(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: -)
تنبيهات على تحريفات وتصحيفات في كتاب مجمع الزوائد ومنبع الفوائد   (عاصم عبد الله ابراهيم)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: تنبيهات على تحريفات وتصحيفات في كتاب مجمع الزوائد ومنبع الفوائد

المؤلف: عاصم عبد الله إبراهيم

الناشر: الجامعة الاسلامية بالمدينة المنورة

الطبعة: السنة السابع عشرة العددان السابع والستون والثامن والستون رجب ـ ذو الحجة 1405هـ ـ 1985م

عدد الصفحات: 135

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ গ্রন্থের বিকৃতি ও লিখনশৈলীর ভুলসমূহের ব্যাপারে সতর্কবাণী   (আসিম আব্দুল্লাহ ইব্রাহীম)

বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ


গ্রন্থ: মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ গ্রন্থের বিকৃতি ও লিখনশৈলীর ভুলসমূহের ব্যাপারে সতর্কবাণী

লেখক: আসিম আব্দুল্লাহ ইব্রাহীম

প্রকাশক: মদীনা মুনাওয়ারাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

সংস্করণ: সতেরোতম বর্ষ, সংখ্যা ৬৭ ও ৬৮, রজব - যুল হিজ্জাহ ১৪০৫ হিজরী - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২০)
‌‌مدخل

…

تنبيهات على تحريفات وتصحيفات في كتاب مجمع الزوائد ومنبع الفوائد

للحافظ أبي بكر نور الدين الهيثمي. ت: 807هـ

بقلم الدكتور: عاصم بن عبد الله بن إبراهيم أستاذ مساعد بكلية الحديث الشريف بالجامعة

إن الحمد لله نحمده، ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمداًَ عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم.

أما بعد: فإن كتاب (مجمع الزوائد ومنبع الفوائد) للحافظ أبيِ الحسن نور الدين علي بن أبي بكر بن سليمان الهيثمي (بالمثلثة) (ت 807 هـ) يعد ديواناًَ عظيماًَ من دواوين السنة، وهو كتاب جامع نافع حوى ما زاد على الصحيحين والسنن الأربعة من مسند الإمام الحافظ أبي عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني (ت 241 هـ) ومسند الإمام الحافظ أبي يعلى الموصلي أحمد بن علي بن المثنى (ت 307 هـ) ، ومسند الحافظ الإمام أبى بكر البزار أحمد بن عمرو بن عبد الخالق (ت 292 هـ) ، ومعاجم الإمام الحافظ أبي القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني (ت 360 هـ) الثلاثة: الصغير والأوسط والكبير. وحسبك في الثناء على الإمام الحافظ الهيثمي قول تلميذه الحافظ الشهير ابن حجر العسقلاني (ت 852 هـ) فيه إنه " الإمام العلامة المسند المحدث الحافظ " 1.

ولأهمية كتاب (مجمع الزوائد) وغزارته العلمية رأيت التنبيه على ما وقع 2 لكاتب هذه

1 انظر مقدمة (مجمع الزوائد) صورة ما كتبه الحافظ بن حجر العسقلاني. رحمه الله. وانظر (المعجم المؤسس للمعجم المفهرس) (ق 185) مصورة الجامعة الإسلامية بالمدينة.

2 ولعل الله يسر لي أو لغيري التنبيه على غيرها وعلى ما في المتون أيضاً وترفق في طبعة أخرى للمجمع على أقل الأحوال إن لم يطبع بتحقيق وإخراج جديد متقن.
ভূমিকা

...

মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ কিতাবে বিদ্যমান বিকৃতি ও লিখনপ্রমাদসমূহের প্রতি সতর্কীকরণ

হাফেয আবু বকর নূরুদ্দীন আল-হায়সামি (ওফাত: ৮০৭ হিজরি) রচিত কিতাব প্রসঙ্গে

কলমে: ডক্টর আসিম বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম, বিশ্ববিদ্যালয়ের কুল্লিয়াতুল হাদীস আশ-শরীফ-এর সহকারী অধ্যাপক

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হেদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

অতঃপর: হাফেয আবুল হাসান নূরুদ্দীন আলী বিন আবু বকর বিন সুলাইমান আল-হায়সামি (তিন নুকতাওয়ালা 'সা' যোগে আল-হায়সামি) (ওফাত ৮০৭ হিজরি) রচিত 'মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ' কিতাবটি সুন্নাহর এক মহান সংকলন হিসেবে বিবেচিত। এটি একটি অত্যন্ত উপকারী ও সমন্বিত গ্রন্থ, যাতে ইমাম হাফেয আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানি (ওফাত ২৪১ হিজরি)-এর মুসনাদ, ইমাম হাফেয আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না (ওফাত ৩০৭ হিজরি)-এর মুসনাদ, হাফেয ইমাম আবু বকর আল-বাযযার আহমদ বিন আমর বিন আব্দুল খালিক (ওফাত ২৯২ হিজরি)-এর মুসনাদ এবং ইমাম হাফেয আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি (ওফাত ৩৬০ হিজরি)-এর তিন মুজাম: আস-সাগীর, আল-আওসাত এবং আল-কাবীর-এর এমন সব হাদীস সংকলিত হয়েছে যা সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম) এবং চার সুনান গ্রন্থে নেই। ইমাম হাফেয আল-হায়সামির প্রশংসায় তাঁর প্রখ্যাত ছাত্র হাফেয ইবনে হাজার আল-আসকালানি (ওফাত ৮৫২ হিজরি)-এর উক্তিই আপনার জন্য যথেষ্ট, যেখানে তিনি তাঁকে "ইমাম, আল্লামা, মুসনিদ, মুহাদ্দিস ও হাফেয"১ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

'মাজমাউয যাওয়াইদ' কিতাবটির গুরুত্ব এবং এর ইলমী প্রাচুর্যের কারণে, এই নিবন্ধের লেখকের সামনে যা কিছু প্রকাশ পেয়েছে২ সে ব্যাপারে সতর্ক করা আমি সমীচীন মনে করেছি...

১ দেখুন: 'মাজমাউয যাওয়াইদ'-এর ভূমিকা, হাফেয ইবনে হাজার আল-আসকালানি (রাহিমাহুল্লাহ) যা লিখেছেন তার অনুলিপি। আরও দেখুন: 'আল-মুজামুল মুআসসিস লিল-মুজামিল মুফাহরাস' (পৃষ্ঠা ১৮৫), মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোকপি।

২ সম্ভবত আল্লাহ আমার জন্য অথবা অন্য কারো জন্য এই কিতাবের অন্যান্য বিষয় এবং মূল পাঠ্যের (মতন) মধ্যে বিদ্যমান ভুলত্রুটিগুলোর প্রতিও সতর্ক করা সহজ করে দেবেন, যা অন্ততপক্ষে পরবর্তী কোনো সংস্করণে যুক্ত করা সম্ভব হবে; যদি কিতাবটি নতুন করে পরিমার্জিত তাহকীক ও সুন্দর বিন্যাসে প্রকাশিত না-ও হয়।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২১)
السطور من أخطاء وتصحيفات في (الرجال) في (المجمع) خدمة للعلم وأهله.

ولقد أوجزت القول فيها مكتفياً بذكر ما في (مجمع الزوائد) ثم بيان الصواب في ذلك وجزمت به أو رجحته بقولي (لعله) . وكما أن غير قليل من هذه التصحيفات- كما أشير أحياناً- لم يوجد لها تراجم في كتب الرجال فظهر لنا الصواب بمراجعة أصل المخطوط من (مجمع الزوائد) - وقد يكون ما في المخطوط موافقاً للمطبوع أيضاً وهو خطأ كما بينت- أو بمراجعة (مجمع البحرين في زوائد المعجمين) للحافظ الهيثمي، أو بمراجعة أصول كتب مجمع الزوائد أو زوائدها، أو بمراجعة كتب التخريج لحديث مجمع الزوائد فنجد النقل من أصل (المجمع) من المعاجم أو المسانيد على غير ما في المطبوع وهو الصواب لقرائن متعددة، ويزيد هذا تأكيداً حيث يُذكر حديث المجمع في ترجمة ما رأيناه صواباًَ وغير ذلك من الأدلة والقرائن ومع هذا فلا أدَّعي السلامة من الخطأ فإن وجدتَ خلاف ما ذكرتُ فأرجو أن تنبهني على الصواب.

وأما الطبعة التي اعتمدت عليها فهي مصورة عن الطبعة التي نشرها حسام الدين القدسي بمصر عام (1352 هـ) والموجود الآن- في علمي- مصور عنها. والجدير بالذكر أن (مجمع الزوائد) قد سبق أن طبعه العلامة المحقق صديق حسن خان (ت 1307 هـ) على نفقته في (مجلد واحد) في دلهي بالهند كما جاء في (معجم المطبوعات العربية) (ص 1903) .

