ فَقَالَ عُمَرُ يَا رَسُولَ اللهِ كَسَوْتَنِيهَا وَقَدْ سَمِعْتُكَ تَقُولُ فِيهَا مَا قُلْتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إنما بعثت بها إليك لتَبِيعهَا أَوْ لتَكْسوهَا بعض نسائك.
৩৩-…ইমাম আবু কাসেম আব্দুল কারীম ইবন হাওয়াজিন আল-কুশায়রী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু হাসান আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল আব্বাস আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, কুতাইবাহ ইবন সাঈদ আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-লাইস ইবন সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবন শিহাব থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তাঁর পার্শ্বদেশ আঘাতপ্রাপ্ত হলো। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন, আমরাও তাঁর সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন: "ইমাম নিযুক্ত করা হয় কেবল তাকে অনুসরণ করার জন্য। সুতরাং যখন তিনি তাকবীর বলবেন, তোমরাও তাকবীর বলো; যখন তিনি রুকু করবেন, তোমরাও রুকু করো; যখন তিনি সিজদা করবেন, তোমরাও সিজদা করো; আর যখন তিনি বসে সালাত আদায় করবেন, তোমরা সকলে বসেই সালাত আদায় করো।"৩৪-…আবু সা'দ মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান আল-আদীব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আমর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-হাসান ইবন সুফিয়ান এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আসমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জুওয়াইরিয়াহ ইবন আসমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আজাব দেওয়া হয়েছিল, যেটিকে সে বন্দি করে রেখেছিল যতক্ষণ না সেটি মারা যায়, ফলে সে এর কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করে। সে যখন সেটিকে বন্দি করেছিল, তখন সে তাকে খাবারও দেয়নি, পানীয়ও দেয়নি, আবার সেটিকে ছেড়েও দেয়নি যাতে সে জমিনের পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকতে পারত।"-পৃ৭ক-৩৫-…এই একই সূত্রে নাফে' থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব রেশমের একটি উন্নত পোশাক দেখলেন। তখন তিনি বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি এই পোশাকটি ক্রয় করতেন এবং প্রতিনিধি দল আসার সময় ও জুমার দিনে এটি পরিধান করতেন!" তখন তিনি বললেন, "এটি কেবল সেই ব্যক্তিই পরিধান করে, পরকালে যার কোনো অংশ নেই।"৩৬-…এই একই সূত্রে নাফে' থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরের নিকট রেশমের তৈরি একটি উন্নত পোশাক পাঠালেন। তখন উমর বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এটি পরিধান করতে পাঠালেন অথচ আমি আপনাকে এটি সম্পর্কে যা বলার তা বলতে শুনেছি?" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "আমি এটি তোমার কাছে কেবল এইজন্য পাঠিয়েছি যাতে তুমি তা বিক্রি করে দাও অথবা তোমার কোনো নারীকে তা পরিধান করতে দাও।"
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
37-…أخبرنا القاضي أبو نصر الحسن بن أحمد بن علي الحديني (كذا بالأصل) في آخرين قالوا أنبا أبو الحسين أحمد بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بن إسحاق السراج ثنا عبيد الله بن سعيد ثنا يحيى بن سعيد عن حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سمع صوت صبي وهو في الصلاة فخفف الصلاة فظننا أنه خفف رحمة للصبي من أجل أنه في الصلاة.38-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الأنصاري أنبأ أبو القاسم البغوي ثنا أبو الجهم العلاء بن موسى سنة تسع وعشرين ومائتين ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ الله بن عمر كان يقول لا أعلم في النذر إلا الوفاء وإن نذر فلم يستطع أن يوفي بنذره حتى مات فإن وجد ما يعتق عنه أعتق، أو يهدي إلى البيت، أو يتصدق عنه، أحب إلي لو كنت وليه من أن أصوم عنه، وإنما الصيام لمن حج، والحج والعمرة لمن حج واعتمر.39-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي سنة إحدى وخمسين وأربعمائة أنبا الحاكم أبو أحمد محمد بن محمد بن إسحاق الحافظ سنة ثمان وسبعين وثلاثمائة أنبا أَبُو عَرُوبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ الحراني بها سنة ثلاث عشرة وثلاثمائة-ق7ب-ثنا مخلد بن مالك السلمسيني ثنا عطاء بن خالد عن زيد بن أسلم قال كان أميرنا عمر بن عبد العزيز يصلي بنا الظهر ثم انصرفنا إلى أنس بن مالك نسأل عنه وكان شاكيا فلما دخلنا عليه قال قد صليتم قلنا نعم قال يا جارية هلمي لي وضوءا ما صليت خلف إمام بَعْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أشبه صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم من إمامكم هذا لم يذكر في ذلك أبا بكر ولا عمر وكان يتم الركوع والسجود ويخفف القيام والقعود.
৩৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু নাসর আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আলি আল-হুদাইনি (মূল পাণ্ডুলিপিতে এরূপই আছে) এবং আরও অনেকে, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাফফাফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ, আমাদের বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, হুমাইদ থেকে, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করা অবস্থায় একটি শিশুর কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন, ফলে তিনি সালাত সংক্ষিপ্ত করলেন। আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি শিশুটির প্রতি দয়াবশত সালাত সংক্ষিপ্ত করেছেন যেহেতু তিনি সালাতে ছিলেন।৩৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-উমারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-আনসারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-জাহম আল-আলা ইবনে মুসা ২২৯ হিজরিতে, আমাদের বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সা'দ, নাফে' থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন: মানতের ক্ষেত্রে আমি পূর্ণ করা ছাড়া অন্য কিছু জানি না। আর যদি কেউ মানত করে কিন্তু মৃত্যু পর্যন্ত তা পূর্ণ করতে সক্ষম না হয়, তবে যদি এমন কিছু পাওয়া যায় যা দ্বারা তার পক্ষ থেকে (দাস) মুক্ত করা যায়, অথবা বায়তুল্লাহর উদ্দেশ্যে হাদিয়া পাঠানো যায়, অথবা তার পক্ষ থেকে সদকা করা যায়—তবে তার পক্ষ থেকে রোজা রাখার চেয়ে এটিই আমার কাছে অধিক পছন্দনীয় যদি আমি তার অভিভাবক হতাম। রোজা তো কেবল হজ্জ পালনকারীর জন্য, আর হজ্জ ও উমরাহ তাদের জন্য যারা হজ্জ ও উমরাহ পালন করে।৩৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কাঞ্জুরুযি ৪৫১ হিজরিতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ ৩৭৮ হিজরিতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আরুবাহ আল-হুসাইন ইবনে আবি মা'শার আল-হাররানি সেখানে ৩১৩ হিজরিতে-৭খ পৃষ্ঠা-আমাদের বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবনে মালিক আস-সালামসিনি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আতা ইবনে খালিদ, জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের আমির উমর ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করতেন। এরপর আমরা আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর অসুস্থতার খবর নিতে তাঁর কাছে যেতাম। আমরা যখন তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম, তিনি বললেন: তোমরা কি সালাত আদায় করেছো? আমরা বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: হে বালিকা, আমার জন্য ওযুর পানি নিয়ে এসো। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে এমন কোনো ইমামের পেছনে আমি সালাত আদায় করিনি যার সালাত তোমাদের এই ইমামের সালাতের চেয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের অধিক সদৃশ। তিনি এতে আবু বকর বা উমরের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি (উমর ইবনে আবদুল আজিজ) রুকু ও সেজদা পূর্ণ করতেন এবং কিয়াম ও কুউদ (দাঁড়ানো ও বসা) সংক্ষিপ্ত করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
40-…أخبرنا الأسناد أَبُو يَعْلَى إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّابُونِيُّ قال ثنا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّازِيُّ ثنا محمد بن أيوب الرازي ثنا مسلم بن إبراهيم الأزدي ثنا هشام بن عبد الله الدستوائي ثنا قتادة عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قنت شهرا يدعوا على أحياء من أحياء العرب هـ.41-…أخبرنا أبو بكر يعقوب بن أحمد الصيرفي ثنا أبو نعيم أحمد بن محمد بن إبراهيم الأزهري إملاء أنبأ محمد بن الحسن بن شيرويه الأستراباذي بها ثنا عمار بن رجاء الجرجاني ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسُ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ وقبل أن يكبر أَقْبَلَ عَلَي القوم بِوَجْهِهِ فَقَالَ أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ وَتَرَاصُّوا فَإِنِّي أَرَاكُمْ وَرَاءِ ظَهْرِي قال فلقد كنت أرى الرجل منا يُلزق منكبه بمنكب أخيه إذا قام في الصلاة.42-…وبهذا الإسناد عَنْ أَنَسٍ قَالَ مَرَّتْ عَلَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم جِنَازَةٌ فَأَثْنَوْا عَلَيْهَا خَيْرًا ثم تتابعت الألسنة بالخير ثُمَّ مَرَّتْ بِهِ جِنَازَةٌ أُخْرَى فَأَثْنَوْا عَلَيْهَا شرا حتى تتابعت الألسنة فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وجبت أنتم شهداء الله في الأَرْضُ.43-…أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ-ق8أ-أنبأ أبوالحسن عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ دَهْثَمٍ الطَّرَسُوسِيُّ ثنا أبو القاسم بن منيع ثنا علي بن الجعد أخبرني المبارك بن فضالة عن الحسن عن عبد الله بن مغفل عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ صلوا في مرابض الغنم ولا تصلوا في أعطان الإبل فإنها خلقت من الشياطين هـ.
