(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: -)
أخبار وحكايات من حديث محمد بن القاسم بن معروف (ابن حبيب)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أخبار وحكايات من حديث أبي علي محمد بن القاسم بن معروف - مخطوط
المؤلف: محمد بن القاسم بن معروف، أبو علي التميمي الدمشقي الشهير بابن حبيب (ت 347هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 10
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে মা'রুফ-এর বর্ণিত হাদীস হতে সংবাদ ও কাহিনীসমূহ (ইবনে হাবীব)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে মা'রুফ-এর বর্ণিত হাদীস হতে সংবাদ ও কাহিনীসমূহ - পাণ্ডুলিপি
লেখক: মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে মা'রুফ, আবু আলী আত-তামিমী আদ-দিমাশকী, ইবনে হাবীব নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৪৭ হিজরি)
শামেলা লাইব্রেরির জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরী
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: -)
الكتاب: أخبار وحكايات من حديث أبي علي محمد بن القاسم بن معروف - مخطوطالمؤلف: أبو علي محمد بن القاسم بن معروفالمتوفى: 347 هـ
গ্রন্থ: আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আল-কাসিম বিন মারূফ-এর হাদিস থেকে বর্ণিত সংবাদ ও আখ্যানসমূহ - পাণ্ডুলিপিগ্রন্থকার: আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আল-কাসিম বিন মারূফমৃত্যু: ৩৪৭ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ১)
-ق1ب-جزء فيه أخبار وحكايات من حديث أبي علي محمد بن القاسم بن معروف عن شيوخهبخط شيخنا الحافظ أبي محمد القاسم بن علي بن الحسن الشافعي رحمه الله-ق2أ-جزء فيه أخبار وحكاياتمن حديث أبي علي محمد بن القاسم بن معروف بن حبيب عن شيوخهرواية ابن أخيه أبي محمد عبد الرحمن بن عثمان بن القاسم بن أبي نصر عنهرواية أبي القاسم علي بن محمد بن علي بن العلاء الفقيه الشافعي عن أبي محمد أخبرنا به الشيخ أبو القاسم الحسين بن الحسن بن محمد الأسدي عنه.سماع للقاسم بن علي بن الحسن بن هبة الله بن عبد الله بن الحسين منه.(غير واضح) (بياض بالأصل) سماع منه لصاحبه الشيخ العفيف أبي العلم (غير واضح)الخضر بن الحسين بن الخضر بن عبدان فقه الله بالعلم.-ق3أ-بسم الله الرحمن الرحيم
-পৃষ্ঠা ১খ-একটি অংশ যাতে তাঁর উস্তাদদের সূত্রে আবু আলী মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন মারুফ থেকে বর্ণিত কিছু সংবাদ ও উপাখ্যান রয়েছেআমাদের শায়খ হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আলী বিন আল-হাসান আশ-শাফিয়ী (রহিমাহুল্লাহ)-এর হস্তাক্ষরে-পৃষ্ঠা ২ক-একটি অংশ যাতে সংবাদ ও উপাখ্যান রয়েছেতাঁর উস্তাদদের সূত্রে আবু আলী মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন মারুফ বিন হাবীবের বর্ণিত হাদিস থেকেতাঁর সূত্রে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আল-কাসিম বিন আবি নাসরের বর্ণনাআবু মুহাম্মদ থেকে ফকিহ শাফিয়ী আবু আল-কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আলা-এর বর্ণনা শায়খ আবু আল-কাসিম আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-আসাদি তাঁর সূত্রে আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন।আল-কাসিম বিন আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইনের পক্ষ থেকে তাঁর নিকট শ্রুত।(অস্পষ্ট) (মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান) তাঁর থেকে তাঁর সঙ্গী শায়খ আল-আফিফ আবুল ইলম (অস্পষ্ট)আল-খিজর বিন আল-হুসাইন বিন আল-খিজর বিন আবদান-এর শ্রবণ, আল্লাহ তাঁকে ইলমের প্রজ্ঞা দান করুন।-পৃষ্ঠা ৩ক-পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ২)
1- أخبرنا الشيخ أبو القاسم الحسني بن الحسن بن محمد الأسدي بقراءتي عليه في شوال سنة ثمان وأربعين وخمس مائة، أنا أبو القاسم علي بن محمد بن أبي العلاء الفقيه في ذي الحجة سنة اثنين وثمانين وأربعمائة، أنا الشيخ أبو محمد عبد الرحمن بن عثمان بن أبي نصر ثنا عمي أبو علي محمد بن القاسم بن معروف بن حبيب ثنا أحمد بن علي بن سعيد القاضي ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا جرير عن ليث عن مجالد قال استسقى موسى عليه السلام لقومه فسقي فقال اشربوا يا حَمِير فقال الله عز وجل لا تسمى عبادي حميراً هـ.2- حدثنا أبو الحسن علي بن الحسن الأنصاري ثنا أبو داود سليمان بن الأشعث ثنا محمد بن العلاء، ثنا أبو معاوية عن الأعمش عن عمرو بن مرة عن سالم عن أم الدرداء عن أبي الدرداء قال قال رسول الله صلى الله عليه ألا أخبركم بأفضل من درجة الصيام والصلاة والصدقة، قالوا: بلى، قال: إصلاح ذات البين وقال ذات البين الحالقة.3- حدثنا أحمد بن علي ثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ثنا جرير عن منصور عن إبراهيم قال كان لهم كلام يتكلمون به يدرؤون عن أنفسهم مخافةالكذب.4- حدثني علي بن بكر ثنا محمود ثنا عبيد الله حدثني محمد بن حسان ثنا هشام بن الكلبي عن أبيه قال أبي شريح سوق الإبل بناقة-ق3ب-يبيعها فسامه بها أعرابي، فقال: كيف سيرها؟ قال: خذ الزمام بشمالك والسوط بيمينك، وعليك الطريق. قال: كيف حملها. قال: الحافظ احمل عليه ما شئت. قال: كيف حلبها؟ قال: قرب المحلب وشأنك. قال: كم الثمن؟ قال: ثلاث مائة درهم. فوزن له الثمن، فلما مضى بها إذا هي بطيئة السير قليلة الحلب، وقد قال له: إن رأيت ما تحب وإلا فسل عن جبانة كندة، ثم عن شريح بن الحارث. فأقبل يسأل عنه فرآه في المسجد، والخصوم بين يديه، فقال: ديان أيضا، لا حاجة لنا في ناقتك. يا غلام خذ الناقة واردد عليه دراهمه.
