(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: -)
العلل ومعرفة الرجال لأحمد رواية المروذي وغيره ت وصي الله عباس القسم: العلل والسؤلات الحديثية
الكتاب: الجامع في العلل ومعرفة الرجال لأحمد بن حنبل
المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني (ت 241هـ)
رواية: المروذي وغيره
المحقق: الدكتور وصى الله بن محمد عباس
الناشر: الدار السلفية، بومباى - الهند
الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م
عدد الصفحات: 292
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আহমাদের আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল, আল-মারওয়াযী ও অন্যদের বর্ণনা, ওয়াসিউল্লাহ আব্বাসের সম্পাদনা বিভাগ: হাদিসের ত্রুটিসমূহ ও হাদিস বিষয়ক জিজ্ঞাসাবাদ
বই: আহমাদ বিন হাম্বলের আল-জামি ফিল ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শায়বানী (মৃত্যু ২৪১ হি.)
বর্ণনা: আল-মারওয়াযী ও অন্যান্য
সম্পাদক: ডক্টর ওয়াসিউল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আব্বাস
প্রকাশক: আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ, বোম্বে - ভারত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯২
[বইয়ের নম্বর প্রদান মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[الجامع في العلل ومعرفة الرجال لأحمد بن حنبل]ـ
المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني (المتوفى: 241هـ)
رواية: المروذي وغيره
المحقق: الدكتور وصى الله بن محمد عباس
الناشر: الدار السلفية، بومباى - الهند
الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[আহমাদ বিন হাম্বল রচিত আল-জামি ফিল ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল]
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শাইবানি (মৃত্যু: ২৪১ হিজরি)
বর্ণনা: আল-মারুযি ও অন্যান্য
গবেষক: ড. ওয়াসিউল্লাহ বিন মুহাম্মদ আব্বাস
প্রকাশক: আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ, বোম্বে - ভারত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইটির নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
[المروذي]
1 - أخبرنَا أَبُو أَحْمد الْحُسَيْن بن عَليّ بن مُحَمَّد بن يحيى التَّمِيمِي النَّيْسَابُورِي ، حَدثنَا أَبُو عوَانَة يَعْقُوب بن إِسْحَاق الإسفرائيني، بإسفرائين قَرْيَة فَوق نيسابور ثَلَاثِينَ فرسخا.
قَالَ: حَدثنَا أَحْمد بن مُحَمَّد الْحجَّاج الْمَرْوذِيّ أَبُو بكر، بطرسوس، قِرَاءَة علينا، قَالَ: وَذكر لَهُ التَّدْلِيس يَعْنِي لِأَحْمَد بن حَنْبَل ، رحمه الله، فَقَالَ:
[আল-মারওয়াযি] ১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আল-হুসাইন বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আত-তামিমি আন-নাইসাবুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-ইসফরাইনি, ইসফরাইনে—যা নাইসাবুর হতে ত্রিশ ফারসাখ দূরত্বে অবস্থিত একটি গ্রাম।
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাজ্জাজ আল-মারওয়াযি, তারসুস নামক স্থানে, আমাদের নিকট পাঠকালে। তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট 'তাদলিস' (বর্ণনাসূত্র গোপন করা) সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
قد دلّس قوم، وَذكر الْأَعْمَش، وَذكر لَهُ مُجَاهِد ، وَسَعِيد بن جُبَير أَنه يروي عَنْهُمَا؟ فَقَالَ: نعم، ثمَّ قَالَ: كَانَ أَبُو حرَّة صَاحب تَدْلِيس ، عَن الْحسن ، إِلَّا أَن يحيى روى عَنهُ ثَلَاثَة أَحَادِيث، يَقُول فِي بَعْضهَا: حَدثنَا الْحسن، مِنْهَا حَدِيث سعد بن هِشَام ، حَدِيث عَائِشَة فِي الرَّكْعَتَيْنِ.
وَقَالَ: كَانَ ابْن إِسْحَاق يُدَلس ، إِلَّا أَن كتاب إِبْرَاهِيم بن
একদল লোক তাদলীস করেছেন। আ’মাশ-এর কথা উল্লেখ করা হলো এবং তার কাছে মুজাহিদ ও সাঈদ ইবনে জুবায়েরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, তিনি কি তাদের থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি বললেন: আবু হুররা হাসান থেকে তাদলীস করতেন, তবে ইয়াহইয়া তার থেকে তিনটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যার কোনোটিতে তিনি বলেন: ‘হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন’। তন্মধ্যে সাদ ইবনে হিশামের হাদিস এবং দুই রাকাত সম্পর্কে আয়েশার হাদিসটি রয়েছে।
এবং তিনি বললেন: ইবনে ইসহাক তাদলীস করতেন, তবে ইব্রাহিম ইবনে এর কিতাব...
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
سعد يبين إِذا كَانَ سَمَاعا ، قَالَ: حَدثنِي ، وَإِذا لم يكن قَالَ: قَالَ.
ثمَّ قَالَ: يَقُول قَالَ أَبُو الزِّنَاد، قَالَ فلَان، قَالَ: وَتنظر فِي كتاب يزِيد بن هَارُون عَن أبي الزِّنَاد كلهَا.
2 - وَقيل لَهُ: أَيّمَا أحب إِلَيْك مُوسَى بن عُبَيْدَة ، أَو مُحَمَّد بن إِسْحَاق؟ فَقَالَ: مُحَمَّد بن إِسْحَاق.
3 - قَالَ: لَيْسَ أحد أثبت وَلَا أعرف بِحَدِيث ثَابت من حَمَّاد ، ثمَّ
সাদ স্পষ্ট করে দিতেন যখন তা সরাসরি শ্রবণ হতো, তখন তিনি বলতেন: ‘তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন’, আর যখন তা (সরাসরি) শ্রবণ হতো না, তখন বলতেন: ‘তিনি বলেছেন’।
অতঃপর তিনি বললেন: তিনি বলেন যে আবুয যিনাদ বলেছেন, অমুক বলেছেন। তিনি বললেন: আর আপনি ইয়াযিদ ইবনে হারুনের গ্রন্থে আবুয যিনাদের সূত্রে সে সমস্ত বর্ণনা দেখতে পাবেন।
২ - এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনার নিকট কে অধিক প্রিয়, মূসা ইবনে উবায়দাহ নাকি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক? তিনি বললেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক।
৩ - তিনি বললেন: সাবেতের বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে হাম্মাদের চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য এবং অভিজ্ঞ আর কেউ নেই, অতঃপর...
