(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الذخيرة في محاسن أهل الجزيرة القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الذخيرة في محاسن أهل الجزيرة
المؤلف: أبو الحسن علي بن بسام الشنتريني (ت 542هـ)
المحقق: إحسان عباس
الناشر: الدار العربية للكتاب، ليبيا - تونس
الطبعة:
الجزء: 1 - الطبعة: 1، 1981
الجزء: 2 - الطبعة: 1، 1978
الجزء: 3 - الطبعة: 1، 1978
الجزء: 4 - الطبعة: 2، 1981
الجزء: 5 - الطبعة: 1، 1981
الجزء: 6 - الطبعة: 2، 1981
الجزء: 7 - الطبعة: 1، 1979
الجزء: 8 - الطبعة: 1، 1979
عدد الأجزاء: 8
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আদ-দাখিরা ফি মাহাসিন আহলিল জাজিরা বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: আদ-দাখিরা ফি মাহাসিন আহলিল জাজিরা
লেখক: আবুল হাসান আলী বিন বাসসাম আশ-শান্তরিনি (মৃত্যু ৫৪২ হিজরি)
সম্পাদক: ইহসান আব্বাস
প্রকাশক: আদ-দারুল আরাবিয়্যাহ লিল-কিতাব, লিবিয়া - তিউনিসিয়া
সংস্করণ:
খণ্ড: ১ - সংস্করণ: ১, ১৯৮১
খণ্ড: ২ - সংস্করণ: ১, ১৯৭৮
খণ্ড: ৩ - সংস্করণ: ১, ১৯৭৮
খণ্ড: ৪ - সংস্করণ: ২, ১৯৮১
খণ্ড: ৫ - সংস্করণ: ১, ১৯৮১
খণ্ড: ৬ - সংস্করণ: ২, ১৯৮১
খণ্ড: ৭ - সংস্করণ: ১, ১৯৭৯
খণ্ড: ৮ - সংস্করণ: ১, ১৯৭৯
মোট খণ্ড সংখ্যা: ৮
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
مقدمة التحقيق
بين ابن بسام في مقدمة كتاب الذخيرة أنه قد جعله أربعة أقسام، على النحو الآتي:
1 - القسم الأول: لأهل حضرة قرطبة وما يصاقبها من بلاد موسطة الأندلس.
2 - القسم الثاني: لأهل الجانب الغربي من الأندلس وذكر أهل حضرة إشبيلية وما اتصل بها من بلاد ساحل البحر المحيط.
3 - القسم الثالث: لأهل الجانب الشرقي من الأندلس.
4 - القسم الرابع: لمن طرأ على جزيرة الأندلس من شعراء وكتاب، ولبعض مشهوري المعاصرين ممن نجم بإفريقية والشام والعراق.
وبين سنتي 1939 1942 ظهر القسم الأول من الكتاب، في مجلدين، بعناية لجنة من المحققين ولجنة من المشرفين على التحقيق؛ وفي سنة 1945 ظهرت قطعة من القسم الرابع. ثم توقفت اللجنة المضطلعة بتحقيق الكتاب عن متابعة عملها فيما يبدو لظروف وأسباب مختلفة، وكان في ذلك التوقف، خسارة كبيرة لدارسي الأدب الأندلسي وطلابه، لأن الذخيرة أولاً من أهم مصادر ذلك الأدب، ولأنه ليس من السهل ثانياً على كل دارس أن يحصل على أصولها الخطية، ثم لأن تلك الأصول ثالثاً ليست ميسرة للقراءة على نحو مباشر طيع.
সম্পাদনার ভূমিকা
ইবনে বাসসাম 'আদ-দাকীরা' গ্রন্থের ভূমিকায় ব্যক্ত করেছেন যে, তিনি এটিকে নিম্নোক্তভাবে চারটি অংশে বিভক্ত করেছেন:
১ - প্রথম অংশ: কর্ডোভার কেন্দ্রস্থল এবং মধ্য আন্দালুসের এর সংলগ্ন অঞ্চলসমূহের অধিবাসীদের জন্য।
২ - দ্বিতীয় অংশ: আন্দালুসের পশ্চিম প্রান্তের অধিবাসীদের জন্য এবং তিনি সেভিলের কেন্দ্রস্থল ও এর সাথে সংযুক্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলসমূহের অধিবাসীদের উল্লেখ করেছেন।
৩ - তৃতীয় অংশ: আন্দালুসের পূর্ব প্রান্তের অধিবাসীদের জন্য।
৪ - চতুর্থ অংশ: যারা আন্দালুস উপদ্বীপে আগন্তুক হিসেবে এসেছেন এমন কবি ও সাহিত্যিকদের জন্য, এবং আফ্রিকা, শাম ও ইরাকে খ্যাতি অর্জনকারী সমসাময়িক কিছু প্রখ্যাত ব্যক্তিদের জন্য।
১৯৩৯ থেকে ১৯৪২ সালের মধ্যে গ্রন্থটির প্রথম অংশ দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়, যা একটি গবেষক কমিটি ও একটি তত্ত্বাবধায়ক কমিটির প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়েছিল; এবং ১৯৪৫ সালে চতুর্থ অংশের একটি অংশ প্রকাশিত হয়। অতঃপর গ্রন্থটির সম্পাদনার দায়িত্বে নিয়োজিত কমিটি বিভিন্ন পরিস্থিতি ও কারণে তাদের কাজ চালিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয় বলে প্রতীয়মান হয়। এই কাজ বন্ধ হওয়া আন্দালুসীয় সাহিত্যের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিরাট ক্ষতি ছিল। কারণ, প্রথমত 'আদ-দাকীরা' সেই সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস; দ্বিতীয়ত, প্রতিটি গবেষকের পক্ষে এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলো সংগ্রহ করা সহজ নয়; এবং তৃতীয়ত, সেই মূল পাণ্ডুলিপিগুলো সরাসরি পাঠ করার জন্য সহজলভ্য বা সুগম নয়।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
لهذا وجدت أن تحقيق الذخيرة على صعوبته أمر ضروري، وأخص منها القسمين الثاني والثالث، وما تبقى من القسم الرابع؛ فهذا هو القدر الذي لم يظهر من الكتاب مطبوعاً حتى اليوم؛ وقد بدأت التحقيق بحسب وفرة الأصول الخطية لكل قسم، وكان القسم الثالث أوفرها حظاً، ويليه في ذلك القسم الثاني، ولهذا عملت في تحقيقهما بهذا الترتيب، مرجئاً النظر في القسم الأول، لأنه قد طبع وتداولته الأيدي منذ زمن؛ ولكن رغبة الدارسين في أن يروا جميع أجزاء الذخيرة محققة بكاملها متناسقة في اكتمالها متجانسة في سماتها العامة المشتركة ألزمتني بإعادة النظر في هذا القسم الأول؛ وهكذا كان.
وأبادر لأقرر مخلصاً أن أعضاء اللجنتين اللتين تولتا هذا العم تحقيقاً وإشرافاً قد بذلوا في إخراجه من العناية ما يستحق كل تقدير؛ أقول هذا وأنا قد اطلعت على أصول الذخيرة ووقفت على مدى ما فيها من صعوبة ناشئة عن حال النسخ نفسها، وعما فيها من كثرة الخلافات في القراءة؛ ومن التفاوت الشديد بين ما تثبته نسخة وما تثبته أخرى، ومن تعرض بعض تلك النسخ لتدخل أيد وأقلام أخرى في سياقها غير يد المؤلف وقلمه. فإذا أضيف إلى ذلك أنني على ما بذلت من محاولات ودراسات لم أستطع أن أزيد على الأصول التي اعتمدتها اللجنة السابقة في تحقيق هذا القسم الأول، وجد القارئ أن النص لم يبتعد كثيراً عما جاء عليه في الطبعة السابقة، وإن كنت أقدر أن تفاوت النسخ، سيكون مدعاة في المستقبل إذا تم كشف شيء منها مجالاً لزيادات مفيدة ولقراءات جديدة.
ومهما يكن من شيء، فإن عدم توفر أصول جديدة لم يوقف بذل الجهد في اتجاهات أخرى، وأرجو ألا يؤخذ قولي مأخذ الدعوى حين أقول أنني قد منحت هذه الطبعة مميزات كثيرة: فقد صححت عدداً غير قليل من أخطاء القراءة، وعرفت بالأعلام والأماكن حيث كان ذلك ضرورياً، وشرحت لألفاظ التي تتطلب شرحاً وخاصة بعض المصطلحات الأندلسية مثل حنبل
একারণে আমি অনুভব করেছি যে 'আদ-যাখিরা' গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা করা এর কাঠিন্য সত্ত্বেও একটি অপরিহার্য বিষয়, বিশেষ করে এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড এবং চতুর্থ খণ্ডের অবশিষ্ট অংশ; কারণ গ্রন্থের এই অংশটুকুই আজ পর্যন্ত মুদ্রিত আকারে প্রকাশিত হয়নি। আমি প্রতিটি খণ্ডের পাণ্ডুলিপি উৎসের প্রাচুর্য অনুযায়ী সম্পাদনার কাজ শুরু করেছিলাম, যার মধ্যে তৃতীয় খণ্ডটি ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ, এরপর ছিল দ্বিতীয় খণ্ড। একারণেই আমি এই ধারাবাহিকতায় খণ্ড দুটির সম্পাদনার কাজ করেছি এবং প্রথম খণ্ডটির পর্যালোচনা স্থগিত রেখেছিলাম, কারণ এটি অনেক আগেই মুদ্রিত হয়ে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু গবেষকদের আকাঙ্ক্ষা ছিল 'আদ-যাখিরা'র সকল খণ্ডকে পূর্ণাঙ্গভাবে সম্পাদিত, সুসংহত এবং সামগ্রিক বৈশিষ্ট্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ রূপে দেখার, যা আমাকে এই প্রথম খণ্ডটি পুনরায় খতিয়ে দেখতে বাধ্য করেছে; আর এভাবেই এটি সম্পন্ন হয়েছে।
আমি অকপটে বলতে চাই যে, যে দুই কমিটির সদস্যরা এই পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা এটি প্রকাশের ক্ষেত্রে এমন যত্ন নিয়েছেন যা সর্বোচ্চ প্রশংসার দাবিদার। আমি এটি বলছি কারণ আমি 'আদ-যাখিরা'র মূল পাণ্ডুলিপিগুলো দেখেছি এবং পাণ্ডুলিপিগুলোর নিজস্ব অবস্থা থেকে উদ্ভূত জটিলতার সীমা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। বিশেষ করে পাঠান্তরের প্রচুর ভিন্নতা, এক পাণ্ডুলিপির সাথে অন্য পাণ্ডুলিপির তীব্র ব্যবধান এবং লেখকের নিজস্ব কলম ব্যতিরেকে কিছু পাণ্ডুলিপির পাঠে অন্য কারও হাত ও লেখনীর হস্তক্ষেপের বিষয়গুলো আমি লক্ষ্য করেছি। এর সাথে আরও যোগ হয়েছে এই যে, আমার সমস্ত চেষ্টা ও গবেষণা সত্ত্বেও আমি প্রথম খণ্ডের সম্পাদনায় পূর্ববর্তী কমিটি যে পাণ্ডুলিপিগুলোর উপর নির্ভর করেছিল, তার অতিরিক্ত কোনো উৎস সংগ্রহ করতে পারিনি। ফলে পাঠক দেখতে পাবেন যে মূল পাঠটি পূর্ববর্তী সংস্করণের পাঠ্য থেকে খুব বেশি দূরে সরে যায়নি। তবে আমি মনে করি পাণ্ডুলিপিগুলোর এই ভিন্নতা ভবিষ্যতে নতুন কোনো পাণ্ডুলিপি আবিষ্কৃত হলে তা কার্যকর সংযোজন এবং নতুন পাঠোদ্ধারের সুযোগ তৈরি করবে।
যাই হোক না কেন, নতুন পাণ্ডুলিপির অপ্রতুলতা অন্যান্য দিক থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। আমি আশা করি আমার কথাকে দম্ভ হিসেবে দেখা হবে না যখন আমি বলছি যে, আমি এই সংস্করণটিকে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য প্রদান করেছি: আমি পাঠের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভুল সংশোধন করেছি, যেখানে প্রয়োজন ছিল সেখানে ব্যক্তি ও স্থানের পরিচয় প্রদান করেছি এবং ব্যাখ্যা প্রয়োজন এমন শব্দগুলোর ব্যাখ্যা দিয়েছি, বিশেষ করে আন্দালুসিয় কিছু পরিভাষা যেমন 'হাম্বল'।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
وطولق وقلبق وما أشبه ذلك من ألفاظ غير مألوفة أو معرفة لدى المشارقة، إذ قد يستغرق البحث عن معانيها وقتاً طويلاً لا يتيسر لكل قارئ، كما وفقت إلى تخريج كثير من الشواهد الشعرية التي أدرجها المؤلف في الكتاب، واتبعت نهجاً مختلفاً في تمييز الأصيل من الدخيل في نص الكتاب، وراجعت النص على المصادر التي استمدت من الذخيرة، وعلى سائر المصادر الأندلسية التي طبعت بعد صدور ما طبع منها.
أما النسخ التي اعتمدتها فهي أيضاً تنقسم في فئتين مثلما كانت الحال في أصول القسم الثالث، وتضم الفئة الأولى:
1 - نسخة الخزانة العامة بالرباط رقم 1324 (ورمزها: ط) ، وعدد أوراقها 167 ورقة، في كل صفحة منها 29 سطراًن ومسطرتها 23.5 × 16؛ وهي مكتوبة بخط مغربي جميل واضح، ولكنها لا تحمل تاريخاً للنسخ، وهي قريبة الشبه بالنسخة (ط) التي وصفتها في مقدمة القسم الثالث، وإن لم يكن الخط فيهما واحداً بالضرورة؛ وهذا الشبه بين النسختين قد يحمل على القول بأن (ط) تنتمي إلى القرن الحادي عشر، وأقدم التملكات المؤرخة المكتوبة على الورقة الأولى منها تحمل تاريخ أوائل شعبان 1019 حين دخلت في ملك محمد ابن أحمد بن محمد الشريف الحسني، ثم باعها هذا المالك إلى سيدي محمد بن عبد الملك بن عبد الله في رمضان المعظم سنة 1021.
2 - نسخة دار الكتب الملكية بالقاهرة وعدد أوراقها 197 ورقة، وفي الصفحة الواحدة 25 سطراً، ومسطرتها 25 × 13 وقد تم نسخها سنة 1229.
وهاتان المخطوطتان متشابهتان في حالتي الزيادة والنقص في النص مما يرجح أنهما مأخوذتان عن أصلين متقاربين، وإذا تميزت نسخة دار الكتب القاهرية في بعض القراءات عن (ط) فهذا التميز لا قيمة له في الغالب، وقد تلتقي هذه النسخة مع نسخ الفئة الثانية الآتي وصفها في بعض القراءات، وفي هذا أيضاً ما يجعل قيمتها ثانوية، لأنها لا تتمتع بالزيادات التي تتمنع
এবং 'তুলক' ও 'কালবাক' এবং এই জাতীয় শব্দাবলি যা প্রাচ্যবাসীদের নিকট পরিচিত বা প্রচলিত নয়, কেননা এগুলোর অর্থ অনুসন্ধানে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হতে পারে যা প্রত্যেক পাঠকের পক্ষে সম্ভব নয়। একইভাবে আমি গ্রন্থকার কর্তৃক গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত অনেক কাব্যিক নিদর্শনের উৎস নির্দেশ (তাখরিজ) করতে সক্ষম হয়েছি এবং গ্রন্থের মূল পাঠের মৌলিক ও প্রক্ষিপ্ত অংশের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে এক ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। আমি পাঠ্যটিকে সেই সকল উৎসের সাথে মিলিয়ে দেখেছি যেগুলো 'আয-যাখিরা' থেকে সংগৃহীত হয়েছে এবং আন্দালুসিয়ার অন্যান্য সেই সকল উৎসের সাথেও মিলিয়েছি যেগুলো পূর্ববর্তী সংস্করণসমূহ প্রকাশের পর মুদ্রিত হয়েছে।
আমি যে পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছি সেগুলোও তৃতীয় খণ্ডের মূল পাঠের ন্যায় দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত, যার প্রথম শ্রেণিতে রয়েছে:
১ - রাবাতের আল-খিজানাতুল আম্মাহ-এর ১৩২৪ নম্বর পাণ্ডুলিপি (এর সংকেত: ত), এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৬৭, প্রতি পৃষ্ঠায় ২৯টি লাইন এবং এর আয়তন ২৩.৫ × ১৬। এটি চমৎকার ও স্পষ্ট মাগরিবি লিপিতে লিখিত, তবে এতে অনুলিপির কোনো তারিখ নেই। এটি সেই 'ত' পাণ্ডুলিপির সদৃশ যা আমি তৃতীয় খণ্ডের ভূমিকায় বর্ণনা করেছি, যদিও উভয়টির হস্তলিপি আবশ্যিকভাবে এক নয়। এই দুই পাণ্ডুলিপির মধ্যকার সাদৃশ্য থেকে এটি বলা যেতে পারে যে, 'ত' একাদশ হিজরি শতাব্দীর অন্তর্গত। এর প্রথম পাতায় লিখিত মালিকানা সংক্রান্ত প্রাচীনতম তারিখটি ১০১৯ হিজরির শাবান মাসের শুরুর দিকের, যখন এটি মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আশ-শরিফ আল-হাসানির মালিকানায় আসে। পরবর্তীতে এই মালিক ১০২১ হিজরির সম্মানিত রমজান মাসে এটি সিদি মুহাম্মদ ইবন আব্দুল মালিক ইবন আব্দুল্লাহর নিকট বিক্রি করেন।
২ - কায়রোর দারুল কুতুব আল-মালাকিয়্যাহ-এর পাণ্ডুলিপি। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯৭, প্রতি পৃষ্ঠায় ২৫টি লাইন এবং এর আয়তন ২৫ × ১৩। এটি ১২২৯ হিজরি সালে অনুলিপি করা হয়েছে।
এই পাণ্ডুলিপিদ্বয় মূল পাঠের হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ, যা নির্দেশ করে যে এ দুটি সম্ভবত কাছাকাছি কোনো মূল উৎস থেকে সংগৃহীত। কায়রোর দারুল কুতুবের পাণ্ডুলিপিটি কোনো কোনো পাঠের ক্ষেত্রে 'ত' থেকে ভিন্ন হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই ভিন্নতার বিশেষ কোনো মূল্য নেই। কোনো কোনো পাঠের ক্ষেত্রে এই পাণ্ডুলিপিটি দ্বিতীয় শ্রেণির পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথেও মিলে যেতে পারে, যা সামনে বর্ণিত হবে। আর এটিও এর গুরুত্বকে গৌণ করে দেয়, কারণ এটি সেই সকল অতিরিক্ত অংশ সমৃদ্ধ নয় যা একে স্বতন্ত্র করে...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
بها نسخ الفئة الثانية إلا في موطن واحد، حيث يفترق عن (ط) على نحو لافت للانتباه وذلك في إيراد أبيات زائدة عما هي في (ط) في ترجمة ابن زيدون، واشتراكها مع نسخ الفئة الثانية في إيراد نص دخيل على الذخيرة هو رسالة ابن زيدون لأبي بكر بن مسلم، بل إنها في هذه الرسالة تنفرد عن نسخ الفئة الأخرى ببعض عبارات أدرجتها بين حاصرتين من هذا النوع مشيراً في الحاشية إلى مصدر الزيادة؛ ولقلة الاعتماد على هذه النسخة لم أضع لها رمزاً خاصاً.