১- শেখ আবুল কাসিম আল-হাসানী বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-আসাদী আমাদের কাছে সংবাদ দিয়েছেন যখন আমি তাঁর সামনে ৫৪৮ হিজরীর শাওয়াল মাসে পাঠ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবুল কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবিল আলা আল-ফকিহ ৪৮২ হিজরীর জিলহজ মাসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে শেখ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আবি নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আবু আলী মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন মারুফ বিন হাবিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন আলী বিন সাঈদ আল-কাজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন আবি শায়বাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি মুজালিদ থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: মুসা আলাইহিস সালাম তাঁর কওমের জন্য বৃষ্টির প্রার্থনা করলেন এবং তাদের পানি পান করানো হলো। তখন তিনি বললেন, হে গাধারা! পান করো। তখন মহান আল্লাহ বললেন: আমার বান্দাদের গাধা বলে সম্বোধন করো না। সমাপ্ত।২- আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান আল-আনসারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আল-আলা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদের রোজা, নামাজ ও সদকার স্তরের চেয়েও উত্তম কিছু সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তাঁরা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করা। আর তিনি বললেন যে, পারস্পরিক কলহ হলো মুণ্ডনকারী (দ্বীন বিনাশকারী)।৩- আহমদ বিন আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন আবি শায়বাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মনসুর থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: তাঁদের এমন কিছু কথা (দ্ব্যর্থবোধক কথা) ছিল যা তাঁরা বলতেন যাতে মিথ্যার ভয়ে নিজেদের রক্ষা করতে পারেন।৪- আলী বিন বকর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাহমুদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হাসসান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন আল-কালবী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আমার পিতা শুরাইহ একটি উটনি বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন-পৃষ্ঠা ৩খ-তিনি এটি বিক্রি করছিলেন, এমতাবস্থায় এক বেদুইন এর দামাদামি করল। সে জিজ্ঞেস করল: এর চলন কেমন? তিনি বললেন: বাম হাতে লাগাম ধরো এবং ডান হাতে চাবুক ধরো, আর পথ তোমার সামনে। সে জিজ্ঞেস করল: এর বোঝা বহন ক্ষমতা কেমন? তিনি বললেন: হেফাজতকারী, এর ওপর যা ইচ্ছা চাপিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল: এর দুধ দোহন কেমন? তিনি বললেন: দোহনপাত্র কাছে আনো এবং তোমার কাজ শুরু করো। সে জিজ্ঞেস করল: দাম কত? তিনি বললেন: তিনশ দিরহাম। সে তাঁকে দাম পরিশোধ করল। যখন সে এটি নিয়ে চলে গেল, দেখা গেল এটি অত্যন্ত ধীরগতির এবং দুধও খুব কম দেয়। অথচ তিনি তাকে বলেছিলেন: যদি তুমি তোমার পছন্দমতো পাও তবে তো ভালোই, অন্যথায় কিন্দাহর কবরস্থান সম্পর্কে এবং তারপর শুরাইহ বিন আল-হারিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো। এরপর সে তাঁর সম্পর্কে খোঁজ করতে করতে তাঁকে মসজিদে পেল, এমতাবস্থায় যে বিবাদীরা তাঁর সামনে উপবিষ্ট। তখন সে বলল: আপনি বিচারকও বটে! আমাদের আপনার উটনির প্রয়োজন নেই। হে বালক! উটনিটি নিয়ে নাও এবং তাকে তার দিরহামগুলো ফেরত দাও।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৩)
5- حدثنا أبو عبد الله الحسن بن إسماعيل ثنا محمد بن إدريس الراوي، ثنا سعيد بن مروان، ثنا عاصم بن بشر عن أبيه قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي ما اسمك قلت أسير قال لا بل أنت يسير هـ.6- حدثنا أبو الحسن علي بن الحسن الأوسي، ثنا أبو داود سليمان بن الأشعث ثنا أحمد بن صالح، عبد الرزاق عن معمر عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له ما اسمك قال حزن قال أنت سهل قال لا السَّهْلُ يُوطَأُ وَيُمْتَهَنُ قَالَ سَعِيدٌ فَظَنَنْتُ أَنَّهُ-ق4أ-سَيُصِيبُنَا بَعْدَهُ حُزُونَةٌ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَغَيَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اسْمَ الْعَاصِ وَعَزِيزٍ وَعَتَلَةَ وَشَيْطَانٍ وَالْحَكَمِ وَغُرَابٍ وَحُبَابٍ وَشِهَابٍ فَسَمَّاهُ هِشَامًا وَسَمَّى حَرْبًا سَلْمًا وَسَمَّى الْمُضْطَجِعَ الْمُنْبَعِثَ وَأَرْض عَفِرَةَ سَمَّاهَا خَضِرَةَ وَشِعْبَ الضَّلَالَةِ سَمَّاهُ شِعْبَ الْهُدَى وَسَمَّى بَنِي مُغْوِيَةَ بَنِي رِشْدَةَ هـ.