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪০)
قَالَ: وَسليمَان بن الْمُغيرَة، قلت: معمر؟ قَالَ: وَمعمر حسن الحَدِيث ، عَن ثَابت.
4 - وَقَالَ: كَانَ ابْن أبي زَائِدَة ، إِذا قَالَ: قَالَ ابْن جريج عَن فلَان، فَلم يسمعهُ، وَكَانَ يحدث عَن ابْن جريج ، فَلَا يَجِيء بالألفاظ وَالْأَخْبَار، وَكَذَا كَانَ حَفْص بميزان يحيى ، يَقُول: ابْن
তিনি বললেন: এবং সুলাইমান ইবনুল মুগীরাহ। আমি বললাম: মা'মার? তিনি বললেন: সাবিত থেকে মা'মারের হাদিস উত্তম।
৪ - এবং তিনি বললেন: ইবনে আবি যায়িদাহ এমন ছিলেন যে, যখন তিনি বলতেন: ইবনে জুরায়জ অমুক থেকে বর্ণনা করেছেন, তখন তিনি তা শোনেননি। তিনি যখন ইবনে জুরায়জ থেকে বর্ণনা করতেন, তখন তিনি যথাযথ শব্দাবলি ও সংবাদসমূহ বর্ণনা করতেন না। ইয়াহইয়ার মানদণ্ড অনুযায়ী হাফসও ঠিক এমন ছিলেন, তিনি বলতেন: ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪১)
جريج سَمِعت أَبَا الزبير.
5 - وَسُئِلَ عَن عطاف بن خَالِد، فَقَالَ: لَيْسَ بِهِ بَأْس.
6 - وَسُئِلَ عَن يحيى بن حَمْزَة، فَقَالَ: لَيْسَ بِهِ بَأْس.
7 - سَأَلته. قلت: سمع ابْن عون من أنس شَيْئا؟ فَقَالَ: قد رَآهُ ، وَأما سَماع فَلَا أعلم.
ثمَّ قَالَ: أَيُّوب قد رَآهُ، وَلم يسمع، قلت: وَيُونُس؟ قَالَ:
জুরাইজ, আমি আবুল জুবায়র থেকে শুনেছি।
৫ - এবং তাকে ইত্তাফ ইবনে খালিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তার মধ্যে কোনো দোষ নেই।
৬ - এবং তাকে ইয়াহইয়া ইবনে হামজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তার মধ্যে কোনো দোষ নেই।
৭ - আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। আমি বললাম: ইবনে আউন কি আনাস থেকে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন: তিনি তাকে দেখেছেন, তবে শোনার ব্যাপারে আমি জানি না।
তারপর তিনি বললেন: আইয়ুব তাকে দেখেছেন, কিন্তু শোনেননি। আমি বললাম: আর ইউনুস? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪২)
لَا أَدْرِي.
8 - وَذُكِرَ حَدِيثُ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَحَدِيثُ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنْ عُمَرَ مَنْ بَاعَ عَبْدًا، قُلْتُ: فَأَيُّمَا الثَّبْتُ؟ فَتَبَسَّمَ، وَقَالَ: اللَّهُ أَعْلَمُ،
আমি জানি না।
8 - ইবনে উমর হতে সালিমের বর্ণিত হাদিস, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, এবং ইবনে উমর হতে নাফির বর্ণিত হাদিস, যা উমর থেকে বর্ণিত—'যে ব্যক্তি কোনো দাস বিক্রয় করল'—উল্লেখ করা হলো। আমি বললাম: তবে কোনটি অধিক নির্ভরযোগ্য? তিনি মুচকি হাসলেন এবং বললেন: আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
قُلْتُ: مَا الَّذِي يُمِيلُ إِلَيْهِ قَلْبُكَ؟ قَالَ: أُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ نَافِع
9 - قلت: فَإِذا اخْتلف سَالم ، وَنَافِع.
لمن تحكم؟ قَالَ: نَافِع.
قد قدم سالما على نَفسه، وَقد روى عَنهُ ، وَكَانَ مشمرا، قلت: لم أرد الْفضل إِنَّمَا أردْت فِي الحَدِيث، إِذا اخْتلفَا، فقلبك إِلَى أَيهمَا أميل؟ قَالَ: جَمِيعًا عِنْدِي ثَبت، وَذهب إِلَى أَن لَا يقْضِي لأحد.
আমি বললাম: আপনার মন কোন দিকে ঝুঁকে থাকে? তিনি বললেন: আমি মনে করি—আর আল্লাহই ভালো জানেন—নাফে‘।
৯ - আমি বললাম: যদি সালেম এবং নাফে‘র মধ্যে মতভেদ হয়।
তবে আপনি কার পক্ষে ফয়সালা দেবেন? তিনি বললেন: নাফে‘।
তিনি (নাফে‘) সালেমকে নিজের ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন অত্যন্ত কর্মতৎপর। আমি বললাম: আমি শ্রেষ্ঠত্বের কথা বোঝাতে চাইনি, বরং আমি হাদীসের ক্ষেত্রে বোঝাতে চেয়েছি যে, যখন তাঁরা মতভেদ করবেন, তখন আপনার মন কোনটির প্রতি বেশি ঝুঁকে থাকে? তিনি বললেন: আমার নিকট উভয়েই নির্ভরযোগ্য। এরপর তিনি কোনো একজনের পক্ষে চূড়ান্ত প্রাধান্য না দেওয়ার অভিমত ব্যক্ত করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
10- وَقَالَ: كَانَ يحيى الْقطَّان ، وخَالِد بن الْحَارِث، ومعاذ بن معَاذ لَا يَكْتُبُونَ عِنْد شُعْبَة، كَانَ يحيى يحفظ ، وَيذْهب إِلَى بَيته، فيكتبها، وَكَانَ فِي حَدِيثه بعض ترك الْأَخْبَار والألفاظ، وَكَانَ معَاذ يقْعد نَاحيَة فِي جَانب، فَيكْتب مَا حفظ، وَكَانَ فِي حَدِيثه شَيْء، وَكَانَ خَالِد أَيْضا يقْعد فِي نَاحيَة، فَيكْتب مَا حفظ لَا يَجْتَمعُونَ.