وإليك أخي القاريء ما أردته من (تنبيهات) وقد رتبت لك الرواة على حروف المعجم، وإن أطلقت (المجمع) فالمراد (مجمع الزوائد) والله المستعان ولا حول ولا قوة إلا به وهو الهادي إلى الصواب.
জ্ঞান ও জ্ঞানীদের সেবায় (মাজমাউয যাওয়াইদ)-এর (বর্ণনাকারী) অধ্যায়ে বিদ্যমান ভুলভ্রান্তি ও লিপিক্রমঘটিত ত্রুটিসমূহ সংশোধনের লক্ষ্যে এই পঙ্‌ক্তিমালা।

আমি এই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছি এবং (মাজমাউয যাওয়াইদ)-এ যা রয়েছে তা উল্লেখ করে তার সঠিক রূপটি বর্ণনা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি। আমি সঠিক পাঠটির ব্যাপারে হয় সুনিশ্চিত সিদ্ধান্ত দিয়েছি অথবা ‘হয়তো’ বলার মাধ্যমে সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। যেমনটি আমি কোনো কোনো স্থানে ইঙ্গিত করেছি যে, এই লিপিক্রমঘটিত ত্রুটিগুলোর একটি বড় অংশের কোনো জীবনী বর্ণনাকারী বিষয়ক কিতাবসমূহে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে (মাজমাউয যাওয়াইদ)-এর মূল পাণ্ডুলিপি পর্যালোচনার মাধ্যমে আমাদের কাছে সঠিক বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। পাণ্ডুলিপিতে যা রয়েছে তা কখনো কখনো মুদ্রিত কপির সাথেও মিলে যেতে পারে, তবে সেটিও যে ভুল তা আমি স্পষ্ট করেছি। অথবা হাফেজ হাইসামির (মাজমাউল বাহরাইন ফি যাওয়াইদিল মুজামাইন) পর্যালোচনার মাধ্যমে, কিংবা মাজমাউয যাওয়াইদ-এর মূল উৎসগ্রন্থসমূহ বা সেগুলোর পরিশিষ্ট পর্যালোচনার মাধ্যমে, অথবা মাজমাউয যাওয়াইদ-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ বিষয়ক কিতাবসমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা সঠিক বিষয়টি খুঁজে পেয়েছি। এর ফলে আমরা মুজাম বা মুসনাদ গ্রন্থসমূহের মতো (মাজমা)-এর মূল উৎস থেকে প্রাপ্ত উদ্ধৃতিগুলো মুদ্রিত কপির পাঠের বিপরীতে পাই এবং বিভিন্ন প্রমাণের ভিত্তিতে সেটিই সঠিক বলে প্রমাণিত হয়। এটি আরও জোরালোভাবে সমর্থিত হয় যখন মাজমা-এর হাদিসটি এমন কোনো ব্যক্তির জীবনীতে উল্লেখ করা হয় যাকে আমরা সঠিক বলে শনাক্ত করেছি, এছাড়া আরও বিভিন্ন দলিল ও প্রমাণ তো রয়েছেই। এতদসত্ত্বেও আমি ভুলভ্রান্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার দাবি করছি না; সুতরাং আমি যা উল্লেখ করেছি তার বিপরীতে কিছু পেলে আমাকে সঠিক বিষয়টি অবহিত করার অনুরোধ রইল।

আর আমি যে মুদ্রণের ওপর নির্ভর করেছি, সেটি ১৩৫২ হিজরিতে মিসরে হুসামুদ্দিন আল-কুদসি কর্তৃক প্রকাশিত সংস্করণের একটি ছায়ালিপি; এবং আমার জানামতে বর্তমানে এরই ছায়ালিপি বাজারে বিদ্যমান। উল্লেখ্য যে, আল্লামা মুহাক্কিক সিদ্দিক হাসান খান (মৃত্যু ১৩০৭ হিজরি) ইতিপূর্বে ভারতের দিল্লিতে নিজ ব্যয়ে এক খণ্ডে (মাজমাউয যাওয়াইদ) মুদ্রণ করেছিলেন, যেমনটি (মুজামুল মাতবুয়াত আল-আরাবিয়্যাহ)-এর ১৯০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হে প্রিয় পাঠক, আপনার সামনে সেই (সতর্কবার্তাগুলো) পেশ করছি যা আমি উপস্থাপন করতে চেয়েছি। আমি আপনার জন্য বর্ণনাকারীদের নাম বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি। আর আমি যদি কেবল (মাজমা) শব্দটি ব্যবহার করি, তবে তার দ্বারা (মাজমাউয যাওয়াইদ)-ই উদ্দেশ্য। আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি, তাঁর তওফিক ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই এবং তিনিই সঠিক পথের দিশারী।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২১)
‌‌حرف الألف

ا- جاء في "مجمع الزوائد" (7/ 139) : إبراهيم النخعي.

قلت: صوابه " أبو مالك النخعي " وانظر "المعجم الكبير" للطبراني (10/ 85) و "فيض القدير" للمنُاوي (5/323) ولكن وقع في الأخير مالك النخعي إذ سقطت كلمة "أبو". وانظر: "تهذيب التهذيب " (12/ 219- 220) .

2- جاء في "المجمع " (9/ 132) : إسحاق بِن إبراهيم الضَّبي.

قلت: صوابه إبراهيم بن إسحاق الضّبي، كما جاء في "مجمع الزوائد" (2/57) و (8/ 72) وانظر "لسان الميزان " لابن حجر (1/ 30) .
আলিফ বর্ণ

১- "মাজমাউয যাওয়াইদ" (৭/১৩৯)-এ এসেছে: ইবরাহিম আন-নাখয়ী।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবু মালিক আন-নাখয়ী"। দেখুন তাবারানি রচিত "আল-মু'জামুল কাবির" (১০/৮৫) এবং মুনাওয়ি রচিত "ফয়দুল কাদির" (৫/৩২৩), তবে শেষোক্ত কিতাবে "মালিক আন-নাখয়ী" এসেছে যেহেতু "আবু" শব্দটি বাদ পড়ে গেছে। আরও দেখুন: "তাহযিবুত তাহযিব" (১২/২১৯-২২০)।

২- "আল-মাজমা" (৯/১৩২)-এ এসেছে: ইসহাক বিন ইবরাহিম আদ-দাব্বি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো ইবরাহিম বিন ইসহাক আদ-দাব্বি, যেমনটি এসেছে "মাজমাউয যাওয়াইদ" (২/৫৭) এবং (৮/৭২)-এ। এবং দেখুন ইবনে হাজার রচিত "লিসানুল মিজান" (১/৩০)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২২)
3- جاء في "المجمع " (4/325) : إسحاق بن سيد.

قلت: صوابه "إسحاق بن آسيد" بالفتح وهو من رجال التقريب (1/ 56) وانظر "مجمع البحرين في زوائد المعجمين " للهيثمي (4/ ق 325) مصورة الجامعة الإسلامية لكن وقع فيه إسحاق بن أسد وهو خلاف الصواب أيضاً.

4- جاء في "المجمع " (1/ 250) أيوب بن سنان.

قلت: صوابه "أيوب بن سَيَّار" كما في "كشف الأستار عن زوائد البزار للهيثمي" (1/ 149) وانظر "مجمع الزوائد" (1/ 315) (و2/204) .

5- جاء في "المجمع " (3/ 219) : أيوب بن محمد اليمامي.

قلت: صوابه "سليمان بن داود اليمامي" وانظر"ميزان الإعتدال" للذهبي (2/ 202) و (1/ 292) وراجع "مجمع الزوائد" (8/ 189) و (2/ 245) وغير ذلك.
৩- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৪/৩২৫) এসেছে: ইসহাক বিন সাইয়্যিদ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "ইসহাক বিন আসিদ" ফাতহা (জবর) সহকারে এবং তিনি "আত-তাকরীব" (১/৫৬) গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। হাইসামি রচিত "মাজমাউল বাহরাইন ফি যাওয়ায়িদিল মুজামাইন" (৪/পত্র ৩২৫, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপির অনুলিপি) দেখুন; তবে তাতে "ইসহাক বিন আসাদ" এসেছে, যা সঠিকের পরিপন্থী।

৪- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (১/২৫০) এসেছে: আইয়ুব বিন সিনান।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আইয়ুব বিন সাইয়্যার", যেমনটি হাইসামি রচিত "কাশফুল আসতার আন যাওয়ায়িদিল বাজ্জার" (১/১৪৯) গ্রন্থে রয়েছে। দেখুন "মাজমাউয যাওয়ায়িদ" (১/৩১৫) এবং (২/২০৪)।

৫- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৩/২১৯) এসেছে: আইয়ুব বিন মুহাম্মাদ আল-ইয়ামামি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "সুলায়মান বিন দাউদ আল-ইয়ামামি"। দেখুন যাহাবি রচিত "মিযানুল ইতিদাল" (২/২০২) ও (১/২৯২) এবং আরও দেখুন "মাজমাউয যাওয়ায়িদ" (৮/১৮৯) ও (২/২৪৫) এবং অন্যান্য।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২২)
‌‌حرف الباء

6- جاء في "المجمع " (2/310) : بشير بن إبراهيم الأنصاري.

قلت: صوابه "بشر بن إبراهيم الأنصاري" وهكذا ورد في مواطن أخرى من "المجمع " انظر مثلاً (4/ 56/290) و (2/ 310) .
বা বর্ণ

৬- "আল-মাজমা" (২/৩১০)-এ এসেছে: বাশির বিন ইব্রাহিম আল-আনসারি।

আমি বলব: এর সঠিক রূপ হলো "বিশর বিন ইব্রাহিম আল-আনসারি" এবং "আল-মাজমা"-এর অন্যান্য স্থানে এভাবেই এসেছে, উদাহরণস্বরূপ দেখুন (৪/৫৬/২৯০) এবং (২/৩১০)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২২)
‌‌حرف التاء والثاء

…

حرف التاء خال حرف الثاء

7- جاء في "المجمع " (4/ 151) : ثمان بن سعيد.

قلت: صوابه "اليمان بن سعيد " وانظر "إرواء الغليل في تخريج أحاديث منار السبيل" لشيخنا العلامة محمد ناصر الدين الألباني (8/248) حيث ذكر حديث المجمع وسند الطبراني في الأوسط على ما صوبناه وانظر "ميزان الإعتدال " (4/460) .
তা এবং ছা বর্ণসমূহ

…

তা বর্ণ এবং ছা বর্ণ

৭- "আল-মাজমা" (৪/১৫১)-এ এসেছে: ছামান বিন সাঈদ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আল-ইয়ামান বিন সাঈদ"। আমাদের শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রচিত "ইরওয়াউল গালীল ফী তাখরীজি আহাদীছি মানারিস সাবীল" (৮/২৪৮) দেখুন, যেখানে তিনি "আল-মাজমা"-এর হাদিস এবং তাবারানীর "আল-আওসাত"-এর সনদটি আমাদের সংশোধিত রূপ অনুযায়ী উল্লেখ করেছেন; আরও দেখুন "মিযানুল ইতিদাল" (৪/৪৬০)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২২)
‌‌حرف الجيم

8- جاء في "المجمع " (84/1) : جارحة بن مصعب.

قلت: صوابه "خَاِرجة بن مصعب " وانظر "الكامل" لابن عدي (4/ ق 38) مصورة الجامعة وانظر"مجمع الزوائد" (3/139) و (10/331) حيث جاء ذكره على الصحيح.
জিম বর্ণ

৮- "আল-মাজমা" (১/৮৪) গ্রন্থে এসেছে: জারিহা বিন মুসআব।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "খারিজাহ বিন মুসআব"। ইবন আদীর "আল-কামিল" (৪/ পৃষ্ঠা ৩৮) এর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুলিপি দেখুন। আরও দেখুন "মাজমাউয যাওয়াইদ" (৩/১৩৯) এবং (১০/৩৩১), যেখানে এটি সঠিকভাবে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৩)
9- جاء في "المجمع" (9/288) : جرير بن عبد الله البجلي.