৫- আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ হাসান ইবনে ইসমাঈল হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে মারওয়ান হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আসিম ইবনে বিশর তাঁর পিতার সূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি (পিতা) বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন: তোমার নাম কী? আমি বললাম: আসির। তিনি বললেন: না, বরং তুমি ইয়াসির। (সমাপ্ত)৬- আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবনে হাসান আল-আওসি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আশআস হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে সালিহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যেব থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদার থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: তোমার নাম কী? তিনি বললেন: হাযন (রুক্ষ)। তিনি বললেন: তুমি সাহল (সহজ)। তিনি বললেন: না, কেননা সাহল তো পদদলিত ও অবহেলিত হয়। সাঈদ বলেন: আমি ধারণা করেছিলাম যে,-পৃষ্ঠা ৪-ক-আমাদের ওপর পরবর্তীতে কঠোরতা আপতিত হবে। আবু দাউদ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আস, আজীজ, আতলাহ, শয়তান, হাকাম, গুরাব, হুবাব ও শিহাব নামগুলো পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তার নাম হিশাম রাখলেন। তিনি হারব (যুদ্ধ) নাম পরিবর্তন করে সালম (শান্তি) রাখলেন, আল-মুতাজাজি (শায়িত) নাম পরিবর্তন করে আল-মুনবাইস (জাগ্রত) রাখলেন, আফিরাহ (অনুর্বর) ভূমিকে খাদিরাহ (শ্যামল) নামে অভিহিত করলেন, শিবে দলালাহ (পথভ্রষ্টতার উপত্যকা) নাম পরিবর্তন করে শিবে হুদা (হেদায়াতের উপত্যকা) রাখলেন এবং বনু মুগউইয়া নাম পরিবর্তন করে বনু রিশদাহ রাখলেন। (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৪)
7- حدثنا علي بن بكر، أنا ابن الخليل، نا ابن عبيدة نا إبراهيم بن المنذر نا ابن وهب أنا يونس بن يزيد عن ابن شهاب قال كان عمرو بن العاص حين اجتمعوا بالكوفة كلم معاوية وأمره أن يأمر الحسن بن علي أن يقوم فيخطب الناس فكره ذلك معاوية وقال ما أريد أن يخطب فقال عمرو لكني أريد أن يبدو عية في الناس فانه يتكلم في أمور لا يدري ما هي فلم يزل بمعاوية حتى أطاعه فخرج معاوية فخطب الناس وأمر رجلا فنادى الحسن بن علي فقال قم يا حسن فكلم الناس فقام الحسن فتشهد في بديهة أمر لم يروه فقال أما بعد أيها الناس فان الله هداكم بأولنا وحقن دماءكم بآخرنا إن لهذا الأمر مدة والدنيا دول وإن الله تعالى قال لنبيه عليه السلام {وإن أدري أقريب أم بعيد ما توعدون إنه يعلم الجهر من-ق4ب-القول ويعلم ما تكتمون وإن أدري لعله فتنة لكم ومتاع إلى حين} فلما قالها قال له معاوية اجلس ثم جلس ثم خطب معاوية ولم يزل صبرا على عمرو وقال هذا عن رأيك هـ.
