(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: -)
بغية الإيضاح لتلخيص المفتاح في علوم البلاغة القسم: البلاغة
الكتاب: بغية الإيضاح لتلخيص المفتاح في علوم البلاغة
المؤلف: عبد المتعال الصعيدي (ت 1391 هـ)
الناشر: مكتبة الآداب
الطبعة: السابعة عشر: 1426 هـ-2005 م
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বুগয়াতুল ইদাহ লি তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ বিভাগ: অলঙ্কারশাস্ত্র (বালাগাহ)
বই: বুগয়াতুল ইদাহ লি তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
লেখক: আব্দুল মুতাআল আস-সাইদী (মৃ. ১৩৯১ হিজরী)
প্রকাশক: মাকতাবাতুল আদাব
সংস্করণ: সপ্তদশ: ১৪২৬ হিজরী-২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[بغية الإيضاح لتلخيص المفتاح في علوم البلاغة]ـ
المؤلف: عبد المتعال الصعيدي
الناشر: مكتبة الآداب
الطبعة: السابعة عشر: 1426هـ-2005م
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو مذيل بالحواشي]
[বুগইয়াতুল ইজাহ লি তালখিসিল মিফতাহ ফি উলুমিল বালাগাহ]
লেখক: আব্দুল মুতাআল আল-সাইদি
প্রকাশক: মাকতাবাতুল আদাব
সংস্করণ: সপ্তদশ: ১৪২৬ হিজরি-২০০৫ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ এবং এটি পাদটীকা সংবলিত]
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
المجلد الأول
باب المقدمات
تقديم: للشارحبسم الله الرحمن الرحيم
تقديم للشارح المغفور له الشيخ عبد المتعال الصعيدي:
"1313هـ-1383هـ = 1894م-1966م":
أردت -قبل الشروع في شرح كتاب "الإيضاح لتلخيص المفتاح" لأبي عبد الله محمد بن عبد الرحمن المعروف بالخطيب القزويني "المتوفى 739هـ"، بكتابي "بغية الإيضاح لتلخيص المفتاح"- أن أضع هذا التقديم؛ لأبين فيه منزلة كتاب الإيضاح بين كتب البلاغة، ولماذا آثرته من بينها بشرحي له؟
والكلام في هذا يرجع بي إلى المدرسة التي ينتمي إليها كتاب الإيضاح من بين مدارس علوم البلاغة، وهي مدرسة الشيخ الإمام عبد القاهر الجرجاني "المتوفى 471هـ" الذي ذهب بالشهرة في هذه العلوم، حتى عدّوه بحق شيخ البلاغة؛ لأنه هو الذي وضع أساسها الصحيح بكتابيه "دلائل الإعجاز" و"أسرار البلاغة"، وكان يسمي مسائل البلاغة علم البيان، وقد ذكر أن هذا العلم لقي من الضيم ما لقي، ودخل على الناس من الغلط في معناه ما دخل، فأراد أن يوفيه حقه ويقرر قواعده تقريرا يليق به، فوضع فيه هذين الكتابين.
وهو يسميه علم البيان بالمعنى الذي يشمل علوم البلاغة الثلاثة الآتية: المعاني، والبيان، والبديع؛ لأن البيان هو المنطق الفصيح المُعْرِب عما في الضمير، والعلوم الثلاثة لها تعلّق بالكلام الفصيح تصحيحا وتحسينا، على ما سيأتي من الفرق بينهما في ذلك، وإذا كان عبد القاهر لم يفصح عن هذا الفرق بين مباحثها، فقد أشار إليها بتخصيص كتابه "دلائل الإعجاز" لمباحث نظم الكلام؛ من ذكر وحذف وتقديم وتأخير ونحوها؛ فإنه لا يتعرض لغيرها فيه إلا نادرا، وهذه المباحث هي مباحث
প্রথম খণ্ডউপক্রমণিকা অধ্যায়ভূমিকা: ব্যাখ্যাকারকের পক্ষ থেকেপরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
মরহুম ব্যাখ্যাকারক শায়খ আবদুল মুতাআল আল-সাঈদী (১৮৯৪ খ্রি.-১৯৬৬ খ্রি. = ১৩১৩ হি.-১৩৮৩ হি.) এর ভূমিকা:
"১৩১৩ হি.-১৩৮৩ হি. = ১৮৯৪ খ্রি.-১৯৬৬ খ্রি.":
আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান, যিনি খতিব আল-কাজউইনী (মৃত্যু ৭৩৯ হি.) নামে পরিচিত, তাঁর রচিত "আল-ঈজাহ লি তালখিস আল-মিফতাহ" গ্রন্থের ব্যাখ্যাগ্রন্থ "বুগয়াত আল-ঈজাহ লি তালখিস আল-মিফতাহ" শুরু করার আগে আমি এই ভূমিকাটি লিখতে চেয়েছি; যাতে অলঙ্কারশাস্ত্রের (বালাগাত) গ্রন্থসমূহের মধ্যে "আল-ঈজাহ" গ্রন্থের মর্যাদা স্পষ্ট করতে পারি এবং কেন আমি ব্যাখ্যার জন্য এই গ্রন্থটিকেই অন্য সব গ্রন্থের উপর প্রাধান্য দিলাম, তা ব্যক্ত করতে পারি।
এ বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে আমাকে অলঙ্কারশাস্ত্রের সেই ধারার (স্কুল) দিকে ফিরে যেতে হয়, যার অন্তর্ভুক্ত হলো এই "আল-ঈজাহ" গ্রন্থটি। এটি ইমাম শায়খ আবদুল কাহের আল-জুরজানী (মৃত্যু ৪৭১ হি.)-র ধারা, যিনি এই বিদ্যায় এতটাই খ্যাতি অর্জন করেছিলেন যে, তাঁকে যথাযথভাবেই অলঙ্কারশাস্ত্রের দিকপাল (শায়খুল বালাগাত) হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ তিনিই তাঁর "দালায়িলুল ইজায" এবং "আসরারুল বালাগাত" গ্রন্থদ্বয়ের মাধ্যমে এর সঠিক ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি অলঙ্কারশাস্ত্রের বিষয়াবলিকে "ইলমে বয়ান" নামে অভিহিত করতেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই বিদ্যাটি নানাভাবে উপেক্ষিত হয়েছে এবং এর অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে নানাবিধ ভুল ধারণা প্রবেশ করেছে। তাই তিনি এর হক আদায় করতে এবং এর নিয়মকানুনগুলোকে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যেই তিনি এই গ্রন্থ দুটি রচনা করেন।
তিনি "ইলমে বয়ান" বলতে এমন এক ব্যাপক অর্থ বুঝিয়েছেন যা অলঙ্কারশাস্ত্রের পরবর্তী তিনটি শাখাকেই অন্তর্ভুক্ত করে: যথা— ইলমে মাআনি, ইলমে বয়ান এবং ইলমে বাদী। কেননা "বয়ান" হলো সেই সাবলীল ও স্পষ্ট ভাষা যা মনের ভাবকে ব্যক্ত করে। আর এই তিনটি শাস্ত্রই সাবলীল বাক্যকে শুদ্ধ ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করার সাথে সংশ্লিষ্ট, যার পার্থক্য সামনে বিস্তারিত আসছে। যদিও আবদুল কাহের এদের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেননি, তবে তিনি তাঁর "দালায়িলুল ইজায" গ্রন্থটিকে "নাযমুল কালাম" বা বাক্য গঠনরীতির আলোচনার জন্য—যেমন উল্লেখ করা (যিকর), উহ্য রাখা (হাফয), আগে আনা (তাকদীম), পরে নেওয়া (তা’খীর) ইত্যাদি—জন্য নির্দিষ্ট করার মাধ্যমে সেদিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি এই গ্রন্থে সচরাচর এগুলো ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনা করেননি। আর এই বিষয়গুলোই হলো...
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
علم المعاني، وبتخصيص كتابه "أسرار البلاغة" لمباحث الدلالة من الحقيقة والمجاز والتشبيه والاستعارة ونحوها، وهذه المباحث هي مباحث علم البيان بمعناه الذي صار إليه أخيرا، ثم ذكر المحسِّنات التي اختص بها أخيرا علم البديع، وأشار إلى منزلتها من البلاغة من رجوعها إلى التحسين لا غير، فلا تُطلَب فيها على سبيل الوجوب كما يُطلَب ما يتعلق منها بالنظم والدلالة، وقد ذهب إلى أن الحسن لا يمكن أن يكون للّفظ في ذاته من غير نظر إلى المعنى، حتى ما يُتوهم في بدء الفكرة أن الحسن فيه لا يتعدى اللفظ والجرس كالتجنيس؛ لأنك لا تستحسن تجانس اللفظين إلا إذا كان موقع معنييهما من العقل موقعا حميدا؛ ولهذا استُقبح قول أبي تمام "من الكامل":
ذهبت بمذهبه السماحة فالتوت
… فيه الظنون أمَذْهب أم مُذْهَب!
لأنه لم يزد على أن أسمعك حروفا مكررة؛ تروم لها فائدة فلا تجدها إلا مجهولة منكرة.
وكان أسلوب عبد القاهر في كتابيه أسلوبا بليغا ممتازا، يساعد على تربية مَلَكة البلاغة ولا يفسدها، ولا عيب فيه إلا أن يسرف في العبارات المترادفة؛ حتى تطغى على تقرير القواعد وعلى ما عُني به من استخلاص أسرارها من الشواهد النثرية والشعرية، وهو فيما عُني به من الأمرين الناقد الأديب، والبليغ الممتاز، وقد طفر بهذا في علم البلاغة طفرة لم يُسبَق إليها، ولم يأت بعده مَنْ سار على هديها حتى لا تقف عند هذا الحد؛ لأن شمس العلم في عصره كانت آخذة في الأفول، كما يقول في ذلك "مخلع البسيط":
كبر على العلم يا خليلي
… ومل إلى الجهل ميل هائم
وعش حمارا تعش سعيدا
… فالسعد في طالع البهائم
وإذا كان هذا حال عصره، فإن حال ما بعده من العصور كان أسوأ؛ فتقهقر علم البلاغة بعده ولم يتقدم.
ثم جاء أبو يعقوب السكاكي "ت 626هـ" بعد عبد القاهر، فلمح ما أشار
ইলমুল মাআনি; এবং বিশেষত তাঁর 'আসরارুল বালাগাহ' (অলঙ্কারশাস্ত্রের রহস্য) গ্রন্থটি হাকিকাত (প্রকৃত অর্থ), মাজায (রূপক), তাশবিহ (উপমা), ইস্তিআরাহ (উৎপ্রেক্ষা) এবং এই জাতীয় অর্থবোধক আলোচনার জন্য নিবেদিত। এই আলোচনাগুলোই মূলত ইলমুল বয়ান-এর অন্তর্ভুক্ত বিষয় হিসেবে পরবর্তীতে নির্ধারিত হয়েছে। অতঃপর তিনি সেসব সৌন্দর্যবর্ধক অলঙ্কার (মুহাসসিনাত) উল্লেখ করেছেন যা পরবর্তীতে বিশেষভাবে ইলমুল বদি'-এর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি বালাগাত বা অলঙ্কারশাস্ত্রে এগুলোর অবস্থান নির্দেশ করে বলেছেন যে, এগুলো কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত; তাই এগুলো অর্জনের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যবাধকতা নেই, যেমনটি বাক্যগঠন (নাজম) এবং অর্থবোধকতার (দালালাহ) ক্ষেত্রে আবশ্যক করা হয়। তিনি এই মত পোষণ করেছেন যে, অর্থের দিকে লক্ষ্য না করে কেবল শব্দের মধ্যে সৌন্দর্য নিহিত থাকতে পারে না। এমনকি প্রাথমিক চিন্তায় যেখানে মনে হতে পারে যে সৌন্দর্য কেবল শব্দ ও ধ্বনির মধ্যে সীমাবদ্ধ—যেমন তাজনিস বা অনুপ্রাস—সেখানেও তা প্রযোজ্য নয়। কারণ, আপনি দুটি শব্দের মিলকে তখনই সুন্দর মনে করবেন যখন বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তাদের অর্থের অবস্থান প্রশংসনীয় হবে। এই কারণেই আবু তাম্মামের নিম্নোক্ত উক্তিটি (কামিল ছন্দে) কুৎসিত বলে গণ্য হয়েছে:
উদারতা তার নীতি নিয়ে চলে গেছে, ফলে তাকে ঘিরে ধারণাগুলো বিভ্রান্তিতে পড়েছে—সেটি কি কোনো পথ, নাকি স্বর্ণমণ্ডিত!
