(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: -)
الشمس في نصف الليل (محمد تقي الدين الهلالي)
القسم: الفقه العام
الكتاب: الشمس في نصف الليل
المؤلف: أبو شكيب محمد تقي الدين بن عبد القادر الهلالي (ت 1407هـ)
الناشر: الجامعة الاسلامية بالمدينة المنورة
الطبعة: السنة الثانية - العدد الثالث محرم 1390 هـ/1970م
عدد الصفحات: 44
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাঝরাতে সূর্য (মুহাম্মদ তাকিউদ্দীন আল-হিলালি)
বিভাগ: সাধারণ ফিকহ
বই: মাঝরাতে সূর্য
লেখক: আবু শাকীব মুহাম্মদ তাকিউদ্দীন বিন আব্দুল কাদির আল-হিলালি (মৃত্যু ১৪০৭ হিজরি)
প্রকাশক: মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
সংস্করণ: দ্বিতীয় বর্ষ - তৃতীয় সংখ্যা, মহররম ১৩৯০ হিজরি/১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
الشمس في نصف الليلللدكتور تقي الدين الهلالي المدرس بكلية الدعوة وأصول الدينكنت قرأت منذ زمن طويل أخبار القبائل التي تسمى (إسكمو) وأحوال معيشتهم، ومساكنهم وأسفارهم وحالة الجو في بلادهم، وذلك معروف في كتب الجغرافية، والذي يهمنا هنا من أخبار الأراضي القطبية ما شاع أن السنة عندهم يوم واحد، نهار وليلة، ستة أشهر للنهار، وستة أشهر لليل.ولم أؤمل قط أن أرى تلك الأراضي، لما قرأته من شدة البرد وتراكم الثلوج هناك، وأنهم يلجئون إلى لبس الجلود والاختباء في بيوت يحيط بها الثلج من كل جانب، إلى غير ذلك من الأخبار.
মধ্যরাতে সূর্যডক্টর তকীউদ্দীন আল-হিলালী কর্তৃক, যিনি দাওয়াহ ও ধর্মের মূলনীতি (أصول الدين) অনুষদের শিক্ষকসুদীর্ঘকাল পূর্বে আমি ‘এস্কিমো’ নামক উপজাতিদের বৃত্তান্ত, তাদের জীবনপ্রণালী, আবাসস্থল, সফর এবং তাদের দেশের আবহাওয়া সম্পর্কে পাঠ করেছিলাম; যা ভূগোলশাস্ত্রে সুপরিচিত। মেরু অঞ্চলের সংবাদসমূহের মধ্য হতে আমাদের নিকট এখানে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সেই প্রচলিত বর্ণনা যে, সেখানে পুরো বছর কেবল একটি দিন ও একটি রাত; অর্থাৎ ছয় মাস দিন এবং ছয় মাস রাত।তীব্র শীত ও সেখানে তুষারপুঞ্জ স্তূপীকৃত হওয়ার যে বর্ণনা আমি পাঠ করেছিলাম, তার দরুন সেই ভূমিগুলো দেখার কোনো আকাঙ্ক্ষা আমার কখনোই জাগেনি। তাছাড়া তারা পশুর চামড়া পরিধান করতে এবং চতুর্দিক থেকে তুষারবেষ্টিত ঘরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়; এ জাতীয় আরও অনেক সংবাদ পড়ার কারণেও আমার এমন ধারণা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
وفي صيف سنة 1936اجتمعت بالدكتور/ زين العابدين خير الله الحلبي وكان أستاذاً في مستشفى الأمراض الخاصة بالنساء في جامعة مار بورك بألمانيا، فأخبرني أن الأراضي القطبية واسعة، وليست محصورة في الأراضي التي يسكنها قبائل (إسكمو) وأنه هو نفسه زار الأراضي القطبية في شمال النرويج، وأن سكانها متمدنون، وأنه أقام هناك نحو اثني عشر يوماً لم ير فيها ظلمة ولا ليلاً، بل كلها كانت نهاراً.ومن ذلك الحين عزمت على زيارة هذه الأراضي في أقرب وقت ممكن. فلما أشرفت السنة الدراسية على نهايتها ذهبت إلى السفارة النرويجية في الرباط، وسألتها عن الأراضي القطبية التي لا تغيب فيها الشمس بضعة أشهر، فأخبروني أن الأمر كذلك، وأن هناك نواحي تابعة للحكومة النرويجية تبقى الشمس فيها مشرقة مدة ثلاثة أشهر من أول مايو (أيار) إلى آخر يوليو (تموز) فتأهبت للرحلة وتوجهت من مكناس في سيارتي يسوقها الحاج أحمد هارون في اليوم الثاني من يوليو، وسرنا متوكلين على الله من مكناس إلى تطوان، ثم عبرنا البحر من سبتة إلى الجزيرة الخضراء، ثم سرنا عبر إسبانيا ففرنسا فألمانيا، فالدانمارك، فالسويد فالنرويج، وتركنا السيارة في مدينة (أوسلو) عاصمة النرويج، وركبنا القطار والسيارات مدة يومين، فوصلنا مدينة (ناروك) ، وشاهدنا الشمس مشرقة مدة أربعة وعشرين ساعة.