৭- আমাদের নিকট আলী বিন বকর বর্ণনা করেছেন, আমাদের ইবনুল খলীল সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের ইবনে উবাইদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের ইব্রাহিম বিন মুনযির বর্ণনা করেছেন, আমাদের ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, আমাকে ইউনুস বিন ইয়াজিদ ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: যখন আমর ইবনুল আস কুফায় একত্রিত হলেন, তখন তিনি মুয়াবিয়ার সাথে কথা বললেন এবং তাকে পরামর্শ দিলেন যেন তিনি হাসান ইবনে আলীকে দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। মুয়াবিয়া বিষয়টি অপছন্দ করলেন এবং বললেন, "আমি চাই না সে ভাষণ দিক।" তখন আমর বললেন, "কিন্তু আমি চাই মানুষের সামনে তার অক্ষমতা প্রকাশ পাক, কারণ সে এমন সব বিষয়ে কথা বলে যা সম্পর্কে সে জানে না।" তিনি মুয়াবিয়াকে এই অনুরোধ করতেই থাকলেন যতক্ষণ না তিনি তার কথা মেনে নিলেন। এরপর মুয়াবিয়া বের হলেন এবং জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তারপর তিনি এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন, সে হাসান ইবনে আলীকে ডেকে বলল, "হে হাসান! দাঁড়ান এবং মানুষের উদ্দেশ্যে কথা বলুন।" তখন হাসান দাঁড়ালেন এবং কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে আল্লাহর প্রশংসা ও সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে ভাষণ শুরু করলেন। তিনি বললেন, "অতঃপর, হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের প্রথম জনের মাধ্যমে তোমাদের হিদায়াত দিয়েছেন এবং আমাদের শেষ জনের মাধ্যমে তোমাদের রক্ত রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই এই রাজত্বের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে এবং পৃথিবী পরিবর্তনশীল। আর আল্লাহ তাআলা তাঁর নবী আলাইহিস সালামকে বলেছেন: {আর আমি জানি না, তোমাদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা কি নিকটবর্তী না দূরবর্তী? নিশ্চয়ই তিনি জানেন উচ্চস্বরের-পৃষ্ঠা ৪-খ-কথা এবং তিনি জানেন যা তোমরা গোপন করো। আর আমি জানি না, সম্ভবত এটি তোমাদের জন্য এক পরীক্ষা এবং নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত জীবনোপকরণ।}" যখন তিনি এই কথাগুলো বললেন, তখন মুয়াবিয়া তাঁকে বললেন, "বসো।" অতঃপর তিনি বসলেন। এরপর মুয়াবিয়া ভাষণ দিলেন এবং আমরের প্রতি বিরক্তি চেপে রেখে বললেন, "এটি তোমারই পরামর্শের ফল।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৫)
8- حدثنا زكريا بن أحمد، نا أبو بكر قال وأخبرني مصعب بن عبد الله قال ذلك الحسن بن علي في النصف من شهر رمضان سنة ثلاث من الهجرة قال مصعب أخذت مولد الحسن عن ابن سعد كاتب الواقدي قال مصعب وسماه رسول الله صلى الله عليه وسلم حسناً كان يشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم هـ.9- حدثنا زكريا، نا أبو بكر، نا خلف بن الوليد الجوهري نا إسرائيل عن ابن إسحاق عن هانيء بن هانيء عن علي قال لما ولد الحسن جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أروني ابني، ما سميتموه قلت سميته حربا قال بل هو حسن.10- حدثنا زكريا ثنا أبو بكر ثنا يحيى بن عبد الحميد ثنا شريك عن سماك عن قابوس عن مخارق عن أم الفضل قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم رأيت في المنام كأن عضوا من أعضائك في بيتي أو قالت في حجرتي قال تلد فاطمة غلاما إن شاء الله فتكفلينه فولدت فاطمة حسنا فدفعه إليها النبي صلى الله عليه وسلم فأرضعته بلبن قثم بن عباس هـ.
৮- যাকারিয়্যা ইবনে আহমদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হাসান ইবনে আলী হিজরীর তৃতীয় সনের রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে জন্মগ্রহণ করেন। মুসআব বলেন: আমি হাসানের জন্ম সংক্রান্ত তথ্য আল-ওয়াক্বিদির লেখক ইবনে সা’দ থেকে গ্রহণ করেছি। মুসআব বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম ‘হাসান’ রেখেছেন এবং তিনি নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ ছিলেন।৯- যাকারিয়্যা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে ওয়ালিদ আল-জাওহারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি হানি ইবনে হানি থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন হাসান জন্মগ্রহণ করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন এবং বললেন, “আমার পুত্রকে আমাকে দেখাও, তোমরা তার নাম কী রেখেছ?” আমি বললাম, “আমি তার নাম ‘হারব’ রেখেছি।” তিনি বললেন, “বরং সে ‘হাসান’।”