কারণ, তিনি আপনাকে কেবল কিছু পুনরাবৃত্তিমূলক বর্ণ শোনানো ছাড়া আর কিছু করেননি; আপনি সেখানে কোনো উপযোগিতা খুঁজবেন কিন্তু তা অজানা ও অপরিচিত ছাড়া আর কিছুই পাবেন না।
আব্দুল কাহিরের উভয় গ্রন্থের রচনাশৈলী ছিল অত্যন্ত সাবলীল ও চমৎকার, যা অলঙ্কারশাস্ত্রীয় প্রতিভা বিকাশে সহায়ক এবং তাকে কলুষিত করে না। তাঁর শৈলীতে সমার্থক শব্দের অতিশয্য ছাড়া আর কোনো ত্রুটি নেই; এমনকি এটি কখনও কখনও নিয়মাবলির বর্ণনা এবং গদ্য ও পদ্যের দৃষ্টান্ত থেকে এর রহস্য উন্মোচনের প্রচেষ্টাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। তিনি যে দুটি বিষয়ে মনোনিবেশ করেছেন, সে ক্ষেত্রে তিনি একাধারে সাহিত্য সমালোচক এবং অনন্য বাগ্মী। তিনি ইলমুল বালাগাতে এমন এক অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটিয়েছেন যা তাঁর আগে কেউ করতে পারেনি। আর তাঁর পরে এমন কেউ আসেনি যিনি তাঁর প্রদর্শিত পথ ধরে চলবেন যাতে এটি এই সীমানাতেই থমকে না যায়; কারণ তাঁর যুগে জ্ঞানের সূর্য অস্তমিত হতে শুরু করেছিল, যেমনটি এ বিষয়ে জনৈক কবি (মুখাল্লাউল বাসিত ছন্দে) বলেছেন:
হে বন্ধু, জ্ঞানকে বিদায় জানিয়ে জানাযা পড়ো
… আর মূর্খতার দিকে দিওয়ানার মতো ঝুঁকে পড়ো
গাধার মতো জীবন অতিবাহিত করো, তবেই সুখে থাকবে
… কারণ সুখ তো পশুদের কপালেই জোটে
যদি তাঁর যুগের অবস্থা এমন হয়ে থাকে, তবে পরবর্তী যুগগুলোর অবস্থা ছিল আরও শোচনীয়; ফলে তাঁর পরে ইলমুল বালাগাত পিছিয়ে পড়েছে এবং আর অগ্রসর হয়নি।
অতঃপর আব্দুল কাহিরের পর আবু ইয়াকুব আস-সাক্কাকি (মৃত্যু ৬২৬ হিজরি) আগমন করেন, এবং তিনি যা ইঙ্গিত করা হয়েছিল তা পর্যবেক্ষণ করেন।
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
إليه الجرجاني فيما سبق من الفروق الثلاثة بين مباحث علم البلاغة؛ فميز بعضها عن بعض تمييزا تاما، وجعل لكل مبحث منها علما خاصا؛ فكان من هذه علوم البلاغة الثلاثة السابقة، ثم جاراه في تقرير قواعدها، وزاد عليه زيادات كثيرة في تقريرها، وهذا في قسم البيان من كتابه "مفتاح العلوم"، وقد جرى على ترتيبه لهذه المباحث من أتى بعده من المتأخرين، فكان عمدتهم في هذا الترتيب، ولم يستفيدوا إلا قليلا ممن كتب قبله أو بعده في علم البلاغة، ممن لم يَجْر فيها على منواله، ولم يَنْحُ فيها نحوه.
ولا شك أن السكاكي بهذا يعد إلى حد ما من تلاميذ مدرسة عبد القاهر، ولكنه كان ناقدا ولم يكن أديبا؛ لأن أسلوبه في كتابه لم يكن أسلوب البليغ الممتاز مثل عبد القاهر؛ لأن العجمة كانت غالبة على أسلوبه، وكان الأسلوب التقريري الذي لا يُعنَى إلا بتقرير القواعد غالبا عليه، فكان في أسلوبه كثير من الغموض والتعقيد وضعف التأليف، ومثل هذا قد يفيد الناظر فيه علما، ولا يفيده أسلوبا بليغا، بل يفسد فيه مَلَكة البلاغة، وبهذا يكون ضرره أكبر من نفعه.
وقد جاء بعد السكاكي عالمان كبيران أرادا أن يحذُوَا في علم البلاغة حذوه؛ أولهما ابن الناظم: بدر الدين بن مالك "المتوفى 686هـ" ابن النحوي المشهور، في كتابه "المصباح لتلخيص المفتاح" وثانيهما: الخطيب القزويني "المتوفى 739هـ" في كتابيه "تلخيص المفتاح" و"الإيضاح لتلخيص المفتاح"؛ وثانيهما كالشرح للأول. فأما مصباح ابن الناظم فإنه لم يهذِّب كثيرا من مفتاح السكاكي في علم البلاغة؛ لأن ملكة النحو كانت غالبة عليه، وكان هذا سببا في إعراض المتأخرين عن كتابه. وأما تلخيص الخطيب القزويني فإنه هذب كثيرا من مفتاح السكاكي؛ فقدم في مباحثه وأخر، وزاد عليه ما تجب زيادته من كتب البلاغة، وكان أسلوبه فيه أوضح من أسلوب السكاكي، ولكنه جعله أسلوبا تقريريا لا يُعْنَى إلا بجمع القواعد في أوجز لفظ؛ حتى أسرف في الإيجاز إسراف عبد القاهر في الإطناب، وجعل من تلخيصه متنا يحتاج إلى شروح وحواشٍ وتقارير، ولكن عيبه هذا كان موضع تقدير
ইতিপূর্বে জুরজানি অলংকার শাস্ত্রের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে যে তিনটি পার্থক্যের দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন; তিনি সেগুলোকে একটি থেকে অপরটি পূর্ণরূপে পৃথক করেছেন এবং প্রতিটি আলোচ্য বিষয়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমেই পূর্বোক্ত তিনটি অলংকার শাস্ত্রের উৎপত্তি হয়েছে। অতঃপর তিনি এর নিয়মাবলী নির্ধারণে তাকে অনুসরণ করেন এবং তা নির্ধারণে আরও অনেক বৃদ্ধি ঘটান। এটি তার 'মিফতাহুল উলূম' গ্রন্থের 'বয়ান' অংশে বিদ্যমান। পরবর্তীকালে যারা এসেছেন তারা এই আলোচ্য বিষয়গুলোর বিন্যাসের ক্ষেত্রে তার পথই অনুসরণ করেছেন। এই বিন্যাসের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন তাদের প্রধান অবলম্বন। যারা অলংকার শাস্ত্র বিষয়ে তার পূর্বে বা পরে লিখেছেন কিন্তু তার পদ্ধতি বা ধারা অনুসরণ করেননি, তাদের থেকে তারা সামান্যই উপকৃত হয়েছেন।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, সাক্কাকি এই দিক থেকে অনেকটা আব্দুল কাহিরের ঘরানার ছাত্র হিসেবে গণ্য হন। তবে তিনি ছিলেন একজন সমালোচক, সাহিত্যিক নন; কারণ তার গ্রন্থের শৈলী আব্দুল কাহিরের মতো চমৎকার আলঙ্কারিক শৈলী ছিল না। এর কারণ হলো তার শৈলীর ওপর অ-আরবীয় প্রভাব প্রবল ছিল এবং তার ওপর এমন এক বর্ণনামূলক পদ্ধতি প্রবল ছিল যা কেবল নিয়মাবলী নির্ধারণের প্রতিই গুরুত্ব দেয়। ফলে তার শৈলীতে অনেক অস্পষ্টতা, জটিলতা এবং রচনার দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়। এই ধরনের গ্রন্থ পাঠককে জ্ঞান দান করতে পারলেও তা তাকে কোনো আলঙ্কারিক শৈলী শিক্ষা দেয় না, বরং এটি তার ভেতরের অলংকার বোধ বা যোগ্যতাকে নষ্ট করে দেয়। আর এ কারণেই এর উপকারের চেয়ে ক্ষতির দিকটিই বেশি বড়।
সাক্কাকির পরে দুইজন বড় মাপের আলেম এসেছেন যারা অলংকার শাস্ত্রের ক্ষেত্রে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন। তাদের প্রথমজন হলেন বিখ্যাত ব্যাকরণবিদের পুত্র ইবনুন নাজিম: বদরুদ্দিন বিন মালিক (মৃত্যু ৬৮৬ হিজরি), তার 'আল-মিসবাহ লি-তাখলিসিল মিফতাহ' গ্রন্থে। আর দ্বিতীয়জন হলেন খতিব আল-কাযভিনি (মৃত্যু ৭৩৯ হিজরি), তার দুটি গ্রন্থ 'তাখলিসুল মিফতাহ' এবং 'আল-ঈজাহ লি-তাখলিসিল মিফতাহ'-এ; যেখানে দ্বিতীয়টি প্রথমটির ব্যাখ্যা স্বরূপ। ইবনুন নাজিমের 'মিসবাহ' গ্রন্থটি অলংকার শাস্ত্রের ক্ষেত্রে সাক্কাকির 'মিফতাহ'কে খুব বেশি পরিমার্জিত করেনি; কারণ তার ওপর ব্যাকরণগত যোগ্যতার প্রভাবই প্রবল ছিল এবং এটিই ছিল পরবর্তীকালের আলেমদের তার গ্রন্থ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ। অন্যদিকে খতিব আল-কাযভিনির 'তাখলিস' গ্রন্থটি সাক্কাকির 'মিফতাহ'কে অনেক বেশি পরিমার্জিত করেছে। তিনি এর আলোচ্য বিষয়গুলোকে আগে-পিছে বিন্যস্ত করেছেন এবং অন্যান্য অলংকার শাস্ত্রের গ্রন্থ থেকে যা যা সংযোজন করা প্রয়োজন ছিল তা যোগ করেছেন। এতে তার শৈলী সাক্কাকির শৈলীর চেয়ে স্পষ্ট ছিল। তবে তিনি একে এমন এক বর্ণনামূলক শৈলীতে রূপান্তর করেছেন যা কেবল সংক্ষিপ্ততম শব্দে নিয়মাবলী একত্রিত করার প্রতিই গুরুত্ব দেয়। এমনকি তিনি সংক্ষিপ্তকরণের ক্ষেত্রে এমন অতিশয়তা করেছেন যেমনটা আব্দুল কাহির বিশদ বর্ণনার ক্ষেত্রে করেছিলেন। তিনি তার এই সংক্ষেপিত রূপটিকে এমন এক মূল পাঠে পরিণত করেছেন যার জন্য ব্যাখ্যা, টীকা এবং আলোচনার প্রয়োজন হয়। তবে তার এই ত্রুটিটিই প্রশংসার বিষয় হিসেবে গণ্য হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
المتأخرين وإعجابهم.
فلما فرغ من تلخيصه شعر هو أيضا بحاجته إلى شرح، فوضع كتابه "الإيضاح" كشرح له، يجري على ترتيبه في إطناب يختصره أحيانا من كتابَيْ عبد القاهر، وأحيانا من كتاب السكاكي مع شيء من التهذيب فيه، ومع كثير من النقد الذي يفصِّله أحيانا، ويرمز إليه أحيانا بقوله: "وفيه نظر". وبهذا جاء "الإيضاح" وسطا بين إيجاز التلخيص، وإسهاب عبد القاهر. وكان بهذا هو الكتاب الممتاز على غيره من كتب البلاغة القديمة.