৪০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ আবু ইয়ালা ইসহাক ইবন আবদুর রহমান আস-সাবুনী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আর-রাযী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব আর-রাযী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবন ইব্রাহিম আল-আযদী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আবদুল্লাহ আদ-দাস্তুওয়ায়ী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক মাস যাবৎ কুনুত পাঠ করেছেন এবং আরবের কিছু গোত্রের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছেন। সমাপ্ত।৪১-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইয়াকুব ইবন আহমদ আস-সাইরাফী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-আযহারী শ্রুতলিপি হিসেবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আল-হাসান ইবন শিরওয়াইহ আল-আস্তারাবাদযী তথায়, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবন রাজা আল-জুরজানী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমায়দ, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতের ইকামত হওয়ার পর এবং তাকবীর বলার আগে লোকদের দিকে তাঁর চেহারা ঘুরিয়ে চাইলেন এবং বললেন, "তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা করো এবং গায়ে গায়ে মিলে দাঁড়াও, কেননা আমি তোমাদেরকে আমার পিঠের পিছন থেকেও দেখতে পাই।" তিনি (আনাস) বলেন, আমি আমাদের মধ্য থেকে কাউকে দেখতাম যে সে তার কাঁধ তার ভাইয়ের কাঁধের সাথে মিলিয়ে দিত যখন সে সালাতে দাঁড়াত।৪২-…এবং এই একই সূত্রের মাধ্যমে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করল এবং তারা তার সম্পর্কে উত্তম প্রশংসা করল, এরপর একের পর এক জবান থেকে ভালো কথাই আসতে লাগল। অতঃপর তাঁর পাশ দিয়ে অন্য আরেকটি জানাযা অতিক্রম করল এবং তারা তার সম্পর্কে মন্দ কথা বলল, এমনকি একের পর এক জবান থেকে নিন্দাই আসতে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, "ওয়াজিব হয়ে গেছে। তোমরা যমীনে আল্লাহর সাক্ষী।"৪৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবু বকর আল-আদীব-পৃষ্ঠা ৮ ক-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবন আবদুল মালিক ইবন দাহসাম আত-তারসুসী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবন মানী', তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আল-জা'দ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক ইবন ফাদালাহ, হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, "তোমরা ভেড়া-বকরির খোঁয়াড়ে সালাত আদায় করো, কিন্তু উট বসার স্থানে সালাত আদায় করো না, কারণ সেগুলো শয়তান থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
44-…أخبرنا أبو عثمان سعيد بن محمد البحبري والشيخ أبو سعد الكنجروذي قالا أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حمدان أنبأ أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الموصلي ثنا عبد الواحد بن غياث ثنا غسان بن برزين الطهوي ثنا ثابت البناني عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ غَدَا أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلَكْنَا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ فَقَالَ وَمَا ذَاكَ قَالُوا النِّفَاقُ النِّفَاقُ قَالَ أَلَسْتُمْ تَشْهَدُونَ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالُوا بَلَى قَالَ لَيْسَ ذَاكَ النِّفَاقَ قَالَ ثُمَّ عَادُوا الثَّانِيَةَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلَكْنَا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ وَمَا ذَاكَ قَالُوا النِّفَاقُ النِّفَاقُ قَالَ أَلَسْتُمْ تَشْهَدُونَ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالُوا بَلَى قَالَ لَيْسَ ذَاكَ النِّفَاقَ قَالَ ثُمَّ عَادُوا الثَّالِثَةَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلَكْنَا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ وَمَا ذَاكَ قَالُوا النِّفَاقُ قَالَ أَلَسْتُمْ تَشْهَدُونَ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالُوا بَلَى قَالَ لَيْسَ ذَاكَ النِّفَاقَ قَالُوا إِنَّا إِذَا كُنَّا عِنْدَكَ كُنَّا عَلَى حَالٍ وَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِكَ هَمَّتْنَا الدُّنْيَا وَأَهْلُونَا قَالَ لَوْ أَنَّكُمْ إِذَا خَرَجْتُمْ مِنْ عِنْدِي تَكُونُونَ عَلَى الْحَالِ الَّذتي تَكُونُونَ عَلَيْهِا لَصَافَحَتْكُمُ الْمَلائِكَةُ هـ.45-…أخبرنا أبو سعيد الكنجروذي ثنا السَّيِّدُ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الحسين الهمذاني العلوي ثنا إسماعيل بن محمد الصفار النحوي وعثمان بن أحمد الدقيقي وخيثمة بن سليمان القرشي-ق8ب-
৪৪-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাহবারী এবং শাইখ আবু সাদ আল-কাঞ্জারুযী, তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াছ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন গাসসান ইবনে বারযিন আত-তাহবী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ছাবিত আল-বুনানী, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদিন সকালে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ আসলেন এবং বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! কাবার রবের কসম, আমরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছি।" তিনি বললেন, "সেটা কী?" তাঁরা বললেন, "নিফাক (কপটতা), নিফাক।" তিনি বললেন, "তোমরা কি এই সাক্ষ্য দাও না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল?" তাঁরা বললেন, "অবশ্যই দেই।" তিনি বললেন, "তাহলে এটা নিফাক নয়।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, অতঃপর তাঁরা দ্বিতীয়বার ফিরে আসলেন এবং বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! কাবার রবের কসম, আমরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছি।" তিনি বললেন, "সেটা কী?" তাঁরা বললেন, "নিফাক, নিফাক।" তিনি বললেন, "তোমরা কি এই সাক্ষ্য দাও না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল?" তাঁরা বললেন, "অবশ্যই দেই।" তিনি বললেন, "তাহলে এটা নিফাক নয়।" তিনি বলেন, অতঃপর তাঁরা তৃতীয়বার ফিরে আসলেন এবং বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! কাবার রবের কসম, আমরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছি।" তিনি বললেন, "সেটা কী?" তাঁরা বললেন, "নিফাক।" তিনি বললেন, "তোমরা কি এই সাক্ষ্য দাও না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল?" তাঁরা বললেন, "অবশ্যই দেই।" তিনি বললেন, "তাহলে এটা নিফাক নয়।" তাঁরা বললেন, "আমরা যখন আপনার কাছে থাকি, তখন এক অবস্থায় থাকি। আর যখন আপনার কাছ থেকে বেরিয়ে যাই, তখন দুনিয়া ও আমাদের পরিবার-পরিজন আমাদের ব্যস্ত করে ফেলে (আমাদের গ্রাস করে)।" তিনি বললেন, "যদি তোমরা আমার কাছ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও সেই অবস্থাতেই থাকতে যে অবস্থায় আমার কাছে থাকো, তবে ফেরেশতারা তোমাদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করত।" সমাপ্ত।৪৫-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কাঞ্জারুযী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আস-সাইয়্যিদ আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইন আল-হামাদানী আল-আলাবী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার আন-নাহবী, উসমান ইবনে আহমাদ আদ-দাকিকী এবং খাইসামাহ ইবনে সুলাইমান আল-কুরাশী।-পৃষ্ঠা ৮ খ-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
وأحمد بن إبراهيم الأشباني قالوا أنبأ الحسن بن مكرم ثنا عثمان بن عمر أنبأ شعبة عن قتادة قال سمعت أنس بن مالك يحدث عن معاذ بن جبل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مَنْ شَهِدَ أَنْ لا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وأن محمدا رسول الله دخل الجنة هـ.46-…أخبرنا أبو سعد ثنا السيد أبو الحسن الهمداني ثنا عمر بن محمد الفقيه قال السيد وثنا إبراهيم المقدسي ثنا أبو أمية محمد بن إبراهيم الطرسوسي قالا ثنا أبو عاصم النبيل ثنا عبد الحميد بن جعفر عن كثير بن مرة عن معاذ بن جبل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان آخر كلامه لا إله إلا الله دخل الجنة هـ.47-…أخبرنا أبو نصر عبد الرحمن بن علي بن موسى ثنا السيد أبو الحسن محمد بن الحسين إملاء ثنا أبو بكر محمد بن حيان بن حمدويه المذكر ثنا محمد بن منده الأصبهاني بالري ثنا بكر بن بكار ثنا عائذ بن شريح قال سمعت أنس بن مالك يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم من كذب عليّ في رواية حديث فليتبوأ مقعده من النار هـ.48-…أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ محمد الرومي أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ ثنا قتيبة بن سعيد ثنا ابن لهيعة عن مشرح بن هاعان عن عقبة بن عامر أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لو كان القرآن في أهاب ما مسته النار.49-…وَبِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أكثر منافقي أمتي قراؤها هـ.50-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أبي عمرو الفقيه أنبأ أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْبَصْرِيُّ أنبا أَبُو لَبِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشامي ثنا سويد بن سعيد ثنا عبد الرحيم بن زيد العمي عن أبيه عن أنس بن-ق9أ-مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ستر ما بين الجن وعورات بني آدم أن يقول الرجل المسلم إذا أراد أن يضع ثيابه بسم الله الذي لا إله إلا هو.