১০- যাকারিয়্যা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সিমাক থেকে, তিনি ক্বাবুস থেকে, তিনি মুখারিক্ব থেকে, তিনি উম্মুল ফাদ্বল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমি স্বপ্নে দেখেছি যেন তোমার শরীরের একটি অংশ আমার ঘরে (অথবা তিনি বলেছিলেন: আমার কামরায়) রয়েছে।” তিনি বললেন, “ইনশাআল্লাহ ফাতিমা একটি পুত্র সন্তান প্রসব করবে এবং তুমি তার লালন-পালনের দায়িত্ব নেবে।” অতঃপর ফাতিমা হাসানকে প্রসব করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তাঁর কাছে সমর্পণ করলেন, অতঃপর তিনি তাকে ক্বুসাম ইবনে আব্বাসের দুধ পান করালেন।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৬)
-ق5أ-11- حدثنا أبو بكر ثنا أحمد بن الخليل نا أبو عبيدة نا حماد بن مسعدة عن ابن عون عن عمير بن إسحاق قال امر معاوية الحسن بن علي أن يقوم فيتكلم فجعل يخفض من صوته فقال معاوية أسمعنا فأنا لا أسمع فرفع صوته فقال معاوية فإنا لا نسمع فرفع صوته فقال معاوية هكذا بيده نعم كأنه يأمره بالخفض فأبى الحسن وجعل يرفع صوته ثم قال فيما يقول إنه والله ما بين جابلق وجابرص أو جابرص وجابلق أحد جده النبي صلى الله عليه وسلم غيري وغير اخي وقد رأيت أن ادفع هذا الأمر إلى معاوية. قال ابن عون لا أدري هذا الحديث عن عمير أو عن غيره وجعل يقول بيده نحو معاوية {وإن أدري لعله فتنة لكم ومتاع إلى حين} هـ.12- حدثنا أبو عبد الله الحسن بن إسماعيل نا محمد بن خلف الحداد نا سعد بن عبد الحميد بن جعفر، حدثني عبد الله بن زياد السحيمي عن عكرمة بن عمار عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا معشر بني عبد المطلب سادة أهل الجنة أنا وحمزة وجعفر وعلي وحسن وحسين والمهدي.13- حدثنا أبو بكر نا أحمد بن الخليل نا أبو عبدة نا الصلت نا أحمد، حدثني سليمان بن صالح، حدجثني عبد الله عن يونس عن الزهري قال سمعت رجلا من أهل-ق5ب-الرأي يقول سمعت زيادا على المنبر يقول إن أكذب الناس من قام على رأس مائة ألف فكذبهم إني والله لا أعدكم خيرا إلا أنجزته لكم ولا شرا إلا أنجزته لكم ولا أعاقبكم بذنب حتى أتقدم إليكم فيه فاتقوا غضب السلطان فإنه يغضبه ما يغضب الوليد ويأخذ أخذ الأسد وله ملك مؤجل فإذا انقضت مدته كشفه الله عنكم هـ.
-পৃষ্ঠা ৫ক-১১- আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ বিন আল-খলিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু উবাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাম্মাদ বিন মাসআদাহ ইবনে আউন থেকে, তিনি উমাইর বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: মুআবিয়াহ হাসান বিন আলীকে দাঁড়িয়ে কথা বলার নির্দেশ দিলেন। হাসান তার কণ্ঠস্বর নিচু করতে লাগলেন। তখন মুআবিয়াহ বললেন, "আমাদের শোনান, কারণ আমি শুনতে পাচ্ছি না।" তখন তিনি কণ্ঠস্বর উঁচু করলেন। মুআবিয়াহ পুনরায় বললেন, "আমরা শুনতে পাচ্ছি না।" তিনি আরও উঁচু করলেন। তখন মুআবিয়াহ তার হাত দিয়ে এভাবে ইশারা করলেন যেন তিনি তাকে কণ্ঠস্বর নিচু করার আদেশ দিচ্ছেন। কিন্তু হাসান তা অস্বীকার করলেন এবং নিজের কণ্ঠস্বর আরও উঁচু করতে থাকলেন। এরপর তিনি তার বক্তব্যের মধ্যে বললেন: "আল্লাহর কসম, জাবালকা ও জাবারসা—অথবা জাবারসা ও জাবালকা—এর মধ্যবর্তী স্থানে আমি এবং আমার ভাই ছাড়া এমন কেউ নেই যার দাদা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আর আমি এই বিষয়টি মুআবিয়াহর নিকট অর্পণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" ইবনে আউন বলেন, আমি জানি না এই হাদিসটি উমাইর থেকে বর্ণিত নাকি অন্য কারো থেকে। হাসান তার হাত দিয়ে মুআবিয়াহর দিকে ইশারা করে বলতে থাকলেন, "আর আমি জানি না, হয়তো এটি তোমাদের জন্য একটি পরীক্ষা এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভোগবিলাস।" সমাপ্ত।১২- আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-হাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সাদ বিন আব্দুল হামিদ বিন জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আস-সুহাইমি ইকরিমা বিন আম্মার থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে আব্দুল মুত্তালিবের বংশধরেরা, জান্নাতবাসীদের সরদার হলাম আমি, হামযা, জাফর, আলী, হাসান, হুসাইন এবং মাহদী।" সমাপ্ত।