وأما الفئة الثانية فإنها تضم النسخ الآتية:
1 - نسخة باريس رقم: 3321 (ورمزها: س) وتقع في 125 ورقة، عدد سطور كل صفحة 23 سطراً، ومسطرتها 22 × 13 وهي مكتوبة بخط مغربي، وفيها أخطاء وأوهام كثيرة، وليس هناك ما يدل على تاريخ نسخها.
2 - نسخة المكتبة التيمورية ورمزها (م) ، وتتألف من 225 ورقة، في كل صفحة 26 سطراً، ومسطرتها 20 × 13 دون تاريخ أيضاً، وخطها مغربي.
3 - نسخة خاصة كانت في ملك الأستاذ ليفي بروفنسال (ورمزها: ب) ، عدد ورقاتها 104، وعد الأسطر في كل صفحة 33، ومسطرتها 24 × 17، وخطها مغربي مزود ببعض الشكل، إلا أن الخروم فيها كثيرة.
وتعد هذه النسخ الثلاث متقاربة لأنها قد تميزت عن الفئة الأولى بزيادات كثيرةن وتجيء هذه الزيادات في ثلاثة أنواع: أولها ورود النصوص المنقولة عن ابن حيان فيها على نحو تفصيلي لا يتوفر في الفئة الأولى من النسخ حيث يرد النص موجزاً بشكل واضح؛ وثانيها: ورود رسائل وأشعار لا يستبعد أن يكون ابن بسام هو الذي زادها؛ وثالثها: كثرة الدخيل فيها مما قام بإضافته شخص (أو أشخاص) بعد عهد المؤلف، وكان أحد الذين زادوا بعض النصوص مطالعاً على مسودات ابن بسام.
দ্বিতীয় শ্রেণির পাণ্ডুলিপিগুলো এতে অভিন্ন, কেবল একটি স্থান ব্যতীত; যেখানে এটি অত্যন্ত লক্ষণীয়ভাবে (ط) থেকে ভিন্নতা পোষণ করে। আর তা হলো ইবনে যায়দুনের জীবনী বর্ণনায় (ط) এর তুলনায় এতে অতিরিক্ত কবিতা সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া 'আদ-তাখিরা' গ্রন্থের বহির্ভূত একটি পাঠ—যা হলো আবু বকর ইবনে মুসলিমের নিকট ইবনে যায়দুনের একটি পত্র—সংযোজনের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় শ্রেণির পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে সদৃশ। বরং এই পত্রটির ক্ষেত্রে এটি এই শ্রেণির অন্যান্য পাণ্ডুলিপি থেকে পৃথকভাবে কিছু বাক্যাংশ এই ধরনের বন্ধনী [ ]-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং পাদটীকায় সেই বর্ধিত অংশের উৎসের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপিটির ওপর নির্ভরতা কম হওয়ার কারণে আমি একে কোনো বিশেষ সংকেত প্রদান করিনি।
আর দ্বিতীয় শ্রেণিটি নিম্নোক্ত পাণ্ডুলিপিগুলো ধারণ করে:
১ - প্যারিস পাণ্ডুলিপি নং: ৩৩২১ (এর সংকেত: س) যা ১২৫টি পত্রে বিন্যস্ত, প্রতি পৃষ্ঠার লাইন সংখ্যা ২৩ এবং পরিমাপ ২২ × ১৩। এটি মাগরেবি লিপিতে লিখিত, এতে অনেক ভুলভ্রান্তি ও সংশয় রয়েছে এবং এর নকল করার তারিখ নির্দেশক কোনো চিহ্ন নেই।
২ - তাইমুরীয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, এর সংকেত (م)। এটি ২২৫টি পত্র নিয়ে গঠিত, প্রতি পৃষ্ঠায় ২৬টি লাইন রয়েছে এবং পরিমাপ ২০ × ১৩। এটিও তারিখবিহীন এবং এর লিপি মাগরেবি।
৩ - একটি ব্যক্তিগত পাণ্ডুলিপি যা উস্তাদ লেভি প্রোভেন্সালের মালিকানায় ছিল (এর সংকেত: ب)। এর পত্র সংখ্যা ১০৪, প্রতি পৃষ্ঠার লাইন সংখ্যা ৩৩ এবং পরিমাপ ২৪ × ১৭। এটি মাগরেবি লিপিতে লিখিত এবং এতে কিছু হরকত প্রদান করা হয়েছে, তবে এতে বিচ্ছিন্ন বা ত্রুটিপূর্ণ অংশের আধিক্য রয়েছে।
এই তিনটি পাণ্ডুলিপিকে একে অপরের নিকটবর্তী মনে করা হয়, কারণ এগুলো অনেক অতিরিক্ত সংযোজনের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণি থেকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে। এই সংযোজনগুলো তিন প্রকারের: প্রথমত, এতে ইবনে হাইয়্যান থেকে উদ্ধৃত পাঠগুলো এমন বিস্তারিতভাবে এসেছে যা প্রথম শ্রেণির পাণ্ডুলিপিগুলোতে পাওয়া যায় না, যেখানে পাঠগুলো স্পষ্টভাবে সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত: এমন কিছু পত্র ও কবিতার উপস্থিতি, যা ইবনে বাসসাম নিজেই যুক্ত করেছেন বলে ধারণা করা হয়। তৃতীয়ত: এতে মূল গ্রন্থের বহির্ভূত অনুপ্রবেশকৃত বিষয়ের আধিক্য, যা লেখকের ইন্তেকালের পর কোনো ব্যক্তি (বা ব্যক্তিবর্গ) সংযোজন করেছেন। আর যারা কিছু পাঠ সংযোজন করেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ইবনে বাসসামের পাণ্ডুলিপির খসড়া সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
وقد كان منهجي في التحقيق قبول أوسع الصور في النسخ وأكثرها تفصيلاً، ولهذا اعتبرت أن كل نص تنفرد به النسخ (ب س م) فإنه لا يميز بإشارة لأن ذلك يعني إثقال الحواشي في كل صفحة بفروق لا تكاد تحصر، فأما إذا كان النص من زيادات (ط) فإنه يوضع بين معقفين على هذه الصورة [] . والعيب في هذه الطريقة أن القارئ لن يتصور مدى ما ينقص النسخة (ط) أو مدى ما تتمتع به النسخ (ب س م) من زيادات ولكن هذا عيب شكلي خالص، إذ أن إقامة نص سليم هو الهدف الأهم والأكثر جدوى. فأما ما أقطع يقيناً بأنه من الدخيل على نص الذخيرة فأني أبقيه في موضعه مميزاً له باختيار حرف طباعي أصغر حجماً من حرف النص الأصلي؛ ولاختياري هذا المنهج وجدت من الضروري أن أرد الرسائل التي أضيفت إلى ترجمة كل من ابن برد والبزلياني إلى مواضعها بعد أن كانت لجنة التحقيق التي قامت بإصدار هذا القسم من قبل قد انتزعتها من موضعها وجعلتها ملحقاً بآخر الكتاب، وقد كان عمل اللجنة في هذه الناحية غير قائم على منهج موحد، فهناك مثلاً زيادات دخيلة في ترجمة ابن زيدون تركت في موضعها، ولم تفرد في ملحق خاص.
وقد أهملت لدى مقارنة النسخ قراءات واضحة الخطأ، إذ لا ضرورة لإثقال الحواشي بها؛ وأثبت في المتن أصح القراءات في نظري ووضعت ما يعد في الدرجة الثانية من حيث الصحة أو من حيث احتمال الصحة في الحاشية، وهذا أمر ذاتي اجتهادي لا يمكن تعليله في كل مرة. وكل ما زدته في المتن اجتهاداً من عند نفسي أو اعتماداً على المصادر فقد وضعته بين حاصرتين على هذا الشكل دون أن أشير إلى ذلك في كل مرة، وذلك تمييزاً لهذا النوع من الزيادات عن الزيادات المستمدة من النسخة القاهرية، فإنها مشفوعة دائماً بالإشارة إلى مصدرها.
وبما أن الذخيرة عمل ضخم قد يستغرق سنوات فقد وجدت من الخير
পাণ্ডুলিপি যাচাই ও সম্পাদনায় আমার কর্মপদ্ধতি ছিল অনুলিপিগুলোর মধ্যে সবচাইতে বিস্তৃত ও বিস্তারিত রূপটি গ্রহণ করা। একারণে আমি মনে করেছি যে, পাণ্ডুলিপি (বা, সিন, মিম)-এ বিদ্যমান স্বতন্ত্র পাঠ্যসমূহকে কোনো বিশেষ চিহ্ন দিয়ে পৃথক করার প্রয়োজন নেই; কেননা এর ফলে প্রতিটি পৃষ্ঠার পাদটীকা এমন সব অসংখ্য পাঠভেদে ভারাক্রান্ত হয়ে যেত যা গণনা করা প্রায় অসম্ভব। তবে যদি পাঠ্যটি (ত্বা) পাণ্ডুলিপির অতিরিক্ত অংশ হয়, তবে তা এই আকৃতির [] বন্ধনীতে রাখা হয়েছে। এই পদ্ধতির ত্রুটি হলো, পাঠক এটি উপলব্ধি করতে পারবেন না যে (ত্বা) পাণ্ডুলিপিতে ঠিক কতটা ঘাটতি রয়েছে অথবা (বা, সিন, মিম) পাণ্ডুলিপিগুলোতে কতটুকু অতিরিক্ত অংশ রয়েছে। তবে এটি নিছক কাঠামোগত ত্রুটি মাত্র; কারণ একটি নির্ভুল পাঠ্য দাঁড় করানোই হলো সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ লক্ষ্য। আর যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমি নিশ্চিত যে সেগুলো 'যখিরা'র মূল পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত নয় বরং প্রক্ষিপ্ত, সেগুলোকে আমি তাদের নিজ স্থানেই রেখে দিয়েছি; তবে সেগুলোকে পৃথক করার জন্য মূল পাঠ্যের হরফের চেয়ে ছোট আকারের হরফ ব্যবহার করেছি। এই পদ্ধতি অবলম্বনের কারণে আমি ইবনে বুরদ ও আল-বাজলিয়ানির জীবনীতে যুক্ত পত্রগুলোকে তাদের আগের স্থানে ফিরিয়ে আনা আবশ্যক মনে করেছি; ইতিপূর্বে এই অংশটি প্রকাশকারী সম্পাদনা কমিটি সেই পত্রগুলোকে তাদের স্থান থেকে সরিয়ে বইয়ের শেষে পরিশিষ্ট হিসেবে যুক্ত করেছিল। এ ক্ষেত্রে কমিটির কাজ কোনো সুসংহত পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ছিল না। উদাহরণস্বরূপ, ইবনে যায়দুনের জীবনীতে কিছু প্রক্ষিপ্ত অংশ রয়েছে যেগুলো তাদের নিজ স্থানেই রেখে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো বিশেষ পরিশিষ্টে পৃথক করা হয়নি।
পাণ্ডুলিপিগুলোর তুলনামূলক পর্যালোচনার সময় আমি সুস্পষ্ট ভুল পাঠগুলো বর্জন করেছি, কারণ পাদটীকায় সেগুলো উল্লেখ করে ভারাক্রান্ত করার প্রয়োজন নেই। আমার দৃষ্টিতে সর্বাধিক সঠিক পাঠগুলো আমি মূল পাঠ্যে স্থির করেছি এবং বিশুদ্ধতা বা বিশুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনার দিক থেকে যেগুলোকে দ্বিতীয় পর্যায়ের মনে হয়েছে, সেগুলোকে পাদটীকায় উল্লেখ করেছি। এটি একটি ব্যক্তিগত গবেষণালব্ধ (ইজতিহাদি) বিষয়, যা প্রতিবার ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। নিজের ইজতিহাদ বা মূল উৎসসমূহের ওপর ভিত্তি করে আমি মূল পাঠ্যে যা কিছু সংযোজন করেছি, তা প্রতিবার উল্লেখ না করে এই { } বন্ধনীর মধ্যে রেখেছি। এটি করার উদ্দেশ্য হলো, কায়রো পাণ্ডুলিপি থেকে প্রাপ্ত সংযোজনগুলোর সাথে এই ধরণের সংযোজনগুলোর পার্থক্য স্পষ্ট করা; কারণ কায়রো পাণ্ডুলিপির সংযোজনগুলোর সাথে সবসময় সেগুলোর উৎসের উল্লেখ থাকে।
যেহেতু 'যখিরা' একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ যা সমাপ্ত হতে বহু বছর সময় লেগে যেতে পারে, তাই আমি এটিই কল্যাণকর মনে করেছি যে-
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
الإسراع بعمل فهرست خاص بكل قسم، (وكل قسم يقع في جزءين متسلسلي الترقيم) بدلاً من إرجاء الفهرسة حتى يتم ظهور الأجزاء جميعاً. على أني أرجو أن أخصص جزءاً تاسعاً للاستدراكات العامة والتعليقات وبعض الفهارس الفنية التي تيسر الإفادة من هذا الكتاب القيم؛ كذلك أرجو أن يكون هذا الجزء الأخير مجالاً لدراسة مؤلف الكتاب، ومنزلته الأدبية، وقيمة كتابه من النواحي التاريخية والأدبية والنقدية، وهي دراسة لا يمكن أن تتم على الصورة الشاملة المرضية قبل اكتمال أجزاء الكتاب تحقيقاً ونشراً.
وأود في ختام المقدمة أن أتقدم بالشكر إلى الدار العربية للكتاب، التي أخذت على عاتقها بذل كل جهد ممكن لوضع " الذخيرة " في متناول الدارسين والقراء، خدمة منها للتراث العربي بعامة وللتراث المغربي بخاصة، وأن على يقين من أن الدراسات في الأدب الأندلسي ستجد في الذخيرة مجالاً خصباً لا يدانيه في غناه واتساعه أي مصدر آخر، وأن وجود الذخيرة في أيدي الدارسين محققةً، لن يجعل الإفادة منها أمراً جزئياً محدوداً تحول دون اتساع مداه صعوبة النسخ الخطية؛ ولهذا أكاد أسكت صوت الاعتذار عما قد يكون تسرب إلى هذه الطبعة من خطأ أو وهم، بعد أن استفرغت جهد الطاقة. ومن الله أستمد العون، وإليه أبرأ من الزهو والدعوى، وعليه أتوكل وبه أستعين.
بيروت في آب (أغسطس) 1975.