11- وَسَأَلته عَن حَفْص الفرخ ، فَقَالَ: لم أكتب عَنهُ، كَانَ يتتبع السُّلْطَان.
১০- এবং তিনি বললেন: ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, খালিদ ইবনুল হারিস এবং মুআয ইবনু মুআয শু'বার নিকট (হাদিস) লিখতেন না। ইয়াহইয়া মুখস্থ করতেন এবং নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে তা লিখে নিতেন। তাঁর বর্ণিত হাদিসে কিছু তথ্য ও শব্দ বর্জিত হওয়ার বিষয় ছিল। আর মুআয এক পাশে নির্জনে বসতেন এবং যা মুখস্থ করেছেন তা লিখতেন, তাঁর বর্ণিত হাদিসেও কিছু (ত্রুটি) ছিল। খালিদও এক পাশে বসতেন এবং যা মুখস্থ করেছেন তা লিখতেন; তাঁরা একত্রে বসতেন না।
১১- এবং আমি তাঁকে হাফস আল-ফাররুখ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমি তাঁর নিকট থেকে (হাদিস) লিখিনি, তিনি সুলতানের অনুগামী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
12- وَسَأَلته عَن سُلَيْمَان بن الحكم بن عوَانَة، فَقَالَ: هَذَا كَانَ ينزل ذَاك الْجَانِب، وَإِنَّمَا كَانَ عِنْده شَيْء، أَو قَالَ: لم أكتب عَنهُ شَيْئا.
13- وَقَالَ فِي مُحَمَّد بن حَمْزَة الْخُرَاسَانِي الَّذِي قَتله ابْن نهيك فِي الْأَمر بِالْمَعْرُوفِ لَا أعرفهُ.
14- وَقَالَ: أَبُو الْجمل اليمامي الَّذِي يروي ، عَن يحيى بن أبي كثير لَا أَدْرِي كَيفَ هُوَ، أَو قَالَ: قَالَ لَا أعرفهُ.
15 - قَالَ فِي أبي حَمَّاد الْحَنَفِيّ: اسْمه الْمفضل بن صَدَقَة، فَتكلم
১২- আমি তাঁকে সুলায়মান ইবনে আল-হাকাম ইবনে আওয়ানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তিনি ওই এলাকায় অবস্থান করতেন, এবং তাঁর নিকট সামান্য কিছু (হাদিস) ছিল; অথবা তিনি বলেছেন: আমি তাঁর থেকে কিছুই লিপিবদ্ধ করিনি।
১৩- আর মুহাম্মদ ইবনে হামজা আল-খুরাসানি সম্পর্কে তিনি বলেছেন—যাকে ইবনে নুহায়িক সৎকাজের আদেশের কারণে হত্যা করেছিলেন—আমি তাঁকে চিনি না।
১৪- আর তিনি বলেছেন: আবুল জামাল আল-ইয়ামামী, যিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেন, আমি জানি না তিনি কেমন; অথবা তিনি বলেছেন: আমি তাঁকে চিনি না।
১৫ - আবু হাম্মাদ আল-হানাফি সম্পর্কে তিনি বলেছেন: তাঁর নাম আল-মুফাদদাল ইবনে সাদাকা; অতঃপর তিনি তাঁর সমালোচনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
فِيهِ بِكَلَام ضَعِيف.
16 - وَقَالَ لي: دَهْثَم بْن فَرّان اليمامي، ضُعَفة.
17 - وَقَالَ فِي عَليّ بن حزور: فلينه.
18 - وَقَالَ فِي مُسلم بن خَالِد الزنْجِي: فحرك يَده وَلينه.
19 - وَقَالَ: عَليّ بن حَفْص أحب إِلَيّ من شَبابَة.
তাতে দুর্বল মন্তব্য করেছেন।
16 - এবং তিনি আমাকে বলেছেন: দাহসাম বিন ফাররান আল-ইয়ামামী; সে দুর্বল।
17 - এবং তিনি আলী বিন হাযওয়ার সম্পর্কে বলেছেন: তাকে শিথিল সাব্যস্ত করেছেন।
18 - এবং তিনি মুসলিম বিন খালিদ আয-যানজী সম্পর্কে বলেছেন: অতঃপর তিনি তার হাত নাড়ালেন এবং তাকে শিথিল সাব্যস্ত করলেন।
19 - এবং তিনি বলেছেন: আলী বিন হাফস আমার নিকট শাবাবার চেয়ে অধিক পছন্দনীয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
20 - وَذكر معمر ، فَقَالَ: ذكر يَوْمًا حَدِيثا للثوري، فَأَخْطَأَ فِيهِ، فَقَالَ لَهُ سُفْيَان: نَعَست يَا أَبَا عُرْوَة؟ فَقَالَ لَهُ معمر كلَاما أكره أَن أحكيه، قلت: كَأَنَّهُ قَالَ لَهُ: كذبت، فَضَحِك.
21 - وَذكر عباد، فَقَالَ حدث يَوْمًا بِحَدِيث ، فَقَالَ: فُضَيْل بن يزِيد ، وَإِنَّمَا هُوَ فُضَيْل بن زيد، فَرد عَلَيْهِ فَأبى، فجار.
22 - وَسَأَلته عَن أبي حَفْص الشَّامي، فَقَالَ: هَذَا كَانَت عِنْده
২০ - এবং তিনি মা'মারের কথা উল্লেখ করে বললেন: তিনি একদিন সাওরির একটি হাদিস বর্ণনা করলেন এবং তাতে ভুল করলেন। তখন সুফিয়ান তাকে বললেন: হে আবু উরওয়াহ, আপনি কি ঝিমুচ্ছেন? মা'মার তাকে এমন কিছু কথা বললেন যা আমি বর্ণনা করা অপছন্দ করি। আমি বললাম: মনে হয় তিনি তাকে বলেছিলেন: "আপনি মিথ্যা বলেছেন", তখন তিনি হাসলেন।
২১ - এবং তিনি আব্বাদের কথা উল্লেখ করে বললেন: তিনি একদিন একটি হাদিস বর্ণনা করলেন এবং বললেন: ফুযাইল বিন ইয়াজিদ, অথচ তিনি মূলত ফুযাইল বিন যায়েদ। অতঃপর তাকে সংশোধন করে দেওয়া হলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করলেন এবং জেদ প্রদর্শন করলেন।
২২ - এবং আমি তাকে আবু হাফস আশ-শামী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: তার নিকট ছিল
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
أَحَادِيث كتبناها عَن سعيد بن عبد الْعَزِيز، ثمَّ تبين أمره بعد فَتَرَكُوهُ، حدث بِأَحَادِيث لسَعِيد بن أبي عرُوبَة.
