(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
أربعون حديثا لعلي بن المفضل المقدسي (علي بن المفضل المقدسي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أربعون حديثا لعلي بن المفضل المقدسي - مخطوط
المؤلف: شَرَفُ الدِّيْنِ، عَلِيُّ بنُ المُفَضَّلِ بنِ عَلِيِّ بنِ مُفَرِّجِ بنِ حَاتِمِ بنِ حَسَنِ بنِ جَعْفَرٍ المَقْدِسِيُّ (ت 611هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 43
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আলী ইবনে মুফাজ্জল আল-মাকদিসী বর্ণিত চল্লিশটি হাদিস (আলী ইবনে মুফাজ্জল আল-মাকদিসী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আলী ইবনে মুফাজ্জল আল-মাকদিসী বর্ণিত চল্লিশটি হাদিস - পাণ্ডুলিপি
লেখক: শরাফ উদ্দীন, আলী ইবনে মুফাজ্জল ইবনে আলী ইবনে মুফাররাজ ইবনে হাতিম ইবনে হাসান ইবনে জাফর আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৬১১ হিজরি)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরী
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: أربعون حديثا لعلي بن المفضل المقدسي - مخطوطالمؤلف: أبو الحسن علي بن المفضل بن علي المقدسيالمتوفى: 611 هـ
গ্রন্থ: আলী ইবনুল মুফাদদাল আল-মাকদিসীর চল্লিশটি হাদীস - পাণ্ডুলিপিলেখক: আবুল হাসান আলী ইবনুল মুফাদদাল ইবনে আলী আল-মাকদিসীমৃত্যু: ৬১১ হিজরী
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢)
-ق1-أوقف هذا الكتاب المبارك على طلب العلم الشريف السيد محمد بن محمد بن أحمد المحروقي وجعل مقره برواية الشيخ العربي-ق2أ-هذه أربعون حديثا للحافظ أبي الحسن علي بن المفضل بن علي المقدسي رحمه اللهبسم الله الرحمن الرحيمصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم تسليماالحمد لله المولى الحميد العلي الشهيد ذي العرش المجيد والبطش الشديد الفعال لما يريد أحمده وحمده سبب المزيد، وأشهد أن لا إله إلا هو شهادة التوحيد وأن محمدا عبده ورسوله المبعوث بالوعد والوعيد صلى الله عليه وعلي آله وصحبه المكرمين بالتأييد صلاة دائمة على التأييد أما بعد فقد سبقت في مجموعات عدية في مدة عديدة، مرتبة على مقاصد قصدتها ومعان أردتها في جمع الأحاديث الأربعين التي أشار سيد المرسلين صلوات الله عليه وعليهم أجمعين في المأثور من حكمته إلى حفظها على أمته مقتديا في ذلك عن سلف من أئمة العلماء وصدور القدماء ورغبنا فيما رغبوا فيه من الموجود به في المأثور وهو ما اخبرنا أبو عبد الله محمد بن الحسن بن سهل الصيدلاني قراءة عليه وأنا أسمع بمكة شرفها الله تعالى في المسجد الحرام عند مقام إبراهيم عليه السلام أنا أبو الوفاء غانم بن أحمد بن الحسن الخلودي وأبو بكر عتيق بن الحسن بن محمد الروبدشني وفاطمة بنت محمد بن أبي سعيد البغدادي قراءة عليهم بأصبهان ح.
-ق1-এই বরকতময় কিতাবটি মহান ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য ওয়াকফ করেছেন সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-মাহরুকি এবং এর অবস্থান নির্ধারণ করেছেন শাইখ আল-আরবির বর্ণনা অনুযায়ী।-ق2أ-এটি হাফেজ আবু আল-হাসান আলী বিন আল-মুফাদ্দাল বিন আলী আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর সংকলিত চল্লিশটি হাদিস।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাথীদের ওপর রহমত এবং পরিপূর্ণ শান্তি বর্ষণ করুন।সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি প্রকৃত অভিভাবক, চির-প্রশংসিত, সুউচ্চ, প্রত্যক্ষদর্শী, মহান আরশের অধিকারী, কঠোর পাকড়াওকারী এবং যা ইচ্ছা তা-ই সম্পাদনকারী। আমি তাঁর প্রশংসা করি এবং তাঁর প্রশংসা নিআমত বৃদ্ধির কারণ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই—এটি তাওহীদের সাক্ষ্য। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাকে সুসংবাদ ও সতর্কবার্তা দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর ওপর এবং তাঁর সেই সকল পরিবারবর্গ ও সাথীদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক যারা ঐশী সাহায্যের মাধ্যমে সম্মানিত, এমন রহমত যা সর্বদা অব্যাহত থাকে। অতঃপর, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সংকলনে বহু কাজ অতিবাহিত হয়েছে, যা আমি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অনুযায়ী চল্লিশটি হাদিস সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাজিয়েছি, যেগুলোর ব্যাপারে রাসূলদের নেতা (তাঁর ও তাঁদের সকলের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) তাঁর প্রজ্ঞাপূর্ণ বাণীতে উম্মতের জন্য সংরক্ষণ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আমি পূর্বসূরি ইমামগণ এবং প্রাচীন মনীষীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছি। তাঁরা যে বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন আমরাও সে বিষয়ে আগ্রহী হয়েছি যা বর্ণিত রেওয়ায়েতে বিদ্যমান। আর তা হলো যা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন সাহল আস-সাইদালানি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—মসজিদুল হারামে মাকামে ইবরাহিমের নিকটে শ্রবণ করছিলাম। (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াফা গানিম বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-খুলুদি, আবু বকর আতিক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আর-রুবাদশনি এবং ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ বিন আবি সাঈদ আল-বাগদাদি, ইসফাহানে তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। (হ)।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٣)
وأخبرنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن أبي القاسم الأصبهاني قراءة عليه بمكة (غير واضح) وأبو سعيد محمد بن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخراساني بقراءتي عليه بالإسكندرية وغيرها قالا أنبا أم البهاء فاطمة بنت أبي الفضل محمد بن أبي سعيد البغدادي في كتابها قال أبو سعيد وأنا أيضا أبو عبد الله الحسين بن عبد الملك بن الحسين الجلاد وأبو الفرج سعيد بن-ق2ب-ابن أبي الرجاء بن أبي منصور الصيرفي وأبو الوفاء عبد الواحد بن حمد بن عبد الواحد الضباع، وأبو منصور محمد بن محمد بن منصور العطار في كتابهم قالوا جميعا أنا أبو عثمان سعيد بن أحمد بن محمد بن نعيم الإسكافي العيار قال أبو سعيد وأنا أيضا أبو علي الحسن بن أحمد بن محمد الموسياباذي بقراءتي عليه أنا أبو سعيد محمد بن علي ين محمد الخشاب الصوفي في كتابه قالا أنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن زكريا الشيباني ثنا محمد بن الحسن بن علي بن الأشعث إملاء ببخارى أنبا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد البغدادي ثنا عبد الله بن أحمد بن عامر الطائي حدثني أبي حدثني على بن موسى حدثني أبي موسى بن جعفر بن محمد حدثني أبي محمد بن علي حدثني أبي علي بن الحسين حدثني أبي الحسين بن علي حدثني أبي علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حفظ على أمتي أربعين حديثا ينتفعون بها بعثه الله يوم القيامة فقيها عالما، ثم خطر لي أن أجمع أربعين حديثا لا أعلم سبقت إليها ولا عثرت لغيري عليها مع جلالة قدرها وعظم أمرها، وهي أربعين حديثا يحسن إيرادها ويتصل إسنادها بسيد المرسلين عن رب العالمين جل ثناؤه وتقدست أسماءه فأعظم بذلك مقدارا وناهيك به افتخارا فهي الرتبة التي ليس فوقها رتبة وحسب الراوي أن يكون حسبه رأى منزلة أعظم من سلسلة متصلة بالله العظيم، ومسند براويها له الكريم فخرجت من مسموعاتي عن شيوخي أربعين حديثا في هذا المقصد الأعظم، والمطلب الأكرم إلا أني جمعت ما تيسر لي منه، ولم أتعرض لتصحيحه ولا البحث عنه، ثم خطر لي أنما تحصل الثقة به، ويفوز طالبه بطلبه إذا كانت-ق3أ-رواته عدولا وكل من حدث عنه مقبولا، أو الاعتماد في الإسناد علي عدالة نقلته وأمانة حملته ولما أنفق أهل الحل والعقد من قبل ومن بعد علي صحة ما تضمنه الجامعان الصحيحان اللذان صنفهما الإمامان أبو عبد الله محمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن المغيرة بن الأحنف الجعفي البخاري، وأبو الحسين مسلم بن الحجاج بن مسلم القشيري النيسابوري رضي الله عنهما وتقبل منهما، رأيت أن أجعله موافقا لهما في سندهما وأقصد به إلى مقصدهما وأذكر في آخر كل حديث من أخرجه منهما بإسناده الجامع بيني وبينهما فاستخرت الله تعالى وجمعت في كتابي هذا أربعين حديثا مما قررته وبالله أستعين وهو خير معين.
আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবিল কাসিম আল-আসবাহানি মক্কায় আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন (অস্পষ্ট) এবং আবু সাইদ মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি সাইদ আল-খুরাসানি আলেকজান্দ্রিয়ায় ও অন্য স্থানে আমার পাঠের মাধ্যমে, তারা দুজন বলেন: উম্মুল বাহা ফাতিমা বিনত আবিল ফাদল মুহাম্মাদ ইবন আবি সাইদ আল-বাগদাদি তার লিখিত পত্রে জানিয়েছেন। আবু সাইদ বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন আবদিল মালিক ইবন আল-হুসাইন আল-জাল্লাদ এবং আবু আল-ফারাজ সাইদ ইবন-পৃষ্ঠা ২খ-ইবন আবির রাজা ইবন আবি মনসুর আস-সাইরাফি এবং আবু আল-ওয়াফা আবদুল ওয়াহিদ ইবন হামদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ আদ-দাব্বা' এবং আবু মনসুর মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন মনসুর আল-আত্তার তাদের কিতাবে, তারা সকলে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাইদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন নুআইম আল-ইস্কাফি আল-আইয়ার। আবু সাইদ বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-মুসিয়াবাজি আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাইদ মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মাদ আল-খাশ্শাব আস-সুফি তার কিতাবে, তারা দুজন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন জাকারিয়া আশ-শাইবানি, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আল-হাসান ইবন আলী ইবন আল-আশআস বুখারায় আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবন মুহাম্মাদ আল-বাগদাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন আমির আত-তায়ি, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন মুসা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা মুসা ইবন জাফর ইবন মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা মুহাম্মাদ ইবন আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবন আল-হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আল-হুসাইন ইবন আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের জন্য চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ বা সংরক্ষণ করবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামত দিবসে ফকিহ ও আলিম হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন। অতঃপর আমার মনে এই ভাব উদয় হলো যে, আমি এমন চল্লিশটি হাদিস একত্রিত করি যেগুলোর ক্ষেত্রে আমার জানা মতে অন্য কেউ অগ্রণী হয়নি এবং আমি অন্য কারও সংকলনে এগুলোর সন্ধান পাইনি, অথচ এগুলোর মর্যাদা অতি উচ্চ এবং গুরুত্ব অপরিসীম। এগুলো এমন চল্লিশটি হাদিস যা সুন্দরভাবে উপস্থাপিত এবং যার সনদ (সূত্র) বিশ্বজগতের প্রতিপালক—যার প্রশংসা মহান এবং যার নামসমূহ পবিত্র—এর পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূলগণের সরদারের সাথে সংযুক্ত। এর মাধ্যমে মর্যাদা কতই না মহান আর গর্ব করার জন্য এটাই যথেষ্ট। এটি এমন এক মর্তবা যার উপরে আর কোনো মর্তবা নেই। বর্ণনাকারীর জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তার মর্যাদা মহান আল্লাহর সাথে একটি নিরবচ্ছিন্ন ধারার সাথে যুক্ত এবং তার সনদ মহান সত্তার প্রতি সমর্পিত। তাই আমি আমার শায়খদের নিকট থেকে শোনা হাদিসগুলো থেকে এই মহৎ উদ্দেশ্য ও সম্মানিত লক্ষ্য হাসিলের জন্য চল্লিশটি হাদিস চয়ন করেছি। তবে আমি যা সহজলভ্য হয়েছে তা-ই একত্রিত করেছি এবং এর বিশুদ্ধতা যাচাই বা গবেষণার দিকে যাইনি। অতঃপর আমার মনে হলো যে, তখনই এর ওপর আস্থা অর্জিত হবে এবং অন্বেষণকারী তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে যদি এর-পৃষ্ঠা ৩ক-বর্ণনাকারীগণ ন্যায়পরায়ণ হন এবং যাদের থেকে বর্ণনা করা হয়েছে তারা গ্রহণযোগ্য হন, অথবা সনদের ক্ষেত্রে এর বর্ণনাকারীদের ন্যায়পরায়ণতা ও আমানতদারিতার ওপর নির্ভর করা যায়। যেহেতু পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমাধান ও সিদ্ধান্তের অধিকারীরা ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল ইবন ইবরাহিম ইবন আল-মুগিরা ইবন আল-আহনাফ আল-জু'ফি আল-বুখারি এবং আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবন আল-হাজ্জাজ ইবন মুসলিম আল-কুশাইরি আন-নিসাবুরি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) সংকলিত সহিহ গ্রন্থদ্বয়ের বিষয়বস্তুর বিশুদ্ধতার ওপর একমত হয়েছেন এবং তা কবুল করে নিয়েছেন, তাই আমি মনস্থ করলাম যে আমার গ্রন্থটিকে তাদের সনদের অনুরূপ করব এবং তাদের উদ্দেশ্যকেই লক্ষ্য বানাব। আমি প্রতিটি হাদিসের শেষে তাদের মধ্য থেকে কে এটি বর্ণনা করেছেন তা উল্লেখ করব, যা আমার এবং তাদের মধ্যকার একটি সমন্বিত ইসনাদ হবে। অতঃপর আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করলাম এবং আমার এই গ্রন্থে চল্লিশটি হাদিস একত্রিত করলাম যা আমি নির্ধারণ করেছি। আল্লাহর কাছেই আমি সাহায্য চাই এবং তিনিই সর্বোত্তম সাহায্যকারী।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٤)
الحديث الأولأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن سلفة الأصبهاني قراءة عليه أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن مردويه وأبو حفص عمر بن الحسن بن سليم وأبو أحمد فضلان بن عثمان الأصبهانيون حدثنا أبو بكر محمد بن أبي علي الهمداني إملاء ثنا عبد الرحمن بن مهدي ثنا شعبة عن الأعمش ح.وأنا أبو طاهر السلفي بقراءتي عليه أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي واللفظ له وحديثه أتم، أنا أبو العباس أحمد بن علي بن هاشم المقريء أنا أحمد بن عبد الله بن زريق البغدادي ثنا عمر بن أحمد القطان ثنا محمد بن عثمان ثنا ابن نمير عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الله عز وجل أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي وَأَنَا مَعَهُ حِينَ يَذْكُرُنِي فإِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي-ق3ب-وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلأٍ ذَكَرْتُهُ فِي مَلأٍ خَيْرٍ مِنْهُمْ وَمَنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ شِبْرًا تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ منه بَاعًا وَإن جاءني يَمْشِي أتيتُهُ هَرْوَلةً هـ.ليس في الإسناد الأول (فإن ذكرني في نفسه إلى قوله خير منهم) والباقي نحوه له متفق عليه من حديث الأعمش عن أبي صالح أخرجه (خ) عن عمر بن حفص بن غياث عن أبيه عنه، وأخرجه (م) عن قتيبة بن سعيد وزهير بن حرب عن جرير بن عبد الحميد الرازي عنه وعن أبي بكر بن أبي شيبة، وأبي كريب عن أبي معاوية الضرير واسمه محمد بن حازم عنه.
প্রথম হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিলাফাহ আল-আসবাহানি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারদুইয়াহ, আবু হাফস উমর ইবনুল হাসান ইবনে সুলাইম এবং আবু আহমদ ফাদলান ইবনে উসমান আল-আসবাহানিগণ। তাঁরা বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবু আলি আল-হামদানি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মাহদি, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শু'বাহ, তিনি আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন... (হা)।এবং আবু তাহের আস-সিলাফি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আর-রাজি, আর শব্দগুলো তাঁর এবং তাঁর হাদিসটি অধিক পূর্ণাঙ্গ। তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আলি ইবনে হাশিম আল-মুকরি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জুরআইক আল-বাগদাদি, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উমর ইবনে আহমদ আল-কাত্তান, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে নুমাইর, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন: আমি আমার বান্দার ধারণার নিকটবর্তী যেমন সে আমার প্রতি পোষণ করে, আর আমি তার সাথেই থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। সুতরাং সে যদি আমাকে তার মনে মনে স্মরণ করে, আমি তাকে আমার মনে মনে স্মরণ করি;-পৃষ্ঠা ৩খ-আর যদি সে আমাকে কোনো সমাবেশে স্মরণ করে, তবে আমি তাকে তাদের চেয়েও উত্তম সমাবেশে স্মরণ করি। আর যদি সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। আর যদি সে আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে দুই হাত পরিমাণ এগিয়ে যাই। আর যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। (সমাপ্ত)প্রথম সনদে এটুকু নেই— (যদি সে আমাকে মনে মনে স্মরণ করে... থেকে তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশ পর্যন্ত)। বাকি অংশ এর অনুরূপ। আমাশ থেকে আবু সালিহের সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি বুখারি ও মুসলিম একমত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমাশ থেকে। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ ও জুহাইর ইবনে হারব থেকে, তাঁরা জারির ইবনে আব্দুল হামিদ আর-রাজি থেকে, তিনি আমাশ থেকে; এবং আবু বকর ইবনে আবু শাইবা ও আবু কুরাইব থেকে, তাঁরা আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির (যার নাম মুহাম্মদ ইবনে হাযিম) থেকে, তিনি আমাশ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٥)
الحديث الثانيأخبرنا أبو شجاع زاهر بن رستم بن أبي الرجاء الأصبهاني قراءة عليه بمكة أنا أبو الكرم المبارك بن الحسن بن أحمد الشهرزوري ببغداد ح. وحدثني أبو الرضايا أحمد بن أبي السرايا العامري من لفظه حدثني أبو الكرم المبارك بن الحسن بن أحمد العجلي من حفظه ح. وأخبرني أبو يوسف محمد بن يوسف بن محمد البغدادي قراءة عليه أنا أبو سعد أحمد بن محمد أنا سعد الأصبهاني بمدينة السلام ح. وحدثنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن عبد الرحمن المليجي لفظا بمكة، أنا يأبو الفرج مسعود بن الحسن، وأبو رشيد محمد بن علي، وأبو المظفر القاسم بن الفضل الأصبهانيون بها وغيرهم ح. وأنا يعقوب يوسف بن أبي القاسم المقريء بقراءة عليه ح. وحدثني أبو الرضايا أحمد بن بن أبي السرايا العامري من لفظه قالا أنا أبو الحسن علي بن محمد بن أبي عمر البزار ببغداد، وحدثني أبو الرضايا أيضا-ق4أ-قال وأنا أبو القاسم نصر بن نصر بن علي الواعظ، وأبو الفتح محمد بن علي بن هبة الله أبو عبد السلام، وأبو القاسم صدفة بن محمد بن الحسين بن الحلبان، وأبو عبد الله حمزة من المظفر بن حمزة، وأبو اليمن يحيى بن عبد الرحمن بن محمد الصوفي، ويأبو الفضل صافي بن عبد الله الحرقي بقراءتي على كل واحد منهم منفردا وآخرون ببغداد ح. وأنا أبو محمد القاسم بن علي بن الحسن الدمشقي بقراءتي عليه بمكة، أنا أبو الفتح نصر الله بن محمد بن عبد القوي الأشعري ح. وأخبرنا أبو القاسم عبد الرحمن بن إسماعيل بن أبي سعد النيسابوري في كتابه، وأخبرني عنه أبو إسحاق إبراهيم بن عمر الإسعردي قال أنا أبي قالوا ثنا أبو محمد رزق الله بن عبد الوهاب بن عبد العزيز التميمي ح. وأخبرنا عالمنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن أحمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني بالأسكندرية أنا أبو محمد رزق الله بن عبد الوهاب التميمي فيما أجازه لنا بأصبهان أنا أبو عمر عبد الواحد بن عبد الله بن مهدي الفارسي أنا أبو عبد الله محمد بن مخلد العطار، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بن أبي كرامة ثنا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ عن سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عن شَرِيك بْن عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ عز وجل قَالَ مَنْ عَادَى لِي وَلِيًّا فَقَدْ آذَنْتُهُ بِالْحَرْبِ وَمَا تَقَرَّبَ إِلَيَّ عَبْدِي بشيء أَحَبَّ إِلَيَّ مِمَّا افْتَرَضْتُ عَلَيْهِ وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْتُ سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ وَيَدَهُ الَّتِي يَبْطُشُ-ق4ب-بِهَا وَرِجْلَهُ الَّتِي يَمْشِي بِهَا فلئن سَأَلَنِي عبدي لأُعْطِيَنَّهُ ولئن اسْتَعَاذَنِي لأُعِيذَنَّهُ وَمَا تَرَدَّدْتُ عَنْ شَىْءٍ أَنَا فَاعِلُهُ تَرَدُّدِي عَنْ نَفْسِ الْمُؤْمِنِ يَكْرَهُ الْمَوْتَ وَأَنَا أَكْرَهُ مَسَاءَتَهُ ولابد له منه. (خ) عن أبي جعفر محمد بن عثمان بن كرامة العجلي موافقة.