إحسان عباس
প্রতিটি খণ্ডের জন্য একটি বিশেষ নির্ঘণ্ট তৈরির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা (এবং প্রতিটি খণ্ড ধারাবাহিক সংখ্যাযুক্ত দুটি অংশে বিভক্ত), সমস্ত অংশ প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত নির্ঘণ্ট তৈরির কাজ স্থগিত রাখার পরিবর্তে। তবে আমি আশা করি এই মূল্যবান গ্রন্থ থেকে উপকৃত হওয়া সহজতর করার লক্ষ্যে সাধারণ সংযোজনী, টিকা এবং কিছু কারিগরি নির্ঘণ্টের জন্য একটি নবম খণ্ড নির্দিষ্ট করব; একইভাবে আমি আশা করি যে এই শেষ খণ্ডটি গ্রন্থের লেখক, তাঁর সাহিত্যিক মর্যাদা এবং ঐতিহাসিক, সাহিত্যিক ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁর গ্রন্থের মূল্যায়নের একটি ক্ষেত্র হবে; যা এমন একটি গবেষণা যা গ্রন্থের সকল অংশের সম্পাদনা ও প্রকাশনা সম্পন্ন হওয়ার আগে পূর্ণাঙ্গ ও সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
ভূমিকার শেষে আমি আদ-দার আল-আরাবিয়্যাহ লিল-কিতাব-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই, যারা সাধারণভাবে আরবি ঐতিহ্য এবং বিশেষভাবে মাগরেবি ঐতিহ্যের সেবায় "আদ-দাখিরা" গ্রন্থটিকে গবেষক ও পাঠকদের হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে আন্দালুসি সাহিত্যের গবেষণায় আদ-দাখিরা এমন একটি উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হবে যার সমৃদ্ধি ও বিশালতার সাথে অন্য কোনো উৎস তুলনীয় নয়। গবেষকদের হাতে সম্পাদিত আকারে আদ-দাখিরা-এর উপস্থিতি এর থেকে উপকৃত হওয়াকে আংশিক বা সীমিত বিষয়ে পরিণত করবে না, যা পাণ্ডুলিপির দুষ্প্রাপ্যতার কারণে এর বিস্তৃতিকে বাধাগ্রস্ত করত; এজন্য আমি আমার সাধ্যমতো প্রচেষ্টা ব্যয় করার পর এই সংস্করণে কোনো ভুল বা বিভ্রান্তি থেকে যাওয়ার ব্যাপারে ক্ষমার কণ্ঠস্বর প্রায় স্তব্ধ করে দিচ্ছি। আল্লাহর কাছেই আমি সাহায্য প্রার্থনা করি, অহংকার ও দাবি থেকে আমি তাঁরই আশ্রয় চাই, তাঁর ওপরই আমি ভরসা করি এবং তাঁরই কাছে সাহায্য চাই।
বৈরুত, আগস্ট ১৯৭৫।
ইহসান আব্বাস
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
بسم الله الرحمن الرحيم
قال أبو الحسن علي بن بشام الشنتريني الأندلسي، رحمه الله:
أما بعد حمد الله ولي الحمد وأهله، والصلاة على سيدنا محمد خاتم رسله، فإن ثمرة هذا الأدب، العالي الرتب، رسالة تنثر وترسل، وأبيات تنظم وتفصل؛ تنثال تلك انثيال القطار، على صفحات الأزهار، وتتصل هذه اتصال القلائد، على نحور الخرائد؛ وما زال في أفقنا هذا الأندلسي القصي إلى وقتنا هذا من فرسان الفنين، وأئمة النوعين، قوم هم ما هم طيب مكاسر، وصفاء جواهر، وعذوبة موارد ومصادر؛ لعبوا بأطراف الكلام المشقق، لعب الدجى بجفون المؤرق، وحدوا بفنون السحر المنمق، حداء الأعشى ببنات المحلق؛ فصبوا على قوالب النجوم، غرائب المنثور والمنظوم؛ وباهوا غرر الضحى والأصائل، بعجائب الأشعار والرسائل: نثر لو رآه البديع لنسي اسمه، أو اجتلاه ابن هلال لولاه حكمه؛ ونظم لو سمعه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আবুল হাসান আলী ইবনে বাশশাম আল-শান্তরিনি আল-আন্দালুসি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) বলেছেন:
অতঃপর, প্রশংসার অধিকারী ও এর যোগ্য আধার আল্লাহর প্রশংসার পর, এবং তাঁর রাসূলগণের মোহর আমাদের নেতা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর দরুদ ও সালামের পর, নিশ্চয়ই উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন এই সাহিত্যের ফসল হলো এমন গদ্য যা রচিত ও প্রসৃত এবং এমন পদ্য যা সুশৃঙ্খল ও বিশদ; সেই গদ্যসমূহ পুষ্পদলের ওপর বৃষ্টির ধারার মতো ঝরে পড়ে, আর এই পদ্যসমূহ রূপসীদের কণ্ঠে কণ্ঠহারের ন্যায় শোভা পায়; আমাদের এই সুদূর আন্দালুসীয় দিগন্তে বর্তমান সময় পর্যন্ত উভয় শিল্পকলায় পারদর্শী অশ্বারোহী এবং উভয় ধারার ইমামগণ বিদ্যমান রয়েছেন, যাদের চরিত্র অতি নির্মল, সারবস্তু অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং যাদের সাহিত্য-উৎস ও নির্ঝরণী অত্যন্ত সুমিষ্ট; তারা সুবিন্যস্ত বাক্যের শৈলী নিয়ে এমনভাবে ক্রীড়া করেছেন যেন আঁধার নির্ঘুম ব্যক্তির চোখের পাতার সাথে খেলছে, আর তারা আলঙ্কারিক যাদুবিদ্যার কৌশলে এমনভাবে চালিত হয়েছেন যেমন আল-আ'শা আল-মুহাল্লাকের কন্যাদের স্মরণে কাব্য আবৃত্তি করেছিলেন; অতঃপর তারা নক্ষত্ররাজির কাঠামোতে অদ্ভুত সব গদ্য ও পদ্য ঢেলে দিয়েছেন; এবং চমৎকার সব কবিতা ও পত্রাবলির মাধ্যমে প্রভাতের শুভ্রতা ও অপরাহ্নের গোধূলিকে টেক্কা দিয়েছেন: এমন গদ্য যা যদি আল-বাদি' দেখতেন তবে তিনি নিজ নামই বিস্মৃত হতেন, অথবা ইবনে হিলাল তা প্রত্যক্ষ করলে এর নিকট নিজ কর্তৃত্ব সমর্পণ করতেন; আর এমন পদ্য যা শুনলে...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
كثير ما نسب ولا مدح، أو تتبعه جرول ما عوى ولا نيح؛ إلا أن أهل هذا الأفق، أبوا إلا متابعة أهل الشرق، يرجعون إلى أخبارهم المعتادة، رجوع إلى قتادة؛ حتى لو نعق بتلك الآفاق غراب، أوطن بأقصى الشام والعراق ذباب، لجثوا على هذا صنما، وتلوا ذلك كتاباً محكماً؛ وأخبارهم الباهرة، وأشعارهم السائرة، مرمى القصية، ومناخ الرذية، لا يعمر بها جنان ولا خلد، ولا يصرف فيها لسان ولا يد. فغاظني منهم ذلك، وأنفت مما هنالك، وأخذت نفسي بجمع ما وجدت من حسنات دهري، وتتبع محاسن أهل بلدي وعصري، غيرة لهذا الأفق الغريب أن تعود بدوره أهلة، وتصبح بحاره ثماداً مضمحلة؛ مع كثرة أدبائه، ووفور علمائه؛ وقديماً ضيعوا العلم وأهله، ويا رب محسن مات إحسانه قبله؛ وليت شعري من قصر العلم على بعض الزمان، وخص أهل المشرق بالإحسان -
وقد كتبت لأرباب هذا الشأن، من أهل الوقت والزمان، محاسن تبهر الألباب، وتسحر الشعراء والكتاب. ولم أعرض لشيء من أشعار
অনেক ক্ষেত্রে যা সম্বন্ধিত করা হয়েছে কিন্তু প্রশংসিত হয়নি, অথবা কোনো যাযাবর যার পিছু নিয়েছে অথচ সেখানে কোনো আর্তনাদ বা বিলাপ ধ্বনিত হয়নি; তবে এই অঞ্চলের অধিবাসীরা প্রাচ্যের অধিবাসীদের অনুসরণ ছাড়া আর সবকিছুই অস্বীকার করেছে। তারা তাদের গতানুগতিক সংবাদসমূহের দিকে সেভাবেই প্রত্যাবর্তন করে, যেভাবে মানুষ কাতাদার বর্ণনার দিকে ফিরে যায়। এমনকি যদি সেই দিগন্তগুলোতে কোনো দাঁড়কাকও ডাক দেয়, অথবা সিরিয়া ও ইরাকের দূরতম প্রান্তে কোনো মাছিও আস্তানা গাড়ে, তবে তারা তাকে প্রতিমা জ্ঞান করে সেজদাবনত হয় এবং তাকে এক অকাট্য গ্রন্থ হিসেবে পাঠ করে। অথচ তাদের সেই চমকপ্রদ সংবাদসমূহ এবং প্রচলিত কবিতাগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট তীরের মতো এবং দুর্বলতার আধার; যা দিয়ে কোনো অন্তর বা প্রাণ সঞ্জীবিত হয় না, আর না তাতে কোনো জিহ্বা বা হাত পরিচালিত হয়। তাদের এই আচরণ আমাকে ক্ষুব্ধ করেছে এবং সেখানকার অবস্থার প্রতি আমি বিতৃষ্ণ হয়েছি। তাই আমি স্বীয় যুগের প্রাপ্ত কল্যাণসমূহ সংগ্রহ করতে এবং আমার দেশ ও সমসাময়িককালের গুণীজনদের শ্রেষ্ঠত্বসমূহ তালাশ করতে ব্রতী হয়েছি। এই অদ্ভুত ভূখণ্ডের প্রতি আত্মমর্যাদাবোধ থেকেই আমি এটি করেছি, যাতে এর পূর্ণিমাগুলো পুনরায় ক্ষীয়মাণ চাঁদ না হয়ে যায় এবং এর সমুদ্রগুলো শুকিয়ে বিলীনপ্রায় ক্ষুদ্র জলাশয়ে পরিণত না হয়; অথচ এখানে সাহিত্যিকের আধিক্য এবং আলিমের প্রাচুর্য বিদ্যমান। প্রাচীনকাল থেকেই তারা জ্ঞান ও জ্ঞানীদের অবমূল্যায়ন করে আসছে। হায়! কতই না পুণ্যবান ব্যক্তি রয়েছেন যাদের অবদান তাদের পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছে। আমি যদি জানতাম, কে জ্ঞানকে কেবল বিশেষ কোনো কালের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ করল এবং কেবল প্রাচ্যবাসীদেরই শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নির্দিষ্ট করল!
আমি বর্তমান সময়ের এই বিষয়ের পারদর্শীদের জন্য এমন কিছু সৌন্দর্য লিপিবদ্ধ করেছি যা বুদ্ধিকে স্তম্ভিত করে এবং কবি ও লেখকদের বিমোহিত করে। আমি তাদের কবিতার কোনো কিছুই উপস্থাপন করিনি...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الدولة المروانية، ولا المدائح العامرية؛ إذ كان ابن فرج الجياني قد رأى رأيي في النصفة، وذهب مذهبي من الأنفة؛ فأملى في محاسن أهل زمانه " كتاب الحدائق " معارضاً ل - " كتاب الزهرة " للإصبهاني، فأضربت أنا عما ألف، ولم أعرض لشيء مما صنف. ولا تعديت أهل عصري، ممن شاهدته بعمري، أو لحقه بعض أهل دهري؛ إذ كل مردد ثقيل، وكل متكرر مملول، وقد مجت الأسماع: " يا درا مية بالعلياء فالسند "، وملت الطباع: " لخولة أطلال ببرقة ثهمد "؛ ومحت: " قفا نبك " في يد المتعلمين، ورجعت على ابن حجر بلائمة المتكلفين؛ فأما " أمن أم أوفى "، فعلى آثار من ذهب العفا. أما آن أن يصم صداها، ويسأنم مداها - وكم من نكتة أغفلتها الخطباء، ورب متردم غادرته الشعراء، والإحسان غير محصور، وليس الفضل
মারওয়ানি শাসনকাল কিংবা আমিরি বন্দনাগাথার বিবরণ এখানে নেই; কেননা ইবনে ফারাজ আল-জায়য়ানি ন্যায়নিষ্ঠার বিষয়ে আমার অনুরূপ মত পোষণ করেছেন এবং আত্মমর্যাদার ক্ষেত্রে আমার পথই অবলম্বন করেছেন। তিনি আল-ইসফাহানির ‘কিতাবুজ জাহরা’র মোকাবিলায় নিজ যুগের অধিবাসীদের গুণাবলি নিয়ে ‘কিতাবুল হাদায়েক’ রচনা করেছেন। ফলে তিনি যা সংকলন করেছেন তা আমি বর্জন করেছি এবং তিনি যা বিন্যস্ত করেছেন তার কোনো কিছুই আমি পুনরায় উপস্থাপন করিনি। আমি আমার সমসাময়িকদের গণ্ডি অতিক্রম করিনি—যাদের আমি আমার জীবনে প্রত্যক্ষ করেছি অথবা আমার সময়ের কিছু লোক যাদের সান্নিধ্য পেয়েছে। কেননা, প্রতিটি পুনরাবৃত্ত বিষয়ই শ্রুতিকটু এবং প্রতিটি গতানুগতিক বিষয়ই বিরক্তির উদ্রেককারী। কান এখন এই পংক্তিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে: “হে আল-আলিয়া ও আস-সানাদে অবস্থিত মায়্যাহর ঘর”; মানুষের প্রকৃতি এখন বিমুখ হয়ে পড়েছে এই কথা থেকে: “বুরকাত তাহমাদে খাওলার ধ্বংসাবশেষ রয়েছে”; শিক্ষার্থীদের হাতে ‘থামো, আমরা কাঁদি’ জীর্ণ হয়ে গেছে এবং তা ইবনে হুজরের ওপর কৃত্রিমতা আরোপকারীদের তিরস্কার হিসেবেই ফিরে এসেছে। আর ‘এটি কি উম্মে আওফার স্মৃতিচিহ্ন’—এর ওপর তো বিস্মৃতির ধূলো জমেছে। এখন কি সময় আসেনি যে, এর প্রতিধ্বনি স্তব্ধ হবে এবং এর ব্যাপ্তি শেষ সীমায় পৌঁছাবে? বাগ্মীগণ কত সূক্ষ্ম রসালো বিষয়ই না উপেক্ষা করে গেছেন, আর কবিগণ কত তালি দেওয়া কাব্য-প্রাঙ্গণই না (নতুনদের জন্য) অবশিষ্ট রেখে গেছেন। বস্তুত উৎকর্ষ কোনো গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, আর শ্রেষ্ঠত্বও কেবল...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
على زمن بمقصور؛ وعزيز على الفضل أن ينكر، تقدم به الزمان أو تأخر، ولحى الله قولهم: الفضل للمتقدم، فكم دفن من إحسان، وأخمل من فلان. ولو اقتصر المتأخرون على كتب المتقدمين، لضاع علم كثير، وذهب أدب غزير.
