(খণ্ড: ১)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: -)
العتيق مصنف جامع لفتاوى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم القسم: كتب السنة
الكتاب: العتيق مصنف جامع لفتاوى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم
جمع وتصنيف: محمد بن مبارك حكيمي
عدد الأجزاء: 12
تنبيه: وضع المصنف علامة (-) في بداية بعض الآثار، وقد قمنا بتقسيم الآثار في صفحات مستقلة اعتمادا على هذه العلامة
[الكتاب غير مطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 ربيع الأول 1442
আল-আতিক: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের ফতোয়াসমূহ সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ সংকলন বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-আতিক: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের ফতোয়াসমূহ সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ সংকলন
সংগ্রহ ও বিন্যাস: মুহাম্মদ বিন মুবারক হাকিমি
খণ্ড সংখ্যা: ১২
সতর্কতা: সংকলক কিছু আছারের শুরুতে (-) চিহ্ন প্রদান করেছেন, এবং আমরা উক্ত চিহ্নের ওপর ভিত্তি করে আছারগুলোকে স্বতন্ত্র পৃষ্ঠায় বিভক্ত করেছি
[কিতাবটি অমুদ্রিত]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١)
• ابن أبي شيبة [3140] حدثنا هشيم قال: أخبرنا منصور وخالد عن أنس بن سيرين قال: قلت لابن عمر: أسبق ببعض الصلاة فيسلم الإمام، فأقوم فأقضي ما سبقت به أو أنتظر أن ينحرف؟ فقال ابن عمر: كان الإمام إذا سلم قام، وقال خالد: كان الإمام إذا سلم انكفأ، كان الانكفاء مع التسليم. اهـ صحيح.
• ইবনে আবি শায়বাহ [৩১৪০] হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মানসুর এবং খালিদ আমাদের আনাস বিন সিরিন থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে ওমরকে বললাম: আমি নামাজের কিছু অংশে ইমামের পেছনে পিছিয়ে পড়ি, অতঃপর ইমাম সালাম ফিরিয়ে দেন; এমতাবস্থায় আমি কি দাঁড়িয়ে যাব এবং আমার যা ছুটে গিয়েছে তা পূর্ণ করব, নাকি তিনি ঘুরে বসা পর্যন্ত অপেক্ষা করব? তখন ইবনে ওমর বললেন: ইমাম যখন সালাম ফিরিয়েছেন, তখন তিনি (নামাজ পূর্ণকারী) দাঁড়িয়ে যেতেন। এবং খালিদ বলেন: ইমাম যখন সালাম ফিরাতেন তখন তিনি ঘুরে যেতেন; সালামের সাথেই ঘুরে যাওয়া সম্পন্ন হতো। সমাপ্ত। সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢)
• ابن أبي شيبة [3144] حدثنا حفص عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أنه كان يقضي ولا ينتظر الإمام، قال: وكان القاسم وسالم ونافع يفعلون ذلك. اهـ صحيح.
• ইবনে আবি শায়বাহ [৩১৪৪] হাফস আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সালাতের অবশিষ্টাংশ) পূর্ণ করতেন এবং ইমামের জন্য অপেক্ষা করতেন না। তিনি বলেন: কাসিম, সালিম এবং নাফেও এরূপ করতেন। সমাপ্ত। সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٣)
• ابن أبي شيبة [3145] حدثنا هشيم قال أخبرنا أبو هارون قال: صليت بالمدينة فسبقت ببعض الصلاة، فلما سلم الإمام قمت لأقضي ما سبقت به، فجبذني رجل كان إلى جنبي ثم قال: كان ينبغي لك أن لا تقوم حتى ينحرف قال: فلقيت أبا سعيد فذكرت له ذلك فكأنه لم يكره ما صنعت أو كلمة نحوها. اهـ أبو هارون العبدي شيعي متروك.
• ইবনে আবি শায়বাহ [৩১৪৫] হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মদিনায় সালাত আদায় করলাম এবং সালাতের কিছু অংশ আমার থেকে ছুটে গিয়েছিল। যখন ইমাম সালাম ফিরালেন, তখন আমি আমার ছুটে যাওয়া অংশ আদায় করার জন্য দাঁড়ালাম। তখন আমার পার্শ্ববর্তী এক ব্যক্তি আমাকে টেনে ধরলেন এবং বললেন: ‘ইমাম (কিবলা থেকে) ঘুরে বসা পর্যন্ত তোমার দাঁড়ানো সমীচীন হয়নি।’ তিনি বলেন: অতঃপর আমি আবু সাঈদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম, তখন তিনি আমি যা করেছি তা সম্ভবত অপছন্দ করেননি—অথবা এই জাতীয় কোনো কথা বললেন। ইতি। আবু হারুন আল-আবদি শিয়া এবং মাতরুক (পরিত্যক্ত)।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٤)
متى يدرك المسبوق وسنته
মাসবুক কখন (সালাত) পাবে এবং এর সুন্নাহ
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٥)
• أبو داود [893] حدثنا محمد بن يحيى بن فارس أن سعيد بن الحكم حدثهم أخبرنا نافع بن يزيد حدثني يحيى بن أبي سليمان عن زيد بن أبي العتاب وابن المقبري عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا جئتم إلى الصلاة ونحن سجود فاسجدوا ولا تعدوها شيئا ومن أدرك الركعة فقد أدرك الصلاة. اهـ رواه ابن خزيمة وتردد فيه، وصححه الحاكم.
• আবু দাউদ [৮৯৩] আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ফারিস বর্ণনা করেছেন যে, সাঈদ ইবনে হাকাম তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে ইবনে ইয়াযিদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি সুলাইমান যায়িদ ইবনে আবিল আত্তাব ও ইবনুল মাকবুরি থেকে, তারা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমরা সালাতে আসবে এবং আমরা সিজদাবনত অবস্থায় থাকি, তখন তোমরাও সিজদা করবে, তবে একে (রাকাত হিসেবে) কোনো কিছু গণনা করবে না। আর যে ব্যক্তি রাকাত পেল, সে সালাত পেল। সমাপ্ত। এটি ইবনে খুযাইমা বর্ণনা করেছেন এবং এতে সংশয় প্রকাশ করেছেন, আর হাকিম একে সহীহ বলেছেন।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٦)
• عبد الرزاق [3371] عن إسرائيل عن أبي إسحاق أن هبيرة بن يريم أخبره عن علي وابن مسعود قالا: من لم يدرك الركعة الأولى فلا يعتد بالسجدة. ابن أبي شيبة [2630] حدثنا يحيى بن آدم قال حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن هبيرة عن علي قال: لا يعتد بالسجود إذا لم يدرك الركوع. ابن المنذر [2025] حدثنا علي بن عبد العزيز قال ثنا أبو غسان قال ثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن هبيرة بن يريم عن علي وابن مسعود قالا: من لم يدرك الركعة فلا يعتد بالسجدة. عبد الرزاق [3372] عن معمر عن أبي إسحاق عن هبيرة بن يريم عن ابن مسعود قال من فاته الركوع فلا يعتد بالسجود. ابن أبي شيبة [2631] حدثنا يحيى بن آدم قال حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن أبي الأحوص وهبيرة عن عبد الله قال: إذا لم تدرك الركوع فلا تعتد بالسجود. اهـ فيه ضعف.
وقال ابن المنذر [2023] حدثنا يحيى بن محمد قال ثنا مسدد قال حدثني بشر بن المفضل عن خالد الحذاء عن علي بن الأقمر قال سمعت أبا الأحوص يحدث عن ابن مسعود قال: من أدرك الركوع فقد أدرك. الطبراني [9350] حدثنا يوسف القاضي ثنا عمرو بن مرزوق أنا شعبة عن سلمة بن كهيل عن أبي الأحوص عن ابن مسعود قال: من أدرك الركعة فقد أدرك. البيهقي [2681] من طريق الحسن بن مكرم حدثنا علي بن عاصم حدثنا خالد الحذاء عن علي بن الأقمر عن أبي الأحوص عن عبد الله يعني ابن مسعود قال: من لم يدرك الإمام راكعا لم يدرك تلك الركعة. اهـ صحيح.