দ্বিতীয় হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুজা জাহির বিন রুস্তম বিন আবিল রাজা আল-আসবাহানি মক্কায় তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কারাম আল-মুবরাক বিন আল-হাসান বিন আহমদ আল-শাহরাজুরি বাগদাদে। (হ) এবং আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-রাযায়া আহমদ বিন আবিল সারায়া আল-আমেরি মৌখিকভাবে, তিনি বলেন আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-কারাম আল-মুবরাক বিন আল-হাসান বিন আহমদ আল-ইজলি তাঁর স্মৃতি থেকে। (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইউসুফ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-বাগদাদি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাদ আল-আসবাহানি মদিনাতুস সালামে। (হ) এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মালিজি মক্কায় মৌখিকভাবে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ মাসউদ বিন আল-হাসান, আবু রাশিদ মুহাম্মদ বিন আলি এবং আবু আল-মুজাফ্ফর আল-কাসিম বিন আল-ফজল আল-আসবাহানিগণ ও অন্যান্যরা। (হ) এবং আমাকে ইয়াকুব ইউসুফ বিন আবিল কাসিম আল-মুকরি সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। (হ) এবং আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-রাযায়া আহমদ বিন আবিল সারায়া আল-আমেরি মৌখিকভাবে, তাঁরা উভয়ে বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবি উমর আল-বাযযার বাগদাদে। এবং আমাকে আবু আল-রাযায়াও হাদিস শুনিয়েছেন-পৃ৪ক-তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম নাসর বিন নাসর বিন আলি আল-ওয়াইজ, আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন হিবাতুল্লাহ আবু আব্দুস সালাম, আবু আল-কাসিম সাদাকা বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হালবান, আবু আব্দুল্লাহ হামযাহ বিন আল-মুজাফ্ফর বিন হামযাহ, আবু আল-ইয়ামান ইয়াহইয়া বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আস-সুফি এবং আবু আল-ফজল সাফি বিন আব্দুল্লাহ আল-হারকি—তাঁদের প্রত্যেকের নিকট আলাদাভাবে আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং বাগদাদের আরও অনেকে। (হ) এবং আমাকে আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আলি বিন আল-হাসান আদ-দামেশকি সংবাদ দিয়েছেন মক্কায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ নাসরুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাবি আল-আশআরি। (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল বিন আবি সাদ আন-নাইসাবুরি তাঁর কিতাবে, এবং তাঁর পক্ষ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন উমর আল-ইসরদি, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তাঁরা বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ রিযকুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহাব বিন আব্দুল আজিজ আত-তামিমি। (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের আলিম আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি আলেকজান্দ্রিয়ায়, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ রিযকুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহাব আত-তামিমি ইসফাহানে তাঁর আমাদের প্রদত্ত ইজাযতের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদি আল-ফারিসি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আল-াত্তার, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি কারামা, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন খালিদ বিন মাখলাদ, তিনি সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি শারিক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি নামির থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলীর (বন্ধুর) সাথে শত্রুতা করবে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিচ্ছি। আমার বান্দা আমার নিকট এমন কোনো কাজের মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করে না যা আমার কাছে অধিক প্রিয় আমি তার ওপর যা ফরজ করেছি তা অপেক্ষা। আর আমার বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে সর্বদা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে যতক্ষণ না আমি তাকে ভালোবাসি। যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি তার শ্রবণ হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার দৃষ্টি হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, আল্লাহর হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে-পৃ৪খ-এবং আল্লাহর পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে। যদি সে আমার কাছে চায়, আমি অবশ্যই তাকে দান করব; আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় চায়, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেব। আমি যা করি তার কোনো কিছুতেই তেমন দ্বিধাবোধ করি না যেমন করি মুমিন বান্দার প্রাণের ব্যাপারে; সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তাকে কষ্ট দেওয়া অপছন্দ করি, অথচ তার জন্য তা (মৃত্যু) অনিবার্য।" (বুখারি)। আবু জাফর মুহাম্মদ বিন উসমান বিন কারামা আল-ইজলির সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٦)
الحديث الثالثأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الأصبهاني بقراءتي عليه وقريء عليه وأنا أسمع أيضا أنا أبو طاهر محمد بن الحسين بن محمد الحنائي، وأبو الحسن علي، وأبو الفضل محمد ابنا الحسن بن الحسين الموارستان وأبو عبد الله محمد بن علي بن سلوان، أنا أبو القاسم الفضل بن جعفر بن محمد التميمي المؤذن أنا أبو بكر عبد الرحمن بن القاسم بن الفرج بن عبد الواحد الهاشمي ثنا أبو مسهر عبد الأعلى بن مسهر الغساني ح. وأخبرنا أبو يوسف محمد بن يوسف بن محمد البغدادي قراءة عليه، أنا أبو سعد أحمد بن محمد بن أبي سعد الأصبهاني ببغداد، أنا منصور محمد بن أحمد بن علي الأصبهاني، أنا أبو عمر القاسم بن جعفر بن عبد الواحد الهاشمي بالبصرة، أنا أبو الحسن علي بن إسحاق المادراني ثنا محمد بن إسحاق الصاغاني ثنا أبو مسهر ح. وأنا أبو الضياء بدر بن عبد الله الحذادادي بقراءتي عليه، أنا أبو القاسم الحسين بن مسافر بن الحصن الدوري بمصر أنا أبو محمد هياج بن عبيد الحطني بمكة ح. وأنا أبو محمد القاسم بن أبي القاسم الدمشقي بقراءتي عليه بمدينة رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي مسجده، أنا أب العشائر محمد بن الخليل بن فارس القيسي بدمشق-ق5أ-أنا أبو القاسم علي بن محمد بن علي السلمي قالا أنا أبو الحسن علي بن موسى بن علي بن الحسين السمسار ح. وأنا أبو إبراهيم القاسم بن إبراهيم بن عبد الله المقدسي بمصر أنا أبو الحسن علي بن إبراهيم بن صولة البغدادي أنا أبو الحسن علي بن الحسن بن الحسين الفقيه الشافعي، أنا أبو العباس أحمد بن محمد بن الحاج الأشبيلي قالا ثنا أبو القاسم علي بن يعقوب بن أبي العقب ثنا أبو زرعة عبد الرحمن بن عمرو بن صفوان البصري، ثنا أبو مسهر ح. وأنبا أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن بن يحيى الأموي وأبو القاسم عبد الرحمن بن خلف الله بن نصرون التميمي، وأبو محمد عبد الله بن عطاف بن حسين بن ثعبان الغساني وآخرون، واللفظ لهم قالوا أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي، أنا أبو القاسم علي بن محمد بن علي الفارسي، أنا أبو عبد الله أحمد بن عبد الله بن محمد بن مفسر الدمشقي، أنا أبو بكر عبد الرحمن بن القاسم القرشي المعروف بابن الرواسي بدمشق ثنا أبو مسهر عبد الأعلى بن مسهر الغساني ثنا سعيد بن عبد العزيز عن ربيعة بن يزيد عن أبي إدريس الخولاني عن أبي ذر رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الله تبارك وتعالى أَنَّهُ قَالَ: يَا عِبَادِي إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا فَلَا تَظَالَمُوا يَا عِبَادِي إِنَّكُمْ الذين تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا الذي أَغْفِرُ الذُّنُوبَ ولا أبالي فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلَاّ مَنْ أَطْعَمْتُهُ فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ عَارٍ إِلَاّ مَنْ كَسَوْتُ فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ-ق5ب-يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ منكم مَا ينَقَص ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لم يزَد ذَلِكَ فِي مُلْكِي شَيْئًا يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كانوا فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَسَأَلُونِي فَأَعْطَيْتُ كُلَّ إِنْسَانٍ ما سأل لم ينَقص ذَلِكَ من ملكي شيئا إِلَاّ كَمَا يَنْقُصُ البحر أن يغمس الْمِخْيَطُ غمسة واحدة، يَا عِبَادِي إِنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أحفظها عليكم فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلَا يَلُومَنَّ إِلَاّ نَفْسَهُقال أبو مسهر قَالَ سَعِيدٌ بن عبد العزيز كَانَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ جَثَا عَلَى رُكْبَتَيْهِ. (م) عن أبي بكر محمد إسحاق الصاغاني، وعن عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي عن مروان بن محمد الدمشقي عن سعيد بن عبد العزيز.
তৃতীয় হাদীসআবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবেহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন ইবনে মুহাম্মদ আল-হিন্নায়ী, এবং আবুল হাসান আলী ও আবুল ফজল মুহাম্মদ—হাসান ইবনুল হোসেন আল-মাওয়ারিস্তানের দুই পুত্র, এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সিলওয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবুল কাসেম আল-ফজল ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আত-তামীমী আল-মুয়াজ্জিন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু বকর আব্দুর রহমান ইবনুল কাসেম ইবনুল ফারাজ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশেমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুশহির আব্দুল আ'লা ইবনে মুশহির আল-গাসসানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)। এবং আবু ইউসুফ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগদাদী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু সা'দ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সা'দ আল-আসবেহানী বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মনসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-আসবেহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু ওমর আল-কাসেম ইবনে জাফর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশেমী বসরায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে ইসহাক আল-মাদারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু মুশহির আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)। এবং আবুয যিয়া বদর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাজ্জাজী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবুল কাসেম আল-হুসাইন ইবনে মুসাফির ইবনুল হিসন আদ-দাওরী মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ হায়্যাজ ইবনে উবাইদ আল-হিত্তী মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ)। এবং আবু মুহাম্মদ আল-কাসেম ইবনে আবিল কাসেম আদ-দিমাশকী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শহর মদিনায় এবং তাঁর মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল আশা-ইর মুহাম্মদ ইবনুল খলীল ইবনে ফারেস আল-কায়সী দামেশকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।-পৃ ৫ক-তিনি বলেন: আবুল কাসেম আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু হাসান আলী ইবনে মুসা ইবনে আলী ইবনুল হোসেন আস-সিমসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ)। এবং আবু ইব্রাহিম আল-কাসেম ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসী মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু হাসান আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সাওলা আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু হাসান আলী ইবনুল হাসান ইবনুল হোসেন আল-ফকিহ আশ-শাফেয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ আল-ইশবিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবু কাসেম আলী ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবিল আকাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু জুরআ আব্দুর রহমান ইবনে আমর ইবনে সাফওয়ান আল-বাসরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু মুশহির আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)। এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমাবী, আবুল কাসেম আব্দুর রহমান ইবনে খালাফ উল্লাহ ইবনে নাসরুন আত-তামীমী, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আত্তাফ ইবনে হোসেন ইবনে সা'বান আল-গাসসানী ও অন্যান্যরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং শব্দসমূহ তাঁদেরই। তাঁরা বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আর-রাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু কাসেম আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুফাসসির আদ-দিমাশকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু বকর আব্দুর রহমান ইবনুল কাসেম আল-কুরাশী (যিনি ইবনুর রাওয়াসী নামে পরিচিত) দামেশকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুশহির আব্দুল আ'লা ইবনে মুশহির আল-গাসসানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সা'ইদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন রবিআ ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: হে আমার বান্দারা! আমি নিজের ওপর জুলুম হারাম করেছি এবং তোমাদের মাঝেও তা হারাম করেছি, সুতরাং তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম করো না। হে আমার বান্দারা! তোমরা রাত-দিন গুনাহ করো, আর আমিই সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করি এবং আমি এর পরোয়া করি না; সুতরাং তোমরা আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, সে ব্যতীত যাকে আমি অন্ন দিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে অন্ন চাও, আমি তোমাদের অন্ন দেব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, সে ব্যতীত যাকে আমি বস্ত্র পরিদান করিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে বস্ত্র চাও, আমি তোমাদের বস্ত্র পরিধান করাব।-পৃ ৫খ-হে আমার বান্দারা! তোমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এবং তোমাদের মানব ও জিন সকলে যদি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে পাপিষ্ঠ হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তির ন্যায় হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই হ্রাস করবে না। হে আমার বান্দারা! তোমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এবং তোমাদের মানব ও জিন সকলে যদি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মুত্তাকী হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তির ন্যায় হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই বৃদ্ধি করবে না। হে আমার বান্দারা! তোমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এবং তোমাদের মানব ও জিন সকলে যদি এক ময়দানে সমবেত হয়ে আমার কাছে প্রার্থনা করে এবং আমি প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যা যা চেয়েছে তা দান করি, তবে তা আমার কাছে যা আছে তাতে ততটুকুই কমাবে যতটুকু সমুদ্রের মধ্যে সূঁচ একবার ডুবিয়ে তুললে সমুদ্রের পানি কমে। হে আমার বান্দারা! এ কেবল তোমাদের আমলসমূহ, যা আমি তোমাদের জন্য সংরক্ষণ করি; অতঃপর যে ব্যক্তি কল্যাণ লাভ করবে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে, আর যে অন্য কিছু লাভ করবে সে যেন কেবল নিজেকেই তিরস্কার করে।আবু মুশহির বলেন: সা'ইদ ইবনে আব্দুল আজিজ বলেছেন, আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী যখন এই হাদীস বর্ণনা করতেন তখন তিনি তাঁর হাঁটু গেঁড়ে বসতেন। (মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন) আবু বকর মুহাম্মদ ইসহাক আস-সাগানী থেকে, এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দারেমী থেকে, তিনি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দিমাশকী থেকে, তিনি সা'ইদ ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٧)
الحديث الرابعأخبرنا أبو محمد عبد الله، وأبو الطاهر إسماعيل، أنبا عبد الرحمن بن يحيى العثمانيان، وأبو عبد الله محمد بن عطاف بن ثعبان الغساني بقراءتي عليهم في أخرين قالوا ثنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي ح. وأنا أبو الحسين علي بن هبة الله بن القاسم الصوري، وأبو عبد الله محمد بن علي بن محمد الرحبي، وأبو القاسم هبة الله بن علي بن ثابت الخزرجي وغير واحد قالوا ثنا أبو صادق مرشد بن يحيى بن القاسم المديني، أنا أبو الحسين علي بن عمر بن محمد القراني قراءة عليه، ثنا أبو القاسم حمزة بن محمد بن علي بن أحمد بن العباس الكناني الحافظ إملاء، أنا أحمد بن الحسن بن سليمان، ثنا أبو مصعب أحمد بن أبي بكر الزهري ثنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبيه عن عبد الله-ق6أ-ابن مقسم عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يَأْخُذُ الْجَبَّارُ تبارك وتعالى سَمَاوَاتِهِ وَأَرَضِيهِ بِيَدِيهِ جميعا فجعل يَقْبِضُهَا وَيَبْسُطُهَا ثُمَّ يَقُولُ عز وجل أَنَا الْجَبَّارُ أَنَا الْمَلِكُ أَيْنَ الْجَبَّارُونَ أَيْنَ الْمُتَكَبِّرُونَ ويميل رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ حَتَّى نَظَرْتُ إِلَى الْمِنْبَرِ يَتَحَرَّكُ مِنْ أَسْفَلِ شَيْءٍ مِنْهُ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ أَسَاقِطٌ هُوَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله.بسنده عن سعيد بن منثور عن عبد العزيز بن أبي حازم عن أبيه كما أخرجناه. (م) وأيضا عن سعيد بن منصور عن يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم عن عبيد الله بن مقسم (خ) عن مقدم بن محمد بن يحيى عن عمه القاسم بن يحيى عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر مختصرا
চতুর্থ হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং আবু তাহের ইসমাইল; তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানীদ্বয় এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আতাফ বিন সুবান আল-গাসসানী—তাঁদের নিকট এবং অন্যান্যদের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম আর-রাযী (হ)। এবং আমি (সংবাদ পেয়েছি) আবু আল-হুসাইন আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-কাসিম আস-সূরী, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আর-রাহবী, এবং আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন সাবিত আল-খাজরাজী ও আরও একাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে; তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদীনী; তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-কুরানী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাফেজ আবু আল-কাসিম হামযাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন আল-আব্বাস আল-কিনানী শ্রুতলিপির মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাকে জানিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন সুলাইমান; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুসআব আহমাদ বিন আবু বকর আয-যুহরী; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল আজিজ বিন আবু হাযিম তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ-পৃষ্ঠা ৬/ক-বিন মিকসাম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেন: "মহাপ্রতাপশালী বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ তাঁর আকাশমন্ডলী এবং পৃথিবীসমূহকে তাঁর উভয় হাত দিয়ে গ্রহণ করবেন। অতঃপর তিনি সেগুলো মুষ্টিবদ্ধ করবেন ও প্রসারিত করবেন। তারপর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন, 'আমিই মহাপ্রতাপশালী, আমিই রাজাধিরাজ। কোথায় সেই প্রতাপশালীরা? কোথায় সেই অহংকারীরা?'" এসময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডানে এবং বামে ঝুঁকছিলেন, এমনকি আমি মিম্বারটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে এটি এর একদম নিচ থেকে নড়ছে, যার ফলে আমি মনে মনে বলছিলাম যে, এটি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে পড়ে যাবে? সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।সাঈদ বিন মানসুর থেকে তাঁর নিজস্ব সনদে আব্দুল আজিজ বিন আবু হাযিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে—যেভাবে আমরা এটি উদ্ধৃত করেছি। (মুসলিম)। এবং সাঈদ বিন মানসুর থেকে ইয়াকুব বিন আবদুর রহমান সূত্রে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন মিকসাম থেকে। (বুখারী) মুকাদ্দাম বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি তাঁর চাচা কাসিম বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٨)
الحديث الخامسأخبرنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن هبة الله الأصبهاني بقراءتي عليه أنا أبو الكرم المبارك أبو علي بن عبد الصمد السمدى ببغداد أنا أبو محمد عبد الله بن هزار مود الصيريفيني إملاء ثنا أبو بكر محمد بن الحسن بن عبدان الصيرفي ثنا أبو بكر النيسابوري وهو عبد الله بن محمد بن زياد ثنا عيسى بن إبراهيم الغافقي ووفاء بن سهيل وأحمد بن عبد الرحمن بن وهب قالوا أنا ابن وهب أخبرني مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله تبارك وتعالى يقول لأهل الجنة يا أهل الجنة فيقول لبيك ربنا وسعديك والخير في يديك فيقول هل رضيتم فيقولون وما لنا لا نرضى وقد أعطيتنا ما لم تعط أحدا من خلقك فيقول فيقول ألا أعطيكم أفضل من ذلك قالوا يا رب وأي شيء أفضل من ذلك قال فيقول أحل عليكم رضواني فلا أسخط عليكم بعده-ق6ب-لسند متفق عليه. من (خ) من حديث أبي محمد عبد الله بن وهب أبو مسلم المصري مولى بن زمانة عن إمام دار الهجرة أبي عبد الله مالك بن أنس بن مالك بن أبي عامر الأصبحي، (خ) عن يحيى بن سليمان، (م) عن هارون بن سعيد الأيلي جميعا عن ابن وهب وأخرجناه أيضا من حديث ابن المبارك عن مالك فرواه محمد، (خ) عن معاذ بن أسد، (م) عن محمد بن عبد الرحمن بن سهم جميعا عنه.