ولكنه على هذا لم يُرزَق من الحظوة عند المتأخرين ما رُزِق التلخيص؛ لأنهم شُغِفوا بالمتون حفظا وشرحا. وقد نظروا إلى التلخيص على أنه متن من المتون، فشغفوا بحفظه وشرحه. وكان من السابقين إلى شرحه سعد الدين التفتازاني "ت 792هـ"، من علماء العَجَم؛ فوضع له شرحا مطوّلا سماه "المطول"، وشرحا مختصرا سماه "المختصر". وكان سعد الدين من علماء العجم الذين تأثروا بالسكاكي في طريقته التقريرية، وفي ضعف أسلوبه؛ لضعف سليقته العربية، بل كان هو وأمثاله ممن أتى بعد السكاكي من علماء العجم أضعف منه ذوقا أدبيا، وسليقة عربية؛ فمضوا في الطريقة التقريرية إلى أن وصلوا إلى نهايتها في البعد عن الذوق الأدبي، ثم أخذوا ينشرونها هنا وهناك إلى أن غزت علماء العرب، وغزت جميع العلوم من عربية، إلى دينية، إلى غيرها من العلوم. وصارت عنايتها بتقرير عبارات المتون أكثر من عنايتها بتقرير مسائل العلوم.
ثم تَهَافتَ المتأخرون من علماء البلاغة على شرحَيْ سعد الدين علي التلخيص، يضعون عليهما الحاشية بعد الحاشية، ويضعون على الحاشية التقرير بعد التقرير، وشُغف المدرسون بتلك الكتب في الجامع الأزهر وغيره من الجامعات الإسلامية في الأقطار المختلفة، يتعمقون في درسها إلى أقصى حدود التعمق، وينتقلون في درسها من المتن إلى الحاشية إلى التقرير، في استقصاء غريب، وتفنُّن في الفهم والبحث. ولو أن كل هذا في صميم مسائل البلاغة لهان الخَطْب، ولكن أكثره
পরবর্তী আলিমগণ এবং তাঁদের মুগ্ধতা।
যখন তিনি এর সারসংক্ষেপ (তালখিস) সমাপ্ত করলেন, তখন তিনিও এর একটি ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন। ফলে তিনি এর ব্যাখ্যা হিসেবে তাঁর 'আল-ঈজাহ' গ্রন্থটি রচনা করলেন। এটি মূলের বিন্যাস অনুসরণ করে বিস্তারিত আলোচনা করে, যা তিনি কখনও আব্দুল কাহিরের গ্রন্থদ্বয় থেকে সংক্ষেপ করেছেন, আবার কখনও সাক্কাকির গ্রন্থ থেকে কিছুটা পরিমার্জনসহ গ্রহণ করেছেন। সেই সাথে এতে অনেক সমালোচনাও রয়েছে, যা তিনি কখনও বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন, আবার কখনও 'এতে আপত্তির অবকাশ আছে' কথাটি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এভাবে 'আল-ঈজাহ' গ্রন্থটি 'তালখিস'-এর সংক্ষিপ্ততা এবং আব্দুল কাহিরের দীর্ঘ আলোচনার মধ্যবর্তী একটি স্থানে পর্যবসিত হলো। এর মাধ্যমেই এটি প্রাচীন বালাগাত শাস্ত্রের অন্যান্য গ্রন্থের তুলনায় একটি শ্রেষ্ঠ গ্রন্থে পরিণত হলো।
কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি পরবর্তী আলেমদের কাছে 'তালখিস' এর মতো সমাদৃত হতে পারেনি; কারণ তাঁরা মূল পাঠ্য (মতন) মুখস্থ করা এবং তার ব্যাখ্যা করার প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী ছিলেন। তাঁরা 'তালখিস'কে একটি মূল পাঠ্য হিসেবে গণ্য করেছিলেন, ফলে তাঁরা এটি মুখস্থ ও ব্যাখ্যা করতে মগ্ন হয়ে পড়েন। এর ব্যাখ্যাদাতাদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন অনারব আলেমদের অন্তর্ভুক্ত সা'দ উদ্দীন তাফতাজানি (মৃত্যু ৭৯২ হি.); তিনি এর জন্য 'আল-মুতাউওয়াল' নামে একটি দীর্ঘ ব্যাখ্যা এবং 'আল-মুখতাসার' নামে একটি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা রচনা করেন। সা'দ উদ্দীন ছিলেন সেই অনারব আলেমদের একজন, যারা সাক্কাকির বর্ণনাশৈলী এবং দুর্বল বাচনভঙ্গির দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন; কারণ তাঁদের আরবি ভাষার সহজাত দক্ষতা ছিল দুর্বল। বরং সাক্কাকির পরে আসা তাঁর মতো অন্যান্য অনারব আলেমদের সাহিত্যিক রুচি এবং আরবি ভাষার সহজাত ক্ষমতা তাঁর চেয়েও দুর্বল ছিল। ফলে তাঁরা বর্ণনামূলক পদ্ধতির এমন এক শেষ প্রান্তে পৌঁছে যান যেখানে সাহিত্যিক রুচির কোনো ছিটেফোঁটাও ছিল না। এরপর তাঁরা এই পদ্ধতি সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন, যা শেষ পর্যন্ত আরব আলেমদের মাঝে এবং আরবি ভাষা থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও অন্যান্য সকল জ্ঞানে প্রবেশ করে। তখন শাস্ত্রীয় মূল বিষয়বস্তু বিশ্লেষণের চেয়ে মূল পাঠ্যের শব্দ ও বাক্য বিশ্লেষণের দিকেই তাঁদের মনোযোগ অধিক নিবদ্ধ হয়।
এরপর পরবর্তী বালাগাত শাস্ত্রবিদগণ 'তালখিস'-এর ওপর সা'দ উদ্দীনের লেখা ব্যাখ্যাগ্রন্থ দুটির ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন। তাঁরা টীকা (হাশিয়া) এর ওপর টীকা এবং টীকার ওপর পুনর্টীকা (তাকরীর) লিখতে থাকেন। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন দেশের অন্যান্য ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই গ্রন্থগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। তাঁরা এগুলোর পাঠদানে গভীর থেকে গভীরতর পর্যায়ে প্রবেশ করেন এবং পাঠদানের সময় মূল পাঠ্য থেকে টীকা এবং টীকা থেকে পুনর্টীকায় বিচরণ করেন, যা ছিল এক অদ্ভুত বিচার-বিশ্লেষণ এবং উপলব্ধি ও গবেষণার এক বিচিত্র কৌশল। যদি এই সবকিছু বালাগাত শাস্ত্রের মূল বিষয়বস্তু কেন্দ্রিক হতো, তবে বিষয়টি সহজ হতো, কিন্তু এর অধিকাংশ...
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
في بحوث خارجة عن المسائل، وفي أسلوب ركيك يُفْسِد ملكة البلاغة؛ فإذا كانت فيه فائدة قليلة؛ فإنها تضيع في هذا الخِضَمّ الذي لا فائدة فيه.
وقد تأبَّى كتاب "الإيضاح" وطريقته السابقة على المتأخرين من علماء البلاغة؛ فلم يضعوا عليه من الشروح والحواشي والتقارير مثل ما وضعوا على كتاب التلخيص اللهم إلا شرحا ضعيفا للأقسرائي لا يزال مخطوطا بدار الكتب المصرية، ومن الخير أن يبقى مخطوطا فيها؛ لأنه يذهب مذهب غيره في الطريقة التقريرية، وينأى عن طريقة كتاب الإيضاح السابقة؛ فيكون ضرره فيها أكثر من نفعه.
ولما كان كتاب "التلخيص" كالأصل لكتاب "الإيضاح"؛ كان هذا مما يدعو قارئه إلى أن يرجع في كثير من مسائله إلى ما وُضع على كتاب التلخيص من شروح وحواشٍ وتقارير؛ فإذا رجع إليها غرق في ذلك الخضم من البحوث التي لا طائل تحتها، وضاع به ما يكتسبه من كتاب الإيضاح من ذوق أدبي؛ لأن تلك الشروح والحواشي والتقارير تغطي عليه.
فرأيت أن أنأى بقارئ كتاب الإيضاح عن تلك الشروح والحواشي والتقارير؛ بوضع تعليقات عليه تشتمل على ما يأتي:
1- اختيار ما تلزم إضافته إليه مما هو من صميم مسائل البلاغة من تلك الشروح والحواشي والتقارير. واختيار هذا من ذلك الخضم من المماحكات اللفظية ليس بالأمر السهل؛ لأنه يحتاج إلى فهم صحيح لها، وإلى ذوق أدبي يميز الصالح للاختيار من غيره.
2- شرح الشواهد النظمية شرحا موجزا ينسبها إلى قائليها، ويفسر غريبها، ويبين ما فيها من فوائد بلاغية، وموضع الشاهد فيها. ويعلم الله كم تعبت في ذلك كله، ولا سيما في نسبتها إلى قائليها.
3- وضع عناوين في كل باب من أبوابه لموضوعاته المختلفة؛ ليسهل الرجوع
বিষয়ের বাইরের আলোচনা এবং এমন এক দুর্বল শৈলীতে যা অলঙ্কারশাস্ত্রের দক্ষতাকে নষ্ট করে দেয়; যদি তাতে সামান্য কোনো উপকারও থাকে, তবে তা এই উপকারহীন গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যায়।
"আল-ইজাহ" গ্রন্থটি এবং এর পূর্ববর্তী পদ্ধতিটি পরবর্তী যুগের অলঙ্কারশাস্ত্রবিদগণের নিকট দুরূহ বলে মনে হয়েছে; তাই তারা "আত-তালখিস" গ্রন্থের ওপর যেমন ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পরিশিষ্টসমূহ রচনা করেছেন, "আল-ইজাহ"-এর ওপর তেমনটি করেননি। তবে আল-আকসারায়ি-র একটি দুর্বল ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে যা এখনও মিশরের পাণ্ডুলিপি কেন্দ্রে (দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ) পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত আছে। এটি সেখানে পাণ্ডুলিপি হিসেবেই থাকা কল্যাণকর; কারণ এটিও বর্ণনামূলক পদ্ধতির ক্ষেত্রে অন্যদের পথ অনুসরণ করে এবং "আল-ইজাহ" গ্রন্থের পূর্ববর্তী পদ্ধতি থেকে দূরে সরে যায়; ফলে এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণই বেশি।
যেহেতু "আত-তালখিস" গ্রন্থটি "আল-ইজাহ" গ্রন্থের মূল ভিত্তিস্বরূপ, তাই এটি পাঠককে এর অনেক বিষয়ের ক্ষেত্রে "আত-তালখিস"-এর ওপর রচিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পরিশিষ্টসমূহের শরণাপন্ন হতে বাধ্য করে। যখন পাঠক সেগুলোর দিকে ফিরে যান, তখন তিনি সেই নিরর্থক আলোচনার সমুদ্রে নিমজ্জিত হন এবং "আল-ইজাহ" গ্রন্থ থেকে অর্জিত তার সাহিত্যিক রুচি হারিয়ে ফেলেন; কারণ ঐ সকল ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পরিশিষ্টসমূহ তার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে।
তাই আমি "আল-ইজাহ" গ্রন্থের পাঠককে ঐ সকল ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পরিশিষ্ট থেকে দূরে রাখার জন্য তাতে এমন কিছু টীকা যোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করবে:
১- ঐ সকল ব্যাখ্যাগ্রন্থ, টীকা ও পরিশিষ্ট থেকে অলঙ্কারশাস্ত্রের মৌলিক বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত যে সকল বিষয় যোগ করা আবশ্যক তা নির্বাচন করা। শব্দগত জটিলতার সেই বিশাল সমুদ্র থেকে এই বিষয়গুলো নির্বাচন করা কোনো সহজ কাজ নয়; কারণ এর জন্য প্রয়োজন সঠিক অনুধাবন ক্ষমতা এবং এমন এক সাহিত্যবোধ যা উপযুক্ত বিষয়কে অনুপযুক্ত থেকে পৃথক করতে পারে।
২- কাব্যিক উদাহরণগুলোর (শাওয়াহিদ) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা প্রদান, সেগুলো রচয়িতাদের নামে নির্দেশ করা, দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ বর্ণনা এবং তাতে বিদ্যমান আলঙ্কারিক বৈশিষ্ট্য ও দৃষ্টান্তের বিষয়বস্তু স্পষ্ট করা। আল্লাহই জানেন এই সবগুলোতে আমাকে কতটা কষ্ট করতে হয়েছে, বিশেষ করে কবিতাগুলোকে তাদের প্রকৃত রচয়িতাদের নামে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে।
৩- এর প্রতিটি অধ্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ের শিরোনাম যুক্ত করা; যাতে করে সহজে উদ্দিষ্ট বিষয়ের দিকে ফিরে যাওয়া যায়।
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
إليها، ووضع تمرينات آخر كل موضوع منها للاختبار فيها، ولفت طالب علوم البلاغة إلى أهم ناحية فيها.