23 - قلت: من أَصْحَاب أبي إِسْحَاق المتثبتون؟ قَالَ: شُعْبَة ، وسُفْيَان.
24 - وَقَالَ: شريك حسن الرِّوَايَة عَن أبي إِسْحَاق.
কিছু হাদীস যা আমরা সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয থেকে লিখেছিলাম, পরবর্তীতে তাঁর অবস্থা স্পষ্ট হওয়ার পর তাঁরা তাঁকে বর্জন করেন; তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহর হাদীসসমূহ বর্ণনা করতেন।
২৩ - আমি বললাম: আবু ইসহাকের সঙ্গীদের মধ্যে সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য কারা? তিনি বললেন: শু'বাহ ও সুফিয়ান।
২৪ - এবং তিনি বললেন: আবু ইসহাক থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে শারীক উত্তম বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
25 - قلت: كَيفَ معمر فِي الحَدِيث؟ قَالَ: ثَبت إِلَّا أَن فِي بعضه حَدِيثه شَيْئا.
26 - وَقَالَ فِي ابْن وهب: كَانَ حَدِيثه بعضه سَماع ، وَبَعضه عرض ، وَبَعضه مناولة، وَكَانَ مَا لم يسمعهُ يَقُول: قَالَ حَيْوَة، قَالَ فلَان.
27 - وَقَالَ: قد رَأَيْت ابْن وهب وَلم أكتب عَنهُ، ثمَّ كتبت عَن رجل عَنهُ.
قَالَ وَأَخْبرنِي بعض أَصْحَابنَا أَنه رأى ابْن وهب عِنْد ابْن عُيَيْنَة ، قفال لَهُ: الْكتب الَّتِي عرضهَا عَلَيْك ابْن أخي أرويها عَنْك؟
২৫ - আমি বললাম: হাদিসের ক্ষেত্রে মা'মার কেমন? তিনি বললেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তবে তাঁর কিছু হাদিসে কিছুটা ত্রুটি রয়েছে।
২৬ - আর তিনি ইবনে ওয়াহাব সম্পর্কে বলেছেন: তাঁর হাদিসের কিছু ছিল সরাসরি শ্রবণ (সামা'), কিছু ছিল পেশ করা (আরয) এবং কিছু ছিল অর্পণ করা (মুনাওয়ালা); আর যা তিনি সরাসরি শোনেননি সেগুলোর ক্ষেত্রে বলতেন: হাইওয়াহ বলেছেন, অমুক বলেছেন।
২৭ - এবং তিনি বলেছেন: আমি ইবনে ওয়াহাবকে দেখেছি কিন্তু তাঁর থেকে (সরাসরি) কিছু লিখিনি, পরবর্তীতে এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর থেকে হাদিস লিখেছি।
তিনি বলেন, আমাদের কিছু সাথী আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি ইবনে ওয়াহাবকে ইবনে উয়াইনার নিকট দেখেছিলেন; তখন তিনি (ইবনে ওয়াহাব) তাঁকে বললেন: আমার ভাতিজা আপনার নিকট যে কিতাবগুলো পেশ করেছে, আমি কি সেগুলো আপনার সূত্রে বর্ণনা করব?
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫০)
ثمَّ قَالَ يحيى: أخبرنَا أَنه شهد بن وهب عِنْد ابْن عيينه.
28 - وَسَأَلت أَبَا عبد الله ، عَن سُفْيَان بن حُسَيْن ، فَقَالَ: لَيْسَ هُوَ بِذَاكَ، فِي حَدِيثه عَن الزُّهْرِيّ شَيْء.
29 - وَقَالَ: كَانَ خَالِد بن الْحَارِث يَجِيء بِالْحَدِيثِ كَمَا سمع ، وَيَقُول يحيى: هَذَا أَو أشبه هَذَا، وَكَانَ ابْن مهْدي يَجِيء بِالْحَدِيثِ سمع، وَكَانَ وَكِيع يجْتَهد أَن يَجِيء بِالْحَدِيثِ كَمَا سمع، فَكَانَ رُبمَا قَالَ فِي الْحَرْف أَو الشَّيْء: يَعْنِي كَذَا.
30 - وَقَالَ: التَّدْلِيس من الرِّيبَة.
অতপর ইয়াহইয়া বললেন: তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ইবনে উইয়াইনার নিকট ইবনে ওয়াহাবকে উপস্থিত দেখেছেন।
২৮ - এবং আমি আবু আব্দুল্লাহকে সুফিয়ান ইবনে হুসাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তিনি তেমন (নির্ভরযোগ্য) নন, যুহরী থেকে বর্ণিত তার হাদিসে ত্রুটি রয়েছে।
২৯ - এবং তিনি বললেন: খালিদ ইবনে আল-হারিস হাদিসটি ঠিক যেমনটি শুনেছেন সেভাবেই বর্ণনা করতেন; আর ইয়াহইয়া বলতেন: এটি অথবা এর অনুরূপ। ইবনে মাহদী হাদিসটি যেভাবে শুনেছেন সেভাবেই নিয়ে আসতেন। ওকী’ হাদিসটি ঠিক যেমন শুনেছেন সেভাবেই বর্ণনা করতে আপ্রাণ চেষ্টা করতেন, এমনকি তিনি হয়তো কোনো শব্দ বা বিষয়ের ক্ষেত্রে বলতেন: অর্থাৎ এমন।
৩০ - এবং তিনি বললেন: তাদলীস সন্দেহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫১)
31 - وَذكر هشيما، فَقَالَ: كَانَ يُدَلس تدليسا وحشا ، وَرُبمَا جَاءَ بالحرف الَّذِي لم يسمعهُ، فيذكره فِي حَدِيث آخر، إِذا انْقَطع الْكَلَام يوصله.
32 - وسمعته يَقُول: معَاذ بن معَاذ قُرَّة عين فِي الحَدِيث.
33 - قيل لَهُ: عَطاء بن السَّائِب أحب إِلَيْك أَو حُصَيْن؟ فَقَالَ: كِلَاهُمَا ثبتان.