১৯৩৬ সালের গ্রীষ্মকালে আমি ডক্টর জয়নুল আবেদিন খায়রুল্লাহ আল-হালাবির সাথে সাক্ষাৎ করি, যিনি জার্মানির মারবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ হাসপাতালের একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, মেরু অঞ্চলসমূহ অত্যন্ত প্রশস্ত এবং তা কেবল 'এস্কিমো' উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি স্বয়ং উত্তর নরওয়ের মেরু অঞ্চলসমূহ ভ্রমণ করেছেন এবং সেখানকার অধিবাসীরা অত্যন্ত সভ্য। তিনি সেখানে প্রায় বারো দিন অবস্থান করেন, যে সময়ে তিনি কোনো অন্ধকার বা রাত প্রত্যক্ষ করেননি; বরং পুরোটা সময়ই দিন ছিল।সেই সময় থেকেই আমি যত দ্রুত সম্ভব এই অঞ্চলগুলো পরিদর্শনের সংকল্প করি। অতঃপর যখন শিক্ষাবর্ষ সমাপ্তির নিকটবর্তী হলো, আমি রাবাতে অবস্থিত নরওয়েজীয় দূতাবাসে গমন করি এবং তাদের কাছে সেই মেরু অঞ্চলসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি যেখানে কয়েকমাস সূর্য অস্তমিত হয় না। তারা আমাকে অবহিত করেন যে বিষয়টি প্রকৃতপক্ষেই সেরূপ এবং নরওয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এমন কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে মে মাসের শুরু থেকে জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত টানা তিন মাস সূর্য প্রদীপ্ত থাকে। ফলে আমি এই সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করি এবং জুলাই মাসের দ্বিতীয় দিবসে হাজি আহমদ হারুনের চালিত নিজ গাড়িতে করে মিকনাস থেকে রওয়ানা হই। আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে মিকনাস থেকে তিতওয়ান অভিমুখে যাত্রা করি, অতঃপর সেউতা থেকে সমুদ্র পার হয়ে আলজাসিরাস পৌঁছাই। এরপর আমরা স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ডেনমার্ক ও সুইডেন হয়ে নরওয়ে অতিক্রম করি। নরওয়ের রাজধানী 'অসলো'-তে আমরা গাড়ি রেখে দুই দিনব্যাপী ট্রেন ও যানবাহনে ভ্রমণ করে 'নারভিক' শহরে পৌঁছাই এবং সেখানে চব্বিশ ঘণ্টা সূর্যকে প্রদীপ্ত অবস্থায় প্রত্যক্ষ করি।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
أوقات الصلاة في الأراضي القطبيةكنت عازما قبل أن أصل إلى تلك البلاد أن أصلي خمس صلوات في مدة اثنتي عشر ساعة، ثم أترك الصلاة اثنتي عشر ساعة، فتكون خمس صلوات في أربع وعشرين ساعة.فلما وصلت إلى تلك البلاد تغير رأيي، وظهر لي أن تُتبَع أوقاتُ الصلاة في تلك البلاد الأراضي الجنوبية من البلاد النرويجية، فيصلي المصلي صلاة الصبح وقت طلوع الفجر في الجنوب، ويصلي الظهر حين تزول الشمس في الجنوب، وهكذا الشأن في جميع الصلوات، بناء على قاعدة: "ما قرب من الشيء يعطي حكمه"، وكذلك يفعل الصائم في رمضان إذا جاء في وقت الشمس، أو في وقت الظلام.
মেরু অঞ্চলে নামাজের সময়সমূহউক্ত দেশগুলোতে পৌঁছানোর পূর্বে আমার সংকল্প ছিল যে, আমি বারো ঘণ্টা সময়ের মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করব এবং পরবর্তী বারো ঘণ্টা নামাজ থেকে বিরত থাকব; যাতে চব্বিশ ঘণ্টায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সম্পন্ন হয়।অতঃপর যখন আমি সেই দেশগুলোতে পৌঁছালাম, তখন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হলো এবং আমার নিকট এটিই প্রতীয়মান হলো যে, ওই অঞ্চলগুলোতে নরওয়ের দক্ষিণাঞ্চলীয় ভূখণ্ডের নামাজের সময় অনুসরণ করা কর্তব্য। অতএব, মুসল্লি ফজরের নামাজ আদায় করবেন যখন দক্ষিণে ফজর উদিত হয় এবং জোহরের নামাজ আদায় করবেন যখন দক্ষিণে সূর্য ঢলে পড়ে। সমস্ত নামাজের ক্ষেত্রেই এই একই পদ্ধতি অনুসৃত হবে। এটি এই মূলনীতির (قاعدة) ভিত্তিতে যে: "কোনো জিনিসের নিকটবর্তী বস্তু সেই জিনিসের বিধানেরই (حكم) অন্তর্ভুক্ত হয়।" অনুরূপভাবে রমজানে রোজা পালনকারীও একই রূপ আমল করবেন, যদি তা এমন সময়ে পড়ে যখন কেবল সূর্যই থাকে অথবা কেবল অন্ধকারই বিদ্যমান থাকে।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
هل في الأراضي القطبية فصول؟ينبغي أن يعلم أن في تلك البلاد ما يشبه الفصول الأربعة، وقد تقدم أن الشمس تستمر مشرقة من أول مايو (أيار) إلى آخر يوليو (تموز) ثم تغيب غياباً جزئياً في أول غشت (آب) في كل يوم تبقى غائبة أكثر من اليوم الذي قبله، فيكون الليل قصيراً والنهار طويلاً، ولا يزال الأمر كذلك، يزداد الليل طولاً والنهار قصراً إلى آخر أكتوبر (تشرين الثاني) فتغيب الشمس وتبقى ثلاثة أشهر غائبة.وفي أول فبراير (شباط) تطلع الشمس، ثم لا تلبث أن تغيب، فيكون النهار قصيراً والليل طويلاً، ولا يزال النهار يطول، والليل يقصر إلى آخر إبريل (نيسان) ثم ينعدم الليل. فهذه مدد تشبه الفصول الأربعة في البلاد التي يكون فيها الليل والنهار طول السنة.وقد عرفنا حكم أوقات الصلاة في الأشهر الثلاثة الشمسية، ومثلها الأشهر الثلاثة المظلمة. بقي حكم أوقات الصلاة في ربيع تلك البلاد وخريفها، وهما مدتان، يكون فيهما ليل جزئي ونهار جزئي، فكيف الحكم في أوقات الصلاة والصيام؟لا يمكن أن نفكر في هذه المسألة ثم نبدي رأينا فيها إلا إذا أحطنا علماً بليلها ونهارها، كيف يطول وكيف يقصر، فالليلة الأولى بعد انتهاء مدة الشمس، وهي أول ليلة من غشت (آب) كم طولها؟فإذا كان طولها نصف ساعة أو أقل، فهل يحكم عليها بأنها ليلة تصلى فيها المغرب والعشاء والصبح عند نهايتها، ويفطر الصائم ويتسحر فيها، ويصوم نهارها، ويصلي الظهر والعصر في وسطه، أم يستمر على اعتبار توقيت العاصمة (أوسلو) ويعتبر الليل ليلاً، والنهار نهاراً؟ وما مقدار الساعات التي يبلغها الليل طولاً حتى يعتبر أنه ليل، وإذا مضى أكثر الأشهر الثلاثة وقصر النهار جداً يعود السؤال نفسه. وهكذا يقال في المدة الثانية التي تبتدئ من شهر فبراير (شباط) وتنتهي في آخر إبريل (نيسان) .فإن قيل: أنت أول من بدأ هذا البحث، فعليك أن تجيب عن