4- نقد ما يجب نقده من مسائله، ولا سيما المسائل التي ينقلها الخطيب عن السكاكي. وفيها من التكلفات والتعقيدات ما ينأى عن ذوق الأدب والبلاغة.
5- صياغة التعليقات في أسلوب لا يكون فيه تعقيد ولا تطويل ممل، ولا إيجاز مخل؛ حتى تكون ملائمة لذوق موضوعها من علوم البلاغة.
وقد سميت ما وضعته من هذه التعليقات:
"بُغْيَة الإيضاح لتلخيص المفتاح".
والله أسأل النفع بها، وأن تكون خطوة في هذه العلوم لما بعدها.
عبد المتعال الصعيدي
সেই দিকে, এবং এর প্রতিটি বিষয়ের শেষে পরীক্ষার জন্য অনুশীলনী প্রদান করা হয়েছে, আর অলঙ্কারশাস্ত্রের শিক্ষার্থীদের এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
৪- এর মাসআলাগুলোর মধ্যে যেগুলোর সমালোচনা করা প্রয়োজন সেগুলোর সমালোচনা করা, বিশেষ করে খতিব সাক্কাকি থেকে যা বর্ণনা করেছেন। কারণ তাতে এমন কিছু কৃত্রিমতা ও জটিলতা রয়েছে যা সাহিত্য ও অলঙ্কারশাস্ত্রের রুচি থেকে দূরে সরে যায়।
৫- টীকাগুলো এমন এক শৈলীতে বিন্যস্ত করা যাতে কোনো জটিলতা নেই, নেই কোনো বিরক্তিকর দীর্ঘসূত্রতা, আবার নেই কোনো ক্ষতিকর সংক্ষিপ্ততা; যাতে তা অলঙ্কারশাস্ত্রের বিষয়বস্তুর রুচির সাথে মানানসই হয়।
আমি এই টীকাগুলোর নাম রেখেছি:
"বুগইয়াতুল ঈযাহ লি তালখিসিল মিফতাহ"।
আমি আল্লাহর কাছে এর মাধ্যমে উপকারিতা প্রার্থনা করছি, এবং প্রার্থনা করছি যেন এটি এই শাস্ত্রসমূহের ক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য একটি সোপান হয়।
আবদুল মুতাল আস-সাইদি
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
بسم الله الرحمن الرحيم
كتاب بغية الإيضاح لتلخيص المفتاح في علوم البلاغة:
الجزء الأول: من أول الإيضاح حتى القصر في علم المعاني
خطبة الإيضاح "مقدمة الخطيب القزويني":
قال الشيخ الإمام العالم العلامة، خطيب الخطباء مفتي المسلمين، جلال الدين أبو عبد الله محمد، ابن قاضي القضاة سعد الدين أبي محمد عبد الرحمن، ابن إمام الدين أبي حفص عمر، القزويني، الشافعي، متّع الله المسلمين بمُحَيَّاه، وأحسن عُقْبَاه: الحمد لله رب العالمين، وصلاته على محمد وعلى آل محمد أجمعين.
أما بعد:
فهذا كتاب في علم البلاغة وتوابعها، ترجمته بـ "الإيضاح"، وجعلته على ترتيب مختصري الذي سميته "تلخيص المفتاح"، وبسطت فيه القول ليكون كالشرح له، فأوضحت مواضعه المشكلة، وفصلت معانيه المجملة، وعمدت إلى ما خلا عنه المختصر مما تضمنه "مفتاح العلوم"، وإلى ما خلا عنه "المفتاح" من كلام الشيخ الإمام عبد القاهر الجرجاني رحمه الله في كتابيه "دلائل الإعجاز" و"أسرار البلاغة"، وإلى ما تيسر النظر فيه من كلام غيرهما؛ فاستخرجت زبدة ذلك كله، وهذبتها ورتبتها، حتى استقر كل شيء منها في محله، وأضفت إلى ذلك ما أدى إليه فكري، ولم أجده لغيري؛ فجاء بحمد الله جامعا لأشتات هذا العلم، وإليه أرغب في أن يجعله نافعا لمن نظر فيه من أولي الفهم، وهو حسبي ونعم الوكيل.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
বালাগাত শাস্ত্রের (অলঙ্কারশাস্ত্র) ‘তালখিসুল মিফতাহ’-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘বুগয়াতুল ইযাহ’:
প্রথম খণ্ড: ‘ইযাহ’-এর শুরু থেকে ‘ইলমুল মাআনি’-র ‘কাসর’ (সীমাবদ্ধকরণ) অধ্যায় পর্যন্ত
ইযাহ-এর ভূমিকা "খতিব কাজভিনি-র ভূমিকা":
শাইখ, ইমাম, মহাজ্ঞানী আল্লামা, খতিবদের প্রধান, মুসলিমদের মুফতি, জালালুদ্দিন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ, প্রধান বিচারপতি সাদউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে ইমামুদ্দিন আবু হাফস ওমর কাজভিনি শাফেয়ী—আল্লাহ তাঁর উপস্থিতির মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন এবং তাঁর শেষ পরিণাম সুন্দর করুন—বলেন: সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং তাঁর সালাত (রহমত) বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের সকল বংশধর ও অনুসারীদের ওপর।
অতঃপর:
এটি ইলমে বালাগাত (অলঙ্কারশাস্ত্র) ও তার আনুষঙ্গিক বিষয়াবলীর উপর একটি কিতাব, যার নাম আমি রেখেছি ‘আল-ইযাহ’। আমি এটিকে আমার সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ ‘তালখিসুল মিফতাহ’-এর বিন্যাস অনুযায়ী সাজিয়েছি এবং এতে বিস্তারিত আলোচনা করেছি যেন এটি তার একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থের মতো হয়। আমি এর জটিল স্থানগুলোকে স্পষ্ট করেছি, এর সংক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট অর্থগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করেছি। ‘মিফতাহুল উলুম’-এর যে সকল বিষয় আমার সংক্ষিপ্ত গ্রন্থে (তালখিস) বাদ পড়েছিল এবং শাইখ ইমাম আবদুল কাহির জুরজানি (রহিমাহুল্লাহ)-এর দুই কিতাব ‘দালাইলুল ইজায’ ও ‘আসরারুল বালাগাত’-এর যে সকল বক্তব্য ‘মিফতাহ’ গ্রন্থে ছিল না, সেগুলো এখানে যুক্ত করার সংকল্প করেছি। এছাড়াও অন্যান্যদের যে সকল বক্তব্য পর্যালোচনা করা সহজ হয়েছে তাও অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমি এই সবকিছুর নির্যাস বের করেছি এবং সেগুলোকে পরিমার্জিত ও সুবিন্যস্ত করেছি, যাতে প্রতিটি বিষয় তার যথাযথ স্থানে স্থিত হয়। এর সাথে আমি আমার নিজস্ব চিন্তা-প্রসূত গবেষণালব্ধ বিষয়সমূহ যোগ করেছি যা আমি অন্য কারো কাছে পাইনি। ফলে আল্লাহর প্রশংসায় এটি এই শাস্ত্রের বিক্ষিপ্ত বিষয়াবলীর একটি পূর্ণাঙ্গ সংকলন হয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এটিকে প্রজ্ঞাবান পাঠকদের জন্য উপকারী করেন; আর তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
مقدمة: في الكشف عن معنى الفصاحة والبلاغة، وانحصار علم البلاغة في علمي المعاني والبيان 1
الخلاف في تفسير الفصاحة والبلاغة:
للناس في تفسير الفصاحة والبلاغة أقوال مختلفة2، لم أجد -فيما بلغني منها-
--------------------------------------------
ভূমিকা: ফাসাহাত ও বালাগাতের অর্থ উন্মোচন এবং অলঙ্কারশাস্ত্র ইলমুল মাআনী ও ইলমুল বয়ানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে ১
ফাসাহাত ও বালাগাতের সংজ্ঞায় মতভেদ:
ফাসাহাত ও বালাগাতের সংজ্ঞায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন মত রয়েছে২, আমার কাছে যা পৌঁছেছে তার মধ্যে আমি পাইনি-
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
ما يصلح لتعريفهما به1، ولا ما يشير إلى الفرق بين كون الموصوف بهما الكلام وكون الموصوف بهما المتكلِّم؛ فالأولى أن نقتصر على تلخيص القول فيهما بالاعتبارين؛ فنقول:
كل واحدة منهما تقع صفة لمعنيين: أحدهما: الكلام، كما في قولك: "قصيدة فصيحة أو بليغة، ورسالة فصيحة أو بليغة"، والثاني: المتكلم2كما في قولك: "شاعر بليغ أو فصيح، وكاتب فصيح أو بليغ".
والفصاحة خاصة تقع صفة للمفرد؛ فيقال: "كلمة فصيحة"، ولا يقال: "كلمة بليغة".
فصاحة المفرد:
أما فصاحة المفرد: فهي خلوصه من تنافر الحروف، والغرابة، ومخالفة القياس اللغوي.
--------------------------------------------
যা এদের সংজ্ঞায়নের জন্য উপযুক্ত১, কিংবা যা এমন কোনো পার্থক্যের দিকে ইশারা করে যে এদের দ্বারা গুণান্বিত বিষয় কি কথা নাকি বক্তা—এমন কিছু নেই; তাই উত্তম হলো উভয় দিক বিবেচনা করে এদের সম্পর্কে বক্তব্যের সারসংক্ষেপ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা; সুতরাং আমরা বলি:
তাদের প্রত্যেকটি দুটি অর্থের বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়: একটি হলো: কথা, যেমন আপনার বক্তব্য: "প্রাঞ্জল বা অলঙ্কারপূর্ণ কবিতা এবং প্রাঞ্জল বা অলঙ্কারপূর্ণ পত্র", এবং দ্বিতীয়টি হলো: বক্তা২ যেমন আপনার বক্তব্য: "অলঙ্কারপূর্ণ বা প্রাঞ্জল কবি এবং প্রাঞ্জল বা অলঙ্কারপূর্ণ লেখক"।
আর প্রাঞ্জলতা (ফাসাহাত) বিশেষভাবে একক শব্দের বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়; ফলে বলা হয়: "প্রাঞ্জল শব্দ", কিন্তু বলা হয় না: "অলঙ্কারপূর্ণ শব্দ"।
একক শব্দের প্রাঞ্জলতা:
একক শব্দের প্রাঞ্জলতা হলো: তা বর্ণের কর্কশতা (উচ্চারণগত বিরুদ্ধতা), অস্পষ্টতা এবং ভাষাগত নিয়মের পরিপন্থী হওয়া থেকে মুক্ত হওয়া।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
فالتنافر منه ما تكون الكلمة بسببه متناهية في الثقَل على اللسان وعسر النطق بها1؛ كما روي أن أعرابيا سئل عن ناقته فقال: "تركتها ترعى الهُعْخُع"2، ومنه ما هو دون ذلك؛ كلفظ "مستشزر" في قول امرئ القيس:
غدائره مُسْتَشْزِراتٌ إلى العلا3
--------------------------------------------
শব্দগত বৈরিতার মাঝে এমন কিছু রয়েছে যার কারণে শব্দটি জিহ্বার ওপর চরম ভারী হয়ে যায় এবং তা উচ্চারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে; যেমন বর্ণিত আছে যে, এক বেদুঈনকে তার উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলেছিল: "আমি ওটিকে আল-হু’খু’ চারণভূমিতে ছেড়ে এসেছি।" আবার এমন কিছু শব্দ রয়েছে যা এর চেয়ে কম ভারী; যেমন ইমরুল কায়েসের পঙক্তিতে ব্যবহৃত "মুসতাশযির" শব্দটি:
তার বেণিগুলো উপরের দিকে উত্তোলিত হয়েছে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
والغرابة: أن تكون الكلمة وحشية لا يظهر معناها1؛ فيُحتاج في معرفته إلى أن يُنَقَّب عنها في كتب اللغة المبسوطة؛ كما روي عن عيسى بن عمر النحوي أنه سقط عن حمار، فاجتمع عليه الناس، فقال: "ما لكم تكأكَأْتُم علي تَكَأْكُؤكم على ذي جنة؟! افْرَنْقِعوا عني" أي: اجتمعتم، تنحوا.