পঞ্চম হাদীসআমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হিবাতুল্লাহ আল-আসবাহানি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আল-কারাম আল-মুবারক আবু আলি বিন আব্দুল সামাদ আস-সামাদি বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হাজার মাওদ আস-সাইরিফিনি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আবদান আস-সাইরাফি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আন-নিশাপুরি—যিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইবরাহিম আল-গাফেকি, ওফা বিন সুহাইল এবং আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াহাব; তারা বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন ইবনে ওয়াহাব; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ প্রদান করেছেন মালিক বিন আনাস, যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ জান্নাতবাসীদের বলবেন, "হে জান্নাতবাসী!" তখন তারা বলবে, "আমরা আপনার দরবারে উপস্থিত, হে আমাদের পালনকর্তা, এবং আপনার আজ্ঞা পালনে সদা প্রস্তুত; আর যাবতীয় কল্যাণ আপনার উভয় হাতে।" অতঃপর তিনি বলবেন, "তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ?" তারা বলবে, "আমাদের কী হয়েছে যে আমরা সন্তুষ্ট হব না? অথচ আপনি আমাদের এমন কিছু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টির কাউকেও দান করেননি।" তখন তিনি বলবেন, "আমি কি তোমাদের এর চেয়েও উত্তম কিছু দেব না?" তারা বলবে, "হে প্রতিপালক! এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে?" তিনি বলবেন, "আমি তোমাদের ওপর আমার সন্তুষ্টি অবতীর্ণ করছি, এরপর আমি তোমাদের ওপর আর কখনও রাগান্বিত হব না।"-পৃষ্ঠা ৬ খ-সনদটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব আবু মুসলিম আল-মিসরি—যিনি ইবনে যামানার মুক্তদাস—তার সূত্রে হিজরতভূমির ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মালিক বিন আনাস বিন মালিক বিন আবু আমির আল-আসবাহানি থেকে। বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান থেকে; এবং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন হারুন বিন সাঈদ আল-আইলি থেকে; তারা সকলেই ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। আমরা এটি ইবনুল মুবারক-এর সূত্রেও মালিক থেকে বর্ণনা করেছি, যা মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন; বুখারী বর্ণনা করেছেন মুয়ায বিন আসাদ থেকে এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন সাহম থেকে, তারা সকলেই তাঁর থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٩)
الحديث السادسأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الأصبهاني الحافظ بقراءتي عليه أنا أبو غالب أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الهمداني المزكي أنا أبو سعيد عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن مندار الشاهد المعروف بابن شبانة، أنا القاضي أبو القاسم عبد الرحمن بن الحسن بن أحمد بن عبيد الأسدي ثنا أبو الحسن محمد بن الحسن بن سماعه الحضرمي ح. وأنا أبو محمد عبد الله وأبو الطاهر إسماعيل ابنا عبد الرحمن بن يحيى الأمويان قراءة عليهما قالا أنا أبو الحسن علي بن المؤمل بن غسان المصري ح. وأخبرنا أبو محمد عبد الله بن أبي الفضل العثماني أبا أبو عبد الله محمد بن العباس الرازي قالا أنا أبو عبد الله محمد بن سلامة بن جعفر القضاعي، أنا أبو محمد الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن فراس المكي في المسجد الحرام قراءة عليه ثنا أبو حفص عمر بن محمد بن أحمد بن عبد الرحمن الجمحي ثنا أبو الحسن علي بن عبد العزيز قالا ثنا أبو نعيم ثنا الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الله تبارك وتعالى-ق7أ-الصوم لي وأنا أجزي به، يدع شهوته وأكله وشربه من أجلي والصوم جنة وللصائم فرحتان فرحة عند إفطاره وفرحه حين يلقى الله عز وجل ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك. هذا لفظ حديث ابن سماعة وقال على بن عبد العزيز في حديث وللصائم فرحتان فرحة عند إفطاره وفرحه عند لقاء ربه، والباقي سواء وقد رواه جماعة عن الأعمش فزادوا في أوله زيادة أخرى.أخبرنا أبو عبد الله أحمد بن الحسن بن أحمد الهمداني بمكة أنا أبو بكر هبة الله بن الفرج بن الفرج الشروطي بهمدان، أنا أبو القاسم على بن عبد الرحمن بن عليك النيسابوري، أنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن الإسفراييني، أنا أبو عوانة يعقوب بن إسحاق المهرجاني ثنا علي بن حرب الطائي ثنا وكيع، وأبو معاوية وعبد الله بن موسى عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل عمل ابن آدم له يضاعف الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمائة قال الله تعالى إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به، يدع طعامه وشهوته من أجلي للصائم فرحتان فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك والصوم جنة. متفق عليه بسند (خ) عن أبي نعيم الفضل بن دكين عن الأعمش به، بسند (م) عن أبي بكر بن أبي شيبة عن أبي معاوية ووكيع وعن زهير عن جرير وعن الأشج عن وكيع كلهم عن الأعمش.
ষষ্ঠ হাদীসহাফেজ আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসবাহানী তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হামাদানি আল-মুযাক্কি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দার আশ-শাহিদ, যিনি ইবনে শাবানাহ নামে পরিচিত, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে উবাইদ আল-আসাদী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে সামাআহ আল-হাদরামি। (হাদীসের অন্য সূত্র:) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ এবং আবু তাহের ইসমাইল—তাঁরা দুজনেই আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমায়ীর পুত্র—তাঁদের নিকট পাঠের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে আল-মুয়াম্মিল ইবনে গাসসান আল-মিসরি। (হাদীসের অন্য সূত্র:) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আল-ফজল আল-উসমানী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আল-আব্বাস আর-রাজি, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে সালামাহ ইবনে জাফর আল-কুদায়ী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ফরাস আল-মক্কি মসজিদে হারামে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুর রহমান আল-জুমাহি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে আব্দুল আজিজ, তাঁরা বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ বলেন:-পৃ ৭ ক-রোজা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব; সে আমার কারণে তার প্রবৃত্তি, আহার ও পানীয় বর্জন করে। রোজা হলো ঢাল স্বরূপ। রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি তার ইফতারের সময় এবং অপরটি যখন সে মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। আর অবশ্যই তার মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়। এটি ইবনে সামাআহর হাদীসের শব্দ। আলী ইবনে আব্দুল আজিজ তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন: রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে, একটি ইফতারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের সময়। অবশিষ্ট অংশ একই রকম। একদল বর্ণনাকারী আল-আ’মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা এর শুরুতে আরও কিছু অংশ বৃদ্ধি করেছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-হামাদানি মক্কায়, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর হিবাতুল্লাহ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে আল-ফারাজ আশ-শুরুতি হামাদানে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আলাইক আন-নিশাপুরি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান আল-ইসফারায়িনি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-মিহরাজানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব আত-তাঈ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন অকি’, আবু মুয়াবিয়া এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মুসা আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আদম সন্তানের প্রতিটি আমল তার নিজের জন্য, প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব দশ গুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: রোজা ব্যতীত, কেননা তা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব; সে আমার কারণে তার খাদ্য ও প্রবৃত্তি বর্জন করে। রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি তার ইফতারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর অবশ্যই রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়। আর রোজা হলো ঢাল স্বরূপ। হাদীসটি ইমাম বুখারীর সূত্রে আবু নুয়াইম আল-ফদল ইবনে দুকাইন থেকে এবং ইমাম মুসলিমের সূত্রে আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে যিনি আবু মুয়াবিয়া ও অকি’ থেকে, এবং যুহাইর থেকে যিনি জারির থেকে, এবং আল-আশাজ থেকে যিনি অকি’ থেকে—তাঁরা সকলেই আল-আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর ওপর তাঁরা ঐক্যমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الحديث السابعأخبرنا أبو المحاسن المشرف-ق7ب-ابن المشرف بن المؤيد بن علي الهمداني بقراءتي عليه، أنا أبو بكر هبة الله بن الفرج بن الفرج الهمداني بها، أنا أبو الفضل محمد بن عثمان القومساني، أنا عمي أبو منصور محمد بن أحمد بن علي القومساني، أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمدان بن عبد الرحمن الهمداني، ثنا إبراهيم بن نصر ثنا الحماني ح.وأخبرنا أبو شجاع زاهر بن رستم بن أبي الرجاء الأصبهاني بقراءتي عليه بمعلاة بمكة عند قبر سفيان بن عيينة، واللفظ أنا أبو الفضل محمد بن عمر بن يوسف الأرموي ببغداد أنا أبو القاسم علي بن احمد بن محمد بن السري البندار ثنا أبو أحمد عبيد الله بن محمد بن أحمد بن أبي مسلم الفرضي، ثنا أبو بكر محمد بن جعفر بن أحمد الصيرفي ثنا أبو أحمد بشر بن مطر الواسطي في مسجده بسر من رأي قالا ثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله عز وجل يؤذيني ابن آدم يسب الدهر وأنا الدهر بيدي الأمر أقلب الليل والنهار. متفق عليه (خ) عن الحميدي عن سفيان، سند (م) عن إسحاق وابن أبي عبد الله عن سفيان.
সপ্তম হাদিসআবু আল-মাহাসিন আল-মুশাররাফ ইবনুল মুশাররাফ ইবনুল মুয়ায়্যাদ ইবনে আলী আল-হামাদানি আমার তার নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর হিবাতুল্লাহ ইবনুল ফারাজ ইবনুল ফারাজ আল-হামাদানি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-কাওমাসানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-কাওমাসানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে হামদান ইবনে আবদুর রহমান আল-হামাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে নাসর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-হিমানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। (হ)-পত্র ৭খ-এবং আবু শুজা জাহির ইবনে রুস্তম ইবনে আবিল রাজা আল-আসফাহানি মক্কায় মুআল্লাতে সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহর কবরের নিকট আমার তার নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আর (হাদিসের) শব্দ বিন্যাস নিম্নরূপ: আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ইউসুফ আল-আরমাওয়ি বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সারি আল-বিন্দার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি মুসলিম আল-ফারদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আহমাদ আস-সাইরাফি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু আহমাদ বিশর ইবনে মাতার আল-ওয়াসিতি সামাররা-তে তাঁর মসজিদে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন: আদম সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়, সে কালকে গালি দেয়, অথচ আমিই কাল; আমার হাতেই সকল বিষয়, আমিই রাত ও দিনকে আবর্তিত করি। বুখারি ও মুসলিম কর্তৃক এটি সর্বসম্মত; (বুখারি) এটি হুমাইদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, আর (মুসলিম)-এর সনদ ইসহাক এবং ইবনে আবি আব্দুল্লাহ থেকে, তাঁরা সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١)
الحديث الثامنأخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن محمد المروزودي بقراءتي عليه أنا أبو الخير محمد بن أحمد بن عمر الأصبهاني بها أنا أبو عمرو عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق الحافظ، أنا أبي أنا أبو بكر محمد بن الحسن ب الحسين القطان ثنا أبو الحسن أحمد بن يوسف السلمي ثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام ثنا أبو هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم-ق8أ-قال الله عز وجل كذبني عبدي ولم يكن ذلك له وشتمني عبدي ولم يكن ذلك له أما تكذيبه إياي يقول لن يعيدنا كما بدأنا، وأما شتمه إياي يقول اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَداً وَأَنَا الصَّمَدُ الذي لَمْ أَلِدُ وَلَم أَولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لِي كفواً أَحَدٌ. بسند (خ) عن إسحاق بن منصور عن عبد الرزاق.
অষ্টম হাদিসআবূ মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযূদী তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে: আবূ আল-খাইর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উমর আল-আসবাহানী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবূ আমর আবদ আল-ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবূ আল-হাসান আহমদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাজ্জাক মা'মার থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:-পৃষ্ঠা ৮ ক-আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন, "আমার বান্দা আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, অথচ তার জন্য তা সমীচীন ছিল না। এবং আমার বান্দা আমাকে গালি দিয়েছে, অথচ তার জন্য তা সমীচীন ছিল না। তার আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হলো তার এই উক্তি যে, 'তিনি (আল্লাহ) আমাদের পুনরায় জীবিত করবেন না যেভাবে তিনি প্রথমবার আমাদের সৃষ্টি করেছিলেন।' আর তার আমাকে গালি দেওয়া হলো তার এই উক্তি যে, 'আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন', অথচ আমিই হলাম আস-সামাদ (অমুখাপেক্ষী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ সত্তা), যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং জন্ম লাভ করেননি, আর আমার সমকক্ষ কেউ নেই।" ইমাম বুখারি-র সনদে ইসহাক ইবনে মানসুর থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الحديث التاسعأخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن يحيى العثماني قراءة عليه، أنا أبو عبد الله محمد بن منصور بن محمد الحضرمي قراءة عليه، أنا أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت البغدادي الحافظ بصور أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب الخوارزمي البرقاني ح. وأنا عاليا أبو طاهر السلفي أنا أبو غالب محمد بن الحسن بن أحمد الكرخي ببغداد، أنا أبو بكر البرقاني قال قرأت علي أبي العباس بن حمدان حدثكم محمد بن نعيم بن عبد الله ثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أنا سفيان بن عيينة ح. وأنا أبو عبد الله أحمد بن الحسن بن أحمد الهمداني بقراءتي عليه بمكة واللفظ له أنا أبو المحاسن نصر بن المظفر بن الحسن البرمكي الجرجاني قراءة عليه، أنا أبو عمرو عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده الأصبهاني الحافظ، أنا أبي أنا خيثمة بن سليمان ثنا أبو يحيى بن أبي ميسرة ثنا عبد الله بن الزبير الحميدي ثنا سويد عن عمرو بن دينار أنه سمع سعيد بن جبير يقول قلت لابن عباس رضي الله عنهما أن نوفا البكالي يزعم أن موسى ليس بصاحب الخضر إنما هو موسى آخر فقال ابن عباس كذب عبد الله ثنا أبي بن كعب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن موسى عليه السلام قام في بني إسرائيل خطيبا سأل-ق8ب-أي الناس أعلم؟ فقال: أنا فعتب الله عليه حيث لم يرد العلم إليه، قال: بلى وعبد لي عند مجمع البحرين هو أعلم قال: أي رب وكيف لي به؟ قال: تأخذ حوتا فتحمله فحيث ما فقدت الحوت فهو ثم، قال: فأخذ حوتا فجعله في مكتل ثم انطلقا يمشيان معه فتاه يوشع بن نون حتى إذا أتيا الصخرة وضع رأسهما فناما واضطرب الحوت في المكتل فخرج منه فسقط في البحر واتخذ سبيله في البحر سربا، وأمسك الله عن الحوت جرية الماء وصار عليه مثل الطاق، فلما استيقظا نسي صاحبه أن يخبره بالحوت فانطلقا بقية يومهما وليلهما حتى إذا كان من الغد قال موسى لفتاه: (آتنا غداءنا لقد لقينا من سفرنا هذا نصبا) ، قال: ولم يجد موسى صلوات الله عليه النصب حتى تجاوز المكان الذي أمر الله عز وجل به، فقال له فتاه: (أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة فإني نسيت الحوت، وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره واتخذ سبيله في البحر عجبا) قال فكان للحوت يسرا ولموسى وفتاه عجبا فقال موسى (ذلك ما كنا نبغ فارتدا على آثارهما قصصا) ، قال: رجعا يقصان آثارهما حتى انتهيا إلى الصخرة، فإذا رجل مسجى ثوبا، فسلم عليه موسى فقال الخضر: وأنى بأرضك السلام؟ قال: أنا موسى، قال: موسى بني إسرائيل؟ قال: نعم، قال: أتتك لتعلمني مما علمت رشدا، قال: إنك لن تستطيع معي صبرا يا موسى أنا على علم من علم الله علمنيه لا تعلمه أنت وأنت على علم من علم الله علمكه الله لا أعلمه قال موسى ستجدني إن شاء الله صابرا ولا أعصي لك أمرا قال: فإن اتبعتني فلا تسألني عن شيء حتى أحدث لك منه ذكرا-ق9أ-فانطلقا يمشيان على ساحل البحر فمرت سفينة فكلموهم أن يحملوهم سنة فعرفوا الخضر، فحملوا بغير نول فلما ركبا في السفينة لم يفاجئهم إلا والخضر قد قلع لوحا من ألواح السفينة بالقدوم فقال له موسى قوم حملونا بغير نول عمدت إلى سفينتهم فخرقتها لتغرق أهلها لقد جئت شيئا إمرا قال ألم أقل إنك لن تستطيع معي صبرا قال: لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فكانت الأولى من موسى نسيانا قال وجاء عصفور فوقع على حرف السفينة فنقر في البحر نقرة فقال له الخضر ما علمي وعلمك في علم الله إلا مثل ما نقص هذا العصفور من هذا البحر فلما خرجا من السفينة فبينما هما يمشيان على الساحل إذ أبصر الخضر غلاما يلعب مع الصبيان، فأخذ الخضر رأسه بيده فاقتلعه بيده فقتله فقال له موسى: (أقتلت نفسا زكية بغير نفس، لقد جئت شيئا نكرا قال ألم لك إنك لن تستطيع معي صبرا) قال فهذه أشد من الأولى (قال إن سألتك عن شيء بعدها فلا تصاحبني قد بلغت من لدني عذرا فانطلقا حتى إذا أتيا أهل قرية استطعما أهلها فأبوا أن يضيفوهما فوجدا فيها جدارا يريد أن ينقض) قال مائل فقال الخضر بيده (فأقامه) ، فقال موسى: قوم أتيناهم فلم يطعمونا ولم يضيفونا، (لو شئت لاتخذت عليه أجرا، قال هذا فراق بيني وبينك سأنبئك بتأويل ما لم تسطع عليه صبرا) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: وددنا أن موسى كان صبر حتى يقص الله علينا من خبرهما، قال سعيد بن جبير وكان ابن عباس يقرأ وكان-ق9ب-أمامهم ملك يأخذ كل سفينة صالحة غصبا، وكان يقرأ: وأما الغلام فكان كافرا وكان أبواه مؤمنين ح. بسند (خ) عن الحميدي، بسند (م) عن علي بن المديني وعبد الله بن محمد وقتيبة بن سعيد أربعتهم عن سفيان، بسند (م) عن إسحاق بن إبراهيم، بسند (م) عن عمرو الناقد، وعبيد الله بن شعبة وابن أبي عمر كلهم عن سفيان.
