(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: -)
الرواة الذين كنوا بأبي زرعة القسم: علوم الحديث
الكتاب: الرواة الذين كنوا بأبي زرعة
المؤلف: سعدي بن مهدي الهاشمي
الناشر: الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة
الطبعة: السنة الخامسة. عشر العدد الثامن والخمسون. ربيع الأخر-جمادى الأولى-جمادى الأخرة 1403هـ
عدد الصفحات: 70
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
যেসব বর্ণনাকারী আবু যুরআহ উপনামে ভূষিত হয়েছেন বিভাগ: হাদিস বিজ্ঞান (علوم الحديث)
গ্রন্থ: যেসব বর্ণনাকারী আবু যুরআহ উপনামে ভূষিত হয়েছেন
লেখক: সা’দী বিন মাহদী আল-হাশিমী
প্রকাশক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
সংস্করণ: পঞ্চদশ বর্ষ. সংখ্যা ৫৮. রবিউস সানি-জমাদিউল উলা-জমাদিউল আখিরা ১৪০৩ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الرُّواة الذين كُنُّوا (بأبي زرعة)
للدكتور سَعدي الهاشمي
أستاذ مساعد بالدراسات العليا
ال
مقدمة:الحمد لله، نحمده ونستعينه ونستهديه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فهو المهتد، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم وعلى آله وأصحابه وسلم تسليما كثيرا، وبعد:
فقد صنف أئمة الحديث وحفاظه في علوم الحديث المختلفة، ولم يتركوا فنا من فنونه، ولا نوعا من أنواعه إلا وأبدعوا في تصنيفهم فيه وأكثروا، ومن هذه الأنواع والفنون التي صنفوا فيها، هو معرفة الكنى والأسماء، وذلك لأهميته.
قال أبو عبد الله الحاكم (ت405?) عن تصنيف الحفاظ في الكنى: (وقد صنف المحدثون فيه كتبا كثيرة، وربما يشذ عنهم الشيء بعد الشيء) 1.
ونوه بأهميته ابن الصلاح (ت643?) فقال: (وهذا فن مطلوب لم يزل أهل العلم بالحديث يعنون به ويتحفظونه، ويتطارحونه فيما بينهم، وينتقصون من جهله) 2.
وبين الحافظ العراقي (ت806?) سبب معرفتهم لهذا الفن وضرب لذلك الأمثال فقال: (من فنون أصحاب الحديث معرفة أسماء ذوي الكنى ومعرفة كنى ذوي الأسماء، وتنبغي العناية بذلك، فربما ورد ذكر الراوي مرة بكنيته ومرة باسمه؛ فيظنها من لا معرفة له بذلك رجلين، وربما ذكر الراوي باسمه وكنيته معا؛ فتوهمه بعضهم رجلين، كالحديث الذي رواه الحاكم من رواية ابن يوسف، عن أبي حنيفة، عن موسى بن أبي عائشة، عن عبد الله بن شداد، عن أبي الوليد، عن جابر مرفوعا: "من صلى خلف الإمام فإن قراءته له قراءة".
--------------------------------------------
যে সকল বর্ণনাকারী 'আবু জুরআ' উপনামে (كنوا) পরিচিত
ডক্টর সাদী আল-হাশিমি
উচ্চতর শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক
আল-
ভূমিকা:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট হিদায়াত কামনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল, আল্লাহ তাঁর ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর:
হাদিসের ইমাম ও হাফেজগণ (الحفاظ) হাদিসের বিভিন্ন শাস্ত্রে (علوم الحديث) গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁরা এর এমন কোনো শিল্প (فن) বা প্রকার (نوع) বাদ দেননি যাতে তাঁরা চমৎকার সব কিতাব অত্যন্ত নিপুণভাবে ও প্রচুর পরিমাণে সংকলন করেননি। তাঁরা যেসকল প্রকার ও শিল্প নিয়ে কাজ করেছেন তার মধ্যে একটি হলো উপনাম (الكنى) ও নাম (الأسماء) সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা; আর এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম (মৃত্যু ৪০৫ হিজরি) উপনাম (الكنى) বিষয়ে হাফেজদের (الحفاظ) সংকলন সম্পর্কে বলেন: (হাদিস বিশারদগণ (المحدثون) এ বিষয়ে অনেক কিতাব রচনা করেছেন, তবে মাঝেমধ্যে অনেক কিছুই তাঁদের অগোচরে থেকে যায়) ১।
ইবনুস সালাহ (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি) এর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন: (এটি একটি কাঙ্ক্ষিত শিল্প (فن), হাদিস শাস্ত্রের পণ্ডিতগণ নিরন্তর এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আসছেন, এটি হিফজ করছেন, নিজেদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা করছেন এবং যারা এ বিষয়ে অজ্ঞ তাদের নিন্দা জানাচ্ছেন) ২।
হাফেজ (الحافظ) আল-ইরাকি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি) হাদিস বিশারদদের এই শিল্পটি জানার কারণ বর্ণনা করেছেন এবং উদাহরণ দিয়ে বলেছেন: (হাদিসবেত্তাদের বিভিন্ন শিল্পের (فنون) মধ্যে অন্যতম হলো উপনামধারীদের (ذوي الكنى) নাম জানা এবং নামধারীদের উপনাম (كنى) জানা। এ বিষয়ে বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, কারণ অনেক সময় একজন বর্ণনাকারীর (الراوي) উল্লেখ একবার তাঁর উপনামে এবং অন্যবার তাঁর নামে আসতে পারে; ফলে এ বিষয়ে জ্ঞানহীন ব্যক্তি তাঁদের দুজন আলাদা ব্যক্তি মনে করতে পারেন। আবার কখনো কখনো বর্ণনাকারীর নাম ও উপনাম একসাথেই উল্লেখ করা হয়, যা দেখে কেউ কেউ তাঁদের দুজন ব্যক্তি বলে ভ্রম করতে পারেন। যেমন সেই হাদিসটি যা আল-হাকিম বর্ণনা করেছেন ইবনে ইউসুফের সূত্রে, তিনি আবু হানিফা থেকে, তিনি মুসা বিন আবি আয়িশা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন শাদ্দাদ থেকে, তিনি আবুল ওয়ালিদ থেকে, তিনি জাবির থেকে মারফু (مرفوعا) সূত্রে বর্ণনা করেন: "যে ব্যক্তি ইমামের পেছনে সালাত আদায় করে, ইমামের কিরাত পাঠই তার কিরাত হিসেবে গণ্য"।)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
قال الحاكم: عبد الله بن شداد هو بنفسه أبو الوليد، بينه علي بن المديني، قال الحاكم: ومن تهاون بمعرفة الأسامي أورثه مثل هذا الوهم1.
ولقد رغبت قبل سنوات أن أجمع الرواة الذين كنوا بـ (أبي زرعة) فتتبعت كتب الكنى المطبوعة والمخطوطة، فكان حصيلة ذلك التتبع مجموعة كبيرة من الرواة، تفوق في عدها أضعاف أضعاف ما ذكره صاحب كل كتاب على حدة، ومهدت لهذا البحث بفوائد تتعلق به، منها أنواع الكنى، وأهم المصنفات في الكنى، وتمييز بعض المحدثين بين أشهر من تكنى بـ (أبي زرعة) ، وهما الراوي والدمشقي، مساهمة بسيطة مني، وخدمة لرجال السنة النبوية وحملة الآثار، أرجو أن ينال استحسان المشتغلين بالسنة النبوية.
--------------------------------------------
ইমাম হাকেম বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ মূলত তিনিই হলেন আবু আল-ওয়ালিদ, এটি আলী ইবনে আল-মাদিনি স্পষ্ট করেছেন। হাকেম বলেন: যে ব্যক্তি নাম জানার ক্ষেত্রে অবহেলা করে, তা তাকে এই ধরণের ভ্রান্তিতে (وهم) নিপতিত করে।১
কয়েক বছর আগে আমি সেই সব বর্ণনাকারীদের (رواة) একত্রিত করতে চেয়েছিলাম যাদের উপনাম (كنية) ছিল 'আবু যুরআ'। তাই আমি মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি আকারে থাকা উপনাম (كنية) বিষয়ক গ্রন্থগুলো অনুসন্ধান করি। সেই অনুসন্ধানের ফলাফল ছিল এক বিশাল বর্ণনাকারী (رواة) দল, যাদের সংখ্যা প্রত্যেক লেখকের আলাদাভাবে উল্লেখ করা সংখ্যার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। আমি এই গবেষণার ভূমিকা হিসেবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু উপকারিতা উল্লেখ করেছি, যার মধ্যে রয়েছে উপনামের (كنية) প্রকারভেদ, উপনাম (كنية) বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহ এবং মুহাদ্দিসগণের নিকট 'আবু যুরআ' উপনামে পরিচিত সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দুই ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ—যারা হলেন বর্ণনাকারী (راوي) এবং দামেশকী। এটি সুন্নাহ ও আসার বহনকারীদের খিদমতে আমার পক্ষ থেকে একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আমি আশা করি এটি সুন্নাহ নিয়ে গবেষণারত ব্যক্তিদের নিকট সমাদৃত হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
(كتب الكنى)1- الكنى لهشام بن محمد بن السائب بن بشر (ابن الكلبي ت204?) 1.
2- كنى الأشراف للهيثم بن عدي (ت207?) 2.
3- الأسماء والكنى - ليحيى بن معين (ت233?) 3.
--------------------------------------------
(উপনাম (الكنى) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ)1- হিশাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সাইব ইবনে বিশর (ইবনুল কালবি, মৃত্যু ২০৪?) এর আল-কুনা ১।
2- আল-হাইসাম ইবনে আদি (মৃত্যু ২০৭?) এর কুনা আল-আশরাফ ২।
3- ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (মৃত্যু ২৩৩?) এর আল-আসমা ওয়াল কুনা ৩।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
4- الكنى - لعلي بن المديني (ت234?) 1.
5- الأسماء والكنى - لأبي بكر بن أبي شيبة (ت235?92.
6- الأسماء والكنى - لشباب العصفري خليفة بن خياط (ت240?) 3.
7- الأسماء والكنى - لأحمد بن حنبل (ت241?) 4.
8- الكنى - لمحمد بن إسماعيل البخاري (ت256?) 5، وهو جزء من التاريخ الكبير، ومعظمه فيمن عرف بكنيته ولم يعرف اسمه، وقد رتب الكنى على حروف المعجم6.
9- الكنى والأسماء - لمسلم بن الحجاج النيسابوري (ت261?) 7، ومعظمه فيمن عرف كنيته واسمه، ويرى أبو أحمد الكرابيسي (ت378?9 أنه منقول من كتاب الكنى للبخاري8.
10- الكنى - أبي داود سليمان بن الأشعث السجستاني (ت275?) 9.
11- الأسماء والكنى - لمحمد بن عيسى بن سورة الترمذي (ت279?) 10.
12- أسماء المحدثين وكناهم - لأبي عبد الله محمد بن أحمد المقدمي (ت301?) 11.
13- الكنى - لجعفر بن محمد بن الحسن الفريابي (ت301?) 12.
14- الكنى - لأبي عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي (ت303?) 13.
--------------------------------------------
4- আল-কুনা - আলী ইবনুল মাদিনীর (মৃত্যু ২৩৪?) ১।
5- আল-আসমা ওয়াল কুনা - আবু বকর ইবনে আবি শায়বার (মৃত্যু ২৩৫?) ২।
6- আল-আসমা ওয়াল কুনা - শাবাব আল-আসফারি খলিফা ইবনে খাইয়াতের (মৃত্যু ২৪০?) ৩।
7- আল-আসমা ওয়াল কুনা - আহমদ ইবনে হাম্বলের (মৃত্যু ২৪১?) ৪।
8- আল-কুনা - মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারীর (মৃত্যু ২৫৬?) ৫, এটি আত-তারিখুল কাবিরের একটি অংশ। এর অধিকাংশ তাদের সম্পর্কে যারা তাদের উপনাম (كنية) দ্বারা পরিচিত কিন্তু নাম (اسم) পরিচিত নয়। তিনি উপনামগুলোকে অভিধানের বর্ণানুসারে বিন্যস্ত করেছেন ৬।
9- আল-কুনা ওয়াল আসমা - মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আন-নিশাপুরীর (মৃত্যু ২৬১?) ৭, এর অধিকাংশ তাদের সম্পর্কে যাদের উপনাম (كنية) ও নাম (اسم) উভয়ই পরিচিত। আবু আহমদ আল-কারাবিসি (মৃত্যু ৩৭৮?) মনে করেন যে এটি বুখারীর আল-কুনা গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত ৮।
10- আল-কুনা - আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআছ আস-সিজিস্তানির (মৃত্যু ২৭৫?) ৯।
11- আল-আসমা ওয়াল কুনা - মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সাওরা আত-তিরমিযীর (মৃত্যু ২৭৯?) ১০।
12- আসমাউল মুহাদ্দিসিন ওয়া কুনা-হুম - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মুকাদ্দামির (মৃত্যু ৩০১?) ১১।
13- আল-কুনা - জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-ফারিয়াবীর (মৃত্যু ৩০১?) ১২।
14- আল-কুনা - আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ীর (মৃত্যু ৩০৩?) ১৩।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
15- الكنى - لأبي القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي الحافظ (ت317?) 1.
16- الأسامي والكنى - لأبي عروبة الحسين بن محمد الحراني (ت318?) 2.
17- الأسماء والكنى - لأبي محمد بن عبد الله بن علي بن الجارود (ت320?) في ستة عشر جزءا3.
18- الكنى والأسماء - لأبي بشر الدولابي محمد بن أحمد بن حماد الرازي (ت310? وقيل: 320?) 4، وقد رتبه على حروف المعجم، وفصل الصحابة عن التابعين5.
19- الكنى - لابن أبي حاتم عبد الرحمن بن محمد بن إدريس الرازي (ت327?) 6.
20- الكنى - للحافظ أبي علي سعيد بن عثمان بن سعيد بن السكن البغدادي (ت353?) 7.
21- أسامي من يعرف بالكنى - لأبي حاتم محمد بن حيان البستي (ت354?) ويقع في ثلاثة أجزاء8.
22- كنى من يعرف بالأسماء - قال ابن الصلاح في معرفة كنى المعروفين بالأسماء دون الكنى: وبلغنا أن لأبي حبان البستي فيه كتابا9.