أو يُخَرَّج لها وجه بعيد2 كما في قول العجاج:
--------------------------------------------
এবং অস্পষ্টতা (গরাবাহ) হলো: শব্দটি এমনভাবে অপরিচিত বা বুনো হওয়া যে তার অর্থ স্পষ্ট হয় না; ফলে তা জানার জন্য বিস্তৃত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থসমূহে তন্নতন্ন করে অনুসন্ধান করার প্রয়োজন হয়। যেমন নাহুবিদ ঈসা ইবনে উমর সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি গাধার পিঠ থেকে পড়ে গেলে মানুষ তাঁর চারপাশে ভিড় জমায়; তখন তিনি বললেন: "তোমাদের কী হলো যে তোমরা আমার ওপর এমনভাবে ভিড় করছ যেমনটি তোমরা জিনে ধরা বা উন্মাদ ব্যক্তির ওপর ভিড় করো?! আমার নিকট থেকে সরে যাও।" অর্থাৎ: তোমরা একত্র হয়েছ, দূরে সরে যাও।
অথবা শব্দটির জন্য এমন কোনো দূরবর্তী অর্থ বের করা হয় যা সহজে বোধগম্য নয়, যেমনটি আল-আজজাজের উক্তিতে রয়েছে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وفاحما ومَرْسِنا مُسَرَّجا1
فإنه لم يعرف ما أراد بقوله: "مسرجا"؛ حتى اختُلف في تخريجه2؛ فقيل: هو من قولهم للسيوف سُرَيجية: منسوبة إلى قَيْن يقال له: سريج، يريد أنه في الاستواء والدقة كالسيف السريجي. وقيل: من السراج، يريد أنه في البريق كالسراج. وهذا يقرب3
--------------------------------------------
এবং কুচকুচে কালো চুল ও সুবিন্যস্ত খড়গসম নাসিকা।১
কেননা তিনি তাঁর উক্তি "মুসাররাজান" দ্বারা কী উদ্দেশ্য করেছেন তা জানা যায়নি; এমনকি এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও মতভেদ হয়েছে২; ফলে বলা হয়েছে: এটি তলোয়ারের ক্ষেত্রে তাদের বলা "সুরাইজিয়্যাহ" উক্তি থেকে এসেছে, যা সুরাইজ নামক একজন কামারের দিকে সম্বন্ধযুক্ত। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে এটি সোজা হওয়া (উঠা) এবং সূক্ষ্মতায় সুরাইজি তলোয়ারের মতো। আবার বলা হয়েছে: এটি সিরাজ (প্রদীপ) থেকে এসেছে, তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে এটি উজ্জ্বলতায় প্রদীপের মতো। আর এটি ব্যবহারের নিকটবর্তী।৩
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
من قولهم: "سَرِج وجهه" بكسر الراء، أي: حَسُنَ، وسَرَّج الله وجهه، أي: بهّجه وحسّنه.
ومخالفة القياس1 كما في قول الشاعر "من الرجز":
الحمد لله العلي الأجْلَلِ2
فإن القياس: "الأجَلّ" بالإدغام.
وقيل: هي خلوصه مما ذُكر، ومن الكراهة في السمع: بأن تُمَجّ الكلمة ويُتبرأ من
--------------------------------------------
তাদের কথা থেকে: "তার মুখ উজ্জ্বল হয়েছে" 'রা' বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে, অর্থাৎ: সুন্দর হয়েছে, এবং "আল্লাহ তার মুখকে উজ্জ্বল করেছেন", অর্থাৎ: একে দীপ্তিময় ও সুন্দর করেছেন।
এবং ব্যাকরণিক নিয়মের পরিপন্থী হওয়া১ যেমন জনৈক কবির বক্তব্যে "রাজায ছন্দ থেকে":
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সুউচ্চ, অতি মহান২
কেননা ব্যাকরণিক নিয়ম হলো: ইদগামসহ (বর্ণের সংযোগসহ) "আল-আজাল্লু" হওয়া।
আর বলা হয়েছে: এটি (সাবলীলতা) হলো উল্লিখিত বিষয়সমূহ থেকে মুক্ত থাকা এবং শ্রুতিকটুতা থেকে বেঁচে থাকা: যা হলো শব্দটি শ্রবণে অপছন্দ হওয়া এবং তা থেকে বিমুখ হওয়া...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
سماعها كما يُتبرأ من سماع الأصوات المنكرة؛ فإن اللفظ من قبيل الأصوات، والأصوات منها ما تستلذّ النفس سماعه، ومنها ما تكره سماعه.
كلفظ "الجِرِشَّى" في قول أبي الطيب "المتقارب":
كريم الجرشى شريف النسب1
… أي: كريم النفس، وفيه نظر2.
ثم علامة كون الكلمة فصيحة أن يكون استعمال العرب الموثوق بعربيتهم لها كثيرا3، أو أكثر من استعمالهم ما بمعناها4.
فصاحة الكلام:
وأما فصاحة الكلام: فهي خلوصه من ضعف التأليف، وتنافر الكلمات، والتعقيد، مع فصاحتها5.
--------------------------------------------
সেগুলো শোনা থেকে এমনভাবে বিমুখ হওয়া প্রয়োজন যেমনটা শ্রুতিকটু ধ্বনি শোনা থেকে বিমুখ হওয়া হয়; কারণ শব্দসমূহ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত, আর ধ্বনিসমূহের মধ্যে এমন কিছু আছে যা শুনতে আত্মা আনন্দ পায়, আবার এমন কিছুও আছে যা শুনতে সে অপছন্দ করে।
যেমন আবু তাইয়্যিবের ‘মুতাকারিব’ ছন্দে "আল-জিশরা" শব্দের প্রয়োগ:
উদার প্রাণের অধিকারী, অভিজাত বংশীয়১
… অর্থাৎ: মহানুভব সত্তা, তবে এতে আপত্তির অবকাশ আছে২।
অতঃপর শব্দ প্রাঞ্জল হওয়ার আলামত হলো, যাদের ভাষার ওপর আস্থা রাখা যায় এমন আরবদের মাঝে শব্দটির প্রয়োগ অধিক হওয়া৩, অথবা এর সমার্থক শব্দের ব্যবহারের চেয়ে সেটির ব্যবহার বেশি হওয়া৪।
বাক্যের প্রাঞ্জলতা:
আর বাক্যের প্রাঞ্জলতা হলো: শব্দগুলো প্রাঞ্জল হওয়ার সাথে সাথে বাক্যটি রচনার দুর্বলতা, শব্দগত শ্রুতিকটুতা এবং জটিলতা থেকে মুক্ত হওয়া৫।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
فالضعف1: كما في قولنا: "ضرب غلامُه زيدًا"؛ فإن رجوع الضمير إلى المفعول المتأخر لفظا ممتنع عند الجمهور؛ لئلا يلزم رجوعه إلى ما هو متأخر لفظا ورتبة، وقيل: يجوز2؛ كقول الشاعر "من الطويل":
جزى ربُّهُ عني عديَّ بن حاتم
… جزاء الكلاب العاويات، وقد فعل3
وأجيب عنه بأن الضمير لمصدر "جزى" أي: رب الجزاء؛ كما في قوله تعالى: {اعْدِلُوا هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَى} 4 [المائدة: 8] أي: العدل.
والتنافر: منه ما تكون الكلمات بسببه متناهية في الثقل على اللسان، وعسر النطق بها متتابعة؛ كما في البيت الذي أنشده الجاحظ "من الرجز":
--------------------------------------------
শব্দগত দুর্বলতা: যেমন আমাদের কথা: "যায়িদকে তার গোলাম প্রহার করেছে"; এখানে সর্বনামের (দমির) প্রত্যাবর্তন এমন কর্মপদের (মাফউল) দিকে যা শব্দগতভাবে পরে এসেছে—অধিকাংশ ব্যাকরণবিদের মতে তা নিষিদ্ধ; যাতে এমন শব্দের দিকে সর্বনামের প্রত্যাবর্তন আবশ্যক না হয় যা শব্দ এবং পদমর্যাদা (রুতবা) উভয় দিক থেকেই পশ্চাদবর্তী। কেউ কেউ বলেছেন: এটি জায়েয; যেমন জনৈক কবির পঙক্তি (তওয়িল ছন্দ থেকে):
তার প্রতিপালক আদিল ইবনে হাতেমকে আমার পক্ষ থেকে ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের মতো প্রতিফল দিন... এবং তিনি তা করেছেনও।
এর উত্তরে বলা হয়েছে যে, সর্বনামটি 'জাযা' (প্রতিফল) ক্রিয়ামূলের (মাসদার) দিকে ফিরেছে, অর্থাৎ: প্রতিফলের প্রতিপালক; যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: {তোমরা ইনসাফ করো, এটিই তাকওয়ার নিকটতর} [আল-মায়েদাহ: ৮] অর্থাৎ: ইনসাফ।
শ্রুতিকটুতা (তানাফুর): এর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যার কারণে শব্দগুলো রসনার ওপর চরম ভারী হয়ে ওঠে এবং পর্যায়ক্রমে সেগুলোর উচ্চারণ করা কঠিন হয়ে যায়; যেমন আল-জাহিজ কর্তৃক আবৃত্ত সেই পঙক্তি (রাজায ছন্দ থেকে):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وقبر حرب بمكان قفر
… وليس قرب قبر حرب قبر1
ومنه ما دون ذلك، كما في قول أبي تمام "من الطويل":
كريم، متى أمدحْه أمدحْه والوَرَى
… معي وإذا ما لُمته لُمته وحدي2
فإن في قوله: "أمدحه" ثقلا ما؛ لما بين الحاء والهاء من التنافر3.
والتعقيد: أن لا يكون الكلام ظاهر الدلالة على المراد به4، وله سببان:
أحدهما ما يرجع إلى اللفظ؛ وهو أن يختلّ نظم الكلام5، ولا يدري السامع
--------------------------------------------
আর হারবের কবর এক নির্জন স্থানে
... আর হারবের কবরের নিকটে কোনো কবর নেই১
আর এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তার চেয়ে কম স্তরের উদাহরণ, যেমনটি আবু তাম্মামের ‘তবিল’ ছন্দের কবিতায় রয়েছে:
তিনি এক মহৎ ব্যক্তি, যখন আমি তাঁর প্রশংসা করি, তখন তাঁর প্রশংসা করি এমতাবস্থায় যে সমস্ত সৃষ্টি
... আমার সাথে থাকে; আর যখন আমি তাঁর নিন্দা করি, তখন একাই তাঁর নিন্দা করি২
নিশ্চয়ই তাঁর উক্তি: "আমি তাঁর প্রশংসা করি" (আদাহু)-তে কিছুটা গুরুভার বা কষ্টসাধ্যতা রয়েছে; কারণ 'হা' (ح) এবং 'হা' (هـ) বর্ণের কাছাকাছি উচ্চারণের কারণে সৃষ্ট শ্রুতিবিরূপতার (তানফুর) দরুন৩।
জটিলতা (আত-তাকীদ) হলো: বাক্যটি তার উদ্দিষ্ট অর্থের ওপর সুস্পষ্ট না হওয়া৪, আর এর দুটি কারণ রয়েছে:
তার একটি শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট; আর তা হলো বাক্যের বিন্যাস এমনভাবে এলোমেলো হয়ে যাওয়া৫ যে শ্রোতা অনুধাবন করতে পারে না
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
كيف يتوصل منه إلى معناه؛ كقول الفرزدق "من الطويل":
وما مثله في الناس إلا مملكا
… أبو أمه حي أبوه يقاربه1
كان حقه أن يقول: وما مثله في الناس حي يقاربه إلا مملك أبو أمه أبوه؛ فإنه مدح إبراهيم بن هشام بن إسماعيل المخزومي خال هشام بن عبد الملك بن مروان فقال: "وما مثله" يعني: إبراهيم الممدوح، "في الناس حي يقاربه"2 أي: أحد يشبهه في الفضائل، إلا "مملكا" يعني هشاما، "أبو أمه" أي: أبو أم هشام، "أبوه" أي: أبو الممدوح، فالضمير في "أمه" للمملك، وفي "أبوه" للممدوح؛ ففصل بين "أبو أمه" وهو مبتدأ و"أبوه" وهو خبره بـ "حي" وهو أجنبي، وكذا فصل بين "حي" و"يقاربه" وهو نعت "حي" بـ "أبوه" وهو أجنبي، وقدم المستثنى على المستثنى منه، فهو كما تراه في غاية التعقيد3.