মেরু অঞ্চলে কি ঋতু পরিবর্তন বিদ্যমান؟এটি জানা আবশ্যক যে, সেই দেশগুলোতে এমন কিছু অবস্থা রয়েছে যা চারটি ঋতুর সাদৃশ্যপূর্ণ। ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে যে, মে মাসের শুরু থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত সূর্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কিরণ দিতে থাকে। এরপর আগস্টের শুরুতে আংশিকভাবে অস্তমিত হওয়া শুরু করে; প্রতিদিন তা পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকে। ফলে রাত ছোট এবং দিন দীর্ঘ হয়। পরিস্থিতি এভাবেই চলতে থাকে এবং অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত রাত দীর্ঘ ও দিন ছোট হতে থাকে। অতঃপর সূর্য পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায় এবং টানা তিন মাস তা অনুপস্থিত থাকে।ফেব্রুয়ারির শুরুতে সূর্য উদিত হয়, এরপর অতি দ্রুত তা অস্তমিত হয়। ফলে দিন ছোট এবং রাত দীর্ঘ হয়। এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত দিন দীর্ঘ এবং রাত ছোট হতে থাকে, অতঃপর রাত বিলীন হয়ে যায়। এগুলো এমন কিছু সময়কাল যা সেই দেশগুলোর চারটি ঋতুর অনুরূপ যেখানে সারা বছর রাত ও দিন বিদ্যমান থাকে।আমরা ইতিপূর্বে সৌর মাসত্রয় এবং একইভাবে অন্ধকারাচ্ছন্ন মাসত্রয়ের সালাতের সময়ের বিধান (حكم) সম্পর্কে জেনেছি। এখন সেই দেশগুলোর বসন্ত ও শরৎকালীন সালাতের সময়ের বিধান (حكم) সম্পর্কে জানা অবশিষ্ট রয়েছে। এই দুটি এমন সময়কাল যখন আংশিক রাত এবং আংশিক দিন থাকে। এমতাবস্থায় সালাত এবং সিয়ামের সময়ের বিধান (حكم) কী হবে?এই মাসআলা (مسألة) নিয়ে চিন্তা করা এবং তাতে আমাদের অভিমত ব্যক্ত করা ততক্ষণ সম্ভব নয়, যতক্ষণ না আমরা সেখানকার রাত ও দিন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করি—তা কিভাবে দীর্ঘ হয় এবং কিভাবে ছোট হয়। সূর্যের আলোককাল শেষ হওয়ার পর প্রথম রাতটি, অর্থাৎ আগস্টের প্রথম রাতের দৈর্ঘ্য কতটুকু?যদি সেই রাতের দৈর্ঘ্য আধা ঘণ্টা বা তার কম হয়, তবে কি এর ওপর এমন বিধান (حكم) প্রয়োগ করা হবে যে, সেখানে মাগরিব, এশা এবং শেষে ফজর আদায় করা হবে এবং রোজা পালনকারী সেখানে ইফতার ও সেহরি সম্পন্ন করবে, দিনের বেলায় সিয়াম পালন করবে এবং মধ্যভাগে জোহর ও আসর আদায় করবে? নাকি রাজধানীর (অসলো) সময়সূচি অনুসরণ করা অব্যাহত থাকবে এবং রাতকে রাত ও দিনকে দিন হিসেবে গণ্য করা হবে? আর রাত হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য রাতের দৈর্ঘ্য কতটুকু হওয়া প্রয়োজন? আবার যখন তিন মাসের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত হয় এবং দিন খুব ছোট হয়ে আসে, তখনো একই প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। একইভাবে দ্বিতীয় সময়কালের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য যা ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়ে এপ্রিলের শেষে সমাপ্ত হয়।যদি বলা হয়: আপনিই প্রথম এই গবেষণাটি শুরু করেছেন, তাই আপনার ওপরই এর উত্তর প্রদান করা আবশ্যক...
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
أسئلتك، وتبدي رأيك؟ قلت: يمنعني من ذلك أنني من أهل الحديث المتبعين للسلف الصالح المتجنبين للرأي، المعتبرينه كالميتة لا يجوز الأكل منها إلا بقدر الضرورة. فما نزل من المسائل وتحقق وقوعه، وسئلنا عنه أفتينا فيه بالرأي قائلين: إن كان صواباً فمن الله، وإن كان خطأً فمنا، والله بريء منه، كما قال عبد الله بن مسعود. أما مدة الشمس فقد وجب علينا أن نجتهد في حكم أوقات الصلاة فيها، لأن ذلك وقع ونزل، وقسنا عليه مدة الظلام، لأنهما سواء. أما المدتان الأخريان فندعهما حتى يحتاج بعض المسلمين إلى معرفة الحكم، فييسر الله له من يفتيه.وقد كان السلف الصالح، إذا سئل أحدهم عن مسألة استحلف السائل بالله، أنها وقعت، فإن حلف له أفتى فيها برأيه، وإلا قال: دعها إذا نزلت ييسر الله لها من يفتي فيها.وما زعمه بعض المتقدمين من أن بلاد بلغار يقصر فيها الليل والنهار جداً وهم، وقد لاحظت أن الليلة الأخيرة التي مضت قبل وصولنا إلى بلاد الشمس في نصف الليل، كما يسمونها، لم تكن مظلمة، حتى أني مع ضعف بصري، وأنا راكب في السيارة كنت أرى الأشجار، وأغصانها ولا توجد ظلمة أصلاً، إلا أن الشمس مختفية، ومن حين يتوسط الإنسان بلاد النرويج متوجهاً من الجنوب إلى الشمال تقل ظلمة الليل شيئاً فشيئاً حتى تنعدم بانعدام الليل نفسه. فسبحان الخلاق العليم.ولاحظت أيضاً: كما لاحظ من معي أن الشمس في نصف الليل تكون قريبة من الأرض كأنها تريد أن تغيب، لكنها لا تغيب، بل تأخذ في الارتفاع وتدور في السماء، فتشكل دائرة من نصف الليل إلى نصف الليل. قال الله تعالى في سورة الحج: {أَفَلَمْ يَسِيرُوا فِي الأَرْضِ فَتَكُونَ لَهُمْ قُلُوبٌ يَعْقِلُونَ بِهَا أَوْ آذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا فَإِنَّهَا لا تَعْمَى الأَبْصَارُ وَلَكِنْ تَعْمَى الْقُلُوبُ الَّتِي فِي الصُّدُورِ} فأخبر سبحانه وتعالى أن السير في الأرض يزيد في العقل والعلم المكتسب بالتجارب، وقل ربي زدني علماً.وهناك في تلك الناحية قبائل بدوية