এবং আহমদ ইবনে ইবরাহীম আল-আশবানী; তারা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে মুকরিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান ইবনে উমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিককে মু’আয ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" সমাপ্ত।৪৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সায়্যিদ আবুল হাসান আল-হামাদানী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফাকীহ। সায়্যিদ বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম আল-মাকদিসী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু উমাইয়্যাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আত-তারসূসী; তারা উভয়ে বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আসিম আন-নাবীল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল হামীদ ইবনে জাফর, কাসীর ইবনে মুররাহ থেকে বর্ণিত, মু’আয ইবনে জাবাল থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যার শেষ কথা হবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই', সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" সমাপ্ত।৪৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আব্দুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সায়্যিদ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান ইবনে হামদুয়াহ আল-মুযাক্কির, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মানদাহ আল-আসবাহানী রাই শহরে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বকর ইবনে বাক্কার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আইয ইবনে শুরাইহ, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে আমার ওপর মিথ্যারোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।" সমাপ্ত।৪৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-আদীব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আর-রূমী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে লাহী’আহ, মিশরাহ ইবনে হা’আন থেকে বর্ণিত, উকবাহ ইবনে আমির থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যদি কুরআন কোনো চামড়ার খোলে থাকত, তবে আগুন তাকে স্পর্শ করত না।"৪৯-…এবং এই একই সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার উম্মতের মুনাফিকদের অধিকাংশই তাদের ক্বারীগণ (কুরআন পাঠকারীগণ)।" সমাপ্ত।৫০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ ইবনে আবু বকর ইবনে আবু আমর আল-ফাকীহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে বিশর ইবনে আল-আব্বাস আল-বাসরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু লাবীদ মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আশ-শামী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রাহীম ইবনে যাইদ আল-আম্মী, তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক থেকে,-পৃষ্ঠা ৯-ক-তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "জিনদের দৃষ্টি এবং আদম সন্তানদের লজ্জাস্থানের মাঝে পর্দা হলো, যখন কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার পোশাক খোলার ইচ্ছা করবে, তখন সে বলবে 'বিসমিল্লাহিল লাযী লা ইলাহা ইল্লা হু' (সেই আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই)।"
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
51-…وأخبرنا أبو سعد أنبأ أبو سعيد أنبأ أبو لبيد ثنا حميد بن مشعلة ثنا جعفر بن سليمان ثنا أبو عمران الجوني عن أنس بن مالك قال وقت لنا في قص الشارب وتقليم الأظفار ونتف الإبط وحلق العانة أن لا يترك أكثر من أربعين ليلة هـ.52-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الْمَغْرِبِيُّ أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى أنبا أحمد بن محمد بن زياد ثنا الحسن بن الصباح ثنا سفيان قال عمرو سمع جابر بن عبد الله يحدث عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليأتين عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ فَيَغْزُو فِيهِ فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ هَلْ فِيكُمْ مَنْ صَحِبَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَيُقَالُ نَعَمْ فَيُفْتَحُ لَهُمْ ثُمَّ يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ يَغْزُو فِيهِ فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ هَلْ فِيكُمْ مَنْ صَحِبَ أَصْحَابَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَيُقَالُ نَعَمْ فَيُفْتَحُ لَهُمْ ثُمَّ يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ فَيَغْزُو فِيهِ فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ هَلْ فِيكُمْ مَنْ صَحِبَ مَنْ صَاحَبَهم فَيُقَالُ نَعَمْ فَيُفْتَحُ لَهُمْ. متفق عليه من حديث سفيان هـ.53-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ فِي آخرين قالوا أنبا أبو الحسين أحمد بن مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إسحاق السراج ثنا قتبة بن سعيد ثنا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسَوِّي صُفُوفَنَا فَخَرَجَ يَوْمًا فَرَأَى رَجُلاً خَارِجًا صَدْرُهُ عَنِ الْقَوْمِ فَقَالَ لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ. رواه مسلم عن قتيبة.54-…أخبرنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْدُونَ ثنا أبو عمرو أحمد بن أبي القراني إملاء أنبأ أبو محمد عبد الله-ق9ب-
৫১-…আবু সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আমাদের জানিয়েছেন, আবু লাবিদ আমাদের জানিয়েছেন, হুমাইদ ইবনে মিশআলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইমরান আল-জাওনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা, বগলের পশম উপড়ানো এবং নাভির নিচের পশম কামানোর ক্ষেত্রে আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে যে, আমরা যেন তা চল্লিশ রাতের বেশি ছেড়ে না রাখি। সমাপ্ত।৫২-…আবু বকর আহমদ ইবনে মনসুর ইবনে খালাফ আল-মাগরিবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবনে সাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বলেন, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন একদল মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তখন বলা হবে, তোমাদের মাঝে কি এমন কেউ আছে যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সান্নিধ্য লাভ করেছে? তখন বলা হবে, হ্যাঁ। ফলে তাদের জন্য বিজয় দান করা হবে। তারপর মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন একদল মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তখন বলা হবে, তোমাদের মাঝে কি এমন কেউ আছে যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের সান্নিধ্য লাভ করেছে? তখন বলা হবে, হ্যাঁ। ফলে তাদের জন্য বিজয় দান করা হবে। তারপর মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন একদল মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তখন বলা হবে, তোমাদের মাঝে কি এমন কেউ আছে যে তাঁদের সান্নিধ্য লাভকারীদের সান্নিধ্য লাভ করেছে? তখন বলা হবে, হ্যাঁ। ফলে তাদের জন্য বিজয় দান করা হবে। সুফিয়ানের হাদিস থেকে এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি। সমাপ্ত।৫৩-…আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাহিরি এবং অন্যরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন, আবুল হোসেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাফফাফ আমাদের জানিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের জানিয়েছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানা সিমাক থেকে, তিনি নুমান ইবনে বাশির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাতারগুলো সোজা করতেন। একদিন তিনি বের হলেন এবং এক ব্যক্তিকে দেখলেন যার বুক কাতার থেকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আছে। তখন তিনি বললেন: তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারগুলো সোজা করবে, অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের চেহারাগুলোর মধ্যে বৈপরীত্য সৃষ্টি করে দেবেন। মুসলিম কুতাইবা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।৫৪-…আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামদুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর আহমদ ইবনে আবিল কুরানি শ্রুতলিপির মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন-পৃ ৯খ-
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
بن محمد بن يعقوب أنبأ داود بن أبي العوام ثنا إبراهيم بن أحمد الخزاعي عن إبراهيم بن هدبة عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم من اعتاد مسلما أو سعى به إلى السلطان جاء يوم القيامة مشوة الوجه يدعوا بالويل والثبور.55-…وبهذا الإسناد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن العبد إذا أصبح واستيقظ من منامه جاءت الروح فاستقبل جسده وقال يا جسد بالله لا تعمل اليوم عملا يوردني نار جهنم.56-…وبهذا الإسناد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من بكى على ذنبه في الدنيا حتى تسيل دموعه على وجهه حرم الله ديباجه ووجهه على النار هـ.57-…أخبرنا أبو سعد الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن حمدان ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ ثنا منصور بن أبي مزاحم ثنا عبد الرحمن بن أبي الموالي عن محمد بن المنكدر عن جابر قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُعَلِّمُنَا الاِسْتِخَارَةَ كَمَا يُعَلِّمُنَا السُّورَةَ مِنْ الْقُرْآنِ قَالَ إذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالأَمْرٍ أوأراد الأمر فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ غَيْرَ الْفَرِيضَةِ ثُمَّ لِيَقُلِ اللَّهُمَّ إنِّي أَسْتَخِيرُك بِعِلْمِك وَأَسْتَقْدِرُك بِقُدْرَتِك وَأَسْأَلُك مِنْ فَضْلِك الْعَظِيمِ فَإِنَّك تَقْدِرُ وَلَا أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلَا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلَامُ الْغُيُوبِ اللَّهُمَّ إنْ كَنَت تَعْلَمُ هَذَا الأَمْرَ تُسَمِّيهِ بِعَيْنِهِ خَيْرًا لِي فِي دِينِي وَمعاشى ومعادى وعَاقِبَةِ أَمْرِي فأو قال عاجل أمرى وأجله َاقْدِرْهُ لِي ثُمَّ َبَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كَنَت تعلمه شَرًّا لِي مِثْلَ ذَلِكَ فَاصْرِفْهُ عَني وَاصْرِفْنِي عَنهُ وَاقْدُرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ هـ.
...বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব থেকে বর্ণিত, দাউদ বিন আবিল আওয়াম আমাদের খবর দিয়েছেন, ইব্রাহিম বিন আহমাদ আল-খুজাঈ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম বিন হুদবাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের অনিষ্ট করতে অভ্যস্ত হয় অথবা তাকে শাসকের কাছে সোপর্দ করার চেষ্টা করে, সে কিয়ামতের দিন বিকৃত মুখমণ্ডল নিয়ে উপস্থিত হবে এবং নিজের ধ্বংস ও বিনাশের জন্য আর্তনাদ করতে থাকবে।"৫৫-…এবং এই একই সনদে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "বান্দা যখন ভোরে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন রুহ (আত্মা) ফিরে আসে এবং তার দেহের মুখোমুখি হয়ে বলে: হে দেহ! আল্লাহর দোহাই দিচ্ছি, আজ এমন কোনো কাজ করো না যা আমাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত করবে।"৫৬-…এবং এই একই সনদে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি দুনিয়াতে নিজের গুনাহের জন্য এমনভাবে কাঁদে যে তার চোখের পানি গাল বেয়ে পড়ে, আল্লাহ তার চেহারা ও মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেন।"৫৭-…আমাদের খবর দিয়েছেন আবু সাদ আল-কানজারুযি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন হামদান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন হাসান বিন আব্দুল জাব্বার আস-সুফি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মানসুর বিন আবু মুযাহিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আবিল মাওয়ালি, মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রতিটি কাজে ইস্তিখারা করার নিয়ম এমনভাবে শিক্ষা দিতেন যেমন কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: "তোমাদের কেউ যখন কোনো কাজের সংকল্প করে বা কোনো কাজ করতে চায়, তবে সে যেন ফরয নামায ব্যতীত দুই রাকাত নফল নামায পড়ে, তারপর যেন বলে: হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের অসিলায় আপনার কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং আপনার কুদরতের অসিলায় আপনার কাছে সামর্থ্য প্রার্থনা করছি, আর আমি আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। নিশ্চয়ই আপনি সক্ষম, আমি অক্ষম; আপনি জানেন, আমি জানি না; এবং আপনিই অদৃশ্যের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! আপনি যদি এই কাজটিকে (এখানে সুনির্দিষ্ট কাজের নাম নিবে) আমার দ্বীন, আমার জীবন-জীবিকা, আমার পরকাল এবং আমার কাজের পরিণতির ক্ষেত্রে—অথবা তিনি বলেছেন আমার কাজের ইহকাল ও পরকালের জন্য—কল্যাণকর মনে করেন, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন এবং তাতে বরকত দান করুন। আর যদি আপনি এই কাজটিকে আমার দ্বীন, জীবন-জীবিকা এবং পরিণতির ক্ষেত্রে অকল্যাণকর মনে করেন, তবে তা আমার থেকে সরিয়ে নিন এবং আমাকেও তা থেকে বিমুখ রাখুন, আর আমার জন্য যেখানেই কল্যাণ থাকুক না কেন তা নির্ধারিত করে দিন।"
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
58-…أخبرنا أبو بكر بن أبى عاصم الْعُمَرِيُّ أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي شُرَيْحٍ أنبأ أبو القاسم البغوى ثنا أبو الجهم العلاء بن موسى ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جابر بن عبد الله الأنصارى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أنه قال أن خير ما ركبت-ق10أ-إليه الرواحل مسجدى هذا والبيت العتيق هـ.59-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أبو علي زاهر بن أحمد الإمام السرجسي بها أنبأ البغوي ثنا مصعب بن عبد الله بن مُصْعَبٌ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال من أعتق شركا له في عبد وكان له مال يبلغ ثمن العبد قوم عليه قيمة العدل فأعطي شركاه حصصهم وأعتق عليه العبد وإلا فقد عتق منه ما عتق هـ.60-…وَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو سَعْدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا الْحَاكِمُ أَبُو أحمد الْحَافِظُ أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن سليمان بن الحارث الواسطي ثنا شيبان بن فروخ ثنا جرير بن حازم ثنا نافع مولى عبد الله بن عمر عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مَنْ أَعْتَقَ نَصِيبًا فِي عَبْدٍ فكان له مال قدر ما يبلغ قيمة العبد قوم عليه قيمة العدل وإلا فقد عتق ما عتق. رواه مسلم عن شيبان بن فروخ الأيلي.
৫৮-…আবু বকর বিন আবি আসিম আল-উমারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুর রহমান বিন আবি শুরাইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-জাহম আল-আলা বিন মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-লাইস বিন সাদ আবু আল-জুবায়ের থেকে এবং তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সবচেয়ে উত্তম স্থান যার দিকে আরোহীরা বাহন চালনা করে, তা হলো আমার এই মসজিদ এবং প্রাচীন ঘর (কাবা)।" সমাপ্ত।-পৃষ্ঠা ১০ক-এটির প্রতি।৫৯-…আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আলি জাহির বিন আহমাদ আল-ইমাম আল-সারখাসি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বাগাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসআব বিন আবদুল্লাহ বিন মুসআব আল-জুবায়রি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মালিক বিন আনাস নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোন দাসের মধ্যে তার অংশ আযাদ করে দেয় এবং তার কাছে দাসের পূর্ণ মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে দাসের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করা হবে। অতঃপর সে তার অংশীদারদের তাদের প্রাপ্য অংশ দিয়ে দিবে এবং দাসটি তার পক্ষ থেকে পূর্ণ আযাদ হয়ে যাবে। অন্যথায় যতটুকু আযাদ হয়েছে ততটুকুই আযাদ থাকবে।" সমাপ্ত।৬০-…এবং আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কাঞ্জারুযি, আল-হাকিম আবু আহমাদ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শাইবান বিন ফাররুখ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জারির বিন হাযিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন উমরের মুক্তদাস নাফে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোন দাসের মধ্যে একটি অংশ আযাদ করে এবং তার কাছে দাসের পূর্ণ মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে দাসের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করা হবে। অন্যথায় যতটুকু আযাদ হয়েছে ততটুকুই আযাদ হবে।" এটি মুসলিম শাইবান বিন ফাররুখ আল-আইলি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
61-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خلف المعيلي أنبا أبو محمد الحسن بن أحمد المخلدي أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ ثنا هناد بن السري ثنا ابْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ قال سمعت أنس بن مالك يقول أَغْفَى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغْفَاءَةً فرَفَعَ رَأْسَهُ مُتَبَسِّمًا فإِمَّا قَالَ لَهُمْ وَإِمَّا قَالُوا لَهُ يا رسول الله لِمَ ضَحِكْتَ قَالَ إِنَّهُ نزلَتْ عَلَيَّ آنِفًا سُورَةٌ فَقَرَأَ {بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ} حَتَّى خَتَمَهَا فلما قرأها قَالَ هَلْ تَدْرُونَ مَا الْكَوْثَرُ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ فإنهُ نَهْرٌ وعدنيه رَبِّي عز وجل عَلَيْهِ خَيْرٌ كَثِيرٌ عَلَيْهِ حوضي ترد عليه أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ آنِيَتُهُ عَدَدُ الْكَوَاكِبِ. رواه مسلم من طرق عن المختار بن فلفل.آخر الجزء الأول والحمد لله رب العالمين وصلى الله عليه محمد وآله الجزء الثاني بسم الله الرحمن الرحيم62-…أخبرنا أبو القاسم زاهر بن طاهر الشحامي المستملي أنبأ-ق10ب-أنبأ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ الْعُمَرِيُّ الْهَرَوِيُّ أنبأ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي شُرَيْحٍ الأَنْصَارِيُّ أنبا أبو القاسم البغوي ثنا مصعب بن عبد الله الزبيري حدثني مالك بن أنس عن حميد الطويل عن أني بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى خيبر فجاءهم ليلا وكان إِذَا أَتَى قَوْمًا بِلَيْلٍ لا يُغِيرْ عليهم حَتَّى يُصْبِحَ قال فَلَمَّا أصْبَحَ خَرَجَ يَهُود بِمَسَاحِيهِمْ وَمَكَاتِلِهِمْ فَلَمَّا رَأَوْهُ قَالُوا مُحَمَّدٌ وَالله مُحَمَّدٌ وَالْخَمِيسُ فَقَالَ النبي صلى الله عليه وسلم الله أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِينَ.