আবদুর রাজ্জাক [৩৩৭১] ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন যে, হুবায়রা বিন ইয়ারিম তাঁকে আলী ও ইবনে মাসউদ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রথম রাকাআত পেল না, সে যেন সিজদাহ গণনা না করে। ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৩০] আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আদম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি হুবায়রা থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: রুকু না পেলে সিজদাহ গণনা করা হবে না। ইবনুল মুনযির [২০২৫] আমাদের নিকট আলী বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট আবু গাসসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি হুবায়রা বিন ইয়ারিম থেকে, তিনি আলী ও ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: যে ব্যক্তি রাকাআত পেল না, সে যেন সিজদাহ গণনা না করে। আবদুর রাজ্জাক [৩৩৭২] মা'মার থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হুবায়রা বিন ইয়ারিম থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যার রুকু ছুটে গেল, সে যেন সিজদাহ গণনা না করে। ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৩১] আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আদম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস ও হুবায়রা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যখন তুমি রুকু পাবে না, তখন সিজদাহ গণনা করো না। সমাপ্ত। এর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে।
এবং ইবনুল মুনযির [২০২৩] বলেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বিশর বিন মুফাদদাল বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হাযযাহ থেকে, তিনি আলী বিন আল-আকমার থেকে, তিনি বলেছেন আমি আবুল আহওয়াসকে ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি রুকু পেল, সে (রাকাআত) পেল। তাবারানি [৯৩৫০] আমাদের নিকট ইউসুফ আল-কাদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর বিন মারযুক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু'বাহ সংবাদ দিয়েছেন সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি রাকাআত পেল, সে (রাকাআত) পেল। বায়হাকি [২৬৮১] হাসান বিন মাকরামের সূত্রে, আমাদের নিকট আলী বিন আসিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট খালিদ আল-হাযযাহ বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-আকমার থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি ইমামকে রুকু অবস্থায় পেল না, সে সেই রাকাআতটি পেল না। সমাপ্ত। এটি সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٧)
• ابن أبي شيبة [4188] حدثنا شريك عن عامر بن شقيق عن أبي وائل قال: قال عبد الله: من أدرك التشهد فقد أدرك الصلاة. اهـ ضعيف، ومعناه أدرك أجر الجماعة. وقال عبد الرزاق [3387] عن معمر عن قتادة أن ابن مسعود أدرك قوما جلوسا في آخر صلاتهم فقال قد أدركت إن شاء الله. اهـ وقال عبد الرزاق [5480] عن معمر عن حماد قال إذا أدركهم جلوسا في آخر الصلاة يوم الجمعة صلى ركعتين قال معمر قال قتادة يصلي أربعا فقيل لقتادة كان ابن مسعود جاءهم جلوسا في آخر الصلاة فقال لأصحابه اجلسوا أدركتم إن شاء الله فقال قتادة انفاي يقول أدركتم الأجر. اهـ منقطع.
ইবনে আবি শায়বাহ [৪১৮৮] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারীক থেকে, তিনি আমের বিন শাকিক থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি তাশাহহুদ পেল, সে সালাত পেল। সমাপ্ত। এটি দুর্বল, আর এর অর্থ হলো সে জামাতের সওয়াব লাভ করল। এবং আবদুর রাজ্জাক [৩৩৮৭] মা’মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে মাসউদ একদল লোককে তাদের সালাতের শেষ অংশে উপবিষ্ট অবস্থায় পেলেন, তখন তিনি বললেন: ইনশাআল্লাহ আমি (সালাত) পেয়েছি। সমাপ্ত। এবং আবদুর রাজ্জাক [৫৪৮০] মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জুমার দিন সালাতের শেষে যদি তাদের উপবিষ্ট অবস্থায় পায়, তবে সে দুই রাকাত পড়বে। মা’মার বলেন, কাতাদাহ বলেছেন যে সে চার রাকাত পড়বে। তখন কাতাদাহকে বলা হলো, ইবনে মাসউদ তাদের নিকট সালাতের শেষে উপবিষ্ট অবস্থায় এসেছিলেন, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের বলেছিলেন: তোমরা বসো, ইনশাআল্লাহ তোমরা (সালাত) পেয়েছ। তখন কাতাদাহ বললেন: তিনি মূলত বুঝাতে চেয়েছেন যে তোমরা সওয়াব পেয়েছ। সমাপ্ত। এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন সূত্র)।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٨)
• مالك [17] أنه بلغه أن عبد الله بن عمر وزيد بن ثابت كانا يقولان: من أدرك الركعة فقد أدرك السجدة
(1). عبد الرزاق [3355] عن معمر عن الزهري أن زيد بن ثابت وابن عمر كانا يفتيان الرجل إذا انتهى إلى القوم وهم ركوع أن يكبر تكبيرة وقد أدرك الركعة قالا وإن وجدهم سجودا سجد معهم ولم يعتد بذلك. ابن أبي شيبة [2618] حدثنا عبد الأعلى عن معمر عن الزهري عن سالم عن ابن عمر وزيد بن ثابت قالا: إن وجدهم وقد رفعوا رؤوسهم من الركوع كبر وسجد ولم يعتد بها. اهـ صحيح.
وقال حرب [767] حدثنا إسحاق قال: أبنا زكريا بن عدي عن عبيد الله بن عمرو الرقي عن إسحاق بن راشد الجزري عن الزهري عن سالم عن أبيه قال: إذا كبر ليركع، فهوى للركوع، فرفع الإمام رأسه، فامترى أركع قبل أن يرفع الإمام أم لا لم يعتد بتلك الركعة. اهـ ابن راشد ليس بالقوي في الزهري.
--------------------------------------------
মালিক [১৭] তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ বিন উমর এবং যায়েদ বিন সাবিত বলতেন: যে ব্যক্তি রুকু পেল, সে সাজদাহ পেল
(১)। আবদুর রাজ্জাক [৩৩৫৫] মা'মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেন যে, যায়েদ বিন সাবিত এবং ইবনে উমর এমন ব্যক্তিকে ফাতওয়া দিতেন যে যখন সে একদল লোকের কাছে পৌঁছায় এমতাবস্থায় যে তারা রুকুতে আছে, সে যেন তাকবীর বলে এবং সে রাকাআতটি পেল। তাঁরা আরও বলেছেন: যদি সে তাদের সাজদাহরত অবস্থায় পায়, তবে সে তাদের সাথে সাজদাহ করবে কিন্তু তা গণনা করবে না। ইবনে আবি শাইবাহ [২৬১৮] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আলা, তিনি মা'মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর এবং যায়েদ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: যদি সে তাদের এমন অবস্থায় পায় যে তারা রুকু থেকে তাদের মাথা উঠিয়ে নিয়েছে, তবে সে তাকবীর দিবে এবং সাজদাহ করবে কিন্তু তা গণনা করবে না। সমাপ্ত - সহীহ।
এবং হারব [৭৬৭] বলেছেন: আমাদের নিকট ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যাকারিয়া বিন আদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ বিন আমর আল-রাক্কী থেকে, তিনি ইসহাক বিন রাশিদ আল-জাযারি থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যখন কেউ রুকু করার জন্য তাকবীর বলে এবং রুকুর দিকে ঝুঁকে পড়ে, এমতাবস্থায় ইমাম তাঁর মাথা উঠিয়ে ফেলেন এবং সে সন্দেহে পড়ে যায় যে ইমাম মাথা উঠানোর আগে সে রুকু করতে পেরেছে কি না, তবে সে ওই রাকাআতটি গণনা করবে না। সমাপ্ত - যুহরীর বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবনে রাশিদ শক্তিশালী নন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٩)
• عبد الرزاق [3374] عن ابن جريج قال أخبرني نافع أن ابن عمر كان يدرك الإمام ساجدا فسجدهما معه ولا يعتد بهما. حرب [775] حدثنا أحمد بن يونس قال: ثنا ليث عن نافع أن عبد الله كان يأتي والناس سجود، فيسجد معهم، ولا يعدها من صلاته. اهـ صحيح.
• আবদুর রাজ্জাক [৩৩৭৪] ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নাফে‘ আমাকে অবহিত করেছেন যে, ইবনে উমর ইমামকে সিজদারত অবস্থায় পেতেন, তখন তিনি তাঁর সাথে সিজদা দু’টি করতেন, কিন্তু তা (রাকাত হিসেবে) গণ্য করতেন না। হারব [৭৭৫] আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের নিকট নাফে‘ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ আসতেন এমতাবস্থায় যে লোকজন সিজদাবনত থাকত, তখন তিনি তাদের সাথে সিজদা করতেন, কিন্তু তা তাঁর সালাতের অংশ হিসেবে গণনা করতেন না। সমাপ্ত। সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٠)
• مالك [16] عن نافع أن عبد الله بن عمر بن الخطاب كان يقول: إذا فاتتك الركعة فقد فاتتك السجدة. اهـ صحيح.