আপনার প্রশ্নসমূহ এবং আপনি কি আপনার মতামত ব্যক্ত করবেন? আমি বললাম: আমাকে তা থেকে বিরত রাখে এই যে, আমি আহলুল হাদিসের অন্তর্ভুক্ত যারা সালফে সালেহীনদের অনুসারী এবং ব্যক্তিগত মতামত (رأي) পরিহারকারী; যারা এটিকে মৃত পশুর ন্যায় বিবেচনা করেন যেখান থেকে প্রয়োজন ব্যতীত ভক্ষণ করা বৈধ নয়। সুতরাং যেসব মাসআলা উদ্ভূত হয়েছে এবং যার সংঘটিত হওয়া নিশ্চিত হয়েছে, আর সে সম্পর্কে আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, আমরা সে বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামতের (رأي) ভিত্তিতে ফতোয়া দিয়েছি এই বলে: যদি তা সঠিক হয় তবে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যদি ভুল হয় তবে তা আমাদের পক্ষ থেকে এবং আল্লাহ তা থেকে মুক্ত; যেমনটি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেছিলেন। আর সূর্যের স্থিতিকালের বিষয়ে আমাদের ওপর ওয়াজিব হয়েছে যে, আমরা সেখানে নামাজের সময়ের বিধান নিয়ে ইজতিহাদ করব, কারণ তা বাস্তবে সংঘটিত হয়েছে এবং আমরা এর ওপর অন্ধকারের স্থিতিকালকে কিয়াস (قياس) করেছি, যেহেতু উভয়ই সমান। আর অন্য দুটি সময়ের ব্যাপারে আমরা তা স্থগিত রাখছি যতক্ষণ না কোনো মুসলিমের সেই বিধান জানার প্রয়োজন পড়ে, তখন আল্লাহ তার জন্য এমন কাউকে সহজ করে দেবেন যিনি তাকে ফতোয়া দেবেন।এবং সালফে সালেহীনদের রীতি ছিল এমন যে, যখন তাদের কাউকে কোনো মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হতো, তখন তিনি প্রশ্নকারীকে আল্লাহর নামে শপথ করাতেন যে সেটি বাস্তবে ঘটেছে কি না। যদি সে শপথ করত, তবে তিনি সে বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামতের (رأي) ভিত্তিতে ফতোয়া দিতেন। অন্যথায় বলতেন: এটি বাদ দাও, যখন এটি ঘটবে তখন আল্লাহ এর জন্য এমন কাউকে সহজ করে দেবেন যিনি সে বিষয়ে ফতোয়া দেবেন।আর পূর্ববর্তীগণের (متقدمون) কেউ কেউ বুলগেরিয়া অঞ্চলে রাত ও দিন অত্যন্ত ছোট হওয়ার যে দাবি করেছেন তা একটি বিভ্রান্তি (وهم)। আমি লক্ষ্য করেছি যে, মধ্যরাতের সূর্যের দেশে—তারা যাকে যেভাবে অভিহিত করে—পৌঁছানোর আগে যে শেষ রাতটি অতিবাহিত হয়েছে, তা অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল না। এমনকি আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও গাড়িতে আরোহী অবস্থায় আমি গাছপালা ও তার ডালপালা দেখতে পাচ্ছিলাম এবং সেখানে আদৌ কোনো অন্ধকার ছিল না, শুধু সূর্যটা ছিল নেপথ্যে। যখন কোনো ব্যক্তি দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে নরওয়ের মধ্যভাগে অগ্রসর হয়, তখন রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং একপর্যায়ে রাতের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার সাথে সাথে অন্ধকারও শেষ হয়ে যায়। অতএব, মহাজ্ঞানী স্রষ্টার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।আমি এবং আমার সাথে যারা ছিলেন তারাও লক্ষ্য করেছেন যে, মধ্যরাতে সূর্য পৃথিবীর কাছাকাছি থাকে যেন মনে হয় তা ডুবে যাবে, কিন্তু তা ডুবে যায় না; বরং উপরে উঠতে থাকে এবং আকাশে ঘুরতে থাকে, ফলে তা এক মধ্যরাত থেকে অন্য মধ্যরাত পর্যন্ত একটি বৃত্ত তৈরি করে। আল্লাহ তাআলা সূরা আল-হাজ্জ-এ ইরশাদ করেছেন: {তবে কি তারা জমিনে পরিভ্রমণ করেনি? তাহলে তাদের এমন হৃদয় হতো যা দ্বারা তারা বুঝতে পারত অথবা এমন কান হতো যা দ্বারা তারা শুনতে পারত। প্রকৃতপক্ষে চোখ তো অন্ধ হয় না, বরং বক্ষস্থিত হৃদয়ই অন্ধ হয়ে থাকে।} অতএব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সংবাদ দিয়েছেন যে, পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করা মানুষের বুদ্ধি এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে বৃদ্ধি করে। আর বলুন: হে আমার প্রতিপালক, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।আর সেখানে ওই অঞ্চলে যাযাবর গোত্রসমূহ রয়েছে
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
تسكن الخيام، ولها ماشية، وهي الأيائل، وهي نوع من الحيوان يشبه الظباء، إلا أنها أكبر منها، وقرونها متشعبة -كالأشجار- يحلبونها ويأكلون لحومها، وينتفعون بجلودها. ولا يستطيع شيء من سائر الحيوان كالبقر والغنم أن يعيش في تلك البلاد غير الأيائل، لشدة بردها، وكثرة ثلوجها، ولتلك القبائل لباس خاص.وسمعت أنهم وثنيون، لا يدينون بالنصرانية التي يدين بها أهل تلك البلاد، ولا أعلم مقدار هذا الخبر من الصحة، وليس هذا الجو خاصاً بشمال النرويج، بل يعم كذلك شمالي السويد.وقد علمت أن من أراد أن يشاهد الأراضي القطبية التي في شمال السويد يستطيع أن يسافر إليها بالقطار.أما مدينة ناروك التي تقدم ذكرها فقد سافرنا إليها من (أوسلو) ، بعض المسافة بالقطار، وبعضها بالسيارة، وكنا في كل بضع ساعات نجتاز خليجاً من خلجان البحر، بمعدّية، وهي باخرة كبيرة، تدخلها السيارات، فتبقى فيها نصف ساعة أو أكثر حتى تصل إلى البر، فتخرج السيارة منها وتستأنف سيرها.وقد رأيت القطار نفسه يعبر البحر في معدّية بين ألمانيا الشرقية والدانمارك في مدة ساعتين. وتلك المعدّية الضخمة عظيمة الحجم، ذات ثلاث طبقات، يصعد إلى الطبقة العليا بالمصعد الكهربائي.وهناك معدّية رأيتها تستعمل بين سبتة والجزيرة الخضراء، وهي أيضاً عظيمة، ولكنها دون تلك، وليس مقصودي أن أصف هذه الرحلة، لأن وصفها يحتاج إلى مؤَلَّف مستقل، وإنما ذكرت ما تقدم استطراداً.