৬১-…আবু বকর আহমাদ ইবনে মানসুর ইবনে খালাফ আল-মুঈলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-মুখাল্লাদি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাকাফি আমাদের জানিয়েছেন, হান্নাদ ইবনে আস-সারী আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে ফুদাইল মুখতার ইবনে ফুলফুল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামান্য তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন, এরপর তিনি মুচকি হেসে মাথা তুললেন। তিনি হয় তাদের কিছু বললেন অথবা তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন: এইমাত্র আমার ওপর একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। এরপর তিনি পাঠ করলেন: {পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে। নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাউসার দান করেছি...} শেষ পর্যন্ত। যখন তিনি এটি পাঠ শেষ করলেন, তখন বললেন: তোমরা কি জানো কাউসার কী? তারা বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বললেন: তা হলো একটি নদী যা আমার প্রতিপালক আজ্জা ওয়া জাল্লা আমাকে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন, যাতে রয়েছে প্রভূত কল্যাণ। সেখানে রয়েছে আমার হাউজ (জলাধার), কেয়ামতের দিন আমার উম্মত সেখানে পানি পানে আসবে; যার পানপাত্রগুলো আকাশের নক্ষত্ররাজির সমপরিমাণ। মুখতার ইবনে ফুলফুল থেকে বিভিন্ন সূত্রে মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।প্রথম খণ্ড সমাপ্ত, সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর আল্লাহ সালাত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের ওপর। দ্বিতীয় খণ্ড পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে৬২-…আবু আল-কাসিম জহির ইবনে তাহির আশ-শাহামি আল-মুস্তামলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি জানিয়েছেন-পৃষ্ঠা ১০-খ-আবু বকর ইবনে আবি আসিম আল-উমারি আল-হারাওয়ি আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুর রহমান ইবনে আবি শুরাইহ আল-আনসারি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি আমাদের জানিয়েছেন, মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আজ-জুবাইরি আমাদের জানিয়েছেন, মালিক ইবনে আনাস হুমাইদ আত-তবিল থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং রাতে তাদের নিকট পৌঁছালেন। নিয়ম ছিল যে, তিনি যখন কোনো কওমের নিকট রাতে পৌঁছাতেন, সকাল না হওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর আক্রমণ করতেন না। আনাস বলেন: যখন সকাল হলো, ইয়াহুদিরা তাদের কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে বেরিয়ে এল। তারা যখন তাঁকে দেখল, তখন তারা বলতে লাগল: মুহাম্মাদ! আল্লাহর কসম, মুহাম্মাদ ও বিশাল বাহিনী! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হলো। নিশ্চয়ই আমরা যখন কোনো সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি, তখন সতর্ককৃতদের সকাল কতই না মন্দ হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
63-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ أنبا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمد الرازي أنبأ يوسف بن عاصم الرازي ثنا هُدبة بن خالد ثنا همام بن يحيى ثنا قتادة قال قلت لأنس بن مالك رضي الله عنه من جمع القرآن على عهد رسلو الله صلى الله عليه وسلم قال أربعة كلهم من الأنصار أبي بن كعب ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت ورجل من الأنصار يقال له أبو زيد رضي الله عنهم.64-…وأخبرنا أبو سعد أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حمدان ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُوسَى عَبْدَان الأهوازي ثنا سعيد بن عبد الجبار ثنا إبراهيم بن محمد بن ثابت الحجبي من بني عبد الدار حدثني أبي عن عقبة بن عامر الجهني أنه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم عام غزوة تبوك قال فدار (كذا بالأصل ويحتمل. .فكَانَ) الرَّاعْيُ عَلَيَّ وَعَلَى صَاحِبٍ لِي رعي الإبل فبينا أنا رَأَيْتُ النبي صلى الله عليه وسلم جالسا وَقَدِ اجْتَمَعَ إليه النَّاسُ فَقُلْتُ لِصَاحِبِي اكْفِنِي حَتَّى أَجْلِسَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فأَسْمَع مِنْهُ فَجِلست إِلَيْهِ وكان أدنى ما جلست إليه عمر بن الخطاب رضي الله عنه سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ثم صَلَّى رَكْعَتَيْنِ مقْبِلا فِيهِمَا قلبه لَا يَشْغَلُهُ شَيْءٌ خَرَجَ مِنْ ذُنُوبِهِ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ.65-…وأخبرنا أبو سعد ثنا أبو عمرو ثنا عبدان الأهوازي ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا سفيان بن عيينة ثنا عبيد الله بن أبي يزيد عن ابن عباس رضي الله عنه قال لَا أُحِلُّهَا لِمُغْتَسِلٍ يَغْتَسِلُ فِي الْمَسْجِدِ-ق11أ-وَهِيَ لِشَارِبٍ وَمُتَوَضِّئٍ حِلٌّ وَبِلٌّ.
৬৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-কাঞ্জারুযি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আর-রাযি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ বিন আসিম আর-রাযি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবা বিন খালিদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে কারা কুরআন সংগ্রহ করেছিলেন? তিনি বললেন: চারজন, তাঁরা সকলেই আনসারদের অন্তর্ভুক্ত: উবাই বিন কা'ব, মুয়ায বিন জাবাল, যাইদ বিন সাবিত এবং আনসারদের এক ব্যক্তি যাকে আবু যাইদ বলা হতো (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)।৬৪-…আমাদের আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হামদান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মূসা আবদান আল-আহওয়াযি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল জাব্বার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন সাবিত আল-হাজাবি, যিনি বনু আবদুদ দার গোত্রের লোক, তিনি বলেন আমার পিতা আমার নিকট উকবাহ বিন আমির আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাবুক যুদ্ধের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বের হয়েছিলেন। তিনি বলেন: তখন উট চরানোর পালা আমার ও আমার এক সঙ্গীর ওপর ছিল (মূল পাঠে এভাবেই আছে, সম্ভবত এর অর্থ: তখন উট চরানোর সময় হয়েছিল)। এমতাবস্থায় আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসা অবস্থায় দেখলাম এবং মানুষ তাঁর কাছে সমবেত হয়েছিল। আমি আমার সঙ্গীকে বললাম, ‘আমার পক্ষ হতে তুমি দায়িত্ব পালন করো যাতে আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসতে পারি এবং তাঁর কথা শুনতে পারি।’ অতঃপর আমি তাঁর কাছে বসলাম এবং তাঁর সবচেয়ে নিকটে যেখানে আমি বসেছিলাম সেখানে উমর বিন আল-খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) উপস্থিত ছিলেন। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনলাম: “যে ব্যক্তি ওযু করে এবং সুন্দরভাবে ওযু সম্পন্ন করে, অতঃপর একাগ্রচিত্তে এমনভাবে দুই রাকাত সালাত আদায় করে যাতে কোনো কিছুই তাকে অন্যমনস্ক না করে, সে তার গুনাহসমূহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হয়ে বের হয় যেমনটি তার মা তাকে প্রসব করার দিন সে নিষ্পাপ ছিল।”৬৫-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান আল-আহওয়াযি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শাইবাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন আবি ইয়াযিদ, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “আমি মসজিদে গোসলকারীর জন্য তা (মসজিদের পানি ব্যবহার) বৈধ করি না,-পৃষ্ঠা ১১ক-তবে পানকারী এবং ওযুকারীর জন্য তা সম্পূর্ণরূপে বৈধ ও হালাল।”
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
66-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي أنبأ أبو محمد بن محمد بن أحمد الطرازي البغدادي أنبا أبو بكر محمد بن منصور بن أبي الجهم ببغداد ثنا حميد بن مسعدة ثنا عمر بن علي المقدمي عن أبي حازم عن سهل بن سعد رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لَغَدْوَةٌ أَوْ رَوْحَةٌ فِي سَبِيلِ اللهِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَلَمَوْضِعُ سَوْطٍ فِي الْجَنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ثم قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم ((فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز هـ.67-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ الْهَرَوِيُّ أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أحمد الأنصاري أنبأ أبو القاسم البغوي ثنا أبو الجهم العلاء بن موسى ثنا ليث بن سعد عن نافع أن وليدة كانت بالمدينة في خلافة معاوية كان لها هوى فقالت لا أرضى حتى تقتل فلانا لسيدها واعانته على ذلك فأخذ الرجل وأخذت معه فتحابلت فتركوها قريبا من ثلاثة أشهر فلما تبين لهم أن لا حبل بها قتلوها هـ.68-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ أنبا الحسن بن سفيان ثنا هدبة بن خالد القيسي ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قال لَقَدْ سَقَيْتُ بِقَدَحِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اللَّبَنَ وَالْمَاءَ وَالْعَسَلَ وَالنَّبِيذَ هـ.69-…أخبرنا أبو القاسم عبد الكريم بن هوازن القشري أنبأ أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ محمد بن إسحاق السراج ثنا قتيبة بن سعيد ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عمر رضي الله عنه قال رأي رسول الله صلى الله عليه وسلم نخامة في قبلة المسجد وهو يصلي بالناس فَحَتَّهَا ثم قَالَ حين انصرف إن أَحَدُكُمْ إذا كان في الصلاة فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل قِبَلَ وَجْهِ فلا يتنخمن أَحَدكُمْ قبل وجهه فِي الصَّلَاة هـ.