وقد أودعت هذا الديوان الذي سميته ب - " كتاب الذخيرة، في محاسن أهل هذه الجزيرة " من عجائب علمهم، وغرائب نثرهم ونظمهم، ما هو أحلى من مناجاة الأحبة، بين التمنع والرقبة، وأشهى من معاطاة العقار، على نغمات المثالث والأزيار؛ لأن أهل هذه الجزيرة - مذ كانوا - رؤساء خطابة، ورؤوس شعر وكتابة، تدفقوا فأنسوا البحور، وأشرقوا فباروا الشموس والبدور؛ وذهب كلامهم بين رقة الهواء، وجزالة الصخرة الصماء، كما قال صاحبهم عبد الجليل ابن وهبون يصف شعره:
رقيق كما غنت حمامة أيكة
… وجزل كما شق الهواء عقاب على كونهم بهذا الإقليم، ومصاقبهم لطوائف الروم؛ وعلى أن بلادهم آخر الفتوح الإسلامية، وأقصى خطى المآثر العربية؛ ليس وراءهم وأمامهم إلا البحر المحيط، والروم والقوط؛ فحصاة من هذه حاله ثبير، وثمده بحر مسجور؛ وقد حكى أبو علي البغدادي الوافد على الأندلس في زمان بني مروان قال: لما وصلت القيروان وأنا أعتبر من
কালের সীমাবদ্ধতা নয়; আর শ্রেষ্ঠত্বকে অস্বীকার করা গুণীজনের পক্ষে দুঃসাধ্য, চাই তা সময়ের দিক থেকে অগ্রবর্তী হোক বা পরবর্তী। আল্লাহ তাদের এই উক্তিকে কলঙ্কিত করুন যারা বলে: 'শ্রেষ্ঠত্ব কেবল পূর্ববর্তীদের জন্য'। কারণ কত পুণ্যই না সমাহিত হয়েছে এবং কত ব্যক্তিত্বই না বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে! আর যদি পরবর্তীরা কেবল পূর্ববর্তীদের কিতাবসমূহের ওপরই নির্ভর করত, তবে প্রচুর জ্ঞান হারিয়ে যেত এবং বিশাল সাহিত্য বিলুপ্ত হয়ে যেত।
আমি এই সংকলনটিতে—যার নাম দিয়েছি "কিতাবুজ জাখিরা ফি মাহাসিনি আহলি হাযিহিল জাযিরা" (এই উপদ্বীপের অধিবাসীদের শ্রেষ্ঠ গুণাবলি বিষয়ক ভাণ্ডার)—তাদের ইলমের বিস্ময়কর বিষয়াদি এবং তাদের গদ্য ও পদ্যের অপূর্ব নিদর্শনসমূহ সন্নিবেশিত করেছি। যা বিরাগ ও অনুরাগের দোলাচলে থাকা প্রিয়জনদের নিভৃত আলাপের চেয়েও মধুর, এবং বাদ্যযন্ত্রের তালের সাথে সুরার পাত্র আদান-প্রদানের চেয়েও অধিক তৃপ্তিদায়ক। কেননা এই উপদ্বীপের অধিবাসীরা—শুরু থেকেই—বাগ্মিতার নেতা এবং কাব্য ও রচনাশৈলীর শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। তারা যখন প্রবহমান হন, তখন সমুদ্রসমূহকে ভুলিয়ে দেন; আর যখন উজ্জ্বল হন, তখন সূর্য ও পূর্ণিমার চাঁদকেও হার মানান। তাদের কথা স্নিগ্ধ সমীরণের কোমলতা এবং নিরেট কঠিন পাথরের দৃঢ়তার সমন্বয়ে গঠিত। যেমন তাদের কবি আব্দুল জলীল ইবনে ওয়াহবুন তার কবিতার বর্ণনায় বলেছেন:
কোমল যেমন কুঞ্জবনের ঘুঘুর গান
… আর সুদৃঢ় যেন আকাশ বিদীর্ণকারী ঈগল। তা সত্ত্বেও যে তারা এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং রোমান সম্প্রদায়ের নিকটবর্তী; এবং তাদের এই ভূখণ্ডটি ছিল ইসলামি বিজয়ের সর্বশেষ সীমানা এবং আরবীয় কীর্তিগাঁথার দূরতম পদক্ষেপ। তাদের পেছনে ও সামনে মহাসমুদ্র এবং রোমান ও গথ জাতি ছাড়া আর কিছু নেই। এমতাবস্থায় এই অঞ্চলের একটি নুড়ি পাথরও ছাবীর পাহাড়ের তুল্য এবং এর গর্তের সামান্য পানিও উত্তাল সমুদ্রের সমান। বনু মারওয়ানের যুগে আন্দালুসে আগত আবু আলী আল-বাগদাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন আমি কায়রাওয়ানে পৌঁছলাম এবং আমি যা দেখছিলাম তা নিয়ে চিন্তা করছিলাম...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
أمر به من أهل الأمصار، فأجدهم درجات في الغباوة وقلة الفهم بحسب تفاوتهم في مواضعهم منها بالقرب والبعد، حتى كأن منازلهم من الطريق هي منازلهم من العلم محاصة ومقايسة. قال أبو علي: فقلت: إن نقص أهل الأندلس عن مقادير من رأيت في أفهامهم، بقدر نقصان هؤلاء عمن قبلهم، فسأحتاج إلى ترجمان، بهذه الأوطان.
قال ابن بسام: فبلغني أنه كان يصل كلامه هذا بالتعجب من أهل هذا الأفق في ذكائهم ويتغطى عنهم عند المباحثة والمفاتشة، ويقول لهم: إن علمي علم رواية، وليس بعلم دراية، فخذوا عني ما نقلت، فلم آل لكم أن صححت. هذا مع إقرار الجميع له يومئذ بسعة العلم وكثرة الروايات، والأخذ عن الثقات؛ ولولا أن كل معنى معترض، يزيح سهمي عن ثغرة الغرض، المقصود في هذا الكتاب، لأوردت في هذا الباب، بعض ما وقع لأهل الأندلس من عجب، وسمع لهم من نادر مستغرب. وسيمر منه في تضاعيف هذا التصنيف ما فيه كفاية، ويربي إن شاء الله على الغاية. ولعل بعض من يتصحفه سيقول: إني أغفلت كثيراً، وذكرت خاملاً وتركت مشهوراً. وعلى رسله، فإنما جمعته بين صعبٍ قد ذل، وغرب قد فل، ونشاط قد قل، وشباب ودع فاستقل؛ من تفاريق كالقرون الخالية، وتعاليق كالأطلال البالية، بخط جهال كخطوط الراح، أو مدارج النمل بين مهاب الرياح؛ ضبطهم تصحيف، ووضعهم تبديل وتحريف؛ أيأس الناس منها طالبها، وأشدهم استرابة بها كاتبها؛ ففتحت أنا
বিভিন্ন শহরের অধিবাসী যাদের সংস্পর্শে তিনি এসেছিলেন, তাদের মধ্যে নির্বুদ্ধিতা এবং বোধশক্তির স্বল্পতার বিভিন্ন স্তর আমি দেখতে পেয়েছি, যা তাদের অবস্থানের নৈকট্য ও দূরত্বের তারতম্য অনুযায়ী পরিলক্ষিত হয়। এমনকি মনে হচ্ছিল যেন পথের দূরত্বই জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থানের মাপকাঠি ও অনুপাত। আবু আলী বলেন: আমি বললাম: যদি আন্দালুসবাসীদের বোধশক্তি আমি যাদের দেখেছি তাদের তুলনায় ততটুকুই কম হয়, যতটুকু এদের বোধশক্তি তাদের পূর্ববর্তীদের চেয়ে কম, তবে এই ভূখণ্ডে আমার একজন দোভাষীর প্রয়োজন হবে।
ইবনে বাসসাম বলেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি তাঁর এই বক্তব্যের সাথে এই অঞ্চলের অধিবাসীদের মেধার প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করতেন এবং গভীর আলোচনা ও পর্যালোচনার সময় তাদের থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন। তিনি তাদের বলতেন: "নিশ্চয়ই আমার জ্ঞান হলো বর্ণনা-নির্ভর জ্ঞান, বিচার-বুদ্ধি বা গবেষণা-প্রসূত জ্ঞান নয়। সুতরাং আমি যা বর্ণনা করেছি তা তোমরা আমার কাছ থেকে গ্রহণ করো, কারণ আমি তোমাদের জন্য তা যাচাই-বাছাই ও সংশোধনে কোনো ত্রুটি করিনি।" এটি সত্ত্বেও তৎকালীন সকলেই তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য, প্রচুর বর্ণনা এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণের বিষয়টি স্বীকার করতেন। আর যদি প্রতিটি প্রাসঙ্গিক বিষয় আমার লক্ষ্যচ্যুত হওয়ার কারণ না হতো, যা এই কিতাবের মূল উদ্দেশ্য থেকে আমার তীরকে সরিয়ে দিতে পারে, তবে আমি এই পরিচ্ছেদে আন্দালুসবাসীদের সাথে ঘটা কিছু বিস্ময়কর ঘটনা এবং তাদের কাছে শোনা বিরল ও আশ্চর্যজনক কিছু বিষয় উল্লেখ করতাম। এই সংকলনের ভাঁজে ভাঁজে এমন অনেক কিছু আসবে যা যথেষ্ট হবে এবং ইনশাআল্লাহ লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যাবে। সম্ভবত এটি পাঠকারী কেউ কেউ বলবেন: আমি অনেক কিছু উপেক্ষা করেছি, অখ্যাত কাউকে উল্লেখ করেছি এবং বিখ্যাত কাউকে ছেড়ে দিয়েছি। তবে তারা যেন ধৈর্য ধরেন; কারণ আমি এটি এমন এক অবস্থায় সংকলন করেছি যখন কঠিন কাজ সহজ হয়েছে, ধার কমে গেছে, উদ্যম হ্রাস পেয়েছে এবং যৌবন বিদায় নিয়ে প্রস্থান করেছে। এটি অতীত শতাব্দীগুলোর ন্যায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অংশ এবং জীর্ণ ধ্বংসাবশেষের ন্যায় টিপ্পনীসমূহ থেকে সংগৃহীত। এগুলো মূর্খদের হাতের লেখায় লিখিত যা হাতের তালুর রেখার মতো অস্পষ্ট অথবা প্রবল বাতাসের মুখে পিঁপড়ার চলার পথের মতো অগোছালো; তাদের লিখনশৈলী হলো ভুল পাঠে পূর্ণ, আর তাদের বিন্যাস হলো বিকৃতি ও পরিবর্তনে ভরা। এর অন্বেষণকারী ব্যক্তি এর প্রাপ্তি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ এবং এর লেখক এটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সন্দিহান। এমতাবস্থায় আমি উন্মোচন করলাম...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
أقفالها، وفضضت قيودها وأغلالها؛ فأضحت غايات تبيين وبيان، ووضحت آيات حسنٍ وإحسان.
على أن عامة من ذكرته في هذا الديوان، لم أجد له أخباراً موضوعة، ولا أشعاراً مجموعة، تفسح لي في طريق الاختيار منها، إنما انتقدت ما وجدت، وخالست في ذلك الخمول، ومارست هنالك البحث الطويل، والزمان المستحيل، حتى ضمنت كتابي هذا من أخبار أهل هذا الأفق، ما لعلي سأربي به على أهل الشرق. وما قصدت به - علم الله - الطعن على فاضل، ولا التعصب لقائل على قائل؛ لأن من طلب عيباً وجده، وكل يعمل باقتداره، وبجهد اختياره؛ وما أغفل أكثر مما كتب وحصل؛ والأفكار مزن لا تنضب، ونجوم لا تغرب؛ ومن يحصل ما تثيره القرائح، وتتقاذف به الجوانح - وقد قال أبو تمام:
ولو كان يفنى الشعر أفناه ما قرت
… حياضك منه في العصور الذواهب
ولكنه صوب العقول إذا انجلت
… سحائب منه أعقبت بسحائب وهذا الديوان إنما هو لسان منظوم ومنثور، لا ميدان بيان وتفسير. أورد الأخبار والأشعار لا أفك معماها، في شيء من لفظها ولا معناها؛ لكن ربما ألممت ببعض القول، بين ذكر أجريه، ووجه عذر أريه؛ لا سيما أنواع البديع ذي المحاسن، الذي هو قيم الأشعار وقوامها
তার তালাসমূহ খুলে দিয়েছি এবং তার শৃঙ্খল ও বেড়িগুলো চূর্ণ করেছি; ফলে তা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও বিবৃতির লক্ষ্যস্থলে পরিণত হয়েছে এবং সৌন্দর্য ও ইহসানের নিদর্শনসমূহ প্রকাশিত হয়েছে।
তবে এই কাব্যগ্রন্থে আমি যাদের উল্লেখ করেছি, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই আমি কোনো প্রচলিত বিবরণ বা সংকলিত কবিতা খুঁজে পাইনি যা আমাকে সেখান থেকে নির্বাচনের সুযোগ করে দিত। বরং আমি যা পেয়েছি তা যাচাই-বাছাই করেছি, বিস্মৃতি থেকে তা উদ্ধার করেছি এবং সেখানে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও দুঃসাধ্য সময়ের চর্চা করেছি; শেষ পর্যন্ত আমি আমার এই গ্রন্থে এই দিগন্তের অধিবাসীদের এমন সব সংবাদ অন্তর্ভুক্ত করেছি, যা দিয়ে সম্ভবত আমি প্রাচ্যের অধিবাসীদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করব। আর এর মাধ্যমে—আল্লাহ জানেন—আমি কোনো গুণী ব্যক্তির সমালোচনা করার কিংবা কোনো এক প্রবক্তার প্রতি পক্ষপাতিত্ব করার সংকল্প করিনি; কারণ যে ব্যক্তি দোষ খোঁজে সে তা পেয়েই যায়, আর প্রত্যেকে নিজ সামর্থ্য ও স্বেচ্ছাপ্রসূত শ্রম অনুযায়ী কাজ করে। যা কিছু বাদ পড়ে গেছে তা যা লেখা ও অর্জিত হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি; আর চিন্তাধারা হলো এমন মেঘমালা যা কখনো শুকিয়ে যায় না এবং এমন নক্ষত্ররাজী যা কখনো অস্তমিত হয় না। মেধা যা উদ্দীপ্ত করে এবং অন্তর যা নিক্ষেপ করে—কে তা করায়ত্ত করতে পারে? আবু তাম্মাম যেমন বলেছেন:
আর কবিতা যদি নিঃশেষ হওয়ার হতো, তবে গত হওয়া যুগে আপনার জলাধারে যা স্থিত হয়েছিল তাতেই তা নিঃশেষ হয়ে যেত
… কিন্তু এটি তো বুদ্ধিবৃত্তির বর্ষণ; যখন এর মেঘমালা অপসৃত হয়, তখন অন্য মেঘমালা তার স্থলাভিষিক্ত হয়
… আর এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত পদ্য ও গদ্যের একটি মুখপত্র মাত্র, এটি কোনো ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণের ময়দান নয়। আমি সংবাদ ও কবিতাগুলো বর্ণনা করি, সেগুলোর শব্দ বা অর্থের কোনো জটিল রহস্য আমি উন্মোচন করি না; তবে মাঝে মাঝে আমি আলোচনার প্রাসঙ্গিকতায় কিংবা কোনো ওজর পেশ করার খাতিরে কিছু কথা উল্লেখ করি; বিশেষ করে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘বদি’ শিল্পের প্রকারভেদগুলো সম্পর্কে, যা হলো কবিতার মানদণ্ড ও ভিত্তি।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وبه يعرف تفاضلها وتباينها؛ فلا بد أن نشير إليه، وننبه عليه؛ ونكل الأمر في كل ما نثبته، ونرد الحكم في كل ما نورده، إلى نقد النقدة المعرة، وتمييز الكتبة الشعرة، الذين هم رؤساء الكلام، وصيارفة النثار والنظام؛ فأما من رين على قلبه، وطبع بالجهل على لبه، فقد وضعت عنا وعنه، كلفة الاعتذار منه. وقد كان في وقتي من فرسان هذا الشان، من كان أجدر أن يجري بهذا الميدان، ويعرب عما أعربت فيه عن القوم بأفصح لسان، يثير فيه المعاني من مرابضها، وأشد عارضة يظهر بها الأعراض المقصودة في اجمل معارضها؛ لكني بما أقدمت عليه، وتصديت إليه، كالنسيم دل على الصبح، والسهم ناب عن الرمح؛ ولا أقول إني أغربت، لكن ربما بينت وأعربت؛ ولا أدعي أني اخترعت، ولكني لعلي قد أحسنت حيث اتبعت، وأتقنت ما جمعت، وتألفت عنن الشارد، وأغنيت عن الغائب بالشاهد؛ وتغلغلت بقارئه بين النظم والنثر، تغلغل الماء أثناء النور والزهر؛ وانتقلت من الجد إلى الهزل، انتقال الضحيان من الشمس إلى الظل، واستراحة البهير من الحزن إلى السهل؛ وتخللت ما ضممته من الرسائل والأشعار، بما اتصلت به أو قيلت فيه من الوقائع والأخبار؛ واعتمدت المائة الخامسة من الهجرة فشرحت بعض محتها، وجلوت وجوه فتنها، ولخصت القول بين قبيحها وحسنها؛ وأحصيت علل استيلاء طوائف الروم، على هذا الإقليم، وألمعت الأسباب التي دعت ملوكها
এবং এর মাধ্যমেই সেগুলোর পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্ব ও পার্থক্য অনুধাবন করা যায়; তাই এ বিষয়ে ইঙ্গিত করা এবং সচেতন করা অপরিহার্য। আমি যা কিছু সাব্যস্ত করি এবং যা কিছু বর্ণনা করি, সে সকল ক্ষেত্রে বিষয়টির ভার অর্পণ করি বিজ্ঞ সমালোচকদের সূক্ষ্ম বিচার এবং বিদগ্ধ লেখকদের বিচক্ষণতার ওপর; যারা বাকশৈলীর কর্ণধার এবং গদ্য ও পদ্যের জহুরি। আর যার অন্তরে মরিচা পড়েছে এবং মূর্খতার কারণে যার বুদ্ধি লোপ পেয়েছে, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনার দায়ভার আমার ও তার উভয়ের ওপর থেকেই রহিত হয়েছে। আমার সমসাময়িককালে এই অঙ্গনের এমন অনেক অশ্বারোহী (পারদর্শী ব্যক্তি) ছিলেন, যারা এই ময়দানে বিচরণ করার এবং এই জাতি সম্পর্কে আমি যা ব্যক্ত করেছি তা অধিকতর প্রাঞ্জল ভাষায় প্রকাশ করার যোগ্য ছিলেন। তারা শব্দের উৎসস্থল থেকে গূঢ় অর্থসমূহকে জাগ্রত করতেন এবং অত্যন্ত শক্তিশালী বাগ্মিতার মাধ্যমে উদ্দিষ্ট বিষয়াবলিকে সুন্দরতম অবয়বে উপস্থাপন করতেন। তবে আমি যে কার্যে অগ্রসর হয়েছি এবং যা সম্পাদনে ব্রতী হয়েছি, তা ভোরের আগমণী বার্তার ন্যায় স্নিগ্ধ সমীরণ এবং বল্লমের স্থলাভিষিক্ত তীরের সদৃশ। আমি এমন বলছি না যে আমি কোনো দুর্লভ কিছু নিয়ে এসেছি, বরং সম্ভবত আমি কেবল বিষয়সমূহ বর্ণনা ও ব্যক্ত করেছি; আর আমি এমন দাবিও করছি না যে আমি নতুন কিছু উদ্ভাবন করেছি, তবে সম্ভবত আমি অনুসরণের ক্ষেত্রে নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছি, যা কিছু সংগ্রহ করেছি তা সুসংহত করেছি, অবাধ্য ও বিক্ষিপ্ত বিষয়গুলোর লাগাম টেনে একত্রে গেঁথেছি এবং উপস্থিত নিদর্শনের মাধ্যমে অনুপস্থিত বিষয়ের অভাব পূরণ করেছি। আমি এর পাঠককে গদ্য ও পদ্যের মাঝে এমনভাবে অবগাহন করিয়েছি, যেমন পুষ্প ও প্রস্ফুটিত কুঁড়ির মাঝে জলধারা প্রবিষ্ট হয়। আমি গুরুগম্ভীর আলোচনা থেকে হাস্যরসে অবতীর্ণ হয়েছি; যেমন প্রখর রৌদ্রে থাকা ব্যক্তি ছায়ায় আশ্রয় নেয় এবং হাঁপিয়ে ওঠা পরিশ্রান্ত ব্যক্তি বন্ধুর পথ থেকে সমতলে এসে বিশ্রাম নেয়। আমি আমার সংকলিত পত্রাবলী ও কবিতাগুলোর মাঝে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ ও সংবাদসমূহ সন্নিবেশিত করেছি। আমি হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর ওপর ভিত্তি করে এর কিছু দুঃখ-দুর্দশা ব্যাখ্যা করেছি, এর ফিতনাসমূহের স্বরূপ উন্মোচন করেছি এবং এর মন্দ ও ভালোর মাঝে সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেছি। আমি এই অঞ্চলের ওপর রোমানদের বিভিন্ন দলের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার কারণসমূহ নিরূপণ করেছি এবং সেই সব কারণের প্রতি আলোকপাত করেছি যা তাদের রাজন্যবর্গকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
إلى خلعهم، واجتثاث أصلهم وفرعهم؛ وعبرت عن أكثر ذلك، بلفظ يتتبع الهم بين الجونح، ويحل العصم سهل الأباطح؛ وعولت في معظم ذلك على تاريخ أبي مروان بن حيان، فأوردت فصوله ونقلت جمله وتفاصيله؛ فإذا أعوزني كلامه، وعزني سرده ونظامه، عكفت على طللي البائد، وضربت في حديدي البارد؛ على حفظ قد تشعب وحظٍ من الدنيا قد ذهب.
