(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: -)
بهجة النفوس والأسرار في تاريخ دار هجرة النبي المختار القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: بهجة النفوس والأسرار في تاريخ دار هجرة النبي المختار
المؤلف: محمد عفيف الدين بن عبد الله بن عبد الملك المرجاني (ت بعد 770)
المحقق: أ د محمد عبد الوهاب فضل، أستاذ تاريخ الحضارة الإسلامية - جامعة الأزهر
الناشر: دار الغرب الاسلامي - بيروت
الطبعة: الأولى، 2002 م
عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 12 ربيع الأول 1444
মনোনীত নবীর হিজরতস্থলের ইতিহাসে আত্মার আনন্দ ও রহস্যসমূহ বিভাগ: দেশসমূহ ও ভ্রমণকাহিনী
গ্রন্থ: মনোনীত নবীর হিজরতস্থলের ইতিহাসে আত্মার আনন্দ ও রহস্যসমূহ
লেখক: মুহাম্মদ আফিফ উদ্দিন বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালিক আল-মারজানি (মৃত্যু ৭৭০ হিজরির পর)
গবেষক: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব ফজল، ইসলামী সভ্যতার ইতিহাসের অধ্যাপক - আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম، ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক পৃষ্ঠা নম্বর সম্বলিত)
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৩)
المقدمة
الحمد لله رب العالمين الذي بنعمته تتم الصالحات، والصلاة والسلام على أشرف المرسلين محمد بن عبد الله، وعلى آله وصحبه أجمعين
… وبعد
تعنى الأمم بدراسة تواريخها سياسيا وحضاريا، كما تعنى بدراسة تاريخ عظمائها وذوي الرأي فيها ممن لهم تأثير في تطوير المجتمع ورقيه.
ولعل أمة من الأمم لم تبلغ عنايتها بالتاريخ ما بلغت الأمة الإسلامية، ولقد تجلى ذلك في أمرين:
الأول: في الشروط التي لا بد منها في توثيق الرواية، وقبول الأخبار، والتي كان لعلماء الحديث القدح المعلى في ضبط أصولها وتحديد قواعدها.
الثاني: في الإتجاهات التاريخية المتخصصة، والتي يقصر فيها كل مؤرخ جهده على إتجاه بعينه إستيعابا لمادته وجمعا للأشباه والنظائر، حتى تتكامل الصور التي يفيد منها في دراسته دون تشتيت للجهد، أو تضييع للوقت، تمييزا له عن غيره من المؤرخين.
ومن هنا تعددت أشكال البحث التاريخي عند مؤرخي الإسلام، كما تعددت مجالاته وعصوره، وكان التاريخ - بمعناه الكلي - الذي ينتظم كل نشاط إنساني مؤثر في حركة التاريخ مناط بحث دائم ومستمر، وبصور مختلفة في فكر مؤرخي الإسلام.
ولقد بدأ اشتغال مؤرخي الإسلام بكتابة سيرة الرسول، صلى الله عليه وسلم، ومغازيه، وحولها تفجرت أفكارهم، فتناولها من كل جوانبها منذ منتصف القرن الثاني الهجري، وكان أول كتاب جامع لسيرة الرسول صلى الله عليه وسلم هو كتاب «المبتدأ
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে সকল নেক কাজ সুসম্পন্ন হয়। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর
… অতঃপর
জাতিসমূহ তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস অধ্যয়নে গুরুত্ব দেয়, যেমন তারা তাদের সেইসব মহান ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাবিদদের ইতিহাস অধ্যয়নে গুরুত্ব দেয় যারা সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে প্রভাব রেখেছেন।
সম্ভবত আর কোনো জাতি ইতিহাসের প্রতি ততটা যত্নশীল হয়নি যতটা ইসলামী উম্মাহ হয়েছে, আর তা দুটি বিষয়ের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে:
প্রথমটি হলো: বর্ণনার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই ও সংবাদ গ্রহণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য শর্তাবলির ক্ষেত্রে, যার মূলনীতিসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মাবলি নির্ধারণে হাদীস বিশারদগণ সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছেন।
দ্বিতীয়টি হলো: বিশেষায়িত ঐতিহাসিক ধারাগুলোর ক্ষেত্রে, যেখানে প্রতিটি ঐতিহাসিক একটি নির্দিষ্ট ধারায় নিজের প্রচেষ্টাকে সীমাবদ্ধ রাখেন যাতে এর উপাদানগুলো আত্মস্থ করা যায় এবং সদৃশ ও সমজাতীয় বিষয়গুলো সংগ্রহ করা যায়, যাতে তাঁর গবেষণায় কার্যকর একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটে ওঠে, যা থেকে তিনি উপকৃত হন কোনো প্রচেষ্টা বিক্ষিপ্ত করা বা সময়ের অপচয় করা ছাড়াই, যা তাঁকে অন্যান্য ঐতিহাসিকদের থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দান করে।
এখান থেকেই মুসলিম ঐতিহাসিকদের নিকট ঐতিহাসিক গবেষণার বিভিন্ন রূপ তৈরি হয়েছে, যেমন এর ক্ষেত্র ও যুগসমূহ বহুবিধ হয়েছে। ইতিহাস - তার সামগ্রিক অর্থে - যা ইতিহাসের গতিধারায় প্রভাব বিস্তারকারী প্রতিটি মানবীয় কর্মকাণ্ডকে সুসংবদ্ধ করে, তা মুসলিম ঐতিহাসিকদের চিন্তায় বিভিন্ন রূপে স্থায়ী ও নিরন্তর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
মুসলিম ঐতিহাসিকদের কাজ শুরু হয়েছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাত ও তাঁর যুদ্ধসমূহ (মাগাযী) রচনার মাধ্যমে, আর একে কেন্দ্র করেই তাঁদের চিন্তা-ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। দ্বিতীয় হিজরি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে তাঁরা এর প্রতিটি দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাত বিষয়ক প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটি হলো «আল-মুবতাদা» (সূচনা) নামক গ্রন্থ।
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৪)
والمبعث والمغازي» المسمى ب «سيرة محمد بن إسحاق»
(1).
ثم جاء عبد الملك بن هشام، فهذب «سيرة ابن إسحاق» في كتابه السيرة النبوية، المعروفة ب «سيرة ابن هشام»
(2).
ثم عكف العلماء على «سيرة ابن هشام» بالشرح، أو الإختصار، أو النظم شعرا.
وما زال العلماء يكتبون في سيرة الرسول صلى الله عليه وسلم وقد أضحى هذا الإتجاه شغل كثير من مفكري الإسلام.
ومن الإتجاهات في الكتابة التأريخية:
«التأريخ للمدن وخططها»:
فقد شهد النصف الثاني من القرن الثالث الهجري تطورات هامة في الحياة السياسية للدولة العباسية، وكان أبرز هذه التطورات، استقلال بعض العمال بالأقاليم التي تحت أيديهم، فصارت إمارات ودويلات مستقلة
(3)،
--------------------------------------------
এবং আল-মাব'আস ওয়াল-মাগাযী» যা «সীরাতে মুহাম্মাদ বিন ইসহাক» নামে পরিচিত
(১).
এরপর আব্দুল মালিক বিন হিশাম আসেন, তিনি তার আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ গ্রন্থে «সীরাতে ইবনে ইসহাক»-কে পরিমার্জন করেন, যা «সীরাতে ইবনে হিশাম» নামে পরিচিত
(২).
এরপর আলিমগণ «সীরাতে ইবনে হিশাম»-এর ব্যাখ্যা, সংক্ষিপ্তকরণ বা কাব্যিক রূপান্তরের কাজে মনোনিবেশ করেন।
আলিমগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত রচনার কাজ অব্যাহত রেখেছেন এবং এই ধারাটি অনেক ইসলামি চিন্তাবিদদের প্রধান কর্মতৎপরতায় পরিণত হয়েছে।
ইতিহাস রচনার ধারাগুলোর মধ্যে একটি হলো:
«শহর ও সেগুলোর অবকাঠামোর ইতিহাস»:
হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আব্বাসীয় খিলাফতের রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়। এই পরিবর্তনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল কিছু প্রাদেশিক শাসনকর্তার তাদের অধীনস্থ অঞ্চলগুলোতে স্বাধীন হয়ে যাওয়া, যার ফলে সেগুলো স্বতন্ত্র আমিরাত ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে পরিণত হয়
(৩),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৫)
فتأثرت إتجاهات الكتابة التأريخية بهذا التفرق السياسي، فتعددت بذلك مراكز الثقافة الإسلامية، وتنافست فيما بينها، فكثر العلماء في الأمصار الإسلامية وترتب على ذلك ظهور «التواريخ المحلية للأمصار والمدن الإسلامية وخططها»، ومما هو جدير بالذكر أن هذا النوع من الكتابة التأريخية - التأريخ للمدن وخططها - انفرد به المؤرخون في ديار الإسلام عن غيرهم من الأمم المعاصرة لهم.
والتأريخ المحلي هو وليد الشعور بالإنتماء وتعبير صادق عن ارتباط المؤرخ بوطنه ومدينته واعتزازه بهما.
وقد اشتغل بعض المؤرخين المسلمين بالتأريخ للمدن الإسلامية وخططها، وأخذت كتابتهم صورا متعددة من صور المعالجة التأريخية، وإذا كان التأريخ لبعض المدن جاء عرضا في كتب السيرة، إلا أنه لم يحظ بوقفات طويلة يروي ظمأ، أو يشفي غلة، اللهم إلا ما كان يتصل بمدينة رسول الله صلى الله عليه وسلم أو بمكة المكرمة، أو القدس الشريف، وهو ما يعرف ب «التأريخ للمدن المقدسة».
--------------------------------------------
ইতিহাস রচনার ধারাসমূহ এই রাজনৈতিক বিভাজনের ফলে প্রভাবিত হয়েছিল, ফলে ইসলামি সংস্কৃতির কেন্দ্রসমূহ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং তারা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিল। এর ফলে ইসলামি জনপদগুলোতে আলেমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলশ্রুতিতে ‘ইসলামি জনপদ ও শহরগুলোর স্থানীয় ইতিহাস এবং তাদের নগর-পরিকল্পনা’ (খিতাত) সংক্রান্ত রচনার উদ্ভব ঘটে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ইতিহাস রচনার এই ধরণটি—শহর ও তাদের নগর-পরিকল্পনার ইতিহাস—ইসলামি ভূখণ্ডের ঐতিহাসিকগণ তাদের সমসাময়িক অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় স্বতন্ত্রভাবে উপস্থাপন করেছিলেন।
আর স্থানীয় ইতিহাস হলো আপন সত্তার সাথে একীভূত হওয়ার অনুভূতির ফসল এবং এটি নিজ দেশ ও শহরের প্রতি ঐতিহাসিকের সংলগ্নতা ও গর্বের এক সত্যনিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ।
কিছু মুসলিম ঐতিহাসিক ইসলামি শহর ও তাদের নগর-পরিকল্পনার ইতিহাস রচনায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন এবং তাদের রচনায় ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের বিভিন্ন রূপ ফুটে উঠেছিল। যদিও সিরাতগ্রন্থগুলোতে কিছু শহরের ইতিহাস প্রাসঙ্গিকভাবে এসেছে, তবে তা তৃষ্ণা মেটানোর মতো বা মনের ক্ষুধা নিবারণের মতো দীর্ঘ আলোচনার মর্যাদা লাভ করেনি; তবে আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শহর, মক্কা মুকাররমা বা কুদস শরিফের কথা ভিন্ন—যা ‘পবিত্র শহরগুলোর ইতিহাস’ হিসেবে পরিচিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৬)
نشأ تاريخ المدن في نهاية القرن الثاني الهجري على يد محمد بن الحسن بن زبالة في كتابه «تاريخ المدينة»
(1) بيد أن هذا الكتاب مفقود، ولم نعرف عنه إلا ما رواه المؤرخون الذين جاءوا من بعده ونقلوه عنه، وقد أفرد ما نقله المؤرخون عنه المستشرق «فستنفيلد» منذ قرن من الزمان تقريبا في كتاب سماه «تاريخ المدينة لابن زبالة»
(2).
ثم كان القرن الثالث الهجري حيث تبلور تأريخ المدن، وظهر فيه أول كتاب عن تاريخ المدن وصلنا وبين أيدينا الآن، وهو كتاب «أخبار مكة» لأبي الوليد الأزرقي
(3).
وقد حظى فن تأريخ المدن بكثير من عناية المؤرخين منذ هذا القرن - الثالث الهجري - وما تلاه، فظهرت مصنفات كثيرة في تواريخ المدن وخططها من أبرزها:
* «فتوح مصر» عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الحكم، أبو القاسم المصري، مؤرخ وفقيه من أهل مصر، توفي في سنة سبع وخمسين ومائتين
(4)، ومن مؤلفاته كتاب «فتوح مصر وأخبارها» طبع بمصر 1967 م.