নবম হাদিসআবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-উসমানী আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি আমার নিকট পাঠের মাধ্যমে, আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-বাগদাদি আল-হাফিজ সূর নগরে, আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে গালিব আল-খাওয়ারিজমি আল-বারকানি (হিলফ)। এবং উচ্চতর সূত্রে আবু তাহির আস-সিলাফি, আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে আহমদ আল-কারখি বাগদাদে, আবু বকর আল-বারকানি বলেন আমি আবুল আব্বাস ইবনে হামদানের নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন তোমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে নুয়াইম ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হিলফ)। এবং আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে হাসান ইবনে আহমদ আল-হামদানি মক্কায় আমার পাঠের মাধ্যমে, আর শব্দসমূহ তার, আবু আল-মাহাসিন নাসর ইবনে আল-মুজাফফর ইবনে হাসান আল-বারমাকি আল-জুরজানি পাঠের মাধ্যমে, আবু আমর আবদুুল ওয়াহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ আল-আসবাহানি আল-হাফিজ, আমার পিতা থেকে, তিনি খাইসামা ইবনে সুলাইমান থেকে, আবু ইয়াহইয়া ইবনে আবি মাইসারাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের আল-হুমাইদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুওয়াইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমর ইবনে দিনার থেকে যে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়েরকে বলতে শুনেছেন যে, আমি ইবনে আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বকালী দাবি করে যে (খিজিরের সাথী) মুসা বনী ইসরাঈলের মুসা নন, বরং তিনি অন্য এক মুসা। তখন ইবনে আব্বাস বললেন: আল্লাহর বান্দা (নওফ) মিথ্যা বলেছে। উবাই ইবনে কাব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মুসা আলাইহিস সালাম বনী ইসরাঈলের মাঝে খুতবা দিতে দাঁড়ালেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো:-পৃষ্ঠা ৮খ-সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ কে? তিনি বললেন: আমি। এতে আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন, যেহেতু তিনি জ্ঞানকে আল্লাহর দিকে ন্যস্ত করেননি। আল্লাহ বললেন: অবশ্যই, দুই সমুদ্রের মিলনস্থলে আমার এক বান্দা আছে যে তোমার চেয়েও অধিক জ্ঞানী। মুসা বললেন: হে রব! আমি কীভাবে তাকে পেতে পারি? আল্লাহ বললেন: তুমি একটি মাছ নাও এবং তা একটি ঝুড়িতে রাখো। যেখানে তুমি মাছটি হারিয়ে ফেলবে, সেখানেই তাকে পাবে। অতঃপর তিনি একটি মাছ নিলেন এবং তা একটি ঝুড়িতে রাখলেন। তারপর তিনি এবং তার যুবক সাথী ইউশা ইবনে নুন চলতে শুরু করলেন। চলতে চলতে যখন তারা একটি বিশাল পাথরের কাছে পৌঁছালেন, তখন তারা সেখানে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় মাছটি ঝুড়ির মধ্যে নড়াচড়া করতে লাগল এবং ঝুড়ি থেকে বেরিয়ে সাগরে পড়ে গেল এবং সুড়ঙ্গের মতো পথ করে নিজের রাস্তা বানিয়ে নিল। আল্লাহ মাছটির জন্য পানির প্রবাহ আটকে দিলেন এবং তা ধনুকের মতো (স্থির) হয়ে গেল। তারা যখন জাগ্রত হলেন, তখন তার সাথী মাছের কথা তাকে বলতে ভুলে গেলেন। তারা তাদের দিনের বাকি অংশ এবং পুরো রাত পথ চললেন। পরের দিন সকালে মুসা তার যুবক সাথীকে বললেন: (আমাদের সকালের নাস্তা দাও, আমরা আমাদের এই সফরে অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছি)। মুসা আলাইহিস সালাম ততক্ষণ পর্যন্ত ক্লান্তি অনুভব করেননি যতক্ষণ না তিনি আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশিত স্থানটি অতিক্রম করেছিলেন। তখন তার যুবক সাথী তাকে বলল: (আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, যখন আমরা পাথরের কাছে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম? শয়তানই আমাকে তা মনে করিয়ে দিতে ভুলিয়ে দিয়েছিল। আর মাছটি আশ্চর্যজনকভাবে সমুদ্রে নিজের পথ করে নিয়েছে)। এটা মাছের জন্য ছিল সহজ পথ আর মুসা ও তার সাথীর জন্য ছিল বিস্ময়কর। মুসা বললেন: (আমরা তো সেই স্থানটিই খুঁজছিলাম। অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে আগের পথে ফিরে চললেন)। বর্ণনাকারী বলেন, তারা নিজেদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে ফিরে এলেন এবং সেই পাথরটির কাছে পৌঁছালেন। সেখানে তারা দেখলেন একজন লোক কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছেন। মুসা তাকে সালাম দিলেন। খিজির বললেন: তোমার এই (অপরিচিত) ভূমিতে সালাম কোত্থেকে এলো? তিনি বললেন: আমি মুসা। খিজির বললেন: বনী ইসরাঈলের মুসা? তিনি বললেন: হ্যাঁ। মুসা বললেন: আপনাকে যে সঠিক পথের জ্ঞান দান করা হয়েছে, তা থেকে আমাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আমি কি আপনার অনুসরণ করতে পারি? খিজির বললেন: হে মুসা! আপনি আমার সাথে কস্মিনকালেও ধৈর্য ধরতে পারবেন না। আমি আল্লাহর দেয়া এমন এক জ্ঞান প্রাপ্ত যা আল্লাহ আমাকে শিখিয়েছেন কিন্তু আপনি তা জানেন না; আর আপনি এমন এক জ্ঞান প্রাপ্ত যা আল্লাহ আপনাকে শিখিয়েছেন কিন্তু আমি তা জানি না। মুসা বললেন: ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার কোনো আদেশ অমান্য করব না। খিজির বললেন: তবে আপনি যদি আমার অনুসরণ করেনই, তবে আমাকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করবেন না যতক্ষণ না আমি নিজেই সে বিষয়ে আপনাকে কিছু বলি।-পৃষ্ঠা ৯ক-অতঃপর তারা সমুদ্রতীর দিয়ে হাঁটতে শুরু করলেন। একটি জাহাজ পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তারা জাহাজের লোকদের সাথে কথা বললেন যেন তাদের তুলে নেয়। তারা খিজিরকে চিনতে পেরে বিনা ভাড়ায় তাদের তুলে নিল। যখন তারা জাহাজে আরোহণ করলেন, হঠাৎ মুসা দেখলেন খিজির একটি কুড়াল দিয়ে জাহাজের একটি তক্তা উপড়ে ফেললেন। মুসা তাকে বললেন: এই লোকগুলো আমাদের বিনা ভাড়ায় তুলে নিল আর আপনি তাদের জাহাজটি ছিদ্র করে দিলেন যেন এর আরোহীরা ডুবে যায়? আপনি তো এক গুরুতর কাজ করেছেন! খিজির বললেন: আমি কি বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না? মুসা বললেন: আমার বিস্মৃতির জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার কাজে আমার ওপর কঠোরতা আরোপ করবেন না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মুসার প্রথম প্রশ্নটি ছিল ভুলবশত। বর্ণনাকারী বলেন, একটি চড়ুই পাখি এসে জাহাজের কিনারায় বসল এবং সমুদ্র থেকে এক চঞ্চু পানি পান করল। খিজির মুসাকে বললেন: আল্লাহর জ্ঞানের তুলনায় আমার এবং আপনার জ্ঞান ঠিক ততটুকুই, যতটুকু এই চড়ুইটি সমুদ্র থেকে পান করল। অতঃপর তারা যখন জাহাজ থেকে নামলেন এবং সমুদ্রতীর দিয়ে হাঁটছিলেন, তখন খিজির দেখলেন একটি বালক অন্য বালকদের সাথে খেলা করছে। খিজির তার হাত দিয়ে বালকটির মাথা ধরলেন এবং তা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাকে হত্যা করলেন। মুসা তাকে বললেন: (আপনি কি একটি নিষ্পাপ প্রাণকে হত্যা করলেন কোনো প্রাণের বিনিময় ছাড়াই? আপনি তো এক গর্হিত কাজ করেছেন! খিজির বললেন: আমি কি আপনাকে বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না?) বর্ণনাকারী বলেন, এই দ্বিতীয় বিষয়টি ছিল প্রথমটির চেয়েও গুরুতর। (মুসা বললেন: এরপর যদি আমি আপনাকে আর কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি তবে আমাকে আর সাথে রাখবেন না। আপনি আমার পক্ষ থেকে ওজর প্রাপ্ত হয়েছেন। তারপর তারা চলতে লাগলেন এবং এক জনপদের অধিবাসীদের কাছে পৌঁছে তাদের নিকট খাবার চাইলেন। কিন্তু তারা তাদের মেহমানদারি করতে অস্বীকার করল। সেখানে তারা একটি প্রাচীর দেখতে পেলেন যা প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল)। বর্ণনাকারী বলেন, দেয়ালটি হেলে পড়েছিল। খিজির নিজের হাত দিয়ে (সেটিকে স্পর্শ করে) সোজা করে দিলেন। মুসা বললেন: আমরা এই লোকদের কাছে এলাম, তারা আমাদের খাবার দিল না এবং আমাদের মেহমানদারিও করল না; (আপনি চাইলে তো এর জন্য পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারতেন। খিজির বললেন: এটাই আমার এবং আপনার মধ্যে বিচ্ছেদের সময়। যে বিষয়গুলোতে আপনি ধৈর্য ধরতে পারেননি, আমি সেগুলোর তাৎপর্য আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছি)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল যদি মুসা আরও ধৈর্য ধরতেন, তবে আল্লাহ আমাদের কাছে তাদের আরও কাহিনী বর্ণনা করতেন। সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেন, ইবনে আব্বাস এভাবে পড়তেন যে:-পৃষ্ঠা ৯খ-তাদের সামনে ছিল এক রাজা যে প্রতিটি ভালো জাহাজ জোরপূর্বক দখল করে নিত। এবং তিনি পড়তেন: আর বালকটি ছিল কাফির এবং তার পিতামাতা ছিল মুমিন। (হিলফ)। বুখারির সনদে হুমাইদি থেকে, মুসলিমের সনদে আলী ইবনে মাদিনী, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ এবং কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ—এই চারজনই সুফিয়ান থেকে, মুসলিমের সনদে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে, মুসলিমের সনদে আমর আন-নাকিদ, উবাইদুল্লাহ ইবনে শু’বাহ এবং ইবনে আবি উমর—তারা সবাই সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
الحديث العاشرأخبرنا أبو سعيد محمد بن عبد الرحمن بن محمد الخراساني بقراءتي عليه أنا أبو الخير محمد بن أحمد بن عمر المقدر بأصبهان أنا أبو عمرو عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق الحافظ، أنا أبي، أنا أبو بكر محمد بن الحسن بن الحسين القطان ثنا أبو الحسن أحمد بن يوسف السلمي ح. وأنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الأصبهاني بقراءتي عليه واللفظ له، أنا أبو عبد الله الحسين بن علي بن أحمد بن البسري البندار ببغداد، أنا أبو محمد عبد الله بن يحيى بن عبد الجبار السكري، أنا أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصغار قنا أحمد بن منصور الرمادي قالا ثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام بن منبه أنه سمع أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينما أيوب عليه السلام يغتسل عريانا خَرَّ عَلَيْهِ جَرَادٌ مِنْ ذَهَبٍ فَجَعَلَ يحثو فِي ثَوْبِهِ فَنَادَاهُ رَبُّهُ يَا أَيُّوبُ أَلَمْ أَكُنْ أغْنِيتكَ عَمَّا تَرَى قَالَ بَلَى يَا رَبِّ وَلَكِنْ لَا غِنَى لي عَنْ بَرَكَتِكَ أو قال عن فضلك. (خ) عن إسحاق بن نصر عن عبد الرزاق وعن عبد الله بن محمد الجعفي عنه.
দশম হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-খুরাসানি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন উমর আল-মুকাদ্দার আসফাহানে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-হাফিয; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-কাত্তান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আহমাদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি (হা.)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-আসবাহানি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং শব্দাবলি তাঁরই; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমাদ বিন আল-বুসরি আল-বান্দার বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাগ্ঘার; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর আর-রামাদি; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম বিন মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “একদা আইয়ুব আলাইহিস সালাম নগ্ন অবস্থায় গোসল করছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর ওপর স্বর্ণের পঙ্গপাল ঝরে পড়তে লাগল। তখন তিনি তা নিজ কাপড়ে কুড়িয়ে জমা করতে লাগলেন। তখন তাঁর প্রতিপালক তাঁকে ডেকে বললেন, ‘হে আইয়ুব! তুমি যা দেখছ, আমি কি তোমাকে তা থেকে অভাবমুক্ত করিনি?’ তিনি বললেন, ‘অবশ্যই হে আমার প্রতিপালক! কিন্তু আপনার বরকত থেকে আমার কোনো অমুখাপেক্ষিতা নেই (অর্থাৎ আমি আপনার বরকতের মুখাপেক্ষী)’—অথবা তিনি বলেছেন, ‘আপনার অনুগ্রহ থেকে’।” (বুখারি) ইসহাক বিন নাসর থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-জু'ফি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
الحديث الحادي عشرأخبرنا أبو محمد عبد الله وأبو طاهر إسماعيل، أنا عبد الرحمن بن يحيى العثمانيان قالا ثنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي ح.-ق10أ-وأنا أبو الحسن عن ابن هبة الله بن علي بن سعود الأنصاري قالا أنا أبو صادق مرشد بن يحيى بن القاسم المديني قالا أنبا أبو الحسن علي بن ربيعة بن علي التميمي البزار، أنا أبو محمد الحسن بن رسق العسكري ثنا أبو الحسن محمد بن عبد السلام بن أبي السوار السراج قراءة عليه ثنا يأبو صالح عبد الله بن صالح كاتب الليث حدثني إبراهيم بن سعد عن ابن شهاب عن عطاء بن يزيد الليثي عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال الناس يا رسول الله صلى الله عليه وسلم هل نرى ربنا يوم القيامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم هَلْ تُضَارُّونَ فِي الشَّمْسِ لَيْسَ دُونَهَا سَحَابٌ هَلْ تُضَارُّونَ فِي الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ قَالُوا لَا قَالَ: كَذَلِكَ يَجْمَعُ اللَّهُ النَّاسَ يوم القيامة فَيَقُولُ مَنْ يَعْبُدُ الشَّمْسَ الشَّمْس ويتْبَعُ مَنْ يَعْبُدُ الْقَمَرَ الْقَمَرَ وَيَتْبَعُ مَنْ يَعْبُدُ الطَّوَاغِيتَ وَتَبْقَى هَذِهِ الأُمَّةُ منها شافعوها ومُنَافِقُوهَا فَيَأْتِيهِمُ اللَّهُ فِي صورة غَيْرِ صُّورته الَّتِي يَعْرِفُونَ فَيَقُولُ أَنَا رَبُّكُمْ فيقولون نَعُوذُ بِاللهِ مِنْكَ هَذَا هذا مَكَانُنَا حَتَّى يَأْتِيَنَا رَبُّنَا فَإِذَا جَاءَ رَبُّنَا عَرَفْنَاهُ فَيَأْتِيهِمُ اللَّهُ فِي الصُّورَةِ الَّتِي يَعْرِفُونَ فَيَقُولُ أَنَا رَبُّكُمْ فَيَقُولُونَ أَنْتَ رَبُّنَا فَيَتْبَعُونَهُ فيضْرَب الصراط بين ظهراني جهنم فَأَكُونُ أنا وأمتي أَوَّلَ مَنْ يُجِيزُ وَلا يتكلم يومئذ إلا الرسل ودَعْوَى الرُّسُلِ يَوْمَئِذٍ اللَّهُمَّ سَلِّمْ سَلِّمْ وَفي جهنم كَلَالِيبُ شَوْكِ السَّعْدَانِ هَلْ رَأَيْتُمْ شَوْكَ السَّعْدَانِ قَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ فَإِنَّه مِثْلُ شَوْكِ السَّعْدَانِ غَيْرَ أَنَّهُ لَا يَدري ما قَدْرَ عِظَمِهَا إِلَاّ اللَّهُ فَتَخْطَفُ النَّاسَ بِأَعْمَالِهِمْ فَمِنْهُمْ الْمُوبَقُ بِعَمَلِهِ وَمِنْهُمُ الْمُخَرْدَلُ-ق10ب-أو كلمة تشبهها ثُمَّ ينجي وقال أبو صادق ينحي فإذا أَرَادَ الله أَنْ يُخْرِجَ مِنَ النَّارِ برحمته من يشاء أَمَرَ الْمَلَائِكَةَ أَنْ يُخْرِجُوا من النار من كان لا يشرك بالله شيئا ممن يقول لا إله إلا الله، ممن أراد الله أن يرحمه فَيَعْرِفُونَهُمْ في النار بأثر السُّجُودِ وَحَرَّمَ اللَّهُ عَلَى النَّارِ أَنْ تَأْكُلَ مِنِ ابْنِ آدَمَ أَثَرَ السُّجُودِ فَيُخْرِجُونَهُمْ من النار قَدِ امْتُحِشُوا فَيُصَبُّ عَلَيْهِمْ مِنْ مَاءِ الْحَيَاةِ فَيَنْبُتُونَ تحته كما تنبت الْحبَّة فِي حَمِيلِ السَّيْلِ وَيَبْقَى رَجُلٌ مُقْبِلٌ بِوَجْهِهِ إِلَى النَّارِ فَيَقُولُ أَيْ رَبِّ اصرف وجهي عن النار قَدْ قَشَبَنِي رِيحُهَا وَأَحْرَقَنِي ذَكَاؤُهَا فيدعو الله ما شاء الله أن يدعو فيقول عسيت إن أعطيت ذلك أن تسألني، وقال أبو صادق: أن تسأل غَيْرَهُ، فَيَقُولُ لَا وَعِزَّتِكَ فيعطي ربه ما شاء من عهود ومواثيق ويَصْرِفُ الله وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ فيسكت ما شاء الله أن يسكت ثم يقُول أي رَبِّ قَرِّبْنِي إِلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَيَقُولُ هل أعطيت عهودك ومواثيقك أن لا تسأل غير ما أعطيتك وَيْلَكَ يَا ابْنَ آدَمَ مَا أَغْدَرَكَ فَلَا يَزَالُ يَدْعُو حَتَّى يقال هل عسيت إِنْ أَعْطَيْتُكَ أَنْ تَسْأَلَ غَيْرَهُ فَيَقُولُ لَا وَعِزَّتِكَ لَا أَسْأَلُكَ غَيْرَهُ فيُعْطِي ربه مِنْ عُهُودٍ وَمَوَاثِيقَ ما شاء الله فَيُقَرِّبُهُ إِلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَإِذَا قام على باب الجنة انْفَهَقَتْ لَهُ الْجَنَّةُ فيرَى مَا فِيهَا مِنَ الْحِبَرَةِ وَالسُّرُورِ فيسَكَت مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَسْكُتَ ثُمَّ يَقُولُ أي رَبِّ أَدْخِلْنِي الْجَنَّةَ فَيَقُولُ يا ابن آدم ما أغدرك ألم تعط عُهُودَكَ وَمَوَاثِيقَكَ أَنْ لَا تَسْأَلَنِي غَيْرَ ما أعطيت فَيَقُولُ أي رَبِّ لَا أكون أَشْقَى خَلْقِكَ فَلَا يَزَالُ يَدْعُو اللَّهَ-ق11أ-حَتَّى يَضْحَكَ الله منه فَإِذَا ضَحِكَ الله مِنْهُ قال له ادخل الجنة، فإذا أدخل الجنة قال له تمنى فيتمني حتى إن الله ليذكره بقوله من كذا وكذا فإذا انقطع به الأماني قال الله ذلك له ومثله معه قال عطاء بن يزيد: قال أبو سعيد الخدري: وهو مع أبي هريرة فحدث بهذا الحديث لا يرد عليه شيئا من حديثه حتى إذا قال ذلك لَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ قال أبو سعيد أشهد لحفظته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك لَكَ وَعَشْرَةُ أَمْثَالِهِ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَذَلِكَ آخِرُ أَهْلِ الْجَنَّةِ دُخُولاً الْجَنَّةَ. متفق عليه بسند (خ) عن عبد العزيز بن عبد الله، (م) عن زهير عن يعقوب كلاهما عنه، وأخرجاه أيضا من طريق آخر عن الزهري عن سعيد بن المسيب وعطاء بن يزيد مقرونين عن أبي هريرة.
একাদশ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ এবং আবু তাহের ইসমাইল, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানিদ্বয়, তাঁরা বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম আর-রাজি (হ)।-পৃ ১০ক-এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান, ইবনে হিবাতুল্লাহ বিন আলি বিন সাউদ আল-আনসারি থেকে, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদিনি, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি বিন রাবিয়া বিন আলি আত-তামিমি আল-বাজজার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন রিসক আল-আসকারি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সালাম বিন আবুল সাওয়ার আস-সাররাজ তাঁর নিকট পঠনকালে, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ আব্দুল্লাহ বিন সালিহ (লাইসের লেখক), আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন সাদ, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াজিদ আল-লাইসি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মানুষ বলল, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: তোমরা কি মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখতে একে অপরের ভিড় বা কষ্টের সম্মুখীন হও? তোমরা কি পূর্ণিমার রাতে চাঁদ দেখতে ভিড় বা কষ্টের সম্মুখীন হও? তাঁরা বললেন, না। তিনি বললেন: আল্লাহ এভাবেই কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্রিত করবেন। অতঃপর বলবেন, যে সূর্যের ইবাদত করত সে সূর্যের অনুসরণ করুক, আর যে চাঁদের ইবাদত করত সে চাঁদের অনুসরণ করুক এবং যারা তাগুতের ইবাদত করত তারা তাগুতের অনুসরণ করুক। আর অবশিষ্ট থাকবে এই উম্মত, যাদের মধ্যে তাদের সুপারিশকারীগণ এবং মুনাফিকরাও থাকবে। অতঃপর আল্লাহ তাদের নিকট এমন এক আকৃতিতে আসবেন যা তাদের পরিচিত সেই আকৃতি নয়। তিনি বলবেন, আমি তোমাদের রব। তখন তারা বলবে, আমরা তোমার থেকে আল্লাহর পানাহ চাই; আমাদের রব আমাদের নিকট না আসা পর্যন্ত এটিই আমাদের স্থান। যখন আমাদের রব আসবেন, তখন আমরা তাঁকে চিনতে পারব। এরপর আল্লাহ তাদের নিকট সেই আকৃতিতে আসবেন যা তারা চেনে। তিনি বলবেন, আমি তোমাদের রব। তখন তারা বলবে, আপনিই আমাদের রব। এরপর তারা তাঁর অনুসরণ করবে। আর জাহান্নামের ওপর দিয়ে পুলসিরাত স্থাপন করা হবে। তখন আমি এবং আমার উম্মত সর্বপ্রথম তা পার হব। সেদিন রাসূলগণ ব্যতীত আর কেউ কথা বলবে না। সেদিন রাসূলগণের দোয়া হবে: হে আল্লাহ! রক্ষা করুন, রক্ষা করুন। আর জাহান্নামে 'সাদান' গাছের কাঁটার মতো অনেক বড় বড় আঁকড়া থাকবে। তোমরা কি 'সাদান' গাছের কাঁটা দেখেছ? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তা 'সাদান' গাছের কাঁটার মতো, তবে তার বিশালতা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। তা মানুষকে তাদের আমল অনুযায়ী ছিনিয়ে নেবে। তাদের মধ্যে কেউ তার আমলের কারণে ধ্বংস হবে, আর কেউ খণ্ড-বিখণ্ড হবে।-পৃ ১০খ-অথবা অনুরূপ কোনো শব্দ বলেছেন, অতঃপর মুক্তি পাবে। আবু সাদিক 'সরিয়ে নেওয়া হবে' শব্দটি বলেছেন। এরপর আল্লাহ যখন তাঁর রহমতে জাহান্নাম থেকে যাকে ইচ্ছা বের করার ইচ্ছা করবেন, তখন তিনি ফেরেশতাদের নির্দেশ দেবেন যেন তারা জাহান্নাম থেকে এমন ব্যক্তিদের বের করে আনে যারা আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক করত না, যারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলত এবং যাদের প্রতি আল্লাহ রহমত করার ইচ্ছা করবেন। ফেরেশতারা তাদের জাহান্নামে সিজদার চিহ্ন দেখে চিনতে পারবে। আর আল্লাহ জাহান্নামের আগুনের জন্য আদম সন্তানের সিজদার চিহ্ন ভক্ষণ করা হারাম করে দিয়েছেন। অতঃপর তারা তাদের জাহান্নাম থেকে বের করবেন এমতাবস্থায় যে, তারা দগ্ধ হয়ে গেছে। এরপর তাদের ওপর 'হায়াত' (জীবন) নামক পানি ঢেলে দেওয়া হবে। ফলে তারা এর নিচে এমনভাবে গজিয়ে উঠবে যেমন স্রোতবাহিত পলিতে বীজ অঙ্কুরিত হয়। আর একজন লোক অবশিষ্ট থাকবে যার মুখ জাহান্নামের দিকে থাকবে। সে বলবে, হে আমার রব! আমার মুখটি জাহান্নাম থেকে ফিরিয়ে দিন; কারণ এর দুর্গন্ধ আমাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে এবং এর উত্তাপ আমাকে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সে আল্লাহর কাছে ততক্ষণ দোয়া করবে যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা হবে। তখন তিনি বলবেন, যদি তোমাকে এটি দান করা হয় তবে হয়তো তুমি অন্য কিছু চাইবে। আবু সাদিক বলেছেন: অন্য কিছু চাইবে। সে বলবে, না, আপনার ইজ্জতের কসম! অতঃপর সে তার রবকে ইচ্ছামতো অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি প্রদান করবে। অতঃপর আল্লাহ তার মুখ জাহান্নাম থেকে ফিরিয়ে দেবেন। এরপর সে যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা নীরব থাকবে। তারপর সে বলবে, হে আমার রব! আমাকে জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছে দিন। তিনি বলবেন, তুমি কি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, যা দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া আর কিছু চাইবে না? দুর্ভোগ তোমার জন্য হে আদম সন্তান! তুমি কতই না প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী। সে দোয়া করতেই থাকবে, এমনকি বলা হবে: যদি তোমাকে এটি দেওয়া হয় তবে হয়তো তুমি অন্য কিছু চাইবে। সে বলবে, না, আপনার ইজ্জতের কসম! আমি আপনার কাছে এছাড়া অন্য কিছু চাইব না। অতঃপর সে তার রবকে আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি প্রদান করবে। তিনি তাকে জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছে দেবেন। সে যখন জান্নাতের দরজার কাছে দাঁড়াবে, তখন জান্নাত তার জন্য উন্মোচিত হয়ে যাবে। সে যখন জান্নাতের নেয়ামত ও আনন্দ দেখবে, তখন সে আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ নীরব থাকবে। তারপর সে বলবে, হে আমার রব! আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দিন। তিনি বলবেন, হে আদম সন্তান! তুমি কতই না প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী! তুমি কি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, যা দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া অন্য কিছু চাইবে না? সে বলবে, হে আমার রব! আমি আপনার সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে হতভাগ্য হতে চাই না। সে আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করতে থাকবে-পৃ ১১ক-অবশেষে আল্লাহ তার প্রতি হাসবেন। যখন আল্লাহ তার প্রতি হাসবেন, তখন তাকে বলবেন, জান্নাতে প্রবেশ করো। যখন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তখন তিনি তাকে বলবেন, আকাঙ্ক্ষা করো। সে আকাঙ্ক্ষা করতে থাকবে, এমনকি আল্লাহ তাকে স্মরণ করিয়ে দেবেন যে, অমুক অমুক জিনিস চাও। যখন তার আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ বলবেন, এই সবকিছুই তোমার জন্য এবং এর সমপরিমাণ আরও দেওয়া হলো। আতা বিন ইয়াজিদ বলেন, আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) আবু হুরায়রা (রা.)-এর সাথে ছিলেন এবং আবু হুরায়রা এই হাদিস বর্ণনা করার সময় তিনি তার কোনো কথার প্রতিবাদ করেননি। এমনকি যখন তিনি বললেন, 'এই সবকিছু তোমার জন্য এবং এর সমপরিমাণ আরও দেওয়া হলো', তখন আবু সাঈদ (রা.) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এটি এভাবেই মুখস্থ করেছি যে, 'এই সবকিছু তোমার জন্য এবং এর দশ গুণ আরও'। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, সেই ব্যক্তিটিই হবে জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ ব্যক্তি। এটি বুখারি ও মুসলিম একমত হয়ে বর্ণনা করেছেন; বুখারি বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহর সনদে এবং মুসলিম জুহাইর সূত্রে ইয়াকুব থেকে, উভয়েই তাঁর থেকে। তাঁরা উভয়ই এটি অন্য সূত্রে যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন মুসাইয়িব ও আতা বিন ইয়াজিদ থেকে একত্রে, তাঁরা আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
الحديث الثاني عشرأخبرنا أبو عبد الله حامد بن محمد بن حامد المديني بمكة شرفها الله تعالى في المسجد الحرام تجاه الكعبة المعظمة، أنا أبو الفرج مسعود بن الحسن بن القاسم المحمودي بأصبهان قراءة عليه، أنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد العقال، ثنا أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الله بن خرشيد قوله ثنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري ثنا يونس بن عبد الله علي ثنا ابن وهب أخبرني عمرو بن الحارث أن بكر بن سوادة حدثه عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم تلا قول الله عز وجل في إبراهيم (رب إنهن أضللن كثيرا من الناس فمن تبعني فإنه مني ومن عصاني-ق11ب-فإنك غفور رحيم) وقال عيسى (إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم. . الآية) فرفع يديه وقال اللهم أمتي وبكى، فقال الله تعالى يا جبريل اذهب إلى محمد وربك أعلم فسأله ما يبكيك فأتاه جبريل فسأله فأخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم مما قال وهو أعلم فقال الله تعالى يا جبريل اذهب إلى محمد فقل له إنا سنرضيك في أمتك ولا نسوءك. انفرد عن عبد الأعلى ولم يقل عبد الرحمن بن جبير أنه ابن نفير وقد قال أبو مسعود الدمشقي إنه عبد الرحمن بن جبير مولى نافع بن عمر وهما ثقتان، انفرد (م) بإخراج حديثهما دون (خ) والله أعلم.