23- الكنى - لأبي القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني (ت360?) 10.
--------------------------------------------
15- আল-কুনা - হাফেজ (الحافظ) আবুল কাসেম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি (মৃত্যু ৩১৭ হি.?) এর ১।
16- আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আরুবা আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-হাররানি (মৃত্যু ৩১৮ হি.?) এর ২।
17- আল-আসমা ওয়াল কুনা - আবু মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আলী বিন আল-জারুদ (মৃত্যু ৩২০ হি.?) এর, যা ১৬ খণ্ডে সমাপ্ত ৩।
18- আল-কুনা ওয়াল আসমা - আবু বিশর আদ-দুলাবি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাম্মাদ আর-রাজি (মৃত্যু ৩১০ হি.? এবং মতান্তরে: ৩২০ হি.?) এর ৪, তিনি এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন এবং সাহাবিদের (الصحابة) তাবেয়িদের (التابعين) থেকে পৃথক করেছেন ৫।
19- আল-কুনা - ইবনে আবি হাতিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আর-রাজি (মৃত্যু ৩২৭ হি.?) এর ৬।
20- আল-কুনা - হাফেজ (الحافظ) আবু আলী সাঈদ বিন উসমান বিন সাঈদ বিন আস-সাকান আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৩৫৩ হি.?) এর ৭।
21- আসামী মান ইউরাফু বিল কুনা - আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন হিব্বান আল-বুস্তি (মৃত্যু ৩৫৪ হি.?) এর, এটি তিন খণ্ডে বিভক্ত ৮।
22- কুনা মান ইউরাফু বিল আসমা - ইবনুস সালাহ 'যাঁরা কুনিয়ার পরিবর্তে নামেই পরিচিত তাঁদের কুনিয়া পরিচিতি' (معرفة كنى المعروفين بالأسماء دون الكنى) প্রসঙ্গে বলেন: আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, আবু হিব্বান আল-বুস্তির এই বিষয়ে একটি কিতাব রয়েছে ৯।
23- আল-কুনা - আবুল কাসেম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হি.?) এর ১০।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
24- من وافقت كنيته كنية زوجته من الصحابة - لأبي الحسن محمد بن عبد الله بن زكريا بن حيوة (ت366?) ، ويقع في 19 ورقة، ويذكر كنية الصحابي، ويعرف باسمه، ثم يخرج من طريقه حديثا بإسناده إليه، ثم يذكر كنية زوجته، ويعرف باسمها، ويخرج من طريقها حديثا، وربما اكتفى بالتعريف باسمها دون تخريج حديث عنها1.
25- الكنى - لأبي أحمد محمد بن محمد بن أحمد النيسابوري الكرابيسي (ت378?) 2.
قال عنه الحافظ العراقي، وكتاب أبي أحمد أجل تصانيف هذا النوع، فإنه يذكر فيه من عرف اسمه ولم يعرف، وكتاب مسلم، والنسائي لم يذكر فيه إلا من عرف اسمه3.
وقال حاجي خليفة4: إنه من أحسنها ترتيبا - أي كتب الكنى - ويقع كتابه في أربعة عشر سفرا5، حرر فيه وأجاد وزاد على غيره وأفاد، ولم يرتبه على المعجم، فرتبه.
26- الحافظ الذهبي (ت748?) واختصره، وزاد عليه - جزءا في كنى النساء - وسماه المقتنى في سرد الكنى6
27- الأسماء والكنى - لأبي عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مندة الأصبهاني (ت396?) 7.
28- الكنى والألقاب - لأبي عبد الله محمد بن عبد الله الحاكم النيسابوري (ت404?) 8.
--------------------------------------------
২৪- সাহাবীদের মধ্যে যাদের কুনিয়াত (كنية) তাদের স্ত্রীর কুনিয়াতের অনুরূপ - আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন জাকারিয়া বিন হাইওয়াহ (মৃত্যু ৩৬৬?) এর রচিত। এটি ১৯টি পৃষ্ঠায় (ورقة) বিন্যস্ত। এতে তিনি সাহাবীর কুনিয়াত (كنية) উল্লেখ করেছেন এবং তার নাম দ্বারা পরিচয় করিয়েছেন, অতঃপর তার মাধ্যমে তার প্রতি সম্পৃক্ত সূত্র (إسناد) সহ হাদিস বর্ণনা (تخريج) করেছেন। এরপর তার স্ত্রীর কুনিয়াত (كنية) উল্লেখ করেছেন এবং তার নাম দ্বারা পরিচয় প্রদান করেছেন ও তার পক্ষ থেকেও একটি হাদিস বর্ণনা (تخريج) করেছেন। আবার কখনো হাদিস বর্ণনা (تخريج) করা ব্যতীত কেবল তার নাম উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন।১
২৫- আল-কুনা - আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আন-নিসাবুরি আল-কারাবিসি (মৃত্যু ৩৭৮?) এর রচিত।২
হাফিজ আল-ইরাকি এটি সম্পর্কে বলেছেন, আবু আহমাদের কিতাবটি এই শ্রেণির রচনার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম। কারণ এতে তিনি এমন ব্যক্তিদেরও উল্লেখ করেছেন যাদের নাম জানা গিয়েছে এবং যাদের নাম জানা যায়নি। পক্ষান্তরে ইমাম মুসলিম ও ইমাম নাসায়ি-এর কিতাবদ্বয়ে কেবল তাদেরই উল্লেখ করা হয়েছে যাদের নাম জানা গিয়েছে।৩
হাজি খালিফা৪ বলেছেন: এটি বিন্যাসের দিক থেকে শ্রেষ্ঠতম কুনিয়াত (كنية) বিষয়ক কিতাবগুলোর অন্যতম। এটি চৌদ্দটি খণ্ডে (سفر) বিন্যস্ত।৫ তিনি এতে অত্যন্ত সূক্ষ্মতা অবলম্বন করেছেন, পারদর্শিতা দেখিয়েছেন, অন্যের তুলনায় অধিক তথ্য যুক্ত করেছেন এবং পাঠককে উপকৃত করেছেন। তিনি এটি বর্ণানুক্রমিক (المعجم) পদ্ধতিতে সাজাননি, বরং পরবর্তীতে এটি বিন্যস্ত করা হয়েছে।
২৬- হাফিজ আল-জাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮?) এটি সংক্ষেপ করেছেন এবং এতে নারীদের কুনিয়াত (كنية) বিষয়ক একটি অংশ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি এর নাম রেখেছেন 'আল-মুক্তানা ফি সারদিল কুনা'।৬
২৭- আল-আসমা ওয়াল কুনা - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ আল-আসবাহানি (মৃত্যু ৩৯৬?) এর রচিত।৭
২৮- আল-কুনা ওয়াল আলকাব - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাকিম আন-নিসাবুরি (মৃত্যু ৪০৪?) এর রচিত।৮
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
29- الألقاب والكنى - لأبي بكر أحمد بن عبد الرحمن بن أحمد الفارسي الشيرازي (ت411?) وهو في مجلد مفيد، كثير النفع، بل هو أجل كتاب ألف في هذا الباب قبل ظهور تأليف ابن حجر، واختصره - أي كتاب الشيرازي - أبو الفضل بن طاهر1.
30- الكنى - لأبي نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد الأصفهاني (ت430?) 2.
31- من وافقت كنيته اسم أبيه مما لا يؤمن وقوع الخطأ فيه - لأبي بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب البغدادي (ت463?) وهو في ثلاثة أجزاء3.
32- الاستغناء في أسماء المشهورين من حملة العلم بالكنى - لأبي عمر يوسف بن عبد الله بن محمد بن عبد البر القرطبي (ت463?) 4، وهو كتاب ضخم5، وله أيضا:
33- من عرف من الصحابة بالكنية ولم يوقف له على اسم أو اختلف فيه6.
34- أسماء المعروفين بالكنية من التابعين ومن بعدهم7.
35- من لم يوقف له منهم على اسم ولا عرف بغير كنيته8.
36- فتح الباب في الكنى والألقاب - لأبي القاسم عبد الرحمن بن مندة (ت470?) 9.
37- الكنى - لأبي القاسم علي بن الحسن بن هبة الله بن عساكر10.
38- الأسماء والكنى - لأبي إسحاق إبراهيم بن محمد الأزهر الصريفيني الحنبلي (ت641?) 11.
--------------------------------------------
২৯- আল-আলকাব ওয়াল কুনা (উপাধি ও উপনামসমূহ - الألقاب والكنى) — এটি আবু বকর আহমদ বিন আবদুর রহমান বিন আহমদ আল-ফারিসি আশ-শিরাজি (মৃত্যু ৪১১ হিজরি?) এর রচনা। এটি একটি অত্যন্ত উপকারী ও কল্যাণকর খণ্ড; বরং ইবনে হাজার-এর রচনার আবির্ভাবের পূর্বে এই বিষয়ে এটিই ছিল শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। আবুল ফজল বিন তাহির এটি — অর্থাৎ শিরাজি-র গ্রন্থটি — সংক্ষেপ করেছেন।১
৩০- আল-কুনা (উপনামসমূহ - الكنى) — এটি আবু নুআইম আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল-আসবাহানি (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি?) এর রচনা।২
৩১- মান ওয়াফাকাত কুনইয়াতুহু ইসমু আবিহি মিম্মা লা ইউমানু উকুউল খাতা ফীহি (যাঁদের উপনাম তাঁদের পিতার নামের অনুরূপ এবং যেখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে নিরাপদ থাকা যায় না) — এটি আবু বকর আহমদ বিন আলি বিন সাবিত আল-খতিব আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি?) এর রচনা এবং এটি তিন খণ্ডে বিভক্ত।৩
৩২- আল-ইস্তিগনা ফি আসমাই আল-মাশহুরিন মিন হামালাত আল-ইলম বিল কুনা (উপনামের মাধ্যমে পরিচিত ইলম বহনকারীদের নামের পরিচিতি) — এটি আবু উমর ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদিল বার আল-কুরতুবি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি?) এর রচনা।৪ এটি একটি বিশাল গ্রন্থ।৫ তাঁর আরও রয়েছে:
৩৩- মান উরিফা মিনাস সাহাবাহ বিল কুনইয়াহ ওয়া লাম ইউকাফ লাহু আলা ইসমিন আও উখতলিফা ফীহি (সাহাবীদের (الصحابة) মধ্যে যাঁরা উপনামে পরিচিত এবং যাঁদের কোনো নাম জানা যায়নি অথবা নাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে)।৬
৩৪- আসমাউল মারুফিন বিল কুনইয়াহ মিনাত তাবেয়ীন ওয়া মান বাদাহুম (তাবেয়ী (التابعين) এবং তাঁদের পরবর্তী স্তরের ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা উপনামে পরিচিত তাঁদের নামসমূহ)।৭
৩৫- মান লাম ইউকাফ লাহু মিনহুম আলা ইসমিন ওয়া লা উরিফা বিগাইরি কুনইয়াতিহ (যাঁদের নামের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি এবং উপনাম ছাড়া অন্য কোনোভাবে পরিচিত নন)।৮
৩৬- ফাতহুল বাব ফিল কুনা ওয়াল আলকাব (উপনাম ও উপাধি বিষয়ে দ্বার উন্মোচন) — এটি আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মানদাহ (মৃত্যু ৪৭০ হিজরি?) এর রচনা।৯
৩৭- আল-কুনা (উপনামসমূহ - الكنى) — এটি আবুল কাসিম আলি বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকির এর রচনা।১০
৩৮- আল-আসমা ওয়াল কুনা (নাম ও উপনামসমূহ - الأسماء والكنى) — এটি আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-আজহার আস-সারিফিনি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৬৪১ হিজরি?) এর রচনা।১১
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
39- المرتجل في الكنى - للحافظ الذهبي (ت741?) 1، وله أيضا:
40- ذكر من اشتهر بكنيته من الأعيان2.
41- الأسماء والكنى - لأبي عبد الله بن مخلد3.
42- تجريد الأسماء والكنى - لأبي القاسم بن الفراء4.
43- الكنى - لثابت بن الحسن بن علي الخمي بن الصيرفي5.
44- الكنى - لإبراهيم بن عبد الله بالخزاعي6.
45- الكنى - لشمس الدين محمد بن عبد الرحمن السخاوي (ت902?) 7.
46- كتاب أسماء المكنين من رجال الصحيحين لمحمد بن هارون المغربي8.
--------------------------------------------
৩৯- উপনাম (الكنى) বিষয়ক 'আল-মুর্তাজাল' - হাফেজ যাহাবি (ওফাত ৭৪১?) ১, এবং তাঁর আরও রয়েছে:
৪০- প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে যারা নিজেদের উপনামের (كنية) মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছেন তাদের আলোচনা ২।
৪১- আল-আসমা ওয়াল কুনা [নাম ও উপনাম (الأسماء والكنى)] - আবু আব্দুল্লাহ বিন মাখলাদ ৩।
৪২- তাজরীদুল আসমা ওয়াল কুনা [নাম ও উপনামের (الأسماء والكنى) সারসংক্ষেপ] - আবুল কাসিম ইবনুল ফাররা ৪।
৪৩- আল-কুনা [উপনাম (الكنى)] - সাবিত বিন হাসান বিন আলী আল-খুমী আল-সাইরাফি ৫।
৪৪- আল-কুনা [উপনাম (الكنى)] - ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-খুজায়ি ৬।
৪৫- আল-কুনা [উপনাম (الكنى)] - শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-সাখাবি (ওফাত ৯০২?) ৭।
৪৬- সহিহাইন-এর বর্ণনাকারীদের (رجال) মধ্যে যারা উপনামে পরিচিত তাদের নামের গ্রন্থ - মুহাম্মদ বিন হারুন আল-মাগরিবি ৮।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
أنواع الكنى:1- أن يكون الاسم هو الكنية، ولا كنية له غيره:
مثاله: أبو بلال الأشعري، من ولد أبي موسى الأشعري، وهو أبو بلال بن محمد بن الحارث بن عبد الله بن أبي بردة بن أبي موسى الأشعري، روى عن شريك وغيره، وعنه أبو حاتم الرازي وخلق، قال لأبي حاتم: ليس اسم، اسمي وكنيتي واحد1.
2- أن يكون الاسم هو الكنية، وله كنية أخرى:
مثاله: (ع) أبو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام بن المغيرة المخزومي المدني، قيل: اسمه محمد، وقيل: المغيرة، وقيل: أبو بكر اسمه، وكنيته أبو عبد الرحمن، وقيل: اسمه كنيته، ثقة فقيه عابد، من الثالثة، توفي سنة أربع وتسعين ومائة2.