ومع أن الشعر لم أرضه مركباً، ولا اتخذته مكسباً، ولا ألفته مثوى ولا منقلباً؛ إنما زرته لماماً، ولمحته تهمماً لا اهتماماً؛ رغبةً بعز نفسي عن ذله، وترفيعاً لموطئ أخمصي عن محله؛ فإذا شعشعت راحه، ودأبت أقداحه، لم أذقه إلا شميماً، ولا كنت إلا على الحديث نديماً؛ وما لي وله، وإنما أكثره خدعة محتال، وخلعة مختال؛ جده تمويه وتخييل، وهزله تدليه وتضليل؛ وحقائق العلوم، أولى بنا من أباطيل المنثور والمنظوم؛ وعلى ذلك فقد وعدت أن ألمع في هذا المجموع، بلمع من ذكر البديع؛ وأن أمهد جانباً من أسبابه، وأشرح جملاً من أسمائه وألقابه؛ وإذا ظفرت بمعنى حسن، أو وقفت على لفظ مستحسن؛ ذكرت من سبق إليه، وأشرت إلى من نقص عنه
তাদের অপসারণ এবং তাদের মূল ও শাখা উপড়ে ফেলার অভিমুখে; আর আমি এর অধিকাংশ প্রকাশ করেছি এমন শব্দের মাধ্যমে যা পঞ্জরাস্থির অন্তরালে দুশ্চিন্তাকে অনুসরণ করে এবং সমতল উপত্যকার বন্ধনগুলোকে শিথিল করে; আর এই বিষয়ের অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমি আবু মারওয়ান ইবনে হাইয়ানের ইতিহাসের উপর নির্ভর করেছি, ফলশ্রুতিতে আমি এর পরিচ্ছেদসমূহ আনয়ন করেছি এবং এর বাক্য ও বিস্তারিত বিবরণসমূহ উদ্ধৃত করেছি; আর যখনই তার বাক্যাবলি আমার জন্য অপ্রতুল হয়েছে এবং তার বর্ণনা ও বিন্যাসধারা আমাকে শ্রান্ত করেছে, তখন আমি আমার বিলুপ্ত ধ্বংসাবশেষের দিকে মনোনিবেশ করেছি এবং আমার শীতল লৌহে আঘাত করেছি; এমন এক স্মৃতির ওপর ভিত্তি করে যা বহুধা বিভক্ত এবং পার্থিব এমন এক ভাগ্যের ওপর যা বিলীন হয়ে গিয়েছে।
যদিও আমি কবিতাকে বাহন হিসেবে পছন্দ করিনি, একে উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করিনি এবং একে আবাসস্থল কিংবা প্রত্যাবর্তনস্থল হিসেবে আপন করে নিইনি; বরং আমি কালেভদ্রে এর সান্নিধ্যে এসেছি এবং একে কেবল কৌতূহলবশত অবলোকন করেছি, গুরুত্বের সাথে নয়; এর লাঞ্ছনা থেকে আমার আত্মমর্যাদাকে রক্ষা করার আকাঙ্ক্ষায় এবং এর অবস্থান থেকে আমার পদতলকে উচ্চে তুলে ধরার নিমিত্তে; সুতরাং যখন এর শরাব বিচ্ছুরিত হতো এবং এর পেয়ালাসমূহ আবর্তিত হতো, তখন আমি ঘ্রাণ নেওয়া ব্যতীত তার স্বাদ গ্রহণ করতাম না এবং আলোচনার আসরে কেবল একজন সহচর হয়ে থাকতাম; আর আমার সাথে এর সম্পর্কই বা কী? এর অধিকাংশ তো কেবল প্রতারকের চাতুরি এবং অহংকারীর দম্ভের ভূষণ; এর গাম্ভীর্য হলো প্রলেপ ও কল্পনা, আর এর কৌতুক হলো প্রবঞ্চনা ও বিভ্রান্তি; আর গদ্য ও পদ্যের অসারতা অপেক্ষা বিজ্ঞানের নিরেট সত্যসমূহ আমাদের জন্য অধিকতর শ্রেয়; তা সত্ত্বেও, আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে আমি এই সংকলনে অলঙ্কারশাস্ত্রের (বাদি) বর্ণনার কিঞ্চিৎ আলোকপাত করব; এবং এর প্রেক্ষাপটসমূহের একপার্শ্ব প্রশস্ত করব এবং এর নাম ও উপাধিগুলোর কিঞ্চিৎ ব্যাখ্যা প্রদান করব; আর যদি আমি কোনো উত্তম ভাবার্থ জয় করতে সক্ষম হই অথবা কোনো প্রশংসিত শব্দের সম্মুখীন হই, তবে আমি তার কথা উল্লেখ করেছি যে এতে অগ্রগামী হয়েছে এবং তার দিকে ইঙ্গিত করেছি যে এতে পিছিয়ে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
أو زاد عليه؛ ولست أقول: أخذ هذا من هذا قولاً مطلقاً، فقد تتوارد الخواطر، ويقع الحافر حيث الحافر؛ إذ الشعر ميدان، والشعراء فرسان.
وعلم الله تعالى أن هذا الكتاب لم يصدر إلا عن صدر مكلوم الأحناء، وفكر خامد الذكاء، بين دهر متلون تلون الحرباء؛ لانتباذي كان من شنترين قاصية الغرب، مفلول الغرب، مروع السرب؛ بعد أن استنفد الطريف والتلاد، وأتى على الظاهر والباطن النفاد، بتواتر طوائف الروم، علينا في عقر ذلك الإقليم؛ وقد كنا غنينا هنالك بكرم الانتساب، عن سوء الاكتساب، واجتزأنا بمذخور العتاد، عن التقلب في البلاد؛ إلى أن نثر علينا الروم ذلك النظام، ولو ترك القطا ليلاً لنام؛ وحين اشتد الهول هنالك، اقتحمت بمن معي المسالك؛ على مهامه تكذب فيها العين الأذن، وتستشعر فيها المحن:
مهامه لم تصحب بها الذئب نفسه
… ولا حملت فيها الغراب قوادمه حتى خلصت خلوص الزبرقان من سراره، وفزت فوز القدح عند قماره؛ فوصلت حمص بنفسٍ قد تقطعت شعاعاً، وذهب أكثرها التياعاً؛ وليتني عشت منها بالذي فضلا! فتغربت بها سنوات أتبوأ منها
অথবা তার ওপর আরও বৃদ্ধি করেছেন; আমি নিরঙ্কুশভাবে বলছি না যে, এটি তা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে; কারণ কখনো কখনো চিন্তার ঐক্য ঘটে এবং একজনের পদচিহ্ন অন্যের পদচিহ্নের ওপর পড়ে; কেননা কাব্যজগৎ একটি ময়দান আর কবিগণ হলেন তার অশ্বারোহী।
আর মহান আল্লাহ জানেন যে, এই গ্রন্থটি কেবল এক ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের বক্ষদেশ এবং স্তিমিত বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা থেকেই নির্গত হয়েছে, যা গিরগিটির মতো রং পরিবর্তনকারী এক কালের আবর্তে অবস্থানকালে রচিত হয়েছে; কারণ পশ্চিমের সুদূর প্রান্তের শানতারিন থেকে আমাকে নির্বাসিত হতে হয়েছিল, তখন আমার তেজ স্তিমিত হয়ে পড়েছিল এবং আমার সঙ্গী-সাথীরা ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল; নতুন ও পুরাতন সকল সম্পদ নিঃশেষ হওয়ার পর এবং সেই অঞ্চলের অভ্যন্তরে আমাদের ওপর রোমানদের বিভিন্ন দলের উপর্যুপরি আক্রমণের ফলে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সবকিছুর বিনাশ ঘটার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অথচ সেখানে আমরা অসদুপায়ে উপার্জনের পরিবর্তে বংশীয় আভিজাত্যের কারণে অভাবমুক্ত ছিলাম এবং দেশান্তরী হওয়ার পরিবর্তে সঞ্চিত সহায়-সম্পদেই তুষ্ট ছিলাম; পরিশেষে রোমানরা আমাদের সেই শৃঙ্খলাকে লণ্ডভণ্ড করে দিল; আর "যদি কাতা পাখিকে রাতে শান্তিতে থাকতে দেওয়া হতো, তবে সে অবশ্যই ঘুমাতো"। আর যখন সেখানে বিভীষিকা তীব্রতর হলো, তখন আমি আমার সঙ্গীদের নিয়ে দুর্গম পথসমূহ পাড়ি দিলাম; এমন এক জনহীন মরুপ্রান্তর অতিক্রম করলাম যেখানে চক্ষু কর্ণকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং যেখানে বিপদ-আপদ অনুভূত হয়:
এমন নির্জন প্রান্তর যেখানে নেকড়েও নিজের সঙ্গ দেয় না
… আর যেখানে কাকের ডানা তাকে বয়ে নিয়ে যেতে পারে না। অবশেষে আমি অমাবস্যার অন্ধকার থেকে পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসলাম এবং ভাগ্যপরীক্ষায় বিজয়ীর ন্যায় সফল হলাম। অতঃপর আমি হিমস নগরে পৌঁছলাম এমন এক ভগ্ন হৃদয় নিয়ে যা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল এবং যার অধিকাংশ যন্ত্রণায় বিলীন হয়ে গিয়েছিল; হায়! আমার প্রাণের যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তা নিয়েই যদি আমি বেঁচে থাকতে পারতাম! সেখানে আমি কয়েক বছর প্রবাসী হিসেবে অতিবাহিত করলাম এবং সেখানে আমার আবাসস্থল নির্বাচন করলাম...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
ظل الغمامة، وأعيا بالتحول عنها عي الحمامة؛ ولا أنس إلا الانفراد، ولا تبلغ إلا بفضلة الزاد؛ والأدب بها أقل من الوفاء، حامله أضيع من قمر الشتاء؛ وقيمة كل أحد ما له، وأسوة كل بلد جهاله؛ حسب المرء أن يسلم وفره، وإن ثلم قدره، وأن تكثر فضته وذهبه، وإن قل دينه وحسبه. وهذا الديوان نية لم يفصح عنها قول ولا عمل، وأمنية لم يكن منها حول ولا حول: كامن بين العيان والخبر، كمون النار في الحجر، وجار بين اللسان والقلب، جري الماء في الغصن الرطب؛ إلى أن طلع على أرضها شهاب سعدها وتمكينها، وهبت لها ريح دنياها ودينها، ونفخ فيها روح تأميلها وتأمينها، ملك أملاكها، وجذيل حكاكها، وأسعد نجوم أفلاكها؛ " فلان " ثمال المظلوم، ومال السائل والمحروم؛ ومحيي العلم، ومربع ذويه وحامليه، ومستدعي التأليفات الرائقة فيه؛ جعل الله الدهر أقصى أيامه، والنجوم مراكز أعلامه، والأرض نهبة سيوفه وأقلامه؛ فحامت عليه أطيارها، وأهل إليه حجاجها وزوارها، وانتثرت في يديه شموسها وأقمارها؛ من كل شعث ذي طمرين، مشنوء الأثر والعين، محروم محسود، محلأ عن طريق الماء مطرود؛ قد جعلوا بيوتهم قبوراً، واتخذوا بنات أفكارهم ولداناً وحوراً، وركبوا الحدثان صعباً وذولولاً، وعاهدوا الحرمان ليبلونه صبراً جميلاً {فمنهم من قضى نحبه
মেঘের ছায়ার মতো; আর ঘুঘুর মতো তা থেকে সরে যাওয়া তাকে পরিশ্রান্ত করে দিয়েছে। নির্জনতা ছাড়া কোনো প্রশান্তি নেই, আর সামান্য পাথেয় ছাড়া কোনো গন্তব্য নেই। সেখানে শিষ্টাচার আনুগত্যের চেয়েও কম, আর তার বাহক শীতকালের চাঁদের চেয়েও বেশি অবহেলিত। প্রত্যেকের মূল্য তার সম্পদের সমান, আর প্রতিটি জনপদের আদর্শ হলো তার মূর্খরা। মানুষের জন্য এটাই যথেষ্ট যে তার সম্পদ যেন অটুট থাকে, যদিও তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়; আর তার সোনা-রূপা যেন বৃদ্ধি পায়, যদিও তার দ্বীন ও মর্যাদা হ্রাস পায়। এই কাব্যগ্রন্থটি ছিল এমন এক সংকল্প যা কোনো কথা বা কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়নি, এবং এমন এক আকাঙ্ক্ষা যার কোনো উপায় বা শক্তি ছিল না। এটি দৃশ্যমান বাস্তবতা এবং লোকশ্রুতির মাঝে সুপ্ত ছিল, যেমন পাথরের মধ্যে আগুন সুপ্ত থাকে। এটি জিহ্বা ও অন্তরের মাঝে প্রবাহিত ছিল, যেমন সিক্ত পল্লবে পানি প্রবাহিত হয়। পরিশেষে এর ভূমিতে তার সৌভাগ্য ও প্রতিষ্ঠার উদয়কাল উপস্থিত হলো, তার দুনিয়া ও দ্বীনের অনুকূল বাতাস প্রবাহিত হলো এবং তার আশা ও নিরাপত্তার প্রাণ সঞ্চার হলো। তিনি বাদশাহদের সম্রাট, কঠিন সমস্যার সমাধানকারী এবং তার আকাশমণ্ডলীর সৌভাগ্যবান নক্ষত্র; 'অমুক' ব্যক্তি—যিনি মজলুমের আশ্রয়স্থল এবং যাঞ্চাকারী ও বঞ্চিতদের সম্পদ। তিনি ইলমের পুনর্জীবিতকারী, ইলম চর্চাকারী ও এর বাহকদের লালনপালনকারী এবং ইলম বিষয়ক চমৎকার সব রচনার অনুপ্রেরণাদাতা। আল্লাহ তাআলা কালকে তার দীর্ঘতম আয়ু দান করুন, নক্ষত্রপুঞ্জকে তার পতাকার কেন্দ্রবিন্দু বানান এবং জমিনকে তার তলোয়ার ও কলমের করায়ত্ত করুন। ফলে এর পাখিরা তার চারপাশে সমবেত হলো, এর অভিযাত্রী ও দর্শনার্থীরা তার দিকে ধাবিত হলো এবং এর সূর্য ও চন্দ্রসমূহ তার দুই হাতে বিচ্ছুরিত হলো। তারা এসেছে এমন সব ধূলিধূসরিত ও জীর্ণবস্ত্র পরিহিতদের মধ্য থেকে, যাদের চেহারা ও চিহ্ন অপ্রীতিকর, যারা বঞ্চিত ও ঈর্ষান্বিত এবং পানের আধার থেকে বিতাড়িত। তারা তাদের ঘরগুলোকে কবরে পরিণত করেছে, তাদের চিন্তার ফসলগুলোকে সেবক ও হুরে পরিণত করেছে, তারা কালের কঠিন ও সহজ চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়েছে এবং বঞ্চনার সাথে এই মর্মে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে যে তারা একে সুন্দর ধৈর্যের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে। অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ তার মানত পূর্ণ করেছে...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
ومنهم من ينتظر، وما بدلوا تبديلا} (الأحزاب: 23) . فما هو إلا أن سطع لهم هذا الشهاب، وفتح بينهم وبين روح الله ذلك الباب، حتى نفروا خفافاً وثقالاً، وابتدروا بطاءً وعجالاً؛ ينظرون بعيون لم ترو من ماء وجه كريم، ويصغون بآذان لم تأنس بنغمة صديق حميم؛ قد كانوا يئسوا من هذا النشور {كما يئس الكفار من أصحاب القبور} (الممتحنة: 13) فاسألهم أي جانب يمموا، وبأي جناب خيموا، وإلى أي ملك لبابٍ أنجدوا وأتهموا؛ ويا رحمتا لبحور أدب، وصدور رتب، كان نظمني وإياهم ود قديم، ولف هواي بهواهم عهد كريم، لا منسي ولا مذموم؛ قد طال ما عطيتهم أكؤس الخمول، على البكاء والعويل؛ في أيام أوحش من توديع الشباب، وليال انكد من مناقشة الحساب؛ ألا يكونوا قد أخذوا على القضاء عهداً مسؤولاً، ومتعوا بالبقاء ولو قليلاً؛ حتى يروا حظ الأدب كيف نفق، وعز الإسلام كيف اتفق، وشمل الجور كيف تصدع وتفرق؛ ويا حسرتا ألا ينشق عن حاتم ضريحه، ويعاد في جسمه روحه؛ فيرى أن الكرم بعده علم، وأن علو الهمم بغيره بدئ وختم.