--------------------------------------------
কীভাবে তা থেকে এর অর্থের দিকে পৌঁছানো যায়; যেমন ফারাজদাকের উক্তি (তওয়িল ছন্দে):
মানুষের মাঝে তার মতো কেউ নেই এক বাদশাহ ব্যতীত
… যার মায়ের পিতা এমন এক জীবিত ব্যক্তি যার পিতা তার নিকটবর্তী।১
তার জন্য বলা উচিত ছিল: "মানুষের মাঝে তাকে সদৃশ করার মতো কোনো জীবিত ব্যক্তি নেই, সেই বাদশাহ ব্যতীত যার মায়ের পিতা হলো তার পিতা।" কেননা তিনি হিশাম ইবনে আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ানের মামা ইব্রাহিম ইবনে হিশাম ইবনে ইসমাইল আল-মাখজুমির প্রশংসা করেছেন। তাই তিনি বলেছেন: "তার মতো কেউ নেই" অর্থাৎ প্রশংসিত ব্যক্তি ইব্রাহিম, "মানুষের মাঝে এমন কোনো জীবিত ব্যক্তি নেই যে তার নিকটবর্তী হবে"২ অর্থাৎ গুণাবলিতে তার সদৃশ হবে, "এক বাদশাহ ব্যতীত" অর্থাৎ হিশামকে বুঝিয়েছেন, "যার মায়ের পিতা" অর্থাৎ হিশামের মায়ের পিতা, "তার পিতা" অর্থাৎ প্রশংসিত ব্যক্তির পিতা। এখানে "তার মাতা" শব্দের সর্বনামটি বাদশাহর দিকে ফিরছে, আর "তার পিতা" শব্দের সর্বনামটি প্রশংসিত ব্যক্তির দিকে ফিরছে। এরপর তিনি "মায়ের পিতা" যা মুক্তাদা (উদ্দেশ্য) এবং "তার পিতা" যা খবর (বিধেয়)-এর মাঝে "জীবিত" শব্দ দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন, যা একটি ভিন্ন শব্দ। তেমনিভাবে তিনি "জীবিত" এবং "তার নিকটবর্তী হয়" - যা 'জীবিত' শব্দের বিশেষণ - এর মাঝে "তার পিতা" শব্দ দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন যা একটি ভিন্ন শব্দ। তদুপরি তিনি মুস্তাসনা (ব্যতিরেখ)-কে মুস্তাসনা মিনহু-এর আগে নিয়ে এসেছেন। সুতরাং আপনি যেমনটি দেখছেন, এটি শাব্দিক জটিলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।৩
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
فالكلام الخالي من التعقيد اللفظي: ما سلم نظمه من الخلل؛ فلم يكن فيه ما يخالف الأصل -من تقديم أو تأخير أو إضمار أو غير ذلك- إلا وقد قامت عليه قرينة ظاهرة -لفظية أو معنوية- كما سيأتي تفصيل ذلك كله، وأمثلته اللائقة به.
والثاني ما يرجع إلى المعنى، وهو ألا يكون انتقال الذهن من المعنى الأول إلى المعنى الثاني الذي هو لازمه والمراد به ظاهرا1؛ كقول العباس بن الأحنف "من الطويل":
سأطلب بعد الدار عنكم لتقربوا
… وتسكب عينايَ الدموع لتجمدا2
كنى بسكب الدموع عما يوجبه الفراق من الحزن3، وأصاب؛ لأن من شأن البكاء أن يكون كناية عنه؛ كقولهم: "أبكاني وأضحكني" أي: ساءني وسرني، وكما قال الحماسي "من السريع":
أبكاني الدهر ويا ربما
… أضحكني الدهر بما يرضي4
ثم طرد ذلك في نقيضه، فأراد أن يكني عما يوجبه دوام التلاقي من السرور بالجمود؛ لظنه أن الجمود خلو العين من البكاء مطلقا من غير اعتبار شيء آخر، وأخطأ5؛ لأن الجمود خلو العين من البكاء في حال إرادة البكاء منها؛ فلا يكون
--------------------------------------------
শব্দগত জটিলতা থেকে মুক্ত কথা হলো তা, যার বিন্যাস ত্রুটিমুক্ত; অর্থাৎ তাতে মূল নিয়মের পরিপন্থী কিছু—যেমন শব্দ এগিয়ে আনা, পিছিয়ে দেওয়া, উহ্য রাখা ইত্যাদি—থাকে না, যদি না তার সপক্ষে কোনো শব্দগত বা অর্থগত প্রকাশ্য সূত্র বিদ্যমান থাকে, যেমন এর বিস্তারিত বর্ণনা এবং উপযুক্ত উদাহরণ সামনে আসবে।
দ্বিতীয় প্রকারটি অর্থের সাথে সম্পৃক্ত। তা হলো, প্রথম অর্থ থেকে দ্বিতীয় অর্থে—যা তার অনিবার্য আনুষঙ্গিক এবং যা এর দ্বারা উদ্দেশ্য—মনোযোগ স্থানান্তরিত হওয়াটি স্পষ্ট না হওয়া; যেমন আব্বাস ইবনুল আহনাফ 'তবিল' ছন্দের কবিতায় বলেছেন:
আমি তোমাদের থেকে বাসস্থানের দূরত্ব অন্বেষণ করব যাতে তোমরা নিকটে আসো
… এবং আমার দুচোখ অশ্রু বিসর্জন দেবে যাতে তারা শুষ্ক ও স্থির হতে পারে
তিনি অশ্রু বিসর্জন দ্বারা বিচ্ছেদজনিত দুঃখকে ইঙ্গিত করেছেন এবং তিনি সঠিক করেছেন; কারণ কান্নাকাটি করা দুঃখের ইঙ্গিত হওয়াটাই স্বাভাবিক; যেমন আরবদের প্রবাদ: "সে আমাকে কাঁদিয়েছে এবং হাসিয়েছে" অর্থাৎ: সে আমাকে দুঃখ দিয়েছে এবং আনন্দ দিয়েছে। যেমন হামাসি 'সারি' ছন্দের কবিতায় বলেছেন:
কাল আমাকে কাঁদিয়েছে এবং অনেক সময়
… কাল আমাকে সন্তোষজনক বিষয় দ্বারা হাসিয়েছে
এরপর তিনি বিষয়টি এর বিপরীতেও প্রয়োগ করেছেন। ফলে তিনি মিলনের স্থায়িত্বজনিত আনন্দকে চোখের শুষ্কতা দ্বারা ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন; কারণ তিনি ধারণা করেছিলেন যে, চোখের শুষ্কতা মানে হলো অন্য কোনো কিছু বিবেচনা ছাড়াই চোখ অশ্রুমুক্ত থাকা। কিন্তু তিনি এখানে ভুল করেছেন; কারণ চোখের শুষ্কতা বা জুমুদ হলো কান্নার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও চোখ দিয়ে পানি না আসা; ফলে তা হবে না...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
كناية عن المسرة؛ وإنما يكون كناية عن البخل، كما قال الشاعر "من الطويل":
ألا إن عينا لم تجد يوم واسط
… عليك بجاري دمعها لجمود1
ولو كان الجمود يصلح أن يراد به عدم البكاء في حال المسرة لجاز أن يدعى به للرجل؛ فيقال: "لا زالت عينك جامدة"، كما يقال: "لا أبكى الله عينك" وذلك مما لا يُشك في بطلانه. ومن ذلك قول أهل اللغة: "سنة جماد لا مطر فيها، وناقة جماد لا لبن لها"؛ فكما لا تجعل السنة والناقة جمادا إلا على معنى أن السنة بخيلة بالقطر والناقة لا تسخو بالدر، لا تجعل العين جَمُودا إلا وهناك ما يقتضي إرادة البكاء منها، وما يجعلها إذا بكت محسنة موصوفة بأنها قد جادت، وإذا لم تبك مسيئة موصوفة بأنها قد ضنّت.
فالكلام الخالي عن التعقيد المعنوي: ما كان الانتقال من معناه الأول إلى معناه الثاني -الذي هو المراد به- ظاهرا، حتى يخيل إلى السامع أنه فهمه من حاقّ
--------------------------------------------
এটি আনন্দের রূপক নয়; বরং এটি কৃপণতার রূপক, যেমন কবি ‘তওয়ীল’ ছন্দে বলেছেন:
সাবধান! নিশ্চয়ই যে চোখ ওয়াসিতের দিনে তোমার জন্য অশ্রু প্রবাহে কার্পণ্য করেছে, তা অবশ্যই তার শুষ্কতা বা কৃপণতার কারণেই।১
আর যদি আনন্দের অবস্থায় না কাঁদার অর্থে ‘জুমুদ’ (শুষ্কতা) শব্দটি ব্যবহার করা সঠিক হতো, তবে কোনো ব্যক্তির জন্য এভাবে দোয়া করা বৈধ হতো: “তোমার চোখ সর্বদা শুষ্ক থাকুক”, যেমনটি বলা হয়: “আল্লাহ তোমার চোখকে না কাঁদান (অর্থাৎ তোমাকে চিরসুখী রাখুন)।” অথচ এর অসারতার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আর এ কারণেই ভাষাবিদগণ বলেন: “শুষ্ক বছর যাতে বৃষ্টি নেই, এবং শুষ্ক উটনী যার দুধ নেই।” সুতরাং, বছর এবং উটনীকে যেভাবে ‘জামাদ’ কেবল এই অর্থেই বলা হয় যে, বছরটি বৃষ্টির ব্যাপারে কৃপণ এবং উটনীটি দুগ্ধ দানে উদার নয়; তেমনি চোখকেও কেবল তখনই ‘জামুদ’ (অশ্রুহীন) বলা হয় যখন সেখানে কাঁদার আবশ্যকতা থাকে, যা কাঁদলে তাকে দাতা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং না কাঁদলে তাকে মন্দ বা কৃপণ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
অতএব, অর্থগত জটিলতামুক্ত কথা হলো সেটি, যার প্রাথমিক অর্থ থেকে দ্বিতীয় অর্থে—যা এখানে মূল উদ্দেশ্য—উত্তরণ অত্যন্ত স্পষ্ট হয়; এমনকি শ্রোতার মনে হয় যে সে এর মূল মর্ম থেকেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
اللفظ1 كما سيأتي من الأمثلة المختارة للاستعارة والكناية.
"تعريف آخر للفصاحة": وقيل: فصاحة الكلام هي خلوصه مما ذُكِر، ومن كثرة التكرار وتتابع الإضافات؛ كما في قول أبي الطيب:
سَبُوح لها منها عليها شواهد2
وفي قول ابن بابَكَ:
حمامة جرعا حومة الجندل اسجعي3
وفيه نظر؛ لأن ذلك إن أفضى باللفظ إلى الثقل على اللسان، فقد حصل الاحتراز عنه بما تقدم4، وإلا فلا تخل5 بالفصاحة، وقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: $"الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم: يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم"6.