--------------------------------------------
কুনিয়ার (الكنى) প্রকারভেদ:১- নামই কুনিয়া (الكنية) হওয়া এবং সেটি ছাড়া তার অন্য কোনো কুনিয়া (كنية) না থাকা:
উদাহরণ: আবু বিলাল আল-আশআরি, তিনি আবু মুসা আল-আশআরির বংশধর। তিনি হলেন আবু বিলাল বিন মুহাম্মদ বিন আল-হারিস বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু বুরদাহ বিন আবু মুসা আল-আশআরি। তিনি শারিক ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে আবু হাতিম আর-রাজি ও অসংখ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু হাতিমকে বলেছিলেন: "এটি কোনো নাম নয়, আমার নাম এবং কুনিয়া (كنية) একই।"১
২- নামই কুনিয়া (الكنية) হওয়া এবং তার অন্য একটি কুনিয়া (كنية) থাকা:
উদাহরণ: (আ) আবু বকর বিন আব্দুল রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম বিন আল-মুগিরা আল-মাখজুমি আল-মাদানি। বলা হয়: তার নাম মুহাম্মদ, আবার বলা হয়: আল-মুগিরা, আবার বলা হয়: আবু বকরই তার নাম এবং তার কুনিয়া (كنية) হলো আবু আব্দুল রহমান। আবার বলা হয়: তার নামই তার কুনিয়া (كنية)। তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), ফকিহ (فقيه), ইবাদতগুজার (عابد), তৃতীয় স্তরের (من الثالثة) অন্তর্ভুক্ত। তিনি একশত চুরানব্বই হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।২
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
1- أن تكون له كنية معروفة بين الناس ولا يدرون أهي اسمه أم لم اسم سواها:
مثاله: أبو أناس - بضم الهمزة وتخفيف النون - ابن زنيم الكناني، ويقال: الدئلي1.
2- أن تتعدد الكنى، اثنان أو أكثر:
مثاله: (ع) عبد الملك بن عبد العزيز بن جريج الأموي مولهم المكي، يكنى بأبي الوليد، أبي خالد، ثقة فقيه فاضل، وكان يدلس ويرسل، من السادسة، توفي 150?2.
3- أن تكون الكنية بحسب الظاهر لقبا في الحقيقة، وأن تكون له كنية أخرى:
مثاله: (ع) أمير المؤمنين علي بن أبي طالب بن عبد المطلب بن هاشم الهاشمي، ابن عم رسول الله صلى الله عليه وسلم، وزوج ابنته، استشهد في رمضان سنة أربعين، يلقب أبا تراب، وهو في الظاهر كنية، وكنيته أب الحسن3.
4- من اختلف العلماء في كنيته بعد اتفاقهم على اسمه:
مثاله: (ع) أسامة بن زيد بن حارثة بن شراحيل الكلبي، الصحابي المشهور، اختلفوا في كنيته؛ فقيل: أبو زيد، وقيل: أبو محمد، وقيل: أبو عبد الله، وقيل: أبو خارجة، توفي سنة أربع وخمسين4.
5- أن تكون له كنية متفق عليها بين العلماء، وكلنهم اختلفوا في اسمه:
مثاله: (ع) أبو هريرة الدوسي، الصحابي الجليل، حافظ الصحابة، اختلف في اسمه واسم أبيه على نحو ثلاثين أو أربعين وجها، توفي سنة تسع وخمسين5.
--------------------------------------------
১- এমন হওয়া যে, তার একটি উপনাম (كنية) মানুষের মাঝে প্রসিদ্ধ কিন্তু তারা জানে না সেটিই কি তার নাম নাকি তার অন্য কোনো নাম রয়েছে:
উদাহরণস্বরূপ: আবু আনাস -হামযাহতে পেশ এবং নূনে তাশদীদহীন যবর সহকারে- ইবনে যানিম আল-কিনানি, তাকে আদ-দুয়ালিও বলা হয়।১
২- উপনাম (كنية) একাধিক হওয়া, দুই বা ততোধিক:
উদাহরণস্বরূপ: (সবাই) (ع) আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আযীয ইবনে জুরাইজ আল-উমাবী, তাদের আযাদকৃত দাস, আল-মাক্কি। তার উপনাম (كنية) হলো আবুল ওয়ালীদ এবং আবু খালিদ। তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), ফকিহ (فقيه) ও মর্যাদাবান (فاضل) ছিলেন। তিনি তাদলিস (يدلس) করতেন এবং মুরসাল (يرسل) করতেন। তিনি ষষ্ঠ তবকার অন্তর্ভুক্ত। ১৫০ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।২
৩- উপনামটি (كنية) বাহ্যিকভাবে আসলে একটি উপাধি (لقب) হওয়া এবং তার অন্য একটি উপনাম (كنية) থাকা:
উদাহরণস্বরূপ: (সবাই) (ع) আমীরুল মুমিনীন আলী ইবনে আবি তালিব ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম আল-হাশিমী, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাই এবং তাঁর কন্যার স্বামী। তিনি চল্লিশ হিজরীর রমজান মাসে শাহাদাত বরণ করেন। তাকে আবু তুরাব উপাধিতে (لقب) ভূষিত করা হয়েছিল, যা বাহ্যিকভাবে একটি উপনাম (كنية) মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তার উপনাম (كنية) হলো আবুল হাসান।৩
৪- যার নামের ব্যাপারে আলেমগণ একমত হওয়ার পর তার উপনামের (كنية) ব্যাপারে মতভেদ করেছেন:
উদাহরণস্বরূপ: (সবাই) (ع) উসামা ইবনে যায়েদ ইবনে হারিসা ইবনে শুরাহবীল আল-কালবী, প্রখ্যাত সাহাবী (صحابي), আলেমগণ তার উপনামের (كنية) ব্যাপারে মতভেদ করেছেন; বলা হয়েছে: আবু যায়েদ, আবার বলা হয়েছে: আবু মুহাম্মদ, আরও বলা হয়েছে: আবু আব্দুল্লাহ এবং আবু খারিজাহ। তিনি চুয়ান্ন হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।৪
৫- তার এমন একটি উপনাম (كنية) থাকা যার ব্যাপারে আলেমগণ একমত, কিন্তু তারা তার নামের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন:
উদাহরণস্বরূপ: (সবাই) (ع) আবু হুরায়রা আদ-দাউসি, মহান সাহাবী (صحابي), সাহাবীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাফিজ (حافظ), তার এবং তার পিতার নামের ব্যাপারে প্রায় ত্রিশ বা চল্লিশটি মতে মতভেদ রয়েছে। তিনি উনষাট হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।৫
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
1- أن تكون كنيته واسمه جميعا موضع خلاف:
مثاله: (م ع) سفينة، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن هذا لقب لقبه به النبي، وقد اختلفوا في اسمه؛ فقيل: أبو عبد الرحمن، وقيل: أبو البحتري، وقيل غير ذلك1.
2- أن تكون له كنية معروفة واسم معروف، واشتهر بهما جميعا، ولم يختلفوا في واحد منهما:
مثاله: (ع) عبد الله بن عثمان بن عامر بن عمرو بن كعب التيمي، أبو بكر بن أبي قحافة، الصديق الأكبر، خليفة رسول الله صلى الله عليه وسلم، توفي في جمادى الأولى سنة ثلاث عشر2.
3- أن يكون له اسم وكنية معروفان، ولا خلاف في أحدهما، ولكن شهرته بالكنية دون الاسم:
مثاله: (ع) أبو إدريس، عائذ الله- بتحتانية ومعجمة - ابن عبد الله الخولاني، ولد في حياة النبي صلى الله عليه وسلم يوم حنين، وسمع كبار الصحابة، توفي سنة ثمانين3.
4- أن يكون له اسم وكنية معروفان، ولا خلاف في أحدهما، ولكن شهرته بالكنية دون الاسم:
مثاله: (ع) أبو عبد الله عبد الرحمن بن عوف بن عبد الحارث القرشي الزهري، أحد العشرة، أسلم قديما، ومناقبه شهيرة، توفي سنة اثنتين وثلاثين4.
5- أن تكون للراوي كنية معروفة، واسم معروف، وكنيته موافقة لاسمه:
مثاله: أبو القاسم بن محمد بن أحمد بن محمد بن سليمان بن الطيلسان الأوسي، حافظ الأندلس، واسمه القاسم5.
--------------------------------------------
১- তার কুনিয়া (উপনাম) এবং নাম উভয়টিই মতপার্থক্যের বিষয় হওয়া:
উদাহরণ: (মুসলিম ও চার সুনান) সাফিনাহ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাস (مولى), এটি মূলত একটি উপাধি (لقب) যা নবী তাকে দিয়েছিলেন। তাঁর নামের ব্যাপারে বিদ্বানগণ মতভেদ করেছেন; কারো মতে আবু আব্দুর রহমান, কারো মতে আবু আল-বাহতারি এবং এর বাইরেও অন্যান্য মত রয়েছে ১।
২- তার একটি সুপরিচিত কুনিয়া (উপনাম) এবং সুপরিচিত নাম থাকা এবং উভয়ের মাধ্যমেই প্রসিদ্ধ হওয়া, আর সে দুটির কোনোটি নিয়ে কোনো মতভেদ না থাকা:
উদাহরণ: (ছয় কিতাব) আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে আমির ইবনে আমর ইবনে কাব আল-তাইমি, আবু বকর ইবনে আবি কুহাফাহ, আস-সিদ্দিক আল-আকবর, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খলিফা, তিনি তেরো হিজরি সালের জমাদিউল আউয়াল মাসে ইন্তেকাল করেন ২।
৩- তার একটি নাম ও কুনিয়া (উপনাম) উভয়ই সুপরিচিত হওয়া এবং সেগুলোর কোনোটিতে মতভেদ না থাকা, কিন্তু নামের চেয়ে কুনিয়ার মাধ্যমেই অধিক প্রসিদ্ধ হওয়া:
উদাহরণ: (ছয় কিতাব) আবু ইদ্রিস, আয়িযুল্লাহ -নিচে দুই নুকতাযুক্ত 'ইয়া' এবং উপরে নুকতাযুক্ত 'যাল' সহ- ইবনে আবদুল্লাহ আল-খাওলানি, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় হুনাইনের যুদ্ধের দিন জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রবীণ সাহাবীগণের (صحابة) নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন, তিনি আশি হিজরিতে ইন্তেকাল করেন ৩।
৪- তার একটি নাম ও কুনিয়া (উপনাম) উভয়ই সুপরিচিত হওয়া এবং সেগুলোর কোনোটিতে মতভেদ না থাকা, কিন্তু নামের চেয়ে কুনিয়ার মাধ্যমেই অধিক প্রসিদ্ধ হওয়া:
উদাহরণ: (ছয় কিতাব) আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান ইবনে আউফ ইবনে আবদিল হারিস আল-কুরাইশি আজ-জুহরি, জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজনের একজন, তিনি ইসলামের শুরুর দিকেই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাঁর গুণাবলি সুবিখ্যাত, তিনি বত্রিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন ৪।
৫- বর্ণনাকারীর (راوي) একটি সুপরিচিত কুনিয়া (উপনাম) এবং সুপরিচিত নাম থাকা এবং তাঁর কুনিয়া তাঁর নামের সাথে মিল থাকা:
উদাহরণ: আবু আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আত-তাইলসান আল-আওসি, আন্দালুসের হাফিজ (حافظ), এবং তাঁর নাম হলো আল-কাসিম ৫।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
1- أن تكون للراوي كنية واسم معروفان، وتكون كنيته موافقة لاسم أبيه:
مثاله: (بخ م ع) أبو مسلم الأغر بن مسلم المديني، نزيل الكوفة، ثقة من الثالثة1.
2- أن يكون للراوي اسم معروف، ولأبيه كنية، واسمه يوافق كنية أبيه:
مثاله: (خ م ت س) سنان بن أبي سنان يزيد بن أبي أمية، ويقال: ربيعة، الديلي المدني، ثقة من الثالثة، توفي سنة خمس ومائة2.
3- أن تكون للراوي كنية، ولزوجته كنية، وتوافق كنيته كنية زوجته:
مثاله: (ع) أبو ذر الغفاري، الصحابي المشهور، اسمه جندب بن جنادة على الأصح، تقدم إسلامه، وتأخرت هجرته، فلم يشهد بدرا، ومناقبه كثيرة جدا، توفي سنة اثنتين وثلاثين3.
وزوجته (أم ذر) أسلمت مع أبي ذر في أول الإسلام4.
--------------------------------------------
১- বর্ণনাকারীর (راوي) একটি সুপরিচিত উপনাম (كنية) ও নাম থাকা এবং তার উপনামটি তার পিতার নামের সাথে মিল থাকা:
উদাহরণ: (بخ م ع) আবু মুসলিম আল-আগার ইবনে মুসলিম আল-মাদিনী, কুফায় বসবাসকারী, তৃতীয় প্রজন্মের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী।১
২- বর্ণনাকারীর (راوي) একটি সুপরিচিত নাম থাকা এবং তার পিতার একটি উপনাম (كنية) থাকা, আর বর্ণনাকারীর নামটি তার পিতার উপনামের সাথে মিল থাকা:
উদাহরণ: (خ م ت س) সিনান ইবনে আবি সিনান ইয়াজিদ ইবনে আবি উমাইয়্যাহ, বলা হয়: রাবিআহ, আদ-দাইলি আল-মাদানি, তৃতীয় প্রজন্মের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী, ১০৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।২
৩- বর্ণনাকারীর (راوي) একটি উপনাম (كنية) থাকা এবং তার স্ত্রীরও একটি উপনাম থাকা, আর তার উপনামটি তার স্ত্রীর উপনামের সাথে মিল থাকা:
উদাহরণ: (ع) আবু যার আল-গিফারি, প্রসিদ্ধ সাহাবী (صحابي), বিশুদ্ধ মতানুসারে তার নাম জুনদুব ইবনে জুনাদা, তিনি ইসলামের প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণ করেন, তবে তার হিজরত বিলম্বিত হয়, ফলে তিনি বদর যুদ্ধে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তার মর্যাদা ও গুণাবলি অনেক, ৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।৩
এবং তার স্ত্রী (উম্মে যার) ইসলামের প্রারম্ভে আবু যারের সাথেই ইসলাম গ্রহণ করেন।৪
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
سبب تكني عبيد الله بن عبد الكريم الرازي بكنية أبي زرعة:لقد غطت كنية أبي زرعة لعبيد الله بن عبد الكريم الرازي (ت264?9 على غيره، فإذا ذكرت مجردة من غير نسبة، فالمقصود بها هو.