قلت: صوابه "جرير بن أيوب البَجَلي" انظر "تعجيل المنفعة" (ص 69) . وأما جرير بن أيوب البجلي فصحابي جليل شهير رضي الله عنه.

10- جاء في "المجمع " (5/121) : جميع بن ثقت.

قلت: صوابه "جميع بن ثوب" وانظر "فيض القدير" (5/ 192) وراجع "المجمع" (5/287) و (2/190) حيث ذكره على الصحيح.
৯- "মাজমা" (৯/২৮৮) গ্রন্থে এসেছে: জারীর ইবন আবদিল্লাহ আল-বাজালি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "জারীর ইবন আইয়ুব আল-বাজালি", দেখুন "তাজিলুল মানফাআ" (পৃষ্ঠা ৬৯)। আর জারীর ইবন আইয়ুব আল-বাজালি হলেন একজন সুপ্রসিদ্ধ মহান সাহাবী, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।

১০- "মাজমা" (৫/১২১) গ্রন্থে এসেছে: জামী ইবন সিকত।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "জামী ইবন সাওব", দেখুন "ফায়দুল কাদির" (৫/১৯২) এবং "মাজমা" (৫/২৮৭) ও (২/১৯০) পর্যালোচনা করুন যেখানে এটি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৩)
‌‌حرف الحاء

11- جاء في "المجمع " (8/218) : حسن بن فرقد.

قلت: صوابه "جسر بن فرقد" وانظر "المعجم الكبير" (8/165) و"ميزان الإعتدال" (1/ 398) .

12- جاء في "المجمع" (3/157) : الحسن بن رشيد.

قلت: صوابه "الحسن بن رُشَيد" وانظر "الميزان " (1/490) .

13- جاء في "المجمع" (4/251) : حماد بن عبد الرحمن العكي.

قلت: صوابه "حماد بن عبد الرحمن الكلبي" إذ هو الراوي عن خالد بن الزبرقان كما في "الجرح والتعديل" (3/143) وانظر"مجمع الزوائد" (3/273) . والكلبي نسبة إلى كلب بن وبرة كما في "المغني" للفتني (ص66) .

14- جاء في "المجمع " (9/156) : حماد بن عُمر.

قلت: صوابه "حماد بن عَمْرو" وذكره على الصواب في "المجمع" (9/317) وانظر "ميزان الإعتدال" (1/598) و" اللسان" (2/350) وغيرهما.

15- جاء في "المجمع" (5/149) : حميد بن عبد الرحمن بن حماد بن أبي الخوار.

. قلت: صوابه "حميد بن حماد بن أبي الخُوار" حيث الذي في المجمع لم أجد له ترجمة. وانظر"تهذيب التهذيب" (3/37-38) . وقارنه بنقل الهيثمي عن ابن حبان وهو مما يؤيد تصويبنا.

16- جاء في "المجمع" (86/10) : حميد مولى أبي علقمة.
হা বর্ণ

১১- "মাজমা" (৮/২১৮) গ্রন্থে এসেছে: হাসান বিন ফারকাদ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "জিসর বিন ফারকাদ"। দেখুন "আল-মু'জামুল কাবীর" (৮/১৬৫) এবং "মীযানুল ইতিদাল" (১/৩৯৮)।

১২- "মাজমা" (৩/১৫৭) গ্রন্থে এসেছে: আল-হাসান বিন রাশিদ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আল-হাসান বিন রুশাইদ"। দেখুন "আল-মীযান" (১/৪৯০)।

১৩- "মাজমা" (৪/২৫১) গ্রন্থে এসেছে: হাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-আক্কি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-কালবী"; কারণ তিনিই খালিদ বিন যাবরাকান থেকে বর্ণনাকারী, যেমনটি "আল-জারহু ওয়াত তা'দীল" (৩/১৪৩) গ্রন্থে রয়েছে। আরও দেখুন "মাজমাউয যাওয়ায়েদ" (৩/২৭৩)। আর 'কালবী' শব্দটি কালব বিন ওয়াবরা-র সাথে সম্পর্কিত, যেমনটি ফাতনী-র "আল-মুগনী" (পৃষ্ঠা ৬৬) গ্রন্থে রয়েছে।

১৪- "মাজমা" (৯/১৫৬) গ্রন্থে এসেছে: হাম্মাদ বিন উমার।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হাম্মাদ বিন আমর"। "মাজমা" (৯/৩১৭) গ্রন্থে এটি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দেখুন "মীযানুল ইতিদাল" (১/৫৯৮), "আল-লিসান" (২/৩৫০) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।

১৫- "মাজমা" (৫/১৪৯) গ্রন্থে এসেছে: হুমাইদ বিন আবদুর রহমান বিন হাম্মাদ বিন আবি আল-খাওয়ার।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হুমাইদ বিন হাম্মাদ বিন আবি আল-খাওয়ার"; কারণ "মাজমা"-তে যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার কোনো জীবনী আমি খুঁজে পাইনি। দেখুন "তাহযীবুত তাহযীব" (৩/৩৭-৩৮)। ইবনে হিব্বান থেকে আল-হাইসামীর উদ্ধৃতির সাথে এটি তুলনা করুন, যা আমাদের সংশোধনকে সমর্থন করে।

১৬- "মাজমা" (৮৬/১০) গ্রন্থে এসেছে: হুমাইদ, আবু আলকামা-র আযাদকৃত দাস।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৪)
قلت: صوابه "حميد مولى ابن علقمة " وهو من رجال التقريب (1/ 204) وانظر"التهذيب" (3/254) .
আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হামীদ মাওলা ইবনে আলক্বামাহ"; তিনি 'আত-তাকরীব' (১/২০৪) গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং দেখুন 'আত-তাহযীব' (৩/২৫৪)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৪)
‌‌حرف الخاء

17- جاء في "المجمع" (2/164) : خالد بن آدم.

قلت: صوابه "حامد بن آدم " كما في "مجمع البحرين" (1/ ق82) وانظر "المجمع" (9/111) و (1/37) وغيرهما.

18- جاء في "المجمع" (4/159) : خالد بن يزيد الأموي.

قلت: صوابه "خالد بن عمرو الأموي" وانظر "المجروحين" لابن حبان (1/283) .
খ বর্ণ

১৭- "মাজমা" (২/১৬৪) গ্রন্থে এসেছে: খালিদ বিন আদম।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হামিদ বিন আদম", যেমনটি "মাজমাউল বাহরাইন" (১/ ৮২ নং পৃষ্ঠা) গ্রন্থে রয়েছে; এবং দেখুন "মাজমা" (৯/১১১) ও (১/৩৭) এবং অন্যান্য স্থানে।

১৮- "মাজমা" (৪/১৫৯) গ্রন্থে এসেছে: খালিদ বিন ইয়াযিদ আল-উমাওয়ি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "খালিদ বিন আমর আল-উমাওয়ি"; এবং দেখুন ইবনে হিব্বান রচিত "আল-মাজরুহীন" (১/২৮৩)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৪)
‌‌حرف الدال

19- جاء في "المجمع" (5/104) داود بن بلال الأودي.

قلت: حديث "المجمع" في "مجمع البحرين" (4/ ق 394) وهذا إسناده، قال: حدثنا محمد بن شعيب ثنا عبد السلام بن ضمرة الداري ثنا الصباح بن محارب ثنا داود الأودي عن أبيه عن أبى هريرة فذكره، قال: لم يروه عن داود إلا الصباح.

قلت: لم يذكر في الإسناد أن داود هو ابن بلال كما هو صنيع الهيثمي. وكما أن داود الأودي الذي في السند هو داود بن يزيد الأودي وله رواية عن أبيه كما في "التهذيب" (3/205) وهو ضعيف كما في "التقريب" وأما داود بن بلال السعدي (بالسين) فذكره ابن أبى حاتم في "الجرح والتعديل" (3/408) ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً. وقال عنه ابن حبان:" مستقيم الحديث " كما في "التعليق على الجرح" للمعلمي رحمه الله وذكر أن ابن حبان ما قال فيه "السعدي".

قلت: وتوثيق ابن حبان هذا من أعلى درجات التوثيق عنده وانظر "التنكيل بما في تأنيب الكوثري من الأباطيل" (1/437) و"الرد على التعقب الحثيث" للشيخ الألباني (ص 18- 21) والله أعلم.
দাল বর্ণ

১৯- "আল-মাজমা" (৫/১০৪) গ্রন্থে দাউদ বিন বিলাল আল-আওদী-এর উল্লেখ এসেছে।

আমি বলছি: "আল-মাজমা"-এর হাদীসটি "মাজমাউল বাহরাইন" (৪/ পৃ. ৩৯৪) গ্রন্থে রয়েছে এবং এটি হলো তার সনদ; তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন শুয়াইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুস সালাম বিন দামরাহ আদ-দারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আস-সাব্বাহ বিন মুহারিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন দাউদ আল-আওদী তার পিতার সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন: আস-সাব্বাহ ব্যতীত অন্য কেউ দাউদ থেকে এটি বর্ণনা করেননি।

আমি বলছি: সনদে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে দাউদ হলেন বিলালের পুত্র, যেমনটি হাইসামীর কর্মপদ্ধতি। আর সনদে যে দাউদ আল-আওদী রয়েছেন তিনি হলেন দাউদ বিন ইয়াযীদ আল-আওদী, এবং তার পিতার সূত্রে তার বর্ণনা রয়েছে যেমনটি "আত-তাহযীব" (৩/২০৫) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, আর তিনি "আত-তাকরীব" অনুযায়ী একজন জয়ীফ (দুর্বল) বর্ণনাকারী। আর দাউদ বিন বিলাল আস-সা'দী (সীন বর্ণ দিয়ে) সম্পর্কে ইবনে আবি হাতিম "আল-জারহু ওয়াত তা'দীল" (৩/৪০৮) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তার ব্যাপারে কোনো সমালোচনা বা প্রশংসা উল্লেখ করেননি। ইবনে হিব্বান তার সম্পর্কে বলেছেন: "মুস্তাকীমুল হাদীস" (হাদীস বর্ণনায় সঠিক), যেমনটি মুয়াল্লিমী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর "আত-তালীকু আলাল জারহ" গ্রন্থে রয়েছে এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে ইবনে হিব্বান তার নামের সাথে "আস-সা'দী" বলেননি।

আমি বলছি: ইবনে হিব্বানের এই তওসীক (নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেওয়া) তার নিকট সর্বোচ্চ পর্যায়ের তওসীকের অন্তর্ভুক্ত। দেখুন "আত-তানকীল বিমা ফী তানীবিিল কাওসারী মিনাল আবাতীল" (১/৪৩৭) এবং শায়খ আলবানী রচিত "আর-রাদ্দু আলাত তাআক্কুবিল হাসীস" (পৃ. ১৮-২১)। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৫)
‌‌حرف الذال والراء والزاي

…

حرف الذال خال حرف الراء خال حرف الزاي

20- جاء في المجمع (9/122) : زكريا الأصبهاني.