• মালিক [১৬] নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব বলতেন: যদি তোমার রাকাত ছুটে যায়, তবে তোমার সিজদাহও নিশ্চিতভাবে ছুটে গেল। সমাপ্ত। সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١١)
• عبد الرزاق [3361] عن ابن جريج قال أخبرني نافع عن ابن عمر قال: إذا أدركت الإمام راكعا فركعت قبل أن يرفع فقد أدركت وإن رفع قبل أن تركع فقد فاتتك. ابن أبي شيبة [2534] حدثنا حفص عن ابن جريج عن نافع عن ابن عمر قال: إذا جئت والإمام راكع فوضعت يديك على ركبتيك قبل أن يرفع رأسه فقد أدركت. البيهقي [2683] من طريق الوليد بن مسلم أخبرني مالك وابن جريج عن نافع عن ابن عمر أنه كان يقول: من أدرك الإمام راكعا فركع قبل أن يرفع الإمام رأسه فقد أدرك تلك الركعة. اهـ صحيح. لم يشترط الطمأنينة لأن حكم المؤتم لا كهو منفرد.
আবদুর রাজ্জাক [৩৩৬১] ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নাফি আমাকে ইবনে উমর থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: যখন তুমি ইমামকে রুকু অবস্থায় পাবে এবং তিনি মাথা তোলার আগেই তুমি রুকু করবে, তবে তুমি (রাকাতটি) পেয়ে গেলে। আর যদি তুমি রুকু করার আগেই তিনি মাথা তুলে ফেলেন, তবে তুমি তা হারিয়ে ফেললে। ইবনে আবি শাইবাহ [২৫৩৪] আমাদের কাছে হাফস বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি নাফি থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন তুমি আসবে এবং ইমাম রুকু অবস্থায় থাকবেন, অতঃপর তিনি মাথা তোলার আগেই তুমি তোমার দুই হাত তোমার দুই হাঁটুর উপর রাখবে, তবে তুমি (রাকাতটি) পেয়ে গেলে। আল-বাইহাকী [২৬৮৩] আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিমের সূত্রে, তিনি বলেন: মালিক এবং ইবনে জুরাইজ আমাকে নাফি থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলতেন: যে ব্যক্তি ইমামকে রুকু অবস্থায় পেল এবং ইমাম মাথা তোলার আগেই সে রুকু করল, তবে সে ওই রাকাতটি পেয়ে গেল। সমাপ্ত। এটি সহীহ। এখানে স্থিরতা (তুমানিনাহ) শর্ত করা হয়নি, কারণ মুক্তাদীর হুকুম একাকী নামাজ আদায়কারীর মতো নয়।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٢)
• ابن أبي شيبة [2623] حدثنا ابن إدريس عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال: على أي حال وجدت الإمام فاصنع كما يصنع. أبو جعفر الرزاز [656] حدثنا أحمد قال حدثنا شاذان قال حدثنا سفيان بن سعيد عن جعفر بن برقان عن نافع عن ابن عمر قال: إذا أدركت الإمام فوجدته على حال فاصنع كما يصنع. البيهقي [3764] أخبرنا أبو عبد الله الحافظ وأبو سعيد بن أبي عمرو قالا حدثنا أبو العباس محمد بن يعقوب حدثنا أسيد بن عاصم حدثنا الحسين بن حفص عن سفيان حدثنا جعفر بن برقان عن نافع عن ابن عمر قال: إذا وجدت الإمام على حال فاصنع كما يصنع. اهـ صحيح.
• ইবনে আবি শায়বাহ [২৬২৩] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ইদ্রিস, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর হতে, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আপনি ইমামকে যে অবস্থাতেই পান না কেন, তিনি যা করছেন আপনিও তাই করুন। আবু জাফর আর-রাজ্জায [৬৫৬] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাযান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে সাঈদ, তিনি জাফর ইবনে বুরকান হতে, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আপনি ইমামের নিকট পৌঁছাবেন এবং তাকে কোনো অবস্থায় পাবেন, তখন তিনি যা করছেন আপনিও তা-ই করুন। বায়হাকি [৩৭৬৪] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয এবং আবু সাঈদ ইবনে আবি আমর, তাঁরা বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসাদ ইবনে আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে হাফস, তিনি সুফিয়ান হতে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে বুরকান, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যদি আপনি ইমামকে কোনো অবস্থায় পান, তবে তিনি যা করছেন আপনিও তা-ই করুন। সমাপ্ত। সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٣)
• البيهقي [3763] أخبرنا علي بن محمد بن عبد الله بن بشران العدل ببغداد أخبرنا إسماعيل بن محمد الصفار حدثنا عبد الكريم بن الهيثم حدثنا أبو اليمان أخبرني شعيب يعني ابن أبي حمزة قال قال نافع وكان ابن عمر إذا وجد الإمام قد صلى بعض الصلاة صلى مع الإمام ما أدرك إن قام قام وإن قعد قعد حتى يقضي الإمام صلاته لا يخالفه في شيء، قال وكان ابن عمر يقول: إذا فاتتك الركعة فقد فاتتك السجدة. اهـ صحيح.
আল-বায়হাকি [৩৭৬৩] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-আদল বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ আস-সাফফার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারিম বিন আল-হাইসাম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-ইয়ামান, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শুয়াইব—অর্থাৎ ইবনে আবি হামযাহ—তিনি বলেন, নাফি' বলেছেন: ইবনে উমর যখন দেখতেন যে ইমাম সালাতের কিছু অংশ আদায় করে ফেলেছেন, তখন তিনি ইমামের সাথে যতটুকু পেতেন ততটুকু আদায় করতেন। যদি ইমাম দাঁড়াতেন তবে তিনিও দাঁড়াতেন, আর যদি ইমাম বসতেন তবে তিনিও বসতেন, যতক্ষণ না ইমাম তাঁর সালাত সম্পন্ন করতেন; তিনি কোনো বিষয়েই তাঁর বিরোধিতা করতেন না। তিনি বলেন, ইবনে উমর বলতেন: যখন তোমার রাকাআত (রুকু) ছুটে গেল, তখন তোমার সিজদাহও ছুটে গেল। সমাপ্ত। সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٤)
• مالك [18] أنه بلغه أن أبا هريرة كان يقول: من أدرك الركعة فقد أدرك السجدة، ومن فاته قراءة أم القرآن فقد فاته خير كثير
(1) اهـ المحفوظ عن أبي هريرة خلافه.
قال ابن المنذر [2026] حدثنا يحيى بن محمد قال حدثنا مسدد قال حدثنا أبو عوانة عن محمد بن إسحاق عن الأعرج عن أبي هريرة قال: من أدرك القوم ركوعا فلا يعتد بالركعة. اهـ سند جيد، أراه لمذهبه في الفاتحة، يأتي عند البخاري في جزء القراءة.
--------------------------------------------
• মালিক [১৮] যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে আবু হুরায়রা বলতেন: যে ব্যক্তি রুকু পেল সে সিজদাহ (রাকাত) পেল, আর যার উম্মুল কুরআন পাঠ ছুটে গেল তার থেকে অনেক কল্যাণ ছুটে গেল
(১)। সমাপ্ত। তবে আবু হুরায়রা থেকে এর বিপরীত বর্ণনাটিই সংরক্ষিত।
ইবনুল মুনযির [২০২৬] বলেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু আওয়ানাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি জামাআতকে রুকু অবস্থায় পেল, সে যেন সেই রাকাত গণনা না করে। সমাপ্ত। এর সনদ উত্তম, আমার মতে সূরা ফাতিহা সংক্রান্ত তাঁর মাযহাবের কারণেই তিনি এমনটি বলেছেন, যা বুখারীর ‘জুযউল কিরাআত’ গ্রন্থে আসবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٥)
• ابن المنذر [2100] حدثنا علي بن عبد العزيز قال ثنا أبو النعمان قال ثنا حماد بن زيد عن كثير هو ابن شنظير عن عطاء عن أبي هريرة قال: إذا جاء الرجل قبل أن يسلم الإمام فكبر وجلس فقد دخل في تضعيف صلاتهم وكان له مثل أجورهم، وإن جاء بعد ما يسلم الإمام فقد دخل في تضعيف صلاتهم وكان له مثل أجورهم. اهـ لا باس به، تقدم.
• ইবনুল মুনযির [২১০০] আলী ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট কাসীর (যিনি ইবনে শিনযীর) থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন কোনো ব্যক্তি ইমামের সালাম ফিরানোর পূর্বে আসে এবং তাকবীর দিয়ে বসে পড়ে, তখন সে তাদের সালাতের বহুগুণ সওয়াবের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় এবং তাদের অনুরূপ প্রতিদান লাভ করে। আর যদি সে ইমামের সালাম ফিরানোর পরে আসে, তবুও সে তাদের সালাতের বহুগুণ সওয়াবের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় এবং তাদের অনুরূপ প্রতিদান লাভ করে। সমাপ্ত। এটি গ্রহণযোগ্য, পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٦)
ما يفعل من أدرك الإمام راكعا
ইমামকে রুকু অবস্থায় পেলে যা করণীয়
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٧)
• البخاري [783] حدثنا موسى بن إسماعيل قال حدثنا همام عن الأعلم وهو زياد عن الحسن عن أبي بكرة أنه انتهى إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو راكع، فركع قبل أن يصل إلى الصف، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال: زادك الله حرصا ولا تعد.