ولقد حصل أبو زرعة كنيته عن طريق الرازيين الذين زاروا دمشق، والتقوا بأبي زرعة الدمشقي، فكنوه بنفس الكنية تيمنا، ذكر ذلك ابن عساكر في تاريخ دمشق، حيث روى بإسناده إلى أبي زرعة الدمشقي أنه قال: (وبكنيتي كني أبا زرعة الرازي، وذلك أن جماعة من أهل الري قدموا علينا بدمشق قديما منهم أبو يحيى مزحويه، فلما انصرفوا إلى الري فيما أخبرني غير واحد، منهم أبو حاتم، رأوا هذا الفتى قد كانوا يعنون أبا زرعة
উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল কারিম আর-রাজি-এর ‘আবু জুরআ’ উপনাম গ্রহণের কারণ:উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল কারিম আর-রাজি-এর (মৃত্যু ২৬৪ হি.) ‘আবু জুরআ’ উপনামটি অন্যদের তুলনায় অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। তাই যখন কোনো নিসবত বা সম্বন্ধ ব্যতিরেকে কেবল এই উপনামটি উল্লেখ করা হয়, তখন এর দ্বারা মূলত তাঁকেই বোঝানো হয়।
আবু জুরআ এই উপনামটি সেই সকল রায়-বাসীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়েছিলেন যারা দামেস্ক সফর করেছিলেন এবং আবু জুরআ আদ-দিমাশকি-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। অতঃপর তারা বরকত লাভের আশায় তাঁকে একই উপনামে ভূষিত করেন। ইবনে আসাকির তাঁর তারিখে দিমাশক গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি স্বীয় সনদ (إسناد) সহ আবু জুরআ আদ-দিমাশকি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: (আমার উপনামেই আবু জুরআ আর-রাজি-কে উপনামযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি হলো, অতীতে রায়ের অধিবাসীদের একটি দল আমাদের কাছে দামেস্কে এসেছিলেন, যাদের মধ্যে আবু ইয়াহইয়া মাজুওয়াইহি ছিলেন। এরপর তারা যখন রায়ে ফিরে গেলেন—যেমনটি আবু হাতেমসহ একাধিক ব্যক্তি আমাকে জানিয়েছেন—তখন তারা এই যুবককে দেখলেন, অর্থাৎ তারা আবু জুরআকেই উদ্দেশ্য করছিলেন...
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
الرازي فقالوا له: نكنيك بكنية أبي زرعة الدمشقي، ثم لقيني أبو زرعة الرازي فجالسني بدمشق، وكان يذكر لي هذا الحديث، وقال لي: تكنيت بكنيتك) 1.
--------------------------------------------
...আর-রাজি; তখন তারা তাকে বলল: "আমরা আপনাকে আবু জুরআ আদ-দিমাশকির উপনাম (كنية) দ্বারা ভূষিত করছি।" এরপর আবু জুরআ আর-রাজি আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং দামেস্কে আমার সাথে মজলিসে বসেন। তিনি আমার নিকট এই হাদিসটি উল্লেখ করতেন এবং আমাকে বলতেন: "আমি আপনার উপনামটি (كنية) গ্রহণ করেছি।" ১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
تمييز الأئمة والحفاظ بين أبي زرعة الرازي والدمشقي:اشترك أبو زرعة الرازي مع أبي زرعة الدمشقي في الكنية والرواية عن بعض الشيوخ، وهما ومن الأقران؛ لهذه الأسباب احتاط أئمة الحديث والمصنفون فميزوا بينهما، وضبطوا أسماء الشيوخ لكل منهما، وذلك تجنبا لوقوع اللبس والوهم.
فقد تنبه عبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي (ت327?) لهذا الأمر فميز في كتابه (الجرح والتعديل) بين أبي زرعة الرازي والدمشقي.
فهو لا يصرح بنسبة أبي زرعة عبيد الله بن عبد الكريم قريب أبيه الذي لا تكاد تخلو صفحة من صفحات كتابه - الجرح والتعديل - من ذكره، وكذا بقية كتبه؛ لأنه لا لبس في أمره.
أما إذا لم يؤمن اللبس فينسبه، فمثلا عبد الحميد بن بكار الدمشقي، حينما ذكر الرواة عنه ذكر أبا زرعة الرازي بنسبته1، وكذلك إذا روى عن أبي زرعة عبد الرحمن بن عمرو الدمشقي، أو يذكره ضمن شيوخ أو تلاميذ أحد الرواة2.
وكذلك إذا اشترك أبو زرعة الرازي والدمشقي في الرواية عن أحد من الشيوخ، فمثلا صرح ابن أبي حاتم في ترجمة أبيه، حيث ذكر طائفة من الرواة عنه، وذكر منهم أبا زرعة الرازي، والدمشقي3.
ولقد تنبه لذلك أيضا الإمام الحافظ أبو حاتم محمد بن حبان (ت254?) فإذا ذكر أبا زرعة عبيد الله بن عبد الكريم، أو إذا روى عنه رأيا أو قولا فإنه ينسبه بالرازي كي يميزه عن أبي زرعة الدمشقي4.
--------------------------------------------
আবু যুরআহ আর-রাজি এবং আবু যুরআহ আদ-দিমাশকির মধ্যে ইমাম ও হাফিজ (الحفاظ)গণের পার্থক্য নিরূপণ:আবু যুরআহ আর-রাজি এবং আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি উভয়েই উপনাম (কুনিয়াত) এবং কিছু উস্তাদের নিকট থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে এক ও অভিন্ন ছিলেন, তদুপরি তাঁরা ছিলেন পরস্পর সমসাময়িক (الأقران)। এসব কারণে হাদিসের ইমামগণ এবং গ্রন্থকারগণ সতর্কতা অবলম্বন করেছেন এবং তাঁদের উভয়ের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করেছেন। বিভ্রান্তি ও ভ্রম (الوهم) এড়াতে তাঁরা উভয়ের উস্তাদদের নাম সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন।
আবদুর রহমান বিন আবি হাতিম আর-রাজি (মৃত্যু ৩২৭?) এই বিষয়টি অনুধাবন করেছিলেন এবং তিনি তাঁর গ্রন্থ আল-জারহ ওয়াত তাদিল-এ আবু যুরআহ আর-রাজি এবং আবু যুরআহ আদ-দিমাশকির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করেছেন।
তিনি তাঁর পিতার নিকটাত্মীয় আবু যুরআহ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল কারিমের নিসবত বা পরিচয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন না, যাঁর আলোচনা তাঁর গ্রন্থ আল-জারহ ওয়াত তাদিল-এর প্রায় প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই রয়েছে; তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কারণ তাঁর পরিচয় নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।
তবে যেখানে বিভ্রান্তির আশঙ্কা থাকে, সেখানে তিনি নিসবত বা পরিচয় উল্লেখ করেন। উদাহরণস্বরূপ, আব্দুল হামিদ বিন বাক্কার আদ-দিমাশকির কথা বলা যায়; যখন তিনি তাঁর থেকে বর্ণনাকারী (الرواة)দের কথা উল্লেখ করেছেন, তখন তিনি আবু যুরআহ আর-রাজির নাম পরিচয়সহ উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে যখন তিনি আবু যুরআহ আবদুর রহমান বিন আমর আদ-দিমাশকি থেকে বর্ণনা করেন, অথবা কোনো বর্ণনাকারী (الرواة)-এর উস্তাদ বা ছাত্রদের তালিকায় তাঁকে উল্লেখ করেন, তখন তিনি পরিচয় পরিষ্কার করে দেন।
একইভাবে যখন আবু যুরআহ আর-রাজি এবং আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি কোনো একজন উস্তাদের নিকট থেকে হাদিস বর্ণনায় শরিক হন, তখনও তিনি পার্থক্য করেন। উদাহরণস্বরূপ, ইবনে আবি হাতিম তাঁর পিতার জীবনী (ترجمة)-তে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন; যেখানে তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে একদল বর্ণনাকারী (الرواة)-এর নাম উল্লেখ করতে গিয়ে আবু যুরআহ আর-রাজি এবং আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি—উভয়ের নামই উল্লেখ করেছেন।
ইমাম হাফিজ (الحافظ) আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন হিব্বানও (মৃত্যু ২৫৪?) এই বিষয়ে সচেতন ছিলেন। তিনি যখন আবু যুরআহ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল কারিমের উল্লেখ করেন অথবা তাঁর কোনো মতামত বা উক্তি বর্ণনা করেন, তখন তাঁকে ‘আর-রাজি’ হিসেবে পরিচয় প্রদান করেন যাতে আবু যুরআহ আদ-দিমাশকির সাথে পার্থক্য করা যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
هذا في معظم المواضع من كتاب (المجروحين) ؛ لأنه ينقل أقوال أئمة الجرح والتعديل في الرواة.
وإذا أمن اللبس فيذكره من غير أن ينسبه، فقد ذكره في حادثة لقاء أبي زرعة الرازي، ومحمد بن مسلم بن وارة، وهو رازي أيضا، مشهور مع الإمام أحمد بن حنبل، وتحذيرهما له من الرواية عن محمد بن حميد الرازي1.
إلا أنه ذكر في موضع واحد في ترجمة معلى بن هلال الطحان2 من طريق أبي نعيم - الفضل بن دكين (ت219?) - وقد روى عنه كل من أبي زرعة الرازي والدمشقي، وهو يريد في الغالب فيه أبا زرعة الدمشقي، فقد ذكر ابن حجر هذا الخبر وصرح بنسبته أبي زرعة راوي الخبر عن ابن عيينة.
وروى ابن حبان في موضع آخر قولا عن أبي مسهر - عبد الأعلى بن مسهر الدمشقي (ت218?) - وهو شيخ لأبي زرعة الدمشقي3، ولقد أخطأ محقق كتاب المجروحين، حيث كتب في الحاشية ترجمة لأبي زرعة الرازي، ظنا منه أن هذا هو الرازي، وهو في الحقيقة الدمشقي.
--------------------------------------------
'আল-মাজরুহিন' গ্রন্থের অধিকাংশ স্থানেই এমনটি দেখা যায়; কেননা তিনি এখানে বর্ণনাকারীদের বিষয়ে জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)-এর ইমামগণের উক্তি উদ্ধৃত করেছেন।
এবং যখন বিভ্রান্তির কোনো সম্ভাবনা থাকে না, তখন তিনি নিসবত (পরিচয়) উল্লেখ করা ছাড়াই তাঁর কথা উল্লেখ করেন। যেমন তিনি আবু জুরআহ আর-রাজি এবং মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন ওয়ারাহ—যিনি নিজেও একজন রাজি এবং ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের সাথে সুপ্রসিদ্ধ—তাঁদের উভয়ের সাক্ষাতের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে তাঁরা দুজনে ইমাম আহমাদকে মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাজি থেকে বর্ণনা (الرواية) করার ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন।
তবে তিনি একটি স্থানে মুআল্লা বিন হিলাল আত-তাহহানের জীবনীতে (ترجمة) আবু নুআইম আল-ফদল বিন দুকাইন (মৃত্যু ২১৯? হি.)-এর সূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন। আবু জুরআহ আর-রাজি এবং আবু জুরআহ আদ-দিমাশকি—উভয়েই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি এর দ্বারা আবু জুরআহ আদ-দিমাশকিকেই উদ্দেশ্য করে থাকেন। ইবনে হাজার এই সংবাদটি (الخبر) উল্লেখ করেছেন এবং ইবনে উইয়াইনাহ থেকে সংবাদটির বর্ণনাকারী (راوي) হিসেবে আবু জুরআহ-এর নিসবত বা পরিচয় স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন।
ইবনে হিব্বান অন্য একটি স্থানে আবু মুসহির আব্দুল আলা বিন মুসহির আদ-দিমাশকি (মৃত্যু ২১৮? হি.)-এর একটি উক্তি বর্ণনা করেছেন, যিনি আবু জুরআহ আদ-দিমাশকির উস্তাদ ছিলেন। এখানে 'আল-মাজরুহিন' গ্রন্থের গবেষক ভুল করেছেন; তিনি পাদটীকায় একে আবু জুরআহ আর-রাজি মনে করে তাঁর জীবনী (ترجمة) লিখে দিয়েছেন, অথচ বাস্তবে তিনি হলেন আদ-দিমাশকি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
أسماء الرواة الذين كنوا بأبي زرعة:(1) أبو زرعة: أحمد بن بندار بن محمد بن عبد الله بن مهران العبسي القاضي1 (ت382?) .
روى عن حفص بن عمر الملقب نزيلة الحافظ بأردبيل2.
روى عن أحمد بن محمد بن موسى الفارسي3 (كنيته أبو زرعة) (ت بعد 340?) .
--------------------------------------------
আবু যুরআহ উপনামে (كنية) পরিচিত বর্ণনাকারীদের (رواة) নামসমূহ:(১) আবু যুরআহ: আহমদ ইবনে বুন্দার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মেহরান আল-আবসি আল-কাজী (বিচারপতি) (القاضي)১ (মৃত্যু ৩৮২? হিজরি) ।
তিনি আরদাবিলের নাজিলাহ উপাধিধারী হাফিজ (হাদিস বিশারদ) (الحافظ)২ হাফস ইবনে উমর থেকে বর্ণনা (روى) করেছেন।
তিনি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-ফারসি৩ (যার উপনাম (كنية) আবু যুরআহ) (মৃত্যু ৩৪০? হিজরির পর) থেকে বর্ণনা (روى) করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
وإسحاق بن إبراهيم بن بوكود الاستراباذي أبو القاسم، يعرف بأخي محمد كاالبيرايات1.
الفضل بن نعيم الاستراباذي أبو العباس يعرف بفضلان2.
(2) أبو زرعة: أحمد بن حميد الصيدلاني الجرجاني، مات بمكة.
قال عنه حمزة السهمي: كان حافظا، يعرف علل الحديث3.
روى عنه محمد بن عبد الأعلى، ويحيى بن سعيد القطان، وعمرو بن علي، روى عنه موسى بن هارون الحمال، والحسن بن أحمد الصنعاني.