قلت: لعل الصواب "زكريا الصهباني " بضم المهملة وسكون الهاء وبعدها موحدة كما في "المغني" (ص 47) وهو زكريا بن عبد الله بن يزيد الصهباني انظر: "ميزان الإعتدال" (2/73) و"الجرح والتعديل" (3/598) . ويوجد في "تاريخ أصبهان" لأبي نعيم (1/424) : زكريا بن يحي بن كثير الأصبهاني سكن مكة حدث عن ابن المقري ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً. والله أعلم بحقيقة المراد.

21- جاء في "المجمع" (6/8) : زياد بن سعيد.

قلت: صوابه "سعيد بن زياد" كما في "الميزان" (2/138) حيث ساق حديث المجمع.

22- جاء في "المجمع" (5/؟) : زيغ أبو الخليل.

قلت: صوابه "بَزِيغ أبو الخليل" وهكذا جاء أيضاً في "المجمع" (10/199) .
যাল, রা এবং যা বর্ণমালা

…

যাল বর্ণ, রা বর্ণ, যা বর্ণ

২০- মাজমাউয যাওয়ায়েদ (৯/১২২) গ্রন্থে এসেছে: যাকারিয়া আল-আসবাহানী।

আমি বলি: সম্ভবত সঠিক হলো "যাকারিয়া আস-সাহবানী"; নুক্তাবিহীন বর্ণে (সোয়াদ) পেশ, হা বর্ণে সুকুন এবং এরপর এক নুক্তাওয়ালা বর্ণ (বা) সহকারে, যেমনটি "আল-মুগনী" (পৃ. ৪৭) গ্রন্থে রয়েছে। তিনি হলেন যাকারিয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আস-সাহবানী। দেখুন: "মীযানুল ইতিদাল" (২/৭৩) এবং "আল-জারহু ওয়াত তা'দীল" (৩/৫৯৮)। আবু নুআইম-এর "তারীখু আসবাহান" (১/৪২৪) গ্রন্থে পাওয়া যায়: যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন কাসীর আল-আসবাহানী; তিনি মক্কায় বসবাস করতেন, ইবনুল মুকরী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তার ব্যাপারে কোনো সমালোচনা (জারহ) বা প্রশংসা (তা’দীল) উল্লেখ করেননি। প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন।

২১- "আল-মাজমা" (৬/৮) গ্রন্থে এসেছে: যিয়াদ বিন সাঈদ।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "সাঈদ বিন যিয়াদ", যেমনটি "আল-মীযান" (২/১৩৮) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যেখানে তিনি মাজমা-এর হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন।

২২- "আল-মাজমা" (৫/?) গ্রন্থে এসেছে: যায়গ আবু আল-খালীল।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "বাযীগ আবু আল-খালীল" এবং "আল-মাজমা" (১০/১৯৯) গ্রন্থেও এভাবেই এসেছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৫)
‌‌حرف السين

23- جاء في "المجمع" (7/189) : سالم بن سالم.

قلت: لعله "سلم بن سالم" البلخي وأما "سالم بن سالم الحمصي" فهو مخضرم أدرك وفاة الرسول صلى الله عليه وسلم كما في "الإصابة" (4/105) وانظر ترجمة سلم بن سالم البلخي في الميزان (2/185) واللسان (4/63-64) وغيرهما. وكما جاء في "المجمع" (3/170) سلم بن سالم كما صوبناه والله أعلم.

24- جاء في "المجمع" (7/93) : سالم العلوي.

قلت: لم أجد له ترجمة ولعله "سلم بن قيس العلوي" وهو من رجال التقريب (1/314) والله أعلم.

25- جاء في "المجمع" (7/ 171) : سعيد بن رزق.

قلت: صوابه "سعيد بن زَربي" كما في "المعجم الكبير" (10/101) وجاء في "فيض القدير" (3/385) في النقل عن الهيثمي سعيد بن زرقى وهو خطأ أيضاً.

26- جاء في "المجمع" (7/164) : سلم بن إبراهيم الهجري.

قلت: صوابه "إبراهيم بن مسلم الهجري" كما في "الميزان" (1/66) حيث ذكر حديث المجمع. وجاء بهذا الوجه في "المجمع" (4/138) وغير ذلك.
সীন বর্ণ

২৩- ‘আল-মাজমা’ (৭/১৮৯) গ্রন্থে এসেছে: সালিম বিন সালিম।

আমি বলছি: সম্ভবত এটি ‘সালাম বিন সালিম’ আল-বালখি। আর ‘সালিম বিন সালিম আল-হিমসি’র কথা যদি বলি, তবে তিনি হলেন মুখাদরাম, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাতকাল পেয়েছেন, যেমনটি ‘আল-ইসাবাহ’ (৪/১০৫) গ্রন্থে রয়েছে। আর ‘মিজান’ (২/১৮৫) এবং ‘আল-লিসান’ (৪/৬৩-৬৪) ও অন্যান্য গ্রন্থে সালাম বিন সালিম আল-বালখির জীবনী দেখুন। আর যেমনটি ‘আল-মাজমা’ (৩/১৭০) গ্রন্থে ‘সালাম বিন সালিম’ এসেছে, যা আমরা সংশোধন করেছি। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

২৪- ‘আল-মাজমা’ (৭/৯৩) গ্রন্থে এসেছে: সালিম আল-আলাভি।

আমি বলছি: আমি তার কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি, সম্ভবত এটি হবে ‘সালাম বিন কায়স আল-আলাভি’, যিনি ‘তাকরীবুত তাহজীব’ (১/৩১৪) এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

২৫- ‘আল-মাজমা’ (৭/১৭১) গ্রন্থে এসেছে: সাঈদ বিন রিজক।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো ‘সাঈদ বিন জারবি’, যেমনটি ‘আল-মুজামুল কাবীর’ (১০/১০১) গ্রন্থে রয়েছে। আর ‘ফায়দুল কাদির’ (৩/৩৮৫) গ্রন্থে হাইসামি থেকে উদ্ধৃতি দিতে গিয়ে ‘সাঈদ বিন জারকি’ লেখা হয়েছে, যা ভুল।

২৬- ‘আল-মাজমা’ (৭/১৬৪) গ্রন্থে এসেছে: সালাম বিন ইবরাহিম আল-হাজরি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো ‘ইবরাহিম বিন মুসলিম আল-হাজরি’, যেমনটি ‘আল-মিজান’ (১/৬৬) গ্রন্থে রয়েছে যেখানে ‘মাজমা’ এর হাদিসটি উল্লেখ করা হয়েছে। আর ‘আল-মাজমা’ (৪/১৩৮) এবং অন্যান্য স্থানেও এভাবেই এসেছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৬)
‌‌حرف الشين

27- جاء في "المجمع" (10/301) : شنار بن الحكم.

قلت: صوابه "بَشّار بن الحكم" كما في "الميزان" (1/309) حيث ذكر حديثه. وَشَّنار لم أجد له ترجمة.
শীন অধ্যায়

২৭- "মাজমাউয যাওয়াইদ" (১০/৩০১)-এ এসেছে: শান্নার বিন আল-হাকাম।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "বাশশার বিন আল-হাকাম", যেমনটি "আল-মিযান" (১/৩০৯)-এ রয়েছে যেখানে তাঁর হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে। আর শান্নার—আমি তাঁর কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৬)
‌‌حرف الصاد

28- جاء في "المجمع" (6/119) : صالح بن بشير المذني.

قلت: صوابه "صالح بن بشير المري" كما جاء في "المجمع (8/621) وغيره. والمري بضم الميم وتشديد الراء كما في "التقريب" (1/358) وغيره.
সাদ বর্ণ

২৮- "আল-মাজমা" (৬/১১৯)-এ এসেছে: সালিহ বিন বাশির আল-মুদানি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "সালিহ বিন বাশির আল-মুররি", যেমনটি "আল-মাজমা" (৮/৬২১) এবং অন্যান্য গ্রন্থে এসেছে। আর "আল-মুররি" শব্দটি মীমে পেশ এবং র-এ তাশদীদ সহযোগে হবে, যেমনটি "আত-তাক্বরীব" (১/৩৫৮) এবং অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৬)
‌‌حرف الضاد

29- جاء في "المجمع" (1/259، 260) الضبي بن الأشعث.

قلت: صوابه "الصُّبَىُّ بن الأشعث" كما في "المعجم الكبير" للطبراني (2/ 10) . والذي في "مجمع البحرين" (1/ ق 43) كما في "مجمع الزوائد" والصحيح كما أثبتناه. وليس لما ذكر في المجمعين ترجمة وانظر "ميزان الإعتدال" (م/308) .
দাদ বর্ণ

২৯- "আল-মাজমা" (১/২৫৯, ২৬০) গ্রন্থে "আদ-দাব্বি বিন আল-আশআস" এসেছে।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "আস-সুবাই বিন আল-আশআস", যেমনটি তাবারানির "আল-মু'জামুল কাবির" (২/১০) গ্রন্থে রয়েছে। আর "মাজমাউল বাহরাইন" (১/ পাতা ৪৩) গ্রন্থে যা রয়েছে তা "মাজমাউয যাওয়াইদ"-এর অনুরূপ। তবে সঠিক সেটিই যা আমরা সাব্যস্ত করেছি। উক্ত দুই "মাজমা" গ্রন্থে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার কোনো জীবনী নেই; দেখুন "মিজানুল ইতিদাল" (মিম/৩০৮)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৬)
‌‌حرف الطاء والظاء والعين

…

حرف الطاء خال حرف الظاء خال حرف العين

30- جاء في "المجمع" (3/101) : عائذ بن سريج.