১৩- আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ বিন আল-খলিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু আবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আস-সলত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সুলাইমান বিন সালিহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইউনুস থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আহলুর রায়দের (নিজস্ব বিচারবুদ্ধি প্রয়োগকারী) একজনের নিকট শুনেছি, তিনি বলেন, আমি যিয়াদকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে সেই সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী যে এক লক্ষ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে তাদের নিকট মিথ্যা বলে। আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের সাথে কল্যাণের যে ওয়াদা করি তা অবশ্যই তোমাদের জন্য পূরণ করি, আর অকল্যাণের যে ভয় দেখাই তাও অবশ্যই তোমাদের ক্ষেত্রে কার্যকর করি। আমি তোমাদের কোনো অপরাধের জন্য শাস্তি দিই না যতক্ষণ না সে বিষয়ে তোমাদের সতর্ক করি। সুতরাং তোমরা সুলতানের ক্রোধ হতে বেঁচে থাকো, কারণ শিশু যে কারণে রাগান্বিত হয় তিনিও সেই কারণে রাগান্বিত হন এবং তিনি সিংহের ন্যায় পাকড়াও করেন। তার জন্য একটি নির্ধারিত মেয়াদের রাজত্ব রয়েছে, যখন তার সময়কাল শেষ হবে, আল্লাহ তাকে তোমাদের থেকে অপসারিত করবেন।" সমাপ্ত।-পৃষ্ঠা ৫খ-
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৭)
14- حدثني على بن بكر أنا ابن الخليل قال قال أبو عبيدة قال المدائني قال ابن همام السلولي يحذر قومه:سأنصح قيسا قيس عيلان إنني جدير بنصح للعشيرة والأصلوكيف ادخاري النصح عنهم وقد رأى زيادا بلا ذنب مراجله تغليفلا تأمنوه واركبوا القصد تسلموا وكفوا على التأنيب تنجوا من الجهلعليكم بمر الحق لا تعتدونه إلى غيره فالحق من أوضح السبلولا تشتموا أسلافكم وتعاطفوا على البر إن البر من أفضل الفعلوإياكم أن تشتموا أمراءكم فتضحوا من البلوى على كفة الحبلفإن زيادا لا عزيز بأرضه سواه وقد أعطاكم النصف في مهلولا تحملوه أن يريق دماءكم فليس زياد بالغيور ولا الوغل15- حدثنا أبو حامد محمد بن هارون نا أبو أيوب سليمان بن عمر بن خالد الأقطع الرقي نا محمد بن مصعب عن أبي حباب الكلبي-ق6أ-عن سليمان الهمداني عن علي بن أبي طالب قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يا علي إنك من أهل الجنة وإنه يخرج في أمتي قوم ينتحلون شيعتنا ليسوا من شيعتنا لهم نبز يقال لهم الرافضة وآيتهم أنهم يشتمون أبا بكر وعمر أينما لقيتهم فاقتلهم فإنهم مشركون هـ.
১৪- আলী বিন বকর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনুল খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু উবাইদাহ বলেছেন, মাদায়িনি বলেছেন, ইবনে হাম্মাম আল-সালুলি তার কওমকে সতর্ক করে বলেছেন:আমি কায়েসকে—কায়েস আয়লানকে—উপদেশ দেব, কারণ আমি গোত্র ও বংশের উপদেশের যোগ্য।আমি কীভাবে তাদের থেকে উপদেশ গোপন রাখব, অথচ দেখা যাচ্ছে যে কোনো অপরাধ ছাড়াই জিয়াদের হাঁড়িগুলো টগবগ করে ফুটছে?সুতরাং তোমরা তাকে নিরাপদ মনে করো না এবং মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো যাতে তোমরা নিরাপদ থাকো, আর তিরস্কার থেকে বিরত থাকো যাতে মূর্খতা থেকে মুক্তি পাও।তোমরা তিক্ত সত্যকে আঁকড়ে ধরো, তা অতিক্রম করে অন্য দিকে যেয়ো না, কারণ সত্য হলো স্পষ্টতম পথগুলোর একটি।তোমরা তোমাদের পূর্বসূরিদের গালি দিয়ো না এবং পুণ্যকর্মে একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হও, নিশ্চয়ই পুণ্যকর্ম সর্বোত্তম কাজের অন্তর্ভুক্ত।তোমরা তোমাদের শাসকদের গালি দেওয়া থেকে বেঁচে থাকো, অন্যথায় তোমরা বিপদের কারণে ফাঁসির দড়ির পাল্লায় গিয়ে পড়বে।নিশ্চয়ই জিয়াদ তার ভূমিতে সে ছাড়া আর কেউ শক্তিশালী নয়, আর সে তোমাদের ধীরস্থিরভাবে ন্যায়বিচার দান করেছে।তোমরা তাকে তোমাদের রক্ত ঝরাতে প্ররোচিত করো না, কেননা জিয়াদ ঈর্ষান্বিতও নয় আর দুর্বলও নয়।