قال أبو عمران بن هانئ: كان أبو زرعة الجرجاني أحفظ من أبي زرعة الرازي، قد صحب يحيى بن سعيد القطان، وسلم يحيى بن سعيد ابنه إليه ليفيده في الحديث4.
قال إبراهيم بن محمد بن عيسى: كان موسى بن هارون يأخذ علل الحديث عن أبي زرعة الجرجاني ويدخلها في كتابه5.
(3) أبو زرعة: محمد بن الحسن بن حمدان المذكر الاستراباذي6.
روى عن محمد بن يزدان بن سالم الاستراباذي، وهميم بن همام.
(4) أبو زرعة: أحمد بن محمد بن هارون الاستراباذي، ابن أخي هارون بن أحمد.
انتقل إلى مكة وتأهل بها، ثم خرج من مكة على طريق البصرة قبل الثمانين والثلاثمائة7.
روى عن أبي نعيم، وجعفر بن شريك8.
(5) أبو زرعة: أحمد بن محمد بن موسى الفارسي القاضي، مات باستراباذ بعد الأربعين وثلاثمائة9.
--------------------------------------------
এবং ইসহাক ইবন ইব্রাহিম ইবন বুকুদ আল-আস্তরাবাদি আবুল কাসিম, তিনি মুহাম্মাদ কাল-বিরায়াতের ভাই হিসেবে পরিচিত১।
আল-ফাদল ইবন নুয়াইম আল-আস্তরাবাদি আবুল আব্বাস, তিনি ফাদলান নামে পরিচিত২।
(২) আবু জুরআহ: আহমাদ ইবন হুমাইদ আস-সাইদালানি আল-জুরজানি, তিনি মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন।
হামযাহ আস-সাহমি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি ছিলেন হাফিজ (حافظ), হাদিসের ইল্লাল বা ত্রুটিসমূহ (علل) সম্পর্কে পারদর্শী৩।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদিল আলা, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান এবং আমর ইবন আলী; তাঁর থেকে আরও বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন হারুন আল-হাম্মাল এবং আল-হাসান ইবন আহমাদ আস-সানআনি।
আবু ইমরান ইবন হানি বলেছেন: আবু জুরআহ আল-জুরজানি আবু জুরআহ আর-রাজি অপেক্ষা অধিক স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন (أحفظ) ছিলেন। তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তানের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন এবং ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ তাঁর পুত্রকে তাঁর নিকট সোপর্দ করেছিলেন যাতে তিনি তাকে হাদিস শিক্ষা দিতে পারেন৪।
ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন ঈসা বলেছেন: মুসা ইবন হারুন আবু জুরআহ আল-জুরজানির নিকট থেকে হাদিসের ইল্লাল বা ত্রুটিসমূহ (علل) গ্রহণ করতেন এবং তা তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করতেন৫।
(৩) আবু জুরআহ: মুহাম্মাদ ইবন আল-হাসান ইবন হামদান আল-মুযাক্কির আল-আস্তরাবাদি৬।
তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযদান ইবন সালিম আল-আস্তরাবাদি এবং হামিম ইবন হাম্মাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(৪) আবু জুরআহ: আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন হারুন আল-আস্তরাবাদি, হারুন ইবন আহমাদের ভ্রাতুষ্পুত্র।
তিনি মক্কায় স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে বসতি স্থাপন করেন, অতঃপর তিনি তিনশত আশি হিজরির পূর্বে মক্কা থেকে বসরার পথে যাত্রা করেন৭।
তিনি আবু নুয়াইম এবং জাফর ইবন শারিক থেকে বর্ণনা করেছেন৮।
(৫) আবু জুরআহ: আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন মুসা আল-ফারিসি আল-কাদি, তিনি তিনশত চল্লিশ হিজরির পর আস্তরাবাদে মৃত্যুবরণ করেন৯।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪২)
روى عن عمران بن موسى السختياني، ومعروف بن محمد بن زياد، ومحمد بن حشمرد الجرجانيين، وغيرهم.
روى عنه أبو زرعة أحمد بن بندار العيشي1.
وعنه أبو نعيم عبد الملك بن أحمد بن نعيم بن عبد الملك الاستراباذي2.
(6) أبو زرعة: الرازي الصغير: أحمد بن الحسين بن علي بن إبراهيم بن الحكم بن عبد الله (ت375?) 3.
روى عن أبي القاسم عبد الله بن محمد بن خربان الخرباني البغدادي4.
سمع محمد بن إبراهيم بن مورد، وعبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي، وعلي بن إبراهيم القطان القزويني، وعبد الله بن محمد الحارثي (شيخ البخاري) ، وبكر بن عبد الله بن المحتسب البخاري، والحسين بن إسماعيل المحاملي، ومحمد بن مخلد الدوري.
ومن شيوخه محمد بن أحيد بن عيسى، أبو حرب البلخي الحافظ، وسمع من أبي حامد بن بلال، وعلي بن أحمد الفارسي، نزيل بلخ، وأبي عباس الأصم، وأبي الفوارس السندي المصري، وأبي الحسين محمد بن عبد الله الرازي والد تمام.
وحامد بن حماد بن المبارك بنصيبين5.
روى عنه أبو زرعة أحمد بن الحسين الرازي6.
وعنه تمام الرازي، والحسين بن محمد الفلاكي، وعبد الغني بن سعيد الأزدي، وحمزة بن يوسف السهمي، وأبو الفضل محمد بن أحمد الجارودي، وأبو العلاء محمد بن علي الواسطي، وعلي بن المحسن التنوخي، وأبو الطيب أحمد بن علي الجعفري7.
قال الخطيب: حدث ببغداد، ثنا عنه القاضيان أبو علي الواسطي وأبو القاسم التنوخي، وأبو زرعة روح بن محمد الرازي.
قال عنه الخطيب: كان حافظا متقنا ثقة، رحل في الحديث، وسافر الكثير، وجالس الحفاظ، وجمع التراجم والأبواب.
--------------------------------------------
তিনি ইমরান ইবনে মুসা আস-সাখতিয়ানি, মারুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ, মুহাম্মদ ইবনে হাশমারদ আল-জুরজানি ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ আহমাদ ইবনে বুন্দার আল-আইশি।
এবং তাঁর থেকে (বর্ণনা করেছেন) আবু নুআইম আব্দুল মালিক ইবনে আহমাদ ইবনে নুআইম ইবনে আব্দুল মালিক আল-আসতারাবাদহি।
(৬) আবু জুরআহ: আর-রাজি আস-সগির (ছোট আবু জুরআহ): আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলি ইবনে ইবরাহিম ইবনে আল-হাকাম ইবনে আব্দুল্লাহ (মৃত্যু ৩৭৫ হিজরি?)।
তিনি আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খারবান আল-খারবানি আল-বাগদাদি থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মাওরিদ, আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি, আলি ইবনে ইবরাহিম আল-কাত্তান আল-কাযউইনি, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারিসি (বুখারির উস্তাদ), বকর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুহতাসিব আল-বুখারি, আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি এবং মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আদ-দাওরি থেকে শ্রবণ করেছেন।
তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে আরও ছিলেন হাফিয (حافظ) আবু হারব মুহাম্মদ ইবনে আহইদ ইবনে ঈসা আল-বালখি; এবং তিনি আবু হামিদ ইবনে বিলাল, আলি ইবনে আহমাদ আল-ফারিসি (বালখের অধিবাসী), আবু আব্বাস আল-আসাম্ম, আবু আল-ফাওয়ারিস আস-সিন্দি আল-মিসরি এবং আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাজি (যিনি তাম্মাম-এর পিতা) থেকে শ্রবণ করেছেন।
এবং নাসিবিন শহরের হামিদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে আল-মুবারক।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন আর-রাজি।
এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাম্মাম আর-রাজি, আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-ফালাকি, আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ আল-আযদি, হামযাহ ইবনে ইউসুফ আস-সাহমি, আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-জারুদি, আবু আল-আলা মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-ওয়াসিতি, আলি ইবনে আল-মুহসিন আত-তানুখি এবং আবু আত-তায়্যিব আহমাদ ইবনে আলি আল-জাফারি।
খতিব বলেন: তিনি বাগদাদে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে তাঁর থেকে (হাদিস) বর্ণনা করেছেন দুই বিচারক আবু আলি আল-ওয়াসিতি ও আবু আল-কাসিম আত-তানুখি এবং আবু জুরআহ রাউহ ইবনে মুহাম্মদ আর-রাজি।
খতিব তাঁর সম্পর্কে বলেন: তিনি ছিলেন হাফিয (حافظ), অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও পারদর্শী (متقن) এবং নির্ভরযোগ্য (ثقة); তিনি হাদিসের সন্ধানে দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করেছেন, প্রচুর সফর করেছেন, হাফিযদের (الحفاظ) সান্নিধ্যে ছিলেন এবং জীবনীগ্রন্থ ও অধ্যায়সমূহ সংকলন করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
قال الخطيب: أخبرنا علي بن المحسن قال: سألنا أبا زرعة الرازي عن مولده؟ فقال: لست أحفظه، ولكني خرجت إلى العراق أول دفعة لطلب الحديث سنة أربع وعشرين وثلاثمائة، وكان إذ ذاك أربع عشرة سنة أو نحوها.
(فقد في طريق مكة سنة خمس وسبعين وثلاثمائة) .
قال عنه الذهبي: له تصانيف كثيرة، يروي فيها المناكير كغيره من الحفاظ، ولا يبين حالها، وذلك مما يزري بالحافظ.
وقد سأله حمزة السهمي عن أحوال الرواة1.
وقال عنه الذهبي: من علماء الحديث والراحلين في علوه2.
(7) أبو زرعة بن عبد الله بن عدي، أبو محمد الحافظ3.
(8) أبو زرعة: عمر بن القاسم بن محمد بن بندار السباك الجرجاني4.
روى عن الربيع بن سليمان المرادي.
وعنه إبراهيم بن موسى، جد حمزة السهمي.
(9) أبو زرعة المؤذن المعلم، يعرف باليمني، نسبة إلى اليمن5، محمد بن إبراهيم بن عبد الله بن محمد بن بندار بن سهل بن إسحاق بن سعيد بن عبد الواحد الاستراباذي، توفي باستراباذ6.
قيل له ذلك لأنه أقام باليمن وتزوج وولد بها ابنه إبراهيم.
ويقال له العطاري؛ لأنه جاور محمد بن بندار العطار.
كتب الكثير، ورحل إلى خراسان والشام والجزيرة، وسمع الكثير من أبي العباس السراج، وأبي الحسن بن جوصا الدمشقي، وأبي عروبة الحراني، وأبي بكر بن أبي داود وغيرهم.
كتب بالشام عن أبي جوصا، وبالجزيرة عن أبي عروبة، وبمصر والعراقين عن البغوي، وابن أبي دود، وابن صاعد، وعن عبد الكريم التمار، وبفارس عن علي بن الحسين بن معدان، مات باستراباذ7.
--------------------------------------------
খতিব (আল-বাগদাদি) বলেন: আলী ইবনুল মুহসিন আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমরা আবু জুরআহ আর-রাজিকে তার জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: আমার সেটি মনে নেই, তবে আমি হাদিস অনুসন্ধানের জন্য প্রথমবার ইরাকে গিয়েছিলাম ৩২৪ হিজরি সনে, আর তখন আমার বয়স ছিল চৌদ্দ বছর বা তার কাছাকাছি।
(তিনি ৩৭৫ হিজরি সনে মক্কার পথে নিখোঁজ হন)।
আয-যাহাবি তার সম্পর্কে বলেন: তার বহু রচনা রয়েছে, যাতে তিনি অন্যান্য হাফিজগণের (الحفاظ) মতো অগ্রহণযোগ্য (منكر) বর্ণনা করেন এবং সেগুলোর অবস্থা বর্ণনা করেন না, যা একজন হাফিজের (حافظ) মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে।
হামজা আস-সাহমি তাকে বর্ণনাকারীদের (الرواة) অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
আয-যাহাবি তার সম্পর্কে আরও বলেন: তিনি হাদিস বিশারদদের অন্তর্ভুক্ত এবং উচ্চতর সনদ (علو) অন্বেষণে সফরকারীদের অন্যতম।
(৭) আবু জুরআহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আদি, আবু মুহাম্মদ আল-হাফিজ (الحافظ)।
(৮) আবু জুরআহ: উমর বিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন বুন্দার আস-সাব্বাক আল-জুরজানি।
তিনি রাবি বিন সুলাইমান আল-মুরাদি থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুসা, যিনি হামজা আস-সাহমির দাদা।
(৯) আবু জুরআহ আল-মুআজ্জিন আল-মুআল্লিম, যিনি আল-ইয়ামানি হিসেবে পরিচিত, ইয়েমেনের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করে; মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন বুন্দার বিন সাহল বিন ইসহাক বিন সাঈদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-আস্তারাবাদি, তিনি আস্তারাবাদে মৃত্যুবরণ করেন।
তাকে এই নামে ডাকার কারণ হলো তিনি ইয়েমেনে অবস্থান করেছিলেন, সেখানে বিবাহ করেছিলেন এবং সেখানে তার পুত্র ইব্রাহিম জন্মগ্রহণ করেন।
তাকে আল-আত্তারিও বলা হয়; কারণ তিনি মুহাম্মদ বিন বুন্দার আল-আত্তারের প্রতিবেশী ছিলেন।
তিনি প্রচুর (হাদিস) লিপিবদ্ধ করেছেন এবং খোরাসান, শাম ও জাজিরা সফর করেছেন। তিনি আবুল আব্বাস আস-সাররাজ, আবুল হাসান বিন জাওসা আদ-দিমাশকি, আবু আরুবাহ আল-হাররানি, আবু বকর বিন আবি দাউদ এবং আরও অনেকের থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন।
তিনি শামে আবু জাওসা থেকে, জাজিরায় আবু আরুবাহ থেকে, মিশরে ও দুই ইরাকে আল-বাগাবি, ইবনে আবি দাউদ, ইবনে সায়েদ ও আব্দুল কারিম আত-তাম্মার থেকে এবং পারস্যে আলী বিন আল-হুসাইন বিন মা’দান থেকে (হাদিস) লিখেছেন। তিনি আস্তারাবাদে মৃত্যুবরণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
روى عن محمد بن عبد الملك بن محمد بن عبد الملك الشيباني الكاتب الاستراباذي أبو أحمد1.