أحمد [20457] حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة أخبرنا زياد الأعلم عن الحسن عن أبي بكرة أنه جاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم راكع، فركع دون الصف، ثم مشى إلى الصف فقال النبي صلى الله عليه وسلم: من هذا الذي ركع، ثم مشى إلى الصف؟ فقال أبو بكرة: أنا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: زادك الله حرصا، ولا تعد. اهـ فيه دلالة على أن الذي شعر به النبي صلى الله عليه وسلم من فعل أبي بكرة جلبته وسعيه، فنهاه عنه إن شاء الله. ورواه بالمعنى عبد الله بن عيسى الخزاز وهو ضعيف الحديث عن يونس عن الحسن عن أبي بكرة أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى صلاة الصبح، فسمع نفسا شديدا أو بهرا من خلفه، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأبي بكرة: أنت صاحب هذا النفس؟ قال: نعم، جعلني الله فداك، خشيت أن تفوتني ركعة معك فأسرعت المشي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: زادك الله حرصا ولا تعد صل ما أدركت واقض ما سبق. اهـ رواه البخاري في القراءة [125] حدثنا محمد بن مرداس أبو عبد الله الأنصاري قال حدثنا عبد الله بن عيسى أبو خلف الخزاز.
وروى ابن الأعرابي في المعجم [638] حدثنا الصاغاني نا مسلم بن إبراهيم نا بكار أبو بكرة بن عبد العزيز بن أبي بكرة قال سمعت أبي يحدث أن أبا بكرة دخل المسجد على عهد النبي صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة قائما قال فسعيت حتى دخلت مع النبي صلى الله عليه وسلم في الصلاة قال: فلما أن قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته قال: من الساعي؟ قال أبو بكرة: قلت: أنا يا نبي الله، قال: زادك الله حرصا ولا تعد. اهـ وهذا إسناد فيه ضعف. وهو بمعنى ما قبله إن شاء الله.
وقال ابن خزيمة في ما رواه من حديث علي بن حجر عن إسماعيل بن جعفر أنه قال [123] حدثنا حميد عن القاسم بن ربيعة عن أبي بكرة رجل كانت له صحبة أنه كان يخرج من بيته، فيجد الناس قد ركعوا، فيركع معهم، ثم يدرج راكعا حتى يدخل في الصف، ثم يعتد بها. اهـ سند صحيح، مبين لما اختلفوا فيه من الحديث المرفوع.
• আল-বুখারী [৭৮৩] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে ইসমাঈল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, আল-আ'লাম থেকে—আর তিনি হলেন যিয়াদ—তিনি আল-হাসান থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছালেন যখন তিনি রুকুতে ছিলেন। তখন তিনি কাতারে পৌঁছানোর আগেই রুকু করলেন। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: "আল্লাহ তোমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিন, তবে আর এমন করো না।"
আহমাদ [২০৪৫৭] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যিয়াদ আল-আ'লাম, তিনি আল-হাসান থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এলেন যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকুতে ছিলেন। তখন তিনি কাতারের বাইরেই রুকু করলেন, তারপর হেঁটে কাতারে শামিল হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এই ব্যক্তি কে যে রুকু করে হেঁটে কাতারে এসেছে?" আবু বাকরাহ বললেন: "আমি।" তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আল্লাহ তোমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিন, তবে আর এমন করো না।" [উদ্ধৃতি শেষ]। এতে দলীল রয়েছে যে, আবু বাকরাহ-র যে কাজের শব্দ ও ছোটাছুটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুভব করেছিলেন, ইনশাআল্লাহ তিনি তাকে তা থেকেই নিষেধ করেছেন। আর এটি অর্থের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ঈসা আল-খাযযায—যিনি হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল—তিনি ইউনুস থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন, তখন তিনি নিজের পেছন থেকে সজোরে নিশ্বাস নেওয়ার শব্দ বা হাঁপানোর শব্দ শুনতে পেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে আবু বাকরাহ-কে বললেন: "তুমিই কি সেই নিশ্বাস গ্রহণকারী?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন। আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে আপনার সাথে আমার এক রাকাত ছুটে যাবে, তাই আমি দ্রুত হেঁটে এসেছি।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আল্লাহ তোমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিন তবে আর এমন করো না; যা পেয়েছ তা আদায় করো আর যা ছুটে গেছে তা পূর্ণ করো।" [উদ্ধৃতি শেষ]। এটি ইমাম বুখারী 'আল-কিরাআত' গ্রন্থে [১২৫] বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মিরদাস আবু আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ঈসা আবু খালাফ আল-খাযযায।
ইবনুল আরাবী তার 'আল-মু'জাম' গ্রন্থে [৬৩৮] বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সাগানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহীম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্কার আবু বাকরাহ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবি বাকরাহ, তিনি বলেন আমি আমার পিতাকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আবু বাকরাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে মসজিদে প্রবেশ করলেন যখন তিনি সালাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বললেন: "আমি দৌড়ে গিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাতে শরিক হলাম।" তিনি বলেন: "যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত শেষ করলেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন: দৌড়ে আসা ব্যক্তিটি কে?" আবু বাকরাহ বললেন: "আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমি।" তিনি বললেন: "আল্লাহ তোমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিন, তবে আর এমন করো না।" [উদ্ধৃতি শেষ]। এটি এমন এক সনদ যাতে দুর্বলতা রয়েছে। তবে এটি পূর্ববর্তী হাদীসের অর্থেই, ইনশাআল্লাহ।
ইবনে খুযাইমাহ আলী ইবনে হুজর হতে ইসমাঈল ইবনে জাফরের সূত্রে যা বর্ণনা করেছেন তাতে বলেছেন [১২৩]: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আল-কাসিম ইবনে রাবীআহ থেকে, তিনি সাহচর্যপ্রাপ্ত ব্যক্তি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তার ঘর থেকে বের হতেন এবং দেখতেন যে মানুষ রুকুতে চলে গেছে, তখন তিনি তাদের সাথেই রুকু করতেন এবং রুকু অবস্থায় হেলে হেলে সামনে এগুতে থাকতেন যতক্ষণ না কাতারে প্রবেশ করতেন, তারপর তিনি সেটিকে (রাকাত হিসেবে) গণ্য করতেন। [উদ্ধৃতি শেষ]। এটি একটি সহীহ সনদ, যা মারফু হাদীস নিয়ে তাদের মতভেদকে স্পষ্ট করে দেয়।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٨)
• البيهقي [2688] من طريق الوليد بن مسلم أخبرني ابن ثوبان عن أبيه عن مكحول عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام أن أبا بكر الصديق وزيد بن ثابت دخلا المسجد والإمام راكع، فركعا ثم دبا وهما راكعان حتى لحقا بالصف. اهـ هذا مرسل حسن، ابن ثوبان هو عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان. وهو عن زيد صحيح.