--------------------------------------------
নগরীর ইতিহাসের সূচনা দ্বিতীয় হিজরি শতাব্দীর শেষভাগে মুহাম্মদ বিন হাসান বিন জবালা-এর মাধ্যমে তাঁর ‘তারিখুল মদিনা’
(১) গ্রন্থের মধ্য দিয়ে হয়েছিল। তবে এই বইটি বর্তমানে নিখোঁজ, এবং তাঁর পরবর্তী সময়ে আগত ঐতিহাসিকদের বর্ণনা ও উদ্ধৃতি ছাড়া এই সম্পর্কে আমাদের আর কিছু জানা নেই। ঐতিহাসিকদের উদ্ধৃত করা সেইসব অংশ নিয়ে প্রায় এক শতাব্দী আগে প্রাচ্যবিদ ‘ফুস্টেনফেল্ড’ ‘তারিখুল মদিনা লি-ইবনে জবালা’
(২) নামক একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থে সংকলন করেছেন।
অতঃপর তৃতীয় হিজরি শতাব্দীতে নগরীর ইতিহাস রচনার ধারাটি পূর্ণতা লাভ করে এবং এই সময়েই নগরীর ইতিহাসের ওপর প্রথম গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় যা বর্তমানে আমাদের নিকট সংরক্ষিত আছে; আর সেটি হলো আবুল ওয়ালিদ আল-আযরাকী রচিত ‘আখবারু মক্কা’
(৩)।
এই শতাব্দী —অর্থাৎ তৃতীয় হিজরি— এবং এর পরবর্তী সময়ে নগরীর ইতিহাস রচনার শিল্পটি ঐতিহাসিকদের নিকট ব্যাপক গুরুত্ব লাভ করে। ফলে বিভিন্ন শহরের ইতিহাস এবং তাদের গঠনবিন্যাস (খিতাত) নিয়ে বহু গ্রন্থ রচিত হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
* ‘ফুতুহ মিসর’; এটি আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আব্দুল হাকাম আবুল কাসিম আল-মিসরী কর্তৃক রচিত। তিনি ছিলেন মিসরের একজন ঐতিহাসিক ও ফকিহ, যিনি ২৫৭ হিজরি সনে
(৪) মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘ফুতুহ মিসর ওয়া আখবারুহা’ অন্যতম, যা ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে মিসরে মুদ্রিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৭)
* «تاريخ المدينة المنورة» عمر بن شبة، أبو زيد النميري البصري، كان محدثا ومؤرخا ثقة، توفى سنة اثنتين وستين ومائتين
(1). ومن مؤلفاته كتاب «تاريخ المدينة المنورة» طبع في مدينة جدة 1402 هـ.
* «كتاب بغداد» أحمد بن طاهر، أبو الفضل طيفور، كان أحد البلغاء والشعراء الرواة، مات في سنة ثمانين ومائتين
(2). ومن مؤلفاته كتاب «بغداد» طبع في مكتبة المثنى بغداد 1388 هـ1968/ م.
* «أخبار مكة» محمد بن إسحاق الفاكهي، مؤرخ من أهل مكة، مات في سنة اثنتين وسبعين ومائتين، وقيل في سنة تسع وسبعين ومائتين تقريبا
(3).
ومن مؤلفاته كتاب «أخبار مكة» طبع بمكة المكرمة 1407 هـ1986/ م.
* «فضائل المدينة» المفضل بن محمد، أبو سعيد الجندي، مؤرخ يماني الأصل، مات بمكة في سنة ثمان وثلثمائة
(4). ومن مؤلفاته كتاب «فضائل المدينة» طبع بدمشق 1405 هـ1985/ م.
* «تاريخ بغداد» أحمد بن علي، أبو بكر الخطيب البغدادي، كان مؤرخا ومحدثا ثقة، مات في سنة ثلاث وستين وأربعمائة
(5). ومن مؤلفاته كتاب «تاريخ بغداد» طبع دار الكتاب العربي - بيروت، عن طبعة الخانجي بالقاهرة.
--------------------------------------------
* «তারীখুল মাদীনা আল-মুনাওয়ারাহ» উমর ইবনে শাব্বাহ, আবু যায়েদ আন-নুমাইরী আল-বাসরী, তিনি একজন বিশ্বস্ত মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিক ছিলেন, তিনি দু'শ বাষট্টি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «তারীখুল মাদীনা আল-মুনাওয়ারাহ» বইটি, যা ১৪০২ হিজরীতে জেদ্দা শহরে মুদ্রিত হয়েছে।
* «কিতাবু বাগদাদ» আহমাদ ইবনে তাহির, আবুল ফজল তাইফুর, তিনি বাগ্মী ও রাবী কবিদের একজন ছিলেন, তিনি দু'শ আশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «বাগদাদ» বইটি, যা ১৩৮৮ হিজরী/১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদের আল-মুসান্না লাইব্রেরি থেকে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আখবারু মক্কাহ» মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-ফাকিহী, মক্কাবাসীদের মধ্য থেকে একজন ঐতিহাসিক, তিনি দু'শ বাহাত্তর হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন, আর বলা হয় আনুমানিক দু'শ উনআশি হিজরীতে
(৩)।
তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «আখবারু মক্কাহ» বইটি, যা ১৪০৭ হিজরী/১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে মক্কাতুল মুকাররামায় মুদ্রিত হয়েছে।
* «ফাযায়িলুল মাদীনা» আল-মুফায্যাল ইবনে মুহাম্মাদ, আবু সাঈদ আল-জুন্দী, মূলত ইয়ামানি বংশোদ্ভূত একজন ঐতিহাসিক, তিনি তিনশ আট হিজরীতে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন
(৪)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «ফাযায়িলুল মাদীনা» বইটি, যা ১৪০৫ হিজরী/১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে দামেস্কে মুদ্রিত হয়েছে।
* «তারীখু বাগদাদ» আহমাদ ইবনে আলী, আবু বকর আল-খাতীব আল-বাগদাদী, তিনি একজন বিশ্বস্ত ঐতিহাসিক ও মুহাদ্দিস ছিলেন, তিনি চারশ তেষট্টি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(৫)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «তারীখু বাগদাদ» বইটি, যা কায়রোর আল-খানজী সংস্করণের অনুসরণে বৈরুতের দারুল কিতাব আল-আরাবী থেকে মুদ্রিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৮)
* «تاريخ دمشق» علي بن الحسن الشافعي، أبو القاسم المعروف بابن عساكر، الدمشقي، كان مؤرخا حافظا، مات في سنة إحدى وسبعين وخمسمائة
(1). ومن مؤلفاته كتاب «تاريخ دمشق» مطبعة روضة الشام 1329 - 1332 هـ.
* «الدرة الثمينة في تاريخ المدينة» محمد بن محمود محب الدين ابن النجار، محدث العراق، توفي في سنة ثلاث وأربعين وستمائة
(2). ومن مؤلفاته كتاب «الدرة الثمينة في تاريخ المدينة» طبع ملحقا بكتاب شفاء الغرام، طبعة الحلبي بالقاهرة 1956 م.
* «التعريف بما أنست دار الهجرة» محمد بن أحمد المدني، أبو عبد الله جمال الدين المطري، كان عالما بالحديث والفقه والتاريخ، مات بالمدينة سنة إحدى وأربعين وسبعمائة
(3). ومن مؤلفاته كتاب «التعريف بما أنست دار الهجرة» وقام بنشره أسعد درابزوني الحسيني 1372 هـ.
* «بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار» عفيف الدين عبد الله بن عبد الملك المرجاني، المتوفى بعد سنة سبعين وسبعمائة. «وهو موضوع التحقيق».
ويستمر تيار التأريخ للمدن منطلقا عبر القرون، ومن هذه الكتب في تاريخ المدينة المنورة بعد عصر المرجاني:
--------------------------------------------
* «তারিখু দিমাশক» আলী ইবনুল হাসান আশ-শাফিয়ী, আবুল কাসিম ইবনে আসাকির নামেই পরিচিত, দামেশকি; তিনি ছিলেন একজন ঐতিহাসিক ও হাফিয, পাঁচশ একাত্তর হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «তারিখু দিমাশক» গ্রন্থ, যা রওদাতুশ শাম ছাপাখানায় ১৩২৯ - ১৩৩২ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আদ-দুররাতুস সামীনাহ ফি তারিখিল মদিনাহ» মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ মুহিব্বুদ্দিন ইবনুন নাজ্জার, ইরাকের মুহাদ্দিস, ছয়শ তেতাল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «আদ-দুররাতুস সামীনাহ ফি তারিখিল মদিনাহ» গ্রন্থ, যা ‘শিফাউল ঘারাম’ গ্রন্থের সাথে পরিশিষ্ট হিসেবে কায়রোর হালাবি সংস্করণ ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আত-তারিফ বিমা আনাসাত দারুল হিজরাহ» মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাদানি, আবু আব্দুল্লাহ জামালুদ্দিন আল-মাতারি, তিনি হাদিস, ফিকহ ও ইতিহাসের পণ্ডিত ছিলেন, সাতশ একচল্লিশ হিজরিতে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «আত-তারিফ বিমা আনাসাত দারুল হিজরাহ» গ্রন্থ এবং এটি আসআদ দারাবজুনি আল-হুসাইনি ১৩৭২ হিজরিতে প্রকাশ করেন।
* «বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দানি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার» আফিফুদ্দিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মালিক আল-মারজানি, যিনি সাতশ সত্তর হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেন। «এটিই বর্তমান তাহকিকের (সম্পাদনার) বিষয়বস্তু»।
শতাব্দীজুড়ে শহরসমূহের ইতিহাস রচনার এই ধারা অব্যাহত থাকে এবং আল-মারজানির যুগের পরবর্তী মদিনা মুনাওয়ারার ইতিহাস নিয়ে লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৯)
* «تحقيق النصرة بتلخيص معالم دار الهجرة» أبو بكر بن الحسين المراغي، مؤرخ وفقيه استوطن المدينة المنورة، وتوفي بها في سنة ست عشر وثمانمائة
(1). ومن مؤلفاته كتاب «تحقيق النصرة بتلخيص معالم دار الهجرة» طبع في مدينة القاهرة 1374 هـ1955/ م.
* «المغانم المطابة في معالم طابة» محمد بن يعقوب، أبو الطاهر، مجد الدين الشيرازي الفيروز آبادي، من أئمة اللغة والأدب، وتوفي في زبيد سنة سبع عشرة وثمانمائة
(2). ومن مؤلفاته كتاب «المغانم المطابة في معالم طابة» طبع في مدينة الرياض 1389 هـ1969/ م.
* «تاريخ مكة المشرفة والمسجد الحرام والمدينة الشريفة والقبر الشريف» محمد بن محمد بن أحمد المكي جمال الدين المعروف بابن الضياء، مؤرخ وفقيه وقاضي مكة، توفي بمكة سنة خمس وثمانين وثمانمائة
(3). ومن كتبه «تاريخ مكة المشرفة والمسجد الحرام والمدينة الشريفة»، طبع بمكة المكرمة 1416 هـ1996/ م.
* «التحفة اللطيفة في أخبار المدينة الشريفة» محمد بن عبد الرحمن، شمس الدين السخاوي، مؤرخ وفقيه وأديب، وتوفي في سنة اثنتين وتسعمائة
(4). ومن كتبه: «التحفة اللطيفة في أخبار المدينة الشريفة» طبع في بيروت 1414 هـ1993/ م.
* «وفاء الوفاء بأخبار دار المصطفى» علي بن عبد الله بن أحمد
--------------------------------------------
* «তাহকিকুন নুসরা বি তালখিসি মায়ালিম দারে হিজরা» আবু বকর বিন আল-হুসাইন আল-মারাগি, একজন ঐতিহাসিক এবং ফকিহ যিনি মদিনা মুনাওয়ারায় বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং সেখানে ৮১৬ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। তার রচনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো «তাহকিকুন নুসরা বি তালখিসি মায়ালিম দারে হিজরা» বইটি, যা ১৩৭৪ হিজরি/১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে কায়রো শহরে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আল-মাগানিমুল মুতাবাহ ফি মায়ালিম তাবাহ» মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আবু তাহির, মাজদুদ্দিন আশ-শিরাজি আল-ফিরোজাবাদি, ভাষা ও সাহিত্যের অন্যতম ইমাম, তিনি ৮১৭ হিজরি সালে জাবিদ নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। তার অন্যতম রচনা হলো «আল-মাগানিমুল মুতাবাহ ফি মায়ালিম তাবাহ» যা ১৩৮৯ হিজরি/১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে রিয়াদ শহরে মুদ্রিত হয়েছে।
* «তারিখে মাক্কাতিল মুশাররাফাহ ওয়াল মাসজিদিল হারাম ওয়াল মাদিনাতুশ শারিফাহ ওয়াল কাবরুশ শারিফ» মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মাক্কি জামালুদ্দিন, যিনি ইবনুদ দিয়া নামে পরিচিত, মক্কার ঐতিহাসিক, ফকিহ এবং বিচারক, তিনি ৮৮৫ হিজরি সালে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। তার অন্যতম বই হলো «তারিখে মাক্কাতিল মুশাররাফাহ ওয়াল মাসজিদিল হারাম ওয়াল মাদিনাতুশ শারিফাহ», যা ১৪১৬ হিজরি/১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে মক্কা মুকাররমায় মুদ্রিত হয়েছে।
* «আত-তুহফাতুল লাতিফাহ ফি আখবারিল মাদিনাতুশ শারিফাহ» মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান, শামসুদ্দিন আস-সাখাভি, ঐতিহাসিক, ফকিহ এবং সাহিত্যিক, তিনি ৯০২ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন
(৪)। তার বইসমূহের মধ্যে রয়েছে: «আত-তুহফাতুল লাতিফাহ ফি আখবারিল মাদিনাতুশ শারিফাহ» যা ১৪১৪ হিজরি/১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে বৈরুতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «ওয়াফাউল ওয়াফা বি আখবারি দারিল মুস্তফা» আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১০)
نور الدين، أبو الحسن السمهودي، مؤرخ وفقيه، نزل المدينة المنورة، ومات في سنة إحدى عشر وتسعمائة
(1). ومن مؤلفاته كتاب «وفاء الوفا بأخبار دار المصطفى» طبع في بيروت 1374 هـ1955/ م.