وروى عن محمد بن أحمد بن بندار، أبو الحسين البزار الاستراباذي2.
وروى عنه أبو الحسن علي بن الحسين الابريمي، توفي باستراباذ سنة ثلاث عشرة وأربعمائة3.
روى عنه أبو الحسن محمد بن عبد الملك بن أحمد بن نعيم بن عبد الملك النعيمي الاستراباذي الفقيه4.
روت عنه تميمة بنت أبي شجاع، محمد بن إبراهيم الاستراباذية أم أبي حاجب محمد بن إسماعيل بن محمد الاستراباذي5.
روى عن شهريار بن يزداد6.
(10) أبو زرعة: محمد بن الحداد، توفي باستراباذ سنة 412?7.
روى عن ابن شاهين8، ومن في طبقته.
(11) أبو زرعة: محمد بن عبد الله بن إدريس بن الحسن السوراني الاستراباذي (ت342?) 9.
روى عن هميم بن همام وغيره.
روى عنه ابنه أبو عبد الله محمد بن محمد والد أبي سعد الإدريسي، توفي بسمرقند سنة 377?10.
وأبو سعيد عبد الرحمن بن محمد بن محمد بن عبد الله بن إدريس صاحب (تاريخ سمرقند) ، توفي سلخ ذي الحجة سنة خمس وأربعمائة بسمرقند11.
--------------------------------------------
আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আল-শাইবানি আল-কাতিব আল-এস্তারাবাদি থেকে বর্ণনা করেছেন (روى) ১।
এবং আবু আল-হুসাইন আল-বাযযার আল-এস্তারাবাদি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন বুন্দার থেকে বর্ণনা করেছেন (روى) ২।
আর তাঁর থেকে আবু আল-হাসান আলি বিন আল-হুসাইন আল-আবরীমি বর্ণনা করেছেন (روى), তিনি চারশত তেরো হিজরি সনে এস্তারাবাদে মৃত্যুবরণ করেন ৩।
তাঁর থেকে ফকিহ (الفقيه) আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন আহমদ বিন নুয়াইম বিন আব্দুল মালিক আল-নুয়াইমি আল-এস্তারাবাদি বর্ণনা করেছেন (روى) ৪।
তাঁর থেকে আবু হাজিব মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আল-এস্তারাবাদির মা তামীমাহ বিনতে আবি শুজা মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-এস্তারাবাদিয়া বর্ণনা করেছেন (روى) ৫।
তিনি শাহরিয়ার বিন ইযদাদ থেকে বর্ণনা করেছেন (روى) ৬।
(১০) আবু যুরআহ: মুহাম্মদ বিন আল-হাদ্দাদ, তিনি ৪১২ হিজরি সনে এস্তারাবাদে মৃত্যুবরণ করেন ৭।
তিনি ইবনে শাহীন এবং তাঁর সমসাময়িক স্তরের (طبقة) ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করেছেন (روى) ৮।
(১১) আবু যুরআহ: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইদরিস বিন আল-হাসান আল-সূরানি আল-এস্তারাবাদি (মৃ. ৩৪২?) ৯।
তিনি হামিম বিন হাম্মাম এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন (روى)।
তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন (روى), যিনি আবু সাদ আল-ইদ্রিসির পিতা; তিনি ৩৭৭ হিজরি সনে সমরকন্দে মৃত্যুবরণ করেন ১০।
এবং তারিখে সমরকন্দ-এর রচয়িতা আবু সাইদ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইদরিস; তিনি চারশত পাঁচ হিজরি সনের যিলহজ মাসের শেষে সমরকন্দে মৃত্যুবরণ করেন ১১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
(12) أبو زرعة: محمد بن عبد الوهاب بن هشام بن الوليد الأنصاري الحافظ الششي الجرجاني1.
قال السهمي: سكن باب الخندق في سكة شش، ومسجده معروف به الششي سكة بجرجان2.
روى عن عبد الله بن محمد بن مسعود الزهري3.
روى عنه أبو بكر الإسماعيلي، ونعيم بن عبد الملك، وأبو أحمد بن عدي، وإسماعيل بن سعيد، وابن أبي عمران الجرجاني، وأبو جعفر محمد بن أحمد القاضي4، وأبو إسحاق إبر بن موسى بن إبراهيم بن أحمد السهمي الجرجاني5.
قال عنه ختنه أبو بكر الإسماعيلي: كان فقيها حافظا6.
وقال عنه أبو سعد السمعاني: كان فقيها إماما فاضلا عارفا بالفقه والحديث7.
توفي في ذي الحجة سنة أربع وثلاثمائة8.
(13) أبو زرعة: محمد بن محمد بن أحمد الاستراباذي، ختن أبي عبد الله بن السري على ابنته9.
روى عن يوسف بن أحمد بن عبد الرحيم.
روى عنه محمد بن عبد الله بن يحيى المذكر.
(14) أبو زرعة: محمد بن محمد بن سهل بن عبد الرحمن بن أحمد الاستراباذي العنابي10، توفي بسمرقند قبل 360? أيام الطبراني.
سكن سمرقند وحدث بها إلى أن مات قبل الستين والثلاثمائة11.
--------------------------------------------
(১২) আবু যুরআহ: মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন হিশাম বিন আল-ওয়ালিদ আল-আনসারি আল-হাফেজ (الحافظ) আশ-শাশশি আল-জোরজানি ১।
আস-সাহমি বলেন: তিনি জোরজানের বাবুল খন্দক এলাকার শাশশি গলিতে বসবাস করতেন এবং সেখানকার মসজিদটি তাঁর নামেই শাশশি গলি হিসেবে পরিচিত ২।
তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মাসউদ আল-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন ৩।
তাঁর থেকে আবু বকর আল-ইসমাঈলি, নুআইম বিন আব্দুল মালিক, আবু আহমাদ বিন আদি, ইসমাঈল বিন সাঈদ, ইবন আবিল ইমরান আল-জোরজানি, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-কাদি ৪ এবং আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুসা বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ আস-সাহমি আল-জোরজানি ৫ বর্ণনা করেছেন।
তাঁর জামাতা আবু বকর আল-ইসমাঈলি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি একজন ফকিহ (فقيه) এবং হাফেজ (حافظ) ছিলেন ৬।
আবু সা'দ আস-সামআনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি একজন ফকিহ (فقيه), ইমাম (إمام), ফাজিল (فاضل) এবং ফিকহ ও হাদিসশাস্ত্রে অভিজ্ঞ (عارف) ছিলেন ৭।
তিনি ৩০৪ হিজরির জিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন ৮।
(১৩) আবু যুরআহ: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-আস্তারাবাদি, যিনি তাঁর মেয়ের মাধ্যমে আবু আব্দুল্লাহ বিন আস-সারির জামাতা ছিলেন ৯।
তিনি ইউসুফ বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-মুযাক্কির বর্ণনা করেছেন।
(১৪) আবু যুরআহ: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সাহল বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আল-আস্তারাবাদি আল-আন্নাবি ১০, তিনি ৩৬০ হিজরির আগে তাবারানির যুগে সমরকন্দে ইন্তেকাল করেন।
তিনি সমরকন্দে বসবাস করতেন এবং ৩৬০ হিজরির আগে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন ১১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
روى عن أبي عمرو زيد بن محمد المصري.
روى عنه أبو سعيد الإدريسي.
(15) أبو زرعة: محمد بن محمد بن الحسين الاستراباذي، يعرف بابن أبي الخطيب.
سكن سمرقند سنين كثيرة، وخرج منها قبل 380?1.
روى عن علي بن محمد بن مهرويه القزويني، ومعبد بن جمعة الروياني، ومحمد بن الحسن بن علي الخياطي الجرجاني.
روى عنه أبو سعيد الإدريسي وغيره.
(16) أبو زرعة: محمد بن يوسف بن محمد بن الجنيد بن عبد العزيز الكشي الجرجاني (ت390?) 2، كان صدوقا حافظا.
سمع بجرجان من أبي نعيم الاستراباذي، وموسى بن العباس الأزاذياري، وعبد الله بن محمد بن مسلم، ختن بديل، وجماعة، ثم رحل إلى خراسان، وكتب بخراسان عن أبي حاتم مكي بن عبدان، والشرقي، وبسرخس عن الدغولي، وبالري عن ابن أبي حاتم، ومن في طبقته، وبهمذان وبغداد وبمكة عن جماعة، وجمع الأبواب والمشايخ، وكان يفهم ويحفظ، روى بجرجان شيئاً يسيرا بعد الجهد، ثم دخل بغداد وحدث بها، ثم دخل البصرة وأملى في جامع البصرة، ثم انتقل إلى مكة وحدث بها سنين إلى أن توفي بها سنة تسعين وثلاثمائة3.
حدث بالبصرة في شعبان 374?ن وحدث بمكة سنة 385?.
روى عن أحمد بن عبد الله بن زكريا بن عبد الكريم الفقيه الجرجاني4.
روى عنه حماد بن زيدك الجرجاني5.
قال في أحمد بن محمد بن رميح النسوي الجوال: ضعيف6.
روى عن عبد الله بن السري أبو محمد الاستراباذي (ت325?) 7.
--------------------------------------------
তিনি আবু আমর যায়েদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মিসরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে আবু সাঈদ আল-ইদ্রিসি বর্ণনা করেছেন।
(১৫) আবু জুরআ: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-আস্তারাবাদি, তিনি ইবনে আবিল খাতিব নামে পরিচিত।
তিনি দীর্ঘকাল সমরকন্দে বসবাস করেন এবং ৩৮০ হিজরির১ পূর্বে সেখান থেকে প্রস্থান করেন।
তিনি আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহরুওয়াইহ আল-কাযউইনি, মাবাদ ইবনে জুমুআহ আর-রুয়ানি এবং মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আলী আল-খাইয়াতি আল-জুরজানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে আবু সাঈদ আল-ইদ্রিসি এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।
(১৬) আবু জুরআ: মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জুনাইদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-কাশশি আল-জুরজানি (মৃত্যু ৩৯০ হিজরি?)২, তিনি সত্যবাদী (صدوق) ও হাফেজ (حافظ) ছিলেন।
তিনি জুরজানে আবু নুয়াইম আল-আস্তারাবাদি, মুসা ইবনুল আব্বাস আল-আযাদিয়ারি, বদিলের জামাতা আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম এবং একদল আলেম থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন; অতঃপর তিনি খোরাসান সফর করেন এবং খোরাসানে আবু হাতিম মাক্কি ইবনে আবদান ও আশ-শারকি থেকে, সারাখসে আদ-দাগুলি থেকে, রাই শহরে ইবনে আবু হাতিম ও তাঁর সমপর্যায়ের স্তর (طبقة) থেকে এবং হামাদান, বাগদাদ ও মক্কায় একদল আলেম থেকে হাদিস সংগ্রহ করেন। তিনি বিভিন্ন অধ্যায় ও মাশায়েখদের হাদিস সংকলন করেন। তিনি অনুধাবনক্ষম ও হাফেজ (حافظ) ছিলেন। তিনি প্রচেষ্টার পর জুরজানে সামান্য কিছু বর্ণনা করেছেন, অতঃপর বাগদাদে প্রবেশ করে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন। এরপর তিনি বসরায় প্রবেশ করেন এবং বসরার জামে মসজিদে হাদিস ইমলা (أملى) করান। এরপর তিনি মক্কায় স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে ৩৯০ হিজরিতে৩ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কয়েক বছর হাদিস বর্ণনা করেন।
তিনি ৩৭৪ হিজরির শাবান মাসে বসরায় হাদিস বর্ণনা করেন এবং ৩৮৫ হিজরিতে মক্কায় হাদিস বর্ণনা করেন।
তিনি আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যাকারিয়া ইবনে আবদুল কারিম আল-ফকিহ আল-জুরজানি থেকে বর্ণনা করেছেন।৪
তাঁর থেকে হাম্মাদ ইবনে যাইদাক আল-জুরজানি বর্ণনা করেছেন।৫
তিনি আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রুমাইহ আন-নাসাউয়ি আল-জাওওয়াল সম্পর্কে বলেছেন: তিনি দুর্বল (ضعيف)।৬
তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আস-সাররি আবু মুহাম্মদ আল-আস্তারাবাদি (মৃত্যু ৩২৫ হিজরি?) থেকে বর্ণনা করেছেন।৭
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
قال أبو زرعة محمد بن يوسف: خرج ابن خراش1 مثالب الشيخين، وكان رافضيا2.
قال أبو زرعة الكشي في أحمد بن الحسن الجرجاني أبي الحسين: ليس بشيء3.
روى عن حماد بن زيدك الجرجاني4.
ومن نقده لبعض رواة الآثار ما نقله الذهبي، عن حمزة السهمي عنه في ترجمة جعفر بن علي بن سهل الحافظ أبو محمد الدوري الدقاق، قال حمزة السهمي: سمعت أبا زرعة محمد بن يوسف الجرجاني يقول: ليس بمرضي في الحديث ولا في دينه، كان فاسقا كذابا5.
ونقل السهمي عنه أيضا في ترجمة جعفر بن محمد بن الفضل الدقاق (387?) (جعفر الدقاق الحافظ ليس بمرضي في الحديث ولا في دينه، كان فاسقا كذابا.
قال الخطيب: قدم بغداد حاجا، وكان صدوقا حافظا6.
وقال عنه الذهبي: الحافظ الإمام.
روى عن أبي العباس محمد بن عبد الله الدغولي، ومكي بن عبدان النيسابوري، وأبي نعيم بن عدي، ومحمد بن عبدك الشعراني، وعبد الرحمن بن أبي حاتم.
رحل إلى العراق والحرمين7.
روى عنه القاضي أبو العلاء محمد بن علي الواسطي، وأبو القاسم الأزهري وعبد العزيز بن علي الأزجي، وعبد الغني بن سعيد الحافظ8.
نقل الذهبي عن حمزة بن يوسف السهمي أنه قال عنه: جمع أبو زرعة هذه الأبواب والمشايخ، وكان يحفظ ويفهم، أملى علينا بالبصرة، ثم إنه جاور بمكة إلى أن توفي بها في سنة تسعين وثلاثمائة9.