34 - وسمعته يَقُول: كَانَ يحيى بن سعيد يحمل على همام حَتَّى قدم
৩১ - এবং তিনি হুশাইমের কথা উল্লেখ করে বললেন: তিনি অত্যন্ত নিকৃষ্টভাবে তাদলিস করতেন। কখনো কখনো তিনি এমন শব্দ নিয়ে আসতেন যা তিনি শোনেননি, অতঃপর তা অন্য হাদিসে উল্লেখ করতেন; যখন বক্তব্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত, তিনি তা সংযুক্ত করে দিতেন।
৩২ - আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: মুয়াজ বিন মুয়াজ হাদিস শাস্ত্রে চোখের শীতলতাস্বরূপ।
৩৩ - তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আতা বিন সাইব আপনার কাছে বেশি প্রিয় নাকি হুসাইন? তিনি বললেন: তাঁরা উভয়েই অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।
৩৪ - আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হাম্মামের সমালোচনা করতেন (বা তাঁর প্রতি কঠোর ছিলেন), যতক্ষণ না তিনি আগমন করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
36 - قَالَ أَبُو عبد الله: كَانَ شُعْبَة يتشدد فِي التَّدْلِيس.
37 - قيل لَهُ سمع أَيُّوب من الزُّهْرِيّ؟ قَالَ: نعم.
38 - وَسُئِلَ أَيهمَا أثبت، بهز أَو سُلَيْمَان بن حَرْب؟ فَقَالَ: بهز أثبت.
أَيْن يُقَاس سُلَيْمَان إِلَى بهز.
39 - وَسُئِلَ عَن عِيسَى بن يُونُس ، وَأبي إِسْحَاق الْفَزارِيّ ، ومروان بن مُعَاوِيَة، أَيهمْ أثبت؟ قَالَ: مَا فيهم إِلَّا ثَبت.
قيل لَهُ:
36 - আবু আবদুল্লাহ বলেন: শু'বাহ তাদলীসের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
37 - তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, আইয়ুব কি যুহরী থেকে শ্রবণ করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
38 - তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, বাহজ এবং সুলাইমান বিন হারবের মধ্যে কে অধিক নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: বাহজ অধিক নির্ভরযোগ্য।
বাহজের সাথে সুলাইমানের তুলনা কোথায়!
39 - তাকে ঈসা বিন ইউনুস, আবু ইসহাক আল-ফাযারী এবং মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, তাদের মধ্যে কে অধিক নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: তাদের প্রত্যেকেই নির্ভরযোগ্য।
তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো:
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
فَمن تقدم؟ قَالَ: مَا فيهم إِلَّا ثِقَة، ثَبت، إِلَّا أَن أَبَا إِسْحَاق ومكانه من الْإِسْلَام.
40 - وَسُئِلَ عَن شُعْبَة ، عَن أبي إِسْحَاق ، عَن عمر بن أبي حُسَيْن.
قَالَ: لَيْسَ هُوَ عمر، كَانَ شُعْبَة يقلب أسامي الرِّجَال.
41 - وَسُئِلَ عَن عمر بن هَارُون الْبَلْخِي.
فَقَالَ: مَا أقدر أَن أتعلق عَلَيْهِ بِشَيْء، كتبت عَنهُ حَدِيثا كثيرا، فَقيل لَهُ: قد كَانَت لَهُ قصَّة مَعَ ابْن مهْدي، قَالَ: بَلغنِي أَن عبد الرَّحْمَن، كَانَ يحمل عَلَيْهِ وَلَا أَدْرِي مَا كَانَت قصَّته؟ فَقَالَ لَهُ أَبُو جَعْفَر: إِنِّي سَمِعت من يَحْكِي عَن ابْن مهْدي ، أَنه قدم عَلَيْهِم عمر بن هَارُون الْبَصْرَة ، وَهُوَ شَاب، فذاكره عبد الرَّحْمَن، فَكتب عَنهُ ثَلَاثَة أَحَادِيث مِنْهَا:
তবে কাকে অগ্রাধিকার দেবেন? তিনি বললেন: তাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য এবং সুদৃঢ় ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ নেই, তবে আবু ইসহাক এবং ইসলামে তার সুউচ্চ মর্যাদা রয়েছে।
৪০ - এবং তাকে শু'বাহ হতে, তিনি আবু ইসহাক হতে এবং তিনি আমর বিন আবি হুসাইন হতে—এই সূত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
তিনি বললেন: সে আমর নয়, শু'বাহ বর্ণনাকারীদের নাম ওলটপালট করে ফেলতেন।
৪১ - এবং তাকে উমর বিন হারুন আল-বালখি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
তখন তিনি বললেন: আমি তার ব্যাপারে কোনো ত্রুটি ধরতে সক্ষম নই, আমি তার থেকে অনেক হাদিস লিখেছি। তাকে বলা হলো: ইবনে মাহদির সাথে তার একটি ঘটনা ছিল। তিনি বললেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে আবদুর রহমান তার সমালোচনা করতেন, তবে আমি জানি না তার সেই ঘটনাটি কী ছিল? তখন আবু জাফর তাকে বললেন: আমি এমন এক ব্যক্তিকে ইবনে মাহদির বরাতে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, উমর বিন হারুন যখন যুবক অবস্থায় বসরায় তাদের কাছে আসলেন, তখন আবদুর রহমান তার সাথে ইলমি আলোচনা করলেন এবং তার থেকে তিনটি হাদিস লিখেছিলেন, যার মধ্যে ছিল:
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
حَدِيث عَن يحيى بن أبي عَمْرو السيباني ، عَن عَمْرو بن عبد الله الْحَضْرَمِيّ ، عَن عبد الله بن عَمْرو فِي شرب الْعصير.
وَمِنْهَا: عَن عبد الْملك ، عَن عَطاء فِي الحفار ينسى الفأس فِي الْقَبْر بعد مَا يفرغ مِنْهُ.
وَحَدِيث آخر، فَلَمَّا كَانَ بعد زمَان قدم عَلَيْهِم الْبَصْرَة ، فَأتى رجل عبد الرَّحْمَن ، فَقَالَ: إِنَّك كتبت عَن هَذَا شَيْئا؟ ، فَأعْطَاهُ الرقعة، فَذهب بهَا إِلَيْهِ، فَسَأَلَهُ عَن حَدِيث يحيى بن أبي عَمْرو، فَقَالَ: لم أسمع من يحيى بن أبي عَمْرو شَيْئا، إِنَّمَا كَانَ هَذَا مني فِي الحداثة.