১৫- আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আইয়ুব সুলাইমান বিন উমর বিন খালিদ আল-আক্বতা আল-রাক্কি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুসআব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু হুবাব আল-কালবি থেকে,-পৃষ্ঠা ৬ক-সুলাইমান আল-হামদানি থেকে, আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন: হে আলী, নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। আর অচিরেই আমার উম্মতের মধ্যে এমন এক কওম বের হবে যারা আমাদের শিয়া (অনুসারী) হওয়ার দাবি করবে, অথচ তারা আমাদের শিয়াদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদের একটি উপাধি রয়েছে, তাদের 'রাফিযা' বলা হয়। তাদের নিদর্শন হলো তারা আবু বকর ও উমরকে গালি দেয়। তুমি যেখানেই তাদের পাবে তাদের হত্যা করো, কারণ তারা মুশরিক। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৮)
16- حدثنا علي بن بكر أنا ابن الخليل ثنا زكريا نا الأصمعي قال أتيت بعض المقابر فإذا بجارية عند قبر وهي تقول:يا أبه فسح الله لك في صريحك وتغمدك بما تغمد به نبيه صلى الله عليه وسلم ثم قالتيا ليت شعري كيف غيرك البلى أم كيف صار جمال وجهك في الثرىلله درك أي كهل غيبوا تحت الجنادل لا تحس ولا ترىحلما وجودا (غير واضح) علم وبشر حين يطرق للقرى.حدثنا علي بن بكر أنا عبد العزيز بن يحيى نا أبي دينار ثنا ابن سابق قال رأيت أعرابية بالبصرة عند قبر وهي تبكي بحرقة وتقول:صرت حقيرة مذ صرت في الحفيرة، انقطع منك الظهر والقوىوجفاني بعدك الأقرباء وقلاني الأخلاء وشمت بي الأعداءوغمرني بعد فقدك حسك (كذا بالأصل) الدهور (غير واضح) الديونفالقلب لفقدك مفتون ثم بكت وأنشأت تقول:
১৬- আমাদের নিকট আলী বিন বাকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের ইবনুল খলীল সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট যাকারিয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আসমাঈ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কিছু কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন দেখলাম একটি কবরের পাশে এক বালিকা দাঁড়িয়ে বলছে:হে আব্বাজান! আল্লাহ আপনার কবরকে প্রশস্ত করে দিন এবং আপনাকে সেই রহমত দ্বারা আবৃত করুন যা দ্বারা তিনি তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আবৃত করেছেন। অতঃপর সে বলল:হায়! আমি যদি জানতাম জরাজীর্ণতা আপনাকে কীভাবে পরিবর্তিত করেছে, অথবা মাটির নিচে আপনার চেহারার সৌন্দর্য কেমন হয়ে গেছে!আপনার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ বর্ষিত হোক! কী এক প্রৌঢ় ব্যক্তিকে তারা পাথরের নিচে লুকিয়ে ফেলেছে, যাকে আর অনুভব করা যায় না এবং দেখাও যায় না।ধৈর্য ও দানশীলতা... (অস্পষ্ট) জ্ঞান এবং প্রফুল্লতা যখন মেহমান জনপদে আসত।আমাদের নিকট আলী বিন বাকর বর্ণনা করেছেন, আমাদের আব্দুল আযীয বিন ইয়াহইয়া সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা দীনার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে সাবিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বসরার একটি কবরের নিকট একজন বেদুইন নারীকে দেখলাম, সে অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে কাঁদছে এবং বলছে:যখন থেকে আপনি গর্তে (কবরে) প্রবেশ করেছেন, আমি তুচ্ছ হয়ে গেছি; আপনার শোকে আমার কোমর ও শক্তি ভেঙে পড়েছে।আপনার চলে যাওয়ার পর নিকটাত্মীয়রা আমার প্রতি কঠোর হয়েছে, বন্ধুরা আমাকে ত্যাগ করেছে এবং শত্রুরা আমার দুর্দশায় আনন্দিত হয়েছে।আপনাকে হারানোর পর যুগের যাতনা আমাকে আচ্ছন্ন করেছে... (অস্পষ্ট) ঋণসমূহ।আপনার বিচ্ছেদে হৃদয় শোকার্ত হয়ে পড়েছে। অতঃপর সে ক্রন্দন করল এবং আবৃত্তি করতে শুরু করল:
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ৯)
-ق6ب-كنا نجوما يحوطها قمر فانسل نور الهلال في الأممفنحن إذ ليس بيننا قمر حندس موحش من الظلموأنت في وحشة بمقبره في ظلمة فو جوار ذي صممكيف عزائي وأنت يا أملي تبلى وقلبي من ذاك في هممفقلت من تبكين قالت أخي وابن أمي هـ.17- أخبرنا عمرو بن محمد عن أبي بكر بن عبد الملك نا أحمد بن يحيى قال يروى أن يحيى بن خالد عزى رجلا عن حرمة له فقال تقديم الحُرم من النعم وتمثل:(غير واضح) إذا (غير واضح) فخير درع (غير واضح) للمصائب درع صبرولم أر نعمة سترت كريما كعورة مسلم سترت بقبر