ولما سمعت صوت المهيب، وتنسمت ريح الفرج القريب، ووجدت لسبيل التأمل مدرجاً، وجعل الله لي من ربقة الخمول مخرجاً؛ طالعت حضرته المقدسة بهذا الكتاب على حكمه، مطرزاً بسمته واسمه؛ مستدلاً بمجده، متوسلاً إليه بكرم عهده؛ ولعلمي أن الأدب ضالة اهتباله، ونتيجة خلاله، وأن أهله على ذكر من إجماله، وبمكان مكين من كماله؛ ولما سئلت أيضاً انتساخ هذا
এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রতীক্ষায় রয়েছে, আর তারা তাদের সংকল্পে কোনো পরিবর্তন করেনি। (আল-আহযাব: ২৩)। এই উল্কাপিণ্ড যখন তাদের সামনে উদ্ভাসিত হলো এবং তাদের ও আল্লাহর রূহের মাঝে সেই দ্বার উন্মুক্ত হলো, তখন তারা হালকা ও ভারী সর্বাবস্থায় বেরিয়ে পড়ল এবং ধীর ও দ্রুত পদক্ষেপে অগ্রসর হলো। তারা এমন চোখে তাকাচ্ছিল যা কোনো মহানুভবের চেহারার সজীবতায় তৃপ্ত হয়নি এবং এমন কানে শুনছিল যা কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুর সুরে অভ্যস্ত হতে পারেনি। তারা এই পুনরুত্থান সম্পর্কে ঠিক তেমনি নিরাশ ছিল, যেমন কাফেররা কবরে শায়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিরাশ হয়। (আল-মুমতাহিনা: ১৩)। সুতরাং তাদের জিজ্ঞেস করুন, তারা কোন অভিমুখে যাত্রা করেছে, কোন আঙিনায় তাবু গেড়েছে এবং কোন মূল রাজকীয় আশ্রয়ের সন্ধানে উচ্চভূমি ও নিম্নভূমিতে বিচরণ করেছে। হায়! সাহিত্যের সমুদ্র এবং মর্যাদার আধারগুলোর প্রতি দয়া ও করুণা! তাদের সাথে আমার দীর্ঘদিনের ভালোবাসা ছিল এবং আমার অনুরাগ তাদের অনুরাগের সাথে এক মহান অঙ্গীকারে আবদ্ধ ছিল, যা বিস্মৃত হওয়ার মতো নয় এবং নিন্দনীয়ও নয়। দীর্ঘদিন যাবত আমি তাদের অবজ্ঞার পেয়ালা পান করিয়েছি, যখন ক্রন্দন ও বিলাপই ছিল সঙ্গী; এমন দিনগুলোতে যা যৌবনের বিদায়লগ্নের চেয়েও বেশি বিষণ্ণ এবং এমন রাতগুলোতে যা হিসাব-নিকাশের আলোচনার চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক ছিল। হয়তো তারা ভাগ্যের কাছে কোনো দায়বদ্ধ অঙ্গীকার গ্রহণ করেনি এবং সামান্য সময়ের জন্যও বেঁচে থাকার সুযোগ পায়নি; যাতে তারা দেখতে পারত যে সাহিত্যের ভাগ্য কীভাবে সুপ্রসন্ন হলো, ইসলামের মর্যাদা কীভাবে সুসংহত হলো এবং অত্যাচারের বিস্তার কীভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ ও ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। আক্ষেপ! যদি হাতেমের কবর বিদীর্ণ হতো এবং তার শরীরে প্রাণ ফিরে আসত; তবে সে দেখতে পেত যে তার পরে দানশীলতা একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছে এবং সুউচ্চ সংকল্প অন্য কারোর মাধ্যমে শুরু ও সমাপ্ত হয়েছে।
যখন আমি সেই মহিমান্বিত সত্তার আহ্বান শুনতে পেলাম এবং নিকটবর্তী মুক্তির সুবাস পেলাম এবং চিন্তাভাবনার একটি পথ খুঁজে পেলাম; আর আল্লাহ যখন আমাকে নিস্ক্রিয়তার বন্ধন থেকে মুক্তির পথ করে দিলেন; তখন আমি তাঁর পবিত্র দরবারে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী এই কিতাবটি উপস্থাপন করলাম, যা তাঁর মহিমা ও নামে বিভূষিত; তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণবাহী এবং তাঁর মহানুভবতার অসিলায় পেশকৃত। কেননা আমি জানি যে সাহিত্য হলো তাঁর পরম অন্বেষণ এবং তাঁর স্বভাবজাত গুণের ফসল। সাহিত্যের ধারক-বাহকরা তাঁর অনুগ্রহের স্মরণে ধন্য এবং তাঁর পূর্ণতার মাঝে এক সুদৃঢ় স্থানে অধিষ্ঠিত। আর যখন আমাকে এটি প্রতিলিপি করার জন্যও অনুরোধ করা হলো...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الديوان، ورأيت شره أهل الزمان، إلى الاقتباس من نوره، بما يلتقطونه من شذوره، أحببت أن يجوب الآفاق، وتسير به الرفاق، وعليه من اسم من له جمع، وإلى جوانبه العلية رفع، طراز به تنفق سوقه، ولا تضيع إن شاء الله حقوقه.
وقسمته أربعة أقسام:
الأول: لأهل حضرة قرطبة وما يصاقبها من بلاد موسطة الأندلس، ويشتمل من الأخبار وأسماء الرؤساء وأعيان الكتاب والشعراء على جماعةٍ هم:
1 - المستعين بالله أبو أيوب سليمان بن الحكم، وحربه مع المهدي ابن عمه ومقتله.
2 - والمستظهر بالله أبو المطرف عبد الرحمن بن عبد الجبار الناصري ومقتله.
3 - والأديب أبو عمر أحمد بن دراج القسطلي، وإمارة علي ابن حمود ومقتله.
4 - وأبو حفص بن برد الأكبر ومقتل عيسى بن سعيد القطاع وزير ابن أبي عامر.
5 - والكاتب أبو المغيرة بن حزم.
والفقيه أبو محمد بن حزم الشافعي وخبر الأمير منذر بن يحيى التجيبي.
7 - والوزير أبو عامر أحمد بن عبد الملك بن شهيد والوزير أبو
দিওয়ান, এবং আমি বর্তমান সময়ের মানুষের এর নূর থেকে আলো সংগ্রহের এবং এর ছড়ানো মণি-মুক্তাগুলো আহরণ করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করেছি। তাই আমি চেয়েছি এটি দিগন্তময় ছড়িয়ে পড়ুক এবং কাফেলাগুলো এটি সাথে নিয়ে পথ চলুক। এর ওপর সেই সত্তার নাম রয়েছে যাঁর সম্মানে এটি সংকলিত হয়েছে এবং তাঁর উচ্চ মর্যাদার পানে তা উন্নীত হয়েছে। এটি এমন এক শৈলী যার কারণে এর প্রসার ঘটে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় এর প্রাপ্য অধিকারসমূহ নষ্ট হবে না।
এবং আমি একে চারটি ভাগে বিভক্ত করেছি:
প্রথম ভাগ: কর্ডোভা এবং আন্দালুসের মধ্যবর্তী অঞ্চলের সংলগ্ন শহরগুলোর অধিবাসীদের জন্য। এতে একদল নেতা, বিশিষ্ট লেখক এবং কবিদের সংবাদ ও নামের বিবরণ রয়েছে, তাঁরা হলেন:
১ - আল-মুসতাঈন বিল্লাহ আবু আইয়ুব সুলাইমান ইবনুল হাকাম, তাঁর চাচাতো ভাই আল-মাহদীর সাথে তাঁর যুদ্ধ এবং তাঁর নিহত হওয়ার ঘটনা।
২ - আল-মুসতাজহির বিল্লাহ আবু আল-মুতরিফ আবদুর রহমান ইবনে আবদুল জব্বার আন-নাসিরি এবং তাঁর নিহত হওয়ার ঘটনা।
৩ - সাহিত্যিক আবু উমর আহমদ ইবনে দাররাজ আল-কাসতাল্লি এবং আলী ইবনে হাম্মুদের শাসনকাল ও তাঁর নিহত হওয়ার ঘটনা।
৪ - আবু হাফস ইবনে বুরদ আল-আকবর এবং ইবনে আবি আমিরের উজির ঈসা ইবনে সাঈদ আল-কাত্তা-এর নিহত হওয়ার ঘটনা।
৫ - লেখক আবু আল-মুগিরা ইবনে হাযম।
এবং ফকীহ আবু মুহাম্মদ ইবনে হাযম আশ-শাফিঈ এবং আমির মুনজির ইবনে ইয়াহইয়া আত-তুজিবি সংক্রান্ত সংবাদ।
৭ - উজির আবু আমির আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে শুহাইদ এবং উজির আবু...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الوليد ابن عبدوس، والفقيه أبو العباس بن أبي الربيع، والأديب أبو علي بن عوض، والكاتب أبو بكر بن زياد.
8 - وذو الوزارتين أبو الوليد بن زيدون وإمارة المستكفي وخبر ولادة.
9 - والأديب أبو عبد الله محمد بن سليمان بن الحناط المكفوف، ونصب المرتضى الناصري خليفة بشرق الأندلس ومقتله.
1 - والأديب أبو بكر عبادة بن ماء السماء، وإمارة القاسم بن حمودٍ وتغلب القاضي ابن عباد عليه.
11 - والوزير أبو حفص بن برد الأصغر.
12 - والأديب أبو مروان الطبني ومقتله، وأشعار الطبانية حفدته.
13 - والأديب أبو عبد الله محمد بن مسعود الهذلي وابن مسعود البجاني.
14 - والشيخ أبو مروان بن حيان، وإمارة بني جهور وخلعهم.
15 -.
আল-ওয়ালিদ ইবনে আব্দুস, ফকিহ আবু আল-আব্বাস ইবনে আবি আর-রাবি, সাহিত্যিক আবু আলি ইবনে আওয়াদ এবং লেখক আবু বকর ইবনে যিয়াদ।
৮ - এবং যু-ল ওয়াযারাতাইন (দুই মন্ত্রণালয়ের অধিকারী) আবু আল-ওয়ালিদ ইবনে যাইদুন, আল-মুসতাকফির শাসনকাল এবং ওয়াল্লাদাহ সম্পর্কিত সংবাদ।
৯ - এবং সাহিত্যিক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হান্নাত আল-মাকফুফ, পূর্ব আন্দালুসে আল-মুরতাজা আন-নাসিরিকে খলিফা হিসেবে নিযুক্ত করা এবং তার নিহত হওয়া।
১ - এবং সাহিত্যিক আবু বকর উবাদাহ ইবনে মাউস সামা, আল-কাসিম ইবনে হাম্মুদের শাসন এবং তার উপর কাজী ইবনে আব্বাদের বিজয় লাভ।
১১ - এবং উজির আবু হাফস ইবনে বুরদ আল-আসগার।
১২ - এবং সাহিত্যিক আবু মারওয়ান আত-তুবনি ও তার নিহত হওয়া এবং তার বংশধর আত-তুবানিয়্যাহর কবিতাসমূহ।
১৩ - এবং সাহিত্যিক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাসউদ আল-হুযালি এবং ইবনে মাসউদ আল-বাজানি।
১৪ - এবং শাইখ আবু মারওয়ান ইবনে হাইয়ান, বনু জাহওয়ারের শাসনকাল এবং তাদের ক্ষমতাচ্যুত হওয়া।
১৫ -।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
16 - والوزير الكاتب أبو جعفر بن اللمائي.
17 - والكاتب أبو عبد الله بن الزلياني.
18 - والكاتب أبو جعفر بن عباس.
19 - والكاتب أبو حفص بن الشهيد.
20 - والأديب أبو عبد الله بن الحداد، وإمارة بني صمادح وخلعهم.
21 - والأديب أبو محمد ابن مالك القرطبي.
22 - والشاعر المنفتل، ومقتل ابن نغريلة اليهودي.
23 - والأديب أبو المطرف عبد الرحمن بن فتوح الإسفيرياني.
24 - والأديب أبو بكر بن ظهار.
25 - والأسعد بن إبراهيم بن بليطة.
26 - والأديب أبو عبد الله محمد بن عبادة بن القزاز.
27 - والأديب أبو عبد الله محمد بن مالك الطغنري من أهل غرناطة؛ وجملة قصائد لغير واحد في تأبين ابن سراج.
28 - والوزير الكاتب أبو مروان بن شماخ.
29 - والفقيه أبو عمر أحمد بن عيسى الإلبيري.
30 - والأديب العالم أبو محمد غانم.
31 - والأديب أبو عبد الله بن السراج المالقي.
32 - والأديب أبو القاسم المعروف بالسميسر.
33 - والأديب أبو العباس أحمد بن قاسم المحدث.
34 - والأديب أبو طالبٍ عبد الجبار المعروف بالمتنبي من أهل جزيرة شقرٍ.
16 - এবং মন্ত্রী ও লেখক আবু জাফর বিন আল-লামায়ি।
17 - এবং লেখক আবু আবদুল্লাহ বিন আজ-জুলইয়ানি।
18 - এবং লেখক আবু জাফর বিন আব্বাস।
19 - এবং লেখক আবু হাফস বিন আশ-শাহিদ।
20 - এবং সাহিত্যিক আবু আবদুল্লাহ বিন আল-হাদ্দাদ, এবং বনু সুমাদিহ-এর আমীরতন্ত্র ও তাদের ক্ষমতাচ্যুতি।
21 - এবং সাহিত্যিক আবু মুহাম্মাদ ইবন মালিক আল-কুরতুবি।
22 - এবং কবি আল-মুনফাতিল, এবং ইহুদি ইবন নাগরিলা-এর হত্যাকাণ্ড।
23 - এবং সাহিত্যিক আবু আল-মুতরিফ আবদুর রহমান বিন ফুতুহ আল-ইসফিরিয়ানি।
24 - এবং সাহিত্যিক আবু বকর বিন জিহার।
25 - এবং আল-আসআদ বিন ইবরাহিম বিন বালিতা।
26 - এবং সাহিত্যিক আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন উবাদাহ বিন আল-কাযযায।
27 - এবং গ্রানাডাবাসী সাহিত্যিক আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মালিক আত-তুগনারি; এবং ইবন সিরাজের শোকগাঁথায় একাধিক ব্যক্তির একগুচ্ছ কবিতা।
28 - এবং মন্ত্রী ও লেখক আবু মারওয়ান বিন শাম্মাখ।
29 - এবং ফকিহ আবু উমর আহমদ বিন ঈসা আল-ইলবিরি।
30 - এবং পন্ডিত সাহিত্যিক আবু মুহাম্মাদ গানিম।
31 - এবং সাহিত্যিক আবু আবদুল্লাহ বিন আস-সিরাজ আল-মালাকি।
32 - এবং সাহিত্যিক আবুল কাসিম, যিনি আস-সুমাইসির নামে পরিচিত।
33 - এবং সাহিত্যিক আবুল আব্বাস আহমদ বিন কাসিম আল-মুহাদ্দিস।
34 - এবং সাহিত্যিক আবু তালিব আব্দুল জাব্বার, যিনি আল-মুতানাব্বি নামে পরিচিত এবং জাযিরা শাকর-এর অধিবাসী।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
والقسم الثاني: لأهل الجانب الغربي من الأندلس، وذكر أهل حضرة إشبيلية، وما اتصل بها من بلاد ساحل البحر المحيط الرومي، وفيه من الأخبار وأسماء الرؤساء وأعيان الكتاب والشعراء جملة موفورة وهي:
1 - القاضي أبو القاسم بن عبادٍ.