তারা তাঁবুতে বসবাস করে এবং তাদের গবাদি পশু রয়েছে, যা হলো রেইনডিয়ার। এগুলো এক প্রকার প্রাণী যা হরিণের মতো, তবে আকারে বড় এবং এদের শিং গাছের মতো শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট। তারা এদের দুধ দোহন করে, এদের মাংস খায় এবং এদের চামড়া ব্যবহার করে। অত্যধিক শীত এবং প্রচুর তুষারপাতের কারণে গরু বা ভেড়ার মতো অন্য কোনো প্রাণী ওই অঞ্চলে রেইনডিয়ার ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে না। সেই গোত্রগুলোর বিশেষ পোশাক রয়েছে।আমি শুনেছি যে তারা মূর্তিপূজারি, তারা ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মতো খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী নয়। এই সংবাদটির (خبر) বিশুদ্ধতা (صحة) কতটুকু তা আমার জানা নেই। আর এই পরিবেশ শুধু উত্তর নরওয়ের জন্যই নির্দিষ্ট নয়, বরং এটি উত্তর সুইডেনকেও অন্তর্ভুক্ত করে।আমি জানতে পেরেছি যে, কেউ যদি উত্তর সুইডেনের মেরু অঞ্চল দেখতে চায়, তবে সে ট্রেনে করে সেখানে ভ্রমণ করতে পারে।আর পূর্বোল্লিখিত নারভিক শহরের কথা বললে, আমরা ওসলো থেকে সেখানে ভ্রমণ করেছিলাম; পথের কিছু অংশ ট্রেনে এবং কিছু অংশ গাড়িতে। আমরা প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপর ফেরিযোগে সমুদ্রের একটি উপসাগর পার হতাম। এটি একটি বড় জাহাজ যাতে গাড়ি প্রবেশ করে এবং ডাঙায় পৌঁছানো পর্যন্ত সেখানে আধা ঘণ্টা বা তার বেশি সময় অবস্থান করে, তারপর গাড়িটি জাহাজ থেকে বেরিয়ে পুনরায় চলতে শুরু করে।আমি স্বয়ং ট্রেনটিকে পূর্ব জার্মানি ও ডেনমার্কের মধ্যবর্তী সমুদ্রে একটি ফেরিতে করে দুই ঘণ্টায় পার হতে দেখেছি। সেই বিশাল ফেরিটি আয়তনে অনেক বড় এবং তিন তলাবিশিষ্ট ছিল, যেখানে বৈদ্যুতিক লিফটের মাধ্যমে উপরের তলায় ওঠা যায়।এছাড়া আমি একটি ফেরি দেখেছি যা সিউটা ও আলজাসিরাসের মধ্যে চলাচল করে; সেটিও অনেক বড়, তবে পূর্বোক্ত ফেরিটির মতো নয়। আমার উদ্দেশ্য এই সফরের বর্ণনা দেওয়া নয়, কারণ এর বর্ণনার জন্য একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থের প্রয়োজন। আমি যা উল্লেখ করেছি তা কেবল প্রসঙ্গক্রমে এসেছে।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
من وحي الأندلس قصيدة من بحر جديد:لما مررنا بأرض الأندلس في رحلتنا إلى شمال أوروبا تذكرت أهل الأندلس المسلمين، وما كان لهم من المجد والسؤدد، فقلت هذه القصيدة، وهي من بحر جديد اخترعته. وأجزاؤه أربعة: مستفعلاتكم مستفعلين مرتين. له عروض واحدة صحيحة، لها ضربان، أولهما مذيل، والثاني عار عن التذييل.
আন্দালুসের অনুপ্রেরণা থেকে একটি নতুন ছন্দের কবিতা:উত্তর ইউরোপ সফরের পথে যখন আমরা আন্দালুস ভূমি অতিক্রম করছিলাম, তখন আমি আন্দালুসের মুসলিম অধিবাসী এবং তাদের সেই গৌরব ও সার্বভৌমত্বের কথা স্মরণ করলাম। ফলে আমি এই কবিতাটি রচনা করলাম, যা আমারই উদ্ভাবিত একটি নতুন ছন্দ থেকে। এর রুকনসমূহ চারটি: মুস্তাফ-ইলাতু-কুম মুস্তাফ-ইলিন দুইবার। এর একটিই আরুজ রয়েছে যা সঠিক (صحيحة), এবং এর দরব দুই প্রকার; প্রথমটি মুযাইয়্যাল এবং দ্বিতীয়টি তাযয়ীল বর্জিত।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৪০)
وكل هذه التفاعيل بفتح العين ومعناها: مستخرجاتكم مستخرج أيها المسلمين، فالزموا مستخرجاتكم ولا تهملوها.وقد أحدث العرب المولدون أوزاناً شعرية زائدة على بحور الشعر بعد زمان العرب الأقحاح، ونظموا عليها شعراً كثيراً، ثم جاء زمان الموشحات والأزجال، فاشتغل بها العرب في الشرق والغرب، واشتملت على أدب جم. ونظم بهاء الدين زهير شعراً أخترع له وزناً خاصاً، وهو قوله:يا من لعبت به شمول … ما ألطف هذه الشمائلفلا غرابة إذا اقتديت به، وألقيت دلوي في الدلاء. وهذا نص القصيدة:لما بدا لنا جمالكم … أضحت قلوبنا أسرى الغراموانبعثت بها مودة … تنمو وتزدهي على الدوامقد طال هجركم وصدكم … وما رثيتم للمستهامولم نزل نفي بعهدكم … وما رعيتم لنا ذمامفهل سمعتم بقاتل … لمن يحبه هذا حرامهبوا أسيركم لو نظرة … صلوا عميدكم لو بالكلامأما ترونني متيماً … لم تدر مقلتي أي مناممحبتي لكم عفيفة … غدت بريئة من كل ذاموعاذل أتى يلومني … كلامه غدا مثل الكِلامفقلت: يا فتى ويك اتئد … فأنت طالب مالا يرامعذلك زادني صبابة … فكف أو فزد من الخصاميا موطناً غدا مفتخرا … بخير أمة من الأنامبالعرب إذ علوا مراتبا … قد بلغوا بها أقصى المرامأندلساً دعيت في الورى… وجنة سمت خير المقاممعجزة فلم ير الورى … لها مماثلا لو في المنامكيف افتخارنا بمجدهم … ونحن لم نزل بلا نظام