وَسَأَلَهُ عَن حَدِيث عبد الْملك، فَقَالَ: لم أسمع من عبد الْملك ، إِنَّمَا حَدَّثَنِيهِ فلَان ، عَن عبد الْملك، فَأتى ابْن مهْدي، فَأخْبرهُ ، فنال
ইয়াহইয়া ইবনে আবি আমর আল-সাইবানি থেকে বর্ণিত একটি হাদিস, যা তিনি আমর ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাদরামি থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে ফলের রস পানের বিষয়ে বর্ণনা করেছেন।
আর এগুলোর মধ্যে রয়েছে: আবদুল মালিক থেকে আতা-এর সূত্রে বর্ণিত ওই কবর খননকারীর বিষয়ে, যে কাজ শেষ করার পর কবরের ভেতর কুড়াল ভুলে রেখে আসে।
এবং অন্য একটি হাদিস; যখন দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলো, তখন তিনি তাদের নিকট বসরায় আসলেন। এরপর এক ব্যক্তি আবদুর রহমানের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি কি এই ব্যক্তির থেকে কিছু লিখেছেন?” তিনি তাকে চিরকুটটি দিলেন এবং সে সেটি নিয়ে তার কাছে গেল। এরপর সে তাকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি আমর-এর হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “আমি ইয়াহইয়া ইবনে আবি আমর থেকে কিছুই শুনিনি, এটি কেবল আমার তরুণ বয়সের কথা ছিল।”
এরপর সে তাকে আবদুল মালিকের হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “আমি সরাসরি আবদুল মালিক থেকে শুনিনি, বরং অমুক ব্যক্তি আবদুল মালিকের সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।” এরপর সে ব্যক্তি ইবনে মাহদির কাছে এসে তাকে বিষয়টি অবগত করল; ফলে তিনি...
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
مِنْهُ وَتكلم، فَقَالَ أَبُو عبد الله: كَانَ أَكثر مَا يحدثنا عَن ابْن جريج، ويروى عَن الْأَوْزَاعِيّ، قيل لَهُ: فتروي عَنهُ؟ قَالَ: قد كنت رويت عَنهُ شَيْئا.
42 - وَقَالَ: قدم هَهُنَا رجل حَدثهمْ ، عَن سُفْيَان بِحَدِيث ، فألقوه على عبد الرَّحْمَن، فَقَالَ: هَذَا كذب، لَيْسَ من هَذَا بِشَيْء، فأنكروه عَلَيْهِ، فاستغاث بوكيع، فَكَتَبُوا إِلَيْهِ ، فَإِذا الحَدِيث بَاطِل.
43 - وَقيل لَهُ: عبيد الله أثبت أَو مَالك فِي نَافِع؟ قَالَ: لَيْسَ أحد أثبت فِي نَافِع من عبيد الله.
44 - سُئِلَ عَن عقيل ، وَيُونُس، فَقَالَ: عقيل، وَذَاكَ
তার পক্ষ থেকে এবং কথা বললেন। অতঃপর আবু আব্দুল্লাহ বললেন: তিনি আমাদের কাছে ইবনে জুরাইজ থেকে অধিক বর্ণনা করতেন এবং আওযাঈ থেকেও বর্ণনা করা হতো। তাকে বলা হলো: আপনি কি তার থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: আমি তার থেকে কিছু বর্ণনা করেছিলাম।
৪২ - এবং তিনি বললেন: এখানে এক ব্যক্তি এসেছিল যে তাদের কাছে সুফিয়ান থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করল। অতঃপর তারা সেটি আব্দুর রহমানের সামনে পেশ করল। তিনি বললেন: এটি মিথ্যা, এটি এর কিছুই নয়। ফলে তারা তাকে অস্বীকার করল। এরপর তিনি ওয়াকী’র সাহায্য চাইলেন, তারা তার কাছে লিখে পাঠাল, দেখা গেল যে হাদিসটি বাতিল।
৪৩ - তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: নাফি‘-এর বর্ণনার ক্ষেত্রে উবাইদুল্লাহ অধিক নির্ভরযোগ্য নাকি মালিক? তিনি বললেন: নাফি‘-এর বর্ণনার ক্ষেত্রে উবাইদুল্লাহর চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য কেউ নেই।
৪৪ - তাকে উকাইল এবং ইউনুস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বললেন: উকাইল, এবং সেটি...
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
أَن يُونُس رُبمَا رفع الشَّيْء من رَأْي الزُّهْرِيّ، يصيره عَن ابْن الْمسيب، وَقَالَ: قد روى يُونُس ، عَن عقيل.
45 - وَسُئِلَ أَبُو عبد الله عَن شُعَيْب.
فَقَالَ: مَا فيهم إِلَّا ثِقَة ، وَجعل يَقُول: تَدْرِي من الثِّقَة؟ إِنَّمَا الثِّقَة يحيى الْقطَّان، تَدْرِي من الْحجَّة؟ شُعْبَة ، وسُفْيَان حجَّة، وَمَالك حجَّة، قلت: وَيحيى؟ قَالَ: يحيى ، وَعبد الرَّحْمَن ، وَأَبُو نعيم الْحجَّة.
الثبت،
ইউনুস সম্ভবত যুহরীর অভিমতকে ইবনুল মুসাইয়িবের বরাতে বর্ণনা করে মারফু করে দিতেন। তিনি আরও বলেছেন: ইউনুস উকাইলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
৪৫ - এবং আবু আব্দুল্লাহকে শুআইব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
তিনি বললেন: তাদের মাঝে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ব্যতীত আর কেউ নেই। তিনি বলতে লাগলেন: তুমি কি জানো নির্ভরযোগ্য কে? ইয়াহইয়া আল-কাত্তানই হলেন নির্ভরযোগ্য। তুমি কি জানো দলীলযোগ্য (হুজ্জাহ) কে? শু'বাহ এবং সুফিয়ান হলেন দলীলযোগ্য, আর মালেক হলেন দলীলযোগ্য। আমি বললাম: আর ইয়াহইয়া? তিনি বললেন: ইয়াহইয়া, আব্দুর রহমান এবং আবু নুয়াইম হলেন দলীলযোগ্য।
সুদৃঢ় বর্ণনাকারী,
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
كَانَ أَبُو نعيم ثبتا.