• বায়হাকি [২৬৮৮] ওয়ালিদ বিন মুসলিমের সূত্রে; ইবন সাওবান তাঁর পিতা থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু বকর আস-সিদ্দিক এবং যায়েদ বিন সাবিত মসজিদে প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে ইমাম রুকুতে ছিলেন। অতঃপর তাঁরা রুকু করলেন এবং রুকু অবস্থাতেই হেঁটে গিয়ে কাতারে শামিল হলেন। সমাপ্ত। এটি একটি মুরসাল হাসান বর্ণনা। ইবন সাওবান হলেন আব্দুর রহমান বিন সাবিত বিন সাওবান। আর যায়েদ থেকে বর্ণিত এই বর্ণনাটি সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ١٩)
• مالك [393] عن ابن شهاب عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه قال: دخل زيد بن ثابت المسجد فوجد الناس ركوعا، فركع ثم دب حتى وصل الصف. ابن أبي شيبة [2639] حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي أمامة أن زيد بن ثابت ركع قبل أن يصل إلى الصف ثم مشى راكعا. حرب [1184] حدثنا أبو بكر الحميدي قال: ثنا سفيان قال: ثنا الزهري قال: أنا أبو أمامة بن سهل أنه رأى زيد بن ثابت ركع دون الصف، ثم صلى راكعا حتى وصل إلى الصف. الطحاوي [2324] حدثنا يونس قال ثنا سفيان عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل قال: رأيت زيد بن ثابت دخل المسجد والناس ركوع فمشى حتى إذا أمكنه أن يصل إلى الصف وهو راكع، كبر فركع ثم دب وهو راكع حتى وصل الصف. سحنون [المدونة 1/ 166] عن ابن وهب عن يونس بن يزيد عن ابن شهاب قال أخبرني أبو أمامة بن سهل بن حنيف أنه رأى زيد بن ثابت دخل المسجد والإمام راكع فمشى حتى إذا أمكنه أن يصل إلى الصف وهو راكع كبر فركع ثم دب وهو راكع حتى وصل الصف. قال ابن وهب قال: وأخبرني رجال من أهل العلم عن القاسم بن محمد وعبد الله بن مسعود وابن شهاب مثله. رواه البيهقي من طريق ابن وهب حديث زيد. أبو جعفر الرزاز [658] حدثنا أحمد قال حدثنا شاذان قال أخبرنا سفيان بن سعيد عن الأوزاعي عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف قال: دخل زيد والإمام راكع فركع حتى استوى بالصف. ثم قال حدثنا أحمد قال حدثنا شاذان قال حدثنا سفيان عن معمر عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف قال: دخل زيد المسجد والإمام راكع فركع حتى استوى بالصف. البيهقي [5424] من طريق شاذان حدثنا سفيان بن سعيد عن معمر والأوزاعي عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف قال: دخل زيد بن ثابت المسجد والإمام راكع فركع يعني دون الصف حتى استوى في الصف. اهـ صحيح.
وقال أبو صالح كاتب الليث في نسخة إبراهيم بن سعد [1436] حدثني إبراهيم عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب قال: رأيت زيد بن ثابت إذا دخل المسجد والقوم ركوع، ركع إذا أمكنه أن يدركها، ثم يدب راكعا، حتى يصل الصف. اهـ إسناد جيد.
وقال الطحاوي [2326] حدثنا ابن أبي داود قال ثنا ابن أبي مريم قال أنا ابن أبي الزناد قال أخبرني أبي عن خارجة بن زيد بن ثابت أن زيد بن ثابت كان يركع على عتبة المسجد ووجهه إلى القبلة، ثم يمشي معترضا على شقه الأيمن ثم يعتد بها إن وصل إلى الصف أو لم يصل. اهـ كذا روى عبد الرحمن بن أبي الزناد عن أبيه. وابن أبي مريم هو سعيد بن الحكم مصري. وقال ابن سعد [6418] أخبرنا محمد بن معاوية النيسابوري قال حدثنا ابن أبي الزناد عن أبيه عن خارجة بن زيد أن زيد بن ثابت وجد الناس ركوعا فدب حتى دخل في الصف. اهـ ابن معاوية لا يحتج به.
মালিক [৩৯৩] ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: যায়েদ ইবনে সাবিত মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকদের রুকু অবস্থায় পেলেন, তখন তিনি রুকু করলেন এবং গুঁড়ি গুঁড়ি হেঁটে চললেন যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছালেন। ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৩৯] আমাদের নিকট বর্ণনা করেন ইবনে উয়াইনাহ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে যে, যায়েদ ইবনে সাবিত কাতারে পৌঁছানোর আগেই রুকু করলেন তারপর রুকু অবস্থায় হাঁটলেন। হারব [১১৮৪] আমাদের নিকট বর্ণনা করেন আবু বকর আল-হুমাইদী বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যুহরী বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু উমামাহ ইবনে সাহল জানিয়েছেন যে, তিনি যায়েদ ইবনে সাবিতকে কাতারের পেছনে রুকু করতে দেখেছেন, তারপর তিনি রুকু অবস্থায় অগ্রসর হলেন যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছালেন। তাহাবী [২৩২৪] আমাদের নিকট বর্ণনা করেন ইউনুস থেকে, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেন যুহরী থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল থেকে, তিনি বলেন: আমি যায়েদ ইবনে সাবিতকে দেখেছি যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকেরা রুকু অবস্থায় ছিল, তখন তিনি হাঁটলেন এবং যখন তার পক্ষে রুকু অবস্থায় কাতারে পৌঁছানো সম্ভব হলো, তিনি তাকবীর দিলেন ও রুকু করলেন, তারপর রুকু অবস্থাতেই গুঁড়ি গুঁড়ি হেঁটে কাতারে পৌঁছালেন। সাহনুন [আল-মুদাওওয়ানাহ ১/১৬৬] ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আবু উমামাহ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি যায়েদ ইবনে সাবিতকে দেখেছেন যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন আর ইমাম রুকু অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি হাঁটলেন এবং যখন রুকু অবস্থায় কাতারে পৌঁছানো সম্ভব হলো তিনি তাকবীর দিলেন ও রুকু করলেন, তারপর রুকু অবস্থাতেই গুঁড়ি গুঁড়ি হেঁটে কাতারে পৌঁছালেন। ইবনে ওয়াহাব বলেন: ইলম অন্বেষণকারী একদল ব্যক্তি কাসিম ইবনে মুহাম্মদ, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ এবং ইবনে শিহাব থেকে আমার কাছে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। বাইহাকী ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে যায়েদ-এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবু জাফর আর-রাজজাজ [৬৫৮] আমাদের নিকট বর্ণনা করেন আহমদ থেকে, তিনি বলেন আমাদের নিকট শাযান বর্ণনা করেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে সাঈদ সংবাদ দিয়েছেন আওযাঈ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ থেকে, তিনি বলেন: যায়েদ প্রবেশ করলেন যখন ইমাম রুকুতে ছিলেন, তখন তিনি রুকু করলেন যতক্ষণ না কাতারের সাথে সমান হলেন। তারপর তিনি বললেন আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন শাযান থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ থেকে, তিনি বলেন: যায়েদ মসজিদে প্রবেশ করলেন যখন ইমাম রুকুতে ছিলেন, তখন তিনি রুকু করলেন যতক্ষণ না কাতারের সাথে সমান হলেন। বাইহাকী [৫৪২৪] শাযানের সূত্রে সুফিয়ান ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মা’মার ও আওযাঈ থেকে, তারা যুহরী থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যায়েদ ইবনে সাবিত মসজিদে প্রবেশ করলেন যখন ইমাম রুকুতে ছিলেন, তখন তিনি রুকু করলেন—অর্থাৎ কাতারের পেছনে—যতক্ষণ না কাতারের মধ্যে সমান হয়ে দাঁড়ালেন। সমাপ্ত। এটি সহীহ।
লাইসের লেখক আবু সালিহ ইব্রাহিম ইবনে সা'দের পাণ্ডুলিপিতে [১৪৩৬] বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে শিহাব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেন, তিনি কাবিদাহ ইবনে যুয়াইব থেকে, তিনি বলেন: আমি যায়েদ ইবনে সাবিতকে দেখেছি যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন আর লোকেরা রুকু অবস্থায় থাকত, তখন তিনি রুকু করতেন যখনই সেটি ধরা তার পক্ষে সম্ভব হতো, তারপর তিনি রুকু অবস্থায় গুঁড়ি গুঁড়ি হাঁটতেন যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছাতেন। সমাপ্ত। এর সনদ জাইয়্যিদ (উত্তম)।
তাহাবী [২৩২৬] বলেছেন, আমাদের নিকট ইবনে আবি দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে আবি মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে আবিয যিনাদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাকে আমার পিতা খারিজাহ ইবনে যায়েদ ইবনে সাবিত থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, যায়েদ ইবনে সাবিত মসজিদের দোরগোড়ায় রুকু করতেন এবং তার মুখ কিবলার দিকে থাকত, তারপর তিনি তার ডান পাশ দিয়ে আড়াআড়িভাবে হাঁটতেন, এরপর তিনি সেই রাকাতটি গণনা করতেন চাই তিনি কাতারে পৌঁছান বা না পৌঁছান। সমাপ্ত। এভাবেই আব্দুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে আবি মারইয়াম হলেন সাঈদ ইবনে হাকাম মিসরী। ইবনে সা'দ [৬৪১৮] বলেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে মুয়াবিয়া নিসাবুরী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে আবিয যিনাদ তার পিতা থেকে, তিনি খারিজাহ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন যে, যায়েদ ইবনে সাবিত লোকদের রুকু অবস্থায় পেলেন এবং গুঁড়ি গুঁড়ি হেঁটে কাতারের ভেতরে প্রবেশ করলেন। সমাপ্ত। ইবনে মুয়াবিয়া দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নন।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
• ابن أبي شيبة [2640] حدثنا وكيع عن عبيد الله بن عبد الرحمن بن موهب عن كثير بن أفلح عن زيد بن ثابت أنه دخل والقوم ركوع، فركع دون الصف، ثم دخل في الصف. اهـ صحيح.