এবং এই সকল ছন্দপ্রকরণসমূহ ‘আইন’ বর্ণের ফাতহাহ যোগে গঠিত এবং এর অর্থ হলো: হে মুসলিমগণ, আপনাদের সংকলনসমূহ (مستخرج); সুতরাং আপনারা আপনাদের এই সংকলনসমূহ (مستخرج) আঁকড়ে ধরুন এবং তা অবহেলা করবেন না।বিশুদ্ধ আরবদের যুগের পর পরবর্তী প্রজন্মের আরবরা কবিতার মূল ছন্দসমূহের অতিরিক্ত কিছু কাব্যিক ছন্দ উদ্ভাবন করেছেন এবং সেই ছন্দে প্রচুর কবিতা রচনা করেছেন। অতঃপর মুওয়াশশাহাত ও আজজালের যুগ আসে, যার চর্চায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের আরবরা নিবিষ্ট হন এবং এতে বিপুল সাহিত্যসম্ভার অন্তর্ভুক্ত হয়। বাহাউদ্দিন জুহাইর এমন একটি কবিতা রচনা করেছেন যার জন্য তিনি একটি বিশেষ ছন্দ উদ্ভাবন করেছেন, আর তা হলো তাঁর এই উক্তি:হে সেই ব্যক্তি, যাকে মদিরা বিমোহিত করেছে … এই স্বভাবগুলো কতই না চমৎকার!সুতরাং আমি যদি তাকে অনুসরণ করি এবং বালতিগুলোর মাঝে আমার বালতিটিও ফেলি (অর্থাৎ এই ধারায় শরিক হই), তবে তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। আর এটি হলো সেই কাসিদার পাঠ:যখন আমাদের সামনে আপনাদের সৌন্দর্য প্রতিভাত হলো … আমাদের অন্তরসমূহ প্রেমের শিকলে বন্দি হলো।তাতে এমন এক ভালোবাসার সঞ্চার হলো … যা সর্বদা বৃদ্ধি পায় এবং বিকশিত হয়।আপনাদের বিচ্ছেদ ও বিমুখতা দীর্ঘায়িত হয়েছে … অথচ আপনারা এই প্রেমাতুর হৃদয়ের প্রতি দয়া করেননি।আমরা সর্বদা আপনাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করে চলেছি … অথচ আপনারা আমাদের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা রক্ষা করেননি।আপনারা কি এমন কোনো ঘাতকের কথা শুনেছেন … যে তার প্রেমিককে হত্যা করে? এটি তো অন্যায়।আপনাদের এই বন্দিকে অন্তত এক পলক দেখার সুযোগ দিন … আপনাদের এই অনুগতকে অন্তত কথার মাধ্যমে সঙ্গ দিন।আপনারা কি দেখছেন না যে আমি প্রেমে মগ্ন … আমার আঁখিজোড়া ঘুমের স্বাদ চেনে না।আপনাদের প্রতি আমার ভালোবাসা পবিত্র … যা সমস্ত নিন্দা ও দোষ থেকে মুক্ত।এক নিন্দুক আমাকে তিরস্কার করতে এল … তার কথাগুলো ক্ষতের মতো বিঁধল।আমি বললাম: হে যুবক, ধীরস্থির হও … কারণ তুমি এমন কিছু চাচ্ছ যা অর্জন করা অসম্ভব।তোমার তিরস্কার আমার ব্যাকুলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে … সুতরাং ক্ষান্ত হও অথবা বিবাদ বাড়িয়ে দাও।হে সেই স্বদেশ, যা সৃষ্টির সেরা উম্মতের কারণে আজ গর্বিত … শ্রেষ্ঠ মানবজাতির শ্রেষ্ঠ উম্মতের মাধ্যমে।আরবদের দ্বারা, যখন তারা সুউচ্চ মর্যাদায় আসীন হয়েছিলেন … এবং যার মাধ্যমে তারা সর্বোচ্চ লক্ষ্যে পৌঁছেছিলেন।পৃথিবীর বুকে যাকে আন্দালুস বলে ডাকা হতো… যা ছিল এক জান্নাত এবং সর্বোত্তম আবাস।একটি অলৌকিক নিদর্শন, যার কোনো সদৃশ পৃথিবী দেখেনি … এমনকি স্বপ্নেও নয়।আমরা কীভাবে তাদের গৌরব নিয়ে অহংকার করব … অথচ আমরা এখনও বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছি।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৪১)
والخلف ما لهم مفتخر… لكن عليهم بالاحتشامإلا إذا حيوا واتحدوا … وارتجعوا إلى نهج الكرامواتبعوهم في دينهم … دين محمد بدر التمامفالعرب مالهم معتصم … إلا بحبله ولا التئاموالعز عنهم مبتعد … إلا إذا اقتدوا بذا الإمامفهو حياتهم في بدئهم … وهو حياتهم على الدواموكلما اقتفوا خلافه … فهو ضلالة وهو الحسامصلى عليه من أرسله … هدى ورحمة يجلو الظلامما غردت ضحى حمامة … وأشرقت ذكا بعد غماموالآل والصحاب كلهم … أزكى صلاته مع السلاموقد اطلع على هذه القصيدة الأديب الكبير العالم المحقق العبقري عبد الله كنون فأعجبته وأثنى عليها.وفي الإياب من هذه الرحلة عرجنا على قرطبة وزرنا مسجدها، فاعتراني شعور فيه روعة وإجلال وإعجاب، وحزن، لا أقدر أن أصفه بلسان ولا أظن أن شخصاً له شعور إنساني يرى ذلك المسجد ولا يعتريه مثل ذلك الشعور، سواء أكان مسلماً أم غير مسلم.