৬৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আল-কানজরুযি, তিনি আবু মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আত-তারাজি আল-বাগদাদি থেকে, তিনি বাগদাদে আবু বকর মুহাম্মদ বিন মানসুর বিন আবুল জাহম থেকে, তিনি হুমাইদ বিন মাসআদাহ থেকে, তিনি উমর বিন আলি আল-মুকাদ্দামি থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল বিন সাদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর পথে একটি সকাল বা একটি সন্ধ্যা অতিবাহিত করা পৃথিবী এবং এর মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম। আর জান্নাতে একটি চাবুক রাখার সমপরিমাণ জায়গা পৃথিবী এবং এর মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন: “যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হলো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হলো, সে-ই সফলকাম হলো।” (সমাপ্ত)৬৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন উমর আল-উমারি আল-হারাওয়ি, তিনি আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আনসারি থেকে, তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি থেকে, তিনি আবুল জাহম আল-আলা বিন মুসা থেকে, তিনি লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি নাফি থেকে বর্ণনা করেন যে, মুয়াবিয়ার খিলাফতকালে মদিনায় একজন দাসী ছিল যার কুপ্রবৃত্তি জেগেছিল। সে তার মালিককে বলেছিল, “যতক্ষণ না তুমি অমুককে হত্যা করবে, ততক্ষণ আমি সন্তুষ্ট হব না।” সে তাকে এ কাজে সাহায্যও করেছিল। অতঃপর লোকটিকে ধরা হলো এবং তার সাথে দাসীটিকেও ধরা হলো। তারা সন্দেহ করলেন যে সে গর্ভবতী কি না, তাই তাকে প্রায় তিন মাস পর্যন্ত রেখে দিলেন। যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হলো যে সে গর্ভবতী নয়, তখন তারা তাকে হত্যা করলেন। (সমাপ্ত)৬৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, তিনি আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান থেকে, তিনি হাসান বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি হুদবাহ বিন খালিদ আল-কাইসি থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমি আমার এই পেয়ালায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুধ, পানি, মধু এবং নাবিয পান করিয়েছি।” (সমাপ্ত)৬৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল কারিম বিন তাওয়াযিন আল-কুশাইরি, তিনি আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-খাফফাফ থেকে, তিনি আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ থেকে, তিনি কুতাইবাহ বিন সাঈদ থেকে, তিনি লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন, তখন মসজিদের কিবলার দিকে কফ দেখতে পেলেন। তিনি তা ঘষে তুলে ফেললেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি বললেন: “তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাকে, তখন আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লা) তার চেহারার সামনে থাকেন। অতএব সালাত অবস্থায় তোমাদের কেউ যেন তার চেহারার সামনে থুতু না ফেলে।” (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
70-…أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خلف المغربي أنبا أبو محمد الحسن بن أحمد المخلدي أنبأ أبو العباس السراج ثنا قتيبة بن سعيد ثنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبي حازم عن سهل بن سعد رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم-ق11ب-قَالَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعُونَ أَلْفًا أو سبع مائة لا يدري أبو حازم، وإنهما قَالَ مُتَمَاسِكُونَ آخِذٌ بَعْضُهُمْ بَعْضًا لا يَدْخُلُ أولهم حتى يدخل آخرهم ووجوههم على صورة القمر ليلة البدر هـ. روياه عن قتيبة.71-…أخبرنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ أنبا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأنباري ببغداد ثنا أبو عبد الله الحسين بن إسماعيل ثنا أبو الأشعث أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ ثنا حَمَّادُ بْنُ زيد عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ مَا مَسَسْتُ بِيَدِي دِيبَاجًا وَلا حريرا ولا شيئا كان أَلْيَنَ مِنْ كَفِّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ولا شممت رائحة أَطْيَبَ مِنْ رِيحِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَقَدْ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرَ سِنِينَ فَوَاللَّهِ مَا قَالَ لِي أُفٌّ قَطُّ وَلا قَالَ لِشَيْءٍ فعلته لم فعلت وَلا لِشَيْءٍ لَمْ أَفْعَلْهُ أَلَا فَعَلْتَ كَذَا رواه البخاري عن سليمان بن حرب عن حماد هـ.72-…حدثنا والدي من لفظه أنبا أبو بكر أحمد بن الحسن القاضي أنبأ حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ثنا عَبْدُ الرحيم بن منيب المروزي ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أنبا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع ثَمَرَةِ النَّخْلِ حَتَّى تَزْهُوَ قلنا ومَا زهوه قَالَ تَحْمَرُّ فقال أنس أرأيت لو منع الله الثمرة ثم تستحل مال أخيك هـ.73-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ أنبا الحاكم أبو أحمد محمد بن محمد الحافظ أنبا الحسين بن أبي معشر الحراني بها ثنا مخلد بن مالك ثنا عطاف بن خالد عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رضي الله عنه كان إذا دخل المسجد فرآه جالسا وضع يده على الرصافة التى كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يضع يده عليها.
৭০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবন মানসুর ইবন খালাফ আল-মাগরিবি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন আহমদ আল-মাখলাদি থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আস-সাররাজ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ইবন সাঈদ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবন আবি হাযিম থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবন সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -পৃষ্ঠা ১১খ-বলেছেন: "আমার উম্মত থেকে সত্তর হাজার অথবা সাত লক্ষ (আবু হাযিম নিশ্চিত নন) অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা একে অপরের হাত ধরে থাকবে। তাদের প্রথম জন প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না তাদের শেষ জন প্রবেশ করে। তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো।" তাঁরা উভয়ে (ইমাম বুখারি ও মুসলিম) এটি কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।৭১-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন বাগদাদের আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আল-আনবারি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন ইসমাইল থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআস আহমদ ইবন আল-মিকদাম আল-ইজলি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়িদ থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি আমার হাত দিয়ে এমন কোনো মোটা রেশম বা পাতলা রেশম অথবা অন্য কোনো বস্তু স্পর্শ করিনি যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালুর চেয়ে অধিক নরম ছিল। আর আমি এমন কোনো ঘ্রাণ শুকিনি যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শরীরের সুগন্ধির চেয়ে অধিক উত্তম ছিল। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দশ বছর খিদমত করেছি; আল্লাহর কসম! তিনি কখনো আমাকে 'উফ' পর্যন্ত বলেননি। আমি কোনো কাজ করলে তিনি কখনো বলেননি যে, 'কেন এটি করলে?', আর কোনো কাজ না করলে তিনি বলেননি যে, 'কেন এটি করলে না?'।" ইমাম বুখারি এটি সুলাইমান ইবন হারব-এর সূত্রে হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।৭২-…আমার পিতা তাঁর নিজস্ব শব্দে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবন আল-হাসান আল-কাদি থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হাজিব ইবন আহমদ আত-তুসি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহিম ইবন মুনীব আল-মারওয়াযি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর গাছের ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, পরিপক্ক হওয়া বলতে কী বোঝায়? তিনি বললেন, "লাল হওয়া"। অতঃপর আনাস (রা.) বললেন, "আপনি কি মনে করেন যদি আল্লাহ ফল উৎপাদনে বাধা দেন, তবে আপনি আপনার ভাইয়ের সম্পদ কোন অধিকারে ভোগ করবেন?"৭৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ ইবন আবি বকর আল-আদিব, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হাকেম আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-হাফিজ থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবন আবি মাশার আল-হাররানি থেকে (হাররানে), তিনি বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবন মালিক থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আত্তাফ ইবন খালিদ থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবন উমর (রা.) যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং কাউকে উপবিষ্ট দেখতেন, তখন তিনি সেই হেলান দেওয়ার স্থানের (রসাফাহ) ওপর হাত রাখতেন যেটির ওপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত রাখতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
74-…أخبرنا الإسناد أَبُو يَعْلَى إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّابُونِيُّ أنبا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرازي أنبا محمد الرازي أنبا محمد بن أيوب أنبا مسلم بن إبراهيم ثنا بحر بن كنيز السقاء ثنا قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أقل أمتي من يبلغ اليقين.75-…أخبرنا أبو نصر عبد الرحمن بن علي بن موسى ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُبْدُوسٍ المزكي إملاء أنبا أبو عمرو أحمد بن محمد بن أحمد الحيري ثنا عبد الرحمن-ق12أ-ابن بشر ثنا سفيان عن أبي الزبير عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم من زرع زرعا فيصاب منه شيء إلا كان له أجر هـ.76-…أخبرنا أبو بكر بن أبي عاصم الْعُمَرِيُّ أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي شُرَيْحٍ أنبا أبو القاسم البغوي ثنا العلاء بن موسى ثنا الليث بن سعد عن نافع أن بنين لعبد الله أفاضوا قبل أن يحلقوا فقال ليرجعوا فيحلقوا ثم ليفيضوا إفاضة أخرى.77-…أخبرنا أبو سعد الكنجروذي أنبا أبو العباس أحمد بن محمد بن إسحاق البالوي أنبأ محمد بن إسحاق بن إبراهيم الثقفي ثنا قتيبة بن سعيد ثنا يعقوب بن عبد الرحمن الاسكندراني عن أبي حازم قال سمعت سهل بن سعد الساعدي يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول أنا فرطكم على الحوض من ورد شرب ومن شرب لم يظمأ أبدا وليردن عليّ أقوام أعرفهم ويعرفوني ثم يحال بيني وبينهم قال أبو حازم فسمع النعمان بن أبي عياش وأنا أحدثهم بهذا الحديث فقال هكذا سمعت سهلا يقول فقلت نعم قال وأنا أشهد على أبي سعيد الخدري لسمعته يزيد فيقال إنهم مني فيقال إنك لا تدري ما عملوا بعدك فاقول سحقا سحقا لمن بدل بعدي. رواه مسلم عن قتيبة بن سعيد هـ.