--------------------------------------------
আবু যুরআহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বলেন: ইবনুল খিরাশ ১ শায়খাইনের (আবু বকর ও উমর রা.) দোষত্রুটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ছিলেন একজন রাফিযি (رافضيا) ২।
আহমদ বিন হাসান আল-জুরজানি আবু আল-হুসাইন সম্পর্কে আবু যুরআহ আল-কুশশি বলেছেন: তিনি তুচ্ছ বা কিছুই নন (ليس بشيء) ৩।
তিনি হাম্মাদ বিন যায়দাক আল-জুরজানি ৪ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আসার (বর্ণনা) এর কিছু বর্ণনাকারীর ওপর তার করা সমালোচনার একটি হলো যা ইমাম আল-জাহাবি, হামযা আস-সাহমি থেকে জাফর বিন আলী বিন সাহল আল-হাফেজ (الحافظ) আবু মুহাম্মদ আদ-দাওরি আদ-দাক্কাক-এর জীবনীতে উদ্ধৃত করেছেন। হামযা আস-সাহমি বলেন: আমি আবু যুরআহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-জুরজানিকে বলতে শুনেছি: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক নন (ليس بمرضي) এবং তার দ্বীনের ব্যাপারেও নয়, তিনি ছিলেন একজন পাপাচারী (فاسقا) ও চরম মিথ্যাবাদী (كذابا) ৫।
আস-সাহমি জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আদ-দাক্কাক (৩৮৭?) এর জীবনীতেও তার থেকে উদ্ধৃত করেছেন: জাফর আদ-দাক্কাক আল-হাফেজ (الحافظ) হাদিসের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক নন (ليس بمرضي) এবং তার দ্বীনের ব্যাপারেও নয়, তিনি ছিলেন একজন পাপাচারী (فاسقا) ও চরম মিথ্যাবাদী (كذابا)।
আল-খাতিব বলেন: তিনি হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাগদাদে এসেছিলেন এবং তিনি সত্যবাদী (صدوقا) ও হাফেজ (حافظا) ৬ ছিলেন।
তার সম্পর্কে আল-জাহাবি বলেছেন: হাফেজ (الحافظ) ও ইমাম।
তিনি আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আদ-দাগুলি, মক্কি বিন আবদান আন-নাইসাবুরি, আবু নুআইম বিন আদি, মুহাম্মদ বিন আবদুক আশ-শারানি এবং আবদুর রহমান বিন আবি হাতিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি ইরাক এবং হারামাইন সফর করেছিলেন ৭।
তার থেকে কাজি আবু আল-আলা মুহাম্মদ বিন আলী আল-ওয়াসিতি, আবু আল-কাসিম আল-আযহারি, আবদুল আজিজ বিন আলী আল-আযজি এবং আব্দুল গণি বিন সাঈদ আল-হাফেজ (الحافظ) ৮ বর্ণনা করেছেন।
আল-জাহাবি হামযা বিন ইউসুফ আস-সাহমি থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: আবু যুরআহ এই অধ্যায়গুলো এবং মাশায়েখদের তথ্য সংগ্রহ করেছেন এবং তিনি মুখস্থ রাখতেন ও বুঝতেন। তিনি বসরার আমাদের কাছে হাদিস ইমলা (শ্রুতলিপি) করিয়েছেন, এরপর তিনি মক্কায় অবস্থান করেন এবং ৩৯০ হিজরি সনে সেখানে মৃত্যুবরণ করেন ৯।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
روى عنه أبو معمر الفضل بن إسماعيل بن أحمد بن إبراهيم بن إسماعيل بن العباس الإسماعيلي الإمام1.
روى عنه أبو عمران موسى بن العباس الأزاذبادي (ت324?) 2.
روى عن محمد بن أحمد بن محمد بن علي الاستراباذي3.
قال أبو زرعة الكشي في أبي شافع اسمه واسم أبيه واسم جده غير ما ذكر هو حاميهم، وكان ثقة في الحديث إلا أنه كان يشرب المسكر4.
روى عن يوسف بن يعقوب بن حماد الاستراباذي (323?) 5.
قال الخطيب: حدثني الأزهري، قال: مضيت إلى أبي زرعة الجرجاني لما قدم بغداد، فسألته أن يحدثني عن الدغولي حديث الثوري عن زائدة، فأبى فألححت عليه المسألة، فحلف بالطلاق أن لا يحدثني به ببغداد، فانتظرته حتى كان اليوم الذي رحل فيه الحجاج، فخرجت معه ولم أفارقه حتى خرج من البلد، فلما صار وراء مقبرة باب الكناس قال لي: قد عزمت أن أحدثك حديث الدغولي، ثم قال: حدثنا أبو العباس محمد بن عبد الله الدغولي بعد جهد جهيد، قال: روى لنا محمد بن مشكان قال: حدثنا يزيد بن أبي حكيم، حدثنا سفيان الثوري حدثنا زائدة بن قدامة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال: غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات نأكل الجراد.
قال الخطيب: ثنا أبو بكر البرقاني قال: قال الدارقطني: لم يحدث به إلا ابن مشكان عن العدني.
وحدثنا البرقاني، ثنا الحسين بن علي التميمي، ثنا أبو حامد أحمد بن محمد بن الحسن الحافظ، ثنا أبو زكريا يحيى بن زكريا الأعرج، ثنا محمد بن مشكان، ثنا يزيد بن أبي حكيم العدني، ثنا سفيان عن زائدة بنحوه.
قال البرقاني: كان أصحابنا يقولون: تفرد به الدغولي حتى ظهر لنا هذا.
ورواه الذهبي في تذكرة الحافظ6، من طريق عبد الغني بن سعيد الحافظ قال - أي عبد الغني -: حدثني أبو زرعة محمد بن يوسف الجرجاني بمكة بعد جهد وعناء، وذكر
--------------------------------------------
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু মামার আল-ফাদল ইবনে ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে আব্বাস আল-ইসমাঈলি ১।
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান মুসা ইবনে আব্বাস আল-আযাদবাদি (মৃ. ৩২৪ হিজরি?) ২।
তিনি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-এস্তরাবাদি থেকে ৩।
আবু যুরআহ আল-কাশশি আবু শাফি সম্পর্কে বলেছেন যে, তাঁর নাম, তাঁর পিতার নাম এবং তাঁর দাদার নাম যা উল্লেখ করা হয়েছে তা ব্যতীত অন্য কিছু, তিনি ছিলেন তাদের অভিভাবক। তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (ثقة) ছিলেন, তবে তিনি নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করতেন ৪।
তিনি ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে হাম্মাদ আল-এস্তরাবাদি (মৃ. ৩২৩ হিজরি?) থেকে বর্ণনা করেছেন ৫।
খতিব বলেন: আল-আযহারি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আল-জোরজানি যখন বাগদাদে আসলেন, তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম। আমি তাঁর কাছে দাউলি কর্তৃক বর্ণিত যায়েদাহ থেকে সাওরির হাদিসটি বর্ণনা করার জন্য অনুরোধ করলাম। তিনি অস্বীকার করলেন, কিন্তু আমি ক্রমাগত পিড়াপিড়ি করতে থাকলাম। তখন তিনি তালাকের কসম খেয়ে বললেন যে, তিনি বাগদাদে এটি আমার কাছে বর্ণনা করবেন না। তাই আমি সেই দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম যেদিন হাজিরা যাত্রা শুরু করবেন। আমি তাঁর সাথে বের হলাম এবং শহর ত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁর সঙ্গ ছাড়লাম না। যখন তিনি ‘বাবুল কানাস’ কবরস্থানের পেছনে পৌঁছলেন, তখন আমাকে বললেন: আমি এখন দাউলির হাদিসটি তোমার কাছে বর্ণনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর তিনি বললেন: অত্যন্ত প্রচেষ্টার পর আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাউলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুশকানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ ইবনে আবি হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদাহ ইবনে কুদামাহ থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি যেখানে আমরা পঙ্গপাল খেতাম।
খতিব বলেন: আবু বকর আল-বারকানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আদ-দারাকুতনি বলেছেন: ইবন মুশকান ছাড়া আর কেউ এটি আল-আদনি থেকে বর্ণনা করেননি।
আল-বারকানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হোসাইন ইবনে আলি আত-তামিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হামিদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসান হাফিয (الحافظ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া আল-আরাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুশকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে আবি হাকিম আল-আদনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান যায়েদাহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আল-বারকানি বলেন: আমাদের সাথীরা বলতেন যে, দাউলি এই বর্ণনায় একক (تفرد), যতক্ষণ না আমাদের কাছে এটি প্রকাশ পেল।
ইমাম আয-যাহাবি এটি তাযকিরাতুল হাফিয গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন ৬, হাফিয (الحافظ) আব্দুল গানি ইবনে সাঈদের সূত্রে, তিনি—অর্থাৎ আব্দুল গানি—বলেন: আবু যুরআহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-জোরজানি মক্কায় অত্যন্ত কষ্ট ও প্রচেষ্টার পর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি উল্লেখ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
الحديث، ثم قال الذهبي: غريب، والمشهور حديث الثوري عن أبي يعفور العبدي، عن ابن أبي أولى، وأما حديثه عن زائدة ففرد.
ورواه الذهبي من طريق شعبة عن أبي يعفور.
(17) أبو زرعة الرازي الأصغر: روح بن محمد البديحي القاضي الفقيه الشافعي (ت423?) - سبط الحافظ أبي بكر بن السني - ولي قضاء أصبهان مدة، وسمع الحديث ورواه، كتب عنه الخطيب أبو بكر البغدادي1.
قال عنه السمعاني: سمع الحديث ورواه، كتب عنه الخطيب أبو بكر البغدادي.
(سمع أبا زرعة أحمد بن محمد بن جمان، وأبا الفضل العباس بن الحسين الصغار، وجعفر بن عبد الله بن يعقوب بن الفناكي، وأحمد بن فارس اللغوي، وعلي بن محمد بن القصار الرازي، وأبا زرعة أحمد بن الحسين الرازي، والحسين بن علي التميمي النيسابوري، وإسحاق بن سعد بن الحسين بن سفيان النسوي، وأبا الهيثم أحمد بن عمر بن شبويه المروزي، وأبا حامد بن الحسين المروزي، وأبا منصور محمد بن أحمد بن شبويه الأبيوري) 2.
قال عنه الخطيب: قدم علينا بغداد حاجا، وحدث بها فكتبنا عنه في سنة ثلاث عشرة وأربعمائة، ولقيته بالكرج في سنة إحدى وعشرين فكتبت عنه هناك، وكان صدوقا فهما أديبا يتفقه على مذهب الشافعي، وولي قضاء أصبهان، وبلغني أنه مات بالكرج في سنة ثلاث وعشرين وأربعمائة.
سمع السلفي من أصحابه3.
(18) أبو زرعة: الدمشقي الصغير، محمد بن عبد الله بن عبد الله بن أبي دجانة، عمرو بن عبد الله بن صغران النصري، وهو ابن أخي أبي زرعة الدمشقي (ت قبل 360?) 4.
حدث عن الحسين بن محمد بن جمعة، وإبراهيم بن دحيم وطائفة.
روى عنه تمام الرازي، وأبو علي بن مهنا.
(19) أبو زرعة المصري الفقيه الزاهد، شيخ الديار المصرية، حيوة بن شريح بن صفوان بن مالك التجيبي (ت158?) .
--------------------------------------------
হাদিস, এরপর আয-যাহাবি বলেছেন: এটি একাকী বর্ণিত (غريب), আর প্রসিদ্ধ (المشهور) হলো আবু ইয়াফুর আল-আবদি-এর সূত্রে সাওরি-এর হাদিস, যা ইবনে আবি আউলা থেকে বর্ণিত। আর যায়িদাহ থেকে তার হাদিসটি হলো একক (فرد)।
আয-যাহাবি এটি শু'বাহ-এর সূত্রে আবু ইয়াফুর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(১৭) আবু যুরআ আর-রাজি আল-আসগার: রাওহ বিন মুহাম্মদ আল-বাদিহি, বিচারক, ফকিহ (الفقيه), শাফেয়ি (মৃত্যু ৪২৩?) - হাফিজ (الحافظ) আবু বকর বিন আস-সুন্নি-এর দৌহিত্র - তিনি এক সময় ইসফাহানের বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং হাদিস শ্রবণ ও বর্ণনা করেছেন। আল-খতিব আবু বকর আল-বাগদাদি তার থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন।
আস-সামআনি তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি হাদিস শ্রবণ ও বর্ণনা করেছেন, আল-খতিব আবু বকর আল-বাগদাদি তার নিকট থেকে হাদিস লিখেছেন।
(তিনি আবু যুরআ আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন জুমান, আবু আল-ফাদল আল-আব্বাস বিন আল-হুসাইন আস-সাগার, জাফর বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াকুব বিন আল-ফানাকি, আহমাদ বিন ফারিস আল-লুগাভি, আলি বিন মুহাম্মদ বিন আল-কাসসার আর-রাজি, আবু যুরআ আহমাদ বিন আল-হুসাইন আর-রাজি, আল-হুসাইন বিন আলি আত-তামিমি আন-নিশাপুরি, ইসহাক বিন সাদ বিন আল-হুসাইন বিন সুফিয়ান আন-নাসায়ি, আবু আল-হাইসাম আহমাদ বিন উমর বিন শাবওয়াইহ আল-মারওয়াজি, আবু হামিদ বিন আল-হুসাইন আল-মারওয়াজি এবং আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন শাবওয়াইহ আল-আবিওয়ারি-এর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন)।
আল-খতিব তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি হাজি হিসেবে আমাদের বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছিলেন, তখন আমরা চারশত তেরো হিজরিতে তার থেকে লিখেছিলাম। চারশত একুশ হিজরিতে কারাজে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আমি সেখানেও তার থেকে লিখেছিলাম। তিনি ছিলেন সত্যবাদী (صدوقا), বিচক্ষণ এবং সুপণ্ডিত; তিনি শাফেয়ি মাজহাব অনুযায়ী ফিকহ চর্চা করতেন। তিনি ইসফাহানের বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আমি জানতে পেরেছি যে, তিনি চারশত তেইশ হিজরিতে কারাজে মৃত্যুবরণ করেছেন।
আস-সিলাফি তার সঙ্গীদের থেকে হাদিস শুনেছেন।
(১৮) আবু যুরআ: আদ-দিমাশকি আস-সাগির, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি দুজানাহ, আমর বিন আব্দুল্লাহ বিন সাঘরান আন-নাসরি, তিনি আবু যুরআ আদ-দিমাশকির ভ্রাতুষ্পুত্র (মৃত্যু ৩৬০ হিজরির পূর্বে?)।
তিনি হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন জুমআ, ইব্রাহিম বিন দুহাইম এবং একদল বর্ণনাকারীর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।
তাম্মাম আর-রাজি এবং আবু আলি বিন মুহান্না তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
(১৯) আবু যুরআ আল-মিসরি, ফকিহ (الفقيه) ও দুনিয়াবিমুখ (الزاهد), দিয়ারে মিসরের শাইখ, হায়ওয়াহ বিন শুরাইহ বিন সাফওয়ান বিন মালিক আত-তুজিবি (মৃত্যু ১৫৮?)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
روى عنه الليث، وابن المبارك1.