দ্বাদশ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন হামিদ আল-মাদিনী মক্কায় (আল্লাহ তাআলা সেটিকে সম্মানিত করুন), মাসজিদুল হারামে মহান কাবার সামনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ মাসউদ বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম আল-মাহমুদি আসফাহানে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-আক্কাল; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন খুরশীদ কাওলাহ; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আল-নিসাবুরি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আব্দুল্লাহ আলী; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর বিন আল-হারিস যে, বকর বিন সাওয়াদাহ তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন জুবায়ের বিন নুফায়ের হতে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে মহান আল্লাহর বাণী তিলাওয়াত করলেন: "হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই তারা (মূর্তিগুলো) অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হবে...-পৃষ্ঠা ১১-খ-...তবে নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" এবং ঈসা আলাইহিস সালাম বলেছিলেন: "যদি আপনি তাদের শাস্তি দেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা, আর যদি আপনি তাদের ক্ষমা করেন... (আয়াতের শেষ পর্যন্ত)"। অতঃপর তিনি তাঁর হাত উঠালেন এবং বললেন, "হে আল্লাহ! আমার উম্মত, আমার উম্মত!" এবং তিনি কাঁদতে লাগলেন। তখন আল্লাহ তাআলা বললেন, "হে জিবরাইল! মুহাম্মাদের কাছে যাও—যদিও তোমার প্রতিপালক অধিক অবগত—এবং তাকে জিজ্ঞেস করো কেন তিনি কাঁদছেন।" জিবরাইল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে আসলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছিলেন তা তাঁকে জানালেন, অথচ আল্লাহ অধিক অবগত। তখন আল্লাহ তাআলা বললেন, "হে জিবরাইল! মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং তাকে বলো যে, আমরা আপনার উম্মতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করব এবং আপনাকে ব্যথিত করব না।" এটি আব্দুল আলা হতে এককভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি আব্দুর রহমান বিন জুবায়েরকে ইবনে নুফায়ের বলেননি। আবু মাসউদ আল-দিমাশকী বলেছেন যে, তিনি হলেন নাফে বিন উমরের মুক্তদাস আব্দুর রহমান বিন জুবায়ের; এবং তাঁরা উভয়েই নির্ভরযোগ্য। ইমাম মুসলিম এককভাবে তাঁদের হাদিসটি বর্ণনা করেছেন যা ইমাম বুখারী করেননি। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الحديث الثالث عشرأخبرنا أبو عبد الله أحمد بن العلاء الهمداني قراءة عليه، أنا أبو الوفاء غانم بن أحمد بن الخلودي، وأبو بكر عتيق بن الحسن الروبدشني وفاطمة بنت أبي الفضل البغدادي قالوا أنا أبو عثمان سعيد بن أحمد الصوفي، أنا أبو بكر محمد بن عبد الله الحوزقي، أنا أبو العباس الدغولي، أنا أبو قلابة ثنا أبو داود الطيالسي ثنا وهيب بن خالد عن سهيل بن أبي صالح قال الحوزقي، وأنا أبو إسحاق إبراهيم بن عبدوس الحيري ثنا محمد بن إبراهيم ثنا أمير بن بسطام ثنا يزيد بن زريع ثنا روح بن القاسم عن سهيل ح، وأبا أبو طاهر أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي بقراءتي عليه مرات عدة واللفظ له، أنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن محمود الثقفي بأصبهان أنا أبو حازم عمر بن أحمد بن إبراهيم العبدوي الحافظ ثنا إسماعيل ين نجيد بن أحمد بن يوسف السلمي ثنا أبو عبد الله محمد بن-ق12أ-إبراهيم البوشنجي ثنا أبو بكر أمية بن بسطام ثنا يزيد بن زريع ثنا روح بن القاسم عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال إن لله ملائكة فضلا يتبعون مجالس الذكر فإذا وجدوا مجلسا فيه ذكر جلسوا معهم حتى تملأ ما بينهم وبني السماء الدنيا فلا يزالون جلوسا معهم حتى تتفرقوا فإذا صعدوا أو خرجوا إلى السماء فسألهم الله وهو أعلم فيقول من أين جئتم فيقولون أتيناك من عباد لك في الأرض يحمدونك ويهللونك ويكبرونك ويسبحونك ويسألونك قال وما يسألوني قال يسألونك جنتك، فيقول هل رأوا جنتي فيقولون لا أي رب فيقول كيف لو رأوا جنتي قالوا ويستجيرونك قال ومم يستجيروني قال فيقولون من نارك قال، فيقول وهل رأوا ناري، فيقولون لا أي رب فيقول فكيف لو رأوا ناري قال ويستغفرونك، فيقول قد غفرت لهم وأعطيتهم ما سألوا وأجرتهم مما استجاروا، فيقولون فيهم فلان عبد ك الخطاء، إنما مر فقعد فيقول وله قد غفرت، هم القوم لا يشقى بهم جليسهم.(م) عن محمد بن حاتم عن بهز بن أسد عن وهيب بن خالد عن سهيل بن أبي صالح واستشهد به (خ) من هذا الوجه ولم يخرج لسهيل شيئا إلا مقرونا به أو استشهادا، وأخرجه من حديث الأعمش عن أبي صالح السمان عن-ق12ب-أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرواه عن قتيبة عن جرير عنه بمعناه.
ত্রয়োদশ হাদীসআমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনুল আলা আল-হামদানী তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াফা গানিম ইবনে আহমদ ইবনুল খুলুদী, এবং আবু বকর আতীক ইবনুল হাসান আর-রুবদানশী এবং ফাতিমা বিনতে আবুল ফজল আল-বাগদাদী, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে আহমদ আস-সূফী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাওযাকী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আদ-দাগুলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উহাইব ইবনে খালিদ, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে বর্ণনা করেন। আল-হাওযাকী বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আবদুস আল-হীরী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইয়া ইবনে বিস্তাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে যুরাই, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রূহ ইবনুল কাসিম, তিনি সুহাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের অপর সূত্র): আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফী তাঁর নিকট আমার একাধিকবার পাঠের মাধ্যমে এবং শব্দাবলী তাঁরই, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফী আসফাহানে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাযিম উমর ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আবদুয়ী আল-হাফিয, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে নুজাইদ ইবনে আহমদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে-পৃষ্ঠা ১২ক-ইব্রাহিম আল-বুশানজী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর উমাইয়া ইবনে বিস্তাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে যুরাই, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রূহ ইবনুল কাসিম, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয় আল্লাহর অতিরিক্ত কিছু ফেরেশতা রয়েছে যারা যিকিরের মজলিসসমূহ তালাশ করে বেড়ায়। যখন তারা এমন কোন মজলিস পায় যাতে যিকির হচ্ছে, তখন তারা তাদের সাথে বসে পড়ে এবং একে অপরকে ডানা দিয়ে পরিবেষ্টন করে ফেলে এমনকি তাদের ও দুনিয়ার আকাশের মধ্যবর্তী খালি জায়গা পূর্ণ হয়ে যায়। তারা তাদের সাথে ততক্ষণ বসে থাকে যতক্ষণ না তারা পৃথক হয়ে যায়। এরপর যখন তারা উর্ধ্বে আরোহণ করে বা আকাশের দিকে চলে যায়, তখন আল্লাহ তাদের জিজ্ঞাসা করেন—অথচ তিনি তাদের চেয়ে অধিক পরিজ্ঞাত—তিনি বলেন: তোমরা কোথা থেকে এসেছ? তারা বলে: আমরা যমীনে আপনার কিছু বান্দার নিকট থেকে আপনার কাছে এসেছি, যারা আপনার মহিমা ঘোষণা (তাসবীহ) করছিল, আপনার বড়ত্ব বর্ণনা (তাকবীর) করছিল, আপনার একত্ববাদ ঘোষণা (তাহলীল) করছিল, আপনার প্রশংসা (হামদ) করছিল এবং আপনার কাছে প্রার্থনা করছিল। তিনি বলেন: তারা আমার কাছে কী প্রার্থনা করছিল? ফেরেশতারা বলে: তারা আপনার কাছে আপনার জান্নাত প্রার্থনা করছিল। তিনি বলেন: তারা কি আমার জান্নাত দেখেছে? তারা বলে: না, হে আমার রব। তিনি বলেন: তাহলে তারা যদি আমার জান্নাত দেখত তবে কেমন হতো! ফেরেশতারা বলে: তারা আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছিল। তিনি বলেন: তারা কিসের থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছিল? তারা বলে: আপনার জাহান্নাম থেকে। তিনি বলেন: তারা কি আমার জাহান্নাম দেখেছে? তারা বলে: না, হে আমার রব। তিনি বলেন: তবে তারা যদি আমার জাহান্নাম দেখত তবে কেমন হতো! ফেরেশতারা বলে: তারা আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছিল। তখন আল্লাহ বলেন: আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম, তারা যা চেয়েছে তা তাদের দান করলাম এবং যে বিষয় থেকে তারা আশ্রয় চেয়েছে তা থেকে তাদের আশ্রয় প্রদান করলাম। তখন ফেরেশতারা বলে: তাদের মধ্যে অমুক ব্যক্তি রয়েছে যে একজন অত্যন্ত পাপী বান্দা, সে কেবল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল এবং তাদের সাথে বসে পড়েছিল। আল্লাহ বলেন: আমি তাকেও ক্ষমা করে দিলাম; তারা এমন এক সম্প্রদায় যাদের সঙ্গী কখনও দুর্ভাগা হয় না।ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হাতিম থেকে, তিনি বাহয ইবনে আসাদ থেকে, তিনি উহাইব ইবনে খালিদ থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ সূত্রে। আর ইমাম বুখারী এটি সাক্ষী (শাওয়াহিদ) হিসেবে গ্রহণ করেছেন এই সূত্রে, তবে তিনি সুহাইলের একক বর্ণনা গ্রহণ করেননি যতক্ষণ না তার সাথে অন্য কেউ থাকে অথবা সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর তিনি এটি আমাশের হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ আস-সাম্মান সূত্রে-পৃষ্ঠা ১২খ-আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে। তিনি এটি কুতাইবা থেকে, তিনি জারীর থেকে, তিনি আমাশ থেকে একই অর্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
الحديث الرابع عشرأخبرنا أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن بن يحيى العثماني قراءة عليه، أنا أبو عبد الله محمد بن منصور بن محمد الحضرمي، وأبو الفضل جعفر بن إسماعيل بن خلف الأنصاري قالا أنا أبو العباس أحمد بن سعيد بن يعيش المقريء، أنا أبو القاسم عبد الرحمن بن عبد الله الجوهري، أنا أحمد بن محمد المكي، ثنا علي بن عبد العزيز ثنا عبد الله بن مسلمة واللفظ لحديثه عن مالك بن أنس ح.وأنا أبو الحسن علي بن أحمد بن أبي بكر الكتاني في كتابه أنا أبو عبد الله محمد بن الفرح بن الطلاع القرظي أنا أبو الوليد يونس بن عبد الله بن مغيث الصفار أنا أبو عيسى يحيى بن عبد الله بن أبي عيسى الليثي حدثني عم أبي أبو مروان عبيد الله بن يحيى بن يحيى الليثي حدثني أبي عن مالك بن أنس ح.وأنا أبو عبد الله محمد بن أبي الفضل الأموي بقراءتي عليه، أنا أبو عبد الله محمد بن منصور الحضرمي ح.وأخبرنا أبو الغنائم سالم بن إبراهيم بن عبد الله القرشي وأبو الحسن ذبيان بن شاتكين بن أبي منصور البغدادي بقراءتي المقريء عليهما قالا أنا أبو القاسم عبد الرحمن بن أبي بكر بن أبي سعيد القرشي المقريء المعروف بابن الفحام قالوا أنا أبو محمد عبد الله بن الوليد بن سعيد الأنصاري أنا أبو الحسن علي بن محمد بن خلف المعافري قريء لنا على أبي الحسن علي بن محمد بن مسرور العبدي عن أحمد بن أبي سليمان عن سحنون بن سعيد عن عبد الرحمن بن القاسم عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة-ق13أ-رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تتعاقبون فيكم مليكة بالليل ومليكة بالنهار فيجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر ثم يعرج الذين يأتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهو يصلون وأتيناهم وهم يصلون.متفق عليه (خ) عن عبد الله بن يوسف التنيسي وإسماعيل بن أبي أويس المديني وقتيبة بن سعيد. (م) عن يحيى بن يحيى النيسابوري أربعتهم عن مالك، (خ) أيضا من حديث شعيب بن أبي حمزة عن أبي الزناد فرواه عن أبي اليمان عنه.
চতুর্দশ হাদিসআবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-উসমানি তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি এবং আবু আল-ফজল জাফর ইবনে ইসমাইল ইবনে খালাফ আল-আনসারি; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল- Abbas আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়ায়িশ আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ আল-জাওহারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ, আর হাদিসের শব্দাবলি তাঁরই; তিনি ইমাম মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন (হা)।এবং আবু আল-হাসান আলি ইবনে আহমাদ ইবনে আবি বকর আল-কাত্তানি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে আত-তাল্লা' আল-কুরাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-ওয়ালিদ ইউনুস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুগিস আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ঈসা ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি ঈসা আল-লাইসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতার চাচা আবু মারওয়ান উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসি আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ইমাম মালিক ইবনে আনাস থেকে আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (হা)।এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-ফজল আল-উমাওয়ি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হা)।এবং আবু আল-গানাইম সালিম ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আল-কুরাশি এবং আবু আল-হাসান জুবইয়ান ইবনে শাতকিন ইবনে আবি মানসুর আল-বাগদাদি তাঁদের উভয়ের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর ইবনে আবি সাঈদ আল-কুরাশি আল-মুকরি, যিনি ইবনুল ফাহহাম নামে পরিচিত, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে সাঈদ আল-আনসারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-মুয়াফিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আল-হাসান আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাসরুর আল-আবদির নিকট আমাদের জন্য পাঠ করা হয়েছে, তিনি আহমাদ ইবনে আবি সুলাইমান থেকে, তিনি সাহনুন ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি ইমাম মালিক থেকে, তিনি আবু আজ-জিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন-১৩ক-রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা পালাক্রমে আসা-যাওয়া করে। তারা ফজর ও আসরের সালাতে একত্রিত হয়। অতঃপর তোমাদের নিকট যারা অবস্থান করছিল তারা উপরে উঠে যায়। তখন তিনি (আল্লাহ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন—যদিও তিনি তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত—'তোমরা আমার বান্দাদের কী অবস্থায় রেখে এসেছ?' তারা বলে, 'আমরা তাদের সালাতরত অবস্থায় রেখে এসেছি এবং যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখনও তারা সালাতরত ছিল'।"ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম উভয়ই এই হাদিসের বিষয়ে একমত। ইমাম বুখারি এটি আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আত-তিননিসি, ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস আল-মাদিনি এবং কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা চারজনই ইমাম মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি শুয়াইব ইবনে আবি হামজাহ’র হাদিস থেকেও আবু আজ-জিনাদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আবুল ইয়ামান থেকে তাঁর (শুয়াইব) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
الحديث الخامس عشرأخبرنا أبو سعيد محمد بن أبي السعادات المروذي، أنا أبو الخير محمد بن أحمد بن عمر الأصبهاني، أنا عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق بن منده الحافظ أنا أبي أنا محمد بن الحسن بن الحسين بن الخليل، ثنا أحمد بن يوسف السلمي ثنا عبد الرزاق بن همام الحميري، عن معمر عن همام بن منبه، ثنا أبو هريرة ورضي الله عنه عن محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عن الله عز وجل قال أعددت لعبادي الصالحين مالا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر. (خ) عن معاذ بن أسد عن ابن المبارك عن معمر، وأخرجاه من حديث سفيان بن عيينة عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وفي آخره اقرءوا فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين وفي حديث علي بن المديني عن سفيان قال أبو هريرة: اقرءوا إن شئتم وذكر الآية.