46 - وَذكر عَبدة بن سُلَيْمَان، فَقَالَ: كَانَ من خِيَار الْمُسلمين كَانَ رِوَايَة عَن سعيد، جِئْنَا ، وَإِن عِنْده غُلَاما حَدثا يحدثه، فَكَانَ يَقُول للغلام: اقْرَأ عَليّ، فَإِذا أَخطَأ قَالَ لَهُ عَبدة: أعده حَتَّى أملي عَلَيْك.
47 - وَقَالَ: قد كَانَ ابْن بشر جيد الْكتاب ، عَن سعيد، سماعهم مُتَقَدم، قلت: سعيد اخْتَلَط؟ قَالَ: نعم.
আবু নুআইম ছিলেন নির্ভরযোগ্য।
৪৬ - এবং তিনি আবদাহ ইবনে সুলাইমানের কথা উল্লেখ করে বললেন: তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি সাঈদ থেকে বর্ণনা করতেন। আমরা যখন আসলাম তখন তাঁর কাছে একজন কিশোর যুবক ছিল যাকে তিনি পাঠ দান করছিলেন। তিনি কিশোরটিকে বলতেন: আমার কাছে পাঠ করো। যখন সে ভুল করত, আবদাহ তাকে বলতেন: পুনরায় পাঠ করো যাতে আমি তোমাকে তা লিখিয়ে দিতে পারি।
৪৭ - এবং তিনি বললেন: ইবনে বিশরের সাঈদ থেকে বর্ণিত পাণ্ডুলিপিগুলো ছিল চমৎকার; তাদের শ্রবণ ছিল প্রাথমিক সময়ের। আমি বললাম: সাঈদের কি স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
أما يحيى فَكَانَ يَقُول: من سمع قبل سنة خمس وَأَرْبَعين ، وَأما عبد الْوَهَّاب فقد كَانَ خولط ، يَعْنِي قبل سَمَاعه.
48 - قلت: عبد الْوَهَّاب ثِقَة؟ قَالَ: تَدْرِي من الثِّقَة؟ الثِّقَة يحيى الْقطَّان.
49 - سَأَلته عَن خلاس، فَقَالَ: مَا روى عَن غير عَليّ ، فَلم ير بِهِ بَأْسا، وَأما مَا روى عَن عَليّ ، فَلَيْسَ هِيَ عِنْدِي.
50 - سَأَلته عَن قَتَادَة سمع من خلاس؟ قَالَ: نعم.
ইয়াহইয়া বলতেন: যারা পঁয়তাল্লিশ সালের পূর্বে শ্রবণ করেছেন, আর আব্দুল ওয়াহহাবের কথা হলো তাঁর স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল, অর্থাৎ তাঁর শ্রবণের পূর্বেই।
৪৮ - আমি বললাম: আব্দুল ওয়াহহাব কি নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: তুমি কি জানো নির্ভরযোগ্য কে? ইয়াহইয়া আল-কাত্তান হলেন নির্ভরযোগ্য।
৪৯ - আমি তাঁকে খিলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: আলী (রা.) ব্যতীত অন্যদের থেকে তিনি যা বর্ণনা করেছেন তাতে তিনি কোনো সমস্যা দেখেননি। কিন্তু আলী (রা.) থেকে তিনি যা বর্ণনা করেছেন তা আমার নিকট (প্রমাণিত) নয়।
৫০ - আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, কাতাদাহ কি খিলাস থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬০)
51 - سَأَلته عَن أبي عبد الله الجدلي ، فَقَالَ قولا لينًا.
52 - قلت: من أَصْحَاب الثَّوْريّ؟ قَالَ: يحيى ، ووكيع ، وَعبد الرَّحْمَن ، وَأَبُو نعيم.
قلت: قدمت وكيعا على عبد الرَّحْمَن؟ قَالَ: وَكِيع شيخ.
53 - قلت: يحيى بن يمَان ، ومؤمل إِذا اخْتلفَا؟ قَالَ: دع ذَا، كَأَنَّهُ لين أَمرهمَا، ثمَّ قَالَ: مُؤَمل كَانَ يُخطئ.
৫১ - আমি তাকে আবু আবদুল্লাহ আল-জাদালি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তার ব্যাপারে নমনীয় মন্তব্য করলেন।
৫২ - আমি বললাম: সাওরির সাথীদের মধ্যে (প্রধান) কারা? তিনি বললেন: ইয়াহইয়া, ওয়াকি, আবদুর রহমান এবং আবু নুআইম।
আমি বললাম: আপনি কি আবদুর রহমানের উপরে ওয়াকিকে প্রাধান্য দিলেন? তিনি বললেন: ওয়াকি একজন শায়খ (উস্তাদ)।
৫৩ - আমি বললাম: ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান এবং মুআম্মাল যখন মতভেদ করেন (তখন কার কথা অগ্রগণ্য)? তিনি বললেন: এটি বাদ দাও। মনে হলো যেন তিনি তাদের উভয়ের বিষয়কেই নমনীয় (বা দুর্বল) মনে করলেন; এরপর তিনি বললেন: মুআম্মাল ভুল করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬১)
54 - سَأَلته عَن مجَالد بن سعيد، كَيفَ هُوَ؟ فَقَالَ: كَذَا وَكَذَا، وَقَالَ: روى عَنهُ يحيى، قلت: يحْتَج بِهِ؟ فَتكلم بِكَلَام لين.
55 - سَأَلته عَن مُحَمَّد بن إِسْحَاق ، كَيفَ هُوَ؟ فَقَالَ: هُوَ حسن الحَدِيث ، وَلكنه إِذا جمع عَن رجلَيْنِ، قلت كَيفَ؟ قَالَ: يحدث عَن الزُّهْرِيّ ، وَرجل آخر، فَيحمل حَدِيث هَذَا على هَذَا، ثمَّ قَالَ: قَالَ يَعْقُوب سَمِعت أبي ، يَقُول: سَمِعت الْمَغَازِي مِنْهُ ثَلَاث مَرَّات ينقضها ويغيرها.
56 - وَقَالَ: قَالَ مَالك ، وَذكره ، فَقَالَ: دجال من الدجاجلة.