• ইবনে আবী শায়বাহ [২৬৪০] আমাদের নিকট ওয়াকি বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মাওহাব থেকে, তিনি কাসীর বিন আফলাহ থেকে, তিনি জায়েদ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (মসজিদে) প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে লোকজন রুকুতে ছিল, তখন তিনি কাতারের পূর্বেই রুকু করলেন, অতঃপর কাতারে প্রবেশ করলেন। সমাপ্ত। সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢١)
• عبد الرزاق [3380] عن ابن جريج عن سعد بن إبراهيم أن زيد بن ثابت كان يركع ثم يتمشى راكعا. اهـ حسن صحيح.
• আবদুর রাজ্জাক [৩৩৮০], ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি সাদ বিন ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে, যায়েদ বিন সাবিত রুকু করতেন, অতঃপর তিনি রুকু অবস্থাতেই হাঁটতেন। সমাপ্ত। হাসান সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
• عبد الرزاق [3381] عن الثوري عن منصور عن زيد بن وهب قال: دخلت أنا وابن مسعود المسجد والإمام راكع فركعنا ثم مضينا حتى استوينا في الصف فلما فرغ الإمام قمت أصلي فقال قد أدركته. ابن أبي شيبة [2637] حدثنا أبو الأحوص عن منصور عن زيد بن وهب قال: خرجت مع عبد الله من داره إلى المسجد فلما توسطنا المسجد ركع الإمام فكبر عبد الله ثم ركع وركعت معه، ثم مشينا راكعين حتى انتهينا إلى الصف حتى رفع القوم رؤوسهم. قال: فلما قضى الإمام الصلاة قمت أنا أرى أني لم أدرك فأخذ بيدي عبد الله فأجلسني وقال: إنك قد أدركت. ابن المنذر [2024] حدثنا علي بن الحسن قال ثنا عبد الله عن سفيان قال حدثني منصور عن زيد بن وهب قال: جئت أنا وعبد الله بن مسعود والإمام يعني راكع فركعنا حتى استوينا بالصف فلما سلم الإمام فقمت أقضي قال لي عبد الله: إنك قد أدركت. الطحاوي [2322] حدثنا محمد بن عمرو بن يونس قال ثنا يحيى بن عيسى عن سفيان عن منصور عن زيد بن وهب قال: دخلت المسجد أنا وابن مسعود فأدركنا الإمام وهو راكع فركعنا ثم مشينا حتى استوينا بالصف. فلما قضى الإمام الصلاة قمت لأقضي فقال عبد الله: قد أدركت الصلاة. الطبراني [9353] حدثنا محمد بن النضر الأزدي ثنا معاوية بن عمرو ثنا زائدة عن منصور عن زيد بن وهب قال: دخلت أنا وعبد الله المسجد، والقوم ركوع فركعنا ثم مشينا حتى دخلنا في القوم فرفعوا رءوسهم ورفعنا معهم، فلما أن فرغنا من الصلاة قمت لأقضي فحدثني عبد الله فقال: قد أتممت الصلاة. ثم قال حدثنا علي بن عبد العزيز ثنا حجاج بن المنهال ثنا أبو عوانة عن منصور عن زيد بن وهب قال: دخلت المسجد مع ابن مسعود والناس ركوع فركع وركعت معه، ومشينا راكعين فانتهينا إلى الصف فرفعوا رءوسهم فصلينا صلاتنا، فلما سلم الإمام ظننت أن قد فاتتني فقمت لأقضي فجذبني ابن مسعود وقال: إنك قد أدركت.
البيهقي [2690] من طريق سعيد بن منصور حدثنا أبو الأحوص حدثنا منصور عن زيد بن وهب قال: خرجت مع عبد الله يعني ابن مسعود من داره إلى المسجد فلما توسطنا المسجد ركع الإمام، فكبر عبد الله وركع وركعت معه، ثم مشينا راكعين حتى انتهينا إلى الصف حين رفع القوم رءوسهم، فلما قضى الإمام الصلاة قمت وأنا أرى أني لم أدرك، فأخذ عبد الله بيدي وأجلسني، ثم قال: إنك قد أدركت. اهـ صحيح.
আবদুর রাজ্জাক [৩৩৮১] সাওরি থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এবং ইবনে মাসউদ মসজিদে প্রবেশ করলাম এমতাবস্থায় যে ইমাম রুকুতে ছিলেন। তখন আমরা রুকু করলাম এবং সামনে এগিয়ে গেলাম যতক্ষণ না আমরা কাতারে বরাবর হলাম। যখন ইমাম (সালাত) শেষ করলেন, আমি (ছুটে যাওয়া অংশ) আদায় করতে দাঁড়ালাম, তখন তিনি বললেন, তুমি তা পেয়েছো। ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৩৭] আমাদের কাছে আবু আহওয়াস বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহর (ইবনে মাসউদ) সাথে তাঁর ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হলাম। যখন আমরা মসজিদের মাঝামাঝি পৌঁছালাম, ইমাম রুকু করলেন। তখন আবদুল্লাহ তাকবির দিলেন এবং রুকু করলেন, আর আমিও তাঁর সাথে রুকু করলাম। এরপর আমরা রুকু অবস্থায় হাঁটলাম যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছালাম এবং লোকজন তাদের মাথা তুলল। তিনি বলেন: যখন ইমাম সালাত শেষ করলেন, আমি দাঁড়ালাম এই মনে করে যে আমি (রাকাতটি) পাইনি। তখন আবদুল্লাহ আমার হাত ধরে আমাকে বসিয়ে দিলেন এবং বললেন: তুমি নিশ্চয়ই তা পেয়েছো। ইবনুল মুনযির [২০২৪] আলী ইবনুল হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন আমার কাছে মানসুর বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি এবং আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আসলাম এমতাবস্থায় যে ইমাম রুকুতে ছিলেন। আমরা রুকু করলাম যতক্ষণ না কাতারে বরাবর হলাম। যখন ইমাম সালাম ফিরালেন, আমি (ছুটে যাওয়া অংশ) পূর্ণ করতে দাঁড়ালাম। আবদুল্লাহ আমাকে বললেন: তুমি নিশ্চয়ই তা পেয়েছো। তাহাবি [২৩২২] মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে ইউনুস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এবং ইবনে মাসউদ মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং ইমামকে রুকু অবস্থায় পেলাম। তখন আমরা রুকু করলাম এবং হেঁটে গেলাম যতক্ষণ না কাতারে বরাবর হলাম। যখন ইমাম সালাত শেষ করলেন, আমি কাজা (ছুটে যাওয়া অংশ) আদায় করতে দাঁড়ালাম। তখন আবদুল্লাহ বললেন: তুমি সালাত (রাকাতটি) পেয়ে গেছো। তাবারানি [৯৩৫৩] মুহাম্মদ ইবনে নাদর আল-আজদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া ইবনে আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যায়েদা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি এবং আবদুল্লাহ মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং লোকজন রুকুতে ছিল। আমরা রুকু করলাম, তারপর হেঁটে গিয়ে লোকজনের মধ্যে প্রবেশ করলাম। এরপর তারা মাথা তুলল এবং আমরাও তাদের সাথে মাথা তুললাম। যখন আমরা সালাত শেষ করলাম, আমি কাজা আদায় করতে দাঁড়ালাম। তখন আবদুল্লাহ আমার সাথে কথা বললেন এবং বললেন: তুমি সালাত পূর্ণ করেছো। অতঃপর তিনি বলেন, আলী ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনুল মিনহাল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদের সাথে মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং লোকজন রুকুতে ছিল। তিনি রুকু করলেন এবং আমিও তাঁর সাথে রুকু করলাম। আমরা রুকু অবস্থায় হাঁটলাম এবং কাতারে পৌঁছালাম। তারপর তারা মাথা তুলল এবং আমরা আমাদের সালাত আদায় করলাম। যখন ইমাম সালাম ফিরালেন, আমি ভাবলাম যে আমার (রাকাতটি) ছুটে গেছে, তাই আমি পূর্ণ করতে দাঁড়ালাম। তখন ইবনে মাসউদ আমাকে টেনে ধরলেন এবং বললেন: তুমি নিশ্চয়ই তা পেয়েছো।
বায়হাকি [২৬৯০] সাঈদ ইবনে মানসুরের সূত্র থেকে; আমাদের কাছে আবু আহওয়াস বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মানসুর বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে মাসউদের সাথে তাঁর ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হলাম। যখন আমরা মসজিদের মাঝামাঝি পৌঁছালাম, ইমাম রুকু করলেন। আবদুল্লাহ তাকবির দিলেন এবং রুকু করলেন, আর আমিও তাঁর সাথে রুকু করলাম। এরপর আমরা রুকু অবস্থায় হাঁটলাম যতক্ষণ না কাতারে পৌঁছালাম যখন লোকজন তাদের মাথা তুলল। যখন ইমাম সালাত শেষ করলেন, আমি দাঁড়ালাম এমতাবস্থায় যে আমি মনে করছিলাম আমি (রাকাতটি) পাইনি। তখন আবদুল্লাহ আমার হাত ধরে আমাকে বসিয়ে দিলেন, অতঃপর বললেন: তুমি নিশ্চয়ই তা পেয়েছো। ইতি। সহিহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
• ابن أبي شيبة [2638] حدثنا إسماعيل ابن علية عن أيوب عن ابن سيرين أن أبا عبيدة جاء والقوم ركوع فركع دون الصف، ثم مشى حتى دخل في الصف، ثم حدث عن أبيه بمثل ذلك. اهـ مرسل صحيح.
• ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৩৮] আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে যে, আবু উবাইদাহ আসলেন এমতাবস্থায় যখন লোকজন রুকুতে ছিল, অতঃপর তিনি কাতারের পেছনেই রুকু করলেন, তারপর হেঁটে গিয়ে কাতারে প্রবেশ করলেন। এরপর তিনি তাঁর পিতা থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত। মুরসাল সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
• البخاري في الأدب [1049] حدثنا أبو نعيم عن بشير بن سلمان عن سيار أبي الحكم عن طارق قال: كنا عند عبد الله جلوسا فجاء آذنه قد قامت الصلاة فقام وقمنا معه فدخلنا المسجد فرأى الناس ركوعا في مقدم المسجد فكبر وركع ومشينا وفعلنا مثل ما فعل فمر رجل مسرع فقال: عليكم السلام يا أبا عبد الرحمن. فقال: صدق الله وبلغ رسوله. فلما صلينا رجع فولج على أهله وجلسنا في مكاننا ننتظره حتى يخرج فقال بعضنا لبعض: أيكم يسأله؟ قال طارق: أنا أسأله. فسأله فقال عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: بين يدي الساعة تسليم الخاصة وفشو التجارة حتى تعين المرأة زوجها على التجارة وقطع الأرحام وفشو القلم وظهور الشهادة بالزور وكتمان شهادة الحق. الطحاوي [2323] حدثنا فهد قال ثنا أبو نعيم قال ثنا بشير بن سليمان قال حدثني سيار أبو الحكم عن طارق قال: كنا مع ابن مسعود جلوسا فجاء آذنه فقال: قد قامت الصلاة، فقام وقمنا فدخل المسجد، فرأى الناس ركوعا في مقدم المسجد فكبر فركع ومشى وفعلنا مثل ما فعل. اهـ ورواه أحمد وصححه الحاكم والذهبي وغيرهما، يأتي في اللباس.
আল-বুখারি ‘আল-আদাব’ গ্রন্থে [১০৪৯] বর্ণনা করেছেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বশির ইবনে সালমান থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি সাইয়্যার আবু আল-হাকাম থেকে, তিনি তারিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় তাঁর ঘোষক এসে সংবাদ দিলেন যে সালাত শুরু হয়ে গেছে। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। আমরা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তিনি মসজিদের সম্মুখভাগে লোকজনকে রুকু অবস্থায় দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকবীর প্রদান করে রুকুতে গেলেন এবং আমরাও হাঁটলাম ও তিনি যা করলেন আমরাও অনুরূপ করলাম। তখন এক ব্যক্তি দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় বলল: ‘আসসালামু আলাইকুম, হে আবু আবদুর রহমান’। উত্তরে তিনি বললেন: ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর রাসূল তা পৌঁছে দিয়েছেন’। আমরা যখন সালাত শেষ করলাম, তিনি ফিরে নিজ পরিবারের নিকট প্রবেশ করলেন এবং আমরা আমাদের স্থানে বসে তাঁর বেরিয়ে আসার অপেক্ষা করতে লাগলাম। আমরা একে অপরকে বললাম: ‘তোমাদের মধ্যে কে তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবে?’ তারিক বললেন: ‘আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করব’। অতঃপর তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করলেন, তিনি বলেছেন: ‘কিয়ামতের আগে কেবল বিশেষ বা পরিচিত ব্যক্তিদের সালাম দেওয়া হবে, ব্যবসার ব্যাপক বিস্তার ঘটবে এমনকি স্ত্রী তার স্বামীকে ব্যবসায় সহযোগিতা করবে, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে, কলমের (লেখার) প্রসার ঘটবে, মিথ্যা সাক্ষ্যের প্রকাশ ঘটবে এবং সত্য সাক্ষ্য গোপন করা হবে’। আত-তহাবি [২৩২৩] বর্ণনা করেছেন: ফাহদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বশির ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সাইয়্যার আবু আল-হাকাম আমার নিকট তারিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা ইবনে মাসউদের সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম, তখন তাঁর ঘোষক এসে বললেন: সালাত শুরু হয়ে গেছে। তিনি দাঁড়ালেন এবং আমরাও দাঁড়ালাম। এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন। মসজিদের সম্মুখভাগে লোকজনকে রুকু অবস্থায় দেখে তিনি তাকবীর দিলেন এবং রুকু করলেন ও হাঁটলেন, আর তিনি যা করলেন আমরাও অনুরূপ করলাম। সমাপ্ত। এটি ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন এবং হাকেম ও যাহাবি সহ অন্যান্যরা একে সহিহ বলেছেন। এটি সামনে ‘পোশাক’ (লিবাস) অধ্যায়ে আসবে।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
• عبد الرزاق [3382] عن معمر عن قتادة أن ابن مسعود قال: لا بأس أن تركع دون الصف. اهـ مرسل.
• আবদুর রাজ্জাক [৩৩৮২], মা'মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে মাসউদ বলেছেন: কাতারে পৌঁছানোর পূর্বেই রুকু করাতে কোনো অসুবিধা নেই। সমাপ্ত—মুরসাল।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
• الطبراني [9357] حدثنا علي بن عبد العزيز ثنا حجاج بن المنهال ثنا حماد بن سلمة عن الحجاج عن عبد الله بن يزيد النخعي عن زيد بن أحمر عن ابن مسعود قال: إذا ركع أحدكم فمشى إلى الصف قبل أن يرفعوا رءوسهم فإنه يعتد بها، وإن رفعوا رءوسهم قبل أن يصل إلى الصف فلا يعتد بها. اهـ صوابه يزيد بن أحمر وثقه ابن حبان، وحجاج يدلس.
• আত-তাবারানি [৯৩৫৭] আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ বিন আল-মিনহাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ থেকে, আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আন-নাখয়ি থেকে, যায়েদ বিন আহমার থেকে, ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তোমাদের কেউ যখন রুকু করে এবং তারা (অন্যান্য মুসল্লিরা) মাথা তোলার আগেই হেঁটে কাতারে শামিল হয়, তবে তা গণ্য হবে। আর যদি সে কাতারে পৌঁছানোর আগেই তারা মাথা তুলে ফেলে, তবে তা গণ্য হবে না। সমাপ্ত। সঠিক হলো ইয়াজিদ বিন আহমার, ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং হাজ্জাজ তাদলীস করেন।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
• عبد الرزاق [3383] عن ابن جريج عن كثير بن كثير عن أبيه عن ابن الزبير أنه علم الناس على المنبر يقول ليركع ثم ليمش راكعا وإنه رأى ابن الزبير يفعله. اهـ هذا إسناد صحيح. وقال الطبراني [الأوسط 7016] حدثنا محمد بن نصر ثنا حرملة بن يحيى نا ابن وهب أخبرني ابن جريج عن عطاء أنه سمع ابن الزبير على المنبر يقول: إذا دخل أحدكم المسجد والناس ركوع فليركع حين يدخل ثم يدب راكعا حتى يدخل في الصف فإن ذلك السنة قال عطاء وقد رأيته يصنع ذلك. قال ابن جريج: وقد رأيت عطاء يصنع ذلك. البيهقي [5423] أخبرنا أبو عبد الله الحافظ أخبرني أبو الحسين عبيد الله بن محمد بن البلخي التاجر ببغداد حدثنا محمد بن إسماعيل السلمي حدثنا سعيد بن الحكم بن أبي مريم أخبرني عبد الله بن وهب أخبرني ابن جريج عن عطاء بن أبي رباح أنه سمع عبد الله بن الزبير على المنبر يقول للناس: إذا دخل أحدكم المسجد والناس ركوع فليركع حين يدخل ثم ليدب راكعا حتى يدخل في الصف فإن ذلك السنة. قال عطاء وقد رأيته هو يفعل ذلك. اهـ صحيح.