* «تاريخ المدينة المنورة» قطب الدين محمد بن أحمد النهرواني، الهندي، ثم المكي الحنفي، مؤرخ وفقيه، مات في سنة تسعين وتسعمائة
(2).
ومن تصانيفه كتاب «تاريخ المدينة المنورة»
(3).
وبعد:
لقد ترك لنا المؤرخون من أولئك وهؤلاء آثارا حفيلة، وتراثا حضاريا ضخما، ومادة علمية خصيبة غنيت بالمثل العليا، والصور الحية، والدروس المستفادة.
وهذا التراث العلمي نحن في مسيس الحاجة إلى الكشف عن نفائسه، والتنقيب عن ذخائره، لنعرف منه مدى ما لنا من أصالة ومكانة، ومدى ما يمكن أن نسهم به الآن في إبراز الفكر، وإرساء القيم، وتدعيم الحضارة الإسلامية.
ومن منطلق اهتمامي بتواريخ المدن المقدسة، ولا سيما تاريخ الحرمين الشريفين، وقع الإختيار على تحقيق مخطوط في تاريخ المدينة المنورة، ومن أبرز الكتب المتخصصة في تاريخ المدينة المنورة وخططها في القرن الثامن الهجري - بعد كتاب «التعريف بما أنست دار
--------------------------------------------
নূরুদ্দীন, আবুল হাসান আস-সামহুদী, একজন ঐতিহাসিক ও ফকিহ, তিনি মদিনা মুনাওয়ারায় বসতি স্থাপন করেন এবং নয়শত এগারো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। তার রচনাবলির মধ্যে রয়েছে «ওয়াফাউল ওয়াফা বি আখবারি দারিল মুস্তফা» গ্রন্থটি, যা ১৩৭৪ হিজরি/ ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে বৈরুতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «তারিখুল মদিনাতিল মুনাওয়ারা» কুতুবুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমদ আন-নাহরাওয়ানি, আল-হিন্দি, পরবর্তীতে আল-মাক্কি আল-হানাফি, একজন ঐতিহাসিক ও ফকিহ, তিনি নয়শত নব্বই হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)।
তার কিতাবসমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো «তারিখুল মদিনাতিল মুনাওয়ারা»
(৩)।
অতঃপর:
ঐতিহাসিকগণ আমাদের জন্য প্রচুর নিদর্শন, এক বিশাল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সমৃদ্ধ জ্ঞানতাত্ত্বিক উপাদান রেখে গেছেন যা উচ্চতর আদর্শ, জীবন্ত চিত্র এবং শিক্ষণীয় পাঠে সমৃদ্ধ।
আর এই জ্ঞানতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের অমূল্য রত্নগুলো উন্মোচন এবং এর ভাণ্ডারসমূহ অনুসন্ধান করা আমাদের জন্য একান্ত প্রয়োজন, যাতে আমরা এর মাধ্যমে আমাদের মৌলিকত্ব ও মর্যাদার ব্যাপ্তি সম্পর্কে জানতে পারি, এবং বর্তমানে চিন্তা-চেতনাকে ফুটিয়ে তুলতে, মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে এবং ইসলামি সভ্যতাকে শক্তিশালী করতে আমরা কতটুকু অবদান রাখতে পারি তা অনুধাবন করতে পারি।
পবিত্র শহরগুলোর ইতিহাসের প্রতি এবং বিশেষ করে হারামাইন শরীফাইনের ইতিহাসের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহের জায়গা থেকে, মদিনা মুনাওয়ারার ইতিহাসের উপর একটি পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার (তাহকিক) বিষয়টি বেছে নেওয়া হয়েছে। এটি অষ্টম হিজরি শতাব্দীতে মদিনা মুনাওয়ারার ইতিহাস এবং এর নগর পরিকল্পনার ওপর রচিত অন্যতম বিশিষ্ট বিশেষায়িত গ্রন্থ— «আত-তারিফ বিমা আনাসাত দার...» গ্রন্থের পরে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১১)
الهجرة للمطري (ت 741 هـ) كتاب:
«بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار» لأبي محمد عفيف الدين عبد الله بن عبد الملك البكري القرشي المرجاني، المتوفى بعد سنة سبعين وسبعمائة.
وقد أبان المؤلف في مقدمة الكتاب عن رغبته في وضع كتاب في تاريخ المدينة المنورة، حاويا كل الدرر
… وانتخب ذلك من مصنفات كتب تنيف على المائتين.
ومن خلال القراءة والتتبع، والرصد الدقيق لهذا الكتاب الموسوعي، يلاحظ أن المادة العلمية والتاريخية والأدبية واسعة، تفوق المادة التي أودعها عمر بن شبه النميري، صاحب أول كتاب طبع في تاريخ المدينة المنورة، بل إن المرجاني في كتابه «بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار» انفرد بأبواب ضافية
(1)، وهذا يكشف لنا عن أهمية الكتاب.
وكان المرجاني حريصا على استيفاء المسائل التي تناولها في كتابه، واجتهد في أن يجمع أكبر عدد من المصادر، تنوعت بتنوع الموضوعات التي عالجها في تاريخه، واستطاع أن يطوع المادة التي جمعها لخدمة الموضوع وتجليته.
ولهذا ترجع أهمية كتاب «بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار» إلى استقصائه واستيعابه وجمعه لشتى الأخبار التي تتعلق بأخبار وخطط المدينة المنورة حتى عصر المؤلف.
--------------------------------------------
আল-মাতারী (মৃত্যু: ৭৪১ হিজরি) এর হিজরত বিষয়ক গ্রন্থ:
আবু মুহাম্মাদ আফিফ উদ্দিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালিক আল-বাকরি আল-কুরাশি আল-মারজানি (যিনি সাতশত সত্তর হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেছেন) রচিত «বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দারে হিজরাতিন নাবিয়্যিল মুখতার»।
লেখক গ্রন্থের ভূমিকায় মদীনা মুনাওয়ারার ইতিহাসের ওপর এমন একটি গ্রন্থ রচনার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন যা সমস্ত মূল্যবান তথ্যের মুক্তাসমূহকে ধারণ করবে
… এবং তিনি দুই শতাধিক গ্রন্থের সংকলন থেকে এটি নির্বাচন করেছেন।
এই বিশ্বকোষীয় গ্রন্থটি পাঠ, অনুসরণ এবং সূক্ষ্ম পর্যালোচনার মাধ্যমে লক্ষ্য করা যায় যে, এর জ্ঞানতাত্ত্বিক, ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বিষয়বস্তু অত্যন্ত বিস্তৃত, যা মদীনা মুনাওয়ারার ইতিহাসের ওপর প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের লেখক উমর ইবনে শাব্বাহ আন-নুমাইরির উপস্থাপিত বিষয়বস্তুকেও ছাড়িয়ে গেছে। বরং আল-মারজানি তার «বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দারে হিজরাতিন নাবিয়্যিল মুখতার» গ্রন্থে এমন কিছু বিশেষ দীর্ঘ অধ্যায় সংযোজন করেছেন
(১) যা আমাদের সামনে এই গ্রন্থের গুরুত্ব উন্মোচন করে।
আল-মারজানি তার গ্রন্থে আলোচিত বিষয়গুলোর পূর্ণতা দানে অত্যন্ত সচেষ্ট ছিলেন এবং তিনি সর্বাধিক সংখ্যক উৎস সংগ্রহের আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। এই উৎসগুলো তার ইতিহাসে আলোচিত বিষয়গুলোর বৈচিত্র্যের সাথে সংগতি রেখে বৈচিত্র্যময় ছিল। তিনি সংগৃহীত তথ্যসমূহকে মূল বিষয়ের সেবা এবং তা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার কাজে নিপুণভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছেন।
একারণেই «বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দারে হিজরাতিন নাবিয়্যিল মুখতার» গ্রন্থের গুরুত্ব নিহিত রয়েছে লেখকের যুগ পর্যন্ত মদীনা মুনাওয়ারার বিবিধ সংবাদ ও নকশা সংক্রান্ত তথ্যাবলীর পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান, পরিবেষ্টন এবং সংগ্রহের মাঝে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১২)
وقد قسمت العمل إلى ثلاثة أقسام:
القسم الأول:
دراسة عن الكتاب، والمؤلف، ومنهج التحقيق.
القسم الثاني:
تحقيق متن الكتاب.
القسم الثالث:
الفهارس العامة للكتاب.
এবং আমি কাজটিকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেছি:
প্রথম ভাগ:
গ্রন্থ, লেখক এবং সম্পাদনা পদ্ধতি বিষয়ক গবেষণা।
দ্বিতীয় ভাগ:
গ্রন্থের মূল পাঠ্যের সম্পাদনা।
তৃতীয় ভাগ:
গ্রন্থের সাধারণ নির্ঘণ্টসমূহ।
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
القسم الأول
دراسة عن الكتاب، والمؤلف، ومنهج التحقيق
وبمشيئة الله تعالى سوف أتناول في هذا القسم الأمور الآتية:
أولا - مصادر الكتاب.ثانيا - محتويات الكتاب.
ثالثا - دراسة موجزة عن مؤلف الكتاب.
رابعا - فكرة تاريخية عن عصر المؤلف.
خامسا - عنوان ونسبة الكتاب إلى المؤلف.
سادسا - منهج المؤلف في الكتاب.
سابعا - الأصول المخطوطة للكتاب.
ثامنا - منهج التحقيق.
أولا - مصادر الكتاب
تتضح لنا أهمية كتاب «بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار» من خلال المصادر المتنوعة التي أشار إليها المؤلف في ثنايا تضاعيف الأخبار التي أوردها في كتابه، ولا سيما أن بعض المصادر والنصوص التي نقلها، واعتمد عليها، منقولة عن كتب خطية ما تزال مفقودة لدى الباحثين حتى اليوم، أو مخطوطة في دور الأرشيف التاريخي تنتظر النور، ولولاه بهذه النقول لاندثرت وضاعت مثل غيرها من الكتب التي فقدت في العالم الإسلامي إبان الغزو المغولي، فحافظت هذه النقول للأخبار على هذا
প্রথম বিভাগ
গ্রন্থ, লেখক এবং সম্পাদনা পদ্ধতি বিষয়ক আলোচনা
এবং মহান আল্লাহর ইচ্ছায় আমি এই বিভাগে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ আলোচনা করব:
প্রথমত - গ্রন্থের উৎসসমূহ।দ্বিতীয়ত - গ্রন্থের বিষয়বস্তু।
তৃতীয়ত - গ্রন্থকার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।
চতুর্থত - লেখকের যুগ সম্পর্কে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
পঞ্চমত - গ্রন্থের শিরোনাম এবং লেখকের প্রতি এর সম্বন্ধ।
ষষ্ঠত - গ্রন্থে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতি।
সপ্তমত - গ্রন্থের মূল পাণ্ডুলিপিসমূহ।
অষ্টমত - সম্পাদনা পদ্ধতি।
প্রথমত - গ্রন্থের উৎসসমূহ
‘বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার’ নামক গ্রন্থের গুরুত্ব আমাদের নিকট সেই বিচিত্র উৎসসমূহের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়, যেগুলোর প্রতি লেখক তাঁর গ্রন্থে উপস্থাপিত তথ্যের ভাঁজে ভাঁজে ইঙ্গিত করেছেন। বিশেষ করে তাঁর উদ্ধৃত এবং নির্ভরযোগ্য কিছু উৎস ও পাঠ্য এমন সব পাণ্ডুলিপি থেকে গৃহীত যা গবেষকদের নিকট আজও নিখোঁজ, অথবা ঐতিহাসিক নথিপত্রাগারে পাণ্ডুলিপি আকারে আলোর মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে। যদি তিনি এই উদ্ধৃতিগুলো প্রদান না করতেন, তবে তাতার-মঙ্গোল আক্রমণের সময় মুসলিম বিশ্বে হারিয়ে যাওয়া অন্যান্য গ্রন্থের ন্যায় এগুলোও বিলুপ্ত ও নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। ফলে এই উদ্ধৃতিগুলো সংবাদসমূহকে সংরক্ষণ করেছে...
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৪)
التراث التاريخي، وتلك فائدة كبرى يهتم بها الباحثون في الدراسات التاريخية، وتطور الكتابة في فن التاريخ في ديار الإسلام على حد سواء.