(20) (خ4) أبو زرعة: المغيرة الثقفي مولهم الكوفي، وهو والد المحدث عثمان بن المغيرة، الأعشى الذي قال عنه أحمد بن حنبل: عثمان بن المغيرة هو عثمان بن أبي زرعة، وهو عثمان الأعشى، وهو عثمان الثقفي الكوفي، ثقة ليس أحد أروى عنه من شريك2.
(21) أبو زرعة: عقبة بن يزيد بن سعيد بن قتادة بن جبلة بن نمر بن نمير بن الحارث النسائي، منسوب إلى بني نسي، وهو بطن من الصدف، وهو مصري (ت294?) 3، وفي الأنساب قال: توفي في ذي الحجة 274?.
(22) أبو زرعة: محمد بن عثمان بن إبراهيم بن زرعة، من موالي ثقيف (ت302?) قاض رفيع القدر من أهل دمشق، ولي قضاء مصر سنة 284?4.
(23) القاضي أبو زرعة، غير الذي مر ذكره، وهو في عصره5.
(24) أبو زرعة الطبري المقرئ، ولده أبو الحسن علي بن أبي القاسم بن أبي زرعة المحدث الفقيه الحنبلي، من أهل آمل طبرستان (ت528?) 6.
(25) أبو زرعة: وهب الله بن راشد المصري، مؤذن الفسطاط.
روى عن يونس الأيلي، وحيوة بن شريح.
روى عن يونس الأيلي، وحيوة بن شريح.
روى عنه عبد الرحمن، ومحمد وسعد بنو عبد الله بن عبد الحكم وربيع بن سليمان الجيزي المصري.
غمزه سعيد بن أبي مريم وغيره.
قال أبو حاتم: محله الصدق، وفضل ابن وارة عليه عنبسة بن خالد.
وقال عنه أبو زرعة الرازي - وقد سأله ابن أبي حاتم -: ليس لي به علم؛ لأني لم أكتب عن أحد عنه7.
--------------------------------------------
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-লাইস এবং ইবনুল মুবারক১।
(২০) আবু জুরআহ: আল-মুগীরাহ আস-সাকাফী, তাদের আযাদকৃত দাস (مولى), কুফী; তিনি হাদিস বিশারদ (المحدث) উসমান বিন আল-মুগীরাহ আল-আ'শার পিতা, যার সম্পর্কে আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: উসমান বিন আল-মুগীরাহ হলেন উসমান বিন আবু জুরআহ, তিনি উসমান আল-আ'শা এবং তিনি উসমান আস-সাকাফী আল-কুফী; তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), শুরাইকের চেয়ে অধিক বর্ণনা তাঁর থেকে আর কেউ করেনি২।
(২১) আবু জুরআহ: উকবাহ বিন ইয়াযীদ বিন সাঈদ বিন কাতাদাহ বিন জাবালাহ বিন নামির বিন নুমাইর বিন আল-হারিস আন-নাসায়ী; তিনি বনু নাসী গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, যা সাদাফ গোত্রের একটি শাখা; তিনি মিসরীয় (মৃত্যু ২৯৪?)৩; আল-আনসাব গ্রন্থে বলা হয়েছে: তিনি যিলহজ ২৭৪? হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
(২২) আবু জুরআহ: মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন ইবরাহিম বিন জুরআহ, সাকীফ গোত্রের আযাদকৃত দাসদের (موالي) অন্তর্ভুক্ত (মৃত্যু ৩০২?); তিনি দামেস্কের একজন উচ্চমর্যাদাবান বিচারক (قاضي) ছিলেন, এবং ২৮৪? হিজরীতে মিসরের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন৪।
(২৩) বিচারক (قاضي) আবু জুরআহ, ইতিপূর্বে উল্লিখিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যজন, যিনি তাঁর সমসাময়িক ছিলেন৫।
(২৪) আবু জুরআহ আত-তাবারী কুরআন তিলাওয়াত বিশেষজ্ঞ (المقرئ); তাঁর সন্তান হলেন আবু আল-হাসান আলী বিন আবি আল-কাসিম বিন আবি জুরআহ, যিনি হাদিস বিশারদ (المحدث) এবং হাম্বলী ফকিহ (الفقيه) ছিলেন; তিনি তাবারিলস্তানের আমুলের অধিবাসী (মৃত্যু ৫২৮?)৬।
(২৫) আবু জুরআহ: ওয়াহাবুল্লাহ বিন রাশিদ আল-মিসরী, ফুস্তাতের মুয়াজ্জিন।
তিনি ইউনুস আল-আইলী এবং হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি ইউনুস আল-আইলী এবং হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান, মুহাম্মাদ ও সাদ—যাঁরা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকামের পুত্র—এবং রাবী বিন সুলাইমান আল-জিজী আল-মিসরী।
সাঈদ বিন আবু মারইয়াম এবং অন্যরা তাঁর সমালোচনা করেছেন (غمزه)।
আবু হাতিম বলেছেন: তাঁর অবস্থান হলো সততার পর্যায়ে (محله الصدق), আর ইবনে ওয়ারা তাঁর ওপর আনবাসাহ বিন খালিদকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
এবং তাঁর সম্পর্কে আবু জুরআহ আর-রাযী বলেছেন—যখন ইবনে আবু হাতিম তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন—: "তাঁর সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই; কারণ আমি তাঁর সরাসরি কোনো ছাত্রের কাছ থেকে হাদিস সংগ্রহ করিনি৭।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
(26) أبو زرعة: عبد الأحد بن الليث (أبو زرارة) بن عاصم بن كليب القتباني.
روى عن عثمان بن الحكم الجذامي المصري من بني نضرة.
وروى عن حيوة بن شريح، ومالك بن أنس، ويحيى بن أيوب وغيرهم.
وسمع من جده، وهو صدوق في الحديث.
توفي سنة 228?1.
(27) أبو زرعة السنجي، صاحب تاريخ مروالزو القنجي2.
(28) أبو زرعة أبو زرعة: عبد الرحمن مولى المقداد بن الأسود، سمع منه أبو هلال3.
روى عنه أبو هلال مرسل - قاله البخاري.
(29) أبو زرعة إبراهيم، وكان من مسلمة أهل الكتاب.
روى عنه إسماعيل بن عبيد الله4.
(30) أبو زرعة: عبد الله بن أبي زكريا الشامي، واسم أبي زكريا الشامي: إياس بن يزيد بن خزاعة الدمشقي5.
(31) أبو زرعة: عبيد الله بن أبي بكر اللفتواني.
قال ابن النجار في تاريخه6: كتب إلي أبو زرعة عبيد الله بن أبي بكر اللفتواني، أنبأنا أبو الخير شعبة بن أبي شكر بن عمر الصباغ7.
اللفتواني: نسبة إلى لفتوان، إحدى قرى أصبهان8.
(32) قال ابن الجوزي: حدثنا أبو زرعة أحمد بن محمد بن عبد الله بن سعيد قال: حدثني جدي لأبي سعيد بن الحسن بن جعفر9.
--------------------------------------------
(২৬) আবু যুরআহ: আব্দুল আহাদ বিন আল-লাইস (আবু যুরারাহ) বিন আসিম বিন কুলায়ব আল-কিতবানি।
তিনি বনু নাদরাহ গোত্রের মিসরীয় জুযামি উসমান বিন আল-হাকাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তিনি হাইওয়াহ বিন শুরায়হ, মালিক বিন আনাস, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব এবং অন্যদের থেকেও বর্ণনা করেছেন।
তিনি তার দাদা থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে সত্যবাদী (صدوق)।
তিনি ২২৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(২৭) আবু যুরআহ আস-সানজি, তারিখু মারওয়াজ-যাও আল-কানজি-এর লেখক।
(২৮) আবু যুরআহ: আব্দুল রহমান, মিকদাদ বিন আল-আসওয়াদের মুক্ত দাস, তার থেকে আবু হিলাল (হাদিস) শুনেছেন।
তার থেকে আবু হিলাল বিচ্ছিন্ন (مرسل) সূত্রে বর্ণনা করেছেন - এটি ইমাম বুখারি বলেছেন।
(২৯) আবু যুরআহ ইবরাহিম, তিনি আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে ইসলাম গ্রহণকারী ছিলেন।
তার থেকে ইসমাইল বিন উবায়দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন।
(৩০) আবু যুরআহ: আব্দুল্লাহ বিন আবি যাকারিয়া আশ-শামি, আর আবু যাকারিয়া আশ-শামির নাম হলো: ইয়াস বিন ইয়াযিদ বিন খুযাআহ আদ-দিমাশকি।
(৩১) আবু যুরআহ: উবায়দুল্লাহ বিন আবি বকর আল-লিফতুওয়ানি।
ইবনে নাজ্জার তার ইতিহাসে বলেছেন: আবু যুরআহ উবায়দুল্লাহ বিন আবি বকর আল-লিফতুওয়ানি আমার নিকট লিখেছেন যে, আবুল খায়ের শু'বাহ বিন আবি শুকর বিন উমর আস-সাব্বাগ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
আল-লিফতুওয়ানি: এটি আসফাহানের অন্যতম গ্রাম লিফতুওয়ানের সাথে সম্পর্কিত একটি নিসবত।
(৩২) ইবনুল জাওযি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু যুরআহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আমার পিতৃব্য দাদা আবু সাঈদ বিন আল-হাসান বিন জাফর বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল্লাজিনা কুন্নু বিআবি জুরআহ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
(33) أبو زرعة: أحمد بن نفيس المصيصي، كتب عنه أبو بكر الأبهري بحلب1.
حدث عن محمد بن عمرو بن حنان.
روى عنه أبو بكر الأبهري، وقال: سمعت منه بحلب وهو ثقة2.
المصيصي: نسبة إلى المصيصة، مدينة على ساحل البحر3 الأبيض المتوسط.
(34) أبو زرعة المقدسي: أبو إسحاق إبراهيم بن عمر بن علي بن سماقة الأسعردي (ت613?) .
حدث بمصر بمسند الشافعي عن أبي زرعة المقدسي4.
(35) أبو زرعة: محمد بن عبد الله بن محمد بن أبي زرعة القزويني، ولد 324-298?5.
سمع ابن صالح، ومحمد بن الحسن بن الفتح، وأقرانهما من شيوخ قزوين، وبالعراق الدارقطني، وابن هشام وأقرانهما، وبالأهواز ابن عبدان الحافظ، سمع منه تاريخ البخاري، واستشهد في سنة ثمان وأربعمائة، وقد انقطع نسله6.
(36) أبو زرعة: عبد الله بن الحسين بن أحمد.
ذكره القزويني في ترجمة أخيه أحمد بن الحسين بن أحمد أبو علي، الفقيه المتوفى سنة 382?7.
(37) أحمد بن الحسين بن علي الرازي الصوفي، سمع بقزوين من أبي داود سليمان بن يزيد الفامي8.
الفامي - بفتح الفاء وسكون الألف، وفي آخرها ميم -: نسبة إلى بيع الفواكه اليابسة، أو نسبة إلى قرية من قرى واسط من ناحية فم الصلح9.
--------------------------------------------
(33) আবু যুরআ: আহমাদ বিন নাফীস আল-মাসসীসী, তাঁর থেকে আবু বকর আল-আবহারী হালাবে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন।১
তিনি মুহাম্মদ বিন আমর বিন হান্নান থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে আবু বকর আল-আবহারী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: "আমি হালাবে তাঁর থেকে শুনেছি এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة)।"২
আল-মাসসীসী: মাসসীসাহ-এর সাথে সম্পর্কিত, যা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত একটি শহর।৩
(34) আবু যুরআ আল-মাকদিসী: আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন উমর বিন আলী বিন সামাকাহ আল-আসআরদী (মৃত্যু ৬১৩ হিজরি?)।৪
তিনি মিশরে আবু যুরআ আল-মাকদিসীর সূত্রে মুসনাদ আশ-শাফিঈ বর্ণনা করেছেন।
(35) আবু যুরআ: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি যুরআ আল-কাযভীনি, জন্ম ২৯৮-৩২৪ হিজরি?।৫
তিনি ইবনে সালিহ, মুহাম্মদ বিন হাসান বিন ফাতহ এবং তাঁদের সমসাময়িক কাযভীনের শায়খদের নিকট থেকে শুনেছেন। ইরাকে আদ-দারাকুতনী, ইবনে হিশাম ও তাঁদের সমসাময়িকদের নিকট থেকে এবং আহওয়াযে হাফিজ (حافظ) ইবনে আবদান থেকে শুনেছেন; তাঁর নিকট থেকে তিনি তারিখুল বুখারি শুনেছেন। তিনি চারশ আট হিজরিতে শাহাদাত বরণ করেন এবং তাঁর বংশধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।৬
(36) আবু যুরআ: আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ।
আল-কাযভীনি তাঁর ভাই ফকিহ (فقيه) আবু আলী আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ-এর জীবনীতে তাঁর উল্লেখ করেছেন, যিনি ৩৮২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।৭
(37) আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আর-রাযী আস-সূফী, তিনি কাযভীনে আবু দাউদ সুলাইমান বিন ইয়াযীদ আল-ফামী থেকে শুনেছেন।৮
আল-ফামী - ফ-এর উপর যবর, আলিফ সাকিন এবং শেষে মিম -: এটি শুষ্ক ফল বিক্রেতার সাথে সম্পৃক্ত, অথবা এটি ওয়াসিত অঞ্চলের ফামুস সুলহ-এর পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামের সাথে সম্পৃক্ত।৯
--------------------------------------------