وقال ابن أبي شيبة [2646] حدثنا عبيد الله عن عثمان بن الأسود قال: دخلت أنا وعمرو بن تميم المسجد فركع الإمام فركعت أنا وهو ومشينا راكعين حتى دخلنا الصف، فلما قضينا الصلاة، قال لي عمرو: الذي صنعت آنفا ممن سمعته؟ قلت: من مجاهد
(1) قال: قد رأيت ابن الزبير فعله. اهـ صحيح.
--------------------------------------------
আবদুর রাজ্জাক [৩৩৮৩] ইবনু জুরাইজ থেকে, তিনি কাসীর ইবনু কাসীর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইবনুয যুবাইর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মিম্বরের ওপর লোকদের শিক্ষা দিচ্ছিলেন। তিনি বলতেন: সে যেন রুকু করে, অতঃপর রুকু অবস্থায় হেঁটে যায়। আর তিনি ইবনুয যুবাইরকে তা করতে দেখেছেন। সমাপ্ত। এই সনদটি সহীহ। এবং তাবারানী [আল-আওসাত ৭০১৬] বলেন: মুহাম্মাদ ইবনু নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু জুরাইজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আতা থেকে, তিনি ইবনুয যুবাইরকে মিম্বরের ওপর বলতে শুনেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে আর লোকজন রুকু অবস্থায় থাকে, সে যেন প্রবেশের সময়ই রুকু করে, অতঃপর রুকু অবস্থায় হেঁটে যায় যতক্ষণ না কাতারে শামিল হয়; কেননা এটাই সুন্নাহ।" আতা বলেন: আমি তাকে তা করতে দেখেছি। ইবনু জুরাইজ বলেন: আমি আতাকে তা করতে দেখেছি। বায়হাকী [৫৪২৩] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন উবাইদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল বালখী আল-তাজির বাগদাদে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইল আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনুল হাকাম ইবনু আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু জুরাইজ আমাকে আতা ইবনু আবি রাবাহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইরকে মিম্বরের ওপর লোকদের উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে আর লোকজন রুকু অবস্থায় থাকে, সে যেন প্রবেশের সময়ই রুকু করে, অতঃপর রুকু অবস্থায় হেঁটে যায় যতক্ষণ না কাতারে শামিল হয়; কেননা এটাই সুন্নাহ।" আতা বলেন: আমি তাকে এটি করতে দেখেছি। সমাপ্ত। সহীহ।
এবং ইবনু আবি শাইবাহ [২৬৪৬] বলেন: উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট উসমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং আমর ইবনু তামীম মসজিদে প্রবেশ করলাম। ইমাম রুকু করলেন, তখন আমিও রুকু করলাম এবং সেও রুকু করল, আর আমরা রুকু অবস্থায় হেঁটে গেলাম যতক্ষণ না কাতারে শামিল হলাম। যখন আমরা সালাত শেষ করলাম, তখন আমর আমাকে বললেন: "তুমি একটু আগে যা করলে তা কার নিকট থেকে শুনেছ?" আমি বললাম: মুজাহিদ
(১) থেকে। তিনি বললেন: আমি ইবনুয যুবাইরকে তা করতে দেখেছি। সমাপ্ত। সহীহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
• ابن أبي شيبة [2648] حدثنا أبو خالد الأحمر عن محمد بن عجلان عن الأعرج عن أبي هريرة قال: لا تكبر حتى تأخذ مقامك من الصف. ثم قال [2651] حدثنا يحيى بن سعيد عن محمد بن عجلان عن الأعرج عن أبي هريرة قال: إذا دخلت والإمام راكع فلا تركع حتى تأخذ مقامك من الصف. مسدد [435] حدثنا يحيى عن ابن عجلان حدثني الأعرج عن أبي هريرة في الرجل يدخل المسجد والقوم ركوع يكبر؟ قال: لا، حتى تأخذ مقامك في الصف. ابن المنذر [1994] حدثنا أبو جعفر محمد بن بكر الرازي قال ثنا خالد بن يوسف بن خالد السمتي قال ثنا عبد الله بن رجاء المكي عن ابن عجلان عن الأعرج عن أبي هريرة. ابن المنذر [1997] حدثنا موسى بن هارون قال ثنا مجاهد بن موسى قال ثنا يحيى قال ثنا ابن عجلان عن الأعرج عن أبي هريرة في الرجل يدخل المسجد وهم ركوع قال: لا حتى تأخذ مكانك من الصف. اهـ صححه ابن حجر في المطالب.
وقال البخاري [القراءة 93] حدثنا مسدد وموسى بن إسماعيل ومعقل بن مالك قالوا حدثنا أبو عوانة عن محمد بن إسحاق عن الأعرج عن أبي هريرة قال: لا يجزئك إلا أن تدرك الإمام قائما. ثم قال [173] حدثنا معقل بن مالك قال: حدثنا أبو عوانة عن محمد بن إسحاق عن عبد الرحمن الأعرج عن أبي هريرة قال: إذا أدركت القوم ركوعا لم تعتد بتلك الركعة. وقال [القراءة 94] حدثنا عبيد بن يعيش قال حدثنا يونس قال حدثنا ابن إسحاق قال أخبرني الأعرج قال: سمعت أبا هريرة يقول: لا يجزئك إلا أن تدرك الإمام قائما قبل أن يركع. اهـ حسن صحيح.
ইবনে আবি শায়বাহ [২৬৪৮] আবু খালিদ আল-আহমার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তুমি তাকবীর বলবে না যতক্ষণ না কাতারে তোমার স্থান গ্রহণ করো। অতঃপর তিনি বলেন [২৬৫১] ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তুমি যখন প্রবেশ করবে এবং ইমাম রুকু অবস্থায় থাকবেন, তখন তুমি রুকু করবে না যতক্ষণ না কাতারে তোমার স্থান গ্রহণ করো। মুসাদ্দাদ [৪৩৫] ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে মসজিদে প্রবেশ করে এবং লোকজন রুকু অবস্থায় থাকে, সে কি তাকবীর বলবে? তিনি বললেন: না, যতক্ষণ না তুমি কাতারে তোমার স্থান গ্রহণ করো। ইবনুল মুনযির [১৯৯৪] আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন বকর আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট খালিদ বিন ইউসুফ বিন খালিদ আস-সামতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন রাজা আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে। ইবনুল মুনযির [১৯৯৭] মুসা বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুজাহিদ বিন মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে আজলান বর্ণনা করেছেন আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে মসজিদে প্রবেশ করে এবং তারা রুকু অবস্থায় থাকে, তিনি বলেন: না, যতক্ষণ না তুমি কাতারে তোমার স্থান গ্রহণ করো। সমাপ্ত। ইবনে হাজার আল-মাতালিব গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন।
এবং বুখারী [আল-কিরাআহ ৯৩] বলেছেন, মুসাদ্দাদ, মুসা বিন ইসমাঈল এবং মাকিল বিন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন আমাদের নিকট আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইমামকে দাঁড়ানো অবস্থায় পাওয়া ছাড়া তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে না। অতঃপর তিনি বলেন [১৭৩] মাকিল বিন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আব্দুর রহমান আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যদি তুমি লোকজনকে রুকু অবস্থায় পাও, তবে সেই রাকাতটি গণনা করবে না। এবং তিনি [আল-কিরাআহ ৯৪] বলেছেন, উবাইদ বিন ইয়াইশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে আল-আ'রাজ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরাইরাহ-কে বলতে শুনেছি: ইমাম রুকু করার পূর্বে তাকে দাঁড়ানো অবস্থায় পাওয়া ছাড়া তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে না। সমাপ্ত। হাসান সহীহ।
(খণ্ড: ٧)
আল-আতীক মুসান্নাফ জামিউ লিফাতাওয়া আসহাবিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
• البخاري [القراءة 95] حدثنا عبد الله بن صالح قال حدثني الليث قال حدثني جعفر بن ربيعة عن عبد الرحمن بن هرمز قال: قال أبو سعيد: لا يركع أحدكم حتى يقرأ بأم القرآن
(1) اهـ صحيح.
--------------------------------------------
• আল-বুখারী [আল-কিরাআত ৯৫] আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-লাইস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জাফর ইবনে রাবিআহ আবদুর রহমান ইবনে হুরমুজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন রুকু না করে যতক্ষণ না সে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করে।
(১) সমাপ্ত। সহীহ।
--------------------------------------------