وحرص المرجاني على ذكر مصادره يدل على أمانته فيما يكتب، وهذه المصادر المتنوعة، تبرز لنا سعة إطلاع المؤلف وثقافته الإسلامية الواسعة.
والمصادر التي اعتمد عليها المرجاني من خلال الرصد الدقيق لأبواب وفصول الكتاب، ثلاثة أنواع:
أ - مصادر صرح فيها باسم الكتاب والمؤلف.
ب - مصادر صرح فيها باسم الكتاب فقط.
ج - مصادر صرح فيها باسم المؤلف فقط.
وكان المؤلف أمينا في الإعتماد على هذه المصادر، وقد وضح هذا من خلال مطابقة أسماء الكتب والمؤلفين بما ورد في كتب الفهارس المتخصصة، وأيضا في مقارنة المادة العلمية التي نقلها المؤلف عن هذه المصادر المتعددة، لكي يتضح للقاريء الكريم مدى المعاناة الشديدة في ضبط وتحقيق الآثار، والأخبار، والإشارات التاريخية، والنوادر، والفوائد التي أوردها المؤلف في ثنايا السطور وتضاعيف الأخبار في كتابه.
إن ضخامة هذا الكتاب، والمنهج الموسوعي الذي سار عليه المؤلف في كتابه، جعلته يتوسع في المصادر التي اعتمدها في معارف شتى في زمانه، ولذلك يكون للمرجاني فضل كبير في الإحتفاظ بنصوص كثيرة من كتب منشورة، أو مخطوطة، أو مفقودة.
وبمشيئة الله تعالى، سأذكر أمثلة لهذه المصادر، وبقية المصادر سترد في المتن المحقق مع الإشارة إليها في حواشي التحقيق، وهذه المصادر منها ما
ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, আর এটি এমন এক বিশাল উপকারিতা যা ঐতিহাসিক গবেষণায় নিয়োজিত গবেষকদের কাছে এবং ইসলামি ভূখণ্ডে ইতিহাস রচনার বিবর্তনের ক্ষেত্রে সমানভাবে গুরুত্ববহ।
আল-মারজানি কর্তৃক তাঁর উৎসসমূহের উল্লেখ করার প্রতি এই একাগ্রতা তাঁর লেখনীর আমানতদারিতার প্রমাণ দেয়। আর এই বৈচিত্র্যময় উৎসগুলো আমাদের সামনে লেখকের ব্যাপক অধ্যয়ন ও তাঁর সুবিশাল ইসলামি সংস্কৃতির পরিচয় ফুটিয়ে তোলে।
বইটির অধ্যায় ও পরিচ্ছেদগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা যায় যে, আল-মারজানি যেসব উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন তা মূলত তিন প্রকার:
ক - এমন সব উৎস যেগুলোতে তিনি গ্রন্থ এবং লেখক উভয়ের নামই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
খ - এমন সব উৎস যেগুলোতে তিনি কেবল গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছেন।
গ - এমন সব উৎস যেগুলোতে তিনি কেবল লেখকের নাম উল্লেখ করেছেন।
এই উৎসগুলোর ওপর নির্ভর করার ক্ষেত্রে লেখক অত্যন্ত বিশ্বস্ত ছিলেন। বিশেষায়িত গ্রন্থসূচিগুলোতে বর্ণিত গ্রন্থ ও লেখকদের নামের সাথে মিলিয়ে দেখার মাধ্যমে এবং এই বহুমুখী উৎসগুলো থেকে লেখক যে জ্ঞানতাত্ত্বিক উপাদানসমূহ উদ্ধৃত করেছেন তার তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে; যাতে সম্মানিত পাঠকের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, লেখক তাঁর গ্রন্থের পঙ্ক্তিমালা ও বিভিন্ন বর্ণনার মাঝে যেসব আছার, সংবাদ, ঐতিহাসিক ইঙ্গিত, বিরল তথ্যাদি ও উপকারিতা উল্লেখ করেছেন, সেগুলো যাচাই-বাছাই ও সম্পাদনা করার ক্ষেত্রে তাঁকে কতটা কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।
এই গ্রন্থের বিশালতা এবং লেখক তাঁর গ্রন্থে যে বিশ্বকোষীয় পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন, তা তাঁকে তাঁর সময়ের বিভিন্ন জ্ঞান-বিজ্ঞানের বহুবিধ উৎসের ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে। এই কারণে প্রকাশিত, পাণ্ডুলিপি আকারে বিদ্যমান অথবা হারিয়ে যাওয়া অনেক গ্রন্থের অসংখ্য পাঠ্য (নসুস) সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে আল-মারজানির বিশাল অবদান রয়েছে।
আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমি এই উৎসগুলোর কিছু উদাহরণ উল্লেখ করব, আর অবশিষ্ট উৎসগুলো সম্পাদিত মূল পাঠে আসবে এবং সম্পাদনার টীকায় সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হবে। এই উৎসগুলোর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৫)
هو في تاريخ المدينة المنورة ومكة المكرمة مثل:
* «تاريخ المدينة» محمد بن الحسن بن زبالة، المتوفى بعد سنة 199 هـ.
* «أخبار مكة» محمد عبد الله، أبو الوليد الأزرقي، المتوفى سنة 244 هـ.
* «فضائل المدينة» المفضل بن محمد، أبو سعيد الجندي، المتوفى سنة 308 هـ.
* «مثير العزم الساكن إلى أشرف الأماكن» عبد الرحمن بن علي، أبو الفرج، المعروف بابن الجوزي، الواعظ والمحدث المفسر والمؤرخ، توفى في بغداد سنة 597 هـ
(1). وكتابه «مثير العزم الساكن إلى أشرف الأماكن» مخطوط بمركز إحياء التراث الإسلامي، رقم 421 تاريخ.
* «الدرة الثمينة في تاريخ المدينة» محب الدين محمد بن محمود بن النجار، المتوفى سنة 647 هـ.
* «التعريف بما أنست دار الهجرة من معالم دار الهجرة» جمال الدين محمد بن أحمد المطري، المتوفى سنة 741 هـ.
ومنها كتب تتعلق بالسيرة النبوية، والمناقب، والأنساب، والتاريخ، والطبقات مثل:
* «سيرة ابن إسحاق» محمد بن إسحاق المطلبي، المتوفي سنة 151 هـ.
--------------------------------------------
মদিনা মুনাওয়ারা ও মক্কা মুকাররমার ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহ যেমন:
* ‘তারিখে মদিনা’ মুহাম্মদ বিন হাসান বিন জুবালাহ, মৃত্যু ১৯৯ হিজরির পর।
* ‘আখবারে মক্কা’ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু আল-ওয়ালিদ আল-আজরকি, মৃত্যু ২৪৪ হিজরি।
* ‘ফাযায়েলে মদিনা’ আল-মুফায্যাল বিন মুহাম্মদ, আবু সাঈদ আল-জান্দি, মৃত্যু ৩০৮ হিজরি।
* ‘মুছিরুল আজমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন’ আব্দুর রহমান বিন আলী, আবুল ফারাজ, ইবনুল জাওজি নামে পরিচিত, যিনি ছিলেন ওয়ায়েজ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও ঐতিহাসিক, ৫৯৭ হিজরিতে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন
(১)। তাঁর গ্রন্থ ‘মুছিরুল আজমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন’-এর পাণ্ডুলিপি ইসলামিক হেরিটেজ রিভাইভাল সেন্টারে সংরক্ষিত আছে, ইতিহাস নম্বর ৪২১।
* ‘আদ-দুররাতুছ ছামিনা ফি তারিখিল মদিনা’ মুহিব্বুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন আল-নাজ্জার, মৃত্যু ৬৪৭ হিজরি।
* ‘আত-তারিফু বিমা আনাসাত দারুল হিজরা মিন মায়ালিমি দারিল হিজরা’ জামালুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মাতারি, মৃত্যু ৭৪১ হিজরি।
এর মধ্যে সীরাতুন্নবী, মানাকিব (গুণাবলি), আনসাব (বংশলতিকা), ইতিহাস এবং তাবাকাত (জীবনীগ্রন্থ) সংশ্লিষ্ট বইসমূহ রয়েছে, যেমন:
* ‘সীরাতে ইবনে ইসহাক’ মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-মুত্তালিবি, মৃত্যু ১৫১ হিজরি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৬)
* «مغازي الواقدي» محمد بن عمر، أبو عبد الله الواقدي، كان عالما بالمغازي والسير والفتوح والأخبار، مات في سنة 208
(1). وكتاب «المغازي للواقدي» طبع في بيروت 1966 م.
* «سيرة ابن هشام» عبد الملك بن هشام الحميري، المتوفي سنة 218 هـ.
* «الطبقات الكبرى» محمد بن سعد، أبو عبد الله الزهري، كاتب الواقدي وتلميذه، كان ثقة بأخبار الصحابة والتابعين، مات في سنة 231 هـ
(2). وكتاب «الطبقات الكبرى» طبع في دار صادر، بيروت (بدون تاريخ).
* «المعارف» عبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري، أبو محمد الكاتب، كان محدثا ثقة، مات في سنة 276 هـ
(3). وكتاب «المعارف» طبع بدار المعارف بالقاهرة 1969 م.
* «تاريخ الرسل والملوك» محمد بن جرير، أبو جعفر الطبري، كان حافظا وفقيها، خبيرا بأيام الناس، مات سنة 310 هـ
(4). وكتاب «تاريخ الرسل والملوك» المشهور بتاريخ الطبري، طبع بدار المعارف بالقاهرة 1387 هـ1967/ م.
--------------------------------------------
* «মাগাযী আল-ওয়াকিদী» মুহাম্মাদ ইবনে উমর, আবু আব্দুল্লাহ আল-ওয়াকিদী, তিনি মাগাযী (যুদ্ধাভিযান), সীরাত, ফুতুহ (বিজয়) এবং ইতিহাস সম্পর্কে বিজ্ঞ ছিলেন, ২০৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। এবং «মাগাযী আল-ওয়াকিদী» গ্রন্থটি ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে বৈরুতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «সীরাত ইবনে হিশাম» আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম আল-হিময়ারী, মৃত্যু ২১৮ হিজরি।
* «আত-তাবাকাত আল-কুবরা» মুহাম্মাদ ইবনে সাদ, আবু আব্দুল্লাহ আয-যুহরী, ওয়াকিদীর লেখক এবং তাঁর ছাত্র, তিনি সাহাবী ও তাবেয়ীদের সংবাদ বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য ছিলেন, ২৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। এবং «আত-তাবাকাত আল-কুবরা» গ্রন্থটি বৈরুতের দার সাদির থেকে মুদ্রিত (প্রকাশকাল বিহীন)।
* «আল-মাআরিফ» আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কুতায়বা আদ-দিনাওয়ারী, আবু মুহাম্মাদ আল-কাতিব, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ছিলেন, ২৭৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। এবং «আল-মাআরিফ» গ্রন্থটি ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে কায়রোর দারুল মাআরিফ থেকে মুদ্রিত হয়েছে।
* «তারিখুর রুসুল ওয়াল মুলুক» মুহাম্মাদ ইবনে জারীর, আবু জাফর আত-তাবারী, তিনি হাফেয ও ফকীহ ছিলেন এবং মানবজাতির ইতিহাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন, ৩১০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৪)। এবং «তারিখুর রুসুল ওয়াল মুলুক» যা তারিখুত তাবারী নামে প্রসিদ্ধ, এটি ১৩৮৭ হিজরি/১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে কায়রোর দারুল মাআরিফ থেকে মুদ্রিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
* «مروج الذهب ومعادن الجوهر» علي بن الحسين، أبو الحسن المسعودي، كان اخباريا صاحب ملح ونوادر، مات في سنة 346 هـ
(1)، وكتاب «مروج الذهب» طبع في بيروت 1402 هـ1982/ م.
* «حلية الأولياء وطبقات الأصفياء» أحمد بن عبد الله، أبو نعيم الأصبهاني، كان محدثا حافظا، مات في سنة 430 هـ
(2). وكتاب «حلية الأولياء» طبع في مطبعة الخانجي بالقاهرة 1387 هـ1967/ م.
* «تاريخ بغداد» أحمد بن علي، أبو بكر الخطيب البغدادي، المتوفي سنة 463 هـ.
* «الإستيعاب في معرفة الأصحاب» يوسف بن عبد الله، أبو عمر بن عبد البر القرطبي، كان محدثا ثقة، مات في سنة 463 هـ
(3). وكتاب «الاستيعاب
… » طبع في مكتبة نهضة مصر بالقاهرة (بدون تاريخ).
* «الشفا بتعريف حقوق المصطفى» القاضي عياض بن موسى اليحصبي السبتي، أبو الفضل، عالم المغرب، مات في سنة 544 هـ
(4)، وكتاب «الشفا
… » طبع في مطبعة الحلبي بالقاهرة 1369 هـ1950/ م.