قلت: صوابه "عائذ بن شُرَيْح " (بالشين المعجمة والحاء المهملة) كما في ترجمته انظر "ميزان الإعتدال" (2/363) و"الجرح والتعديل" (7/16) .

31- جاء في "المجمع" (5/ 225) : عبد الله بن إبراهيم بن خالد المصيصي.

قلت: صوابه "إبراهيم بن خالد المصيصي" كما في "مجمع البحرين" (2/ ق217) حيث ذكر حديثه وما ذكر في "المجمع" فليس له ترجمة.

32- جاء في "المجمع" (9/ 172) : عبد الله بن عمر الواقفي.

قلت: صوابه "عبد الله بن عمر الواقعي" بالعين وهكذا في "المشتبه " للذهبي (ص 544) .
ত, য এবং আইন বর্ণসমূহ

…

ত বর্ণ (ফাঁকা), য বর্ণ (ফাঁকা), আইন বর্ণ

৩০- "আল-মাজমা" (৩/১০১) গ্রন্থে এসেছে: আইজ বিন সুরিয।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আইজ বিন শুরাইহ" (নুকতাযুক্ত 'শীন' এবং নুকতাহীন 'হা' সহযোগে), যেমনটি তার জীবনীতে রয়েছে। দেখুন: "মিযানুল ইতিদাল" (২/৩৬৩) এবং "আল-জারহু ওয়াত তা'দীল" (৭/১৬)।

৩১- "আল-মাজমা" (৫/২২৫) গ্রন্থে এসেছে: আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন খালিদ আল-মিসসী।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "ইব্রাহিম বিন খালিদ আল-মিসসী", যেমনটি "মাজমাউল বাহরাইন" (২/ পৃষ্ঠা ২১৭) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যেখানে তার হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে। আর "আল-মাজমা"-তে যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার কোনো জীবনী সেখানে নেই।

৩২- "আল-মাজমা" (৯/১৭২) গ্রন্থে এসেছে: আবদুল্লাহ বিন উমর আল-ওয়াফিফী।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আইন" বর্ণসহ "আবদুল্লাহ বিন উমর আল-ওয়াকেয়ী", আয-যাহাবীর "আল-মুশতাবিহ" (পৃষ্ঠা ৫৪৪) গ্রন্থে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৭)
33- جاء في "المجمع" (8/21) : عبد الله بن (مسد) البكرى.

قلت: هكذا جاء. ورسم والد عبد الله يقرب من سعد ثم ظهر لي من "مجمع البحرين" (2/ ق 262) أنه عبد الله بن يزيد. وانظر "المجمع" (5/268) .

34- جاء في "المجمع" (3/ 80) : عبد الحليم بن عبد الله.

قلت: صوابه "حُكَيم بن عبد الله" كما في "مجمع البحرين" (1/ ق120) . والذي في المخطوطة من "مجمع الزوائد" (2/ ق181) - مصور من الجامعة الإسلامية- عبد الحكيم. وكما لم يتكلم عليه بشيء خلافاً لما في المطبوع، والصواب ما ذكرناه. وما في "مجمع الزوائد" ليس له ترجمة. وانظر "التقريب" (1/195) .

35- جاء في "المجمع" (8/24) : عبد الحميد بن عبيد الله بن حمزة.

قلت: صوابه "عبد العزيز بن عبيد الله بن حمزة" كما في "مجمع البحرين" (3/ ق 221) وجاء في "المجمع" (6/ 251) كما صوبناه. وانظر "التقريب" (1/ 511) .

36- جاء في "المجمع" (3/؟) : عبد الخالق بن يزيد.

قلت: صوابه "عبد الخالق بن زيد" وجاء في "المجمع" (5/135) و (6/255) على الوجه الصحيح وانظر "الجرح والتعديل" (6/37) .

37- جاء في "المجمع" (4/286) : عبد الرحمن الوقاصي.

قلت: صوابه "عثمان بن عبد الرحمن الوقاصي" كما ظهر من تخريج حديث "المجمع " في "إرواء الغليل" (6/259) حيث نقل الشيخ- حفظه الله- إسناد الطبراني.

38- جاء في "مجمع الزوائد" (8/ 70) : عبد السلام بن هلال.

قلت: صوابه "عبد السلام بن هاشم" كما في "السلسلة الضعيفة" لشيخنا الألباني (2/56) . وانظر " أخبار أصبهان" (2/111) وأما ما في "فيض القدير" (6/126) فنقل كما هو في "المجمع". ولم أجد من الرواة من اسمه عبد السلام بن هلال وكذا حكى شيخنا ونبه على تصحيفه ويؤيد ما صوبناه أن الهيثمي ذكر الحديث في (8/68) كما ظهر لنا.

39- جاء في "مجمع الزوائد" (9/ 384) : عبد الملك بن إبراهيم بن عنترة.

قلت: صوابه "عبد الملك بن هارون بن عنترة" كما في "مجمع الطبراني الكبير" (17/51) وله ترجمة في "الميزان" (2/ 666) وأما الأول فلم أجد له ترجمة مع شديد بحثٍ.

0 4- جاء في "المجمع" (8/17 و 28) : عُبيد الله بن عمرو أو ابن عمر القيسى.
৩৩- "আল-মাজমা" (৮/২১) গ্রন্থে এসেছে: আবদুল্লাহ ইবনে (মাসাদ) আল-বাকরি।

আমি বলছি: এটি এভাবেই এসেছে। আবদুল্লাহর পিতার নামের হস্তাক্ষর 'সা'দ' এর কাছাকাছি, তবে "মাজমাউল বাহরাইন" (২/ পৃষ্ঠা ২৬২) থেকে আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ। আর দেখুন "আল-মাজমা" (৫/২৬৮)।

৩৪- "আল-মাজমা" (৩/ ৮০) গ্রন্থে এসেছে: আব্দুল হালিম ইবনে আব্দুল্লাহ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "হুকাইম ইবনে আব্দুল্লাহ", যেমনটি "মাজমাউল বাহরাইন" (১/ পৃষ্ঠা ১২০) গ্রন্থে রয়েছে। আর "মাজমাউয যাওয়াইদ" (২/ পৃষ্ঠা ১৮১) এর পাণ্ডুলিপিতে—যা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে সংগৃহীত—"আবদুল হাকিম" রয়েছে। মুদ্রিত কপির বিপরীতে এখানে তাঁর সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হয়নি, আর সঠিক সেটিই যা আমরা উল্লেখ করেছি। "মাজমাউয যাওয়াইদ"-এ যা আছে, তার কোনো জীবনী পাওয়া যায় না। দেখুন "আত-তাকরিব" (১/১৯৫)।

৩৫- "আল-মাজমা" (৮/২৪) গ্রন্থে এসেছে: আব্দুল হামিদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে হামজা।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবদুল আজিজ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে হামজা", যেমনটি "মাজমাউল বাহরাইন" (৩/ পৃষ্ঠা ২২১) গ্রন্থে রয়েছে। আর "আল-মাজমা" (৬/ ২৫১) গ্রন্থে এটি সেভাবেই এসেছে যেভাবে আমরা সংশোধন করেছি। দেখুন "আত-তাকরিব" (১/ ৫১১)।

৩৬- "আল-মাজমা" (৩/?) গ্রন্থে এসেছে: আব্দুল খালিক ইবনে ইয়াজিদ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবদুল খালিক ইবনে জায়েদ"। "আল-মাজমা" (৫/১৩৫) এবং (৬/২৫৫) গ্রন্থে এটি সঠিকভাবেই এসেছে। দেখুন "আল-জারহ ওয়াত তা'দিল" (৬/৩৭)।

৩৭- "আল-মাজমা" (৪/২৮৬) গ্রন্থে এসেছে: আবদুর রহমান আল-ওয়াক্কাসি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "উসমান ইবনে আবদুর রহমান আল-ওয়াক্কাসি", যেমনটি "আল-মাজমা"-এর হাদিসের তাখরিজ হিসেবে "ইরওয়াউল গালিল" (৬/২৫৯) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে শায়খ—আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন—তাবারানির সনদটি উদ্ধৃত করেছেন।

৩৮- "মাজমাউয যাওয়াইদ" (৮/ ৭০) গ্রন্থে এসেছে: আবদুস সালাম ইবনে হিলাল।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবদুস সালাম ইবনে হাশিম", যেমনটি আমাদের শায়খ আলবানীর "সিলসিলাতুদ দয়িফাহ" (২/৫৬) গ্রন্থে রয়েছে। দেখুন "আখবারু আসবাহান" (২/১১১)। আর "ফয়জুল কাদির" (৬/১২৬) গ্রন্থে যা আছে, তা "আল-মাজমা" থেকেই হুবহু নকল করা হয়েছে। বর্ণনাকারীদের মধ্যে আমি এমন কাউকে খুঁজে পাইনি যার নাম আবদুস সালাম ইবনে হিলাল। আমাদের শায়খও অনুরূপ বলেছেন এবং এর লিপিকর প্রমাদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। আমাদের সংশোধিত রূপটিকে এটিও সমর্থন করে যে, হাইসামি (৮/৬৮) পৃষ্ঠায় হাদিসটি উল্লেখ করেছেন, যা আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে।

৩৯- "মাজমাউয যাওয়াইদ" (৯/ ৩৮৪) গ্রন্থে এসেছে: আব্দুল মালিক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আনতারা।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবদুল মালিক ইবনে হারুন ইবনে আনতারা", যেমনটি তাবারানির "আল-মু'জামুল কাবির" (১৭/৫১) গ্রন্থে রয়েছে। "আল-মিজান" (২/ ৬৬৬) গ্রন্থে তাঁর জীবনী রয়েছে। আর প্রথমোক্ত ব্যক্তির ব্যাপারে অনেক অনুসন্ধানের পরও কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।

৪০- "আল-মাজমা" (৮/১৭ এবং ২৮) গ্রন্থে এসেছে: উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর অথবা ইবনে উমর আল-কায়সি।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৮)
قلت: لعل صوابه "عَبد الله بن عمرو" كما في "كشف الأستار" (1/397) و"المطالب العالية" لابن حجر (2/520) والله أعلم.