৭৪-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসনাদ আবু ইয়ালা ইসহাক ইবন আবদুর রহমান আস-সাবুনী, তিনি আবু সাঈদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আর-রাজী থেকে, তিনি মুহাম্মদ আর-রাজী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব থেকে, তিনি মুসলিম ইবন ইবরাহীম থেকে, তিনি বাহর ইবন কানিজ আস-সাক্কা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্যে তারাই সবচেয়ে কম যারা ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস) অর্জন করতে পারে।"৭৫-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আবদুর রহমান ইবন আলী ইবন মুসা, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আবদুস আল-মুযাক্কী থেকে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি আবু আমর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আল-হীরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান-পৃষ্ঠা ১২ক-ইবন বিশর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো ফসল রোপণ করে, অতঃপর তা থেকে কোনো কিছু (মানুষ বা প্রাণী দ্বারা) গৃহীত হয়, তবে তার বিনিময়ে তার জন্য প্রতিদান রয়েছে।"৭৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবন আবি আসিম আল-উমারী, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবি শুরাইহ থেকে, তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী থেকে, তিনি আলা ইবন মুসা থেকে, তিনি লাইস ইবন সা'দ থেকে, তিনি নাফি থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহর পুত্রগণ মাথা মুণ্ডন করার পূর্বেই তাওয়াফে ইফাজাহ সম্পন্ন করেছিলেন। তখন তিনি বললেন: "তারা যেন ফিরে যায় এবং মাথা মুণ্ডন করে, অতঃপর পুনরায় যেন তাওয়াফে ইফাজাহ করে।"৭৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ আল-কানজারূযী, তিনি আবুল আব্বাস আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আল-বালভী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহীম আস-সাকাফী থেকে, তিনি কুতাইবাহ ইবন সা'দ থেকে, তিনি ইয়াকুব ইবন আবদুর রহমান আল-ইসকান্দারানী থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি সাহল ইবন সা'দ আস-সাঈদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আমি হাউযের কাছে তোমাদের অগ্রগামী থাকব। যে সেখানে আসবে সে পান করবে, আর যে একবার পান করবে সে আর কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। অবশ্যই আমার কাছে এমন কিছু লোক আসবে যাদের আমি চিনি এবং তারাও আমাকে চেনে, অতঃপর আমার ও তাদের মাঝে অন্তরায় তৈরি করা হবে।" আবু হাযিম বলেন, আমি যখন তাদের কাছে এই হাদীস বর্ণনা করছিলাম তখন নুমান ইবন আবি আইয়াশ তা শুনলেন এবং বললেন: "আপনি কি সাহলকে এভাবেই বলতে শুনেছেন?" আমি বললাম: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীর বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তাঁকে এটি আরও বর্ধিত বর্ণনায় বলতে শুনেছি যে, তখন বলা হবে: 'তারা তো আমারই লোক।' তখন বলা হবে: 'নিশ্চয়ই আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কী সব (নতুন) কাজ করেছিল।' তখন আমি বলব: 'দূর হোক, ধ্বংস হোক তারা যারা আমার পরে (দ্বীনকে) পরিবর্তন করেছে'।" এটি মুসলিম কুতাইবাহ ইবন সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
78-…أخبرنا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى المقريء أنبا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ أنبا جحدي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ أنبا أحمد بن عبدة الضبي ثنا حماد بن زيد ح. قال الإمام أبو بكر وحدثنا أحمد المقدام ثنا حماد بن زيد عن ثابت قال قال لنا أنس بن مالك رضي الله عنه إني لا آلُو أَنْ أُصَلِّيَ بِكُمْ كَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي قَالَ ثابت فكَانَ أَنَسٌ يصنع شيئا لا أراكم تصنعونه كان رفع راسه من الركوع انتصب قائما حتى نقول قد نسي.79-…أخبرنا أبو عثمان سعيد-ق12ب-ابن محمد البحيري أنبا أبو عمرو بْنِ حَمْدَانَ أَخْبَرَنِي عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مجاشع السختياني ثنا هُدبة بن خالد ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ تعالى آدَمَ عليه السلام جَعَلَ إِِبْلِيسَ يُطِيفُ بِهِ فَلَمَّا رَآهُ أَجْوَفَ قَالَ طَفِرْتُ بِهِ خَلْقٌ لا يَتَمَالَكُ.
৭৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ ইবন ইবরাহিম ইবন মুসা আল-মুকরি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবন আল-ফদল থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন খুজাইমাহ থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন আবদাহ আদ-দাব্বি থেকে, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়িদ। (হাদীসের অন্য সূত্র) ইমাম আবু বকর বলেন, এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ আল-মিকদাম, তিনি বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়িদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে। তিনি বলেন, আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের বলেছেন: আমি তোমাদের সাথে সালাত আদায়ের ব্যাপারে কোনো ত্রুটি করি না ঠিক যেমনটি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাত আদায় করতে দেখেছি। সাবিত বলেন, আনাস এমন কিছু করতেন যা আমি তোমাদের করতে দেখি না; তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন, তখন সোজা হয়ে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন, এমনকি আমরা বলতাম যে তিনি হয়তো ভুলে গেছেন।৭৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ-পৃষ্ঠা ১২খ-ইবন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবন হামদান থেকে, তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইমরান ইবন মুসা ইবন মুজাশে আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন হুদবাহ ইবন খালিদ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যখন মহান আল্লাহ আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করলেন, তখন ইবলিস তাকে ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল। যখন সে তাকে ফাঁপা দেখল, তখন সে বলল: আমি এর ওপর বিজয় লাভ করেছি; এমন এক সৃষ্টি যা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
80-…أخبرنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الطرابلسي أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جعفر الماليني المحمودي سنة اثنتين وتسعين وثلاثمائة أنبا أبو علي أحمد بن محمد بن علي بن رزين ثنا عبد الجبار بن العلاء ثنا يوسف بن عطية الصفار قال سمعت ثابتا البناني يَذْكُرُ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إذ استقبله شاب من الأنصار فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كيف أصبحت يا حارث فقال أصبحت بالله مؤمنا حقا قال انظر ما تقول فإن لكل قول حقيقة، قال يا رسول الله عزفت نفسي عن الدنيا فأسهرت ليلي وأظمأت نهاري وكأني بعرش ربي بارزا وكأني أنظر إلى أهل الجنة كيف يتزاورون فيها وكأني أنظر إلى أهل النار كيف يتعاوون فيها فقال أبصرت فالزم عبد نور الإيمان في قلبه، قال يا رسول الله ادع الله لي بالشهادة فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم له فنودي يوما في الخيل فكان أول فارس استشهد وأول فارس ركب فبلغ أمه فجاءت إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله أخبرني عن ابني إن يك في الجنة لم أبك عليه ولم أحزن وإن يك غير ذلك بكيته ما عشت في الدنيا فقال يا أم الحارث إنها ليست جنة ولكنها جنة في جنات وإن الحارث في الفردوس الأعلى قال فرجعت وهي تضحك وتقول بخ بخ لك يا حارث.81-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أبي عمرو الْفَقِيهُ أنبا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي أبو القاسم العباس-ق13أ-ابن الفضل بن شاذان المقريء بالري ثنا عبد الرحمن يعني ابن عمر الزهري ثنا أبو عمر حماد بن واقد ثنا ثابت عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن نبي اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ عَالَ ابْنَتَيْنِ أَوْ ثَلَاثَة أَوْ أُخْتَيْنِ أَوْ ثَلَاثَة حَتَّى يَمُتْنَ أَوْ يَمُوتَ عَنْهُنَّ كُنْتُ أَنَا وَهُوَ كَهَاتَيْنِ في الجنة وَأَشَارَ بِأُصْبُعَيْهِ هـ.