* «دلائل النبوة» أحمد بن الحسين، أبو بكر البيهقي، شيخ خراسان، كان محدثا ثقة، مات في سنة 458 هـ
(5). وكتاب «دلائل النبوة» طبع في
--------------------------------------------
* «মুরুজ আয-যাহাব ওয়া মা’আদিন আল-জাওহার» আলী বিন আল-হুসাইন, আবু আল-হাসান আল-মাসউদী, তিনি একজন ইতিবৃত্তকার এবং সরস ও দুর্লভ তথ্যের সংগ্রাহক ছিলেন, ৩৪৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১), এবং «মুরুজ আয-যাহাব» বইটি ১৪০২ হিজরি/১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে বৈরুতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «হিলইয়াতুল আওলিয়া ওয়া তবাকাতুল আসফিয়া» আহমদ বিন আবদুল্লাহ, আবু নুআইম আল-আসফাহানি, তিনি একজন মুহাদ্দিস ও হাফেজ ছিলেন, ৪৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। এবং «হিলইয়াতুল আওলিয়া» বইটি ১৩৮৭ হিজরি/১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে কায়রোর আল-খানজি প্রেসে মুদ্রিত হয়েছে।
* «তারিখে বাগদাদ» আহমদ বিন আলী, আবু বকর আল-খতিব আল-বাগদাদী, মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি।
* «আল-ইসতিআব ফী মা’রিফাতি আল-আসহাব» ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ, আবু উমর ইবনে আব্দুল বার আল-কুরতুবী, তিনি একজন বিশ্বস্ত মুহাদ্দিস ছিলেন, ৪৬৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। এবং «আল-ইসতিআব … » বইটি কায়রোর মাকতাবাতু নাহদাতু মিসর থেকে মুদ্রিত হয়েছে (কোন তারিখ উল্লেখ নেই)।
* «আশ-শিফা বিতারিফি হুকুকিল মুস্তাফা» আল-কাদী আইয়াদ বিন মুসা আল-ইয়াহসুবি আস-সাবতি, আবু আল-ফদল, মাগরিব অঞ্চলের আলেম, ৫৪৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৪), এবং «আশ-শিফা … » বইটি ১৩৬৯ হিজরি/১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কায়রোর আল-হালাবি প্রেসে মুদ্রিত হয়েছে।
* «দালাইলুন নুবুওয়াহ» আহমদ বিন আল-হুসাইন, আবু বকর আল-বায়হাকী, খোরাসানের শায়খ, তিনি একজন বিশ্বস্ত মুহাদ্দিস ছিলেন, ৪৫৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৫)। এবং «দালাইলুন নুবুওয়াহ» বইটি মুদ্রিত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৮)
بيروت 1405 هـ1985/ م.
* «تاريخ دمشق» علي بن الحسن، أبو القاسم ابن عساكر الدمشقي، المتوفي سنة 571 هـ.
* «الروض الأنف في تفسير السيرة النبوية» عبد الرحمن بن عبد الله السهيلي الأندلسي النحوي الحافظ، مات في سنة 581 هـ
(1). وكتاب «الروض الأنف
… » طبع بالقاهرة 1387 هـ1967/ م.
* «المدهش».
* «المنتظم في تاريخ الملوك والأمم» عبد الرحمن بن علي، أبو الفرج ابن الجوزي، المتوفي سنة 597 هـ. وكتاب «المدهش» طبع في بيروت 1973 م، وكتاب «المنتظم» طبع في بيروت 1412 هـ1992/ م.
* «وفيات الأعيان وأنباء الزمان» شمس الدين أحمد بن محمد المعروف بابن خلكان الإربلي، كان مؤرخا ثقة، مات في سنة 681 هـ
(2)، وكتاب «وفيات الأعيان» طبع في بيروت 1398 هـ1978/ م.
* «لطائف المنن في مناقب المرسى أبي الحسن» كان من أشد خصوم شيخ الإسلام ابن تيمية، مات في سنة 709 هـ
(3). وكتاب «لطائف المنن
… » طبع بالقاهرة 1974 م.
* «المختصر في أخبار البشر» إسماعيل بن علي، أبو الفداء عماد الدين، اشتغل بالعلوم وتفنن فيها، مات في سنة 732 هـ
(4). وكتاب «المختصر
--------------------------------------------
বৈরুত ১৪০৫ হিজরি/ ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ।
* «তারিখু দিমাশক» আলী বিন হাসান, আবুল কাসিম ইবনে আসাকির আদ-দিমাশকি, মৃত্যু ৫৭১ হিজরি।
* «আর-রাওদুল উনুফ ফি তাফসিরিস সিরাতিন নববিয়্যাহ» আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আস-সুহায়লি আল-আন্দালুসি আন-নাহবি আল-হাফিজ, মৃত্যু ৫৮১ হিজরি
(১)। এবং «আর-রাওদুল উনুফ … » গ্রন্থটি কায়রোতে ১৩৮৭ হিজরি/ ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আল-মুদহিশ»।
* «আল-মুনতাজাম ফি তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম» আবদুর রহমান বিন আলী, আবুল ফারাজ ইবনুল জাওজি, মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি। এবং «আল-মুদহিশ» গ্রন্থটি বৈরুতে ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে, এবং «আল-মুনতাজাম» গ্রন্থটি বৈরুতে ১৪১২ হিজরি/ ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «ওয়াফায়াতুল আইয়ান ওয়া আনবাউয যামান» শামসুদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ, যিনি ইবনে খাল্লিকান আল-ইরবিলি নামে পরিচিত, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক ছিলেন, মৃত্যু ৬৮১ হিজরি
(২), এবং «ওয়াফায়াতুল আইয়ান» গ্রন্থটি বৈরুতে ১৩৯৮ হিজরি/ ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «লাতাইফুল মিনান ফি মানাকিবিল মুরসি আবিল হাসান» তিনি শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর কট্টর বিরোধীদের একজন ছিলেন, মৃত্যু ৭০৯ হিজরি
(৩)। এবং «লাতাইফুল মিনান … » গ্রন্থটি কায়রোতে ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «আল-মুখতাসার ফি আখবারিল বাশার» ইসমাইল বিন আলী, আবুল ফিদা ইমাদুদ্দিন, তিনি বিভিন্ন বিজ্ঞানে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন এবং তাতে পারদর্শী ছিলেন, মৃত্যু ৭৩২ হিজরি
(৪)। এবং «আল-মুখতাসার...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ১৯)
في أخبار البشر» طبع بالقاهرة 1325 هـ.
* «خلاصة سير سيد البشر» أحمد بن عبد الله، أبو جعفر محب الدين الطبري، حافظ وفقيه، من شيوخ الحرم المكي، مات في سنة 694 هـ
(1)، وكتاب «خلاصة سير» طبع بمكة المكرمة 1412 هـ1992/ م.
ومنها كتب تتعلق بالحديث النبوي، والتفسير، والآثار مثل:
* «الموطأ» مالك بن أنس الأصبحي، أبو عبد الله المدني، إمام دار الهجرة، مات في سنة 179 هـ
(2)، وكتاب «الموطأ» طبع بمطبعة الحلبي بالقاهرة 1951 م.
* «غريب الحديث» القاسم بن سلام، أبو عبيد الهروي، كان إماما حافظا، مات سنة 224 هـ
(3)، وكتاب «غريب الحديث» طبع في مطبعة دائرة المعارف العثمانية بالهند، حيدرآباد - الدكن 1396 هـ1976/ م.
* «المسند» أحمد بن محمد بن حنبل، أبو عبد الله الشيباني، عالم بغداد وناصر السنة، مات في سنة 241 هـ
(4)، وكتاب «المسند» طبع دار صادر، بيروت (بدون تاريخ).
--------------------------------------------
ফি আখবারিল বাশার' কায়রো থেকে ১৩২৫ হিজরিতে মুদ্রিত।
* 'খুলাসাতু সিয়ারি সাইয়্যিদিল বাশার' আহমদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু জাফর মুহিব্বুদ্দীন আত-তাবারী, হাফিজ ও ফকিহ, মক্কার হারাম শরীফের শাইখদের অন্তর্ভুক্ত, ৬৯৪ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন
(১), এবং 'খুলাসাতু সিয়ার' বইটি পবিত্র মক্কায় ১৪১২ হিজরি/১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
এগুলোর মধ্যে হাদিস, তাফসির এবং আছার (বর্ণনা) সংশ্লিষ্ট কিতাবসমূহ রয়েছে যেমন:
* 'আল-মুয়াত্তা' মালিক বিন আনাস আল-আসবাহি, আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানী, ইমামু দারিল হিজরাহ, ১৭৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন
(২), এবং 'আল-মুয়াত্তা' বইটি কায়রোর আল-হালাবী প্রকাশনী থেকে ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* 'গারীবুল হাদিস' আল-কাসিম বিন সাল্লাম, আবু উবাইদ আল-হারাওয়ী, তিনি একজন ইমাম ও হাফিজ ছিলেন, ২২৪ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন
(৩), এবং 'গারীবুল হাদিস' বইটি ভারতের হায়দ্রাবাদ-দাক্ষিণাত্যের দায়িরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া প্রেসে ১৩৯৬ হিজরি/১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* 'আল-মুসনাদ' আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল, আবু আব্দুল্লাহ আশ-শায়বানী, বাগদাদের আলেম এবং সুন্নাহর সাহায্যকারী, ২৪১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন
(৪), এবং 'আল-মুসনাদ' বইটি বৈরুতের দার সাদির থেকে মুদ্রিত হয়েছে (তারিখ বিহীন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২০)
* «سنن الدارمي» عبد الله بن عبد الرحمن، أبو محمد الدارمي السمرقندي، كان محدثا ثقة، مات في سنة 255 هـ
(1)، وكتاب «السنن» طبع ونشر دار إحياء السنة النبوية بالقاهرة (بدون تاريخ).
* «الجامع الصحيح» محمد بن إسماعيل، أبو عبد الله البخاري، صاحب الجامع الصحيح، مات في سنة 256 هـ
(2)، وكتاب «الجامع الصحيح» مع الفتح، طبعة السلفية بالقاهرة - 138 هـ.
* «صحيح مسلم» مسلم بن الحجاج، أبو الحسين القشيري، مات في سنة 271 هـ
(3)، وكتاب «صحيح مسلم» طبعة الحلبي بالقاهرة 1374 هـ 1955/ م.
* «سنن ابن ماجة» محمد بن يزيد القزويني، المعروف بابن ماجة، كان محدثا ثقة، مات في سنة 273 هـ
(4). وكتاب «السنن» طبعة الحلبي بالقاهرة 1372 هـ1952/ م.
* «سنن أبي داود» سليمان بن الأشعث، أبو داود السجستاني، كان محدثا ثقة، مات في سنة 275 هـ
(5)، وكتاب «السنن» طبع بدار إحياء السنة النبوية بالقاهرة (بدون تاريخ).
* «تأويل مختلف الحديث» عبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري،
--------------------------------------------
* «সুনান আদ-দারিমি» আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান, আবু মুহাম্মাদ আদ-দারিমি আস-সামারকান্দি, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ছিলেন, ২৫৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১), এবং «সুনান» গ্রন্থটি কায়রোর দার ইহয়া আস-সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত (তারিখ বিহীন)।
* «আল-জামি আস-সহিহ» মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল, আবু আবদুল্লাহ আল-বুখারি, আল-জামি আস-সহিহ-এর সংকলক, ২৫৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২), এবং আল-ফাতহ সহ «আল-জামি আস-সহিহ» গ্রন্থটি ১৩৮ হিজরিতে কায়রোর আস-সালাফিয়্যাহ সংস্করণ।
* «সহিহ মুসলিম» মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, আবু আল-হুসাইন আল-কুশায়রি, ২৭১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৩), এবং «সহিহ মুসলিম» গ্রন্থটি ১৩৭৪ হি. ১৯৫৫ খ্রি. কায়রোর আল-হালাবি সংস্করণ।
* «সুনান ইবনে মাজাহ» মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযিদ আল-কাযওয়িনি, ইবনে মাজাহ নামে পরিচিত, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ছিলেন, ২৭৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৪)। এবং «সুনান» গ্রন্থটি ১৩৭২ হি. ১৯৫২ খ্রি. কায়রোর আল-হালাবি সংস্করণ।
* «সুনান আবু দাউদ» সুলাইমান ইবনুল আশ'আস, আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ছিলেন, ২৭৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৫), এবং «সুনান» গ্রন্থটি কায়রোর দার ইহয়া আস-সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ কর্তৃক মুদ্রিত (তারিখ বিহীন)।
* «তা'উইল মুখতালিফ আল-হাদিস» আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কুতাইবা আদ-দিনাওয়ারি,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২১)
المتوفي سنة 276 هـ، وكتاب «تأويل مختلف الحديث» طبع بالقاهرة 1386 هـ1966/ م.
* «جامع البيان في تأويل القرآن» - تفسير الطبري - محمد بن جرير، أبو جعفر الطبري، المتوفي سنة 310 هـ، وتفسير الطبري طبعة الحلبي بالقاهرة 1388 هـ1968/ م.
* «الغيلانيات» محمد بن عبد الله، أبو بكر الشافعي، كان محدثا ثقة، مات في سنة 354 هـ
(1). وهو صاحب كتاب «الفوائد المنتخبة العوالي عن الشيوخ» المشهور بالغيلانيات، مخطوط بالمتحف البريطاني، ودار الكتب المصرية بالقاهرة.