--------------------------------------------
শব্দ১, যেমনটি রূপক ও ইঙ্গিত-এর জন্য নির্বাচিত উদাহরণগুলোতে সামনে আসবে।
"সাবলীলতার (ফাসাহাত) অন্য একটি সংজ্ঞা": বলা হয়েছে: বাক্যের সাবলীলতা হলো উল্লিখিত দোষত্রুটিসমূহ, এবং অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তি ও ধারাবাহিকভাবে সম্বন্ধ পদের (ইদাফাত) ব্যবহার থেকে মুক্ত হওয়া; যেমন আবুুত তায়্যিবের উক্তিতে রয়েছে:
দ্রুতগামী ঘোড়া, তার জন্য তার নিজের নিকট থেকেই তার ওপর প্রমাণসমূহ বিদ্যমান২
এবং ইবনে বাবাকের উক্তিতে রয়েছে:
হে প্রস্তরময় প্রান্তরের মধ্যভাগের বালুকাময় স্থানের কবুতর, তুমি সুর করে ডাকো৩
আর এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ রয়েছে; কারণ যদি তা শব্দটিকে জিহ্বার ওপর ভারী করে তোলে, তবে তা পূর্বেই বর্ণিত বিষয়ের (তানাফুর বা শব্দের শ্রুতিকটুতা) মাধ্যমে তা থেকে সতর্ক করা হয়েছে৪, অন্যথায় তা সাবলীলতাকে ক্ষুণ্ন করে না৫। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "সম্মানিত ব্যক্তি, যিনি সম্মানিতের পুত্র, যিনি সম্মানিতের পুত্র, যিনি সম্মানিতের পুত্র: তিনি হলেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম"৬।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قال الشيخ عبد القاهر1: "قال الصاحب2: إياك والإضافات المتداخلة؛ فإنها لا تحسن". وذكر أنها تستعمل في الهجاء، كقول القائل "من الخفيف":
يا علي بن حمزة بن عمارهْ
… أنت -والله- ثلجة في خياره3
ثم قال الشيخ: ولا شك في ثقل ذلك في الأكثر، ولكنه إذا سلم من الاستكراه ملُح ولطُف. ومما حسُن فيه قول ابن المعتز أيضا4 "من الطويل":
وظلت تدير الراح أيدي جآذر
… عتاق دنانير الوجوه ملاح5
ومما جاء فيه حسنا جميلا، قول الخالدي يصف غلاما له "من المنسرح":
ويعرف الشعر مثل معرفتي
… وهو على أن يزيد مجتهد
وصيرفي القريض وزّان ديـ
… ـنار المعاني الدقاق منتقد6
فصاحة المتكلم:
وأما فصاحة المتكلم فهي ملكة يُقتَدَر بها على التعبير عن المقصود بلفظ فصيح؛
--------------------------------------------
শায়খ আব্দুল কাহের১ বলেন: "সাহেব২ বলেছেন: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক সম্বন্ধ পদ (ইজাফত) থেকে বেঁচে থাকো; কারণ তা সুন্দর হয় না।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে এগুলো ব্যঙ্গ কবিতায় ব্যবহৃত হয়, যেমন জনৈক কবির উক্তি:
হে আলি বিন হামজা বিন উমারা... আল্লাহর কসম! তুমি হচ্ছ শসার ভেতর একখণ্ড বরফ।৩
এরপর শায়খ বলেন: অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর মধ্যে ভারীভাব থাকার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, তবে যদি তা শ্রুতিকটুতা থেকে মুক্ত হয়, তবে তা চমৎকার ও সূক্ষ্ম হয়। ইবনে আল-মু'তাযের নিম্নোক্ত উক্তিটিও এর অন্তর্ভুক্ত যা সুন্দর হয়েছে৪:
হরিণশাবকতুল্য সুন্দরীদের হাত শরাব পরিবেশন করতে থাকল, যাদের মুখমণ্ডল উজ্জ্বল স্বর্ণমুদ্রার মতো এবং তারা অত্যন্ত রূপবতী।৫
আর যা অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকারভাবে এসেছে তার মধ্যে আল-খালিদির উক্তিটি অন্যতম, যেখানে তিনি তার এক গোলামের বর্ণনা দিচ্ছেন:
সে কবিতা চেনে আমারই মতো... এবং সে আরও জানার বিষয়ে সচেষ্ট।
সে কবিতার জহুরি, সূক্ষ্ম অর্থরূপী দিনারের ওজনকারী এবং সমালোচক।৬
বক্তার সাবলীলতা (ফাসাহাত):
আর বক্তার সাবলীলতা হলো এমন এক যোগ্যতা, যার মাধ্যমে উদ্দিষ্ট বিষয়টি সাবলীল শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করতে সক্ষম হওয়া যায়;
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
فالملكة قسم من مقولة الكيف التي هي هيئة قارّة لا تقتضي قسمة ولا نسبة1، وهو مختص بذوات الأنفس، راسخ في موضوعه.
وقيل: "ملكة" ولم يُقَل: "صفة"؛ ليشعر بأن الفصاحة من الهيئات الراسخة؛ حتى لا يكون المعبر عن مقصوده بلفظ فصيح فصيحا إلا إذا كانت الصفة التي اقتُدر بها على التعبير عن المقصود بلفظ فصيح راسخة فيه، وقيل: "يقتدر بها" ولم يقل: يعبر بها؛ ليشمل حالتي النطق وعدمه، وقيل: "بلفظ فصيح" ليعم المفرد والمركب.
بلاغة الكلام:
وأما بلاغة الكلام فهي: مطابقته لمقتضى الحال2 مع فصاحته3.
ومقتضى الحال مختلف؛ فإن مقامات4 الكلام متفاوتة؛ فمقام التنكير يباين مقام التعريف، ومقام الإطلاق يباين مقام التقييد، ومقام التقديم يباين مقام التأخير،
--------------------------------------------
সুতরাং 'মালকা' (স্থায়ী যোগ্যতা) হলো গুণের প্রকারভেদসমূহের একটি অংশ, যা এমন একটি সুসংহত অবস্থা যা কোনো বিভাজন বা সম্বন্ধের দাবি রাখে না১। এটি প্রাণধারী সত্তার সাথে বিশিষ্ট এবং তার আধারে সুদৃঢ়।
এখানে 'সিফাত' (গুণ) না বলে 'মালকা' (যোগ্যতা) বলা হয়েছে যেন এটি বুঝানো যায় যে, প্রাঞ্জলতা হলো এক প্রকার সুদৃঢ় অবস্থা; ফলে কোনো ব্যক্তি তার উদ্দিষ্ট বিষয়টি প্রাঞ্জল শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করলেই তাকে ততক্ষণ পর্যন্ত 'ফাসিহ' (প্রাঞ্জলভাষী) বলা যাবে না, যতক্ষণ না সেই গুণটি—যার দ্বারা সে উদ্দিষ্ট বিষয়কে প্রাঞ্জল শব্দে প্রকাশ করার ক্ষমতা লাভ করে—তার মধ্যে সুদৃঢ় হয়। আর 'এর মাধ্যমে ক্ষমতা লাভ করে' বলা হয়েছে, 'এর মাধ্যমে প্রকাশ করে' বলা হয়নি; যাতে কথা বলা এবং চুপ থাকা—উভয় অবস্থাকেই অন্তর্ভুক্ত করা যায়। আর 'প্রাঞ্জল শব্দের মাধ্যমে' বলা হয়েছে একক শব্দ এবং যৌগিক বাক্য—উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করার জন্য।
বাক্যের অলঙ্কার (বালাগাত):
আর বাক্যের অলঙ্কার হলো—প্রাঞ্জল হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতির চাহিদার সাথে তার সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া৩।
আর পরিস্থিতির চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন হয়; কেননা কথার ক্ষেত্রসমূহ৪ ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। সুতরাং 'তানকির' বা অনির্দিষ্টকরণের ক্ষেত্র 'তারিফ' বা নির্দিষ্টকরণের ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন, তদ্রূপ 'ইতলাক' বা সাধারণীকরণের ক্ষেত্র 'তাকিইদ' বা সীমাবদ্ধকরণের ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন, এবং 'তাকদিম' বা শব্দের অগ্রবর্তিতার ক্ষেত্র 'তাখির' বা অনুবর্তিতার ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ومقام الذكر يباين مقام الحذف، ومقام القصر يباين مقام خلافه، ومقام الفصل يباين مقام الوصل، ومقام الإيجاز يباين مقام الإطناب والمساواة، وكذا خطاب الذكي يباين خطاب الغبي، وكذا لكل كلمة مع صاحبتها مقام1، إلى غير ذلك، كما سيأتي تفصيل الجميع.
وارتفاع شأن الكلام في الحسن والقبول2: بمطابقته للاعتبار المناسب، وانحطاطه: بعدم مطابقته له، فمقتضى الحال هو الاعتبار المناسب3.
وهذا -أعني تطبيق الكلام على مقتضى الحال- هو الذي يسميه الشيخ عبد القاهر بالنظم4؛ حيث يقول: "النظم تأخِّي5 معاني النحو6 فيما بين الكَلِم على
--------------------------------------------
উল্লেখ্য করার প্রেক্ষিত উহ্য রাখার প্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন হয়, সীমাবদ্ধকরণের প্রেক্ষিত এর বিপরীত প্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন হয়, বিচ্ছেদের প্রেক্ষিত সংযোগের প্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন হয়, এবং সংক্ষেপণের প্রেক্ষিত সম্প্রসারণ ও সমতার প্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন হয়। অনুরূপভাবে বুদ্ধিমানকে সম্বোধন করার পদ্ধতি নির্বোধকে সম্বোধন করার পদ্ধতি থেকে ভিন্ন হয়। তদ্রূপ, প্রতিটি শব্দের তার সঙ্গী শব্দের সাথে ব্যবহারের একটি বিশেষ প্রেক্ষিত রয়েছে, এর বাইরেও আরও অনেক বিষয় আছে যা সামনে বিস্তারিত আলোচিত হবে।
বক্তব্যের সৌন্দর্য ও গ্রহণযোগ্যতার উচ্চমর্যাদা নির্ভর করে উপযুক্ত বিবেচনার সাথে তার সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ওপর, আর এর অবনতি ঘটে উপযুক্ত বিবেচনার সাথে সামঞ্জস্যহীনতার কারণে। সুতরাং পরিস্থিতির দাবিই হলো উপযুক্ত বিবেচনা।
আর এই বিষয়টি—অর্থাৎ পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী বক্তব্যের প্রয়োগ—তাকেই শেখ আব্দুল কাহির 'নাজম' (বাক্যগঠনরীতি) হিসেবে অভিহিত করেছেন; যেখানে তিনি বলেন: "নাজম হলো শব্দের মধ্যকার ব্যাকরণগত অর্থসমূহের যথাযথ অনুসরণ..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
بحسب الأغراض التي يُصاغ لها الكلام".
فالبلاغة صفة راجعة إلى اللفظ باعتبار إفادته المعنى عند التركيب1، وكثيرا ما يسمى ذلك2 فصاحة أيضا، وهو مراد الشيخ عبد القاهر3 بما يكرره في "دلائل الإعجاز" من أن "الفصاحة صفة راجعة إلى المعنى دون اللفظ" كقوله في أثناء فصل منه: "علمت أن الفصاحة والبلاغة وسائر ما يجري في طريقهما أوصاف راجعة إلى المعاني، وإلى ما يدل عليه بالألفاظ دون الألفاظ أنفسها"4. وإنما قلنا مراده ذلك؛ لأنه صرح في مواضع من "دلائل الإعجاز" بأن فضيلة الكلام للفظ لا لمعناه، منها أنه حكى قول من ذهب إلى عكس ذلك5، فقال: "فأنت تراه لا يقدم شعرا حتى يكون قد أُودع حكمة أو أدبا، أو اشتمل على تشبيه غريب ومعنى نادر"6 ثم قال:
--------------------------------------------
"কথোপকথন যে উদ্দেশ্যসমূহের জন্য তৈরি করা হয় সেই অনুযায়ী।"
সুতরাং বালাগাত (অলঙ্কারশাস্ত্র) হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা বাক্য গঠনের সময় অর্থ প্রদানের বিবেচনায় শব্দের দিকে ফিরে যায়১, এবং অনেক সময় একে ফাসাহাত (বাকপটুতা) ও বলা হয়২। শায়খ আব্দুল কাহির৩ তাঁর ‘দালাইলুল ইজাজ’ গ্রন্থে যা বারবার উল্লেখ করেছেন তার উদ্দেশ্যও এটিই—অর্থাৎ ফাসাহাত হলো এমন একটি গুণ যা শব্দের পরিবর্তে অর্থের দিকে ফিরে যায়। যেমনটি তিনি তাঁর একটি অধ্যায়ের মাঝখানে বলেছেন: "তুমি জানলে যে ফাসাহাত, বালাগাত এবং এ জাতীয় যা কিছু রয়েছে, তা এমন সব গুণ যা অর্থের দিকে এবং শব্দের মাধ্যমে যা নির্দেশ করা হয় তার দিকে ফিরে যায়, স্বয়ং শব্দের দিকে নয়"৪। আমরা তাঁর উদ্দেশ্য এটিই বলেছি; কারণ তিনি ‘দালাইলুল ইজাজ’-এর বিভিন্ন স্থানে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন যে, বাক্যের শ্রেষ্ঠত্ব শব্দের কারণে, তার অর্থের কারণে নয়। যার একটি প্রমাণ হলো, তিনি এমন ব্যক্তির বক্তব্য বর্ণনা করেছেন যিনি এর বিপরীত মত পোষণ করেন৫, অতঃপর বলেন: "তুমি তাকে দেখবে যে সে কোনো কবিতাকে ততক্ষণ পর্যন্ত অগ্রাধিকার দেয় না, যতক্ষণ না তাতে কোনো প্রজ্ঞা বা আদব নিহিত থাকে, অথবা তা কোনো বিরল উপমা ও অনন্য অর্থ ধারণ করে"৬।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
"والأمر بالضد إذا جئنا إلى الحقائق وما عليه المحصلون؛ لأنا لا نرى متقدما في علم البلاغة مبرزا في شأوها إلا وهو ينكر هذا الرأي". ثم نقل عن الجاحظ في ذلك كلاما منه قوله: "والمعاني مطروحة في الطريق، يعرفها العجمي والعربي، والقروي والبدوي، وإنما الشأن في إقامة الوزن، وتخير اللفظ، وسهولة المخرج، وصحة الطبع، وكثرة الماء، وجودة السبك". ثم قال1: "ومعلوم أن سبيل الكلام سبيل التصوير والصياغة، وأن سبيل المعنى الذي يعبر عنه سبيل الشيء الذي يقع التصوير فيه، كالفضة والذهب يصاغ منهما خاتم أو سوار، فكما أنه محال -إذا أردت النظر في صوغ الخاتم وجودة العمل ورداءته- أن تنظر إلى الفضة الحاملة لتلك الصورة أو الذهب الذي وقع فيه ذلك العمل؛ كذلك محال -إذا أردت أن تعرف مكان الفضل والمزية في الكلام- أن تنظر في مجرد معناه، وكما "أننا" لو فضلنا خاتما على خاتم بأن تكون فضة هذا أجود، أو فصه أنفس؛ لم يكن ذلك تفضيلا له من حيث هو خاتم، كذلك ينبغي إذا فضلنا بيتا على بيت من أجل معناه ألا يكون ذلك تفضيلا له من حيث هو شعر وكلام". هذا لفظه، وهو صريح في أن الكلام -من حيث هو كلام- لا يوصف بالفضيلة باعتبار شرف معناه، ولا شك أن الفصاحة2 من صفاته الفاضلة؛ فلا تكون راجعة إلى المعنى، وقد صرح فيما سبق بأنها راجعة إلى المعنى دون اللفظ، فالجمع بينهما بما قدمناه بحمل كلامه؛ حيث نفى أنها من صفات اللفظ، على نفي أنها من صفات المفردات من غير اعتبار التركيب3، وحيث أثبت أنها من صفاته على أنها من صفاته باعتبار إفادته المعنى عند التركيب4.