পঞ্চদশ হাদিসআমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আবিল সাআদাত আল-মারুযি, আমাদেরকে জানিয়েছেন আবুল খায়ের মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আল-আসবাহানি, আমাদেরকে জানিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মানদাহ আল-হাফিয, আমাকে আমার পিতা জানিয়েছেন, আমাদেরকে জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন ইবনুল খলিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হাম্মাম আল-হিমইয়ারি, মা'মার হতে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ হতে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে, তিনি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি আমার সৎকর্মশীল বান্দাদের জন্য এমন কিছু প্রস্তুত করে রেখেছি যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের হৃদয়ে কখনো উদিত হয়নি।" (বুখারি)। মুআয ইবনে আসাদ হতে, ইবনুল মুবারক হতে, মা'মার হতে এটি বর্ণিত। ইমাম বুখারি ও মুসলিম উভয়েই এটি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ-এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আ'রাজ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে, তিনি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে বর্ণনা করেছেন। আর এর শেষে রয়েছে: "তোমরা পাঠ করো—'অতঃপর কেউ জানে না তাদের জন্য নয়নপ্রীতিরূপে কী লুকিয়ে রাখা হয়েছে'।" আর আলী ইবনুল মাদিনির সুফিয়ান হতে বর্ণিত হাদিসে রয়েছে যে, আবু হুরায়রা বলেছেন: "তোমরা চাইলে পাঠ করো," এরপর তিনি আয়াতটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
-ق13ب-الحديث السادس عشرأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن سلفة الأصبهاني بقرائتي عليه وقريء عليه وأنا أسمع أيضا، أنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن محمود الأصبهاني بها، أنا أبو زكريا يحيى بن إبراهيم بن محمد النيسابوري بها، أنا أبو الفضل الحسن بن يعقوب بن يوسف البخاري ثنا إبراهيم بن عبد الله العبسي، أنا وكيع عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي سعيد رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يَقُولُ اللَّهُ عز وجل يَا آدَمُ قُمْ فَابْعَثْ بَعْثَ النَّارِ قال فَيَقُولُ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ وَمَا بَعْثُ النَّارِ قَالَ مِنْ كُلِّ أَلْفٍ تِسْعُمِائَةٍ وَتِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ قَالَ فَحِينَئِذٍ يَشِيبُ الْمَوْلُودُ {وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللهِ شَدِيدٌ} قَالَ فَيَقُولُونَ وأَيُّنَا ذَلِكَ الْوَاحِدُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تِسْعَمِائَةٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ مِنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَمِنْكُمْ وَاحِدٌ، فَقَالَ النَّاسُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم والله إني لأرجو أَنْ تَكُونُوا رُبُعَ أَهْلِ الْجَنَّةِ، وَاللهِ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ تَكُونُوا ثُلُثَ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَاللهِ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ تَكُونُوا نِصْفَ أَهْلِ الْجَنَّةِ قَالَ فَكَبَّرَ النَّاسُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ فِي النَّاسِ إِلَاّ كَالشَّعْرَةِ الْبَيْضَاءِ فِي الثَّوْرِ الأَسْوَدِ أَوْ كَالشَّعْرَةِ السَّوْدَاءِ فِي الثَّوْرِ الأَبْيَضِ.متفق عليه (خ) عن أسحاق بن نصر عن أبي أسمة وعمر بن حفص بن غياث عن أبيه وعن يوسف بن موسى عن جرير-ق14أ-(م) عن عثمان بن أبي شيبة عن جرير وعن أبي بكر عن وكيع عن أبي كريت عن أبي معاوية عن الأعمش.
-পৃষ্ঠা ১৩খ-ষোড়শ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সিলাফাহ আল-আসবাহানি আমার পাঠের মাধ্যমে এবং তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমিও শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন মাহমুদ আল-আসবাহানি সেখানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ আন-নাইসাবুরি সেখানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল আল-হাসান বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-বুখারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-আবিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলবেন, হে আদম! দাঁড়ান এবং জাহান্নামের দলকে বের করুন। তিনি (আদম) বলবেন, আমি আপনার দরবারে হাজির ও ধন্য এবং সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে, আর জাহান্নামের দল কী? তিনি (আল্লাহ) বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শত নিরানব্বই জন। তিনি (রাসূল) বললেন, সেই সময় নবজাতক বৃদ্ধ হয়ে যাবে {এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং আপনি মানুষকে মাতাল সদৃশ দেখবেন, অথচ তারা মাতাল নয়, বরং আল্লাহর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর}। তিনি বললেন, তখন তারা (সাহাবীগণ) বললেন, আমাদের মধ্যে সেই একজন কে? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: ইয়াজুজ ও মাজুজ থেকে নয়শত নিরানব্বই জন এবং তোমাদের মধ্য থেকে একজন। তখন মানুষ ‘আল্লাহু আকবার’ বলল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আশা করি তোমরা জান্নাতবাসীদের এক-চতুর্থাংশ হবে। আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আশা করি তোমরা জান্নাতবাসীদের এক-তৃতীয়াংশ হবে। আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আশা করি তোমরা জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন মানুষ তাকবির ধ্বনি দিল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: সেদিন মানুষের মধ্যে তোমরা কেবল কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো অথবা সাদা ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো পশমের মতো হবে।মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি): ইসহাক বিন নাসর থেকে, তিনি আবু উসামাহ থেকে এবং উমর বিন হাফস বিন গিয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং ইউসুফ বিন মুসা থেকে, তিনি জারির থেকে।-পৃষ্ঠা ১৪ক-(মুসলিম): উসমান বিন আবি শাইবাহ থেকে, তিনি জারির থেকে এবং আবু বকর থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, তিনি আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الحديث السابع عشرأخبرنا أبو محمد عبد الله بن أبي الفضل الأموي قراءة عليه، أنا أبو الفضل جعفر بن أبي طاهر النحوي، وأبو عبد الله محمد بن منصور الصقلي قالا أنا أبو العباس أحمد بن سعيد الطرابلسي، أنا عبد الرحمن بن عبد الله الغافقي، أنا أحمد بن محمد المكي ثنا علي بن عبد العزيز، ثنا العقبي عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدي لقائي أحببت لقاءه، وإذا كره عبدي لقائي كرهت لقاءه، سند (خ) عن إسماعيل بن أبي أويس عن مالك وانفرد به من هذا الوجه. (م) من حديث شريح بن هانيء عن أبي هريرة بغير هذا اللفظ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه، ومن كره لقاء الله، كره الله لقاءه وليس من شرط الكتاب.
সপ্তদশ হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আবিল ফজল আল-উমাভী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফজল জাফর বিন আবি তাহির আন-নাহবী এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মানসুর আস-সিকিলী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আহমাদ বিন সাঈদ আত-তরাবুলসী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-গাফিকী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-মাক্কী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-উকবী, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেন: যখন আমার বান্দা আমার সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করে, আমিও তার সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করি; আর যখন আমার বান্দা আমার সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করে, আমিও তার সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করি। সনদ: ইমাম বুখারী এটি ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এই সূত্রে তিনি একক। ইমাম মুসলিম এটি শুরাইহ বিন হানির সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করে, আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করে, আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করেন। আর এটি এই কিতাবের শর্তানুযায়ী নয়।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الحديث الثامن عشرأخبرنا أبو الطاهر أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ بقراءتي عليه، أنا أبو الحسن مكي بن منصور بن محمد بن علان الكرخي بأصبهان، أنا أبو بكر أحمد بن الحسن ين أحمد الحيري النيسابوري، ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب الأصم ثنا زكريا بن يحيى المروذي ثنا سفيان بن عيينة عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يعني عن اللَّهُ عز وجل قال ابْنَ آدَمَ أَنْفِقْ أُنْفِقْ عَلَيْكَ قَالَ يَمِينُ اللهِ-ق14ب-مَلأَى سَحَّاءُ لَا يَغِيضُهَا شَيْءٌ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ.متفق عليه بسند (م) عن زهير بن نمير عن سفيان، (خ) عن إسماعيل عن مالك عنه ولفظه قال قال الله عز وجل انفق أنفق عليك ولم يرد على هذا.أخبرنا أبو القاسم هبة الله بن علي الأنصاري، أنا أبو صادق مرشد بن يحيى المديني، أنا أبو الحسن محمد بن علي بن صخر الأزدي في كتابه، ثنا أبو زيد عمرو بن أحمد، ثنا أبو أيوب سليمان بن صلاية الملطي ثنا أحمد بن محمد ثنا ثوبان ثنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله عز وجل ابن آدم انفق أنفق عليك. وأخرجه (خ) من حديث شعيب بن أبي حمزة عن أبي الزناد فرواه عن أبي اليمان عنه وزاد في أوله نحن الآخرون السابقون يوم القيامة وفيه ويد الله ملأى لا يغيضها نفقة سحاء الليل والنهار، وقال أرأيتم ما أنفق منذ خلق السماء والأرض فإنه لم يغيض ما في يده، وكان عرشه على الماء وبيده الميزان يخفض ويرفع. وأخرجاه جميعا من حديث همام بن منبه مختصرا، أخبرنا محمد بن عبد الرحمن الخراساني، أنا محمد بن أحمد الأصبهاني، أنا عبد الوهاب بن محمد العبدي، أنا أبي، أنا محمد بن الحسن الخليلي ثنا أحمد بن يوسف السلمي ثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تعالى قال انفق أنفق-ق15أ-عليك.
আঠারোতম হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিয, তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মাক্কী ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল্লান আল-কারখী আসবাহানে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হাইরী আন-নাইসাবুরী। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, আবু আয-যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছান, অর্থাৎ তিনি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "হে আদম সন্তান! তুমি ব্যয় করো, আমি তোমার ওপর ব্যয় করব।" তিনি বলেন, আল্লাহর ডান হাত-পৃষ্ঠা ১৪খ-পরিপূর্ণ, অবিরাম দানশীল; দিন ও রাতের কোনো কিছুই একে হ্রাস করতে পারে না।এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত), মুসলিমের সনদে যুহাইর ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে। বুখারী বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি তাঁর (আবু আয-যিনাদ) থেকে। এর শব্দ হলো: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন, "ব্যয় করো, আমি তোমার ওপর ব্যয় করব", এবং এর বেশি বর্ণিত হয়নি।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী আল-আনসারী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাদিনী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সাখর আল-আযদী তাঁর কিতাবে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু যাইদ আমর ইবনে আহমদ। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আইয়ুব সুলাইমান ইবনে সালায়া আল-মালাতি। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাওবান। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক, আবু আয-যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন, "হে আদম সন্তান! তুমি ব্যয় করো, আমি তোমার ওপর ব্যয় করব।" ইমাম বুখারী এটি শুআইব ইবনে আবু হামযার হাদীস থেকেও আবু আয-যিনাদ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবু আল-য়ামান থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর শুরুতে যুক্ত করেছেন: "আমরা শেষে আসলেও কিয়ামতের দিন অগ্রগামী হব।" এবং তাতে আরও রয়েছে: "আর আল্লাহর হাত পরিপূর্ণ, দিন ও রাতের অবিরাম দান একে হ্রাস করতে পারে না।" এবং তিনি বলেছেন: "তোমরা কি দেখেছ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে তিনি যা ব্যয় করেছেন? নিশ্চয় তা তাঁর হাতে যা আছে তাকে হ্রাস করতে পারেনি।" আর তাঁর আরশ ছিল পানির উপরে এবং তাঁর হাতে রয়েছে তুলাদণ্ড, তিনি তা অবনমিত করেন এবং উন্নীত করেন। ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়েই এটি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ-এর হাদীস থেকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-খুরাসানী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আসবাহানী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ আল-আবদী। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-খালীলী। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামী। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক, মা'মার থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "ব্যয় করো, আমি তোমার ওপর-পৃষ্ঠা ১৫ক-ব্যয় করব।"
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحديث التاسع عشرأخبرنا أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن بن يحيى العثماني قراءة عليه، أنا أبو عبد الله محمد بن منصور بن محمد الحضرمي، وأبو الفضل جعفر بن إسماعيل بن خالد الأنصاري قالا، أنا أبو العباس أحمد بن سعيد بن يعيش المقريء، أبا أبو القاسم عبد الرحمن بن عبد الله بن محمد الجوهري، أنا أحمد بن محمد المكي ثنا علي بن عبد العزيز البغوي، ثنا القعنبي عن مالك ح.وأخبرنا أبو سعيد محمد بن عبد الرحمن بن مسعود المروزودي بقراءتي عليه واللفظ له، أنا أبو الفرح مسعود بن الحسن بن القاسم الأصبهاني بها، أنا الشريف أبو الحسين محمد بن علي بن عبيد الله بن عبد الصمد بن المهتدي بالله الهاشمي في نهاية سنة (غير واضح) ثنا أبو القاسم إدريس بن علي بن إسحاق بن يعقوب المؤدب ثنا إبراهيم بن عبد الصمد الهاشمي ثنا أبو مصعب أحمد بن أبي بكر الزهري، عن مالك بن أنس عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال إذا أحب الله العبد قال لجبريل إني قد أحببت فلانا فيحبه، فيحبه أهل السماء ثم يوضع له القبول في الأرض، وإذا أبغض العبد قال مالك لا أحسبه إلا قال لي البغض مثل ذلك. (م) عن هارون الأيلي عن ابن وهب عن مالك.
উনবিংশ হাদিসআবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-উসমানী আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি এবং আবুল ফজল জাফর ইবনে ইসমাইল ইবনে খালিদ আল-আনসারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়াঈশ আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আলী ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আল-কা’নবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালেক থেকে (হ)।এবং আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মাসউদ আল-মারওয়াজুদি আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন এবং শব্দাবলি তার। তিনি বলেন, আবুল ফারাজ মাসউদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-কাসিম আল-আসবাহানি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আশ-শরিফ আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুস সামাদ ইবনে আল-মুহতাদি বিল্লাহ আল-হাশেমি (অস্পষ্ট) সালের শেষে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল কাসিম ইদ্রিস ইবনে আলী ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াকুব আল-মুয়াদ্দিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইবরাহিম ইবনে আবদুস সামাদ আল-হাশেমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবু মুসআব আহমদ ইবনে আবি বকর আজ-জুহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালেক ইবনে আনাস থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালেহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন আল্লাহ কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন তিনি জিবরাইলকে বলেন: 'আমি অমুককে ভালোবাসি, সুতরাং তুমিও তাকে ভালোবাসো।' তখন জিবরাইল তাকে ভালোবাসেন। অতঃপর আকাশের অধিবাসীরাও তাকে ভালোবাসে। এরপর জমিনে তার জন্য গ্রহণযোগ্যতা স্থাপন করা হয়। আর যখন তিনি কোনো বান্দাকে ঘৃণা করেন—মালেক বলেন: আমি মনে করি না যে তিনি ঘৃণা সম্পর্কেও অনুরূপ ছাড়া অন্য কিছু বলেছেন।" (মুসলিম) হারুন আল-আইলি থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি মালেক থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
الحديث العشرونأخبرنا أبو الحسن عبد الرحمن بن أحمد بن أبي-ق15ب-تمام البغدادي بمكة، أنا أبو الفضل أحمد بن طاهر بن سعيد الميهني ببغداد ح.وأنا أبو الغنائم المطهر بن خلف بن عبد الكريم النيسابوري بالإسكندرية، أنا أبو بكر وجيه بن طاهر الشحامي، وأبو البركات عبد الله بن محمد بن الفضل الفراوي وآخرون قراءة عليهم، قالوا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف الشيرازي، أنا أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن حمدويه النيسابوري الحافظ، ثنا إسحاق بن إبراهيم بن محمد بن حاتم الزاهد، أنا الفضل بن أحمد الشعباني، ثنا إسماعيل بن أبي إدريس، ثنا مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يدخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار ثم يقول الله عز وجل أخرجوا من النار من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان فيخرجون منها قد أسودوا فيلقون في نهر الحياة أو الحياء شك مالك فينبتون كما تنبت الحبة ألم ترانها تخرج صفرا ملتوية.متفق عليه بسند (خ) عن إسماعيل بن أبي إدريس، (م) عن هارون بن سعيد عن عبد الله بن وهب كلاهما عن مالك به.
২০তম হাদীসমক্কায় আবুল হাসান আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন আবি তাম্মাম আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাগদাদে আবুল ফজল আহমাদ বিন তাহির বিন সাঈদ আল-মিহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ)।-১৫খ-এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় আবুল গানাইম আল-মুতাহহার বিন খালাফ বিন আব্দুল কারীম আন-নিশাপুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ওয়াজিহ বিন তাহির আশ-শাহামী এবং আবুল বারাকাত আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফজল আল-ফারাবী ও অন্যান্যরা আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা বলেন যে, আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন খালাফ আশ-শিরাজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামদুবাইহ আন-নিশাপুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন হাতিম আয-যাহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফজল বিন আহমাদ আশ-শা'বানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাঈল বিন আবি ইদরীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমর বিন ইয়াহইয়া আল-মাযিনী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলবেন, যার অন্তরে একটি সরিষা দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে আনো। ফলে তাদের সেখান থেকে বের করা হবে এমতাবস্থায় যে তারা (পুড়ে) কালো হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের 'হায়াত' (জীবন) বা 'হায়া' নামক নদে নিক্ষেপ করা হবে—বর্ণনাকারী মালিকের এ বিষয়ে সন্দেহ হয়েছে—তখন তারা সেখানে এমনভাবে অঙ্কুরিত হবে যেমনভাবে বীজ অঙ্কুরিত হয়। তুমি কি দেখনি যে, তা হলুদ ও কুঞ্চিত হয়ে বের হয়?ইমাম বুখারীর সনদে ইসমাঈল বিন আবি ইদরীস থেকে এবং ইমাম মুসলিমের সনদে হারুন বিন সাঈদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব থেকে—তাঁরা উভয়েই ইমাম মালিক থেকে বর্ণিত এই হাদীসের ওপর একমত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
الحديث الحادي والعشرونأخبرنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن عبد الرحمن الأصبهاني بقراءتي عليه بمكة، أنا أبو جعفر-ق16أ-أحمد بن محمد بن عبد العزيز الهاشمي في كتابه، أنا أبو علي بن الحسن بن عبد الرحمن بن الحسن المكي بها في المسجد الحرام ثنا أبو الحسن أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن فراس العبقني بمكة، أنا أبو الفضل العباس بن محمد بن الحسن بن قتيبة ثنا عبيد بن آدم بن أبي إياس، ثنا أبي ثنا حماد بن سلمة ح. وأنا أبو عبد الله محمد بن عبد الرحمن بن مسعود الخراساني بقراءتي عليه، أنا أبو المحاسن مسعود بن محمد بن غانم الهروي قراءة عليه، أنا أبو القاسم عبد الكريم بن هوازن القشيري في كتابه قال أبو عبد الله الخراساني، وأنا أبو المظفر عبد المنعم بن عبد الكريم القشيري في كتابه، أنا أبي، أنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن الإسفراييني، ثنا أبو عوانة يعقوب بن إسحاق، أنبا الصومعي، ثنا حجاج بن منهال وعمرو بن عاصم قالا ثنا حماد بن سلمة عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيمَا يَحْكِي عَنْ رَبِّهِ عز وجل قَالَ أَذْنَبَ عَبْدي ذَنْبًا فَقَالَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي فَقَالَ تبارك وتعالى أَذْنَبَ عَبْدِي ذَنْبًا عَلِمَ أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِالذَّنْبِ ثُمَّ عَادَ فَأَذْنَبَ ذنبا فَقَالَ اللهم اغْفِرْ لِي فَقَالَ تبارك وتعالى أَذْنَبَ عَبْدِي ذَنْبًا عَلِمَ أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِالذَّنْبِ، اعْمَلْ مَا شِئْتَ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكَ. هذا اللفظ حديث حجاج بن-ق16ب-منهال وعمرو بن عاصم، وأما لفظ حديث آدم بن أبي إياس فإنه قال قبله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يحكي عن ربه عز وجل قال أذنب عبدٌ ذنبا فقال أي رب اغفر ذنبي فقال الله تعالى أذنب عبدي ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنوب، ويأخذ بالذنب، ثم أذنب فقال مثل ذلك ثم أذنب فقال مثل ذلك فقال الله اعمل ما شئت فقد غفرت لك.متفق عليه (خ) عن أحمد بن إسحاق عن عمرو بن عاصم عن همام وعن محمد غير منسوب عن عبد الله بن رجاء عن همام، (م) عن عبد بن حميد عن أبي الوليد عن همام عن إسحاق به، وعن عبد الأعلى بن حماد عن حماد بن سلمة عن إسحاق.وأخبرنا أبو القاسم بن هبة الله الدمشقي الحافظ في كتابه وأنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عبد الله الأنصاري، أنا أبو نصر محمد بن محمود بن علي الشخاصي السرخسي بها بقراءتي عليه، أنا أبو نصر محمد بن عبد الرحمن القرشي السرخسي، أنا أبو علي زاهر بن أحمد السرخسي الفقيه ثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، ثنا عبد الأعلى بن حماد القرشي فذكر نحوه، وقال فيه قال عبد الأعلى لا أدري في الثالثة أو الرابعة فقال اعمل ما شئت فقد غفرت لك.