1 4- جاء في "المجمع" (4/332) : علي بن الفضل.

قلت: صوابه "عدي بن الفضل" كما في "كشف الأستار" (2/191) وقارنه بالميزان (3/49) .

42- جاء في "المجمع" (4/246) : عمر بن إبراهيم بن وجيه.

قلت: لعل صوابه "عمر بن موسى بن وجيه" وله ترجمة في "الميزان" (3/225) وغيره. وجاء في "المجمع" (8/99) عُمير بالتصغير. وكما جاء فيه (2/266) عمرو. وجاء في "المجمع" (5/25 و29) على ما صوبناه والله أعلم.

43- جاء في "المجمع" (6/272) : عمر بن راشد المدني الحارثي.

قلت: صوابه "عمر بن راشد المدني الجاري" (بالجيم والراء غير منقوطة بعدها ياء النسب) كما في "التهذيب" (7/446) وانظر "اللباب" (1/251) و"معجم البلدان" (2/93) و"الجرح والتعديل" (6/ 108) .

44- جاء في "المجمع" (2/ 234) : عُمر بن عبد الجبار.

قلت: لعل الصواب "عَمرو بن عبد الجبار" وانظر "الميزان" (3/271) و"اللسان" (4/368) .

45- جاء في "المجمع" (3/ 69) : عورك.

قلت: صوابه "غورك" (بالمعجمة) كما في "الميزان" (3/337) حيث ذكر حديث المجمع في ترجمته وأما ما في "مجمع الزوائد" (2/ ق 73) مصورة الجامعة و"مجمع البحرين" (1/ ق 119) فكما في المطبوع من "المجمع" ولم أجد ترجمة بهذا الإسم.

46- جاء في "المجمع" (3/173) : عيينة بن عبد الرحمن القرشي.

قلت: صوابه "عَنْبَسة بن عبد الرحمن القرشي" كما في "فيض القدير" (1/554) و"الميزان" (3/ 302) . وانظر "تقريب التهذيب" (3/ 88) .

47- جاء في "المجمع" (8/16) : عُيينة بن يقظان.

قلت: صوابه "عُتْبَةَ بن يقظان" كما في "الميزان" (3/28) . وانظر "التهذيب" (7/103) .
আমি বলছি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো "আবদুল্লাহ বিন আমর", যেমনটি 'কাশফুল আস্তার' (১/৩৯৭) এবং ইবনে হাজারের 'আল-মাতালিবুল আলিয়া' (২/৫২০) গ্রন্থে রয়েছে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

১ ৪- 'আল-মাজমা' (৪/৩৩২) গ্রন্থে এসেছে: আলী বিন আল-ফাদল।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আদী বিন আল-ফাদল", যেমনটি 'কাশফুল আস্তার' (২/১৯১) গ্রন্থে রয়েছে; আর একে 'আল-মিজান' (৩/৪৯) এর সাথে তুলনা করুন।

৪২- 'আল-মাজমা' (৪/২৪৬) গ্রন্থে এসেছে: উমর বিন ইবরাহিম বিন ওয়াজইহ।

আমি বলছি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো "উমর বিন মুসা বিন ওয়াজইহ" এবং 'আল-মিজান' (৩/২২৫) ও অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর জীবনী রয়েছে। আর 'আল-মাজমা' (৮/৯৯) গ্রন্থে 'উমাইর' ক্ষুদ্রতাসূচক নামে এসেছে। যেমন সেখানে (২/২৬৬) 'আমর' এসেছে। আর 'আল-মাজমা' (৫/২৫ ও ২৯) গ্রন্থে আমরা যা সংশোধন করেছি সেই অনুযায়ী এসেছে, আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

৪৩- 'আল-মাজমা' (৬/২৭২) গ্রন্থে এসেছে: উমর বিন রাশিদ আল-মাদানি আল-হারিসি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "উমর বিন রাশিদ আল-মাদানি আল-জারি" (জিম এবং নুকতাহীন রা-এর পরে ইয়া-এ নিসবত যোগে), যেমনটি 'আত-তাহজিব' (৭/৪৪৬) গ্রন্থে রয়েছে। দেখুন 'আল-লুবাব' (১/২৫১), 'মু'জামুল বুলদান' (২/৯৩) এবং 'আল-জারহ ওয়াত তা'দিল' (৬/১০৮)।

৪৪- 'আল-মাজমা' (২/২৩৪) গ্রন্থে এসেছে: উমর বিন আবদুল জাব্বার।

আমি বলছি: সম্ভবত সঠিক রূপ হলো "আমর বিন আবদুল জাব্বার", দেখুন 'আল-মিজান' (৩/২৭১) এবং 'আল-লিসান' (৪/৩৬৮)।

৪৫- 'আল-মাজমা' (৩/৬৯) গ্রন্থে এসেছে: উরাক।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "গুরাক" (নুকতাযুক্ত বর্ণ গাইন সহকারে), যেমনটি 'আল-মিজান' (৩/৩৩৭) গ্রন্থে রয়েছে, যেখানে তাঁর জীবনীর আলোচনায় মাজমা'-এর হাদিসটি উল্লেখ করা হয়েছে। আর 'মাজমাউয যাওয়াইদ' (২/পৃষ্ঠা ৭৩)-এর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি এবং 'মাজমাউল বাহরাইন' (১/পৃষ্ঠা ১১৯)-এ যা এসেছে, তা 'মাজমা'-এর মুদ্রিত কপির মতোই, আর আমি এই নামে কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।

৪৬- 'আল-মাজমা' (৩/১৭৩) গ্রন্থে এসেছে: উয়াইনা বিন আবদুর রহমান আল-কুরাশি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আনবাসা বিন আবদুর রহমান আল-কুরাশি", যেমনটি 'ফায়দুল কাদির' (১/৫৫৪) এবং 'আল-মিজান' (৩/৩০২) গ্রন্থে রয়েছে। দেখুন 'তাকরিবুত তাহজিব' (৩/৮৮)।

৪৭- 'আল-মাজমা' (৮/১৬) গ্রন্থে এসেছে: উয়াইনা বিন ইয়াকজান।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "উতবা বিন ইয়াকজান", যেমনটি 'আল-মিজান' (৩/২৮) গ্রন্থে রয়েছে। দেখুন 'আত-তাহজিব' (৭/১০৩)।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৯)
‌‌حرف الغين

48- جاء في "المجمع" (8/215) : غسان بن ربعي.

قلت: لعل صوابه "غسان بن الربيع" وما ذكره الهيثمي ليس له ترجمة وأما ما صوبته فمترجم له في الميزان (3/334) وغيره.
গাইন বর্ণ

৪৮- "আল-মাজমা" (৮/২১৫) গ্রন্থে এসেছে: গাসসান বিন রিবয়ী।

আমি বলি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো "গাসসান বিন আল-রাবি"। হাইসামি যা উল্লেখ করেছেন তার কোনো জীবনী পাওয়া যায় না; তবে আমি যেটিকে সঠিক বলেছি, "আল-মিজান" (৩/৩৩৪) ও অন্যান্য গ্রন্থে তার জীবনী বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৯)
‌‌حرف الفاء

49- جاء في "المجمع" (5/262) : فرج بن يحيى.

قلت: لعل صوابه "فرح" (بالمهملة) ابن يحي كما في الميزان (3/345) و"اللسان" (4/432) . وأما في "ديوان الضعفاء" (ص 246) و"المغنى في الضعفاء" (2/509) ففي كليهما بالجيم كما في المجمع ولعل ما في "تبصير المنتبه" (3/1071) يؤيد ما رجحناه والله أعلم.

50- جاء في "المجمع" (2/112) : الفضل بن الجبار.

قلت: صوابه "الفضل بن المختار" كما في "المعجم الكبير" (17/182) . وقد نبه على ذلك محققه أيضاً. وهكذا جاء في "المجمع" (1/244) وغيره.

51- جاء في "المجمع" (3/195) : فهد بن عوف.

قلت: صوابه "زيد بن عوف" إذ فهد هو لقبه وزيد اسمه كما في "الميزان" (3/ 266) وغيره.
বর্ণ ‘ফা’ (ফ)

৪৯- ‘আল-মাজমা’ (৫/২৬২) গ্রন্থে এসেছে: ফারাজ ইবনে ইয়াহইয়া।

আমি বলছি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো ‘ফারাহ’ (নুক্তাবিহীন ‘হা’ সহ) ইবনে ইয়াহইয়া, যেমনটি ‘আল-মিজান’ (৩/৩৪৫) এবং ‘আল-লিসান’ (৪/৪৩২) গ্রন্থে রয়েছে। তবে ‘দিওয়ানুয যুয়াফা’ (পৃষ্ঠা ২৪৬) এবং ‘আল-মুগনি ফিয়্যু যুয়াফা’ (২/৫০৯) এই উভয় গ্রন্থেই ‘জিম’ বর্ণ সহকারে (অর্থাৎ ফারাজ) এসেছে যেমনটি ‘আল-মাজমা’ গ্রন্থে রয়েছে। সম্ভবত ‘তাবসিরুল মুনতাব্বিহ’ (৩/১০৭১) গ্রন্থে যা রয়েছে তা আমাদের প্রাধান্য দেওয়া মতটিকেই সমর্থন করে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

৫০- ‘আল-মাজমা’ (২/১১২) গ্রন্থে এসেছে: আল-ফাদল ইবনুল জাব্বার।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো ‘আল-ফাদল ইবনুল মুখতার’, যেমনটি ‘আল-মুজামুল কাবীর’ (১৭/১৮২) গ্রন্থে রয়েছে। এর মুহাক্কিকও (সম্পাদক) এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। আর এভাবেই এটি ‘আল-মাজমা’ (১/২৪৪) এবং অন্যান্য গ্রন্থে এসেছে।

৫১- ‘আল-মাজমা’ (৩/১৯৫) গ্রন্থে এসেছে: ফাহদ ইবনে আউফ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো ‘যায়েদ ইবনে আউফ’, কেননা ফাহদ হলো তার উপাধি এবং যায়েদ হলো তার নাম, যেমনটি ‘আল-মিজান’ (৩/২৬৬) এবং অন্যান্য গ্রন্থে এসেছে।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১২৯)
‌‌حرف القاف والكاف واللام والميم

…

حرف القاف خال حرف الكاف خال حرف اللام خال حرف الميم

52- جاء في "المجمع" (3/30) : محسب.