পরবর্তী প্রজন্মের গর্ব করার মতো কিছু নেই… তবে তাদের জন্য আবশ্যক হলো শালীনতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখাযদি না তারা পুনরুজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ হয় … এবং মহৎ ব্যক্তিদের পথে ফিরে আসেএবং তাদের দ্বীন অনুসরণে তাদের অনুগামী হয় … যা পূর্ণিমার চাঁদ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দ্বীনআরবদের কোনো আশ্রয়স্থল নেই … তাঁর রজ্জু ব্যতীত, আর না আছে কোনো সুদৃঢ় ঐক্যমর্যাদা তাদের থেকে দূরে অবস্থান করছে … যদি না তারা এই ইমামের অনুসরণ করেতিনিই তাদের প্রারম্ভিক জীবনের প্রাণ … এবং তিনিই চিরকাল তাদের জীবনের পাথেয়যখনই তারা তাঁর আদর্শের পরিপন্থী পথ অনুসরণ করেছে … তবে তা বিভ্রান্তি (ضلالة) এবং তা সুতীক্ষ্ণ তরবারি স্বরূপযিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন তিনি তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন … যিনি অন্ধকার দূরকারী হিদায়াত ও রহমতযতদিন ভোরের আলোয় ঘুঘু গান গাইবে … আর মেঘের আড়াল থেকে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে উঠবেতাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীগণের ওপরও … বর্ষিত হোক তাঁর পবিত্রতম সালাত ও সালামবিশিষ্ট সাহিত্যিক, মহান আলিম, তুখোড় গবেষক (محقق) আব্দুল্লাহ কানুন এই কাসিদাটি পাঠ করেছেন, যা তাঁকে মুগ্ধ করেছে এবং তিনি এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এই সফরের ফিরতি পথে আমরা কর্ডোভায় যাত্রাবিরতি করি এবং সেখানকার মসজিদ পরিদর্শন করি। তখন আমার মধ্যে এক অভাবনীয় বিস্ময়, শ্রদ্ধা, মুগ্ধতা ও দুঃখবোধের সঞ্চার হলো, যা ভাষায় প্রকাশ করা আমার পক্ষে অসম্ভব। আমি মনে করি না যে, মানবিক অনুভূতিসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি সেই মসজিদটি দেখবে আর তার মনে এজাতীয় অনুভূতির উদ্রেক হবে না—সে মুসলিম হোক বা অমুসলিম।
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৪১)
وصف جامع قرطبةمن أمثال العرب: "أن الحديث لذو شجون"، وقد بدا لي أن أنقل هنا وصف مسجد قرطبة الجامع من كتاب مدينة المور في الأندلس الذي ترجمته بالعربية من أصله الإنجليزي لمؤلفه (جوزيف ماك كيب) ليرى القارئ العربي المسلم شيئاً من مجد أسلافه. وهذا نص ما قاله في وصف مسجد قرطبة:"لم يبق من آثار قرطبة في القرون الوسطى إلا أثر واحد، وهو جامعها الذي لا يزال إلى اليوم، جميع أطفال قرطبة يسمونه مسجداً، ولولاه ما تجشم أحد عناء السفر لمشاهدة قرطبة، ولو كانت خمسة أميال منه، ولكن الناس من جميع أنحاء الدنيا يسافرون إليها ليشاهدوه.
কর্ডোভার জামে মসজিদের বর্ণনাআরবদের মাঝে একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে: "নিশ্চয়ই হাদিস (আলোচনা) বহুমুখী ও শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট হয়ে থাকে"। আমার নিকট জোসেফ ম্যাককেব রচিত 'দ্য সিটি অব দ্য মুরস ইন আন্দালুসিয়া' গ্রন্থ হতে কর্ডোভার জামে মসজিদের বর্ণনাটি এখানে উদ্ধৃত করা সমীচীন মনে হয়েছে, যা আমি মূল ইংরেজি থেকে আরবিতে অনুবাদ করেছি; যাতে মুসলিম আরবি পাঠকগণ তাদের পূর্বসূরিদের শৌর্যের কিয়দাংশ প্রত্যক্ষ করতে পারেন। কর্ডোভা মসজিদের বর্ণনায় তিনি যা বলেছেন তার পাঠ নিম্নরূপ:"মধ্যযুগের কর্ডোভার নিদর্শনাবলির মধ্যে আজ কেবল একটি নিদর্শনই অবশিষ্ট আছে, আর তা হলো এর জামে মসজিদ যা আজও বিদ্যমান। কর্ডোভার সকল শিশু একে 'মসজিদ' বলে সম্বোধন করে। যদি এটি না থাকত, তবে কর্ডোভা দর্শনের জন্য কেউ ভ্রমণের ক্লেশ স্বীকার করত না, এমনকি তা যদি মাত্র পাঁচ মাইল দূরেও হতো; কিন্তু আজ বিশ্বের সকল প্রান্ত থেকে মানুষ কেবল এটি দেখার জন্যই সেখানে সফর করে।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
وهو أعظم معبد في الدنيا بعد كنيسة (سنت بيترس) ، وهو آية لا نظير لها من الهندسة والبناء، وظاهر هذا المسجد لا يستولي على اللب، ولم يكن المور الذين كانوا يفضلون الإقامة داخل البيوت أكثر من خارجها يعتنون كثيراً بالظاهر.وأما الداخل فهناك العجائب، إذا دخلت الجامع من أي باب من أبوابه التسعة عشر يخيل إليك أنك تائه في غابة من أشجار المرمر، ففيه ثمانمائة وستون سارية من المرمر والرخام واليسر، وفيه غير ذلك ألف واثنتي عشرة سارية. وفيه تسعة عشر رواقاً، ينتهي كل منها بباب من الأبواب التسعة عشر، وله سقف خشبي منخفض نسبياً، وقد زخرف أحسن زخرفة بالأرجوان والذهب.وفي الأعياد الكبيرة توقد مائتان وثمانون ثرياً من الفضة والنحاس، يحترق فيها الزيت والعطر، وتتلألأ فيها آلاف كثيرة من المصابيح، فتلقي أنوارها على ذلك المشهد. وأكبر ثرياً منها كان محيطها ثمانية وثلاثين قدماً (فوت) يحمل ألفاً وأربعمائة وأربعاً وخمسين مصباحاً، ولها مرآة تعكس النور، فيزيد شعاعه تسعة أضعاف. وفيها (6000) ألف طبق من الفضة مسمرة بالذهب، ومرصعة باللؤلؤ.وكان الجامع قد شُيِّد مع مضافته في القرن الثامن والتاسع والعاشر. والمحراب الذي هو أقدس محل في مسجد المور، كان فيه حنيتان، وكان أعظم زخرفاً من سائر المساجد. وآخر المحراب يشبه صدفة من رخام، وله مدخل يتلألأ كالذهب الخالص أو الديباج بفسيفسائه الجميلة، وأحيل القارئ على كتب زخرفة البناء أو كتب الاستدلال، ليرى عجائب هذا الجامع العظيم.وكان بناؤه من النصارى المنتمين إلى الكنيسة اليونانية، وكانت بينهم وبين المور مودة، فجلبوهم لبنائه، وهو أثر لمدينة زاهرة، لا يضاهيها اليوم شيء في الدنيا كلها وكان عبد الرحمن الأول مؤسس هذه الدولة، قد جعل مدينة قرطبة على مثال مدينة دمشق التي قضى فيها أوائل عمره، وهو الذي ابتدأ بناء الجامع وأتمه الخلفاء الذين جاءوا بعده. وبلغت نفقاته على ما