একুশতম হাদিসআবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-আসবাহানি মক্কায় আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু জাফর-পৃষ্ঠা ১৬ক-আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-হাসিমি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আলি ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল হাসান আল-মাক্কি সেখানে মসজিদে হারামে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল হাসান আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমদ ইবনে ফিরাত আল-আবকানি মক্কায় আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আবুল ফজল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতায়বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; উবাইদ ইবনে আদম ইবনে আবি ইয়াস আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আমার পিতা আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন। (হ)। এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মাসউদ আল-খুরাসানি আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল মাহাসিন মাসউদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গানিম আল-হারায়উয়ি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল কাসিম আব্দুল কারিম ইবনে হাওয়াজিন আল-কুশায়রি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আব্দুল্লাহ আল-খুরাসানি বলেন: এবং আবুল মুজাফফর আব্দুল মুনয়িম ইবনে আব্দুল কারিম আল-কুশায়রি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু নুআইম আব্দুল মালিক ইবনুল হাসান আল-ইসফারায়িনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আস-সাওমায়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হাজ্জাজ ইবনে মিনহাল ও আমর ইবনে আসিম আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি আমরাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে, তিনি তাঁর মহান প্রতিপালক সম্পর্কে বর্ণনা করে বলেন যে, আল্লাহ বলেছেন: আমার এক বান্দা একটি গুনাহ করল এবং বলল, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন। তখন বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা একটি গুনাহ করেছে এবং সে জেনেছে যে তার একজন প্রতিপালক আছেন যিনি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং গুনাহের কারণে পাকড়াও করেন। অতঃপর সে পুনরায় গুনাহ করল এবং বলল, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন। তখন বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা একটি গুনাহ করেছে এবং সে জেনেছে যে তার একজন প্রতিপালক আছেন যিনি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং গুনাহের কারণে পাকড়াও করেন। তুমি যা ইচ্ছা করো, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। এই শব্দগুলো হাজ্জাজ ইবনে-পৃষ্ঠা ১৬খ-মিনহাল ও আমর ইবনে আসিমের হাদিসের। আর আদম ইবনে আবি ইয়াসের হাদিসের শব্দগুলো হলো—এর আগে তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মহান প্রতিপালক সম্পর্কে বর্ণনা করে বলেন যে, আল্লাহ বলেছেন: এক বান্দা গুনাহ করল এবং বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন। তখন আল্লাহ তাআলা বললেন: আমার বান্দা গুনাহ করেছে এবং জেনেছে যে তার একজন প্রতিপালক আছেন যিনি গুনাহসমূহ ক্ষমা করেন এবং গুনাহের কারণে পাকড়াও করেন। অতঃপর সে আবার গুনাহ করল এবং অনুরূপ বলল, অতঃপর আবার গুনাহ করল এবং অনুরূপ বলল। তখন আল্লাহ বললেন: তুমি যা ইচ্ছা করো, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম।এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি। বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আমর ইবনে আসিম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে; এবং মুহাম্মদ (বংশপরিচয় উল্লেখহীন) থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে রাজা থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে। মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আব্দ ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি আবুল ওয়ালিদ থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি ইসহাক থেকে এই সূত্রে; এবং আব্দুল আলা ইবনে হাম্মাদ থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি ইসহাক থেকে।এবং হাফেজ আবুল কাসিম ইবনে হিবাতুল্লাহ আদ-দিমাশকি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি; আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আলি আশ-শাখাসি আস-সারখাসি সেখানে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কুরাশি আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ফকিহ আবু আলি জাহির ইবনে আহমদ আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আব্দুল আলা ইবনে হাম্মাদ আল-কুরাশি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং অনুরূপ হাদিস উল্লেখ করেছেন। তিনি তাতে বলেছেন: আব্দুল আলা বলেছেন, আমি জানি না এটি তৃতীয়বার নাকি চতুর্থবার, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন: তুমি যা ইচ্ছা করো, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الحديث الثاني والعشرونأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن سلفة الأصبهاني بقراءتي عليه، أنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد بن محمود-ق17أ-الثقفي بأصبهان، أنا أبو زكريا يحيى بن إبراهيم بن محمد بن يحيى النيسابوري بها، أنا أبو عبد الله محمد بن يعقوب بن يوسف ثنا على بن الحسن بن أبي عيسى الهلالي، ثنا حجاج بن منهال الأنماطي، ثنا حماد بن سلمة، ثنا ثابت عن أنس، عن ابن مسعود عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال آخر من يدخل الجنة رجل يمشي على الصراط فهو يمشي مرة ويكبو مرة، وتسفعه النار مرة، فإذا جاوزها التفت إليها فقال تبارك وتعالى الذي أنجاني منك لقد أعطاني شيئا ما أعطاه أحدا من الأولين والآخرين فيرفع له شجرة فيقول أي رب أدنني من هذه الشجرة فلأستظل بها وأشرب من مائها، فيقول الله عز وجل ابن آدم لعلي أن أعطيتكها تسألني غيرها فيقول لا أي رب فيعاهده أن لا يسأل غيرها فيدنيه منها وربه يعلم أنه يفعل لأنه يرى ما لا صبر له عليه فيستظل بظلها ويشرب من مائها ثم يرفع له شجرة أخرى أحسن من الأولى فيقول أي رب أدنني منها فلأستظل بظلها، وأشرب من مائها ولا أسألك - وربه يعلم أنه سيفعل وهو يعذره لأنه يرى ما لا صبر له عليه - فيقول الله تعالى يا ابن آدم ألم تعاهدني إنك لا تسألني غيرها فيقول بلى يا رب ولكن هذه لا أسألك غيرها فيقول الله تعالى لعلي أن أدنيك فتسألني-ق17ب-فيعاهده بأن لا يفعل فيدنيه منها فيستظل بظلها ويشرب من مائها ثم يرفع له شجرة عند باب الجنة هي أحسن من الأوليين فيقول أي رب أدنني من هذه الشجرة فلأستظل بظلها ولأشرب من مائها فيقول الله تعالى يا ابن آدم ألم تعاهدني أن لا تسألني غيرها فيعاهده أن لا يفعل وربه يعلم أنه سيفعل وربه يعذره لأنه يرى ما لا صبر له عليه فيدنيه منها فَيَسْمَعُ أَصْوَاتَ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَقُولُ أي رَبِّ أدخلنيها فَيَقُولُ يا ابن آدم مَا يصيرني مِنْكَ أَترْضى أَنْ أُعْطِيَكَ الدُّنْيَا وَمِثْلَهَا مَعَهَا قَالَ فَيَقُولُ أي رب أتستهزئ بِي وَأَنْتَ رَبُّ العالمين فَضَحِكَ ابن مسعود ثُمَّ قَالَ أَلَا تَسْأَلُونِي مم ضَحِكْتُ قَالُوا وبم ضَحِكْتَ قَالَ هكذا فعل رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وضحك فقال أَلَا تَسْأَلُونِي مم ضَحِكْتُ فقَالُوا مم ضَحِكْتَ يَا رَسُولَ اللهِ فقَالَ من ضَحِكِ رَبِّ العالمين حِينَ قَالَ أتستهزئ بِي وَأَنْتَ رَبُّ الْعالمين، فيقول لا أستهزئ بك ولكني على ما أشاء قادر.(م) عن أبي بكر بن أبي شيبة عن عفان عن حماد.
বাইশতম হাদিসআবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সিলাফাহ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁর সামনে এটি পাঠ করেছি। আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফাদল ইবনে আহমদ ইবনে মাহমুদ-পত্র ১৭ক-আস-সাকাফি আসবাহানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আলী ইবনুল হাসান ইবনে আবি ঈসা আল-হিলালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। হাজ্জাজ ইবনে মিনহাল আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সাবিত আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জান্নাতে প্রবেশকারী শেষ ব্যক্তি হবে এমন একজন লোক যে সিরাতের ওপর দিয়ে হেঁটে যাবে; সে কখনো হাঁটবে, কখনো হোঁচট খেয়ে উপুড় হয়ে পড়বে, আর কখনো জাহান্নামের আগুন তাকে ঝলসে দেবে। যখন সে এটি পার হয়ে যাবে, তখন সেটির দিকে ফিরে তাকিয়ে বলবে, বরকতময় ও সুউচ্চ সেই সত্তা যিনি আমাকে তোমার থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি আমাকে এমন কিছু দান করেছেন যা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কারোর মধ্যে কাউকে দান করেননি। অতঃপর তার সামনে একটি গাছ তোলা হবে। তখন সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এই গাছের কাছে নিয়ে যান যাতে আমি এর ছায়ায় আশ্রয় নিতে পারি এবং এর পানি পান করতে পারি। মহান আল্লাহ বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি যদি তোমাকে এটি দান করি, তবে সম্ভবত তুমি আমার কাছে অন্য কিছু প্রার্থনা করবে। সে বলবে, না হে আমার প্রতিপালক! এবং সে তাঁর সাথে অঙ্গীকার করবে যে সে আর অন্য কিছু চাইবে না। অথচ তার প্রতিপালক জানেন যে সে আবার প্রার্থনা করবে, কারণ তিনি এমন কিছু দেখছেন যার ওপর লোকটির ধৈর্য ধরার শক্তি নেই। অতঃপর তিনি তাকে তার কাছে নিয়ে যাবেন। সে এর ছায়ায় আশ্রয় নেবে এবং এর পানি পান করবে। অতঃপর তার সামনে প্রথমটির চেয়েও সুন্দর অন্য একটি গাছ তোলা হবে। তখন সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এর কাছে নিয়ে যান যাতে আমি এর ছায়ায় আশ্রয় নিতে পারি এবং এর পানি পান করতে পারি, আমি আপনার কাছে আর অন্য কিছু চাইব না। তার প্রতিপালক জানেন যে সে আবারও চাইবে, তবুও তিনি তাকে ক্ষমা করবেন কারণ তিনি এমন কিছু দেখছেন যার ওপর লোকটির ধৈর্য ধারণের শক্তি নেই। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদম সন্তান! তুমি কি আমার সাথে অঙ্গীকার করোনি যে তুমি আমার কাছে অন্য কিছু চাইবে না? সে বলবে, হ্যাঁ হে আমার প্রতিপালক! কিন্তু শুধু এটিই, এরপর আমি আর অন্য কিছু চাইব না। আল্লাহ তাআলা বলবেন, সম্ভবত আমি যদি তোমাকে এর কাছে নিয়ে যাই তবে তুমি আবারও প্রার্থনা করবে।-পত্র ১৭খ-সে তাঁর সাথে অঙ্গীকার করবে যে সে আর করবে না। অতঃপর তিনি তাকে তার কাছে নিয়ে যাবেন, সে এর ছায়ায় আশ্রয় নেবে এবং এর পানি পান করবে। এরপর জান্নাতের দরজার কাছে তার সামনে একটি গাছ তোলা হবে যা আগের দুটির চেয়েও সুন্দর। সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এই গাছটির কাছে নিয়ে যান যাতে আমি এর ছায়ায় আশ্রয় নিতে পারি এবং এর পানি পান করতে পারি। আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদম সন্তান! তুমি কি আমার সাথে অঙ্গীকার করোনি যে তুমি আমার কাছে অন্য কিছু চাইবে না? সে অঙ্গীকার করবে যে সে আর করবে না, আর তার প্রতিপালক জানেন যে সে তা করবে এবং তিনি তাকে ক্ষমা করবেন কারণ তিনি এমন কিছু দেখছেন যার ওপর তার ধৈর্য ধরার ক্ষমতা নেই। তিনি তাকে তার কাছে নিয়ে যাবেন, তখন সে জান্নাতবাসীদের আওয়াজ শুনতে পাবে। সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এতে প্রবেশ করান। তিনি বলবেন, হে আদম সন্তান! কোন বিষয়টি তোমার চাওয়া বন্ধ করবে? তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমি তোমাকে গোটা পৃথিবী এবং তার সমান আরও একটি পৃথিবী দান করি? সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আপনি কি আমার সাথে উপহাস করছেন? অথচ আপনি তো বিশ্বজগতের প্রতিপালক! তখন ইবনে মাসউদ হেসে দিলেন, তারপর বললেন, তোমরা কি আমাকে জিজ্ঞেস করবে না কেন আমি হাসলাম? তারা বলল, আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এভাবেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছিলেন এবং হেসেছিলেন। অতঃপর তিনি বলেছিলেন, তোমরা কি আমাকে জিজ্ঞেস করবে না কেন আমি হাসলাম? তারা বলেছিল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বলেছিলেন, বিশ্বজগতের প্রতিপালকের হাসি দেখে (আমি হাসলাম), যখন ওই ব্যক্তি বলেছিল—আপনি কি আমার সাথে উপহাস করছেন অথচ আপনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক? তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তোমার সাথে উপহাস করছি না, বরং আমি যা চাই তা করতে সক্ষম।(মুসলিম) আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি আফফান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الحديث الثالث والعشرونأخبرنا أبو الحسن علي بن هبة الله بن عبد الصمد الصوري، وأبو عبد الله محمد بن علي بن محمد الرحبي، وأبو القاسم هبة الله بن علي بن غالب الأزدي وغيرهم، قالوا أنا أبو صادق مرشد بن يحيى بن القاسم المديني ح. وأخبرنا أبو محمد عبد الله بن-ق18أ-وأبو الطاهر إسماعيل ابنا عبد الرحمن بن يحيى العثمانيان، وأبو محمد عبد الله بن عطاف بن ثعبان الغساني، وغير واحد قالوا أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي قال ثنا أبو الحسن على بن عمر بن محمد الحراني الصواف، ثنا أبو القاسم حمزة بن محمد بن علي بن العباس الكتاني الحافظ، ثنا سعيد بن عثمان الحراني، ثنا مخلد بن مالك، ثنا حفص بن ميسرة عن صديق بن موسى، وإسماعيل بن رافع وأبي الفضل الكوفي عن أبي بردة بن أبي موسى الأشعري عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: إذا كان يوم القيامة أعطى الله تعالى الرجل من أمة محمد صلى الله عليه وسلم اليهودي والنصراني فيقول عز وجل افد بهذا نفسك.(م) عن أبي بكر بن أبي شيبة عن أبي أسامة حماد بن سلمة عن طلحة بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله عن أبي بردة بنحو اللفظ الذي رويناه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان يوم القيامة دفع الله إلى كل مسلم يهوديا أو نصرانيا فيقول هذا فكاكك من النار.وأخرجه مسلم أيضا عن أبي بكر بن أبي شيبة عن عفان عن همام وعن إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى عن عبد الصمد بن عبد الوارث عن همام عن قتادة، أن عونا وسعيد بن أبي بردة حدثاه أنهما سمعا أبا بردة فحدث عمر بن عبد العزيز عن أبيه بلفظ آخر ليس من شرط كتابنا وقد حدث به عمر بن عبد العزيز-ق18ب-ووقع إلينا من حديثه، أخبرناه أبو الغنائم المظفر بن خلف بن عبد الكريم النيسابوري بقراءتي عليه، أنا جدتي أم خلف سعيدة ابنة زاهر رحمه الله بن طاهر الشحامي قراءة عليه قالت أنا أبو محمد إسماعيل بن أحمد بن محمد بن الحيري، ثنا أبو محمد عبد الله بن يوسف بن أحمد بن بابويه الأصبهاني إملاء، أنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن حمزة الحافظ بهراه، أنا محمد بن إسحاق المسيبي ثنا عمر بن عبد العزيز قال قدم أبو بردة بن أبي موسى عليه وافدا فقال أبو بردة سمعت أبا موسى يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إِنَّ أُمَّتِي أُمَّةٌ مَرْحُومَةٌ جعل عذابها بأيديها فإذا كان يوم القيامة أعطى الله كل رجل من أمتي رجلا من أهل الأديان فكان فداه من النار. وأخبرنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن جرير البجلي بقراءتي عليه، أنا أبو محمد المواهب أحمد بن محمد بن عبد الملك البغدادي بها أنا أبو الحسن بن علي بن محمد الجوهري قراءة عليه، أنا أبو الحسين محمد بن محمد بن المظفر الحافظ، ثنا أبو بكر محمد بن محمد بن سليمان الباغندي، ثنا إبراهيم بن عبد الله بن حاتم، ثنا يحيى بن سليم، ثنا عبد الله بن خثيم يحدث عن بعض ولد طلحة بن عبد الله قال كتب عند عمر بن عبد العزيز فدخل عليه أبو بردة بن أبي موسى فحدثه بأحاديث عن أبيه-ق19أ-عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا عمر بن عبد العزيز بقرطاس ودواه وكتب أحاديثه وكان فيما حدث سمعت أبي يحدث سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أمتي لأمه المرحومة جعل عذابها في الدنيا فإذا كان يوم القيامة أتى بأهل الأديان فأعطى كل رجل رجلا فقيل هذا فداءك من النار.
২৩তম হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুস সামাদ আস-সুরী, এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আর-রাহবী, এবং আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন গালিব আল-আযদি ও অন্যান্যরা; তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদীনী (হা)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন-পৃ ১৮ক-এবং আবু তাহির ইসমাঈল—আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানীর দুই পুত্র—এবং আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আতাফ বিন সুবান আল-গাসসানী, এবং একাধিক ব্যক্তি; তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইব্রাহীম আর-রাযী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আল-হাররানী আস-সাওয়াফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম হামযাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-আব্বাস আল-কাত্তানী আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন উসমান আল-হাররানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ বিন মালিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন মাইসারা, তিনি সিদ্দীক বিন মুসা, এবং ইসমাঈল বিন রাফে, এবং আবুল ফাদল আল-কুফী থেকে, তিনি আবু বুরদাহ বিন আবু মুসা আল-আশআরী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: যখন কিয়ামতের দিন হবে, আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর উম্মতের কোনো ব্যক্তিকে একজন ইহুদী অথবা নাসরানী প্রদান করবেন এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন, "এর বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করে নাও।"(মুসলিম) আবু বকর বিন আবু শাইবাহ থেকে, তিনি আবু উসামাহ হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি তালহা বিন ইয়াহইয়া বিন তালহা বিন উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে আমরা যে শব্দে বর্ণনা করেছি তার অনুরূপ শব্দে; তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: যখন কিয়ামতের দিন হবে, আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমের হাতে একজন ইহুদী বা নাসরানীকে সমর্পণ করবেন এবং বলবেন, "এটিই জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তির বিনিময়।"মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু শাইবাহ থেকে, তিনি আফফান থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে; এবং ইসহাক বিন ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ বিন আল-মুসান্না থেকে, তাঁরা আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে যে, আউন ও সাঈদ বিন আবু বুরদাহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা উভয়ে আবু বুরদাহকে উমর বিন আব্দুল আযীযের নিকট তাঁর পিতার সূত্রে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করতে শুনেছেন, যা আমাদের কিতাবের শর্তানুযায়ী নয়; তবে উমর বিন আব্দুল আযীয এটি বর্ণনা করেছেন-পৃ ১৮খ-এবং তাঁর হাদীসটি আমাদের নিকট পৌঁছেছে, আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন আবুল গানাইম আল-মুজাফফর বিন খালাফ বিন আব্দুল কারীম আন-নাইসাবুরী—তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন, আমার দাদি উম্মু খালাফ সাঈদা বিনতে যাহির (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) বিন তাহির আশ-শাহামী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হীরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আহমাদ বিন বাবওয়াইহ আল-আসফাহানী ইমলা হিসেবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হামযাহ আল-হাফিয হিরাতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-মুসাইয়িবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন আব্দুল আযীয; তিনি বলেন, আবু বুরদাহ বিন আবু মুসা তাঁর নিকট প্রতিনিধি হিসেবে আসলেন। তখন আবু বুরদাহ বললেন, আমি আবু মুসাকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমার এই উম্মত রহমতপ্রাপ্ত উম্মত, আল্লাহ তাদের শাস্তি তাদের নিজেদের হাতেই নির্ধারণ করেছেন। যখন কিয়ামতের দিন হবে, আল্লাহ আমার উম্মতের প্রত্যেক ব্যক্তিকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি প্রদান করবেন, যে হবে জাহান্নামের আগুন থেকে তার মুক্তির বিনিময়। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন জারীর আল-বাজালী—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-মাওয়াহিব আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক আল-বাগদাদী সেখানে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-জাওহারী—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুজাফফর আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আল-বাগান্দী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন হাতিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন খুসাইম; তিনি তালহা বিন আব্দুল্লাহর জনৈক সন্তান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, উমর বিন আব্দুল আযীযের নিকট কিতাব লেখা হচ্ছিল, তখন আবু বুরদাহ বিন আবু মুসা তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁর পিতার সূত্রে কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন-পৃ ১৯ক-আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) থেকে। তখন উমর বিন আব্দুল আযীয কাগজ ও দোয়াত চাইলেন এবং হাদীসগুলো লিখে নিলেন। তিনি যা বর্ণনা করেছিলেন তার মধ্যে ছিল: আমি আমার পিতাকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)কে বলতে শুনেছি: আমার উম্মত হলো রহমতপ্রাপ্ত উম্মত, যাদের শাস্তি দুনিয়াতেই নির্ধারিত। যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে আসা হবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে একজন করে লোক দেওয়া হবে এবং বলা হবে—এটিই জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তির বিনিময়।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
الحديث الرابع والعشرونأخبرنا أبو الغنائم المظفر بن خلف بن عبد الكريم الشحامي بقراءتي عليه أنا أبو بكر وجيه بن طاهر بن محمد الشحامي، وابن أخيه أبو منصور عبد الخالق بن زاهر بن طاهر الشحامي، وأبو البركات عبد الله بن محمد بن الفضل الفراوي وآخرون بنيسابور ح.وأخبرنا أبو الحسن عد الرحمن بن أحمد بن أبي تمام البغدادي بمكة أنا أبو الفضل أحمد بن طاهر بن سعيد الميهني ببغداد قالوا، أنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف الشيرازي، أنا أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن نعيم الضبي، أخبرني أبو النضر محمد بن محمد بن يوسف الفقيه، ثنا عثمان بن سعيد الدارمي، ثنا مسلم بن إبراهيم، ثنا هشام الدستوائي، ثنا قتادة عن أنس بن مالك رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يُجمع الْمُؤْمِنُونَ يومئذ فيُهِمُّون بِذَلِكَ اليَوْمَ ويَقُولُونَ لَوِ اسْتَشْفَعْنَا إِلَى رَبِّنَا عز وجل حتى يخرجنا مِنْ مَكَانِنَا هذا فَيَأْتُونَ آدَمَ فَيَقُولُونَ يا آدم أَنْتَ أَبُو البشر-ق19ب-خَلَقَكَ اللَّهُ بِيَدِهِ وَأَسْجَدَ لَكَ مَلَائِكَتَهُ وَعَلَّمَكَ أَسْمَاءَ كُلِّ شَيْءٍ فَاشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّنَا يُرِيحُنَا مِنْ مَكَانِنَا هَذَا فَيَقُولُ لَهُمْ لَسْتُ هُنَاكُمْ وَيَذْكُرُ لهم خطيئته التي أَصَابَ وَلَكَنِ ائْتُوا نُوحًا أَوَّل رَسُولٍ بَعَثَهُ اللَّهُ إِلَى الأَرْضِ فَيَأْتُونَ نُوحًا فَيَقُولُ لَسْتُ هُنَاكُمْ وَيَذْكُرُ لَهُمْ خَطِيئَتَهُ التي أصاب وَلَكِنِ ائْتُوا إِبْرَاهِيمَ خَلِيلَ الرَّحْمَنِ فَيَأْتُونَ فَيَقُولُ لهم لَسْتُ هُنَاكُمْ ويذكر خطاياه التي أصاب وَلَكِنِ ائْتُوا مُوسَى عليه السلام عَبْدًا آتاه الله التوراة وكَلَّمَهُ تكليما فَيَأْتُونَ مُوسَى فَيَقُولُ لَسْتُ هُنَاكُمْ وَيَذْكُرُ لَهُمُ خطيئته الَّتِي أصاب وَلَكَنِ ائْتُوا عِيسَى عَبْدَ اللهِ وَرَسُولَهُ وَكَلِمَتَهُ وَرُوحَهُ فَيَأْتُونَ عِيسَى فَيَقُولُ لَسْتُ هُنَاكُمْ وَلَكَنِ ائْتُوا مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم عَبْدًا غَفَرَ اللَّهُ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَا تَأَخَّرَ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فَيَأْتُونِي فأنطلق بهم فأستأذن على ربي عز وجل فَيُؤْذَنَ لِي فَإِذَا رَأَيْتُ رَبِّي وَقَعْتُ له سَاجِدًا فَيَدَعُنِي مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَدَعَنِي ثُمَّ يُقَولُ يا محمد ارْفَعْ رأسك سل تُعْطَهْ وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ فَأَحْمَدُهُ بمحامد عَلِّمنِيهِا ثُمَّ أحد لهم حدا فَأُدْخِلُهُمُ الْجَنَّةَ ثُمَّ أرجع الثَّانِيَةَ فأستأذن على ربي عز وجل فيؤذن لي فإذا رأيت ربي وَقَعْتُ له سَاجِدًا فَيَدَعُنِي مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَدَعَنِي ثُمَّ يقَولُ يا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رأسك سَلْ تُعْطَهْ وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ فَأَحْمَدُ ربي بمحامد ثم أحد حَدًّا-ق20أ-ثانيا فَأُدْخِلُهُمُ الْجَنَّةَ ثُمَّ أَرجع الثَّالِثَةَ فَأستأذن على ربي فيؤذن لي فإذا رَأَيْتُ رَبِّي وَقَعْتُ له سَاجِدًا فَيَدَعُنِي مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَدَعَنِي ثُمَّ يقَولُ يا مُحَمَّد ارْفَعْ رأسك سَلْ تُعْطَهْ وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ فَأَحمد ربي بمحامد علمنيها ثم أحد حَدًّا ثالثا فَأُدْخِلُهُمُ الْجَنَّةَ حتى أرجع فَأَقُولُ يَا رَبِّ مَا بَقِيَ إِلَاّ مَنْ وجب عليه الخلود وحَبَسَهُ الْقُرْآنُ وهو المقام المحمود الذي وعده الله عز وجل، عسى أن يبعثك ربك مقاما محمودا.متفق عليه بسند (خ) عن مسلم بن إبراهيم، (م) عن أبي غسان المسمعي عن معاذ بن هشام عن أبيه.