قلت: لعل صوابه "محتسب" بالمثناة الفوقية وهو ابن عبد الرحمن أبو عائذ له ترجمة في "الميزان" (3/ 442) وغيره والله أعلم.

53- جاء في "المجمع" (5/38) : محمد بن الحجاج الجمحي.
ক্বাফ, কাফ, লাম এবং মিম বর্ণসমূহ

...

ক্বাফ বর্ণ (খালি), কাফ বর্ণ (খালি), লাম বর্ণ (খালি), মিম বর্ণ

৫২- "আল-মাজমা" (৩/৩০) গ্রন্থে এসেছে: মুহসিব।

আমি বলছি: সম্ভবত এর সঠিক পাঠ হলো "মুহতাসিব" ওপরের দুই নুক্তাবিশিষ্ট 'তা' সহযোগে; আর তিনি হলেন ইবনে আবদুর রহমান আবু আয়িয। "আল-মিজান" (৩/৪৪২) ও অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণিত হয়েছে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

৫৩- "আল-মাজমা" (৫/৩৮) গ্রন্থে এসেছে: মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ আল-জুমাহি।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩০)
قلت: صوابه "محمد بن الحجاج اللخمِي" وهو المعروف بحديث الهريسة "أطعمني جبريل الهريسة أشد بها ظهري لقيام الليل " انظر الميزان (3/509) والمجروحين (2/195) . وذكره الهيثمي في "المجمع" (7/83) و (10/65) باللخمي كما صوبناه.

54- جاء في "المجمع" (5/171) : محمد بن حفص الوصاني.

قلت: صوابه "محمد بن حفص الوصَّابِي" (بالباء) كما في "الميزان" (3/526) وغيره. وهكذا جاء في "المجمع" (6/254) .

55- جاء في "المجمع" (4/285) : محمد بن حسن الأوصابِي.

قلت: صوابه "محمد بن حفص الأوصابي" السابق الذكر إذ تصحف اسم أبيه من حفص إلى حسن. والله أعلم.

56- جاء في "المجمع" (5/269) : محمد بن الزبير الزبيدى.

قلت: صوابه "محمد بن المنذر الزبيرى" كما في "مجمع البحرين" (3/ ق 229) .

57- جاء في "المجمع " (7/266) : محمد بن عبد الله بن يحي بن عروة.

قلت: صوابه "عبد الله بن محمد بن يحيى بن عروة " كما في "معجم البحرين" (4/ ق 415) .

58- جاء في "المجمع" (2/161) : محمد بن قضا (بالمثناة الفوقية) .

قلت: صوابه "محمد بن فضاء" (بفتح الفاء والمعجمة مع المد) الجهضمي الأزدي" كما في "التقريب" (2/161) . وأما "محمد بن قضاء" بالقاف فهو وآخر متأخر عنه. وانظر "التهذيب" (9/ 400-401) .

59- جاء في "المجمع" (8/88) : محمد بن كثير النهري.

قلت: صوابه "محمد بن كثير الفِهْري" (بكسر الفاء وسكون الهاء وفي آخرها راء نسبة إلى فهر بن مالك بن النضر بن كنانة) كما في "اللباب" (2/448) . وهو من رجال التقريب (2/203) .

60- جاء في "المجمع" (5/326) : محمد بن لهيعة العطار.

قلت: صوابه "محمد بن جامع العطار" كما في "مجمع البحرين" (2/ ق 232) .

61- جاء في "المجمع" (9/51) : محمد بن محبب.

قلت: صوابه "محمد بن مجيب " (بالجيم على وزن مطيع) كما في "تاريخ بغداد" (3/298) حيث ساق حديث المجمع في ترجمته. وانظر "التقريب" (2/204) . وليس له
আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ আল-লাখমি" এবং তিনি হারিসার হাদিসের জন্য পরিচিত: "জিবরাঈল আমাকে হারিসা খাইয়েছেন যাতে আমি তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য পিঠে শক্তি পাই।" দেখুন আল-মিজান (৩/৫০৯) এবং আল-মাজরুহীন (২/১৯৫)। আল-হাইসামি একে 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৭/৮৩) এবং (১০/৬৫) 'আল-লাখমি' হিসেবে উল্লেখ করেছেন যেমনটি আমরা সংশোধন করেছি।

৫৪- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৫/১৭১) এসেছে: মুহাম্মদ বিন হাফস আল-ওয়াসানি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন হাফস আল-ওয়াসসাবি" ('বা' অক্ষরের সাথে) যেমনটি 'আল-মিজান' (৩/৫২৬) এবং অন্যান্য গ্রন্থে রয়েছে। 'আল-মাজমা' গ্রন্থেও (৬/২৫৪) এভাবেই এসেছে।

৫৫- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৪/২৮৫) এসেছে: মুহাম্মদ বিন হাসান আল-আওসাবি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো পূর্বে উল্লেখিত "মুহাম্মদ বিন হাফস আল-আওসাবি", যেহেতু তার পিতার নাম 'হাফস' থেকে 'হাসান'-এ পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহই ভালো জানেন।

৫৬- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৫/২৬৯) এসেছে: মুহাম্মদ বিন আয-যুবাইর আয-যুবাইদি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন আল-মুনজির আয-যুবাইরি" যেমনটি 'মাজমাউল বাহরাইন' গ্রন্থে (৩/ পৃষ্ঠা ২২৯) রয়েছে।

৫৭- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৭/২৬৬) এসেছে: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন উরওয়াহ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন উরওয়াহ" যেমনটি 'মু'জামুল বাহরাইন' গ্রন্থে (৪/ পৃষ্ঠা ৪১৫) রয়েছে।

৫৮- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (২/১৬১) এসেছে: মুহাম্মদ বিন কাদা (উপরে দুই নুকতা বিশিষ্ট বর্ণের সাথে)।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন ফাদ্বা" ('ফা' বর্ণে জবর এবং নুকতাযুক্ত 'দদ' বর্ণে মদ্দসহ) আল-জাহদামি আল-আজদি" যেমনটি 'আত-তাক্বরিব' গ্রন্থে (২/১৬১) রয়েছে। আর 'ক্বাফ' যোগে "মুহাম্মদ বিন ক্বাদা" হলো অন্য এক ব্যক্তি যিনি তাঁর পরবর্তী সময়ের। দেখুন 'আত-তাহজিব' (৯/৪০০-৪০১)।

৫৯- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৮/৮৮) এসেছে: মুহাম্মদ বিন কাসির আন-নাহরি।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন কাসির আল-ফিহরি" ('ফা' বর্ণে জের এবং 'হা' বর্ণে সুকুনসহ এবং শেষে 'রা', যা ফিহর বিন মালিক বিন আন-নাদর বিন কিনানাহ-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত) যেমনটি 'আল-লুবাব' গ্রন্থে (২/৪৪৮) রয়েছে। তিনি 'আত-তাক্বরিব' (২/২০৩) এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

৬০- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৫/৩২৬) এসেছে: মুহাম্মদ বিন লাহি'আহ আল-আত্তার।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন জামি' আল-আত্তার" যেমনটি 'মাজমাউল বাহরাইন' গ্রন্থে (২/ পৃষ্ঠা ২৩২) রয়েছে।

৬১- 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (৯/৫১) এসেছে: মুহাম্মদ বিন মুহাব্বাব।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন মুজীব" ('জিম' বর্ণসহ, 'মুতি' শব্দের ওজনে) যেমনটি 'তারিখে বাগদাদ' গ্রন্থে (৩/২৯৮) রয়েছে, যেখানে তাঁর জীবনীতে মাজমা'-এর হাদিসটি উল্লেখ করা হয়েছে। দেখুন 'আত-তাক্বরিব' (২/২০৪)। এবং তাঁর কোনো...
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩১)
رواية عند الستة وهو متروك أما محمد بن محبب بموحدتين فثقة كما في "التقريب" (2/204) .

62- جاء في "المجمع" (6/232) : محمد بن مسلمة بميمين بن كهيل.

قلت: لعل صوابه "محمد بن سلمة" (بسين) كما في مصادر ترجمته. وانظر"الميزان" (3/568) و"الجرح والتعديل" (7/ 276) وغيرهما. ولقد وقع في "اللسان" (5/183) اسم جده جهل.

63- جاء في "المجمع" (2/298) : محمد بن يونس الحمال" (بالمهملة) .

قلت: صوابه "محمد بن يونس الجمال" كما في "التقريب" (2/222) .

64- جاء في "المجمع" (8/191) : مسكين بن سراج.

قلت: صوابه "سكين بن أبى سراج" كما في "ميزان الإعتدال" (2/174) وأما ما في "مجمع البحرين" (3/ ق 259) فهو خطأ كما في "مجمع الزوائد" ولم أجد ترجمة بهذا الاسم وبان لنا الصواب من "سلسلة الأحاديث الصحيحة" (2/608) لشيخنا الألباني حيث ساق إسناد الطبراني.

65- جاء في "المجمع" (1/146) : موسى بن عمران الحضرمي.

قلت: لعل صوابه "موسى بن عثمان الحضرمي" وانظر "الميزان" (4/14) .

66- جاء في "المجمع" (8/114) : موسى بن علي الخشني.

قلت: صوابه "مسلمة بن علي الخشني" وبهذا ذكره في المجمع (1/201 و287) و (5/93) وغير ذلك وانظر "الميزان" (4/109) وهو من رجال التقريب (2/ 249) .

67- جاء في "المجمع" (3/142) : الميباح بن بسطام.