৮০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আত-তরাবুলুসি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-মালিনী আল-মাহমুদী থেকে ৩৯২ হিজরি সালে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন রাজীন থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল জব্বার বিন আল-আলা থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ আস-সাফফার থেকে, তিনি বলেন আমি সাবেত আল-বুনানীকে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে আনসারদের এক যুবক উপস্থিত হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, "হে হারিস, তুমি কীভাবে সকাল করলে?" সে বলল, "আমি আল্লাহর প্রতি প্রকৃত ঈমানদার হিসেবে সকাল করেছি।" তিনি বললেন, "তুমি যা বলছ তা ভেবে দেখো, কারণ প্রতিটি কথার একটি বাস্তবতা থাকে।" সে বলল, "হে আল্লাহর রাসূল, আমার আত্মা দুনিয়া থেকে বিমুখ হয়েছে, তাই আমি আমার রাতগুলোকে জাগ্রত (ইবাদতে) কাটাই এবং দিনগুলোতে তৃষ্ণার্ত (রোজা) থাকি। আর আমি যেন আমার রবের আরশকে স্পষ্টভাবে প্রকাশিত দেখতে পাচ্ছি, আমি যেন জান্নাতবাসীদের দেখছি তারা সেখানে কীভাবে একে অপরের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করছে, আর আমি যেন জাহান্নামবাসীদের দেখছি তারা সেখানে কীভাবে আর্তনাদ করছে।" তখন তিনি বললেন, "তুমি প্রকৃত বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছ, সুতরাং এর ওপর অটল থাকো; এ এমন এক বান্দা যার অন্তরে আল্লাহ ঈমানের নূর দান করেছেন।" সে বলল, "হে আল্লাহর রাসূল, আমার জন্য শাহাদাতের দোয়া করুন।" আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জন্য দোয়া করলেন। একদিন যখন অশ্বারোহী বাহিনীর ডাক দেওয়া হলো, তখন সে-ই ছিল প্রথম ঘোড়সওয়ার যে শহীদ হয়েছিল এবং সে-ই ছিল প্রথম ঘোড়সওয়ার যে আরোহণ করেছিল। সংবাদটি তার মায়ের কাছে পৌঁছালে তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল, আমার সন্তান সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন; সে যদি জান্নাতে থাকে তবে আমি তার জন্য কাঁদব না এবং বিষণ্ণ হব না। আর যদি অন্য কিছু হয়, তবে আমি যতদিন দুনিয়ায় বেঁচে থাকব তার জন্য বিলাপ করব।" তিনি বললেন, "হে হারিসের মা, সেটি কেবল একটি জান্নাত নয়, বরং জান্নাতসমূহের মাঝে অনেক জান্নাত, আর হারিস উচ্চতম জান্নাতুল ফিরদাউসে আছে।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি হাসতে হাসতে ফিরে গেলেন এবং বলছিলেন, "চমৎকার, চমৎকার তোমার জন্য হে হারিস।"৮১-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ বিন আবি বকর বিন আবি আমর আল-ফকীহ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আল-হাফেজ থেকে, তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আল-আব্বাস-পৃষ্ঠা ১৩ক-ইবনুল ফজল বিন শাযান আল-মুকরি আর-রায়ী থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান অর্থাৎ ইবনে উমর আজ-জুহরী থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু উমর হাম্মাদ বিন ওয়াকিদ থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাবেত থেকে, তিনি আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি দুই বা তিন কন্যা, অথবা দুই বা তিন বোনকে লালন-পালন করল, যতক্ষণ না তারা মারা যায় অথবা সে তাদের রেখে মারা যায়, জান্নাতে আমি এবং সে এই দুইটির মতো থাকব।" আর তিনি তার দুই আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
82-…أخبرنا أبو عثمان البحيري ثنا أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ محمد بن إسحاق السراج ثنا أبو همام السكوني ثنا علي بن مسهر عن عاصم قال سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه وسأله رجل عن القنوت فقال قيل الركوع قال عاصم فقلت لأنس فأنت أخبرتني أن القنوت بعد الركوع قال إِنَّمَا قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شهرا بعد الركوع يدعوا على قوم من المشركين قتلوا ناسا من القراء بعثهم رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى قوم من المشركين فمروا بناس من أهل العهد فقتلوهم فلم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد على شيء وجده عليهم فقنت شهرا بعد الركوع يدعوا عليهم هـ.83-…أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَدِيبُ أنبا أبو عمرو بن حمدان أنبا الحسن بن سفيان بنسا وأبو يعلى الموصلي بها قالا ثنا عبد الله بن محمد بن أسماء ثنا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَفَلَ كَبَّر ثلاثا ثُمَّ قال لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ.84-…أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو نَصْرٍ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بن علي الجرمي في أخرين قالوا أنبا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الزَّاهِدُ ثنا محمد بن أسحاق بن إبراهيم ثنا زياد بن أيوب ثنا عبيدة يعنيى ابن حميد حدثني حميد عن أنس رضي الله عنه قال كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم متقاربة وصلاة أبي بكر رضي الله عنه ثم بسط عمر رضي الله عنه في صلاة الغداة هـ.
৮২-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বুহাইরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাফফাফ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাম আস-সুকুনি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে মুসহির, আসিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি যখন এক ব্যক্তি তাঁকে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, রুকুর আগে। আসিম বলেন, আমি আনাসকে বললাম, আপনি তো আমাকে সংবাদ দিয়েছিলেন যে কুনুত রুকুর পরে। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল এক মাস রুকুর পরে কুনুত পড়েছিলেন, তিনি মুশরিকদের এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বদদোয়া করছিলেন যারা এমন কিছু ক্বারীগণকে হত্যা করেছিল যাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিকদের একটি গোত্রের কাছে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর তারা চুক্তিবদ্ধ এক কওমের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা তাদের হত্যা করে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাদের জন্য যতটা ব্যথিত হতে দেখেছি অন্য কোনো কিছুতে তেমন দেখিনি। ফলে তিনি এক মাস যাবত রুকুর পরে তাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করে কুনুত পাঠ করেন। সমাপ্ত।৮৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ ইবনে আবি বকর আল-আদিব, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনে হামদান, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, তারা উভয়ে বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আসমা, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জুওয়াইরিয়াহ ইবনে আসমা, নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনবার তাকবীর বলতেন, তারপর বলতেন: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য, আর তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি সত্য করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সম্মিলিত শত্রু বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।৮৪-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু নাসর আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে আলি আল-জারমি এবং অন্যান্যগণ, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উমর আজ-জাহিদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জিয়াদ ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ অর্থাৎ ইবনে হুমাইদ, তিনি বলেন আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত পরিমিত ছিল এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সালাতও। অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ফজরের সালাত দীর্ঘ করেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুস সিবাইয়াতুল আলিফ লিশ-শাহামী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
85-…أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَدِيبُ أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ درهم الطرسوسي أنبا البغوي ثنا محمد بن جعفر الورداني ثنا أيوب بن جابر عن سماك عن النعمان بن بشير رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اتقوا النار ولو بشق تمرة.86-…أخبرنا أبو بكر بن أبي عاصم الْعُمَرِيُّ أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي شُرَيْحٍ أنبا البغوي-ق13ب-ثنا العلاء بن موسى ثنا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ الله بن عمر رضي الله عنه كان يقول لا يصوم أحد عن أحد ولا يحج أحد عن أحد هـ.87-…أخبرنا الشيخ أبو عثمان البحيري أنبا أبو عمرو بْنِ حَمْدَانَ أَخْبَرَنِي عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مجاشع الجرجاني ثنا جبارة بن مغلس ثنا شريك عن عاصم الأحول عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يا ذا الأذنين.88-…أخبرنا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى المقريء أنبا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ أنبا جَدِّي الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بن خزيمة ثنا إسحاق بن منصور أنبا حرمي بن عمارة بن أبي حفصة حدثني أبو خالدة قال سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه وأبا يزيد الضبي يوم الجمعة في زمن الحجاج فقال يا أبا حمزة قد شهدت الصلاة مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وشهدت الصلاة معنا فكيف كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يصلى قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إذا اشتد البرد بكر بالصلاة وإذا اشتد الحر أبرد بالصلاة هـ.89-…أخبرنا أبو عثمان البحيري ثنا أبو بكر محمد بن علي العطار باسفرائن ثنا أبو العباس محمد بن أحمد عبد الوهاب إملاء من حفظه ثنا داود بن الحسين ثنا محمود بن مسعود عن كثير بن سليم عن أنس بن مالك رضي الله عنه قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لا يدخر شيئا لغد.
৮৫-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান আল-আদিব, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবন আবদ আল-মালিক ইবন দিরহাম আত-তারসুসি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বাগাভি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন জাফর আল-ওয়ারদানি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবন জাবির, তিনি সিমাক থেকে, তিনি নুমান ইবন বশির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা জাহান্নাম থেকে বেঁচে থাকো, এমনকি খেজুরের একটি অর্ধাংশের বিনিময়ে হলেও।৮৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবন আবি আসিম আল-উমারি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবন আবি শুরাইহ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বাগাভি-পৃ ১৩খ-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবন মুসা, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন লাইস ইবন সাদ, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলতেন: কেউ কারো পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং কেউ কারো পক্ষ থেকে হজ করবে না। সমাপ্ত।৮৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু উসমান আল-বুহাইরি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবন হামদান, তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইমরান ইবন মুসা ইবন মুজাশে আল-জুরজানি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাব্বারা ইবন মুগাল্লিস, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শারিক, তিনি আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন: হে দুই কানওয়ালা।৮৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমাদ ইবন ইবরাহিম ইবন মুসা আল-মুকরি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবন আল-ফাদল, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা ইমাম আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ইবন খুজাইমাহ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন মনসুর, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারামি ইবন আমারা ইবন আবি হাফসা, তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু খালিদাহ, তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজের যুগে জুমার দিনে আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এবং আবু ইয়াজিদ আদ-দাব্বিকে বলতে শুনেছি, তিনি (আবু ইয়াজিদ) বললেন: হে আবু হামজাহ, আপনি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত প্রত্যক্ষ করেছেন এবং আমাদের সাথেও সালাত প্রত্যক্ষ করছেন; তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কীভাবে সালাত আদায় করতেন? তিনি (আনাস) বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তীব্র শীত পড়ত তখন সালাত দ্রুত (ওয়াক্তের শুরুতে) আদায় করতেন, আর যখন তীব্র গরম পড়ত তখন সালাত বিলম্বে (ঠাণ্ডা হওয়ার পর) আদায় করতেন। সমাপ্ত।৮৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বুহাইরি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আলী আল-আত্তার আসফারায়েনি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আবদ আল-ওয়াহহাব তাঁর মুখস্থ থেকে শ্রুতলিপি হিসেবে, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবন আল-হুসাইন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাহমুদ ইবন মাসউদ, তিনি কাসির ইবন সুলাইম থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগামীকালের জন্য কোনো কিছু সঞ্চয় করে রাখতেন না।