--------------------------------------------
"বাস্তব সত্য এবং গবেষক ও বিজ্ঞজনদের অভিমত এর সম্পূর্ণ বিপরীত; কারণ আমরা অলঙ্কারশাস্ত্রে পারদর্শী এবং এর শিখরে আরোহণকারী এমন কাউকে দেখি না, যিনি এই মতকে অস্বীকার করেন না।" অতঃপর তিনি এ বিষয়ে জাহিয থেকে কিছু কথা উদ্ধৃত করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে তার এই উক্তি: "ভাব ও অর্থ তো পথে-ঘাটে পড়ে থাকে, যা অনারব ও আরব, গ্রামবাসী ও মরুবাসী সবাই জানে। আসল ব্যাপার হলো ছন্দ রক্ষা করা, শব্দ নির্বাচন করা, উচ্চারণ সহজ হওয়া, স্বভাবজাত স্বতঃস্ফূর্ততা থাকা, সাবলীল প্রবাহ এবং গাঠনিক উৎকর্ষ।" অতঃপর তিনি বলেন১: "এটি জানা কথা যে, বাক্যের পদ্ধতি হলো চিত্রায়ন ও অলঙ্করণের মতো। আর যে অর্থ প্রকাশ করা হয়, তার অবস্থা হলো সেই বস্তুর মতো যার ওপর চিত্রায়ন করা হয়; যেমন রূপা ও সোনা যা দিয়ে আংটি বা কঙ্কণ তৈরি করা হয়। সুতরাং যেভাবে আংটির গঠন এবং এর কাজের উৎকর্ষ ও অপকর্ষ বিচার করার সময় রূপা বা সোনা—যা সেই আকৃতিকে ধারণ করে আছে—তার দিকে তাকানো অসম্ভব; ঠিক তেমনি বাক্যের শ্রেষ্ঠত্ব ও বিশেষত্বের স্থান জানতে চাইলে কেবল এর অর্থের দিকে তাকানো অসম্ভব। এবং যেভাবে আমরা যদি একটি আংটিকে অন্যটির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেই এই কারণে যে এর রূপা উন্নত মানের কিংবা এর পাথরটি মূল্যবান, তবে আংটি হিসেবে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয় না। তেমনিভাবে, যদি আমরা একটি পংক্তিকে অন্যটির ওপর এর অর্থের কারণে শ্রেষ্ঠত্ব দেই, তবে কবিতা বা বাক্য হিসেবে তার শ্রেষ্ঠত্ব বিবেচিত হওয়া উচিত নয়।" এটিই তার ভাষা, এবং এটি সুস্পষ্ট যে, বাক্য—বাক্য হিসেবে—তার অর্থের আভিজাত্যের কারণে শ্রেষ্ঠত্বের গুণে গুণান্বিত হয় না। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, প্রাঞ্জলতা২ তার শ্রেষ্ঠ গুণাবলির অন্তর্ভুক্ত; সুতরাং এটি অর্থের দিকে ফিরে যাবে না। অথচ তিনি পূর্বে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এটি শব্দের পরিবর্তে অর্থের দিকেই প্রত্যাবর্তন করে। সুতরাং আমরা ইতিপূর্বে যা উল্লেখ করেছি তার মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে সমন্বয় হলো—তার বক্তব্যকে এইভাবে গ্রহণ করা যে: যেখানে তিনি এটি শব্দের বৈশিষ্ট্য হওয়া অস্বীকার করেছেন, সেখানে তিনি বাক্যবিন্যাসের বিবেচনা ছাড়া নিছক একক শব্দের বৈশিষ্ট্য হওয়া অস্বীকার করেছেন৩। আর যেখানে তিনি একে শব্দের বৈশিষ্ট্য হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, সেখানে তিনি বাক্যবিন্যাসের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের দিক বিবেচনা করে একে শব্দের বৈশিষ্ট্য বলেছেন৪。
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وللبلاغة طرفان: أعلى، إليه تنتهي، وهو حد الإعجاز وما يقرب منه1. وأسفل، منه تبتدئ2، وهو ما إذا غُيِّر الكلام عنه إلى ما هو دونه التحق عند البلغاء بأصوات الحيوانات؛ وإن كان صحيح الإعراب.
وبين الطرفين مراتب كثيرة متفاوتة.
"المحسنات البديعية": وإذ قد عرفت معنى البلاغة في الكلام وأقسامها ومراتبها؛ فاعلم أنه يتبعها وجوه كثيرة3 غير راجعة إلى مطابقة مقتضى الحال ولا إلى الفصاحة، تورث الكلام حسنا وقبولا4.
بلاغة المتكلم:
وأما بلاغة المتكلم فهي ملكة يُقتدر بها على تأليف كلام بليغ.
حصر علوم البلاغة: وقد عُلم بما ذكرنا أمران:
أحدهما: أن كل بليغ -كلاما كان أو متكلما- فصيح، وليس كل فصيح
--------------------------------------------
অলঙ্কারশাস্ত্রের দুটি প্রান্ত রয়েছে: উচ্চতর প্রান্ত, যাতে এর সমাপ্তি ঘটে, আর তা হলো মুজিজার (অলৌকিকত্বের) সীমা এবং তার নিকটবর্তী স্তরসমূহ১। আর নিম্নতর প্রান্ত, যা থেকে এর সূচনা হয়২। এটি এমন এক পর্যায় যে, যদি কথাকে এর চেয়ে নিম্নমানের দিকে পরিবর্তন করা হয়, তবে অলঙ্কারবিদদের নিকট তা পশুর শব্দের পর্যায়ভুক্ত হয়ে যায়; যদিও তার ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ সঠিক থাকে।
আর এই দুই প্রান্তের মাঝে অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন স্তর রয়েছে।
"ইলমুল বাদী বা অলঙ্কারসমূহ": যখন আপনি কথার মাঝে অলঙ্কারশাস্ত্রের অর্থ এবং এর প্রকারভেদ ও স্তরসমূহ জানতে পারলেন; তখন জেনে রাখুন যে, এর সাথে এমন অনেক দিক রয়েছে৩ যা পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী হওয়ার সাথে কিংবা বিশুদ্ধতার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, তবে তা কথার সৌন্দর্য ও গ্রহণযোগ্যতা৪ বৃদ্ধি করে।
বক্তার অলঙ্কারিতা:
আর বক্তার অলঙ্কারিতা হলো এমন এক যোগ্যতা, যার মাধ্যমে তিনি অলঙ্কারপূর্ণ কথা রচনা করতে সক্ষম হন।
অলঙ্কারশাস্ত্রের পরিধি নির্ধারণ: আমাদের আলোচনা থেকে দুটি বিষয় জানা গেল:
প্রথমটি হলো: প্রত্যেক অলঙ্কারপূর্ণ বিষয়—তা কথা হোক বা বক্তা—তা বিশুদ্ধ, কিন্তু প্রত্যেক বিশুদ্ধ বিষয়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
بليغا1.
الثاني: أن البلاغة في الكلام مرجعها إلى الاحتراز عن الخطأ في تأدية المعنى المراد2، وإلى تمييز الكلام الفصيح من غيره3. والثاني -أعني التمييز- منه ما يُتبين في علم متن اللغة أو التصريف أو النحو، أو يدرك بالحسن، وهو ما عدا التعقيد المعنوي4.
وما يحترز به عن الأول -أعني الخطأ في تأدية المعنى المراد- هو علم المعاني.
وما يحترز به عن الثاني -أعني التعقيد المعنوي- هو علم البيان.
وما يعرف به وجوه تحسين الكلام بعد رعاية تطبيقه على مقتضى الحال وفصاحته هو علم البديع5.
--------------------------------------------
১.
দ্বিতীয়ত: বাক্যের অলঙ্কারশাস্ত্রের (বালাগাত) মূল লক্ষ্য হলো কাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশে ভুল থেকে বেঁচে থাকা এবং প্রাঞ্জল বাক্যকে অপ্রাঞ্জল বাক্য থেকে পৃথক করা। আর দ্বিতীয় বিষয়টি—অর্থাৎ পার্থক্য করা—এর এমন কিছু দিক রয়েছে যা ভাষাতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব বা ব্যাকরণ শাস্ত্রের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়, অথবা যা অনুভূতির মাধ্যমে উপলব্ধি করা যায়; আর তা হলো অর্থগত জটিলতা ব্যতীত অন্যান্য বিষয়।
প্রথমটি থেকে—অর্থাৎ কাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশে ভুল থেকে—যা দ্বারা বেঁচে থাকা যায়, তা হলো ইলমুল মাআনি (ভাব-অলঙ্কার বিদ্যা)।
দ্বিতীয়টি থেকে—অর্থাৎ অর্থগত জটিলতা থেকে—যা দ্বারা বেঁচে থাকা যায়, তা হলো ইলমুল বায়ান (রূপক-অলঙ্কার বিদ্যা)।
বাক্যের প্রাঞ্জলতা এবং পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী প্রয়োগ নিশ্চিত করার পর বাক্যকে সুশোভিত করার পদ্ধতিসমূহ যা দ্বারা জানা যায়, তা হলো ইলমুল বাদি (শব্দ-অলঙ্কার বিদ্যা)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বুগয়াতুল ঈযাহ লি-তালখীসিল মিফতাহ ফী উলূমিল বালাগাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وكثير من الناس يسمي الجميع علم البيان1، وبعضهم يسمي الأول علم المعاني، والثاني والثالث علم البيان، وبعضهم يسمي الثلاثة علم البديع2.
--------------------------------------------
অনেক মানুষ এই সবগুলোকে একত্রে বর্ণনা শাস্ত্র১ বলে অভিহিত করেন, এবং তাঁদের কেউ কেউ প্রথমটিকে মর্মার্থ শাস্ত্র এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়টিকে বর্ণনা শাস্ত্র বলেন, আবার কেউ কেউ এই তিনটিকে একত্রে সৌন্দর্য শাস্ত্র২ বলে অভিহিত করেন।
--------------------------------------------