-পৃ ৬খ-আমরা ছিলাম এমন সব নক্ষত্র যাকে ঘিরে ছিল একটি চাঁদ, অতঃপর সেই হেলালের (অর্ধচন্দ্র) নূর জাতিসমূহের মাঝে বিলীন হয়ে গেল।এখন যেহেতু আমাদের মাঝে কোনো চাঁদ অবশিষ্ট নেই, আমরা অন্ধকারের ভয়াবহ নিস্তব্ধতায় নিমজ্জিত হয়েছি।আর আপনি রয়েছেন অন্ধকার কবরের নির্জনতায়, এক বধির (নিস্পন্দ) প্রতিবেশীর সান্নিধ্যে।হে আমার প্রত্যাশা! আমি কীভাবে সান্ত্বনা পাব যখন আপনি ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছেন, আর আমার হৃদয় সেই চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে আছে?অতঃপর আমি বললাম, "তুমি কার জন্য কাঁদছ?" সে বলল, "আমার ভাই এবং সহোদরের জন্য।"১৭- আমর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আব্দুল মালিক থেকে, তিনি আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বর্ণিত আছে যে, ইয়াহইয়া ইবনে খালিদ জনৈক ব্যক্তিকে তার পরিবারের কোনো এক নারী সদস্যের মৃত্যুতে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন: সম্মানিতা নারীদের (মৃত্যুর মাধ্যমে) আগে পাঠিয়ে দেওয়া এক বিশেষ নেয়ামত। অতঃপর তিনি এই পঙ্ক্তি পাঠ করলেন:(অস্পষ্ট) যখন (অস্পষ্ট) মুসিবতের সময় ধৈর্যের বর্মই হলো সর্বোত্তম বর্ম (অস্পষ্ট)।আমি কোনো সম্মানিত ব্যক্তির জন্য কবরের মতো এমন কোনো নেয়ামত দেখিনি যা একজন মুসলিমের গোপনীয়তাকে ঢেকে রাখে।
(খণ্ড: ১)
আখবার ওয়া হিকায়াত মিন হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ
(পৃষ্ঠা: ১০)
18- حَدَّثَنا علي بن بكر نا أبو القاسم عبد الله بن محمد، نا لوين، نا حيان بن علي عن عبد الملك بن عمير عن عمرو بن حويرث قال دخل على الهيثم بن الأسود فقيل له كيف تجدك يا أبا العريان فقال أجدني والله قد اسود مني ما أحب أن يبيض وابيض مني ما أحب أن يسود واشتد مني ما أحب أن يلين ولان مني ما أحب أن يشتد-ق7أ-وسأنبئك عن آيات الكبر … تقارب الخطو ونقص في البصروقلة الطعم إذا الزاد حضر … ... وقلة النوم إذا الليل اعتكروكثرة النسيان فيما يدكر … ... وتركي الحسناء في قبل الطهروالناس يبلون كما يبلى الشجر …قال لوين فذكرته لابن عيينة في المسجد الحرام فاندفع يحدثنا عن أبي العريان نفيه مثل حديث حبان وزاد فيه وقيل لأبي العريان أخبرنا بجيد العنب قال: هو ما اخضر عوده، وتفرق عنقوده، قالوا أخبرنا بجيد الرطب قال: هو، ما رق سحاه، وكثر لحاه، وصغر نواه، فقلت لابن عيينة من جديد فغضب وقال والله لأحدثنك به الليلة هـ.آخر الجزء والحمد لله
১৮- আলী ইবনে বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাইয়ান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আমর ইবনে হুয়াইরিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তিনি হাইসাম ইবনে আসওয়াদের নিকট প্রবেশ করলেন, তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, "হে আবু আল-উরয়ান! আপনি নিজেকে কেমন অনুভব করছেন?" তিনি বললেন, "আল্লাহর কসম, আমি দেখছি যে আমার এমন কিছু অংশ কালো হয়ে গেছে যা আমি সাদা হওয়া পছন্দ করতাম, এবং এমন কিছু অংশ সাদা হয়ে গেছে যা আমি কালো থাকা পছন্দ করতাম; আমার এমন কিছু অংশ শক্ত হয়ে গেছে যা আমি নরম থাকা পছন্দ করতাম, এবং এমন কিছু অংশ নরম হয়ে গেছে যা আমি শক্ত থাকা পছন্দ করতাম।"-পৃষ্ঠা ৭ক-আমি তোমাকে বার্ধক্যের লক্ষণসমূহ সম্পর্কে জানাবো … পদক্ষেপ ছোট হয়ে আসা এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াখাবার উপস্থিত হলে খাবারের রুচি কমে যাওয়া … ... এবং রাত গভীর হলে ঘুমের স্বল্পতাস্মরণীয় বিষয়ে বিস্মৃতি বেড়ে যাওয়া … ... এবং পবিত্র হওয়ার পূর্বেই রূপবতীকে বর্জন করাআর মানুষ জরাজীর্ণ হয় যেভাবে গাছ জরাজীর্ণ হয় …লুওয়াইন বলেন, আমি মসজিদুল হারামে ইবনে উয়াইনার নিকট এটি উল্লেখ করলাম, তখন তিনি আমাদের কাছে আবু আল-উরয়ান সম্পর্কে হাইয়ানের হাদীসের মতোই বর্ণনা করতে শুরু করলেন এবং তাতে আরও যোগ করলেন: আবু আল-উরয়ানকে জিজ্ঞেস করা হলো, "আমাদের উৎকৃষ্ট আঙুর সম্পর্কে বলুন।" তিনি বললেন: "যার ডাল সবুজ এবং থোকাগুলো ছড়ানো।" তারা বলল: "আমাদের উৎকৃষ্ট তাজা খেজুর সম্পর্কে বলুন।" তিনি বললেন: "যার খোসা পাতলা, শাঁস বেশি এবং আঁটি ছোট।" আমি ইবনে উয়াইনাকে পুনরায় বলতে বললাম, এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: "আল্লাহর কসম, আজ রাতে আমি অবশ্যই তোমাকে এটি বর্ণনা করব।" সমাপ্ত।খণ্ডের সমাপ্তি, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।