2 - والمعتضد بالله عباد ابنه.
3 - والمعتمد على الله محمد بن عباد وكيفية خلعه.
4 - والوزير الفقيه أبو حفص الهوزني.
5 - والقاضي أبو الوليد الباجي.
6 - والوزير أبو عامر بن مسلمة.
7 - والوزير أبو الوليد بن المعلم.
8 - والأديب أبو الوليد الملقب بالحبيب.
9 - والأديب أبو جعفر بن الأبار.
10 - والأديب أبو الحسن علي بن حصن.
11 - والوزير الكاتب أبو عمرو الباجي.
12 - والفقيه الأديب أبو الحسن بن الإستجي.
13 - وفصل يشتمل على مقطوعات أبيات لجماعة أدباء بعصر المعتضد.
14 - والوزير الفقيه أبو العلاء بن زهرز
15 - والوزير أبو عبيد البكري.
16 - والوزير الخطيب الأديب أبو عمر بن حجاج.
17 - وذو الوزارتين أبو بكر بن سليمان المعروف بابن القصيرة، وذكر تغلب ابن ذي النون على قرطبة وعودتها إلى المعتمد.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আন্দালুসের পশ্চিমাঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য; এতে সেভিলের (ইশবিলিয়্যা) রাজধানী এবং রোমান মহাসাগর উপকূলীয় সংলগ্ন শহরগুলোর অধিবাসীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সংবাদ, নেতৃবৃন্দের নাম এবং বিশিষ্ট লেখক ও কবিদের একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে, যা হলো:
১ - বিচারপতি আবু আল-কাসিম বিন আব্বাদ।
২ - আল-মুতাদিদ বিল্লাহ আব্বাদ, তাঁর পুত্র।
৩ - আল-মুতামিদ আলাল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্বাদ এবং তাঁর পদচ্যুতির বিবরণ।
৪ - উজির ও ফকিহ আবু হাফস আল-হাওজানি।
৫ - বিচারপতি আবু আল-ওয়ালিদ আল-বাজি।
৬ - উজির আবু আমির বিন মাসলামা।
৭ - উজির আবু আল-ওয়ালিদ বিন আল-মুআল্লিম।
৮ - সাহিত্যিক আবু আল-ওয়ালিদ, যিনি আল-হাবিব উপাধিতে ভূষিত।
৯ - সাহিত্যিক আবু জাফর বিন আল-আববার।
১০ - সাহিত্যিক আবু আল-হাসান আলী বিন হিসন।
১১ - উজির ও লেখক আবু আমর আল-বাজি।
১২ - ফকিহ ও সাহিত্যিক আবু আল-হাসান বিন আল-ইস্তিজি।
১৩ - আল-মুতাদিদের যুগের একদল সাহিত্যিকের পদ্যের খণ্ডিতাংশ সংবলিত একটি পরিচ্ছেদ।
১৪ - উজির ও ফকিহ আবু আল-আলা বিন জুহর।
১৫ - উজির আবু উবায়েদ আল-বাকরি।
১৬ - উজির, বাগ্মী ও সাহিত্যিক আবু ওমর বিন হাজ্জাজ।
১৭ - দ্বৈত-মন্ত্রণালয়ের অধিকারী আবু বকর বিন সুলায়মান, যিনি ইবনে আল-কাসিরা নামে পরিচিত; এবং কর্ডোভার ওপর ইবনে যিন-নুনের আধিপত্য বিস্তার ও তা পুনরায় আল-মুতামিদের নিকট ফিরে আসার বিবরণ।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
18 - والوزير الفقيه الكاتب أبو القاسم بن الجد.
19 - والوزير الكاتب أبو محمد بن عبد الغفور وأبوه قبله.
20 - والوزير الفقيه أبو أيوب بن أبي أمية.
21 - وذو الوزارتين أبو بكر بن عمار ومقتله.
22 - والوزير الكاتب أبو الوليد حسان بن المصيصي.
23 - والوزير الفقيه أبو بكر بن الملح.
24 - والأديب أبو محمد عبد الجليل بن وهبون المرسي.
25 -.
26 - والوزير الكاتب أبو بكر بن عبد العزيز.
27 - والوزير الكاتب أبو الحسين بن الجد.
28 - والأديب أبو الحسين غلام البكري.
29 - والكاتب أبو الحسين غلام البكري.
30 - وأبو الحكم وأبو الوليد ابنا حزم.
31 - والأديب أبو بكر بن بقي.
32 - والأديب أبو الحسن بن هارون الشنتمري، وكيفية إمارة بني الأفطس، والمتوكل على الله منهم.
33 - والوزير الكاتب أبو عبد الله بن أيمن، والخبر عن فتح مدينة سبتة، والتعريف بأولية أميرها سقوت.
34 - والوزير الكاتب أبو محمد بن عبدون.
35 - والأديب أبو جعفر أحمد بن هريرة الأعمى التطيلي.
18 - এবং উজির, ফকিহ ও লেখক আবুল কাসিম ইবনুল জাদ্দ।
19 - এবং উজির ও লেখক আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুল গফুর এবং ইতিপূর্বে তাঁর পিতা।
20 - এবং উজির ও ফকিহ আবু আইয়ুব বিন আবি উমাইয়া।
21 - এবং দ্বৈত-মন্ত্রণালয় বিশিষ্ট (যু-বিজারাতাইন) আবু বকর বিন আম্মার এবং তাঁর হত্যাকাণ্ড।
22 - এবং উজির ও লেখক আবুল ওয়ালিদ হাসসান বিন আল-মাসিসি।
23 - এবং উজির ও ফকিহ আবু বকর ইবনুল মিলহ্।
24 - এবং সাহিত্যিক আবু মুহাম্মদ আব্দুল জলিল বিন ওয়াহবুন আল-মুরসি।
25 -।
26 - এবং উজির ও লেখক আবু বকর বিন আব্দুল আজিজ।
27 - এবং উজির ও লেখক আবু আল-হুসাইন ইবনুল জাদ্দ।
28 - এবং সাহিত্যিক আবু আল-হুসাইন গুলাম আল-বাকরি।
29 - এবং লেখক আবু আল-হুসাইন গুলাম আল-বাকরি।
30 - এবং আবুল হাকাম ও আবুল ওয়ালিদ; ইবনে হাজমের দুই পুত্র।
31 - এবং সাহিত্যিক আবু বকর বিন বাকি।
32 - এবং সাহিত্যিক আবুল হাসান বিন হারুন আশ-শান্তামারি, আর বনু আফতাসি রাজবংশের শাসনের বিবরণ এবং তাদের মধ্য হতে আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ-এর বর্ণনা।
33 - এবং উজির ও লেখক আবু আব্দুল্লাহ বিন আয়মান, আর সিউটা শহর বিজয়ের সংবাদ এবং এর প্রথম আমীর সাকুত-এর পরিচিতি।
34 - এবং উজির ও লেখক আবু মুহাম্মদ বিন আবদুন।
35 - এবং সাহিত্যিক আবু জাফর আহমদ বিন হুরায়রা আল-আমা আত-তুতাইলি।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
36 - والوزير الكاتب أبو بكر بن سعيد المعروف بابن القبطورنه.
37 - والوزير الكاتب أبو بكر بن قزمان.
38 - والوزير أبو زيد بن مقانا الأشبوني.
39 - والشيخ أبو الحسن القرشي الأشبوني.
40 - والأديب أبو عبد الله بن البين.
41 - وذو الوزارتين أبو محمد بن هود.
42 - والشيخ الأديب أبو عمر بن فتح البلطيوسي.
43 - والأديب أبو عمر بن كوثر الشنتريني.
44 - والأديب أبو الوليد النحلي.
45 - والوزير الكاتب أبو بكر محمد بن سوار الأشبوني.
46 - والأديب أبو محمد عبد الله بن سارة الشنتريني.
والقسم الثالث: ذكرت فيه أهل الجانب الشرقي من الأندلس، ومن نجم من كواكب العصر في أفق ذلك الثغر الأعلى، إلى منتهى كلمة الإسلام هنالك، وفيه من القصص وأسماء الرؤساء وأعيان الكتاب والشعراء طوائف منهم:
1 - مجاهد ومبارك ومظفر من فتيان ابن أبي عامر.
2 - والوزير الكاتب أبو عبد الرحمن بن طاهر، وتغلب العدو على بلنسية، وعود المسلمين إليها.
3
৩৬ - এবং উজির ও লেখক আবু বকর বিন সাঈদ, যিনি ইবনুল ক্বাবতুরনাহ নামে পরিচিত।
৩৭ - এবং উজির ও লেখক আবু বকর বিন কুজমান।
৩৮ - এবং উজির আবু জাইদ বিন মাকানা আল-আশবুনী।
৩৯ - এবং শাইখ আবুল হাসান আল-কুরাশী আল-আশবুনী।
৪০ - এবং সাহিত্যিক আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-বায়্যিন।
৪১ - এবং দুই মন্ত্রণালয়ের অধিকারী আবু মুহাম্মদ বিন হুদ।
৪২ - এবং শাইখ ও সাহিত্যিক আবু উমর বিন ফাতহ আল-বালতিউসী।
৪৩ - এবং সাহিত্যিক আবু উমর বিন কাওসার আল-শান্তারীনী।
৪৪ - এবং সাহিত্যিক আবু আল-ওয়ালিদ আল-নাহলী।
৪৫ - এবং উজির ও লেখক আবু বকর মুহাম্মদ বিন সাওয়ার আল-আশবুনী।
৪৬ - এবং সাহিত্যিক আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন সারাহ আল-শান্তারীনী।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এতে আমি আন্দালুসের পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ এবং সেই উচ্চতর সীমান্তের দিগন্তে এই যুগের নক্ষত্র হিসেবে যারা আবির্ভূত হয়েছেন, সেখানে ইসলামের কালিমার শেষ সীমা পর্যন্ত তাদের কথা উল্লেখ করেছি। এতে বিভিন্ন ঘটনা এবং নেতাদের নাম, বিশিষ্ট লেখক ও কবিদের বিভিন্ন দলের বিবরণ রয়েছে, তাদের মধ্যে হলেন:
১ - ইবনে আবি আমিরের অনুসারীদের মধ্যে মুজাহিদ, মুবারক এবং মুযাফফর।
২ - এবং উজির ও লেখক আবু আব্দুর রহমান বিন তাহির; আর বালেন্সিয়ার ওপর শত্রুর আধিপত্য বিস্তার এবং সেখানে মুসলমানদের প্রত্যাবর্তন।
৩
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
4 - وذو الوزارتين القائد أبو عيسى بم لبون>.
5 - وحسام الدولة أبو مروان بن رزين.
6 - والوزير الكاتب أبو محمد بن عبد البر، ومقتل إسماعيل بن المعتضد عباد، وتغلب العدو على بربشتر وفتحها بعد.
7 - والوزير الكاتب أبو عامر بن التاكرني، وإمارة عبد العزيز ن عامر وابنه ببلنسية.
8 - والوزير الكاتب أبو المطرف بن الدباغ.
9 - والأديب أبو الربيع بن مهران السرقسطي، وذكر ابن الكتاني المتطبب.
10 - والأديب الأستاذ أبو عبد الله بن خلصة الضرير.
11 - والأديب أبو مروان بن غصن الحجاري.
12 - والأديب أبو عبد الله إدريس بن اليماني.
13 - والوزير الكاتب أبو الأصبغ بن أرقم.
14 - والوزير الكاتب أبو المطرف بن مثنى.
15 - والوزير الكاتب أبو عم بن القلاس.
16 - والوزير الكاتب أبو عبد الله بن مسلم.
17 - والوزير الكاتب أبو جعفر بن جرج.
18 - والوزير الكاتب أبو الفضل بن حسداي.
19 - والأديب أبو الربيع القضاعي، وجملة من أخبار هشامٍ المعتد أمير قرطبة يومئذ، ومقتل وزيره الحائك.
4 - এবং দুই মন্ত্রণালয়ের অধিকারী সেনাপতি আবু ইসা বিন লাবুন।
5 - এবং হুসামুদ্দাওলা আবু মারওয়ান বিন রাজিন।
6 - এবং উজির ও লেখক আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুল বার, মুতাদিদ আব্বাদের পুত্র ইসমাইলের হত্যাকাণ্ড, বারবাস্ত্রোর ওপর শত্রুদের আধিপত্য বিস্তার এবং পরবর্তীতে তার বিজয়।
7 - এবং উজির ও লেখক আবু আমির বিন আত-তাকুরুনি, এবং বালেন্সিয়ায় আব্দুল আজিজ বিন আমির ও তার পুত্রের শাসনকাল।
8 - এবং উজির ও লেখক আবু আল-মুতাররিফ বিন আদ-দাব্বাগ।
9 - এবং সাহিত্যিক আবু আর-রাবি বিন মিহরান আস-সারাখুস্তি, এবং চিকিৎসক ইবনে আল-কাত্তানির আলোচনা।
10 - এবং সাহিত্যিক ও শিক্ষক আবু আব্দুল্লাহ বিন খালসা আদ-দারির।
11 - এবং সাহিত্যিক আবু মারওয়ান বিন গুসন আল-হাজ্জারি।
12 - এবং সাহিত্যিক আবু আব্দুল্লাহ ইদ্রিস বিন আল-য়ামানি।
13 - এবং উজির ও লেখক আবু আল-আসবাগ বিন আরকাম।
14 - এবং উজির ও লেখক আবু আল-মুতাররিফ বিন মুসান্না।
15 - এবং উজির ও লেখক আবু উমর বিন আল-কাল্লাস।
16 - এবং উজির ও লেখক আবু আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম।
17 - এবং উজির ও লেখক আবু জাফর বিন জুরজ।
18 - এবং উজির ও লেখক আবু আল-ফজল বিন হাসদাই।
19 - এবং সাহিত্যিক আবু আর-রাবি আল-কুদায়ি, তৎকালীন কুর্তুবার আমির হিশাম আল-মুতাদ-এর সংবাদের একটি অংশ এবং তার উজির আল-হাইকের হত্যাকাণ্ড।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
20 - والأديب أبو عامر البماري.
21 - والأديب أبو إسحاق إبراهيم بن خفاجة.
22 - والأديب أبو حاتم الحجاري.
23 - والأديب أبو بكر الداني المعروف بابن اللبانة.
24 - والأديب أبو جعفر بن الدود بن البلنسي، ورسالة ابن غرسية الشعوبية والرد عليه.
25 - والكاتب أبو جعفر بن أحمد الداني.
26 - والوزير الكاتب أبو الخطاب بن عطيون الطليطلي.
27 - والوزير الكاتب أبو عبد الله بن أبي الخصال.
28 - والأديب أبو بحر بن عبد الصمد، وذكر الشيخ الكاتب عبد الصمد السرقسطي.
29 - والأديب أبو تمام الملقب بالحجام.
30 - والأديب أبو إسحاق بن معلي، وخبر وقعة بطرنة.
31 - والأديب أبو عامر ن الأصيلي.
32 - والأديب أبو الفضل جعفر بن محمد بن شرف.
33 - وفصل يشتمل على طوائف مقلين من سكان ذلك الجانب الشرقي.