চব্বিশতম হাদিসআবুল গানায়িম আল-মুযাফফর ইবন খালাফ ইবন আব্দুল কারিম আশ-শুহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন আবু বকর ওয়াজিহ ইবন তাহির ইবন মুহাম্মদ আশ-শুহামি, তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আবু মানসুর আব্দুল খালিক ইবন যাহির ইবন তাহির আশ-শুহামি, আবু বারাকাত আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন ফাদল আল-ফারাবি এবং নিশাপুরের আরও অনেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হাদিসটি এখানে অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে)।এবং আবু হাসান আব্দুর রহমান ইবন আহমাদ ইবন আবি তাম্মাম আল-বাগদাদি মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু ফাদল আহমাদ ইবন তাহির ইবন সাঈদ আল-মিহানি বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন আবু বকর আহমাদ ইবন আলী ইবন খালাফ আশ-শিরাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন নুআইম আদ-দাব্বি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু নাদর মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আল-ফকিহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবন সাঈদ আদ-দারিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম আদ-দাস্তাওয়াই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কিয়ামতের দিন মুমিনদের একত্র করা হবে, তখন তাঁরা এই দিনটি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন এবং বলবেন, "যদি আমরা আমাদের রবের নিকট সুপারিশ কামনা করতাম যেন তিনি আমাদের এই স্থান থেকে বের করে নিয়ে যান।" অতঃপর তাঁরা আদমের নিকট এসে বলবেন, "হে আদম! আপনি হলেন মানবজাতির পিতা,-পৃষ্ঠা ১৯ খ-আল্লাহ আপনাকে তাঁর হাত দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, এবং তিনি আপনাকে তাঁর ফেরেশতাদের দিয়ে সিজদাহ করিয়েছেন এবং আপনাকে সমস্ত জিনিসের নাম শিক্ষা দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের রবের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন যেন তিনি আমাদের এই স্থান থেকে মুক্তি দান করেন।" তিনি তাঁদের বলবেন, "আমি এই কাজের উপযুক্ত নই" এবং তিনি তাঁদের নিকট তাঁর কৃত সেই ভুলের কথা উল্লেখ করবেন যা তাঁর থেকে প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি বলবেন, "বরং তোমরা নূহের নিকট যাও, তিনি প্রথম রাসুল যাকে আল্লাহ পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন।" অতঃপর তাঁরা নূহের নিকট আসবেন, তিনিও বলবেন, "আমি এই কাজের উপযুক্ত নই" এবং তিনি তাঁদের নিকট তাঁর কৃত ভুলের কথা উল্লেখ করবেন। তিনি বলবেন, "বরং তোমরা ইব্রাহিমের নিকট যাও, যিনি রহমানের খলিল (বন্ধু)।" তাঁরা তাঁর নিকট আসবেন, তিনিও তাঁদের বলবেন, "আমি এই কাজের উপযুক্ত নই" এবং তিনি তাঁর কৃত ভুলগুলোর কথা উল্লেখ করবেন। তিনি বলবেন, "বরং তোমরা মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট যাও, তিনি এমন এক বান্দা যাকে আল্লাহ তাওরাত দান করেছিলেন এবং যাঁর সাথে তিনি সরাসরি কথা বলেছিলেন।" অতঃপর তাঁরা মূসার নিকট আসবেন, তিনিও বলবেন, "আমি এই কাজের উপযুক্ত নই" এবং তিনি তাঁর কৃত ভুলের কথা উল্লেখ করবেন। তিনি বলবেন, "বরং তোমরা ঈসার নিকট যাও, যিনি আল্লাহর বান্দা, তাঁর রাসুল, তাঁর কালিমা (বাণী) এবং তাঁর পক্ষ হতে প্রেরিত রূহ।" তাঁরা ঈসার নিকট আসবেন, তিনিও বলবেন, "আমি এই কাজের উপযুক্ত নই, বরং তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও, যাঁর পূর্বের ও পরের সমস্ত গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন।" রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "অতঃপর তাঁরা আমার নিকট আসবেন। তখন আমি যাব এবং আমার মহান রবের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করব। আমাকে অনুমতি দেওয়া হবে। অতঃপর যখন আমি আমার রবকে দেখব, তখন আমি তাঁর উদ্দেশে সিজদায় লুটিয়ে পড়ব। যতক্ষণ আল্লাহ চাইবেন ততক্ষণ তিনি আমাকে সেই অবস্থায় থাকতে দেবেন। অতঃপর বলা হবে: হে মুহাম্মাদ! আপনার মাথা উঠান, প্রার্থনা করুন, আপনাকে দান করা হবে; সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ কবুল করা হবে। অতঃপর আমি আমার রবের এমন সব প্রশংসা করব যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দেবেন। এরপর তিনি আমার জন্য একটি সীমা (একটি দল) নির্ধারণ করে দেবেন, আমি তাঁদের জান্নাতে প্রবেশ করাব। অতঃপর আমি দ্বিতীয়বার ফিরে আসব এবং আমার মহান রবের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করব। আমাকে অনুমতি দেওয়া হবে। যখন আমি আমার রবকে দেখব, তখন আমি তাঁর উদ্দেশে সিজদায় লুটিয়ে পড়ব। যতক্ষণ আল্লাহ চাইবেন ততক্ষণ তিনি আমাকে সেই অবস্থায় থাকতে দেবেন। অতঃপর বলা হবে: হে মুহাম্মাদ! আপনার মাথা উঠান, প্রার্থনা করুন, আপনাকে দান করা হবে; সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ কবুল করা হবে। অতঃপর আমি আমার রবের প্রশংসা করব, এরপর তিনি আমার জন্য পুনরায় একটি সীমা নির্ধারণ করে দেবেন,-পৃষ্ঠা ২০ ক-দ্বিতীয়বার আমি তাঁদের জান্নাতে প্রবেশ করাব। অতঃপর আমি তৃতীয়বার ফিরে আসব এবং আমার রবের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করব। আমাকে অনুমতি দেওয়া হবে। যখন আমি আমার রবকে দেখব, তখন আমি তাঁর উদ্দেশে সিজদায় লুটিয়ে পড়ব। যতক্ষণ আল্লাহ চাইবেন ততক্ষণ তিনি আমাকে সেই অবস্থায় থাকতে দেবেন। অতঃপর বলা হবে: হে মুহাম্মাদ! আপনার মাথা উঠান, প্রার্থনা করুন, আপনাকে দান করা হবে; সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ কবুল করা হবে। অতঃপর আমি আমার রবের সেই সব প্রশংসা করব যা তিনি আমাকে শিখিয়ে দেবেন। এরপর তিনি আমার জন্য তৃতীয়বার একটি সীমা নির্ধারণ করে দেবেন, আমি তাঁদের জান্নাতে প্রবেশ করাব। অবশেষে আমি ফিরে আসব এবং বলব: হে আমার রব! তারা ব্যতীত আর কেউ বাকি নেই যাদের ব্যাপারে কুরআন অন্তরায় হয়েছে এবং যাদের চিরস্থায়ী জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেছে।" আর এটাই হলো সেই 'মাকামে মাহমুদ' (প্রশংসিত স্থান) যার ওয়াদা মহান আল্লাহ তাঁকে দিয়েছেন: "অচিরেই আপনার রব আপনাকে মাকামে মাহমুদে প্রতিষ্ঠিত করবেন।"হাদিসটি মুত্তাফাকুন আলাইহি; ইমাম বুখারি তাঁর সনদে মুসলিম ইবন ইব্রাহিম থেকে এবং ইমাম মুসলিম আবু গাসসান আল-মাসমায়ি থেকে, তিনি মুয়ায ইবন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
الحديث الخامس والعشرونأخبرنا أبو الحسن علي بن الحسن بن علي التميمي قراءة عليه وغير واحد قالوا، أنا أبو الفتح عبد الملك بن عبد الله بن أبي سهيل الهروي، أنا أبو عامر محمود بن القاسم الأزدي، وأبو نصر عبد العزيز بن محمد الترياقي وأبو بكر أحمد بن عبد الصمد الغورجي، قالوا: أنا أبو محمد عبد الجبار بن محمد الجراحي ح.وأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الأصبهاني قراءة عليه، أنا أبو الحسن المبارك بن عبد الجبار بن أحمد الصيرفي فيما أذن لنا فيه، أنا أبو يعلى أحمد بن عبد الواحد بن محمد الحريري، أنا أبو علي الحسن بن محمد بن شعبة المروزي قالا ثنا أبو العباس محمد بن أحمد بن محبوب المروزي، ثنا أبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي-ق20ب-ثنا ابن أبي عمر ثنا سفيان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه قال قال الله تعالى وقوله الحق إذا هم عبد بحسنة فاكتبوها له حسنة فإذا عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها، وإذا هم بسيئة فلا تكتبوها فإن عملها فاكتبوها له بمثلها، وإن تركها وربما قال فإن لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرأ من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها.متفق عليه (خ) عن قتيبة بن سعيد عن مغيرة بن عبد الرحمن عن أبي الزناد به، سند (م) عن أبي بكر وزهير وإسحاق عن ابن عيينة به، وأخرجه مسلم أيضا من حديث همام عن أبي هريرة فرواه عن رافع عن عبد الرزاق عن معمر عنه وقال فيه قالت الملائكة يا رب ذلك عبد يريد أن يعمل سيئة. أخبرناه أبو عبد الله محمد بن أبي السعادات الخراساني بقراءتي عليه أنا محمد بن أحمد بن عمر الأصبهاني بها، ثنا عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق الحافظ، ثنا أبي أنا محمد بن الحسن القطان، ثنا أحمد بن يوسف السلمي، ثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام، ثنا أبو هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت الملائكة يا رب ذاك عبد يريد أن يعمل سيئة وهو أبصربه فقال ارقبوه فإن عمل فاكتبوها له بمثلها، وإن تركها فاكتبوها له حسنة، إنه تركها من جرائي.
পঁচিশতম হাদিসআমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনুল হাসান ইবনে আলী আত-তামীমী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আরও একাধিক ব্যক্তি, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সুহাইল আল-হারাভী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমির মাহমুদ ইবনুল কাসিম আল-আযদী এবং আবু নাসর আব্দুল আযীয ইবনে মুহাম্মদ আত-তিরইয়াকী ও আবু বকর আহমাদ ইবনে আব্দুস সামাদ আল-গাওরাজী, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ আল-জাররাহী। (হ)এবং আমাদের অবহিত করেছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-আসফাহানী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে আহমাদ আস-সাইরাফী সেই বিষয়ে যার তিনি আমাদের অনুমতি দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারীরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুবা আল-মারওয়াযী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহবুব আল-মারওয়াযী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযী-পৃষ্ঠা ২০বি-আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে আবু উমর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাআলা বলেন এবং তাঁর কথা সত্য—যখন কোনো বান্দা একটি নেক কাজের সংকল্প করে, তখন তার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লেখো। আর যখন সে তা সম্পাদন করে, তখন তার জন্য তা দশ গুণ হিসেবে লেখো। আর যখন সে কোনো মন্দ কাজের সংকল্প করে, তখন তা লিখো না। অতঃপর যখন সে তা করে ফেলে, তখন তার জন্য তা একটি মন্দ কাজ হিসেবেই লেখো। আর যদি সে তা বর্জন করে—কখনো তিনি বলেছেন: যদি সে তা না করে—তবে তার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লেখো। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: "যে একটি নেক কাজ নিয়ে আসবে, তার জন্য তার দশ গুণ প্রতিদান রয়েছে।"এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)। (খ) কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুগীরা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। (ম) এর সনদ হলো—আবু বকর, যুহাইর ও ইসহাক থেকে, তাঁরা ইবনে উইয়াইনা থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি হাম্মাম থেকে আবু হুরায়রার হাদিস হিসেবেও উদ্ধৃত করেছেন। তিনি এটি রাফে থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মামার থেকে, তিনি তাঁর (আবু হুরায়রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে বর্ণিত হয়েছে: ফেরেশতারা বললেন, হে রব! অমুক বান্দা একটি মন্দ কাজ করতে চাচ্ছে। আমাদের তা অবহিত করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবুস সাআদাত আল-খুরাসানী তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আল-আসফাহানী সেখানে, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-কাত্তান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, মামার থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ফেরেশতারা আরজ করল, হে রব! অমুক বান্দা একটি মন্দ কাজ করতে চাচ্ছে—অথচ তিনি তার সম্পর্কে সম্যক অবগত। তখন তিনি বললেন: তাকে পর্যবেক্ষণ করো; যদি সে তা করে ফেলে, তবে তার জন্য তা সমপরিমাণ একটি মন্দ কাজ হিসেবেই লেখো। আর যদি সে তা বর্জন করে, তবে তার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লেখো। কারণ সে তা আমার জন্যই বর্জন করেছে।
(খণ্ড: ১)
আরবাউনা হাদীসান লি-আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
الحديث السادس والعشرونأخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أبي طاهر الجُزؤاني بقراءتي عليه، أنا أبو عبد الله الحسين-ق21أ-ابن علي بن أحمد البغدادي بها أنا أبو محمد عبد الله بن عبد الجبار بن يحيى السكري، أنا أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار، ثنا أحمد بن منصور الرمادي، ثنا عبد الرزاق بن همام الصغاني، ثنا معمر عن قتادة عن أنس رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لأبي إن الله أمرني أن أقرأ عليك القرآن قال أو سماني لك قال وسماك لي فبكى أبي.متفق عليه (خ، م) عن بندار عن غندر عن شعبة عن قتادة به، (م) فقط عن أبي موسى عن غندر وعن يحيى بن حبيب بن عربي عن خالد بن الحارث كليهما عن شعبة وقال فيه إن الله أمرني أن أقرأ عليك لم يكن الذين كفروا، وأخرجاه أيضا (م) حديث همام بن يحيى الأزدي عن قتادة، (خ) عن حسان بن حسان، (م) عن هداب بن خالد جميعا عن همام عن قتادة ولم سم سورة (خ) أيضا عن أبي جعفر أحمد بن أبي داود المنادي عن روح بن عبادة عن سعيد بن أبي عروبة مهران به أخبرناه أبو طاهر السلفي بقراءتي عليه ما لا أحصي عددا، أنا عبد الرحمن بن عمر التيمي، والحسين بن الحسن الفانيذي، ومحمد بن عبد الملك الأسدي والمبارك بن عبد الجبار الصيرفي ومحمد بن عبد الكريم الخشيشي، قالوا أنا أبو علي الحسين بن أحمد بن إبراهيم البزار أنا عثمان بن أحمد الدقاق، ثنا محمد بن عبيد الله المنادى، ثنا روح بن عبادة، ثنا سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لأبي بن كعب إن الله أمرني أن أقرئك القرآن، أو أقرأ عليك القرآن-ق21ب-قال الله سماني لك قال وقد ذكرت عند رب العالمين قال نعم رقت عيناه، المعروف ما وقع هنا محمد بن عبيد الله إلا أن (خ) سماه أحمد كما تقدم فقيل إنه وهم فيه وقيل إنهما أخوان والله أعلم.
ছাব্বিশতম হাদিসআবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি তাহের আল-জুযউয়ানি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন-পৃষ্ঠা ২১ক-ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-বাগদাদি সেখানে (বাগদাদে), আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল জাব্বার ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুক্কারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে মনসুর আর-রামাদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক ইবনে হাম্মাম আস-সানআনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মা'মার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উবাইকে বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি তোমার নিকট কুরআন পাঠ করি।" তিনি (উবাই) বললেন: "আল্লাহ কি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করেছেন?" তিনি বললেন: "তিনি তোমার নাম আমার কাছে উল্লেখ করেছেন।" তখন উবাই কেঁদে ফেললেন।এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম)। বুন্দার থেকে গুন্দারের সূত্রে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। (মুসলিম) এককভাবে বর্ণনা করেছেন আবু মুসা থেকে গুন্দারের সূত্রে এবং ইয়াহইয়া ইবনে হাবিব ইবনে আরাবি থেকে খালিদ ইবনে আল-হারিসের সূত্রে, তাঁরা উভয়েই শু'বাহ থেকে; আর তাতে বর্ণিত হয়েছে: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি তোমার নিকট পাঠ করি: 'লাম ইয়াকুনিল লাযিনা কাফারু' (সূরা আল-বাইয়্যিনাহ)।" তাঁরা (বুখারি ও মুসলিম) আরও বর্ণনা করেছেন হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া আল-আযদির হাদিস থেকে কাতাদাহর সূত্রে। (বুখারি) বর্ণনা করেছেন হাসসান ইবনে হাসসানের সূত্রে, (মুসলিম) বর্ণনা করেছেন হুদ্দাব ইবনে খালিদের সূত্রে, তাঁরা সকলেই হাম্মাম থেকে কাতাদাহর সূত্রে, তবে সেখানে সূরার নাম উল্লেখ করেননি। (বুখারি) আরও বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমদ ইবনে আবি দাউদ আল-মুনাদির সূত্রে রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ মিহরানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আবু তাহের আস-সিলাফি অসংখ্যবার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে উমর আত-তাইমি, আল-হুসাইন ইবনে আল-হাসান আল-ফানিযি, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল মালিক আল-আসাদি, আল-মুবারক ইবনে আবদুল জাব্বার আস-সাইরাফি এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল করিম আল-খুশাইশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন: আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-বাযযার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে আহমদ আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-মুনাদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উবাই ইবনে কা'বকে বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি তোমাকে কুরআন পড়াই, অথবা (বলেছেন) তোমার নিকট কুরআন পাঠ করি।"-পৃষ্ঠা ২১খ-তিনি (উবাই) বললেন: "আল্লাহ কি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি (উবাই) বললেন: "আর জগতসমূহের রবের নিকট কি আমাকে স্মরণ করা হয়েছে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তখন তাঁর চোখ দুটি অশ্রুসিক্ত হলো। এখানে 'মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ' নামটির উল্লেখই সুপরিচিত, তবে (বুখারি) তাকে 'আহমদ' নামে অভিহিত করেছেন যেমনটি আগে অতিক্রান্ত হয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে, এটি তাঁর ভ্রম, আবার বলা হয় যে তাঁরা দুই ভাই। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।