* «عمل اليوم والليلة» أحمد بن محمد، أبو بكر الدينوري المعروف بابن السني، كان محدثا مشتغلا بالسنة، مات في سنة 364 هـ
(2). وكتاب «عمل اليوم والليلة» طبع بالقاهرة 1389 هـ1969/ م:
* «المستدرك على الصحيحين».
* «معرفة علوم الحديث» محمد بن عبد الله، أبو عبد الله الحاكم النيسابوري، كان محدثا فاضلا، مات في سنة 405 هـ
(3). وكتاب «المستدرك» نشر بالرياض 1968 م، وكتاب «معرفة علوم الحديث» نشر المكتب التجاري، بيروت (بدون تاريخ).
* «السنن الكبرى» أحمد بن الحسين، أبو بكر البيهقي، المتوفي سنة
--------------------------------------------
মৃত্যু ২৭৬ হিজরী, এবং «তাওয়ীলু মুখতালিফিল হাদীস» কিতাবটি ১৩৮৬ হিজরী/ ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে কায়রোতে মুদ্রিত হয়েছে।
* «জামেউল বয়ান ফী তাওয়ীলিল কুরআন» - তাফসীরে তাবারী - মুহাম্মদ বিন জারীর, আবু জাফর আত-তাবারী, মৃত্যু ৩১০ হিজরী, এবং তাফসীরে তাবারীর আল-হালাবী সংস্করণ ১৩৮৮ হিজরী/ ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে কায়রোতে প্রকাশিত।
* «আল-গাইলানিয়্যাত» মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু বকর আশ-শাফিয়ী, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ছিলেন, ৩৫৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)। তিনি «আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাখাবাতুল আওয়ালী আনিল শুয়ূখ» কিতাবটির রচয়িতা, যা আল-গাইলানিয়্যাত নামে প্রসিদ্ধ, এর পাণ্ডুলিপি ব্রিটিশ মিউজিয়াম এবং কায়রোর দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাতে সংরক্ষিত আছে।
* «আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ» আহমদ বিন মুহাম্মদ, আবু বকর আদ-দ্বীনওয়ারী যিনি ইবনুস সুন্নী নামে পরিচিত, তিনি সুন্নাহর গবেষণায় নিয়োজিত একজন মুহাদ্দিস ছিলেন, ৩৬৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। এবং «আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ» কিতাবটি ১৩৮৯ হিজরী/ ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে কায়রোতে মুদ্রিত হয়েছে:
* «আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাঈন»।
* «মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস» মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আন-নিশাপুরী, তিনি একজন বিদগ্ধ মুহাদ্দিস ছিলেন, ৪০৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। «আল-মুস্তাদরাক» কিতাবটি ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে রিয়াদে প্রকাশিত হয়েছে, এবং «মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস» কিতাবটি মাকতাবাতুত তিজারী, বৈরুত (তারিখ বিহীন) থেকে প্রকাশিত।
* «আস-সুনানুল কুবরা» আহমদ বিন আল-হুসাইন, আবু বকর আল-বায়হাকী, মৃত্যু...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২২)
458 - هـ. وكتاب «السنن الكبرى» طبع بدائرة المعارف العثمانية بالهند، حيدرآباد، الدكن 1344 هـ.
* «فردوس الأخبار بمأثور الخطاب» شيرويه بن شهر، أبو شجاع الهمداني، مؤرخ من علماء الحديث، مات في سنة 509 هـ، وكتاب «فردوس الأخبار» مخطوط جزء منه في شستربتي رقم 3037
(1).
* «شعب الإيمان» عبد الجليل بن موسى الأنصاري، أبو محمد القصري، كان مفسرا، مات في سنة 608 هـ
(2). وكتاب «شعب الإيمان» مخطوط في خزانة الرباط رقم 208 أوقاف.
* «الجامع لأحكام القرآن» - تفسير القرطبي - محمد بن أحمد، أبو عبد الله القرطبي، من كبار المفسرين، مات بمصر في سنة 671 هـ
(3). وكتاب «الجامع» طبع بالرياض 1372 هـ1952/ م.
* «بهجة النفوس وتحليها بمعرفة ما لها وما عليها» عبد الله بن سعد بن أبي حمزة الأندلسي، أبو محمد، كان محدثا، مات في سنة 699 هـ
(4).
وكتاب «بهجة النفوس» شرح مختصر صحيح البخاري، طبع بالقاهرة 1348 هـ.
* «الفتوحات الربانية» عبد الله بن محمد بن عبد الملك، أبو محمد المرجاني، له علم بالتفسير، أملى فيه دروسا جمعها ابن السكري سماها
--------------------------------------------
৪৫৮ - হিজরি। এবং 'আস-সুনানুল কুবরা' বইটি ভারতের হায়দ্রাবাদ, দাক্ষিণাত্যের দায়িরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া থেকে ১৩৪৪ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।
* 'ফিরদাউসুল আখবার বি-মা'সুরিল খিতাব' শিরওয়াইহ বিন শাহর, আবু শুজা আল-হামদানি, হাদিস বিশারদদের অন্তর্ভুক্ত একজন ইতিহাসবিদ, ৫০৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। 'ফিরদাউসুল আখবার' বইটির একটি অংশ চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে ৩০৩৭ নম্বর পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত
(১)।
* 'শুয়াবুল ঈমান' আব্দুল জলীল বিন মুসা আল-আনসারি, আবু মুহাম্মদ আল-কাসরি, তিনি একজন মুফাসসির ছিলেন, ৬০৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২)। 'শুয়াবুল ঈমান' বইটি রাবাত কুতুবখানায় ২০৮ নম্বর ওয়াকফ পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত।
* 'আল-জামি লি-আহকামিল কুরআন' - তাফসিরে কুরতুবি - মুহাম্মদ বিন আহমদ, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুরতুবি, শীর্ষস্থানীয় মুফাসসিরদের অন্যতম, ৬৭১ হিজরিতে মিশরে মৃত্যুবরণ করেন
(৩)। 'আল-জামি' বইটি ১৩৭২ হিজরি/১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে রিয়াদে মুদ্রিত হয়েছে।
* 'বাহজাতুন নুফুস ওয়া তাহলিহা বি-মা'রিফাতি মা লাহা ওয়া মা আলাইহা' আব্দুল্লাহ বিন সাদ বিন আবি হামজা আল-আন্দালুসি, আবু মুহাম্মদ, তিনি একজন মুহাদ্দিস ছিলেন, ৬৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৪)।
এবং 'বাহজাতুন নুফুস' বইটি সহিহ বুখারির সংক্ষিপ্ত সংকলনের ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা ১৩৪৮ হিজরিতে কায়রোতে মুদ্রিত হয়েছে।
* 'আল-ফুতুহাতুর রব্বানিয়া' আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক, আবু মুহাম্মদ আল-মারজানি, তিনি তাফসির শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন, তিনি এতে পাঠদান করতেন যা ইবনুল সুক্কারি সংকলন করেছেন এবং নাম রেখেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৩)
«الفتوحات الربانية» مخطوط في التيمورية، ومات في سنة 699 هـ
(1).
ومنها كتب تتعلق بعلوم الفلك مثل:
* «السر المكتوم في مخاطبة النجوم» محمد بن عمر، أبو عبد الله فخر الدين الرازي، كان مفسرا، عالما في علوم الأوائل، مات في سنة 606 هـ
(2)، وكتاب «السر المكتوم» مخطوط.
ومنها كتب تتعلق بالمواعظ والرقائق مثل:
* «سبل الخيرات» يحيى بن نجاح الأموي، أبو الحسين القرطبي، كان فقيها، مات بمصر سنة 422 هـ، وله كتاب «سبل الخيرات» في المواعظ والوصايا، مخطوط
(3).
* «إحياء علوم الدين» محمد بن محمد، أبو حامد الغزالي، صاحب كتاب «إحياء علوم الدين»، مات في سنة 505 هـ
(4)، وكتاب «الإحياء» طبع بمطبعة عالم الكتب دمشق (بدون تاريخ).
* «سلوة الأحزان» عبد الرحمن بن علي، أبو الفرج، المعروف بابن الجوزي، المتوفي سنة 597 هـ، وكتاب «سلوة الأحزان» طبع بالأسكندرية 1970 م.
* «مصباح الظلام» محمد بن موسى، أبو عبد الله شمس الدين بن
--------------------------------------------
«আল-ফুতুহাতুর রব্বানিয়্যাহ» তায়মুরিয়্যাহতে একটি পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত আছে এবং তিনি ৬৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(১)।
এর মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত কিছু বই রয়েছে যেমন:
* «আস-সিররুল মাকতুম ফি মুখাতাবাতিন নুজুম» মুহাম্মদ বিন উমর, আবু আবদুল্লাহ ফখরুদ্দিন আল-রাজি; তিনি একজন মুফাসসির এবং প্রাচীন জ্ঞানবিজ্ঞানে পণ্ডিত ছিলেন। তিনি ৬০৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(২) এবং «আস-সিররুল মাকতুম» বইটি একটি পাণ্ডুলিপি।
এর মধ্যে উপদেশ ও আধ্যাত্মিক কোমলতা (রাকায়েক) সংক্রান্ত কিছু বই রয়েছে যেমন:
* «সুবুলুল খাইরাত» ইয়াহইয়া বিন নাজাহ আল-উমাওয়ি, আবুল হুসাইন আল-কুরতুবি; তিনি একজন ফকিহ ছিলেন। তিনি ৪২২ হিজরিতে মিশরে মৃত্যুবরণ করেন এবং উপদেশ ও ওসিয়ত সংক্রান্ত তাঁর «সুবুলুল খাইরাত» বইটি পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত
(৩)।
* «ইহয়াউ উলুমিদ্দিন» মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, আবু হামিদ আল-গাজালি, «ইহয়াউ উলুমিদ্দিন» গ্রন্থের লেখক। তিনি ৫০৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৪) এবং «আল-ইহয়া» বইটি দামেস্কের আলামুল কুতুব প্রেস থেকে মুদ্রিত হয়েছে (তারিখ বিহীন)।
* «সালওয়াতুল আহজান» আবদুর রহমান বিন আলী, আবুল ফারাজ, যিনি ইবনুল জাওজি নামে পরিচিত, ৫৯৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «সালওয়াতুল আহজান» বইটি ১৯৭০ সালে আলেকজান্দ্রিয়ায় মুদ্রিত হয়।
* «মিসবাহুজ জুলাম» মুহাম্মদ বিন মুসা, আবু আবদুল্লাহ শামসুদ্দিন বিন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৪)
النعمان التلمساني، من علماء المالكية، مات سنة 683 هـ، وكتاب «مصباح الظلام» مخطوط
(1) في شستربتي رقم 3677.
ومنها ما يتعلق بالطب مثل:
* «المغني في تدبير الأمراض» سعيد بن هبة الله، أبو الحسن، طبيب واسع الإطلاع، من أهل بغداد، مات في سنة 495 هـ، وكتاب «المغني» مخطوط في استانبول، وشستربتي رقم 3978
(2).
ومنها ما يتعلق بالفقه مثل:
* «مدونة ابن القاسم» عبد الرحمن بن القاسم، أبو عبد الله العتقي المصري، فقيه تفقه على الإمام مالك، مات في سنة 191 هـ
(3)، ومدونة ابن القاسم طبع بالقاهرة.
* «المختار في فروع الحنفية» مجد الدين عبد الله بن محمود الموصلي، أبو الفضل، فقيه حنفي، مات في سنة 683 هـ، وكتاب «المختار» مخطوط في شستربتي رقم 4360
(4).
ومنها ما يتعلق بالمفردات اللغوية ومعاجم اللغة والبلدان، مثل:
*أدب الكاتب» عبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري، المتوفي سنة 276 هـ، وطبع كتاب «أدب الكاتب» في مؤسسة الرسالة، بيروت 1405 هـ/ 1985 م.