৫৪ - আমি তাকে মুজালিদ বিন সাঈদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কেমন? তিনি বললেন: এমন এবং এমন। তিনি আরও বললেন: ইয়াহইয়া তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম: তাকে কি দলিল হিসেবে পেশ করা যায়? তখন তিনি কিছুটা নমনীয় ভাষায় কথা বললেন।
৫৫ - আমি তাকে মুহাম্মদ বিন ইসহাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কেমন? তিনি বললেন: তিনি হাসানুল হাদিস, তবে তিনি যখন দুইজন ব্যক্তির বর্ণনা একত্রিত করেন। আমি বললাম: সেটি কীভাবে? তিনি বললেন: তিনি যুহরি এবং অন্য একজন থেকে বর্ণনা করেন, এরপর একজনের হাদিসকে অন্যজনের ওপর চাপিয়ে দেন। তারপর তিনি বললেন: ইয়াকুব বলেছেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি তার থেকে তিনবার 'আল-মাগাজি' শুনেছি, তিনি তা কাটছাঁট করতেন এবং পরিবর্তন করতেন।
৫৬ - এবং তিনি বললেন: মালিক তার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: সে দাজ্জালদের মধ্যে অন্যতম এক দাজ্জাল।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬২)
57 - وَقَالَ أَبُو عبد الله: قدم مُحَمَّد بن إِسْحَاق إِلَى بَغْدَاد ، فَكَانَ لَا يُبَالِي عَمَّن يَحْكِي، عَن الْكَلْبِيّ ، وَغَيره.
58 - سَأَلته عَن مُحَمَّد بن عَمْرو ، فَقَالَ: قد روى عَنهُ يحيى ، وَرُبمَا رفع
৫৭ - এবং আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বাগদাদে এসেছিলেন, তিনি কার থেকে বর্ণনা করছেন সে বিষয়ে কোনো ভ্রূক্ষেপ করতেন না; (যেমন) আল-কালবী এবং অন্যান্যদের থেকে।
৫৮ - আমি তাঁকে মুহাম্মদ ইবনে আমর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: ইয়াহইয়া তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং কখনও কখনও তিনি বর্ণনাটিকে মারফু করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
أَحَادِيث يوقفها غَيره، وَهَذَا من قبله، قَالَ: وَقدم على الْأَعْمَش ، فَلم يُكرمهُ.
59 - سَأَلته عَن ثَابت ، وَحميد أَيهمَا أثبت فِي أنس؟ فَقَالَ: ثَابت، وَقَالَ: كَانَ حميد يذهب مَعَ ثَابت إِلَى الحَدِيث ، وَلَقَد قَالَ أنس: إِن ثَابتا دويبة أحبها.
60 - وَسَأَلته عَن ابْن أبي ذِئْب ، كَيفَ هُوَ؟ قَالَ: ثِقَة ، قلت فِي الزُّهْرِيّ؟ قَالَ: كَذَا وَكَذَا.
حدث بِأَحَادِيث كَأَنَّهُ أَرَادَ
এমন সব হাদিস যা অন্য কেউ মওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেন, অথচ তিনি তা মারফু হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তিনি আল-আমাশের কাছে এসেছিলেন, কিন্তু তিনি (আমাশ) তাঁকে সম্মান করেননি।
৫৯ - আমি তাঁকে সাবিত এবং হুমাইদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আনাস (রা.)-এর বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে কে অধিক নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: সাবিত। তিনি আরও বললেন: হুমাইদ সাবিতের সাথে হাদিস সংগ্রহের জন্য যেতেন। আর আনাস (রা.) বলতেন: নিশ্চয়ই সাবিত একটি ছোট্ট প্রাণীর মতো যাকে আমি ভালোবাসি।
৬০ - আমি তাঁকে ইবনে আবি জিব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কেমন? তিনি বললেন: নির্ভরযোগ্য। আমি বললাম, যুহরীর বর্ণনার ক্ষেত্রে? তিনি বললেন: এমন এমন।
তিনি এমন সব হাদিস বর্ণনা করেছেন যা দেখে মনে হয় যেন তিনি চেয়েছিলেন
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
خُولِفَ.
61 - قلت لأبي عبد الله: فعبد الرَّحْمَن بن إِسْحَاق ، كَيفَ هُوَ؟ قَالَ: أما مَا كتبنَا من حَدِيثه، فقد حدث عَن الزُّهْرِيّ بِأَحَادِيث ، كَأَنَّهُ أَرَادَ تفرد بهَا، ثمَّ ذكر حَدِيث مُحَمَّد بن جُبَير فِي الْحلف.
حلف المطيبين ، فَأنكرهُ أَبُو عبد الله، وَقَالَ: مَا رَوَاهُ غَيره.
বিরোধিতা করা হয়েছে।
৬১ - আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: তবে আবদুর রহমান বিন ইসহাক কেমন? তিনি বললেন: তাঁর যে হাদিসগুলো আমরা লিখেছি, সেগুলোর ক্ষেত্রে তিনি জুহরি থেকে এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যেন তিনি সেগুলোতে একক হয়ে গিয়েছেন। তারপর তিনি চুক্তির বিষয়ে মুহাম্মদ বিন জুবায়েরের হাদিসটি উল্লেখ করলেন।
সুগন্ধি মাখানোদের চুক্তি (হিলফুল মুতায়্যাবীন), আবু আবদুল্লাহ তা অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন: তিনি ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল লি আহমাদ রিওয়ায়াতুল মারওয়াযী ওয়া গাইরুহু তাহকীক ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
63 - وَقلت لأبي عبد الله فِي سعد بن إِبْرَاهِيم: إِن مَالِكًا لم يرو عَنهُ، فكره أَبُو عبد الله مَا قلت، وَقَالَ: قد كَانَ سُفْيَان ، يَقُول: إِن سَعْدا سعد، وَقَالَ: قَالَ الزُّهْرِيّ: من لَهُ أَب مثل سعد؟ وَذكر
৬৩ - এবং আমি আবু আবদুল্লাহর কাছে সাদ ইবনে ইবরাহিম সম্পর্কে বললাম যে, মালিক তার থেকে কোনো বর্ণনা করেননি। তখন আবু আবদুল্লাহ আমার কথাটি অপছন্দ করলেন এবং বললেন: সুফিয়ান বলতেন, নিশ্চয়ই সাদ হলেন সাদ। তিনি আরও বললেন: যুহরি বলতেন, সাদের মতো পিতা কার আছে? এবং তিনি উল্লেখ করলেন...