والقسم الرابع: أفردته لمن طرأ على هذه الجزيرة في المدة المؤرخة من أديب شاعر، وأوى إلى ظلها من كاتب ماهر، واتسع فيها مجاله، وحفظت في ملوكها أقواله؛ ووصلت بهم ذكر طائفة من مشهوري أهل
২০ - এবং সাহিত্যিক আবু আমির আল-বিমারি।
২১ - এবং সাহিত্যিক আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন খাফাজাহ।
২২ - এবং সাহিত্যিক আবু হাতিম আল-হাজারি।
২৩ - এবং সাহিত্যিক আবু বকর আদ-দানি, যিনি ইবনুল লাব্বানাহ নামে পরিচিত।
২৪ - এবং সাহিত্যিক আবু জাফর বিন আদ-দুদ আল-বালানসি, এবং ইবনে গারসিয়ার শুউবিয়্যাহ বিষয়ক পত্র ও তার প্রতিউত্তর।
২৫ - এবং লেখক আবু জাফর বিন আহমদ আদ-দানি।
২৬ - এবং উজির ও লেখক আবু আল-খাত্তাব বিন আতিয়ুন আত-তুলাইতুলি।
২৭ - এবং উজির ও লেখক আবু আব্দুল্লাহ বিন আবিল খিসাল।
২৮ - এবং সাহিত্যিক আবু বাহর বিন আব্দুল সামাদ, এবং শেখ ও লেখক আব্দুল সামাদ আস-সারাকুস্তি-এর উল্লেখ।
২৯ - এবং সাহিত্যিক আবু তাম্মাম, যিনি আল-হাজ্জাম উপাধিতে ভূষিত।
৩০ - এবং সাহিত্যিক আবু ইসহাক বিন মুয়াল্লি, এবং বাতারনাহ যুদ্ধের সংবাদ।
৩১ - এবং সাহিত্যিক আবু আমির আল-আসিলি।
৩২ - এবং সাহিত্যিক আবু আল-ফজল জাফর বিন মুহাম্মদ বিন শারাফ।
৩৩ - এবং একটি পরিচ্ছেদ যা সেই পূর্ব অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্প লেখালেখি করেছেন এমন একদল ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
চতুর্থ বিভাগ: এটি আমি তাদের জন্য নির্দিষ্ট করেছি যারা উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এই দ্বীপে আগন্তুক সাহিত্যিক ও কবি ছিলেন এবং এর ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণকারী দক্ষ লেখক ছিলেন; এখানে তাদের কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে এবং এখানকার রাজন্যবর্গের নিকট তাদের বাণীসমূহ সংরক্ষিত হয়েছে; আর আমি তাদের আলোচনার সাথে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের একদলের উল্লেখ যুক্ত করেছি...
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
تلك الآفاق، ممن نجم في عصرنا بأفريقية والشام والعراق، فيشتمل منهم على جملة، وهم:
1 - أبو العلاء صاعد اللغوي، وتلخيص التعريف بدولة ابن أبي عامر، من المبدأ إلى الآخر.
2 - وأبو الفضل بن عبد الواحد البغدادي.
3 - وسليمان بن محمد الصقلي.
4 - وأبو الفتح الجرجاني.
5 - والأديب عبد العزيز السوسي، ولمع من دولة ابن ذي النون ومآل حفيده، وأخذ طليطلة من يديه، ودوران دائرة السوء بها عليه؛ مع ما اندرج في ذلك من خبر، والتف به من قبيح أثر.
6 - وأخبار أبي عبد الله بن شرف، وغرر أشعاره، وذكر خراب بلده القيروان.
7 - وأخبار ابن السقاء مدبر الملك الهوري بقرطبة ومقتله.
8 - وأبو الحسن المكفوف الحصري، وذكر تغلب ابن هود المقتدر على دانية.
9 - وأخبار عبد الكريم بن فضال الحلواني
10 - وأبو العرب الصقلي.
11 - وأبو عبد الله بن الصباغ الصقلي.
12 - وأبو محمد ن حمديس الصقلي.
সেই সকল দিগন্ত হতে, যারা আমাদের যুগে আফ্রিকা, শাম এবং ইরাকে খ্যাতিমান হয়েছেন, তাদের একটি দল এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তারা হলেন:
১ - আবুল আলা সাঈদ আল-লুগাভী; এবং ইবনে আবি আমির-এর শাসনকালের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
২ - এবং আবুল ফজল বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-বাগদাদী।
৩ - এবং সুলায়মান বিন মুহাম্মদ আস-সিকিল্লি।
৪ - এবং আবুল ফাতহ আল-জুরজানি।
৫ - এবং সাহিত্যিক আব্দুল আজিজ আস-সুসি; এবং ইবনে যিন-নুন-এর রাষ্ট্র ও তার নাতির পরিণতি সম্পর্কিত আলোকপাত, তার হাত থেকে তলেদোর পতন এবং তার উপর আপতিত দুর্ভাগ্যের আবর্তন; এর সাথে এর অন্তর্ভুক্ত সংবাদ এবং এর সাথে জড়িয়ে থাকা মন্দ প্রভাবের বর্ণনা।
৬ - এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন শারাফ-এর সংবাদসমূহ, তার শ্রেষ্ঠ কবিতাসমূহ এবং তার শহর কায়রাওয়ানের ধ্বংসের উল্লেখ।
৭ - এবং কর্ডোবায় হাউরি রাজ্যের পরিচালক ইবনে সাক্কা-এর সংবাদ ও তার নিহত হওয়ার বর্ণনা।
৮ - এবং আবুল হাসান আল-মাকফুফ আল-হুসরি; এবং দানিয়ার ওপর আল-মুকতাদির ইবনে হুদ-এর বিজয়ের উল্লেখ।
৯ - এবং আব্দুল কারিম বিন ফাদদাল আল-হালওয়ানি-এর সংবাদসমূহ।
১০ - এবং আবুল আরাব আস-সিকিল্লি।
১১ - এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন আস-সাব্বাগ আস-সিকিল্লি।
১২ - এবং আবু মুহাম্মদ বিন হামদিস আস-সিকিল্লি।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
13 - والحكيم أبو محمد المصريز
14 - وأبو محمد بن الطلاء المهدوي.
15 - وأبو بكر محمد بن الحسن المرادي.
16 - والفكيك البغدادي.
17 - وأبو زكرياء يحى الزيتوني.
18 - وأبو بكر بن العطار اليابسي.
19 - وابن القابلة السبتي.
ذكر من كان منهم بالمشرق:
20 - الرضي الشريف.
21 - أبو القاسم المغربي.
22 - عبد الوهاب المالكي.
23 - أبو عبد الله ابن قاضي ميلة.
24 - أبو الحسن التهامي.
25 - مهيار الديلمي.
26 - أبو منصور الثعالبي.
27 - أبو إسحاق الحصري.
28 - أبو علي بن رشيقٍ، وذكر انحرافه عن القيروان.
29 - أبو الفتيان العسقلاني.
30 - القاضي أبو محمد بن نعمة.
31 - جلال الدولة ابن عمار.
13 - এবং হাকিম আবু মুহাম্মদ আল-মিসরি।
14 - এবং আবু মুহাম্মদ বিন আত-তাল্লা আল-মাহদাবি।
15 - এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-মুরাদি।
16 - এবং আল-ফাকিক আল-বাগদাদি।
17 - এবং আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া আয-যাইতুনি।
18 - এবং আবু বকর বিন আল-আত্তার আল-ইয়াবিসি।
19 - এবং ইবনুল কাবিলাহ আস-সাবতি।
তাদের মধ্যে যারা প্রাচ্যে ছিলেন তাদের উল্লেখ:
20 - আর-রাদি আশ-শারিফ।
21 - আবু আল-কাসিম আল-মাগরিবি।
22 - আবদুল ওয়াহহাব আল-মালিকি।
23 - আবু আবদুল্লাহ ইবনে কাদি মিলাহ।
24 - আবু আল-হাসান আত-তিহামি।
25 - মিহয়ার আদ-দাইলামি।
26 - আবু মানসুর আস-সাআলিবি।
27 - আবু ইসহাক আল-হুসরি।
28 - আবু আলি বিন রাশিক, এবং কায়রাওয়ান থেকে তার বিচ্যুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
29 - আবু আল-ফিতইয়ান আল-আসকালানি।
30 - আল-কাদি আবু মুহাম্মদ বিন নিমাহ।
31 - জালালুদ দাওলাহ ইবনে আম্মার।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
32 - المجيد بن الشخباء
وإنما ذكرت هؤلاء ائتساء بأبي منصور، في تأليفه المشهور، المترجم ب - " يتيمة الدهر، في محاسن أهل العصر ".
وتحريت في الجملة حر النظام، وتخيرت جيد الكلام، وجردت جملة الفصول والأقسام. وإذا مر معنى غريب وتعلق به خبر مشهور، وأمكنني فيه شعر كثير، مددت أطنابه، ووصلت أسبابه؛ وقد أذكر الشاعر الخامل، وأنشد الشعر النازل، لأربٍ يتعلق به، أو لخبرٍ أذكره بسببه؛ وقد أذكر الرجل لنباهة ذكره، لا لجودة شعره؛ وأقدم الآخر لاشتهار إحسانه، مع تأخر زمانه.
وبدأت بذكر الكتاب، إذ هم صدور في أهل الآداب، إلا أن يكون له حظ من الرياسة، أو يدعو إلى تقديمه بعض السياسة؛ فأول من ذكرت من أهل قرطبة من كان بها من ملوك قريش في المدة المؤرخة من أهل هذا الشأن ثم من تعلق بسلطانهم، أو دخل في شيءٍ من شانهم؛ وتلوتهم بالكتاب والوزراء، ثم بأعيان الشعراء، ثم بطوائف من المقلين منهم. وكذلك فعلت في كل قسم: بدأت بالملوك، ثم استمر على ما وصفته من الترتيب، وأنتظم على ما شرحت من التبويب، وعلى الله أتوكل، وهو حسبي فيما أقول وأفعل، لا إله سواه.
32 - আল-মাজিদ বিন আশ-শাখবা
আমি এই ব্যক্তিদের কথা আবু মানসুরের অনুসরণে তাঁর বিখ্যাত সংকলন "ইয়াতিমাতুদ দাহর ফি মাহাসিনি আহলিল আসর" (যুগের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের সৌন্দর্যে সময়ের অদ্বিতীয় মুক্তা)-এর অনুকরণে উল্লেখ করেছি।
আমি সামগ্রিকভাবে সুশৃঙ্খল বিন্যাস অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি, সর্বোত্তম বাক্য চয়ন করেছি এবং অধ্যায় ও পরিচ্ছেদগুলোকে সারসংক্ষেপে উপস্থাপন করেছি। যদি কোনো দুর্লভ অর্থ সামনে আসে এবং তার সাথে কোনো বিখ্যাত ঘটনা জড়িত থাকে, আর সে বিষয়ে প্রচুর কবিতা পাওয়া সম্ভব হয়, তবে আমি তার পরিধি বিস্তৃত করেছি এবং তার অনুষঙ্গগুলো বর্ণনা করেছি। কখনও কখনও আমি কোনো অখ্যাত কবির কথা উল্লেখ করেছি এবং সাধারণ মানের কবিতাও উদ্ধৃত করেছি কোনো বিশেষ প্রয়োজনে, অথবা তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো ঘটনার কারণে। কখনও আবার আমি কোনো ব্যক্তির কথা তাঁর সুখ্যাতির কারণে উল্লেখ করেছি, তাঁর কবিতার গুণগত মানের জন্য নয়; আবার অন্য কাউকে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের খ্যাতির কারণে অগ্রগণ্য করেছি, যদিও তিনি পরবর্তী সময়ের।
আমি লেখকদের বর্ণনার মাধ্যমে শুরু করেছি, কারণ তাঁরা সাহিত্যিকদের মধ্যে অগ্রগণ্য; যদি না কারো মধ্যে নেতৃত্ব বিদ্যমান থাকে অথবা রাজনৈতিক কারণে তাঁকে অগ্রগণ্য করার প্রয়োজন হয়। কর্ডোবার অধিবাসীদের মধ্যে আমি সর্বপ্রথম সেই সময়ের কুরাইশ বংশীয় সুলতানদের উল্লেখ করেছি যাঁরা এই জ্ঞান ও সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন। এরপর তাঁদের শাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট বা তাঁদের অবস্থার সাথে কোনোভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের কথা এনেছি। তাঁদের পরে আমি লেখক ও মন্ত্রীবর্গকে, এরপর বিশিষ্ট কবিদের এবং শেষে স্বল্পখ্যাত কবিদের দলকে স্থান দিয়েছি। প্রতিটি বিভাগেই আমি এই একই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি: রাজন্যবর্গের মাধ্যমে শুরু করেছি এবং এরপর বর্ণিত ক্রমধারা বজায় রেখেছি এবং ব্যাখ্যাকৃত বিন্যাস অনুযায়ী সাজিয়েছি। আমি আল্লাহর ওপরই ভরসা করছি, এবং আমি যা কিছু বলি ও করি তাতে তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।
(খণ্ড: ১)
আয-যাখীরাহ ফী মাহাসিনি আহলিল জাযীরাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
@ذكر الكتاب والوزراء، وأعيان الأدباء والشعراء، بحضرة قرطبة
@وما يصاقبها من بلاد موسطة الأندلس، وتسمية من نشأ من
@فرسان هذا الشان، من آخر دولة بني عامرٍ إلى وقتنا،
@وإيراد ما انتخبته من نظمهم ونثرهم، مع ما يتعلق
@من فنون المعارف المفيدة بذكرهم
قال أبو الحسن بن بسام رحمه الله:
وحضرة قرطبة، منذ استفتحت الجزيرة، هي كانت منتهى الغاية، ومركز الراية، وأم القرى، وقرارة أهل الفضل والتقى، ووطن أولي العلم والنهى، وقلب الإقليم، وينبوع متفجر العلوم، وقبة الإسلام، وحضرة الإمام، ودار صوب العقول، وبستان ثمرة الخواطر، وبحر درر القرائح؛ ومن أفقها طلعت نجوم الأرض وأعلام العصر، وفرسان النظم والنثر؛ وبها انتشأت التأليفات الرائقة، وصنفت التصنيفات الفائقة؛ والسبب في ذلك، وتبريز القوم قديماً وحديثاً هنالك على من سواهم، أن أفقهم القرطبي لم يشتمل قط إلا على أهل البحث والطلب، لأنواع العلم والأدب. وبالجملة فأكثر أهل بلاد هذا الأفق أشراف عرب المشرق افتتحوها، وسادات أجناد الشام والعراق نزلوها؛ فبقي النسل فيها بكل إقليم، على عرقٍ كريم، فلا يكاد بلد منها يخلو من كاتب ماهر، وشاعر قاهر؛ إن مدح ما كثير عنده بكثير، وإن هجا
@কর্ডোবা নগরীতে অবস্থানরত লেখক, উজির এবং প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও কবিদের আলোচনা
@এবং এর সংলগ্ন মধ্য আন্দালুসিয়ার শহরসমূহ, এবং সেখানে বেড়ে ওঠা
@এই শাস্ত্রের বীরদের নামোল্লেখ, বনী আমিরের শাসনের শেষ সময় থেকে আমাদের বর্তমান সময় পর্যন্ত,
@এবং তাদের কবিতা ও গদ্য থেকে আমার নির্বাচিত অংশসমূহ উপস্থাপন, সেইসাথে সংশ্লিষ্ট
@তাদের আলোচনার সাথে সম্পৃক্ত উপকারী জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা
আবুল হাসান ইবনে বাসসাম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
কর্ডোবা নগরী, এই উপদ্বীপ বিজিত হওয়ার পর থেকে এটিই ছিল পরম লক্ষ্যস্থল, পতাকাবাহীদের কেন্দ্রবিন্দু, জনপদসমূহের জননী, ফযিলত ও তাকওয়াসম্পন্ন ব্যক্তিদের আশ্রয়স্থল, জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারীদের স্বদেশ, ভূখণ্ডের হৃৎপিণ্ড, জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রবহমান ঝরনাধারা, ইসলামের গম্বুজ, ইমামের আবাসস্থল, বিবেক-বুদ্ধির মিলনস্থল, চিন্তা-ভাবনার ফলবান বাগান এবং মেধার মুক্তার সমুদ্র। এর দিগন্ত থেকেই ধরণীর নক্ষত্ররাজি ও যুগের প্রথিতযশা মনীষীগণ এবং কাব্য ও গদ্যের বীর সেনানীরা উদিত হয়েছেন। সেখানেই চমৎকার সব সংকলন তৈরি হয়েছে এবং শ্রেষ্ঠ মানের রচনাবলি রচিত হয়েছে। এর কারণ এবং অতীতে ও বর্তমানে অন্যদের ওপর তাদের শ্রেষ্ঠত্বের রহস্য হলো, তাদের কর্ডোবা অঞ্চলের আকাশ কেবল বিভিন্ন প্রকার জ্ঞান ও সাহিত্যের অনুসন্ধানকারী এবং বিদ্যানুরাগীদেরই ছায়া দিয়েছে। মোটকথা, এই অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন প্রাচ্যের সেই সম্ভ্রান্ত আরবগণ যারা এটি জয় করেছিলেন এবং সিরিয়া ও ইরাকের শ্রেষ্ঠ সেনাপতিগণ যারা এখানে বসতি স্থাপন করেছিলেন। ফলে প্রতিটি অঞ্চলে তাদের বংশধরগণ সেই মহৎ আভিজাত্যের ধারায় টিকে রয়েছে। তাই এখানকার কোনো শহরই একজন দক্ষ লেখক এবং একজন প্রভাবশালী কবি থেকে শূন্য পাওয়া যায় না; যদি তিনি প্রশংসা করেন তবে তার কাছে অনেক কিছুও সামান্য মনে হয়, আর যদি তিনি নিন্দা করেন...