--------------------------------------------
আন-নুমান আত-তিলিমসানি, মালেকি আলেমদের অন্তর্ভুক্ত, ইন্তেকাল করেছেন ৬৮৩ হিজরিতে, এবং 'মিসবাহুজ জুলাম' গ্রন্থটি চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি নম্বর ৩৬৭৭।
(১)আর এর মধ্যে কিছু চিকিৎসা সংক্রান্ত, যেমন:
* ‘আল-মুগনি ফি তদবিরিল আমরাজ’ সাঈদ বিন হিবাতুল্লাহ, আবুল হাসান, তিনি একজন ব্যাপক জ্ঞানের অধিকারী চিকিৎসক ছিলেন, বাগদাদের অধিবাসী, ইন্তেকাল করেছেন ৪৯৫ হিজরিতে, এবং ‘আল-মুগনি’ গ্রন্থটি ইস্তাম্বুলে পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত এবং চেস্টার বিটি নম্বর ৩৯৭৮।
(২)আর এর মধ্যে কিছু ফিকহ সংক্রান্ত, যেমন:
* ‘মুদাওয়ানাতু ইবনিল কাসিম’ আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম, আবু আবদুল্লাহ আল-উতকি আল-মিসরি, তিনি ইমাম মালিকের নিকট ফিকহ শিক্ষা লাভকারী একজন ফকিহ, ইন্তেকাল করেছেন ১৯১ হিজরিতে,
(৩) এবং ইবনুল কাসিমের মুদাওয়ানা কায়রোতে মুদ্রিত হয়েছে।
* ‘আল-মুখতার ফি ফুরুইল হানাফিয়্যাহ’ মাজদুদ্দিন আবদুল্লাহ বিন মাহমুদ আল-মাউসিলি, আবুল ফজল, হানাফি ফকিহ, ইন্তেকাল করেছেন ৬৮৩ হিজরিতে, এবং ‘আল-মুখতার’ গ্রন্থটি চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি নম্বর ৪৩৬০।
(৪)আর এর মধ্যে কিছু ভাষাগত শব্দাবলি, অভিধান এবং দেশসমূহ সম্পর্কিত, যেমন:
* ‘আদাবুল কাতিব’ আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতাইবা আদ-দিনাওয়ারি, ইন্তেকাল করেছেন ২৭৬ হিজরিতে, এবং ‘আদাবুল কাতিব’ গ্রন্থটি বৈরুতের মুয়াসসাসাতুর রিসালায় ১৪০৫ হিজরি/ ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৫)
* «الصحاح تاج اللغة وصحاح العربية» إسماعيل بن حماد أبو نصر الجوهري، أحد أئمة اللغة، مات في سنة 393 هـ
(1)، وطبع كتاب «الصحاح» بدار العلم، بيروت 1404 هـ1984/ م.
* «مقاييس اللغة» أحمد بن فارس، أبو الحسين اللغوي، أحد أئمة اللغة، مات في سنة 395 هـ
(2)، وطبع كتاب «مقاييس اللغة» بمطبعة الخانجي بالقاهرة 1402 هـ1981/ م.
* «معجم ما استعجم» عبد الله بن عبد العزيز، أبو عبيد البكري الأندلسي، كان إماما لغويا إخباريا، مات في سنة 487 هـ
(3)، والكتاب طبع في مطبعة عالم الكتب، بيروت (بدون تاريخ).
هذه المصادر المتنوعة، التي اعتمد عليها المرجاني في كتابه، توضح لنا القيمة العلمية للكتاب
… وتبرز لنا سعة إطلاع المؤلف، ومدى ثقافته الإسلامية الواسعة، وتظهر لنا مدى ما انطوى عليه الكتاب أخبار تاريخية منذ عهد النبوة، حتى عصر المؤلف.
ثانيا - محتويات الكتابرتب المؤلف كتابه ترتيبا موضوعيا من مقدمة وعشرة أبواب كبرى، معنونة بعناوين واضحة ومناسبة لموضوع الكتاب، ويندرج تحت كل باب فصول متعددة، تتصل اتصالا مباشرا بعنوان الباب، مما يدل على حسن
--------------------------------------------
* «আস-সিহাহ তাজুল লুগাহ ওয়া সিহাহুল আরাবিয়্যাহ» ইসমাঈল ইবন হাম্মাদ আবু নাসর আল-জাওহারী, ভাষাবিজ্ঞানের অন্যতম ইমাম, মৃত্যু ৩৯৩ হিজরি
(১), এবং «আস-সিহাহ» গ্রন্থটি বৈরুতের দারুল ইলম থেকে ১৪০৪ হিজরি/১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «মাকায়িসুল লুগাহ» আহমদ ইবন ফারিস, আবুল হুসাইন আল-লুগাবী, ভাষাবিজ্ঞানের অন্যতম ইমাম, মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি
(২), এবং «মাকায়িসুল লুগাহ» গ্রন্থটি কায়রোর আল-খানজী প্রেসে ১৪০২ হিজরি/১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে।
* «মুজাম মা ইস্তাজাম» আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল আজিজ, আবু উবাইদ আল-বাকরি আল-আন্দালুসি, তিনি একজন ভাষাবিদ ও ইতিহাসবিদ ইমাম ছিলেন, মৃত্যু ৪৮৭ হিজরি
(৩), এবং গ্রন্থটি বৈরুতের আলমুল কুতুব প্রেসে মুদ্রিত (তারিখবিহীন)।
এই বৈচিত্র্যময় উৎসসমূহ, যেগুলোর ওপর আল-মারজানি তাঁর গ্রন্থে নির্ভর করেছেন, তা আমাদের কাছে গ্রন্থটির জ্ঞানতাত্ত্বিক মূল্য স্পষ্ট করে
… এবং লেখকের ব্যাপক অধ্যয়ন ও তাঁর বিস্তৃত ইসলামি সংস্কৃতির পরিধি আমাদের সামনে তুলে ধরে। এটি আমাদের কাছে গ্রন্থটিতে নবুওয়াত কাল থেকে লেখকের যুগ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত ঐতিহাসিক সংবাদসমূহের ব্যাপ্তিও ফুটিয়ে তোলে।
দ্বিতীয় - গ্রন্থের বিষয়বস্তুলেখক তাঁর গ্রন্থটিকে একটি ভূমিকা ও দশটি বৃহৎ অধ্যায়ে বিষয়ভিত্তিক বিন্যাসে সাজিয়েছেন, যা গ্রন্থের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও স্পষ্ট শিরোনামে ভূষিত। প্রতিটি অধ্যায়ের অধীনে একাধিক পরিচ্ছেদ রয়েছে, যা অধ্যায়ের শিরোনামের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যা উত্তম... নির্দেশ করে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৬)
العرض والتبويب، ومدى فهم المؤلف لموضوع الكتاب، وسلامة المنهج، وحسن إخراج الكتاب.
والباب الأول بعنوان:
في ذكر حد قطر المدينة، وذكر أسمائها، وأول ساكنيها.
والباب الثاني بعنوان:
في ذكر فتح المدينة الشريفة، وذكر فضائلها، وتحريمها، وتحديد حدود حرمها، وحكم الصيد فيها.
والباب الرابع بعنوان:
في ذكر أودية المدينة الشريفة، وآبارها المنسوبة إلى النبي صلى الله عليه وسلم وفضل جبل أحد، وفضل الشهداء عنده.
والباب الخامس بعنوان:
في ذكر إجلاء بني النضير من المدينة، وحفر الخندق، وقتل بني قريظة بالمدينة.
الباب السادس بعنوان:
في ذكر مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وفضله، وما زيد فيه، أو نقص منه إلى هذا التاريخ.
الباب السابع بعنوان:
في ذكر المساجد التي صلى فيها النبي صلى الله عليه وسلم المعروفة بالمدينة الشريفة
উপস্থাপন ও বিন্যাস, কিতাবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে লেখকের উপলব্ধির পরিধি, পদ্ধতির বিশুদ্ধতা এবং গ্রন্থটির উত্তম প্রকাশনা।
প্রথম পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
মদিনার ব্যাসের সীমা, এর নামসমূহ এবং এর আদি অধিবাসীদের বর্ণনায়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
মদিনা শরীফ বিজয়, এর ফযিলতসমূহ, এর পবিত্রতা (হারাম হওয়া), হারামের সীমানা নির্ধারণ এবং এতে শিকারের বিধান বর্ণনায়।
চতুর্থ পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
মদিনা শরীফের উপত্যকাসমূহ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সম্পর্কিত এর কূপসমূহ, উহুদ পাহাড়ের ফযিলত এবং এর নিকটবর্তী শহীদদের ফযিলত বর্ণনায়।
পঞ্চম পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
মদিনা থেকে বনু নাযিরকে বহিষ্কার, খন্দক খনন এবং মদিনায় বনু কুরাইযাকে হত্যার বর্ণনায়।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদ ও এর ফযিলত, এবং এই তারিখ পর্যন্ত এতে যা কিছু বৃদ্ধি বা হ্রাস করা হয়েছে তার বর্ণনায়।
সপ্তম পরিচ্ছেদটির শিরোনাম:
মদিনা শরীফের পরিচিত সেই সকল মসজিদের বর্ণনায় যেগুলোতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ পড়েছেন।
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وغيرها.
الباب الثامن بعنوان:
في ابتداء خلقه صلى الله عليه وسلم وشرف نسبه، وطهارة مولده، وذكر أسمائه، وذكر وفاته، ووفاة صاحبيه، أبي بكر وعمر رضي الله عنهما، وذكر نبذ من فضائلهما.
الباب التاسع بعنوان:
في حكم زيارة النبي صلى الله عليه وسلم وفضلها، وكيفيتها، وحكم الصلاة والسلام على النبي، وفرض ذلك، وكيفيته، وفضيلته، والتوسل به إلى الله عز وجل، وإثبات حياته صلى الله عليه وسلم، وحرمته، وذكر ما شوهد في حرمه وحجرته من العجائب، أو رأى بها من الغرائب.
الباب العاشر بعنوان:
في ذكر بقيع الغرقد، وفضله، وكيفية زيارته، والحض على زيارة القبور مطلقا، وذكر من يعرف به من أهل البيت والصحابة وغيرهم.
ثالثا: دراسة موجزة عن مؤلف الكتاب.مما يدعو إلى الاستغراب أننا لا نجد في كتب التراجم شيئا عن المؤلف، عدا ما جاء في «العقد الثمين»
(1) لتقي الدين الفاسي، وفي «التحفة اللطيفة في تاريخ المدينة الشريفة»
(2) لشمس الدين السخاوي، وفي «قلادة النحر
--------------------------------------------
এবং অন্যান্য।
অষ্টম অধ্যায়, শিরোনাম:
তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সৃষ্টির সূচনা, তাঁর বংশের মর্যাদা, তাঁর জন্মের পবিত্রতা, তাঁর নামসমূহের বর্ণনা, তাঁর ওফাতের বর্ণনা এবং তাঁর দুই সাথী আবু বকর ও ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ওফাতের বর্ণনা এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠত্বের কিছু অংশ প্রসঙ্গে।
নবম অধ্যায়, শিরোনাম:
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর রওজা যিয়ারতের বিধান, এর ফযিলত ও পদ্ধতি; নবীর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠের বিধান, এর আবশ্যকতা, পদ্ধতি ও ফযিলত; মহান আল্লাহর নিকট তাঁর মাধ্যমে ওসিলা গ্রহণ; তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হায়াত ও তাঁর মর্যাদার প্রমাণ এবং তাঁর হারাম ও হুজরায় দেখা যাওয়া আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর বিষয়াবলির বর্ণনা প্রসঙ্গে।
দশম অধ্যায়, শিরোনাম:
বাকি আল-গারকাদ (জান্নাতুল বাকি)-এর আলোচনা, এর ফযিলত ও যিয়ারতের পদ্ধতি; সাধারণভাবে কবর যিয়ারতের অনুপ্রেরণা এবং সেখানে সমাহিত পরিচিত আহলে বাইত, সাহাবায়ে কেরাম ও অন্যান্যদের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
তৃতীয়ত: গ্রন্থকারের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।এটি বিস্ময়কর যে, জীবনী বিষয়ক গ্রন্থগুলোতে আমরা গ্রন্থকার সম্পর্কে তেমন কিছুই পাই না, কেবল তাকিউদ্দীন আল-ফাসি-এর «আল-ইকদ আস-সামিন»
(১), শামসুদ্দীন আস-সাখাভী-এর «আত-তুহফাতুল লাতিফাহ ফি তারিখিল মদিনাতিশ শারিফাহ»
(২) এবং «কিলাদাতুন নাহর» গ্রন্থে যা এসেছে তা ছাড়া
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৮)
في وفيات أعيان الدهر»
(1) لمحمد الطيب باخرمة، وفي الأوراق الملحقة في نهاية مصورة مخطوط الحرم المكي لكتاب «بهجة النفوس والأسرار في تأريخ دار هجرة النبي المختار»
(2) للمؤلف.
ويلاحظ أن ترجمة المؤلف التي وردت في «العقد الثمين» لتقي الدين الفاسي، جاءت مطابقة لما ورد في المصادر الأخرى، بمعنى أنها منقولة عن «العقد الثمين»، كما يلاحظ أيضا أن ترجمة المؤلف التي وردت في هذه المصادر - بصفة عامة - جاءت مقتضبة لا تشفي غليل البحث، وهي لا تتعدى اسمه، وكنيته، وعمله، وتسمية بعض الكتب التي صنفها، ومن بينها الكتاب موضوع التحقيق.
ولا نعرف لماذا أغفلت المصادر - التي بين أيدينا - ذكره، فلم تترجم له بطريقة ضافية، فهل كان ذلك مقصودا لعوامل نجهلها؟ أم أن المؤلف لم يكن بتلك الدرجة من الشهرة والمنزلة في ميدان العلم والتأليف بحيث لا يستحق أن تنوه به الكتب وأن تترجم له بطريقة ضافية؟
وقد يكون سبب عدم شهرة المؤلف أنه كان يؤثر العزلة في حياته، ولعله كان مرهقا في مهنته الخاصة في تعليم القرآن الكريم وإقرائه للأولاد الأيتام
(3)، وقد آثرها على الكسب من تقربه إلى ذوي السلطان، فلم يطرق أبوابهم، أو يتردد على مجالسهم، فابتعد بذلك عن مجالس الإشتهار.