এটি সেন্ট পিটারস গির্জার পর বিশ্বের সর্ববৃহৎ উপাসনালয়। এটি স্থাপত্য ও নির্মাণশৈলীর এক অতুলনীয় নিদর্শন। এই মসজিদের বাহ্যিক অংশ হৃদয়ে তেমন প্রভাব বিস্তার করে না; কারণ মুরগণ, যারা বাইরের তুলনায় ঘরের ভেতরে অবস্থান করাকে বেশি পছন্দ করতেন, তারা বাহ্যিক চাকচিক্যের প্রতি খুব একটা মনোযোগী ছিলেন না।কিন্তু মসজিদের অভ্যন্তরীণ ভাগটি বিস্ময়কর। আপনি যদি এর উনিশটি দরজার যেকোনো একটি দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন, তবে আপনার মনে হবে আপনি মার্বেল পাথরের বৃক্ষরাজি ঘেরা এক অরণ্যে হারিয়ে গেছেন। এতে মার্বেল, শ্বেতপাথর ও যিশব পাথরের ৮৬০টি স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়া আরও ১,০১২টি স্তম্ভ রয়েছে। এতে উনিশটি বারান্দা রয়েছে, যার প্রতিটি উনিশটি ফটকের কোনো না কোনোটির সামনে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর কাঠের ছাদটি তুলনামূলক নিচু এবং তা বেগুনি রঙ ও স্বর্ণের দ্বারা সর্বোত্তম কারুকার্যে সুশোভিত।প্রধান উৎসবগুলোতে রূপা ও তামার তৈরি ২৮০টি ঝাড়বাতি জ্বালানো হতো, যাতে তেল ও সুগন্ধি প্রজ্বলন করা হতো। হাজার হাজার প্রদীপ সেখানে আলো ছড়িয়ে দৃশ্যটিকে অত্যন্ত চমৎকার করে তুলত। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝাড়বাতিটির পরিধি ছিল ৩৮ ফুট, যাতে ১,৪৫৪টি প্রদীপ থাকত। এতে আলো প্রতিফলনের জন্য একটি দর্পণ ছিল, যা আলোক রশ্মিকে নয় গুণ বাড়িয়ে দিত। এতে স্বর্ণখচিত এবং মুক্তাখচিত ৬,০০০টি রৌপ্য থালা ছিল।মসজিদটি এর সংলগ্ন স্থাপনাসহ অষ্টম, নবম ও দশম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। মেহরাব, যা মুরদের মসজিদের পবিত্রতম স্থান, তাতে দুটি খিলান ছিল এবং তা অন্যান্য মসজিদের তুলনায় অধিকতর সুশোভিত ছিল। মেহরাবের শেষ প্রান্তটি শ্বেতপাথরের ঝিনুকের মতো দেখায় এবং এর প্রবেশদ্বারটি খাঁটি সোনা বা রেশমি বস্ত্রের মতো উজ্জ্বল সুন্দর মোজাইক দ্বারা কারুকার্যমন্ডিত। পাঠককে স্থাপত্য অলঙ্করণ বা স্থাপত্যশৈলীর বিবরণী সংক্রান্ত বইগুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত করতে বলা হচ্ছে, যাতে তারা এই মহান মসজিদের বিস্ময়কর বিষয়গুলো অবলোকন করতে পারেন।এর নির্মাতারা ছিলেন গ্রিক চার্চের অনুসারী খ্রিষ্টান, যাদের সঙ্গে মুরদের হৃদ্যতা ছিল; তাই তারা মসজিদটি নির্মাণের জন্য তাদের নিয়ে এসেছিলেন। এটি একটি সমৃদ্ধ নগরের নিদর্শন, যার সমতুল্য আজ সারা বিশ্বে কিছু নেই। এই রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম আবদুর রহমান কর্ডোভা শহরকে দামেস্কের আদলে তৈরি করেছিলেন, যেখানে তিনি তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক সময় অতিবাহিত করেছিলেন। তিনিই এই মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পরবর্তী খলিফাগণ তা সম্পন্ন করেন। এর ব্যয়ের পরিমাণ ছিল...
(খণ্ড: ১)
আশ-শামসু ফী নিসফিল লাইল
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
حدث به مؤرخو العرب (300.000.000) دولار، وكان هذا آخر عمل عمله في حياته، وقد شيد غير هذا هو وخلفاؤه ورجال دولتهم قصوراً فخمة، ومساجد كثيرة، كانت تزيد المدينة في كل سنة جلالة وبهاء". اهـأولئك آبائي فجئني بمثلهم … إذا جمعتنا يا جرير المجامعلكن لا ينبغي لنا أن نقتصر على الافتخار بمجدهم، بل ينبغي لنا ويتحتم علينا أن نعمل بقول من قال:لسنا وإن أحسابنا كرمت … يوماً على الأحساب نتكلنبني كما كانت أوائلنا… تبني ونفعل مثل ما فعلوافنسأل الله أن يوفقنا لإحياء ذلك المجد الشامخ، إنه على ذلك قدير.
আরব ঐতিহাসিকরা এটিকে (৩০০,০০০,০০০) ডলার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আর এটিই ছিল তাঁর জীবনের শেষ কাজ। তিনি, তাঁর উত্তরসূরিগণ এবং তাঁর রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ এর বাইরেও বহু সুউচ্চ প্রাসাদ ও অসংখ্য মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন, যা প্রতি বছর শহরটির গাম্ভীর্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করত।" সমাপ্ত (اهـ)তাঁরাই আমার পিতৃপুরুষ, সুতরাং তাঁদের মতো কাউকে আমার সামনে নিয়ে এসো, হে জারির! যখন কোনো সমাবেশে আমাদের একত্রিত করা হবে।কিন্তু আমাদের জন্য কেবল তাঁদের গৌরবের ওপর গর্ব প্রকাশ করে ক্ষান্ত হওয়া উচিত নয়; বরং আমাদের জন্য এটি বাঞ্ছনীয় ও অপরিহার্য যে, আমরা সেই উক্তির ওপর আমল করব যাতে বলা হয়েছে:আমাদের বংশমর্যাদা যদিও সম্মানিত, তবুও আমরা কেবল বংশগৌরবের ওপর নির্ভর করি না … আমরা ঠিক তেমনই নির্মাণ করি যেমন আমাদের পূর্বসূরিগণ … নির্মাণ করতেন এবং আমরা তেমনই করি যেমনটি তাঁরা করতেন।আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সেই সুউচ্চ গৌরব পুনরুজ্জীবিত করার তাওফিক দান করেন; নিশ্চয়ই তিনি সে বিষয়ে পূর্ণ সক্ষম।