قلت: لم أجد له ترجمة ويبدو لي أنه "الهياج بن بسطام" وهو من رجال التقريب (2/325) .
সিত্তাহর নিকট একটি বর্ণনা রয়েছে এবং তিনি পরিত্যক্ত (মাত্রুক), তবে মুহাম্মদ বিন মুহাব্বাব (দুই 'বা' সহ) তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) যেমনটি "আত-তাকরিব" (২/২০৪) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

৬২- "আল-মাজমা" (৬/২৩২) গ্রন্থে এসেছে: মুহাম্মদ বিন মাসলামাহ (দুই 'মিম' সহ) বিন কুহাইল।

আমি বলি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন সালামাহ" ('সিন' অক্ষর সহ) যেমনটি তাঁর জীবনীগ্রন্থের উৎসসমূহে পাওয়া যায়। আর দেখুন "আল-মিজান" (৩/৫৬৮), "আল-জারহ ওয়াত-তাদিল" (৭/২৭৬) এবং অন্যান্য গ্রন্থ। আর "আল-লিসান" (৫/১৮৩) গ্রন্থে তাঁর দাদার নাম 'জাহল' হিসেবে এসেছে।

৬৩- "আল-মাজমা" (২/২৯৮) গ্রন্থে এসেছে: মুহাম্মদ বিন ইউনুস আল-হাম্মাল (নোকতাহীন 'হা' সহ)।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "মুহাম্মদ বিন ইউনুস আল-জাম্মাল" যেমনটি "আত-তাকরিব" (২/২২২) গ্রন্থে রয়েছে।

৬৪- "আল-মাজমা" (৮/১৯১) গ্রন্থে এসেছে: মিসকিন বিন সিরাজ।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "সুক্কিন বিন আবি সিরাজ" যেমনটি "মিজানুল ইতিদাল" (২/১৭৪) গ্রন্থে রয়েছে। আর "মাজমাউল বাহরাইন" (৩/ পৃষ্ঠা ২৫৯) গ্রন্থে যা রয়েছে তা ভুল যেমনটি "মাজমাউয যাওয়াইদ" গ্রন্থে বলা হয়েছে। আমি এই নামে কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি এবং আমাদের শায়খ আলবানীর "সিলসিলাতুল আহাদিস আস-সহিহাহ" (২/৬০৮) থেকে আমাদের কাছে সঠিক বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে তিনি তাবারানীর সনদটি উল্লেখ করেছেন।

৬৫- "আল-মাজমা" (১/১৪৬) গ্রন্থে এসেছে: মুসা বিন ইমরান আল-হাদরামি।

আমি বলি: সম্ভবত এর সঠিক রূপ হলো "মুসা বিন উসমান আল-হাদরামি", আর দেখুন "আল-মিজান" (৪/১৪)।

৬৬- "আল-মাজমা" (৮/১১৪) গ্রন্থে এসেছে: মুসা বিন আলী আল-খুশানি।

আমি বলি: এর সঠিক রূপ হলো "মাসলামাহ বিন আলী আল-খুশানি", এবং "আল-মাজমা" এর (১/২০১ ও ২৮৭) এবং (৫/৯৩) ও অন্যান্য স্থানে এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে। দেখুন "আল-মিজান" (৪/১০৯), আর তিনি "আত-তাকরিব" (২/২৪৯) এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

৬৭- "আল-মাজমা" (৩/১৪২) গ্রন্থে এসেছে: আল-মায়বাহ বিন বাসতাম।

আমি বলি: আমি তাঁর কোনো জীবনী পাইনি এবং আমার নিকট প্রতীয়মান হয় যে তিনি হলেন "আল-হাইয়াজ বিন বাসতাম", আর তিনি "আত-তাকরিব" (২/৩২৫) এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩১)
‌‌حرف النون

68- جاء في "المجمع" (10/229) وفيه: النصر بن محرز.

قلت: صوابه "النضر" (بالضاد بالمعجمة) ابن محرز كما في "الميزان" (4/262) حيث ذكر حديث المجمع وانظر "الجرح والتعديل" (8/480) وغيره من مصادر ترجمته.
নূন বর্ণ

৬৮- "আল-মাজমা" (১০/২২৯) গ্রন্থে এসেছে এবং তাতে রয়েছে: আন-নাসর বিন মুহরিয।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আন-নাদর" (নুক্তাযুক্ত 'দদ' দিয়ে) বিন মুহরিয, যেমনটি "আল-মিযান" (৪/২৬২) গ্রন্থে রয়েছে যেখানে মাজমা-এর হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে; এবং দেখুন "আল-জারহ ওয়াত তা'দীল" (৮/৪৮০) ও তাঁর জীবনীর অন্যান্য উৎসসমূহ।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩২)
‌‌حرف الهاء والواو

…

حرف الهاء خال حرف الواو

69- جاء في "المجمع" (7/ 54) : الوليد بن عداس المصري شيخ الطبراني.

قلت: صوابه "الوليد بن العباس المصري شيخ الطبراني" وهو من رجال الميزان (4/340) وانظر "اللسان" (6/223) وكما ذكره الهيثمي على الوجه الذي صوبناه في (10/245) من "مجمع الزوائد". وليس للوليد بن عداس ترجمة والله أعلم.
’হা’ এবং ’ওয়াও’ বর্ণ

…

’হা’ বর্ণ এবং ’ওয়াও’ বর্ণ সংবলিত অধ্যায়

৬৯- "আল-মাজমা" (৭/ ৫৪) গ্রন্থে এসেছে: আল-ওয়ালিদ বিন আদাস আল-মিসরি, তাবারানির শাইখ।

আমি বলছি: এর সঠিক পাঠ হলো "আল-ওয়ালিদ বিন আল-আব্বাস আল-মিসরি, তাবারানির শাইখ"। তিনি 'আল-মিজান' (৪/৩৪০) গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত, আরও দেখুন 'আল-লিসান' (৬/২২৩)। আল-হাইসামিও 'মাজমাউজ জাওয়ায়েদ' (১০/২৪৫) গ্রন্থে বিষয়টি সেভাবেই উল্লেখ করেছেন যেভাবে আমরা সংশোধন করেছি। আল-ওয়ালিদ বিন আদাস নামক কোনো ব্যক্তির জীবনী পাওয়া যায় না, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩২)
‌‌حرف الياء

70- جاء في "المجمع" (4/118) : يحيى بن أحمد الكوفي الأحول.

قلت: لعله "أحمد بن يحي الكوفي الأحول" وله ترجمة في "الميزان" (1/ 62) . وغيره وأما ما ذكره الهيثمي فلم أجد له ترجمة.

71- جاء في "المجمع" (10/ 111) : يحي بن إسحاق بن طلحة.

قلت: يبدو لي أنه "إسحاق بن يحي بن طلحة" وذكره في نفس الصفحة بهذا الوجه والله أعلم.

72- جاء في "المجمع" (4/18) : يحي بن الحسن الخشني.

قلت: يبدو لي أنه "الحسن بن يحي الخشني" حيث هو ضعيف وقد وثقه جماعة. كما قال الهيثمي. انظر "التهذيب" (2/ 326) . وراجع "المجمع" (1/249) . وأما يحي بن الحسن الخشني فلم أجد له ترجمة.
বর্ণ ‘ইয়া’

৭০- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৪/১১৮) এসেছে: ইয়াহইয়া বিন আহমাদ আল-কুফি আল-আহওয়াল।

আমি বলছি: সম্ভবত এটি হবে "আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আল-কুফি আল-আহওয়াল", এবং "আল-মিজান" (১/৬২) ও অন্যান্য গ্রন্থে তার জীবনী রয়েছে। আর হাইসামি যা উল্লেখ করেছেন, তার কোনো জীবনী আমি খুঁজে পাইনি।

৭১- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (১০/১১১) এসেছে: ইয়াহইয়া বিন ইসহাক বিন তালহা।

আমি বলছি: আমার কাছে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি হলেন "ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন তালহা", এবং একই পৃষ্ঠায় তিনি তাকে এভাবেও উল্লেখ করেছেন। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

৭২- "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৪/১৮) এসেছে: ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান আল-খুশানি।

আমি বলছি: আমার কাছে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি হলেন "আল-হাসান বিন ইয়াহইয়া আল-খুশানি", কারণ তিনি দুর্বল তবে একদল মুহাদ্দিস তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, যেমনটি হাইসামি উল্লেখ করেছেন। দেখুন: "আত-তাহযিব" (২/৩২৬) এবং "আল-মাজমা" (১/২৪৯) দ্রষ্টব্য। আর ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান আল-খুশানি নামক ব্যক্তির কোনো জীবনী আমি খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ১) তানবীহাতুন আলা তাহরীফাতিন ওয়া তাছহীফাতিন ফী কিতাবি মাজমাউয যাওয়াইদি ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ (পৃষ্ঠা: ১৩২)
‌‌الكنى

73- جاء في "المجمع" (9/ 386) : أبو عبيدة بن الفضل.

قلت: صوابه "أبو عبيدة بن الفضيل" وانظر "اللسان" (7/79) . و"الميزان" (4/549) و"المجمع" (10/205) .

74- جاء في "المجمع" (15/382) : أبو علي بن أبي سارة.

قلت: صوابه "علي بن أبي سارة" كما في "مسند أبي يعلى" (1/ ق 166) مصورة عن نسخة الشيخ بديع الدين الراشدي. باكستان.

75- جاء في "المجمع" (6/291) : أبو معاذ سليم بن أرقم.

قلت: صوابه "أبو معاذ سليمان بن أرقم" كما في "الميزان" (4/574) والتهذيب (4/168) وانظر "المجمع" (5/92) و (4/286) وغير ذلك.
উপনামসমূহ

৭৩- "আল-মাজমা" (৯/৩৮৬) গ্রন্থে এসেছে: আবু উবায়দাহ বিন আল-ফাদল।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবু উবায়দাহ বিন আল-ফুদাইল"। দেখুন: "আল-লিসান" (৭/৭৯), "আল-মিজান" (৪/৫৪৯) এবং "আল-মাজমা" (১০/২০৫)।

৭৪- "আল-মাজমা" (১৫/৩৮২) গ্রন্থে এসেছে: আবু আলী বিন আবি সারাহ।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আলী বিন আবি সারাহ", যেমনটি পাকিস্তানের শায়খ বদিউদ্দীন আল-রাশেদির নিকট সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপির ফটোকপি "মুসনাদে আবি ইয়ালা" (১/ পৃষ্ঠা ১৬৬)-তে রয়েছে।

৭৫- "আল-মাজমা" (৬/২৯১) গ্রন্থে এসেছে: আবু মুয়াজ সুলায়ম বিন আরকাম।

আমি বলছি: এর সঠিক রূপ হলো "আবু মুয়াজ সুলায়মান বিন আরকাম", যেমনটি "আল-মিজান" (৪/৫৭৪) এবং "আত-তাহজিব" (৪/১৬৮)-এ বর্ণিত হয়েছে। আরও দেখুন: "আল-মাজমা" (৫/৯২), (৪/২৮৬) এবং অন্যান্য উৎস।