وبمشيئة الله تعالى سوف أتناول المسائل الآتية في حياة المؤلف:
--------------------------------------------
মুহাম্মদ তাইয়্যেব বাখরামাহ রচিত ‘ওয়াফায়াতু আ'ইয়ানিদ দাহর’ গ্রন্থে
(১) এবং লেখকের ‘বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফি তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার’
(২) কিতাবটির মক্কা হারামের পাণ্ডুলিপির ফটোকপির শেষে সংযুক্ত পাতাসমূহে (তার জীবনী বর্ণিত হয়েছে)।
লক্ষ্যণীয় যে, তাকিউদ্দিন আল-ফাসি রচিত ‘আল-ইকদ আল-সামিন’ গ্রন্থে লেখকের যে জীবনী এসেছে, তা অন্যান্য উৎসে বর্ণিত তথ্যের সাথে হুবহু মিলে যায়; এর অর্থ হলো তা ‘আল-ইকদ আল-সামিন’ থেকেই সংগৃহীত হয়েছে। আরও লক্ষ্যণীয় যে, সাধারণত এই উৎসগুলোতে লেখকের যে জীবনী এসেছে তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত যা গবেষণার পিপাসা মেটায় না। এটি কেবল তার নাম, উপনাম, পেশা এবং তার রচিত কিছু কিতাবের নাম উল্লেখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, যার মধ্যে বর্তমানে সম্পাদিত কিতাবটিও রয়েছে।
আমাদের হাতে থাকা উৎসগুলো কেন তার উল্লেখ এড়িয়ে গেছে এবং বিস্তারিতভাবে তার জীবনী বর্ণনা করেনি তা আমাদের জানা নেই। তবে কি আমাদের অজানা কোনো কারণে এটি উদ্দেশ্যমূলক ছিল? নাকি লেখক জ্ঞান ও রচনাশৈলীর ময়দানে এমন স্তরের প্রসিদ্ধি ও মর্যাদার অধিকারী ছিলেন না যে কিতাবগুলোতে তার উল্লেখ করা হবে এবং বিস্তারিতভাবে তার জীবনী বর্ণনা করা হবে?
লেখকের অখ্যাত থাকার কারণ হতে পারে যে তিনি তার জীবনে নির্জনতাকে প্রাধান্য দিতেন। সম্ভবত তিনি এতিম শিশুদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা দান ও পাঠ করানোর নিজস্ব পেশায় নিমগ্ন ছিলেন
(৩)। তিনি ক্ষমতাশালীদের সান্নিধ্যে গিয়ে উপার্জনের চেয়ে এই কাজকেই প্রাধান্য দিয়েছিলেন; ফলে তিনি তাদের দ্বারে যাননি বা তাদের মজলিসে যাতায়াত করেননি, আর এভাবেই তিনি প্রসিদ্ধির ক্ষেত্রগুলো থেকে দূরে ছিলেন।
আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমি লেখকের জীবনের নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করব:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ২৯)
اسمه ونسبه:هو الشيخ أبو محمد عبد الله بن عبد الملك بن الشيخ أبي محمد عبد الله بن محمد بن محمد البكري
(1) القرشي التونسي الأصل، الأسكندري المولد، المكي الدار، المعروف بالمرجاني
(2)، الملقب ب «عفيف الدين»
(3).
مولده:لم تصرح المصادر التي بين أيدينا بتاريخ مولده، وإنما أشارت فقط، أنه ولد بالأسكندرية
(4).
نشأته:ينتمي عفيف الدين المرجاني إلى أسرة معروفة، ومشهورة بالعلم والتقوى والصلاح، فوالده عبد الملك بن عبد الله بن محمد بن محمد البكري، أبو مروان، المعروف بالمرجاني، التونسي الأصل نزيل مكة، وصحب الشيخ
--------------------------------------------
তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাকরি
(১) আল-কুরাশি, মূলগতভাবে তিউনিসীয়, জন্মসূত্রে আলেকজান্দ্রীয় এবং আবাসস্থলে মক্কী। তিনি আল-মুরজানি
(২) নামে পরিচিত এবং «আফিফ উদ্দিন»
(৩) উপাধিতে ভূষিত।
তাঁর জন্ম:আমাদের হাতে থাকা উৎসসমূহ তাঁর জন্মের তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেনি, বরং কেবল এই ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তিনি আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছেন
(৪)।
তাঁর লালন-পালন:আফিফ উদ্দিন আল-মুরজানি এমন এক পরিবারের অন্তর্ভুক্ত যারা ইলম, তাকওয়া ও নেককারিতার জন্য সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ। তাঁর পিতা আবদুল মালিক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাকরি, আবু মারওয়ান, যিনি আল-মুরজানি নামে পরিচিত, তিউনিসীয় বংশোদ্ভূত ও মক্কার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি শায়খের সাহচর্য লাভ করেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৩০)
نجم الدين الأصبهاني
(1)، وروى عنه، ومولده بتونس سنة أربع وثمانين وستمائة، وتوفي يوم الخميس سابع عشر جمادى الأولى سنة أربع وخمسين وسبعمائة بمكة، ودفن بالمعلاة
(2).
أما جده فهو: أبو محمد عبد الله بن محمد القرشي البكري المرجاني، التونسي، الإمام، القدوة، الواعظ المفسر، ذو الفنون، أحد الأعلام، كان عالما بمذهب الإمام مالك، ورأسا في التفسير، وعالما بالحديث، قدم مصر، وذكر بها واشتهر، ومات بتونس في ربيع الثاني سنة تسع وتسعين وستمائة
(3).
في بيئة عرفت بالعلم، نشأ بمكة «عفيف الدين المرجاني»، وكان ينتمي إلى دين وصلاح، ويشتغل بتعليم القرآن الكريم للأولاد والأيتام، ينام بحرم الله الشريف بمكة المكرمة، وهو مع ذلك في العلم، والفضل، والأدب، ولطافة الثياب والشأن، مع الحشمة والرياسة والسعادة والغنى عن الحاجة لما في أيدي الناس من الدنيا والمتاع
(4).
--------------------------------------------
নাজম উদ্দিন আল-আসবাহানী
(১), এবং তাঁর থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন। তাঁর জন্ম তিউনিসিয়ায় ৬৮৪ হিজরি সনে এবং তিনি ৭৫৪ হিজরি সনের ১৭ই জুমাদাল উলা বৃহস্পতিবার মক্কায় ইন্তেকাল করেন এবং তাকে মা'লাত কবরস্থানে দাফন করা হয়।
(২).
আর তাঁর দাদা হলেন: আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-কুরাশি আল-বাকরি আল-মারজানি, তিউনিসিয়, ইমাম, আদর্শ পুরুষ, বিদগ্ধ ওয়ায়েজ ও মুফাসসির, বহু বিদ্যায় পারদর্শী এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষী। তিনি ইমাম মালিকের মাযহাবে দক্ষ আলেম ছিলেন, তাফসীর শাস্ত্রে ছিলেন শীর্ষস্থানীয় এবং হাদীস শাস্ত্রেও পণ্ডিত ছিলেন। তিনি মিশরে এসেছিলেন এবং সেখানে আলোচিত ও প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। তিনি ৬৯৯ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে তিউনিসিয়ায় ইন্তেকাল করেন
(৩).
ইলমের জন্য সুপরিচিত এক পরিবেশে মক্কায় 'আফিফ উদ্দিন আল-মারজানি' বেড়ে ওঠেন। তিনি অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ ও নেককার ছিলেন এবং শিশুদের ও এতিমদের পবিত্র কুরআন শিক্ষাদানে নিয়োজিত থাকতেন। তিনি মক্কা মুকাররমায় আল্লাহর পবিত্র হারামে রাত্রিযাপন করতেন। এ সত্ত্বেও তিনি ইলম, মর্যাদা, আদব এবং পোশাক-পরিচ্ছদ ও জীবনযাপনের পরিচ্ছন্নতায় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিলেন। এর পাশাপাশি তাঁর মধ্যে ছিল গাম্ভীর্য, নেতৃত্ব ও সৌভাগ্য এবং মানুষের হাতের পার্থিব ধন-সম্পদ ও ভোগবিলাসের প্রতি চরম নির্লিপ্ততা
(৪).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহজাতুন নুফুস ওয়াল আসরার ফী তারিখি দারি হিজরাতিল নাবিয়্যিল মুখতার
(পৃষ্ঠা: ৩১)
شيوخه:لم تصرح المصادر التي بين أيدينا - التي ترجمت للمؤلف - بأسماء الشيوخ الذين تلقى عليهم العلم، فإذا رجعنا إلى الترجمة التي أوردها «تقي الدين الفاسي» عن المؤلف، وبعد أن ذكر اسمه قال: «وسمع من
… »
(1) هكذا بياض في أصل كتاب «العقد الثمين لتقي الدين الفاسي»، وقد نقل «بامخرمة في قلادة النحر» ما أورده تقي الدين الفاسي بتمامه، فقد ذكر اسمه، ثم أورد عبارة تقي الدين الفاسي «سمع من
… »
(2).
فالمصادر التي بين أيدينا - التي ترجمت للمؤلف - لم تصرح بأسماء شيوخه وتلاميذه، وكل ما وقفت عليه من خلال قراءة كتاب «بهجة النفوس» للمؤلف، ذكر في (ق 238) الفصل التاسع من الباب الثامن، وهو يتحدث عن نقش خاتم أبي بكر الصديق رضي الله عنه قال المؤلف: «سمعت من الأستاذ الكبير ابن سيد الناس
… ».
ومعنى ذلك أن المؤلف سمع من ابن سيد الناس، ولذا اعتبرته ممن سمع عنه.
وابن سيد الناس هو: محمد بن محمد بن محمد بن يحيى اليعمري، فتح الدين، أبو الفتح، المعروف ب «ابن سيد الناس» الأندلسي الأصل، المصري، الإمام الحافظ، والأديب البارع، ولي درس الحديث بالظاهرية وغيرها، وألف السيرة النبوية، وسماها «عيون الأثر في فنون المغازي والسير»، توفي في شعبان سنة أربع وثلاثين وسبعمائة
(3).
--------------------------------------------
তাঁর শিক্ষকগণ:আমাদের হাতে থাকা উৎসগ্রন্থগুলো—যা লেখকের জীবনী আলোচনা করেছে—তাতে সেই শিক্ষকদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি যাদের নিকট তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন। যদি আমরা 'তাকিউদ্দীন আল-ফাসি' কর্তৃক লেখকের যে জীবনী বর্ণিত হয়েছে সেদিকে ফিরে তাকাই, তবে তিনি তাঁর নাম উল্লেখ করার পর বলেছেন: "তিনি শুনেছেন
... থেকে"
(১)। তাকিউদ্দীন আল-ফাসির 'আল-ইকদ আল-ছামীন' গ্রন্থের মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই শূন্যস্থান রয়েছে। 'কিলাদাতুন নাহর' গ্রন্থে 'বামখরামা' তাকিউদ্দীন আল-ফাসির বর্ণিত অংশটি পূর্ণাঙ্গভাবে উদ্ধৃত করেছেন; তিনি তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন এবং তারপর তাকিউদ্দীন আল-ফাসির সেই বাক্যটিই উল্লেখ করেছেন যে, "তিনি শুনেছেন
... থেকে"
(২)।
সুতরাং আমাদের হাতে থাকা উৎসগ্রন্থগুলো—যা লেখকের জীবনী বর্ণনা করেছে—তাতে তাঁর শিক্ষক এবং ছাত্রদের নাম স্পষ্টভাবে আসেনি। লেখকের 'বাহজাতুন নুফুস' গ্রন্থটি পড়ার মাধ্যমে আমি যা কিছু পেয়েছি তা হলো, এর (পৃষ্ঠা ২৩৮)-এ অষ্টম অধ্যায়ের নবম পরিচ্ছেদে, যেখানে তিনি আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর আংটির খোদাই নিয়ে আলোচনা করছেন, সেখানে লেখক বলেছেন: "আমি মহান উস্তাদ ইবনুল সাইয়্যিদুন নাস
... এর নিকট থেকে শুনেছি।"
এর অর্থ হলো লেখক ইবনুল সাইয়্যিদুন নাস থেকে শ্রবণ করেছেন, আর এ কারণেই আমি তাঁকে তাদের মধ্যে গণ্য করেছি যাদের থেকে তিনি শুনেছেন।
আর ইবনুল সাইয়্যিদুন নাস হলেন: মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-ইয়া’মারি, ফাতহুদ্দীন, আবুল ফাতহ, যিনি 'イবনুল সাইয়্যিদুন নাস' নামে পরিচিত। তিনি মূলে আন্দালুসীয় কিন্তু অধিবাসী হিসেবে মিসরীয়, ইমাম, হাফেজ এবং একজন দক্ষ সাহিত্যিক। তিনি জাহিরিয়্যা ও অন্যান্য স্থানে হাদিসের পাঠদানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাত রচনা করেছেন এবং এর নামকরণ করেছেন 'উয়ুনুল আসার ফি ফুনুনিল মাগাজি ওয়াস সিয়ার'। তিনি ৭৩৪ হিজরির শাবান মাসে মৃত্যুবরণ করেন
(৩)।
--------------------------------------------